Tag: bjp

bjp

  • Rajya Sabha Results 2026: রাজ্যসভা নির্বাচনে বিজেপির জয়জয়কার, ১১-র মধ্যে ৯টিতে জয়ী এনডিএ প্রার্থীরা

    Rajya Sabha Results 2026: রাজ্যসভা নির্বাচনে বিজেপির জয়জয়কার, ১১-র মধ্যে ৯টিতে জয়ী এনডিএ প্রার্থীরা

    মাধ্যম নিউজ ডেস্ক: রাজ্যসভা নির্বাচনে (Rajya Sabha Results 2026) প্রত্যাশামতোই সফল বিজেপি-সহ এনডিএ প্রার্থীরা। ২০২৬ সালের রাজ্যসভা নির্বাচন ভারতীয় রাজনীতিতে এক বড় মোড় এনে দিল। ক্রস-ভোটিং এবং বহু বিধায়কের অনুপস্থিতিও লক্ষ্যনীয়। এনডিএ ১১টির মধ্যে ৯টি আসন জয়লাভ (NDA Wins in Rajya Sabha) করে। অন্যদিকে, ভারতের জাতীয় কংগ্রেস এবং বিজু জনতা দল মাত্র একটি করে আসন জিততে সক্ষম হয়েছে, যা বিরোধী জোটের জন্য বড় ধাক্কা হিসেবে দেখা হচ্ছে। দেশের মোট ১০ টি রাজ্যে রাজ্যসভার ৩৭ টি আসন শূন্য হয়েছে৷ এর মধ্যে পশ্চিমবঙ্গ-সহ বেশ কয়েকটি রাজ্যে প্রার্থীর সংখ্যা আসনের সমান থাকায়, বিনা প্রতিদ্বন্দ্বিতায় ২৬ জন সাংসদ নির্বাচিত হয়েছেন ৷ বাকি যে ১১ জন প্রার্থী রয়েছেন, তাঁদের ভাগ্য নির্ধারণের জন্যই সোমবার সকাল ৯টা থেকে শুরু হয়েছিল ভোটগ্রহণ ৷ বিকেল ৪টে পর্যন্ত ভোটগ্রহণ পর্ব চলে ৷ গণনা শুরু হয় বিকেল ৫টা থেকে ৷ এদিনের প্রার্থীদের মধ্যে ৫ জন বিহারের, ৪ জন ওড়িশার এবং ২ জন হরিয়ানার৷

    রাজ্যভিত্তিক ফলাফল

    বিহার: ৫টির মধ্যে ৫টি আসনই এনডিএর দখলে

    বিহারে নাটকীয় লড়াইয়ে এনডিএ সবকটি ৫টি আসন জিতে নেয়। বিরোধী শিবিরের একাধিক বিধায়কের অনুপস্থিতি এবং কৌশলগত ভোট ব্যবস্থাপনা এই জয়ে গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা রাখে।

    বিজয়ীরা:

    • নিতিন নবীন (বিজেপি)
    • শিভেশ রাম (বিজেপি)
    • নীতিশ কুমার (জনতা দল ইউনাইটেড)
    • রামনাথ ঠাকুর (জনতা দল ইউনাইটেড)
    • উপেন্দ্র কুশওয়াহা (আরএলএসএম)

    আরজেডির প্রার্থী অমরেন্দ্র ধারি সিং প্রয়োজনীয় ভোট না পাওয়ায় পরাজিত হন।

    ওড়িশা: বিজেপির উত্থান, একটি আসন ধরে রাখল বিজেডি

    ৪টি আসনের মধ্যে বিজেপি ৩টি আসনে জয় পায়, আর বিজেডি একটি আসন ধরে রাখে।

    বিজয়ীরা:

    • মনমোহন সামাল (বিজেপি)
    • সুজিত কুমার (বিজেপি)
    • দিলীপ রায় (স্বতন্ত্র, বিজেপি সমর্থিত)
    • সন্তরুপ্ত মিশ্র (বিজেডি)

    এখানে কংগ্রেস ও বিজেডির বেশ কয়েকজন বিধায়কের ক্রস-ভোটিং বিজেপির পক্ষে ফল ঘুরিয়ে দেয়।

    হরিয়ানা: বিতর্কের মাঝে ভাগাভাগি ফল

    হরিয়ানায় ভোট গণনা নিয়ে বিতর্কের জেরে প্রায় ৬ ঘণ্টা দেরি হয়। শেষ পর্যন্ত একটি আসন বিজেপি এবং একটি কংগ্রেস পায়।

    বিজয়ীরা:

    • সঞ্জয় ভাটিয়া (বিজেপি)
    • করমবীর বৌধ (কংগ্রেস)

    ক্রস-ভোটিং- ওড়িশা, হরিয়ানায় বিতর্ক

    এই নির্বাচনে (Rajya Sabha Results 2026) কয়েকটি বড় বিষয় ফলাফলে নির্ধারক ভূমিকা নিয়েছে— বিহারে কংগ্রেস ও আরজেডির একাধিক বিধায়ক ভোট দেননি। ওডিশায় অন্তত ১১ জন বিধায়ক ক্রস-ভোটিং করেন। হরিয়ানায় ভোটের বৈধতা নিয়ে বিরোধ সৃষ্টি হয়। রাজ্যসভা নির্বাচনে এ বার ‘ক্রস ভোটিং’-এর সাক্ষী হয়েছে ওড়িশা। সোমবার পশ্চিমবঙ্গের পড়শি রাজ্যে চারটি আসনে ভোট ছিল। তার মধ্যে তিনটিতে জয়ী হয়েছে বিজেপি। একটিতে প্রাক্তন মুখ্যমন্ত্রী নবীন পট্টনায়েকের দলের প্রার্থী। বিজেডি এবং কংগ্রেসের ১১ জন বিধায়ক বিজেপি প্রার্থীকে ভোট দিয়েছেন বলে অভিযোগ। পরিষদীয় পাটিগণিতের হিসাবে সে রাজ্যের দু’টি রাজ্যসভা আসনে বিজেপি প্রার্থীদের (NDA Wins in Rajya Sabha) জয় নিশ্চিত ছিল। আর একটি আসন থেকে নিজেদের প্রার্থীকে রাজ্যসভায় পাঠানো নিশ্চিত ছিল নবীনের দল বিজেডি-র। গোল বেধেছিল চতুর্থ আসন নিয়ে। এই আসনে বিজেপির জয় আটকাতে কংগ্রেসের সঙ্গে বোঝাপড়া করেছিল বিজেডি। দুই দলের ঐকমত্যের ভিত্তিতে এই চতুর্থ আসনে প্রার্থী করেছিল ওড়়িশার বিশিষ্ট চিকিৎসক দত্তেশ্বর হোতাকে। অন্য দিকে, চতুর্থ আসনে বিজেপি প্রার্থী করেছিল প্রাক্তন কেন্দ্রীয় মন্ত্রী তথা শিল্পপতি দিলীপ রায়কে। ওই আসনে দ্বিতীয় পছন্দের ভোটে দত্তেশ্বরকে হারিয়ে জিতেছেন দিলীপ। ওড়িশার চারটির পাশাপাশি বিহারের ছ’টি এবং হরিয়ানার দু’টি রাজ্যসভা আসনেও ভোট হয়েছে সোমবার। হরিয়ানায় ভোটপর্ব শেষের পরে অনিয়মের অভিযোগ দুই কংগ্রস বিধায়কের ভোট বাতিলের দাবি তুলেছে বিজেপি। অন্যদিকে, বিজেপির অনিল ভিজের ভোট বাতিলের দাবি জানানো হয়েছে কংগ্রেসের তরফে।

    বাকি ২৬ আসনে বিনা প্রতিদ্বন্দ্বিতা

    রাজ্যসভার ৩৭ সাংসদের (Rajya Sabha Results 2026) মেয়াদ শেষ হচ্ছে আগামী এপ্রিল মাসে৷ এর মধ্যে রয়েছে পশ্চিমবঙ্গ, অসম, বিহার, ছত্তিশগড়, হরিয়ানা, হিমাচল প্রদেশ, তামিলনাড়ু, তেলঙ্গানা, মহারাষ্ট্র এবং ওড়িশা৷ বিনা প্রতিদ্বন্দ্বিতায় যে সাংসদরা নির্বাচিত হয়েছেন, তাঁরা হলেন বিজেপির সাত সাংসদ, কংগ্রেস পাঁচ, তৃণমূল কংগ্রেসের চার, ডিএমকে তিন এবং শিবসেনা, আরপিআই (এ), এনসিপি, এনসিপি (এসপি), এআইএডিএমকে, পিএমকে, ইউপিপিএল একজন করে সাংসদ নির্বাচিত হয়েছেন। পশ্চিমবঙ্গ থেকে ৫ আসনের মেয়াদ শেষ হয়েছিল৷ তার মধ্যে তৃণমূল কংগ্রেসের চারপ্রার্থী বিনা প্রতিদ্বন্দ্বিতায় জয়ী হয়েছেন ৷ বিজেপির তরফে বিনা প্রতিদ্বন্দ্বিতায় জয়ী হয়েছেন একজন৷

    বিনা প্রতিদ্বন্দ্বিতায় জয়ীরা: রামদাস আথাওয়ালে, বিনোদ তাওড়ে, শরদ পাওয়ার, রামরাও ওয়াদকুতে, মায়া ইভনাতে, জ্যোতি ওয়াঘমারে, পার্থ পাওয়ার, অভিষেক মনু সিংভি, বাবুল সুপ্রিয়, রাজীব কুমার, মেনকা গুরুস্বামী, কোয়েল মল্লিক, রাহুল সিন‍্‍হা, জোগেন মোহন তেরশ, গোওয়ালা প্রমোদ বরো, ভেম নরেন্দ্র রেড্ডি, এম থাম্বুদাঁস, তিম্বুরা, তিম্বুরা সিনহা, রবীন্দ্রন এম ক্রিস্টোফার তিলক, এল কে সুদেশ, লক্ষ্মী ভার্মা, ফুলো দেবী নেতাম, অনুরাগ শর্মা৷

  • WB Assembly Election 2026: বিজেপির প্রথম দফার প্রার্থী তালিকা, কে, কোন কেন্দ্রে?

    WB Assembly Election 2026: বিজেপির প্রথম দফার প্রার্থী তালিকা, কে, কোন কেন্দ্রে?

    মাধ্যম নিউজ ডেস্ক: রবিবারই বাংলায় নির্বাচনের (WB Assembly Election 2026) নির্ঘণ্ট ঘোষণা করেছেন মুখ্য নির্বাচন কমিশনার জ্ঞানেশ কুমার। সোমবারই প্রথম দফায় ১৪৪ জন প্রার্থীর নাম ঘোষণা করে দিল বিজেপি (BJP)। মাধ্যম আগেই জানিয়েছিল যে রাজ্যের বিরোধী দলনেতা এবার ভবানীপুরের পাশাপাশি আরও একটি কেন্দ্র প্রতিদ্বন্দ্বিতা করতে পারেন। এদিন প্রার্থী তালিকায়ই দেখা গেল সেই ছবি। এক ঝলকে দেখে নেওয়া যাক পদ্ম সৈনিকদের কে, কোন আসনে লড়ছেন।

    উত্তরবঙ্গে কে, কোন আসনে (WB Assembly Election 2026)

    • কোচবিহার উত্তরে  সুকুমার রায়
    • শীতলকুচিতে সাবিত্রী বর্মন
    • দিনহাটায় অজয় রায়
    • তুফানগঞ্জে  মালতি রাভা রায়
    • কুমারগ্রামে মনোজ কুমার ওরাওঁ
    • কালচিনিতে বিশাল লামা
    • আলিপুরদুয়ারে পরিতোষ দাস
    • ফালাকাটায় দীপক বর্মন
    • ডাবগ্রাম-ফুলবাড়িতে শিখা চট্টোপাধ্যায়
    • নাগরাকাটায় পুনা ভেংরা
    • মাটিগাড়া-নকশালবাড়িতে আনন্দময় বর্মন
    • শিলিগুড়িতে শঙ্কর ঘোষ
    • ফাঁসিদেওয়ায় দুর্গা মুর্মু
    • গোয়ালপোখরে সরজিৎ বিশ্বাস
    • চাকুলিয়ায় মনোজ জৈন (WB Assembly Election 2026)
    • করণদিঘিতে বিরাজ বিশ্বাস
    • কালিয়াগঞ্জে উৎপল মহারাজ
    • রায়গঞ্জে কৌশিক চৌধুরী
    • কুশমন্ডিতে তাপস চন্দ্র রায়
    • কুমারগঞ্জে শুভেন্দু সরকার
    • বালুরঘাটে বিদ্যুৎ রায়
    • তপনে বুধরাই টুডু (BJP)
    • গঙ্গারামপুরে সত্যেন্দ্রনাথ রায়
    • হরিরামপুরে দেবব্রত মজুমদার
    • হাবিবপুরে জোয়েল মুর্মু
    • গাজোলে তন্ময় দেব বর্মন
    • চাঁচলে রতন দাস
    • মালতিপুরে আশিস দাস
    • রতুয়ায় অভিষেক সিংহানিয়া
    • মানিকচকে গৌর চন্দ্র মন্ডল
    • মালদায় গোপাল চন্দ্র সাহা
    • মোথাবাড়িতে নিবারণ ঘোষ

    দক্ষিণে গেরুয়া সৈনিকরা

    • সুজাপুরে অভিরাজ চৌধুরী
    • সুতিতে মহাবীর ঘোষ
    • রঘুনাথগঞ্জে সুরজিৎ পোদ্দার
    • লালগোলায় অমর কুমার দাস
    • ভগবানগোলায় ভাস্কর সরকার
    • মুর্শিদাবাদে গৌরী শঙ্কর ঘোষ
    • রেজিনগরে বাপন ঘোষ
    • বেলডাঙ্গায় ভরত কুমার ঝাওয়ার
    • বহরমপুরে সুব্রত মৈত্র
    • হরিহরপাড়ায় তন্ময় বিশ্বাস
    • নওদায় রানা মন্ডল
    • ডোমকলে নন্দ দুলাল পাল
    • জলঙ্গিতে নবকুমার সরকার
    • করিমপুরে অমরেন্দ্রনাথ ঘোষ
    • পলাশিপাড়ায় অনিমা দত্ত
    • কালীগঞ্জে বাপন ঘোষ
    • রানাঘাট উত্তর পশ্চিমে পার্থসারথি চট্টোপাধ্যায়
    • রানাঘাট উত্তর পূর্বে অসীম বিশ্বাস
    • চাকদহে বঙ্কিম চন্দ্র ঘোষ
    • হরিণঘাটায় অসীম কুমার সরকার
    • বাদুড়িয়ায় সুকৃতি সরকার
    • আমডাঙায় অরিন্দম দে
    • নৈহাটিতে সৌমিত্র চট্টোপাধ্যায়
    • ভাটপাড়ায় পবন কুমার সিং
    • বরানগরে সজল ঘোষ

    দক্ষিণবঙ্গের আরও তালিকা

    • দেগঙ্গায় তরুণকান্তি ঘোষ
    • বসিরহাটে উত্তরে নারায়ণচন্দ্র মন্ডল (BJP)
    • বাসন্তীতে বিকাশ সর্দার
    • কুলতলিতে মাধবী মহলদার
    • পাথরপ্রতিমায় অসিত কুমার হালদার
    • কাকদ্বীপে দীপঙ্কর জানা
    • রায়দিঘিতে পলাশ রানা
    • ক্যানিং পূর্বে অসীম সাঁপুই
    • ডায়মন্ড হারবারে দীপক কুমার হালদার
    • বিষ্ণুপুরে অগ্নিশ্বর নস্কর
    • বজবজে তরুণ কুমার আদক
    • মেটিয়াবুরুজে বীর বাহাদুর সিং
    • ভবানীপুরে শুভেন্দু অধিকারী
    • রাসবিহারীতে স্বপন দাশগুপ্ত
    • হাওড়া উত্তরে উমেশ রায়
    • শিবপুরে রুদ্রনীল ঘোষ
    • উলুবেড়িয়া দক্ষিণে স্বামী মঙ্গলানন্দ পুরী মহারাজ
    • আমতায় অমিত সামন্ত
    • ডোমজুড়ে গোবিন্দ হাজরা

    হুগলিতে কারা 

    • সপ্তগ্রামে স্বরাজ ঘোষ
    • তারকেশ্বরে সন্তু পান
    • পুরশুড়ায় বিমান ঘোষ
    • আরামবাগে হেমন্ত বাগ
    • গোঘাটে প্রশান্ত দিঘর
    • খানাকুলে সুশান্ত ঘোষ
    • পাশকুঁড়া পূর্বে সুব্রত মাইতি
    • পাশকুঁড়া পশ্চিমে সিন্টু সেনাপতি
    • ময়নায় অশোক দিন্দা
    • মহিষাদলে সুভাষ পাঞ্জা
    • হলদিয়ায় প্রদীপ কুমার বিজলি
    • নন্দীগ্রামে শুভেন্দু অধিকারী
    • পটাশপুরে তপন মাইতি
    • কাঁথি উত্তরে সুমিতা সিনহা
    • কাঁথি দক্ষিণে অরূপ কুমার দাস
    • রামনগরে চন্দ্রশেখর মন্ডল
    • দাঁতনে অজিত কুমার জানা

    পশ্চিম মেদিনীপুরে বিজেপির বাজি

    • নয়াগ্রামে অমিয় কিস্কু
    • গোপীবল্লভপুরে রাজেশ মাহাতো
    • ঝাড়গ্রামে লক্ষ্মীকান্ত সাহু
    • কেশিয়াড়িতে ভদ্র হেমব্রম
    • খড়গপুর সদরে দিলীপ ঘোষ
    • নারায়ণগড়ে রামপ্রসাদ গিরি
    • সবংয়ে  অমল পান্ডা
    • খড়গপুরে তপন ভূঁইয়া
    • ডেবরায় শুভাশিস ওম
    • দাসপুরে তপন দত্ত
    • ঘাটালে শীতল কপাট
    • চন্দ্রকোণায় সুকান্ত দলুই
    • শালবনীতে বিমান মাহাতো
    • কেশপুরে শুভেন্দু সামন্ত
    • বিনপুরে প্রণত টুডু

    বাঁকুড়া-পুরুলিয়ায় কারা

    • বান্দোয়ানে লবসেন বাস্কে
    • বলরামপুরে জলধর মাহাতো
    • মানবাজারে ময়না মুর্মু
    • কাশীপুরে কমলকান্ত হাঁসদা
    • পাড়া নদিয়ার চাঁদ বাউরি
    • রঘুনাথপুরে মামণি বাউরি
    • শালতোড়ায় চন্দনা বাউরি
    • ছাতনায় সত্যনারায়ণ মুখোপাধ্যায়
    • রানিবাঁধে ক্ষুদিরাম টুডু
    • রায়পুরে ক্ষেত্রমোহন হাঁসদা
    • তালডাংরায় সৌভিক পাত্র
    • বড়জোড়ায় বিলেশ্বর সিংহ
    • ওন্দায় অমরনাথ শাখা
    • কোতুলপুরে লক্ষ্মীকান্ত মজুমদার
    • ইন্দাসে নির্মল কুমার ধাড়া
    • সোনামুখীতে দিবাকর ঘরামি
    • রায়নায় সুভাষ পাত্র
    • জামালপুরে অরুণ হালদার
    • মন্তেশ্বরে সৈকত পাঁজা
    • বর্ধমান উত্তরে সঞ্জয় দাস
    • ভাতাড়ে সৌমেন করফা
    • কেতুগ্রামে অনাদি ঘোষ (মথুরা)
    • আউশগ্রামে কলিতা মাজি
    • পাণ্ডবেশ্বরে জিতেন্দ্র কুমার তিওয়ারি
    • দুর্গাপুর পূর্বে চন্দ্র শেখর ব্যানার্জি
    • দুর্গাপুর পশ্চিমে লক্ষ্মণ চন্দ্র ঘোড়ুই
    • জামুড়িয়ায় বিজন মুখার্জি
    • আসানসোল দক্ষিণে অগ্নিমিত্রা পাল
    • আসানসোল উত্তরে কৃষ্ণেন্দু মুখোপাধ্যায়
    • কুলটিতে অজয় কুমার পোদ্দার
    • দুবরাজপুরে অনুপ কুমার সাহা
    • সিউড়িতে জগন্নাথ চট্টোপাধ্যায়
    • বোলপুরে দিলীপ কুমার ঘোষ
    • নানুরে খোকন দাস
    • ময়ূরেশ্বরে দুধ কুমার মন্ডল
    • হাঁসনে নিখিল ব্যানার্জি

    প্রসঙ্গত, তৃণমূল সুপ্রিমো তথা রাজ্যের মুখ্যমন্ত্রী মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়কে হারাতে মরিয়া রাজ্যের বিরোধী দলনেতা শুভেন্দু অধিকারী। সেই কারণেই নন্দীগ্রামের পাশাপাশি তাঁকে প্রার্থী করা হয়েছে ভবানীপুরে। এই কেন্দ্রেই তৃণমূলের মুখ্যমন্ত্রী পদপ্রার্থী তথা বিদায়ী মুখ্যমন্ত্রী মমতা লড়বেন (WB Assembly Election 2026)।

     

  • Election 2026: ভোটের ঢাকে পড়ল কাঠি, রাজ্যে দু’দফায় নির্বাচন, মডেল কোড অফ কন্ডাক্ট লাগু

    Election 2026: ভোটের ঢাকে পড়ল কাঠি, রাজ্যে দু’দফায় নির্বাচন, মডেল কোড অফ কন্ডাক্ট লাগু

    মাধ্যম নিউজ ডেস্ক: চার রাজ্য ও একটি কেন্দ্রশাসিত অঞ্চলে বিধানসভা নির্বাচনের (Election 2026) সূচি ঘোষণা করে দিল ভারতের নির্বাচন কমিশন (Election Commission)। এই রাজ্যগুলি হল পশ্চিমবঙ্গ (২৩ ও ২৯ এপ্রিল), তামিলনাড়ু (২৩ এপ্রিল), কেরল (৯ এপ্রিল), অসম (৯ এপ্রিল) এবং পুদুচেরি (৯ এপ্রিল)। ভোট গণনা হবে ৪ মে। কমিশনের এই ঘোষণার মাধ্যমে একটি বড় নির্বাচন প্রক্রিয়া শুরু হয়ে গেল, যার মাধ্যমে প্রায় ৮২৪টি আসনে ভাগ্য নির্ধারিত হবে প্রার্থীদের।

    মুখ্য নির্বাচন কমিশনারের ঘোষণা (Election 2026)

    রবিবার বিকেলে দিল্লিতে সাংবাদিক সম্মেলনে মুখ্য নির্বাচন কমিশনার জ্ঞানেশ কুমার জানান, প্রায় ১৭.৪ কোটি মানুষ এই নির্বাচনে অংশ নেবেন। এর মধ্যে অসমে ২.৫০ কোটি, কেরলে ২.৭০ কোটি, পুদুচেরিতে ৯.৪৪ লাখ, তামিলনাড়ুতে ৫.৬৭ কোটি এবং পশ্চিমবঙ্গে ৬.৪৪ কোটি ভোটার রয়েছেন। তিনি বলেন, “২০টি দেশের নির্বাচন কমিশনের প্রতিনিধিরা ভারতের গণতান্ত্রিক প্রক্রিয়া পর্যবেক্ষণ করতে এবং তা থেকে শিক্ষা নিতে ভারতে আসবেন।” নির্বাচনী নির্ঘণ্ট ঘোষণার সঙ্গে সঙ্গেই পাঁচটি ভোটমুখী রাজ্যে মডেল কোড অব কন্ডাক্ট (Model Code of Conduct) কার্যকর হয়ে গেল বলেও জানান তিনি। পশ্চিমবঙ্গে মুখ্যমন্ত্রী মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়ের তৃণমূল কংগ্রেস টানা চতুর্থবার ক্ষমতায় ফেরার চেষ্টা করছে। আর অন্যদিকে বিজেপি তৃণমূলকে ক্ষমতা থেকে সরাতে মরিয়া। রাজ্যে মোট ২৯৪টি বিধানসভা আসন রয়েছে।

    নির্বাচন আরও তিন রাজ্যেও

    তামিলনাড়ুতে মুখ্যমন্ত্রী এমকে স্টালিনের নেতৃত্বাধীন ডিএমকের সেক্যুলার প্রোগ্রেসিভ অ্যালায়েন্স মুখোমুখি হচ্ছে বিজেপি–এআইএডিএমকে জোটের। সেখানে মোট ২৩৪টি বিধানসভা আসন রয়েছে। কেরলে বাম গণতান্ত্রিক ফ্রন্ট (LDF) সরকার পুনর্নির্বাচিত হওয়ার চেষ্টা করছে কংগ্রেস নেতৃত্বাধীন ইউনাইটেড ডেমোক্র্যাটিক ফ্রন্ট (UDF)-এর বিরুদ্ধে (Election Commission)। অসমে বিজেপি নেতা তথা মুখ্যমন্ত্রী হিমন্ত বিশ্ব শর্মা দ্বিতীয়বারের জন্য ক্ষমতায় আসতে চাইছেন। পুদুচেরিতে মুখ্যমন্ত্রী এন রঙ্গাস্বামীর এআইএনআরসির মুখোমুখি হচ্ছে ডিএমকে–কংগ্রেস জোট।

    কমিশনের কড়া বার্তা

    এদিকে, ভুয়ো তথ্য ও ডিপফেক ভিডিও ছড়ানোর বিরুদ্ধেও কড়া বার্তা দিয়ে রাখল কমিশন। জ্ঞানেশ জানান, এই বিষয়টি নজর রাখবেন নোডাল অফিসাররা। এই ধরনের ভুয়ো তথ্য বা ভিডিও সোশ্যাল মিডিয়ায় মুছে ফেলা এবং এফআইআর দায়ের করার জন্য প্রয়োজনীয় পদক্ষেপ করবেন তাঁরা। রাজ্যের বিদায়ী মন্ত্রী শশী পাঁজার বাড়িতে হামলার অভিযোগ প্রসঙ্গে এক প্রশ্নের উত্তরে মুখ্য নির্বাচন কমিশনার বলেন, “আদর্শ আচরণবিধি এখন থেকে কার্যকর হচ্ছে। এর পর এমন কোনও ঘটনা ঘটলে, সেই অনুযায়ী পদক্ষেপ করবে কমিশন।” অতিরিক্ত ভোটার তালিকা প্রসঙ্গে তিনি বলেন, “সুপ্রিম কোর্টের নির্দেশ মোতাবেক হাইকোর্টের তত্ত্বাবধানে কাজ করছেন (Election 2026) বিচারকরা।  অতিরিক্ত তালিকা প্রকাশিত হলে, সেই তালিকার নামগুলি বর্তমান ভোটারদের সঙ্গে যুক্ত করা হবে।” তিনি জানান, বিবেচনাধীন থাকা নামগুলি খতিয়ে দেখছেন বিচারবিভাগীয় আধিকারিকরা। তাঁরা যে নামগুলিকে অনুমোদন দেবেন, সেগুলি চূড়ান্ত ভোটার তালিকার সঙ্গে যুক্ত করা হবে (Election Commission)।

    নির্বাচন কমিশনের হিসেব অনুযায়ী, পশ্চিমবঙ্গে আপাতত ভোটার রয়েছেন ৬ কোটি ৪৪ লাখ। এর মধ্যে পুরুষ ৩ কোটি ২৮ লাখ, মহিলা ৩ কোটি ১৬ লাখ এবং তৃতীয় লিঙ্গের ভোটার রয়েছেন ১ হাজার ১৫২জন। উল্লেখ্য যে, বঙ্গের মোট ২৯৪টি আসনের মধ্যে প্রথম দফায় নির্বাচন হবে ১৫২টিতে, দ্বিতীয় তথা শেষ দফায় নির্বাচন হবে ১৪২টি আসনে (Election 2026)।

     

  • PM Modi: “বাংলায় মহাজঙ্গলরাজ শেষ হবে”, ব্রিগেড থেকে বঙ্গবাসীকে কী কী গ্যারান্টি দিয়ে গেলেন মোদি?

    PM Modi: “বাংলায় মহাজঙ্গলরাজ শেষ হবে”, ব্রিগেড থেকে বঙ্গবাসীকে কী কী গ্যারান্টি দিয়ে গেলেন মোদি?

    মাধ্যম নিউজ ডেস্ক: “আমার প্রিয় পশ্চিমবঙ্গবাসী ভাই ও বোনেরা আমার অন্তরের অন্তঃস্থল থেকে সশ্রদ্ধ প্রণাম। বাংলার ঐতিহাসিক মাটি, এই ব্রিগেড প্যারেড (Brigade Rally) গ্রাউন্ড আর বাংলার মানুষের ঐতিহাসিক জমায়েত। যত দূর আমার চোখ যাচ্ছে, শুধুই লোক আর লোক দেখা যাচ্ছে। একটা অদ্ভুত দৃশ্য। আপনাদের এই উৎসাহ দেখেই বোঝা যাচ্ছে, বাংলার মানুষের মনে কী চলছে। যাঁরা দেখার, তাঁরা এই ছবিটা দেখুন।” শনিবার ব্রিগেডে নাগাড়ে কথাগুলি বলে গেলেন প্রধানমন্ত্রী নরেন্দ্র মোদি (PM Modi)।

    ১৮ হাজার ৮৬০ কোটি টাকার প্রকল্প (PM Modi)

    প্রথমে ব্রিগেডের সরকারি মঞ্চ থেকে বাংলার জন্য ১৮ হাজার ৮৬০ কোটি টাকার প্রকল্পের শিলান্যাস ও উদ্বোধন করেন প্রধানমন্ত্রী। বাংলার জন্য একাধিক প্রকল্পের উদ্বোধন করে প্রধানমন্ত্রী বলেন, “আজ কলকাতার মাটি থেকে পশ্চিমবঙ্গ ও পূর্ব ভারতের বিকাশের নয়া অধ্যায় শুরু হচ্ছে। সড়ক, রেলওয়ে এবং বন্দর পরিকাঠামোর সঙ্গে যুক্ত ১৮ হাজার কোটি টাকারও বেশি প্রকল্পের শিলান্যাস ও উদ্বোধন হল। বাংলার উন্নয়নে নয়া দিশা দেখাবে এই প্রকল্পগুলি। লাখ লাখ মানুষের জীবন সহজ ও সুন্দর হবে। নয়া সুযোগ মিলবে। খড়্গপুর-মৌরিগ্রাম এক্সপ্রেসওয়ে সম্পূর্ণ হলে রাজ্যের অনেকাংশে আর্থিক উন্নতি হবে। দুবরাজপুর বাইপাস, কংসাবতী, শিলাবতী নদীর ওপর যে সেতু তৈরি হবে, তাতে যোগাযোগ ব্যবস্থার উন্নতি হবে। পশ্চিমবঙ্গ-সহ পূর্ব ভারতের জনগণকে শুভেচ্ছা।” ৬টি অমৃত ভারত স্টেশনের উদ্বোধন করে প্রধানমন্ত্রী বলেন, “আজ কামাখ্যাগুড়ি, আনারা, তমলুক, হলদিয়া, বীরভূম এবং সিউড়ি- এই ছয় স্টেশন অমৃত স্টেশন করা হচ্ছে। হলদিয়া ডক ও কলকাতা ডকের সংস্কার করা হচ্ছে। খিদিরপুর ডকেও কার্গো হ্যান্ডেলিং বাড়ানোর ওপর নজর দেওয়া হচ্ছে। এই প্রকল্পগুলির ফলে পূর্ব ভারতে লজিস্টিক সিস্টেমের আরও উন্নতি হবে।”

    বাংলা থেকে মহাজঙ্গলরাজ শেষ হবে

    প্রশাসনিক সভা শেষে হয় রাজনৈতিক সভা। সেখানে ভাষণ দিতে গিয়ে রাজ্য সরকারকে নিশানা করেন প্রধানমন্ত্রী। বলেন, “বাংলা থেকে নির্মম সরকারের বিদায় হবে। বাংলায় মহাজঙ্গলরাজ শেষ হবে। বাংলার বিভিন্ন প্রান্ত থেকে আওয়াজ উঠছে, চাই বিজেপি সরকার, চাই বিজেপি সরকার।” তিনি বলেন, “আজ এই সভা আটকানোর জন্য নির্মম সরকার সব হাতিয়ার ব্যবহার করতে চেয়েছে। ব্রিজ বন্ধ করে দেওয়া হয়েছে, গাড়ির ওপর হামলা করা হয়েছে, ট্রাফিক জ্যাম করেছে, পোস্টার ছিঁড়ে দিয়েছে। এত কিছু করেও নির্মম সরকার জনপ্লাবণ আটকাতে পারেনি। বাংলায় মহাজঙ্গলরাজের পতনের কাউন্টডাউন শুরু হয়ে গিয়েছে।”

    তৃণমূল সরকারের আমলে নিয়োগ দুর্নীতি হচ্ছে

    তিনি বলেন, “এক সময় বাংলা গোটা ভারতের বিকাশে সাহায্য করত। শিল্প-বাণিজ্যে সবার আগে ছিল বাংলা। কিন্তু এখন (PM Modi) বাংলার যুবরা ডিগ্রি নিতে পারছে না। রোজগার হচ্ছে না। চাকরি নেই। কাজের জন্য অন্য রাজ্যে পালাতে হচ্ছে। প্রথমে কংগ্রেস, পরে কমিউনিস্ট এবং এখন তৃণমূল – এরা বাংলায় এসেছে, শুধু পকেট ভরেছে। আর বাংলা ক্রমশ পিছিয়ে যাচ্ছে (Brigade Rally)। তৃণমূল সরকারের আমলে নিয়োগ দুর্নীতি হচ্ছে। খোলা বাজারে বিক্রি করা হচ্ছে চাকরি। এখন সময় এসেছে বদলানোর। যুবরা যাতে বাংলার উন্নতিতে নেতৃত্ব দেয়, এই স্বপ্ন আপনার। আর এই স্বপ্ন পূরণ করাই মোদির গ্যারেন্টি।” তিনি বলেন, “রামকৃষ্ণ পরমহংসদেব, ঈশ্বরচন্দ্র বিদ্যাসাগর থেকে শুরু করে রবীন্দ্রনাথ ঠাকুর, রানি রাসমণিদের মতো মহান ব্যক্তিরা যে বাংলার পরিকল্পনা করেছিলেন, বিজেপি সেই বাংলাই নতুন করে নির্মাণ করবে। বাংলার উন্নতি সঠিক নীতিতে হবে। বাংলায় এখন আমাদের সরকার নেই। কিন্তু তাও কেন্দ্রীয় সরকারের সাহায্যে বিজেপি বাংলার উন্নতির চেষ্টা করে চলেছে।”

    বাংলার উন্নয়নে ব্রেক কষে রেখেছে সরকার

    রাজ্য সরকারকে নিশানা করে প্রধানমন্ত্রী বলেন, “নির্মম সরকার বাংলার উন্নয়নে ব্রেক কষে রেখেছে। কেন্দ্রের সূর্যঘর প্রকল্প চালু করতে দিচ্ছে না। তৃণমূল চায় না, বাংলার মানুষের বিদ্যুৎ বিল শূন্য হোক। চা শ্রমিকরাও প্রকল্পের সুবিধা পাচ্ছেন না। আয়ুষ্মান প্রকল্পে ৫ লাখ করে টাকা পাচ্ছেন দেশের কোটি কোটি মানুষ। কিন্তু সেই প্রকল্প থেকে বাংলার মানুষকে বঞ্চিত করে রাখা হচ্ছে। তৃণমূল সরকারের পতন হলেই গরিবদের জন্য পাকা ঘর তৈরি শুরু হবে। এটা মোদির গ্যারান্টি। বাড়ি বাড়ি জল পৌঁছে যাবে, বিনামূল্যে দেওয়া হবে চিকিৎসা। বাংলায় সুশাসন আসবে।” রাজ্য সরকারকে আক্রমণ শানিয়ে প্রধানমন্ত্রী বলেন, “নির্মম সরকার ধর্ষকদের আশ্রয় দেয়। অপরাধীদের বাঁচানোর চেষ্টা করে। সন্দেশখালি, আরজিকরের ঘটনা ভোলেননি বাংলার মানুষ। অপরাধীদের আড়াল করা হচ্ছে।”

    অনুপ্রবেশকারীরা বাংলাকে লুটে নিচ্ছে

    অনুপ্রবেশ প্রসঙ্গ টেনে তিনি (PM Modi) বলেন, “অনুপ্রবেশকারীরা বাংলাকে লুটে নিচ্ছে। জনবিন্যাস বদলে দিয়েছে। আর বাঙালি হিন্দুদের সংখ্যালঘু করে দেওয়া হচ্ছে। ওরা হিন্দুদের নিজের ভোটব্যাঙ্ক মনে করে না। বাংলাকে এখন অসুরক্ষিত বানিয়ে ফেলেছে। কোটি কোটি বাঙালিকে শেষ করার চেষ্টা করছে।” রাষ্ট্রপতি ইস্যুতে তিনি বলেন, “আদিবাসী মহিলা রাষ্ট্রপতি জনজাতিদের অনুষ্ঠানে যোগ দিতে এসেছিলেন (Brigade Rally)। কিন্তু অহঙ্কারে ডুবে থাকা সরকার রাষ্ট্রপতিকে অপমান পর্যন্ত করেছে। তৃণমূলের মনে রাখার দরকার ওরা শুধু রাষ্ট্রপতি দ্রৌপদী মুর্মুকে অপমান করেনি, ওরা দেশের সংবিধান, বাবা সাহেব আম্বেদকর, দেশের হাজার লাখ জনজাতি মানুষকে অপমান করেছে।” প্রধানমন্ত্রী বলেন, “একদিকে আমরা সবকা সাথ, সবকা বিকাশের মন্ত্র নিয়ে চলব। আর একদিকে সবকা হিসাব লিয়া যায়গা। আইনের শাসন প্রতিষ্ঠা করা হবে। অপরাধীদের জায়গা হবে জেলে (PM Modi)।”

     

  • PM Modi Brigade Rally: ব্রিগেডে প্রধানমন্ত্রীর জনসভার আগে রণক্ষেত্র গিরিশ পার্ক, তৃণমূলের ইট-বৃষ্টিতে জখম বিজেপি নেতা

    PM Modi Brigade Rally: ব্রিগেডে প্রধানমন্ত্রীর জনসভার আগে রণক্ষেত্র গিরিশ পার্ক, তৃণমূলের ইট-বৃষ্টিতে জখম বিজেপি নেতা

    মাধ্যম নিউজ ডেস্ক: শনিবারের বারবেলায় ন্যাক্কারজনক ঘটনার সাক্ষী রইল পশ্চিমবঙ্গ। এদিনই দুপুরে ব্রিগেডে ছিল প্রধানমন্ত্রী নরেন্দ্র মোদির (PM Modi) ঐতিহাসিক জনসভা। তার আগে তৃণমূল দেখিয়ে দিল ক্ষমতার লোভে তারা কতটা নীচে নামতে পারে (BJP TMC Clash)!

    গিরিশ পার্কে রক্তারক্তিকাণ্ড (PM Modi)

    দুয়ারে রাজ্য বিধানসভার নির্বাচন। সেই উপলক্ষে এদিন ছিল প্রধানমন্ত্রীর ব্রিগেড সমাবেশ। তার আগে আক্ষরিক অর্থেই রণক্ষেত্রের চেহারা নিল উত্তর কলকাতার গিরিশ পার্ক চত্বর। এদিন প্রধানমন্ত্রীর সভায় যাওয়ার পথে তৃণমূল কর্মীদের হাতে আক্রান্ত হন বিজেপি কর্মীরা। তাঁদের ওপর দফায় দফায় আক্রমণ চালানো হয়। ঘটনায় উত্তপ্ত হয়ে ওঠে গোটা তল্লাট। দেদার ইটবৃষ্টির পাশাপাশি ভাঙচুর করা হয়েছে গাড়ি। ইটের ঘায়ে মাথা ফেটে রক্তাক্ত অবস্থায় রাস্তায় লুটিয়ে পড়ে থাকতে দেখা গিয়েছে কয়েকজন বিজেপি কর্মীকে। পরিস্থিতি সামাল দিতে কার্যত হিমশিম খেতে হয় পুলিশকে।

    মেরে মাথা ফাটানো হল বিজেপি কর্মীর

    জানা গিয়েছে, এদিন সকালে উত্তর কলকাতা থেকে বিজেপি কর্মীদের একটি মিছিল ব্রিগেডের উদ্দেশ্যে রওনা দেয়। এই সময় গিরিশ পার্ক মোড়ে উত্তেজনা ছড়ায়। অভিযোগ, বিজেপির মিছিল লক্ষ্য করে আচমকা ইটবৃষ্টি শুরু হয়। মুহূর্তের মধ্যে পরিস্থিতি হাতের বাইরে চলে যায়। বিজেপি কর্মীদের দাবি, প্রধানমন্ত্রীর সভায় যোগ দিতে যাওয়ার পথে তাঁদের পরিকল্পিতভাবে বাধা দিয়েছে তৃণমূল। পদ্ম শিবিরের এক কর্মীর কথায়, “আমাদের শান্তিপূর্ণ মিছিল লক্ষ্য করে বাড়ির ছাদ ও রাস্তা থেকে ইট ছোড়া হয়। আমাদের কর্মীদের মারধর করা হয়। মেরে মাথা ফাটিয়ে দিয়েছে।” রাস্তায় রক্তাক্ত এক বিজেপি কর্মীকে যন্ত্রণায় কাতরাতে দেখা যায়। মাথা ফেটে গিয়েছে উত্তর কলকাতা জেলা সভাপতি তমোঘ্ন ঘোষেরও।

    থমথমে পরিস্থিতি

    গোটা রাস্তা ইট ও পাথরের টুকরোয় ভরে যায়। পুলিশের সামনেই দু’পক্ষ হাতাহাতিতে জড়িয়ে পড়লেও, প্রথমে পরিস্থিতি নিয়ন্ত্রণে আনতে পারেনি পুলিশ। পরে অবশ্য পরিস্থিতি চলে আসে নিয়ন্ত্রণে। ফের যাতে অশান্তির ঘটনা না ঘটে, তাই এলাকায় মোতায়েন করা হয়েছে বিশাল পুলিশ বাহিনী ও র‍্যাফ (RAF)। বর্তমানে গিরিশ পার্ক চত্বরের পরিস্থিতি থমথমে (PM Modi)। শুধু গিরিশ পার্কই নয়, এদিন পশ্চিমবঙ্গের একাধিক জায়গায় দফায় দফায় বিজেপির বিভিন্ন গাড়িতে ভাঙচুর চালানো হয়। হামলা করা হয় কর্মীদের ওপর। পশ্চিম মেদিনীপুরের বেলদায়ও বিজেপির ভাড়া করা একটি বাসে ভাঙচুর চালানো হয় (BJP TMC Clash)।

    প্রধানমন্ত্রীর জনসভার আগে এই ধরনের ঘটনা কার্যত বিরল। এর আগে ব্রিগেডে একাধিকবার বিভিন্ন রাজনৈতিক দলের জনসমাবেশ হলেও, কখনও শাসকদলের পক্ষ থেকে এই ধরনের ঘটনা ঘটানো হয়নি। রাজনৈতিক মহলের মতে, তৃণমূলের এই মরিয়া প্রচেষ্টায় স্পষ্ট, ক্ষমতা হারাতে চলেছে ঘাসফুল শিবির। তাই ক্ষমতা ধরে রাখতে মরিয়া হয়ে মরণ কামড় দিতে চাইছে তারা (PM Modi)।

     

  • President Murmu: “সময় নেই”, তৃণমূলের প্রতিনিধি দলের সাক্ষাতের অনুরোধ প্রত্যাখ্যান রাষ্ট্রপতির দফতরের

    President Murmu: “সময় নেই”, তৃণমূলের প্রতিনিধি দলের সাক্ষাতের অনুরোধ প্রত্যাখ্যান রাষ্ট্রপতির দফতরের

    মাধ্যম নিউজ ডেস্ক: “সময় নেই”। ঠিক এই ভাষায়ই তৃণমূলের (TMC) এক প্রতিনিধি দলের সাক্ষাতের অনুরোধ প্রত্যাখ্যান করে দিল রাষ্ট্রপতি দ্রৌপদী মুর্মুর (President Murmu) দফতর। এর আগে তৃণমূলের এক প্রবীণ নেতা রাষ্ট্রপতির কাছে চিঠি লিখে দলের ১২ সদস্যের একটি প্রতিনিধিদলের সঙ্গে সাক্ষাতের সময় চেয়েছিলেন। প্রতিনিধি দলটি পশ্চিমবঙ্গে আদিবাসী সম্প্রদায়ের জন্য বাস্তবায়িত বিভিন্ন কল্যাণমূলক উদ্যোগের বিস্তারিত বিবরণ তুলে ধরতে চেয়েছিল। তারই প্রেক্ষিতে সময়ের অভাবের কারণ দেখিয়ে তৃণমূলের অনুরোধ প্রত্যাখ্যান করা হয়। প্রথমবার অনুরোধের পর দলটি নাকি পরের সপ্তাহে আর একটি সময় চেয়ে আবেদন করেছিল। সেই প্রস্তাবটিও নাকচ করা হয়েছে। সূত্রের খবর, তৃতীয়বার আবেদন করেছে তৃণমূল।

    রাষ্ট্রপতির অসন্তোষ প্রকাশ (President Murmu)

    এই ঘটনা ঘটেছে রাষ্ট্রপতি এবং পশ্চিমবঙ্গ সরকারের মধ্যে সাম্প্রতিক উত্তেজনার প্রেক্ষাপটে। সম্প্রতি শিলিগুড়িতে অনুষ্ঠিত আদিবাসী কল্যাণ সম্মেলনে মতবিরোধের ঘটনা প্রকাশ্যে আসে। এই অনুষ্ঠানে বক্তব্য রাখতে গিয়ে আয়োজন নিয়ে অসন্তোষ প্রকাশ করেন রাষ্ট্রপতি। তিনি জানান, প্রশাসন যে জায়গাটি অনুষ্ঠানের জন্য নির্বাচন করেছে, তা আদিবাসী সম্প্রদায়ের বাসস্থানের থেকে অনেক দূরে। তাই সবাই আসতে পারেননি। তিনি বলেন, “আমি খুব দুঃখিত যে এখানে অনেক মানুষ সম্মেলনে পৌঁছতে পারেননি।  কারণ অনুষ্ঠানটি এত দূরে আয়োজন করা হয়েছিল।” রাষ্ট্রপতির (President Murmu) ইঙ্গিত, “প্রশাসন হয়ত ইচ্ছাকৃতভাবে এমন একটি জায়গা নির্বাচন করেছে, যাতে মানুষের অংশগ্রহণ সীমিত হয়।”

    ‘লজ্জাজনক এবং নজিরবিহীন’ বললেন প্রধানমন্ত্রী

    রাষ্ট্রপতি এও জানান, তাঁকে স্বাগত জানাতে রাজ্য সরকারের শীর্ষ পর্যায়ের সদস্যদের কেউ উপস্থিত ছিলেন না। এর মধ্যে মুখ্যমন্ত্রীও ছিলেন। তিনি বলেন, “রাষ্ট্রপতি যখন কোনও জায়গায় যান, তখন মুখ্যমন্ত্রী ও মন্ত্রীদেরও সেখানে থাকা উচিত।” নিজেকে ‘বাংলার মেয়ে’ বলে উল্লেখ করেন তিনি মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়কে তাঁর ‘ছোট বোন’ বলে সম্বোধন করেন। একই সঙ্গে তিনি প্রশ্ন তোলেন, “মুখ্যমন্ত্রীর অনুপস্থিতি কি ইচ্ছাকৃত ছিল?” বাংলা সফরে রাষ্ট্রপতি দ্রৌপদী মুর্মুকে ‘অসম্মান’ নিয়ে স্বয়ং প্রধানমন্ত্রী নরেন্দ্র মোদি সরব হন। এক্স হ্যান্ডেলে  প্রধানমন্ত্রী একটি পোস্টে শিলিগুড়ির অনুষ্ঠানে প্রোটোকল লঙ্ঘনের অভিযোগকে ‘লজ্জাজনক এবং নজিরবিহীন’ বলে উল্লেখ করেন। তিনি জানান, রাষ্ট্রপতির মন্তব্য দেশবাসীকে ব্যথিত করেছে। তৃণমূল (TMC) সরকারের বিরুদ্ধে রাষ্ট্রপতির (President Murmu) পদকে যথাযথ সম্মান না দেখানোর অভিযোগও তোলেন প্রধানমন্ত্রী।

    মমতাকে তুলোধনা বিজেপির

    মুখ্যমন্ত্রী রাষ্ট্রপতির এহেন (TMC) মন্তব্যের তীব্র প্রতিক্রিয়া জানান। তিনি বলেন, “আসন্ন রাজ্য বিধানসভা নির্বাচনের প্রেক্ষাপটে এই জাতীয় মন্তব্য রাজনৈতিক উদ্দেশ্যপ্রণোদিত।” মুখ্যমন্ত্রী রাষ্ট্রপতিকে অনুরোধ করেন, তিনি যেন তাঁর পদমর্যাদার সঙ্গে সঙ্গতিপূর্ণ নয় এমন মন্তব্য না করেন। তাঁর অভিযোগ, রাষ্ট্রপতি একটি নির্দিষ্ট সম্প্রদায়ের সমস্যা তুলে ধরলেও, অন্যান্য সম্প্রদায়ের বিষয়গুলি উপেক্ষা করেছেন। ভোটার তালিকা সংশোধনের সময় আদিবাসী ভোটারদের ক্ষেত্রে অনিয়ম হয়েছে। এই বিতর্কে দ্রুত প্রতিক্রিয়া জানায় বিজেপি।  বিধানসভার বিরোধী দলের নেতা শুভেন্দু অধিকারী এই ইস্যুতে তৃণমূলকে তীব্র আক্রমণ করেন। নবম  আন্তর্জাতিক সাঁওতালি সম্মেলনের ভেন্যু বরাদ্দ নিয়ে অসন্তোষ প্রকাশ করেন তিনি এক্স হ্যান্ডেলে এক পোস্টে  লিখেছেন, “সংবিধানিক মর্যাদা ও আদিবাসী সম্মানের প্রতি দৃষ্টান্তহীন আক্রমণ। স্পষ্টতই তৃণমূল সরকারের  শাসনের পতনের চিহ্ন।” বঙ্গ বিজেপির প্রাক্তন রাজ্য সভাপতি তথা কেন্দ্রীয় মন্ত্রী সুকান্ত মজুমদার বলেছেন, “রাষ্ট্রপতি কী বলছেন সেটা আমরা সবাই দেখেছি। আর মমতা বন্দ্যোপাধ্যায় কী বলছেন দুটোকে পাশাপাশি রাখুন, তাহলেই বুঝতে পারবেন কে দায়ী। বুঝতে পারবেন কে সংবিধানের এক্তিয়ারের মধ্যে বলেছে, আর কে সংবিধানের বাইরে গিয়ে বলেছে। ভারতবর্ষের মতো রাষ্ট্র বলে হয়তো মমতা বন্দ্যোপাধ্যায় বেঁচে যাচ্ছেন। অন্য দেশ হলে এতক্ষণে জেলের ভিতরে থাকতেন।” মালদা উত্তরের বিজেপি সাংসদ খগেন মুর্মু তৃণমূলকে নিশানা করলেন। এদিন সাংবাদিক বৈঠকে তিনি বলেন, “রাষ্ট্রপতি কত নম্রভাবে বলেছেন, মমতা আমার বোনের মতো। আর মুখ্যমন্ত্রী রাজনীতি করছেন।” রাষ্ট্রপতিকে সম্মান জানানো হল না বলে ক্ষোভ উগরে দেন তিনি। বলেন, “দ্রৌপদী মুর্মু যখন রাষ্ট্রপতি হন, তখন সবাই কত খুশি হয়েছিলেন। এ রাজ্যের আদিবাসীরাও আনন্দিত হন। আজ সবকিছু ধুলোয় মিশিয়ে দেওয়া হল।”

  • Lok Sabha: লোকসভায় স্পিকারের বিরুদ্ধে বিরোধীদের আনা অনাস্থা প্রস্তাব খারিজ, মুখ পুড়ল বিরোধীদের

    Lok Sabha: লোকসভায় স্পিকারের বিরুদ্ধে বিরোধীদের আনা অনাস্থা প্রস্তাব খারিজ, মুখ পুড়ল বিরোধীদের

    মাধ্যম নিউজ ডেস্ক: লোকসভার (Lok Sabha) স্পিকার ওম বিড়লার (Om Birla) বিরুদ্ধে বিরোধী দলগুলোর আনা অনাস্থা প্রস্তাবটি ভোটাভুটিতে পরাজিত হয়েছে। দীর্ঘ বিতর্ক এবং রাজনৈতিক উত্তাপের পর শাসক দল ধ্বনিভোটের মাধ্যমে এই প্রস্তাবটি খারিজ করতে সক্ষম হয়। বিজেপির দাবি বিরোধিরা কাজ করার জন্য সংসদে আসেন না। রাজনীতি আর সংসদের ভাবমূর্তি খারাপ করতেই সংসদে আসছেন।

    প্রস্তাব পেশ (Lok Sabha)

    লোকসভার (Lok Sabha) বিরোধী দলগুলো স্পিকারের (Om Birla) নিরপেক্ষতা নিয়ে প্রশ্ন তুলে এই অনাস্থা প্রস্তাব এনেছিল। তাদের অভিযোগ ছিল যে, সংসদীয় কার্যপ্রক্রিয়ায় বিরোধীদের পর্যাপ্ত সময় দেওয়া হচ্ছে না এবং কণ্ঠরোধ করার চেষ্টা করা হচ্ছে। কেন্দ্রীয় স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী অমিত শাহ বলেছেন, “স্যার, ওরা আচরণের কথা বলছে। যখন তাদের সর্বোচ্চ নেতা নিজেই চোখ টিপে, গিয়ে প্রধানমন্ত্রীকে জড়িয়ে ধরে, আর উড়ন্ত চুম্বন দেন, স্যার, তখন বোঝা যায় তিনি উস্কানি দিচ্ছেন।”

    রাজনৈতিক ফায়দা তুলতেই পদক্ষেপ

    সরকারের পক্ষ থেকে স্পিকার ওম বিড়লার (Om Birla) বিরুদ্ধে অনাস্থা প্রস্তাবের অভিযোগগুলো ভিত্তিহীন বলে উড়িয়ে দেওয়া হয়েছে। শাসক দলের দাবি, স্পিকার অত্যন্ত নিরপেক্ষভাবে এবং সংসদীয় নিয়ম মেনেই সভা (Lok Sabha) পরিচালনা করছেন। বিরোধীরা কেবল রাজনৈতিক ফায়দা তুলতেই এই ধরনের পদক্ষেপ নিয়েছে। এদিন সংসদে বিরোধীদের ২৩৮ জন সাংসদ উপস্থিত ছিলেন। যার মধ্যে ৯৯ জন কংগ্রেসের এবং বাকিরা সমাজবাদী পার্টি, ডিএমকে, তৃণমূল কংগ্রেস এবং অন্যান্যরা।পাশাপাশি সরকারের পক্ষে ২৯৩ জন সাংসদের উপস্থিতি ছিল। সেখানে ছিলেন বিজেপির ২৪০ জন, জেডিইউর ১৬ জন, টিডিপির ১২ জন এবং অন্যান্য এনডিএ দলের সাংসদরা।

    বিতর্কের শেষে যখন প্রস্তাবটি ভোটের জন্য তোলা হয়, তখন সরকারি পক্ষের সংখ্যাগরিষ্ঠতার কারণে তা অনায়াসেই বাতিল হয়ে যায়। স্পিকারের প্রতি সংসদের আস্থা অটুট রয়েছে বলে জানিয়ে দেওয়া হয় সংসদে।

    সংসদে নৈতিক জয়

    সংসদে (Lok Sabha) এই জয়কে সরকার পক্ষ তাদের নৈতিক জয় হিসেবে দেখছে। অন্যদিকে, বিরোধীরা জানিয়েছে যে সংখ্যাতত্ত্বে হারলেও তারা স্পিকারের কার্যপদ্ধতি নিয়ে তাদের আপত্তির কথা দেশবাসীর সামনে তুলে ধরতে পেরেছে। সংসদীয় গণতন্ত্রে স্পিকার পদের মর্যাদা অত্যন্ত গুরুত্বপূর্ণ। এই অনাস্থা প্রস্তাব খারিজ হওয়ার ফলে বর্তমান স্পিকার তাঁর দায়িত্ব পালন জারি রাখবেন। তবে এই ঘটনাটি শাসক ও বিরোধী শিবিরের মধ্যে বিদ্যমান তিক্ততাকে আরও একবার প্রকাশ্যে নিয়ে এল।

    ঘটনা কি ঘটেছিল?

    বিরোধীরা লোকসভায় (Lok Sabha) স্পিকারের বিরুদ্ধে অনাস্থা প্রস্তাবের নোটিশে তাঁর বিরুদ্ধে পক্ষপাতিত্বের অভিযোগ এনেছিল। অবাধ্য আচরণের জন্য বিরোধী সাংসদদের বরখাস্ত করার পর তিক্ততা চরমে পৌঁছেছিল। বাজেট অধিবেশনের সময় স্পিকার বিরোধী দলনেতা রাহুল গান্ধিকে প্রাক্তন সেনাপ্রধান জেনারেল এমএম নারাভানে এবং অন্যান্য বিরোধী নেতাদের লেখা একটি অপ্রকাশিত বই থেকে কিছু অংশ পড়তে দেননি। সেই সঙ্গে আটজন বিরোধী সাংসদকে পুরো বাজেট অধিবেশনের জন্য বরখাস্ত করা করেন। এরপর থেকেই বিরোধীরা শোরগল করতে শুরু করে এবং অনাস্থা প্রস্তাব নিয়ে আসে।

  • Mamata Banerjee: মুখ্যমন্ত্রীর বিরুদ্ধে সাম্প্রদায়িকতা ছড়ানোর অভিযোগ পদ্ম শিবিরের

    Mamata Banerjee: মুখ্যমন্ত্রীর বিরুদ্ধে সাম্প্রদায়িকতা ছড়ানোর অভিযোগ পদ্ম শিবিরের

    মাধ্যম নিউজ ডেস্ক: তৃণমূল সুপ্রিমো তথা রাজ্যের মুখ্যমন্ত্রী মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়ের (Mamata Banerjee) বিরুদ্ধে সাম্প্রদায়িকতা ছড়ানোর অভিযোগ (Dharna Stage)। এসআইআরের প্রতিবাদে দিন কয়েক ধরে ধর্মতলায় ধরনায় বসেছেন তৃণমূল সুপ্রিমো। সেখানেই তিনি বিস্ফোরক মন্তব্য করেন বলে অভিযোগ। ঠিক কী বলেছেন মুখ্যমন্ত্রী? ওই মঞ্চে দাঁড়িয়ে তিনি বলেন, “আমরা আছি বলেই আপনারা সবাই ভালো আছেন। যদি আমরা না থাকি, কোনও দিন সেই রকম আসে, এক সেকেন্ড লাগবে। একটা কমিউনিটি যখন জোট বাঁধে না, ঘিরে ফেললে এক সেকেন্ড লাগবে, একদম বারোটা বাজিয়ে দেবে। যদি নিজেদের ১৩টা বাজাতে না চান, তাহলে বিজেপির অপপ্রচারে কোনও দিন ভুল বুঝবেন না।” মুখ্যমন্ত্রীর এহেন মন্তব্যেই উত্তাল রাজনৈতিক মহল। তাঁর বিরুদ্ধে সাম্প্রদায়িক উসকানি দেওয়ার অভিযোগ তুলেছেন বিরোধীরা।

    সুকান্তর প্রতিক্রিয়া (Mamata Banerjee)

    ঘটনার কড়া প্রতিক্রিয়া দিয়েছে বিজেপি। বাঁকুড়ায় দলের প্রাক্তন রাজ্য সভাপতি,  কেন্দ্রীয় মন্ত্রী সুকান্ত মজুমদার বলেন, “মুখ্যমন্ত্রীই ধরনা-মঞ্চ থেকে বলছেন, এক সম্প্রদায় একজোট হলে অন্যান্য সম্প্রদায়কে মেরে পুড়িয়ে ফেলবে! ওঁকে বলব, পশ্চিমবঙ্গের চেয়ে অনেক বেশি মুসলিম রয়েছেন উত্তরপ্রদেশ ও অসমে। সেখানে একটাও দাঙ্গা হয় না (Mamata Banerjee)। কারণ কেউ দাঙ্গা করলে তার বাড়িতে বুলডোজার চলবে।” সুকান্ত বলেন, “মুখ্যমন্ত্রী আগেই ৭০ শতাংশ হিন্দু ভোট হারিয়েছেন, বাকি মুসলিম ভোটও এখন চলে গিয়েছে বাবরি মসজিদ গড়তে হুমায়ুন কবীরের কাছে (Dharna Stage)। তাই প্রমাদ গুণছেন উনি।” মুখ্যমন্ত্রীর মন্তব্যের প্রতিক্রিয়ায় সিপিএমের তরফে দলের কেন্দ্রীয় কমিটির সদস্য সুজন চক্রবর্তী বলেন, “মুখ্যমন্ত্রীর ভাব শিষ্য হুমায়ুন কবীর লোকসভা নির্বাচনে একটা সম্প্রদায়ের নাম করে হুমকি দিয়েছিলেন, বিধানসভা ভোটের আগে তাঁর নেত্রী সম্প্রদায়ের নাম না করে একই ইঙ্গিত করছেন। আরএসএস-বিজেপির অভিসন্ধির পাশাপাশি পশ্চিমবঙ্গে এটাও আর একটা বিপদ।”

    শঙ্কর ঘোষের প্রতিক্রিয়া

    মুখ্যমন্ত্রীর বিরুদ্ধে দাঙ্গা লাগানোর চেষ্টার অভিযোগ তুলেছেন বিজেপি নেতা তথা শিলিগুড়ির বিধায়ক শঙ্কর ঘোষ। মুখ্যমন্ত্রীর বক্তব্য উদ্ধৃত করে তিনি বলেন, “মুখ্যমন্ত্রী হুমকি দিয়েছেন, একটি কমিউনিটি যদি চায়, জোট বেঁধে তাহলে আপনাদের বারোটা বাজিয়ে দেবে।” মুখ্যমন্ত্রীকে খোলা চ্যালেঞ্জ ছুড়ে দিয়ে শঙ্কর বলেন, “ক্ষমতা থাকলে ওই কমিউনিটির নাম বলুন।” তাঁর অভিযোগ, “রাজ্যের মাননীয়া মুখ্যমন্ত্রী (Mamata Banerjee) একটি কমিউনিটির নাম করে থ্রেট করছেন হিন্দু সনাতনী মানুষকে।” এই ধরনের মন্তব্য রাজ্যে সাম্প্রদায়িক সম্প্রীতি নষ্ট করতে পারে বলেও আশঙ্কা প্রকাশ করেন তিনি।

    বিজেপির পরিবর্তন যাত্রা

    প্রসঙ্গত, মঙ্গলবার শিলিগুড়িতে শঙ্করের নেতৃত্বে হয় বিজেপির পরিবর্তন যাত্রা। শিলিগুড়ির সেবক রোডের খাটু শ্যাম মন্দিরে পুজো দিয়ে শুরু হওয়া এই যাত্রা ভেনাস মোড় ও দার্জিলিং মোড় হয়ে মাটিগাড়া ও নকশালবাড়ির উদ্দেশে রওনা দেয়। ভেনাস মোড়ে আয়োজিত এক সভায় রাজ্যে তৃণমূল শাসনের অবসানের ডাকও দেন শঙ্কর। শিলিগুড়ির বিধায়কের দাবি, তৃণমূলের ভয় ও সন্ত্রাসের পরিবেশ সত্ত্বেও, পরিবর্তন যাত্রাকে কেন্দ্র করে মানুষের মধ্যে অভাবনীয় স্বতঃস্ফূর্ততা দেখা যাচ্ছে। ১৫ বছরের তৃণমূল শাসনের অবসান ঘটিয়ে বিজেপি রাজ্যে পরিবর্তন আনতে বদ্ধপরিকর বলেও জানান তিনি। বিজেপির এই (Dharna Stage) সভায় উপস্থিত ছিলেন দলের উত্তরবঙ্গের একাধিক নেতানেত্রী (Mamata Banerjee)।

     

  • BJP Fact Checks: তৃণমূলকে ‘ফেক নিউজ ফ্যাক্টরি’ বলে কটাক্ষ, মুখের মতো জবাব দিল বিজেপি

    BJP Fact Checks: তৃণমূলকে ‘ফেক নিউজ ফ্যাক্টরি’ বলে কটাক্ষ, মুখের মতো জবাব দিল বিজেপি

    মাধ্যম নিউজ ডেস্ক: রাষ্ট্রপতি দ্রৌপদী মুর্মুর সাম্প্রতিক বঙ্গ সফরকে কেন্দ্র করে বিজেপি-তৃণমূলের মধ্যে রাজনৈতিক দ্বন্দ্ব আরও তীব্র হয়েছে। তৃণমূলের একটি দাবিকে ‘ফেক নিউজ ফ্যাক্টরি’ বলে উল্লেখ করে বিজেপির পশ্চিমবঙ্গ শাখা সেটির সত্যতা যাচাই করে পাল্টা জবাব দেয়।

    তৃণমূলের দাবি (BJP Fact Checks)

    রাষ্ট্রপতির সফরের সময় প্রোটোকল ভঙ্গের অভিযোগ তুলে তৃণমূল একটি ভিডিও-সহ পোস্টে দাবি করে, “প্রধানমন্ত্রী বারবার রাষ্ট্রপতির পদকে সম্মান করার বড় বড় কথা বলেন। কিন্তু এই ছবিটি ভালো করে দেখুন। দেশের প্রথম আদিবাসী মহিলা রাষ্ট্রপতি দাঁড়িয়ে আছেন, আর প্রধানমন্ত্রী আরামে চেয়ারে বসে রয়েছেন। রাষ্ট্রপতির প্রতি সম্মানের সব দাবি তখনই ফাঁপা মনে হয়, যখন এমন দৃশ্য তাঁর পদকে অবহেলার ইঙ্গিত দেয়।” ভিডিওতে মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়কে বলতে শোনা যায়, “মাননীয় প্রধানমন্ত্রী, এটা আপনার জন্য। আপনি কি রাষ্ট্রপতিকে—যিনি একজন নারী এবং একজন আদিবাসী নেতা—সম্মান করেন? তাহলে রাষ্ট্রপতি দাঁড়িয়ে আর আপনি বসে আছেন কেন? আমি আপনাদের সবাইকে দেখালাম, আমরা রাষ্ট্রপতিকে সম্মান করি, কিন্তু তারা করে না। এই ছবিই প্রমাণ করে কে সম্মান করে, আর কে করে না।”

    বিজেপির জবাব

    এর জবাবে পশ্চিমবঙ্গ বিজেপির তরফে এক্স হ্যান্ডেলে লেখা হয়েছে, “টিএমসির ফেক নিউজ ফ্যাক্টরি আবার সক্রিয়। টিএমসির তৈরি করা ক্ষোভের আসল সত্য হল, ভারতরত্ন প্রদান অনুষ্ঠানের সময় সরকারি প্রোটোকল অনুযায়ী, পুরস্কার প্রদান চলাকালীন উপস্থিত অন্যরা বসে থাকেন। এখানে শিষ্টাচার ভঙ্গের কোনও ঘটনা ঘটেনি।” তারা আরও বলে, “মাননীয়া রাষ্ট্রপতি দ্রৌপদী মুর্মু, প্রধানমন্ত্রী নরেন্দ্র মোদি এবং ভারতরত্ন এলকে আডবাণীকে ঘিরে একটি মর্যাদাপূর্ণ মুহূর্তকে তুচ্ছ রাজনৈতিক লাভের জন্য বিকৃত করা অত্যন্ত লজ্জাজনক। দেশের সর্বোচ্চ সাংবিধানিক পদটির মর্যাদা রক্ষা করুন এবং ভুয়ো তথ্য ছড়াবেন না।” এ কথা বলার সময় বিজেপি প্রায় দু’বছরের পুরানো একটি ভিডিও-ও শেয়ার করে। ঘটনাটি ঘটে ৩১ মার্চ ২০২৪-এ, যখন রাষ্ট্রপতি মুর্মু ও প্রধানমন্ত্রী মোদি এলকে আডবাণীর সঙ্গে সাক্ষাৎ করে তাঁকে ভারতরত্ন সম্মানে ভূষিত করেন।

    রাষ্ট্রপতির উষ্মা

    শনিবার রাষ্ট্রপতি দার্জিলিংয়ে নবম আন্তর্জাতিক সাঁওতাল সম্মেলনে যোগ দিতে পশ্চিমবঙ্গ সফরে এলে শুরু হয় বিতর্ক। সেখানে বক্তব্য রাখতে গিয়ে রাষ্ট্রপতি প্রশ্ন তোলেন, কেন মুখ্যমন্ত্রী মমতা বন্দ্যোপাধ্যায় বা রাজ্যের কোনও মন্ত্রী তাঁকে স্বাগত জানাতে উপস্থিত ছিলেন না? তিনি বলেন, “সাধারণত রাষ্ট্রপতি এলে মুখ্যমন্ত্রীর উচিত উপস্থিত থেকে স্বাগত জানানো, এবং অন্য মন্ত্রীরাও থাকেন। কিন্তু তিনি আসেননি। রাজ্যপাল বদল হওয়ায় তিনি আসতে পারেননি। তবে তারিখ নির্ধারিত থাকায় আমি এসেছি।” তিনি আরও বলেন, “মমতা আমার ছোট বোনের মতো। আমিও বাংলার মেয়ে। তিনি কেন অসন্তুষ্ট, তা আমি জানি না।” অনুষ্ঠানের স্থান পরিবর্তন নিয়েও প্রশ্ন তোলেন তিনি। রাষ্ট্রপতি এও বলেন, “আমি জানি না কেন রাজ্য প্রশাসন সেখানে সভা করার অনুমতি দেয়নি। আজকের অনুষ্ঠান এমন জায়গায় হচ্ছে যেখানে মানুষের আসা কঠিন। হয়তো রাজ্য সরকার আদিবাসীদের কল্যাণ চায় না!”

    প্রধানমন্ত্রীর প্রতিক্রিয়া

    এই ঘটনাকে প্রধানমন্ত্রী নরেন্দ্র মোদি ‘লজ্জাজনক ও নজিরবিহীন’ বলে উল্লেখ করেন। এক্স হ্যান্ডেলে তিনি লেখেন, “যাঁরা গণতন্ত্র ও আদিবাসী সমাজের ক্ষমতায়নে বিশ্বাস করেন, তাঁরা সবাই হতাশ। নিজে আদিবাসী সমাজ থেকে উঠে আসা রাষ্ট্রপতি মহোদয়ার প্রকাশ করা বেদনা ও ক্ষোভ ভারতের মানুষের মনে গভীর দুঃখের সৃষ্টি করেছে।” ঘটনার প্রতিক্রিয়ায় রাজ্যের মুখ্যমন্ত্রী মমতা বন্দ্যোপাধ্যায় বলেন, “রাষ্ট্রপতির সফরে কোনও প্রোটোকল লঙ্ঘন হয়নি। বিজেপি দেশের সর্বোচ্চ সাংবিধানিক পদকে রাজনৈতিক উদ্দেশ্যে ব্যবহার করছে।” তিনি আরও দাবি করেন, অনুষ্ঠানস্থলের দুর্বল প্রস্তুতি সম্পর্কে রাজ্য সরকার আগেই জানিয়েছিল রাষ্ট্রপতির দফতরকে।

     

  • Nitish Kumar: নীতীশ কুমারের ছেলে নিশান্ত কুমার যোগ দিলেন জেডিইউতে, এগিয়ে উপমুখ্যমন্ত্রীর দৌড়ে

    Nitish Kumar: নীতীশ কুমারের ছেলে নিশান্ত কুমার যোগ দিলেন জেডিইউতে, এগিয়ে উপমুখ্যমন্ত্রীর দৌড়ে

    মাধ্যম নিউজ ডেস্ক: বিহারের মুখ্যমন্ত্রী তথা জেডিইউ সভাপতি নীতীশ কুমারের ৫০ বছর বয়সী ছেলে নিশান্ত কুমার (Nitish Kumar) আজ আনুষ্ঠানিকভাবে যোগ দিলেন দলে। দু’দশকেরও বেশি সময় ধরে রাজ্য সরকারের নেতৃত্ব দেওয়ার পর তাঁর বাবা রাজ্যসভায় যাওয়ার প্রস্তুতি নিচ্ছেন, সেই সময় নিশান্ত তাঁর রাজনৈতিক যাত্রা শুরু করছেন। জেডিইউর সদস্য হওয়ার পর নিশান্ত (Nishant Kumar) দলীয় নেতাদের বলেন, “আমি একজন সক্রিয় সদস্য হিসেবে দলের দেখাশোনা করার চেষ্টা করব। আমার বাবা রাজ্যসভায় যাওয়ার সিদ্ধান্ত নিয়েছেন। এটি তাঁর ব্যক্তিগত সিদ্ধান্ত এবং আমি তা মেনে নিচ্ছি। আমরা তাঁর নির্দেশনায় কাজ করব। আমি দল এবং জনগণের আস্থা অর্জন এবং সংগঠনকে শক্তিশালী করার চেষ্টা করব।”

    কর্মীদের ইচ্ছার প্রতিফলন (Nitish Kumar)

    পঁচাত্তর বছর বয়সী নীতীশ কুমার (Nitish Kumar) বিহারে উন্নয়নমূলক পদক্ষেপের কারণে “সুশাসনবাবু” উপাধি পেয়ছেন। তিনি ১৬ মার্চ রাজ্যসভার নির্বাচনে প্রতিদ্বন্দ্বিতা করার জন্য মনোনয়নপত্র জমা দিয়েছেন এবং শীঘ্রই মুখ্যমন্ত্রী পদ ছেড়ে দেওয়ার সম্ভাবনা রয়েছে। শিক্ষাগত দিক থেকে একজন টেকনোলজিস্ট নিশান্ত কুমার কয়েক দশক ধরে মুখ্যমন্ত্রীর ছেলে হওয়া সত্ত্বেও আলোচনার আড়ালে ছিলেন। এটি নীতীশ কুমারের পারিবারিক রাজনীতির বিরুদ্ধে অবস্থানের সঙ্গে সামঞ্জস্যপূর্ণ ছিল। তবে এখন তিনি ছেলেকে রাজনীতিতে যোগদানের অনুমতি দিয়েছিলেন বলে জানা গিয়েছে। জেডিইউর সিনিয়র নেতারা নিশান্তের (Nishant Kumar)  রাজনীতিতে প্রবেশকে স্বাগত জানিয়েছেন এবং বলেছেন, “এটি জেডিইউ কর্মীদের ইচ্ছার প্রতিফলন।”

    লালু-সুশীল কুমারের পর নীতীশ

    নিশান্তের (Nishant Kumar) জেডিইউতে যোগদানের সিদ্ধান্ত সৃষ্টি করেছে জল্পনার। তাঁর বাবা শীর্ষ পদ ছেড়ে সংসদের উচ্চকক্ষে যাওয়ার পর বিজেপি-জেডিইউ সরকারে নিশান্তকে এবার উপ-মুখ্যমন্ত্রী হিসেবে মনোনীত করার সম্ভাবনা তৈরি হয়েছে। অনেকে মনে করছেন অবশেষে বিহারে বিজেপি তাদের পদমর্যাদার একজন মুখ্যমন্ত্রী পেতে চলেছে। নিজের সিদ্ধান্তের ব্যাখ্যা দিতে গিয়ে নীতীশ কুমার (Nitish Kumar) বলেন, “দীর্ঘদিন ধরেই সংসদের উভয় কক্ষ এবং রাজ্য আইনসভার উভয় কক্ষের সদস্য হওয়ার ইচ্ছা পোষণ করে আসছিলাম। ইতিমধ্যেই লোকসভার সাংসদ, একজন বিধায়ক এবং একজন এমএলসিও ছিলাম। রাজ্যসভার মেয়াদ এই চার সদস্যপদকে সম্পূর্ণ করবে।” অনেকে বলছেন, এই পরিবর্তন লালু যাদব এবং প্রয়াত সুশীল মোদির বিরল রেকর্ড অর্জনে সহায়তা করবে।

    কটাক্ষ বিরোধীদের

    প্রধান বিরোধী দল আরজেডি বিহারে বিজেপির বিরুদ্ধে “রাজনৈতিক অপহরণ” চালানোর অভিযোগ করেছে। জনতা দল (ইউনাইটেড) এর মূল ভোটাররা এখন প্রতারিত হয়েছেন বলে মনে করছেন। আরজেডির রাজ্যসভার সাংসদ মনোজ কুমার ঝা বলেন, “তেজস্বী যাদব গত বছর বিধানসভা নির্বাচনের প্রচারের সময় বারবার বলেছিলেন নীতীশ কুমার একজন অস্থায়ী মুখ্যমন্ত্রী হবেন। ২১ বছর ধরে মুখ্যমন্ত্রী হিসেবে দায়িত্ব পালন করা একজন ব্যক্তি এখন রাজ্যসভায় আসতে চান, এটা শিশুসুলভ আচরণ। আরজেডি সাংসদ নীতীশ কুমার (Nitish Kumar) এবং ভেনেজুয়েলার রাষ্ট্রপতি নিকোলাস মাদুরোর মধ্যে কোনও তফাৎ নেই, যাঁকে মার্কিন বাহিনী মাদক পাচারের অভিযোগে জানুয়ারিতে মার্কিন যুক্তরাষ্ট্রে ধরে নিয়ে যায়। এই ঘটনা বিহারের কারও কাছে ভালো লাগবে না। নীতীশকে দেশি মাদুরো বানিয়েছে।”

LinkedIn
Share