Tag: bjp

bjp

  • Panchayat Election: ব্লকে কোনও ব্যবস্থাই নেই, মনোনয়ন জমা দিতে পারলেন না বিজেপি প্রার্থীরা

    Panchayat Election: ব্লকে কোনও ব্যবস্থাই নেই, মনোনয়ন জমা দিতে পারলেন না বিজেপি প্রার্থীরা

    মাধ্যম নিউজ ডেস্ক: সর্বদলীয় বৈঠক না ডেকে এবং কোনও পরিকাঠামো তৈরি না করেই আচমকা পঞ্চায়েত ভোটের (Panchayat Election) দিন ঘোষণা করা হয়েছে। রাজ্য নির্বাচন কমিশনের এই ভূমিকা নিয়ে প্রশ্ন তুলেছেন বিরোধী দলনেতা শুভেন্দু অধিকারী। তিনি বলেছেন, “নির্বাচন কমিশনার তৃণমূলের আঞ্চলিক শাখার মতো আচরণ করছেন।” পরিকাঠামো তৈরি না করে ভোট ঘোষণা করা হয়েছে বলে অন্য বিরোধীরাও অভিযোগ করেছে। এই অভিযোগ যে কথার কথা নয়, তা প্রমাণিত হয়ে গেল দক্ষিণ ২৪ পরগনার ডায়মন্ড হারবার-১ ব্লকে। এদিন বিজেপি সহ বিরোধী রাজনৈতিক দলের প্রার্থীরা মনোনয়ন জমা দিতে এসেও ফিরে গিয়েছেন। বলা ভালো, ফিরে যেতে বাধ্য হয়েছেন।

    ঠিক কী ঘটেছে?

    আগামী ৮ ই জুলাই পঞ্চায়েত ভোট। বৃহস্পতিবার রাজ্য নির্বাচন কমিশনের পক্ষ থেকে নির্বাচনের (Panchayat Election) দিনক্ষণ ঘোষণা করা হয়েছে। প্রার্থীদের ৯ ই জুন থেকে ১৫ই জুন পর্যন্ত মনোনয়নপত্র জমা করার নির্দিষ্ট সময়সীমা ঘোষণা করা হয়। হাতে সময় কম বলে এদিন  বিজেপি, সিপিএম এবং আইএসএফের প্রার্থীরা ডায়মন্ডহারবার ১ নম্বর ব্লকে মনোনয়নপত্র জমা করতে যান। কিন্তু প্রশাসনের পক্ষ থেকে মনোনয়নপত্র জমা নেওয়ার কোনও ব্যবস্থা করে উঠতে পারেনি। এমনই অভিযোগ বিরোধীদের। বাধ্য হয়ে সকলেই মনোনয়নপত্র জমা না করে শূন্য হাতেই ফিরে যান।

    কী বললেন বিরোধী দলের প্রার্থীরা?

    বিজেপি নেতা কুণাল হালদার বলেন, “আমি পঞ্চায়েত সমিতির প্রার্থী। আমার সঙ্গে বহু দলীয় প্রার্থী মনোনয়ন জমা দিতে এসেছেন। কিন্তু, মনোনয়ন জমা নেওয়ার কোনও ব্যবস্থাই নেই। ফলে, আমরা প্রস্তুতি নিয়েও প্রশাসনের গাফিলতির জন্য মনোনয়ন জমা দিতে পারলাম না।” সিপিএমের ডায়মন্ডহারবার ১ নম্বর এরিয়া কমিটির সম্পাদক দেবাশিস ঘোষ বলেন, “২০১৮ পঞ্চায়েত নির্বাচনের (Panchayat Election) পুনরাবৃত্তি করতে চাইছে রাজ্যের শাসকদল। প্রশাসনও তাদের সঙ্গে যুক্ত। আমরা প্রশাসনের সর্বস্তরে অভিযোগ জানাব।”

    ব্লক প্রশাসনের কী বক্তব্য?

    ডায়মন্ডহারবার ১ নম্বর ব্লকের বিডিও সুবীর দাস বলেন, “বৃহস্পতিবার নির্বাচনের (Panchayat Election) নোটিশ দেওয়া হয়েছে। সব কিছু ব্যবস্থা করতে একটু সময় দরকার। দ্রুততার সঙ্গে কাজ করা হচ্ছে। যত তাড়াতাড়ি সম্ভব মনোনয়নপত্র জমা করার প্রক্রিয়া শুরু করা হবে।”

    দেশের খবর, দশের খবর, সব খবর, সবার আগে পেতে ফলো করুন আমাদের FacebookTwitter এবং Google News পেজ।

  • Abhishek Banerjee: আদালত নির্দেশ দিলে অভিষেককে কান ধরে নিয়ে যাবে ইডি, বললেন সুকান্ত

    Abhishek Banerjee: আদালত নির্দেশ দিলে অভিষেককে কান ধরে নিয়ে যাবে ইডি, বললেন সুকান্ত

    মাধ্যম নিউজ ডেস্ক: ফের তৃণমূলের সর্ব ভারতীয় সাধারণ সম্পাদক অভিষেক বন্দ্যোপাধ্যায়কে (Abhishek Banerjee) তলব করল ইডি। ১৩ জুন ইডি অফিসে তাঁকে হাজিরা দিতে বলা হয়েছে। বৃহস্পতিবার তৃণমূলের জনজোয়ার কর্মসূচিতে অভিষেক প্রথমে নদিয়ার কৃষ্ণনগরে রোড শো করেন। পরে, ধুবুলিয়াতে দলীয় কর্মসূচিতে তিনি যোগ দেন। সেখান থেকে নদিয়ার নাকাশিপাড়া, পলাশীপাড়া সহ কালীগঞ্জে একাধিক কর্মসূচিতে তিনি যোগদান করেন। সেখানেই ইডি-র নোটিশের বিষয়ে তিনি জানতে পারেন।

    ইডিতে হাজিরা নিয়ে কী বললেন অভিষেক (Abhishek Banerjee)?

    ইডির নোটিশ প্রসঙ্গে অভিষেক (Abhishek Banerjee) বলেন, “এর আগে যখন আমাকে সিবিআই প্রায় আট ঘণ্টা অফিসে বসিয়ে রেখেছিল, আমি তদন্তে সম্পূর্ণ সাহায্য করেছি। এর পাশাপাশি অনুরোধ করেছিলাম, তৃণমূলের যে নবজোয়ার কর্মসূচি চলছে, তার মধ্যে যেন আমাকে না ডাকা হয়। কিন্তু, দেখা গেল, আমার স্ত্রীকে ডেকেও দীর্ঘক্ষণ জেরা করা হল। স্ত্রীকে ছেড়ে দেওয়ার পনেরো মিনিট পরই আমাকে নোটিশ পাঠানো হয়েছে। এটা সম্পূর্ণ রাজনৈতিক চক্রান্ত। তৃণমূলের নবজোয়ার কার্যত জনজোয়ারে পরিণত হয়েছে। আর তা দেখেই বিজেপি ভয় পেয়েছে। কেন্দ্রীয় তদন্তকারী সংস্থার কিছু বাধ্যবাধকতা রয়েছে। আমি তাদের সম্পর্কে কোনও খারাপ মন্তব্য করব না এবং দোষও দেব না। বিজেপি রাজনৈতিকভাবে আমার সঙ্গে পেরে না উঠে এই চক্রান্ত চালাচ্ছে। তবে যে কদিন জনজোয়ার কর্মসূচি রয়েছে, সেই কদিন আমার অন্য কোথাও যাওয়ার মতো সময় নেই। তারপর সামনে ৮ জুলাই পঞ্চায়েত ভোট। তার আগে আট ঘণ্টা কোথাও গিয়ে নষ্ট করার মতো সময় আমার হাতে নেই। ভোট মিটে যাওয়ার পর আমাকে যেদিন ডাকবেন, আমি সেদিনই যাব। তার আগে আমার পক্ষে যাওয়া সম্ভব নয়।”

    অভিষেক (Abhishek Banerjee) প্রসঙ্গে কী বললেন বিজেপির রাজ্য সভাপতি?

    বিজেপির রাজ্য সভাপতি সুকান্ত মজুমদার বলেন, “কুকুরের লেজ তো সহজে সোজা হয় না। তাই, ইডি ডাকলে তো তিনি (Abhishek Banerjee) যাবেন না, এটাই স্বাভাবিক বিষয়। ইডির হাত থেকে বাঁচতে এত কিছু হচ্ছে। যাত্রা হচ্ছে, নবজোয়ারের নাটক হচ্ছে, পঞ্চায়েত ভোট হচ্ছে। ইডি এবার আদালতকে বিষয়টি জানাবে। আদালত কান ধরে নিয়ে আসার নির্দেশ দেবে। ইডি তখন কান ধরে নিয়ে আসবে। তখন দেখবেন ঠিক হাজির হয়ে যাবে।”

    দেশের খবর, দশের খবর, সব খবর, সবার আগে পেতে ফলো করুন আমাদের FacebookTwitter এবং Google News পেজ।

  • BJP: চুরি করে লালুপ্রসাদও ছাড় পাননি, মুখ্যমন্ত্রী এবং ভাইপো তো চুনোপুঁটি! তোপ সুকান্তর

    BJP: চুরি করে লালুপ্রসাদও ছাড় পাননি, মুখ্যমন্ত্রী এবং ভাইপো তো চুনোপুঁটি! তোপ সুকান্তর

    মাধ্যম নিউজ ডেস্ক: ৯ জুন আরামবাগে বিজেপির (BJP) রাজ্য সভাপতি সুকান্ত মজুমদার দলের সোশ্যাল মিডিয়ার বিশেষ বৈঠকে যোগ দিলেন। আর তার পরই সংবাদ মাধ্যমে তৃণমূলের সর্ব ভারতীয় সাধারণ সম্পাদক অভিষেক বন্দ্যোপাধ্যায়ের বিরুদ্ধে তীব্র কটাক্ষ করেন। কেন্দ্রীয় তদন্তকারী সংস্থা ইডি শিক্ষক নিয়োগ দুর্নীতির বিষয়ে জিজ্ঞাসাবাদ করতে চাইলে তৃণমূলের নেতাদের এত ভয় কীসের? এই প্রশ্নও তোলেন সুকান্ত।

    আরামবাগে এসে কী বললেন সুকান্ত (BJP)?

    অভিষেক বন্দ্যোপাধ্যায় বলেছেন, ইডি ডাকলে যাব না। সামনে পঞ্চায়েত ভোট, অযথা সময় নষ্ট করব না। সুকান্ত মজুদারের কাছে (BJP) অভিষেকের বিষয়ে প্রতিক্রিয়া জানতে চাইলে তিনি বলেন, ইডিতে এত ভয় কীসের? তদন্ত থেকে কেন পালাতে চাইছেন? সুকান্ত আরও বলেন, জনগণের ভোটে নির্বাচিত দল যদি সরকারে থাকে, তাহলে তার মানে এই নয় যে আপনি চুরি করবেন। সংবিধান কখনই চুরি করার অধিকার দেয় না। তিনি আরও বলেন, আমিও সাংসদ, কিন্তু আমিও চুরি করতে পারি না। চুরি করলে ভারতবর্ষের আইন শাস্তি দেবেই। আইনের হাত থেকে বিহারের প্রাক্তন মুখ্যমন্ত্রী লালুপ্রসাদ যাদবও ছাড় পাননি, চুরি করলে শাস্তি পেতেই হবে। মুখ্যমন্ত্রী এবং ভাইপো লালুপ্রসাদের সামনে তো চুনোপুঁটি, তাই শাস্তি পেতেই হবে। ভারতীয় আইনে দোষীরা শাস্তি পাবেই।

    পঞ্চায়েত নির্বাচন নিয়ে মন্তব্য

    সংগ্রামী যৌথ মঞ্চ বলছে যে, পঞ্চায়েত নির্বাচনে কেন্দ্রীয় বাহিনী না দিলে ভোট করাতে তারা যাবে না। প্রতিক্রিয়া স্বরূপ সুকান্ত মজুমদার (BJP) সাংবাদিকদের বলেন, যাঁরা ভোটে যাবেন, তাঁদের সুরক্ষার দায়িত্ব রাজ্য নির্বাচন কমিশনের। তিনি আরও বলেন, গত পঞ্চায়েত নির্বাচনে উত্তর দিনাজপুরে পোলিং অফিসার রাজকুমার রায় নামের এক শিক্ষককে ভোট নিতে গিয়ে খুন হতে হয়েছিল। ওই শিক্ষকের দেহ পাওয়া গিয়েছিল রেল লাইনের ধারে। তাই ভোট কর্মীদের নিরাপত্তার দায়িত্ব রাজ্য নির্বাচন কমিশনের। এক দফার ভোট, কেবল মাত্র পশ্চিমবঙ্গের পুলিশ দ্বারা সম্ভব নয়। পশ্চিমবঙ্গে যে পরিমাণে স্পর্শকাতর পঞ্চায়েত বুথ রয়েছে, তাতে কেন্দ্রীয় বাহিনী বা অন্য রাজ্যের পুলিশ প্রয়োজন। সুকান্ত মজুমদার বলেন, আমরা দেখেছি বিধানসভা ভোটের সময় শুধুমাত্র ভোট কেন্দ্রকে রক্ষা করতে কেন্দ্রীয় বাহিনীকে গুলি চালাতে হয়েছিল। কিন্তু মুখ্যমন্ত্রী নিজে উস্কানি দিয়ে এই অপ্রীতিকর ঘটনা ঘটিয়ে ছিলেন বলে অভিযোগ সুকান্তর। আইন শৃঙ্খলা রক্ষা করতে গিয়ে যদি বাহিনী গুলি চালায়, তাহলে তা ভালোই হবে জানিয়েছেন এই বিজেপি নেতা। কার্যত এইভাবেই বিজেপি নেতা সুকান্ত মজুমদার তৃণমূল সরকার এবং রাজ্য নির্বাচন কমিশনের বিরুদ্ধে তোপ দাগেন।

     

    দেশের খবর, দশের খবর, সব খবর, সবার আগে পেতে ফলো করুন আমাদের Facebook, Twitter এবং Google News পেজ

  • BJP: ময়নায় ধারালো অস্ত্র দিয়ে বিজেপি কর্মীকে কোপ, কাঠগড়ায় তৃণমূল

    BJP: ময়নায় ধারালো অস্ত্র দিয়ে বিজেপি কর্মীকে কোপ, কাঠগড়ায় তৃণমূল

    মাধ্যম নিউজ ডেস্ক: পঞ্চায়েত ভোটের আগে উত্তপ্ত হয়ে উঠল পূর্ব মেদিনীপুর জেলার ময়না বিধানসভা এলাকা। বিজেপির (BJP) সঙ্গে তৃণমূলের সংঘর্ষে উত্তেজনা ছড়াল ময়নার হরিদাসপুর গ্রামের পাখিরাপাড়া এলাকায়। সংঘর্ষে দুই দলের ৬ জন জখম হয়েছেন। তাঁরা ময়না ব্লক প্রাথমিক স্বাস্থ্য কেন্দ্রে ভর্তি রয়েছেন। এই ঘটনাকে কেন্দ্র করে এলাকা উত্তপ্ত হয়ে রয়েছে। অপ্রীতিকর ঘটনা এড়াতে ঘটনাস্থলে পুলিশ মোতায়েন রয়েছে।

    ঠিক কী ঘটেছিল?

    বুধবার ময়নার হরিদাসপুর এলাকায় তৃণমূলের একটি সভা হয়। সেখান থেকে বিজেপি কর্মীদের উদ্দেশ্য করে কটূক্তি করা হয়। এমনকী মারধর করা হবে বলে হুমকিও দেওয়া হয় বলে অভিযোগ। মিটিং শেষ হওয়ার পরই বৃহস্পতিবার তৃণমূলের লোকজন বিজেপি (BJP) কর্মীদের উপর হামলা চালায় বলে অভিযোগ। ধারালো অস্ত্র দিয়ে কোপানো হয়। এমনই দাবি বিজেপি কর্মী লক্ষ্মী পাখিরার। তিনি আরও বলেন, আমরা বিজেপি করি, এটাই আমাদের অপরাধ। তাই, বিনা কারণে আমাদের উপর হামলা চালানো হয়েছে। বঁটি দিয়ে আমাদের বাড়ির লোকজনকে ওরা কুপিয়েছে। অন্যদিকে, তৃণমূল সূত্রে জানা গিয়েছে, ঢালাই রাস্তায় বেড়া দিয়ে অবরোধ করেছিল বিজেপি। তার প্রতিবাদ করতেই তৃণমূল কর্মীদের উপর চড়াও হয় বিজেপির লোকজন। তাতেই দুপক্ষের মধ্যে বচসা বাধে। পরে, তা সংঘর্ষের আকার নেয়। তাতে বেশ কয়েকজন জখম হয়েছে। তৃণমূল কর্মী মিঠুন পাখিরা বলেন, বাড়ির বাইরে গণ্ডগোল হচ্ছিল। আমি প্রথমে যেতে চাইনি। কারণ, বিজেপি কর্মীরা কয়েকদিন ধরেই পায়ে পা লাগিয়ে গণ্ডগোল পাকানোর চেষ্টা করছিল। সেই প্ররোচনায় আমি পা দিতে চাইনি। কিন্তু, আমার ভাই তৃণমূল করে বলে ওকে বেধড়ক মারধর করে। আমরা বাঁচাতে গেলে বিজেপি কর্মীরা আমাদের উপর চড়াও হয়।

    কী বললেন তৃণমূল নেতৃত্ব?

    তৃণমূল নেতা তথা ময়নার পঞ্চায়েত সমিতির মৎস্য কর্মাধ্যক্ষ সুদর্শন জানা বলেন, শুভেন্দু অধিকারী বাকচায় আসার পর থেকে বিজেপি (BJP) কর্মীরা আমাদের কর্মীদের গালিগালাজ করছে। গণ্ডগোল পাকানোর চেষ্টা করছে। বুধবারও বিজেপি কর্মীরা আমাদের উপর হামলা চালায়। আমাদের বেশ কয়েকজন কর্মী জখম হয়েছেন। এখন ওরা নিজেরা হাত, পা ছিঁড়ে আমাদের নামে বদনাম দিয়ে হাসপাতালে ভর্তি রয়েছে।

    কী বললেন বিজেপি (BJP) বিধায়ক?

    বিজেপি (BJP) বিধায়ক অশোক দিন্দা বলেন, সুদর্শন জানা, মৃণাল সামন্ত বুথে মিটিং করে প্রকাশ্যে আমাদের কর্মীদের হামলা করার হুমকি দিয়ে যান। এরপরই তৃণমূল কর্মীরা আমাদের উপর চড়াও হয়। এলাকার মানুষ হামলা প্রতিহত করেন। তাতে দুপক্ষের মধ্যে সংঘর্ষ হয়। উস্কানিমূলক মন্তব্যের জন্য সুদর্শন জানা, মৃণাল সামন্তের বিরুদ্ধে অভিযোগ দায়ের করতে স্থানীয় নেতৃত্বকে বলা হয়েছে।

    দেশের খবর, দশের খবর, সব খবর, সবার আগে পেতে ফলো করুন আমাদের FacebookTwitter এবং Google News পেজ।

  • BJP: অভিষেকের জনজোয়ার নয়, জনভাটা চলছে! জনসম্পর্ক অভিযানে তোপ সুকান্তর

    BJP: অভিষেকের জনজোয়ার নয়, জনভাটা চলছে! জনসম্পর্ক অভিযানে তোপ সুকান্তর

    মাধ্যম নিউজ ডেস্ক: হুগলির জনজোয়ার সভার তীব্র সমালোচনা করলেন বিজেপির (BJP) রাজ্য সভাপতি। এই জেলার আরামবাগ, পোলবা এবং বলাগড়ে অভিষেক বন্দ্যোপাধ্যায় জনজোয়ার কর্মসূচি পালন করছেন। ইতিমধ্যেই এই জেলার তৃণমূল নেতা কুন্তল ঘোষ, শান্তনু বন্দ্যোপাধ্যায়কে শিক্ষক দুর্নীতির অভিযোগে সিবিআই-ইডি গ্রেফতার করেছে। আর তাই, এই সুযোগে বিজেপির মহা জনসম্পর্ক যাত্রা চলাকালীন তৃণমূল সরকারের দুর্নীতির বিরুদ্ধে তোপ দাগলেন বিজেপির রাজ্য সভাপতি সুকান্ত মজুমদার।

    কী বললেন সুকান্ত মজুমদার (BJP)?

    কেন্দ্র সরকারের ৯ বছর পূর্তি উপলক্ষে সাংসদ সুকান্ত মুজমদার (BJP) জনসম্পর্ক অভিযানে চুঁচুড়ার কবি অরুণ চক্রবর্তীর বাড়িতে গিয়েছিলেন। সেখানে তিনি বলেন, আরামবাগে জনজোয়ার নয়, জনভাটা চলছে! যারা টাকা কালেকশন করে পৌঁছে দেবে, তারা এখন জেলে। অভিষেকের ট্রাক্টরে করে রোড শো করাকে কটক্ষ করেন তিনি। বলেন, তৃণমূলের জেলা জুড়ে গোষ্ঠীদ্বন্দ্ব চলছে। পঞ্চায়েত নির্বাচন এখনও হয়নি। কিন্তু যদি রাজ্য সরকার নির্বাচন সঠিক সময়ে না করে, তাহলে যতজন লোক অভিষেকের পিছনে ঘুরছে, তাও আর ঘুরবে না। পাশাপাশি রাজ্যের মুখ্যমন্ত্রীকে উদ্দেশ্য করে বলেন, রেল দুর্ঘটনা নিয়ে মুখ্যমন্ত্রী রাজনীতি করছেন। সুকান্তবাবু বলেন, আহতদের আর্থিক সাহায্যের জন্য স্থানীয় নেতারা প্রথমে চেক দিলেও, তারপর আবার মুখ্যমন্ত্রী তাঁদের কলকাতায় নিয়ে গিয়ে, সেই চেক ঘটা করেপুনরায় প্রদান করেছেন। এটা রীতিমতো আহত ব্যক্তিদের হেনস্থা ছাড়া আর কিছু নয়। উল্লেখ্য, মুখ্যমন্ত্রী যখন চেক বিলি করছিলেন, সেই সময় মন্তব্য করেন, ‘সিবিআই এখন বাথরুমেও ঢুকছে’। আর তাঁর এই কথার পরিপ্রেক্ষিতে সুকান্তবাবু বলেন, টাকা-সোনা যদি তৃণমূল নেতাদের বাথরুমেও রাখা থাকে, তাহলে বাথরুমেও সিবিআই-ইডি ঢুকবে। কেন্দ্র সরকারের ৯ বছর পূরণের উপলক্ষে বিজেপি সমাজের বিভিন্ন বিশিষ্ট মানুষের বাড়িতে গিয়ে জনসম্পর্ক অভিযান করছে। কবি অরুণ চক্রবর্তীর বাড়িতে এই সুবাদেই যাওয়া সুকান্ত মজুমদারের। অরুণবাবু অবশ্য বলেন, এর সঙ্গে রাজনীতির কোনও সম্পর্ক নেই।

    দেশের খবর, দশের খবর, সব খবর, সবার আগে পেতে ফলো করুন আমাদের Facebook, Twitter এবং Google News পেজ।

     

     

  • Panchayat: এটাই কি উন্নয়ন? ত্রিপল দেওয়া ঘরে ঝড়বৃষ্টির সময় ঠাঁই চৌকির নিচে!

    Panchayat: এটাই কি উন্নয়ন? ত্রিপল দেওয়া ঘরে ঝড়বৃষ্টির সময় ঠাঁই চৌকির নিচে!

    মাধ্যম নিউজ ডেস্ক: ভাঙা বেড়া। তার ওপরে ছেঁড়া ত্রিপল! বৃষ্টি এলেই ভিজে যায় ঘর, দমকা হাওয়া দিলেই উড়ে যায় ত্রিপল। নিরুপায় হয়ে ঝড়বৃষ্টির সময় বাড়ির ছেলেমেয়েদের নিয়ে চৌকির তলায় ঠাঁই নিতে হয়। তার ওপর বাড়ি বাড়ি পানীয় জলের লাইন বসলেও পড়ে না জল। আর্সেনিকযুক্ত জল খেয়েই বেঁচে থাকতে হয় তাঁদের। এভাবে চূড়ান্ত সমস্যায় একাধিক আদিবাসী পরিবার। এরকম একটা দুঃসহ অবস্থায় মেলেনি কোনও সরকারি পরিষেবা। তাই তৃণমূল পরিচালিত পঞ্চায়েতের (Panchayat) বিরুদ্ধে চূড়ান্ত ক্ষোভ এলাকাবাসীর। নদিয়ার শান্তিপুর থানার হরিপুর গ্রাম পঞ্চায়েতের সরদারপাড়া। শতাধিক মানুষের বসবাস। বছরের পর বছর ধরে বসবাস করলেও এখনও পর্যন্ত মেলেনি পঞ্চায়েতের কোনও পরিষেবা।

    কী বলছেন ভুক্তভোগী বাসিন্দারা (Panchayat)?

    এই বিষয়ে ওই এলাকার এক দিনমজুর রাম সরদার বলেন, আমরা কোনও কিছুই সুবিধা পাই না। ঘর এখনও পাইনি। ভোট এলে তবেই পঞ্চায়েত সদস্যদের এলাকায় দেখা যায়। একাধিকবার জানিয়েও কোনও লাভ হয়নি। আমরা চাই, যাতে অন্তত সরকারি ঘরটা তাড়াতাড়ি পাই। আরেক বাসিন্দা নিমাই সরদার বলেন, জন্মের পর থেকেই এই ত্রিপলের ঘরে বসবাস করছি। ঝড়বৃষ্টি এলে ভয় হয়। কিন্তু কিছু করার নেই। বাধ্য হয়ে থাকতে হয়। একাধিকবার পঞ্চায়েত সদস্যকে এ বিষয়ে জানানো হয়েছে। তিনি শুধু আশ্বাস দিয়ে গেছেন।কাজের কাজ কিছুই হয়নি। ওই এলাকার বাসিন্দা খুদু সরদার বলেন, বৃষ্টি হলেই বাড়ির সামনে এক হাঁটু জল জমে যায়। বাড়িতে সাপের উপদ্রব বেড়ে যায়। এর আগে একাধিকবার ঘরে সাপ ঢুকেছিল। বাড়িতে ছোট বাচ্চা নিয়ে চরম আতঙ্কে থাকি। কিন্তু আমাদের কোনও ঘর দেওয়া হয়নি। বয়স্ক ভাতা থেকে শুরু করে লক্ষ্মীর ভাণ্ডার কিছুই আমি পাই না। পঞ্চায়েতের তরফ থেকে একজন আসেন, দেখে চলে যান। কাজের কাজ কিছুই হয় না। সবকিছু বিক্রি করে কোনও রকমে বাড়িতে বিদ্যুৎ সংযোগটা করিয়েছি। আমরা চাই অবিলম্বে সরকার এবং পঞ্চায়েতের (Panchayat) তরফ থেকে পরিষেবার ব্যবস্থা করুক।

    ক্ষোভ উগরে দিলেন বিজেপি নেত্র্রী?

    যদিও পঞ্চায়েতের বিরুদ্ধে একরাশ ক্ষোভ উগরে দিয়েছেন ওই এলাকার বিজেপি নেত্রী শিলা হালদার মণ্ডল। হরিপুর পঞ্চায়েতের (Panchayat) বিরুদ্ধে স্বজনপোষণের অভিযোগ তুলে তিনি বলেন, যাঁরা মূলত তৃণমূল করছেন, তাঁরাই ঘর পাচ্ছেন। একবারের জায়গায় দু থেকে তিনবার একই নামে ঘর আসছে। অথচ যাঁরা নিম্নবিত্ত শ্রেণির খেটে খাওয়া মানুষ, যাঁরা ঘর পাওয়ার যোগ্য, তাঁরা ঘর পাচ্ছেন না। পঞ্চায়েত এলাকার এক শ্রেণির তৃণমূল নেতা কাজ না করে রাতারাতি ফুলেফেঁপে উঠছেন। পাশাপাশি তিনি বলেন, শুধুমাত্র ঘর নয়, প্রতিটি প্রকল্পে ব্যাপক হারে দুর্নীতি করেছে এই তৃণমূল পরিচালিত পঞ্চায়েত।

    কী বলছে তৃণমূল নেতৃত্ব (Panchayat)?

    এ বিষয়ে হরিপুর গ্রাম পঞ্চায়েতের (Panchayat) প্রধান শোভা সরকার বলেন, ঘর মূলত কেন্দ্রীয় সরকার এবং রাজ্য সরকার উভয়ের আর্থিক বরাদ্দ থেকে দেওয়া হয়। কিন্তু কেন্দ্র থেকে কোনও আর্থিক সাহায্য না মেলায় ঘর দেওয়া সম্ভব হচ্ছে না। ওই প্রকল্পের টাকা আমাদের হাতে এলেই আমরা ঘর দেওয়া শুরু করব। অন্যদিকে অন্যান্য প্রকল্প নিয়ে তিনি বলেন, সঠিক নথিপত্র যাদের রয়েছে তাদের আমরা বিভিন্ন প্রকল্পের পরিষেবা দেওয়া শুরু করেছি।

    ওই এলাকার বর্তমান পঞ্চায়েত (Panchayat) সদস্যা তনুশ্রী সাহার স্বামী এবং প্রাক্তন পঞ্চায়েত সদস্য তাপস কুমার সাহা বলেন, বাম আমলে কোনও কাজ হয়নি। তৃণমূল ক্ষমতায় আসার পর এবং আমি প্রথম মেম্বার হওয়ার পর ওই এলাকায় একশো শতাংশ উন্নয়ন করেছি। সরদার পাড়ার প্রত্যেকেই ঘর পেয়েছে। পাশাপাশি বিধবা ভাতা এবং লক্ষ্মীর ভাণ্ডার সবাই পেয়েছে বলে দাবি করেন তিনি।

     

    দেশের খবর, দশের খবর, সব খবর, সবার আগে পেতে ফলো করুন আমাদের Facebook, Twitter এবং Google News পেজ।

  • PM Modi: মোদি জমানায় মজবুত অর্থনীতি, বছরে ৩১ কোটি মোবাইল উৎপাদন!

    PM Modi: মোদি জমানায় মজবুত অর্থনীতি, বছরে ৩১ কোটি মোবাইল উৎপাদন!

    ২০১৪ সালে নরেন্দ্র মোদি সরকারের স্লোগান ছিল ‘আচ্ছে দিন আসছে’। বিগত ৯ বছরে ৪ কোটি মানুষ মাথার উপর ছাদ পেয়েছেন প্রধানমন্ত্রী আবাস যোজনায়, ১১ কোটি মানুষ পেয়েছেন শৌচালয়। উজ্জ্বলা যোজনা আসার পর কাউকে আর উনুনে রাঁধতে হচ্ছে না। চলছে স্কিল ইন্ডিয়া, মেক-ইন-ইন্ডিয়ার মতো অজস্র প্রকল্প। সন্ত্রাসী হামলার প্রত্যুত্তর হিসেবে এদেশ সাক্ষী থেকেছে বালাকোট এয়ার স্ট্রাইকের। নিরাপত্তা হোক বা কৃষি, কর্মসংস্থান হোক বা দারিদ্রতা দূরীকরণ-বিগত ৯ বছরে কীভাবে এল সেই ‘আচ্ছে দিন’? তা নিয়েই আমাদের ধারাবাহিক প্রতিবেদন ।

    ‘সাফল্যের ৯ বছর’-৮

    মাধ্যম নিউজ ডেস্ক: করোনা পরিস্থিতির পর সারা বিশ্ব জুড়েই বিভিন্ন দেশে অর্থনৈতিক মন্দা দেখা দিয়েছে। এই আবহে ইন্টারন্যাশনাল মনিটারি ফান্ড ঘোষণা করেছে, ভারতের অর্থনীতি সারা বিশ্বের মধ্যে অত্যন্ত গতিশীল। ইন্টারন্যাশনাল মনিটারি ফান্ডের এই ঘোষণা আসলে ৯ বছরের মোদি সরকারের (PM Modi) আমলে দেশের আর্থিক উন্নতিতে সিলমোহর দিল বলে মনে করছে আন্তর্জাতিক মহলের একাংশ। জিএসটি চালু হওয়ার পর বিগত বছরগুলিতে দেখা গেছে, বিপুল পরিমাণে সেখান থেকে লাভ হয়েছে সরকারের। রেকর্ড পরিমাণে রফতানি বেড়েছে গত ৯ বছরে। এই কারণগুলির জন্যই করোনা কালে বিশ্বের অর্থনীতিতে মন্দা দেখা দিলেও ভারতে তা প্রভাব ফেলতে পারেনি বলেই মনে করছেন অর্থনৈতিক বিশ্লেষকরা। এই কাজ সম্পূর্ণভাবে সম্ভব হয়েছে ২০১৪ সাল থেকে মোদি সরকারের শক্তিশালী অর্থনৈতিক নীতির জন্য, পরিকাঠামোগত সংস্কারের জন্য।

    ভারতের অর্থনীতিকে স্বনির্ভর করে তুলতে এবং দেশের মধ্যে উৎপাদন বাড়াতে মোদি সরকার বিভিন্ন প্রকল্প নিয়েছে। আত্মনির্ভর ভারতের লক্ষ্যে এই প্রকল্পগুলির মধ্যে উল্লেখযোগ্য হল মেক-ইন-ইন্ডিয়া। এই ক্ষেত্রে ব্যাপক অগ্রগতি দেখা গিয়েছে বিগত ৯ বছরে। বিগত বছরগুলিতে কয়েক লাখ যুবকের কর্মসংস্থানও হয়েছে এই স্কিমগুলির দৌলতে। বিশ্বের অর্থনীতিতে ভারত হল এখন মোবাইল তৈরির একটি গুরুত্বপূর্ণ হাব। পরিসংখ্যান বলছে, ২০১৪-১৫ সালে যেখানে মোবাইল তৈরি হত দেশে ৬ কোটি, সেখানে ২০২১-২২ সালে তার পরিমাণ দাঁড়িয়েছে ৩১ কোটি। বিশ্বের মধ্যে ভারতবর্ষকে এখন বিনিয়োগ করার জন্য বেছে নিচ্ছেন শিল্পপতিরা। প্রধানমন্ত্রী নরেন্দ্র মোদির (PM Modi)  নেতৃত্ব এবং তাঁর স্পষ্ট অর্থনৈতিক নীতির কারণেই এগুলি সম্ভব হচ্ছে। পরিসংখ্যান বলছে, ২০২১-২২ অর্থবর্ষে এফডিআই এসেছে ভারতে ৮,৩০০ কোটি টাকার। প্রধানমন্ত্রী নরেন্দ্র মোদির এই নীতির ফলে ভারতের রফতানি অনেকটাই বাড়বে বলে মনে করছেন অর্থনৈতিক বিশেষজ্ঞরা। ২০৩০ সালের মধ্যে ভারতের রফতানি ৪২ লক্ষ কোটি টাকায় নিয়ে যাওয়ার লক্ষ্যমাত্রা নেওয়া হয়েছে। দেশের অর্থনৈতিক ক্ষেত্রতে এই বিপুল সংস্কার এবং উন্নয়নের প্রভাব ভারতবর্ষের জনসাধারণের মধ্যেও দেখা যাচ্ছে এবং তাঁরা পূর্বের চেয়ে অনেক বেশি স্বচ্ছন্দের জীবনযাপন করতে পারছেন। তাঁদের পরিবারের সন্তানরা ভালো মানের শিক্ষা পাচ্ছেন।

    একনজরে দেখে নেওয়া যাক, অর্থনৈতিক ক্ষেত্রে গত ৯ বছরের উন্নয়ন

    ১) ইন্টারন্যাশনাল মনিটরি ফান্ড ঘোষণা করেছে, অর্থনীতিতে দ্রুত এগিয়ে চলা দেশগুলির মধ্য়ে ভারত অন্যতম।

    ২) করোনাকালীন সময়ে ২৭.১ লক্ষ কোটি টাকার আত্মনির্ভর ভারতের প্যাকেজ ঘোষণা করা হয়েছে।

    ৩) প্রতি মাসেই জিএসটি সংগ্রহ রেকর্ড স্পর্শ করছে। পরিসংখ্যান বলছে, ২০২৩ এর এপ্রিলে জিএসটি সংগ্রহ হয়েছে ১.৮৭ লক্ষ কোটি টাকা।

    ৪) ২০২২-২৩ অর্থবর্ষে বিদেশে রফতানি হয়েছে ৭৭ হাজার কোটি টাকার সামগ্রী এবং অন্যান্য জিনিসপত্র।

    ৫) আগামী পাঁচ বছরে ষাট লাখ কর্মসংস্থান তৈরির লক্ষ্যমাত্রা নেওয়া হয়েছে।

    ৬) বিদেশে ইলেকট্রনিক জিনিসপত্র রফতানি ৫০ শতাংশ বেড়েছে এবং ২০২২-২৩ অর্থবর্ষে তা ২,৩০০ কোটি টাকা স্পর্শ করেছে।

    ৭) ৬.৬০ লক্ষ কোটি টাকার ঋণ উদ্ধার করা গেছে।

    ৮) ২০২১-২২ অর্থবর্ষে ভারতে এফডিআই এসেছে ৮,৪০০ কোটি টাকার।

    ৯) জাতীয় সড়কের মোট দৈর্ঘ্য ২০১৪ সালে ছিল ৯১ হাজার ২৮৭ কিমি। সেখানে ২০২২-২৩ সালে তা দাঁড়িয়েছে ১ লক্ষ ৪৫ হাজার ১৫৫ কিমি।

     

    আরও পড়ুন: ৯ বছরের মোদি জমানায় সফল বিদেশ ও সুরক্ষা নীতি, কাশ্মীরে বিলোপ ৩৭০ ধারা!

    আরও পড়ুন: মোদি সরকারের ৯ বছরে ১৫ টি নতুন এইমস, ৩৭ কোটি মানুষের স্বাস্থ্য বিমা!

    আরও পড়ুন: বার্ষিক ৭ লাখ আয় করমুক্ত, কমেছে বাড়ি-গাড়ির ঋণে সুদের হার! খুশি মধ্যবিত্তরা

    আরও পড়ুন: ৯ বছরে ৭টি আইআইটি স্থাপন, কোটির ওপর যুবককে প্রশিক্ষণ মোদি সরকারের!

    আরও পড়ুন: বন্ধ হয়েছে তিন তালাক, মোদি সরকারের আমলে মহিলাদের জন্য অজস্র প্রকল্প

    আরও পড়ুন: দুধ উৎপাদনে শীর্ষে ভারত, প্রধানমন্ত্রী কিষাণ যোজনার আওতায় ১১ কোটি মানুষ!

    আরও পড়ুন: ৮০ কোটি মানুষকে বিনামূল্যে খাদ্য, ১১ কোটি বাড়িতে জলের লাইন! অভাবনীয় সাফল্য মোদি সরকারের

    চলবে….

    দেশের খবর, দশের খবর, সব খবর, সবার আগে পেতে ফলো করুন আমাদের FacebookTwitter এবং Google News পেজ।

  • Sukanta Majumdar: ‘‘২ হাজারের নোটে ক্ষতিপূরণ, কালো টাকা সাদা করার তৃণমূলী পদ্ধতি’’, খোঁচা সুকান্তর

    Sukanta Majumdar: ‘‘২ হাজারের নোটে ক্ষতিপূরণ, কালো টাকা সাদা করার তৃণমূলী পদ্ধতি’’, খোঁচা সুকান্তর

    মাধ্যম নিউজ ডেস্ক: করমণ্ডল এক্সপ্রেসের দুর্ঘটনায় মৃতদের পরিবার পিছু ২ লাখ টাকা করে দেওয়ার কথা ঘোষণা করেছেন তৃণমূলের সর্বভারতীয় সাধারণ সম্পাদক অভিষেক বন্দ্যোপাধ্যায়। যা নিয়ে রীতিমতো কটাক্ষ করতে ছাড়েননি বিজেপির রাজ্য সভাপতি সুকান্ত মজুমদার (Sukanta Majumdar)। কালো টাকা সাদা করতেই তৃণমূলের এই উদ্যোগ বলে তোপ দেখেছেন বালুরঘাটের সাংসদ। তাঁর আরও দাবি , দু’লক্ষ টাকার ক্ষতিপূরণ ২ হাজার টাকার নোটে দেওয়া হচ্ছে। যা ৩০ সেপ্টেম্বর পর্যন্ত ব্যাঙ্কে গিয়ে বদল করে আসতে হবে।

    কী লিখলেন সুকান্ত মজুমদার (Sukanta Majumdar)?

    এই নিয়ে মঙ্গলবারই ট্যুইট করেছেন বিজেপির রাজ্য সভাপতি। একটি ভিডিও পোস্ট করে তিনি লেখেন, ‘‘মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়ের নির্দেশে তৃণমূল দলের পক্ষ থেকে নিহতদের পরিবারকে ২ লাখ টাকার আর্থিক সাহায্য করছেন রাজ্যের একজন মন্ত্রী। একে আমি সাধুবাদ জানাই। কিন্তু এ প্রসঙ্গে আমার প্রশ্ন, একসঙ্গে ২ হাজার টাকার নোটে দু লাখ টাকার বান্ডিলের উৎসটা ঠিক কি?’’ অর্থাৎ স্পষ্টভাবেই বিজেপির রাজ্য সভাপতি বলতে চেয়েছেন যে ঘুষ এবং দুর্নীতির কালো টাকা সাদা করার উদ্দেশ্যেই তৃণমূল দু লাখ টাকার ক্ষতিপূরণের কথা ঘোষণা করেছে।

    তাঁর আরও সংযোজন, ‘‘বর্তমানে ২০০০ টাকার নোট বাজারে যোগান কম এবং তা ব্যাঙ্কের মাধ্যমে পরিবর্তন করার পদ্ধতি চলছে। এই পরিস্থিতিতে অসহায় পরিবারগুলোকে দুই হাজার টাকার নোট প্রদান করে তাদের সমস্যা কি বৃদ্ধি করা হল না?  দ্বিতীয়ত, এটা কালো টাকা সাদা করার তৃণমূলী পদ্ধতির নয় কি?’’

    আরও পড়ুন: রেললাইনে চলে এল ট্রাক, অল্পের জন্য রক্ষা পেল রাজধানী এক্সপ্রেস!

    গতকালই ২০০০ টাকার নোটের বান্ডিল দিতে দেখা যায় মন্ত্রী শশী পাঁজাকে

    প্রসঙ্গত, এই দিনই স্বজনহারা পরিবারগুলির হাতে আর্থিক সাহায্য তুলে দিতে দক্ষিণ ২৪ পরগনায় গিয়েছিলেন মন্ত্রী শশী পাঁজা, বিধায়ক শওকত মোল্লা, জয় নগরের সাংসদ প্রতিমা মণ্ডলরা। ২০০০ টাকার নোট ইতিমধ্যে প্রত্যাহারের কথা ঘোষণা করেছে ভারতের রিজার্ভ ব্যাঙ্ক। যাদের কাছে এই নোট রয়েছে ৩০ সেপ্টেম্বরের মধ্যে তা বদল করারও নির্দেশ দিয়েছে ভারতের সর্বোচ্চ ব্যাঙ্ক। তা সত্ত্বেও এদিন ২০০০ টাকার নোটে ক্ষতিপূরণ দিতে দেখা যায় তৃণমূল নেতৃত্বকে।

     

    দেশের খবর, দশের খবর, সব খবর, সবার আগে পেতে ফলো করুন আমাদের FacebookTwitter এবং Google News পেজ।

  • Sukanta Majumdar: “দেবের সিনেমাগুলো হয়তো আগামী দিনে করবেন”, অভিষেককে কটাক্ষ সুকান্তর

    Sukanta Majumdar: “দেবের সিনেমাগুলো হয়তো আগামী দিনে করবেন”, অভিষেককে কটাক্ষ সুকান্তর

    মাধ্যম নিউজ ডেস্ক: জুতো মেরে গরুদান। বাংলার একটা বিখ্যাত প্রবাদ। অভিষেকের ফুরফুরা শরিফে আসাকে ঠিক এই প্রবাদেই ভূষিত করলেন বিজেপির রাজ্য সভাপতি সুকান্ত মজুমদার (Sukanta Majumdar)। সোমবার বিকেলে অভিষেকের নবজোয়ার যাত্রা প্রবেশ করেছিল হুগলি জেলায়। হাওড়ার ডোমজুড় থেকে অভিষেকের কনভয় হুগলিতে ঢোকে জাঙ্গিপাড়ার মধ্য দিয়ে। তিনদিনের কর্মসূচির সূচনা হিসেবে জাঙ্গিপাড়ার অন্তর্গত ফুরফুরা শরিফকেই বেছে নেওয়া হয়েছিল। উদ্দেশ্য ছিল ফুরফুরা শরিফের পবিত্র মাজার দর্শন করে পিরজাদাদের সঙ্গে সাক্ষাৎ করা। কিন্তু অভিষেকের ফুরফুরার অভিষেক মসৃণ ছিল না। কারণ ওইদিন সকালেই তাঁর (Abhishek Banerjee) বিরুদ্ধে পোস্টার পড়েছিল। যদিও পুলিশি হস্তক্ষেপে সেই পর্ব মিটে যায়। তবুও খোদ নওশাদ সিদ্দিকির বাসস্থান যেখানে, সেখানে তো ক্ষোভ থাকবেই। কারণ এই নওশাদকেই বেশ কিছুদিন হাজতবাস করতে হয় শাসকদলের অঙ্গুলি হেলনে।

    সুকান্তর (Sukanta Majumdar) হুগলি জেলার কর্মসূচি

    আর মঙ্গলবার প্রবাস কর্মসূচি উপলক্ষে দুদিনের সফরে হুগলি এসে বিজেপি রাজ্য সভাপতি সুকান্ত মজুমদার ঠিক সেই জায়গাতেই খোঁচাটা দিলেন। রাজনৈতিক দিক থেকে দেখতে গেলে হুগলি জেলায় মঙ্গলবার ছিল খুব গুরুত্বপূর্ণ দিন। একদিকে অভিষেকের জনজোয়ার কর্মসূচি চলছে হরিপাল থেকে তারকেশ্বর পর্যন্ত, অন্যদিকে বিজেপির প্রবাস কর্মসূচি উপলক্ষে খোদ রাজ্য সভাপতির (Sukanta Majumdar) হুগলি আগমন। এদিন দুপুরে শ্রীরামপুর সাংগঠনিক জেলার কিছু মণ্ডলের মিটিং সেরে চণ্ডীতলার কৃষ্ণরামপুর এলাকায় সন্ধ্যায় জনসভা করেন সুকান্তবাবু। সেখানে তিনি বলেন, কয়েকদিন আগে তৃণমূল কংগ্রেস এই অভিষেক ব্যানার্জির নির্দেশেই ফুরফুরার পিরজাদা বিধায়ক নওশাদ সিদ্দিকিকে জেলে ঢুকিয়ে ছিল। সেই ফুরফুরাতে গিয়েই উনি শ্রদ্ধাদান করেছেন!

    অভিষেকের নবজোয়ারকে কটাক্ষ

    এদিন হরিপালে রোড শো-তে অভিষেককে ট্রাক্টরে চেপে যেতে দেখা গিয়েছিল। সেই বিষয়েও কটাক্ষ করেন সুকান্ত (Sukanta Majumdar)। তিনি বলেন, উনি এসব নাটক করছেন। চেহারা টেহারা কমিয়েছেন। একটু স্লিম হয়েছেন। হিরো হওয়ার শখ হয়েছে হয়তো। দেবের সিনেমাগুলো হয়তো আগামী দিনে করবেন। সেই জন্য ট্রাক্টরে চড়ছেন, গাড়ির মাথায় চড়ছেন, ফুল ছড়াচ্ছেন। তাঁর কথায়, আগে তো কখনও গ্রামে বাংলায় যাননি, তাই এখন যাচ্ছেন। দেখছেন জমিতে ধান কেমন হয়, ধান হয় না কাঠ হয়। আসলে সব নাটক।

    পঞ্চায়েত নির্বাচন নিয়ে সুকান্ত (Sukanta Majumdar)

    আগামী পঞ্চায়েত নির্বাচন উপলক্ষে সুকান্তর দাবি, ফ্রি অ্যান্ড ফেয়ার ইলেকশন হলে বিজেপি পঞ্চায়েত নির্বাচনে তৃণমূলের থেকে বেশি আসন নিয়ে জয়লাভ করবে। এদিন শ্রীরামপুর সাংগঠনিক জেলার সভা সেরেই চুঁচুড়া ফিরে আসেন তিনি (Sukanta Majumdar)। হুগলি জেলা পূর্ত ভবনের পাশে পথসাথীতে রাত্রিবাস করে বুধবার হুগলি সাংগঠনিক জেলাতে বেশ কিছু দলীয় কর্মসূচিতে অংশ নেবেন।

     

     

    দেশের খবর, দশের খবর, সব খবর, সবার আগে পেতে ফলো করুন আমাদের FacebookTwitter এবং Google News পেজ।

  • Kaliaganj: মৃত্যুঞ্জয়ের মৃত্যুকাণ্ডে ম্যাজিস্ট্রেট পর্যায়ের সাক্ষ্যগ্রহণ, এলেন না অভিযুক্ত পুলিশকর্মীরা

    Kaliaganj: মৃত্যুঞ্জয়ের মৃত্যুকাণ্ডে ম্যাজিস্ট্রেট পর্যায়ের সাক্ষ্যগ্রহণ, এলেন না অভিযুক্ত পুলিশকর্মীরা

    মাধ্যম নিউজ ডেস্ক: কালিয়াগঞ্জের (Kaliagan) রাধিকাপুরে পুলিশের গুলিতে যুবকের মৃত্যুর ঘটনায় ম্যাজিস্ট্রেট পর্যায়ের তদন্তের সাক্ষ্যগ্রহণ শুরু হল মঙ্গলবার। এই ঘটনার সাথে জড়িত সকল আধিকারিক, প্রত্যক্ষদর্শী ও জনসাধারণকে এদিন সাক্ষ্য দিতে আসার জন্য অনুরোধ জানিয়ে প্রশাসনের পক্ষ থেকে বিজ্ঞপ্তি জারি করা হয়েছিল। পুলিশের ওই গুলি চালানো ন্যায়সঙ্গত ছিল কি? তা নিরুপণ করার জন্যই সকাল সাড়ে ১১ টা থেকে কালিয়াগঞ্জ বিডিও অফিসের সভাকক্ষে মহকুমা শাসক কিংশুক মাইতির উপস্থিতিতে এই সাক্ষ্যগ্রহণ পর্ব শুরু হয়। বিকেল ৩ টে পর্যন্ত গুলিতে মৃত মৃত্যুঞ্জয় বর্মনের বাবা, স্ত্রী, দাদা সহ এলাকার প্রায় ৩৫ জনের সাক্ষ্যগ্রহণ করা হয়। তবে এদিন ওই ঘটনার সাথে জড়িত কোনও পুলিশকর্মী সাক্ষ্য দিতে আসেননি। মৃতের পরিবারের সদস্য ও এলাকার বাসিন্দারা প্রত্যেকেই ঘটনায় সিবিআই তদন্তের পাশাপাশি অভিযুক্ত পুলিশকর্মীর দৃষ্টান্তমূলক শাস্তির দাবি করেছেন বলে জানা গিয়েছে।

    কী ঘটেছিল কালিয়াগঞ্জে (Kaliagan)?

    গত ২১ শে এপ্রিল কালিয়াগঞ্জের (Kaliagan) সাহেবঘাটায় উচ্চ মাধ্যমিক পরীক্ষার্থী এক ছাত্রীর মৃতদেহ উদ্ধারের ঘটনায় তাঁকে ধর্ষণ করে খুন করার অভিযোগ ওঠে। ২৫ এপ্রিল  বিজেপির পক্ষ থেকে এই ঘটনার প্রতিবাদে স্থানীয় সাংসদের নেতৃত্বে পুলিশ সুপারের দফতরের সামনে বিক্ষোভ কর্মসূচি পালন করা হয়। রাতে পুলিশ তল্লাশি অভিযান চালায়। সেই সময় মৃত্যুঞ্জয় বর্মন (৩৩) নামে এক যুবক পুলিশের গুলিতে মারা যান বলে অভিযোগ ওঠে।

    জেলা প্রশাসনের বিশেষ দায়িত্ব

    জেলা প্রশাসন সূত্রে জানা গিয়েছে, উচ্চ আদালত ও মানবাধিকার কমিশনের গাইডলাইন অনুযায়ী কোথাও পুলিশের গুলিতে কেউ মারা গেলে ম্যাজিস্ট্রেট পর্যায়ের তদন্ত করতে হয়। সেই নিয়ম মেনেই পুলিশের পক্ষ থেকে জেলা প্রশাসনের কাছে ম্যাজিস্ট্রেট (Kaliagan)পর্যায়ের তদন্ত করার আবেদন করা হয়। সেই আবেদনের ভিত্তিতে জেলা প্রশাসনের পক্ষ থেকে রায়গঞ্জের মহকুমা শাসক কিংশুক মাইতিকে এই তদন্তের দায়িত্ব দেওয়া হয়।

    মহকুমা শাসকের বিজ্ঞপ্তিতে কী বলা হয়েছিল?

    ২২ মে এই মর্মে মহকুমা শাসক একটি বিজ্ঞপ্তি জারি করেন। ৬ জুন কালিয়াগঞ্জ (Kaliagan) বিডিও অফিসে রাধিকাপুরের চাঁদগা গ্রামে রাতে তল্লাশি অভিযানে অংশগ্রহণকারী সকল পুলিশকর্মীকে উপস্থিত থাকার জন্য বলা হয়। এর পাশাপাশি মৃতের পরিবারের সদস্য, এলাকার বাসিন্দা, প্রত্যক্ষদর্শীদেরও আসার জন্য বলা হয়। আর তাই এদিন সকাল ১১ টা থেকে এই সাক্ষ্যগ্রহণ শুরু হয়। তার আগেই মৃত মৃত্যুঞ্জয় বর্মনের বাবা রবীন্দ্রনাথ বর্মন, স্ত্রী গৌরী বর্মন, দাদা বিষ্ণু বর্মন সহ এলাকার প্রায় ৫০ জন বাসিন্দা বিডিও অফিসে চলে আসেন। প্রত্যেককে আলাদা করে মহকুমা শাসক জিজ্ঞাসাবাদ করেন ও তাঁদের বয়ান ভিডিও রেকর্ড করা হয়। প্রশাসন সূত্রে জানা গিয়েছে, ২৭ জনের বয়ান ভিডিও রেকর্ড করা হয়। পাশাপাশি আরও কয়েকজন তাঁদের বয়ান কাগজে লিখে জমা দেন। কোনও পুলিশকর্মী এদিন সাক্ষ্য দিতে না আসায় তাঁদের জন্য আগামী সপ্তাহে একটি দিন নির্দিষ্ট করা হবে বলে জানা গিয়েছে।

    পরিবারের বক্তব্য

    নিহত মৃত্যুঞ্জয় (Kaliagan) বর্মনের স্ত্রী গৌরী বর্মন জানিয়েছেন, “মহকুমা শাসক সাক্ষ্যগ্রহণ করার শুরুতেই সেদিনের ঘটনার বিস্তারিত বর্ণনা শোনেন। বিনা প্ররোচনায় পুলিশ সেদিন আমার স্বামীকে কীভাবে গুলি চালিয়ে খুন করেছে, তা জানাই। ওই অভিযুক্ত পুলিশকর্মীর দৃষ্টান্তমূলক শাস্তির পাশাপাশি আমি সিবিআই তদন্তের দাবি জানিয়েছি।” এলাকার এক বাসিন্দা সত্যচরণ বর্মন বলেন, “সেদিন আমি পুলিশের উপস্থিতি টের পেয়ে বাড়ির বাইরে আসি। পুলিশ আমাকে ভয় দেখিয়ে সরে যেতে বলে। মৃত্যুঞ্জয় ঘর থেকে বেরিয়ে পুলিশকে তাঁর বাবাকে ধরে নিয়ে যাবার কারণ জিজ্ঞেস করে। তখনই এক অফিসার গুলি চালানোর নির্দেশ দেয়। আর তারপরেই তাঁকে গুলি চালানো হয়।”

     

    দেশের খবর, দশের খবর, সব খবর, সবার আগে পেতে ফলো করুন আমাদের Facebook, Twitter এবং Google News পেজ।

LinkedIn
Share