Tag: bjp

bjp

  • Opinion Poll: বিজেপি নেতৃত্বাধীন এনডিএ জিতবে ৩৭৮টি আসনে, ইঙ্গিত ‘ইন্ডিয়া টুডে’র সমীক্ষায়

    Opinion Poll: বিজেপি নেতৃত্বাধীন এনডিএ জিতবে ৩৭৮টি আসনে, ইঙ্গিত ‘ইন্ডিয়া টুডে’র সমীক্ষায়

    মাধ্যম নিউজ ডেস্ক: প্রধানমন্ত্রী নরেন্দ্র মোদি স্বয়ং দাবি করেছেন (Opinion Poll) লোকসভা নির্বাচনে বিজেপি একাই পাবে ৩৭০টি আসন। এনডিএ পাবে ৪০০টি। দিন কয়েক আগে ‘মুড অফ দ্য নেশনে’র সমীক্ষায়ও জানা গিয়েছিল বিপুল আসনে জিতে কেন্দ্রে ফিরতে চলেছে বিজেপিই। এবার ‘ইন্ডিয়া টুডে’র সমীক্ষায় জানা গেল আসন্ন লোকসভা নির্বাচনে জয়জয়কার বিজেপিরই।

    ওপিনিয়ন পোল (Opinion Poll)

    ‘ইন্ডিয়া টিভি-সিএনএক্স’-এর ওপিনিয়ন পোলের সমীক্ষার রিপোর্ট প্রকাশিত হয়েছে মঙ্গলবার। তাতেও দেখা গিয়েছে, প্রধানমন্ত্রীর ভবিষ্যদ্বাণী খুব একটা ভুল নয়। সমীক্ষায় প্রকাশ, বিজেপি নেতৃত্বাধীন এনডিএ জয়ী হবে ৩৭৮টি কেন্দ্রে। আর ‘ইন্ডি’ জোট (বিজেপি বিরোধী ২৬টি রাজনৈতিক দলের জোট) পেতে পারে ৯৮টি আসন। এর মধ্যে অবশ্য তৃণমূল নেই। মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়ের দল, জগন মোহন রেড্ডির ওয়াইএসআরসিপি, চন্দ্রবাবু নাইডুর টিডিপি, নবীন পট্টানায়েকের বিজেডি এবং নির্দল মিলিয়ে পেতে পারেন বাকি ৬৭টি আসন। মনে রাখতে হবে, লোকসভার আসন সংখ্যা ৫৪৫ হলেও, নির্বাচন হবে ৫৪৩টিতে।

    কী বলছে সমীক্ষা?

    বিজেপি যে একাই রাজ করবে, তাও জানা গিয়েছে সমীক্ষায় (Opinion Poll)। জানা গিয়েছে, পদ্ম শিবির একাই জয়ী হবে ৩৩৫টি আসনে। গুজরাটের ২৬টি আসনেই ক্লিন স্যুইপ হয়ে যাবে বিরোধীরা। মধ্যপ্রদেশের ২৯টি আসনেও খড়কুটোর মতো উড়ে যাবে বিরোধীরা। রাজস্থানের ২৫, হরিয়ানার ১০, দিল্লির ৭, উত্তরাখণ্ডের ৫ এবং হিমাচলপ্রদেশের ৪টি আসনেও মুছে যাবে বিরোধীরা। দক্ষিণের রাজ্য কেরলেও এবার থাবা বসাচ্ছে গেরুয়া পার্টি। সমীক্ষায় প্রকাশ, এ রাজ্যেও তিনটি আসনে জয়ী হতে পারে বিজেপি। সমীক্ষার ফল মিললে এই প্রথম কেরলে খাতা খুলতে চলছে বিজেপি। ওপিনিয়ন পোল থেকে এও জানা গিয়েছে, তিরুবনন্তপুরম লোকসভা কেন্দ্রে কংগ্রেসের শশী তারুরকে জোর টক্কর দেবেন বিজেপির রাজীব চন্দ্রশেখর। শেষ হাসি হাসতে পারেন চন্দ্রশেখরই।

    আরও পড়ুুন: হাইকোর্টের নির্দেশ বহাল রাখল শীর্ষ আদালত, আজই সিবিআই-এর হাতে শেখ শাহজাহান?

    অন্যান্য বারের মতো এবারও সবার নজর থাকবে উত্তরপ্রদেশের দিকে। সমীক্ষা থেকে জানা গিয়েছে, যোগীরাজ্যে বিজেপি জিততে পারে ৭৪টি আসনে। সহযোগী রাষ্ট্রীয় লোক দল এবং আপনা দল পেতে পারে দুটি করে আসন। বাকি দুটি আসন যেতে পারে অখিলেশ যাদবের ঝুলিতে। শূন্য হাতে ফিরতে হতে পারে কংগ্রেস ও বহুজন সমাজবাদী পার্টিকে।

    বিজেপির আশা, বাংলার ৪২টি আসনের মধ্যে ২০টি, বিহারের ৪০টির মধ্যে ১৭টি, ঝাড়খণ্ডের ১৪টির মধ্যে ১২টি, কর্নাটকের ২৮টির মধ্যে ২২টি, মহারাষ্ট্রের ৪৮টির মধ্যে ২৫টি, ওড়িশার ২১টির মধ্যে ১০টি, অসমের ১৪টির মধ্যে ১০টি পাবে তারা। তামিলনাড়ুতে ৪টি এবং তেলঙ্গানার ৫টি আসনেও পদ্ম প্রার্থীরা জয়ী হবেন বলে আশা বিজেপির ভোট ম্যানেজারদের (Opinion Poll)।

     

    দেশের খবরদশের খবরসব খবরসবার আগে পেতে ফলো করুন আমাদের FacebookTwitter এবং Google News পেজ।

     
  • DMK: “আমরা রামের শত্রু”! ডিএমকে নেতা এ রাজার ঘৃণাভাষণের কড়া সমালোচনা বিজেপির

    DMK: “আমরা রামের শত্রু”! ডিএমকে নেতা এ রাজার ঘৃণাভাষণের কড়া সমালোচনা বিজেপির

    মাধ্যম নিউজ ডেস্ক: “আমরা রামের শত্রু। ভারত কোনও জাতি নয়।” মঙ্গলবার কথাগুলি বললেন ডিএমকে নেতা এ রাজা। যার জেরে ফের একবার বিতর্কে জড়িয়েছে ডিএমকে। ‘ইন্ডি’ জোটে রয়েছে ডিএমকে (DMK)। তাই ‘ইন্ডি’ ব্লককে তীব্র আক্রমণ শানিয়েছেন বিজেপি নেতৃত্ব।

    কী বললেন ডিএমকে নেতা?

    সম্প্রতি একটি জনসভায় বক্তব্য রাখতে গিয়ে এ রাজা জানান, তামিলনাড়ুবাসী কখনওই ‘জয় শ্রীরাম’ এবং ‘ভারত মাতা কি জয়’ স্লোগান গ্রহণ করবেন না। তিনি বলেন, “এই যদি হয় জয় শ্রীরাম, যদি তোমরা ভারত মাতা কী জয় বলো, তাহলে জেনে রেখো, আমরা কখনওই জয় শ্রীরাম ও ভারত মাতা কি জয় স্লোগান গ্রহণ করব না। তামিলনাড়ু এগুলো নেবে না। তোমরা বলে দাও, আমরা রামের শত্রু।” মার্চ মাসের ৩ তারিখে কোয়েম্বাটরের এক জনসভায় ভগবান রামের অস্তিত্ব নিয়েই প্রশ্ন তুলেছিলেন রাজা (DMK)। সমালোচনা করেছিলেন হিন্দু মহাকাব্য রামায়ণেরও। ডিএমকের এই নেতা বলেছিলেন, “রামায়ণ এবং ভগবান রামে আমার বিশ্বাস নেই।” রাজা যেদিন মন্তব্যটি করেছিলেন, ঘটনাচক্রে সেদিন ছিল তামিলনাড়ুর মুখ্যমন্ত্রী ডিএমকের এমকে স্ট্যালিনের জন্মদিন। এদিন তিনি প্রধানমন্ত্রী নরেন্দ্র মোদিকেও নিশানা করেছিলেন। ভারতকে জাতি বলার সমালোচনাও করেছিলেন। তাঁর দাবি, ভারত কোনও জাতি নয়, উপমহাদেশ।

    কড়া প্রতিক্রিয়া বিজেপির

    ডিএমকে নেতার মন্তব্যে কড়া প্রতিক্রিয়া দিয়েছে বিজেপি। এক্স হ্যান্ডেলে রাজাকে উদ্ধৃত করে বিজেপি নেতা অমিত মালব্য বলেন, “ভারত জাতি নয়। এটা ভালো করে বুঝুন। ভারত কখনওই জাতি নয়। একটা জাতি মানে এক ভাষা, এক ঐতিহ্য এবং এক সংস্কৃতি। তখনই এটা হবে একটা জাতি। ভারত জাতি নয়, উপমহাদেশ।” ডিএমকের ঘৃণাভাষণের সমালোচনাও করেছেন অমিত। বিজেপি নেতা রবিশঙ্কর প্রসাদ ডিএমকের এই নেতাকে ‘মাওবাদী আদর্শে’ উদ্বুদ্ধ বলেছেন। রাজার মন্তব্যের প্রেক্ষিতে কংগ্রেসের অবস্থান কী, তাও জানাতে বলেছেন তিনি।

    কেন্দ্রীয় মন্ত্রী অনুরাগ ঠাকুর বলেন, “এঁরা হচ্ছেন সেই মানুষ যাঁরা ভারতের শেষ দেখতে চায়। টুকরে টুকরে গ্যাংকে সমর্থন করেন। রাজ্যসভায় দলীয় প্রার্থী বিজয়ী হতেই এঁরা পাকিস্তান জিন্দাবাদ স্লোগান দিয়েছিলেন।” অযোধ্যার হনুমান গড়ি মন্দিরের প্রধান পুরোহিত রমেশ দাস বলেন, “ডিএমকে নেতা যা বলেছেন, তা ত্রুটিপূর্ণ। গোটা বিশ্বই রামময়। আমরা বিষয়টি প্রধানমন্ত্রী ও রাষ্ট্রপতিকে জানাব (DMK)।”

    আরও পড়ুুন: হাইকোর্টের নির্দেশ বহাল রাখল শীর্ষ আদালত, আজই সিবিআই-এর হাতে শেখ শাহজাহান?

     

    দেশের খবরদশের খবরসব খবরসবার আগে পেতে ফলো করুন আমাদের FacebookTwitter এবং Google News পেজ।

  • Modi in Bengal: রাজ্যে ফের প্রধানমন্ত্রী, বুধে সভা বারাসতে, থাকবেন সন্দেশখালির নির্যাতিতারা?

    Modi in Bengal: রাজ্যে ফের প্রধানমন্ত্রী, বুধে সভা বারাসতে, থাকবেন সন্দেশখালির নির্যাতিতারা?

    মাধ্যম নিউজ ডেস্ক: মঙ্গল-সন্ধ্যায় কলকাতায় পা রাখলেন প্রধানমন্ত্রী নরেন্দ্র মোদি (Modi in Bengal)। বুধবার বারাসতে জনসভা করবেন তিনি। সেই কারণেই এদিন এলেন শহরে। কলকাতা বিমানবন্দরে নেমেই প্রধানমন্ত্রী সোজা চলে যান রামকৃষ্ণ মিশন সেবা প্রতিষ্ঠানে। এখানেই ভর্তি রয়েছেন রামকৃষ্ণ মঠ ও মিশনের নবতিপর প্রেসিডেন্ট স্বামী স্মরণানন্দ মহারাজ। তাঁকে দেখতেই হাসপাতালে যান প্রধানমন্ত্রী।

    স্বামী স্মরণানন্দকে দেখতে হাসপাতালে মোদি

    রামকৃষ্ণ মিশনের ষোড়শ অধ্যক্ষের স্বাস্থ্য সম্পর্কে খোঁজখবর নেওয়ার পাশাপাশি প্রধানমন্ত্রী কথা বলেন চিকিৎসকদের সঙ্গেও। ৭টা ১৩ মিনিট নাগাদ সেখান থেকে বেরিয়ে প্রধানমন্ত্রীর কনভয় রওনা দেয় রাজভবনের উদ্দেশে। এখানেই রাত্রিবাস করবেন তিনি। বুধবার সকাল থেকেই গুচ্ছ কর্মসূচি রয়েছে প্রধানমন্ত্রীর (Modi in Bengal)। এদিন সকালে হাওড়া-ধর্মতলা রুটে মেট্রো রেল প্রকল্পের উদ্বোধন করবেন তিনি।

    প্রধানমন্ত্রীর গুচ্ছ কর্মসূচি 

    এর পাশাপাশি ১৫ হাজার ৪০০ কোটি টাকার বিভিন্ন কেন্দ্রীয় প্রকল্পের উদ্বোধন এবং ভিত্তিপ্রস্তরও স্থাপন করবেন প্রধানমন্ত্রী। হাওড়া ময়দান থেকে এসপ্ল্যানেড সহ মোট তিনটি মেট্রো রেল রুটের উদ্বোধন করবেন তিনি। পরে দমদম বিমানবন্দর চত্বর থেকে ১১ কিলোমিটার রোড শো করে প্রধানমন্ত্রী পৌঁছবেন বারাসতের কাছারি ময়দানে। বেলা ১১.৩০টা থেকে ১২.৩০টা পর্যন্ত থাকবেন এখানকার জনসভায়।

    প্রধানমন্ত্রীর এই জনসভায়ই দেখা যেতে পারে সন্দেশখালির নির্যাতিতাদের। পার্টি মিটিংয়ের অছিলায় প্রাক্তন তৃণমূল নেতা শেখ শাহজাহানের দলবল এলাকার সুন্দরী মহিলাদের পার্টি অফিস কিংবা বাগানবাড়িতে ডেকে নিয়ে যেত বলে অভিযোগ। তার পর চলত নির্যাতন। প্রতিবাদ করলে ভয় দেখানো হত। এই নির্যাতিতারাই মুখ ঢেকে উপস্থিত হতে পারেন প্রধানমন্ত্রীর সভায়। তাঁকে শোনাতে পারেন শাহজাহানের দলবলের অত্যাচারের কাহিনি।

    আরও পড়ুুন: হাওয়ালার মাধ্যমে ৭৫০ কোটি টাকা পাচার করেছিলেন তৃণমূলের জ্যোতিপ্রিয়!

    বারাসতের মঞ্চে বক্তব্য রাখবেন প্রধানমন্ত্রী। সেখান থেকে রওনা হয়ে কলকাতা বিমানবন্দরে পৌঁছবেন ১টা বেজে ৫ মিনিটে। ১টা বেজে ১০ মিনিটে প্রধানমন্ত্রীর বিশেষ বিমান রওনা দেবে উত্তরপ্রদেশের উদ্দেশে। আগামী ৯ মার্চ তৃতীয় দফায় রাজ্যে আসবেন প্রধানমন্ত্রী নরেন্দ্র মোদি। সেদিন শিলিগুড়িতে একদিকে সরকারি প্রকল্পের উদ্বোধন ও শিলান্যাস করবেন তিনি। পরে যোগ দেবেন দলীয় সমাবেশে। প্রসঙ্গত, ইতিমধ্যেই একবার বাংলা সফর করে ফেলেছেন প্রধানমন্ত্রী। হুগলির আরামবাগ এবং নদিয়ার কৃষ্ণনগরে একাধিক প্রকল্পের উদ্বোধন ও শিলান্যাসও করেছেন তিনি (Modi in Bengal)।

     

    দেশের খবরদশের খবরসব খবরসবার আগে পেতে ফলো করুন আমাদের FacebookTwitter এবং Google News পেজ।

     

      

  • Suvendu Adhikari: সন্দেশখালিতে এবার ঘরভাড়া নিয়ে ‘সেবাকেন্দ্র’ শুভেন্দুর

    Suvendu Adhikari: সন্দেশখালিতে এবার ঘরভাড়া নিয়ে ‘সেবাকেন্দ্র’ শুভেন্দুর

    মাধ্যম নিউজ ডেস্ক: সন্দেশখালিতে এবার ঘরভাড়া নিলেন রাজ্যের বিরোধী দলনেতা শুভেন্দু অধিকারী (Suvendu Adhikari)। তাঁর অবশ্য বক্তব্য ওটা ‘সেবাকেন্দ্র’। এলাকায় মানুষের বক্তব্য, “আমাদের অভাব, অভিযোগ এবং সমস্যার কথা জানাবো ওই কেন্দ্রে।” তৃণমূল নেতাদের অত্যাচারে জনজীবন বিপন্ন সন্দেশখালির মানুষের। তৃণমূল সরকারের বিরুদ্ধে জনরোষ তীব্র হয়েছে। এবার মানুষের এই আন্দোলনের রাশকে ধরে রাখতে এই ঘর ভাড়া নেওয়া হয়েছে বলে মনে করা হচ্ছে।

    উল্লেখ্য সন্দেশখালির যে যে মানুষের জমি জোর করে কেড়ে নেওয়া হয়েছে সেই জমিকে ফেরানোর কাজ শুরু করেছে তৃণমূল প্রশাসন। তাই লোকসভা ভোটের আবহে বিরোধী দলনেতা তিন মাস ঘর ভাড়া নিয়ে এলাকায় থাকবেন বলে জানা গিয়েছে। এই এলাকায় এখন বিজেপির সংগঠনকে মজবুত করাই একমাত্র লক্ষ্য।

    এলাকাবাসীর বক্তব্য (Suvendu Adhikari)

    সন্দেশখালির স্থানীয় মানুষ জানিয়েছেন, “শুভেন্দু (Suvendu Adhikari) আমাদের প্রতিবেশী হলে আমরা খুব খুশি হবো। আমাদের আতঙ্ক অনেকটাই কম হবে। আমাদের সকল সুবিধা অসুবিধার কথা তাঁকে জানাতে পারব। তাঁর এই পদক্ষেপ শুনে আমরা অনেকটাই আশ্বস্ত হয়েছি।” জানা গিয়েছে এই এলাকার পুকুরপাড়া এলাকায় থাকবেন শুভেন্দু। আবার সন্দেশখালির বিজেপি নেতা গঙ্গাধর কয়াল বলেন, “সন্দেশখালির মাটিতে বিজেপিকে আরও শক্তিশালী করতে শুভেন্দু অধিকারী এই পরিকল্পনা নিয়েছেন। আমরা তিন মাসের জন্য বাড়িটি নিচ্ছি।”

    শুভেন্দুর বক্তব্য

    সন্দেশখালিতে ঘরভাড়া প্রসঙ্গে শুভেন্দু অধিকারী (Suvendu Adhikari) বলেন, “ওখানে বাদল দাসের বাড়িতে সেবাকেন্দ্র করা হয়েছে। আমরা ভাড়া নিয়েছি। নিপীড়িত মানুষের পাশে থাকা এবং তাঁদের আইনি সহযোগিতা করার জন্য এই সেবাকেন্দ্র খোলা হয়েছে।” অপর দিকে ঘর ভাড়া নিয়ে আদি তৃণমূল নেতা বাদল দাস বলেন, “আমি এক সময় এলাকায় তৃণমূল করতাম। সেই সঙ্গে একটি ভয় কাজ করছে। তবে এখন আমরা ভয়কে জয় করেছি। আমাদের একটাই সুর ছিল, পার্টি যে যাই করি, আন্দোলন সবাইকার। আমি এলাকার মানুষের চাহিদা বুঝে বাড়ি ভাড়া দিচ্ছি।”

     

    দেশের খবর, দশের খবর, সব খবর, সবার আগে পেতে ফলো করুন আমাদের Facebook, Twitter এবং Google News পেজ।

  • Barasat Road Show of Narendra Modi: কলকাতা বিমানবন্দর থেকে বারাসত পর্যন্ত ১১ কিমি রোড শো করবেন মোদি

    Barasat Road Show of Narendra Modi: কলকাতা বিমানবন্দর থেকে বারাসত পর্যন্ত ১১ কিমি রোড শো করবেন মোদি

    মাধ্যম নিউজ ডেস্ক: লোকসভা ভোটের আগে ফের দ্বিতীয় দফায় পশ্চিমবঙ্গে আসছেন দেশের প্রধানমন্ত্রী নরেন্দ্র মোদি (Narendra Modi)। আগামী ৬ মার্চ বুধবার বারাসতে (Barasat) মহিলা সমাবেশে বক্তব্য রাখবেন তিনি। ৫ মার্চ মঙ্গলবার সন্ধেবেলায় কলকাতায় আসবেন। এরপর তিনি রাজভবনে রাত্রিবাস করবেন। রাজ্যে সন্দেশখালির নারী নির্যাতনের কথা বিশেষ ভাবে আলোচনায় প্রধান্য পাবে বলে মনে করা হচ্ছে এই সভায়। আবার একই সঙ্গে ৬ মার্চ আন্তর্জাতিক নারী দিবস, ফলে সবটা মিলিয়ে ভোটের আগে এই সভার গুরুত্ব ব্যাপক হতে চলেছে বলে মনে করছেন রাজনীতির একাংশের মানুষ।

    আন্তর্জাতিক নারী দিবসে মোদির সভা (Barasat Meeting)

    ইতি পূর্বে সরকারি প্রকল্পের একাধিক শিলন্যাস এবং উদ্বোধন করতে গত ১ এবং ২ মার্চ রাজ্যের এসেছিলেন মোদি (Narendra Modi)। সেই সঙ্গে কৃষ্ণনগর এবং আরামবাগে বিশাল জনসভা করেন। সভায় রাজ্যের তৃণমূল শাসনের দুর্নীতির একাধিক বিষয়কে তুলে ধরে তীব্র আক্রমণ করেছেন তিনি। একই ভাবে রাজ্যের নারী নির্যাতন এবং সন্দেশখালি প্রসঙ্গে মমতার সরকারকে তোপ দেগেছেন। এবার ৬ তারিখ বারাসতের কাছারি ময়দানে সভা করবেন। উত্তর ২৪ পরগনার নারী নির্যাতনের বিষয়কে হাতিয়ার করে আরও আক্রমণ তীব্র করতে দেখা যাবে বলে মনে করা হচ্ছে। তৃণমূল শাসনের অগণতান্ত্রিক আচরণ প্রধান্য পাবে তাঁর বক্তব্যে। বিমান বন্দর থেকে বারাসত (Barasat) পর্যন্ত মোট ১১ কিমি এলাকা রোড শো করবেন মোদি। জেলার প্রত্যেক মণ্ডল মণ্ডলে এই সভার লাইভ সম্প্রসারণ হবে। সারা দেশের মোট ৬ হাজার জায়গা থেকে লক্ষাধিক মহিলারা ভার্চুয়ালি অংশ গ্রহণ করবেন। জানা গিয়েছে হাওড়া ময়দান-এসপ্লানেড মেট্রো ইস্ট ওয়েস্ট উদ্বোধন করবেন মোদি।

    বিজপির বক্তব্য

    সোমবার রাতে বারাসতের (Barasat) সভাস্থল পরিদর্শন করতে আসনে বিজপির সর্ব ভারতীয় সহ-সভাপতি বৈজয়ন্ত জয় পান্ডা এবং কেন্দ্রীয় মহিলা মোর্চার নেত্রীরা। বৈজয়ন্ত জয় পান্ডা মোদির সভা সম্পর্কে বলেন, “প্রধানমন্ত্রী নরেন্দ্র মোদির (Narendra Modi) নেতৃত্বে বেটি বাঁচাও বেটি পড়াও, লাখপতি দিদি সহ একাধিক নারী উন্নয়নের কাজ হয়েছে। এই কাজ আগে কখনও হয়নি। তাই প্রধানমন্ত্রীর সভায় এই জেলার সকল মা-বোনদের আহ্বান জানাচ্ছি। এই সভায় রাজ্যের মহিলা সংগঠক, কর্মী ও সমর্থকরা যোগদান করবেন।”    

     

    দেশের খবর, দশের খবর, সব খবর, সবার আগে পেতে ফলো করুন আমাদের Facebook, Twitter এবং Google News পেজ।

  • Lok sabha Elections 2024: তৃণমূলকে টেক্কা! যাদবপুরে প্রচার শুরু বিজেপি প্রার্থী অনির্বাণ গঙ্গোপাধ্যায়ের

    Lok sabha Elections 2024: তৃণমূলকে টেক্কা! যাদবপুরে প্রচার শুরু বিজেপি প্রার্থী অনির্বাণ গঙ্গোপাধ্যায়ের

    মাধ্যম নিউজ ডেস্ক: ঘর সামলাতে ব্যস্ত তৃণমূল। এখনও প্রার্থী তালিকা প্রকাশ করতে পারেনি ‘ইন্ডি’ জোটের অন্যতম এই শরিক। এদিকে, বিজেপির তরফে প্রকাশ করা হয়েছে (Lok sabha Elections 2024) প্রথম দফার প্রার্থী তালিকা। ১৯৫ জনের এই তালিকায় রয়েছেন বাংলার ২০ জনও। এরই একটি কেন্দ্র হল যাদবপুর লোকসভা। সোমবার বারুইপুর পূর্ব বিধানসভার গোয়ালবাড়িয়া শিব মন্দিরে পুজো দিয়ে প্রচার শুরু করলেন পদ্ম প্রার্থী অনির্বাণ গঙ্গোপাধ্যায়।

    প্রচারে বিজেপির প্রার্থী

    গত লোকসভা নির্বাচনে এই কেন্দ্রে বিজেপির প্রার্থী ছিলেন অনুপম হাজরা। তাঁর প্রধান প্রতিদ্বন্দ্বী ছিলেন তৃণমূলের তারকা প্রার্থী মিমি চক্রবর্তী। সেবার অবশ্য হেরে যান পদ্ম প্রার্থী। তবে এবার যে তিনি জিততে চলেছেন, তা জানিয়ে দিয়েছেন বিজেপি প্রার্থী। প্রচারে (Lok sabha Elections 2024) বেরিয়ে তিনি বলেন, “নারী সুরক্ষা ও দুর্নীতিমুক্ত রাজ্য গড়ার সংকল্প নিয়েছে বিজেপি।” এদিন ভোটারদের নানা অভাব-অভিযোগের কথাও শোনেন অনির্বাণ। তিনি বলেন, “আরামবাগের রাজনৈতিক জনসভায় এসে প্রধানমন্ত্রী সন্দেশখালির ঘটনার নিন্দে করেছেন। মুখ্যমন্ত্রী মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়কে কটাক্ষ করেন মহিলাদের সুরক্ষা নিয়ে। শাহজাহান বাহিনীর মহিলাদের ওপর অত্যাচারের পর মুখ্যমন্ত্রীকে কিছু বলতে শোনা যায়নি। এই সব কিছুকে ইস্যু করেই এবার প্রচারে নেমেছি।”

    কে এই অনির্বাণ?

    অনির্বাণ ডঃ শ্যামা প্রসাদ মুখার্জি ফাউন্ডেশনের চেয়ারম্যান ও ট্রাস্টি। পুদুচেরির শ্রী অরবিন্দ ইন্টারন্যাশনাল সেন্টার অফ এডুকেশন থেকে প্রাথমিক শিক্ষা নেন। অধ্যয়ন করেন ভাষা, দর্শন, ইতিহাস ও সঙ্গীত। ইংরেজি, ফরাসি, সংস্কৃত ও বাংলায় দক্ষ। গুজরাটি বোঝেন কিছুটা। তামিল ও ওড়িয়া ভাষায় কথা বলতে পারেন। অনির্বাণ খেলাধুলোয়ও পারদর্শী। আন্নামালাই বিশ্ববিদ্যালয় থেকে আন্তর্জাতিক সম্পর্কে স্নাতকোত্তর, যাদবপুর বিশ্ববিদ্যালয় থেকে গণযোগাযোগ ও সাংবাদিকতায় স্নাতকোত্তর ডিপ্লোমা ও পিএইচডি করেছেন। কলেজে পড়ার সময়ই আরএসএসের সংস্পর্শে আসেন তিনি।

    আরও পড়ুুন: “একটাও বোমাবাজির কথা যেন শুনতে না হয়”, সাফ কথা কমিশনের

    উনিশের লোকসভা নির্বাচনে বিজেপির হয়ে রাজ্যজুড়ে ব্যাপক প্রচার করেন তিনি। ‘মোদির জন্য বাংলা, বাংলার জন্য মোদি’ এই বিশেষ প্রচারে নেতৃত্ব দেন তিনি। একুশের বিধানসভা নির্বাচনে বোলপুর-শান্তিনিকেতন বিধানসভা কেন্দ্রে পদ্ম প্রার্থী হয়েছিলেন তিনি। ৯৪ হাজারেরও বেশি ভোট পেয়ে দ্বিতীয় স্থানে ছিলেন অনির্বাণ (Lok sabha Elections 2024)।

     

    দেশের খবরদশের খবরসব খবরসবার আগে পেতে ফলো করুন আমাদের FacebookTwitter এবং Google News পেজ।

  • Dilip Ghosh: “তাপস দা-কে দিয়ে শুরু, আরও হবে”, কীসের ইঙ্গিত দিলেন দিলীপ?

    Dilip Ghosh: “তাপস দা-কে দিয়ে শুরু, আরও হবে”, কীসের ইঙ্গিত দিলেন দিলীপ?

    মাধ্যম নিউজ ডেস্ক: “তৃণমূলে মূল্যবোধ শেষ হয়ে যাচ্ছে। তাই তাঁদের (তাপস রায়ের মতো রাজনীতিকদের) পক্ষে দলে টিকে থাকা কষ্টের।” সোমবার তাপসের তৃণমূল-সঙ্গ ত্যাগ প্রসঙ্গে কথাগুলি বললেন বিজেপি নেতা দিলীপ ঘোষ (Dilip Ghosh)। এদিনই তৃণমূলের সঙ্গে ২৩ বছরের সম্পর্ক চুকিয়েছেন তাপস। ইস্তফা দিয়েছেন বিধায়ক পদেও। এ প্রসঙ্গে প্রতিক্রিয়া দিতে গিয়ে দিলীপ বলেন, “তাপস দার মতো ওই জেনারেশনের রাজনীতিকরা দলে থাকতে পারছেন না। তৃণমূলে মূল্যবোধ শেষ হয়ে যাচ্ছে, তাই তাঁদের পক্ষে দলে টিকে থাকা কষ্টের। উনি অনেক চেষ্টা করেছেন, পারেননি।” তিনি (Dilip Ghosh) বলেন, “যাদের হাতে দল গিয়েছে, তারা মূল্যবোধ শেষ করে দিয়েছে। তাপস দা-কে দিয়ে শুরু হল, আগামীতে আরও অনেক এরকম দৃশ্য দেখা যাবে।”

    “মাথা উঁচু করে কাজ করবেন”

    তাপসের সঙ্গে তাঁর বন্ধুত্বের সম্পর্ক রয়েছে জানিয়ে বিজেপির প্রাক্তন রাজ্য সভাপতি বলেন, “অনেকবারই তাপস দা এরকম কথা বলেছেন। দলের অবস্থানের বাইরে গিয়ে মনের কথা বলেছেন। আজও তা-ই করেছেন। ওঁর মতো রাজনীতিক নিশ্চয়ই ভেবেচিন্তে সিদ্ধান্ত নেবেন। ভবিষ্যতে মাথা উঁচু করে কাজ করবেন।” তিনি বলেন, “তাপস রায়ের মতো প্রবীণ নেতারা দলে প্রাসঙ্গিকতা হারাচ্ছেন। তাঁদের গুরুত্ব দেওয়া হচ্ছে না। তাই তাঁদের পক্ষে দলে থাকা সম্ভব হচ্ছে না।”

    তাপসের তৃণমূল ছাড়ার কারণ

    প্রসঙ্গত, প্রায় দু’ মাস ধরে ইডি তল্লাশি চালাচ্ছে তাপসের বাড়িতে। তৃণমূল ছাড়ার কারণ হিসেবে তাপস বলেন, “৫২ দিন হয়ে গেল। ইডি অভিযানে বিধ্বস্ত আমি ও আমার পরিবার। ভেবেছিলাম, মুখ্যমন্ত্রী পাশে দাঁড়াবেন। অন্য কারও বাড়িতে গেলে বলেন ইডি কৌটো নাড়াল। আমারও স্ত্রী-পুত্র রয়েছে। এগুলো হৃদয়কে নাড়াচাড়া করে।” তিনি বলেন, “বিধানসভায় মাননীয়া মুখ্যমন্ত্রী শেখ শাহজাহানকে ইডি টার্গেট করেছে বললেন, অথচ আমার বাড়িতে ইডির হানার কথা উল্লেখই করলেন না। আমি আহত, আঘাতপ্রাপ্ত।” তৃণমূলের এই প্রাক্তন সেনানী বলেন, “বাহান্ন দিন আমি মুখ্যমন্ত্রীর ডাক পাইনি। আমার স্ত্রী, কন্যাও ডাক পায়নি। উনি সকলের পাশে দাঁড়িয়ে যান। আমিও আশা করেছিলাম, ক্রিয়েটেড ইডি রেইডের বিরুদ্ধে দাঁড়িয়ে যাবেন। কিন্তু তা হয়নি (Dilip Ghosh)।”

    আরও পড়ুুন: “একটাও বোমাবাজির কথা যেন শুনতে না হয়”, সাফ কথা কমিশনের

     

    দেশের খবরদশের খবরসব খবরসবার আগে পেতে ফলো করুন আমাদের FacebookTwitter এবং Google News পেজ।

  • Lok Sabha election 2024: ঘাটালে শুভেন্দুর হাতে ধরেই লোকসভার প্রচার শুরু হিরণের

    Lok Sabha election 2024: ঘাটালে শুভেন্দুর হাতে ধরেই লোকসভার প্রচার শুরু হিরণের

    মাধ্যম নিউজ ডেস্ক: লোকসভার নির্বাচনের (Lok Sabha election 2024) দিন ঘোষণার আগেই প্রচারে নেমে পড়েছে রাজ্য বিজেপি। বিজপির তরফ থাকে প্রথম দফায় প্রার্থী তালিকায় পশ্চিম মেদিনীপুরের ঘাটাল লোকসভা কেন্দ্রের প্রার্থী হয়েছেন হিরণ চট্টোপাধ্যায়। এখনও পর্যন্ত বাংলায় ২০টি লোকসভা কেন্দ্রে প্রার্থীদের নামের তালিকায় প্রকাশ করেছে বিজেপি। ইতি মধ্যেই কোথাও সাংবাদিক সম্মেলন, দেওয়াল লিখন আবার কোথাও মিছিল করে প্রার্থীরা প্রচার শুরু করে দিয়েছেন। বিজেপি কর্মী সমর্থকদের মধ্যেও ব্যাপক উৎসাহ লক্ষ্য করা গিয়েছে।

    ঘাটালে প্রচার হিরণের (Lok Sabha election 2024)

    আজ থেকেই লোকসভা ভোটের (Lok Sabha election 2024) প্রচার শুরু করে দিয়েছেন বিজেপি প্রার্থী হিরণ চট্টোপাধ্যায়। তাঁর সঙ্গে এই প্রচার অভিযানে লক্ষ্য করা গিয়েছে নন্দীগ্রামের বিধায়ক তথা বিরোধী দলনেতা শুভেন্দু অধিকারীকে। দুজনকে হাত ধরে এক সঙ্গে হাঁটতে দেখা যায় মিছিলে। এদিন ঘাটালে পদযাত্রা করার পর একটি সভাও অনুষ্ঠান করেন তাঁরা। একই সঙ্গে দলের নেতা কর্মীরা যোগদান করে বিজেপিকে জয় যুক্ত করার প্রচারে অংশ গ্রহণ করেন।

    মালদায় প্রচার শ্রীরূপার

    অপর দিকে ইংরেজ বাজার লোকসভা কেন্দ্রে বিজেপির প্রার্থী হয়েছেন শ্রীরূপা মিত্র। তিনি দক্ষিণ মালাদা লোকসভা কেন্দ্র থেকে প্রচার অভিযান শুরু করে দিয়েছেন তিনি। সকাল থেকে স্বচ্ছ ভারত অভিযানের মাধ্যমে নিজে প্রচার (Lok Sabha election 2024) শুরু করেন তিনি। মালদা শহরের মধ্যে পোস্ট অফিসের সামনে শ্যামাপ্রসাদের মূর্তিতে মাল্যদান করে এলাকা সাফাই অভিযানে নামেন তিনি। আবার আগামী ৫ মার্চ বিকেলে কলকাতায় আসবেন নরেন্দ্র মোদি। বিজেপির মহিলা মোর্চার শক্তি বন্দনা কর্মসূচির সমাপ্তি ভাষণ দেবেন। অপরে ৬ মার্চ বারাসতে কাছারি ময়দানে সভা করবেন মোদি। অপরে আবার ৯ মার্চ বিকেলে ৫ টায় শিলিগুড়িতে সরকারি প্রকল্পের কথা ঘোষণা করে একটি জনসভা করবেন বলে জানা গিয়েছে।

    তৃণমূলের প্রচার শুরু

    অপর দিকে তৃণমূলের পক্ষ থেকে নিউটাউন, রাজারহাট, জ্যাংড়া, হাতিয়াড়া এলাকায় নির্বাচনী (Lok Sabha election 2024) দেওয়াল লেখন শুরু হয়েছে। যদিও তাদের দলের তরফ থেকে প্রার্থী নামের তালিকা ঘোষণা করা হয়নি। তাই প্রার্থীর নামের জায়গা ফাঁকা রেখে দেওয়াল লেখনের কাজ করছে এলাকার তৃণমূলের নেতারা।      

     

    দেশের খবর, দশের খবর, সব খবর, সবার আগে পেতে ফলো করুন আমাদের Facebook, Twitter এবং Google News পেজ।

  • Murshidabad: “সচেতন মানুষদের রাজনীতিতে আসা উচিত” বার্তায় নির্বাচনী প্রচার শুরু নির্মল সাহার

    Murshidabad: “সচেতন মানুষদের রাজনীতিতে আসা উচিত” বার্তায় নির্বাচনী প্রচার শুরু নির্মল সাহার

    মাধ্যম নিউজ ডেস্ক: আসন্ন ২০২৪ সালের লোকসভা নির্বাচনে বহরমপুর লোকসভা কেন্দ্রের বিজেপি প্রার্থী হয়েছেন ডাক্তার নির্মল সাহা। তিনি একজন বিশিষ্ট সমাজসেবী এবং পেশায় অত্যন্ত জনপ্রিয় ডাক্তার বলে পরিচিত। গত ২ মার্চ শনিবার দিল্লির সদর দফতর থেকে বিজেপির সর্ব ভারতীয় সাধারণ সম্পাদক বিনোদ তাওড়ে সাংবাদিক সম্মেলন করে আসন্ন লোকসভার ১৯৫ জনের পদ প্রার্থী নামের তালিকা ঘোষণা করেছেন। এর মধ্যে বাংলায় মোট ২০ জনের নাম ঘোষণা হয়েছে। একই ভাবে মুর্শিদাবাদ (Murshidabad) লোকসভা কেন্দ্রের প্রার্থী হয়েছেন বিজেপি প্রার্থী গৌরিশঙ্কর ঘোষ।

    বহরমপুর কেন্দ্রে আগের বারের জয়ী প্রার্থী ছিলেন লোকসভার বিরোধী দলনেতা তথা কংগ্রেস নেতা অধীর রঞ্জন চৌধুরি। তিনি এখানে ৫ বারের কংগ্রেস সাংসদ। এদিন সাংগঠনিক বৈঠক করে বিজেপি প্রার্থী ডাক্তার নির্মল সাহা জয় বিষয়ে আশা প্রকাশ করেছেন।

    কী বললেন নির্মল সাহা (Murshidabad)

    বিজেপি প্রাথী নির্মল সাহা (Murshidabad) বলেন, “দল আমাকে প্রার্থী করেছে আমি কৃতজ্ঞতা জানাই। সমাজের নানা বর্গের মানুষ, শিক্ষানুরাগী, সমাজসেবী, বিজ্ঞানী সকল সচেতন মানুষদের রাজনীতিতে আসা উচিত। মানব সম্পদের উন্নয়ন হোক, সুস্থ সমাজ চাই। মানুষের জন্য মানুষের পাশে থেকে কাজ করতে চাই। নিজের ব্যক্তিগত চাওয়া পাওয়াকে উপেক্ষা করে সমাজের মানুষের শিক্ষা, স্বাস্থ্য, চাকরি ইত্যাদি নিয়ে কাজ করতে হবে। মানব সম্পদকে ৫০০ টাকা দিয়ে ঘরে বসিয়ে রাখা যাবে না। মানুষকে প্রলোভনের নামে শোষণ করা যাবে না। ভুলকে সব সময় ভুল বলতে হবে। নিজেদের প্রয়োজনে সঠিক পরিকল্পনার বাস্তবায়ন করতে হবে।”

    লড়াই মোদি বনাম ইন্ডি

    উল্লেখ্য এই বহরমপুরের (Murshidabad) বিধানসভা থেকে জনসংঘ দলের হয়ে হরিপদ ভারতী জয়ী হয়েছিলেন। এই কথা প্রসঙ্গ স্মরণ করে নির্মল সাহা আরও বলেন, “এই লোকসভার লড়াই হল মোদি বনাম ইন্ডির। রাজনীতিতে সামাজিক ভাবে সচেতন মানুষদের আসতে হবে। দায়িত্বশীল মানুষেরা রাজনীতিতে আসলে ব্যবস্থার পরিবর্তন অবশ্যই হবে। পরের প্রজন্মের জন্য আমরা এক সুন্দর সমাজ উপহার দিতে পারব। যেভাবে এই সমাজ চলছে সমাজ অবক্ষয়ের দিকে এগিয়ে যাচ্ছে। এই অবক্ষয় থামানো দরকার। সকল মানুষের কাছে পৌঁছানোই আমাদের একমাত্র কর্তব্য।”

     

    দেশের খবর, দশের খবর, সব খবর, সবার আগে পেতে ফলো করুন আমাদের Facebook, Twitter এবং Google News পেজ।

  • Modi Ka Parivar: লালুর কটাক্ষের জবাবে সোশ্যাল মিডিয়ায় ‘মোদি কা পরিবার’ স্লোগান শাহ-নাড্ডাদের

    Modi Ka Parivar: লালুর কটাক্ষের জবাবে সোশ্যাল মিডিয়ায় ‘মোদি কা পরিবার’ স্লোগান শাহ-নাড্ডাদের

    মাধ্যম নিউজ ডেস্ক: প্রধানমন্ত্রী নরেন্দ্র মোদিকে লালু প্রসাদ যাদবের কটাক্ষের জবাব দিল বিজেপি। সোমবার তারা অনলাইনে প্রচার শুরু করল ‘মোদি কা পরিবার’ (Modi Ka Parivar)। কেন্দ্রীয় স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী অমিত শাহ এবং বিজেপির সর্বভারতীয় সভাপতি জেপি নাড্ডাও নিশানা করেছেন বিহারের প্রাক্তন মুখ্যমন্ত্রীকে। কেন্দ্রীয় মন্ত্রী অনুরাগ ঠাকুর, প্রতিরক্ষা মন্ত্রী রাজনাথ সিং এক্স হ্যান্ডেলে মুখের মতো জবাব দিয়েছেন লালুকে।

    কী বলেছিলেন লালু?

    প্রসঙ্গত, রবিবার পাটনার এক জনসভায় প্রধানমন্ত্রীকে নিশানা করে লালু বলেন, “তিনি (প্রধানমন্ত্রী) তো প্রকৃত হিন্দুও নন। হিন্দু ঐতিহ্য অনুসারে একজন ছেলে তাঁর বাবা-মায়ের মৃত্যুর পরে মাথা মুড়িয়ে ফেলেন, দাড়ি কেটে ফেলেন। কিন্তু যখন মা মারা গেলেন, তখন মোদি এটা করেননি (Modi Ka Parivar)।” লালু বলেন, “ওঁর যদি পরিবার না থাকে, আমরা কী করতে পারি? উনি রাম মন্দির নিয়ে বড়াই করেই চলেছেন।”

    প্রধানমন্ত্রীর জবাব

    লালুকে জবাব দিতে তেলঙ্গানার আদিলাবাদের জনসভাকেই বেছে নেন প্রধানমন্ত্রী। বলেন, “আমি ওঁদের পরিবারতান্ত্রিক রাজনীতি নিয়ে প্রশ্ন করেছি। তার উত্তরে ওঁরা বলছেন, মোদির পরিবার নেই। আমার জীবন তো একটা খোলা বই। আমি আমার দেশের জন্য বাঁচব। আমার ভারত আমার পরিবার।”

    আরও পড়ুুন: তৃণমূল ছাড়লেন তাপস রায়, ইস্তফা বিধায়ক পদেও, ওগরালেন একরাশ ক্ষোভ

    বিজেপি নেতা তথা সাংসদ সুধাংশু ত্রিবেদী বলেন, “ইন্ডি ব্লকে তো কোনও হিন্দুই নেই। তাঁদের কাছে হিন্দু মানে হল দলিত, সাবর্ন, উত্তর ভারতীয়রা, দক্ষিণ ভারতীয়রা, কন্নড়, তামিল, তেলুগু, মারাঠি, পাঞ্জাবি, বাঙালি এমনকী হিন্দিভাষীরা। কিন্তু হিন্দু নয়। কারণ তারা ভারতকে টুকরো টুকরো ভাবে দেখতে চায়। একটি পরিবার দেশ ভাগ করেছিল রাজনীতি করতে। আর আজ, তারা যাদের সঙ্গে রয়েছে, তারাও দেশকে ভাগ করতে চায়। তারা এটা চায় কারণ দেশের একটি অংশও যদি তারা শাসন করতে পারে!”

    বিহারের উপমুখ্যমন্ত্রী বিজয় কুমার সিনহা বলেন, “লালুর মন্তব্য থেকেই বোঝা যায় রাজনীতি তাঁদের কাছে কোনও গুরুত্বপূর্ণ বিষয় নয়। তাঁরা দেশের সনাতন ধর্মকেই অপমান করছেন। লালু, যিনি নিজেই দুর্নীতিতে অভিযুক্ত, তিনি যে ভাষায় কথা বলছেন আমাদের প্রধানমন্ত্রীর বিরুদ্ধে, তাতে স্পষ্ট তাঁরা সনাতন ধর্মের বিরুদ্ধে। তাঁরা দেশের শতাব্দীর পর শতাব্দী ধরে চলে আসা ঐতিহ্যের বিরোধী (Modi Ka Parivar)।”

     

    দেশের খবরদশের খবরসব খবরসবার আগে পেতে ফলো করুন আমাদের FacebookTwitter এবং Google News পেজ।

LinkedIn
Share