Tag: bjp

bjp

  • Hooghly: “গতবারের তুলনায় ডবল মার্জিনে আমরা জয়ী হব”, বিজেপি প্রার্থী হয়ে বললেন লকেট

    Hooghly: “গতবারের তুলনায় ডবল মার্জিনে আমরা জয়ী হব”, বিজেপি প্রার্থী হয়ে বললেন লকেট

    মাধ্যম নিউজ ডেস্ক: লোকসভার টিকিট পেয়েই সক্রিয় বিজেপি নেত্রী লকেট চট্টোপাধ্যায়। লোকসভার পদপ্রার্থী হওয়ার জন্য কেন্দ্রীয় নেতৃত্ব ও প্রধানমন্ত্রীকে ধন্যবাদ জানিয়েছেন বিজেপি নেত্রী। হুগলি (Hooghly) লোকসভার ১৮ লক্ষ মানুষের আওয়াজ নিয়ে দ্বিতীয়বারের মতো লোকসভায় যেতে বদ্ধপরিকর লকেট। তাঁর নাম গত শনিবার প্রেস কনফারেন্সে প্রকাশিত হতেই দলীয় পার্টি অফিসে ব্যাপক উচ্ছ্বাস লক্ষ্য করা যায়। উল্লেখ্য, আসন্ন লোকসভা উপলক্ষে শনিবার সন্ধ্যায় বিজেপি প্রথম দফায় সারা দেশে ১৯৫ জন প্রার্থীর নাম প্রকাশ করেছে। তার মধ্যে এই রাজ্যের রয়েছেন ২০ জন প্রার্থী। এই ২০ জনের মধ্যে দেখা যায় হুগলি থেকে লকেট চট্টোপাধ্যায় পুনরায় টিকিট পেয়েছেন।

    কী বললেন লকেট (Hooghly)?

    হুগলিতে (Hooghly) প্রেসমিট করে লকেট চট্টোপাধ্যায় বলেন, “গতবারের তুলনায় ডবল মার্জিনে আমরা জয়ী হব। তৃণমূল রাজ্যে ভোট পরবর্তী হিংসায় বিজেপি কর্মীদের উপর ব্যাপক অত্যাচার করেছে। আমরা সেই ধাক্কা সামলে নিজেদের ঘর গুছিয়ে নিয়েছি। আমাদের কর্মীরা এলাকায় ভীষণ ভাবে সক্রিয় রয়েছেন। আমি প্রধানমন্ত্রী এবং দলের নেতৃত্বকে অনেক ধন্যবাদ জানাই। আমরা এবার ৩৫টি আসন বাংলা থেকে উপহার দেবো। আমি আমার রাজ্যের কথা সংসদে বলতে সক্ষম হয়েছি। লোকসভার আগে তৃণমূলের অন্দরে কোন্দল শুরু হয়েছে, সরকার ভেঙে যেতে পারে। এলাকায় তৃণমূলের মদতে আমার বিরুদ্ধে অপপ্রচার চলছে কিন্তু আমাদের সংগঠন অনেক মজবুত রয়েছে। এই বারে সংসদে ৪০০ আসন পাবে বিজেপি।”

    শুরু দেওয়াল লেখন

    রবিবার দুপুর থেকেই হুগলীতে (Hooghly) লকেটের সমর্থনে দেওয়াল লিখন শুরু হয়ে গিয়েছে। লকেটের সমর্থনে এলাকায় বিজপি কর্মীরা নির্বাচনী প্রচার শুরু করে দিয়েছেন। এদিন চুঁচুড়া পুরসভার ১০ নম্বর ওয়ার্ডের পিপুলপাতি এলাকায় দেওয়াল লেখার সূচনা করেন খোদ প্রার্থী। পাশাপাশি কর্মীসভা, চায়ে পে চর্চার মাধ্যমে সারাদিনই ব্যস্ত থাকেন লকেট চট্টোপাধ্যায়। জনসংযোগের মাধ্যমে অন্য দলগুলির তুলনায় প্রথম রাউন্ডে এগিয়ে থাকাই যে তাঁর লক্ষ্য তা তিনি এদিন বুঝিয়ে দেন।

     

    দেশের খবর, দশের খবর, সব খবর, সবার আগে পেতে ফলো করুন আমাদের Facebook, Twitter এবং Google News পেজ।

  • BJP: মমতার সভার আগেই শুভেন্দু গড়ে ধরাশায়ী তৃণমূল, সমবায় বোর্ড দখল বিজেপির

    BJP: মমতার সভার আগেই শুভেন্দু গড়ে ধরাশায়ী তৃণমূল, সমবায় বোর্ড দখল বিজেপির

    মাধ্যম নিউজ ডেস্ক: রাজ্যের মুখ্যমন্ত্রী তথা তৃণমূল সুপ্রিমোর পূর্ব মেদিনীপুরে মুখ্যমন্ত্রী মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়ের সভা করার আগেই তৃণমূলকে জোর ধাক্কা দিল বিজেপি (BJP)। সমবায় কৃষি উন্নয়ন সমিতির নির্বাচনে জিতল বিজেপি। পূর্ব মেদিনীপুর জেলার চণ্ডীপুর ব্লকের বৃন্দাবনপুর ১ গ্রাম পঞ্চায়েতের এড়াশাল সমবায় কৃষি উন্নয়ন সমিতির নির্বাচনে তৃণমূলকে ধরাশায়ী করে বিজেপি। লোকসভা ভোটের আগে শুভেন্দুর গড়ে জোর ধাক্কা খেল তৃণমূল।

    সমবায়ের ৬টি আসনে জয়লাভ করে বিজেপি (BJP)

    স্থানীয় ও দলীয় সূত্রে জানা গিয়েছে, চণ্ডীপুর ব্লকের বৃন্দাবনপুর ১ গ্রাম পঞ্চায়েতের এড়াশাল সমবায় কৃষি উন্নয়ন সমিতির ভোটকে ঘিরে সকাল থেকে উত্তেজনা ছিল। কোনও অপ্রীতিকর ঘটনা এড়াতে মোতায়েন করা হয় চণ্ডীপুর থানার পুলিশ। ওই সমিতিতে মোট ৯টি আসন। সব আসনেই প্রার্থী দেয় দুইপক্ষ। সমবায় সমিতি নির্বাচনে কোনও প্রতীক না থাকলেও সকাল থেকে লড়াই ও উত্তেজনা ছিল চরমে। ৯টি আসনের মধ্যে রাজ্যের বিরোধী দল বিজেপি (BJP) ৬টি আসন পায়। শাসক দল তৃণমূল কংগ্রেস ৩টি আসনে জয়লাভ করে। জয়ের পর আবির খেলায় মেতে উঠেন জয়ী সমবায় সমিতির সদস্যরা থেকে বিজেপি কর্মীরা। আবির ও বাজি ফাটিয়ে উল্লাস করেন তাঁরা। এই জয় লোকসভা নির্বাচনের আগে বাড়তি অক্সিজেন জোগাবে বলে মত রাজনৈতিক মহলের।

    শুরু হয়েছে রাজনৈতি তরজা

    স্থানীয় তৃণমূল নেতৃত্বের বক্তব্য, এখানে কোনও প্রতীক থাকে না। বিজেপি অহেতুক উল্লাস করছে। প্রতীক থাকে না, তাই ব্যক্তি কেন্দ্রিক ভোট হয়। তাই, লোকসভায় এর কোনও প্রভাব পড়বে না। তমলুক সাংগঠনিক জেলার বিজেপির (BJP) সহ- সভাপতি পুলক কুমার গুড়িয়া বলেন, “সব থেকে পুরনো সমবায় সমিতি। ১০৪ বছরের বেশি পুরনো। সেখানেই তৃণমূল ও সিপিএম যেভাবে দুর্নীতি করে গিয়েছে তা বাঁচানোর জন্য এলাকার নেতৃত্ব থেকে ও স্থানীয় বাসিন্দারা গর্জে উঠেছেন। মানুষ তৃণমূলকে মেনে নিতে পারছেন না। তাই, লোকসভা ভোটের আগে দলীয় কর্মীদের কাছে এই ফল বাড়তি অক্সিজেন জোগাবে।  

     

    দেশের খবরদশের খবরসব খবরসবার আগে পেতে ফলো করুন আমাদের FacebookTwitter এবং Google News পেজ।

  • Loksabha Elections 2024: শিলিগুড়িতেও সভা করবেন মোদি! কবে, কখন কী বললেন সুকান্ত?

    Loksabha Elections 2024: শিলিগুড়িতেও সভা করবেন মোদি! কবে, কখন কী বললেন সুকান্ত?

    মাধ্যম নিউজ ডেস্ক: লোকসভা নির্বাচনকে (Loksabha Elections 2024) সামনে রেখে ফের বাংলায় আসছেন প্রধানমন্ত্রী নরেন্দ্র মোদি। বুধবার বারাসতের সভার পর আগামী শনিবার উত্তরবঙ্গে আসতে পারেন প্রধানমন্ত্রী। বিজেপি সূত্রে খবর, সব ঠিক থাকলে ৯ মার্চ শিলিগুড়িতে আসতে পারেন প্রধানমন্ত্রী নরেন্দ্র মোদি। আরামবাগ, কৃষ্ণনগরের মতো শিলিগুড়িতেও কিছু সরকারি প্রকল্পের উদ্বোধন এবং শিলান্যাস করবেন তিনি। এছাড়াও ওই দিন সেখানে একটি জনসভা করার কথা তাঁর। উল্লেখ্য, বারাসতে সভার আগে মঙ্গলের রাতেই কলকাতায় পা রাখছেন প্রধানমন্ত্রী মোদি (PM Modi in Bengal)। তিনি রাজভবনে রাত কাটাবেন।

    শিলিগুড়িতে মোদি!

    রাজ্য বিজেপি সভাপতি সুকান্ত মজুমদারের কথায়, প্রধানমন্ত্রী বঙ্গ সফর আপাতত ৬ মার্চ শেষ হচ্ছে না। আগামী মঙ্গলবার কলকাতায় চলে আসবেন প্রধানমন্ত্রী। রাজভবনে রাত্রীবাস করার কথা তাঁর। তারপর আগামী ৯ মার্চ উত্তরবঙ্গ সফরে আসতে পারেন প্রধানমন্ত্রী। শিলিগুড়িতে সরকারি অনুষ্ঠানে অংশ নেওয়ার পাশাপাশি চব্বিশের লোকসভা ভোটের প্রচারে রাজনৈতিক জনসভাও করবেন নরেন্দ্র মোদি। চলতি মাসের দ্বিতীয় সপ্তাহের শেষে বা তৃতীয় সপ্তাহের শুরুতেই লোকসভা ভোটের নির্ঘণ্ট প্রকাশ হয়ে যাবে। সেক্ষেত্রে বলা যায়, ভোটের দিনক্ষণ ঘোষণার আগেই বাংলায় অন্তত হাফ ডজন সভা করে ফেলতে পারেন প্রধানমন্ত্রী মোদি। শনিবার শিলিগুড়ির সভা হলে নয় দিনে চারটি সভা করে ফেলবেন তিনি। 

    বারাসতে মোদি

    আগামিকাল, মঙ্গলবার রাতেই ফের কলকাতা আসছেন প্রধানমন্ত্রী নরেন্দ্র মোদি ৷ তিনি থাকবেন রাজভবনে। রাত্রিবাসের পর বুধবার, ৬ মার্চ সকালে কলকাতায় সরকারি প্রকল্পের উদ্বোধন শেষে বারাসতের উদ্দেশে রওনা দেবেন। সূত্রের খবর, ওড়িশায় কর্মসূচি সেরে বিমানে করে দমদম আসবেন মোদি ৷ সেখান থেকেই রাজভবনে যাবেন তিনি। এসপিজির কড়া নিরাপত্তায় গাড়ি চেপে রাত আটটা নাগাদ তাঁর ঢোকার কথা। বারাসতের সভায় সন্দেশখালির ‘নির্যাতিতা’ মহিলাদের সঙ্গেও আলাদা করে কথা বলতে পারেন মোদি। এদিনই প্রধানমন্ত্রী নদীর তলা দিয়ে দেশের প্রথম মেট্রো রুটের উদ্বোধন করবেন।

     

    দেশের খবর, দশের খবর, সব খবর, সবার আগে পেতে ফলো করুন আমাদের Facebook, Twitter এবং Google News পেজ।

  • PM Modi: প্রধানমন্ত্রীর বার্তা নিয়ে মোদির দূত হিসেবে বাড়ি বাড়ি যাবেন বিজেপি কর্মীরা

    PM Modi: প্রধানমন্ত্রীর বার্তা নিয়ে মোদির দূত হিসেবে বাড়ি বাড়ি যাবেন বিজেপি কর্মীরা

    মাধ্যম নিউজ ডেস্ক: আগামী ১০০ দিন প্রতিটি গ্রামে যেতে হবে, প্রতিটি বাড়িতে যেতে হবে। গিয়ে বলতে হবে নরেন্দ্র মোদি আপনাদের প্রণাম পাঠিয়েছেন, আপনাদের আশীর্বাদ চাইছেন। শনিবার নদিয়ার  কৃষ্ণনগরে জনসভা থেকে বিজেপি কর্মীদের এই বার্তা দিয়েছিলেন দেশের প্রধানমন্ত্রী নরেন্দ্র মোদি (PM Modi)। সেই বার্তা মাথায় রেখে রবিবার থেকেই জেলায় শুরু হচ্ছে সেই কর্মসূচি।

    বাড়ি বাড়ি যাবেন মোদির দূত (PM Modi)

    দলীয় সূত্রে জানা গিয়েছে, গোটা জেলা জুড়ে প্রতিটি বুথে বুথে এই কর্মসূচি চলবে। শনিবার নদিয়ার কৃষ্ণনগরে একটি প্রকাশ্য জনসভা করেন দেশের প্রধানমন্ত্রী নরেন্দ্র মোদি। লোকসভা ভোটের আগে তাঁর এই রাজনৈতিক কর্মসূচি যথেষ্ট তাৎপর্য ছিল বলেই মত রাজনৈতিক মহলের। মূলত এই কর্মসূচি থেকে দলীয় কর্মীদের কি বার্তা দেন পাশাপাশি রাজ্যের জন্য কি কি বরাদ্দ করেন সেদিকে তাকিয়ে ছিলেন রাজ্যবাসী এবং বিজেপি কর্মীরা। জনসভা থেকে নরেন্দ্র মোদি বেশ কিছু আর্থিক বরাদ্দের কথা ঘোষণা করেন রাজ্যবাসীকে। পাশাপাশি তিনি বলেন, কেন্দ্রীয় বিভিন্ন প্রকল্প রাজ্যে বাস্তবায়িত হতে দিচ্ছে না রাজ্য সরকার। অন্যদিকে রাজ্য সরকারকে কটাক্ষ করে বলেন কেন্দ্রের বিভিন্ন প্রকল্প গুলি নিজেদের নামে প্রচার করার চেষ্টা করছে এই সরকার। তিনি বলেন, লোকসভা ভোটের আগের দিন পর্যন্ত গ্রামে গ্রামে প্রতিটি বাড়িতে যাবেন। বলবেন, নরেন্দ্র মোদি (PM Modi) আপনাদের প্রণাম এবং আশীর্বাদ চেয়েছেন। এবার সেই বার্তা নিয়ে মাঠে নামতে চলেছে বিজেপির জেলা স্তর থেকে শুরু করে বুথ স্তরের কর্মীরা। রবিবার নদিয়ার উত্তর সাংগঠনিক জেলার একটি মিটিং হতে পারে। সেখানেই এই কর্মসূচি নিয়ে বিস্তর আলোচনা চলবে। এদিন থেকে এই জেলার মোদির দূত হিসেবে বিভিন্ন জায়গায় বাড়িতে বাড়িতে যাবেন বিজেপি কর্মীরা।

    বিজেপি-র জেলা সভাপতি কী বললেন?

    নদিয়া উত্তর সাংগঠনিক জেলার বিজেপি-র সভাপতি অর্জুন বিশ্বাস বলেন, ইতিমধ্যেই আমরা বিস্তর আলোচনা করেছি এই বিষয় নিয়ে। প্রধানমন্ত্রীর বার্তাকে সামনে রেখে আমরা প্রতিটি বুথ স্তরে কর্মীদের নিয়ে প্রতিটি গ্রামে এবং বাড়িতে বাড়িতে যাব। প্রধানমন্ত্রী এই বার্তা আমরা সকলের কাছে পৌঁছে দেব এটাই আমাদের মূল লক্ষ্য।  প্রধানমন্ত্রীর (PM Modi) জনসভার পরেই দিল্লি থেকে বিভিন্ন রাজ্যে লোকসভার প্রার্থী ঘোষণা করা হয়েছে। নদিয়ার কৃষ্ণনগর লোকসভা কেন্দ্রের প্রার্থী ঘোষণা না হলেও রানাঘাট লোকসভা কেন্দ্র সহ বেশ কয়েকটি লোকসভা কেন্দ্রের প্রার্থী ঘোষণা করেছে বিজেপি। তাই লোকসভা ভোটের আগে প্রধানমন্ত্রীর এই জনসভা এবং তাঁর এই বার্তা অনেকটা কর্মীদের উৎসাহ যোগাবে বলে মনে করছে রাজনৈতিক মহল।

     

    দেশের খবরদশের খবরসব খবরসবার আগে পেতে ফলো করুন আমাদের FacebookTwitter এবং Google News পেজ।

  • BJP Candidate List: বাংলার ২০ সহ ১৯৫ আসনের প্রার্থী তালিকা প্রকাশ বিজেপির, কারা রয়েছেন জানেন?

    BJP Candidate List: বাংলার ২০ সহ ১৯৫ আসনের প্রার্থী তালিকা প্রকাশ বিজেপির, কারা রয়েছেন জানেন?

    মাধ্যম নিউজ ডেস্ক: এখনও ঘোষণা হয়নি লোকসভা নির্বাচনের দিণক্ষণ। ঘর গুছিয়ে উঠতে পারেননি বিরোধীরা। এহেন আবহেই প্রথম প্রার্থী তালিকা প্রকাশ করে দিল বিজেপি (BJP Candidate List)। এই তালিকায় রয়েছেন বাংলার ২০জনও। বাংলায় লোকসভার আসন রয়েছে ৪২টি। তার মধ্যেই ২০টিতে প্রার্থী ঘোষণা করে দিল পদ্ম শিবির। প্রসঙ্গত, শনিবারই কৃষ্ণনগরের জনসভায় প্রধানমন্ত্রী নরেন্দ্র মোদি বলেছিলেন রাজ্যের ৪২টি আসনের মধ্যেই চাই ৪২টিই।

    বাংলার ২০ প্রার্থী

    বাংলার যে ২০ জন প্রার্থী (BJP Candidate List) হচ্ছেন, তাঁরা হলেন নিশীথ প্রামাণিক (কোচবিহার), মনোজ টিগ্গা (আলিপুরদুয়ার), সুকান্ত মজুমদার (বালুরঘাট), খগেন মুর্মু (মালদা উত্তর), শ্রীরূপা মিত্র চৌধুরী (মালদা দক্ষিণ), নির্মলকুমার সাহা (বহরমপুর), গৌরীশঙ্কর ঘোষ (মুর্শিদাবাদ), জগন্নাথ সরকার (রানাঘাট), শান্তনু ঠাকুর (বনগাঁ), অশোক কান্ডারী (জয়নগর), অনির্বাণ গাঙ্গুলি (যাদবপুর), রথীন চক্রবর্তী (হাওড়া), লকেট চট্টোপাধ্যায় (হুগলি), সৌমেন্দু অধিকারী (কাঁথি), হিরণ্ময় চট্টোপাধ্যায় (ঘাটাল), জ্যোতির্ময় সিং মাহাতো (পুরুলিয়া), সুভাষ সরকার (বাঁকুড়া), সৌমিত্র খাঁ (বিষ্ণুপুর), পবন সিং (আসানসোল) এবং প্রিয়া সাহা (বোলপুর)। 

    বারাণসীতে ফের মোদি

    বারাণসী কেন্দ্রে এবারও প্রার্থী হচ্ছেন নরেন্দ্র মোদি। ২০১৪ ও ২০১৯ এর নির্বাচনে এই কেন্দ্র থেকেই জয়ী হয়েছিলেন তিনি। অমিত শাহ দাঁড়াচ্ছেন গান্ধী নগরে। মথুরায় পদ্ম চিহ্নে দাঁড়াচ্ছেন হেমা মালিনী। রাজনাথ সিংহ প্রার্থী হচ্ছেন লখনউতে। আমেঠিতে এবারও বিজেপির বাজি স্মৃতি ইরানি। ত্রিপুরা পশ্চিমে প্রার্থী হচ্ছেন বিপ্লব দেব। নয়াদিল্লিতে পদ্ম প্রার্থী হচ্ছেন প্রয়াত সুষমা স্বরাজের মেয়ে বাঁশুরি স্বরাজ। অরুণাচল পশ্চিমে বিজেপির প্রার্থী কিরেণ রিজিজু। মুখ্যমন্ত্রী শিবরাজ চৌহানকে প্রার্থী করা হয়েছে বিদিশা কেন্দ্রের। এবারও গুনা কেন্দ্র থেকে পদ্ম প্রতীকে দাঁড়াচ্ছেন জ্যোতিরাদিত্য সিন্ধিয়া। গুজরাটের পোরবন্দরে প্রার্থী করা হয়েছে রাজ্যসভার সাংসদ বিজেপির মনসুখ মাণ্ডবীয়কে। দিল্লির আর একটি কেন্দ্রে প্রার্থী করা হয়েছে মনোজ তিওয়ারিকে। 

    আরও পড়ুুন: ২ দিনের বঙ্গ সফরে ২২ হাজার কোটির প্রকল্প ঘোষণা মোদির

    বিজেপি এদিন যে প্রার্থী তালিকা প্রকাশ করেছে, তাতে ঠাঁই হয়েছে ৩৪জন কেন্দ্রীয় মন্ত্রীর। প্রার্থী করা হয়েছে ৪৭ জন তরুণ তুর্কিকেও। এদিন গেরুয়া শিবিরের যে ১৯৫ জন প্রার্থীর নাম ঘোষণা করা হয়েছে, তাঁদের মধ্যে ২৮ জন মহিলাও রয়েছেন। এই ১৯৫ জন প্রার্থী ১৬টি রাজ্য ও দুটি কেন্দ্র শাসিত অঞ্চলের।

     

    দেশের খবর, দশের খবর, সব খবর, সবার আগে পেতে ফলো করুন আমাদের Facebook, Twitter এবং Google News পেজ।

     

  • Modi Krishnanagar Rally: “রাজ্যের ৪২টি আসনেই পদ্ম ফোটাতে হবে”, বললেন প্রধানমন্ত্রী

    Modi Krishnanagar Rally: “রাজ্যের ৪২টি আসনেই পদ্ম ফোটাতে হবে”, বললেন প্রধানমন্ত্রী

    মাধ্যম নিউজ ডেস্ক: “রাজ্যের ৪২টি আসনেই পদ্ম ফোটাতে হবে।” শনিবার কৃষ্ণনগরের জনসভায় বঙ্গ বিজেপিকে এই লক্ষ্যমাত্রাই বেঁধে দিলেন প্রধানমন্ত্রী নরেন্দ্র মোদি (Modi Krishnanagar Rally)। বাংলায় লোকসভা কেন্দ্র রয়েছে ৪২টি। কেন্দ্রীয় স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী অমিত শাহ বঙ্গ বিজেপিকে লক্ষ্যমাত্রা বেঁধে দিয়েছিলেন ৩৫টি আসন। আর আজ প্রধানমন্ত্রী জানিয়ে দিলেন ৪২-এ ৪২-ই চাই।

    তৃণমূলের অর্থ

    এদিন তৃণমূলের নয়া অর্থও বাতলে দিলেন প্রধানমন্ত্রী। তিনি (Modi Krishnanagar Rally) বলেন, “এখন তৃণমূলের অর্থ হল, তু, ম্যায় আউর করাপশন।” প্রধানমন্ত্রী বলেন, “তৃণমূল মা-মাটি-মানুষের স্লোগান দিয়ে বাংলার মায়েদের ভোট নিয়েছে। কিন্তু আজ মা-মাটি-মানুষ কাঁদছে। সন্দেশখালির মায়েদের কথা তৃণমূল শোনেনি। এখানে পুলিশ নয়, অপরাধী ঠিক করে কখন গ্রেফতার হবে।”

    ৪০০ আসনের লক্ষ্যমাত্রা

    গতবারের চেয়ে এবার যে আরও বেশি সংখ্যক আসন নিয়ে কেন্দ্রে ফিরতে হবে, তা ঢের আগেই দিল্লিতে বিজেপির সদর দফতরে জানিয়ে দিয়েছিলেন প্রধানমন্ত্রী। সেদিন তিনি ৪০০ আসনের লক্ষ্যমাত্রা বেঁধে দিয়েছিলেন। পরে অন্য এক জনসভায় জয়ের ব্যাপারে নিশ্চিত প্রধানমন্ত্রী বলেছিলেন, “আসন্ন লোকসভা নির্বাচনে বিজেপি পাবে ৩৭০টি আসন। আর বাকি ৩০টি আসন পাবে এনডিএ জোটের শরিকদলগুলি।”

    বাংলায় ৪২-এ ৪২-ই

    এর পরেই বাংলায় এসে বিজেপি কর্মীদের সামনে ৩৫টি আসনের লক্ষ্যমাত্রা বেঁধে দিয়েছিলেন কেন্দ্রীয় স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী। আর প্রধানমন্ত্রী (Modi Krishnanagar Rally) জানিয়ে দিলেন তাঁর প্রয়োজন ৪২-এ ৪২টি আসনই। প্রধানমন্ত্রী বলেন, “যেভাবে রাজ্য সরকার চলছে, তা বাংলাকে নিরাশ করে দিয়েছে। এই সরকার বারংবার এত সমর্থন পেলেও, তাঁরা অত্যাচার ও বিশ্বাসঘাতকের দ্বিতীয় নাম হয়ে গিয়েছে।” তিনি বলেন, “বাংলার উন্নয়ন নয়, শাসক দলের কাছে পরিবারতন্ত্র এবং দুর্নীতি অগ্রাধিকার পেয়েছে। তৃণমূল বাংলার লোককে গরিব বানিয়ে রাখতে চায়, যাতে ওরা ওদের খেলা চালিয়ে যেতে পারে।”

    আরও পড়ুুন: “টিএমসি মানেই তু, ম্যায় অউর করাপশান”, জনসভায় তোপ মোদির

    শুক্রবারই আরামবাগের সভা থেকে রাজ্যের দুর্নীতির বিরুদ্ধে সুর চড়িয়েছিলেন প্রধানমন্ত্রী (Modi Krishnanagar Rally)। রাজ্যের শিক্ষক নিয়োগ কেলেঙ্কারি, রেশন দুর্নীতি, গরু পাচার সহ নানা দুর্নীতির বিষয়ে তৃণমূলকে আক্রমণ শানিয়েছিলেন প্রধানমন্ত্রী। অন্যথা হল না কৃষ্ণনগরের সভায়ও।

     

    দেশের খবর, দশের খবর, সব খবর, সবার আগে পেতে ফলো করুন আমাদের Facebook, Twitter এবং Google News পেজ।

     
     

     

  • Modi Krishnanagar Rally: “টিএমসি মানেই তু, ম্যায় অউর করাপশান”, জনসভায় তোপ মোদির

    Modi Krishnanagar Rally: “টিএমসি মানেই তু, ম্যায় অউর করাপশান”, জনসভায় তোপ মোদির

    মাধ্যম নিউজ ডেস্ক: “তৃণমূল কংগ্রেস মানেই তু, ম্যায় অউর করাপশান, এখানকার দুষ্কৃতীরাই শেষ কথা বলে। কখন তারা আত্মসমর্পণ করবে আর কখন গ্রেফতার হবে। তৃণমূল মানেই অত্যাচার এবং দুষ্কৃতীর দ্বিতীয় নাম। তৃণমূল মানেই বিশ্বাসঘাতক। তৃণমূল সরকার সব স্কিমকে স্ক্যামে পরিণত করে তুলেছে। স্কিমকে স্ক্যামে পরিণত করায় মাস্টারি করেছে তৃণমূল।” তোপ দেগে ঠিক এই ভাবেই আক্রমণ করলেন দেশের প্রধানমন্ত্রী নরেন্দ্র মোদি। আজ নদিয়ার কৃষ্ণনগরে (Modi Krishnanagar Rally) তৃণমূল সরকারের একাধিক দুর্নীতির অভিযোগকে হাতিয়ার করে তীব্র আক্রমণ করলেন তিনি। রাজ্যে তৃণমূল বার বার ১০০ দিনের কাজের বকেয়া টাকা নিয়ে অভিযোগ করলে পালটা মোদি জাবাব দিলেন বলে মনে করছেন রাজনীতির একাংশের মানুষ।

    কী বললেন মোদি? (Krishna Nagar)

    কৃষ্ণনগর কলেজের মাঠে মোদি (Modi Krishnanagar Rally) আজ বলেন, “তৃণমূল কংগ্রেসের মানে বদলে গিয়েছে। টিএমসি-র নতুন মানে হল তু, ম্যায় অউর করাপশন হি করাপশান। বাড়ি বাড়ি গিয়ে যুবকরা একটি তথ্য দিন – মনরেগাতে ২৫ লক্ষ ভুয়ো জব কার্ড তৈরি হয়েছে। যে জন্ম গ্রহণ করেননি তাঁরও ভুয়ো জবকার্ড তৈরি হয়েছে। যে টাকা গরিব শ্রমিকের প্রাপ্য ন্যায্য টাকা, তা তৃণমূলের তোলাবাজরা তুলে নিয়েছে। পশ্চিমবঙ্গে ৬ কোটি মানুষকে বিনামূল্যে রেশন দেওয়া হচ্ছে। আগামী ৫ বছর পর্যন্ত এই রেশন দেওয়া হবে। কিন্তু এই প্রকল্পে তৃণমূল জোর করে নিজেদের স্টিকার লাগিয়ে দিচ্ছে। ওঁরা গরিবের রেশন লুট করেছে।”

    মোদির গ্যারান্টি নিয়ে কী বললেন?

    কৃষ্ণনগর সভা থেকে মোদি (Modi Krishnanagar Rally) তৃণমূলকে সমালোচনা করে আরও বলেন, “নরেন্দ্র মোদি গ্যারান্টি দিয়েছিল কল্যাণীতে এইমস হাসপাতাল তৈরি করা হবে। সেখানে আজ এইমস হাসপাতাল তৈরি হয়েছে। তাও এ রাজ্যের তৃণমূল সরকারের পছন্দ হয়নি। বিজেপি সরকার আয়ুষ্মান প্রকল্পে পাঁচ লাখ করে চিকিৎসায় টাকা দেওয়ার সুবিধা করেছে। কিন্তু টিএমসি সরকার তা কার্যকর করতে দিচ্ছে না এই রাজ্যে। স্বাস্থ্য সুবিধা থেকে শুরু করে মেডিক্যাল কলেজ আরও বৃদ্ধি করা হয়েছে। এই রাজ্যের পাট চাষী এবং জুট মিলগুলির জন্য আরও অনেক টাকা বরাদ্দ করা হবে।”

    ১১ কোটি টাকা বিনিয়গের ঘোষণা

    এদিন জনসভায় যাওয়ার আগে প্রধানমন্ত্রী (Modi Krishnanagar Rally) কৃষ্ণনগর সরকারি সভায় ১৫ হাজার কোটি টাকার প্রকল্পের উদ্বোধন করেন। ফরাক্কা থেকে রায়গঞ্জ পর্যন্ত ৪ লেনের জাতীয় সড়ক উদ্বোধন করেন তিনি। বাজারসাউ-আজিমগঞ্জ ডবললাইন রেলপথের উদ্বোধন করেন তিনি। একই সঙ্গে পুরুলিয়ার তাপবিদ্যুৎ প্রকল্পের দ্বিতীয় ইউনিটের সূচনা করেন আজ। এই প্রকল্পে ১১ হাজার কোটি টাকা বিনিয়োগ করা হয়েছে।   

     

    দেশের খবর, দশের খবর, সব খবর, সবার আগে পেতে ফলো করুন আমাদের Facebook, Twitter এবং Google News পেজ।

  • BJP: চিনা-ঝান্ডা বিতর্কের জের! স্ট্যালিনকে মান্দারিন ভাষায় জন্মদিনের শুভেচ্ছা বিজেপির

    BJP: চিনা-ঝান্ডা বিতর্কের জের! স্ট্যালিনকে মান্দারিন ভাষায় জন্মদিনের শুভেচ্ছা বিজেপির

    মাধ্যম নিউজ ডেস্ক: চিনা-ঝান্ডা বিতর্কের জেরে সরগরম তামিলনাড়ুর রাজনীতি। এমতাবস্থায় রাজ্যের মুখ্যমন্ত্রী এমকে স্ট্যালিনকে জন্মদিনের শুভেচ্ছা জানাল বিজেপি (BJP)। তবে তামিল ভাষায় নয়, পদ্ম শিবিরের তরফে তাঁকে শুভেচ্ছা জানানো হয়েছে চিনের সরকারি ভাষা মান্দারিনে। ১ মার্চ জন্মদিন ছিল স্ট্যালিনের। সেদিনই ডিএমকে নেতাকে মুখের মতো করে চিন-প্রীতির জবাব দিল পদ্ম শিবির।

    জন্মদিনের শুভেচ্ছা

    বিজেপির (BJP) তরফে সোশ্যাল মিডিয়ায় লেখা হয়েছে, “এখানে আমাদের মাননীয় মুখ্যমন্ত্রী থিরু এমকে স্ট্যালিন আভরগলকে তাঁর পছন্দের ভাষায় জন্মদিনের শুভেচ্ছা জানাই। তিনি দীর্ঘজীবী হোন, সুস্থ জীবন যাপন করুন।” কথাগুলি লেখা হয়েছে মান্দারিন ভাষায়। তামিলনাড়ু বিজেপির ইউনিট প্রেসিডেন্ট ডিএমকে নেতার চিন-প্রেমের কড়া সমালোচনা করেছেন। তিনি বলেন, “ডিএমকের এই কাজ আমরা সমর্থন করি না। এটি ইসরোর বিজ্ঞানী ও দেশের ভাবমূর্তির পক্ষে অপমানজনক। এটি ডিএমকের সংকীর্ণ মানসিকতার পরিচায়ক।”

    ইসরোর লঞ্চপ্যাডের উদ্বোধন

    সম্প্রতি তামিলনাড়ুতে ইসরোর একটি লঞ্চপ্যাডের উদ্বোধন করেন প্রধানমন্ত্রী নরেন্দ্র মোদি। উদ্বোধনী অনুষ্ঠানের বিজ্ঞাপনে একটি রকেট দেখা গিয়েছে। অভিযোগ, তাতে রয়েছে চিনের পতাকার চিহ্ন। বিজেপির রাজ্য সভাপতি কে আন্নামালাই এক্স হ্যান্ডেলে এই বিজ্ঞাপনের বিরোধিতা করে লেখেন, “ভারতের সার্বভৌমত্বকে অবজ্ঞা করেছে।”

    এক্স হ্যান্ডেলে তিনি লেখেন, “এই বিজ্ঞাপন দেখায়, ডিএমকে চিনের প্রতি কতটা প্রতিজ্ঞাবদ্ধ। এই দলটি দুর্নীতিতে সিদ্ধ। ইসরো যেদিন থেকে দ্বিতীয় লঞ্চ প্যাডের কথা ঘোষণা করেছে, সেদিন থেকে ডিএমকে মরিয়া হয়ে উঠেছে। অতীতের ত্রুটি ধামাচাপা দিতেই ওরা এতটা মরিয়া।” তিনি বলেন, “প্রথম লঞ্চিং প্যাডের জন্য ইসরো তামিলনাড়ুকেই প্রথমে বেছে নিয়েছিল। কিন্তু সে সময় রাজ্য সরকারের অপদার্থতা দেশের মহাকাশ গবেষণার ক্ষেত্রে তামিলনাড়ুর মুখ পুড়িয়েছিল। সেই ডিএমকে এখনও বদলায়নি। বরং আরও খারাপ হয়েছে।”

    আরও পড়ুুন: “স্বাধীনতার পর বাংলা আর এগোয়নি”, বললেন প্রধানমন্ত্রী

    প্রসঙ্গত, রাজ্যের দুই বহুল প্রচারিত দৈনিকে বিজ্ঞাপনটি দেওয়া হয়েছিল। তামিলনাড়ুর প্রাক্তন মুখ্যমন্ত্রী এম করুণানিধি ও বর্তমানে মুখ্যমন্ত্রী এমকে স্ট্যালিনের কৃতিত্ব প্রচার করাই ছিল বিজ্ঞাপনের উদ্দেশ্য। বিতর্কের সূত্রপাত সেই বিজ্ঞাপনকে কেন্দ্র করেই (BJP)।

     

    দেশের খবরদশের খবরসব খবরসবার আগে পেতে ফলো করুন আমাদের FacebookTwitter এবং Google News পেজ।

     

     
     

     

     

  • Modi Rally in Krishnagar: আজ কৃষ্ণনগরে মোদির সভা, সিএএ নিয়ে কি বার্তা দেবেন প্রধানমন্ত্রী?

    Modi Rally in Krishnagar: আজ কৃষ্ণনগরে মোদির সভা, সিএএ নিয়ে কি বার্তা দেবেন প্রধানমন্ত্রী?

    মাধ্যম নিউজ ডেস্ক: রাজ্যে রয়েছেন প্রধানমন্ত্রী নরেন্দ্র মোদি (Modi Rally in Krishnagar)। আজ, ২ মার্চ বাংলায় মোদির সফরের দ্বিতীয় দিন। সামনে লোকসভা নির্বাচন। শনিবার সেই লক্ষ্যেই কৃষ্ণনগরে সভা করবেন তিনি। তাঁর আগে একাধিক সরকারি প্রকল্পের সূচনা করবেন প্রধানমন্ত্রী। তাঁকে ঘিরে কড়া নিরাপত্তার ব্যবস্থা করা হয়েছে। শহর জুড়ে ট্র্যাফিক কন্ট্রোলও করা হয়েছে। শুক্রবার আরামবাগে জনসভা করেছেন মোদি। সেই মঞ্চ থেকে বাংলার শাসক দলকে নিশানা করেছেন তিনি। আজ কৃষ্ণনগরের জনসভায় সিএএ প্রসঙ্গে প্রধানমন্ত্রী কোনও বার্তা দেন কি না তার দিকেই নজর রয়েছে রাজনীতিকদের।

    আজ মোদির কর্মসূচি

    প্রধানমন্ত্রীর দফতর থেকে যে সূচি প্রকাশ করা হয়েছে, তাতে দেখা যাচ্ছে সকাল ৯টা ২৫ মিনিটে রাজভবন থেকে সড়ক পথে বেরবে মোদির কনভয়। ৯টা ৪০ মিনিটে আরসিটিসি হেলিপ্যাড থেকে উড়বে মোদির কপ্টার। সকাল সাড়ে দশটায় অনুষ্ঠানস্থলে পৌঁছনোর কথা মোদির। সাড়ে দশটা থেকে সকাল ১১টা পর্যন্ত সরকারি অনুষ্ঠান থেকে একাধিক সরকারি প্রকল্প উদ্বোধন করার কথা রয়েছে প্রধানমন্ত্রীর। সকাল ১১টা ৫ মিনিটে অনুষ্ঠান স্থল থেকে সড়ক পথে বেরিয়ে যাওয়ার কথা তাঁর। ১১টা ১০ মিনিটে এসে পৌঁছনোর কথা জনসভার স্থলে। সূচি অনুযায়ী সওয়া ১১টা থেকে ১২টা পর্যন্ত কৃষ্ণনগরে দলীয় সভা করার কথা মোদির। ১২টা ১০ মিনিটে কৃষ্ণনগর থেকে উড়বে মোদির কপ্টার। ১২টা ৫৫ মিনিটে পানাগড় থেকে মোদির বিমান উড়ে যাবে বিহারে।   

    মতুয়াদের উদ্দেশে বার্তা

    কৃষ্ণনগর লোকসভা কেন্দ্রে মতুয়া ভোটের প্রভাব রয়েছে বেশ ভালো। মতুয়াদের দীর্ঘদিনের দাবি সিএএ। আজ কৃষ্ণনগর থেকে সিএএ নিয়ে কোনও বার্তা প্রধানমন্ত্রী দেন কি না, সেদিকে নজর রয়েছে বঙ্গবাসীর। বাংলাদেশ, পাকিস্তান এবং আফগানিস্তানের হিন্দু সহ ৬টি সংখ্যালঘু সম্প্রদায়কে ভারতীয় নাগরিকত্ব দিতেই আনা হয়েছে নাগরিকত্ব সংশোধনী আইন। ২০১৯ সালে এই আইনটি সংসদের অনুমোদন পেয়ে তৈরি হয়েছিল। সম্প্রতি কেন্দ্রীয় মন্ত্রী শান্তনু ঠাকুর দাবি করেছিলেন, শীঘ্রই সিএএ কার্যকর হবে। কেন্দ্রীয় স্বরষ্ট্রমন্ত্রী অমিত শাহের গলাতেও শোনা গিয়েছিল একই সুর। উল্লেখ্য, সিএএ কার্যকর হলে, তার সবথেকে বেশি প্রভাব পড়তে পারে বাংলাতেই। বাংলাদেশ লাগোয়া নদিয়া এবং উত্তর ২৪ পরগনায় এর প্রভাব আরও বেশি করে পড়তে পারে। বিগত ২০১৯ সালে নাগরিকত্ব ইস্যুতেই মতুয়া ভোটের সিংহভাগ বিজেপির ঝুলিতে গিয়েছিল। এই আবহে প্রধানমন্ত্রী কি বার্তা দেন তারই অপেক্ষায় মতুয়া সম্প্রদায়।

     

    দেশের খবর, দশের খবর, সব খবর, সবার আগে পেতে ফলো করুন আমাদের Facebook, Twitter এবং Google News পেজ।

  • Nadia: শনিবার কৃষ্ণনগরে প্রধানমন্ত্রী নরেন্দ্র মোদির সভা, চলছে চূড়ান্ত পর্যায়ের প্রস্তুতি

    Nadia: শনিবার কৃষ্ণনগরে প্রধানমন্ত্রী নরেন্দ্র মোদির সভা, চলছে চূড়ান্ত পর্যায়ের প্রস্তুতি

    মাধ্যম নিউজ ডেস্ক: আগামীকাল ২রা মার্চ নদিয়ার পূণ্যভূমিতে পা রাখতে চলেছেন দেশের প্রধানমন্ত্রী নরেন্দ্র মোদি। আর তার জেরেই নিরাপত্তা বেষ্টনীতে মুড়ে ফেলা হয়েছে গোটা নদিয়া (Nadia) এবং কৃষ্ণনগর শহর। কৃষ্ণনগর গভমেন্ট কলেজ ময়দানে অনুষ্ঠিত হতে চলেছে মোদির এই জনসভা। সেই সঙ্গে করবেন বেশ কিছু সরকারি প্রকল্পের ঘোষণা। লোকসভা ভোটের আগে প্রধানমন্ত্রী আগমন যথেষ্টই রাজনৈতিক তাৎপর্যপূর্ণ বলে মনে করছে রাজনৈতিক মহল। উল্লেখ্য এই লোকসভার প্রাক্তন সাংসদ ছিলেন মহুয়া মৈত্র। টাকার বিনিময়ে লোকসভায় প্রশ্ন করার অপরাধে তাঁর সাংসদ পদ বাতিল হয়েছে। একই সঙ্গে কেন্দ্রীয় তদন্তকারী সংস্থা মামলায় তদন্ত করছে বলে জানা গিয়েছে।

    বিজপির বক্তব্য (Nadia)

    প্রধানমন্ত্রী আসার আগেই তাঁর সভাস্থলে চলছে চূড়ান্ত পর্যায়ের প্রস্তুতি। বিজেপি কর্মী সমর্থক থেকে শুরু করে জেলা এবং রাজ্য নেতৃত্ব ইতিমধ্যেই সভাস্থল পরিদর্শন করে গেছেন। আজ সকাল থেকেও প্রধানমন্ত্রীর সভাস্থল পরিদর্শন করেন স্থানীয় বিজেপি কর্মকর্তারা। চলছে শেষ পর্বের চূড়ান্ত প্রস্তুতি। নদিয়া (Nadia) জেলা বিজেপির মিডিয়া কনভেনার সন্দ্বীপ মজুমদার বলেন, “শুধু জনসভাই নয়, জনসভা হওয়ার আগে গভমেন্ট কলেজ ময়দানের পাশেই আরও একটি সরকারি অনুষ্ঠান রয়েছে প্রধানমন্ত্রীর। যেখান থেকে মোদি বিভিন্ন সরকারি প্রকল্পের উদ্বোধন করবেন। তবে এই সরকারি প্রকল্প উদ্বোধনের মধ্যে নদিয়া জেলা তথা কৃষ্ণনগরের মানুষও বেশ কিছু সরকারি প্রকল্পের মাধ্যমে উপকৃত হবেন।”

    তৃণমূলের বক্তব্য

    তবে প্রধানমন্ত্রীর নদিয়া (Nadia) জেলায় আগমনকে কটাক্ষ করতে ছাড়েনি তৃণমূল কংগ্রেস। নদীয়া জেলা তৃণমূল কংগ্রেসের মুখপাত্র দেবাশীষ রায় বলেন, “প্রধানমন্ত্রী নরেন্দ্র মোদি এমন একটি জায়গা তাঁর সভাস্থল হিসেবে বেছে নিয়েছেন, যেখানকার সংসদ ছিলেন মহুয়া মৈত্র। যিনি একের পর এক প্রশ্নবানে সংসদে বিজেপিকে ধরাশায়ী করেছে। তাঁকে কালিমালিপ্ত করে সংসদ থেকে বহিষ্কার করা হয়েছে। বিজেপি বুঝতে পেরেছে কৃষ্ণনগরের মাটিতে বিজেপির জয় কোনও ভাবেই সম্ভব নয়। তাই পায়ের তলার মাটি সরে যাওয়ার কারণেই আজ এই সভাস্থল কৃষ্ণনগরকে বেছে নেওয়া হয়েছে। তবে বাংলার মানুষ বিজেপিকে আর বিশ্বাস করে না। বাংলার মানুষ লোকসভা ভোটে বুঝিয়ে দেবে তৃণমূল কংগ্রেসই একমাত্র ভরসা।

     

    দেশের খবর, দশের খবর, সব খবর, সবার আগে পেতে ফলো করুন আমাদের Facebook, Twitter এবং Google News পেজ।

LinkedIn
Share