Tag: bjp

bjp

  • Suvendu Attacks Mamata: ‘আইনি পদক্ষেপের জন্য প্রস্তুত থাকুন’, মানহানির নোটিসের জবাব না মেলায় মমতাকে হুঁশিয়ারি শুভেন্দুর

    Suvendu Attacks Mamata: ‘আইনি পদক্ষেপের জন্য প্রস্তুত থাকুন’, মানহানির নোটিসের জবাব না মেলায় মমতাকে হুঁশিয়ারি শুভেন্দুর

    মাধ্যম নিউজ ডেস্ক: মুখ্যমন্ত্রী মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়ের বিরুদ্ধে আইনি লড়াইয়ের হুঁশিয়ারি দিলেন রাজ্যের বিরোধী দলনেতা শুভেন্দু অধিকারী (Suvendu Attacks Mamata)। সাম্প্রতিক কিছু মন্তব্যের জন্য গত শুক্রবার মুখ্যমন্ত্রীকে আইনজীবী মারফত একটি মানহানির নোটিস পাঠান তিনি। কিসের ভিত্তিতে মমতা ওই মন্তব্য করেন, ৭২ ঘণ্টার মধ্যে সেই প্রামাণ্য নথি চেয়েছিলেন শুভেন্দু। বিরোধী দলনেতার দেওয়া ওই সময়সীমা ইতিমধ্যে অতিক্রম করেছে। কিন্তু সেই চিঠির উত্তর মেলেনি। এবার তাই নিয়ে সামাজিক মাধ্যমে পোস্ট করলেন শুভেন্দু।

    ‘আদালতে দেখা হবে

    সমাজমাধ্যমে শুভেন্দু (Suvendu Attacks Mamata) লেখেন, “তাঁকে (মুখ্যমন্ত্রীকে) দেওয়া সময়সীমা এখন অতিক্রম হয়ে গিয়েছে, এবং মুখ্যমন্ত্রী তাঁর আচরণের মাধ্যমে স্পষ্ট করেছেন যে আমার নাম কয়লা কেলেঙ্কারিতে জড়িত বলে তাঁর কল্পিত অভিযোগগুলির কোনও স্পষ্ট প্রমাণ নেই ওনার কাছে, অভিযোগগুলি সম্পূর্ণ তাঁর মস্তিষ্কপ্রসূত তাই বিপাকে পড়ে তিনি কোনও উত্তর দিতে পারেননি।” বিরোধী দলনেতার দাবি, কী জবাব দেবেন, তা হয়তো মুখ্যমন্ত্রী বুঝে উঠতে পারেননি। মুখ্যমন্ত্রীকে বিঁধে তিনি আরও লেখেন, “এবার উনি আদালতে আইনি পরিণতির সম্মুখীন হওয়ার জন্য প্রস্তুত হোন। মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়, এবার আপনার সাথে আদালতে দেখা হবে।”

    কেন শুভেন্দুর আইনি চিঠি

    অভিযোগ, মুখ্যমন্ত্রীকে কয়লা দুর্নীতির সঙ্গে শুভেন্দু অধিকারী (Suvendu Attacks Mamata) জড়িয়ে মন্তব্য করতে দেখা গিয়েছে। সেই প্রসঙ্গ উল্লেখ করেই এই আইনি চিঠি নন্দীগ্রামের বিধায়কের। চিঠিতে ২০২১ সালের বিধানসভা ভোটে নন্দীগ্রামের ফলাফলের কথাও উল্লেখ করা হয়েছে। আই প্যাক-এর কর্ণধার প্রতীক জৈনের বাড়ি ও অফিসে ইডি তল্লাশি থেকেই এই ঘটনার সূত্রপাত। বৃহস্পতিবার এক বেনজির দৃশ্যের সাক্ষী থেকেছে বাংলা তথা গোটা দেশ। কেন্দ্রীয় এজেন্সির তল্লাশির মাঝে ঢুকে মুখ্যমন্ত্রীকে ফাইল নিয়ে বেরিয়ে যেতে দেখা গিয়েছে। মুখ্যমন্ত্রী গত বৃহস্পতিবার স্বরাষ্ট্রমন্ত্রীকে বিঁধে দাবি করেছিলেন, ইডি-র মাধ্যমে তাঁর দলের স্ট্র্যাটেজি, প্রার্থী তালিকা হাতিয়ে নেওয়ার চেষ্টা হয়েছে। যদিও ইডি বিবৃতি দিয়ে জানায়, কয়লা কেলেঙ্কারি মামলায় এই তল্লাশি চলছিল। গোটা দেশের ১০ জায়গায় তল্লাশি চলছিল। তার মধ্যে ৬টি বাংলায় ও চারটি দিল্লিতে। ইডির বক্তব্য, এই তদন্তে হাওয়ালা-যোগও উঠে আসে। আর এখানেই উঠে আসে আইপ্যাকের নাম। ইডির দাবি, ইন্ডিয়ান প্যাক কনসালটিং প্রাইভেট লিমিটেড, অর্থাৎ আইপ্যাকের মাধ্যস্থতার হাওয়ালায় ১০ কোটি টাকার লেনদেন হয়েছে। অভিযুক্ত বেশ কয়েকজনের বয়ানে এই প্রতীক জৈনের নাম উঠে এসেছে। সেই কারণেই তল্লাশি।

  • I Pac Raid: “এত ভয় কীসের, কী লুকোতে চাইছেন?” লালুর উদাহরণ টেনে মমতাকে কটাক্ষ রবিশঙ্করের

    I Pac Raid: “এত ভয় কীসের, কী লুকোতে চাইছেন?” লালুর উদাহরণ টেনে মমতাকে কটাক্ষ রবিশঙ্করের

    মাধ্যম নিউজ ডেস্ক: কলকাতায় আইপ্যাকের দফতর (Kolkata I pac Office) ও সংস্থার কর্ণধার প্রতীক জৈনের (Ipac Prateek Jain) বাড়িতে ইডি অভিযানের (ED Raid at Ipac Office) ঘটনার আঁচ পড়েছে জাতীয় রাজনীতিতে। দিল্লিতে সাংবাদিক বৈঠক করে মুখ্যমন্ত্রী মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়কে (Mamata Banerjee) সরাসরি নিশানা করল বিজেপি (BJP)। কেন্দ্রীয় তদন্তে হস্তক্ষেপের অভিযোগ তুলে মমতার সঙ্গে বিহারের প্রাক্তন মুখ্যমন্ত্রী লালু প্রসাদ যাদবের (Lalu Prasad Yadav) তুলনা টানলেন দলের শীর্ষ নেতা রবিশঙ্কর প্রসাদ (Ravi Shankar Prasad)।

    পশ্চিমবঙ্গে যা ঘটেছে, তা নজিরবিহীন

    বিজেপি নেতা তথা প্রাক্তন কেন্দ্রীয় মন্ত্রী রবিশঙ্কর প্রসাদের প্রশ্ন, “যদি কয়লা পাচার মামলার (Coal Smuggle Case) তদন্তে ইডি অভিযান হয়ে থাকে, তাহলে মুখ্যমন্ত্রী এতটা আতঙ্কিত কেন? তিনি কি রাজ্যে কোনও সঠিক তদন্ত হতে দেবেন না?” তাঁর দাবি, বৃহস্পতিবার পশ্চিমবঙ্গে যা ঘটেছে, তা নজিরবিহীন। স্বাধীন ভারতের ইতিহাসে এমন দৃশ্য আগে দেখা যায়নি। রবিশঙ্করের বক্তব্য, মুখ্যমন্ত্রীর আচরণ অনৈতিক, বেআইনি এবং অসাংবিধানিক। তাঁর মতে, এ ধরনের কাজ গণতান্ত্রিক ব্যবস্থাকে প্রশ্নের মুখে ফেলে। এই প্রসঙ্গেই তিনি লালু প্রসাদ যাদবের (Lalu Prasad Yadav) উদাহরণ টানেন। বলেন, “বিহারে লালু প্রসাদের বাড়িতে তল্লাশি হয়েছিল, পরে তাঁকে গ্রেফতারও করা হয়। কিন্তু তিনি বা তাঁর স্ত্রী কখনও তদন্ত চলাকালীন সিবিআই অফিসে (CBI) ঢুকে পড়েননি।” বিজেপির অভিযোগ, কেন্দ্রীয় তদন্তকারী সংস্থার কাজে হস্তক্ষেপের প্রবণতা মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়ের ক্ষেত্রে নতুন নয়। দীর্ঘদিন কেন্দ্রীয় মন্ত্রী এবং টানা ১৪ বছর রাজ্যের মুখ্যমন্ত্রী থাকার পরেও তিনি কীভাবে এমন আচরণ করতে পারেন, সেই প্রশ্নও তোলেন রবিশঙ্কর প্রসাদ।

    অরাজক শাসনের জবাব মানুষ দেবে

    ভারতীয় জনতা পার্টির জাতীয় মুখপাত্র ও লোকসভা সাংসদ সম্বিত পাত্র পশ্চিমবঙ্গের মুখ্যমন্ত্রী মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়ের বিরুদ্ধে গুরুতর অভিযোগ তুলেছেন। এক সাংবাদিক সম্মেলনে তিনি দাবি করেন, দুর্নীতি ও হাওয়ালা সংক্রান্ত একটি মামলায় এনফোর্সমেন্ট ডিরেক্টরেটের (ইডি) অভিযানের সময় মুখ্যমন্ত্রী স্বয়ং হস্তক্ষেপ করেছেন। তাঁর অভিযোগ, ইডি যখন রাজনৈতিক পরামর্শদাতা সংস্থা আই-প্যাক (IPAC)-এর দফতরে অভিযান চালাচ্ছিল, তখন মমতা বন্দ্যোপাধ্যায় সেখানে প্রবেশ করে গুরুত্বপূর্ণ নথি, ল্যাপটপ ও পেন ড্রাইভ সরিয়ে নেন। তাঁর দাবি, এর ফলে তদন্তের গুরুত্বপূর্ণ প্রমাণ নষ্ট করা হয়েছে। বিজেপি মুখপাত্রের মতে, ভারতের ইতিহাসে এই প্রথম কোনও কর্মরত মুখ্যমন্ত্রী সরাসরি ইডির চলমান অভিযানে বাধা দেওয়ার অভিযোগে অভিযুক্ত হলেন। তিনি ঘটনাটিকে “চরম লজ্জাজনক ও উদ্বেগজনক” বলে বর্ণনা করেন। তাঁর কথায়, মুখ্যমন্ত্রীর এই আচরণ থেকে স্পষ্ট যে তাঁর “লুকোনোর মতো অনেক কিছু রয়েছে”। ঘটনার নাটকীয়তা প্রসঙ্গে পাত্র বলেন, “হয়তো হিন্দি সিনেমাতেও এমন দৃশ্য দেখা যায় না।” পাত্র আরও দাবি করেন, পশ্চিমবঙ্গের মানুষ “মাফিয়া-ধাঁচের শাসন” মেনে নেবে না এবং মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়ের “অরাজক শাসনের” জবাব গণতান্ত্রিক পথেই দেওয়া হবে।

  • Samik Bhattacharya: “তৃণমূল ও দুর্নীতি পরস্পরের সমর্থক”, মমতাকে তীব্র আক্রমণ শমীকের

    Samik Bhattacharya: “তৃণমূল ও দুর্নীতি পরস্পরের সমর্থক”, মমতাকে তীব্র আক্রমণ শমীকের

    মাধ্যম নিউজ ডেস্ক: মমতা বন্দ্যোপাধ্যায় (Mamata Banerjee) কলকাতায় কেন্দ্রীয় তদন্তকারী সংস্থা ইডির দুর্নীতির বিরুদ্ধে অভিযানে নথি উদ্ধারের বাধা দিয়ে দেশজুড়ে যখন শোরগোল ফেলেছেন। সাংবিধানিক পদে বসে নথি ছিনতাই করেছেন বলে অভিযোগ বিজেপির। অপরদিকে আবার এই দুর্নীতির বিরুদ্ধে শুক্রবার দিল্লিতে কেন্দ্রীয় স্বরাষ্ট্রমন্ত্রীর অফিসের বাইরে বিক্ষোভ দেখান তৃণমূল সাংসদরা। এযেন উলট পুরাণ। একদিকে কয়লা পাচার তদন্তের বাধা দলনেত্রীর, অপর দিকে দলের সাংসদরা দুর্নীতির তদন্ত চাইছেন। দলের সাংসদ এবং দলনেত্রীর কর্মকাণ্ড পরস্পর বিপরীত মুখী। এই ইস্যুতে তীব্র তোপ দেগেছেন বিজেপি রাজ্য সভাপতি শমীক ভট্টাচার্য (Samik Bhattacharya) বলেন, “রাজ্যের মানুষ বুঝে গিয়েছেন কয়লা কেলেঙ্কারিতে তৃণমূল নেতার জড়িত।”

    তৃণমূলের প্রতিবাদে মানুষ হাসবে (Samik Bhattacharya)

    শুক্রবার দিল্লিতে অমিত শাহের দফতরের বাইরে তৃণমূল সদাংসদ ডেরেক ও’ব্রায়েন, শতাব্দী রায়, কীর্তি আজাদ এবং অন্যান্য নেতার বিক্ষোভ দেখিয়েছিলেন। পুলিশ, শতাব্দী, মহুয়া এবং ডেরেককে আটক করে প্রিজন ভ্যানে তুলে নিয়ে গিয়েছে। এই ঘটনায় দুর্নীতির সমর্থক তৃণমূল নেত্রী এবং সাংসদদের তোপ দেগে শমীক ভট্টাচার্য (Samik Bhattacharya) বলেন, “তৃণমূল নেতারা পশ্চিমবঙ্গের মানুষের সামনে বিক্ষোভ দেখাতে পারে না, জনতা টিএমসিপিকে বুঝে গিয়েছে। তৃণমূলের নেতারা দুর্নীতির প্রতিবাদ করলে মানুষ হাসবে। ইডি যখন তদন্ত করছে সেই সময় মুখ্যমন্ত্রী ফাইল ছিনতাই করে নিচ্ছেন। কোনও রাজনৈতিক অভিযান নয়। তৃণমূলের নেতারা কয়লা কেলেঙ্কারিতে যুক্ত। তৃণমূল এবং দুর্নীতি পরস্পরের সমর্থক।”

    অপ্রত্যাশিত আচরণ

    আইপ্যাক কাণ্ডে ইডির তল্লাশি অভিযানে মুখ্যমন্ত্রী মমতা বন্দ্যোপাধ্যায় নিজেই নিজেক খুন করেছেন। ঠিক এই ভাষায় আক্রমণ করলেন বিজেপির রাজ্য সভাপতি শমীক ভট্টাচার্য (Samik Bhattacharya)। তিনি বলেন, “গতকাল ইডির অভিযানকে ঘিরে গোটা দেশ তথা রাজ্য দেখেছে যে একজন রাজ্যের মুখ্যমন্ত্রী কোথায় নেমে যেতে পারেন। সংবিধানের শপথ নেওয়া কোনও মুখ্যমন্ত্রীর থেকে কোনও সমাজ কোনও সংবিধান কোনও দেশ এই আচরণ প্রত্যশা করে না। তৃণমূল কংগ্রেস দুর্নীতির সমর্থক।” রাজ্য বিজেপি সভাপতি শমীক ভট্টাচার্যের বক্তব্য, ‘আজ উনি (মমতা) যে কাজ করলেন, তাতে তিনি নিজের ভাবমূর্তির কফিনে শেষ পেরেকটি পুঁতে দিলেন। নিজেই নিজেক খুন করেছেন।’

    দুর্নীতিকে সমর্থন করেন তা মুখ্যমন্ত্রী

    রাজ্যের মুখ্যমন্ত্রী মমতা বন্দ্যোপাধ্যায় কয়লা পাচার মামলায় আইপ্যাকের কর্নধার প্রতীক জৈনের অফিস এবং বাড়িতে তল্লাশি অভিযানের বিরুদ্ধে সরাসরি ইডির বিরুদ্ধে ময়দানে নামেন। শুধু তাই নয় সেখান থেকে অভিযানকে প্রভাবিত করতে সবুজ ফাইল, ল্যাপটপ এবং হার্ডডিস্ক তুলে নিয়ে চলে যান বলে অভিযোগ। এই ঘটনার তীব্র সমালোচনা করে বিজপির রাজ্য সভাপতি শমীক ভট্টাচার্য (Samik Bhattacharya) বলেন, “এইট-বি থেকে শ্যামবাজার, টালা থেকে টালিগঞ্জ মুখ্যমন্ত্রী মিছিল করতেই পারেন। তবে আর্থিক দুর্নীতির তদন্তকে বন্ধ করতে কখনই পারেন না। তৃণমূল কংগ্রেস যে দুর্নীতিগ্রস্থ এবং দুর্নীতিকে সমর্থন করেন তা মুখ্যমন্ত্রী আরও একবার প্রমাণ করলেন। ইডির তাল্লাশি চলাকালীন মুখ্যমন্ত্রীর হস্তক্ষেপ কার্যত ক্ষমতার চরম অপব্যবহার করেছেন। মুখ্যমন্ত্রী নিজের সাংবাদিক পদের প্রভাব খাটিয়ে প্রয়োজনীয় নথি সরিয়ে নিয়েছেন। এইকাজ কোনও ভাবেই গ্রহণযোগ্য নয়। মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়ের মুখ্যমন্ত্রী পদে থাকার অধিকার নেই।”

    আগেও মমতা তদন্তে বাধা দিয়েছেন

    ইডির ব্যাখ্যা ও বিবৃতি কোনও রাজনৈতিক উদ্দেশ্যে ব্যবহার করা হয়নি। তবে মমতা কেন্দ্রীয় তদন্তকারী সংস্থার বিরুদ্ধে এই প্রথম বাধা নয়। আগেও সারদা মামলায় রাজীব কুমারের বাড়িতে তল্লাশি করতে গেলে মমতা ধর্মতলায় ধরনায় বসেছলেন। একই ভাবে নারদ মামলায় ববি হাকিম, মদন মিত্র, শোভন চট্টোপাধ্যায়ের মতো নেতাদের করা আর্থিক দুর্নীতির বিরুদ্ধে কেন্দ্রীয় তদন্তকারী সংস্থার বিরুদ্ধে অভিযোগ তুলে বিক্ষোভ করেন। তবে বিজেপির বক্তব্য, তারা শুরু থেকেই তদন্তে স্বচ্ছতা বজায় রাখা এবং আইন ও সংবিধানের মর্যাদা রক্ষার পক্ষে রয়েছে। এই ঘটনা এবং শমীক ভট্টাচার্যের মন্তব্যকে কেন্দ্র করে রাজ্য রাজনীতিতে উত্তেজনা আরও বাড়বে বলেই মনে করছে রাজনৈতিক মহল।

    ইডির বক্তব্য

    কেন্দ্রীয় তদন্তকারী সংস্থা ইডি তাদের একটি প্রেস রিলিজে স্পষ্ট ভাবে জানিয়েছে, এই তল্লাশি কোনও রাজনৈতিক কারণে নয়, বরং অবৈধ কয়লা খনন ও অর্থপাচার সংক্রান্ত একটি দীর্ঘমেয়াদি তদন্তের অংশ হিসেবেই চালানো হয়েছে। মামলাটি আর্থিক দুর্নীতি প্রতিরোধ আইন অনুযায়ী তদন্ত চলছিল। সকাল থেকেই শুরু হওয়া এই অভিযানে কলকাতা ও দিল্লির একাধিক স্থানে একযোগে তল্লাশি চালানো হয়। আই প্যাক এর অফিস, প্রতীক জৈনের বাসভবন-সব মিলিয়ে প্রায় ন’ঘণ্টারও বেশি সময় ধরে চলে ইডির এই অভিযান। তবে এই অভিযানকে কোনও রকম ভাবেই রাজনৈতিক প্রতিহিংসায় যেন না ভাবা হয়।

  • Gangasagar Mela: মেলা শুরুর আগেই গঙ্গাসাগরে আগুনে ভস্মীভূত বহু ছাউনি, মহাকুম্ভকে ‘মৃত্যুকুম্ভ’ বলা মমতা কী বলবেন?

    Gangasagar Mela: মেলা শুরুর আগেই গঙ্গাসাগরে আগুনে ভস্মীভূত বহু ছাউনি, মহাকুম্ভকে ‘মৃত্যুকুম্ভ’ বলা মমতা কী বলবেন?

    মাধ্যম নিউজ ডেস্ক: গঙ্গাসাগর মেলা (Gangasagar Mela) শুরুর আগেই অগ্নিকাণ্ড। এতেই প্রশ্নের মুখে হিন্দু তীর্থযাত্রীদের নিরাপত্তা। কাঠগড়ায় মমতা প্রশাসন। বছরও ঘোরেনি, প্রয়াগরাজের মহাকুম্ভকে মৃত্যুকুম্ভ বলেছিলেন রাজ্যের মুখ্যমন্ত্রী। এমন মন্তব্যের কারণে দেশজুড়ে প্রতিবাদের ঝড় ওঠে হিন্দু সাধু-সন্ন্যাসী মহলে। এবার মমতা প্রশাসনের ( Mamata Banerjee) অব্যবস্থাপনায় গঙ্গাসাগরের মেলাতে অগ্নিকাণ্ড দেখল সারাদেশ। এই ঘটনাকে মুখ্যমন্ত্রী এবার কী হিসেবে ব্যাখ্যা করেন সেটাই এখন দেখার।

    বিজেপির কটাক্ষ

    এই ঘটনার জন্য প্রশাসনিক অব্যবস্থাকে দায়ী করেছে বিজেপি। বিজেপি নেতা অরুণাভ দাসের প্রশ্ন, মুখ্যমন্ত্রী মমতা বন্দ্যোপাধ্যায় ও তাঁর দলের নেতারা মহাকুম্ভকে ‘মৃত্যু কুম্ভ’ বলেছিলেন। এখন কি তারা গঙ্গাসাগর নিয়ে একই কথা বলবেন? শুক্রবার ভোরে মেলায় কপিলমুনির মন্দির সংলগ্ন ২ নম্বর রাস্তার পাশে তৈরি হওয়া একাধিক অস্থায়ী ছাউনিতে আচমকাই আগুন লাগে। মুহূর্তে ছড়িয়ে পড়ে আতঙ্ক। পুলিশ সূত্রের খবর, শুক্রবার ভোরে আগুন লাগার পরে হোগলা দিয়ে তৈরি অস্থায়ী ছাউনিগুলি জ্বলতে শুরু করে। আগুনের লেলিহান শিখায় একের পর এক অস্থায়ী ছাউনি ভস্মীভূত হয়ে যায়। স্থানীয়দের একাংশের দাবি, আগুন লাগার প্রায় ৪৫ মিনিট থেকে ১ ঘণ্টা পরে দমকল এসে হাজির হয়। তার আগে পরিস্থিতি সামাল দিতে ঝাঁপিয়ে পড়েন স্থানীয়রাই (Gangasagar Mela)।

    একাধিক অস্থায়ী শিবির ক্ষতিগ্রস্ত

    আগুন লাগার ঘটনায় এলাকায় তীব্র আতঙ্ক ছড়িয়ে পড়ে (Gangasagar Mela)। প্রাথমিক খবরে জানা যাচ্ছে, মেলা উপলক্ষে বিভিন্ন দফতরের শিবির ও অস্থায়ী ব্যবস্থাপনা গড়ে তোলা হচ্ছিল হোগলা ছাউনির মধ্যেই। সেগুলিতেই আগুন লাগে। ক্ষতিগ্রস্ত হয়েছে, পুলিশ, তথ্য ও সংস্কৃতি দফতর, সংবাদমাধ্যম এবং বজরং পরিষদের একাধিক অস্থায়ী শিবির। এই ঘটনায় এখনো পর্যন্ত হতাহতের কোনও খবর নেই বলে জানা গেলেও ক্ষয়ক্ষতির পরিমাণ বেশ বড় বলে আশঙ্কা করা হচ্ছে। কী ভাবে আগুন লাগল, শর্ট সার্কিট না কি অন্য কোনও কারণ—তা খতিয়ে দেখছে দমকল বাহিনী। গঙ্গাসাগর মেলার আগে এই অগ্নিকাণ্ড ঘিরে নিরাপত্তা ও অগ্নিনির্বাপণ ব্যবস্থা নিয়ে (Gangasagar Mela) নতুন করে প্রশ্ন উঠতে শুরু করেছে। কাঠগড়ায় এখন মমতা সরকার।

  • PM Modi: হাওড়া নয়, ১৮ তারিখে প্রধানমন্ত্রীর সভা হবে সিঙ্গুরে?

    PM Modi: হাওড়া নয়, ১৮ তারিখে প্রধানমন্ত্রীর সভা হবে সিঙ্গুরে?

    মাধ্যম নিউজ ডেস্ক: তৃণমূলের ব্যাপক আন্দোলনের জেরে ১৮ বছর আগে সিঙ্গুর থেকে পাততাড়ি গুটিয়ে চলে গিয়েছিলেন টাটারা। টাটার ফেলে যাওয়া সেই জমিতে শিল্প হয়নি (PM Modi)। আবাদও ভালো হয় না। এহেন অবহেলিত সিঙ্গুরেই (Singur) ১৮ জানুয়ারি জনসভা করতে আসছেন প্রধানমন্ত্রী নরেন্দ্র মোদি। চলতি বছরেই রয়েছে পশ্চিমবঙ্গ বিধানসভার নির্বাচন। অঙ্গ এবং কলিঙ্গ জয়ের পর এবার পদ্মশিবিরের শ্যেন দৃষ্টি বঙ্গে। বাংলায় পদ্ম-সরকার গড়তে ১৭ জানুয়ারি মালদার ইংরেজবাজারে জনসভা করতে আসছেন প্রধানমন্ত্রী। তার পরের দিনই তিনি সভা করবেন সেই সিঙ্গুরেই, যে সিঙ্গুর একটা সময় হয়ে উঠেছিল চায়ে পে চর্চা। ঘটনাচক্রে প্রধানমন্ত্রী যেদিন পা রাখবেন সিঙ্গুরের মাটিতে, সেই দিনটিও ১৮ জানুয়ারি, ঠিক যত বছর আগে সিঙ্গুর থেকে চিরকালের জন্য চলে গিয়েছিলেন টাটারা। বিজেপি সূত্রে খবর, এদিনই সিঙ্গুর থেকে হুগলি-পুরুলিয়া লোকালের উদ্বোধন করবেন প্রধানমন্ত্রী। সরকারি এই অনুষ্ঠানের পরেই জনসভা হবে আক্ষরিক অর্থেই ‘সর্বহারা’ সিঙ্গুরে।

    মমতা বন্দ্যোপাধ্যায় অ্যান্ড কোং-এর সরকার (PM Modi)

    বাম জমানার অবসানের পর রাজ্যে টানা দেড় দশক ধরে ক্ষমতায় রয়েছে মমতা বন্দ্যোপাধ্যায় অ্যান্ড কোং-এর তৃণমূল কংগ্রেস সরকার। তার পরেও ঘোচেনি রাজ্যের হা-শিল্প দশা। উল্টে একের পর এক চালু কারখানায় পড়েছে ইয়া বড় বড় সব তালা। সম্প্রতি তালা ঝুলেছে বেলঘরিয়ার প্রবর্তক জুটমিলেও। রাতারাতি কর্মহীন হয়ে পড়েছেন কয়েক হাজার জুটমিল শ্রমিক-কর্মী। মিল খুলতে আন্দোলনেও নেমেছেন তাঁরা (PM Modi)। তাতে অবশ্য কোনও কাজ হয়নি। মিলের গেটে ঝুলছে তালা, পাশেই সাঁটানো রয়েছে কারখানা কর্তৃপক্ষের নোটিশ (Singur)।

    তৃণমূল নেত্রীর আশ্বাস

    করোনা অতিমারি পর্বে যখন তৃতীয়বারের জন্য সরকার গড়েছিলেন তৃণমূল সুপ্রিমো মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়, সেই সময় তিনি বলেছিলেন, তাঁর এবারের প্রথম লক্ষ্য হল শিল্প। সেই শিল্প আনতেই তিনি ছুটে গিয়েছিলেন স্পেনে। ফি বছর নিয়ম করে আয়োজন করা হয়েছে বিশ্ব বাংলা বাণিজ্য সম্মেলনেরও। সেই সম্মেলনে মোটা অঙ্কের লগ্নি করার পাশাপাশি বিপুল পরিমাণ কর্মসংস্থান হবে বলেও জানিয়েছিলেন তিনি। তার পরেও রাজ্যে একটা সেফটিপিনের কারখানাও হয়নি বলে অভিযোগ। প্রতিটি সম্মেলনের সঙ্গে সঙ্গেই উঠে এসেছে, সেই অমোঘ প্রশ্নটি, সরকারি কোষাগারের গুচ্ছের টাকা খরচ করে যে বাণিজ্য সম্মেলনের আয়োজন করা (PM Modi) হয়, সেই সব সম্মেলনে যেসব প্রতিশ্রুতি দেওয়া হয়, তার কী হল? সিঙ্গুরের জমিতেই বা কোন শিল্প হল? শস্য-শ্যামলাই বা হল না কেন সিঙ্গুরের টাটা অধিগৃহীত জমি(পরে অবশ্য জমি ফেরত দেওয়া হয়েছে মালিকদের)? এহেন পরিস্থিতিতেই সিঙ্গুরে (Singur) সভা করবেন প্রধানমন্ত্রী।

    সিঙ্গুরকে হাতিয়ার!

    রাজনৈতিক মহলের একাংশের মতে, রাজ্যের শাসক দল যখন বিজেপির বিরুদ্ধে এসআইআর-ধর্ম কিংবা বিভেদের রাজনীতির কটাক্ষ-বাণ হানবে, ঠিক তখনই সিঙ্গুরকে হাতিয়ার করতে পারে বিজেপি। তবে ওই জনসভায় প্রধানমন্ত্রী ঠিক কী বলেন, সেদিকেই তাকিয়ে সিঙ্গুরের পাশাপাশি রাজ্যের রাজনীতির কারবারিরাও। বিজেপি সূত্রে খবর, প্রথমে ঠিক ছিল ১৮ তারিখে কলকাতা লাগোয়া (PM Modi) হাওড়ায় জনসভা করবেন প্রধানমন্ত্রী। পরে বঙ্গ বিজেপির শীর্ষ নেতৃত্বের সিদ্ধান্ত মেনে নিয়েই ঠিক হয় হাওড়ার বদলে সিঙ্গুরে হবে প্রধানমন্ত্রীর জনসভা (Singur)। এই মর্মে বঙ্গ বিজেপির তরফে প্রস্তাব দেওয়া হয় প্রধানমন্ত্রীর দফতরকে। তাঁকে জানানো হয়েছে, হাওড়ার পরিবর্তে সিঙ্গুরে প্রধানমন্ত্রী সভা করলে তাতে আদতে লাভবান হবে বিজেপিই। সেই কারণেই ঠাঁই বদল হতে চলেছে প্রধানমন্ত্রীর জনসভার।

    হা-কর্মসংস্থান এবং শিল্পায়নের দশা

    আসন্ন বিধানসভা নির্বাচনের প্রাক্কালে বঙ্গ বিজেপি তৃণমূলের বিরুদ্ধে হাতিয়ার করছে রাজ্যে হা-কর্মসংস্থান এবং শিল্পায়নের দশাকে। সংসদের শীতকালীন অধিবেশনেও রাজ্যের চাকরি এবং নয়া কর্মসংস্থান তৈরির খতিয়ান তুলে ধরে তৃণমূলের বিরুদ্ধে সুর চড়িয়েছিলেন বিজেপি সাংসদরা। সম্প্রতি রাজ্যের শিল্পায়নের খতিয়ান তুলে ধরে শাসক দলের বিরুদ্ধে আক্রমণ শানিয়েছিলেন রাজ্যের বিরোধী দলনেতা শুভেন্দু অধিকারীও। ওয়াকিবহাল মহলের মতে, এই শিল্পায়ন এবং কর্মসংস্থানই রাজ্যের শাসক দলের বিরুদ্ধে হতে চলেছে বিজেপির তুরুপের তাস। সম্প্রতি বিজেপির রাজ্য সভাপতি শমীক ভট্টাচার্যকে পাশে বসিয়ে শুভেন্দু বলেছিলেন (Singur), “বিজিবিএস আয়োজনেই এখনও পর্যন্ত (PM Modi) রাজ্যে খরচ হয়েছে প্রায় ৫০০ কোটি টাকা। উপহার, ভাষণ, খাওয়া-দাওয়ায়ই এই টাকা খরচ। সেই তুলনায় এ রাজ্যে লগ্নির পরিমাণ জিরো। বিজিবিএস আজ একটা ফ্লপ শো।”

    রাজনৈতিক মহলের একটা বড় অংশের মতে, যে সিঙ্গুর-নন্দীগ্রামকে হাতিয়ার করে বামেদের হটিয়ে রাজ্যে ক্ষমতায় এসেছিল তৃণমূল, সেভাবেই সিঙ্গুরে জনসভা করে বিজেপি বুনে দিতে পারে টাটাকে ফেরানোর স্বপ্নের বীজ। যে স্বপ্ন এখনও দেখেন সিঙ্গুরের বাসিন্দারা। যাঁরা এক সময় তৃণমূল নেতাদের মগজধোলাইয়ের জেরে শিল্পের বিপক্ষে গিয়ে বিরুদ্ধাচরণ করেছিলেন টাটার কারখানার, তাঁরাই এখন চাইছেন সিঙ্গুরের মাটিতে ফিরুক টাটারা। শিল্পই হোক সিঙ্গুরে (PM Modi)।

  • JNU: জেএনইউ-তে মোদি বিরোধী স্লোগান! ‘এটা মোদির ভারত, বিচ্ছিন্নতাবাদীদের নয়’, পালটা হুঁশিয়ারি গিরিরাজের

    JNU: জেএনইউ-তে মোদি বিরোধী স্লোগান! ‘এটা মোদির ভারত, বিচ্ছিন্নতাবাদীদের নয়’, পালটা হুঁশিয়ারি গিরিরাজের

    মাধ্যম নিউজ ডেস্ক: জওহরলাল নেহরু বিশ্ববিদ্যালয় (JNU) ক্যাম্পাসে সোমবার রাতে হওয়া বিক্ষোভের ঘটনায় জেএনইউ স্টুডেন্টস ইউনিয়নের (JNUSU) কয়েকজন নেতাকে নোটিস পাঠিয়েছে দিল্লি পুলিশ। সুপ্রিম কোর্ট উমর খালিদ ও শরজিল ইমামের জামিন আবেদন খারিজ করার কয়েক ঘণ্টার মধ্যেই এই বিক্ষোভ হয়। এরপরই মঙ্গলবার বামপন্থী ছাত্র সংগঠনগুলোর বিরুদ্ধে তীব্র আক্রমণ শানায় বিজেপি নেতৃত্ব। তাঁদের অভিযোগ, বিশ্ববিদ্যালয় ক্যাম্পাসে “দেশবিরোধী” মতাদর্শ প্রচার করা হচ্ছে। সবরমতী হোস্টেলের বাইরে ও ক্যাম্পাসের বিভিন্ন স্থানে স্লোগান দেওয়াকে কেন্দ্র করেই এই রাজনৈতিক বিতর্কের সূত্রপাত।

    সবরমতী হোস্টেলের সামনে বিক্ষোভ

    বিজেপি নেতা প্রদীপ ভাণ্ডারি দাবি করেন, সবরমতী হোস্টেলের কাছে হওয়া বিক্ষোভ কোনও স্বতঃস্ফূর্ত ছাত্র আন্দোলন নয়, বরং চরমপন্থী মতাদর্শ ছড়ানোর একটি পরিকল্পিত প্রচেষ্টা। তাঁর অভিযোগ, জেএনইউ-এর মতো বৌদ্ধিক পরিসরকে “দেশবিরোধী চিন্তাধারা” জোরদার করতে ব্যবহার করা হচ্ছে, যা জাতীয় ঐক্যের জন্য ভয়ঙ্কর। বিক্ষোভ চলাকালীন কেন্দ্রীয় সরকার ও দেশের শীর্ষ নেতৃত্বকে লক্ষ্য করে স্লোগান তোলা হয়েছে বলেও অভিযোগ উঠেছে। যার জেরে ক্যাম্পাস রাজনীতি নিয়ে নজরদারি আরও বেড়েছে। দিল্লির মন্ত্রী আশিস সুদ প্রধানমন্ত্রী নরেন্দ্র মোদি ও স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী অমিত শাহের বিরুদ্ধে ওঠা স্লোগানের নিন্দা করেন। তিনি বলেন, “এর আগেও এমন ঘটনা ঘটেছে। শরজিল ইমাম উত্তর-পূর্ব ভারতকে বিচ্ছিন্ন করার কথা বলেছিলেন। উমর খালিদ ‘ভারত টুকরো টুকরো হবে’—এই ধরনের স্লোগান তুলেছিলেন এবং ২০২০ সালের দাঙ্গায় তাঁর জড়িত থাকার অভিযোগ রয়েছে। এ ধরনের ব্যক্তিদের প্রতি সহানুভূতি দেখানোর ফলেই জেএনইউ-তে দায়িত্বজ্ঞানহীন উপাদান মাথাচাড়া দিচ্ছে।”

    মোদি-শাহ বিরোধী স্লোগান

    ২০২০ সালের দিল্লি দাঙ্গায় অভিযুক্ত উমর খালিদ ও শারজিল ইমামের জামিনের আবেদন সোমবার খারিজ করেছে সুপ্রিম কোর্ট। আদালত জানিয়েছে, ওই দাঙ্গার ঘটনায় ষড়যন্ত্রের পরিকল্পনা ও দাঙ্গা সংগঠিত করার ক্ষেত্রে খালিদ এবং ইমামের কেন্দ্রীয় ভূমিকা ছিল। যদিও তাঁদের সঙ্গে জেলবন্দি বাকি ৫ জনকে শর্ত সাপেক্ষে মুক্তি দিয়েছে সুপ্রিম কোর্ট। খালিদের জামিন খারিজ হওয়ার পর, সোমবার সন্ধ্যায় প্রধানমন্ত্রী নরেন্দ্র মোদি ও স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী অমিত শাহের বিরুদ্ধে জেএনইউ ক্যাম্পাসে বিক্ষোভ দেখাতে শুরু করে সেখানকার পড়ুয়ারা। স্লোগান তোলা হয়, ‘জেএনইউ কী ধরতী পর মোদি-শাহ কী কবর খুদেগী।’ অর্থাৎ ‘জেএনইউ-এর মাটিতেই মোদি শাহের কবর খোঁড়া হবে।’ মুহূর্তের মধ্যে সোশাল মিডিয়ায় ভাইরাল হয় এই স্লোগান।

    দেশবিরোধী মানসিকতা

    মোদি বিরোধী এই স্লোগানে যারপরনাই ক্ষুব্ধ বিজেপি। মঙ্গলবার সকালে সংবাদমাধ্যমকে দেওয়া সাক্ষাৎকারে কেন্দ্রীয় মন্ত্রী গিরিরাজ সিং বলেন, “জেএনইউ টুকরে টুকরে গ্যাং, আরজেডি, তৃণমূল, বাম দল ও রাহুল গান্ধীর মতো দেশবিরোধী মানসিকতার লোকের কার্যালয় হয়ে উঠেছে। ওদের মনে রাখা উচিত এটা ভারত এবং একবিংশ শতাব্দীর নরেন্দ্র মোদির ভারত। বিবেকানন্দ বলেছিলেন গেরুয়া রং-ই থাকবে। আমি এইসব টুকরে টুকরে গ্যাংকে বলতে চাই, যারা উমর খালিদ ও শরজিল ইমামকে সমর্থন করে, যারা পাকিস্তানের মানসিকতায় বিশ্বাস করে যারা চিকেন নেক আলাদা করার কথা বলে, তাঁরা দেশদ্রোহী।”

  • BJP: কার্তিগাই দীপম জ্বালানোর অনুমতি বহাল মাদ্রাজ হাইকোর্টের, “সত্যমেব জয়তে” বলল বিজেপি

    BJP: কার্তিগাই দীপম জ্বালানোর অনুমতি বহাল মাদ্রাজ হাইকোর্টের, “সত্যমেব জয়তে” বলল বিজেপি

    মাধ্যম নিউজ ডেস্ক: তিরুপ্পরঙ্কুন্দ্রম পাহাড়ের চূড়ায় অবস্থিত পাথরের স্তম্ভে ঐতিহ্যবাহী কার্তিগাই দীপম প্রজ্বলনের নির্দেশ বহাল রাখল মাদ্রাজ হাইকোর্টের মাদুরাই বেঞ্চ (Madras HC)। আদালত সাফ জানিয়ে দিয়েছে, এই ধর্মীয় আচার পালনের ফলে শান্তি বা সাম্প্রদায়িক সম্প্রীতি বিঘ্নিত হবে, রাজ্য সরকারের এমন আশঙ্কার কোনও ভিত্তিই নেই। বিচারপতিরা বলেন, বহু (BJP) বছরের ঐতিহ্যবাহী এই আচার শান্তিপূর্ণভাবেই অনুষ্ঠিত হয়ে এসেছে।

    বিজেপির নিশানায় কংগ্রেস-ডিএমকে (BJP)

    আদালতের রায় বের হওয়ার পরেই ডিএমকে এবং কংগ্রেসকে নিশানা করেছে বিজেপি। আদালতের এই রায়কে স্বাগত জানিয়ে বিজেপি নেতা সিআর কেশবন ডিএমকে এবং কংগ্রেসকে কড়া ভাষায় আক্রমণ করেন। তিনি বলেন, “এই রায়ের মাধ্যমে ডিএমকে এবং কংগ্রেসের তোষণমূলক রাজনীতি আজ তামিলনাড়ুর মানুষের সামনে প্রকাশ্যে এসে গিয়েছে।” কেশবনের দাবি, ধর্মীয় ঐতিহ্য ও সংস্কৃতির বিরুদ্ধে ধারাবাহিকভাবে অবস্থান নেওয়ার ফলেই এই দলগুলি জনসমর্থন হারাচ্ছে। কার্তিগাই দীপম তামিল সংস্কৃতির একটি গুরুত্বপূর্ণ ধর্মীয় উৎসব, যা বিশেষ করে তিরুপ্পরঙ্কুন্দ্রম পাহাড় ও তিরুভান্নামালাইয়ে মর্যাদার সঙ্গে পালিত হয়। আদালতের এই রায়কে ঐতিহ্য রক্ষার বড় জয় হিসেবেই দেখছেন ভক্তরা।

    সত্যমেব জয়তে!

    কার্তিগাই দীপম ইস্যুতে তামিলনাড়ুর ডিএমকে সরকারের বিরুদ্ধে (Madras HC) তীব্র আক্রমণ শানিয়েছেন বিজেপির এই শীর্ষ নেতা। এক্স হ্যান্ডেলে পোস্ট করে তিনি এই ঘটনাকে ডিএমকে সরকারের তোষণমূলক ও বিভাজনমূলক রাজনীতির বড় পরাজয় বলে দাবি করেন (BJP)। বিজেপি নেতা লেখেন, সত্যমেব জয়তে! তামিল জনগণের ধর্মীয় অনুভূতিতে বারবার আঘাত হানছে এমন ডিএমকে সরকারের সাম্প্রদায়িক তোষণনীতির বিরুদ্ধে এটি এক বিশাল পরাজয়।” তিনি আরও বলেন, “ডিএমকে সরকারকে অবিলম্বে কোটি কোটি হিন্দু ভক্তের কাছে ক্ষমা চাইতে হবে। কারণ বারবার তাঁদের বিশ্বাস ও ধর্মীয় অনুভূতিকে অপমান করা হয়েছে। বিবৃতিতে জানানো হয়, থিরুপারানকুন্দ্রম পাহাড়ের দীপথূন (Deepathoon)-এ পবিত্র কার্তিগাই দীপম প্রজ্বলিত হবে এবং তা আবারও গৌরবের সঙ্গে পাহাড়চূড়ায় আলোকিত হয়ে উঠবে। বিজেপির ওই নেতার আরও অভিযোগ, “ডিএমকে এবং কংগ্রেসের দ্বিচারী, বিপজ্জনক এবং বিভাজনমূলক রাজনীতি আজ সাধারণ মানুষের কাছে পুরোপুরি উন্মোচিত হয়ে গিয়েছে (Madras HC)।” এই মন্তব্যকে কেন্দ্র করে তামিলনাড়ুর রাজনীতিতে নতুন করে উত্তেজনা ছড়িয়েছে বলে মনে করছেন রাজনৈতিক বিশ্লেষকরা। এদিকে, মাদ্রাজ হাইকোর্টের মাদুরাই বেঞ্চের রায়ের প্রশংসা করলেন তামিলনাড়ুর বিজেপি সভাপতি কে অন্নামালাই-ও। তিনি বলেন, “থিরুপারানকুন্ড্রাম পাহাড়ের ওপরে অবস্থিত ‘দীপাথুন’ যে মন্দিরেরই সম্পত্তি, এ কথা স্পষ্টভাবে জানিয়ে (BJP) দিয়েছে আদালত।

    অন্নামালাইয়ের বক্তব্য

    ডিএমকে সরকারের দাখিল করা আপিল এবং বিচারপতি জিআর স্বামীনাথনের আগের রায়কে চ্যালেঞ্জ করে দায়ের হওয়া একাধিক আবেদন খারিজ করে দেয় মাদ্রাজ হাইকোর্টের মাদুরাই বেঞ্চ। এই রায়ের পর এক্স হ্যান্ডেলে একটি পোস্টে অন্নামালাই বলেন, “সম্মানীয় বিচারপতিরা তাঁদের রায়ে প্রশ্ন তুলেছেন, কীভাবে একটি শক্তিশালী রাজ্য সরকার এই আশঙ্কা পোষণ করতে পারে যে বছরে মাত্র একদিন মন্দিরের প্রতিনিধি ও ভক্তদের একটি পাথরের স্তম্ভে প্রদীপ জ্বালানোর অনুমতি দিলে শান্তি বিঘ্নিত হবে (Madras HC)?” আদালতের পর্যবেক্ষণ, “আদালত স্পষ্টভাবে জানিয়েছে, এই ধরনের অশান্তি কেবল তখনই ঘটতে পারে, যদি রাজ্য সরকার নিজেই তাতে ইন্ধন জোগায় (BJP)।” অন্নামালাই জানান, আদালত আরও পরিষ্কার করে দিয়েছে যে থিরুপারানকুন্ড্রাম পাহাড়ের চূড়ায় অবস্থিত দীপাথুন সম্পূর্ণভাবে মন্দিরের সম্পত্তি। ডিএমকে সরকারকে কড়া সতর্কবার্তা দিয়ে আদালত বলেছে, রাজনৈতিক স্বার্থ চরিতার্থ করতে গিয়ে সরকার যেন এমন নিচু স্তরে না নামে। আদালতের পর্যবেক্ষণ, আইনশৃঙ্খলা পরিস্থিতি নিয়ে যে আশঙ্কার কথা বলা হচ্ছিল, তা আদতে “একটি কল্পিত ভূত”, যা প্রশাসন নিজের সুবিধার জন্য তৈরি করেছে এবং যার মাধ্যমে এক সম্প্রদায়কে অন্য সম্প্রদায়ের বিরুদ্ধে দাঁড় করানোর আশঙ্কা রয়েছে (Madras HC)।

    দীপাথুনে দীপ জ্বালানোর অধিকার

    অন্নামালাই বলেন, “এই রায় রাজ্যের সাংবিধানিক নীতির জয় এবং ধর্মীয় অধিকারের সুরক্ষার এক গুরুত্বপূর্ণ নজির।” তাঁর আশা, তামিলনাড়ুর ডিএমকে সরকার অবিলম্বে তাদের প্রকাশ্য ক্ষমতার অপব্যবহার বন্ধ করবে এবং আইনের শাসনের প্রতি সম্মান জানাবে। তিনি বলেন, “আদালত যেহেতু যথাযথভাবে রায় দিয়ে ভগবান মুরুগার ভক্তদের দীপাথুনে (Deepa Thoon) দীপ জ্বালানোর অধিকারকে স্বীকৃতি দিয়েছে, তাই সরকারকে এখন ভক্তদের সেই ধর্মীয় আচরণে বাধা দেওয়া থেকে বিরত থাকতে হবে (BJP)। আন্নামালাইয়ের মতে, দীপাথুনে দীপ জ্বালানো শুধুমাত্র একটি ধর্মীয় প্রথা নয়, বরং এটি ভক্তদের বিশ্বাস ও আস্থার সঙ্গে গভীরভাবে জড়িত। আদালতের রায়ের পরেও যদি রাজ্য সরকার এতে হস্তক্ষেপ করে, তবে তা হবে আইনের শাসনের সরাসরি লঙ্ঘন।

    ধর্মীয় স্বাধীনতায় হস্তক্ষেপ!

    তিনি বলেন, “একটি গণতান্ত্রিক ব্যবস্থায় সরকার কোনওভাবেই ধর্মীয় স্বাধীনতায় হস্তক্ষেপ করতে পারে না এবং আদালতের নির্দেশ মেনে চলাই সংবিধানসম্মত পথ।” তামিল অভিনেতা বিজয়ের পার্টি তামিলগা ভেট্ট্রি কাজগম (TVK) বিজেপি এবং ডিএমকে – উভয় দলকেই কড়া ভাষায় আক্রমণ করেছে। দলের অভিযোগ, সংশ্লিষ্ট ইস্যুটিকে রাজনৈতিক স্বার্থে ব্যবহার করতে চাইছে দুই প্রধান দলই (Madras HC)। টিভিকের পক্ষ থেকে জানানো হয়েছে, “এই ইস্যুকে সামনে রেখে আসন্ন নির্বাচনের জন্য একটি নির্দিষ্ট রাজনৈতিক বয়ান তৈরি করার চেষ্টা চলছে। কিন্তু বাস্তবে এই বিষয়টি নিয়ে সাধারণ মানুষের কোনও আগ্রহই নেই (BJP)।”

    দলটির আরও অভিযোগ, ডিএমকে ইচ্ছাকৃতভাবেই এই ইস্যুটিকে নির্বাচনের সময় পর্যন্ত টেনে নিয়ে যেতে চাইছে। টিভিকের তরফে জারি করা বিবৃতিতে বলা হয়েছে, “ডিএমকে এই বিষয়টিকে দীর্ঘায়িত করবে- এটাই তাদের রাজনৈতিক কৌশল।” টিভিকের মতে, সাধারণ মানুষের প্রকৃত সমস্যা ও স্বার্থের বদলে রাজনৈতিক লাভের জন্য ইস্যুকে ঘনীভূত করা হচ্ছে, যা আদতে গণতন্ত্রের পক্ষে ক্ষতিকর (Madras HC)।

  • TMC: ‘রাজ্যে ডাবল ইঞ্জিন সরকার হলে ব্যাপক উন্নয়ন হবে’, কথা দিলেন শুভেন্দু

    TMC: ‘রাজ্যে ডাবল ইঞ্জিন সরকার হলে ব্যাপক উন্নয়ন হবে’, কথা দিলেন শুভেন্দু

    মাধ্যম নিউজ ডেস্ক: “এসআইআরের প্রথম ঝাঁকুনিতেই বাদ গিয়েছে ৫৮ লাখ ভোটারের নাম। আরও অবৈধ নাম বাদ যাবে ভোটার তালিকা থেকে। তাই ১৪ ফেব্রুয়ারির পর আর ভোটে লড়তে চাইবে না তৃণমূল (TMC)।” চাঁচলের কলমবাগানে জনসভায় ভাষণ দিতে গিয়ে এক নিঃশ্বাসে কথাগুলি বললেন রাজ্যের বিরোধী দলনেতা তথা নন্দীগ্রামের বিধায়ক ‘জায়ান্ট কিলার’ শুভেন্দু অধিকারী (Suvendu Adhikari)।

    শুভেন্দুর কটাক্ষ (TMC)

    এদিনের সভায় তাঁকে স্মৃতিচারণও করতে দেখা গিয়েছে। তিনি বলেন, “তৃণমূলে থাকাকালীন এখানে সভা করে গিয়েছি। তখন হেলিকপ্টার করে সভা করতে এসেছি। মুখ্যমন্ত্রী আমায় যা লিখে দিতেন, সেটাই আমায় বলতে হত। তিনি আমায় বলেছিলেন, আমি এখানে এসে যেন চাঁচল আর গাজোল পুরসভা হবে, সেকথা বলি। আমি সেকথা বলেওছিলাম। কিন্তু গত ১৫ বছরেও সেই পুরসভা হয়নি। এই দেউলিয়া সরকার সেটা করতেও পারবে না।”

    ডাবল ইঞ্জিন সরকার

    রাজ্যে ডাবল ইঞ্জিন সরকার হলে যে এই এলাকা আমূল বদলে যাবে, সেকথাও বলেন শুভেন্দু। তিনি বলেন, “এ রাজ্যে বিজেপি ক্ষমতায় এলে চাঁচলে রেল যোগাযোগ স্রেফ সময়ের অপেক্ষা। ধান থেকে শুরু করে মাখনা, বর্তমান সরকারি নায্যমূল্যের চেয়ে অনেক বেশি দরে কৃষকদের কাছ থেকে কিনে নেবে বিজেপি সরকার।” তৃণমূলের জেলা সভাপতি তথা মালতিপুরের বিধায়ক আবদুর রহিম বকশি যে এবার আর ভোটে জিততে (TMC) পারবেন না, তাও জানিয়ে দিলেন রাজ্যের বিরোধী দলনেতা। তিনি জানান, মালতিপুরে বিজেপি জিততে না পারলেও, রহিম হারবেন। কারণ তার নীল নকশা তৈরি হয়ে গিয়েছে (Suvendu Adhikari)।

    গণতন্ত্রের কণ্ঠরোধের অভিযোগ

    তৃণমূল পরিচালিত রাজ্য সরকারের বিরুদ্ধে গণতন্ত্রের কণ্ঠরোধের অভিযোগে বারংবার সরব হয়েছেন বিরোধীরা। পুলিশ-প্রশাসনের অনুমতি না পেয়ে কলকাতা হাইকোর্টের অনুমতিতে চাঁচলের কলমবাগানে সভা করেন শুভেন্দু। বক্তৃতার শুরুতেই সে প্রসঙ্গ টেনে তিনি বলেন, “চাঁচল থেকে মাত্র ৫০ কিলোমিটার দূরে বিহারে এবার সবাই সাফ হয়ে গিয়েছে। এবার বাংলায় তৃণমূল সমূলে উৎপাটিত হবে। অঙ্গ-বঙ্গ-কলিঙ্গের মধ্যে আগে কলিঙ্গ, পরে অঙ্গে বিজেপি সরকার প্রতিষ্ঠিত হয়েছে। ছাব্বিশে স্বপ্নপূরণ হবে শ্যামাপ্রসাদ মুখোপাধ্যায়ের। বঙ্গেও বিজেপি সরকার প্রতিষ্ঠিত হবে।” তিনি জানান, রাজ্যের বিরোধী দলনেতা হওয়া সত্ত্বেও তাঁকে ১০৪ বার কলকাতা হাইকোর্টের অনুমতি নিয়ে কর্মসূচি করতে হয়েছে। তিনি বলেন, “এপ্রিলের পর তৃণমূল বিরোধী আসনে বসবে। সেদিন সব হিসেব হবে (Suvendu Adhikari)।”

    তৃণমূলের সমালোচনা

    শুভেন্দুর বক্তব্যের সিংহভাগজুড়েই ছিল তৃণমূলের সমালোচনা। যে এলাকায় তিনি সভা করছিলেন, সেটি সংখ্যালঘু অধ্যুষিত। সেখানেই দাঁড়িয়ে রাজ্যের বিরোধী দলনেতা বলেন, “এ রাজ্যে শুধু রাজনৈতিক নয়, ধর্মীয় কর্মসূচিতেও বাধা দেওয়া হয় (TMC)। সোহরাবর্দি আর জিন্নার স্বপ্নে এই সরকার লালিত-পালিত হচ্ছে। মোথাবাড়িতে যারা অশান্তি করেছে, তারা রাষ্ট্রবাদী হতে পারে না। সেই অশান্তির পর বিজেপির তৎকালীন রাজ্য সভাপতি তথা কেন্দ্রীয় মন্ত্রী সুকান্ত মজুমদার-সহ আমাদের নেতৃত্বকে পুলিশ মোথাবাড়িতে ঢুকতে দেয়নি। বিধ্বস্ত ধুলিয়ান এবং সামশেরগঞ্জেও আমায় ঢুকতে দেওয়া হয়নি। হাইকোর্টের অনুমতি পেয়ে আমি সেই সব জায়গায় যাই।” তিনি বলেন, “ময়মনসিংহে (বাংলাদেশ) দীপুচন্দ্র দাসের মতোই এখানে পশু কাটার অস্ত্র দিয়ে কাটা হয়েছে হরগোবিন্দ দাসের যুবক ছেলেকে। মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়, সিদ্দিকুল্লা চৌধুরী আর ফিরহাদ হাকিমরা ওয়াকফ সংশোধনী আইন নিয়ে মানুষকে উসকানি দিয়েছিলেন বলেই এসব ঘটনা ঘটেছে। কিন্তু সেই আইন এখন কার্যকর হয়ে গিয়েছে। পশ্চিমবঙ্গ বাঙালি হিন্দুদের হোমল্যান্ড। স্বামীজি আমাদের নিজ ধর্মে আস্থা রাখতে শিখিয়েছেন। অন্য ধর্মকেও সম্মান জানাতে বলেছেন। আমরা তাঁর কথা মতোই কাজ করি।”

    তৃণমূলের প্রাণপ্রতিষ্ঠা

    মালদা জেলায় তিনিই যে তৃণমূলের প্রাণপ্রতিষ্ঠা করেছিলেন, এদিন সেকথাও স্মরণ করিয়ে দেন শুভেন্দু (TMC)। বলেন, “১৯৯৮ সালে প্রতিষ্ঠার পর থেকে গত বিধানসভা নির্বাচন পর্যন্ত মালদা জেলায় সেভাবে দাঁত ফোটাতে পারেনি তৃণমূল। ২০১১ সাল থেকে রাজ্যের ক্ষমতায় রয়েছে তৃণমূল। আমি তৃণমূলে থাকাকালীন পাঁচ বছরেরও (Suvendu Adhikari) বেশি সময় মালদার দায়িত্বে ছিলাম। দেখেছি, মালদার মানুষ তৃণমূলকে ঘৃণা করে। এগারোর বিধানসভা নির্বাচনে কেবলমাত্র সাবিত্রী মিত্র আড়াইডাঙা কেন্দ্র থেকে জিতেছিলেন। চোদ্দর লোকসভা নির্বাচনে এই জেলার দু’টি আসন মিলিয়ে তৃণমূল মাত্র ১৪ শতাংশ ভোট পেয়েছিল। কোনও কেন্দ্রেই জামানত ছিল না। ষোলোর বিধানসভা নির্বাচনে এই জেলায় তৃণমূল শূন্য। চব্বিশের লোকসভা নির্বাচনেও ওরা শূন্য। সেই ভোটে এই জেলার ১২টি বিধানসভা কেন্দ্রের একটিতেও তাদের লিড নেই। এখানকার মানুষ জানেন, তৃণমূল মানেই চোর। তাই তাঁরা তৃণমূলকে পছন্দ করেন না।”

    শুভেন্দুর চাঁদমারি

    রাজ্যের শাসক দলকে নিশানা করে শুভেন্দু বলেন, “তৃণমূলের নেতারা বলেন, কেন্দ্রীয় সরকার আবাস যোজনার টাকা দেয়নি। ২০০৪ থেকে ২০১৪ সাল পর্যন্ত কংগ্রেস নেতৃত্বাধীন কেন্দ্রীয় সরকার ইন্দিরা আবাস যোজনায় পশ্চিমবঙ্গকে দিয়েছিল ৪৬৬৪ কোটি টাকা। আর ২০১৪ থেকে ২০২২ সাল পর্যন্ত নরেন্দ্র মোদি সরকার রাজ্যকে ৪০ লাখ বাড়ির জন্য দিয়েছে ৩০ হাজার কোটি টাকা। এই টাকা লাভলি খাতুনের মতো বাংলাদেশি অনুপ্রবেশকারী তৃণমূলের পঞ্চায়েত প্রধানরা লুট করেছে। স্বচ্ছ ভারত মিশনে ১২ হাজার টাকা করে এই রাজ্যে ৭২ লাখ শৌচাগার নির্মাণের টাকা দেয় মোদিজির সরকার (TMC)। সেই টাকাও এরা (Suvendu Adhikari) খেয়ে নিয়েছে। মনরেগা প্রকল্পে ২০০৪ সাল থেকে ২০১৪ সাল পর্যন্ত রাজ্য পেয়েছে ১৪ হাজার কোটি টাকা। ২০১৪ থেকে ২০২২ সাল পর্যন্ত পেয়েছে ৫৪ হাজার কোটি টাকা। সেই টাকা ১ কোটি ২৫ লাখ ভুয়ো জবকার্ডধারীরা লুটে নিয়ে গিয়েছে। বিহারের বাসিন্দা থেকে শুরু করে বাংলাদেশিরাও এখান থেকে টাকা নিয়ে গিয়েছে। বিজেপি রাজ্যে ক্ষমতায় এলে ১০০ দিন নয়, বছরে ২০০ দিন কাজ দেওয়া হবে। প্রধানমন্ত্রী সূর্যঘর যোজনায় দেওয়া হবে তিন লাখি বাড়ি। বিহারের মতো এখানেও, প্রতি ঘরে নলবাহিত জল পাওয়া যাবে। বিজেপি ক্ষমতায় এলে চাঁচল পুরসভা হবেই। উত্তরবঙ্গে এইমস হবে। মালদায় পরিযায়ী শ্রমিকরা জেলায় কাজ পাবেন। প্রতি বছর এসএসসি হবে। ওএমআর কপি সবাই বাড়ি নিয়ে যাবেন। এসব আমাদের অঙ্গীকার।”

    শুভেন্দুর কটাক্ষ-বাণ

    তৃণমূলের জেলা সভাপতি আবদুর রহিম বকশির উদ্দেশ্যে শুভেন্দুর কটাক্ষ, “ওর মুখে এখন বড় বড় কথা। ও নাকি আমার হাত-পা ভেঙে দেবে! আরএসপি করত। আইসিডিএসের চাকরি বিক্রি করত। তৃণমূলে থাকাকালীন আমি যখন মালদার অবজারভার ছিলাম, ও আমার গাড়ির দরজা খুলত (TMC)। ওকে কেউ দলে নিতে চায়নি। সবাই বলেছিল চোর। কিন্তু, দেড় বছর ধরে আমার গাড়ির দরজা খুলত আর বন্ধ করত। তাই বাম হাতে ওকে পতাকা ধরিয়েছিলাম। আমি লক্ষ্মণ শেঠ, মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়কে ভোটে হারানো লোক। মালতিপুরে কে জিতবে জানি না। ওখানে হিন্দুদের সংখ্যা কম। কিন্তু রহিমকে আমি জিততে দেব না। কথা দিয়ে গেলাম। তাজমুল আগে ভালো ছিল। এখন বদলে গিয়েছে। আসলে চোরের দলে গিয়ে সবাই বদলে যায়। আমরা আগে সেটা বুঝে পালিয়ে গিয়েছি।” শুভেন্দু বলেন, “উত্তর মালদা আর নন্দীগ্রামকে দেখে রাজ্যের সনাতনীরা একটু এগিয়ে এলে বিজেপি এবার রাজ্যে ২২০টি আসন পাবে। গত লোকসভা নির্বাচনে মালদা উত্তর কেন্দ্রে ৮৫ শতাংশ সনাতনী-আদিবাসী বিজেপি প্রার্থীকে ভোট দিয়েছিলেন। নন্দীগ্রামে সেই হার ৬৫ শতাংশ। রাজ্যের সনাতনীরা এটা দেখে এগিয়ে এলে ভালো। তবে ১৪ ফেব্রুয়ারির পর তৃণমূল বলবে, ভোটে লড়ব না। চব্বিশের ভোটে তৃণমূল আর বিজেপির ভোটের ব্যবধান ছিল ৪০ লাখ। এসআইআরের প্রথম ঝাঁকুনিতেই ভোটার তালিকা থেকে বাদ গিয়েছে ৫৮ লাখ নাম। আরও অবৈধ ও ভুয়ো ভোটারের নাম বাদ যাবে তালিকা থেকে (TMC)।”

    শুভেন্দুর তোপ

    উত্তর মালদায় তৃণমূলের বহিরাগত প্রার্থী নিয়েও এদিন (Suvendu Adhikari) ঘাসফুল শিবিরকে কটাক্ষ করতে ছাড়েননি শুভেন্দু। বলেন, “ওরা উত্তর মালদায় স্থানীয় প্রার্থী পায় না। তাই চাঁচল কেন্দ্রে ইংরেজবাজার থেকে নীহাররঞ্জন ঘোষকে নিয়ে আসতে হয়। লোকসভা নির্বাচনে প্রসূন ব্যানার্জির মতো একজনকে প্রার্থী করে। প্রসূন একটা ডাকাত, চরিত্রহীন। ইয়াসিনকে নিয়ে ও ভোট লুট করতে গিয়েছিল। কেন্দ্রীয় বাহিনী রুখে দিয়েছিল। ও এখনও সরকারি কোষাগার থেকে মাসে এক লাখ ২০ হাজার টাকা মাইনে তোলে। ওই আবার উত্তর মালদায় তৃণমূলের দলীয় পদে বসে রয়েছে। বিচিত্র এই রাজ্য (TMC)!”

  • TMC: মুসলিম-তোষণের জন্য এবার নিউটাউনে দুর্গা অঙ্গনের স্থান বদল! মমতাকে তুলোধনা বিজেপির

    TMC: মুসলিম-তোষণের জন্য এবার নিউটাউনে দুর্গা অঙ্গনের স্থান বদল! মমতাকে তুলোধনা বিজেপির

    মাধ্যম নিউজ ডেস্ক: দুর্গা অঙ্গন বিতর্কে বেকায়দায় তৃণমূল (TMC)। এই ইস্যুতে রাজ্যের তৃণমূল সরকারকে ফের একবার তোপ দাগল বিজেপি। পদ্মশিবিরের দাবি, এই প্রকল্প ঘিরেই সাম্প্রতিক সময়ে রাজ্য রাজনীতিতে (Muslim Vote Bank) নতুন এক উত্তপ্ত পরিস্থিতির সৃষ্টি হয়েছে। সংবাদ মাধ্যমের একটি প্রতিবেদনে জানানো হয়েছে, তৃণমূল সরকার নিউ টাউনের বিশ্ববাংলা সরণির ধারে সরকারি জমিতে বৃহৎ দুর্গা অঙ্গন প্রকল্পের কথা ঘোষণা করেন। মুখ্যমন্ত্রীর দফতরের পক্ষ থেকে একে মা দুর্গার প্রতি ‘সভ্যতাগত শ্রদ্ধার্ঘ্য’ বলে উল্লেখ করা হয়। দুয়ারে বিধানসভা নির্বাচন কড়া নাড়ায় প্রকল্পের জন্য গুরুত্বপূর্ণ সরকারি জমি নির্বাচনও করা হয়। দ্রুত টেন্ডার ডেকে তড়িঘড়ি করে চুক্তি স্বাক্ষর এবং মাটি ভরাটের কাজ শুরু হয়ে যায়।

    ৪ কোটি টাকা জলে (TMC)

    সরকারি নথি অনুযায়ী, ইতিমধ্যেই প্রায় ৪ কোটি টাকার কাজ সম্পন্ন হয়ে গিয়েছে। প্রকল্পের প্রস্তুতিমূলক ব্যয় ধরা হয়েছিল ১০ কোটি টাকার কাছাকাছি (Muslim Vote Bank)। হঠাৎ করে পরিস্থিতি বদলে যায়, যখন স্থানীয় সংখ্যালঘু সম্প্রদায়ের একাংশ দাবি তোলে যে ওই জমি মুসলিম ওরিজিন এবং সেখানে একটি হিন্দু ধর্মীয় কাঠামো নির্মাণে সরকারি অর্থ ব্যয় করা অনুচিত। এই আপত্তির পরেই অভিযোগ, রাজ্য সরকার আচমকাই প্রকল্পের কাজ বন্ধ করে দেয়। সবচেয়ে (TMC) বিতর্কের বিষয় হল, এই সিদ্ধান্তের ক্ষেত্রে সরকারের তরফে কোনও ব্যাখ্যা, কোনও দায়বদ্ধতা নির্ধারণ, এবং ইতিমধ্যেই ব্যয় হওয়া অর্থ ফেরতের কোনও উদ্যোগ নেওয়া হয়নি (Muslim Vote Bank)। শেষ মুহূর্তে প্রকল্পের শিলান্যাস অন্য একটি জমিতে সরিয়ে দেওয়া হয়, যা আদতে শিল্প প্রকল্পের জন্য নির্ধারিত ছিল।

    তুষ্টিকরণের রাজনীতি

    তৃণমূলের তুষ্টিকরণের এই রাজনীতিকেই নিশানা করেছে বিজেপি। পদ্ম-নেতা অমিত মালব্য এই ঘটনাকে কটাক্ষ করে বলেন, “এটি শাসনের নামে আতঙ্কজনিত তোষণ। তৃণমূলের ভোটব্যাঙ্ক রক্ষার জন্য করদাতাদের কোটি কোটি টাকা জলে ফেলা হয়েছে।” বিজেপির আরও অভিযোগ, দুর্গা সংক্রান্ত প্রকল্পে বারবার পিছু হটা এক ভয়ঙ্কর বার্তা দিচ্ছে, যেন হিন্দু ধর্ম ও ঐতিহ্য রাজনৈতিক চাপের কাছে  আপসযোগ্য। বিরোধী দলনেতা শুভেন্দু অধিকারী এই প্রসঙ্গে আগে সমাজমাধ্যমে লেখেন, “এবার ছুঁচো গেলার অবস্থা হয় মাননীয়ার ! নিজেকে হিন্দু প্রমাণ করতে গিয়ে দুর্গাঙ্গন, মহাকাল মন্দির ইত্যাদি বানানোর ঘোষণা করা হয়ে গেছে, আবার মুসলিম ভোট ব্যাংক কে চটালে সাড়ে সর্বনাশ!” নন্দীগ্রামের বিধায়ক আরও লেখেন, “অজ্ঞতা ভোট ব্যাংকের ওজনের ভারের তুলনায় হিন্দুদের ভাবাবেগ হালকা, তাই তাড়াতাড়ি স্থান পরিবর্তন করে বর্তমানে দুর্গাঙ্গনের স্থান নির্ধারণ করা হয়েছে নিউটাউনের বাস স্ট্যান্ডের পাশে। এবারের চিহ্নিত জমি শিল্পের জন্যে নির্ধারিত ছিল!”

    বিজেপির অভিযোগ (TMC)

    বিজেপির দাবি, এই ঘটনা শুধুই আর্থিক অপচয় নয় (TMC), বরং রাজ্যের সংখ্যাগরিষ্ঠ জনগোষ্ঠীর ধর্মীয় অনুভূতির প্রতিও অবমাননাকর। এদিকে, দুর্গাপুজো ও হিন্দু ধর্মীয় রীতিনীতি নিয়ে ফের পশ্চিমবঙ্গের মুখ্যমন্ত্রী মমতা বন্দ্যোপাধ্যায় এবং তৃণমূল কংগ্রেসকে (TMC) আক্রমণ শানাল বিজেপি। গেরুয়া শিবিরের দাবি, গত কয়েক বছরে রাজ্য সরকারের নেওয়া একাধিক সিদ্ধান্তে একটি স্পষ্ট প্রবণতা দেখা যাচ্ছে, যেখানে সাংবিধানিক সমতা ও সাংস্কৃতিক মর্যাদার বদলে ভোটের অঙ্কই প্রধান হয়ে উঠেছে। গেরুয়া শিবিরের মতে, এই ধরনের সিদ্ধান্ত হিন্দু সমাজের ধর্মীয় অধিকারকে খর্ব করছে। এক্স হ্যান্ডেলে দেওয়া এক পোস্টে বিজেপির পশ্চিমবঙ্গ শাখার অভিযোগ, মমতা বন্দ্যোপাধ্যায় আবারও রাজনৈতিক তোষণের জন্য দুর্গাপুজোর সঙ্গে আপোস করেছেন। পোস্টে বলা হয়েছে, সংখ্যালঘু গোষ্ঠীর আপত্তি উঠলেই হিন্দু ধর্মীয় আচার-অনুষ্ঠানের ওপর নানা বিধিনিষেধ আরোপ করাকে রাজ্য সরকার কার্যত স্বাভাবিক করে তুলেছে।

    হিন্দু সমাজের মধ্যে ভয়ের পরিবেশ

    বিজেপির আরও অভিযোগ, এই ধরনের অবস্থান নির্বাচিত কিছু গোষ্ঠীকে বিক্ষোভে উৎসাহিত করছে এবং রাজ্যের হিন্দু সমাজের মধ্যে ভয় ও অনাস্থার পরিবেশ সৃষ্টি করছে। গেরুয়া শিবিরের মতে, এর ফলে রাজ্যে ধর্মীয় সহাবস্থানের ভারসাম্য নষ্ট হচ্ছে। এই ইস্যুতে এখনও পর্যন্ত তৃণমূল কংগ্রেস বা মুখ্যমন্ত্রী মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়ের তরফে কোনও প্রতিক্রিয়া মেলেনি (TMC)। তবে দুর্গাপুজো ঘিরে রাজনৈতিক তরজা যে আরও তীব্র হতে চলেছে, তা স্পষ্ট। একটি রাজনৈতিক দলের অভিযোগ, ২০১৬ সালে বীরভূম জেলার একটি গ্রামে টানা চার বছর ধরে দুর্গাপুজো করার অনুমতি পায়নি গ্রামের শতাধিক হিন্দু পরিবার। সংবাদ মাধ্যমে প্রকাশিত প্রতিবেদন থেকে পাওয়া তথ্য অনুযায়ী, ওই গ্রামের বাসিন্দারা জেলাশাসক, পুলিশ সুপার-সহ একাধিক ঊর্ধ্বতন প্রশাসনিক আধিকারিকের কাছে বারবার আবেদন করলেও, পুজোর অনুমতি মেলেনি।

    উদ্যোক্তাদের দাবি

    উদ্যোক্তাদের দাবি, প্রায় ২৫টি মুসলিম পরিবারের আপত্তির পরেই প্রশাসন দুর্গাপুজোর অনুমতি দিতে অস্বীকার করে। জেলা তৃণমূল কংগ্রেস সূত্রের বক্তব্য উদ্ধৃত করে ওই প্রতিবেদনে বলা হয়েছে, ওই এলাকায় পুজোর সংখ্যা আগেই চূড়ান্ত করা হয়ে গিয়েছিল (Muslim Vote Bank)। তাই নতুন করে আর কোনও পুজোর অনুমতি দেওয়ার সুযোগ নেই (TMC)। এই ঘটনাকে ঘিরে প্রশাসনের ভূমিকা নিয়ে প্রশ্ন উঠেছে এবং ধর্মীয় স্বাধীনতা খর্ব করার অভিযোগও প্রকাশ্যে এসেছে। কাংলাপাহাড়ি দুর্গা মন্দির কমিটির সদস্য চন্দন সাউয়ের অভিযোগ, পুজো আয়োজনের অনুমতি না মেলায় ওই এলাকার মহিলা ও শিশুদের দুর্গাপুজোয় আনন্দ করতে তিন থেকে আট কিলোমিটার পর্যন্ত পথ যাতায়াত করতে হচ্ছে। তাঁর দাবি, পরিস্থিতি জানা সত্ত্বেও জেলা প্রশাসন ইচ্ছাকৃতভাবে হস্তক্ষেপ করেনি। কারণ তারা মুসলিম সম্প্রদায়ের একটি অংশকে বিরূপ করতে চায়নি।

    বিজেপির প্রতিক্রিয়া

    এই ঘটনায় বিজেপির প্রতিক্রিয়া, এটি রাজনৈতিক চাপে পরিচালিত প্রশাসনিক পক্ষপাতের স্পষ্ট উদাহরণ (TMC)। বিজেপি এও মনে করিয়ে দিয়েছে, ২০১৭ সালে দুর্গাপ্রতিমা বিসর্জন নিয়ে তৈরি হওয়া বিতর্কের কথাও (Muslim Vote Bank)। সেই সময় মহরমের মিছিলের কথা উল্লেখ করে মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়ের নেতৃত্বাধীন পশ্চিমবঙ্গ সরকার বিজয়া দশমীতে প্রতিমা বিসর্জনের ওপর নিষেধাজ্ঞা জারি করেছিল। ওই সিদ্ধান্তের বিরুদ্ধে আদালতে মামলাও হয়েছিল এবং কলকাতা হাইকোর্ট সেই নিষেধাজ্ঞা বাতিল করে দিয়েছিল।

    কী বলেছিল আদালত

    হাইকোর্ট তখন ওই সিদ্ধান্তকে খামখেয়ালি বলে আখ্যা দিয়েছিল। পর্যবেক্ষণে আদালত জানিয়েছিল, রাজ্য সরকার একটি সম্প্রদায়কে তুষ্ট করতে গিয়ে অন্য সম্প্রদায়ের স্বার্থ উপেক্ষা করেছে, যা গ্রহণযোগ্য নয়। কড়া ভাষায় দেওয়া সেই নির্দেশে আদালত স্পষ্ট জানায়, সরকার এমন কোনও সিদ্ধান্ত নিতে পারে না যা বিভিন্ন সম্প্রদায়ের মধ্যে বিভাজন সৃষ্টি করে। আদালত আরও উল্লেখ করেছিল, পূর্ববর্তী (Muslim Vote Bank) বছরগুলিতে (TMC) এই ধরনের কোনও বিধিনিষেধ ছিল না।

  • Sukanta Majumdar: “তৃণমূলকে হারাতে সবাইকে কাঁধে কাঁধ মিলিয়ে লড়াই করতে হবে”, বললেন সুকান্ত

    Sukanta Majumdar: “তৃণমূলকে হারাতে সবাইকে কাঁধে কাঁধ মিলিয়ে লড়াই করতে হবে”, বললেন সুকান্ত

    মাধ্যম নিউজ ডেস্ক: “ছাব্বিশ সালের নির্বাচন তৃণমূলের বিসর্জন বলে জানিয়েছেন আমাদের রাজ্য সভাপতি শমীক ভট্টাচার্য। এই নির্বাচনে তৃণমূলকে হারাতে সবাইকে (Sukanta Majumdar) কাঁধে কাঁধ মিলিয়ে লড়াই করতে হবে। মনে রাখবেন (Amit Shah), কোচবিহার থেকে শুরু করে কাকদ্বীপ পর্যন্ত বিজেপির প্রার্থী নরেন্দ্র মোদি এবং পদ্মফুল প্রার্থী। তাই পদ্মফুলকে জেতাতে হবে। অন্য কিছু দেখলে হবে না।” বুধবার সায়েন্স সিটি অডিটোরিয়ামে নাগাড়ে কথাগুলি বলে খানিক থামলেন বিজেপির প্রাক্তন রাজ্য সভাপতি সুকান্ত মজুমদার।

    কুরুক্ষেত্র (Sukanta Majumdar)

    এদিন বক্তৃতা দিতে গিয়ে ছাব্বিশের নির্বাচনকে তিনি কুরুক্ষেত্র বলেও অভিহিত করেন। মহাভারতের প্রসঙ্গ টেনে সুকান্ত বলেন, “আমরা মহাভারতে গল্প শুনেছি, অর্জুন-সহ সবাইকে দ্রোণাচার্য জিজ্ঞাসা করেছিলেন, কী দেখতে পাচ্ছ। কেউ বলেছিল, আমি গাছে পাতা দেখতে পাচ্ছি। কেউ বলেছিল, পাখির ঠোঁট দেখতে পাচ্ছি। অর্জুনই একমাত্র বলেছিলেন, আমি পাখির চোখ দেখতে পাচ্ছি। বন্ধুগণ, আপনারা কী দেখতে পাচ্ছেন, সেটা আমি বলতে পারব না। কিন্তু, প্রায় ৪ বছর ধরে রাজ্য সভাপতির কাজ করার পর আমি স্পষ্ট দেখতে পাচ্ছি, ২০২৬ সালে পশ্চিমবঙ্গে শপথ নিচ্ছেন বিজেপির মুখ্যমন্ত্রী। আপনাদের দিকে তাকিয়ে আমি তা দেখতে পাচ্ছি। কলকাতার চারটি জেলার শক্তিকেন্দ্র ও মণ্ডলের লোককে ডাকা হয়েছে। তার বিশ্বরূপ যদি (Sukanta Majumdar) এটা হতে পারে, তাহলে মনে রাখবেন, এই কুরুক্ষেত্রে আমাদের জয় অর্থাৎ পাণ্ডবদের জয় হবেই।”

    বিজেপি আদর্শভিত্তিক দল

    তিনি বলেন, “বিজেপি আদর্শভিত্তিক দল। আমাদের কার্যকর্তা ও কর্মীরাই মূলধন। একুশের নির্বাচনের পর বিজেপি যখন কিছু ছন্নছাড়া হয়ে যায়, তখন কার্যকর্তারা পিঠে কুলো বেঁধে পার্টির কাজকে এগিয়ে নিয়ে গিয়েছেন।” তৃণমূলকে কটাক্ষ করে সুকান্ত বলেন, “অমিত শাহের নাম শুনলে মমতা বন্দ্যোপাধ্যায় ও তাঁর পুরো পার্টি থরথর করে কাঁপে।” এদিন সুকান্তের পরে ভাষণ দিতে ওঠেন কেন্দ্রীয় স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী অমিত শাহ। তিনি দলকে আবারও ২০০ আসনের লক্ষ্যমাত্রা বেঁধে দিয়েছেন। দলের (Amit Shah) সবাই যদি কাঁধে কাঁধ মিলিয়ে লড়াই করেন, তাহলে যে এ রাজ্যে বিজেপি আসবেই, তাও স্পষ্ট করে দেন শাহ (Sukanta Majumdar)।

LinkedIn
Share