Tag: bjp

bjp

  • Calcutta High Court: “গোটা রাজ্যে কেন্দ্রীয় বাহিনী মোতায়েন করে দিই?” কমিশনকে ভর্ৎসনা হাইকোর্টের

    Calcutta High Court: “গোটা রাজ্যে কেন্দ্রীয় বাহিনী মোতায়েন করে দিই?” কমিশনকে ভর্ৎসনা হাইকোর্টের

    মাধ্যম নিউজ ডেস্ক: “গোটা রাজ্যকে স্পর্শকাতর বলে ঘোষণা করে কেন্দ্রীয় বাহিনী মোতায়েনের নির্দেশ দেব? সেটা ভাল হবে?” রাজ্য নির্বাচন কমিশনকে প্রশ্ন কলকাতা হাইকোর্টের (Calcutta High Court)। পঞ্চায়েত নির্বাচন সংক্রান্ত মামলায় কলকাতা হাইকোর্ট যে রায় দিয়েছে, তারই একটা অংশ পুনর্বিবেচনার আর্জি জানিয়ে আদালতের দ্বারস্থ হয়েছিল রাজ্য সরকার ও রাজ্য নির্বাচন কমিশন। পঞ্চায়েত সংক্রান্ত ওই মামলার শুনানি হয়েছিল প্রধান বিচারপতি টিএস শিবজ্ঞানম ও বিচারপতি হিরণ্ময় ভট্টাচার্যের ডিভিশন বেঞ্চে।

    বিরক্তি প্রকাশ প্রধান বিচারপতির

    রায় দিতে গিয়ে আদালত নির্দেশ দিয়েছিল, নির্বাচন কমিশন যে কয়েকটি জেলাকে স্পর্শকাতর বলে চিহ্নিত করেছে, সেখানে অবিলম্বে কেন্দ্রীয় বাহিনী মোতায়েন করতে হবে। রাজ্য এবং রাজ্য নির্বাচন কমিশনের আপত্তি এখানেই। তাদের দাবি, নির্বাচন কমিশন এখনও পরিস্থিতির মূল্যায়ন করেনি। এ কথা শুনে বিরক্তি প্রকাশ করেন প্রধান বিচারপতি। কমিশনকে প্রশ্ন করেন (Calcutta High Court), “গোটা রাজ্যকে স্পর্শকাতর বলে ঘোষণা করে কেন্দ্রীয় বাহিনী মোতায়েনের নির্দেশ দেব? সেটা ভাল হবে?”

    “কমিশনের ওপর মানুষের আস্থা ধাক্কা খাবে”

    প্রধান বিচারপতি বলেন, “আমরা দেখেছি, গতকালও কোথাও কোথাও অশান্তি হয়েছে। লাঠিচার্জ হয়েছে। এটা ঠিক নয়। এতে কমিশনের ওপর মানুষের আস্থা ধাক্কা খাবে। আমরা ফেলে রাখার জন্য নির্দেশ দিইনি। বাস্তবায়নের জন্য নির্দেশ দেওয়া হয়েছে।” প্রধান বিচারপতি আরও বলেন, “যদি আমাদের রায় পছন্দ না হয়, তাহলে উচ্চ আদালতে যান। কিন্তু উপেক্ষা করার জন্য নির্দেশ দেওয়া হয়নি। সময় চলে যাচ্ছে। আদালত স্বতঃপ্রণোদিত পদক্ষেপ করতে পারে।” প্রসঙ্গত, আদালত স্পর্শকাতর জেলাগুলিতে আধাসেনা মোতায়েন করার নির্দেশ দিয়েছিল। তবে মনোনয়নপত্র পেশের দিন বাড়ানো হবে কিনা, সেই বিষয়টি ছাড়া হয়েছিল কমিশনের ওপরেই।

    আরও পড়ুুন: মণিপুরে জ্বলছে গ্রাম, জঙ্গলে বাসিন্দারা! তল্লাশি অভিযান শুরু সেনার

    মনোনয়নপত্র পেশ করাকে কেন্দ্র করে অশান্তির খবর এসেছে রাজ্যের বিভিন্ন জেলা থেকে। মনোনয়নপত্র জমা দেওয়াকে কেন্দ্র করে তপ্ত হয়েছিল উত্তর ২৪ পরগনার মিনাখাঁ। সিপিএমের অভিযোগ, মনোনয়নপত্র পেশ করতে গেলে বাধা দিয়েছিল তৃণমূলের লোকজন। অবশ্য অভিযোগ অস্বীকার করেছে রাজ্যের শাসক দল। মিনাখাঁর এই ঘটনাকে সামনে রেখে বামেরা এবং গোটা বসিরহাটে মনোনয়নপত্র জমা দিতে দেওয়া হচ্ছে না, এই অভিযোগকে সামনে রেখে কলকাতা হাইকোর্টের (Calcutta High Court) দ্বারস্থ হয়েছে বিজেপি।

     

    দেশের খবর, দশের খবর, সব খবর, সবার আগে পেতে ফলো করুন আমাদের FacebookTwitter এবং Google News পেজ।

     

     
     
  • Suvendu Adhikari: মধ্যরাতে হোটেলে মন্ত্রী-বিধায়কের সঙ্গে বৈঠকে পুলিশ সুপার! বিস্ফোরক শুভেন্দু

    Suvendu Adhikari: মধ্যরাতে হোটেলে মন্ত্রী-বিধায়কের সঙ্গে বৈঠকে পুলিশ সুপার! বিস্ফোরক শুভেন্দু

    মাধ্যম নিউজ ডেস্ক: খোদ রাজ্যের মন্ত্রীর উপস্থিতিতে পঞ্চায়েতে ভোট (Panchayat Election 2023) লুট নিয়ে গভীর রাতে হোটেলে বৈঠক? বৈঠকে শাসকদলের দুই বিধায়কের পাশাপাশি নাকি জেলার পুলিশ সুপার পর্যন্ত হাজির ছিলেন। বিস্ফোরক অভিযোগ করলেন রাজ্যের বিরোধী দলনেতা তথা নন্দীগ্রামের বিজেপি বিধায়ক শুভেন্দু অধিকারী (Suvendu Adhikari)। 

    শুভেন্দুর দাবি

    শাসলকদলের বিরুদ্ধে পুলিশ-প্রশাসনের অপব্যবহারের অভিযোগ উঠেছে ভূরি-ভূরি। এরই মধ্যে বুধবার গভীর রাতে একটি ট্যুইট করে শুভেন্দু (Suvendu Adhikari)অভিযোগ করেন, পূর্ব বর্ধমানে পঞ্চায়েত ভোটে লুট করতে পুলিশ সুপারের সঙ্গে বৈঠক করেছেন তৃণমূল নেতৃত্ব। রাত সাড়ে ১২টার সময়  ট্যুইট বার্তায় শুভেন্দু লেখেন, ‘‘এই মুহূর্তে বর্ধমানের হোটেল সিনক্লেয়ারের ১২১ নং ঘরে বৈঠক করছেন মন্ত্রী অরূপ বিশ্বাস, তৃণমূল বিধায়ক খোকন দাস, পূর্ব বর্ধমান জেলা তৃণমূল সভাপতি তথা বিধায়ক রবীন্দ্রনাথ চট্টোাধ্যায়। এই বৈঠকের মূল আলোচ্য বিষয় হল আসন্ন পঞ্চায়েত ভোটে পূর্ব বর্ধমানে কীভাবে ভোট লুট করা যায়। এই বৈঠকেই রাত ১১টা ৫৭ মিনিটে আরও একজন যোগ দেন। তিনি পূর্ব বর্ধমানের পুলিশ সুপার কামানিশ সেন। তিনি সাদা পোশাকে সেখানে হাজির হন।’’

    আরও পড়ুন: অভিন্ন দেওয়ানি বিধি নিয়ে তৎপর আইন কমিশন

    শুভেন্দু অধিকারীর তোলা এই বিস্ফোরক অভিযোগের পাল্টা কোনও প্রতিক্রিয়া মেলেনি তৃণমূলের তরফে। এর আগে পঞ্চায়েত ভোটে সিভিক ভলান্টিয়ার ব্যবহার নিয়ে অভিযোগ করেছিলেন শুভেন্দু (Suvendu Adhikari)। বিরোধী দলনেতা বলেছিলেন, ‘‘পুলিশের ইউনিফর্ম পরিয়ে সিভিকদের পুলিশ সাজানো হবে। বিভিন্ন জায়গায় ভোট লুটের পরিকল্পনা কষেই শাসকদল এই কাজ করার কথা ভাবছে।’’ এই আবহে কোথায় কত খাঁকি উর্দি তৈরি হচ্ছে, তা নিয়েও বিস্ফোরক অভিযোগ করেন শুভেন্দু অধিকারী। তাঁর দাবি, সিভিক ভলান্টিয়ারদের দেওয়ার জন্য শুধুমাত্র বীরভূমেই সাড়ে তিন হাজার পুলিশের উর্দির অর্ডার দেওয়া হয়েছে। এবার সরাসরি রাজ্যের মন্ত্রীর দিকে অভিযোগ তুললেন বিরোধী দলনেতা।

    দেশের খবর, দশের খবর, সব খবর, সবার আগে পেতে ফলো করুন আমাদের FacebookTwitter এবং Google News পেজ।

  • Suvendu Adhikari: ‘‘রক্ত দেব, তৃণমূলকে কোনও জায়গা দেব না’’! হুঁশিয়ারি শুভেন্দুর

    Suvendu Adhikari: ‘‘রক্ত দেব, তৃণমূলকে কোনও জায়গা দেব না’’! হুঁশিয়ারি শুভেন্দুর

    মাধ্যম নিউজ ডেস্ক: পঞ্চায়েতে তৃণমূলের নির্বাচনী কমিটিতে ঠাঁই না হওয়ায় শেখ সুফিয়ান ক্ষোভ উগরে দিয়েছেন। আন্দোলনের মাটি নন্দীগ্রামে শাসকদলের ছন্নছাড়া অবস্থা। মনোনয়ন জমা দিতে গিয়ে বিজেপি প্রার্থীরা বিক্ষিপ্তভাবে বাধার মুখে পড়েছেন। দলীয় প্রার্থীদের পাশে থাকার বার্তা দিয়ে কর্মী-সমর্থকদের নিয়ে মিছিল করলেন ভূমিপুত্র তথা বিরোধী দলনেতা শুভেন্দু অধিকারী (Suvendu adhikari)।

    নন্দীগ্রামের মাটিতে দাঁড়িয়ে কী বললেন শুভেন্দু (Suvendu adhikari)?

    পঞ্চায়েত নির্বাচনে রেয়াপাড়া ব্লকের বিজেপির মনোনীত প্রার্থীদের নিয়ে মনোনয়ন জমা করতে যাওয়ার পথে ঠাকুরচক থেকে  রেয়াপাড়া পর্যন্ত মিছিল করেন বিরোধী দলনেতা (Suvendu adhikari)। তিনি বলেন, “রক্ত দেব, তবু নন্দীগ্রামে তৃণমূল চোরেদের জায়গা দেব না। “নন্দীগ্রামে বিজেপি কতগুলি গ্রাম পঞ্চায়েতে ক্ষমতা দখল করবে, তার পরিসংখ্যান দিয়ে দেন তিনি। তিনি বলেন, “নন্দীগ্রামের ১৭ টি গ্রাম পঞ্চায়েতের মধ্যে ১২ টি আমরা দখল করব। বাকি ৫ টি পঞ্চায়েতে ত্রিশঙ্কু হবে। সেটা পরে আমরা দখল করবো।” এদিন বাদ্যযন্ত্র সহকারে বিজেপির মিছিল বের হয়। মিছিলে দলীয় প্রার্থীদের পাশাপাশি কর্মী-সমর্থকদের ভিড় ছিল চোখে পড়ার মতো। রেয়াপাড়া ব্লক অফিসের আগে পর্যন্ত মিছিল যায়। তার পর নিয়ম মেনে বিজেপির মনোনীত প্রার্থীরা মনোনয়ন দিতে যান।

    মুখ্যমন্ত্রীকে নিয়ে কী বললেন বিরোধী দলনেতা (Suvendu adhikari)?

    এদিন শুভেন্দু (Suvendu adhikari) আরও  বলেন, “যেখানেই ভোট হবে, মমতা বন্দ্যোপাধ্যায় হারবে। নো ভোট টু মমতায় আস্থা রাখছে সাধারণ মানুষ।” রেয়াপাড়া ব্লকে মোট ৭ টি অঞ্চল রয়েছে। এই সাতটি অঞ্চলে মোট ১১৪ জন গ্রাম পঞ্চায়েতর প্রার্থী মনোনয়নপত্র জমা দেবেন। পাশাপাশি ২১ জন পঞ্চায়েত সমিতির প্রার্থী মনোনয়নপত্র জমা দেবে্ন। দুটি জেলা পরিষদের আসনে আগামী কাল তাঁরা মহকুমা শাসকের অফিসে মনোনয়নপত্র জমা দেবেন। ২০২১ বিধানসভা ভোটে রাজ্য রাজনীতির পাখির চোখ ছিল নন্দীগ্রাম। এবারেও ২০২৩ পঞ্চায়েত নির্বাচনে পাখির চোখ হওয়ার সম্ভাবনা রয়েছে এই নন্দীগ্রামেরই।

    দেশের খবর, দশের খবর, সব খবর, সবার আগে পেতে ফলো করুন আমাদের FacebookTwitter এবং Google News পেজ।

  • Soumendu Adhikari: এবার রক্ষাকবচ চেয়ে কলকাতা হাইকোর্টের দ্বারস্থ সৌমেন্দু অধিকারী

    Soumendu Adhikari: এবার রক্ষাকবচ চেয়ে কলকাতা হাইকোর্টের দ্বারস্থ সৌমেন্দু অধিকারী

    মাধ্যম নিউজ ডেস্ক: এবার রক্ষাকবচ চেয়ে কলকাতা (Calcutta High Court) হাইকোর্টের দ্বারস্থ বিজেপি (BJP) নেতা সৌমেন্দু অধিকারী (Soumendu Adhikari)। দোরগোড়ায় পঞ্চায়েত নির্বাচন। গেরুয়া শিবিরের তরফে তাঁকে বেশ কিছু দায়িত্ব দেওয়া হয়েছে। তার আগে মিথ্যা মামলায় ফাঁসানো হতে পারে। এই আশঙ্কায় রক্ষাকবচ চেয়ে আদালতের দ্বারস্থ হয়েছেন সৌমেন্দু। তিনি বলেন, “এমন কোনও অভিযোগ আনা হতেই পারে, যার কোনও খবর আগে থেকে পাবই না।” বিচারপতি রাজাশেখর মান্থা মামলা দায়ের করার অনুমতি দিয়েছেন। মামলার শুনানি হতে পারে আগামী সপ্তাহে, বুধবার।

    মিথ্যা মামলায় ফাঁসিয়ে দেওয়ার রেওয়াজ

    দল ছেড়ে অন্য দলে যোগ দিলে মিথ্যা মামলায় ফাঁসিয়ে দেওয়ার রেওয়াজ এ রাজ্যে নতুন নয়। বাম আমলে এমন উদাহরণ ভূরি ভূরি ছিল। ২০১১ সালে রাজ্যে পালাবদল হয়েছে। বদলেছে শাসকও। তার পরেও সেই ট্র্যাডিশান সমানে চলছে। তৃণমূল নেতৃত্বের প্রতি বীতশ্রদ্ধ হয়ে দল ছেড়ে বিজেপিতে যোগ দিয়েছিলেন শুভেন্দু অধিকারী। তার পর থেকে তাঁকে নানা মামলায় ফাঁসানোর চেষ্টা হয়েছে। কখনও হাইকোর্ট, কখনও আবার সুপ্রিম কোর্টের রক্ষাকবচের জেরে স্বস্তি পেয়েছেন তিনি। কেবল শুভেন্দু নন, তাঁর ভাই সৌমেন্দুও (Soumendu Adhikari) তৃণমূল ছেড়ে বিজেপিতে যোগ দেওয়ায় তাঁর নামেও মিথ্যা মামলা দেওয়া হচ্ছে বলে অভিযোগ। ইতিমধ্যেই তাঁর বিরুদ্ধে ১২টি এফআইআর দায়ের করা হয়েছে। পঞ্চায়েত নির্বাচনের মুখে ফের কোনও মিথ্যা মামলায় তাঁকে ফাঁসানো হতে পারে বলে আশঙ্কা সৌমেন্দুর অনুগামীদের।

    সৌমেন্দুর বিরুদ্ধে অভিযোগ

    অথচ তৃণমূলে থাকাকালীন টানা প্রায় ১০ বছর কাঁথি পুরসভার চেয়ারম্যান ছিলেন সৌমেন্দু। পুরসভার মেয়াদ শেষ হয়ে যাওয়ার পরেও প্রশাসকের দায়িত্ব পালন করেছেন তিনি। একুশের বিধানসভা নির্বাচনের আগে বিজেপিতে যোগ দেন সৌমেন্দু। তার পরেই তাঁর নামে হতে থাকে একের পর এক মিথ্যা মামলা দায়ের। কাঁথির রাঙামাটি শ্মশান উন্নয়নে টাকা নয়ছয়, শ্মশান চত্বরে স্টল তৈরি করে বেআইনিভাবে বিক্রি, টেন্ডারের শর্ত মেনে কাজ না করা সহ একাধিক দুর্নীতির অভিযোগে মামলা রুজু হয় সৌমেন্দুর (Soumendu Adhikari) বিরুদ্ধে।

    আরও পড়ুুন: পঞ্চায়েতের টিকিট ১ লক্ষ টাকায়, তৃণমূল ছেড়ে বিজেপিতে প্রধান-উপপ্রধান

    কাঁথি প্রভাতকুমার কলেজ ভবণ নির্মাণ নিয়ে ইতিমধ্যেই সৌমেন্দুর বিরুদ্ধে দায়ের হয়েছে মামলা। মামলা দায়ের করার নির্দেশ দিয়েছিল কাঁথি মহকুমা আদালত। সেই মামলা অবশ্য খারিজ করে দেয় কলকাতা হাইকোর্ট। পূর্ব মেদিনীপুরের জেলাশাসক পূর্ণেন্দু মাজিকে ফের দুর্নীতির অভিযোগের তথ্য জোগাড়ের নির্দেশ দেয় কলকাতা হাইকোর্ট।

     

    দেশের খবর, দশের খবর, সব খবর, সবার আগে পেতে ফলো করুন আমাদের FacebookTwitter এবং Google News পেজ।

  • TMC: পঞ্চায়েতের টিকিট ১ লক্ষ টাকায়, তৃণমূল ছেড়ে বিজেপিতে প্রধান-উপপ্রধান

    TMC: পঞ্চায়েতের টিকিট ১ লক্ষ টাকায়, তৃণমূল ছেড়ে বিজেপিতে প্রধান-উপপ্রধান

    মাধ্যম নিউজ ডেস্ক: এতদিন চাকরি দেওয়ার ক্ষেত্রে টাকা নেওয়ার অভিযোগ উঠছিল তৃণমূল (TMC) নেতাদের বিরুদ্ধে। এবার প়ঞ্চায়েতে প্রার্থী বাছাইয়ে টাকার খেলা চলছে। এক লক্ষ টাকা দিলেই গ্রাম পঞ্চায়েতের প্রার্থী তালিকায় নাম উঠছে। এমনই অভিযোগ মালদার মালতীপুর বিধানসভার গৌরহণ্ড গ্রাম পঞ্চায়েতে। আর এই অভিযোগ তুলে তৃণমূলের প্রধান ডলি মণ্ডল ও উপপ্রধান পঞ্চানন দাস বিজেপিতে যোগদান করলেন। তাঁদের সঙ্গে প্রায় ৫০০ জন কর্মী, সমর্থক নাম লেখালেন গেরুয়া শিবিরে।

    কী বললেন দলত্যাগী নেতানেত্রীরা?

    গৌরহণ্ড পঞ্চায়েতের প্রধান ডলি মণ্ডল বলেন, গত ৫ বছরে আমি কতটা কাজ করেছি, তার উপর ভিত্তি করে আমায় প্রার্থী করা উচিত ছিল। কিন্তু, প্রার্থী বাছাইয়ের ক্ষেত্রে তৃণমূল (TMC) নেতারা লক্ষ লক্ষ টাকা চাইছে। অত টাকা দিয়ে প্রার্থী হওয়ার ইচ্ছা নেই। উন্নয়নমূলক কাজ করতেও এই দল টাকা দাবি করে।  উপ প্রধান পঞ্চানন দাস বলেন, একসময় আমি বিজেপি করতাম। পরে, তৃণমূলে যোগ দিয়েছিলাম। কিন্তু, দলটা করতে পারছিলাম না। ভাল মানুষ কখনও তৃণমূল দল করতে পারবে না। যারা দুর্নীতিগ্রস্ত, তোলাবাজ তারা এই পার্টির সম্পদ।

    কী বললেন তৃণমূল (TMC) নেতৃত্ব?

    তৃণমূলের চাঁচল-২ নম্বর ব্লক কমিটির সাধারণ সম্পাদক আব্দুল হাই বলেন,তৃণমূলে স্বচ্ছভাবমূর্তির মানুষদের টিকিট দেওয়া হচ্ছে। টিকিট পাবে না বলেই দল ছেড়েছেন তাঁরা। বিজেপি টিকিটের প্রলোভন দেখিয়ে যোগদান করিয়ে ভোটের বাজার গরম করাচ্ছে। তাঁদের দলত্যাগে তৃণমূলে কোনও প্রভাব পড়বে না।

    ফের তৃণমূলে (TMC) ভাঙন?

    পঞ্চায়েত ভোটের আগে তৃণমূল কংগ্রেসে বড়সড় ভাঙন মানিকচকে। মালদা জেলা পরিষদের তৃণমূল (TMC) সদস্য, তৃণমূল পরিচালিত মানিকচক পঞ্চায়েত সমিতির কর্মাধ্যক্ষ, তৃণমূলের প্রাক্তন প্রধান, বর্তমান পঞ্চায়েত সদস্য সহ প্রায় ৪০০ জন তৃণমূল ছেড়ে কংগ্রেসের যোগদান করেন। সোমবার বিকেল পাঁচটা নাগাদ কংগ্রেসের দলীয় কার্যালয়ে  মালদা জেলা কংগ্রেসের নেতা মোত্তাকিন আলমের নেতৃত্বে এই যোগদান কর্মসূচি অনুষ্ঠিত হয়। যোগদান করেন মালদা জেলা পরিষদের সদস্যা সাবিনা ইয়াসমিন, মানিকচক পঞ্চায়েত সমিতির তৃণমূল কর্মাধ্যক্ষ আশারুজ্জামানের‌ মতো নেতারা।

     কী বললেন দলত্যাগী নেতা?

    দলত্যাগী নেতা মোয়াজ্জেম হোসেন বলেন, আমাকে দল তাড়িয়ে দেয়নি বা লিখিতভাবে সাসপেন্ডও করেনি। তবে আমি ষড়যন্ত্রের শিকার। নাম না উল্লেখ করলেও তিনি যে বিধায়ক সাবিত্রী মিত্রের রোষের মুখে পড়েছেন তা তিনি বুঝিয়ে দিয়েছেন।

    কী বললেন তৃণমূল (TMC) নেতৃত্ব?

    মানিকচক ব্লক তৃণমূলের (TMC) সভাপতি মহাফিজুর রহমান বলেন, যারা আজ তৃণমূল ছেড়ে কংগ্রেসের যোগ দিয়েছেন, তাঁরা আসলে লোভী। তাঁরা বুঝতে পেরেছেন, তৃণমূলে টিকিট পাওয়া যাবে না। তাই টিকিট পাওয়ার লোভে তাঁরা কংগ্রেসের যোগ দিয়েছেন।

    দেশের খবর, দশের খবর, সব খবর, সবার আগে পেতে ফলো করুন আমাদের FacebookTwitter এবং Google News পেজ।

  • Suvendu Adhikari: লোডশেডিংয়ে জেরবার রাজ্যবাসী! আচমকা বিদ্যুৎ ভবনে ‘হানা’ শুভেন্দুর

    Suvendu Adhikari: লোডশেডিংয়ে জেরবার রাজ্যবাসী! আচমকা বিদ্যুৎ ভবনে ‘হানা’ শুভেন্দুর

    মাধ্যম নিউজ ডেস্ক: বৃষ্টিতে কিছু রেহাই মিললেও অস্বস্তিকর গরম এখনও যায়নি। তার দোসর আবার লোডশেডিং। শহর থেকে গ্রাম, সর্বত্রই একই ছবি ধরা পড়ছে। সেই অভিযোগ নিয়েই এবার সোজা বিদ্যুৎ দফতরের অফিসে হাজির হলেন বিরোধী দলনেতা শুভেন্দু অধিকারী (Suvendu Adhikari)। সেখানে তাঁকে বিদ্যুৎ উৎপাদন দফতরে যাওয়ার পরামর্শ দেওয়া হলে তিনি সেখানে যান। এদিন নন্দীগ্রামের বিজেপি বিধায়কের মুখে স্লোগানও শোনা যায়, ‘‘লোডশেডিং এর সরকার আর নেই দরকার।’’ তৃণমূল আমলে বিদ্যুতের ঘাটতি যে অনেকটাই বেড়ে গিয়েছে, দফতরে দাঁড়িয়ে সেই তথ্যও তুলে ধরেন বিরোধী দলনেতা। সোমবার অগ্নিমিত্রা পাল সহ ৪ বিজেপি বিধায়ক ছিলেন শুভেন্দুর (Suvendu Adhikari) সঙ্গে। তবে দায়িত্বপ্রাপ্ত আধিকারিক শুভেন্দুর সঙ্গে কথা বলতে অস্বীকার করেছেন বলে অভিযোগ। অন্য এক আধিকারিককে শুভেন্দু বলেন, “এসি কে বসাল, তা জেনে আপনাদের কী লাভ? লোড কী করে বাড়াবেন? ১২ বছরে পাওয়ার প্লান্টের কোনও কাজ হয়নি।”

    আরও পড়ুন: বারাকপুরে মনোনয়নে এগিয়ে বিজেপি, এখনও প্রার্থী তালিকা চূড়ান্ত করতে পারল না তৃণমূল

    কী বললেন শুভেন্দু?

    শুভেন্দুর অভিযোগ মমতা জমানায় নতুন তাপবিদ্যুৎ কেন্দ্র নির্মাণ হয়নি বরং বন্ধ হয়েছে কোলাঘাট ব্যান্ডেলের মতো ইউনিট। বিরোধী দলনেতা এদিন বলেন, ‘‘পশ্চিমবঙ্গ জুড়ে সারা দিনে ৩ থেকে ৪-৫ ঘণ্টা বিদ্যুৎ থাকছে না। বিদ্যুৎ দফতরের ইঞ্জিনিয়াররা তথ্য দিয়েছেন। মমতা বন্দ্যোপাধ্যায় একটাও তাপবিদ্যুৎ কেন্দ্র তৈরি করতে পারেননি। উল্টে কোলাঘাট, ব্যান্ডেলে বন্ধ করেছেন।’’ আক্রমণ শানান মুখ্যমন্ত্রীকেও। তাঁর সংযোজন, ‘‘এই ঘাটতি মেটাতে লোডশেডিং করে বাংলার মানুষকে গরমে কষ্টে রেখেছেন মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়। ক্ষমার অযোগ্য অপরাধ করেছেন মুখ্যমন্ত্রী।’’

    আন্দোলনের পথে বিজেপি?

    এদিন আধিকারিক তাঁর সঙ্গে দেখা করতে অস্বীকার করেছে বলে জানান শুভেন্দু। তিনি বলেন, ‘‘লোডশেডিং বন্ধ করতে সমাধান চেয়ে কথা বলতে এসেছিলাম। কিন্তু কথা বলতে চাননি কেউ। সিএমডি বাথরুমে ঢুকে গিয়েছেন। এর থেকে লজ্জার কিছু হয় না।’’ একই সঙ্গে বিরোধী দলনেতা বলেন, ‘‘আগামী দিনে জনগণ এবং বিদ্যুৎ গ্রাহকরা রাস্তায় নামবেন।’’ 

     

    দেশের খবর, দশের খবর, সব খবর, সবার আগে পেতে ফলো করুন আমাদের FacebookTwitter এবং Google News পেজ।

  • Ram Mandir: নির্মাণ কাজ প্রায় শেষ! আগামী বছরেই খুলছে রামন্দিরের দ্বার, কবে জানেন?

    Ram Mandir: নির্মাণ কাজ প্রায় শেষ! আগামী বছরেই খুলছে রামন্দিরের দ্বার, কবে জানেন?

    মাধ্যম নিউজ ডেস্ক: বিজেপির সবথেকে বড় দুটো অ্যাজেন্ডা ছিল, রামমন্দির (Ram Mandir) নির্মাণ এবং ৩৭০ ধারার বিলোপ। মোদি জমানায় দুটোই সফল। ২০২০ সালের ৫ অগাস্ট অযোধ্যায় রামমন্দিরের শিলান্যাস করেছিলেন প্রধানমন্ত্রী নরেন্দ্র মোদি। বৈদিক মন্ত্রের ধ্বনিতে সেদিন গমগম করছিল দশরথ নন্দনের জন্মভিটে। মন্দিরের একতলা নির্মাণের কাজ প্রায় শেষ। অক্টোবর মাসেই সম্পূর্ণ হবে নির্মাণ প্রক্রিয়া। আগামী বছরেই উদ্বোধন হবে রামমন্দিরের। চলতি বছরের জানুয়ারি মাসেই কেন্দ্রীয় স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী অমিত শাহ ত্রিপুরা সফরে গিয়ে বলেছিলেন, ‘‘রামমন্দির নির্মাণের কাজ ২০২৪ সালের ১ জানুয়ারির মধ্যে সম্পূর্ণ তৈরি হয়ে যাবে।’’

    রামলালার বিগ্রহে প্রাণ প্রতিষ্ঠা করতে আমন্ত্রণ জানানো হয়েছে প্রধানমন্ত্রীকে 

    প্রসঙ্গত, ২০১৯ সালের ৯ নভেম্বর সুপ্রিম কোর্ট নির্দেশ দেয় অযোধ্যায় রামমন্দির নির্মাণের। মন্দির নির্মাণের জন্য ২০২০-র ৬ ফেব্রুয়ারি ট্রাস্ট গড়েছিল মোদি সরকার। জানা গিয়েছে, ২০২৪ সালেই ভক্তদের জন্য খুলে যাবে মন্দিরের দ্বার। রাম জন্মভূমি ট্রাস্টের সদস্য নৃপেন্দ্র মিশ্র সোমবার নির্মাণ পরিস্থিতি পর্যালোচনার পর জানান, ১ তলার কাজ প্রায় শেষ। মন্দির উদ্বোধনের জন্য তিনটি তারিখ নিয়ে আলোচনা চলছে। ১৭ থেকে ২৪ জানুয়ারির মধ্যে যেকোনও দিন খুলে যাবে শ্রী রামের মন্দির। এই দিনগুলির মধ্যে পবিত্র তিথি বাছার কাজ চলছে বলে জানা গিয়েছে। প্রধানমন্ত্রী নরেন্দ্র মোদিকে রামলালার (শিশু রাম)বিগ্রহে প্রাণ প্রতিষ্ঠার অনুরোধ জানিয়ে চিঠিও পাঠিয়েছেন মহন্ত নিত্য গোপাল দাস। দিল্লিতে প্রধানমন্ত্রীর অফিসে গিয়ে আমন্ত্রণ পত্র দিয়ে আসেন নৃপেন্দ্র মিশ্র।

    আরও পড়ুন: মোদির হাতে সেঙ্গল তুলে দেন অধিনমকর্তা! জানুন তাঁদের ইতিহাস

    রামমন্দিরের (Ram Mandir) অন্দরসজ্জা

    রামমন্দির ট্রাস্ট সূত্রে জানা গিয়েছে, মন্দিরের দেওয়ালে বসানো হচ্ছে রাজস্থানের গোলাপি রঙের বেলেপাথর। কর্নাটক থেকে এসেছে গ্রানাইট। উত্তরপ্রদেশের মির্জাপুর থেকে এসেছে বেলেপাথর। মন্দিরের গর্ভগৃহের কাজের জন্য রাজস্থান থেকে এসেছে সাদা মার্বেল পাথর। গর্ভগৃহের কোথাও ইট বা ইস্পাত ব্যবহার করা হচ্ছে না। চলতি বছরের জানুয়ারি মাসেই নেপাল থেকে এসেছে শিলা।

     

    দেশের খবর, দশের খবর, সব খবর, সবার আগে পেতে ফলো করুন আমাদের FacebookTwitter এবং Google News পেজ।

  • Panchayat Election: নন্দীগ্রামে শাসক দলের বিবাদ চরমে! ক্ষোভ উগরে দিলেন সেখ সুফিয়ান

    Panchayat Election: নন্দীগ্রামে শাসক দলের বিবাদ চরমে! ক্ষোভ উগরে দিলেন সেখ সুফিয়ান

    মাধ্যম নিউজ ডেস্ক: পঞ্চায়েত নির্বাচন (Panchayat Election) ঘোষণা হতেই শাসকদলের (TMC) গোষ্ঠীকোন্দল তুঙ্গে উঠেছে। জেলায় জেলায় তৃণমূল ছাড়তে দেখা গিয়েছে তৃণমূলের পুরনো কর্মীদের। সোমবার গোষ্ঠীকোন্দলের ছবি ধরা পড়ল নন্দীগ্রামে। ২০০৭ থেকেই এই নন্দীগ্রাম শাসক দলের কাছে অত্যন্ত গুরুত্বপূর্ণ। নন্দীগ্রাম আন্দোলনই তৃণমূলকে ক্ষমতা দেয় ২০১১ সালে। নন্দীগ্রাম জমি আন্দোলনের আহ্বায়ক সেখ সুফিয়ান পঞ্চায়েত ভোটের আগে দলেরই বিরুদ্ধে ক্ষোভ উগরে দিলেন।

    আরও পড়ুুন: অনুব্রতর গড়ে ভাঙন ধরাল বিজেপি! দলত্যাগ তৃণমূল প্রধান সহ কয়েকশো কর্মীর

    কেন অসন্তুষ্ট  সেখ সুফিয়ান?

    পঞ্চায়েত ভোট (Panchayat Election) পরিচালনার জন্য দলের নির্বাচন কমিটিতে নাম না থাকায় ক্ষোভ উগরে দিলেন ২০২১ বিধানসভা ভোটের মমতার ইলেকশান এজেন্ট সেখ সুফিয়ান। পঞ্চায়েত নির্বাচনের (Panchayat Election) আগে নন্দীগ্রামে এই  গোষ্ঠী কোন্দল অস্বস্তিতে শাসক দল তৃণমূল। জানা গিয়েছে, নন্দীগ্রাম এক নম্বর ব্লকে যে নির্বাচন কমিটি গঠন করা হয়েছে সে কমিটি থেকে বাদ পড়েছেন সেখ সুফিয়ান সহ তার অনুগামী অনেক নেতা। তারপরেই ক্ষোভ উগড়ে দেন সেখ সুফিয়ান। তার অভিযোগ বিধানসভা নির্বাচনে বিজেপির হয়ে কাজ করে যারা মমতা বন্দ্যোপাধ্যায় কে হারিয়েছে তারাই আজকে নির্বাচন কমিটির পদে রয়েছে। গতকালই নন্দীগ্রামের তৃণমূল নেতৃত্বের উপর ক্ষোভ উগরে দিয়ে দলেরই একাংশ একটি নির্দল মঞ্চ গঠন করেছিল। তারপরে সোমবার এই ঘটনায় তৃণমূল অস্বস্তিতে পড়েছে।

    কী বললেন সেখ সুফিয়ান?

    দলের বর্তমান নেতৃত্বের বিরুদ্ধে ক্ষোভ উগের দিয়ে সুফিয়না বলেন, ‘‘নন্দীগ্রাম আন্দোলনের মধ্য দিয়েই তৃণমূলের উত্থান। শাসক দলের প্রদীপ যখন নিভে গেছিল তখন আমি নন্দীগ্রামের হাল ধরেছিলাম। গত বিধানসভা নির্বাচনে যারা তলায় তলায় বিজেপি করতো, এখন তাদেরকেই নন্দীগ্রামের দায়িত্বে আনা হয়েছে’’। এনিয়ে কটাক্ষ করতে ছাড়েনি বিজেপি। গেরুয়া শিবির বলছে, ‘‘সংগঠন যারা করতে জানে, সেই সমস্ত নেতাদের গুরুত্ব নেই তৃণমূলে।’’

     

    আরও পড়ুন: টাকার বিনিময়ে প্রার্থী! প্রতিবাদে জলপাইগুড়িতে নির্দল দাঁড়ানোর হঁশিয়ারি তৃণমূলের একাংশের

     

    দেশের খবর, দশের খবর, সব খবর, সবার আগে পেতে ফলো করুন আমাদের FacebookTwitter এবং Google News পেজ।

  • TMC: “টাকার বিনিময়ে প্রার্থী করছেন ব্লক সভাপতি”, অবস্থানে বসে কী দাবি জানালেন তৃণমূল নেতারা?

    TMC: “টাকার বিনিময়ে প্রার্থী করছেন ব্লক সভাপতি”, অবস্থানে বসে কী দাবি জানালেন তৃণমূল নেতারা?

    মাধ্যম নিউজ ডেস্ক: টাকার বিনিময়ে পঞ্চায়েতে টিকিট দেওয়ার অভিযোগ  উঠল বাঁকুড়ার মেজিয়ার ব্লক তৃণমূলের (TMC) সভাপতির বিরুদ্ধে। তবে, এটা কোনও বিরোধীদের অভিযোগ নয়। এই ধরনের চাঞ্চল্যকর অভিযোগ করছে তৃণমূলের কর্মীরা। আর এই ঘটনাকে কেন্দ্র করে পঞ্চায়েত নির্বাচনের আগে তৃণমূলের কোন্দল একেবারে প্রকাশ্যে চলে এসেছে। চরম বিড়ম্বনায় পড়েছে শাসক দল।

    ঠিক কী অভিযোগ?

    রাজ্যে বেজে গিয়েছে পঞ্চায়েত নির্বাচনের দামামা। ইতিমধ্যেই মনোনয়নপত্র জমা করার কাজ শুরু হয়েছে। বিরোধী দল মনোনয়ন পত্র জমা দেওয়ার কাজে এগিয়ে থাকলেও শাসক দল এখনও মনোনয়নপত্র জমা করেনি বাঁকুড়ার মেজিয়ায়। এবার এই ব্লকে টাকার বিনিময়ে পঞ্চায়েতে টিকিট দেওয়ার অভিযোগ উঠল তৃণমূলের (TMC) মেজিয়া ব্লকের সভাপতি জন্মেজয় বাউরির বিরুদ্ধে। এমনকী বাঁকুড়ার জেলা তৃণমূলের সভাপতিও এই কাজের সঙ্গে জড়িত রয়েছেন বলে অভিযোগ উঠেছে। এই অভিযোগ তুলে পথে নামল তৃণমূলের একটা অংশ। মমতা বন্দ্যোপাধ্যায় এবং অভিষেক বন্দ্যোপাধ্যায়ের ছবি লাগানো ব্যানার তৈরি করে তাঁরা অবস্থানে বিক্ষোভে বসেন। বিক্ষোভকারীদের বক্তব্য, যোগ্য তৃণমূল কর্মীদের প্রার্থী করা হচ্ছে না। যারা অযোগ্য তাঁদের টাকার বিনিময়ে প্রার্থী করা হচ্ছে। তাই, মেজিয়ার ব্লক সভাপতি এবং বাঁকুড়া সাংগঠনিক জেলা তৃণমূল কংগ্রেসের সভাপতির অপসারণের দাবি জানাচ্ছি।

    কী বললেন তৃণমূল (TMC) নেতৃত্ব?

    তৃণমূলের (TMC) মেজিয়া ব্লকের সভাপতি জন্মেজয় বাউরি বলেন, এখনও প্রার্থী চূড়ান্ত হয়নি। রাজ্য নেতৃত্ব এই বিষয়ে সিদ্ধান্ত গ্রহণ করবে। আর প্রার্থী ঠিক করার বিষয়ে আমার কোনও হাত নেই। ফলে, আমার বিরুদ্ধে ওঠা সব অভিযোগ ভিত্তিহীন। কেউ অভিযোগ করতেই পারে। কিন্তু, প্রমাণ দিতে হবে। কেউ প্রমাণ দিতে পারলে আমি পদ ছেড়ে দেব। আসলে কিছু মানুষ দলকে ব্যবহার করে রোজগার করত। তারাই এই ধরনের দল বিরোধী কাজ করছেন।

    কী বললেন বিজেপি নেতৃত্ব?

    অন্যদিকে, এনিয়ে তৃণমূল (TMC) কংগ্রেস কে কটাক্ষ করতে ছাড়েননি বিজেপি। বিজেপির মেজিয়ার মণ্ডল সভাপতি বিপদতারণ বাউরি বলেন, তৃণমূল দলটা নিজের কর্মীদের বিশ্বাস করে না, তারা কী করে সাধারণ মানুষের হয়ে কাজ করবে। আর যারা পঞ্চায়েতে ত্রিপল বিক্রি করতে পারে, তাদের প্রার্থী ঠিক করার জন্য টাকা নেবে এটা স্বাভাবিক ঘটনা। মানুষ এর যোগ্য জবাব দেবে।

     

    দেশের খবর, দশের খবর, সব খবর, সবার আগে পেতে ফলো করুন আমাদের FacebookTwitter এবং Google News পেজ।

  • TMC: টাকার বিনিময়ে প্রার্থী! প্রতিবাদে জলপাইগুড়িতে নির্দল দাঁড়ানোর হঁশিয়ারি তৃণমূলের একাংশের

    TMC: টাকার বিনিময়ে প্রার্থী! প্রতিবাদে জলপাইগুড়িতে নির্দল দাঁড়ানোর হঁশিয়ারি তৃণমূলের একাংশের

    মাধ্যম নিউজ ডেস্ক: পঞ্চায়েত নির্বাচন ঘোষণা হতেই শাসকদলের (TMC) গোষ্ঠীকোন্দল তুঙ্গে উঠেছে। জেলায় জেলায় তৃণমূল ছাড়তে দেখা গিয়েছে তৃণমূলের পুরনো কর্মীদের। রবিবার একই ঘটনা সামনে এল জলপাইগুড়ি জেলায়। অভিষেক ব্যানার্জীর গাইডলাইন না মেনে টাকার বিনিময়ে প্রার্থী করা হলে, তারা নির্দল হয়ে মনোনয়ন পেশ করবেন, এমনই হুঁশিয়ারি দিতে শোনা গেল জেলার রাজগঞ্জ ব্লকের বিক্ষুব্ধ  তৃণমূল কর্মীদের। আর এতেই প্রার্থী নিয়ে রাজগঞ্জে  প্রকাশ্যে এল তৃনমূলের গোষ্ঠীদ্বন্দ্ব।

    টাকার বিনিময়ে প্রার্থীর অভিযোগ

    গত ২২ মে যৌথভাবে সাংবাদিক সম্মেলন ডেকেছিলেন তৃণমূলের (TMC) এসসি, এসটি এবং ওবিসি সেলের সদস্যরা। উপস্থিত রাজগঞ্জে তৃণমূল নেতা জাফিরুল হক। সেইদিন তাঁদের অভিযোগ ছিল, জলপাইগুড়ি জেলায় নবজোয়ার কর্মসূচি চলাকালীন যে ভোটের আয়োজন করা হয়েছিল, তাতে যারা জিতেছিল তাদেরকে মান্যতা না দিয়ে আলাদা বৈঠক করে টাকার বিনিময়ে প্রার্থী করা হচ্ছে। এরপর প্রায় দু সপ্তাহের বেশি সময় অতিক্রম হয়েছে। জেলা এবং রাজ্য নেতৃত্বের কাছ থেকে কোনও রকম সদুত্তর না পেয়ে এবার নিজেরাই আলাদা করে ভোটে লড়ার চুড়ান্ত প্রস্তুতি নিতে দেখা গেল বিক্ষুব্ধ তৃণমূল কর্মীদের। 

    সোমবার আলাদাভাবে মনোনয়ন পেশ করার কথা বিক্ষুব্ধ তৃণমূল  নেতাদের

    রবিবার বিকেলে কুকুরযান অঞ্চলে এক গোপন ডেরায় বৈঠকের পর তৃণমূলের বিক্ষুব্ধ নেতা কর্মীদের সাফ বক্তব্য সোমবার তারা নিজেদের মতো করে মনোনয়ন পেশ করবেন। এই ঘটনায়  আদি ও নব্য তৃণমূল কর্মীদের বিবাদ প্রকাশ্যে চলে এল। দলের পুরনো কর্মী বসিরুদ্দিন আহমেদ বলেন, ‘‘অভিষেক ব্যানার্জীর নির্দেশ আমরা অক্ষরে অক্ষরে মেনে আমাদের এখানে প্রার্থীকে জিতিয়েছি। এবার তাদের নাম যদি প্রার্থী তালিকায় না থাকে তবে আমরা নির্দল হয়ে মনোনয়ন জমা দেব।’’ বর্ষীয়ান তৃণমূল (TMC) কর্মী রফিকুল ইসলাম বলেন, ‘‘আমাদের এখানে জ্যোৎস্না বেগম ৬-২ ভোটে জিতেছে। আমাদের আশঙ্কা তাকে প্রার্থী না করে টাকার বিনিময়ে অন্য কাউকে প্রার্থী করা হচ্ছে, যা আমরা কোন ভাবেই মেনে নেব না। আমরা আগামীকাল মনোনয়ন দাখিল করবো।’’ ঘটনায় তৃনমূলের রাজগঞ্জের ব্লক সভাপতি অরিন্দম ব্যানার্জী জানিয়েছেন আমরা মমতা ব্যানার্জী আর অভিষেক ব্যানার্জীর ছবি নিয়ে রাজনীতি করি। তাই আমাদের মধ্যে কোনও গোষ্ঠীদ্বন্দ নেই। দল যেভাবে বলবে সেই ভাবেই প্রার্থী দেওয়া হবে। 

    আরও পড়ুুন: অনুব্রতর গড়ে ভাঙন ধরাল বিজেপি! দলত্যাগ তৃণমূল প্রধান সহ কয়েকশো কর্মীর

     

    দেশের খবর, দশের খবর, সব খবর, সবার আগে পেতে ফলো করুন আমাদের FacebookTwitter এবং Google News পেজ।

LinkedIn
Share