Tag: bjp

bjp

  • Akhand Bharat: ইতিহাসে প্রথম! নয়া সংসদ ভবনের দেওয়ালে অখণ্ড ভারতের ভাস্কর্য

    Akhand Bharat: ইতিহাসে প্রথম! নয়া সংসদ ভবনের দেওয়ালে অখণ্ড ভারতের ভাস্কর্য

    মাধ্যম নিউজ ডেস্ক: নয়া সংসদ ভবনের দেওয়ালে স্থাপন করা হল অখণ্ড ভারতের (Akhand Bharat) ম্যুরাল। এ বিষয়ে সংসদীয় মন্ত্রী প্রহ্লাদ জোশী বলেন, ‘‘আমাদের সংকল্প খুব পরিষ্কার এবং তা হল অখণ্ড ভারত।’’ 

    কী রয়েছে অখণ্ড ভারতের (Akhand Bharat) ম্যুরালে?

    প্রাচীন ভারতের নানা জনপদ চিহ্নিত করা রয়েছে ওই ম্যুরালে। তক্ষশীলাও রয়েছে, যা বর্তমানে পাকিস্তানের অংশ। রয়েছে গান্ধারও, যা বর্তমানে আফগানিস্তানের অংশ। বর্তমান নাম কান্দাহার। বিশেষজ্ঞদের মতে, অখণ্ড ভারতের ভাবনার প্রতিফলন ভারতীয় সংসদে এই প্রথম দেখা গেল। ইতিহাস বিশ্লেষকরা বলছেন, ভারতীয় সংস্কৃতি বা স্বাধীনতা সংগ্রাম-কোনও কিছুই অখণ্ড ভারতকে বাদ দিয়ে হয় না। লাহোরে ভগৎ সিং-এর মামলা হোক, চট্টগ্রামে মাস্টারদা সূর্য সেনের নেতৃত্বে অস্ত্রাগার লুণ্ঠন, অথবা তক্ষশীলায় চাণক্যের পাঠদান-সমস্ত কিছুই ভারতের সংস্কৃতি এবং ঐতিহ্যকে প্রতিফলিত করে। একই সঙ্গে বিদেশি শাসকের বিরুদ্ধে দেশের মানুষের স্বাধীনতা সংগ্রামের ঘটনাগুলিকেও স্মরণ করায়।

    আরও পড়ুন: ‘‘সংসদের আস্থার প্রতীক প্রধানমন্ত্রী’’, শুভেচ্ছা বার্তায় বললেন রাষ্ট্রপতি 

    ট্যুইট কর্নাটক বিজেপিরও

    এনিয়ে ট্যুইট করেছে কর্ণাটক বিজেপিও। তারা লিখছে, ‘‘এটা আমাদের গর্ব, আমাদের প্রাচীন সভ্যতার প্রতীক।’’

    অখণ্ড ভারত (Akhand Bharat) ভৌগোলিক ধারণা

    ওয়াকিবহাল মহলের মতে, অখণ্ড ভারতের (Akhand Bharat) ধারণা একটা ভৌগোলিক ধারণা, যেখানে আফগানিস্তান, পাকিস্তান, বাংলাদেশ, শ্রীলঙ্কা, মায়ানমার এবং তাইল্যান্ড আসে। প্রসঙ্গত, রবিবার প্রধানমন্ত্রী নরেন্দ্র মোদি নয়া সংসদ ভবনের উদ্বোধন করেন এবং তিনি বলেন, ‘‘এই সংসদ ভবন হল ১৪০ কোটি দেশবাসীর আকাঙ্ক্ষার প্রতীক। তার সঙ্গে তিনি এও বলেন, ‘‘এক ভারত শ্রেষ্ঠ ভারত।’’

    আরও পড়ুন: নতুন সংসদ ভবনের অন্দরসজ্জা কেমন? ভিডিও শেয়ার করে ঝলক দেখালেন প্রধানমন্ত্রী

     

    দেশের খবর, দশের খবর, সব খবর, সবার আগে পেতে ফলো করুন আমাদের FacebookTwitter এবং Google News পেজ

  • Suvendu Adhikari: ভানু বাগের শ্রাদ্ধ খেতে গিয়েছেন মুখ্যমন্ত্রী, মৃত পরিবারে চাকরি দিতে নয়, বললেন শুভেন্দু

    Suvendu Adhikari: ভানু বাগের শ্রাদ্ধ খেতে গিয়েছেন মুখ্যমন্ত্রী, মৃত পরিবারে চাকরি দিতে নয়, বললেন শুভেন্দু

    মাধ্যম নিউজ ডেস্ক: পশ্চিমবঙ্গে সুশাসন নেই। সম্প্রতি এই রাজ্যে তিনটি বড়ো বড়ো বিস্ফোরণ হয়েছে। মমতা ব্যানার্জী আজকে এগারাতে গিয়েছেন। ভানু বাগের বাড়িতে শ্রাদ্ধ খেতে উনি গিয়েছেন, কোনও মৃতদের পরিবারকে চাকরি দিতে যান নি। উত্তর দিনাজপুরে পুলিশ এক বিজেপি কর্মীর বুকে গুলি করে খুন করেছে। গোটা পশ্চিমবঙ্গে বিজেপি কর্মীদের খুন করা হচ্ছে। আর এই ভাবেই রাজ্যের শাসক তৃণমূল সরকারের বিরুদ্ধে তোপ দাগলেন বিরোধী দলনেতা শুভেন্দু অধিকারী (Suvendu Adhikari)।

    শুভেন্দু (Suvendu Adhikari) কোথায় সভা করলেন!

    শনিবার বিকালে মালদার মালিকচকে একটি জনসভায় বক্তব্য রাখতে গিয়ে শাসক দল তৃণমূল এবং মুখ্যমন্ত্রী মমতা ব্যানার্জির সমালোচনা করেন রাজ্যের বিরোধী দলনেতা তথা বিজেপি বিধায়ক শুভেন্দু অধিকারী। এইদিনের এই জনসভায় উপস্থিত হয়েছিলেন জেলা বিজেপি নেতৃত্ব। এইদিন বিকালে জনসভা শেষ করে ট্রেনে করে কলকাতার উদ্দেশ্যে রওনা দেন বিজেপি বিধায়ক (Suvendu Adhikari) শুভেন্দু অধিকারী।

    কী বললেন বিরোধী (Suvendu Adhikari) দলনেতা

    মালদায় বিশেষ জনসভায় বক্তব্য রাখতে গিয়ে রাজ্যের বিরোধী দলনেতা শুভেন্দু অধিকারী (Suvendu Adhikari) বলেন, বর্তমানে রাজ্যে পরিযায়ী শ্রমিক ৪৫ লক্ষ। বামফ্রন্টের সময় এই সংখ্যা ছিল ৫ লক্ষ। বেশীরভাগ এই পরিযায়ী শ্রমিকদের মধ্যে সংখ্যালঘুরা আছেন। প্রধানমন্ত্রী আবাস যোজনাতে পশ্চমবঙ্গকে ৫০ লক্ষ বাড়ি দিয়েছে কেন্দ্রীয় সরকার। তৃণমূলের নেতারা সেই সব বাড়ি নিয়ে নিয়েছে। ১০০ দিনের কাজে সব থেকে বেশী দুর্নীতি হয়েছে এই মালদা জেলাতে। আরও বলেন তিনি, এই চোরদের তাড়াতে হবে। কেন এই চোরদের ভোট দেবেন? যারা কাঁটা তারের বেড়া টপকে ঢুকেছে, তাদেরকে কাঁটাতারের ওপাশে আবার যেতে হবে। কেন্দ্র সরকারের গ্রহণযোগ্যতা সারা বিশ্বে আর তাই বিদেশের মাটিতে প্রধানমন্ত্রীকে পায়ে হাত দিয়ে প্রণাম করছে। কৃষক পরিবারের টাকা আটকে দিয়েছে এই রাজ্যের সরকার। মাধ্যমিকে ছাত্রছাত্রীদের সংখ্যা কমছে আর মদের দোকানের সংখ্যা বাড়ছে বলে বিশেষ অভিযোগ করেন। ডিয়ার লটারি কাটতে কাটতে এই রাজ্যের মানুষকে ভিখারি করে দিয়েছে। এই রকম নানা বাক্য দিয়ে সরকারের সমালোচনা করেন বিরোধী দলনেতা।

    অভিষেকের বিরুদ্ধে তোপ

    তৃণমূলের সর্ব ভারতীয় সাধারণ সম্পাদক অভিষেক বন্দ্যোপাধ্যায়কে মহম্মদ বিনতুঘলকের সঙ্গে তুলনা করে শুভেন্দু অধিকারী (Suvendu Adhikari) বলেন, জনজোয়ারের নামে কোটি কোটি টাকা খরচ হচ্ছে। মুসলিমদের মধ্যে এনআরসির ভয় দেখাচ্ছে। কুড়মিদের মধ্যে লড়াই লাগাচ্ছে মমতা ব্যানার্জী নিজে। রামনবমীর দিনে গোলমাল হয়েছে মমতা ব্যানার্জীর জন্যেই। এই রাজ্যে কোনো চাকরি নেই। সেই সঙ্গে বলেন পশ্চমবঙ্গকে আমাদেরই বাঁচাতে হবে। ডবল ইঞ্জিনের সরকার এই রাজ্যে প্রতিষ্ঠা করতে হবে। সিপিএমের ফাঁদে পা দেবেন না। সিপিএমের আমলে ওরা চাকরি বিক্রি করেছিল। মমতা ব্যানার্জীকে আমি প্রাক্তন করব। রাজ্য সরকারের বিরুদ্ধে একরাশ অভিযোগের কথা তুলে ধরে রাজ্যের সংখ্যালঘু সামজের মানুষের মনে বিশেষ জায়গা তৈরির কৌশল করলেন বিরোধী দলের নেতা শুভেন্দু অধিকারী।

     

    দেশের খবর, দশের খবর, সব খবর, সবার আগে পেতে ফলো করুন আমাদের Facebook, Twitter এবং Google News পেজ।

  • NITI Aayog Meeting: রাজ্যগুলির ক্ষতি! নীতি আয়োগের বৈঠকে গরহাজির ৮ অ-বিজেপি মুখ্যমন্ত্রী

    NITI Aayog Meeting: রাজ্যগুলির ক্ষতি! নীতি আয়োগের বৈঠকে গরহাজির ৮ অ-বিজেপি মুখ্যমন্ত্রী

    মাধ্যম নিউজ ডেস্ক: দিল্লিতে নীতি আয়োগের বৈঠকে (NITI Aayog Meeting) শনিবার গরহাজির ৭ অ-বিজেপি মুখ্যমন্ত্রী। এরপরই বিরোধী দলগুলির বিরুদ্ধে ‘দায়িত্বজ্ঞানহীন’ এবং ‘জনবিরোধী’ রাজনীতি করার অভিযোগ তুলল বিজেপি। তৃণমূল নেত্রী তথা রাজ্যের মুখ্যমন্ত্রী মমতা বন্দ্যোপাধ্যায় আগেই জানিয়েছিলেন তিনি নীতি আয়োগের বৈঠকে থাকবেন না। বৈঠকে যোগ দেননি অববিন্দ কেজরীওয়াল, ভগবন্ত মান, নীতীশ কুমার, কে চন্দ্রশেখর রাও, এমকে স্ট্যালিন, পিনারাই বিজয়ন এবং অশোক গেহলটের মতো বিরোধী মুখ্যমন্ত্রীরা। 

    বিরোধীদের ভুল রাজনীতি

    শনিবার দুপুরে প্রাক্তন কেন্দ্রীয় মন্ত্রী তথা বিজেপি নেতা রবিশঙ্কর প্রসাদ সাংবাদিক বৈঠকে বলেন, ‘‘২০৪৭ সালের মধ্যে ভারতকে একটি উন্নত দেশ হিসাবে গড়ে তোলার লক্ষ্য নিয়েছে কেন্দ্রীয় সরকার। স্বাস্থ্য, দক্ষতা উন্নয়ন, মহিলাদের ক্ষমতায়ন এবং পরিকাঠামো উন্নয়ন-সহ বেশ কয়েকটি বিষয়ে আলোচনা করা বৈঠকটি শনিবার এখানে শুরু হয়েছিল। কিন্তু এত জন মুখ্যমন্ত্রী বৈঠকে অংশগ্রহণ না করার মানে হল, তাঁদের রাজ্যের বক্তব্য শোনা যাবে না।’’ বিরোধীদের এই রাজনীতিতে সরকারের উন্নয়নের উদ্যোগই ব্যাহত হবে বলে জানান তিনি। রবিশঙ্করের কথায়, ‘‘এটা খুবই দুর্ভাগ্যজনক, দায়িত্বজ্ঞানহীন এবং জনবিরোধী।’’ মমতা-সহ বিরোধী মুখ্যমন্ত্রীদের উদ্দেশে তাঁর প্রশ্ন, ‘‘দেখব প্রধানমন্ত্রী নরেন্দ্র মোদির বিরোধিতা করে আপনারা কত দূর যান?’’

     আরও পড়ুন: ‘‘কুড়মিদের বিষয়ে শহরের রাজপুত্ররা কী জানবে’’! অভিষেককে তুলোধনা দিলীপের

    শনিবার দিল্লিতে বসেছে নীতি আয়োগের বৈঠক (Niti Aayog Meeting)। সভাপতিত্ব করছেন খোদ প্রধানমন্ত্রী নরেন্দ্র মোদি (PM Narendra Modi)। নয়া দিল্লির (New Delhi) প্রগতি ময়দানের নিউ কনভেনশন সেন্টারে এই সভার আয়োজন করা হয়েছে। বিশেষজ্ঞদের মতে, যে রাজ্যগুলি নীতি আয়োগের বৈঠক বয়কটের সিদ্ধান্ত নিয়েছেন তাঁরা ভুল করছেন। এর ফলে দিনের শেষে আদপে রাজ্যগুলির উন্নতির গতিই শ্লথ হয়ে যায়। প্রসঙ্গত, ২০৪৭ সালের মধ্যে দেশকে কীভাবে উন্নত ভারতে পরিণত করা যায়, পাশাপাশি সেই কর্মযজ্ঞে মুখ্যমন্ত্রীদের অবদান কী হতে পারে তা নিয়ে আলোচনা হয় এদিনের বৈঠকে।

    দেশের খবর, দশের খবর, সব খবর, সবার আগে পেতে ফলো করুন আমাদের FacebookTwitter এবং Google News পেজ।

  • 9 Years Of PM Modi: কোভিড ভ্যাকসিন থেকে বন্দে ভারত! ৯ বছরে মোদি সরকারের সাফল্যের নানা ছবি

    9 Years Of PM Modi: কোভিড ভ্যাকসিন থেকে বন্দে ভারত! ৯ বছরে মোদি সরকারের সাফল্যের নানা ছবি

    মাধ্যম নিউজ ডেস্ক: কোভিড ভ্যাকসিন থেকে সেমি হাই স্পিড বন্দে ভারত এক্সপ্রেস, উজ্জ্বলা যোজনা, সুকন্যা সমৃদ্ধি যোজনা,বেটি বাঁচাও, বেটি পড়াও, আবাস যোজনা, আয়ুষ্মান ভারত প্রকল্প মোদি সরকারের ৯ বছর পূর্তিতে উঠে এল মোদি সরকারের সাফল্যের নানা ছবি। ২৬ মে মোদি (9 Years Of PM Modi) সরকারের ৯ বছর পূর্ণ হয়েছে। বিজেপির শীর্ষ নেতৃত্ব শুক্রবার গত ৯ বছরে দেশের সমৃদ্ধির এক খতিয়ান তুলে ধরেছেন। তাতেই উঠে এসেছে সফলতার গল্প। এই সাফল্যই আাগামী বছর লোকসভা নির্বাচনে বিজেপির প্রচারের হাতিয়ার।

    মেগা প্রচারের পরিকল্পনা 

    ২৬ মে ২০১৪ সালে দেশের প্রধানমন্ত্রী হিসেবে শপথ নেন নরেন্দ্র মোদি (9 Years Of PM Modi) । এই ৯ বছরের যাত্রাকে স্মরণীয় করে রাখতে, বিজেপি একটি মেগা প্রচারের পরিকল্পনা করেছে। এতে কেন্দ্রীয় সরকারের কাজের খতিয়ান জনগণের কাছে তুলে ধরা হবে। ৩১ মে রাজস্থানের আজমীরে প্রধানমন্ত্রী নরেন্দ্র মোদির জনসভা দিয়ে এই অনুষ্ঠান শুরু হবে। পাশাপাশি চালু করা হবে ‘কন্টাক্ট টু সাপোর্ট’ কর্মসূচিও। ৩১ মে থেকে ৩০ জুন পর্যন্ত চলা এই বিশেষ অভিযানে দেশের বিভিন্ন স্থানে প্রায় ৫১টি বড় জনসভা করা হতে পারে। যেখানে প্রায় ৮টি সভায় ভাষণ দেবেন প্রধানমন্ত্রী মোদি। তিনি ছাড়াও অমিত শাহ, জেপি নাড্ডা, যোগী আদিত্যনাথ, স্মৃতি ইরানি, হিমন্ত বিশ্ব শর্মা সহ অন্যান্য নেতারাও সমাবেশে ভাষণ দেবেন।  বিজেপি হিন্দি, ইংরেজি ছাড়াও রাজ্যগুলির জন্য আঞ্চলিক ভাষায় প্রচারের পরিকল্পনা করেছে।

    ভিডিও সিরিজ চালানোর প্রস্তুতি

    এই প্রচারের সময় একটি বিশেষ ভিডিও সিরিজ চালানোর প্রস্তুতিও নিয়েছে বিজেপি। ৪টি ভিডিও সিরিজে মোদি সরকারের ৯ বছরের সাফল্যকে তুলে ধরা হবে। তার মধ্যে যেমন রয়েছে ‘উজ্জ্বলা যোজনা’, তেমনই রয়েছে স্বাধীনতার ৭৫ বছর পূর্তি উপলক্ষ্যে বন্দে ভারত ট্রেনের যাত্রা। সেই সঙ্গে কোভিড ভ্যাকসিন বিশ্বের বিভিন্ন প্রান্তে পৌঁছে মোদির নেতৃত্বে ভারত যে মহামারীর বিরুদ্ধে লড়াইয়ে বিশ্বকে পথ দেখিয়েছে সেই সাফল্যের খতিয়ানও তুলে ধরা হবে।

    আরও পড়ুন: নতুন সংসদ ভবনের অন্দরসজ্জা কেমন? ভিডিও শেয়ার করে ঝলক দেখালেন প্রধানমন্ত্রী

    একই সঙ্গে কোভিড কালে ৮০ কোটি মানুষকে বিনামূল্যে রেশন বিতরণ, আয়ুষ্মান ভারত যোজনার মাধ্যমে বিশ্বের বৃহত্তম জনস্বাস্থ্য পরিচর্যা কর্মসূচির খতিয়ানও এই সময়ের মধ্যে সাধারণের সামনে পেশ করার পরিকল্পনা রয়েছে বিজেপির। এই সময় দেশে ৭৪টি নতুন বিমানবন্দর নির্মাণ করা হয়েছে।

    জলপথ, রেলপথ, বিমান পরিষেবা

    ৫৪হাজার কিমি জাতীয় সড়ক নির্মাণের পাশাপাশি ১১১ টি জলপথ এবং ১৫টি শহরে মেট্রো রেল চালু করা হয়েছে সেই সঙ্গে ১৭টি বন্দে ভারত ট্রেন চালু করেছে কেন্দ্র সরকার। আগামী দিনে দেশের সব বড় শহরকে বন্দে ভারতের মাধ্যমে জোড়ার পরিকল্পনা রয়েছে মোদি সরকারের। ইতিহাস এবং সংস্কৃতিকে সম্মান দিয়ে অযোধ্যায় রাম মন্দির নির্মাণ, রাণসীতে কাশী বিশ্বনাথ করিডোর, উজ্জয়িনে মহাকাল লোক প্রকল্প-এর মত সাফল্যও দেশবাসীর সামনে তুলে ধরতে চাইছে বিজেপি।

    দেশের খবর, দশের খবর, সব খবর, সবার আগে পেতে ফলো করুন আমাদের FacebookTwitter এবং Google News পেজ।

  • Suvendu Adhikari: আবাস যোজনার টাকায় তৈরি হচ্ছে ‘বাংলার বাড়ি’! কেন্দ্রকে চিঠি শুভেন্দুর

    Suvendu Adhikari: আবাস যোজনার টাকায় তৈরি হচ্ছে ‘বাংলার বাড়ি’! কেন্দ্রকে চিঠি শুভেন্দুর

    মাধ্যম নিউজ ডেস্ক: প্রধানমন্ত্রী আবাস যোজনায় (Awas Yojana) নির্মিত বাড়ির নাম পরিবর্তন করে লেখা হয়েছে বাংলার বাড়ি। এমনই অভিযোগ তুলে ফের কেন্দ্রকে চিঠি দিলেন বিরোধী দলনেতা শুভেন্দু অধিকারী (Suvendu Adhikari)। তাঁর দাবি, প্রধানমন্ত্রী আবাস যোজনার নাম অন্যায়ভাবে বদলে দেওয়া হয়েছে। আদতে কেন্দ্রীয় প্রকল্পের টাকা খরচ করেই রাজ্য সরকার ‘বাংলার বাড়ি’ প্রকল্প চালাচ্ছে বলে দাবি করেছেন তিনি। শুক্রবার কেন্দ্রীয় আবাসন ও নগরোন্নয়ন মন্ত্রী হরদীপ সিং পুরীকে এই চিঠি পাঠিয়েছেন শুভেন্দু। 

    প্রয়োজনীয় পদক্ষেপ করার আর্জি শুভেন্দুর

    কেন্দ্রীয় মন্ত্রী হরদিপ সিং পুরিকে এই মর্মে তিন পাতার চিঠি লিখে প্রয়োজনীয় পদক্ষেপ করার আর্জি জানিয়েছেন বিরোধী দলনেতা শুভেন্দু অধিকারী (Suvendu Adhikari)। প্রধানমন্ত্রী আবাস যোজনার অন্তর্গত উপভোক্তাদের জন্য রাজ্যে যে সমস্ত বাড়ি নির্মাণ হচ্ছে সেখানে কেন বাংলার বাড়ি লেখা হবে? সেই প্রশ্ন তুলে প্রয়োজনীয় পদক্ষেপ নেওয়ার পাশাপাশি কেন্দ্রীয় প্রকল্পের নাম বদলে বাংলার বাড়ি লেখা হলে পরবর্তী ইনস্টলমেন্টের টাকাও যাতে রাজ্য সরকারকে না মেটানো হয় কেন্দ্রীয় মন্ত্রীর কাছে সেই আবেদনও করেছেন শুভেন্দু। চিঠির সঙ্গে বাংলার বাড়ি প্রকল্পের একটি লোগোও পাঠিয়েছেন শুভেন্দু। 

    আরও পড়ুন: নতুন সংসদ ভবনের অন্দরসজ্জা কেমন? ভিডিও শেয়ার করে ঝলক দেখালেন প্রধানমন্ত্রী

    আবাস যোজনা নিয়ে আগেই বিতর্ক হয়েছে অনেক। কেন্দ্রের প্রকল্পের টাকা যোগ্য ব্যক্তিদের দেওয়া হচ্ছে কি না,তা নিয়েও প্রশ্ন উঠেছে। শুভেন্দুর (Suvendu Adhikari) দাবি, নাম বদলে প্রচার চালাচ্ছে রাজ্য সরকার। এমনকী আবাস যোজনার টাকায় যে সব বাড়ি তৈরি করা হচ্ছে, সেই সব বাড়ির সামনে বাংলার বাড়ি প্রকল্পের নাম সাঁটিয়ে দিয়ে আসা হচ্ছে বলেও অভিযোগ জানিয়েছেন শুভেন্দু। রাজ্যের পুর দফতর এই কাজ করছে। আর এর ফলে বিভ্রান্তিতে পড়ছেন গ্রাহকেরা। গ্রাহকদের এই বিভ্রান্তি কাটাতে যাতে কেন্দ্র হস্তক্ষেপ করে, সেই আর্জিই জানিয়েছেন শুভেন্দু। বাড়ির কাজ সম্পূর্ণ হবে না, এই আশঙ্কায় মানুষ ভুগছে বলেও দাবি করেছেন তিনি।

    দেশের খবর, দশের খবর, সব খবর, সবার আগে পেতে ফলো করুন আমাদের FacebookTwitter এবং Google News পেজ।

  • Balurghat: রেল লাইনের সম্প্রসারণে গায়েব হচ্ছে গ্রামের আস্ত একটি পাড়া

    Balurghat: রেল লাইনের সম্প্রসারণে গায়েব হচ্ছে গ্রামের আস্ত একটি পাড়া

    মাধ্যম নিউজ ডেস্ক: বালুরঘাট-হিলি (Balurghat) রেললাইন সম্প্রসারণের জন্য গায়েব হতে যেতে চলেছে গ্রামের আস্ত একটি পাড়া। এর ফলে ওই গ্রামের প্রায় ২৫টি পরিবার গৃহহীন হয়ে যেতে বসেছে। জমির দলিল বা পাট্টা না থাকায়, তাঁরা কেউ ক্ষতিপূরণও পাবেন না বলে জানা গেছে। ফলে আচমকা এই পরিবারগুলির ওপরে নেমে এসেছে আশঙ্কার কালো ছায়া। স্থানীয়রা ইতিমধ্যেই ক্ষতিগ্রস্তদের পুনর্বাসনের দাবি তুলেছে। সরব হয়েছে রাজনৈতিক দলগুলিও। এই পাড়াকে ঘিরে আন্দোলন তৈরী হচ্ছে বালুরঘাটে।

    কোথায় চলছে রেলের জন্য জমি (Balurghat) অধিগ্রহণ

    বালুরঘাটের (Balurghat) চকভৃগু থেকে ভাটপাড়া, অমৃতখণ্ড হয়ে হিলির দিকে চলে গিয়েছে রেললাইন। দীর্ঘ টালবাহানার পর সম্প্রতি রেলের কাজের জন্য রাজ্য সরকার জমি অধিগ্রহণ শুরু করেছে। জমি চিহ্নিতকরণ করে খুঁটি বসানো হয়েছে। ঠিক সেই সময় অমৃতখণ্ড পঞ্চায়েতের ডুমইর গ্রামের চক আমোদ পাড়াটি পুরোটাই পড়েছে রেলের চিহ্নিত করা জমির মধ্যে। দীর্ঘ সময় ধরে এই জমিতে বসবাস করছিল ওই কয়েকটি পরিবার। ওই পরিবারগুলিকে কেন্দ্র করেই এলাকায় গড়ে উঠেছিল পাড়াটি। এবার জমি অধিগ্রহণ প্রক্রিয়া শুরু হতেই প্রায় ২৫টি বাড়ি ও দৌল্লা প্রাথমিক বিদ্যালয় প্রস্তাবিত রেললাইনের মধ্যে পড়েছে বলে জানা গেছে। কিন্তু এলাকার বাসিন্দাদের জমির কোনও দলিল বা পাট্টা না থাকায়, তাঁরা কোনও ক্ষতিপূরণ পাবেন না বলে জানা গেছে। ফলে গ্রামবাসীদের বক্তব্য, গরিব মানুষের বাড়িঘর চলে গেলে তাঁরা কোথায় থাকবেন?

    গ্রামের (Balurghat) মানুষের প্রতিক্রিয়া

    গ্রামের (Balurghat) বাসিন্দা বৃদ্ধা মুক্তিরানি সরকার বলেন, দীর্ঘদিন ধরে এখানে বসবাস করছি। আমাদের বাড়ি, স্কুল সবই রেলের জমির মধ্যে পড়ে গিয়েছে। তাই সরকারের কাছে আবেদন, আমাদের অন্যত্র থাকার ব্যবস্থা করে দিন। আবার স্থানীয় গৃহবধূ গৌরী বর্মন বলেন, আমাদের পাড়ার প্রায় সবাই গরিব। সকলেরই প্রায় দিন এনে দিন খাওয়া পরিবার। রেল তার জমি চিহ্নিত করে গিয়েছে। সরে যেতে বলেছে আমাদের। কিন্তু আমাদের অন্যত্র জমি কেনার ক্ষমতা নেই! কী করব বুঝতে পারছি না !

    রাজনৈতিক দলের প্রতিক্রিয়া

    একইভাবে বিভিন্ন রাজনৈতিক দলগুলি গ্রামবাসীদের (Balurghat) পুনর্বাসনের দাবি জানিয়েছেন। বিজেপির তরফে জেলা শাসকের কাছে ওই এলাকার মানুষদের পুনর্বাসনের দাবি জানানো হবে বলে জানিয়েছেন দলের জেলা সম্পাদক বাপি সরকার। তিনি আরও বলেন, দীর্ঘ ৫০ বছর ধরে বসবাস করেও জমির দলিল বা পাট্টা না থাকায় এতদিন সরকারি কোনও সুযোগসুবিধা পাননি ওই পাড়ার বাসিন্দারা। রেলের তরফেও কোনও ক্ষতিপূরণ পাবেন না তাঁরা। তাই তাঁদের পুনর্বাসনের দাবি নিয়ে রাজ্য সরকারের কাছে আমাদের আন্দোলন চলবে। দীর্ঘ সময় ধরে সেখানে বসবাস করা মানুষের পুনর্বাসন, ক্ষতিপূরণ নিয়ে, সরকার কিছু ভাবেন কি না, সেটাই এখন দেখার।

     

    দেশের খবর, দশের খবর, সব খবর, সবার আগে পেতে ফলো করুন আমাদের Facebook, Twitter এবং Google News পেজ।

  • Diary of West Bengal: ‘ডায়েরি অফ ওয়েস্ট বেঙ্গল’-এর পরিচালককে তলব মমতা পুলিশের, প্রতিবাদ বিজেপির

    Diary of West Bengal: ‘ডায়েরি অফ ওয়েস্ট বেঙ্গল’-এর পরিচালককে তলব মমতা পুলিশের, প্রতিবাদ বিজেপির

    মাধ্যম নিউজ ডেস্ক: পশ্চিমবঙ্গে রাজনৈতিক সন্ত্রাস নতুন কোনও ঘটনা নয়। হত্যা ও লুটের এই রাজনীতির বিরুদ্ধে বারবার সরব হয়েছে বিরোধী দল বিজেপি। এবার বড় পর্দায় রাজনৈতিক সন্ত্রাসকে তুলে ধরার জন্য ‘ডায়েরি অফ ওয়েস্ট বেঙ্গল’ (Diary of West Bengal) নামের ছবির ট্রেলার প্রকাশ পেল। ছবিটির ট্রেলার সামনে আসতেই পরিচালক সনোজ মিশ্রকে থানায় তলব করেছে কলকাতা পুলিশ। জানা গেছে গত ১১ মে আমর্হাস্ট স্ট্রিট থানায় অভিযোগ দায়ের করেছেন এক ব্যক্তি। শুধু সনোজ মিশ্রই নয় অভিযোগে নাম রয়েছে প্রযোজক জিতেন্দ্র নারায়ণ সিংয়েরও। প্রযোজকই এই ছবির চিত্রনাট্য লিখেছেন বলে জানা যাচ্ছে।

    কী বলছেন ছবির পরিচালক?

    আগামী ৩০ মে তদন্তকারী অফিসারের সামনে হাজির হতে বলা হয়েছে পরিচালককে। ছবির মালিককেও ডাকা হয়েছে বলে জানা যাচ্ছে। প্রসঙ্গত, দিন কয়েক আগেই নবান্নে সাংবাদিক সম্মেলন করে মুখ্যমন্ত্রী বাংলায় ‘দ্য কেরালা স্টোরি’-কে নিষিদ্ধ ঘোষণা করেন। পরে সুপ্রিম কোর্ট থেকে আবার প্রদর্শনীর ছাড়পত্র পায় সিনেমাটি। এবার ‘ডায়েরি অফ ওয়েস্ট বেঙ্গল’ ছবির ক্ষেত্রেও একই পথে হাঁটছে মমতা সরকার। পরিচালক সনোজ মিশ্র বলেন, ‘‘কীভাবে পশ্চিমবঙ্গের সামাজিক পরিস্থিতি বদলে যাচ্ছে, বেকারত্ব বাড়ছে এসব নিয়েই বাংলার বাস্তব পরিস্থিতিকে তুলে ধরা হয়েছে ছবিতে।’’

    কী বলছে বিজেপি?

    ছবির পরিচালককে (Diary of West Bengal) পুলিশি তলবের ঘটনাকে স্বৈরতান্ত্রিক বলছে বিজেপি। বিজেপি নেতা শমীক ভট্টাচার্যের মতে, ‘‘বিভিন্ন সন্ত্রাসবাদী কার্যকলাপের সঙ্গে পশ্চিমবঙ্গের নাম জড়িয়ে যাচ্ছে। বাংলা থেকে জঙ্গি ধরা পড়ছে। এই বাস্তবতাকে কেউ যদি চলচ্চিত্রের মাধ্যমে তুলে ধরতে চান সেটা তো সাধারণ মানুষকে সচেতন করার জন্য। সেটা কতটা সত্য, কতটা আংশিক সত্য তা নিয়ে বিতর্ক থাকতে পারে। কিন্তু সিনেমাকে নিষিদ্ধ করে দেওয়ার সিদ্ধান্ত চরম অগণতান্ত্রিক ও অসহিষ্ণু।

    ট্যুইট করেছেন অমিত মালব্য

    বিজেপির পশ্চিমবঙ্গের দায়িত্বপ্রাপ্ত নেতা তাঁর ট্যুইটে লিখেছেন, ‘‘৩০ মে পরিচালককে ডাকা হয়েছে কলকাতার থানায়। মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়ের রাজত্বে এটাই হল বাক স্বাধীনতা, শিল্প ও শিল্পীর মুক্তচিন্তার পরিবেশ।’’

    ছবির খুঁটিনাটি

    এই ছবির যে ট্রেলার প্রকাশ পেয়েছে তাতে দেখানো হয়েছে বাংলায় রাজনৈতিক সন্ত্রাসের পরিবেশ। এবং তুলে ধরা হয়েছে কীভাবে বাংলা নব্বইয়ের দশকের কাশ্মীর হওয়ার পথে এগোচ্ছে। মহারাষ্ট্রের সনোজ মিশ্র এই ছবিটির পরিচালক। এবং এটি ওয়াসিম রিজভি ফিল্মসের তরফ থেকে প্রযোজনা করা হচ্ছে। চিত্রনাট্য লিখেছেন জিতেন্দ্র নারায়ণ সিং। ফিল্ম নির্মাতাদের দাবি, সত্য ঘটনার উপরেই এই সিনেমা বানানো হয়েছে।

    আরও পড়ুন: রাজ্য নির্বাচন কমিশনার নিয়ে নবান্নের সঙ্গে সংঘাত, ফাইল ফেরত পাঠালেন রাজ্যপাল

     

    দেশের খবর, দশের খবর, সব খবর, সবার আগে পেতে ফলো করুন আমাদের FacebookTwitter এবং Google News পেজ।

  • Dilip Ghosh: ‘‘কতদিন ওকে কোলে নিয়ে ঘুরে বেড়াবেন মমতা’’! অভিষেককে কটাক্ষ দিলীপের

    Dilip Ghosh: ‘‘কতদিন ওকে কোলে নিয়ে ঘুরে বেড়াবেন মমতা’’! অভিষেককে কটাক্ষ দিলীপের

    মাধ্যম নিউজ ডেস্ক: পশ্চিম মেদিনীপুরের শালবনিতে শনিবার ‘তৃণমূলে নবজোয়ার’ কর্মসূচিতে উপস্থিত থাকতে চলেছেন মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়। এই বিষয়ে এদিন কটাক্ষ করলেন বিজেপির সর্বভারতীয় সহ সভাপতি দিলীপ ঘোষ (Dilip Ghosh)। তিনি বলেন, “কতদিন ওকে কোলে কোলে নিয়ে ঘুরে বেড়াবেন মমতা ব্যানার্জি? এবার ওকে একটু রাস্তায় ছাড়ুন।” শুক্রবার নিউটাউনের ইকো পার্কে প্রাতঃভ্রমণে বেড়িয়ে সাংবাদিকদের মুখোমুখি হয়ে একাধিক বিষয়ে মুখ খুলেছেন রাজ্য বিজেপির প্রাক্তন সভাপতি। অভিষেককে কটাক্ষ করেছেন রাজ্য বিজেপির সভাপতি সুকান্ত মজুমদারও (Sukanta Majumdar)।

    সুকান্তর দাবি

    অভিষেক বন্দ্যোপাধ্যায়ের জন্যই তৃণমূলের আমলে সন্ত্রাস সর্বোচ্চ স্তরে পৌঁছেছে, বলে দাবি করেন সুকান্ত (Sukanta Majumdar)। তবে রাজ্যে আসন্ন পঞ্চায়েত ভোটে কোনওরকম সন্ত্রাস বরদাস্ত করা হবে না বলেও হুঁশিয়ারি দিয়েছেন তিনি। তাঁর কথায়, “ভাইপো আড়ালে থেকে রাজ্যে সন্ত্রাস চালাচ্ছে। এটার পরিবর্তন হওয়া দরকার।”

    মমতাকে প্রশ্ন দিলীপের (Dilip Ghosh)

    নবজোয়ারে মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়ের যোগদান নিয়ে খোঁচা দেন দিলীপ ঘোষ (Dilip Ghosh)। তাঁর কথায়, “জঙ্গলমহল কি অভিষেক একা সামলাতে পারছেন না? কতদিন ওঁকে কোলে কোলে নিয়ে ঘুরে বেড়াবেন মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়? ওঁকে একটু রাস্তায় ছাড়ুন। উনি ওঁকে পাঠিয়েই বুঝে গেছেন কতটা দম আছে। পুলিশ, এনভিএফ, সিভিক পুলিশ এইসব দিয়ে ভিড় করাতে হচ্ছে। পার্টির লোক কিছু নেই। কিছু কাটমানি খোর, গুন্ডা বদমাশ আছে। তাও কেউ রাস্তা আটকাচ্ছে, কেউ চোর বলছে। এরকম জননেতা বাড়ির ল্যাবরেটরিতে তৈরি। এদের দিয়ে সমাজের কিস্যু হবে না।”

    আরও পড়ুুন: রবিবার নয়া সংসদ ভবনের উদ্বোধন, জেনে নিন মেগা অনুষ্ঠানের সূচি

    সম্প্রতি প্রধানমন্ত্রী নরেন্দ্র মোদিকে আক্রমণ করেছিলেন অভিষেক। সেই প্রসঙ্গে দিলীপ ঘোষ (Dilip Ghosh) বলেন, “অভিষেক এরকম ডায়লগ গত বারও দিয়েছিল। এবারেও এতো লোক এসে মমতার হাতে পায়ে ধরছে। বলছে আপনি আসুন, মোদির বিরুদ্ধে দাঁড়ান। উনি সাহস পাচ্ছেন না। কারণ উনি জানেন, মোদিজি যা করছেন, দেশের স্বার্থে করছেন। সাধারণ মানুষ খুব খুশি ২০০০ টাকার নোট বাতিলে। এই নোট বাজারে দেখা যায় না। কারও কারওর বাড়িতে দেখা যায়। কোথাও কোথাও লুকানো আছে। এবার সেগুলো বেরোবে। তাই মানুষ খুশি। যাদের ভয় আছে, ইলেকশনের টাকাটা জলে চলে গেল, তারাই প্রতিবাদ করছে।”

    দেশের খবর, দশের খবর, সব খবর, সবার আগে পেতে ফলো করুন আমাদের FacebookTwitter এবং Google News পেজ।

  • UPSC: আরএসএস পরিচালিত স্কুলে পড়ে আজ ইউপিএসসি-তে সফল এক ডজনেরও বেশি ছাত্র-ছাত্রী

    UPSC: আরএসএস পরিচালিত স্কুলে পড়ে আজ ইউপিএসসি-তে সফল এক ডজনেরও বেশি ছাত্র-ছাত্রী

    মাধ্যম নিউজ ডেস্ক: রাষ্ট্রীয় স্বয়ংসেবক সঙ্ঘ পরিচালিত স্কুলে পড়াশোনা করেছেন, এমন এক ডজনেরও বেশি ছাত্রছাত্রী এবার সফল হলেন ইউপিএসসি (UPSC) পরীক্ষায়। যাঁদের মধ্যে প্রথম কুড়িতে স্থান পেয়েছেন একজন, অবিনাশ কুমার। বিহারের সরস্বতী বিদ্যা মন্দিরে পড়াশোনা করা এই ছাত্র সারা দেশে ১৭ তম স্থান অধিকার করেছেন। বিদ্যাভারতীর তরফে প্রকাশ করা তালিকায় দেখা যাচ্ছে, চলতি বছরের ইউপিএসসি পরীক্ষায় সফল হয়েছেন, এমন ১৪ জন ছাত্রছাত্রী, তাঁদের স্কুলে পড়াশোনা করতেন। প্রসঙ্গত, দিন কয়েক আগেই রাহুল গান্ধী আরএসএস পরিচালিত স্কুলগুলিকে তুলনা করেছিলেন পাকিস্তানের মাদ্রাসার সঙ্গে। এ প্রসঙ্গে, কেন্দ্রীয় মন্ত্রী প্রকাশ জাভেরকর বলেন, ‘‘সঙ্ঘ হল পৃথিবীর মধ্যে সবথেকে বড় স্কুল, যেখানে দেশপ্রেম শেখানো হয়। কংগ্রেসের পক্ষে এটা বোঝা সম্ভব নয়।’’ চলতি বছরে ইউপিএসসি পরীক্ষায় সঙ্ঘের স্কুলগুলির এই বিপুল সাফল্য রাহুল গান্ধীর মিথ্যাচারেরই জবাব দিল বলে মনে করছে রাজনৈতিক মহলের একাংশ।

    আরও পড়ুন: জুন মাসের ‘নেট’ পরীক্ষার আবেদন প্রক্রিয়া শুরু! জানুন বিস্তারিত

    সারাদেশে ১২ হাজারেরও বেশি স্কুল চালায় আরএসএস

    প্রসঙ্গত, আরএসএসের শাখা সংগঠন হল বিদ্যাভারতী। সূত্রের খবর, বর্তমানে বিদ্যাভারতী পরিচালিত স্কুলগুলিতে প্রায় ৩৪ লক্ষ ছাত্রছাত্রী পড়াশোনা করছে সারা দেশে। বিদ্যাভারতী পরিচালিত ১২ হাজারেরও বেশি স্কুলে প্রাক প্রাথমিক থেকে উচ্চ মাধ্যমিক স্তর পর্যন্ত শিক্ষা ব্যবস্থা চালু রয়েছে। শিক্ষা প্রসারের উদ্দেশ্যে দেশের প্রত্যন্ত অঞ্চলেও চলে বিদ্যা ভারতীর স্কুল।

    বিদ্যাভারতীর প্রকাশ করা তালিকা

    ইতিমধ্যে বিদ্যাভারতী ইউপিএসসি (UPSC) পাশ করা ১৪ জন ছাত্র-ছাত্রীর একটি তালিকা প্রকাশ করেছে। তাতে দেখা যাচ্ছে, বিদ্যা ভারতীর স্কুলে পড়াশোনা করা ১৪ জন ইউপিএসসি পরীক্ষায় সফল হয়েছেন। তালিকায় রয়েছেন ৪ ছাত্রী এবং ১০ ছাত্র।

    এক নজরে দেখে নেওয়া যাক, সঙ্ঘের স্কুল থেকে ইউপিএসসি-তে সফল কারা হলেন 

    ১) বিকাশ গুপ্তা, মধ্যপ্রদেশের কাটনি জেলার সরস্বতী উচ্চ মাধ্যমিক বিদ্যালয়ে পড়াশোনা করা এই ছাত্র চলতি বছরে ইউপিএসসি (UPSC) পরীক্ষায় উত্তীর্ণ হয়েছেন। 

    ২) মুদিতা শর্মা, রাজস্থানের মীরা বাল মন্দিরে পড়াশোনা করা ছাত্রী মুদিতা এ বছর ইউপিএসসি পাশ করেছেন।

    ৩) শুভম সিং ঠাকুর, মধ্যপ্রদেশের সরস্বতী শিশু মন্দিরে পড়াশোনা করা ছাত্র শুভম আইপিএস পরীক্ষায় উত্তীর্ণ হয়েছেন।

    ৪) আয়ুষী জৈন, রাজস্থানের বিদ্যাভারতী পরিচালিত আদর্শ বিদ্যামন্দিরে পড়াশোনা করা এই ছাত্রী এ বছর আইএএস পরীক্ষায় ৭৩ তম স্থান অর্জন করেছেন।

    ৫) জয়ন্ত আশিয়া, রাজস্থানের আদর্শ বিদ্যামন্দিরে পড়াশোনা করা ছাত্র জয়ন্ত এ বছর আইএএস পরীক্ষায় উত্তীর্ণ হয়েছেন।

    ৬) অভিনব দ্বিবেদী, উত্তরপ্রদেশের মথুরা জেলার সরস্বতী বিদ্যামন্দিরে পড়াশোনা করা ছাত্র অভিনব চলতি বছরের আইএএস পরীক্ষায় ১৩৭ তম স্থান অধিকার করেছেন।

    ৭) প্রতীক্ষা প্রধান, ওড়িশার সরস্বতী শিশু বিদ্যামন্দিরে পড়াশোনা করা ছাত্রী প্রতীক্ষা চলতি বছরে ইউপিএসসি (UPSC) পরীক্ষায় সফল হয়েছেন।

    ৮) যতীন পারাশার, মধ্যপ্রদেশের গুনা জেলার সরস্বতী শিশু মন্দিরে পড়াশোনা করা এই ছাত্র চলতি বছরে ইউপিএসসি পরীক্ষায় উত্তীর্ণ হয়েছেন।

    ৯) উর্বশী সেঙ্গর, মধ্যপ্রদেশের গোয়ালিয়র সরস্বতী শিশু মন্দিরে পড়াশোনা করা এই ছাত্রী চলতি বছরের ইউপিএসসি-তে সফল হয়েছেন।

    ১০) বিভোর ভরদ্বাজ, উত্তরপ্রদেশের ছাত্র বিভোর স্কুল জীবনে পড়তেন শিকারপুরের সরস্বতী  বিদ্যামন্দিরে। তিনিও সফল ইউপিএসসি পরীক্ষায়।

    ১১) হরিশ কুমার, রাজস্থানের ছাত্র হরিশ স্কুল জীবনে পড়তেন সুমেরপুর আদর্শ বিদ্যামন্দিরে। এবছর আইএএস পরীক্ষায় সফল হয়েছেন তিনি।

    ১২) অবিনাশ কুমার, বিহারের অবিনাশ স্কুল জীবনে শ্রীরানী সরস্বতী বিদ্যামন্দিরে পড়তেন। এ বছরে আইএএস পরীক্ষায় ১৭ তম স্থান অধিকার করেছেন তিনি।

    ১৩) হিমাংশু কুমার, উত্তরপ্রদেশের ছাত্র হিমাংশু স্কুল জীবনে পড়তেন চাঁদপুরের সরস্বতী বিদ্যামন্দিরে। চলতি বছরের ইউপিএসসি পরীক্ষায় সফল হয়েছেন তিনি।

    ১৪) রাকেশ মীনা, রাজস্থানের ছাত্র রাকেশ স্কুল জীবনে পড়তেন আদর্শ বিদ্যামন্দিরে। চলতি বছরে ইউপিএসসি-তে উত্তীর্ণ হয়েছেন তিনি।

     

    দেশের খবর, দশের খবর, সব খবর, সবার আগে পেতে ফলো করুন আমাদের FacebookTwitter এবং Google News পেজ।

  • Suvendu Adhikari: এবার মালদাতেও সভার অনুমতি দিল না পুলিশ! ফের হাইকোর্টের দ্বারস্থ শুভেন্দু

    Suvendu Adhikari: এবার মালদাতেও সভার অনুমতি দিল না পুলিশ! ফের হাইকোর্টের দ্বারস্থ শুভেন্দু

    মাধ্যম নিউজ ডেস্ক: ফের বিরোধী দলনেতার সভার অনুমতি দিল না পুলিশ। এবার মালদা। চলতি মাসের ২৭ তারিখ শুভেন্দু অধিকারীর সভার অনুমতি দেয়নি মালদা জেলা প্রশাসন। নন্দীগ্রামের বিধায়কের সভায় অনুমতি না দেওয়ার নজির অবশ্য এই প্রথম নয়। এর আগেও চন্দ্রকোণার সিমলাপালে তাঁর সভা বাতিল করে প্রশাসন। প্রতিবারই হাইকোর্ট থেকে অর্ডার নিয়ে সভা করতে হয় শুভেন্দু অধিকারীকে (Suvendu Adhikari)। মালদার সভা নিয়েও শুভেন্দু অধিকারী দ্বারস্থ হয়েছেন কলকাতা হাইকোর্টের। পুলিশ-প্রশাসনের বক্তব্য, কেন ১৫ দিন আগে অনুমতি চাওয়া হয়নি? শুভেন্দু অধিকারী জানাচ্ছেন, অনলাইনে সেই সুযোগ দেওয়া হয়নি। তাই আবেদন পরে করা হয়েছে। প্রশাসন শাসকদলের অঙ্গুলিহেলনে কাজ করছে, এই অভিযোগে বারবার সরব হয়েছেন বিরোধী দলনেতা। ওয়াকিবহাল মহল বলছে,  প্রতিবারই দেখা যায়, প্রশাসন সভা বাতিল করার পরে কোর্ট অনুমতি দেয়। এতে কার্যত শুভেন্দু অধিকারীর অভিযোগেই সিলমোহর মেলে।

    এর আগেও বিরোধী দলনেতার একাধিক সভা বাতিল

    প্রসঙ্গত, চলতি মাসের ২৪ তারিখ হাওড়ার শ্যামপুরে একই ঘটনা ঘটে। সভার অনুমতি দেয়নি স্থানীয় প্রশাসন। পরে হাইকোর্টে গিয়ে অনুমতি পান উদ্যোক্তারা। পটাশপুরের ক্ষেত্রেও একই ঘটনা ঘটতে দেখা যায়। ময়নায় দলীয় নেতা খুনের প্রতিবাদে ডাকা বনধকে কেন্দ্র করে উত্তপ্ত হয়ে ওঠে পটাশপুর এবং সেখানে পুলিশের বিরুদ্ধে নির্বিচারে লাঠিচার্জের অভিযোগ ওঠে। তারই প্রতিবাদে সভা করতে আবেদন জানান শুভেন্দু অধিকারী (Suvendu Adhikari)। কিন্তু পুলিশ অনুমতি দেয়নি। পরে হাইকোর্টের নির্দেশে সভা হয়।

    আরও পড়ুুন: “মোদিজির বিরুদ্ধে ষড়যন্ত্র হয়েছে নবান্নে”, বোমা ফাটালেন শুভেন্দু

    এনিয়ে কী বললেন শুভেন্দু অধিকারী (Suvendu Adhikari)

    রাজ্যের বিরোধী দলনেতার বক্তব্য, ‘‘মালদহে তৃণমূলের নবজোয়ারের থেকে পাঁচগুণ বেশি লোক নিয়ে সভা করব। পারলে পিসির ভাইপো আটকে দেখাক।’’ প্রসঙ্গত, অভিষেক বন্দ্যোপাধ্যায়ের নবজোয়ার কর্মসূচিতে মালদহে সভা করেছিলেন মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়। এখন দেখার বিষয় হাইকোর্ট এ নিয়ে কী রায়দান করে।

     

    দেশের খবর, দশের খবর, সব খবর, সবার আগে পেতে ফলো করুন আমাদের FacebookTwitter এবং Google News পেজ।

LinkedIn
Share