Tag: bjp

bjp

  • Karnataka Assembly Election: ভোটে লড়ছেন না ইয়েদুরাপ্পা! কর্নাটকে প্রথম দফার প্রার্থী তালিকা প্রকাশ বিজেপির

    Karnataka Assembly Election: ভোটে লড়ছেন না ইয়েদুরাপ্পা! কর্নাটকে প্রথম দফার প্রার্থী তালিকা প্রকাশ বিজেপির

    মাধ্যম নিউজ ডেস্ক: কর্নাটক বিধানসভা ভোটের প্রথম দফার প্রার্থী তালিকা প্রকাশ করল বিজেপি। এবার নির্বাচনে লড়ছেন না প্রাক্তন মুখ্যমন্ত্রী বি এস ইয়েদুরাপ্পা। তাঁর কেন্দ্র শিমোগো জেলার শিকারিপুরায় প্রার্থী করা হয়েছে ইয়েদুরাপ্পার ছেলে বিজয়েন্দ্রকে। কর্নাটকের ২২৪টি বিধানসভা আসনের মধ্যে ১৮৯টিতে প্রার্থীদের নাম ঘোষণা করা হয়েছে এই দফায়। তার মধ্যে নতুন মুখের সংখ্যা ৫২। 

    নতুন প্রজন্মকে প্রাধান্য

    মঙ্গলবার দিল্লিতে প্রার্থী তালিকা প্রকাশ করে কেন্দ্রীয় মন্ত্রী ধর্মেন্দ্র প্রধান বলেন, ‘‘নতুন প্রজন্মের নেতৃত্বকে প্রার্থীতালিকায় স্থান দেওয়া হয়েছে।’’ দলের সাধারণ সম্পাদক অরুণ কুমার জানিয়েছে ৩২ জন অনগ্রসর (ওবিসি), ৩০ জন তফসিলি জাতি এবং ১৬ জন তফসিলি জনজাতির প্রার্থী রয়েছেন তালিকায়। ১৮৯ জন প্রার্থীর মধ্যে আটজন মহিলা মুখ রয়েছে। মুখ্যমন্ত্রী বাসবরাজ বোম্মাইকে তাঁর পুরনো কেন্দ্র ধারওয়াড় জেলার শিগ্গাওয়ে প্রার্থী করেছে বিজেপি। ২০০৮ সাল থেকে টানা ৩ টি বিধানসভা ভোটে ওই কেন্দ্রে জিতেছেন তিনি।

    কে কোথায় প্রার্থী

    কনকপুরায় প্রদেশ কংগ্রেস সভাপতি ডিকে শিবকুমারের বিরুদ্ধে রাজ্য বিজেপির প্রাক্তন সভাপতি তথা মন্ত্রী আর আশোক প্রার্থী হয়েছেন। কংগ্রেস নেতা তথা প্রাক্তন মুখ্যমন্ত্রী সিদ্দারামাইয়ার বিরুদ্ধে বরুণা আসনে প্রার্থী করা হয়েছে ভি সোমান্নাকে। সোমান্নাকে আরও একটি আসনে প্রার্থী করা হয়েছে। বরুণার পাশাপাশি চামারাজনগরে প্রার্থী হচ্ছেন তিনি। এতদিন তিনি গোবিন্দরাজা নগর আসন থেকে প্রতিদ্বন্দ্বিতা করেছেন। এই প্রথম দুটি আসনে প্রার্থী হলেন। এদিনের এই তালিকায় ৩১ প্রার্থী-র পিএইচডি ডিগ্রি রয়েছে। স্নাতকোত্তর ডিগ্রি রয়েছে ৩১ প্রার্থীর। এছাড়াও তালিকায় ৮ চিকিৎসক রয়েছেন। কয়েকজন অবসরপ্রাপ্ত আইএএস ও আইপিএস অফিসারের নাম রয়েছে তালিকায়।

    আরও পড়ুন: আজ লাভপুরে সভা! ‘কাক কখনও ময়ূর হতে পারে না…’ তৃণমূলকে কটাক্ষ সুকান্তর

    প্রসঙ্গত, আগামী ১০ মে এক দফায় বিধানসভা ভোট হবে কর্নাটকে। ১৩ মে হবে ফল ঘোষণা। গত ২৯ মার্চ ভোটের নির্ঘণ্ট ঘোষণা করে নির্বাচন কমিশন। এদিকে, আগেই প্রথম দফায় কর্নাটকের ১২৪টি আসনে প্রার্থীদের নাম ঘোষণা করেছে কংগ্রেস। পরে দ্বিতীয় দফায় আরও ৪১ আসনেও প্রার্থীদের নাম ঘোষণা করে হাত শিবির। প্রাক্তন প্রধানমন্ত্রী এইচডি দেবগৌড়ার জনতা দল সেকুলার ইতিমধ্যে অধিকাংশ আসনে প্রার্থীর নাম ঘোষণা করেছে। এদিন তালিকা প্রকাশের পর বাসবরাজ বোম্মাই ট্যুইটারে লেখেন, ‘কর্নাটকে ডবল ইঞ্জিন সরকার গঠনের পক্ষে হাওয়া বইছে। এবার আমরা সম্পূর্ণ সংখ্যাগরিষ্ঠতা নিয়ে ক্ষমতায় আসব।’ দ্রুত দ্বিতীয় তালিকাও প্রকাশ করা হবে বলে জানিয়েছেন বোম্মাই।

    দেশের খবর, দশের খবর, সব খবর, সবার আগে পেতে ফলো করুন আমাদের FacebookTwitter এবং Google News পেজ।

  • Sukanta Majumdar: আজ লাভপুরে সভা! ‘কাক কখনও ময়ূর হতে পারে না…’ তৃণমূলকে কটাক্ষ সুকান্তর

    Sukanta Majumdar: আজ লাভপুরে সভা! ‘কাক কখনও ময়ূর হতে পারে না…’ তৃণমূলকে কটাক্ষ সুকান্তর

    মাধ্যম নিউজ ডেস্ক: ‘অনুব্রতহীন’ বীরভূমে আজ, বুধবার রাজনৈতিক কর্মসূচি বিজেপির রাজ্য সভাপতি সুকান্ত মজুমদারের (Sukanta Majumdar)। লাল মাটির দেশে নিজেদের রাজনৈতিক জমি শক্ত করার লক্ষ্যে গেরুয়া শিবির। দীর্ঘদিনের বঞ্চনা দূর করতে পিছিয়ে পড়া মানুষও তাদের সঙ্গে রয়েছে, দাবি বিজেপির।

    লাভপুরে সভা সুকান্তর

    গরু পাচার মামলায় কেন্দ্রীয় তদন্তকারী সংস্থা অনুব্রত মণ্ডলকে গ্রেফতার করার পর থেকেই ঘনঘন বীরভূমে রাজনৈতিক কর্মসূচি পালন করেছে বিজেপি। সাংগঠনিক বৈঠক থেকে পথে নেমে আন্দোলন, কোনও কিছুই বাদ পড়েনি। সংখ্যালঘু অধ্যুষিত মুরারইয়ে সভা করেছেন রাজ্যের বিরোধী দলনেতা শুভেন্দু অধিকারী। আজ বীরভূমের লাভপুরে মূলত শাসকদলের নানান দুর্নীতির বিরুদ্ধে প্রতিবাদ মিছিল ও সভা করবেন বিজেপির রাজ্য সভাপতি সুকান্ত মজুমদার (Sukanta Majumdar)। বিজেপি নেতাদের দাবি, ‘অনুব্রত মণ্ডল গ্রেফতার হয়েছেন ঠিকই। কিন্তু বীরভূমে তৃণমূলের সন্ত্রাস কমেনি। জেলাজুড়ে ব্যাপক সন্ত্রাস চলছে’।  বীরভূম প্রশাসনিক জেলার ১১টি বিধানসভা কেন্দ্রের মধ্যে দুবরাজপুর কেন্দ্রটিই একমাত্র বিজেপির দখলে। সামনেই পঞ্চায়েত ভোট। তারপর লোকসভা। তার আগে বীরভূমে মানুষের মধ্যে মিশে যেতে চায় বিজেপি।

    আরও পড়ুন: শিবপুর ও রিষড়ায় অশান্তি নিয়ে রাজ্যপালের কাছে রিপোর্ট পেশ মুখ্যসচিব হরিকৃষ্ণ দ্বিবেদীর

    তৃণমূল জাতীয় দল সেজে ছিল

    মঙ্গলবার দুর্গাপুরে সিটি সেন্টারে বিজেপি একটি বড় মিছিল করে। সেই মিছিলে পা মেলান বিজেপির রাজ্য সভাপতি। এরপর দুর্নীতি বিরোধী সভায় বক্তব্য রাখতে গিয়ে তৃণমূল কংগ্রেসের বিরুদ্ধে সরব হন সুকান্ত (Sukanta Majumdar)। রাজ্যের শাসক দলের বিরুদ্ধে বিজেপির অন্যতম হাতিয়ার এখন দুর্নীতি। তৃণমূলের জাতীয় দলের তকমা হারানো প্রসঙ্গে তিনি বলেন, “কাঁঠালের যদি আমসত্ত্ব হয়, সোনার যদি পাথর বাটি হয় তাহলে তৃণমূল কংগ্রেসও সর্বভারতীয় দল হবে। তৃণমূল কখনই জাতীয় দল ছিল না, জাতীয় দল সেজে ছিল। কাঁঠালের আমসত্ত্ব হবে না। সোনার পাথর বাটি সম্ভব নয়। তৃণমূল জাতীয় দল হবে না।” তাঁর আরও দাবি, গরু পাচারের টাকা কয়লা পাচারের টাকা দিয়ে বিভিন্ন রাজ্যে ঘুরে ঘুরে ভাইপো কংগ্রেসের সব প্রাক্তন সভাপতি এবং নেতা কেনার চেষ্টা করে সর্বভারতীয় দল হবার স্বপ্ন দেখেছিলেন। ময়ূরের পেখম লাগালে কাক কখনো ময়ূর হতে পারে না। সেটা তৃণমূল কংগ্রেস বুঝে গেছে। 

    কটাক্ষ মমতা-অভিষেককেও

    এই প্রেক্ষিতে মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়কে তীব্র আক্রমণ করেন সুকান্ত। বলেন, “ভোটের সময় বাংলার মেয়ে বলে ভোট নিয়েছিলেন মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়। ভোটের পর রাজ্যসভায় বাংলার আসন কেড়ে, বাঙালিদের বঞ্চনা করে অসমে একজন অহমিয়া আর গোয়ার একজন গোয়ালিক্সকে মাথার ওপর বসিয়েছিলেন। এখন সেই নেতারা লাথি মেরে চলে যাচ্ছে। কারণ তারা বুঝে গেছে, রাষ্ট্রীয়স্তরে তৃণমূল কিছু করতে পারবে না।” অভিষেক কেও কটাক্ষ করেন বিজেপি রাজ্য সভাপতি। বলেন, “ভাইপো আগে বুঝতে পেরে রাজ্যে চলে এসেছিল। তিনি এখন সর্বভারতীয় নয়, শুধু বাংলার ভাইপো।” এদিন তিনি অভিষেক বন্দ্যোপাধ্যায়কে কটাক্ষের সুরে বলেন, “খোকন খোকন বলে ডাক পাড়ি, খোকন গেছে কার বাড়ি। আয়রে খোকন ঘরে আয়। ডাকছে তোকে সিবিআই।”

    দেশের খবর, দশের খবর, সব খবর, সবার আগে পেতে ফলো করুন আমাদের FacebookTwitter এবং Google News পেজ।

  • TMC Attack: শিবের মাথায় জল ঢালতে গিয়ে আক্রান্ত, উত্তেজনা কাঁথিতে, কাঠগড়ায় তৃণমূল

    TMC Attack: শিবের মাথায় জল ঢালতে গিয়ে আক্রান্ত, উত্তেজনা কাঁথিতে, কাঠগড়ায় তৃণমূল

    মাধ্যম নিউজ ডেস্ক: হাওড়ার শিবপুর এবং হুগলির রিষড়ায় রামনবমীর মিছিলে হামলা চালানোর ঘটনা নিয়ে রাজ্য-রাজনীতি তোলপাড়। রামনবমীর শোভাযাত্রায় গিয়ে বহু ভক্ত আক্রান্ত হয়েছিলেন। এবার শিবের মাথায় জল ঢালতে গিয়ে আক্রান্ত (TMC Attack) হলেন বেশ কয়েকজন। সোমবার রাতে ঘটনাটি ঘটেছে পূর্ব মেদিনীপুর জেলার দক্ষিণ কাঁথি বিধানসভা কেন্দ্রে। ঘটনাস্থল কাঁথি-১ নম্বর ব্লকের দুলালপুর গ্রাম পঞ্চায়েতের হামির মহল গ্রাম। ধর্মীয় অনুষ্ঠানে এই নির্মম অত্যাচারের ঘটনায় সাধারণ মানুষ আতঙ্কে রয়েছেন। পুলিশের হস্তক্ষেপে পরিস্থিতি আপাতত নিয়ন্ত্রণে এলেও ভবিষ্যতে যে ফের হামলা হবে না, এমন আশ্বস্ত হতে পারছেন না অনেকেই।

    ঠিক কী ঘটেছিল? 

    সোমবার রাতে এই গ্রামের শিবভক্তরা চন্দনেশ্বর থেকে জল নিয়ে যখন পাকা রাস্তা ছেড়ে গ্রামে প্রবেশ করেন, তখন বাবার মাথায় ঢালতে গেলেই শুরু হয় গণ্ডগোল। সেই সময় ভক্তদের উপর চড়াও হয় (TMC Attack) তৃণমূলের বেশ কিছু দুষ্কৃতী, অভিযোগ এমনটাই। গণ্ডগোলের খবর পেয়ে গ্রামে পৌঁছয় পুলিশ। পুলিশি তৎপরতায় রাতেই পরিস্থিতি নিয়ন্ত্রণে আসে। তারপর ভক্তরা শিবের মাথায় জল ঢালেন। আহতরা বেশিরভাগ মাজনা ও কাঁথি মহকুমা হাসপাতালে ভর্তি। সেখানে তাঁদের চিকিৎসা চলছে। গ্রামবাসীদের বক্তব্য, রাজনৈতিক হানাহানি তো আছেই। কিন্তু এর মধ্যে ধর্মাচরণে এভাবে কেন আঘাত হানা হচ্ছে, তা তাঁরা বুঝে উঠতে পারছেন না। গ্রামের পরিস্থিতি নিয়ন্ত্রণে পুলিশ এবং প্রশাসনকে দ্রুত ব্যবস্থা নেওয়ার আরজি তাঁরা জানিয়েছেন। পুলিশ দাবি করেছে, পরিস্থিতি আপাতত নিয়ন্ত্রণে।

    পুলিশকে সক্রিয় হওয়ার আবেদন বিজেপির

    শিবভক্তদের এভাবে আক্রান্ত (TMC Attack) হওয়ার ঘটনার তীব্র সমালোচনা করেছে বিজেপি। বিজেপির কাঁথি সাংগঠনিক জেলার সহ-সভাপতি অসীম মিশ্র পুলিশকে দ্রুত সক্রিয় হওয়ার আবেদন জানিয়েছেন।

    প্রতিক্রিয়া দিলেন না তৃণমূল নেতা

    একটা গণ্ডগোল হয়েছিল। পরিস্থিতি এখন নিয়ন্ত্রণে। এ বিষয়ে এখনই কোনও প্রতিক্রিয়া দেব না। বললেন কাঁথি এক নম্বর পঞ্চায়েত সমিতির সভাপতি তথা তৃণমূল নেতা প্রদীপ গায়েন।

     

    দেশের খবর, দশের খবর, সব খবর, সবার আগে পেতে ফলো করুন আমাদের FacebookTwitter এবং Google News পেজ।

  • National Party: ‘‘সর্বভারতীয় শব্দটি কবে মুছবে?’’ প্রশ্ন শুভেন্দুর, তৃণমূলকে কটাক্ষ সুকান্ত-দিলীপের

    National Party: ‘‘সর্বভারতীয় শব্দটি কবে মুছবে?’’ প্রশ্ন শুভেন্দুর, তৃণমূলকে কটাক্ষ সুকান্ত-দিলীপের

    মাধ্যম নিউজ ডেস্ক: জাতীয় দল (National Party) হিসাবে আর গণ্য করা যাবে না তৃণমূল কংগ্রেসকে। নির্বাচন কমিশন-এর এই সিদ্ধান্তকে স্বাগত জানিয়েছেন রাজ্যের বিরোধী দলনেতা শুভেন্দু অধিকারী। ট্যুইটে তৃণমূল কংগ্রেসের ‘সর্বভারতীয়’ তকমা নিয়ে মন্তব্য করেন শুভেন্দু। ট্যুইট বার্তায় শুভেন্দু অধিকারীর প্রশ্ন, তৃণমূলের নাম থেকে ‘সর্বভারতীয়’ শব্দটি কবে মুছবে? 

    শুভেন্দুর ট্যুইট

    তৃণমূল কংগ্রেস জাতীয় দলের তকমা হারানোর ঘোষণার সঙ্গে সঙ্গেই জাতীয় নির্বাচন কমিশনের মুখ্য নির্বাচনী আধিকারিক রাজীব কুমারকে ট্যুইট করে আন্তরিকভাবে ধন্যবাদ জানানোর পাশাপাশি শুভেন্দু লেখেন, ‘‘ত্রিপুরা ভোটের ফলাফলের পরপরই আমি তৃণমূল কংগ্রেসের সর্বভারতীয় তকমা কেড়ে নেওয়ার ব্যাপারে সরব হয়েছিলাম।’’

    ত্রিপুরা, মেঘালয় এবং নাগাল্যান্ডের বিধানসভা নির্বাচনের ফলপ্রকাশের পর পরই তৃণমূলকে নিশানা করে জাতীয় নির্বাচন কমিশনের দ্বারস্থ হয়েছিলেন শুভেন্দু অধিকারী। ত্রিপুরা এবং মেঘালয়ে ভোটে লড়েছে বাংলার শাসকদল তৃণমূল। ত্রিপুরায় একটি আসনেও জিততে পারেনি জোড়াফুল শিবির। ট্যুইট করে শুভেন্দু অধিকারী সম্প্রতি দাবি করেছিলেন, নির্বাচন কমিশনের নিয়ম অনুযায়ী কোনও রাজনৈতিক দলকে জাতীয় দলের স্বীকৃতি পেতে হলে যে সমস্ত শর্ত পূরণ করতে হয়, তৃণমূল কংগ্রেস তা করতে ব্যর্থ। এই কারণে তৃণমূল কংগ্রেসের কাছ থেকে জাতীয় দলের তকমা কেড়ে নেওয়া হোক।

    সুকান্তর ট্যুইট

    তৃণমূল কংগ্রেস জাতীয় দলের তকমা হারানোয় তীব্র কটাক্ষ করেছেন রাজ্য বিজেপি সভাপতি সুকান্ত মজুমদার। তিনি ট্যুইটে লেখেন, ‘তৃণমূল জাতীয় দলের মর্যাদা হারিয়ে এখন আঞ্চলিক দল। মানুষ জানে তৃণমূল সরকার সবথেকে দুর্নীতিগ্রস্ত। তোষণ ও সন্ত্রাসের সরকার তৃণমূলের। তাই তৃণমূলের বিস্তারে দিদির আকাঙ্খা বাস্তবায়িত হল না। এখন সরকারের পতনও সময়ের অপেক্ষা। মানুষ বেশিদিন আর এই সরকারকে বরদাস্ত করবে না’।

    দাবি-পাল্টা দাবি

    বঙ্গ বিজেপির অপর নেতা তথা রাজ্য বিজেপির সর্বভারতীয় সভাপতি দিলীপ ঘোষ বলেন, ‘তৃণমূল কংগ্রেস বিভিন্ন রাজ্যে নির্বাচনের জন্য প্রচুর অর্থ ব্যয় করেছিল। কিন্তু, তাদের সর্বভারতীয় তকমাই ধরে রাখতে পারল না।’

    আরও পড়ুন: জাতীয় দলের তকমা হারাল তৃণমূল, কুয়োর ব্যাঙে পরিণত মমতার দল!

    তৃণমূল নেতা সৌগত রায় সংবাদমাধ্যমকে জানিয়েছেন, তাঁরা আইনিভাবে এই তকমা হারানোর জবাব নির্বাচন কমিশনকে দেবেন। পার্টির তরফে সৌগত রায়ের দাবি, ‘উদ্দেশ্য প্রণোদিতভাবে এই কাজ করছে কমিশন।’ 

    দেশের খবর, দশের খবর, সব খবর, সবার আগে পেতে ফলো করুন আমাদের FacebookTwitter এবং Google News পেজ।

  • Suvendu Adhikari: ২ মে রাজ্যে পঞ্চায়েত নির্বাচন, খেজুরির সভায় জানিয়ে দিলেন শুভেন্দু

    Suvendu Adhikari: ২ মে রাজ্যে পঞ্চায়েত নির্বাচন, খেজুরির সভায় জানিয়ে দিলেন শুভেন্দু

    মাধ্যম নিউজ ডেস্ক: ২ মে পঞ্চায়েত নির্বাচন করাতে চায় তৃণমূল (TMC) সরকার। ভোট হবে এক দফায়। সোমবার পূর্ব মেদিনীপুরের খেজুরির ঠাকুরনগরের সভায় এমন দাবি করলেন রাজ্যের বিরোধী দলনেতা তথা নন্দীগ্রামের বিধায়ক বিজেপির (BJP) শুভেন্দু অধিকারী (Suvendu Adhikari)। তিনি বলেন, ২ মে পঞ্চায়েত ভোট করাবে রাজ্য সরকার। সব খবর আমার কাছে থাকে। একটা ফেজে ভোট করাবে। পুলিশ দিয়ে ভোট করাতে চাইছে। যাতে রক্তগঙ্গা বওয়াতে পারে, তার ব্যবস্থা করছে।

    শুভেন্দু অধিকারী (Suvendu Adhikari) বলেন…

    তিনি বলেন, এক দফায় ভোট করার কারণ যাতে শত শত মানুষ মারা যায়। এই ব্যবস্থা করছে অত্যাচারী অহংকারী ভাইপোর একমাত্র পিসি। রাজ্যে পঞ্চায়েত নির্বাচন নিয়ে অশান্তির আশঙ্কা করে কেন্দ্রীয় বাহিনী মোতায়েনের দাবিতে সুপ্রিম কোর্টের দ্বারস্থ হয়েছিলেন রাজ্যের বিরোধী দলনেতা। তবে শুভেন্দুর আবেদনে সাড়া দেয়নি দেশের শীর্ষ আদালত। শুভেন্দু (Suvendu Adhikari) বলেন, কেন্দ্রীয় বাহিনী দিয়ে ভোট করুন না, দেখবেন জেলায় ২২৩টি গ্রাম পঞ্চায়েত আসন আছে। তার মধ্যে ২০টি আসন পাবেন না। গত বিধানসভা নির্বাচনে জেলায় বিজেপি যে তৃণমূলের চেয়ে এক শতাংশ ভোট বেশি পেয়েছিল, তাও মনে করিয়ে দেন নন্দীগ্রামের বিধায়ক।

    আরও পড়ুুন: রামনবমীর শোভাযাত্রায় এনআইএ তদন্তের দাবি, রায় ঘোষণা স্থগিত রাখল হাইকোর্ট

    লোকসভা নির্বাচনে তৃণমূলকে খেলা দেখাবেন বলেও মন্তব্য করেন শুভেন্দু। তৃণমূল সুপ্রিমো মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়ের উদ্দেশে শুভেন্দু বলেন, আপনাকে তো খেলা আমি দেখাব লোকসভায়। গত বিধানসভা নির্বাচনের ফলের নিরিখে তমলুক ও কাঁথি লোকসভা কেন্দ্রে অনেকটাই এগিয়ে রয়েছে বিজেপি। তিনি বলেন, ঘাটাল নেব, তমলুক দেড় লাখে জিতব, কাঁথি তিনের ওপরে যাবে। লোকসভা নির্বাচনে পূর্ব মেদিনীপুর জেলার সব কটি আসনই বিজেপির ঝুলিতে যাবে বলেও দাবি শুভেন্দুর।

    তৃণমূল নেত্রীকে নিশানা করে শুভেন্দু (Suvendu Adhikari) বলেন, মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়ের তিনটে এজেন্ডা। প্রথম হল পরিবারবাদ, যেন তেন প্রকারেণ ভাইপোকে প্রতিষ্ঠা করতে হবে। দ্বিতীয় তোষণ। সংখ্যালঘু বৌদ্ধ, জৈন, শিখ, খ্রিষ্টান, মুসলিমদের উন্নয়নের ভাবনা তাঁর নেই। তাঁর ভাবনা হচ্ছে তুষ্টিকরণ করে কী করে ভোটব্যাঙ্কটা ঠিক রাখব। রাজ্যের বিরোধী দলনেতা (Suvendu Adhikari) বলেন, শিবপুর, রিষড়ায় দাঙ্গা কোনও সম্প্রদায়ের লোক করেনি। দাঙ্গা করেছে তৃণমূলের মুসলিম নেতারা। দাঙ্গাবাজ কারা? তৃণমূল। দাঙ্গাবাজদের নেত্রী কে? মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়। তিনি বলেন, দাঙ্গাবাজদের হঠাতে হবে।

     

    দেশের খবর, দশের খবর, সব খবর, সবার আগে পেতে ফলো করুন আমাদের FacebookTwitter এবং Google News পেজ।

     
  • Sukanta Majumdar:  প্রশাসনিক পদক্ষেপের দাবি! বালুরঘাটের দণ্ডি-কাণ্ড নিয়ে রাষ্ট্রপতিকে চিঠি সুকান্তর

    Sukanta Majumdar: প্রশাসনিক পদক্ষেপের দাবি! বালুরঘাটের দণ্ডি-কাণ্ড নিয়ে রাষ্ট্রপতিকে চিঠি সুকান্তর

    মাধ্যম নিউজ ডেস্ক: দণ্ডি-কাণ্ড নিয়ে এবার রাষ্ট্রপতি দ্রৌপদী মুর্মুকে চিঠি দিলেন বালুরঘাটের সাংসদ (Balurghat MP Sukanta Majumdar) তথা বিজেপির রাজ্য সভাপতি সুকান্ত মজুমদার। বিজেপি থেকে তৃণমূলে ফিরে আসা ৪ আদিবাসী মহিলাকে দণ্ডি কাটানোর বিষয়টিকে জাতীয় স্তরে নিয়ে যাওয়ার কথা ট্যুইট করে জানান সুকান্ত। রাষ্ট্রপতি দ্রৌপদী মুর্মুকে চিঠি দেওয়ার পাশাপাশি এসটি কমিশনকেও চিঠি দিয়েছেন বিজেপির রাজ্য সভাপতি। আগামী দিনে আদিবাসী মহিলাদের সঙ্গে এমন আচরণ যাতে আর না করা হয়, সে ব্যাপারে হস্তক্ষেপ চেয়ে সোমবার রাষ্ট্রপতির দ্বারস্থ হয়েছেন তিনি।

    রাষ্ট্রপতি দ্রৌপদী মুর্মুকে চিঠিতে সুকান্ত মজুমদার লেখেন, ‘তপন বিধানসভা এলাকা তথা বালুরঘাট লোকসভা এলাকার ২০০ জন আদিবাসী সম্প্রদায়ের মানুষ গত ৬ এপ্রিল বিজেপিতে যোগ দেন। এই যোগদান তৃণমূল ভালভাবে নেয়নি। নানারকম হুমকি দেওয়া হয়, কয়েকজনকে তৃণমূলে যোগদানে বাধ্যও করা হয়। তৃণমূলে যোগদানের আগে প্রায় ১ কিলোমিটার পথ ‘দণ্ডবৎ পরিক্রমা’ করানো হয়েছে।’

    আদিবাসী জাতির অপমান

    সম্প্রতি দক্ষিণ দিনাজপুরের তপনে প্রায় ২০০ জন মহিলা তাঁদের পরিবার-সহ তৃণমূল ছেড়ে বিজেপিতে যোগ দেন। এর পর ফের তৃণমূলে ফিরে আসায় তাঁদের মধ্যে ৪ জনকে ‘প্রায়শ্চিত্ত’ করাতে দণ্ডি কাটানো হয়। ওই ৪ জন মহিলা তফসিলি জনজাতি সম্প্রদায়ের। এ নিয়েই আদিবাসী সমাজের প্রতি বাংলার শাসকদলের ‘নিম্নরুচির মানসিকতা’ নিয়ে সরব হয়েছে বিজেপি।

    চিঠিতে সুকান্ত লিখেছেন, ‘‘অতীতের বিভিন্ন ঘটনাবলি এবং নানা মন্তব্য থেকেই স্পষ্ট যে, আদিবাসীদের প্রতি তৃণমূলের নেতাদের মানসিকতা কেমন। তবে এটা আর বরদাস্ত করা যাবে না।’’ তিনি আরও উল্লেখ করেছেন যে, রাষ্ট্রপতি এবং প্রধানমন্ত্রী বরাবরই পিছিয়ে পড়া শ্রেণির মানুষের প্রতি আন্তরিক এবং সংবেদনশীল।

    মহিলাদের অপমান

    রাষ্ট্রপতির পাশাপাশি জাতীয় তফসিলি জনজাতি কমিশনের চেয়ারপার্সনকেও চিঠি লিখেছেন সুকান্ত। তপনের ঘটনায় অনুসন্ধানের দাবি জানিয়েছেন তিনি। পাশাপাশি এই ঘটনায় যাঁরা জড়িত, তাঁদের বিরুদ্ধে কঠোর পদক্ষেপের দাবি জানিয়েছেন বিজেপির রাজ্য সভাপতি। দণ্ডি-বিতর্কে রাজ্যজুড়ে নিন্দার ঝড় উঠেছে। বিরোধীদের অভিযোগ, অস্বস্তি বুঝে জেলার মহিলা তৃণমূল কংগ্রেসের সভাপতিকে বদল করেছে তৃণমূল। তবে এর পরও শাসকশিবিরের বিড়ম্বনা বহাল রাখতে রাষ্ট্রপতি ও এসটি কমিশনকে চিঠি লিখলেন বিজেপি সাংসদ।

    আরও পড়ুুন: কেষ্টর গড়ে দাঁড়িয়ে পঞ্চায়েতে তৃণমূলকে উত্খাতের ডাক দিলেন শুভেন্দু

    সুকান্ত মজুমদার বলেন, “আদিবাসী মহিলাদের যেভাবে দণ্ডি কাটানো হয়েছে, এর বিরুদ্ধে প্রশাসনিক পদক্ষেপ চাই। এটা তো দলের পদক্ষেপ। মহিলা সংগঠনের সভাপতি পদ থেকে সরানো হয়েছে। এসসি এসটি অ্যাক্টে এই মহিলার বিরুদ্ধে মামলা হওয়া উচিত। তাকে গ্রেফতার করা উচিত। জেলে পাঠানো উচিত। এই আইনে জামিন হয় না। সরকার তো ধামাচাপা দেওয়ার চেষ্টা করছে। যেভাবে আদিবাসী মহিলাদের দণ্ডি কাটানো হল, এটা সমগ্র মহিলা জাতির অপমান, আদিবাসীদের অপমান।”

    দেশের খবর, দশের খবর, সব খবর, সবার আগে পেতে ফলো করুন আমাদের FacebookTwitter এবং Google News পেজ।

  • Anganwadi Corruption: শিক্ষকের পর এবার অঙ্গনওয়াড়ির  সুপারভাইজার পদে নিয়োগেও ‘দুর্নীতি’?

    Anganwadi Corruption: শিক্ষকের পর এবার অঙ্গনওয়াড়ির সুপারভাইজার পদে নিয়োগেও ‘দুর্নীতি’?

    মাধ্যম নিউজ ডেস্ক: এবার অঙ্গনওয়াড়ির সুপারভাইজার পদে নিয়োগ ঘিরেও উঠল দুর্নীতির (Anganwadi Corruption) অভিযোগ। এনিয়ে আদালতে যাওয়ার সিদ্ধান্ত নিয়েছে পশ্চিমবঙ্গ অঙ্গনওয়াড়ি কর্মী ও সহায়িকা কল্যাণ সমিতি। সম্প্রতি শিলিগুড়িতে সংগঠনের তৃতীয় রাজ্য সম্মেলনে এই প্রস্তাব নেওয়া হয়েছে। শূন্য থেকে ছয় বছর বয়সি শিশুদের এবং প্রসূতি মায়েদের পরিচর্চার দায়িত্ব এই অঙ্গনওয়াড়ি কর্মীদের। এর বাইরেও তাঁদের অনেক সরকারি কাজ করানো হয়। পালস পোলিও, দুয়ারে সরকারের শিবির, নির্বাচন, স্বাস্থ্যশিবির সবেতেই অঙ্গনওয়াড়ি কর্মীরা ‘ছাই ফেলতে ভাঙা কুলো’।

    সুপারভাইজার পদে নিয়োগ-দুর্নীতি নিয়ে আদালতের দ্বারস্থ হওয়ার হুমকি কেন ?

    এই অমানুষিক পরিশ্রম করেও ন্যায্য সাম্মানিক পাচ্ছেন না তাঁরা। প্রাপ্য সুযোগসুবিধা থেকেও তাঁদের বঞ্চিত করা হচ্ছে বলে অভিযোগ করেছেন সংগঠনের প্রধান উপদেষ্টা সুবীর সাহা। তাঁর অভিযোগ, সীমাহীন বঞ্চনার সঙ্গে এবার যোগ হয়েছে সরকারি স্থায়ী পদে নিয়োগের সুযোগ কেড়ে নেওয়া। তিনি বলেন, অঙ্গনওয়াড়ি কর্মীদের সহকারি স্থায়ী সুপারভাইজার পদে উন্নীত করার ক্ষেত্রে কেন্দ্রীয় সরকার ২৫ শতাংশ সংরক্ষণ বাড়িয়ে ৫০ শতাংশ করেছে। রাজ্যে ৩৪০০ সুপারভাইজার পদে নিয়োগ প্রক্রিয়া চলছে। তাতে ১৭০০ অঙ্গনওয়াড়ি কর্মীকে নিয়োগ করার কথা। কিন্তু দেখা যাচ্ছে মাত্র ৪১২ জন অঙ্গনওয়াড়ি কর্মীকে সুপারভাইজার পদে নিয়োগ করা হচ্ছে। কেন্দ্রের সিদ্ধান্ত থাকা সত্ত্বেও প্রায় ১৩০০ অঙ্গনওয়াড়ি কর্মী সুপারভাইজার পদে নিয়োগ পাচ্ছেন না। প্রায় ১৩০০ সুপারভাইজার পদে রাজ্যের শাসকদলের নেতা-কর্মী-মন্ত্রীরা দুর্নীতি (Anganwadi Corruption) করছেন। এ নিয়ে আমরা রাজ্যের মন্ত্রী শশী পাঁজার দ্বারস্থ হয়েছিলাম। কিন্তু তাঁর কাছ থেকে এ ব্যাপারে কোনও ইতিবাচক সাড়া মেলেনি। এবার সব বিধায়ক ও সাংসদের কাছে এই তথ্য তুলে ধরা হবে। তারপর আমরা এই সুপারভাইজার পদে নিয়োগ-দুর্নীতি নিয়ে আদালতের দ্বারস্থ হব। 

    মোবাইল নিয়েও দুর্নীতি ?

    অঙ্গনওয়াড়ি কর্মীদের মোবাইল কেনার জন্য প্রাপ্য টাকা না পাওয়ার বিষয়টি নিয়েও সংগঠনের তৃতীয় রাজ্য সম্মেলনে আলোচনা হয়েছে। সংগঠনের প্রধান উপদেষ্টা বলেন, খবর রয়েছে কেন্দ্র সরকার অঙ্গনওয়াড়ি কর্মীদের মোবাইল কেনার জন্য আট হাজার টাকা করে দিয়েছে। কেননা এখন সবকিছুই অনলাইনে হয়ে গিয়েছে। অঙ্গনওয়াড়ি কর্মীদের মোবাইল ফোন থেকে রিপোর্ট পাঠাতে হয়। পশ্চিমবঙ্গে অঙ্গনওয়াড়ি কর্মীরা সেই মোবাইল কেনার টাকা পাননি (Anganwadi Corruption)। কেউ গয়না বিক্রি করে, কেউ ধারদেনা করে মোবাইল কিনে সরকারি কাজ করছেন। রাজ্যের ১ লক্ষ ১৬ হাজার অঙ্গনওয়াড়ি কর্মীকে মোবাইল কেনার টাকা দেয়নি রাজ্য সরকার।
    কুড়ি থেকে ৬৫ বছর বয়সের মহিলাদের অঙ্গনওয়াড়ির কর্মী হিসেবে কাজ করার সুযোগ থাকছে। ৬৫ বছর হয়ে গেলে সেই কর্মীদের অবসর নিতে হয়। অবসরের সময় এককালীন মাত্র তিন লাখ টাকা দেওয়া হয়। সুবীরবাবু বলেন, আমাদের দাবি, অঙ্গনওয়াড়ি কর্মীদের প্রভিডেন্ট ফান্ড, পেনশন, গ্র্যাচুইটি দিতে হবে।

    সরব বিজেপি নেতৃত্ব

    শিলিগুড়িতে উত্তরবঙ্গ মাড়োয়ারি ভবনে গত আট এপ্রিল পশ্চিমবঙ্গ অঙ্গনওয়াড়ি কর্মী ও সহায়িকা কল্যাণ সমিতি তৃতীয় রাজ্য সম্মেলন অনুষ্ঠিত হয়। ১৮টি জেলা থেকেই প্রায় তিন হাজার সদস্যা উপস্থিত হয়েছিলেন। আর এই বিপুল সমাবেশ শিলিগুড়ি বিধায়ক বিজেপির শঙ্কর ঘোষ, ডাবগ্রাম-ফুলবাড়ির বিধায়ক বিজেপির শিখা চট্টোপাধ্যায় উপস্থিত ছিলেন। তাঁরাও এই সম্মেলনে অঙ্গনওয়াড়ি কর্মীদের প্রতি রাজ্যের সীমাহীন শোষণ, বঞ্চনা ও অবিচার (Anganwadi Corruption) নিয়ে সরব হন।

     

    দেশের খবর, দশের খবর, সব খবর, সবার আগে পেতে ফলো করুন আমাদের FacebookTwitter এবং Google News পেজ।

  • Mid Day Meal: গোল্লায় যাক শিশুদের মিড ডে মিল! মধুভাণ্ডের কাড়াকাড়িতেই মত্ত তৃণমূলের দুই গোষ্ঠী

    Mid Day Meal: গোল্লায় যাক শিশুদের মিড ডে মিল! মধুভাণ্ডের কাড়াকাড়িতেই মত্ত তৃণমূলের দুই গোষ্ঠী

    মাধ্যম নিউজ ডেস্ক: তৃণমূলের মাদার ও যুব সংগঠনের দুই নেতার বিবাদে সমস্যায় করণদিঘির আলতাপুর হাইস্কুল। অভিযোগ, মিড-ডে-মিল (Mid Day Meal) সহ স্কুল পরিচালন কমিটির হিসাবের টাকার ভাগ কে কতটা পাবে, তা নিয়েই এই বিবাদের সৃষ্টি। এই বিবাদ ধীরে ধীরে হাতাহাতি থেকে হানাহানি পর্যায়ে পৌঁছে গিয়েছে৷ প্রাণনাশের চেষ্টার অভিযোগও পৌঁছেছে থানা থেকে জেলাশাসক পর্যন্ত। 
    এইসব গোলমালে আলতাপুর স্কুলের উন্নয়ন, পড়ুয়াদের মিড-ডে-মিল সব গোল্লায় যেতে বসেছে বলে বিরোধী দলের স্থানীয় নেতাদের অভিযোগ। স্কুল পরিচালন সমিতির সদস্যরা একে অন্যের বিরুদ্ধে বিষোদ্গার করেছেন প্রকাশ্যেই। তাদের এক পক্ষের দাবি, হিসেব চাইতেই পরিচালন সমিতির সদস্যকে মারধর করেছেন অন্যজন। 

    স্কুল চালাতে সমস্যা হচ্ছে, স্বীকার প্রধান শিক্ষকের

    প্রধান শিক্ষক অবশ্য দাবি করেছেন, স্কুলের সবকিছু চলছে নিয়ম মেনেই। তবে গোলমালের কথা স্বীকার করেছেন তিনি এবং সেই গোলমালে স্কুল চালাতে সমস্যার কথাও গোপন করেননি তিনি। পাশাপাশি তিনি বলেছেন, সমস্যা আলোচনার মাধ্যমেই মিটতে পারত। যেহেতু ঊর্ধ্বতন কর্তৃপক্ষের কাছে পরিচালন সমিতির সদস্য লিখিত অভিযোগ করেছেন, তাই তিনিও ঊর্ধ্বতন কর্তৃপক্ষের কাছে সবটা লিখিত আকারে জানাবেন। সব মিলিয়ে উত্তর দিনাজপুরের করণদিঘি ব্লকের আলতাপুর হাইস্কুলের ঘটনাকে কেন্দ্র করে তীব্র চাঞ্চল্য বিভিন্ন মহলে। 

    অভিযোগ থানা এবং জেলাশাসককেও

    করণদিঘির আলতাপুর হাইস্কুলের পরিচালন সমিতির সভাপতি ও অন্য দুই সদস্যর মধ্যে মারামারির ঘটনায় চলতি মাসের ২ তারিখ করণদিঘি থানায় লিখিত অভিযোগ দায়ের করেন পরিচালন সমিতির সদস্য আবু তাহিরের স্ত্রী। অভিযোগ, স্কুল পরিচালন সমিতির সভাপতি মহাঃ হানিফ তাঁর স্বামী আবু তাহিরকে প্রাণে মেরে ফেলার চেষ্টা করে। ওই ঘটনায় আহত আবু তাহির রায়গঞ্জ মেডিক্যাল কলেজ হাসপাতালে ভর্তি হন। এরপরে চলতি মাসের ৫ তারিখ আবু তাহির ও স্কুল পরিচালন সমিতির আরও ২ সদস্য জেলাশাসক সহ জেলা বিদ্যালয় পরিদর্শকের কাছে লিখিত অভিযোগ দায়ের করেন। তাঁদের অভিযোগ, স্কুলে মিড-ডে-মিল ঠিকভাবে খাওয়ানো হয় না। পুষ্টির খাবারও সঠিকভাবে দেওয়া হয় না পড়ুয়াদের। পাশাপাশি স্কুলের পরিচালন সমিতির কোনও বৈঠক হয় না কোনওদিন। এই সমস্ত বেনিয়মের বিরুদ্ধে ব্যবস্থা নেওয়ার আর্জি জানান তাঁরা। শুধু তাই নয়, পড়ুয়া ভর্তি বা মিড ডে মিল (Mid Day Meal)-সব ক্ষেত্রেই অন্যান্য সদস্যদের সঙ্গে আলোচনা না করে তাঁদের অন্ধকারে রেখেই পরিচালন সমিতির সভাপতি ও প্রধান শিক্ষক সিদ্ধান্ত নিচ্ছেন বলে অভিযোগ। তাঁদের দুজনের যোগশাজশেই স্কুলে বিভিন্ন ক্ষেত্রে, বিশেষত মিড-ডে-মিলে অবৈধ কারবার চলছে বলে অভিযোগ। 

    কী বলছেন পরিচালন কমিটির সভাপতি ? 

    যদিও মিড-ডে-মিলের (Mid Day Meal) টাকা হাতিয়ে নেওয়ার চক্রান্তে সায় না দেওয়াতেই এই চক্রান্ত বলে পাল্টা দাবি করেন অভিযুক্ত পরিচালন সমিতির সভাপতি মহাঃ হানিফ। তাঁর দাবি, মিড-ডে-মিলের টাকা হাতানোর ছক ছিল অভিযোগকারীদের।

    আন্দোলনের হুঁশিয়ারি বিজেপির

    তবে সব মিলিয়ে পরিচালন সমিতির অন্দরে এই বচসা বা তীব্র দ্বন্দ্বে স্কুলের একটা বড় ক্ষতি হতে বসেছে এবং তার প্রভাব ইতিমধ্যেই পড়ুয়াদের উপর পড়ছে বলে দাবি করেছেন স্থানীয় বিজেপি নেতৃত্ব। তাদের দাবি, তৃণমূল কংগ্রেসের মাদার এবং যুব সংগঠনের দুই নেতা মিড-ডে-মিলের টাকার বখরা নিয়ে গোলমাল পাকানোয় আলতাপুর হাইস্কুলের উন্নয়ন, পড়াশোনা ও মিড-ডে-মিল (Mid Day Meal) গোল্লায় যাচ্ছে। প্রশাসনকে সক্রিয় হয়ে সবটা সামাল দেওয়ার দাবি জানিয়েছেন তাঁরা। যদি প্রশাসন সঠিক ভুমিকা গ্রহণ না করে, তবে বৃহত্তর আন্দোলনেরও হুঁশিয়ারি দিয়েছেন তাঁরা।

     

    দেশের খবর, দশের খবর, সব খবর, সবার আগে পেতে ফলো করুন আমাদের FacebookTwitter এবং Google News পেজ।

  • Amit Shah: দু’দিনের সফরে শুক্রবার রাজ্যে আসছেন অমিত শাহ, কী কী কর্মসূচি থাকছে?

    Amit Shah: দু’দিনের সফরে শুক্রবার রাজ্যে আসছেন অমিত শাহ, কী কী কর্মসূচি থাকছে?

    মাধ্যম নিউজ ডেস্ক: তৃণমূলের (TMC) বীরভূম জেলা সভাপতি অনুব্রত মণ্ডল (Anubrata Mandal) আপাতত তিহাড় জেলের বাসিন্দা। শুক্রবার সেই জেলায়ই সভা করবেন কেন্দ্রীয় স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী অমিত শাহ (Amit Shah)। পরের দিন দক্ষিণেশ্বরে ভবতারিণীর মন্দিরে পুজো দিয়ে ফিরবেন দিল্লি। শুক্রবার পঞ্চায়েত নির্বাচন নিয়ে বঙ্গ বিজেপির সঙ্গে আলোচনায়ও বসতে পারেন তিনি। কেন্দ্রীয় স্বরাষ্ট্রমন্ত্রীর এই সফরকে ঘিরে সাজ সাজ রব গেরুয়া শিবিরে। জানুয়ারি মাসে এ রাজ্যে আসার কথা ছিল অমিত শাহের। শেষমেশ বাতিল হয়ে যায় বঙ্গ সফর। তখনই জানিয়েছিলেন বাজেট অধিবেশনের পর আসবেন। সেই মতো চলতি সপ্তাহের শেষে দু দিনের সফরে বাংলায় আসছেন তিনি।

    অমিত শাহ (Amit Shah)…

    তাঁর এই সফরকে কাজে লাগাতে শুক্রবার বীরভূমের সিউড়িতে সভা করার কথা তাঁর (Amit Shah)। ওই দিন রাতে কলকাতায় ফিরে করবেন কোর কমিটির বৈঠক। সেই বৈঠকে উপস্থিত থাকতে বলা হয়েছে পদ্ম শিবিরের শীর্ষ নেতৃত্বকে। দোরগোড়ায় পঞ্চায়েত নির্বাচন। তার আগে শাহের এই বাংলা সফর যথেষ্ঠ তাৎপর্যপূর্ণ বলেই ধারণা রাজনৈতিক মহলের। কেন সিউড়িতেই সভা হবে শাহের? বিজেপির একটি সূত্রের খবর, বছর ঘুরলেই লোকসভা নির্বাচন। বীরভূম লোকসভা আসনটির দিকে নজর রয়েছে পদ্ম শিবিরের। তাই জেলায় সংগঠন চাঙা করাই লক্ষ্য বিজেপি নেতৃত্বের। জনসভার বদলে ওই দিন সিউড়িতে শাহ কর্মিসভাও করতে পারেন তিনি।

    আরও পড়ুুন: কেষ্টর গড়ে দাঁড়িয়ে পঞ্চায়েতে তৃণমূলকে উৎখাতের ডাক দিলেন শুভেন্দু

    এর আগে দিল্লিতে প্রধানমন্ত্রী নরেন্দ্র মোদির সঙ্গে বৈঠক হওয়ার কথা ছিল রাজ্য বিজেপির নেতাদের। প্রধানমন্ত্রী সময় দিতে না পারায় সেই বৈঠক হয়েছিল কেন্দ্রীয় স্বরাষ্ট্রমন্ত্রীর (Amit Shah) সঙ্গে। সেই বৈঠকে গুরুত্ব পেয়েছিল সিএএ প্রসঙ্গ। রাজ্য বিজেপির কয়েকজন নেতা শাহের কাছে জানতে চেয়েছিলেন বাংলায় সিএএ কবে চালু হবে? সেই সময় কেন্দ্রীয় স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী জানিয়েছিলেন, ১০-১৫ দিন অপেক্ষা করতে। সেই সময়সীমাও পার হয়ে যাবে শুক্রবার। তাই ওই জনসভায় সিএএ নিয়ে কেন্দ্রীয় স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী কিছু বলেন কিনা, এখন তাই দেখার। পঞ্চায়েত নির্বাচনের আগে কেন্দ্রের বিরুদ্ধে বঞ্চনার অভিযোগ তুলে সরব হয়েছেন তৃণমূল নেত্রী মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়। এই অভিযোগে রেড রোডে আম্বেদকর মূর্তির পাদদেশে দু দিনের ধর্নায়ও বসেন তৃণমূল নেত্রী। সিউড়ির জনসভায় সে সম্পর্কেও কিছু বলতে পারেন কেন্দ্রীয় স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী (Amit Shah)।

     

    দেশের খবর, দশের খবর, সব খবর, সবার আগে পেতে ফলো করুন আমাদের FacebookTwitter এবং Google News পেজ।

  • BJP: বিজেপিতে যোগ দিচ্ছেন শিরোমণি অকালি দল নেতা

    BJP: বিজেপিতে যোগ দিচ্ছেন শিরোমণি অকালি দল নেতা

    মাধ্যম নিউজ ডেস্ক: বিজেপিতে (BJP) যোগ দিচ্ছেন শিরোমণি অকালি দল নেতা তথা প্রাক্তন বিধায়ক ইন্দর ইকবাল সিংহ অটওয়াল। আজ, রবিবার দিল্লিতে গিয়ে পদ্ম শিবিরে যোগ দেবেন তিনি। সূত্রের খবর, বিজেপির বর্ষীয়ান নেতাদের উপস্থিতিতে দিল্লিতে দলের প্রধান কার্যালয়ে গেরুয়া খাতায় নাম লেখাবেন ইন্দর। কেবল তিনিই নন, এদিন এআইএডিএমকে নেতা তথা রাজ্যসভার প্রাক্তন সদস্য ডঃ মৈত্রেয়নও যোগ দেবেন বিজেপিতে। শনিবারই বিজেপিতে নাম লিখিয়েছেন ভারতের প্রথম গভর্নর জেনারেল চক্রবর্তী রাজা গোপালাচারির প্রপ্রৌত্র সিআর কেশবন। দীর্ঘদিন তিনি কংগ্রেস রাজনীতির সঙ্গে যুক্ত ছিলেন। সোনিয়া গান্ধীর দলের সঙ্গে তাঁর সম্পর্ক ছিন্ন হয় ২৩ ফেব্রুয়ারি।

    বিজেপিতে (BJP) যোগ…

    এদিন বিজেপিতে (BJP) যোগ দিয়ে তিনি বলেন, প্রধানমন্ত্রী নরেন্দ্র মোদির জনগণকেন্দ্রিক নীতি ও দুর্নীতিমুক্ত শাসন ভারতকে বদলে দিয়েছে। আমি বিশ্বের বৃহত্তম রাজনৈতিক দল বিজেপিতে অন্তর্ভুক্ত করার জন্য আপনাকে ধন্যবাদ জানাতে চাই। বিশেষ করে এমন দিনে যখন আমাদের প্রধানমন্ত্রী তামিলনাড়ুতে রয়েছেন। তিনি বলেন, প্রধানমন্ত্রী নরেন্দ্র মোদির শাসন ও সংস্কার ভারতকে একটি ভঙ্গুর অর্থনীতি থেকে বিশ্বের পঞ্চম বৃহত্তম অর্থনীতিতে রূপান্তরিত করেছে। আমি আমার বাড়ির এমন লোককে চিনি, যাঁরা প্রধানমন্ত্রী আবাস যোজনার মাধ্যমে পাকা বাড়ি পেয়েছেন। তিন কোটি বাড়ি তৈরি হয়েছে।

    আরও পড়ুুন: বিদ্যুৎ বাঁচাতে নয়া অফিস টাইম ঘোষণা পঞ্জাব সরকারের, কখন শুরু অফিস?

    প্রসঙ্গত, চলতি সপ্তাহেই বিজেপিতে (BJP) যোগ দিয়েছেন কংগ্রেসের প্রাক্তন নেতা একে অ্যান্টনির ছেলে অনিল অ্যান্টনি। শুক্রবার পদ্মশিবিরে নাম লেখান অবিভক্ত অন্ধ্রপ্রদেশের প্রাক্তন মুখ্যমন্ত্রী কিরণ কুমার রেড্ডি। ২০১০ সালের ১১ নভেম্বর অন্ধ্রপ্রদেশের মুখ্যমন্ত্রী হন রেড্ডি। তিনি কংগ্রেসের চারবারের বিধায়ক। ২০১৪ সালের ১০ মার্চ ইস্তফা দেন। ছাড়েন কংগ্রেসও। পরে নিজেই একটি দল গড়েন রেড্ডি। বিধানসভা নির্বাচনে গোহারা হারে রেড্ডির দল। যার জেরে ২০১৮ সালে ফের কংগ্রেসে ফেরেন। মাস দুয়েক আগে আবারও কংগ্রেস ছাড়েন। শুক্রবার যোগ দেন বিজেপিতে।

     

    দেশের খবর, দশের খবর, সব খবর, সবার আগে পেতে ফলো করুন আমাদের FacebookTwitter এবং Google News পেজ।

LinkedIn
Share