Tag: bjp

bjp

  • Development: উন্নয়ন নিয়ে তৃণমূলের পঞ্চায়েতকে একী বললেন বিজেপি সাংসদ?

    Development: উন্নয়ন নিয়ে তৃণমূলের পঞ্চায়েতকে একী বললেন বিজেপি সাংসদ?

    মাধ্যম নিউজ ডেস্কঃ এলাকায় শ্মশান এবং শবযাত্রী প্রতীক্ষালয়ের জন্য ৭ লক্ষ ২০ হাজার টাকা বরাদ্দ করেছেন বিজেপি সাংসদ সুরিন্দর সিং আলুওয়ালিয়া। কিন্তু, তৃণমূল পরিচালিত গ্রাম পঞ্চায়েতের টালবাহানার জন্য এখনও পর্যন্ত কোনও উন্নয়ন (Development) হয়নি। পূর্ব বর্ধমান জেলার মন্তেশ্বর ব্লকের  মন্তেশ্বর গ্রাম পঞ্চায়েতের  লোহার গ্রামে এসে উন্নয়ন (Development) নিয়ে গাফিলতির অভিযোগ তুললেন বিজেপি সাংসদ। তিনি বলেন, এত বড় গ্রাম। কিন্তু, এখনও এখানে শ্মশান গড়ে ওঠেনি। অস্থায়ী শ্মশান যাওয়ার যে রাস্তা রয়েছে তা অত্যন্ত বেহাল। অথচ শ্মশান তৈরির জন্য আমি অর্থ বরাদ্দ করেছি। কিন্তু, গ্রাম পঞ্চায়েত থেকে প্রয়োজনীয় কাগজপত্র জমা না দেওয়ার কারণে এখনও এই প্রকল্পের কাজ শুরু করা সম্ভব হয়নি। বিজেপি সাংসদ লোহার গ্রামে প্রস্তাবিত শ্মশানের জায়গা ঘুরে দেখেন। এলাকাবাসীর সঙ্গে তিনি কথা বলেন। গ্রামে যাওয়ার যে রাস্তা রয়েছে তা অত্যন্ত খারাপ। বেহাল রাস্তা নিয়েও তিনি ক্ষোভ প্রকাশ করেন। তিনি বলেন,চতুর্দশ অর্থ কমিশনের পর্যাপ্ত টাকা আসছে। কিন্তু, সেভাবে উন্নয়ন (Development)  চোখে পড়ছে না। আসলে এই এলাকার উন্নয়ন (Development)  নিয়ে তৃণমূল পঞ্চায়েত সেভাবে নজর দিচ্ছে না। সাধারণ মানুষকে চরম দুর্ভোগ পোহাতে হচ্ছে।

    বিজেপি সাংসদের অভিযোগ নিয়ে কী বললেন পঞ্চায়েতের উপ প্রধান? Development

    মন্তেশ্বর পঞ্চায়েতে তৃণমূল ক্ষমতায় রয়েছে। বিজেপির অভিযোগ, এলাকায় শ্মশান সংস্কারের টাকা বিজেপি সাংসদ দিয়েছে বলে তৃণমূল পঞ্চায়েত কাজ করতে ঢিলেমি করছে। যদিও এই  অভিযোগকে ভিত্তিহীন বলে দাবি করেছেন লোহার গ্রাম পঞ্চায়েতের উপপ্রধান রফিকুল ইসলাম। তিনি বলেন, বছরে দুই একবার পরিযায়ী পাখির মত  দশ মিনিটের জন্য সাংসদ এলাকায় আসেন। তাই এলাকার উন্নয়ন ওনার চোখে পড়ে না। মন্তেশ্বর, লোহার এবং সাহাপুর গ্রামের শ্মশানের জায়গার কাগজপত্র মাসখানেক আগেই জমা করা হয়েছে। আর লোহার গ্রামে শ্মশান নয়, প্রতীক্ষালয়ের জন্য তিনি টাকা বরাদ্দ করেছেন। শ্মশানের জন্য তিনি অন্য এলাকায় টাকা দিয়েছেন। আসলে তিনি কোথায় এসেছেন তা তিনি জানেন না। আর বেহাল রাস্তার যে অভিযোগ করা হচ্ছে তা মাঠে যাওয়ার রাস্তা। গ্রামের রাস্তা নয়। এলাকার রাস্তা করার পর ওই রাস্তা করে দেওয়া হবে।

    পরে, মেমারি ২ ব্লকের ঝিকরা গ্রামে পরিদর্শনে যান বিজেপি সাংসদ। স্থানীয় মানুষের সঙ্গে কথা বলেন তিনি। তিনি বলেন, ঝিকরা গ্রামে কবরস্থান সংস্কার ও সীমানা পাঁচিল তৈরির জন্য এলাকাবাসী আবেদন করেছিলেন। সেই আবেদনের ভিত্তিতে জায়গা পরিদর্শনে এসেছিলাম। প্রয়োজনীয় নথিপত্র সংগ্রহ করা হয়েছে। শীঘ্রই কাজ শুরু হবে।

    দেশের খবর, দশের খবর, সব খবর, সবার আগে পেতে ফলো করুন আমাদের FacebookTwitter এবং Google News পেজ।

  • Jitendra Tiwari: জিতেন্দ্র তিওয়ারির গ্রেফতারিতে স্থগিতাদেশ সুপ্রিম কোর্টের, জামিনে মুক্তি পাবেন কি?

    Jitendra Tiwari: জিতেন্দ্র তিওয়ারির গ্রেফতারিতে স্থগিতাদেশ সুপ্রিম কোর্টের, জামিনে মুক্তি পাবেন কি?

    মাধ্যম নিউজ ডেস্ক: কম্বলকাণ্ডে গ্রেফতার হওয়া বিজেপি (BJP) নেতা জিতেন্দ্র তিওয়ারির (Jitendra Tiwari) গ্রেফতারির ওপর স্থগিতাদেশ দিল সুপ্রিম কোর্ট (Supreme Court)। কম্বলকাণ্ডে আগাম জামিন চেয়ে শীর্ষ আদালতের দ্বারস্থ হয়েছিলেন এই বিজেপি নেতা। ওই মামলার শুনানির আগেই গ্রেফতার করা হয় তাঁকে। সোমবার দেশের শীর্ষ আদালত জিতেন্দ্রর গ্রেফতারিতে স্থগিতাদেশ দিয়েছে। সুপ্রিম কোর্টের এই রায়ের পর জামিনে মুক্তি পাবেন জিতেন্দ্র। এদিন দেশের শীর্ষ আদালতের বিচারপতি সূর্য কান্ত ও বিচারপতি জেকে মাহেশ্বরীর ডিভিশন বেঞ্চে শুনানি হয় জিতেন্দ্রর মামলার। আদালতের নির্দেশ, আগামী দু সপ্তাহের জন্য জিতেন্দ্রর গ্রেফতারির ওপর অন্তর্বর্তীকালীন স্থগিতাদেশ থাকবে। দু সপ্তাহ পর এই মামলার শুনানি হবে। ওই দিন মামলার সব পক্ষকে হলফনামা জমা দেওয়ার নির্দেশ দিয়েছে সুপ্রিম কোর্ট।

    জিতেন্দ্র তিওয়ারি (Jitendra Tiwari) কী বলেছিলেন… 

    রবিবার জিতেন্দ্রকে (Jitendra Tiwari) তোলা হয়েছিল আসানসোলের বিশেষ আদালতে।এদিন আদালতে নিজেই সওয়াল করেন জিতেন্দ্র। বলেন, সুপ্রিম কোর্টে সোমবার এই মামলার শুনানি রয়েছে। সেজন্য পুলিশ হেফাজত দিন। কিন্তু দু দিনের জন্য দিন। তার পরে সুপ্রিম কোর্টের রায় যা হবে, তা দেখে প্রয়োজন হলে আরও ১২ দিন পুলিশ হেফাজত দিয়ে দেবেন। কিন্তু আজ দু দিনের পুলিশ হেফাজত দিন। দু পক্ষের সওয়াল জবাব শোনার পর বিচারক জিতেন্দ্রকে ৮ দিনের পুলিশি হেফাজতের নির্দেশ দেন।

    প্রসঙ্গত, আসানসোলের ২৭ নম্বর ওয়ার্ডের কাউন্সিলর জিতেন্দ্রর (Jitendra Tiwari) স্ত্রী চৈতালি। বিজেপির এই নেত্রীর উদ্যোগে ১৪ ডিসেম্বর হয় কম্বল বিলি অনুষ্ঠান। সেখানে উপস্থিত ছিলেন রাজ্যের বিরোধী দলনেতা শুভেন্দু অধিকারীও। শুভেন্দু অনুষ্ঠানস্থল ছেড়ে যাওয়ার পরেই হুড়োহুড়ি শুরু হয় কম্বল নেওয়ার জন্য। পদপিষ্ট হয়ে মৃত্যুর ঘটনাও ঘটে। পুলিশ জানিয়ে দেয়, ওই অনুষ্ঠানের জন্য তাদের কোনও অনুমতি নেওয়া হয়নি। বিষয়টি গড়ায় আদালত পর্যন্ত। জিতেন্দ্র ও তাঁর স্ত্রীকে একাধিকবার জিজ্ঞাসাবাদ করে পুলিশ।

    আরও পড়ুুন: ‘তৃণমূল নেতাদের রাঁধুনি হলেও মিলবে ৬০ লক্ষ টাকা’! কটাক্ষ সুকান্তর

    জিতেন্দ্রর (Jitendra Tiwari) বিরুদ্ধে অনচ্ছাকৃত খুন, অনিচ্ছাকৃত খুনের চেষ্টা ও যৌথভাবে কোনও ঘটনা সংগঠিত করার মামলা রুজু করে পুলিশ। শনিবার আসানসোল দুর্গাপুর পুলিশ কমিশনারেটের গোয়েন্দা দফতর ও আসানসোল উত্তর থানার পুলিশ যৌথভাবে অভিযান চালিয়ে নয়ডার যমুনা এক্সপ্রেসওয়ে থেকে গ্রেফতার করে জিতেন্দ্রকে। পরে তাঁকে আসানসোল নিয়ে যায় পুলিশ। জিতেন্দ্রর আইনজীবী হর্ষিকা বর্মা বলেন, মূল মামলায় রাজ্যকে নোটিশ জারি করার নির্দেশ দিয়েছে সুপ্রিম কোর্ট। প্রথম মামলাকারী জিতেন্দ্র তিওয়ারি ও দ্বিতীয় মামলাকারী গৌরব গুপ্তকে জামিন দেওয়া হয়েছে। দু সপ্তাহ পরে ফের মামলাটির শুনানি রয়েছে।

    দেশের খবরদশের খবরসব খবরসবার আগে পেতে ফলো করুন আমাদের FacebookTwitter এবং Google News পেজ।

  • Sukanta Majumdar: ‘তৃণমূল নেতাদের রাঁধুনি হলেও মিলবে ৬০ লক্ষ টাকা’! কটাক্ষ সুকান্তর

    Sukanta Majumdar: ‘তৃণমূল নেতাদের রাঁধুনি হলেও মিলবে ৬০ লক্ষ টাকা’! কটাক্ষ সুকান্তর

    মাধ্যম নিউজ ডেস্ক: রাজ্যে আসন্ন পঞ্চায়েত ভোট। গ্রামে গ্রামে প্রচার অভিযান চালাচ্ছে বিজেপি। রবিবার বিজেপির বুথ স্বশক্তিকরন কর্মসূচিতে শালবনি গেলেন দলের রাজ্য সভাপতি সুকান্ত মজুমদার (Sukanta Majumdar)। এদিনই শালবনির প্রচার সভা থেকে নিয়োগ দুর্নীতি নিয়ে তৃণমূলকে তীব্র কটাক্ষ করলেন সুকান্ত। তাঁর কথায় , “তৃণমূল নেতাদের বাড়ির রাঁধুনি হলেও ৬০ লক্ষ টাকা পাওয়া যাবে। অনুব্রত মণ্ডলের রাঁধুনির অ্যাকাউন্টে যদি ৬০ লক্ষ টাকা পাওয়া যায়, তাহলে বেকার যুবক-যুবতীরা এবার কী সেই কাজ করবেন?”  

    সুকান্ত যা বললেন

    এদিন কখনও পায়ে হেঁটে, কখনও বাইক চালিয়ে  দলের সশক্তিকরণ কর্মসূচিতে দিনভর শালবনি চষে বেড়ালেন সুকান্ত (Sukanta Majumdar)। শালবনির পিড়াকাটায় বাইক মিছিলে যোগ দেন বিজেপির রাজ্য সভাপতি। সুকান্ত নিজেই বাইক চালিয়ে নেতৃত্ব দেন মিছিলের। সঙ্গে ছিলেন জেলা বিজেপির সভাপতি সহ অন্যান্য নেতৃত্ব। যান শালবনির ভাউদি, কাশিজোড়া প্রভৃতি জায়গায়। কর্মসূচি থেকে একাধিক ইস্যুতে রাজ্য সরকারের সমালোচনায় সরব হন তিনি। গ্রামের মানুষের অভাব অভিযোগ শোনেন তিনি। জঙ্গলমহলের মহিলাদের নিয়ে একটি ছোট সভারও আয়োজন করা হয়। সেখানে মহিলাদের কথাও শোনেন তিনি। বিজেপি নেতা জিতেন্দ্র তেওয়ারির গ্রেফতারিকে ‘রাজনৈতিক’ বলে ব্যাখ্যা করেন সুকান্ত।

    আরও পড়ুুন: গুরুদ্বারে অস্ত্র মজুত, রিহ্যাব সেন্টারের আড়ালে ‘খাডকু’ তৈরি করতেন অমৃতপাল?

    রাজ্যে কৃষকদের অবস্থা নিয়েও সমালোচনা করেন বিজেপির রাজ্য সভাপতি সুকান্ত (Sukanta Majumdar)। তাঁর কথায়, “অন্য রাজ্যের সঙ্গে আমাদের রাজ্যের কৃষকদের গুলিয়ে ফেলা ঠিক নয়। এখানে মূলত ছোট জমির মালিক, ছোট চাষি,ভাগ চাষি রয়েছে।” তাঁর মতে, এখানে আলু চাষিরা রাস্তায় নেমে বিক্ষোভ দেখাচ্ছে। আলুর চাষ থেকে তৃণমূল নেতারা কাটমানি খাচ্ছে বলেও দাবি তাঁর। এদিন চন্দ্রকোনায় মৃত আলু চাষি তাপস রুইদাসের  পরিবারের সঙ্গে দেখা করে তাঁদের হাতে আর্থিক সাহায্য তুলে দেন সুকান্ত।

    দেশের খবরদশের খবরসব খবরসবার আগে পেতে ফলো করুন আমাদের FacebookTwitter এবং Google News পেজ।

  • Sanitation: দুর্গাপুর পুরসভায় কাজ বন্ধ রেখে আন্দোলনে কেন সাফাই কর্মীরা?

    Sanitation: দুর্গাপুর পুরসভায় কাজ বন্ধ রেখে আন্দোলনে কেন সাফাই কর্মীরা?

    মাধ্যম নিউজ ডেস্কঃ সাত সকালেই গোটা শহর ঝাঁ চকচকে করে রাখা তাঁদের কাজ। কিন্তু, তিন মাস ধরে পরিবার নিয়ে চরম অসহায়ভাবে দিন কাটাচ্ছেন দুর্গাপুর পুরসভার ৪৫৮ জন সাফাই (Sanitation) কর্মী। জানুয়ারি মাস থেকেই তাঁদের বেতন হচ্ছে না। বকেয়া বেতনের দাবিতে সোমবার সকাল থেকে কাজ বন্ধ রেখে বিক্ষোভ দেখান সাফাই কর্মীরা। যার জেরেই এদিন সকাল থেকেই শহরের অধিকাংশ ওয়ার্ডে কোনও সাফাই (Sanitation) হয়নি। আন্দোলনকারীদের বক্তব্য, জানুয়ারি থেকে বেতন নিয়ে টালবাহানা করা হচ্ছে। বেতন না পাওয়ায় সংসার চালাতে চরম সমস্যা হচ্ছে। দোকানে কেউ ধার দিচ্ছে না। ছেলেমেয়েদের টিউশন ফি দিতে পারছি না। চরম দুশ্চিন্তার মধ্যে আমরা সকলে দিন কাটাচ্ছি। আমাদের দাবি, অবিলম্বে বকেয়া বেতন দেওয়ার ব্যবস্থা করা হোক। বিষয়টি জানতে পেরে পুরসভার প্রশাসক মণ্ডলীর চেয়ারপার্সন অনিন্দিতা মুখোপাধ্যায় সাফাই কর্মীদের দাবি বিবেচনা করার আশ্বাস দেন। তিনি বলেন, বিষয়টি নিয়ে ঠিকাদারের সঙ্গে কথা হয়েছে। আগামীকালের মধ্যে আমরা ওদের বকেয়া বেতন দেওয়ার চেষ্টা করব।

    সাফাই কর্মীদের বেতন পেতে সমস্যা হচ্ছে কেন? Sanitation

    দুর্গাপুর পুরসভার সাফাই কর্মীরা ঠিকাদারের মাধ্যমে নিয়োগ হন। ফলে, তাঁদের বেতনও দেন ঠিকাদাররা। এতদিন যে ঠিকাদার তাঁদের দায়িত্বে ছিলেন, তিনি নিয়মিত বেতন দিতেন বলে সাফাই (Sanitation) কর্মীদের দাবি। এখন নতুন ঠিকাদার নিয়োগ হওয়ার পর থেকেই বেতন নিয়ে জটিলতা তৈরি হয়েছে। সাফাই কর্মীদের বক্তব্য, সরকারি নিয়ম মেনে ঠিকাদার পরিবর্তন করা হয়েছে। তাতে আমাদের কিছু বলার নেই। কিন্তু, নতুন ঠিকাদার বার বার আমাদের কাছে বিভিন্ন কাগজপত্র চেয়ে হেনস্থা করছে। এমনিতেই আমাদের কোনও ছুটি নেই। এরপরও যদি আমাদের নিয়মিত বেতন না দেয় তাহলে আমরা কী করে কাজ করব?

    দুর্গাপুর পূর্বের বিজেপির বিধায়ক লক্ষ্মণ ঘড়ুই বলেন, জোর করে তৃণমূল সরকার এই পুরসভার নির্বাচন করছে না। প্রশাসক বোর্ড বসিয়ে নিজেদের ক্ষমতা ধরে রেখেছে। সাফাই (Sanitation) কর্মীরা সামান্য বেতনে কাজ করেন। তাঁদের ন্যায্য বেতন তিনমাস ধরে আটকে রেখেছে। আমরা চাই, অবিলম্বে পুরভোট করা হোক। স্বচ্ছভাবে  ভোট হলে এই বোর্ড থাকবে না। সাফাই কর্মীরা নিজেদের ন্যায্য পাওনা থেকে আর বঞ্চিত হবেন না। সিপিএমের জেলা সম্পাদক মণ্ডলীর সদস্য পঙ্কজ রায় সরকার বলেন, সাফাই কর্মীদের বেতন না দেওয়া অন্যায়। এই বোর্ডের উদাসীনতার কারণে এসব হচ্ছে। অবিলম্বে পুরভোট করা দরকার।

    দেশের খবর, দশের খবর, সব খবর, সবার আগে পেতে ফলো করুন আমাদের FacebookTwitter এবং Google News পেজ।

  • Sukanta Majumdar: পাখির চোখ পঞ্চায়েত নির্বাচন, গুচ্ছ কর্মসূচি ঘোষণা বিজেপির

    Sukanta Majumdar: পাখির চোখ পঞ্চায়েত নির্বাচন, গুচ্ছ কর্মসূচি ঘোষণা বিজেপির

    মাধ্যম নিউজ ডেস্ক: দুয়ারে পঞ্চায়েত নির্বাচন (Panchayet Polls)। বছর ঘুরলেই লোকসভা নির্বাচন। তার আগে রাজ্যে জোরদার আন্দোলনে নামেছে বিজেপি (BJP)। পদ্ম শিবিরের তরফে ওবিসি মোর্চার কর্মসূচি ঘোষণা করা হয়েছে। ৬ থেকে ১৪ এপ্রিল পর্যন্ত বিজেপির ওবিসি মোর্চার কর্মসূচি পালিত হবে। এই কর্মসূচিতে মূলত কেন্দ্রের মোদি (PM Modi) সরকার ওবিসিদের জন্য কী কী পদক্ষেপ করেছে, তা-ই প্রচার করা হবে ফলাও করে। এর পাশাপাশি রাজ্য সরকারের নেতিবাচক পদক্ষেপ নিয়েও বিশদে জানানো হবে জনতাকে। বিজেপির ওই ওবিসি মোর্চার কর্মসূচিতে অংশ নেবেন দলের রাজ্য সভাপতি সুকান্ত মজুমদার (Sukanta Majumdar), দলের প্রাক্তন রাজ্য সভাপতি দিলীপ ঘোষরা। রবিবার বিজেপির রাজ্য সভাপতি সুকান্ত মজুমদার বলেন, যেহেতু বিজেপির কর্মসূচি, তাই রাজ্যের পুলিশ প্রশাসন বাধা দেবে এ ব্যাপারে আমরা নিশ্চিত। সেই বাধা জয় করেই আমরা এই কর্মসূচি সফল করতে বদ্ধপরিকর।

    সুকান্ত মজুমদার (Sukanta Majumdar) বলেন…

    দলের ওবিসি মোর্চার এই কর্মসূচি ঘোষণার পাশাপাশি এদিন তৃণমূলকেও একহাত নেন বিজেপির রাজ্য সভাপতি। তিনি বলেন, সংখ্যালঘু ভোট ফেরাতে তৃণমূল নতুন উঠে আসা মুসলিম নেতৃত্বকে গুরুত্ব দিচ্ছে। কিন্তু যাঁরা দলটা তৈরি করেছিলেন, তাঁদের গুরুত্ব দেওয়া হচ্ছে না। সুকান্ত বলেন, সেই কারণে ফিরহাদ হাকিমদের পরিবর্তে সিদ্দিকুল্লা চৌধুরী, মোশারফ হোসেনদের গুরুত্ব দেওয়া হচ্ছে। ফিরহাদ হাকিমকে হাওড়া ও হুগলির দায়িত্ব ফিরিয়ে দিলেও, কোথাও একটা তার রাশ টানার চেষ্টা চলছে বলেও জানান বিজেপির রাজ্য সভাপতি। তিনি (Sukanta Majumdar) বলেন, দলের অনুমতি নিয়ে কথা বলতে হচ্ছে তাঁকে (ফিরহাদ)। ভাইপোর অনুমতির পর গলার চাবি খুলতে পারবেন ফিরহাদ।

    আরও পড়ুুন: গুরুদ্বারে অস্ত্র মজুত, রিহ্যাব সেন্টারের আড়ালে ‘খাডকু’ তৈরি করতেন অমৃতপাল?

    বিজেপি বিরোধী জোট গঠনের প্রচেষ্টাকে সোনার পাথরবাটি আখ্যা দেন সুকান্ত। সম্প্রতি তৃণমূল নেত্রী মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়ের কালীঘাটের বাড়িতে গিয়ে বৈঠক করেন সমাজবাদী পার্টির নেতা অখিলেশ যাদব। তার পরেই তৃতীয় ফ্রন্ট গঠন নিয়ে ফের শুরু হয় চর্চা। এদিন সে প্রসঙ্গে বিজেপির রাজ্য সভাপতি বলেন, সিপিএম ছাড়া তৃতীয় ফ্রন্ট হবে কী করে? প্রকাশ কারাত বা ইয়েচুরির সঙ্গে মমতা হাত ধরে আয় তবে সহচরী গাইতে পারবেন?  তিনি (Sukanta Majumdar) বলেন, ২০১৯ সালে ইউনাইটেড ফ্রন্ট গড়ে তোলার কথা বলেছিলেন। তখন তো সবাই হাত ধরাধরি করেছিলেন। সবার মনের মধ্যে প্রধানমন্ত্রী হওয়ার বাসনা ছিল। মনে হচ্ছিল, থার্ড ফ্রন্ট প্রতিমাসে একজন করে প্রধানমন্ত্রী দেবে। তিনি বলেন, প্রধানমন্ত্রী পদটি অলরেডি অকুপায়েড বাই পিএম মোদি।

     

    দেশের খবরদশের খবরসব খবরসবার আগে পেতে ফলো করুন আমাদের FacebookTwitter এবং Google News পেজ।

     

  • Jitendra Tiwari: ‘যারা গদিতে ঘুমোয়, তারা ভাবুক, কী হবে’, বললেন কম্বলকাণ্ডে ধৃত জিতেন্দ্র

    Jitendra Tiwari: ‘যারা গদিতে ঘুমোয়, তারা ভাবুক, কী হবে’, বললেন কম্বলকাণ্ডে ধৃত জিতেন্দ্র

    মাধ্যম নিউজ ডেস্ক: আমার যা লাইফস্টাইল আমি মাটিতেও শুতে পারি। আমার পুলিশ হেফাজত হোক বা জেল হেফাজত, কিচ্ছু যায় আসে না। যারা মোটা মোটা গদিতে ঘুমোয়, তারা ভাবুক, তাদের কী হবে। রবিবার কথাগুলি বললেন কম্বলকাণ্ডে গ্রেফতার হওয়া বিজেপি (BJP) নেতা জিতেন্দ্র তিওয়ারি (Jitendra Tiwari)। এদিনই আসানসোলের বিশেষ আদালত (Court) জিতেন্দ্রকে ৮ দিনের পুলিশি হেফাজতের নির্দেশ দিয়েছে। তার পরেই ওই কথাগুলি বলেন আসানসোলের বিজেপি নেতা। এদিন তাঁকে আদালত থেকে বের করার পথে বিক্ষোভ দেখান বিজেপি কর্মীরা। পুলিশের বিরুদ্ধেও স্লোগান দেন তাঁরা।

    জিতেন্দ্র তিওয়ারি (Jitendra Tiwari) বলেন…

    এদিন আদালতে নিজেই সওয়াল করেন জিতেন্দ্র। বলেন, সুপ্রিম কোর্টে আগামিকাল (সোমবার) এই মামলার শুনানি রয়েছে। সেজন্য পুলিশ হেফাজত দিন। কিন্তু দু দিনের জন্য দিন। তার পরে সুপ্রিম কোর্টের রায় যা হবে, তা দেখে প্রয়োজন হলে আরও ১২ দিন পুলিশ হেফাজত দিয়ে দেবেন। কিন্তু আজ দু দিনের পুলিশ হেফাজত দিন। দু পক্ষের সওয়াল জবাব শোনার পর বিচারক জিতেন্দ্রকে ৮ দিনের পুলিশি হেফাজতের নির্দেশ দেন।

    প্রসঙ্গত, আসানসোলের ২৭ নম্বর ওয়ার্ডের কাউন্সিলর জিতেন্দ্রর (Jitendra Tiwari) স্ত্রী চৈতালি। বিজেপির এই নেত্রীর উদ্যোগে ১৪ ডিসেম্বর হয় কম্বল বিলি অনুষ্ঠান। সেখানে উপস্থিত ছিলেন রাজ্যের বিরোধী দলনেতা শুভেন্দু অধিকারীও। শুভেন্দু অনুষ্ঠানস্থল ছেড়ে যাওয়ার পরেই হুড়োহুড়ি শুরু হয় কম্বল নেওয়ার জন্য। পদপিষ্ট হয়ে মৃত্যুর ঘটনাও ঘটে। পুলিশ জানিয়ে দেয়, ওই অনুষ্ঠানের জন্য তাদের কোনও অনুমতি নেওয়া হয়নি। বিষয়টি গড়ায় আদালত পর্যন্ত। জিতেন্দ্র ও তাঁর স্ত্রীকে একাধিকবার জিজ্ঞাসাবাদ করে পুলিশ।

    আরও পড়ুুন: ইডির হাতে আটক বহিষ্কৃত তৃণমূল নেতা শান্তনুর ঘনিষ্ঠ প্রোমোটার, উদ্ধার হার্ডডিস্ক

    জিতেন্দ্রর (Jitendra Tiwari) বিরুদ্ধে অনচ্ছাকৃত খুন, অনিচ্ছাকৃত খুনের চেষ্টা ও যৌথভাবে কোনও ঘটনা সংগঠিত করার মামলা রুজু করে পুলিশ। শনিবার আসানসোল দুর্গাপুর পুলিশ কমিশনারেটের গোয়েন্দা দফতর ও আসানসোল উত্তর থানার পুলিশ যৌথভাবে অভিযান চালিয়ে নয়ডার যমুনা এক্সপ্রেসওয়ে থেকে গ্রেফতার করে জিতেন্দ্রকে। পরে তাঁকে আসানসোল নিয়ে যায় পুলিশ। এদিন তোলা হয় আদালতে।

    দেশের খবরদশের খবরসব খবরসবার আগে পেতে ফলো করুন আমাদের FacebookTwitter এবং Google News পেজ।

  • JP Nadda: ‘গণতন্ত্রের সমস্ত সীমা অতিক্রম করেছেন রাহুল গান্ধী’, আক্রমণ নাড্ডার

    JP Nadda: ‘গণতন্ত্রের সমস্ত সীমা অতিক্রম করেছেন রাহুল গান্ধী’, আক্রমণ নাড্ডার

    মাধ্যম নিউজ ডেস্ক: গণতন্ত্রের সমস্ত সীমা অতিক্রম করেছেন তিনি। এভাবেই রাহুল গান্ধীকে (Rahul Gandhi) আক্রমণ শানালেন বিজেপির (BJP) সর্বভারতীয় সভাপতি জেপি নাড্ডা (JP Nadda)। শনিবার তিনি বলেন, তাঁকে (রাহুল গান্ধীকে) গণতান্ত্রিক পদ্ধতিতে লক, স্টক এবং ব্যারেল প্যাকিং করে পাঠানো উচিত। চেন্নাইয়ে অনুষ্ঠিত হচ্ছে বিজেপির ভারতীয় জনতা যুব মোর্চার ন্যাশনাল ইউথ পার্লামেন্ট। ভার্চুয়ালি এই অনুষ্ঠানের উদ্বোধন করেন নাড্ডা। সেখানেই নিশানা করেন কংগ্রেস সাংসদ রাহুল গান্ধীকে। বিজেপির সভাপতি বলেন, যাঁরা গণতন্ত্রে বিশ্বাস করেন না, গণতন্ত্রে তাঁদের কোনও ঠাঁই নেই। তিনি বলেন, কংগ্রেস মানসিকভাবে দেউলিয়া হয়ে গিয়েছে।

    নাড্ডার (JP Nadda) অভিযোগ…

    নাড্ডার (JP Nadda) অভিযোগ, রাহুল গান্ধী আমেরিকা এবং ইউরোপিয় দেশগুলিকে ভারতের অভ্যন্তরীণ  ব্যাপারে হস্তক্ষেপ করতে উৎসাহিত করছেন। ভারতে গণতন্ত্র বিপন্ন বলে যে মন্তব্য তিনি করেছেন, তাতেই এই পরিস্থিতির সৃষ্টি হয়েছে। এর পরেই তিনি বলেন, রাহুল গান্ধী গণতন্ত্রের সমস্ত সীমা লঙ্ঘন করেছেন। বিজেপি সভাপতির প্রশ্ন, কী ধরনের বাক্য তিনি ব্যবহার করেছেন? বলেছেন, ভারতবাসী তাঁর কথা শোনেন না, কেবল সহ্য করেন। এর পরেই বিজেপির সভাপতি বলেন, এহেন লজ্জাজনক মন্তব্য করে রাহুল গান্ধী কেবল দেশকে অপমান করেননি, তিনি অপমান করেছেন দেশের গণতান্ত্রিক মূল্যবোধকেও। দেশের অভ্যন্তরীণ ব্যাপারে বিদেশি শক্তিকে হস্তক্ষেপ করতেও আহ্বান জানাচ্ছেন তিনি।

    আরও পড়ুুন: ধৃত খলিস্তানপন্থী নেতা অমৃতপাল সিংহের পিছনে পাক যোগ?

    শুক্রবারই একটি ভিডিও বার্তায় রাহুলের লন্ডন সফরের বক্তব্যকে হাতিয়ার করে বিজেপির সভাপতি (JP Nadda) বলেছিলেন, উনি (রাহুল গান্ধী) দেশবিরোধী স্থায়ী টুলকিট হয়ে উঠেছেন। রাহুল দেশের সার্বভৌমত্বকে প্রশ্নের মুখে ফেলেছেন। ভিডিও বার্তায় নাড্ডা আরও বলেছিলেন, এটা দুর্ভাগ্যজনক যে কংগ্রেস দল দেশবিরোধী কার্যকলাপে লিপ্ত হচ্ছে। দেশবাসী তাদের বারবার প্রত্যাখ্যান করার পর রাহুল গান্ধী এখন দেশবিরোধী টুলকিটের স্থায়ী অংশ হয়ে উঠেছেন।

    প্রসঙ্গত, সম্প্রতি কেমব্রিজ বিশ্ববিদ্যালয়ের একটি সভায় গণতন্ত্রহীনতা নিয়ে বলতে গিয়ে রাহুল বলেছিলেন, ভারতে গণতন্ত্র বিপন্ন। তিনি আরও বলেছিলেন, এটি আমাদের দেশের অভ্যন্তরীণ সমস্যা। এর সমাধান ভারতের অভ্যন্তর থেকেই আসতে চলেছে। এটা বাইরে থেকে আমদানি করা যায় না। রাহুল এও বলেছিলেন, ভারতে গণতন্ত্রের প্রভাব শুধু তার ভৌগোলিক সীমানার মধ্যেই সীমাবদ্ধ নয়। যদি ভারতে গণতন্ত্র ভেঙে পড়ে, তাতে গোটা বিশ্বেরই ক্ষতি।

    দেশের খবরদশের খবরসব খবরসবার আগে পেতে ফলো করুন আমাদের FacebookTwitter এবং Google News পেজ।

     

  • PM Modi: ‘দেশের কপালে কালো টিকা লাগাচ্ছেন এঁরা’, নাম না করে কংগ্রসকে নিশানা মোদির

    PM Modi: ‘দেশের কপালে কালো টিকা লাগাচ্ছেন এঁরা’, নাম না করে কংগ্রসকে নিশানা মোদির

    মাধ্যম নিউজ ডেস্ক: দেশে বর্তমানে অনেক শুভ কাজকর্ম হচ্ছে। তাই কিছু লোক দেশ মাতৃকার কপালে কালো টিকা লাগানোর দায়িত্ব নিয়েছেন। নাম না করে কংগ্রেসকে (Congress) এই ভাষায়ই আক্রমণ শানালেন প্রধানমন্ত্রী নরেন্দ্র মোদি (PM Modi)। ইন্ডিয়া টুডে কনক্লেভ ২০২৩-এ ভাষণ দিতে গিয়ে প্রধানমন্ত্রী নিশানা করেন কংগ্রেসকে। ভারতের (India) ওপর যাতে কারো নজর না লাগে তাই কালো টিকা পরাচ্ছেন তাঁরা। তিনি বলেন, একটা সময় ছিল, যখন বিশ্ব ভাবত ভারতের সময় এসেছে। তখন কথা হত কেবলই হতাশার। ভারতকে নীচে নামানো হত, ভাঙা হত নৈতিকতা। প্রধানমন্ত্রী বলেন, আমরা জানি কালো টিকা পরানোর ঐতিহ্য। সেই কাজই করার দায়িত্বই নিয়েছেন ওই লোকগুলো।

    প্রধানমন্ত্রী নরেন্দ্র মোদি (PM Modi) বলেন…

    ২০২৩ সালের প্রথম ৭৫ দিনে মোদি (PM Modi) সরকারের সাফল্য তুলে ধরে প্রধানমন্ত্রী বলেন, আজ গোটা বিশ্ব বলছে, এটা ভারতের সময়। বর্তমানে বিভিন্ন দেশের মধ্যে প্রতিযোগিতা শুরু হয়ে গিয়েছে কোন দেশ আগে ভারতের হৃত প্রত্নবস্তু ফেরত দেবে, তা নিয়ে। তিনি বলেন, আগে প্রায়ই খবরের হেডলাইন হত কত লক্ষ কোটি টাকার দুর্নীতি হয়েছে। লোকেরা রাস্তাঘাটে তা নিয়ে বলাবলি করত। দুর্নীতির বিরুদ্ধে সোচ্চার হত। এসব এখন অতীত। এখন সংবাদের শিরোনাম হয় দুর্নীতির বিরুদ্ধে সরকার কী ব্যবস্থা নিয়েছে। দুর্নীতিগ্রস্তদের রাস্তা দিয়ে হাঁটিয়ে নিয়ে আসা হয়। তিনি জানান, বর্তমানে বিরোধী দলের বহু নেতা তদন্তকারী সংস্থার নজরে রয়েছেন।

    আরও পড়ুুন: এভারেস্টে বরফের নীচে চাপা পড়ে আছে ভাইরাস ও ব্যাকটেরিয়া, দাবি বিজ্ঞানীদের

    ব্রিটেনের কেমব্রিজ বিশ্ববিদ্যালয়ের একটি অনুষ্ঠানে যোগ দিতে গিয়ে বেফাঁস মন্তব্য করেছিলেন কংগ্রেস সাংসদ রাহুল গান্ধী। এদিন রাহুলের নাম না করে সেই প্রসঙ্গও তোলেন প্রধানমন্ত্রী। তিনি বলেন, কিছু লোক আমাদের গণতন্ত্র এবং গণতান্ত্রিক প্রতিষ্ঠানের সাফল্য হজম করতে পারছে না। সেই কারণে তারা আমাদের গণতন্ত্রকে আক্রমণ করছে। প্রধানমন্ত্রী বলেন, এতদসত্ত্বেও ভারত তার লক্ষ্যে পৌঁছবে। কিছুদিন আগে ব্রিটেনে গিয়ে কেমব্রিজ বিশ্ববিদ্যালয়ের একটি অনুষ্ঠানে যোগ দেন রাহুল। সেখানে তিনি ভারতের গণতন্ত্র নিয়ে বলতে গিয়ে বলেন, সকলে জানে ভারতের গণতন্ত্র আক্রমণের মুখে পড়ে কীভাবে বিপন্ন। আমি দেশের বিরোধী নেতা, কিন্তু বিরোধী পরসর খুঁজতে হাতড়ে বেড়াতে হচ্ছে। এর পরেই রাহুলের বিরুদ্ধে সুর চড়ায় বিজেপি। 

    দেশের খবরদশের খবরসব খবরসবার আগে পেতে ফলো করুন আমাদের FacebookTwitter এবং Google News পেজ।

     

  • Suvendu Adhikari: স্কুল ইউনিফর্মের বরাতে নেওয়া হয়েছে কাটমানি? বোমা ফাটালেন শুভেন্দু

    Suvendu Adhikari: স্কুল ইউনিফর্মের বরাতে নেওয়া হয়েছে কাটমানি? বোমা ফাটালেন শুভেন্দু

    মাধ্যম নিউজ ডেস্ক: বছর দুয়েক আগে একবার তৃণমূলের (TMC) বিরুদ্ধে কাটমানি নেওয়ার অভিযোগে সরগরম হয়েছিল বাংলা। এবার কাটমানি নেওয়ার অভিযোগ খোদ রাজ্য সরকারের বিরুদ্ধে। সেবার অভিযোগ তুলেছিলেন বঙ্গবাসী। এবার অভিযোগ তুললেন রাজ্যের বিরোধী দলনেতা তথা নন্দীগ্রামের বিধায়ক বিজেপির (BJP) শুভেন্দু অধিকারী (Suvendu Adhikari)। তাঁর বক্তব্য, স্বনির্ভরগোষ্ঠীর সদস্যদের নির্দেশ দেওয়া হচ্ছে স্কুলে গিয়ে ছাত্রছাত্রীদের পোশাকের মাপ নিতে। আর পশ্চিমবঙ্গ সরকার কেন্দ্রীয়ভাবে নিজের পছন্দের কোনও সংস্থার মাধ্যমে (যার নির্বাচন নিয়ে প্রশ্নচিহ্ন রয়ে যাচ্ছে) আগে থেকে ঠিক করা নিম্নমানের পূর্ব নির্ধারিত গড় মাপের কাপড় (কাটমানির বিনিময়ে) সরবরাহ করার পরিকল্পনা করে বসে রয়েছে।

    শুভেন্দু অধিকারীর (Suvendu Adhikari) অভিযোগ…

    ট্যুইটে রাজ্যের বিরোধী দলনেতা (Suvendu Adhikari) আরও লেখেন, সেলফ হেল্প গ্রুপের সদস্যরা গত বছরের সেলাই কাজের জন্য সম্পূর্ণ টাকা পায়নি। এখন যদি তারা পরিমাপ করে এবং স্ট্যান্ডার্ড আকারের ইউনিফর্ম ছাত্রদের সঙ্গে মানানসই না হয়, তাহলে স্থানীয়স্তরে তাদের দায়ী করা হবে। আমি এসএইচজি বোনদের অনুরোধ করছি, এই ধরনের আদেশ অনুসরণ করার আগে বিচক্ষণতা প্রয়োগ করতে। রাজ্যের বিরোধী দলনেতা বলেন, স্বনির্ভরগোষ্ঠীর সদস্যরা যে মাপ নিতে যাবেন, সেটা একেবারেই আইওয়াশ।

    তাঁর ব্যাখ্যা, ইতিমধ্যেই সেই সব ইউনিফর্ম তৈরি হয়ে রয়েছে। এখন বলা হচ্ছে, মাপ নিতে যাবেন স্বনির্ভরগোষ্ঠীর সদস্যরা। এরপর যখন পোশাকের মাপ ছোট-বড় হবে, তখন পুরো দায় ঠেলা হবে স্বনির্ভরগোষ্ঠীর সদস্যদের ওপর।

    আরও পড়ুুন: দাম শুনলে চোখ কপালে উঠবে! মণীশের নামে বিপুল পরিমাণ সম্পত্তির হদিশ

    শুভেন্দু (Suvendu Adhikari) বলেন, ইউনিফর্ম তৈরি হয়েছে গড় মাপে। এই মাপ নেওয়া লোক দেখানো। তাঁর দাবি, গত বছরের সেলাইয়ের কাজের পুরো পাওনা এখনও স্বনির্ভরগোষ্ঠীর সদস্যদের মেটানো হয়নি। তার ওপর নতুন ঝামেলার দিকে ঠেলে দেওয়া হচ্ছে তাদের। শিক্ষাক্ষেত্রে একের পর এক দুর্নীতির অভিযোগে জেরবার রাজ্য। সেই তালিকায় সবার ওপরে রয়েছে নিয়োগ কেলেঙ্কারি। সম্প্রতি এই তালিকায় যোগ হয়েছে সরকারি সাহায্যপ্রাপ্ত স্কুলের ইউনিফর্মে দুর্নীতির অভিযোগ। এর সঙ্গেই যুক্ত হয়েছে কাটমানি নেওয়ার অভিযোগও।

    দেশের খবরদশের খবরসব খবরসবার আগে পেতে ফলো করুন আমাদের FacebookTwitter এবং Google News পেজ।

  • JP Nadda: ‘রাহুল গান্ধী দেশ-বিরোধী টুলকিটে পরিণত হয়েছেন’, কংগ্রেসকে নিশানা নাড্ডার

    JP Nadda: ‘রাহুল গান্ধী দেশ-বিরোধী টুলকিটে পরিণত হয়েছেন’, কংগ্রেসকে নিশানা নাড্ডার

    মাধ্যম নিউজ ডেস্ক: এটা খুব দুর্ভাগ্যজনক কংগ্রেস দলটা দেশবিরোধী কাজে জড়িয়ে পড়ছে। দেশবাসীর দ্বারা বারবার প্রত্যাখাত হয়ে রাহুল গান্ধী (Rahul Gandhi) এখন দেশবিরোধী টুলকিটের স্থায়ী অংশে পরিণত হয়েছেন। শুক্রবার এই ভাষায়ই কংগ্রেস (Congress) সাংসদ রাহুল গান্ধীকে নিশানা করলেন বিজেপির (BJP) সর্বভারতীয় সভাপতি জেপি নাড্ডা (JP Nadda)। লন্ডনে রাহুলের সাম্প্রতিক মন্তব্যের তীব্র সমালোচনাও করেন তিনি। রাহুলের এহেন মন্তব্যের জন্য নিঃশর্ত ক্ষমা প্রার্থনার দাবিও জানান নাড্ডা।

    রাহুলের বক্তব্য…

    প্রসঙ্গত, কিছুদিন আগে ব্রিটেনে গিয়ে কেমব্রিজ বিশ্ববিদ্যালয়ের একটি অনুষ্ঠানে যোগ দেন রাহুল। সেখানে তিনি ভারতের গণতন্ত্র নিয়ে বলতে গিয়ে বলেন, সকলে জানে ভারতের গণতন্ত্র আক্রমণের মুখে পড়ে কীভাবে বিপন্ন। আমি দেশের বিরোধী নেতা, কিন্তু বিরোধী পরসর খুঁজতে হাতড়ে বেড়াতে হচ্ছে। এর পরেই রাহুলের বিরুদ্ধে সুর চড়ায় বিজেপি। রাহুলের এই মন্তব্যের জেরে গত কয়েক দিন ধরে উত্তাল হয়েছে সংসদও। টুলকিট হল এমন একটি মাধ্যম যেখানে নিজের মতামত বা পরিকল্পনাকে লিখিত ও ভিডিও-র মাধ্যমে সহজে শেয়ার করা যায়। যা এক ধরনের মাইক্রো ওয়েবসাইট যেখানে কোনও একটি বিষয়ে ব্যক্তিগত বা প্রাতিষ্ঠানিক বক্তব্য বিস্তারিত তুলে ধরা হয়।

    বিজেপির সর্বভারতীয় সভাপতি (JP Nadda) বলেন, রাহুলের মন্তব্য দেশের নির্বাচিত সরকার ও ১৩০ কোটি দেশবাসীকে অপমান করেছে। তাঁর প্রশ্ন, রাহুলের মন্তব্য দেশদ্রোহীদের হাত শক্ত করেনি? বিদেশের মাটিতে দাঁড়িয়ে রাহুল গান্ধী বলছেন ভারতে গণতন্ত্র শেষ হয়ে গিয়েছে। এবং দেশে গণতন্ত্রের পুনরুদ্ধারে ইউরোপ ও আমেরিকার সাহায্যও চেয়েছেন তিনি। এর থেকে লজ্জার আর কী হতে পারে! ভারত যে ক্রমেই শক্তিশালী একটি রাষ্ট্র হিসেবে নিজেকে বিশ্বের দরবারে তুলে ধরেছে, এদিন সেকথা মনে করিয়ে দিয়ে নাড্ডা (JP Nadda) বলেন, ভারত বিশ্বের পঞ্চম বৃহত্তম অর্থনীতির দেশ। জি-২০-র বৈঠক হচ্ছে এ দেশে। আর রাহুল গান্ধী বিদেশের মাটিতে গিয়ে দেশ ও সংসদের অপমান করছেন। পাকিস্তান ও গান্ধী পরিবার কেন এক সুরে কথা বলছে, এদিন সে প্রশ্নও তোলেন নাড্ডা। জর্জ সোরেস (মার্কিন ধনকুবের) এবং রাহুল গান্ধী কেন একই ভাষায় কথা বলেন? প্রশ্ন ছুঁড়ে দেন বিজেপির সর্বভারতীয় সভাপতি।

    আরও পড়ুুন: যত মত তত পথ! ‘‘উপাসনার অনেক পদ্ধতি, লক্ষ্য একটাই’’, বললেন মোহন ভাগবত

     

    দেশের খবর, দশের খবর, সব খবর, সবার আগে পেতে ফলো করুন আমাদের FacebookTwitter এবং Google News পেজ।

      

LinkedIn
Share