Tag: bjp

bjp

  • PM Modi: ‘লড়াই চলবে’, বঙ্গ বিজেপির প্রশংসা করে জানিয়ে দিলেন মোদি

    PM Modi: ‘লড়াই চলবে’, বঙ্গ বিজেপির প্রশংসা করে জানিয়ে দিলেন মোদি

    মাধ্যম নিউজ ডেস্ক: যেভাবে বাংলায় বিজেপি (BJP) কর্মীরা লড়াই করছেন, তা প্রশংসনীয়। সোমবার বঙ্গ বিজেপির কর্মীদের এই ভাষায়ই প্রশংসা করলেন প্রধানমন্ত্রী নরেন্দ্র মোদি (PM Modi)। সেই সঙ্গে তিনি বলেন, লড়াই চলবে। দিল্লিতে জাতীয় কর্ম সমিতির বৈঠকে এই বার্তাই দেন প্রধানমন্ত্রী। বিজেপির একটি সূত্র মারফত জানা গিয়েছে, সারা দেশের নেতাদের সামনে এদিন প্রধানমন্ত্রী বলেন, বাংলার কর্মী-সমর্থকদের যতই প্রশংসা করা হোক সেটা যথেষ্ট হবে না। প্রতিকূল পরিস্থিতিতে বিজেপির বঙ্গ ব্রিগেড যে নিরন্তর লড়াই করে চলেছেন, এদিন সারা দেশের নেতাদের সামনে মূলত সেটাই তুলে ধরতে চেয়েছেন প্রধানমন্ত্রী নরেন্দ্র মোদি।

    জাতীয় কর্মসমিতির বৈঠক…

    সোমবার দিল্লির এনডিএমসি কনভেনশন সেন্টারে দুদিন ব্যাপী দলের জাতীয় কর্মসমিতির বৈঠকের প্রথম দিনে অন্যান্য রাজ্যের নেতাদের মতোই বলতে উঠেছিলেন বিজেপির রাজ্য সভাপতি সুকান্ত মজুমদার। বাংলায় ভোট পরবর্তী হিংসা নিয়ে বলতে ওঠেন তিনি। ২০২১ সালে রাজ্য বিধানসভা নির্বাচনের পর থেকে বিরোধীদের ওপর হিংসার ঘটনা ঘটেই চলেছে বলে অভিযোগ। আক্রান্তদের সিংহভাগই বিজেপির। ভোটের আগে হামলার ঘটনা অল্পবিস্তর ঘটলেও, ২ মে ভোটের ফল ঘোষণার পর থেকে বিরোধীদের ওপর আক্রমণ চরমে উঠেছে। এ সবেরই নেপথ্যে রাজ্যের শাসক দল তৃণমূল। সূত্রের খবর, এদিন জাতীয় কর্ম সমিতির বৈঠকে পরিসংখ্যান দিয়ে এ সব তথ্য তুলে ধরেছিলেন সুকান্ত।

    আরও পড়ুুন: “পিঠের চামড়া তুলে নেবে…”, শুভেন্দুর বিরুদ্ধে বেলাগাম বাঁকুড়ার তৃণমূল নেতা, পাল্টা বিজেপি

    জানা গিয়েছে, সুকান্তের বক্তব্য মাঝপথে থামিয়ে দেন প্রধানমন্ত্রী (PM Modi)। তার পরেই তাঁর মুখে শোনা যায় বঙ্গ বিজেপির ভূয়সী প্রশংসা। প্রধানমন্ত্রী বলেন, বাংলায় যেভাবে কার্যকর্তাদের ওপর হামলা হয়েছে, তা নজির বিহীন। বাংলার বর্তমান সাংগঠনিক ও রাজনৈতিক অবস্থা সেই দৃষ্টিভঙ্গী থেকেই বিচার করতে হবে। এর পরেই তিনি বলেন, ঠিক সেই কারণেই বাংলার কার্যকর্তাদের যতই অভিবাদন দেওয়া হোক না কেন, তা কম হবে। পরে বলেন, লড়াই চলবে। এদিন ওই অনুষ্ঠানে যোগ দেওয়ার আগে রোড শো করেন প্রধানমন্ত্রী। রোড শো শুরু হয়েছিল প্যাটেল চক এলাকায়। শেষ হয় কনভেনশন সেন্টারে গিয়ে। প্রধানমন্ত্রী ছাড়াও ওই বৈঠকে যোগ দেন অমিত শাহ, রাজনাথ সিং, নিতিন গড়কড়ি, জেপি নাড্ডা প্রমুখ। বিজেপি শাসিত বিভিন্ন রাজ্যের মুখ্যমন্ত্রীরাও যোগ দিয়েছিলেন এদিনের বৈঠকে।   

     

    দেশের খবর, দশের খবর, সব খবর, সবার আগে পেতে ফলো করুন আমাদের Facebook এবং Twitter পেজ। 

  • Dharmendra Pradhan: ‘এ রাজ্যের সরকারকে পরাস্ত করে প্রগতিশীল সরকার গড়ে তুলতে হবে’, বললেন ধর্মেন্দ্র প্রধান

    Dharmendra Pradhan: ‘এ রাজ্যের সরকারকে পরাস্ত করে প্রগতিশীল সরকার গড়ে তুলতে হবে’, বললেন ধর্মেন্দ্র প্রধান

    মাধ্যম নিউজ ডেস্ক: আগামী নির্বাচনে এ রাজ্যের সরকারকে পরাস্ত করে নতুন প্রগতিশীল সরকার গড়ে তুলতে হবে। সেই লক্ষ্যেই এ রাজ্যের বিজেপি (BJP) দল কার্যকর্তারা সঠিক কাজ করে চলেছেন বলে মন্তব্য করেন কেন্দ্রীয় শিক্ষামন্ত্রী ধর্মেন্দ্র প্রধান (Dharmendra Pradhan)। রবিবার তিনি একথা বলেন। কেন্দ্রীয় শিক্ষামন্ত্রী বলেন, এ রাজ্যের সরকারি ব্যবস্থা সঠিকভাবে কাজ করছে না। স্বচ্ছতা বজায় রাখছে না। এ জন্য বাংলায় ভ্রষ্টাচার বেড়েই চলেছে। বাংলার সরকারের ভ্রষ্টাচারী নীতি এই মুহূর্তে কেন্দ্রীয় সরকারের কাছে চিন্তার বিষয় হয়ে দাঁড়িয়েছে।

    জীবনের অধিকার সুরক্ষিত নয়…

    বঙ্গবাসীর জীবনের অধিকার সুরক্ষিত নয় বলেও মন্তব্য করেন ধর্মেন্দ্র প্রধান (Dharmendra Pradhan)। তিনি বলেন, এখানে মানুষের জীবনের অধিকার সুরক্ষিত নয়। ভারতবর্ষের গণতান্ত্রিক কাঠামোয় এ ধরনের ভ্রষ্টাচারি সরকারের বিরুদ্ধে সাধারণ মানুষকে বিরোধী আওয়াজ তুলতে হবে। আগামী নির্বাচনে এ রাজ্যের সরকারকে পরাস্ত করে নতুন প্রগতিশীল সরকার গড়ে তুলতে হবে। সেই লক্ষ্যেই এরাজ্যের বিজেপির কার্যকর্তারা কাজ করে চলেছেন।

    ভারতীয় জনতা পার্টির দক্ষিণ কলকাতা জেলা লোকসভা প্রভাস কার্যক্রমের জন্য শহরে উপস্থিত হয়েছেন কেন্দ্রীয় শিক্ষামন্ত্রী। মন্ডল স্তর থেকে শুরু করে বিভিন্ন শাখা সংগঠনের সাংগঠনিক শক্তি বৃদ্ধি করার লক্ষ্যে এই বৈঠকে রুপরেখা তৈরি করা হবে। প্রধানমন্ত্রী নরেন্দ্র মোদির উদ্যোগে কেন্দ্রের বিজেপি সরকার যে সব জনকল্যাণমুখী কেন্দ্রীয় প্রকল্প বাস্তবায়নের কাজ হাতে নিয়েছে, সেই কাজের গতি এবং কাজ কতদূর সম্পন্ন হয়েছে, তা নিয়েও পর্যালোচনা করবেন তিনি।

    আরও পড়ুুন: বিক্ষোভের মুখে ‘দিদির দূত’, জনরোষের ভয়ে গাড়ি থেকে নামলেনই না বিধায়ক

    এদিকে, দেশে প্রধানমন্ত্রী পদের ভ্যাকেন্সি নেই বলে ট্যুইট করেছেন ধর্মেন্দ্র প্রধান (Dharmendra Pradhan)। প্রধানমন্ত্রী হওয়ার যোগ্য মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়। শনিবার এমনই মন্তব্য করেছিলেন নোবেলজয়ী অর্থনীতিবিদ অর্মত্য সেন। তবে তৃণমূল নেত্রীর প্রধানমন্ত্রী হওয়ার সুযোগ নেই বলেই মন্তব্য করেন ধর্মেন্দ্র। ট্যুইটবার্তায় তিনি লেখেন, দেশে প্রধানমন্ত্রী পদের ভ্যাকেন্সি নেই। তৃণমূল নেত্রীর যোগ্যতা রয়েছে কিনা, সরাসরি সে প্রশ্নের উত্তর এড়িয়ে তালিকা অনেক বড় বলেও মন্তব্য করেন কেন্দ্রীয় শিক্ষামন্ত্রী।

     

    দেশের খবর, দশের খবর, সব খবর, সবার আগে পেতে ফলো করুন আমাদের Facebook এবং Twitter পেজ। 

     

  • Dharmendra Pradhan: অভিযোগ করেছিলেন শুভেন্দু, মিড-ডে মিলের ‘পর্যালোচনা’ করতে রাজ্যে আসছে কেন্দ্রীয় দল

    Dharmendra Pradhan: অভিযোগ করেছিলেন শুভেন্দু, মিড-ডে মিলের ‘পর্যালোচনা’ করতে রাজ্যে আসছে কেন্দ্রীয় দল

    মাধ্যম নিউজ ডেস্ক: সরকার ও সরকার পোষিত স্কুলগুলিতে মিড-ডে মিলে নানা দুর্নীতির অভিযোগ উঠেছিল বাংলায়। তা নিয়ে কেন্দ্রের কাছে নালিশ করেছিলেন রাজ্যের বিরোধী দলনেতা বিজেপির (BJP) শুভেন্দু অধিকারী (Suvendu Adhikari)। তার জেরে রাজ্যে মিড-ডে মিলের পর্যালোচনা করতে টিম পাঠাচ্ছে নরেন্দ্র মোদির সরকার। দিন কয়েক আগে আবাস যোজনায় দুর্নীতির অভিযোগ খতিয়ে দেখতে রাজ্যে এসেছিল কেন্দ্রীয় প্রতিনিধি দল। এবার আসছে মিড-ডে মিল কেমন চলছে, তা দেখতে। চলতি মাসেই বৈঠক হবে রাজ্যের সঙ্গে। এ প্রসঙ্গে কেন্দ্রীয় শিক্ষামন্ত্রী ধর্মেন্দ্র প্রধান (Dharmendra Pradhan) বলেন, সম্প্রতি জাতীয় স্তরের বেশ কিছু সংবাদপত্রে বাংলার মিড-ডে মিল (Mid-day meal) প্রকল্পে নানা অনিয়ম নিয়ে প্রতিবেদন প্রকাশিত হয়েছে। তা ছাড়া বাংলার বিরোধী দলনেতা শুভেন্দু অধিকারীও বেশ কিছু তথ্য ভারত সরকারের গোচরে এনেছিলেন। তার পরেই কেন্দ্রীয় সরকার এই বিশেষজ্ঞ দল পাঠানোর বিষয়ে সিদ্ধান্ত নিয়েছে।

    কেন্দ্রের এই দল…

    জানা গিয়েছে, চলতি মাসেই আসছে কেন্দ্রের এই দল। দলে থাকবেন পুষ্টিবিদ, কেন্দ্রীয় আধিকারিক এবং রাজ্যের আধিকারিকরা। রাজ্যের জন্য বরাদ্দ অর্থ স্কুলগুলিতে ঠিক মতো পৌঁছচ্ছে কিনা, প্রধানমন্ত্রী পোষণ শক্তি মিশন প্রকল্পে রাজ্যে পরিকাঠামো কেমন, রান্নাঘরের পরিকাঠামো সহ একাধিক বিষয় খতিয়ে দেখতে এই দলটি আসছে বলে সূত্রের খবর।

    আরও পড়ুুন: আসন্ন পঞ্চায়েত নির্বাচন ‘ডু অর ডাই ম্যাচ’! প্রতিটি বুথকে দুর্গ বানানোর কথা বললেন শুভেন্দু

    প্রসঙ্গত, গত বছরই কেন্দ্রীয় মন্ত্রিসভা প্রধানমন্ত্রী পোষণ প্রকল্পের পক্ষে মত দেয়। এই প্রকল্পে দেশের ১১ লক্ষ ২০ হাজারেরও বেশি সরকারি এবং সরকারি সাহায্যপ্রাপ্ত স্কুলের পড়ুয়াদের মিড-ডি মিল দেওয়া হয়। পাঁচ বছরের জন্য এই প্রকল্প চালু করা হয়েছে। এই প্রকল্পের জন্য ১ লক্ষ ৩১ হাজার কোটি টাকা খরচের কথাও জানান কেন্দ্রীয় মন্ত্রী অনুরাগ ঠাকুর। সরকারের মিড-ডে নামের যে প্রকল্প রয়েছে, তার সঙ্গে যুক্ত করা হয় এই প্রকল্পকে। রাজ্য সরকারগুলির সঙ্গে যৌথ উদ্যোগে এই প্রকল্পের সিংহভাগ ব্যয় বহন করে কেন্দ্র। সেখানেই দুর্নীতির অভিযোগ ওঠায় আসছে কেন্দ্রীয় দল।

    কেন্দ্রীয় শিক্ষামন্ত্রী (Dharmendra Pradhan) বলেন, মিড-ডে মিলের সঙ্গে জড়িয়ে রয়েছে স্কুল পড়ুয়াদের দৈহিক বৃদ্ধি। যা সামগ্রিকভাবে বৌদ্ধিক বৃদ্ধিকে প্রভাবিত করে। তাই বিশেষজ্ঞ দল পাঠানোর সিদ্ধান্ত নেওয়া হয়েছে। কেন্দ্রের এই সিদ্ধান্তকে স্বাগত জানিয়েছেন শুভেন্দু। এ নিয়ে ট্যুইটও করেন রাজ্যের বিরোধী দলনেতা।

     

    দেশের খবর, দশের খবর, সব খবর, সবার আগে পেতে ফলো করুন আমাদের Facebook এবং Twitter পেজ। 

  • Nitin Gadkari: এবার প্রাণনাশের হুমকি নিতিন গড়কড়িকে, নেপথ্যে দাউদ ইব্রাহিম!

    Nitin Gadkari: এবার প্রাণনাশের হুমকি নিতিন গড়কড়িকে, নেপথ্যে দাউদ ইব্রাহিম!

    মাধ্যম নিউজ ডেস্ক: এবার প্রাণনাশের হুমকি কেন্দ্রীয় মন্ত্রী নিতিন গড়কড়িকে (Nitin Gadkari)। শনিবার সকালে মহারাষ্ট্রের নাগপুরে (Nagpur) তাঁর দফতরে ল্যান্ডলাইন নম্বরে হুমকি ফোন আসে তিনবার। তার মধ্যে তিনি নিজেই দুবার ফোনটি তোলেন। ফোনের অপর প্রান্ত থেকে অজ্ঞাত পরিচয় এক ব্যক্তি তাঁকে প্রাণে মারার হুমকি দেয়। হুমকি দেওয়া হয়েছে কুখ্যাত ডন দাউদ ইব্রাহিমের নামে। পুরো বিষয়টি জানিয়ে গড়কড়ির অফিসের তরফে অভিযোগ দায়ের করা হয়েছে নাগপুর পুলিশে। শুরু হয়েছে তদন্ত। নাগপুরের ডেপুটি পুলিশ কমিশনার রাহুল মাদানে বলেন, যিনি ফোন করেছিলেন, তাঁর কণ্ঠস্বর খতিয়ে দেখা হচ্ছে।

    নীতিন গডকরী…

    নাগপুরের কমলাচক এলাকায় রয়েছে নীতিন গড়কড়ির (Nitin Gadkari) অফিস। সেখান থেকে এক কিলোমিটার দূরে বাড়ি মন্ত্রীর। এদিন সকালে ১১টা ২৫ মিনিট নাগদ অফিসের ল্যান্ডলাইনে আসে প্রথম ফোনটি। দ্বিতীয় ফোনটি আসে এর ঠিক সাত মিনিট পরে। বেলা সাড়ে ১২টা নাগাদ আসে তৃতীয় ফোন। মকর সংক্রান্তি উপলক্ষে বর্তমানে নাগপুরেই রয়েছেন মন্ত্রী। হুমকি ফোন পাওয়ার পরেই আঁটোসাঁটো করা হয়েছে তাঁর অফিস ও বাড়ির নিরাপত্তা ব্যবস্থা। নীতিনের আগে দাউদের নাম করে খুনের হুমকি দেওয়া হয়েছিল প্রধানমন্ত্রী নরেন্দ্র মোদিকে। মুম্বই ট্রাফিক পুলিশের হোয়াটসঅ্যাপ নম্বরে ভয়েস মেসেজ এসেছিল গত ২৮ নভেম্বর। তাতে বলা হয়েছিল, দুজন ব্যক্তি প্রধানমন্ত্রী নরেন্দ্র মোদিকে হত্যা করবে। ইতিমধ্যেই সমস্ত পরিকল্পনা করা হয়ে গিয়েছে। অডিও মেসেজের পাশাপাশি ওই নম্বরে পাঠানো হয় কিছু ডকুমেন্টও। তদন্ত শুরু করে মুম্বই ক্রাইম ব্রাঞ্চ। শেষমেশ রহস্যের পর্দা ফাঁস করে গুজরাটের জঙ্গি দমন শাখা।

    আরও পড়ুুন: অভিযোগ করেছিলেন শুভেন্দু, মিড-ডে মিলের ‘পর্যালোচনা’ করতে রাজ্যে আসছে কেন্দ্রীয় দল

    তারা জানায়, ভয়েস মেসেজটি পাঠিয়েছিলেন বছর আঠাশের বম্বে আইআইটির পড়ুয়া অমন সাক্সেনা। উত্তর প্রদেশের বদাউ জেলায় পৈত্রিক বাড়িতে গা ঢাকা দিয়েছিলেন তিনি। খবর পেয়ে তাঁকে সেখান থেকে গ্রেফতার করেন তদন্তকারীরা। এক তরুণী সহ অমনের দুই বন্ধুকেও গ্রেফতার করা হয়। সেই ঘটনার রেশ পুরোপুরি মিলিয়ে যাওয়ার আগেই ফের হুমকি ফোন। এবং সেই দাউদের নামেই। যাঁদের হুমকি দেওয়া হয়েছে ঘটনাচক্রে তাঁরা দুজনেই বিজেপি নেতা।

     

    দেশের খবর, দশের খবর, সব খবর, সবার আগে পেতে ফলো করুন আমাদের Facebook এবং Twitter পেজ। 

  • Sukanta Majumdar: ‘‘নিরপেক্ষ থাকুন, না হলে পদপিষ্ট হতে হবে’’! পুলিশকে সতর্কবার্তা সুকান্তর

    Sukanta Majumdar: ‘‘নিরপেক্ষ থাকুন, না হলে পদপিষ্ট হতে হবে’’! পুলিশকে সতর্কবার্তা সুকান্তর

    মাধ্যম নিউজ ডেস্ক: রাজ্যে আসন্ন পঞ্চায়েত নির্বাচন। ২০২৪ লোকসভা নির্বাচনের আগে এই পঞ্চায়েত নির্বাচনকে ওয়ার্ম আপ ম্যাচ হিসেবে দেখছেন বিজেপির রাজ্য সভাপতি সুকান্ত মজুমদার। শাসক দলকে হুঁশিয়ারি দেওয়ার সঙ্গে সঙ্গেই এবার পঞ্চায়েত ভোটে পুলিশকে নিরপেক্ষ থাকার কথা বললেন সুকান্ত। একইসঙ্গে বিজেপির থেকে লোক ভাঙানো নিয়েও তৃণমূলকে কটাক্ষ করেন সুকান্ত।

    পুলিশকে কটাক্ষ

    শুক্রবার কোচবিহারের এক জনসভায় পুলিশের উদ্দেশ্যে তিনি বলেন, ‘‘পাশে বসে খেলা দেখুন। খেলার মাঝখানে আসবেন না। তা হলে পদপিষ্ট হবেন।’’  পঞ্চায়েত ভোট নিয়ে শাসক- বিরোধী তরজা আগেই শুরু হয়েছে। এ দিন তাকে নতুন মাত্রায় নিয়ে গেলেন বিজেপির রাজ্য সভাপতি। মাথাভাঙায় এক দলীয় কর্মসূচিতে তিনি বলেন, ‘‘উত্তরবঙ্গের সমস্ত জেলা পরিষদ দখল করতে হবে। কোচবিহারের জেলা পরিষদ বিজেপি দখল করবে। কোচবিহার জেলা পরিষদ বিজেপির নামে লেখা হয়েছে।’’ সেই প্রসঙ্গেই তৃণমূলের ‘খেলা হবে’ স্লোগানের দিকে ইঙ্গিত করে শাসকের উদ্দেশ্যে চ্যালেঞ্জ ছুড়ে দিয়েছেন তিনি। তাঁর কথা, ‘‘কী ভাবে খেলতে হয়, আমরা জানি।’’ সেই সূত্রেই পুলিশের উদ্দেশ্যে হুঁশিয়ারি দিয়েছেন তিনি।

    দল ভাঙানো প্রসঙ্গ

    মাথাভাঙার সভায় বিজেপির রাজ্য সভাপতি দল ভাঙানোর অভিযোগও তুলেছেন তৃণমূলের বিরুদ্ধে। সুকান্ত মজুমদার কোচবিহার জেলা সফরে গিয়ে বলেন, তৃণমূলে টানতে অভিষেকের ‘ভূত’ এসেছিল এই জেলায়। বিজেপির রাজ্য সভাপতির কথায়, অভিষেক বন্দ্যোপাধ্যায়ের অফিস থেকে এক ‘ভূত’ এসেছিল কোচবিহার মাথাভাঙার বিজেপি বিধায়ক সুশীলকুমার বর্মনের সঙ্গে দেখা করতে। সুকান্ত বলেন, ‘‘মাথাভাঙার বিজেপি বিধায়ক সুশীল বর্মণকে তৃণমূল তাদের দলে যোগ দেওয়ার প্রস্তাব দিয়েছে। সুশীলদা জানিয়ে দিয়েছেন, তিনি বিজেপির পুরনো কর্মী। তিনি যখন থেকে বিজেপি করেন তখন বিজেপির ভালো সময় ছিল না। এখন ভালো সময়। তাই তাঁর দেখা করার কিছু নেই। প্রয়োজন হলে অভিষেক বন্দ্যোপাধ্যায় তাঁর কাছে গিয়ে কথা বলে যাবেন।’’ 

    আরও পড়ুন: সন্ত্রাসবাদীদের আটকাতে রাজৌরিতে গ্রামবাসীরদের অস্ত্র প্রশিক্ষণ দিচ্ছে সিআরপিএফ

    শুক্রবার কোচবিহার শহরের সুকান্ত মঞ্চে ওবিসি মোর্চার উত্তরবঙ্গ জোনের সম্মেলনে যোগ দেন বিজেপির রাজ্য সভাপতি সুকান্ত মজুমদার। এদিন গঙ্গা আরতি নিয়ে তিনি কটাক্ষ করেন রাজ্যের মুখ্যমন্ত্রী মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়কে। পাশাপাশি কোচবিহারের দিনহাটা বিধানসভার তৃণমূল বিধায়ক তথা উত্তরবঙ্গ উন্নয়নমন্ত্রী উদয়ন গুহকে ‘বাঁদর গুহ’ বলে সম্মোধন করেন। তিনি বলেন, উত্তরবঙ্গে এক ‘বাঁদর গুহ’ আছেন, তাঁর ভাষা শুনলে মনে হয় তিনি ডাস্টবিন থেকে উঠে রাজনীতি করতে চলে এসেছেন। তিনি আরও বলেন, এর আগে বোধহয় লুঙ্গি পরে মিছিল করেছিলেন। তিনি সাবধান করে দেন, ভালো লুঙ্গি পরে বাড়িতে থাকুন। রাস্তায় হাঁটলে বিজেপির দমকা হাওয়ায় লুঙ্গি খুলে যাবে। তখন মুশকিলে পড়বেন। 

    দেশের খবর, দশের খবর, সব খবর, সবার আগে পেতে ফলো করুন আমাদের Facebook এবং Twitter পেজ। 

  • Rahul Gandhi: ‘রাহুলের উচিত আরএসএসের শাখায় উপস্থিত হওয়া’, কেন বললেন বিজেপি নেতা, জানেন?

    Rahul Gandhi: ‘রাহুলের উচিত আরএসএসের শাখায় উপস্থিত হওয়া’, কেন বললেন বিজেপি নেতা, জানেন?

    মাধ্যম নিউজ ডেস্ক: রাহুল গান্ধীর (Rahul Gandhi) উচিত কয়েক দিনের জন্য আরএসএসের (RSS) শাখায় উপস্থিত হওয়া। কারণ তিনি সংগঠন সম্পর্কে কিছুই জানেন না। মঙ্গলবার এই ভাষায়ই কংগ্রেস (Congress) নেতা রাহুল গান্ধীকে নিশানা করলেন হরিয়ানার স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী অনিল ভিজ। এর ঠিক একদিন আগেই আরএসএসকে আক্রমণ শানিয়েছিলেন রাহুল। এদিন তাঁকে মুখের মতো জবাব দিলেন হরিয়ানার বিজেপি (BJP) নেতা। হরিয়ানার মুখ্যমন্ত্রী মনোহরলাল খট্টরও একহাত নিয়েছেন এই কংগ্রেস নেতাকে। তিনি বলেন, রাহুল গান্ধীর মন্তব্যে কংগ্রেস নেতারাও কিংকর্তব্যবিমূঢ় হয়ে পড়ছেন। রাহুলকে কটাক্ষ করে তিনি বলেন, তিনি পাপ্পুই রয়ে গেলেন! প্রসঙ্গত, বিজেপি নেতারা রাহুলকে প্রায়ই এই অভিধায় ভূষিত করেন।

    প্যালেস অন হুইলস...

    বর্তমানে ভারত জোড় যাত্রায় রয়েছেন রাহুল (Rahul Gandhi)। এই যাত্রা চলাকালীন সোমবার হরিয়ানার আম্বালায় একটি সভায় তিনি আরএসএসকে আক্রমণ শানিয়েছিলেন। আরএসএস সদস্যদের তিনি একবিংশ শতাব্দীর কৌরব বলে মন্তব্য করেছিলেন। হরিয়ানার স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী ভিজ রাহুলের এহেন মন্তব্যের তীব্র সমালোচনা করেছেন। তিনি বলেন, তিনি (রাহুল) মুখে গরিবদের কথা বলেন। কিন্তু ভারত জোড় যাত্রার সময় তিনি ঘুমোন প্যালেস অন হুইলসে। ভিজ বলেন, আরএসএস সম্পর্কে তিনি (রাহুল) কিছুই জানেন না। তাই এ ব্যাপারে কোনও মন্তব্য করার অধিকার তাঁর নেই। এই বিজেপি নেতা বলেন, আরএসএসের কারণেই বর্তমানে দেশ অখণ্ড রয়েছে।

    আরও পড়ুুন: ‘আমরা ফের এই দেশ শাসন করব’, মুসলমানদের এই ধারণা ছাড়তে হবে, বললেন ভাগবত

    এর পরেই তিনি বলেন, রাহুলের (Rahul Gandhi) উচিত কয়েক দিনের জন্য আরএসএসের শাখায় যোগ দেওয়া উচিত রাহুলের। কারণ সংগঠন সম্পর্কে কিছুই জানেন না তিনি। প্রবল ঠান্ডায় টি-শার্ট পরেই ভারত জোড় যাত্রা করছেন রাহুল। গোটা যাত্রা পথে এই পোশাকই পরে থাকবেন বলে জানিয়েছেন তিনি। কারণ হিসেবে রাহুল জানিয়েছিলেন, ভারত জোড় যাত্রার সময় মধ্য প্রদেশে তিনি তিনজন দরিদ্র মেয়েকে ছেঁড়া জামাকাপড় পরে ঠান্ডায় কাঁপতে দেখেছিলেন। সে প্রসঙ্গ টেনে ভিজ বলেন, রাহুল গান্ধীর উচিত ছিল ওই মেয়েদের বাড়িতে যাওয়া। চাক্ষুষ করা উচিত ছিল তারা কীভাবে বাঁচে, তারা কোথায় ঘুমোয়। ভিজ বলেন, তিনি (রাহুল) তো প্যালেস অন হুইলসে ঘুমোন। এতে লাক্সারি ব্যবস্থা রয়েছে। এটা তাঁর সঙ্গে সঙ্গে যাচ্ছে। তাঁর (Rahul Gandhi) এই যাত্রায় লক্ষ লক্ষ টাকা খরচ হচ্ছে বলেও অভিযোগ করেন ভিজ।

     

    দেশের খবর, দশের খবর, সব খবর, সবার আগে পেতে ফলো করুন আমাদের Facebook এবং Twitter পেজ। 

  • Suvendu Adhikari: একবছরে তৃণমূলের আয়বৃদ্ধি ১২০০ শতাংশ! ‘তালিকা আছে’, বললেন শুভেন্দু অধিকারী

    Suvendu Adhikari: একবছরে তৃণমূলের আয়বৃদ্ধি ১২০০ শতাংশ! ‘তালিকা আছে’, বললেন শুভেন্দু অধিকারী

    মাধ্যম নিউজ ডেস্ক: সম্প্রতি প্রকাশিত হয়েছে তৃণমূলের অডিট রিপোর্ট। আর তাতেই সামনে এসেছে চোখে কপালে ওঠার মত তথ্য। চলতি বছর ইলেক্টোরাল বন্ডের মাধ্যমে তৃণমূলের ভাঁড়ারে জমা পড়েছে ৫২৮.১৪ কোটি টাকা। যেখানে ২০২১ সালেই এই পরিমাণ ছিল ৪২ কোটি টাকা। তৃণমূল কংগ্রেসের এমন আয় বৃদ্ধিতে মঙ্গলবার সংবাদমাধ্যমের সামনে সরব হন শুভেন্দু অধিকারী। তিনি প্রশ্ন করেন, কোন ‘জাদুবলে’ নির্বাচনী বন্ডে তৃণমূলের ১২০০ শতাংশ আয় বৃদ্ধি হয়েছে? শুভেন্দুবাবুর দাবি, তৃণমূলের দুর্নীতিতে যুক্ত ব্যবসায়ীরাই তৃণমূলকে এই টাকা দিয়েছে। এর আগেও তাঁকে বলতে শোনা গিয়েছে, “তৃণমূল দল নয়, একটা চোরের কোম্পানি।” আজও এই নিয়ে ফের নতুন করে আক্রমণ শানিয়েছেন বিরোধী দলনেতা।

    কী বললেন শুভেন্দু অধিকারী?

    শুভেন্দুবাবু আজ ত্রিপুরা যাওয়ার আগে বলেন, “একটা দল নির্বাচনী বন্ডে ১২০০ শতাংশ আয় বৃদ্ধি করেছে। কোন কোন ব্যবসায়ী দিলো, কোন কোন শিল্পপতি দিলো, আয়করে দেখাতে হবে ওদের। ২০২১ সালে যেখানে মাত্র ৪২ কোটি টাকা নির্বাচনী বন্ডের মাধ্যমে তুলতে পেরেছিল তৃণমূল, সেখানে কোন যাদুবলে এবছর ৫২৮ কোটি টাকা তুলল?” তিনি দাবি করেছেন, “যারা টাকা দিয়েছে আমরা তো তাদের তালিকা দিয়ে দেব। সব চোর। বালির খাদান যারা পেয়েছে, পাথরের খাদান যারা চালায়, বেআইনি কাজ যারা করে, যারা কেন্দ্রীয় সরকারের সমগ্র শিক্ষা মিশনের টাকা খায়, স্কুলে নিম্নমানের ব্যাগ, জুতো, ইউনিফর্ম যারা সরবরাহ করে তারা সব টাকা দিয়েছে। আমি ধর্মেন্দ্র প্রধানজিকে বলব, অভিভাবকদের অ্যাকাউন্টে টাকা পাঠাতে। পশ্চিমবঙ্গ সরকারকে টাকা না দিতে। তারা সব আপাদমস্তক চোর।”

    আরও পড়ুন: তৃণমূলের এক বছরে আয় বৃদ্ধি ১২ গুণ! ‘চোরের কোম্পানি’ বলে কটাক্ষ শুভেন্দুর

    শাসকদলের আয়বৃদ্ধি

    প্রসঙ্গত, ২০২১-২২ অর্থবর্ষে তৃণমূলের আয় ছিল ৪২ কোটি টাকা আর ২০২২-এ তৃণমূলের বার্ষিক আয় হয়েছে ৫৪৫.৭৪ কোটি টাকা। তৃণমূলের এই পরিমাণ আয় বৃদ্ধি দেখে চক্ষু চড়কগাছ রাজ্যবাসীর। অর্থাৎ এক বছরে আয় বৃদ্ধি পেয়েছে ৯৬%। আর এই তথ্য সামনে আসতেই উত্তাল হয়েছে রাজ্য রাজনীতি। ইলেক্টোরাল বন্ডে রোজগার বৃদ্ধি নিয়ে তৃণমূল কংগ্রেসকে আগেই কটাক্ষ করেছে বিজেপি। আজ আবার শাসকদলকে প্রশ্ন ছুঁড়ে দিয়েছেন শুভেন্দু অধিকারী।

  • BJP: বিজেপির গঙ্গাপুজোয় ‘না’ পুলিশের, ‘কর্মসূচি হবেই’, জানালেন সুকান্ত

    BJP: বিজেপির গঙ্গাপুজোয় ‘না’ পুলিশের, ‘কর্মসূচি হবেই’, জানালেন সুকান্ত

    মাধ্যম নিউজ ডেস্ক: মঙ্গলবার গঙ্গাপুজোর (Ganga Puja) আয়োজন করেছে বিজেপির (BJP) নমামি গঙ্গা শাখা। এজন্য অনুমতি চাওয়া হয়েছিল পুলিশের। যদিও ওই পুজোর অনুমতি দিল না কলকাতা পুলিশ। পুলিশের অনুমতি না মিললেও অবশ্য এদিনের কর্মসূচি বাতিল করছে  না বিজেপি। দলের রাজ্য সভাপতি সুকান্ত মজুমদার (Sukanta Majumdar) বলেন, কর্মসূচি হবেই।

    গঙ্গা আরতি…

    বারাণসীর ঘাটে ফি সন্ধ্যায় গঙ্গা আরতি দেখতে ভিড় করেন হাজার হাজার পুণ্যার্থী। গঙ্গা ভাঙন ও গঙ্গা দূষণ রুখতে বঙ্গ বিজেপির নমামি গঙ্গা শাখা বাবুঘাটে গঙ্গা পুজো ও সাংস্কৃতিক অনুষ্ঠানের আয়োজন করেছিল। ঠিক ছিল, এই উপলক্ষে বাজে কদমতলা ঘাটে বারাণসীর ধাঁচে হবে গঙ্গা আরতিও। বিজেপির এই কর্মসূচিতেই বাগড়া দিয়েছে পুলিশ। জানিয়ে দিয়েছে, গঙ্গাপুজোর অনুমতি দেওয়া যাবে না। পুলিশের তরফে বিজেপিকে জানানো হয়েছে, গঙ্গাসাগর মেলার আবহে বাবুঘাট এলাকায় ইতিমধ্যেই পুণ্যার্থীদের একটা বড় অংশ জড়ো হতে শুরু করেছেন। মঙ্গলবারেও তা হবে। তাই বিজেপির প্রস্তাবিত কর্মসূচি পালিত হলে শহরের রাস্তায় ব্যাপক যানজট হবে। পুণ্যার্থীদের গতিবিধি নিয়ন্ত্রণ করতেও সমস্যার মুখে পড়বে পুলিশ। পুলিশ আরও জানিয়েছে, কলকাতায় ৯ জানুয়ারি থেকে শুরু হয়েছে জি-২০ সম্মেলন। চলবে ১১ তারিখ পর্যন্ত। পুলিশের একটা বড় অংশ সেখানে ব্যস্ত থাকবে। তাই বিজেপির কর্মসূচিতে অনুমতি দেওয়া সম্ভব নয়।

    আরও পড়ুুন: ‘যদি ভোট দিতে না দেয়…’, পঞ্চায়েত নির্বাচনে বিজেপি কর্মীদের কী নিদান দিলেন শুভেন্দু?

    পুলিশের অনুমতি না মিললেও, কর্মসূচি বাতিল করছে না বিজেপি (BJP)। দলের রাজ্য সভাপতি সুকান্ত মজুমদার বলেন, আমাদের গঙ্গা আরতি করার কথা ছিল। পুলিশ অনুমতি দেয়নি। পুলিশ উদ্দেশ্য প্রণোদিতভাবে এই কাজ করেছে। তিনি বলেন, এদের উদ্দেশ্য হল হিন্দুদের যে কোনও অনুষ্ঠানে বাধা দেওয়ার চেষ্টা। কিন্তু আমরা সেখানে যাব। আমি গঙ্গা অরতি করব। পুলিশ তার মতো চেষ্টা করবে। কর্মসূচি হবে। বঙ্গ বিজেপির প্রধান মুখপাত্র শমীক ভট্টাচার্য বলেন, অসহিষ্ণুতার রাজনীতির আরও একটি দৃষ্টান্ত স্থাপন করল রাজ্যের বর্তমান শাসক তৃণমূল কংগ্রেস। এতদিন পর্যন্ত বালিঘাটের দখলদারি ছিল, কয়লা খাদান, পাথর খাদানের দখলদারি ছিল। এখন মা গঙ্গাকেই দখল করে নিল তৃণমূল। তিনি বলেন, সরকার যেখানে ঘোষণা করেছে, মুখ্যমন্ত্রী মমতা বন্দ্যোপাধ্যায় যেখানে বলে দিয়েছেন গঙ্গা আরতি করবেন, সেই জন্য বিরোধী দল করতে পারবে না। বিজেপি (BJP) করতে পারবে না।

     

    দেশের খবর, দশের খবর, সব খবর, সবার আগে পেতে ফলো করুন আমাদের Facebook এবং Twitter পেজ। 

  • Sukanta Majumdar: বোকা বনল পুলিশ! বাবুঘাটেই গঙ্গারতি বিজেপির, আটক রাজ্য সভাপতি সুকান্ত মজুমদার

    Sukanta Majumdar: বোকা বনল পুলিশ! বাবুঘাটেই গঙ্গারতি বিজেপির, আটক রাজ্য সভাপতি সুকান্ত মজুমদার

    মাধ্যম নিউজ ডেস্ক: পুলিশের চোখ এড়িয়ে বাবুঘাটে গঙ্গা আরতি করলেন সুকান্ত মজুমদার। বাজাকদমতলা ঘাটে গঙ্গা আরতি করার জন্য পুলিশের কাছে অনুমতি চেয়েছিল বঙ্গ বিজেপি। কিন্তু কলকাতা পুলিশ সেই অনুমতি দেয়নি। শেষমেশ বাবুঘাটে সন্ধ্যায় প্রদীপ জ্বালিয়ে গঙ্গারতি করেন বিজেপি রাজ্য সভাপতি সুকান্ত মজুমদার। সঙ্গে ছিলেন বিজেপির অন্যান্য কর্মী সমর্থক নেতৃত্বরা। আরতি করার পর সুকান্ত বলেন, “আমি বলেছিলাম পুজো করব, পুজো করেছি। পুলিশ আটকাতে পারেনি। আমারা ধর্মীয় অধিকার ছিনিয়ে নিয়েছি। সর্বত্র গঙ্গা এক। এখন পুলিশ চাইলেই আমায় গ্রেফতার করুক।”

    গণতন্ত্র চায় না তৃণমূল

    সাংবাদিকদের মুখোমুখি হয়ে সুকান্ত মজুমদার বলেন, “আমরা অভ্যস্ত হয়ে গিয়েছি, নতুন কিছু নয়। এই সরকার গণতন্ত্রকে রাখতে চায় না, তাদের মনোভাবেই স্পষ্ট। তারা চায় এমন একটা ব্যবস্থা তৈরি করতে, যেখানে তৃণমূলই শাসক, তৃণমূলই বিরোধী। নিজেদের মধ্যে মারামারি করবে বোম নিয়ে। এই সরকার যতদিন থাকবে গণতন্ত্র প্রতিষ্ঠা হবে না।” মঙ্গলবার গঙ্গার মঙ্গল চেয়ে গঙ্গা পুজোর অনুমতি চেয়েছিল বিজেপি। সাংস্কৃতিক অনুষ্ঠানেরও আয়োজন করা হয়েছিল। কিন্তু পুলিশ সেই অনুমতি দেয়নি। পুলিশের তরফে বিবৃতিতে বলা হয়েছিল, গঙ্গাসাগর মেলার আবহে বাবুঘাট এলাকায় ইতিমধ্যে পুণ্যার্থীদের একটা বড় অংশ জড়ো হতে শুরু করেছেন। মঙ্গলবারেও তার অন্যথা হবে না। ফলে তার মাঝে বিজেপির প্রস্তাবিত কর্মসূচি আয়োজিত হলে শহরের রাস্তায় ব্যাপক যানজট সৃষ্টি হবে। সেনার তরফে আগেই অনুমতি পেয়েছিল বিজেপি। এ নিয়ে মঙ্গলবার সকাল থেকেই উত্তপ্ত হয় গঙ্গা চত্বর। বিকেলে নেতাজি ইন্ডোরের সামনে গাড়ি থেকে নেমে হাঁটতে শুরু করেন বিজেপির রাজ্য সভাপতি সুকান্ত মজুমদার। সঙ্গে ছিলেন বিজেপি কর্মী-সমর্থকেরা। বাজা কদমতলায় দাঁড়িয়ে ছিল পুলিশবাহিনী। সে দিকে না গিয়ে সুকান্ত পায়ে হেঁটে চলে যান বাবুঘাটে। সেখানেই সারলেন গঙ্গা আরতি।

    আরও পড়ুন: বিজেপির গঙ্গা আরতি কর্মসূচি নিয়ে ধুন্ধুমার বাবুঘাট, গ্রেফতার সজল ঘোষ

    এরপর বাবুঘাট থেকে পায়ে হেঁটে বাজা কদমতলার দিকে এগোতে থাকেন সুকান্ত। ততক্ষণে দলের কর্মী-সমর্থকদের একটা অংশকে আটক করে পুলিশ। সুকান্ত তখন সেই প্রিজন ভ্যানের সামনে বসে পড়েন। সেখানে পুলিশের সাথে তর্ক বিতর্ক ধ্বস্তাধ্বস্তির পর সুকান্তকেও আটক করে পুলিশ। তখন বাধা দিতে রাস্তায় শুয়ে পড়ে বিজেপি কর্মীরা। তাদের সরিয়ে দেয় পুলিশ। ধস্তাধস্তি বেধে যায় বিজেপি কর্মী সমর্থক এবং পুলিশের মধ্যে। এরপর বিজেপি কর্মীদের আটক করা হয়। প্রিজন ভ্যানে করে লালবাজারে নিয়ে যাওয়া হয় বিজেপি রাজ্য সভাপতি সুকান্ত মজুমদারকেও। সুকান্ত-সহ সবাইকে গ্রেফতার করার পর মঙ্গলবার রাতে লালবাজার সেন্ট্রাল লকআপ থেকে ছাড়া হয় প্রত্যেককে। বিজেপির রাজ্য সভাপতি সুকান্ত মজুমদার বলেন, ‘‘পুলিশ অন্যায়ভাবে আমাদের গঙ্গারতি কর্মসূচি পালনে বাধা দিয়েছে। আমাদের কর্মী সমর্থক এবং আমাকেও চরম হেনস্থা করা হয়। “

    দেশের খবর, দশের খবর, সব খবর, সবার আগে পেতে ফলো করুন আমাদের Facebook এবং Twitter পেজ। 

  • LeK: ‘বিজেপি ছাড়ুন, নাহলে…’, লস্কর-ই-খালসার হুমকি আরএসএস এবং সেনাকেও

    LeK: ‘বিজেপি ছাড়ুন, নাহলে…’, লস্কর-ই-খালসার হুমকি আরএসএস এবং সেনাকেও

    মাধ্যম নিউজ ডেস্ক: বিজেপি (BJP) ছাড়ুন। না হলে আপনাকে এবং আপনার পরিবারকে খুন করব। সম্প্রতি এই মর্মে বিজেপি এবং আরএসএস (RSS) নেতাদের হুমকি দিয়েছে পাকিস্তান ভিত্তিক সন্ত্রাসবাদী গোষ্ঠী লস্কর-ই-খালসা (LEK)। পাঞ্জাব, উত্তর প্রদেশ এবং মহারাষ্ট্রের বেশ কয়কজনকে এই হুমকি দিয়েছে ওই সন্ত্রাসবাদী গোষ্ঠী। জানা গিয়েছে, রামপুরের সাংসদ বিজেপির ঘনশ্যাম লোধি ওই খুনের হুমকি পেয়েছেন। তাঁকে খুনের হুমকি দিয়েছে লস্কর-ই-খালসার খালিস্থানি সন্দীপ সিং। নতুন বছরের পাঁচ তারিখে তাঁকে ওই হুমকি দেওয়া হয়েছে।

    বিজেপির ওই সাংসদ…

    বিজেপির ওই সাংসদ জানান, তাঁর হোয়াটসঅ্যাপ নম্বরে মেসেজ করে বলা হয়েছে, বিজেপি ছাড়ুন, নাহলে আপনাকে এবং আপনার পরিবারকে খুন করা হবে। শুধু তাঁকেই নয়, এই মেসেজের মাধ্যমেই বিজেপি, রাষ্ট্রীয় স্বয়ংসেবক সংঘ এবং সেনাদেরও হুমকি দেওয়া হয়েছে। হুমকি মেসেজ পাওয়ার পরে পুলিশে অভিযোগ দায়ের করেছেন বিজেপির ওই সাংসদ। অভিযোগ পেয়েই তৎপর হয়েছে পুলিশ। চিহ্নিত করার চেষ্টা চলছে বার্তা-প্রেরককে। যে মোবাইল নম্বর থেকে তাঁর ফোনে মেসেজ এসেছে, তাও পুলিশকে জানিয়েছেন রামপুরের সাংসদ। নম্বরটি হল, +৯১ ৭৬০৯৮৭৫৩০৬। তিনি এও জানান, খালিস্থানি ওই জঙ্গিটি তাঁকে পাঁচবার মেসেজ পাঠানোর পাশাপাশি পাঁচবার কলও করেছিল।

    আরও পড়ুুন: কুলগামে শিক্ষিকা খুনে অভিযুক্ত আরবাজ মীর! ‘বিশেষ সন্ত্রাসবাদী’ ঘোষণা স্বরাষ্ট্র মন্ত্রকের

    ওই একই জঙ্গি গোষ্ঠীর (LEK) কাছ থেকে হুমকি-বার্তা পেয়েছেন তাজিন্দর সিং তিওয়ানা। তিনি মুম্বইয়ে বিজেপির যুব মোর্চার নেতা। তিনিও মেসেজ পেয়েছেন হোয়াটসঅ্যাপে। যে তাজিন্দরের ফোনে মেসেজ পাঠিয়েছে, সে নিজেকে খালিস্তানি সন্দীপ সিং বলে পরিচয় দিয়েছে। সে যে লস্কর-ই-খালসার মুখপাত্র, তাও জানিয়েছে। মেসেজে সন্দীপ লিখেছে, তাজিন্দর বিজেপি না ছাড়লে তাঁকে এবং তাঁর পরিবারকে খুন করার শপথ নিয়েছে সন্দীপ। ওই জঙ্গি তাঁকে হিন্দুস্তান মুর্দাবাদ এবং খালিস্তান জিন্দাবাদ স্লোগান দেওয়ার নির্দেশও দিয়েছে। সে আরও জানিয়েছে, তারা গোটা দেশের বিজেপি, আরএসএস এবং ভারতীয় সেনাকে টার্গেট করেছে।

    একই মেসেজ পেয়েছেন উত্তর প্রদেশে বিজেপি সমর্থক বীর সিং সাইনিও। বুধবার তাঁকে পাঠানো হোয়াটসঅ্যাপ মেসেজেও বলা হয়েছে, শীঘ্রই বিজেপি ছাড়ুন। নাহলে আপনাকে ও আপনার পরিবারকে নৃশংসভাবে খুন করা হবে। আমরা বিজেপি, আরএসএস এবং ভারতীয় সেনাকেও টার্গেট করেছি। এই মেসেজর নীচেও লেখা, খালিস্তান (LEK) জিন্দাবাদ। ভারত বিরোধী স্লোগানও দেওয়া হয়েছে ওই মেসেজে।

     

    দেশের খবর, দশের খবর, সব খবর, সবার আগে পেতে ফলো করুন আমাদের Facebook এবং Twitter পেজ। 

     
     
LinkedIn
Share