Tag: bjp

bjp

  • TMC Inner Clash: তৃণমূলের গোষ্ঠীদ্বন্দ্বে ব্যাপক বোমাবাজি, হাত-পা উড়ল যুবকের, জখম নাবালকও

    TMC Inner Clash: তৃণমূলের গোষ্ঠীদ্বন্দ্বে ব্যাপক বোমাবাজি, হাত-পা উড়ল যুবকের, জখম নাবালকও

    মাধ্যম নিউজ ডেস্ক: বারুদের স্তূপে বীরভূম (Birbhum)! ফের একবার প্রকাশ্যে এল তৃণমূলের গোষ্ঠীদ্বন্দ্ব (TMC Inner Clash)। আবারও ঘটল বোমাবাজির ঘটনা। ওই ঘটনায় এক নাবালক সহ জখম হয়েছেন দুজন। এলাকা দখলের জেরে এই ঘটনা, বলছেন স্থানীয়রাই। ঘটনায় গ্রেফতার করা হয়েছে ১২জনকে। উদ্ধার হয়েছে ৩০টি তাজা বোমা। এলাকায় পুলিশ পিকেট। ভয়ে পুরুষ শূন্য গোটা গ্রাম। বীরভূমের সাঁইথিয়ার ওই ঘটনায় আতঙ্ক গোটা এলাকায়।

    বিবাদের কারণ…

    স্থানীয় সূত্রে জানা গিয়েছে, এলাকার রাশ কার হাতে থাকবে, তা নিয়ে তৃণমূলের দুই গোষ্ঠীর বিবাদ দীর্ঘদিনের পুরানো। সোমবার বিকেলে আচমকাই প্রকাশ্যে চলে আসে তৃণমূলের সাঁইথিয়া ব্লক সভাপতি সাবের আলি ও ব্লক কার্যকরী সভাপতি তুষার মণ্ডলের গোষ্ঠীদ্বন্দ্ব (TMC Inner Clash)। ঘটনাস্থল সাঁইথিয়ার ফুলুর পঞ্চায়েতের বহরাপুর গ্রাম। কোনও একটি কারণে এদিন দু পক্ষের বিবাদ চরমে ওঠে। প্রথমে শুরু হয় কথা কাটাকাটি। পরে বাঁধে সংঘর্ষ। ঘটনার জেরে এলাকায় শুরু হয় ব্যাপক বোমাবাজি। মুড়ি-মুড়কির মতো বোমা পড়তে থাকে। বোমার ঘায়ে জখম হন সাদ্দাম নামে এক যুবক। তাঁর ডান হাত এবং ডান পা উড়ে গিয়েছে বলে সূত্রের খবর। তড়িঘড়ি তাঁকে নিয়ে যাওয়া হয় সাঁইথিয়া প্রাথমিক স্বাস্থ্যকেন্দ্রে। গুরুতর জখম অবস্থায় সাদ্দাম বলেন, আমার কাকাকে আটকে রেখেছিল তুষার মণ্ডলের লোকজন। ওরাই আমাকে বোমা মেরেছে।

    তৃণমূলের গোষ্ঠীদ্বন্দ্বের (TMC Inner Clash) জেরে যে বোমাবাজির ঘটনা ঘটেছে, তাতে জখম হয়েছে মুজাফফর হোসেন নামে এক নাবালকও। তার সারা গায়ে বোমার আঘাতের ক্ষত। তাকেও প্রথমে নিয়ে যাওয়া হয় স্থানীয় স্বাস্থ্যকেন্দ্রে। পরে দুজনকেই সিউড়ি সুপার স্পেশালিটি হাসপাতালে নিয়ে যাওয়া হয়। অবস্থার অবনতি হওয়ায় কর্তব্যরত চিকিৎসক তাঁদের বর্ধমান মেডিক্যাল কলেজ হাসপাতালে রেফার করেন।

    আরও পড়ুন: ‘‘পুলিশ কামড়ালে কি ভ্যাকসিন নিতে হবে?’’, পশ্চিম মেদিনীপুরের সভায় সুকান্ত

    পুলিশ সূত্রে খবর, এদিন যাদের গ্রেফতার করা হয়েছে, তারা সবাই তৃণমূল (TMC) কর্মী। এলাকায় রয়েছে চাপা উত্তেজনা। অশান্তি এড়াতে এলাকায় চলছে পুলিশি টহলদারি। রয়েছে পুলিশ পিকেটও। ভয়ে গ্রাম ছেড়েছেন পুরুষরা। ফের অশান্তির আশঙ্কায় বাচ্চাদের হাত ধরে গ্রাম ছাড়ছেন মহিলারাও। মঙ্গলবার সকালেও অকুস্থলে গিয়ে দেখা গিয়েছে শুকনো রক্তের দাগ। পড়ে রয়েছে খালি বালতি। এই বালতি করেই বোমা নিয়ে যাওয়া হচ্ছিল বলে অভিযোগ। ঘটনা প্রসঙ্গে বিজেপির (BJP) জেলা সভাপতি ধ্রুব সাহা বলেন, কাটমানি সহ একাধিক বিষয় নিয়ে তৃণমূলের এই গন্ডগোল নতুন নয়। প্রায়ই হয়। আগামীতে আরও বাড়বে।

     

    দেশের খবর, দশের খবর, সব খবর, সবার আগে পেতে ফলো করুন আমাদের Facebook এবং Twitter পেজ। 

     
     

     

     

  • BJP: রাষ্ট্রপতিকে নিয়ে অখিলের মন্তব্যের জের, বিজেপির আন্দোলনে উত্তাল রাজ্য

    BJP: রাষ্ট্রপতিকে নিয়ে অখিলের মন্তব্যের জের, বিজেপির আন্দোলনে উত্তাল রাজ্য

    মাধ্যম নিউজ জেস্ক: রাষ্ট্রপতিকে নিয়ে বেফাঁস মন্তব্য করেছিলেন রাজ্যের কারা প্রতিমন্ত্রী অখিল গিরি (Akhil Giri)। তার প্রতিবাদে পথে নামল বিজেপি (BJP)। পদ্ম শিবিরের প্রতিবাদ আন্দোলনে উত্তাল গোটা রাজ্য। শনিবার অখিলের গ্রেফতারি ও মন্ত্রিত্ব থেকে অপসারণের দাবিতে কলকাতার সেন্ট্রাল অ্যাভেনিউয়ে মিছিল করেন গেরুয়া শিবিরের নেতা-কর্মীরা। অখিলের বিরুদ্ধে এফআইআর দায়ের হয়েছে নন্দীগ্রাম (Nandigram) থানায়। কোথাও কোথাও রাস্তায় টায়ার জ্বালিয়ে বিক্ষোভও দেখান বিজেপি কর্মী-সমর্থকরা। অখিলের বিরুদ্ধে জাতীয় মহিলা কমিশনে চিঠি দিয়েছেন বিজেপি নেতা সৌমিত্র খাঁ।  

    অখিলের বেফাঁস মন্তব্য…

    নভেম্বরের ১০ তারিখে নন্দীগ্রামের গোকুলনগর শহিদ মঞ্চে শহিদ দিবস পালনের আয়োজন করে ভূমি উচ্ছেদ প্রতিরোধ কমিটি। রাতের অন্ধকারে কে বা কারা ওই মঞ্চে আগুন লাগিয়ে দেয়। অভিযোগের আঙুল ওঠে বিজেপির (BJP) দিকে। এ নিয়ে এলাকায় উত্তেজনা ছড়ায়। ঘটনার প্রতিবাদে এলাকায় সভার আয়োজন করে তৃণমূল। ওই সভায় ভাষণ দিতে গিয়ে অখিল বলেন, আমরা রূপ বিচার করি না। রাষ্ট্রপতির পদকে আমরা সম্মান করি। কিন্তু তোমার (শুভেন্দু অধিকারী) রাষ্ট্রপতিকে কেমন দেখতে বাবা? অখিলের এই মন্তব্যের জেরে সমালোচনার ঝড় বয়ে যায় রাজ্যজুড়ে। পথে নামে বিজেপি। অখিলের গ্রেফতারি ও মন্ত্রিত্ব থেকে অপসারণের দাবিতে তামাম রাজ্যে আন্দোলন শুরু করেছে পদ্ম শিবির। নন্দীগ্রাম থানায় অখিলের বিরুদ্ধে দায়ের হয়েছে এফআইআর।

    আরও পড়ুন: কেন্দ্রীয় প্রকল্পে টেন্ডার দুর্নীতি! রাজ্য সরকারের বিরুদ্ধে বিস্ফোরক মন্তব্য শুভেন্দুর

    এদিকে, অখিলের বিরুদ্ধে জাতীয় মহিলা কমিশনে চিঠি দিয়েছেন বিজেপি (BJP) নেতা সৌমিত্র খাঁ। তিনি বলেন, রাষ্ট্রপতিকে অপমান করা হয়েছে। রাষ্ট্রপতিকে নিয়ে অখিল গিরির মন্তব্য গণতন্ত্রের অপমান। ১৪০ কোটি জনগণকে অপমান করেছেন রাজ্যের মন্ত্রী। এই জঘন্য মন্তব্যের জন্য অবিলম্বে অখিলের বিরুদ্ধে ব্যবস্থা নিন। বিধায়ক পদ থেকে অপসারিত করতে সুপারিশ করুন। অখিলের গ্রেফতারির দাবিও জানান তিনি।

    অখিলের বিরুদ্ধে ব্যবস্থা নেওয়ার দাবিতে কলকাতার সেন্ট্রাল অ্যাভেনিউয়ে মিছিল করেন গেরুয়া শিবিরের নেতা-কর্মীরা। জেলায় জেলায় বিক্ষোভে শামিল হন বিজেপি (BJP) কর্মী-সমর্থকরা। পোড়ানো হয় কুশপুত্তলিকা। অখিলের মন্তব্যের তীব্র প্রতিক্রিয়া জানিয়েছেন বিজেপির রাজ্য সভাপতি সুকান্ত মজুমদার। তিনি বলেন, রাষ্ট্রপতি সম্পর্কে রাজ্যের মন্ত্রী অখিল গিরি যে অবমাননাকর মন্তব্য করেছেন সে কারণে মন্ত্রীকে অবিলম্বে মন্ত্রিসভা থেকে সরিয়ে গ্রেফতার করা উচিত মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়ের। যদি মমতা বন্দ্যোপাধ্যায় একাজ না করেন, তাহলে মন্ত্রী অখিল গিরিকে গ্রেফতার করাবে বিজেপি। তিনি বলেন, জেলায় জেলায় প্রতিবাদ আন্দোলনের নির্দেশ দিয়েছি। আদিবাসীরাও মন্ত্রীর বিরুদ্ধে রাস্তায় নেমে প্রতিবাদ করবে। এফআইআর করবে। সুকান্ত বলেন, তৃণমূল এ রাজ্যে ক্ষমতায় আসার পর থেকেই বেশ কিছু নেতা পচা ডিমের মতো দুর্গন্ধ ছড়াচ্ছেন। যতদিন এই তৃণমূল সরকারে থাকবে, ততদিন পচা ডিমের দুর্গন্ধ ছড়াবে। মানুষ ভুল থেকে শিক্ষা নেয়, কিন্তু তৃণমূল তা করে না। এদিকে, অখিলকে অপসারণ এবং সাক্ষাতের সময় চেয়ে রাজ্যপালকে চিঠি দিয়েছেন রাজ্যের বিরোধী দলনেতা বিজেপির শুভেন্দু অধিকারী

    দেশের খবর, দশের খবর, সব খবর, সবার আগে পেতে ফলো করুন আমাদের Facebook এবং Twitter পেজ।

  • Akhil Giri: রাষ্ট্রপতিকে নিয়ে বেফাঁস মন্তব্য অখিল গিরির, তীব্র প্রতিবাদ বিজেপির

    Akhil Giri: রাষ্ট্রপতিকে নিয়ে বেফাঁস মন্তব্য অখিল গিরির, তীব্র প্রতিবাদ বিজেপির

    মাধ্যম নিউজ ডেস্ক: তিনি রাজ্যের মন্ত্রী। যাঁকে আক্রমণ করে বসলেন তিনি দেশের প্রথম নাগরিক। রাষ্ট্রপতি দ্রৌপদী মুর্মু (Draupadi Murmu)। যিনি তাঁর দিকে ছুঁড়ে দিলেন কুকথার ছররা, তিনি আর কেউ নন, রাজ্যের কারা প্রতিমন্ত্রী অখিল গিরি (Akhil Giri)। দেশের রাষ্ট্রপতিকে অপমান করায় বেজায় চটেছে রাজ্যের বাসিন্দাদের সিংহভাগ অংশ। তৃণমূল নেতার বেফাঁস মন্তব্যে হতবাক রাজ্যের শিক্ষিত সমাজ। আর কাঁথির এই তৃণমূল নেতার পদত্যাগের দাবিতে পথে নামছে বিজেপি।   

    জানা গিয়েছে, নভেম্বরের ১০ তারিখে নন্দীগ্রামের গোকুলনগর শহিদ মঞ্চে শহিদ দিবস পালনের আয়োজন করে ভূমি উচ্ছেদ প্রতিরোধ কমিটি। রাতের অন্ধকারে কে বা কারা ওই মঞ্চে আগুন লাগিয়ে দেয়। অভিযোগের আঙুল ওঠে বিজেপির দিকে। এ নিয়ে এলাকায় উত্তেজনা ছড়ায়। ঘটনার প্রতিবাদে এলাকায় সভার আয়োজন করে তৃণমূল (TMC)। ওই সভায় উপস্থিত ছিলেন তৃণমূল নেতা কুণাল ঘোষ, শশী পাঁজা, অখিল গিরি, সৌমেন মহাপাত্র সহ তৃণমূলের অন্য নেতারা।

    কী বললেন অখিল?

    এদিনের সভা মঞ্চে উঠেই রাজ্যের মন্ত্রী অখিল গিরি (Akhil Giri) নিশানা করেন রাজ্যের বিরোধী দলনেতা তথা নন্দীগ্রামের বিধায়ক বিজেপির শুভেন্দু অধিকারীকে (Suvendu Adhikari)। শুভেন্দুর হাত-পা ভেঙে দেওয়ার হুমকিও দেন মন্ত্রী মশাই। এর পরেই অখিলকে বলতে শোনা যায়, আমরা রূপ বিচার করি না। রাষ্ট্রপতির পদকে আমরা সম্মান করি। কিন্তু তোমার (শুভেন্দু অধিকারী) রাষ্ট্রপতিকে কেমন দেখতে বাবা? অখিলের এই মন্তব্যের জেরে সমালোচনার ঝড় বয়ে যায় রাজ্যজুড়ে। বিজেপির দাবি, রূপ নিয়ে কটাক্ষ করে দেশের প্রথম নাগরিককে অপমান করেছেন রাজ্যের মন্ত্রী অখিল গিরি।

    রাজ্য বিজেপির তরফে ট্যুইট করে বলা হয়েছে, অখিল (Akhil Giri) রাজ্যের নারী ও শিশু কল্যাণ মন্ত্রী শশী পাঁজার সামনে দাঁড়িয়ে রাষ্ট্রপতি সম্পর্কে আপত্তিকর মন্তব্য করেছেন। আমাদের রাষ্ট্রপতি একজন আদিবাসী। এখান থেকেই বোঝা যায় মমতা বন্দ্যোপাধ্যায় এবং তৃণমূল আদিবাসী বিরোধী। বিজেপি নেতা অমিত মালব্য বলেন, মুখ্যমন্ত্রী বরাবরই আদিবাসী বিরোধী। তাঁর মন্ত্রী অখিল গিরির মন্তব্য সেটাই প্রমাণ। রাষ্ট্রপতিকে অপমান করেন মমতার মন্ত্রী। কেন তিনি এবং তাঁর সরকার আদিবাসীদের এত ঘৃণা করেন?

    আরও পড়ুন: বিধানসভা উপনির্বাচনে ৪ আসনে জয়ী বিজেপি, কংগ্রেসের অবস্থান জানেন?

     

    দেশের খবর, দশের খবর, সব খবর, সবার আগে পেতে ফলো করুন আমাদের Facebook এবং Twitter পেজ।

     
     
  • Gujarat Election: গুজরাটে বিজেপির প্রার্থী তালিকায় চমক, কে কে লড়ছেন জানেন?

    Gujarat Election: গুজরাটে বিজেপির প্রার্থী তালিকায় চমক, কে কে লড়ছেন জানেন?

    মাধ্যম নিউজ ডেস্ক: গুজরাট বিধানসভা নির্বাচনের (Gujarat Election) প্রার্থী তালিকা প্রকাশ করল বিজেপি (BJP)। তালিকা থেকেই স্পষ্ট, প্রথম রাউন্ডেই বিরোধীদের মাত দিয়েছে নরেন্দ্র মোদি (PM Modi)- অমিত শাহের দল। প্রার্থী তালিকায় রয়েছেন ক্রিকেটার রবীন্দ্র জাদেজার স্ত্রী রিভাবা। জামনগর উত্তরের পদ্ম-প্রার্থী তিনিই। বছর তিনেক আগে রাজনীতির ময়দানে আসেন জাদেজার স্ত্রী। যোগ দেন বিজেপিতে। তার পর এবার সরাসরি ভোটের ময়দানে। বৃহস্পতিবারই প্রথম প্রার্থী তালিকা প্রকাশ করে গেরুয়া শিবির। এই দফায় ১৬০টি আসনে প্রার্থীর নাম ঘোষণা করা হয়েছে।

    ক’টি আসনে ভোট হবে? 

    ডিসেম্বরে দু দফায় ভোট হবে গুজরাটে (Gujarat Election)। ভোট হবে রাজ্যের ১৮২টি আসনে। এদিন তার মধ্যে ১৬০ আসনে প্রার্থীর নাম ঘোষণা করল গুজরাট বিজেপি। এর মধ্যে যেমন রয়েছেন রবীন্দ্র জাদেজার স্ত্রী, তেমনি এবারও ফের প্রার্থী হচ্ছেন বিদায়ী মুখ্যমন্ত্রী ভূপেন্দ্র প্যাটেল। তাঁর নামও রয়েছে তালিকায়। ঘাটলোদিয়া কেন্দ্র থেকে প্রতিদ্বন্দ্বিতা করবেন তিনি।  

    চমক রয়েছে আরও। ওই তালিকায় নাম রয়েছে কংগ্রেস থেকে বিজেপিতে যোগ দেওয়া পতিদার আন্দোলনের নেতা হার্দিক প্যাটেলের। ভিরামগান কেন্দ্র থেকে প্রতিদ্বন্দ্বিতা করবেন তিনি। এছাড়াও লড়াইয়ের ময়দানে থাকছেন রাজ্যের স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী হর্ষ সাংভি। তিনি মাজুরা কেন্দ্র থেকে পদ্ম চিহ্ন লড়বেন। ভাদগাম কেন্দ্র থেকে লড়বেন মণি ভাগেলা। পালানপুরে প্রার্থী হচ্ছেন অনিকেত ঠাকুর। দিসা কেন্দ্র থেকে লড়ছেন প্রবীণ মালি। দেওধরে বিজেপির বাজি কেশব চৌহান। এদিন যে তালিকা প্রকাশিত হয়েছে, তাতে গত বিধানসভা নির্বাচনে জয়ী ৬৯ বিধায়কের নামও রয়েছে। তবে এদিনের তালিকায় নাম নেই বিদায়ী বিধায়কদের মধ্যে ৩৮ জনের। দ্বিতীয় দফায় যে প্রার্থী তালিকা প্রকাশিত হবে, তাতে এঁদের সকলের নাম যে থাকবে না, তা স্পষ্ট।  

    আরও পড়ুন:কেজরির ‘গুজরাট ডিলে’র অভিযোগ সর্বৈব মিথ্যা, সাফ জানাল বিজেপি

    এদিকে, এবার গুজরাট বিধানসভা নির্বাচনে (Gujarat Election) লড়ছেন না বলে ঘোষণা করেছেন প্রাক্তন মুখ্যমন্ত্রী বিজয় রুপানি এবং প্রাক্তন উপ মুখ্যমন্ত্রী নীতিন প্যাটেল। লড়াইয়ের ময়দানে থাকছেন না রূপানি মন্ত্রিসভার সদস্য ভূপেন্দ্র সিং চুদাসামা ও প্রদীপ সিং জাদেজাও। এদিন যে তালিকা প্রকাশিত হয়েছে, তাতে প্রথম দফায় যে ৮৯ আসনে ভোট হবে, তার মধ্যে ৮৪টি কেন্দ্রের প্রার্থীর নাম ঘোষণা করা হয়েছে। আর দ্বিতীয় দফায় যে ৯৩টি আসনে ভোট হবে, তার মধ্যে রয়েছে ৭৬টি কেন্দ্রের প্রার্থীর নাম।

    দেশের খবর, দশের খবর, সব খবর, সবার আগে পেতে ফলো করুন আমাদের Facebook এবং Twitter পেজ।

  • Suvendu Adhikari: ‘পশ্চিমবঙ্গে কেউ নিরাপদ নন’, নিশীথের কনভয়ে হামলা প্রসঙ্গে বললেন শুভেন্দু

    Suvendu Adhikari: ‘পশ্চিমবঙ্গে কেউ নিরাপদ নন’, নিশীথের কনভয়ে হামলা প্রসঙ্গে বললেন শুভেন্দু

    মাধ্যম নিউজ ডেস্ক: পশ্চিমবঙ্গে কেউ নিরাপদ নন। কেন্দ্রীয় মন্ত্রী নিশীথ প্রামাণিকের (Nisith Pramanik) কনভয়ে হামলার পর এই মন্তব্য করলেন রাজ্যের বিরোধী দলনেতা বিজেপিশুভেন্দু অধিকারী (Suvendu Adhikari)। কয়লা ও গরু পাচার কেলেঙ্কারিতে (Cattle Smuggling Case) তৃণমূলের (TMC) একাধিক নেতার নাম জড়িয়ে যাওয়ায়ও রাজ্যকে একহাত নিয়েছেন নন্দীগ্রামের বিধায়ক।

    নভেম্বরের তিন তারিখে কোচবিহারে হামলা হয় কেন্দ্রীয় মন্ত্রী নিশীথ প্রামাণিকের কনভয়ে। জানা গিয়েছে, বৃহস্পতিবার দুপুরে ঘটনাটি ঘটেছে কোচবিহারের সিতাইয়ে। নিশীথের কনভয় যখন এলাকা দিয়ে যাচ্ছিল, তখন একদল লোককে আচমকাই লাঠিসোঁটা নিয়ে ওই এলাকায় জড়ো হতে দেখা যায়। ঘটনায় উদ্বেগ প্রকাশ করেন কেন্দ্রীয় মন্ত্রী। রাজ্যের আইন-শৃঙ্খলা পরিস্থিতি নিয়েও প্রশ্ন তোলেন তিনি।

    এই ঘটনায়ই কড়া প্রতিক্রিয়া দিয়েছে বিজেপি (BJP)। রাজ্যের বিরোধী দলনেতা  শুভেন্দু অধিকারী (Suvendu Adhikari) বলেন, পশ্চিমবঙ্গে কেউই নিরাপদ নন। এমন কী জনপ্রতিনিধিরাও। পুলিশ তৃণমূলের হয়ে কাজ করে। টাকা তোলে। পশ্চিমবঙ্গে আইন-শৃঙ্খলার অবনতি হয়েছে। নন্দীগ্রামের বিধায়ক বলেন, দিল্লিতে গরু পাচার মামলা দায়ের করেছে ইডি। এতে অনেকে জড়িত। যদি প্রমাণিত হয়, তাঁদের তিহাড় জেলে পাঠানো হবে। বাংলায় যেসব সুযোগ-সুবিধা তাঁরা পান, তিহাড় জেলে তা মিলবে না। শুভেন্দুর তোপ, তৃণমূল কংগ্রেস পরিচালিত সরকার  চোরেদের সরকার। এঁদের অনেকেই কয়লা ও গরু পাচার মামলা, পঞ্জি স্কিম এবং নিয়োগ কেলেঙ্কারিতে জড়িত।

    আরও পড়ুন: ‘‘যে হাত দিয়ে চড় মেরেছেন, সেই হাত দিয়েই…’’ কাকে হুঁশিয়ারি দিলেন শুভেন্দু?

    রাজ্য সরকারকে নিশানা করেছেন কেন্দ্রীয় মন্ত্রী নিশীথও। তিনি বলেন, যদি বাংলার সরকার কঠোর হত, তাহলে এই ঘটনা ঘটত না। তাঁর প্রশ্ন, কেন আমার কনভয় যাওয়ার রাস্তায় অত লোক লাঠিসোঁটা নিয়ে দাঁড়িয়ে থাকবে? তিনি বলেন, আমরা (মন্ত্রীরা) পুলিশের বেঁধে দেওয়া রাস্তা দিয়ে চলাফেরা করি। সেই রাস্তায় যেতে গিয়ে কেন আমাকে হুমকির মুখে পড়তে হবে? বিশেষত, যখন রাজ্য সরকারের পুলিশ আমার কনভয় যাওয়ার রাস্তা ছকে দিয়েছে!

    কেন্দ্রীয় মন্ত্রী বলেন, ওই জনতার হাতে লাঠির পাশাপাশি পাথরও ছিল। পুলিশের উপস্থিতিতেই তারা এগুলি নিয়ে জমায়েত হয়েছিল। তিনি বলেন, কোনও মন্ত্রী তাঁদের সামনে আক্রান্ত হবেন, আর বিজেপির কর্মীরা তা বসে বসে দেখবেন, তা হবে না। এলাকার পরিবেশ কেন বিষিয়ে তোলা হচ্ছে? প্রশ্ন নিশীথের।  

     

    দেশের খবর, দশের খবর, সব খবর, সবার আগে পেতে ফলো করুন আমাদের Facebook এবং Twitter পেজ।

  • Congress: ‘হিন্দু’ পার্সিয়ান শব্দ! কংগ্রেস নেতার ‘বিতর্কিত’ মন্তব্যে কড়া প্রতিক্রিয়া বিজেপির

    Congress: ‘হিন্দু’ পার্সিয়ান শব্দ! কংগ্রেস নেতার ‘বিতর্কিত’ মন্তব্যে কড়া প্রতিক্রিয়া বিজেপির

    মাধ্যম নিউজ ডেস্ক: ‘হিন্দু’ (Hindu) শব্দের উৎপত্তি ব্যাখ্যা করতে গিয়ে বেফাঁস মন্তব্য করলেন কর্নাটকের কংগ্রেস (Congress) নেতা সতীশ জার্কিহলি। সোমবার বেলাগাভির নিপান্নি এলাকায় এক অনুষ্ঠানে যোগ দিতে গিয়ে ওই বিতর্কিত মন্তব্য করে বসেন তিনি। ঘটনায় কংগ্রেস নেতাকে একহাত নিয়েছেন বিজেপি (BJP) নেতৃত্ব। সতীশ বলেন, ‘হিন্দু’ শব্দটি এসেছে পার্সিয়া থেকে। পার্সিয়ান হল ইরাক, ইরান এবং কাজাখাস্থান। তাঁর প্রশ্ন, তাহলে ‘হিন্দু’ শব্দটির সঙ্গে ভারতের কী সম্পর্ক? হিন্দু তোমাদের কী করে হল? তাহলে সেটা কেন চাপিয়ে দেওয়া হচ্ছে? ওই কংগ্রেস (Congress) নেতা বলেন, ‘হিন্দু’ শব্দের অর্থ খুব নোংরা। আপনারা জানলে লজ্জা পাবেন। এনিয়ে চর্চা হওয়া উচিত। তাঁর এই মন্তব্যের ভিডিও প্রকাশ্যে আসার পরেই শুরু হয়েছে বিতর্ক।

    ঘটনায় কড়া প্রতিক্রিয়া ব্যক্ত করেছে বিজেপি। বিজেপির কর্নাটক ইনচার্জ অরুণ সিং বলেন, কংগ্রেস (Congress) দেশের সুপ্রাচীন সংস্কৃতিকে কলঙ্কিত করেছে। তিনি বলেন, আমাদের সুপ্রাচীন সংস্কৃতি সম্পর্কে কংগ্রেস সব সময় বাজে কথা বলে। সতীশ জার্কিহলি আমাদের সংস্কৃতিকে কলঙ্কিত করেছেন। সাধারণ মানুষই এর মোক্ষম জবাব দেবেন। এখানেই থেমে থাকেননি অরুণ। তিনি কংগ্রেসের নয়া প্রেসিডেন্ট মল্লিকার্জুন খাড়গেকে অনুরোধ করেছেন যথাযথ ব্যবস্থা নিতে। অরুণ বলেন, কংগ্রেস যদি এই বক্তব্যের (সতীশ জার্কিহলির বক্তব্য) সঙ্গে সহমত পোষণ না করেন, তাহলে তাদের উচিত ওঁকে (সতীশকে) এখনই দল থেকে বের করে দেওয়া।

    আরও পড়ুন: বিধানসভা উপনির্বাচনে ৪ আসনে জয়ী বিজেপি, কংগ্রেসের অবস্থান জানেন?

    ঘটনার জেরে যারপরনাই বেকায়দায় কংগ্রেস (Congress) নেতৃত্ব। সতীশের মন্তব্যকে দুর্ভাগ্যজনক আখ্যা দিয়েছেন কংগ্রেস নেতা রণদীপ সুরজেওয়ালা। তিনি বলেন, কংগ্রেস দ্বর্থ্যহীন ভাষায় এর নিন্দা করছে। সতীশের মন্তব্যের প্রেক্ষিতে কংগ্রেসকে (Congress) ট্যুইট-বাণে বিদ্ধ করেছেন বিজেপির মুখপাত্র শেহজাদ পুন্নাওয়ালাও। তাঁর মতে, সতীশের মন্তব্য অপমানজনক। শেহজাদ লেখেন, এটা ভোটব্যাংক ধরার উদ্যোগ। (ওরা) রাম মন্দিরের বিরোধিতা করেছে। গীতার সঙ্গে জিহাদের লিংক করেছে।

     

    দেশের খবর, দশের খবর, সব খবর, সবার আগে পেতে ফলো করুন আমাদের Facebook এবং Twitter পেজ।

  • BJP: কেজরির ‘গুজরাট ডিলে’র অভিযোগ সর্বৈব মিথ্যা, সাফ জানাল বিজেপি

    BJP: কেজরির ‘গুজরাট ডিলে’র অভিযোগ সর্বৈব মিথ্যা, সাফ জানাল বিজেপি

    মাধ্যম নিউজ ডেস্ক: গুজরাটে (Gujarat) ভোট প্রচারে গিয়ে আম আদমি পার্টির (AAP) নেতা তথা দিল্লির (Delhi) মুখ্যমন্ত্রী অরবিন্দ কেজরিওয়াল (Arvind Kejriwal) দাবি করেছিলেন, বিজেপির (BJP) তরফে গুজরাট বিধানসভা নির্বাচনে (Gujarat Assembly polls) থেকে তাঁকে সরে দাঁড়ানোর প্রস্তাব দেওয়া হয়েছে। তিনি এও দাবি করেছিলেন, এর বদলে রাজ্যের উপমুখ্যমন্ত্রী মণীশ সিসোদিয়া ও স্বাস্থ্যমন্ত্রী সত্যেন্দর জৈনকে ছেড়ে দেওয়ার প্রস্তাবও দেওয়া হয়েছে। আপ নেতার এহেন অভিযোগ অস্বীকার করল বিজেপি। গেরুয়া শিবিরের দাবি, কেজরিওয়ালের অভিযোগ সর্বৈব মিথ্যা। বিজেপির মুখপাত্র সঈদ জাফর ইসলাম বলেন, ভোটের আগে গুজরাটবাসীকে বিপথগামী করতে এবং আম জনতার কাছে বিজেপির ভাবমূর্তি কালিমালিপ্ত করতেই এসব বলা হচ্ছে।

    ডিসেম্বরে ১ ও ৫ তারিখে দু দফায় ভোট হবে গুজরাটে। এই বিধানসভার আসন সংখ্যা ১৮২। গত আড়াই দশক ধরে রাজ্যের ক্ষমতায় রয়েছে বিজেপি (BJP)। এ রাজ্যে ক্রমেই বিজেপির প্রধান প্রতিপক্ষ হয়ে উঠছে অরবিন্দ কেজরিওয়ালের দল। দলের হয়ে গুজরাট চষে বেড়াচ্ছেন কেজরি স্বয়ং। শনিবার এক জনসভায় তিনি বলেন, ওরা (বিজেপি) আমার কাছে এসেছিল, বলেছিল যদি আমি গুজরাট নির্বাচনে অংশ না নিই, তাহলে সত্যেন্দর জৈনকে ছেড়ে দেওয়া হবে। গ্রেফতার করা হবে না মণীশ সিসোদিয়াকেও। তবে বিজেপির তরফে তাঁকে কে এই প্রস্তাব দিয়েছিল এদিন তা খোলসা করেননি কেজরি। তিনি শুধু বলেন, নিজের লোকের নাম কীভাবে বলব? আমার লোকের মাধ্যমেই ওঁরা প্রস্তাব দিয়েছিলেন। বিজেপি (BJP) কখনও সরাসরি প্রস্তাব দেয় না। ওরা একজনের থেকে অন্যজনের কাছে যায়। তারপর আরও একজনের কাছে যায়। তারপর কোনও বন্ধুর কাছে যায়। তারপর সেই বার্তা আপনার কাছে আসে।

    আরও পড়ুন: টাকায় লক্ষ্মী-গণেশের ছবি ছাপানোর আবেদন কেজরির, কী বলল বিজেপি?

    কেজরির দাবি নস্যাৎ করে জাফর ইসলাম বলেন, এটি সর্বৈব মিথ্যা কথা। উনি দিল্লি ও দেশের মানুষকে বিভ্রান্ত করেছেন। আন্না হাজারেকে ব্যবহার করে উনি ক্ষমতায় এসেছেন। পরে তাঁকে ছেড়ে দিয়েছেন। ক্ষমতা দখলের জন্য উনি যে কাউকে বিভ্রান্ত করতে পারেন।

     

    দেশের খবর, দশের খবর, সব খবর, সবার আগে পেতে ফলো করুন আমাদের Facebook এবং Twitter পেজ।

  • Sudhir Suri: পাঞ্জাবে শিবসেনা নেতা খুনের তদন্তভার নিতে পারে এনআইএ, আইন-শৃঙ্খলা অবনতির অভিযোগ বিজেপির

    Sudhir Suri: পাঞ্জাবে শিবসেনা নেতা খুনের তদন্তভার নিতে পারে এনআইএ, আইন-শৃঙ্খলা অবনতির অভিযোগ বিজেপির

    মাধ্যম নিউজ ডেস্ক: শিবসেনা (Shiv Sena) নেতা সুধীর সুরি (Sudhir Suri) হত্যাকাণ্ডের তদন্তভার নিতে পারে এনআইএ (NIA)। শুক্রবার বিকেলে পাঞ্জাবের অমৃতসরে একটি মন্দিরের সামনে প্রকাশ্য দিবালোকে সুধীরকে লক্ষ্য করে গুলি চালায় দুষ্কৃতীরা। ঘটনাস্থলেই মৃত্যু হয় তাঁর। ঘটনায় খালিস্তানি জঙ্গি গোষ্ঠীর হাত থাকতে পারে বলে অনুমান পুলিশের। এদিকে, ঘটনার দায় স্বীকার করে বিবৃতি দিয়েছে কানাডা-বেসড গ্যাংস্টার লখবীর সিং লান্ডা। রাজ্যে আইন-শৃঙ্খলার অবনতির দাবিতে সোচ্চার হয়েছে বিজেপি (BJP)।

    এদিন অমৃতসরের এক মন্দিরে চূড়ান্ত অব্যবস্থার অভিযোগ তুলে বিক্ষোভ দেখাচ্ছিলেন কয়েকজন। তাঁদের মধ্যে ছিলেন সুধীরও (Sudhir Suri)। বস্তুত, ওই প্রতিবাদী মঞ্চের নেতা তিনিই। এলাকায় সুধীর হিন্দুত্ববাদী দল শিবসেনা তাকসিলার সদস্য হিসেবে পরিচিত। এদিন দুপুরে তিনি যখন মন্দিরের সামনে ধর্নায় বসেছিলেন, তখন আচমকাই স্থানীয় এক দোকানদার তাঁকে লক্ষ্য করে গুলি চালায় বলে অভিযোগ। ওই দোকানদার পরপর পাঁচটি গুলি চালায়। পুলিশ জানিয়েছে, গুলি লাগার সঙ্গে সঙ্গেই মাটিতে লুটিয়ে পড়েন সুধীর। স্থানীয় হাসপাতালে নিয়ে যাওয়া হলে কর্তব্যরত চিকিৎসক তাঁকে মৃত ঘোষণা করেন। অভিযুক্তকে গ্রেফতার করা হয়েছে। বাজেয়াপ্ত করা হয়েছে পিস্তলটিও।

    সুধীর (Sudhir Suri) খুনের ঘটনায় খালিস্তানি জঙ্গি গোষ্ঠীর যোগ থাকতে পারে বলে অনুমান। সেই কারণে তদন্তভার তুলে দেওয়া হতে পারে এনআইএর হাতে। জাতীয় তদন্তকারী সংস্থার হাতে গেলেই জানা যাবে খুনের প্রকৃত উদ্দেশ্য। খুনের ঘটনার জেরে অমৃতসর জুড়ে করা হয়েছে কঠোর নিরাপত্তার ব্যবস্থা। এদিকে, খুনের ঘটনার দায় স্বীকার করে সোশ্যাল মিডিয়ায় পোস্ট করেছে কানাডা-বেসড গ্যাংস্টার লখবীর সিং লান্ডা। পুলিশ জানিয়েছে, ওই পোস্টের সত্যতা যাচাই করা হচ্ছে।

    আরও পড়ুন: চরম আর্থিক সংকটের মুখে পাঞ্জাব? দাবি আপের শ্বেতপত্রে

    ঘটনায় কড়া প্রতিক্রিয়া জানিয়েছে গেরুয়া শিবির। বিজেপি নেতা তাজিন্দর পাল সিং বাগ্গা নিশানা করেছেন রাজ্যের শাসক দল আম আদমি পার্টিকে। পাঞ্জাবে আইন-শৃঙ্খলার অবনতির অভিযোগ তুলেছেন তিনি। ট্যুইট-বাণে এই বিজেপি নেতা লিখেছেন, আপের শাসনে পাঞ্জাবে আইন-শৃঙ্খলা ভেঙে পড়েছে। তিনি (অরবিন্দ কেজরিওয়াল) এখন গুজরাটে এই মডেল প্রয়োগ করতে চান?  

     

    দেশের খবর, দশের খবর, সব খবর, সবার আগে পেতে ফলো করুন আমাদের Facebook এবং Twitter পেজ। 

  • Gujarat Assembly Elections: অতীতের সব রেকর্ড ভাঙতে চান, গুজরাটের জন্য নয়া স্লোগানও বাঁধলেন মোদি

    Gujarat Assembly Elections: অতীতের সব রেকর্ড ভাঙতে চান, গুজরাটের জন্য নয়া স্লোগানও বাঁধলেন মোদি

    মাধ্যম নিউজ ডেস্ক: গত আড়াই দশক ধরে গুজরাটের (Gujarat) কুর্সিতে রয়েছে বিজেপি (BJP)। এবার আগের সব রেকর্ড ভেঙে গুজরাট বিধানসভা নির্বাচনে (Gujarat Assembly Elections) বিপুল ভোটে জয়লাভ করবে বিজেপি। রবিবার গুজরাটে প্রচারে গিয়ে নিজের এই ইচ্ছার কথা জানান প্রধানমন্ত্রী নরেন্দ্র মোদি (PM Modi)। এদিন গুজরাটের ভালসাদের কাপরাদা গ্রামে আয়োজিত এক দলীয় জনসভায় ভাষণ দেন প্রধানমন্ত্রী। সেখানেই তিনি বলেন, দিল্লিতে বসেই আমি প্রাপ্ত তথ্য থেকে জানতে পারছি, গুজরাটে বিজেপি সব রেকর্ড ভেঙে এবারও বিপুল ভোট জয়ী হবে। তিনি বলেন, আমি এখানে এসেছি আমার অতীতের সব রেকর্ড ভাঙতে। আমি গুজরাট বিজেপিকে বলেছি যে প্রচারের জন্য আমি যত বেশি সম্ভব সময় তোমাদের দিতে প্রস্তুত।  

    ডিসেম্বরে দু দফায় হবে গুজরাট বিধানসভার নির্বাচন (Gujarat Assembly Elections)। প্রথম দফার ভোট হবে ১ ডিসেম্বর। আর ৫ ডিসেম্বর হবে দ্বিতীয় দফার নির্বাচন। গুজরাট বিধানসভার আসন সংখ্যা ১৮২টি। তার মধ্যে প্রথম দফায় হবে ৮৯টি আসনের ভোট। দ্বিতীয় দফায় হবে ৯৩টি আসনের নির্বাচন। রবিবাসরীয় প্রচারমঞ্চে দাঁড়িয়ে প্রধানমন্ত্রী বলেন, এবার আমি চাই অতীতের সব রেকর্ড ভেঙে দিতে। আমার চেয়েও ভূপেন্দ্রর (বিদায়ী মুখ্যমন্ত্রী ভূপেন্দ্র প্যাটেল) রেকর্ড বড় হোক আমি চাই। তিনি বলেন, এই ভোটে কেবল ভূপেন্দ্র আর নরেন্দ্র লড়ছেন না। এই ভোটে লড়ছেন গুজরাটবাসীও।

    আরও পড়ুন: ‘দুর্নীতি’, ‘বিভাজনকারী শক্তি’কে হুঁশিয়ারি মোদি-শাহের

    এদিনের জনসভায় বিজেপির জন্য নয়া স্লোগানও বেঁধে দেন প্রধানমন্ত্রী। সেটি হল, আমি এই গুজরাট বানিয়েছি। প্রধানমন্ত্রী বলেন, প্রত্যেক গুজরাটি সে তিনিই আদিবাসী হোন কিংবা জেলে, তিনি শহরে বাস করুন বা গ্রামে, প্রত্যেকে আজ আত্মবিশ্বাসী। সেই কারণেই প্রত্যেক গুজরাটি বলেন, আমি এই গুজরাট বানিয়েছি। কঠোর পরিশ্রম দিয়ে এই গুজরাট বানিয়েছেন তাঁরা। এদিনের সভায় নয়া স্লোগানটি উপস্থিত জনতাকে দিয়ে বার কয়েক বলিয়ে নেন প্রধানমন্ত্রী। তারপরেই বলেন, যেহেতু প্রত্যেক গুজরাটি আত্মবিশ্বাসে ভরপুর, সেই কারণেই তাঁরা হৃদয়ের অন্তঃস্থল থেকে এই স্লোগান দিচ্ছেন। তিনি বলেন, আমি এই গুজরাট বানিয়েছি এই স্লোগানের প্রতিটি শব্দই আসছে গুজরাটের হৃদয় থেকে।

     

    দেশের খবর, দশের খবর, সব খবর, সবার আগে পেতে ফলো করুন আমাদের Facebook এবং Twitter পেজ।

  • JP Nadda: অভিন্ন দেওয়ানি বিধি, সরকারি চাকরিতে মহিলাদের জন্য সংরক্ষণ, হিমাচলে গুচ্ছ প্রতিশ্রুতি নাড্ডার

    JP Nadda: অভিন্ন দেওয়ানি বিধি, সরকারি চাকরিতে মহিলাদের জন্য সংরক্ষণ, হিমাচলে গুচ্ছ প্রতিশ্রুতি নাড্ডার

    মাধ্যম নিউজ ডেস্ক: রাজ্যের কুর্সিতে ফের বিজেপি (BJP) এলে চালু হবে অভিন্ন দেওয়ানি বিধি (UCC)। সরকারি চাকরিতে মহিলাদের জন্য থাকবে ৩৩ শতাংশ সংরক্ষণও। হিমাচল প্রদেশ (Himachal Pradesh) বিধানসভা নির্বাচনের প্রাক্কালে শনিবার দলের ইস্তেহার প্রকাশ অনুষ্ঠানে এই প্রতিশ্রুতিই দিলেন বিজেপির সভাপতি জেপি নাড্ডা (JP Nadda)।

    হিমাচল প্রদেশ বিধানসভার আসন সংখ্যা ৬৮। সতেরোর বিধানসভা নির্বাচনে ৪৪টি আসন পেয়েছিল বিজেপি (BJP)। কংগ্রেস (Congress) পেয়েছিল ২১টি আসন। একটি আসন পেয়েছিল সিপিএম (CPM)। অন্যরা পেয়েছিল ২টি আসন। এবার ভোট হবে ১২ নভেম্বর। বিজেপির প্রধান প্রতিদ্বন্দ্বী কংগ্রেস। নিজের রাজ্য হিমাচল প্রদেশের এদিনের অনুষ্ঠানে যোগ দিয়ে গুচ্ছ প্রতিশ্রুতি দেন নাড্ডা (JP Nadda)। এর মধ্যে ছিল ৮ লক্ষ চাকরি, উচ্চ শিক্ষার পাঠ নিতে যাওয়া মেয়েদের স্কুটার দেওয়া এবং রাজ্যে পাঁচটি নয়া মেডিক্যাল কলেজ স্থাপনও।

    এদিন বিজেপির ইস্তেহার প্রকাশ করেন নাড্ডা (JP Nadda)। এই ইস্তেহারের পোশাকি নাম ‘সঙ্কল্প পত্র’। এই ‘সঙ্কল্প পত্র’ প্রকাশ অনুষ্ঠানে নাড্ডা বলেন, রাজ্যের ক্ষমতায় ফের বিজেপি এলে চালু হবে অভিন্ন দেওয়ানি বিধি। এজন্য গড়া হবে কমিটিও। রাজ্যে ওয়াকফ সম্পত্তির কত পরিমাণ অংশ অবৈধ কাজে ব্যবহৃত হচ্ছে, তা জানতে বিজেপি সরকার সমীক্ষা করবে বলেও আশ্বাস দেন নাড্ডা।

    আরও পড়ুন: ‘পদ্ম চিহ্নে ছাপ দেওয়া মানেই মোদিকে ভোট দেওয়া’, হিমাচল প্রদেশের জনসভায় বললেন প্রধানমন্ত্রী

    মহিলা ভোটারদের কথা মাথায় রেখে নাড্ডা (JP Nadda) এদিন আলাদা একটি ইস্তেহার প্রকাশ করেন। তাতেই ঘোষণা করা হয়েছে সরকারি চাকরিতে ৩৩ শতাংশ আসন সংরক্ষণের কথা। বিজেপি ফের ক্ষমতায় এলে ষষ্ঠ শ্রেণি থেকে দ্বাদশ শ্রেণি পর্যন্ত পাঠরত মেয়েদের সাইকেল দেওয়ার প্রতিশ্রুতিও দেন নাড্ডা। এদিনই প্রকাশিত হয়েছে রাজ্যে বিজেপির প্রধান প্রতিপক্ষ কংগ্রেসের (Congress) নির্বাচনী ইস্তেহারও। তাকে কটাক্ষ করে নাড্ডার (JP Nadda) সংক্ষিপ্ত প্রতিক্রিয়া, ওই ইস্তেহারের না আছে কোনও দিশা, না আছে ভার। জানা গিয়েছে, এই ইস্তেহারের খসড়া তৈরির আগে একটি কমিটি গড়েছিল বিজেপি। ওই কমিটির সদস্যরা কথা বলেন সাধারণ মানুষের সঙ্গে। তার পরেই তৈরি হয় খসড়া।

     

    দেশের খবর, দশের খবর, সব খবর, সবার আগে পেতে ফলো করুন আমাদের Facebook এবং Twitter পেজ। 

LinkedIn
Share