Tag: Census 2027

  • Census 2027: ২৫ জানুয়ারি থেকে বাড়ি বাড়ি গিয়ে জনসংখ্যা গণনা, থাকছে জাতিগত পরিচয়ের তথ্যও

    Census 2027: ২৫ জানুয়ারি থেকে বাড়ি বাড়ি গিয়ে জনসংখ্যা গণনা, থাকছে জাতিগত পরিচয়ের তথ্যও

    মাধ্যম নিউজ ডেস্ক: দেশের প্রথম ডিজিটাল জনগণনা বা সেনসাস (Census 2027)-এর চূড়ান্ত পর্যায়ের প্রস্তুতি শুরু হয়ে গেল। আগামী ১০ জানুয়ারি, ২০২৭ থেকে শুরু হবে স্ব-গণনা বা সেল্ফ এনুমারেশন প্রক্রিয়া। এরপর ২৫ জানুয়ারি থেকে ২৮ ফেব্রুয়ারি পর্যন্ত দেশজুড়ে বাড়ি বাড়ি গিয়ে জনসংখ্যা গণনা করবেন সরকারি কর্মীরা। কেন্দ্রীয় স্বরাষ্ট্র মন্ত্রকের জারি করা বিজ্ঞপ্তিতে এই সময়সূচি ঘোষণা করা হয়েছে। এবারের জনগণনায় তফসিলি জাতি (SC) ও তফসিলি উপজাতি (ST)-র পাশাপাশি অন্যান্য জাতিগত পরিচয়ের তথ্যও প্রথমবারের মতো সংগ্রহ করা হবে।

    কী কী প্রশ্নের উত্তর দিতে হবে

    মোট ৪০টি প্রশ্নের একটি প্রশ্নপত্রের মাধ্যমে তথ্য সংগ্রহ করা হবে। এর মধ্যে ১৩টি নতুন প্রশ্ন যুক্ত হয়েছে। জাতি, ধর্ম, জাতীয়তা, ডিজিটাল সাক্ষরতা, ব্যাঙ্কিং সংক্রান্ত তথ্য এবং ব্যক্তিগত পরিচয়পত্রের মতো বিষয়গুলি উঠে আসবে এই প্রশ্নপত্রে। পাশাপাশি জানতে চাওয়া হবে বাবা ও মায়ের জন্মস্থান ও জন্মতারিখ, স্বামী বা স্ত্রীর নাম, স্থায়ী ঠিকানা, কোভিড টিকাকরণের স্থান, পাসপোর্ট নম্বর এবং ড্রাইভিং লাইসেন্স রয়েছে কি না, সেই তথ্যও। এছাড়াও, উত্তরদাতাদের কাছে মোবাইল নম্বর, আধার নম্বর এবং ভোটার কার্ডের নম্বর চাওয়া হতে পারে, যদি সেগুলি তাঁদের কাছে থাকে।

    ভোটমুখী রাজ্যে আগে শুরু প্রক্রিয়া

    চারটি ভোটমুখী রাজ্য—উত্তরপ্রদেশ, গোয়া, উত্তরাখণ্ড ও পাঞ্জাবে এই প্রক্রিয়া কিছুটা আগেই শুরু হবে। ওই রাজ্যগুলিতে ২০২৬ সালের ১৬ নভেম্বর থেকে ২০২৭ সালের ৫ জানুয়ারি পর্যন্ত চলবে স্ব-গণনার সুযোগ। এরপর ১ ডিসেম্বর থেকেই শুরু হবে বাড়ি বাড়ি গিয়ে জনসংখ্যা গণনা। অন্যদিকে, দেশের বাকি অংশে ১০ জানুয়ারি থেকে ২৪ জানুয়ারি পর্যন্ত চলবে স্ব-গণনা। এরপর ২৫ জানুয়ারি থেকে ২৮ ফেব্রুয়ারি পর্যন্ত মূল জনসংখ্যা গণনার কাজ হবে। ১ থেকে ৫ মার্চ পর্যন্ত চলবে সংশোধনী বা পুনরীক্ষণ পর্ব। কেন্দ্রীয় স্বরাষ্ট্র মন্ত্রকের বিজ্ঞপ্তিতে ২০২৭ সালের ১ মার্চ মধ্যরাতকে জনগণনার নির্ধারিত রেফারেন্স তারিখ হিসেবে ধার্য করা হয়েছে। ১৯৪৮ সালের জনগণনা আইন এবং ১৯৯০ সালের জনগণনা বিধির সংশ্লিষ্ট ধারার ভিত্তিতে এই বিজ্ঞপ্তি জারি করা হয়েছে।

    কয়েকটি জায়গায় চলছে কাজ

    ইতিমধ্যেই লাদাখ এবং জম্মু-কাশ্মীর, হিমাচল প্রদেশ ও উত্তরাখণ্ডের তুষারাবৃত দুর্গম এলাকাগুলিতে গত ৩০ সেপ্টেম্বর জনসংখ্যা গণনার কাজ শেষ হয়েছে। তবে হিংসা কবলিত মণিপুরে আপাতত অনির্দিষ্টকালের জন্য এই প্রক্রিয়া স্থগিত রাখা হয়েছে। উল্লেখ্য, ২০২৬ সালের ১ এপ্রিল থেকে প্রথম পর্যায়ের হাউস লিস্টিং অপারেশনস (HLO) বা বাড়ির তালিকাভুক্তির কাজ শুরু হয়েছিল। মণিপুর বাদে দেশের সর্বত্র ৩০ সেপ্টেম্বরের মধ্যে সেই কাজ সম্পন্ন হয়েছে। এর আগে ২০২৫ সালের ১৬ জুন ২০২৭ সালের জনগণনা সংক্রান্ত প্রথম বিজ্ঞপ্তি জারি করেছিল কেন্দ্র। এবার চূড়ান্ত পর্যায়ের সময়সূচিও আনুষ্ঠানিকভাবে ঘোষণা করা হল।

  • Digital Census: দেশে প্রথমবার ডিজিটাল জনগণনা! শনিবার শুরু হচ্ছে রাজ্যে, কীভাবে করবেন ‘সেলফ এনুমারেশন’?

    Digital Census: দেশে প্রথমবার ডিজিটাল জনগণনা! শনিবার শুরু হচ্ছে রাজ্যে, কীভাবে করবেন ‘সেলফ এনুমারেশন’?

    মাধ্যম নিউজ ডেস্ক: ডিজিটাল পদ্ধতিতে প্রথম বার জনগণনা শুরু হচ্ছে ভারতে। শনিবার জনগণনার (Census) প্রথম ধাপ শুরু হবে পশ্চিমবঙ্গে (West Bengal Census)। রয়েছে সেল্‌ফ এনুমারেশন বা স্ব-শুমারি প্রক্রিয়া (Digital Census), যাতে নিজেদের তথ্য নিজেরাই নথিবদ্ধ করতে পারবেন নাগরিকেরা। আগামী ১ থেকে ১৫ অগস্ট পর্যন্ত প্রথম ১৫ দিন স্ব-শুমারির জন্য নির্দিষ্ট করেছে সরকার। এই সময়ের মধ্যে নাগরিকেরা অনলাইনে তথ্য জমা দেওয়ার সুযোগ পাবেন। সে জন্য তাঁদের জনগণনা সম্পর্কিত পোর্টাল https://se.census.gov.in-এ লগ ইন করতে হবে প্রথমে। জনগণনার প্রয়োজনীয় যাবতীয় তথ্য সেখানেই পূরণ করা যাবে।

    কী ভাবে, কোথায় তথ্য নথিভুক্ত করবেন

    সংশ্লিষ্ট পোর্টালে লগ ইনের পর দেখা যাবে রাজ্য বা কেন্দ্রশাসিত অঞ্চলের বিকল্প। যিনি যে রাজ্যের বাসিন্দা, তাঁকে সেই রাজ্য ‘সিলেক্ট’ করতে হবে। তার পর দিতে হবে ক্যাপচা (বিশেষ নিরাপত্তাব্যবস্থা, যা ব্যবহারকারী আসলে মানুষ, না কোনও ক্ষতিকর কম্পিউটার বট, তা যাচাই করতে ব্যবহৃত হয়)। পরের ধাপে বাড়ির কর্তা বা কর্ত্রীর নাম প্রদান করতে হবে। পাশেই থাকবে মোবাইল নম্বর এবং ইমেল আইডি দেওয়ার জায়গা। এটি ঐচ্ছিক। তৃতীয় ধাপে থাকছে ভাষা পছন্দের বিষয়। তাতে ‘ক্লিক’ করার পর ওটিপি (ওয়ান টাইম পাসওয়ার্ড) যাবে রেজিস্টার্ড মোবাইল নম্বরে। চতুর্থ ধাপে দিতে হবে জেলা, পিন নম্বর, গ্রাম/শহর/এলাকার নাম। ওই ধাপ সম্পূর্ণ হলে একটি মানচিত্র দেখাবে। যা থেকে নিজের বাড়ির অবস্থান দেখাতে পারবেন নাগরিক। ষষ্ঠ ধাপে হাউসলিস্টিংয়ের তথ্য চাওয়া হবে। এই ঘর ও তার ব্যবহার সংক্রান্ত ৩৩টি প্রশ্নের সঠিক উত্তর জমা দিতে হবে। ৩৩টি প্রশ্নের মাধ্যমে সংগৃহীত তথ্যের মধ্যে রয়েছে, বাড়ির ধরন; মেঝে ও দেয়ালে ব্যবহৃত উপকরণ, ঘরের সংখ্যা, মালিকানাধীন বা ভাড়া এবং বাড়ির অবস্থা, বাসিন্দার সংখ্যা, পানীয় জল ও বিদ্যুতের উৎস। প্রদত্ত তথ্য খুঁটিয়ে দেখে নিন, প্রয়োজনে সংশোধন করুন এবং তথ্য সেভ করে রাখুন। যদি কোনও পরিবর্তনের প্রয়োজন না থাকে, তবে নির্ধারিত সময়সীমার আগে তথ্য জমা দিন।সেটি দেওয়ার পর আসবে ‘প্রিভিউ স্ক্রিন’। সব তথ্য ঠিকঠাক দিয়েছেন কি না, মিলিয়ে দেখে নিতে হবে। এর পর শেষ ধাপ— ‘ফাইনাল সাবমিট’। সেখানে ক্লিক করলে এগারো অঙ্কের একটি স্বতন্ত্র নম্বর বা ‘এসই* আইডি’ চলে যাবে সংশ্লিষ্ট মোবাইল নম্বর বা ইমেলে। জনগণনার দায়িত্বে থাকা সরকারি আধিকারিকেরা যখন বাড়িতে যাবেন, ওই নম্বরটি তাঁদের দেখাতে হবে। তথ্য যাচাই করার পর নির্দিষ্ট সার্ভারে আপলোড করা হবে।

    ৩০ লক্ষেরও বেশি কর্মী জড়িত

    অনলাইন স্ব-গণনা পর্ব শেষ হওয়ার পর, ১৬ আগস্ট থেকে ৩০ আগস্ট পর্যন্ত সরাসরি বাড়ি বাড়ি গিয়ে গণনা করা হবে। এই সময়, অবশ্যই অনলাইনে স্ব-গণনা সম্পন্ন করার সময় প্রাপ্ত ১১ সংখ্যার নম্বরটি দেখাতে হবে। অনলাইনে সেল্ফ এনুমারেশন না করলেও, বাড়িতে আসা গণনাকারীর কাছে বিবরণ নথিভুক্ত করা যাবে। ১১ সংখ্যার নম্বরটি হারিয়ে ফেললেও চিন্তা নেই। গণনাকারীরা তা খুঁজে নিয়ে জনগণনার কাজ করতে পারবেন। গণনাকারীদের রিয়েল-টাইম ট্র্যাকিং এবং তথ্য সংগ্রহের জন্য স্মার্টফোন এবং বিশেষ মোবাইল অ্যাপ ব্যবহার করা বাধ্যতামূলক। এই বিশাল দেশব্যাপী প্রকল্পে ৩০ লক্ষেরও বেশি কর্মী জড়িত এবং এর আনুমানিক ব্যয় ১১,৭১৮ কোটি টাকা।

    জনগণনা দু’টি পর্যায়ে পরিচালিত হবে

    এ বারের জনগণনা (Digital Census) দু’টি পর্যায়ে পরিচালিত হবে। প্রথম পর্যায়ে বাড়ি তালিকাভুক্তি ও গৃহগণনা হবে। যেখানে বাড়ির অবস্থা, পরিবারের বৈশিষ্ট্য, পানীয় জল, শৌচাগার, বিদ্যুৎ, রান্নার জ্বালানি, ইন্টারনেট সংযোগের মতো পরিষেবা সংক্রান্ত বিস্তারিত তথ্য সংগ্রহ করা হবে। রেডিয়ো, টেলিভিশন, কম্পিউটার, দুই এবং চার চাকার গাড়ির মতো সম্পদের তথ্যও নেওয়া হবে। ১৬ অগস্ট থেকে ১৪ সেপ্টেম্বর পর্যন্ত চলবে ওই পর্ব। এই সময়ের মধ্যেই বাড়ি তালিকাভুক্তি ও গৃহগণনার কাজ সম্পূর্ণ করার লক্ষ্যমাত্রা নিয়েছে প্রশাসন। তার পর আগামী বছরের ফেব্রুয়ারি মাসে অনুষ্ঠিত হবে জনগণনার দ্বিতীয় পর্যায়। তাতে প্রত্যেক পরিবারের সদস্যদের নাম, বয়স, লিঙ্গ, জাতি ও ধর্ম সংক্রান্ত বিস্তারিত তথ্য সংগ্রহ করে প্রকৃত জনসংখ্যা গণনা করা হবে।

    প্রধানমন্ত্রী মোদির শাসনে এই প্রথম জনগণনা

    ২০১১ সালে শেষবার জনগণনা হয়েছিল দেশে। সাধারণত ১০ বছর অন্তর এই প্রক্রিয়া সম্পন্ন হয়। সেই হিসেবে ২০২১ সালে জনগণনা হওয়ার কথা ছিল। কিন্তু সেই সময়ে কোভিড অতিমারীর প্রকোপ থাকায় কা‌শ্মীর থেকে কন্যাকুমারী, কচ্ছ থেকে কোহিমা এই বিপুল ভারতে জনগণনার মতো কর্মযজ্ঞ করা যায়নি। প্রধানমন্ত্রী মোদির শাসনে এই প্রথম জনগণনা হতে চলেছে দেশে। প্রসঙ্গত, ২০২৭ সালের জনগণনার প্রস্তুতি হিসাবে কলকাতা শহরকে মোট ৮,১১২টি ব্লকে ভাগ করা হয়েছে। প্রতিটি ব্লকে গড়ে প্রায় ৭০০ থেকে ৮০০ জন বাসিন্দা থাকছেন। গণনার কাজ সুষ্ঠু ও নির্ভুল ভাবে যাতে সম্পন্ন করা যায়, তার সমস্ত রকম উদ্যোগ এবং ব্যবস্থা গ্রহণ করা হয়েছে।

     

     

     

     

  • Census 2027: বঙ্গে শুরু হচ্ছে জনগণনার কাজ, নিয়োগ করা হচ্ছে আধিকারিকদের

    Census 2027: বঙ্গে শুরু হচ্ছে জনগণনার কাজ, নিয়োগ করা হচ্ছে আধিকারিকদের

    মাধ্যম নিউজ ডেস্ক: দেশজুড়ে শুরু হচ্ছে জনগণনার কাজ। পালাবদলের পর এ রাজ্যেও (West Bengal) শুরু হচ্ছে জনগণনা (Census 2027)। ১৮ মে রাজ্যপালের অনুমোদন পাওয়ার পরে রাজ‍্যের স্বরাষ্ট্র দফতরের তরফে জারি করা হয়েছে গেজেট নোটিফিকেশন। জানা গিয়েছে, দেশে জনগণনা ২০২৭ পরিচালনার জন্য পশ্চিমবঙ্গ সরকার বিভিন্ন স্তরের প্রশাসনিক কর্তাদের জনগণনা আধিকারিক হিসেবে নিয়োগ করেছে। বিভাগীয় কমিশনার, জেলাশাসক, অতিরিক্ত জেলাশাসক, মহকুমা শাসক, বিডিও-সহ একাধিক আধিকারিককে দায়িত্ব দেওয়া হয়েছে।

    জনগণনার কাজে বাধা দিলে কড়া শাস্তি (Census 2027)

    সংশ্লিষ্ট কর্তারা তাঁদের নিজ নিজ এলাকায় জনগণনার কাজ পরিচালনা ও তদারকি করবেন। স্বরাষ্ট্রদফতর সূত্রে খবর, জনগণনা সংক্রান্ত অন্যান্য আধিকারিক নিয়োগের ক্ষমতাও তাঁদের দেওয়া হয়েছে। জনগণনার কাজে বাধা দিলে বা ঠিকঠাক দায়িত্ব পালন না করলে ১৯৪৮ সালের জনগণনা আইনের ১১ নম্বর ধারা অনুযায়ী ব্যবস্থা নেওয়া হবে। অপরাধ প্রমাণিত হলে ১,০০০ টাকা পর্যন্ত জরিমানা এবং গুরুতর অপরাধের ক্ষেত্রে ৩ বছর পর্যন্ত কারাদণ্ড হতে পারে। প্রতি ১০ বছর অন্তর জনগণনা হয়। সেই মতো জনগণনা হওয়ার কথা ছিল ২০২০ সালে। কিন্তু করোনা অতিমারির কারণে সেবার জনগণনা হয়নি। তারপর লোকসভা নির্বাচন-সহ নানা কারণে এতদিন হয়নি এই গুরুত্বপর্ণ কাজটি। শেষমেশ হচ্ছে শুরু। এবারই প্রথম ডিজিটাল জনগণনা হতে চলেছে। জনগণনার জন্য বাজেট বরাদ্দ করা হয়েছে ১১ হাজার ৭১৮ কোটি টাকা (Census 2027)।

    জনগণনা হবে দুই পর্যায়ে

    ২০২৭ সালের এই জনগণনা হবে দুই পর্যায়ে। প্রথম পর্যায়ের কাজ শেষ করার লক্ষ্যমাত্রা ধার্য করা হয়েছে ৩০ সেপ্টেম্বর। এবার জনগণনায় নাগরিকরা নিজেরাই তাঁদের নথিভুক্তকরণের সুযোগ পাবেন। ডিজিটাল পদ্ধতিতে নিজের নাম নথিভুক্ত করতে পারবেন। জনগণনায় নথিভুক্ত করার জন্য পরিবারের বিস্তারিত তথ্যের পাশাপাশি বাড়ি ও সম্পত্তির তথ্যও উল্লেখ করতে হবে। এরপর জনগণনার আধিকারিকরা প্রত্যেকের বাড়িতে গিয়ে সেই তথ্য যাচাই করবেন। এরপর আর আবেদনপত্রে কোনও পরিবর্তন করা যাবে না, লক হয়ে যাবে। স্বরাষ্ট্র ও পার্বত্য বিষয়ক দফতরের জারি করা বিজ্ঞপ্তিতে জানানো হয়েছে, ডিভিশনাল কমিশনারদের ডিভিশনাল সেনসাস অফিসার, জেলাশাসকদের প্রিন্সিপাল সেনসাস অফিসার এবং অতিরিক্ত জেলাশাসকদের ডিস্ট্রিক্ট সেনসাস অফিসার হিসেবে নিয়োগ করা হয়েছে।

    কাদের দেওয়া হল দায়িত্ব

    অতিরিক্ত জেলা জনগণনা আধিকারিক হিসেবে দায়িত্ব দেওয়া হয়েছে ডিস্ট্রিক্ট প্ল্যানিং অফিসার, ডিস্ট্রিক্ট স্ট্যাটিসটিক্যাল অফিসার, জেলা ইনফরমেটিক্স অফিসার এবং জেলা শিক্ষা আধিকারিকদের। সাব-ডিভিশনাল সেনসাস অফিসার হিসেবে কাজ করবেন মহকুমা শাসক ও মহকুমা ম্যাজিস্ট্রেটরা। সেনসাস অফিসার হিসেবে নিয়োগ করা হয়েছে বিডিওদের। শহরাঞ্চলের জনগণনার জন্য নিয়োগ করা হচ্ছে পুরসভা স্তরের আধিকারিকদের। মিউনিসিপ্যাল কমিশনারদের প্রিন্সিপাল সেনসাস অফিসার এবং পুরসভা-স্ট্যাটিউটরি টাউনের এক্সিকিউটিভ অফিসার, প্রশাসক ও সচিবদের টাউন সেনসাস অফিসার করা হয়েছে। বিজ্ঞপ্তিতে বলা হয়েছে, এই সব আধিকারিকরা নির্ধারিত এলাকায় ভারতের জনগণনা ২০২৭ পরিচালনা, সাহায্য বা তদারকি করবেন (West Bengal)। এটাই তাঁদের প্রধান দায়িত্ব। এই আধিকারিকদের নিজেদের এলাকায় আরও জনগণনা আধিকারিক নিয়োগের ক্ষমতাও দেওয়া হয়েছে (Census 2027)।

     

  • Census-2027: দেশজুড়ে জনগনণায় চারটি ডিজিটাল প্ল্যাটফর্ম, এজ জোড়া ম্যাসকট চালু করলেন অমিত শাহ

    Census-2027: দেশজুড়ে জনগনণায় চারটি ডিজিটাল প্ল্যাটফর্ম, এজ জোড়া ম্যাসকট চালু করলেন অমিত শাহ

    মাধ্যম নিউজ ডেস্ক: কেন্দ্রীয় স্বরাষ্ট্র ও সমবায় মন্ত্রী শ্রী অমিত শাহ (Amit Shah) আজ নতুন দিল্লিতে ২০২৭ সালের জনগণনার (Census-2027) প্রস্তুতির অংশ হিসেবে চারটি ডিজিটাল টুল বা প্ল্যাটফর্ম চালু করেছেন। একইসঙ্গে, এই জনগণনার অফিশিয়াল ম্যাসকট—‘প্রগতি’ (নারী) এবং ‘বিকাশ’ (পুরুষ) উন্মোচন করেছেন। ভারতের ইতিহাসে এটিই হতে চলেছে প্রথম সম্পূর্ণ ডিজিটাল জনগণনা। ভারতের মতো দেশে এই অত্যাধুনিক পদ্ধতি সত্যই অভিনব। অমিত শাহ বলেন, “প্রযুক্তির এই ব্যবহার ২০৪৭ সালের ‘বিকশিত ভারত’ গড়ার লক্ষ্যে এক গুরুত্বপূর্ণ পদক্ষেপ।”

    ম্যাসকট ‘প্রগতি’ ও ‘বিকাশ’ (Census-2027)

    ২০২৭ সালের জনগণনার (Census-2027) বন্ধুত্বপূর্ণ ও পরিচিত মুখ হিসেবে ‘প্রগতি’ (মহিলা গণনাকারী) এবং ‘বিকাশ’ (পুরুষ গণনাকারী) ম্যাসকট দুটিকে সামনে আনা হয়েছে। এই ম্যাসকটগুলি ২০৪৭ সালের মধ্যে ভারতকে একটি উন্নত রাষ্ট্রে পরিণত করার সংকল্পে নারী ও পুরুষের সমান অংশগ্রহণের প্রতীক হিসেবে বিশেষ ভূমিকা পালন করবে। এই ম্যাসকটগুলোর মাধ্যমে সমাজের বিভিন্ন স্তরে জনগণনার উদ্দেশ্য এবং গুরুত্ব সম্পর্কে নাগরিকদের বান্ধব হিসেবে প্রচারের কাজ করবে।

    চারটি ডিজিটাল প্ল্যাটফর্ম

    সেন্টার ফর ডেভেলপমেন্ট অফ অ্যাডভান্সড কম্পিউটিং (C-DAC)-এর সহযোগিতায় তৈরি এই ডিজিটাল প্ল্যাটফর্মগুলি দেশের জনগণনা (Census-2027) প্রক্রিয়াকে আরও সহজ ও নির্ভুল করবে। প্ল্যাটফর্মগুলি হল-

    হাউজলিস্টিং ব্লক ক্রিয়েটর (HLBC)

    স্যাটেলাইট ইমেজের মাধ্যমে ডিজিটাল মানচিত্র তৈরি করে এলাকা নির্ধারণের জন্য এটি ব্যবহার করা হবে।

    এইচএলও (HLO) মোবাইল অ্যাপ

    গণনাকারীদের জন্য একটি সুরক্ষিত অফলাইন মোবাইল অ্যাপ, যার মাধ্যমে হাতে-কলমে কাগজের কাজ ছাড়াই সরাসরি তথ্য সংগ্রহ ও আপলোড করা যাবে। এটি ১৬টি আঞ্চলিক ভাষায় কাজ করবে।

    সেলফ-এনিউমারেশন (SE) পোর্টাল

    প্রথমবারের মতো নাগরিকদের জন্য ‘স্ব-গণনা’র সুবিধা (Census-2027) দেওয়া হচ্ছে। এই পোর্টালে নাগরিকরা নিজেরাই তাদের পরিবারের তথ্য অনলাইনে জমা দিতে পারবেন। তথ্য জমা দেওয়ার পর একটি অনন্য আইডি (SE ID) তৈরি হবে, যা পরে গণনাকারীকে দেখালে তিনি তথ্য যাচাই করে নেবেন।

    সেনসাস ম্যানেজমেন্ট অ্যান্ড মনিটরিং সিস্টেম (CMMS)

    এই কেন্দ্রীয় পোর্টালটি পুরো জনগণনা প্রক্রিয়া পরিকল্পনা, পরিচালনা এবং রিয়েল-টাইমে পর্যবেক্ষণের জন্য ব্যবহার করা হবে।

    জনগণনার সময়সূচী

    ২০২৭ সালের এই জনগণনা দুটি পর্যায়ে সম্পন্ন হবে:

    • প্রথম পর্যায় (এপ্রিল – সেপ্টেম্বর ২০২৬): এই পর্যায়ে ঘরবাড়ি তালিকাভুক্তকরণ এবং আবাসন সংক্রান্ত তথ্য সংগ্রহ করা হবে।
    • দ্বিতীয় পর্যায় (ফেব্রুয়ারি ২০২৭): এই পর্যায়ে জনসংখ্যা গণনা (Census-2027) করা হবে। তবে লাদাখ এবং জম্মু-কাশ্মীর, হিমাচল প্রদেশ ও উত্তরাখণ্ডের তুষারবৃত দুর্গম এলাকাগুলোতে ২০২৬ সালের সেপ্টেম্বর মাসেই এই গণনা সম্পন্ন হবে।

    ডিজিটাল পদ্ধতির সুবিধা গুলি কি কি?

    • ● এটি হবে বিশ্বের বৃহত্তম ডিজিটাল জনগণনা কার্যক্রম।
    • ● এতে প্রায় ৩০ লক্ষেরও বেশি গণনাকারী এবং আধিকারিক নিযুক্ত থাকবেন।
    • ● তথ্য সংগ্রহের ক্ষেত্রে ১৬টি ভাষা ব্যবহারের সুবিধা থাকবে।
    • ● এবারের জনগণনায় জাতিগত তথ্যও (Caste data) সংগ্রহ করা হতে পারে বলে জানানো হয়েছে।

    অনুষ্ঠানে কেন্দ্রীয় স্বরাষ্ট্র সচিব এবং ভারতের রেজিস্ট্রার জেনারেল ও সেনসাস কমিশনারসহ সরকারের উর্ধ্বতন কর্মকর্তারা উপস্থিত ছিলেন। দেশ জুড়ে জনগণনায় এই ডিজিটাল প্ল্যাটফর্ম বিশেষভাবে কার্যকর হবে বলে আশা প্রকাশও করা হয়েছে।

  • Census 2027: এবার জনগণনা হবে ডিজিটালি, কী সুবিধা হবে জানেন?

    Census 2027: এবার জনগণনা হবে ডিজিটালি, কী সুবিধা হবে জানেন?

    মাধ্যম নিউজ ডেস্ক: জনগণনা ২০২৭ (Census 2027) হবে সম্পূর্ণরূপে একটি ডিজিটাল কাঠামোর ওপর, যা ভারতের জনসংখ্যা সংক্রান্ত তথ্য সংগ্রহ, প্রক্রিয়াকরণ ও নজরদারির পদ্ধতিতে এক বড় (National Coding System) রূপান্তরের ইঙ্গিত দিচ্ছে। ভারতের রেজিস্ট্রার জেনারেল ও সেনসাস কমিশনারের তরফে জারি করা সরকারি সার্কুলার অনুযায়ী, এই জনগণনায় মাঠপর্যায়ের কাজ ও তদারকি সহজ করতে মোবাইল প্ল্যাটফর্ম, কেন্দ্রীভূত ওয়েব পোর্টাল এবং রিয়েল-টাইম ডেটা ট্রান্সমিশনের ওপর নির্ভর করা হবে।

    ডিজিটালি পরিচালনার জন্য নকশা (Census 2027)

    নথিগুলিতে স্পষ্ট করা হয়েছে যে জনগণনা ২০২৭, আগের জনগণনাগুলির কেবল ডিজিটাল সংস্করণ নয়, বরং এটি এমন একটি ব্যবস্থা, যা শুরু থেকেই ডিজিটালি পরিচালনার জন্য নকশা করা হয়েছে। এই ব্যবস্থায় তথ্যসংগ্রহ, প্রশিক্ষণ, ভৌগোলিক তথ্য ও নজরদারিকে একীভূত করে একটি একক জাতীয় কাঠামোর আওতায় আনা হয়েছে। সার্কুলার অনুযায়ী, তথ্য সংগ্রহ করা হবে তথ্যসংগ্রাহকদের ব্যবহৃত মোবাইল অ্যাপ্লিকেশনের মাধ্যমে। এর পাশাপাশি নাগরিকদের জন্য স্ব-তথ্য প্রদানের ব্যবস্থাও থাকবে। পুরো প্রক্রিয়াটি পরিচালিত হবে সেনসাস ম্যানেজমেন্ট অ্যান্ড মনিটরিং সিস্টেম (CMMS) এবং হাউজিং লিস্টিং ব্লক ক্রিয়েশন (HLBC) ওয়েব পোর্টালের মাধ্যমে। এই ডিজিটাল প্ল্যাটফর্মগুলির সাহায্যে রিয়েল-টাইমে তথ্য পাঠানো, মাঠপর্যায়ের অগ্রগতি সরাসরি পর্যবেক্ষণ এবং জেলা, রাজ্য ও জাতীয় স্তরে কেন্দ্রীভূত তদারকি সম্ভব হবে। আধিকারিকদের মতে, এই কাঠামোর লক্ষ্যই হল, কাজের সময় কমানো, ত্রুটি হ্রাস করা এবং পুরো জনগণনা প্রক্রিয়ায় জবাবদিহি বাড়ানো।

    ডিজিটাল রোলআউট

    ডিজিটাল রোলআউটের পাশাপাশি, দেশজুড়ে প্রতিটি প্রশাসনিক ও আবাসিক একককে একরূপভাবে শনাক্ত করার জন্য একটি নতুন জাতীয় অবস্থান-কোডিং কাঠামোও চূড়ান্ত করা হয়েছে (National Coding System)। এই কোডিং ব্যবস্থায় প্রতিটি এলাকাকে একটি সহজ কিন্তু স্বতন্ত্র সংখ্যাসূচক পরিচিতি নম্বর দেওয়া হবে, যা তথ্য প্রক্রিয়াকরণ ও বিশ্লেষণের সময় মূল রেফারেন্স হিসেবে ব্যবহৃত হবে। এই কাঠামো অনুযায়ী, শনাক্তকারী কোডগুলি স্তরভিত্তিকভাবে নির্ধারিত হবে—রাজ্য ও জেলা থেকে শুরু করে শহর, গ্রাম, ওয়ার্ড এবং তথ্যসংগ্রহ ব্লক পর্যন্ত—যার ফলে ডিজিটাল ম্যাপিং ও তথ্যের সমন্বয় সহজ হবে (Census 2027)। সার্কুলার অনুযায়ী, শহুরে ওয়ার্ডগুলিকে “০০০১” থেকে ধারাবাহিক নম্বর দেওয়া হবে। আইনসম্মত শহরের সঙ্গে সংযুক্ত আউটগ্রোথ বা সংলগ্ন বসতিগুলিকে তাদের মূল নগর এককের সঙ্গে সংযুক্ত ক্রমান্বিত কোড দেওয়া হবে।

    ডেটাবেসে শ্রেণিবিন্যাসের স্পষ্টতা ও পুনরাবৃত্তি এড়াতে

    সামঞ্জস্য বজায় রাখতে, ২০১১ সালের জনগণনায় থাকা প্রশাসনিক এককগুলির পূর্ববর্তী শনাক্তকারী কোড অপরিবর্তিত থাকবে। নতুনভাবে গঠিত জেলা, রাজ্য ও স্থানীয় সংস্থাগুলিকে একটি কেন্দ্রীভূত জুরিসডিকশন পোর্টালের মাধ্যমে তৈরি সংক্ষিপ্ত ক্রমান্বিত কোড বরাদ্দ করা হবে। জাতীয় ডেটাবেসে শ্রেণিবিন্যাসের স্পষ্টতা ও পুনরাবৃত্তি এড়াতে গ্রাম, বনগ্রাম, আইনসম্মত শহর ও সেনসাস টাউনের জন্য পৃথক সংখ্যাসূচক পরিসর নির্ধারণ করা হয়েছে (Census 2027)। গণনা সংক্রান্ত সার্কুলারগুলিতে একটি বিস্তৃত ও মানসম্মত প্রশিক্ষণ কাঠামোর কথাও বলা হয়েছে, যার লক্ষ্য একটি ডিজিটালি দক্ষ কর্মীবাহিনী তৈরি করা। এই প্রশিক্ষণ হবে ‘ক্যাসকেড মডেলে’, যেখানে জাতীয় স্তরের প্রশিক্ষকরা মাস্টার ট্রেনারদের প্রশিক্ষণ দেবেন, এবং মাস্টার ট্রেনারেরা মাঠপর্যায়ের প্রশিক্ষকদের মাধ্যমে তথ্যসংগ্রাহক ও সুপারভাইজারদের প্রশিক্ষণ দেবেন।

    বিশ্বাসযোগ্য জনগণনা

    নির্দেশিকা অনুযায়ী, লক্ষ্য হল এমন একটি উচ্চদক্ষ ও অনুপ্রাণিত কর্মীবাহিনী গড়ে তোলা, যারা নির্বিঘ্ন, নির্ভুল ও বিশ্বাসযোগ্য জনগণনা সম্পন্ন করতে পারবে। এতে ডিজিটাল সরঞ্জাম, তথ্যের অখণ্ডতা এবং অন্তর্ভুক্তিমূলক অনুশীলনের ওপর বিশেষ জোর দেওয়া হয়েছে (Census 2027)। হাউস লিস্টিং ও হাউজিং পর্যায়কে জনগণনা ২০২৭-এর ভিত্তি হিসেবে চিহ্নিত করা হয়েছে। সার্কুলারে জোর দিয়ে বলা হয়েছে, মাঠপর্যায়ের সকল স্তরের কর্মীদের মধ্যে জনগণনার ধারণা, সংজ্ঞা ও প্রশ্নাবলি সম্পর্কে স্পষ্ট ও অভিন্ন বোঝাপড়া থাকা জরুরি।তথ্যসংগ্রাহক ও সুপারভাইজারদের সংবেদনশীল ব্যক্তিগত তথ্য পেশাদারিত্ব ও ‘সেবা ভাব’ নিয়ে পরিচালনা করার নির্দেশও দেওয়া হয়েছে। এতে নৈতিক আচরণ ও জনআস্থাকে জনগণনার মূল নীতির অংশ হিসেবে তুলে ধরা হয়েছে। প্রশিক্ষণ সংক্রান্ত সার্কুলারে বিস্তারিত সময়সূচি ও পরিকাঠামোগত (National Coding System) প্রয়োজনীয়তার কথাও উল্লেখ রয়েছে। দেশজুড়ে প্রশিক্ষণ কার্যক্রম নির্ধারিত হয়েছে এপ্রিল থেকে সেপ্টেম্বর ২০২৬ এর মধ্যে। মাঠপর্যায়ের কাজ শুরু হওয়ার অন্তত এক সপ্তাহ আগে সব তথ্যসংগ্রাহক ও সুপারভাইজারের প্রশিক্ষণ সম্পন্ন করতে হবে (Census 2027)।

    প্রশিক্ষণস্থলের সুবিধা

    ব্যাচের আকার, শ্রেণিকক্ষের সময়কাল এবং প্রশিক্ষণস্থলের সুবিধা—যেমন বিদ্যুৎ সরবরাহ, ইন্টারনেট সংযোগ ও অডিও-ভিজুয়াল সরঞ্জাম—সব কিছুই মানসম্মত করা হয়েছে, যাতে সব রাজ্যে প্রশিক্ষণের গুণগত মান একরূপ থাকে। প্রশিক্ষণে উপস্থিতি, অগ্রগতি ও কর্মদক্ষতা ডিজিটালভাবে সিএমএমএস পোর্টালের মাধ্যমে নজরদারি করা হবে। ফলে প্রশিক্ষণ প্রক্রিয়াটিও জনগণনা ২০২৭-এর রিয়েল-টাইম মনিটরিং ব্যবস্থার অংশ হয়ে উঠবে (National Coding System)।

     

  • Census 2027: ২০২৭ সালের জনগণনায় ১১ হাজার কোটি টাকা বরাদ্দ মোদি মন্ত্রিসভার

    Census 2027: ২০২৭ সালের জনগণনায় ১১ হাজার কোটি টাকা বরাদ্দ মোদি মন্ত্রিসভার

    মাধ্যম নিউজ ডেস্ক: ২০২৭ সালের জনগণনায় (Census 2027) ১১ হাজার কোটি টাকা বরাদ্দ করল কেন্দ্রীয় মন্ত্রিসভা। শুক্রবার রেলমন্ত্রী (Union Cabinet) অশ্বিনী বৈষ্ণব একটি সাংবাদিক সম্মেলন করে জানিয়াছেন, দেশে মোট দুটি দফায় জন গণনা হবে। সমগ্র প্রক্রিয়া হবে অনলাইনে এবং এই জনগণনার সঙ্গে জাতিগণনাও যুক্ত করা হবে। সর্ব শেষ জনগণনা হয়েছিল ২০১১ সালে। কিন্তু ২০১৯ সালে করোনা অতিমারির কারণে এনপিআর-এর কাজ বন্ধ হয়ে গিয়েছিল। এইবার সেই কাজে ফের আরেকবার গণনা শুরু হবে।

    প্রথম পর্যায়ে বাসস্থান ও সম্পত্তি গণনা হবে (Census 2027)

    কেন্দ্রীয় মন্ত্রী (Union Cabinet) অশ্বিনী বৈষ্ণব বলেন, “শেষ বার দেশে জনগণনা (Census 2027) হয়েছিল ২০১১ সালে। তারপর ২০২১ সালে জনগণনা হওয়ার কথা ছিল। কিন্তু বিশ্বজুড়ে কোভিড অতিমারির জন্য এই কাজকে সাময়িক ভাবে স্থগিত করে রাখা হয়। তবে কেন্দ্রীয় সরকারের তরফে আগেই ঘোষণা করে দেওয়া হয়, ২০২৭ সালে জনগণনা করা হবে। শুক্রবার সেই কাজের জন্য অর্থ বরাদ্দ করা হয়। ২০২৭ সালের ১ মার্চ থেকে এই নতুন হিসেব বাস্তবায়ন করা হবে।” রেলমন্ত্রী আরও জানিয়েছেন, “প্রথম পর্যায়ে বাসস্থান ও সম্পত্তি গণনা হবে। বাড়ি, জমি ও সম্পত্তি সংক্রান্ত তথ্য সংগ্রহ করবে সরকার। ২০২৬ সালের এপ্রিল থেকে সেপ্টেম্বর পর্যন্ত বিভিন্ন রাজ্য এবং কেন্দ্র শাসিত অঞ্চলে সেই প্রক্রিয়া চলবে। তবে সরকারের সুবিধামতো এক একজায়গায় ৩০ দিনের মধ্যে জনগণনা করা হবে। এরপর শুরু হব দ্বিতীয় পর্যায়ের জনগণনা। ২০২৭ সালের ফেব্রুয়ারি মাসে এই দ্বিতীয় পর্যায়ের জনগণনা হবে। উল্লেখ্য বেশ কিছু এলাকা যেমন- লাদাখ, হিমাচল, জম্মু-কাশ্মীর ও উত্তরাখণ্ডে অতিরিক্ত ঠাণ্ডা এবং তুষারপাতের জন্য ২০২৬ সালের সেপ্টেম্বর মাসেই গণনা সম্পন্ন করা হবে।”

    মোট ৩০ লক্ষ কর্মী নিয়োগ

    কীভাবে এই জনগণনার (Census 2027) কাজ হবে তা নিয়ে ব্যাখ্যা দিয়েছেন কেন্দ্রীয় মন্ত্রী (Union Cabinet) অশ্বিনী বৈষ্ণব। তিনি জানান, ডিজিটাল পদ্ধতিতে জগণনার জন্য বিশেষ অ্যাপ ব্যবহার করা হবে। অ্যাপের মাধ্যমে তথ্য সংগ্রহ করে পোর্টালে আপলোড করতে হবে। আধুনিক অ্যাপ ব্যবহার করে সংস্কারের কাজ করতে হবে। তবে গণনার কাজের সঙ্গে যুক্ত সকল গণনাকারীদের মোবাইলে তথ্য জোগাড় করতে হবে। আবার যদি কেউ খাতায় কলমে তথ্য সংগ্রহ করেন তাহলেও সঙ্গে সঙ্গে তাকে পোর্টালে তুলতে হবে। ফলে তথ্য সময়ে আপডেট থাকলে ভুলের সম্ভাবনা অনেক কম থাকবে। তাই গণনা কাজের প্রাথমিক স্তর থেকেই ডিজিটালাইজ হবে। গণনার তথ্যকে পেতে আর কোনও অসুবিধা হবে না। সারা দেশজুড়ে এই কাজে মোট ৩০ লক্ষ কর্মী নিয়োগ করা হবে।

    কেন প্রয়োজন?

    ভারতবর্ষে বিগত ১৫০ বছর ধরে সেনসাস বা আদম শুমারির কাজ হয়ে আসছে। আগামী ২০২৭ সালে ভারতে ১৬তম আদমশুমারি এবং স্বাধীনতার পর থেকে অষ্টম আদমশুমারি হতে চলেছে। ছোট গ্রাম, শহরাঞ্চল, থেকে ওয়ার্ড লেভেল পর্যন্ত প্রতিটি জায়গায় জনবৈচিত্র্য, শিক্ষা, স্বাস্থ্য, আর্থিক অবস্থা, ইত্যাদি বিষয়গুলি এই জনগণনা বা আদম শুমারির মাধ্যমেই ফুটে উঠবে। সরকারের বাজেট এবং আয় ব্যায়ের হিসেবের জন জনগণনা একান্ত প্রয়োজন। তবে সম্প্রতি ইন্ডিজোটের পক্ষ থেকে দেশজুড়ে জনগণনা এবং জাতি গণনায় আপত্তি করা হয়েছে। তাদের যুক্তি দেশে জতির পরিচয়ে বিশেষ বিশেষ ধর্মের মানুষের মধ্যে বিভেদ বৈষম্য বাড়বে। তবে বিজেপি অবশ্য বিরোধীদের তোষণের রাজনীতিকেই দায়ী করেছে।

LinkedIn
Share