Census 2027: ২৫ জানুয়ারি থেকে বাড়ি বাড়ি গিয়ে জনসংখ্যা গণনা, থাকছে জাতিগত পরিচয়ের তথ্যও

census 2027 door-to-door population count will start on january 25

মাধ্যম নিউজ ডেস্ক: দেশের প্রথম ডিজিটাল জনগণনা বা সেনসাস (Census 2027)-এর চূড়ান্ত পর্যায়ের প্রস্তুতি শুরু হয়ে গেল। আগামী ১০ জানুয়ারি, ২০২৭ থেকে শুরু হবে স্ব-গণনা বা সেল্ফ এনুমারেশন প্রক্রিয়া। এরপর ২৫ জানুয়ারি থেকে ২৮ ফেব্রুয়ারি পর্যন্ত দেশজুড়ে বাড়ি বাড়ি গিয়ে জনসংখ্যা গণনা করবেন সরকারি কর্মীরা। কেন্দ্রীয় স্বরাষ্ট্র মন্ত্রকের জারি করা বিজ্ঞপ্তিতে এই সময়সূচি ঘোষণা করা হয়েছে। এবারের জনগণনায় তফসিলি জাতি (SC) ও তফসিলি উপজাতি (ST)-র পাশাপাশি অন্যান্য জাতিগত পরিচয়ের তথ্যও প্রথমবারের মতো সংগ্রহ করা হবে।

কী কী প্রশ্নের উত্তর দিতে হবে

মোট ৪০টি প্রশ্নের একটি প্রশ্নপত্রের মাধ্যমে তথ্য সংগ্রহ করা হবে। এর মধ্যে ১৩টি নতুন প্রশ্ন যুক্ত হয়েছে। জাতি, ধর্ম, জাতীয়তা, ডিজিটাল সাক্ষরতা, ব্যাঙ্কিং সংক্রান্ত তথ্য এবং ব্যক্তিগত পরিচয়পত্রের মতো বিষয়গুলি উঠে আসবে এই প্রশ্নপত্রে। পাশাপাশি জানতে চাওয়া হবে বাবা ও মায়ের জন্মস্থান ও জন্মতারিখ, স্বামী বা স্ত্রীর নাম, স্থায়ী ঠিকানা, কোভিড টিকাকরণের স্থান, পাসপোর্ট নম্বর এবং ড্রাইভিং লাইসেন্স রয়েছে কি না, সেই তথ্যও। এছাড়াও, উত্তরদাতাদের কাছে মোবাইল নম্বর, আধার নম্বর এবং ভোটার কার্ডের নম্বর চাওয়া হতে পারে, যদি সেগুলি তাঁদের কাছে থাকে।

ভোটমুখী রাজ্যে আগে শুরু প্রক্রিয়া

চারটি ভোটমুখী রাজ্য—উত্তরপ্রদেশ, গোয়া, উত্তরাখণ্ড ও পাঞ্জাবে এই প্রক্রিয়া কিছুটা আগেই শুরু হবে। ওই রাজ্যগুলিতে ২০২৬ সালের ১৬ নভেম্বর থেকে ২০২৭ সালের ৫ জানুয়ারি পর্যন্ত চলবে স্ব-গণনার সুযোগ। এরপর ১ ডিসেম্বর থেকেই শুরু হবে বাড়ি বাড়ি গিয়ে জনসংখ্যা গণনা। অন্যদিকে, দেশের বাকি অংশে ১০ জানুয়ারি থেকে ২৪ জানুয়ারি পর্যন্ত চলবে স্ব-গণনা। এরপর ২৫ জানুয়ারি থেকে ২৮ ফেব্রুয়ারি পর্যন্ত মূল জনসংখ্যা গণনার কাজ হবে। ১ থেকে ৫ মার্চ পর্যন্ত চলবে সংশোধনী বা পুনরীক্ষণ পর্ব। কেন্দ্রীয় স্বরাষ্ট্র মন্ত্রকের বিজ্ঞপ্তিতে ২০২৭ সালের ১ মার্চ মধ্যরাতকে জনগণনার নির্ধারিত রেফারেন্স তারিখ হিসেবে ধার্য করা হয়েছে। ১৯৪৮ সালের জনগণনা আইন এবং ১৯৯০ সালের জনগণনা বিধির সংশ্লিষ্ট ধারার ভিত্তিতে এই বিজ্ঞপ্তি জারি করা হয়েছে।

কয়েকটি জায়গায় চলছে কাজ

ইতিমধ্যেই লাদাখ এবং জম্মু-কাশ্মীর, হিমাচল প্রদেশ ও উত্তরাখণ্ডের তুষারাবৃত দুর্গম এলাকাগুলিতে গত ৩০ সেপ্টেম্বর জনসংখ্যা গণনার কাজ শেষ হয়েছে। তবে হিংসা কবলিত মণিপুরে আপাতত অনির্দিষ্টকালের জন্য এই প্রক্রিয়া স্থগিত রাখা হয়েছে। উল্লেখ্য, ২০২৬ সালের ১ এপ্রিল থেকে প্রথম পর্যায়ের হাউস লিস্টিং অপারেশনস (HLO) বা বাড়ির তালিকাভুক্তির কাজ শুরু হয়েছিল। মণিপুর বাদে দেশের সর্বত্র ৩০ সেপ্টেম্বরের মধ্যে সেই কাজ সম্পন্ন হয়েছে। এর আগে ২০২৫ সালের ১৬ জুন ২০২৭ সালের জনগণনা সংক্রান্ত প্রথম বিজ্ঞপ্তি জারি করেছিল কেন্দ্র। এবার চূড়ান্ত পর্যায়ের সময়সূচিও আনুষ্ঠানিকভাবে ঘোষণা করা হল।

Please follow and like us:

Comments

Leave a Reply

Your email address will not be published. Required fields are marked *

LinkedIn
Share