Tag: madhyom bangla

madhyom bangla

  • Shamik Bhattacharjee: “কোনও রাজনৈতিক হিংসা নয়, বিজেপির পতাকা নিয়ে অশান্তি করলে দল থেকে বের করে দেব”, বার্তা শমীকের

    Shamik Bhattacharjee: “কোনও রাজনৈতিক হিংসা নয়, বিজেপির পতাকা নিয়ে অশান্তি করলে দল থেকে বের করে দেব”, বার্তা শমীকের

    মাধ্যম নিউজ ডেস্ক: রাজ্যে একক সংখ্যাগরিষ্ঠতা নিয়ে সরকার গঠন করতে চলেছে বিজেপি (BJP)। ২৯৩টি আসনের মধ্যে ২০৭টি আসনে জয়ী হয়েছে বিজেপি, অন্যদিকে তৃণমূল কংগ্রেস পেয়েছে ৮০টি আসন। এই পরিস্থিতিতে রাজ্যের শান্তি-শৃঙ্খলা বজায় রাখতে কড়া অবস্থান নিয়েছে রাজ্য বিজেপি নেতৃত্ব এবং কলকাতা পুলিশ। রাজ্যে এককভাবে ক্ষমতায় আসার পরই দলগতভাবে লিখিত নির্দেশিকা জারি করেছে রাজ্য বিজেপি নেতৃত্ব। স্পষ্ট জানিয়ে দেওয়া হয়েছে, বিরোধী দলের বুথ, পার্টি অফিস বা সাইনবোর্ড দখল করা যাবে না। একই সঙ্গে অটো ও টোটো স্ট্যান্ড কিংবা বাজার দখলের মতো ঘটনাও বরদাস্ত করা হবে না। এই ধরনের কাজ করলে কঠোর ব্যবস্থা নেওয়া হবে।

    রাজনৈতিক হিংসার জায়গা নেই

    বাংলায় পালা বদলের পর থেকেই শহর ও শহরতলির বিভিন্ন জায়গা থেকে ভোট-পরবর্তী হিংসার অভিযোগ সামনে এসেছে। কোথাও কোথাও তৃণমূলের দলীয় কার্যালয় ভাঙচুর বা দখলের অভিযোগ উঠেছে, আবার কলকাতার রাস্তাতেও ভাঙচুর ও মারধরের ঘটনা ঘটেছে। মঙ্গলবার বিজেপির রাজ্য সভাপতি শিমীক ভট্টাচার্য (Shamik Bhattacharjee) এই বিষয়ে অত্যন্ত কড়া বার্তা দিয়েছেন। তিনি বলেন,“আমি একটা কথা পরিষ্কার করে জানিয়ে দিচ্ছি, বিজেপির পতাকা নিয়ে কোথাও যদি কোনও রাজনৈতিক হিংসা চলে, কোনও তৃণমূল অফিসের উপর আক্রমণ হয়, মুখ্যমন্ত্রী বা মুখ্যমন্ত্রীর পরিবারের বাড়ির সামনে দাঁড়িয়ে যদি কদর্য ভাষা ব্যবহার করা হয়, তাকে দল থেকে বার করে দেব। সেই অধিকার আমার পার্টির সংবিধান আমাকে দিয়েছে। প্রশাসনকে দেখতে হবে যে বিজেপির পতাকা নিয়ে যদি টোটো স্ট্যান্ড, অটোস্ট্যান্ড থেকে যদি টাকা চায়, কঠোরতম ব্যবস্থা নেবেন। তাকে গ্রেফতার করবেন। কোনও রঙ দেখে কাজ করবেন না। কোনও রাজনৈতিক হিংসার জায়গা পশ্চিমবঙ্গে নেই। এই রাজনৈতিক সংস্কৃতি বন্ধ করতে হবে বলেই মানুষ আমাদের পক্ষে রায় দিয়েছেন।”

    কলকাতায় পরিস্থিতি সম্পূর্ণ নিয়ন্ত্রণে

    ভোটের ফল ঘোষণার পর থেকেই শহরের পরিস্থিতি যাতে কোনওভাবে উত্তপ্ত না হয়, সেদিকে কড়া নজর রাখছে কলকাতা পুলিশ। সমাজমাধ্যমের পাতায় ছড়ানো ভুয়ো খবরের বিষয়েও এদিন সতর্কতা জারি করা হয়েছে। মঙ্গলবার বেলায় কলকাতা পুলিশের তরফে সমাজমাধ্যমে একটি পোস্ট করা হয়। সেখানে জানানো হয়েছে, ভোটের ফল প্রকাশের পর অনেক বিভ্রান্তিকর পোস্ট ছড়ানো হচ্ছে। অন্য জায়গার ছবি ও ভিডিও কলকাতার বলে চালানো হচ্ছে। শান্তি বিঘ্নিত করার উদ্দেশ্যে যাঁরা ভুল খবর ছড়াচ্ছেন, তাঁদের বিরুদ্ধে কঠোর আইনি পদক্ষেপ করা হবে। কলকাতায় পরিস্থিতি সম্পূর্ণ নিয়ন্ত্রণে রয়েছে। নাগরিকদের কাছে পুলিশের আবেদন, কোনও খবর যাচাই না করে সমাজমাধ্যমে ছড়াবেন না, ভয় পাবেন না।

  • Look Out Notice on Shantanu: জমি দখল ও জমিতে অবৈধ নির্মাণের মামলায় কলকাতার পুলিশকর্তা শান্তনুর বিরুদ্ধে লুক আউট নোটিস জারি ইডির

    Look Out Notice on Shantanu: জমি দখল ও জমিতে অবৈধ নির্মাণের মামলায় কলকাতার পুলিশকর্তা শান্তনুর বিরুদ্ধে লুক আউট নোটিস জারি ইডির

    মাধ্যম নিউজ ডেস্ক: কলকাতা পুলিশের ডেপুটি কমিশনার শান্তনু সিনহা বিশ্বাসের বিরুদ্ধে এবার লুক আউট নোটিস (Look Out Notice on Shantanu) জারি করল ইডি। জাল নথির মাধ্যমে জমি দখল এবং ওই জমিতে অবৈধ নির্মাণের মামলায় তাঁকে একাধিক বার তলব করা হয়েছিল। কিন্তু তিনি তদন্তকারীদের মুখোমুখি হননি। গড়িয়াহাটে তাঁর দু’টি বাড়িতেও তল্লাশি অভিযান চালায় ইডি। শুধু এই মামলা নয়। ২০২০ সালের কয়লা পাচারের মামলা এবং অনাবাসী ভারতীয় কোটায় বেসরকারি মেডিক্যাল কলেজের দুর্নীতির মামলাতেও শান্তনুকে দফায় দফায় নোটিস (ED against Shantanu Singh Biswas) পাঠিয়ে তলব করা হয়েছিল।

    বিদেশে পালিয়ে যেতে পারেন আশঙ্কা

    ইডি সূত্রে খবর, একাধিকবার তলব করা হলেও তদন্তকারীদের মুখোমুখি হননি শান্তনু। রাজ্যের বিদায়ী মুখ্যমন্ত্রী মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়ের বাড়ির আইনশৃঙ্খলা পরিস্থিতি দেখাশোনার জন্য তিনি তদন্তকারীদের মুখোমুখি হতে পারছেন না বলে চিঠি দিয়ে সময় প্রার্থনা করেছিলেন। ইডির তরফে কেন্দ্রীয় স্বরাষ্ট্র মন্ত্রকে ওই বিষয়টি জানানো হয়। শান্তনুর কোনও খোঁজ পাওয়া যাচ্ছে না। তিনি বিদেশে পালিয়ে যেতে পারেন বলে আশঙ্কা প্রকাশ করেছে তদন্তকারী সংস্থা। এর পরই স্বরাষ্ট্রমন্ত্রকের অভিবাসন দফতরের তরফে লুক আউট নোটিস জারি করা হয়। তবে শান্তনুর খোঁজ করা হচ্ছে বলে জানিয়েছেন তদন্তকারীরা। অভিবাসন দফতর সূত্রে জানা গিয়েছে, বিমানবন্দর, বন্দর, রাজ্যের সর্বত্র রেল স্টেশন এবং বাসস্ট্যান্ডে শান্তনুর ছবি-সহ লুক আউট নোটিস জারি করা হয়েছে।

     সোনা পাপ্পু মামলার সূত্রেই তলব

    রাজ্যে দ্বিতীয় দফার ভোটের আগের দিন, গত ২৮ এপ্রিল কলকাতা পুলিশের ডেপুটি কমিশনার শান্তনুকে সিজিও কমপ্লেক্সে তলব করেছিল ইডি। ইডি সূত্রে জানা গিয়েছিল যে, বিশ্বজিৎ পোদ্দার ওরফে সোনা পাপ্পুর সঙ্গে সম্পর্কিত মামলার সূত্রেই তাঁকে তলব করা হয়েছিল ওই দিন। বালিগঞ্জের সমাজবিরোধী সোনা পাপ্পুর বিরুদ্ধে জমি দখল, তোলাবাজি-সহ বিভিন্ন অভিযোগ রয়েছে। অস্ত্র আইনেও মামলা রয়েছে সোনা পাপ্পুর বিরুদ্ধে। একাধিক অভিযোগের প্রেক্ষিতে তদন্ত করছে ইডি। ওই মামলাতে জয় কামদার নামে বেহালার এক ব্যবসায়ীকে কেন্দ্রীয় তদন্তকারী সংস্থা গ্রেফতার করেছে। সোনা পাপ্পুর সঙ্গে আর্থিক লেনদেন খতিয়ে দেখতেই শান্তনু সিনহা বিশ্বাসকে তলব করেছিল ইডি। কিন্তু, কালীঘাট থানার প্রাক্তন ওসি শান্তনু হাজিরা দেননি। তাঁর কোনও খোঁজও পাওয়া যায়নি। তারপরই এদিন লুক আউট নোটিস জারি করল ইডি।

  • Ratna Debnath: “স্বাস্থ্য দফতরের দুর্নীতির শিকড় খুঁজব”, ভোটে জিতে মেয়ের জন্য ন্যায়বিচারই প্রধান লক্ষ্য ‘ডক্টর দেবনাথের মা’র

    Ratna Debnath: “স্বাস্থ্য দফতরের দুর্নীতির শিকড় খুঁজব”, ভোটে জিতে মেয়ের জন্য ন্যায়বিচারই প্রধান লক্ষ্য ‘ডক্টর দেবনাথের মা’র

    মাধ্যম নিউজ ডেস্ক: স্বাস্থ্য দফতরের দুর্নীতি দূর করার ডাক দিলেন আরজিকরের নির্যাতিতার মা রত্না দেবনাথ (Ratna Debnath)। বাংলায় দীর্ঘ ১৫ বছরের তৃণমূল জমানার অবসান ঘটেছে সোমবার। পশ্চিমবঙ্গ বিধানসভা নির্বাচনে (West Bengal Assembly Election 2026) একক সংখ্যাগরিষ্ঠতা নিয়ে প্রথমবার সরকার গড়তে চলেছে বিজেপি। আর এই শিবিরের অন্যতম আলোচিত প্রার্থী রত্না দেবনাথ। পানিহাটি (Panihati) কেন্দ্র থেকে জয়ী হয়েছেন তিনি। সদ্য নির্বাচিত এই বিধায়কের লক্ষ্যও স্থির। দুর্নীতির বিরুদ্ধে লড়াই করার হুঙ্কার দিয়েছেন অভয়ার মা।

    মমতাকে চ্যালেঞ্জ অভয়ার মা-এর

    সাংবাদিকদের মুখোমুখি হয়ে রত্না দেবনাথ প্রথমেই নিজের জয় প্রধানমন্ত্রী নরেন্দ্র মোদিকে (Narendra Modi) উৎসর্গ করেন। তিনি বলেন, “বাংলায় অনেক অভিযোগ, চাকরি নেই, স্কুলগুলিতে তালা পড়ে গেছে, বলেছিলাম তৃণমূলের মূল উপড়ে ফেলব, আমি হয়তো সেটা পেরেছি।” বিজেপির জয়ী প্রার্থী আরও বলেন, “পানিহাটি থেকে ঘোষ পরিবারের থ্রেট কালচার দূর করব, এই ভয়ের থেকে পানিহাটিকে মুক্ত করতে পারব।” বিধানসভায় গিয়ে প্রথম কোন কাজ করবেন? এই প্রশ্নের উত্তরে তিনি স্পষ্ট বলেন, “আমার মেয়ে যে দুর্নীতির জন্য খুন হয়েছে, সেই স্বাস্থ্য দফতরের দুর্নীতি কতটা গভীরে সেটা খুঁজে বের করব।” প্রসঙ্গত, স্বাস্থ্য দফতরের মন্ত্রী ছিলেন খোদ মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়। রাজনৈতিক বিশ্লেষকদের একাংশের মত, সেক্ষেত্রে রত্না দেবনাথ সোজাসুজি তাঁর বিরুদ্ধে দুর্নীতির চ্যালেঞ্জ ছুড়ে দিলেন।

    চাই মমতার জেল-যাত্রা

    ভবানীপুর বিধানসভা কেন্দ্র তৃণমূল তথা মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়ের (Mamata Banerjee) গড় হিসেবে পরিচিত, সেখানেই ১৫ হাজারের বেশি ভোটে বিজেপির শুভেন্দু অধিকারীর কাছে হেরেছেন তিনি। এনিয়ে প্রতিক্রিয়া দিতে গিয়ে রত্না দেবনাথ বলেন, “ওঁর জেলযাত্রা ও ফাঁসি চাই। মমতা মুখ্যমন্ত্রী, স্বাস্থ্যমন্ত্রী এবং পুলিশমন্ত্রী। আমার মনে হয়, আমি আমার মেয়ের মৃত্যুর ন্যায়বিচার পাওয়ার প্রথম ধাপটি পার করেছি। আমাদের সমাজে নারীরা নিরাপদ নন। মমতা বন্দ্যোপাধ্যায় নিজেই নির্দেশ দিয়েছিলেন যে রাত ৮টার পর মহিলাদের বাইরে যাওয়া উচিত নয়। আমরা সেই পরিস্থিতি থেকে মুক্তি পেয়েছি।” সবশেষে তিনি বলেন, “রাজনীতিতে একটা পদ পেয়েছি। কিন্তু আমি অভয়া, তিলোত্তমার মা হয়ে থাকতে চাই না। মেয়ের নাম প্রকাশ্যে আনতে পারি না, তবে ডক্টর দেবনাথের মা হয়েই থাকতে চাই।”

  • Modi on Bengal BJP Win: ভয়মুক্ত বাংলা থেকে আয়ুষ্মান ভারত, কর্মসংস্থান থেকে নারী সুরক্ষা! ‘বিকশিত পশ্চিমবঙ্গ’-এর লক্ষ্যে বার্তা মোদির

    Modi on Bengal BJP Win: ভয়মুক্ত বাংলা থেকে আয়ুষ্মান ভারত, কর্মসংস্থান থেকে নারী সুরক্ষা! ‘বিকশিত পশ্চিমবঙ্গ’-এর লক্ষ্যে বার্তা মোদির

    মাধ্যম নিউজ ডেস্ক: ভয়মুক্ত বাংলা গড়তে পরিবর্তনের পথে হেঁটেছে বঙ্গবাসী। বাংলায় উঠেছে গেরুয়া ঝড়। প্রধানমন্ত্রী নরেন্দ্র মোদির শক্ত কাঁধেই ভরসা রেখেছে বাঙালি। তাই বাঙালি অস্মিতাকে সম্মান জানিয়ে বঙ্গ জয়ের পর আদ্যোপান্ত বাঙালি সাজে নয়াদিল্লিতে বিজেপির সদর দফতরে এসেছেন প্রধানমন্ত্রী মোদিও। বাংলায় পদ্মের এই বিপুল জয়ে বড় বার্তা দিয়েছেন তিনি (PM Modi)। আগামীর বাংলা গড়তে কী প্ল্যান, তা খোলসা করেছেন প্রধানমন্ত্রী। এদিন মোদির বঙ্গ জয়ের উৎযাপনে ছিল রবীন্দ্রনাথ ঠাকুরের লাইন। প্রধানমন্ত্রীর মুখেও শোনা যায়,’চিত্ত যেথা ভয় শূন্য়-উচ্চ যেথা শির’। প্রধানমন্ত্রী বলেন, গুরুদেবের এই লাইনের মতোই বাংলার মানুষ এবার থেকে ভয় শূন্য হয়ে মাথা উঁচু করে জীবন যাপন করতে পারবেন। রাজ্য়বাসীর উন্নয়নের স্বার্থে দিনরাত কাজ করবে বিজেপি।

    কর্মসংস্থানের বার্তা

    পশ্চিমবঙ্গে বিজেপি সরকারের আগামীর রূপরেখা কেমন হবে, তার স্পষ্ট আভাস দিয়ে রাখলেন প্রধানমন্ত্রী। দিলেন তরুণদের কর্মসংস্থানের বার্তা। একই সঙ্গে কেন্দ্র-রাজ্য সংঘাতের জেরে পশ্চিমবঙ্গে যে কোনও প্রকল্প থমকে থাকবে না, সেই আভাসও দিয়ে রাখলেন প্রধানমন্ত্রী। এদিন মোদির প্রায় পৌনে এক ঘণ্টার বক্তৃতায় প্রত্যাশিত ভাবেই পশ্চিমবঙ্গের জন্য ছিল মোদির বিশেষ বার্তা। কেন্দ্রীয় সরকারের ‘বিকশিত ভারত’ গড়ার লক্ষ্যপূরণ করতে যে ‘বিকশিত পশ্চিমবঙ্গ’-কেও সঙ্গে চাই, তা বুঝিয়ে দিলেন জয়ের পরে প্রথম বক্তৃতায়। স্পষ্ট করে দিলেন, ভারতের উন্নয়নের সঙ্গে পাল্লা দিয়ে, তাল মিলিয়ে চলবে পশ্চিমবঙ্গ। জানালেন রাজ্যের যুবক-যুবতীদের কাজের জন্য রাজ্য ছাড়তে হবে না। এখানেই গড়ে উঠবে নতুন শিল্প। খুলবে বন্ধ কারখানা।

    আয়ুষ্মান ভারত প্রকল্প

    প্রধানমন্ত্রী প্রতিশ্রুতি দিলেন, রাজ্যে নতুন সরকার গঠনের পর মন্ত্রিসভার প্রথম বৈঠকেই ‘আয়ুষ্মান ভারত’ প্রকল্পের জন্য ছাড়পত্র দেওয়া হবে। বস্তুত, রাজ্য-কেন্দ্রের টানাপড়েনের জেরে এই স্বাস্থ্য প্রকল্পটি দীর্ঘ দিন পশ্চিমবঙ্গে কার্যকর হয়নি। তা নিয়ে নির্বাচনী প্রচারে এবং তারও আগে থেকে বার বার তৃণমূলকে বিঁধেছেন মোদি, অমিত শাহ এবং বিজেপির অন্য নেতারা। এবার পশ্চিমবঙ্গে ‘আয়ুষ্মান ভারত’ প্রকল্প চালু করার কথা বলে প্রধানমন্ত্রী এ-ও বুঝিয়ে দিতে চাইলেন যে আগামী দিনে কেন্দ্রীয় সরকারের কোনও প্রকল্প থেকে ‘বঞ্চিত’ থাকবে না রাজ্যবাসী।

    নারী শক্তির জয়গান

    এ বারের নির্বাচনী প্রচারে বিজেপির বার বার মহিলাদের নিরাপত্তার বিষয়ে সরব হয়েছে। এ বার পশ্চিমবঙ্গ-জয়ের পরেও রাজ্যবাসীকে সেই বার্তা দিলেন প্রধানমন্ত্রী। মোদি জানান, নারী শক্তি আজ বিকশিত ভারতের সংকল্প নিয়ে এগিয়ে চলেছে। কংগ্রেস ও তার সহযোগীরা ‘নারী শক্তি বন্দন’ বিলে বাধা দিয়ে নারীশক্তির অপমান করেছিল, যার যোগ্য জবাব বাংলার মা-বোনেরা দিয়েছেন। মোদির কথায়, “কংগ্রেস, তৃণমূল (TMC) ও ডিএমকে (DMK)-কে এদেশের মা-বোনেরা আজ উচিত শিক্ষা দিয়েছেন।” বিপুল জয়ের পর পশ্চিমবঙ্গ নিয়ে মোদি বলেন, পশ্চিমবঙ্গে ৯৩ শতাংশ ভোট পড়েছে, যা এক কথায় ঐতিহাসিক। এখানে মহিলাদের ভোটদান ছিল চোখে পড়ার মতো।

    রাজনৈতিক হিংসার অবসান

    বক্তৃতার সময়ে পশ্চিমবঙ্গ থেকে রাজনৈতিক হিংসা এবং অশান্তি দূর করারও বার্তা দেন প্রধানমন্ত্রী। মোদি বলেন, “পশ্চিমবাংলায় রাজনৈতিক হিংসায় অনেক জীবন নষ্ট হয়েছে। এ বার বদলা নয়, বদলের কথা হবে। ভয় নয়, ভবিষ্যতের কথা হবে।” পশ্চিমবঙ্গের নির্বাচনে এই প্রথম বার ভয়ের বদলে গণতন্ত্রের জয় হল বলেও মনে করছেন তিনি। প্রধানমন্ত্রী বলেন, “পশ্চিমবঙ্গে ভোটের সময়ে আগে হিংসা, ভয় এবং নিরপরাধদের মৃত্যুর খবর পাওয়া যেত। কিন্তু এ বার গোটা দেশ এক অন্য ধরনের খবর পেয়েছে। পশ্চিমবঙ্গে শান্তিপূর্ণ ভোট হয়েছে। নির্বাচনী হিংসায় এক জনেরও মৃত্যু হয়নি— এমন ঘটনা এই প্রথম বার ঘটল। গণতন্ত্রের এই উৎসবে বন্দুকের আওয়াজ নয়, জনতা জনার্দনের কণ্ঠ শোনা গিয়েছে।” পশ্চিমবঙ্গের সব রাজনৈতিক দলকে ‘নির্বাচনী হিংসার অভ্যাস’ বদলে ফেলারও পরামর্শ দেন প্রধানমন্ত্রী।

    নিশানায় কংগ্রেস-কমিউনিস্টরা

    কংগ্রেসকে তীব্র আক্রমণ করে মোদি বলেন, “কংগ্রেস আজ আর্বান নকশালদের আখড়ায় পরিণত হয়েছে। যে মাওবাদ জঙ্গল থেকে শেষ হয়ে যাচ্ছে, কংগ্রেস তাকে নিজেদের দলের অন্দরে জায়গা দিচ্ছে।” তিনি মনে করিয়ে দেন যে, আজ দেশে এমন একটিও রাজ্য নেই যেখানে কমিউনিস্ট শাসন টিকে আছে। এটি কেবল রাজনৈতিক পরিবর্তন নয়, বরং চিন্তাধারার বদল।

    অনুপ্রবেশ নিয়ে সরব

    মোদির কথায়, “পশ্চিমবঙ্গের ইতিহাসে এক নতুন অধ্যায়ের সূচনা হল।” বিজেপির এই জয়কে পশ্চিমবঙ্গে নতুন সূর্যোদয়ের সঙ্গে তুলনা করেন তিনি। মোদি প্রতিশ্রুতি দেন, “আজ থেকে পশ্চিমবঙ্গের ভবিষ্যতের এমন একটি যাত্রার সূচনা হচ্ছে, যেখানে বিকাশ, অটুট বিশ্বাস পায়ে পা মিলিয়ে চলবে। অনুপ্রবেশকারীদের বিরুদ্ধেও কড়া আইনি পদক্ষেপের বার্তা দিয়ে রেখেছেন প্রধানমন্ত্রী। অনুপ্রবেশকারীরা গরিব মানুষদের রোজগার নষ্ট করছে। মোদি এদিনের সভা থেকে বলেন, ‘‘শ্যামাপ্রসাদ মুখোপাধ্যায়ের আত্মা কতটা শান্তি পেয়েছে, সেটা ভাবছি। উনি ১৯৫১ সালে জনসংঘর স্থাপনা করে প্রতি কার্মীকে বলেছিলেন, দেশের জন্য বাঁচতে হবে, দেশের জন্য মরতে হবে। তিনি জীবন দিয়ে প্রমাণ দিয়েছেন, যাঁরা রাষ্ট্রকে সামনে রাখে, তাঁরা প্রাণ দিতে ভয় পায় না। পশ্চিমবঙ্গকে ভারতের অংশ করে রাখতে শ্যামাপ্রসাদজি লড়াই করেছিলেন। উনি বাংলাকে কেন্দ্র করে যে সমৃদ্ধ ভারতের স্বপ্ন দেখেছেন, এবার তা পূরণ হবে।’’

  • Suvendu Adhikari: ‘এই জয় হিন্দুত্বের’ নন্দীগ্রামের পর ভবানীপুরে মমতাকে হারিয়ে কী বললেন শুভেন্দু?

    Suvendu Adhikari: ‘এই জয় হিন্দুত্বের’ নন্দীগ্রামের পর ভবানীপুরে মমতাকে হারিয়ে কী বললেন শুভেন্দু?

    মাধ্যম নিউজ ডেস্ক: এই জয় হিন্দুত্বের। হিন্দুদের ভোটেই জয় পেয়েছেন ভবানীপুরে দাঁড়িয়ে স্পষ্ট বার্তা শুভেন্দু অধিকারীর (Suvendu Adhikari)। একুশের নির্বাচনে নন্দীগ্রামে মমতাকে ১৯৫৬ ভোটে হারিয়েছিলেন শুভেন্দু। এদিন ভবানীপুরে ১৫ হাজার ১০৫ ভোটে জেতেন তিনি। তাঁর জয়ের পর বিজেপি কর্মী-সমর্থকরা উচ্ছ্বাসে ফেটে পড়েন। আর কর্মীদের সেই উচ্ছ্বাসের মধ্যেই শুভেন্দু বলেন, “আমাকে ভবানীপুরের মুসলিমরা ভোট দেননি। আমাকে জিতিয়েছেন হিন্দু, জৈন, শিখ সমাজ। আমি তাঁদের প্রণাম করি। এই আসন জেতা দরকার ছিল। এই আসন না জিতলে ডক্টর শ্যামাপ্রসাদ মুখোপাধ্যায়ের স্বপ্ন পূরণ হত না। এ জয় হিন্দুত্বের জয়, বাংলার জয়।”

    সিপিএম সমর্থকরাও ভোট দিয়েছেন

    তৃণমূল সুপ্রিমো মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়কে তাঁর ‘ঘরের মাঠে’ ১৫ হাজারের বেশি ভোটে হারালেন শুভেন্দু। দ্বিতীয়বার মমতাকে হারিয়ে শুভেন্দু জানান, সিপিএম সমর্থকরাও তাঁকে ভোট দিয়েছেন। প্রধানমন্ত্রী নরেন্দ্র মোদি ও কেন্দ্রীয় স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী অমিত শাহকে ধন্যবাদ জানিয়ে শুভেন্দু বলেন, “ধন্যবাদ জানাব বিশ্বের জনপ্রিয় নেতা নরেন্দ্র মোদিজিকে। আর কৃতজ্ঞতা জানাব আমার নেতা কেন্দ্রীয় স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী অমিত শাহজিকে। তিনি আমাকে এই কেন্দ্রে দাঁড়াতে নির্দেশ দিয়েছিলেন। উৎসাহিত করেছিলেন।” এতদিন রাজনৈতিক হিংসায় যেসব বিজেপি কর্মীর প্রাণ গিয়েছে, এদিন জয়ের পর তাঁদেরও স্মরণ করলেন শুভেন্দু। বলেন, “আমার এই জয় ৩০০ বিজেপি কর্মীকে উৎসর্গ করছি, যাঁদের আত্মবলিদানে আজকে বাংলায় পরিবর্তন হয়েছে।” এদিন জয়ের পর শুভেন্দুকে ঘিরে বিজেপি কর্মী-সমর্থকদের উৎসাহ ছিল চোখের পড়ার মতো।

    ভবানীপুরের মানুষকে কুর্নিশ শাহের

    ভবানীপুরে তাঁর হয়ে কাজ করতে আসা রাজস্থানের বিজেপি (BJP in Bengal) বিধায়কদের ধন্যবাদ জানানোর পাশাপাশি কেন্দ্রীয় স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী অমিত শাহের সঙ্গে ফোনে কথা হয়েছে বলেও জানান শুভেন্দু। এদিন, শুভেন্দুর জয়ের পর এক্স হ্যান্ডলে অমিত শাহ লেখেন, “ভবানীপুরের মানুষকে কুর্নিশ। তাদের রায় স্পষ্ট করে দিয়েছে, একজন অরাজক শাসকের ভবিষ্যৎ কী হতে চলেছে।” বাংলায় বিজেপির জয়ের পর নরেন্দ্র মোদিও বলেন, “বাংলায় পরিবর্তন হয়ে গিয়েছে, নতুন সূর্যোদয় হয়েছে।”

    কত ভোট পেলেন শুভেন্দু

    কমিশনের দেওয়া পরিসংখ্যান অনুযায়ী, ভবানীপুরে শুভেন্দু পেয়েছেন ৭৩৯১৭টি ভোট। মমতা ৫৮১১২টি। ভবানীপুরের পাশাপাশি এ বারও পূর্ব মেদিনীপুরর তাঁর পুরনো আসন নন্দীগ্রামে জয়ী হয়েছেন শুভেন্দু। সাখাওয়াত মেমোরিয়ালে জানিয়েছেন, সেখান থেকেই নন্দীগ্রামের গণনাকেন্দ্র হলদিয়ার উদ্দেশে রওনা হচ্ছেন তিনি। ভবানীপুরে জয়ের ব্যবধান ১৫ হাজার ছাড়িয়ে গেলেও নিজের গড় নন্দীগ্রামে শুভেন্দু এ বার জিতেছেন ১০ হাজারেরও কম ভোটে। তা নিয়ে প্রশ্ন তোলায় সরাসরি শুভেন্দু জানিয়ে দিয়েছেন, সংখ্যালঘুদের ভোট না পাওয়ার কারণেই নন্দীগ্রামে জয়ের মার্জিন কম হয়েছে তাঁর।

  • BJP Wins Bengal: বঙ্গজয়ের পর বিজেপির মহাপরিকল্পনা! রবীন্দ্রজয়ন্তীতেই শপথ বাংলার নতুন বিজেপি মুখ্যমন্ত্রীর?

    BJP Wins Bengal: বঙ্গজয়ের পর বিজেপির মহাপরিকল্পনা! রবীন্দ্রজয়ন্তীতেই শপথ বাংলার নতুন বিজেপি মুখ্যমন্ত্রীর?

    মাধ্যম নিউজ ডেস্ক: অঙ্গ-কলিঙ্গের পর বঙ্গ-জয় বিজেপির (BJP Wins Bengal)। ১৫ বছরের তৃণমূল সাম্রাজ্যের পতন ঘটেছে। ২০০-র বেশি আসন নিয়ে বাংলায় ক্ষমতায় এসেছে বিজেপি। আজ পশ্চিমবঙ্গ পদ্ম-ময়। রাজ্যে পালাবদলের পর এবার নতুন সরকার গঠনের (BJP Government Formation Bengal) পালা। সেই নিয়ে জোর প্রস্তুতি বিজেপির অন্দরে। আর সেই প্রক্রিয়াকে ত্বরাণ্বিত করতে রাজ্যে আসছেন রাজনাথ সিং (Rajnath Singh)। পরিষদীয় দলের বৈঠক, মুখ্যমন্ত্রীর নাম নির্ধারনের পর তাঁরা যাবেন রাজ্যপালের কাছে। বিজেপি সূত্রে খবর, আজ, মঙ্গলবার বাংলায় আসছেন রাজনাথ সিং। পরিষদীয় দলের বৈঠক করবেন তিনি। নিউটাউনের হোটেলে বিজয়ী প্রার্থীদের সঙ্গে বৈঠক করবেন তাঁরা। সেখানে পরিষদীয় দলের বৈঠক হবে। আর সেই বৈঠকেই ঠিক হতে পারে পরিষদীয় দলের নেতার নাম। অর্থাৎ, ওই বৈঠকেই চূড়ান্ত হবে বাংলার পরবর্তী মুখ্যমন্ত্রীর নাম। তারপরই তাঁরা সরকার গঠনের জন্য লোকভবনে যাবেন তাঁরা। বিজেপি সূত্রে খবর, বিশ্বকবি রবীন্দ্রনাথ ঠাকুরের জন্মজয়ন্তীতে বাংলার প্রথম বিজেপি সরকার শপথগ্রহণ করতে পারে৷

    ২৫ বৈশাখেই নতুন সরকারের শপথ?

    বিজেপি সূত্রে খবর, আগামী শনিবার, ৯ মে, নতুন সরকারের শপথ গ্রহণ হতে পারে। ৯ মে-ই বিজেপি-র মুখ্যমন্ত্রী শপথ নিতে পারেন পশ্চিমবঙ্গে। ওই দিন ২৫ বৈশাখও, অর্থাৎ রবীন্দ্রনাথ ঠাকুরের জন্মদিবস। যা জানা যাচ্ছে, রাজ্যে মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়ের বিদায়ী সরকারের মেয়াদ ৭ মে পর্যন্ত। ফলে মুখ্যমন্ত্রী বাছাই পর্ব দীর্ঘায়িত করা যাবে না। মমতা ইস্তফা দিলেই বিজেপির পরিষদীয় দলের নেতাকে ডেকে পাঠাবেন রাজ্যপাল এন রবি। তিনি সরকার গঠনের নির্দেশ দেবেন। কিন্তু হিসেব মতো ৭ মে সরকারের মেয়াদ শেষ হচ্ছে, ফলে ২ দিন দেরী হলে কোনও সাংবিধানিক সমস্যা হবে কি না, তা এখনও স্পষ্ট নয়। সব মিলিয়ে বাঙালি আবেগকে ধরতে কোনও জায়গায় খামতি রাখছে না বিজেপি। প্রচারপর্বে বার বার বিজেপি-র গায়ে ‘বাংলাবিরোধী’, ‘অবাঙালি’ তকমা সেঁটে দেওয়া হয়। সেই তকমা কাটিয়ে বেরোতেই ২৫ বৈশাখ নতুন মুখ্যমন্ত্রীকে শপথবাক্য পাঠ করানো হতে পারে বলে জানা যাচ্ছে। সেদিন প্রধানমন্ত্রী নরেন্দ্র মোদি, স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী অমিত শাহ, বিজেপি সর্বভারতীয় সভাপতি নিতিন নবীন, বিজেপি বিভিন্ন রাজ্যের মুখ্যমন্ত্রী এবং বিশিষ্ট ব্যাক্তিরা উপস্থিত থাকবেন বলে জানা গিয়েছে।

    বাঙালিয়ানায় মাতলেন মোদি…

    সোমবার সন্ধ্যায় দিল্লিতে বিজেপির সদর দফতরে উপস্থিত হয়ে বিজেপির কর্মীদের শুভেচ্ছা জানান মোদি। মোদির সাজে ছিল স্পষ্ট বাঙালিয়ানার ছাপ। তাঁর পরণে ছিল সাদা পাঞ্জাবি, ধাক্কাপাড়ের কোরা ধুতি। পাঞ্জাবির পকেটে গোঁজা ছিল ধুতির কোঁচা। একেবারে বাঙালি কায়দায়। এক কথায়, একেবারে বাঙালিবাবু সেজে জনগণের সামনে হাজির প্রধানমন্ত্রী নরেন্দ্র মোদি। এরপর দেখা যায় মঞ্চে উঠে নিতিন নবীনের হাত থেকে দুর্গার ছবি উপহার নেন তিনি। এখানেই শেষ নয়, শপথের দিন নির্ধারণের ক্ষেত্রেও বিশেষ ভাবনা রয়েছে বিজেপির। প্রধানমন্ত্রী বলেন, “বাংলায় পরিবর্তন হয়ে গিয়েছে। আজ থেকে বাংলা ভয়মুক্ত হল।” তাঁর ঘোষণা, মন্ত্রিসভার প্রথম বৈঠকেই আয়ুষ্মান ভারত প্রকল্প চালু হবে। সেই সঙ্গে অনুপ্রবেশকারীদের বিরুদ্ধেও কড়া পদক্ষেপ নেওয়া হবে। পশ্চিমবঙ্গে বিজেপির জয়ের পর শ্যামাপ্রসাদ মুখোপাধ্যায়ের আত্মা শান্তি পেল।

    নির্বাচন কমিশনের তৎপরতা

    এদিকে, কমিশন সূত্রে খবর, আজ (মঙ্গলবার) আসছেন নির্বাচন কমিশনের প্রিন্সিপ্যাল সেক্রেটারি এসবি যোশী ও সেক্রেটারি সুজিত কুমার মিশ্র। এদিনই ২০২৬ সালের রাজ্যে বিধানসভা নির্বাচনের ফলাফলের চূড়ান্ত তালিকা তৈরি করা হবে। আগামিকাল, বুধবার সকালে, রাজ্যের মুখ্য নির্বাচনী আধিকারিক মনোজ কুমার আগরওয়াল এবং প্রিন্সিপাল সেক্রেটারি এসবি যোশী রাজ্যপাল আরএন রবির কাছে সেই তালিকা নিয়ে উপস্থিত হবেন। এরপর গেজেট নোটিফিকেশন প্রকাশিত হবে।

  • Amit Shah: ১৫২টি কেন্দ্রের মধ্যে ১১৬টিতেই জয়! অমিত শাহের প্রথম দফার পূর্বাভাসকেও ছাপিয়ে বিজেপির জয়জয়কার

    Amit Shah: ১৫২টি কেন্দ্রের মধ্যে ১১৬টিতেই জয়! অমিত শাহের প্রথম দফার পূর্বাভাসকেও ছাপিয়ে বিজেপির জয়জয়কার

    মাধ্যম নিউজ ডেস্ক: প্রথম দফায় ভোট হওয়া আসনগুলিতে কেন্দ্রীয় স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী অমিত শাহের করা ভবিষ্যৎবাণীকেও ছাপিয়ে গেল ভারতীয় জনতা পার্টি। ১৫২টি আসনের মধ্যে বর্তমান প্রাপ্ত তথ্য অনুযায়ী, ১১৬টি আসনেই বিজেপি প্রার্থীরা জয় পেয়েছেন বা এগিয়ে রয়েছেন (এই প্রতিবেদন লেখা পর্যন্ত)। উল্লেখ্য বিধানসভার নির্বাচনী (West Bengal Elections 2026) প্রচারে কেন্দ্রীয় স্বরাষ্ট্র মন্ত্রী অমিত শাহ (Amit Shah) আত্মবিশ্বাসী হয়ে বলেছিলেন, “১৫২-র মধ্যে ১১০ পাবই।” এবারে ফলাফলে একই চিত্র দেখা গিয়েছে।

    পূর্বাভাস ও বর্তমান চিত্র (Amit Shah)

    স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী অমিত শাহ (Amit Shah) নির্বাচনের (West Bengal Elections 2026) পূর্বে যে জয়ের লক্ষ্যমাত্রা স্থির করেছিলেন, গণনার প্রাথমিক ঝড়ে বিজেপি সেই গণ্ডিও অতিক্রম করে গিয়েছে। প্রথম দফার অন্তর্গত ১৫২টি আসনের মধ্যে ১১৬টিতে বিজেপির জয়লাভ করা বা এগিয়ে থাকা রাজনৈতিক মহলের অনেক সমীকরণই বদলে দিয়েছে। তবে এই ফলাফলে বিজেপি ৬টি আসন বেশি পেয়েছে বিজেপি। প্রথম পর্যায়েই বড়সড় পরিবর্তন হয়ে গিয়েছে। এই প্রথম পর্বে বিজেপি ১১৬টি পেলেও তৃণমূল কংগ্রেস পেয়েছে মাত্র ৩২টি আসন। প্রবীণ বিজেপি নেতা শাহের বক্তব্যে সিলমোহর পড়েছে।

    শক্তিশালী নির্ণায়ক ও রাজনৈতিক গুরুত্ব

    এই বিপুল ব্যবধান শাসক ও বিরোধী—উভয় শিবিরের জন্যই অত্যন্ত তাৎপর্যপূর্ণ। যদি এই প্রবণতা বজায় থাকে, তবে তা চূড়ান্ত ফলাফলে (West Bengal Elections 2026) বড় ধরনের প্রভাব ফেলতে পারে। প্রাথমিক এই ফলাফলের ঝোঁক বিজেপি শিবিরে ব্যাপক উদ্দীপনার সৃষ্টি করেছে। রাজনৈতিক বিশ্লেষকদের মতে, প্রথম দফার এই ফলাফল সামগ্রিক নির্বাচনের গতিপ্রকৃতি নির্ধারণে এক শক্তিশালী নির্ণায়ক হয়ে উঠতে পারে। যদিও চূড়ান্ত ফলাফল ঘোষণা না হওয়া পর্যন্ত এই পরিসংখ্যান পরিবর্তন হওয়ার সম্ভাবনা রয়েছে।

  • Puducherry Assembly Election 2026: পুদুচেরিতে পুনরায় ক্ষমতায় এনআর কংগ্রেস নেতৃত্বাধীন এনডিএ; থাট্টানচাভাড়িতে জয়ী মুখ্যমন্ত্রী রাঙ্গাস্বামী

    Puducherry Assembly Election 2026: পুদুচেরিতে পুনরায় ক্ষমতায় এনআর কংগ্রেস নেতৃত্বাধীন এনডিএ; থাট্টানচাভাড়িতে জয়ী মুখ্যমন্ত্রী রাঙ্গাস্বামী

    মাধ্যম নিউজ ডেস্ক: পুদুচেরি বিধানসভা নির্বাচনের (Puducherry Assembly Election 2026) ফলাফলে  কেন্দ্রশাসিত এই অঞ্চলে পুনরায় ক্ষমতায় ফিরতে চলেছে অল ইন্ডিয়া এনআর কংগ্রেস (AINRC) এবং বিজেপির নেতৃত্বাধীন ন্যাশনাল ডেমোক্রেটিক অ্যালায়েন্স (NDA)। ৩০ সদস্যের বিধানসভায় ম্যাজিক ফিগার ১৬ অতিক্রম করার লক্ষ্যে এনডিএ জোট স্পষ্ট ব্যবধানে এগিয়ে গিয়েছে। পঞ্চমবারের জন্য মুখ্যমন্ত্রী হবেন রাঙ্গাস্বামী (N Rangaswamy)।

    মুখ্যমন্ত্রীর জয় (Puducherry Assembly Election 2026)

    থাট্টানচাভাড়ি কেন্দ্র থেকে এনআর কংগ্রেসের প্রতিষ্ঠাতা তথা বিদায়ী মুখ্যমন্ত্রী এন রাঙ্গাস্বামী ৪,৪৪১ ভোটের (Puducherry Assembly Election 2026) ব্যবধানে বড় জয় ছিনিয়ে নিয়েছেন। তাঁর নিকটতম প্রতিদ্বন্দ্বী ছিলেন নেয়াম মক্কাল কড়গম (TVK সমর্থিত) প্রার্থী ই বিনায়কম। সন্ধ্যা ৬টা ১৫ পর্যন্ত প্রাপ্ত ফলাফল অনুযায়ী,  এআইএনআরসি (AINRC) জিতেছে ৯টি আসন, এগিয়ে আছে ২টিতে।  বিজেপি (BJP) জিতেছে ২টি আসন, এগিয়ে আরও ২টিতে। এআইএডিএমকে (AIADMK) ও এলজেকে (LJK) পেয়েছে ১টি করে আসন।

    পঞ্চমবার মুখ্যমন্ত্রী হতে চলেছেন রঙ্গস্বামী

    বিদায়ী মুখ্যমন্ত্রী এন রঙ্গাস্বামী (N Rangaswamy) থট্টাঞ্চাভাডি কেন্দ্র থেকে জয়ী (Puducherry Assembly Election 2026) হয়ে ইতিহাস গড়তে চলেছেন। তিনি পঞ্চমবার মুখ্যমন্ত্রী হওয়ার পথে এগিয়ে চলেছেন। ৭৫ বছর বয়সী রঙ্গস্বামী বাণিজ্য ও আইন নিয়ে পড়াশোনা করেছেন। কে কামারাজ-এর আদর্শে অনুপ্রাণিত হয়ে তিনি আইন পেশা ছেড়ে রাজনীতিতে আসেন। এরপর নিজের রাজনৈতিক জীবনের সূত্রপাত করেন।

    জোটের আধিপত্য

    সর্বশেষ তথ্য অনুযায়ী, ৩০টি আসনের মধ্যে এনডিএ জোট ১৯টি আসনে জয়ী অথবা এগিয়ে রয়েছে। যার মধ্যে রয়েছে এনআর কংগ্রেসের ১১ এবং বিজেপি ৪টি আসন। অন্যদিকে কংগ্রেস-ডিএমকে নেতৃত্বাধীন ইন্ডিয়া (INDIA) জোট মাত্র ৫টি আসনে নির্বাচনী লড়াইকে সীমিত রাখতে পেড়েছে।

    নতুন শক্তির উত্থান

    অভিনেতা বিজয়ের দল তামিলাগা ভেট্টি কাড়গম (TVK) প্রথমবারের মতো লড়াইয়ে নেমে কয়েকটি আসনে নিজেদের উপস্থিতিকে প্রতিষ্ঠা করতে পেড়েছে। এক্ষেত্রে ভোট কাটাকাটির সমীকরণে বড় ভূমিকা পালন করেছে।

    নির্বাচনী (Puducherry Assembly Election 2026) বিশ্লেষকদের মতে, এন. রাঙ্গাস্বামীর (N Rangaswamy) ব্যক্তিগত ভাবমূর্তি এবং কেন্দ্রীয় সরকারের উন্নয়নমূলক প্রকল্পের সঠিক রূপায়ণই এনডিএ-কে এই নিরঙ্কুশ জয়ের পথে সাফল্য এনে দিয়েছে। ভোটারদের ৯০ শতাংশের বেশি ভোটদানের প্রবণতা এই ঐতিহাসিক ফলাফলের পেছনে বড় কারণ হিসেবে কাজ করেছে বলে মনে করছেন রাজনৈতিক বিশেষজ্ঞদের একাংশের মানুষ।

  • Modi-Shah on Bengal Election: “পদ্ম ফুটল বঙ্গে, এই জয় সারাজীবন মনে থাকবে’’, টুইট মোদির, কী বললেন শাহ?

    Modi-Shah on Bengal Election: “পদ্ম ফুটল বঙ্গে, এই জয় সারাজীবন মনে থাকবে’’, টুইট মোদির, কী বললেন শাহ?

    মাধ্যম নিউজ ডেস্ক: বাংলায় গেরুয়া ঝড়ের পরই নিজের সামাজিক মাধ্যম থেকে পোস্ট করে রাজ্যবাসীকে শুভেচ্ছা জানালেন প্রধানমন্ত্রী নরেন্দ্র মোদি। এই জয় সারাজীবন মনে থাকবে বলে নিজের পোস্টে উল্লেখ করেন প্রধানমন্ত্রী। অন্যদিকে পশ্চিমবঙ্গে তৃণমূল জমানার অবসানের পরই নিজের সামাজিক মাধ্যমে পোস্ট করলেন কেন্দ্রীয় স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী অমিত শাহ। তিনি নিজের পোস্ট থেকে সরাসরি আক্রমণ করেন তৃণমূল কংগ্রেসকে। পাশাপাশি বাংলার জনতাকে কোটি কোটি প্রণাম জানিয়েছেন। এটি টিএমসি-র ভয়ের ওপর নরেন্দ্র মোদির ভরসার জয় বলেও অভিহিত করেন তিনি।

    বাংলার মানুষের সমস্ত স্বপ্ন এবং আশা পূরণ হবে

    প্রধানমন্ত্রী নরেন্দ্র মোদি বঙ্গবাসীর উদ্দেশে লেখেন, “বাংলার মানুষ বিজেপি-কে অবিশ্বাস্য জয় এনে দিয়েছে। আমি তাঁদের আশ্বস্ত করছি, আমাদের পার্টি বাংলার মানুষের সমস্ত স্বপ্ন এবং আশা পূরণ করার জন্য যা করার তাই করবে। সমাজের সমস্ত স্তরের মানুষের জন্য সুযোগ এবং মর্যাদা দেবে এই সরকার।’’ প্রধানমন্ত্রী আরও বলেন, “পশ্চিমবঙ্গে বিজেপির রেকর্ড সম্ভব হত না আমাদের কর্মীদের অক্লান্ত পরিশ্রম না থাকলে। আমি সকলকে স্যালুট জানাচ্ছি। দীর্ঘ কয়েক বছর ওরা অনেক কষ্ট করেছে, অনেক বাধা সহ্য করেছে। ওরাই আমাদের পার্টির শক্তি।’’

    সোনার বংলার স্বপ্নকে বাস্তবায়িত করা হবে

    এবারের নির্বাচনে প্রধান ইস্যু ছিল এসআইআর। যেভাবে এই বিষয়টি নিয়ে রাজ্যে শোরগোল পড়েছিল তাতে অনেকেই ভেবেছিলেন যে এখানে ব্যাকফুটে যাবে বিজেপি শিবির। তবে সোমবার রাজ্যের ভাগ্যে ছিল অন্যকিছু। যত বেলা গড়িয়েছে ততই দেখা গিয়েছে রাজ্যবাসী বিজেপির হাতেই পরবর্তী ৫ বছরের দায়িত্ব তুলে দিয়েছে। একের পর এক গণনাকেন্দ্র থেকে বিজেপির উত্থানের খবর সামনে আসতে থাকে। ধীরে ধীরে পিছিয়ে পড়তে থাকে তৃণমূল কংগ্রেস। বিরাট ব্যবধানে নিজের খেলা দেখাল বিজেপি। কেন্দ্রীয় স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী শাহ বলেন, “এই বিপুল জনাদেশ ভয়, তোষণ এবং অনুপ্রবেশকারীদের রক্ষকদের বিরুদ্ধে বাংলার মানুষের জোরালো জবাব।’’ তিনি বলেন, “গঙ্গোত্রীতে গঙ্গা মায়ের উদ্যম থেকে গঙ্গাসাগর পর্যন্ত এবার গেরুয়া ধ্বজা গর্বের সঙ্গে উড়বে। শূন্য থেকে আজ বিপুল সংখ্যাগরিষ্ঠতায় পৌঁছনোর এই কঠিন যাত্রায় যে সব কর্মী নিজেদের প্রাণ উৎসর্গ করেছেন, হিংসার শিকার হয়েছেন, নির্যাতন সহ্য করেছেন, তবুও আদর্শের পথ থেকে একচুলও সরেননি, সেই সকল কর্মী ও তাঁদের পরিবারকে প্রণাম জানাই। বাংলার মানুষ এই বিপুল জনসমর্থনের মাধ্যমে BJP-র সেই সকল শহিদ কর্মীদের প্রতি শ্রদ্ধা নিবেদন করেছেন।’’ শমীক ভট্টাচার্য, শুভেন্দু অধিকারীকে বিশেষ ভাবে অভিনন্দন জানান অমিত শাহ। চৈতন্য মহাপ্রভু, স্বামী বিবেকানন্দ, কবিগুরু রবীন্দ্রনাথ ঠাকুর, নেতাজি সুভাষচন্দ্র বসু এবং ড. শ্যামাপ্রসাদ মুখোপাধ্যায়ের মতো মহাপুরুষদের পবিত্র ভূমি বাংলার হারানো গৌরব ফিরিয়ে আনা হয়েছে বলেও উল্লেখ করেন তিনি। শাহের দাবি, সোনার বংলার স্বপ্নকে বাস্তবায়িত করতে বিজেপি দিন রাত এক করে দেবে।

  • Central Force at Nabanna: নবান্ন ঘিরে ফেলল কেন্দ্রীয় বাহিনী, ফাইল লোপাট আটকাতে পৌঁছল পুলিশও, চলছে তল্লাশি

    Central Force at Nabanna: নবান্ন ঘিরে ফেলল কেন্দ্রীয় বাহিনী, ফাইল লোপাট আটকাতে পৌঁছল পুলিশও, চলছে তল্লাশি

    মাধ্যম নিউজ ডেস্ক: নীলবাড়ি দখলের পথে বিজেপি। এই আবহে আঁটাসাঁটো করা হল নবান্নের নিরাপত্তা। নবান্ন ঘিরে ফেলল কেন্দ্রীয় বাহিনী (Central Force at Nabanna)। নবান্নের যে ক’টা ঢোকা ও বেরনোর গেট রয়েছে, সেই সমস্ত জায়গায় মোতায়েন রয়েছে কেন্দ্রীয় বাহিনী। যে কোনও ধরনের অপ্রীতিকর পরিস্থিতি এড়াতে নবান্নের পাহারায় কেন্দ্রীয় বাহিনী। এমনকি, নবান্নের ভিতরেও কেন্দ্রীয় বাহিনী মোতায়েন করা হয়েছে। সরকারি সূত্রের অনুমান, প্রশাসনিক মূল ভবন বা অন্যান্য সরকারি দফতর থেকে গুরুত্বপূর্ণ ফাইল নিয়ে যাতে কেউ ঢুকতে বা বেরোতে পারে, তা নিশ্চিত করতেই এই পদক্ষেপ।

    নবান্নের ভিতরেও কেন্দ্রীয় বাহিনী

    মূলত নবান্ন মন্দিরতলা এলাকা ও হাওড়া কমিশনারেটের অধীনে পড়ে। কিন্তু নবান্নের ভিতরে পাহারায় থাকেন কলকাতা পুলিশের রিজার্ভ ফোর্সের কর্মীরা। এই মুহূর্তে যাঁরা নবান্নে কর্মরত ছিলেন, তাঁদের প্রত্যেকে বেরনোর সময়ে ব্যাগ চেক করা হচ্ছে। কেউ কোনও সরকারি ফাইল নিয়ে বের হচ্ছেন কিনা, সেটা দেখা হচ্ছে। তবে কার নির্দেশে চেকিং চলছে, তা নিয়ে মুখ খুলতে নারাজ প্রত্যেকেই। ১৩ ও ১৪ তলা, মূলত যেখানে মুখ্যমন্ত্রী বসে থাকেন, রাজ্যের সচিবালয়, সেটা ডিরেক্টর অফ্ সিকিউরিটির অধীনে এতদিন পর্যন্ত ছিল। ভোট ঘোষণার পর থেকেও একই ধারা বজায় ছিল। বেলা গড়াতে যখন তৃণমূলের সঙ্গে বিজেপির আসনের ব্যবধান অনেকটাই বাড়তে শুরু করে, তখনই সূত্র মারফত খবর পাওয়া যায়, নবান্নের সমস্ত গেটে কেন্দ্রীয় বাহিনী মোতায়েন করা হয়।

    ফাইলপত্র সুরক্ষিত রাখতেই এই পদক্ষেপ

    একটি মহলের তরফে দাবি করা হয়েছে, শিক্ষা, রেশন থেকে পুরনিয়োগ – বিভিন্ন দুর্নীতি মামলার তদন্ত চালাচ্ছে বিভিন্ন কেন্দ্রীয় সংস্থা। সেইসব তদন্ত সংক্রান্ত নথি সুরক্ষিত রাখতেই নবান্নের নিরাপত্তায় কেন্দ্রীয় বাহিনী মোতায়েন করা হয়েছে। যদিও বিষয়টি নিয়ে সরকারিভাবে কোনও মন্তব্য করা হয়নি। বিষয়টি নিয়ে রাজ্য সরকারি কর্মচারীদের সংগঠন সংগ্রামী যৌথ মঞ্চের সদস্য সুবীর সাহা দাবি করেছেন, নবান্ন, বিভিন্ন সচিবালয়, ডিরেক্টরেটের বিভিন্ন ফাইল সরানো হচ্ছে বলে তাঁদের কাছে খবর এসেছে। বিভিন্ন ডিজিটাল ফাইল মুছে ফেলা হচ্ছে। নষ্ট করে দেওয়া হচ্ছে ফাইল। আর সেই কাজটা একশ্রেণির রাজ্য সরকারি কর্মচারীরা করছেন বলে অভিযোগ তুলেছেন সংগ্রামী যৌথ মঞ্চের সদস্য। কেন্দ্রীয় বাহিনীর পাশাপাশি, পুলিশও পৌঁছেছে নবান্নে। সূত্রের খবর, চিটফান্ড থেকে শিক্ষা নিয়োগ দুর্নীতি, আরও কিছু কেলেঙ্কারি হয়েছে কি না, তা দেখার জন্য ফাইলপত্র খতিয়ে দেখা প্রয়োজন বলে মনে করা হচ্ছে। সরকার বদলের মুহূর্তে সেই সব ফাইল যাতে সরিয়ে ফেলা না যায়, নবান্ন এবং গুরুত্বপূর্ণ সরকারি অফিস থেকে যাতে কিছু বের করে নিয়ে না নেওয়া যায়, কিছু যাতে নিয়ে ঢোকা না যায়, তার জন্যই সতর্কতামূলক ভাবে এই ব্যবস্থা।

LinkedIn
Share