Tag: madhyom bangla

madhyom bangla

  • Operation Sindoor: অপারেশন সিঁদুরের ১৬ মাস পরও সারগোধা রানওয়ের মেরামতি চলছে, দাবি রিপোর্টে

    Operation Sindoor: অপারেশন সিঁদুরের ১৬ মাস পরও সারগোধা রানওয়ের মেরামতি চলছে, দাবি রিপোর্টে

    মাধ্যম নিউজ ডেস্ক: অপারেশন সিঁদুরের (Operation Sindoor) ১৬ মাস পরেও সারগোধায় পাকিস্তান বায়ুসেনার (PAF) মুশাফ ঘাঁটির রানওয়ের ক্ষতিগ্রস্ত অংশে নতুন করে মেরামতির কাজ চলছে। সাম্প্রতিক উপগ্রহচিত্রে রানওয়ের একটি অংশে ফের খোঁড়াখুঁড়ি ও সংস্কারের চিহ্ন দেখা গিয়েছে। এনডিটিভির এক্সক্লুসিভ প্রতিবেদনে বলা হয়েছে, ১২ সেপ্টেম্বর ২০২৬-এর উচ্চ-রেজোলিউশনের ভানতুর উপগ্রহচিত্রে মুশাফ ঘাঁটির মূল রানওয়ে ও ট্যাক্সি ট্র্যাকের সংযোগস্থলে একটি স্পষ্ট কালো অংশ দেখা যাচ্ছে। আশপাশের অ্যাসফল্টের তুলনায় ওই জায়গার রং ও গঠন আলাদা। এর ফলে সেখানে নতুন করে খনন বা রাস্তা পুনর্নির্মাণের কাজ চলছে বলে অনুমান করা হচ্ছে। কাজের জায়গার কাছে একটি লাল রঙের গাড়িও দেখা গিয়েছে। এই জায়গাটি গুরুত্বপূর্ণ, কারণ ২০২৫ সালের ১০ মে অপারেশন সিঁদুরের সময় ভারতীয় বায়ুসেনার হামলায় মুশাফ ঘাঁটির মূল রানওয়ের যে দুটি অংশ ক্ষতিগ্রস্ত হয়েছিল, তার মধ্যে এটি একটি বলে প্রতিবেদনে উল্লেখ করা হয়েছে।

    আগের মেরামতির অংশেই ফের কাজ

    সারগোধায় অবস্থিত মুশাফ বিমানঘাঁটি লাহোর থেকে প্রায় ১৭২ কিলোমিটার উত্তর-পশ্চিমে এবং অমৃতসরের কাছে ভারত-পাকিস্তান সীমান্ত থেকে প্রায় ২০০ কিলোমিটার দূরে। সাম্প্রতিক উপগ্রহচিত্রে দেখা যাচ্ছে, ক্ষেপণাস্ত্র হামলার পর যে অংশটি আগে মেরামত করা হয়েছিল, সেটিই ফের খুঁড়ে নিচের স্তর বা সাবগ্রেড পর্যন্ত কাজ করা হচ্ছে বলে মনে করা হচ্ছে। এর অর্থ হতে পারে, পাকিস্তান ওই অংশে শুধু নতুন করে অ্যাসফল্টের প্রলেপ দিচ্ছে না, বরং আরও বড় ধরনের পুনর্নির্মাণ করছে। তবে উপগ্রহচিত্র দেখে এই খননের সঠিক কারণ নিশ্চিতভাবে বলা সম্ভব নয়। রানওয়ের নিচে বসে যাওয়া, অসমতল হয়ে যাওয়া, উপরের স্তরে ক্ষতি কিংবা আগের মেরামতির নীচে কোনও সমস্যা—এর মধ্যে একাধিক কারণ থাকতে পারে।

    উপগ্রহচিত্রে রানওয়ে মেরামতির  ছবি

    ছবিতে রানওয়ের বিভিন্ন অংশে ধাপে ধাপে সংস্কারের চিহ্নও দেখা যাচ্ছে। কোথাও তুলনামূলক গাঢ় ও মসৃণ পৃষ্ঠ দেখা যাচ্ছে, আবার অন্য একটি অংশে মেরামতির কাজ এখনও চলছে বলে মনে হচ্ছে। এর আগে ২৮ আগস্ট ২০২৬-এর উপগ্রহচিত্রে ওই হামলাস্থলটি মেরামত হয়ে গিয়েছে বলেই মনে হয়েছিল। কিন্তু সর্বশেষ ছবিতে একই জায়গায় ফের কাজ শুরু হওয়ার ইঙ্গিত মিলেছে। সর্বশেষ উপগ্রহচিত্র অবশ্য রানওয়ের বর্তমান মেরামতির সুনির্দিষ্ট কারণ বা কাজের পূর্ণ পরিধি নিশ্চিত করে না।

    রানওয়ের দুটি জায়গায় আঘাত

    ২০২৫ সালের ১০ মে-র উপগ্রহচিত্রে মুশাফ ঘাঁটির প্রায় ৩,২০০ মিটার দীর্ঘ মূল রানওয়ের উপর দুটি পৃথক আঘাতের চিহ্ন দেখা গিয়েছিল। বিশ্লেষকদের অনুমান অনুযায়ী, রানওয়ের সংযোগস্থলে তৈরি গর্তটির প্রস্থ ছিল প্রায় ৮-৯ মিটার এবং গভীরতা ৪-৫ মিটার। আঘাতের জায়গার চারপাশে অ্যাসফল্ট ও কংক্রিটের ধ্বংসাবশেষ এবং বেশ কিছু স্থলযানও দেখা গিয়েছিল। রানওয়ের একই অংশে প্রায় ৬৬০ মিটার দূরে দ্বিতীয় একটি আঘাতের জায়গাও চিহ্নিত করা হয়েছিল। মুশাফ ঘাঁটিতে ব্যবহৃত নির্দিষ্ট অস্ত্রের নাম ভারতীয় বায়ুসেনা প্রকাশ্যে জানায়নি। তবে গর্তের আকার ও ক্ষয়ক্ষতির ধরন বিশ্লেষণ করে কিছু বিশেষজ্ঞের ধারণা, এটি সুখোই-৩০এমকেআই যুদ্ধবিমান থেকে নিক্ষিপ্ত এয়ার-লঞ্চড ব্রহ্মোসের আঘাতের সঙ্গে সামঞ্জস্যপূর্ণ হতে পারে। তবে এটি বিশেষজ্ঞদের বিশ্লেষণ মাত্র; সরকারি ভাবে অস্ত্রটির পরিচয় নিশ্চিত করা হয়নি।

    এক বছরেরও বেশি সময় পর ফের সংস্কার

    সাম্প্রতিক উপগ্রহচিত্র থেকে মুশাফ ঘাঁটির ওই অংশে এখনও পুনর্গঠনের কাজ চলার ইঙ্গিত পাওয়া যাচ্ছে। ২০২৫ সালের মে মাসের হামলার পর একবার মেরামত করা অংশে এক বছরেরও বেশি সময় পরে ফের খোঁড়াখুঁড়ি শুরু হওয়ায় বিষয়টি নতুন করে নজরে এসেছে। ভারতীয় সামরিক সূত্রের বর্ণনা অনুযায়ী, ২০২৫ সালের ১০ মে অপারেশন সিঁদুরের সময় পাকিস্তানের একাধিক সামরিক পরিকাঠামোকে লক্ষ্য করা হয়েছিল। এর মধ্যে কয়েকটি বিমানঘাঁটিতে, রাডার ব্যবস্থা এবং আকাশ প্রতিরক্ষা পরিকাঠামোও ছিল। অপারেশন সিঁদুরের সময় সরগোধা এবং কিরানা হিলসের আশপাশে একাধিক ড্রোন পাঠানো হয়েছিল। এই ড্রোনগুলির মূল কাজ ছিল পাকিস্তানের রাডার ব্যবস্থা খুঁজে বের করা।

    ভারতের সবচেয়ে বড় প্রত্যাঘাত

    ‘অপারেশন সিঁদুর’-এর পরপরই ভারত সরকার প্রমাণের স্তূপ তুলে ধরেছিল। পাকিস্তানের নয়টি জঙ্গি ঘাঁটিতে নিখুঁত হামলার বিস্তারিত ফুটেজ প্রকাশ করা হয়েছিল। শুধু তাই নয়, পাকিস্তানের ১১টি সামরিক ঘাঁটির ব্যাপক ক্ষয়ক্ষতির আসল ফুটেজও বিশ্ববাসীর সামনে এনেছিল ভারত। আন্তর্জাতিক মুক্ত তথ্যসূত্র গোয়েন্দা সংস্থা (OSINT) এবং উচ্চ-রেজোলিউশনের স্যাটেলাইট চিত্রেও পাকিস্তানের ক্ষয়ক্ষতির সত্যতা প্রমাণিত হয়। ভোলারি, সারগোধা এবং নুর খানের মতো একাধিক পাক বিমানঘাঁটির রানওয়ে ও হ্যাঙ্গারে গভীর ক্ষতের ছবি ধরা পড়েছিল। মার্কিন সংবাদমাধ্যম ‘ওয়াশিংটন পোস্ট’ এই প্রত্যাঘাতকে ১৯৭১ সালের মুক্তিযুদ্ধের পর পাকিস্তানি সামরিক পরিকাঠামোর ওপর ভারতের সবচেয়ে বড় হামলা বলে উল্লেখ করেছিল।

  • BCCI Chief Selector: প্রধান নির্বাচকের পদ ছাড়ার সিদ্ধান্ত আজিত আগরকরের, নতুন নির্বাচক খুঁজবে বিসিসিআই

    BCCI Chief Selector: প্রধান নির্বাচকের পদ ছাড়ার সিদ্ধান্ত আজিত আগরকরের, নতুন নির্বাচক খুঁজবে বিসিসিআই

    মাধ্যম নিউজ ডেস্ক: বড়সড় পরিবর্তনের পথে ভারতীয় ক্রিকেট বোর্ড (BCCI Chief Selector)। জাতীয় দলের প্রধান নির্বাচকের পদে আর থাকতে চান না আজিত আগরকর (Ajit Agarkar)। বিসিসিআইয়ের শীর্ষ কর্তাদের ইতিমধ্যেই নিজের সিদ্ধান্তের কথা জানিয়েছেন তিনি। ফলে তাঁর উত্তরসূরি খুঁজতে শীঘ্রই প্রক্রিয়া শুরু করতে চলেছে বোর্ড। আগরকরের বর্তমান চুক্তির মেয়াদ শেষ হচ্ছে আগামী ৪ অক্টোবর। শুক্রবার বিসিসিআইয়ের ৯৫তম বার্ষিক সাধারণ সভা (এজিএম)-তেও তাঁর ভবিষ্যৎ নিয়ে আলোচনা হয়। সভায় বোর্ডের সদস্য ইউনিটগুলি নির্বাচক কমিটি সংক্রান্ত বিষয়ে প্রয়োজনীয় সিদ্ধান্ত নেওয়ার ক্ষমতা অফিস-বেয়ারারদের হাতে তুলে দেয়।

    জুনিয়র নির্বাচকদের নিয়েও সিদ্ধান্ত

    এজিএম শেষে এক সিনিয়র বিসিসিআই (BCCI) কর্তা বলেন, “নির্বাচক কমিটি সংক্রান্ত বিষয়গুলিতে সিদ্ধান্ত নেওয়ার জন্য অফিস-বেয়ারারদের অনুমোদন দেওয়া হয়েছে।” তবে আগরকরের ভবিষ্যৎ নিয়ে তিনি নির্দিষ্ট করে কিছু জানাননি। সূত্রের খবর, আগরকর ইতিমধ্যেই বোর্ডকে জানিয়েছেন যে তিনি আর এই গুরুত্বপূর্ণ দায়িত্ব চালিয়ে যেতে আগ্রহী নন। ২০২৩ সালে প্রধান নির্বাচকের দায়িত্ব নেওয়ার পর থেকে ভারতীয় দলের একাধিক গুরুত্বপূর্ণ নির্বাচনী সিদ্ধান্তের সঙ্গে যুক্ত ছিলেন তিনি। এদিকে শুধু সিনিয়র নির্বাচক কমিটিই নয়, জুনিয়র নির্বাচক কমিটির পাঁচটি পদও পূরণ করতে চলেছে বিসিসিআই। এই পদের জন্য বিপুল সংখ্যক আবেদন জমা পড়েছে বলে জানিয়েছেন বোর্ড সচিব দেবজিৎ সাইকিয়া। তিনি বলেন, আবেদনকারীদের প্রাথমিক বাছাইয়ের পর তালিকা ক্রিকেট কমিটির কাছে পাঠানো হবে। আগামী ১০ থেকে ১৫ দিনের মধ্যে পুরো প্রক্রিয়া শেষ করার লক্ষ্য রয়েছে বোর্ডের। কারণ বর্তমান জুনিয়র নির্বাচকদের পাঁচজনেরই মেয়াদ খুব শীঘ্রই শেষ হতে চলেছে।

    ফিল্ডিং কোচ নিয়োগ নিয়ে আলোচনা

    ভারতীয় দলের ফিল্ডিং কোচ শুভদীপ ঘোষের নিয়োগ নিয়েও বিস্তারিত জানিয়েছেন সাইকিয়া। আপাতত তাঁকে স্বল্পমেয়াদি ভিত্তিতে দায়িত্ব দেওয়া হয়েছে। বেঙ্গালুরুর বিসিসিআইয়ের সেন্টার অব এক্সেলেন্সেও তিনি ফিল্ডিং কোচ হিসেবে যুক্ত রয়েছেন। সাইকিয়া জানান, ভারতীয় দলের ফিল্ডিং কোচ হিসেবে শুভদীপ ঘোষের পারফরম্যান্স পর্যালোচনা করা হবে। দলের ম্যানেজমেন্টের সংশ্লিষ্ট ব্যক্তিদের মতামতের ভিত্তিতে তাঁর সঙ্গে চুক্তি দীর্ঘায়িত করা হবে কি না, সে বিষয়ে পরে চূড়ান্ত সিদ্ধান্ত নেওয়া হবে। এজিএমে বিসিসিআইয়ের বিভিন্ন রাজ্য ক্রিকেট সংস্থার প্রতিনিধিদের পাশাপাশি উপস্থিত ছিলেন প্রাক্তন ভারত অধিনায়ক সৌরভ গঙ্গোপাধ্যায় এবং প্রাক্তন ভারতীয় পেসার বেঙ্কটেশ প্রসাদও।

  • India vs Brazil: ঢেলে সাজছে স্টেডিয়াম, টিকিটে সিট নম্বর! ব্রাজিল ম্যাচের আগে যুবভারতীতে আমূল পরিবর্তন

    India vs Brazil: ঢেলে সাজছে স্টেডিয়াম, টিকিটে সিট নম্বর! ব্রাজিল ম্যাচের আগে যুবভারতীতে আমূল পরিবর্তন

    মাধ্যম নিউজ ডেস্ক: বিশ্ব ফুটবলের দুই মহাশক্তিকে বরণ করে নিতে তৈরি হচ্ছে শহর কলকাতা। নতুন সাজে সেজে উঠছে তিলোত্তমা। ফিফা আন্তর্জাতিক উইন্ডোর প্রীতি ম্যাচে ভারতীয় ফুটবল দলের মুখোমুখি হতে শহরে পা রাখছে পাঁচবারের বিশ্বচ্যাম্পিয়ন ব্রাজিল (India vs Brazil)। দুর্গাপুজোর আগে এও এক যেন পুজো ফুটবলপ্রেমী মানুষের কাছে। আগামী ৩ অক্টোবর সল্টলেকের যুবভারতী ক্রীড়াঙ্গনে হবে এই ম্যাচ। শুধু ব্রাজিলই নয়, এরপরের ৬ তারিখ এই একই ময়দানে খেলবে উরুগুয়েও। তবে মহারণের বাঁশি বাজার আগেই গ্যালারি ও দর্শক সুরক্ষায় গুরুত্বপূর্ণ কয়েকটি সিদ্ধান্তের কথা জানালেন সর্বভারতীয় ফুটবল ফেডারেশন (AIFF)-এর সভাপতি কল্যাণ চৌবে।

    ফুটবল ম্যাচের টিকিটে ‘সিট নম্বর’

    ফেডারেশন সভাপতি জানিয়েছেন, যুবভারতীর সুবিশাল ইতিহাসের পাতায় এই প্রথমবার কোনও ফুটবল ম্যাচের টিকিটে নির্দিষ্ট আসন বা ‘সিট নম্বর’ উল্লেখ করা থাকবে। এর আগে স্টেডিয়ামে সর্বসাধারণের জন্য মুক্ত বা ‘ফ্রি সিটিং’ ব্যবস্থা থাকত, অর্থাৎ দর্শকেরা নিজেদের পছন্দ মতো ফাঁকা আসনে গিয়ে বসতে পারতেন। তবে এই হাইভোল্টেজ ম্যাচে সেই নিয়মে আসছে আমূল বদল। ইতিমধ্যেই এই ম্যাচের সমস্ত টিকিট বিক্রি হয়ে গিয়েছে। নির্দেশিকা অনুযায়ী, সমর্থকদের মাঠে আসার সময় ই-টিকিট সঙ্গে রাখতে হবে এবং গেটে তা স্ক্যান করিয়ে ভিতরে ঢুকতে হবে। এরপর টিকিটে বরাদ্দ থাকা নম্বর দেখেই নির্ধারিত চেয়ারটিতে বসতে হবে, অন্য কোথাও বসা যাবে না। প্রসঙ্গত, ইতিপূর্বে মেসি কলকাতায় আসার পর গ্যালারিতে যে বিশৃঙ্খলা সৃষ্টি হয়েছিল, তাতে ভেঙে গিয়েছিল একাধিক বাকেট চেয়ার। সেই অভিজ্ঞতার ওপর ভিত্তি করে আইএফএ-র (IFA) মাধ্যমে ভাঙা চেয়ারগুলি মেরামতির পাশাপাশি প্রতিটিতে নিখুঁত নম্বর বসানোর কাজ দ্রুত গতিতে চালানো হচ্ছে।

    গেরুয়া রঙে সাজছে গ্যালারি

    রাজ্যের রাজনৈতিক প্রেক্ষাপটে পরিবর্তিত পরিস্থিতিতে যুবভারতীর পরিচিত নীল-সাদা রঙ বদলে এই প্রথমবার রূপ পাচ্ছে গৈরিকিকরণে। পুরো স্টেডিয়ামকে গেরুয়া রঙে রাঙিয়ে তোলার পাশাপাশি ড্রেসিংরুম ও শৌচাগারগুলিকেও ঢেলে সাজিয়ে আন্তর্জাতিক মানের করে তোলা হচ্ছে। ম্যাচের আনন্দে সামিল করা হচ্ছে কলকাতার তিন প্রথাগত ফুটবল শক্তিকেও। ইস্টবেঙ্গল, মোহনবাগান এবং মহামেডান স্পোর্টিং – এই তিন প্রধানের সমর্থকদের জন্য ফেডারেশনের পক্ষ থেকে টিকিটের ওপর বিশেষ ছাড় ঘোষণা করা হয়েছে। স্টেডিয়ামের ‘B2’ এবং ‘D2’ – এই নির্দিষ্ট দুটি গ্যালারির নির্ধারিত সংখ্যক টিকিটে দেওয়া হবে ১০ শতাংশ (10%) ছাড়। উদাহরণস্বরূপ, ওই টিকিটের দর যদি ১০ টাকা হয়ে থাকে, তবে ১০% ছাড়ের সুবিধায় তা কেনা যাবে। এই ছাড়ের টিকিটগুলি উপলব্ধ থাকবে তিন প্রধানের নিজস্ব ক্লাব টেন্ট এবং আইএফএ-র অফিস থেকে।

  • India US: রাশিয়ার তেল-গ্যাস কেনা দেশগুলির উপর ১০০% পর্যন্ত শুল্ক! ‘জাতীয় স্বার্থ রক্ষা করব’, আমেরিকাকে বার্তা ভারতের

    India US: রাশিয়ার তেল-গ্যাস কেনা দেশগুলির উপর ১০০% পর্যন্ত শুল্ক! ‘জাতীয় স্বার্থ রক্ষা করব’, আমেরিকাকে বার্তা ভারতের

    মাধ্যম নিউজ ডেস্ক: রাশিয়া ও ইরান থেকে তেল কিনলে ১০০ শতাংশ পর্যন্ত শুল্ক ধার্য করতে পারবে আমেরিকা। বুধবার এমনই বিল পাশ হয়েছে মার্কিন আইনসভায়। রাশিয়া থেকে তেল ও গ্যাস কেনা দেশগুলির উপর সর্বোচ্চ ১০০ শতাংশ পর্যন্ত শুল্ক আরোপের ক্ষমতা মার্কিন প্রেসিডেন্টকে দেওয়ার বিল মার্কিন হাউস অব রিপ্রেজেন্টেটিভসে পাস হওয়ার পরই নিজেদের অবস্থান স্পষ্ট করল ভারত। নয়াদিল্লি জানিয়েছে, দেশের ১৪০ কোটি মানুষের জ্বালানি নিরাপত্তা নিশ্চিত করতে বৈচিত্র্যময় উৎস থেকে আমদানি চালিয়ে যাবে ভারত। পাশাপাশি, পরিস্থিতির প্রয়োজন অনুযায়ী দেশের বাণিজ্য ও অর্থনৈতিক স্বার্থ রক্ষায় প্রয়োজনীয় সব পদক্ষেপ করা হবে। বৃহস্পতিবার বিদেশ মন্ত্রকের (MEA) পক্ষ থেকে জানানো হয়, মার্কিন কংগ্রেসে বিলটি পাস হওয়ার বিষয়টি ভারত নোট করেছে এবং পরবর্তী ঘটনাপ্রবাহের উপর নজর রাখা হচ্ছে।

    কী রয়েছে মার্কিন বিলে

    ‘লিন্ডসে ও গ্রাহাম স্যাংকসানিং রাশিয়া ও ইরান অ্যাক্ট অফ ২০২৬’ (Lindsey O. Graham Sanctioning Russia and Iran Act of 2026) নামে বিলটি বুধবার মার্কিন হাউস অব রিপ্রেজেন্টেটিভসে ২৬২-১৫৯ ভোটে পাস হয়েছে। এর আগে গত ৭ আগস্ট মার্কিন সেনেটে ৮৬-১১ ভোটে বিলটি অনুমোদিত হয়েছিল। এবার প্রেসিডেন্ট ডোনাল্ড ট্রাম্পের স্বাক্ষরের অপেক্ষায় রয়েছে বিলটি। বিলটিতে রাশিয়ার নেতৃত্ব ও জ্বালানি খাতের উপর নিষেধাজ্ঞা আরও কঠোর করার পাশাপাশি, নিষেধাজ্ঞা এড়াতে ব্যবহৃত হচ্ছে বলে অভিযোগ থাকা জাহাজগুলির বিরুদ্ধেও ব্যবস্থা নেওয়ার কথা বলা হয়েছে। একই সঙ্গে রাশিয়ার তেল ও প্রাকৃতিক গ্যাসের বড় ক্রেতা—ভারত ও চিনের মতো দেশগুলির উপর সর্বোচ্চ ১০০ শতাংশ পর্যন্ত শুল্ক আরোপের ক্ষমতা মার্কিন প্রেসিডেন্টকে দেওয়া হয়েছে।

    বিদেশমন্ত্রকের বিবৃতি

    বিদেশ মন্ত্রকের বিবৃতিতে বলা হয়েছে, “১৪০ কোটি ভারতীয়ের জ্বালানি নিরাপত্তা বজায় রাখতে ভারত সরকার সম্পূর্ণরূপে অঙ্গীকারবদ্ধ।” ওই বিবৃতিতে একই সঙ্গে জানানো হয়েছে, “আন্তর্জাতিক বাজারের গতিপ্রকৃতি এবং সরবরাহ ব্যবস্থার উপর ভিত্তি করে বিভিন্ন উৎস থেকে প্রয়োজন অনুযায়ী অপরিশোধিত তেল ও শক্তি সম্পদ ক্রয় অব্যাহত রাখবে ভারত।” এই বিবৃতি থেকেই স্পষ্ট যে, ১০০ শতাংশ শুল্ক চাপানোর ছাড়পত্রকে হাতিয়ার করে ট্রাম্প প্রশাসন চাপ তৈরি করলে বা দর কষাকষির পথে হাঁটলে তাতে নতিস্বীকার করবে না ভারত। বরং নিজস্ব প্রয়োজন অনুসারে রাশিয়া এবং অন্যান্য তেল আমদানিকারক দেশ থেকে জ্বালানিপণ্য কেনা অব্যাহত রাখবে। নতুন এই মার্কিন আইনের ফলে যদি ভারতের রফতানি বাণিজ্য বা জ্বালানি আমদানিতে কোনও প্রভাব পড়ে, তবে তার বিরুদ্ধে উপযুক্ত পদক্ষেপ করার কথাও জানানো হয়েছে মন্ত্রকের বিবৃতিতে। বিদেশ মন্ত্রক জানিয়েছে, উদ্ভূত এই পরিস্থিতি সামাল দিতে এবং দেশীয় বাণিজ্যের সুরক্ষা নিশ্চিত করতে ভারতীয় বাণিজ্য ও শিল্প সংস্থাগুলির সঙ্গে সরকার ঘনিষ্ঠ যোগাযোগ রেখে যৌথ ভাবে কাজ করবে।

    আগে থেকেই সতর্ক বিদেশমন্ত্রক

    নয়াদিল্লির তরফে বলা হয়েছে, বিল পাসের বিষয়টির উপর সরকার নজর রাখছে। বিদেশ মন্ত্রকের বিবৃতিতে লেখা হয়েছে, বিলটি আইনসভায় পাস করানোর আগেই এর সম্ভাব্য পরিণতি নিয়ে মার্কিন আধিকারিকদের সঙ্গে উচ্চপর্যায়ের আলোচনা করা হয়েছিল। সেখানে নয়াদিল্লির তরফে স্পষ্ট করে দেওয়া হয় যে, রাশিয়া থেকে তেল বা গ্যাস আমদানির ক্ষেত্রে আমেরিকা কোনও ধরনের শুল্ক বা নিষেধাজ্ঞা আরোপ করলে, তা কেবল দ্বিপাক্ষিক সম্পর্কের উপর নেতিবাচক প্রভাব ফেলবে না, একই সঙ্গে বিশ্বব্যাপী তেলের বাজারেও চরম অস্থিতিশীলতা তৈরি করবে। আমেরিকার প্রাক্তন রিপাবলিকান সেনেটর লিন্ডসে গ্রাহামের নামাঙ্কিত এই বিল (লিন্ডসে ও গ্রাহাম স্যাংশনিং রাশিয়া অ্যান্ড ইরান অ্যাক্ট অফ ২০২৬) গত মাসেই মার্কিন আইনসভার উচ্চকক্ষ সেনেটে পাস করানো হয়েছিল। বিলের পক্ষে ভোট দিয়েছিলেন ৮৬ জন। আর বিপক্ষে ১১ জন। বুধবার এই বিল পেশ করা হয় নিম্নকক্ষে। সেখানে বিলের পক্ষে ভোট পড়ে ২৬২টি। আর বিপক্ষে ১৫৯টি। ট্রাম্পের দল রিপাবলিকান পার্টির অধিকাংশ সদস্য তো বটেই, বিরোধী ডেমোক্র্যাটিক পার্টির বেশ কয়েক জনও বিলের পক্ষে ভোট দেন।

    ভারত-মার্কিন-চিন-রাশিয়া সম্পর্কে প্রভাব

    রাশিয়ার উপর চাপ বাড়ানো এবং মস্কোর জ্বালানি রফতানি থেকে অন্যান্য দেশের নির্ভরতা কমানোই এই বিলের অন্যতম লক্ষ্য। একই সঙ্গে বিলটিতে ইরানের বিরুদ্ধেও নিষেধাজ্ঞা সম্প্রসারণের প্রস্তাব রয়েছে। বিলটি পাস হওয়ার পর মার্কিন ডেমোক্র্যাটিক সেনেটর রিচার্ড ব্লুমেন্থাল বলেন, “চিন ও ভারত, তোমরা বরং অন্য কোথাও থেকে তেল ও গ্যাস কিনো।” উল্লেখযোগ্যভাবে, চিনের প্রেসিডেন্ট শি জিনপিংয়ের নির্ধারিত মার্কিন সফরের কয়েক দিন আগেই মার্কিন কংগ্রেসে এই বিল পাস হয়েছে। ফলে আন্তর্জাতিক জ্বালানি বাজারের পাশাপাশি ভারত-মার্কিন ও চিন-মার্কিন সম্পর্কেও এই পদক্ষেপের প্রভাব পড়তে পারে বলে মনে করা হচ্ছে।

    মার্কিন বিলের বিরোধিতা চিন-রাশিয়ার

    এই সিদ্ধান্তের কড়া সমালোচনায় সরব চিন, রাশিয়ার মতো দেশ। প্রেসিডেন্ট ভ্লাদিমির পুতিনের দেশ সাফ জানিয়েছেন, রাশিয়া ও ইরানের তেল কেনায় নিষেধাজ্ঞা সংক্রান্ত বিল একেবারেই বন্ধুত্বপূর্ণ পদক্ষেপ নয়। মার্কিন প্রশাসন এনিয়ে আরও বাড়াবাড়ি করলে ইউক্রেন যুদ্ধের শান্তি চুক্তি ব্যাহত হতে পারে। ক্রেমলিনের মুখপাত্র দিমিত্রি পেসকোভ জানিয়েছেন, নয়া বিলের উপর কড়া নজর রাখছে রুশ প্রশাসন। আমেরিকার পদক্ষেপে ক্ষুব্ধ চিনও। বেজিং জানিয়েছে, চিন সবসময় বাণিজ্যিক ও আর্থিক সহযোগিতার ক্ষেত্রে পারস্পরিক স্বার্থ ও সাম্য বজায় রাখার পক্ষপাতি। তাতে তৃতীয় কোনো দেশের হস্তক্ষেপ করা উচিত নয়। এব্যাপারে বিদেশ মন্ত্রকের মুখপাত্র জিউ জাইকুন জানিয়েছেন, আন্তর্জাতিক আইন উড়িয়ে ও রাষ্ট্রসংঘের নিরাপত্তা পরিষদের অনুমোদন ছাড়া তৃতীয় দেশের বিষয়ে নাক গলানোর বরাবর বিরোধিতা করেছে চিন।

  • Asian Games 2026: আজ আনুষ্ঠানিক উদ্বোধন, এশিয়ান গেমসে আবাসন সমস্যা সামলাতে নাগোয়ায় ২,০০০ ভারতীয় প্রস্তুত

    Asian Games 2026: আজ আনুষ্ঠানিক উদ্বোধন, এশিয়ান গেমসে আবাসন সমস্যা সামলাতে নাগোয়ায় ২,০০০ ভারতীয় প্রস্তুত

    মাধ্যম নিউজ ডেস্ক: এশিয়ান গেমসে ভারতীয় অ্যাথলিটদের আবাসন সংক্রান্ত সমস্যা দেখা দিলে তা সামাল দিতে এবার অভিনব বিকল্প ব্যবস্থা তৈরি করেছে ভারত। জাপানের নাগোয়ায় বসবাসকারী প্রায় ২,০০০ ভারতীয়কে জরুরি পরিস্থিতিতে ভারতীয় ক্রীড়াবিদদের থাকার ব্যবস্থা করতে প্রস্তুত রাখা হয়েছে। এশিয়ান গেমসে ভারতীয় দলের একাংশ জাপানে পৌঁছনোর পর থেকেই আবাসন, অ্যাক্রেডিটেশন এবং পরিবহণ নিয়ে সমস্যার মুখে পড়ে। পরিস্থিতি সামাল দিতে ভারতীয় দূতাবাসও স্থানীয় ভারতীয় সম্প্রদায়ের সঙ্গে সমন্বয় করে কাজ করছে। ভারতের চিফ দ্য মিশন সহদেব যাদব জানিয়েছেন, প্রথম দিকে প্রায় ৩০ থেকে ৩৫ জন অ্যাথলিটের নাম সরকারি আবাসনের তালিকা থেকে বাদ পড়ে যাওয়ায় তাঁদের থাকার ব্যবস্থা নিয়ে সমস্যা তৈরি হয়। আক্রান্তদের মধ্যে ব্যাডমিন্টন ও শুটিং-সহ বিভিন্ন ক্রীড়ার অ্যাথলিট ছিলেন। পরিস্থিতি মোকাবিলায় ভারতীয় কর্তারা দ্রুত অতিরিক্ত হোটেল কক্ষের ব্যবস্থা করেন। প্রাথমিকভাবে ১৮টি অতিরিক্ত হোটেল রুম বুক করা হয়েছে এবং আরও ১০টি রুমের ব্যবস্থা করার পরিকল্পনা রয়েছে।

    তিন স্তরের সহায়তা ব্যবস্থা

    এশিয়ান গেমসে আগত ভারতীয় ক্রীড়াবিদদের যাতে ফের একই ধরনের সমস্যায় পড়তে না হয়, তার জন্য কেন্দ্রীয় ক্রীড়া মন্ত্রক নাগোয়ায় তিন স্তরের সহায়তা ব্যবস্থা তৈরি করেছে। প্রথম স্তরে বিমানবন্দরে দু’জন আধিকারিককে রাখা হয়েছে। তাঁরা জাপানে পৌঁছনোর পর ভারতীয় দলের সদস্যদের প্রয়োজনীয় সহায়তা করবেন। দ্বিতীয় স্তরে অ্যাথলিট ওয়েলকাম সেন্টারে আরও তিনজন আধিকারিক রয়েছেন, যাঁরা আবাসন ও অন্যান্য আগমন-সংক্রান্ত সমস্যা সমাধানে সাহায্য করছেন। তৃতীয় স্তরে রয়েছে নাগোয়ায় বসবাসকারী প্রায় ২,০০০ ভারতীয়ের স্থানীয় সম্প্রদায়। সরকারি আবাসন ব্যবস্থায় ফের কোনও সমস্যা দেখা দিলে প্রয়োজনে তাঁদের সাহায্য নেওয়া হতে পারে।

    আপাতত ব্যক্তিগত বাড়িতে থাকার প্রয়োজন নেই

    তবে ভারতীয় কর্তারা জানিয়েছেন, বর্তমানে কোনও অ্যাথলিটকে ব্যক্তিগত বাড়িতে থাকার প্রয়োজন হয়নি। জাপানে পৌঁছনো সমস্ত ভারতীয় ক্রীড়াবিদের জন্য ইতিমধ্যেই আবাসনের ব্যবস্থা করা হয়েছে। স্থানীয় ভারতীয় সম্প্রদায়ের সহায়তার এই ব্যবস্থা তাই আপাতত শুধুমাত্র জরুরি বিকল্প বা ব্যাকআপ ব্যবস্থা হিসেবে রাখা হয়েছে। এশিয়ান গেমসের মতো বৃহৎ আন্তর্জাতিক ক্রীড়া প্রতিযোগিতায় অ্যাথলিটদের আবাসন ও অন্যান্য লজিস্টিক ব্যবস্থাপনার গুরুত্ব নতুন করে সামনে এসেছে। নাগোয়ায় বসবাসকারী ভারতীয়দের এই স্বেচ্ছাসহায়তা প্রয়োজন হলে ভারতীয় দলের জন্য অতিরিক্ত নিরাপত্তা ও সহায়তার স্তর হিসেবে কাজ করতে পারে।

    এশিয়ান গেমস নিয়ে শুরু থেকেই বিতর্ক

    শুরু হওয়ার আগেই একের পর এক বিতর্কে পড়ছে এশিয়ান গেমস। এর আগে সামনে এসেছিল অ্যাক্রিডিটেশন কার্ড যাচাই ও থাকার ব্যবস্থা নিয়ে অব্যবস্থা। এবার আবাসন সংক্রান্ত অব্যবস্থা নিয়ে আবার চর্চায় জাপানের এশিয়ান গেমস। বাঙালি জিমন্যাস্ট প্রণতি নায়েক ও তাঁর কোচ অশোক মিশ্রকে একই ঘরে থাকতে দেওয়া হয়েছিল, যা নিয়ে বিতর্কের শেষ নেই। এশিয়ান গেমসের শুরু থেকেই একের পর এক বিশৃঙ্খলাতে ভুগছে নানা দল। আয়োজকদের তরফ থেকে পরে দুঃখপ্রকাশ করা হয়। এর আগে, ভারতের শুটিং দল পৌঁছনোর পর ঘর না পেয়ে সারা রাত তাদের লবির সোফায় শুয়ে কাটাতে হয়েছিল। একইভাবে দুর্ভোগের শিকার হতে হয়েছে ভারতীয় কবাডি দলকেও। পর্যাপ্ত অনুশীলনের জায়গার অভাব, দূরের ভেন্যু এবং খাবার নিয়ে ভোগান্তির জেরে ক্ষোভে ফুঁসছে অন্য দেশও; দক্ষিণ কোরিয়া তো প্রকাশ্যেই এই গেমসকে তাদের অভিজ্ঞতার ‘নিকৃষ্টতম’ বলে কটাক্ষ করেছে। আনুষ্ঠানিকভাবে এশিয়ান গেমসের ২০তম আসর শুরু হবে ১৯ সেপ্টেম্বর, উদ্বোধনী অনুষ্ঠানের মাধ্যমে। তবে তার আগেই ফুটবল, বাস্কেটবল, ক্রিকেট, সফ্ট টেনিস, টেকবলসহ বেশ কয়েকটি ইভেন্ট শুরু হয়ে গিয়েছে।

    এশিয়ান গেমস-এর আনুষ্ঠানিক উদ্বোধন

    এশিয়ান গেমস ২০২৬-এর (Asian Games 2026) আনুষ্ঠানিক উদ্বোধনের অপেক্ষা শেষ হতে চলেছে। জাপানের আইচি-নাগোয়ায় বসছে এশিয়ার সবচেয়ে বড় ক্রীড়া আসরের ২০তম সংস্করণ। ১৯ সেপ্টেম্বর থেকে ৪ অক্টোবর পর্যন্ত চলবে প্রতিযোগিতা। যদিও ফুটবল, ক্রিকেট-সহ কয়েকটি খেলায় ইতিমধ্যেই শুরু হয়ে গিয়েছে লড়াই, শনিবারই হবে এশিয়ান গেমসের আনুষ্ঠানিক উদ্বোধন। ভারতীয় ক্রীড়াপ্রেমীদের জন্য সবচেয়ে গুরুত্বপূর্ণ প্রশ্ন উদ্বোধনী অনুষ্ঠান কখন শুরু হবে? আয়োজকদের দেওয়া সূচি অনুযায়ী, জাপানের স্থানীয় সময় সন্ধ্যা ৬টায় শুরু হবে উদ্বোধনী অনুষ্ঠান। জাপান ভারতের থেকে সাড়ে তিন ঘণ্টা এগিয়ে থাকায় ভারতীয় সময় অনুযায়ী ১৯ সেপ্টেম্বর দুপুর ২:৩০টায় শুরু হবে অনুষ্ঠান। আয়োজক কমিটির প্রকাশিত তথ্য অনুযায়ী, উদ্বোধনী অনুষ্ঠান প্রায় দুই ঘণ্টা ধরে চলবে এবং জাপানের স্থানীয় সময় রাত ৮টার দিকে শেষ হওয়ার কথা। অর্থাৎ ভারতীয় সময় অনুযায়ী আনুমানিক বিকেল ৪:৩০টা পর্যন্ত চলতে পারে অনুষ্ঠান। তবে অনুষ্ঠানসূচিতে পরিবর্তন হলে সময়েও সামান্য হেরফের হতে পারে।

    ভারতের পতাকা বহন করবেন কারা

    উদ্বোধনী অনুষ্ঠানে ভারতের হয়ে পতাকা বহন করবেন শুটিংয়ের তারকা মনু ভাকের এবং অ্যাথলেটিক্সের তাজিন্দরপাল সিং তূর। মনু ভাকের দু’বারের অলিম্পিক পদকজয়ী, আর তাজিন্দরপাল সিং তূর এশিয়ান গেমসে শট পাটের ডিফেন্ডিং চ্যাম্পিয়ন। তাঁদের হাতেই উদ্বোধনী অনুষ্ঠানে ভারতীয় দলের নেতৃত্বের প্রতীকী দায়িত্ব থাকবে। ভারতে এশিয়ান গেমসের সম্প্রচার ও লাইভ স্ট্রিমিংয়ের দায়িত্ব রয়েছে সোনি স্পোর্টস নেটওয়ার্ক এবং সোনি লিভ-এর হাতে। ফলে উদ্বোধনী অনুষ্ঠানও ভারতীয় দর্শকরা টেলিভিশন ও ডিজিটাল প্ল্যাটফর্মে অনুসরণ করতে পারবেন।

  • TMC Symbol: দুই তৃণমূলের বিকল্প নাম এবং প্রতীক চূড়ান্ত করল নির্বাচন কমিশন, কী পেলেন মমতা?

    TMC Symbol: দুই তৃণমূলের বিকল্প নাম এবং প্রতীক চূড়ান্ত করল নির্বাচন কমিশন, কী পেলেন মমতা?

    মাধ্যম নিউজ ডেস্ক: রামচন্দ্রের অভিশাপেই এখন কার্যত সর্বহারা মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়। নির্বাচন কমিশনের সিদ্ধান্তে আপাতত দলের ‘নাম’ গেল, দলের ‘প্রতীক’ (TMC Symbol) গেল, নন্দীগ্রামে শেষ মুহূর্তে মমতা বন্দ্য়োপাধ্য়ায়েরও প্রার্থীও ভোট থেকে সরে দাঁড়ালেন। এই প্রসঙ্গে মুখ্যমন্ত্রী শুভেন্দু অধিকারী বলছেন,‘রামচন্দ্রের অভিশাপেই সব ধ্বংস হয়ে গিয়েছে’। বিজেপির রাজ্য সভাপতি শমীক ভট্টাচার্য বলছেন, ‘এটা উপরওয়ালার বিচার’। আপাতত উপনির্বাচনের আগে তৃণমূলের দুই শিবিরের দ্বৈরথে দুই নতুন প্রতীকের আর্বিভাব ঘটল পশ্চিমবঙ্গের ভোট রাজনীতিতে! ‘কালীঘাট-শিবিরে’র প্রার্থীরা লড়বেন ‘ফুটবল খেলোয়াড়’ প্রতীকে। ‘খাম’ প্রতীকে লড়বে ‘ঋতব্রত-শিবির’। মমতা বন্দ্য়োপাধ্য়ায়ের শিবির লড়বে ‘মমতা সর্বভারতীয় তৃণমূল কংগ্রেস’ নামে। ঋতব্রতদের শিবির ভোট যুদ্ধ করবে ‘গণতান্ত্রিক তৃণমূল কংগ্রেস’ নামে।

    ঋতব্রত-দের প্রতীক কী

    কমিশনের নির্দেশিকার পর ঋতব্রত জানান, প্রতীকের ক্ষেত্রে তাঁদের প্রথম পছন্দকেই গুরুত্ব দেওয়া হয়েছে। কিন্তু এই নাম তাঁদের পছন্দের তালিকায় তৃতীয় ছিল। ঋতব্রতের কথায়, ‘‘আমাদের প্রথম পছন্দ ছিল, জাতীয়তাবাদী তৃণমূল কংগ্রেস। দ্বিতীয় পছন্দ ছিল পশ্চিমবঙ্গ তৃণমূল কংগ্রেস। কমিশন জানিয়েছে, প্রথম দুটো নাম কোনও কারণে দেওয়া সম্ভব নয়। প্রতীকের ক্ষেত্রে যা চেয়েছিলাম। তা-ই দেওয়া হয়েছে। কমিশনের যোগ্যতা নিয়ে আমাদের প্রশ্ন তোলার জায়গা নেই। তাদের নির্দেশকে সম্মান জানাই।’’ মমতা শিবিরের নামকরণকে কটাক্ষ করে ঋতব্রত আরও বলেন, ‘‘আমাদের দলের নামে কিন্তু কোনও ব্যক্তির নাম নেই। নৈব নৈব চ। আমাদের আলোচনার মধ্যেই ছিল না কোনও ব্যক্তির নাম। গণতন্ত্রে আমরা জোর দিচ্ছি। এটা কোনও ব্যক্তিগত মালিকানার দল নয়। তা গণতন্ত্রের পক্ষে ক্ষতিকর।’’

    কী ভাবছেন মমতাপন্থীরা

    অন্য দিকে, কমিশনের নির্দেশের পরেই সমাজমাধ্যমে ইঙ্গিতপূর্ণ পোস্ট করেছেন কালীঘাটপন্থী বিধায়ক কুণাল ঘোষ। পায়ে ফুটবল নিয়ে খেলোয়াড়ের পোশাক পরা নিজের ছবি দিয়েছেন তিনি। সঙ্গে লিখেছেন, ‘‘খেলা হবে। মমতাদির নামটাই যথেষ্ট। তৃণমূল কংগ্রেস তো তাঁরই সৃষ্টি, তাঁরই অধিকার।’’ আগামী ৬ অক্টোবর পূর্ব মেদিনীপুরের নন্দীগ্রাম এবং মুর্শিদাবাদের রেজিনগরে বিধানসভার উপনির্বাচন রয়েছে। সব পক্ষই তার জন্য প্রার্থীর নাম ঘোষণা করে দিয়েছে। কিন্তু তৃণমূলের দুই শিবির কোন প্রতীক বা নামে লড়বে, তা স্পষ্ট ছিল না। কমিশনের নির্দেশ সেই জল্পনাতে সিলমোহর দিল।

  • Vishwakarma Puja: বিশ্বকর্মা পুজোয় কেন ওড়ে ঘুড়ি? ‘ভোক্কাট্টা’র নেপথ্যে রয়েছে চমকপ্রদ ইতিহাস

    Vishwakarma Puja: বিশ্বকর্মা পুজোয় কেন ওড়ে ঘুড়ি? ‘ভোক্কাট্টা’র নেপথ্যে রয়েছে চমকপ্রদ ইতিহাস

    মাধ্যম নিউজ ডেস্ক: আজ বিশ্বকর্মা পুজো (Vishwakarma Puja)। আর বিশ্বকর্মা তথা দেবশিল্পীর পুজো মানেই দুর্গাপুজোর ফাইনাল কাউন্টডাউন শুরু। এই দিনটির আরও এক বিশেষ আকর্ষণ ঘুড়ি ওড়ানো (Kite Flying)। নীল আকাশের বুকে রং-বেরঙের ঘুড়ির মেলা—একসময় বিশ্বকর্মা পুজোর সঙ্গে যা ছিল অঙ্গাঙ্গিভাবে জড়িত।

    একটা সময় ছিল, যখন মানুষের ব্যস্ততা এত বিরামহীন ছিল না। সেই সময় কলকাতা তথা বাংলার আকাশে বিশ্বকর্মা পুজোর কয়েক দিন আগে থেকেই দখল নিতে শুরু করত ঘুড়ি। পুজোর দিন ভোর থেকেই বাচ্চা থেকে বয়স্ক—নাটাই, মাঞ্জাসুতো হাতে সকলে মেতে উঠতেন ঘুড়ির প্যাঁচের প্রতিযোগিতায়। সকাল থেকে বিকেল আকাশজুড়ে দেখা যেত ঘয়লা, পেটকাটি, চাপরাস, চাঁদিয়াল, মোমবাতি, ময়ূরপঙ্খী, বগ্গা-সহ নানা ধরনের ঘুড়ি। বাতাস মুখরিত হত একটাই শব্দে—‘ভোক্কাট্টা!’

    এখন অবশ্য সেই দিন অনেকটাই অতীত। ব্যস্ততার আড়ালে হারিয়ে গিয়েছে সেই উন্মাদনা ও আমেজ। শহরের আকাশে আগের মতো ঘুড়ির মেলাও আর দেখা যায় না। ইতিউতি কোথাও, এদিক-ওদিক ছড়িয়ে ছিটিয়ে ঘুড়ি ওড়ে (Kite Flying)। তবু বিশ্বকর্মা পুজোর সঙ্গে জড়িয়ে থাকা এই ঐতিহ্য আজও বাঙালির নস্টালজিয়ার অন্যতম অংশ।

    পুরাণ মতে কেন বিশ্বকর্মা পুজোয় ঘুড়ি ওড়ানো হয়?

    পুরাণ মতে, বিশ্বকর্মা হলেন দেবতাদের শিল্পী। স্বর্গে দেবতাদের যে কোনও ধরনের কারিগরি সহায়তার প্রয়োজন পড়লেই মুশকিল আসান একমাত্র বিশ্বকর্মা। প্রচলিত বিশ্বাস অনুযায়ী, এই বিশ্বকর্মাই দেবতাদের জন্য উড়ন্ত রথ তৈরি করেছিলেন। সেই উড়ন্ত রথের স্মৃতিকে ঘিরেই বিশ্বকর্মা পুজোর দিনে আকাশে ঘুড়ি ওড়ানোর রীতি তৈরি হয়েছে বলে মনে করা হয়।

    ঋগ্বেদের সঙ্গে যুক্ত ব্যাখ্যায় বিশ্বকর্মাকে সৃষ্টিশীলতা, নির্মাণ ও কারিগরি বিদ্যার সঙ্গে যুক্ত করা হয়। পুরাণের কাহিনিতে কৃষ্ণের বাসস্থান দ্বারকা নগরী নির্মাণের সঙ্গেও বিশ্বকর্মার নাম জড়িয়ে রয়েছে। সেই কারণেই শ্রমিক থেকে ইঞ্জিনিয়ার—কারিগরি ও নির্মাণের সঙ্গে যুক্ত মানুষের কাছে বিশ্বকর্মা পুজোর গুরুত্ব বরাবরই বিশেষ।

    বাংলায় কবে থেকে ঘুড়ি ওড়ানোর চল?

    ইতিহাসের বিভিন্ন বর্ণনা অনুযায়ী, বাংলায় ঘুড়ি ওড়ানোর প্রচলন ঊনবিংশ শতকের মাঝামাঝি সময় থেকে জোরালো হয়ে ওঠে। প্রায় ১৮৫০ সাল নাগাদ কলকাতা ও গ্রাম বাংলার কিছু বিত্তশালী জমিদার ঘুড়িতে টাকা বেঁধে ওড়াতেন বলে উল্লেখ পাওয়া যায়। সেই সময় সাধারণ মানুষের মধ্যে ঘুড়ি ওড়ানোর চল ততটা জনপ্রিয় ছিল না; মূলত ধনী ও অভিজাতদের মধ্যেই এই শখ সীমাবদ্ধ ছিল।

    তবে কলকাতায় ঘুড়ি ওড়ানোর সংস্কৃতির বিস্তারের সঙ্গে নবাব ওয়াজেদ আলি শাহের নামও জড়িয়ে রয়েছে। ১৮৫৬ সালে অওধের সিংহাসন হারিয়ে কলকাতায় আসেন তিনি। পরে মেটিয়াবুরুজে নিজের আবাস গড়ে তোলেন। তাঁর সঙ্গে কলকাতায় আসে লখনউয়ের নানা সাংস্কৃতিক রীতি ও বিনোদনের ধারা। তারই অন্যতম ছিল ঘুড়ি ওড়ানো ও ঘুড়ির লড়াই।

    ওয়াজেদ আলি শাহের মেটিয়াবুরুজের ‘ছোটা লখনউ’-এ ঘুড়ি ওড়ানো ক্রমশ জনপ্রিয় হয়ে ওঠে। পরে সেই সংস্কৃতি কলকাতার রাজা, জমিদার ও অভিজাত সমাজেও ছড়িয়ে পড়ে। ঐতিহাসিক সূত্রে এমনও উল্লেখ রয়েছে যে, সেই সময় ঘুড়ি ওড়ানো শুধু বিনোদন ছিল না, বরং আভিজাত্য ও ঐশ্বর্য প্রদর্শনেরও একটি মাধ্যম হয়ে উঠেছিল।

    আজ অবশ্য শহরের আকাশে সেই পুরনো দিনের মতো ঘুড়ির ভিড় নেই। উঁচু বহুতল, খোলা জায়গার অভাব, মানুষের ব্যস্ততা এবং মোবাইল-নির্ভর বিনোদনের কারণে কলকাতায় ঘুড়ি ওড়ানোর ঐতিহ্য অনেকটাই ফিকে হয়েছে বলে সাম্প্রতিক প্রতিবেদনগুলিতেও উঠে এসেছে।

    তবু বিশ্বকর্মা পুজোর দিনে নীল আকাশে হঠাৎ কোনও রঙিন ঘুড়ি ভেসে উঠলে আজও যেন ফিরে আসে পুরনো কলকাতার সেই দিনগুলি। নাটাই হাতে ছাদে দাঁড়ানো ছোট-বড় সকলের চোখে তখন একটাই অপেক্ষা—কখন প্রতিপক্ষের ঘুড়ি কাটা যাবে, আর চারপাশে শোনা যাবে সেই চেনা ডাক—‘ভোক্কাট্টা!’

  • TMC Symbol Freeze: জোড়া ফুল চিহ্ন ছাড়াই লড়তে হবে মমতাকে! তৃণমূল কংগ্রেসের নাম ও প্রতীক ফ্রিজ করল কমিশন

    TMC Symbol Freeze: জোড়া ফুল চিহ্ন ছাড়াই লড়তে হবে মমতাকে! তৃণমূল কংগ্রেসের নাম ও প্রতীক ফ্রিজ করল কমিশন

    মাধ্যম নিউজ ডেস্ক: নন্দীগ্রাম ও রেজিনগরের উপনির্বাচনের আগে তৃণমূলের প্রতীক ফ্রিজ (TMC Symbol Freeze) করল নির্বাচন কমিশন। তৃণমূলের আঠাশ বছরের ইতিহাসে বড় ধাক্কা। অল ইন্ডিয়া তৃণমূল কংগ্রেস নামও ব্যবহার করা যাবে না। বেছে নিতে হবে বিকল্প নাম। অন্তর্বর্তী নির্দেশে এমনটাই জানিয়েছে নির্বাচন কমিশন। মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়ের হাতছাড়া হল নিজের তৈরি দলের নাম ও প্রতীক। ব্যবহার করতে পারবে না ঋতব্রত শিবিরও। দু-পক্ষকেই উপনির্বাচনে লড়তে হবে নতুন নাম ও প্রতীকে। শুক্রবার সকাল ১১টার মধ্যে নতুন নাম ও প্রতীক বেছে কমিশনকে জানাবে দু-পক্ষ।

    নির্বাচন কমিশন-এর অন্তর্বর্তী নির্দেশ

    বৃহস্পতিবার তৃণমূলের দুই শিবিরকেই ডেকে পাঠিয়েছিল নির্বাচন কমিশন (Election Commission)। দুই পক্ষের সঙ্গে বৈঠকের পর নির্বাচন কমিশন জানিয়েছে, ১৮ সেপ্টেম্বর সকাল ১১টার মধ্যে প্রস্তাবিত নাম ও প্রতীকের তালিকা জমা দিতে হবে দুই শিবিরকে। প্রত্যেক পক্ষকে তিনটি বিকল্প ও পছন্দের নাম নির্বাচন কমিশনে জমা দিতে নির্দেশ দেওয়া হয়েছে। তৃণমূল শব্দ ব্যবহার করে নাম দিতে পারবে দুই পক্ষ। তবে ‘অল ইন্ডিয়া তৃণমূল কংগ্রেস’ নামটি ব্যবহার করতে পারবে না কোনও পক্ষই। নিজেদের জন্য ভিন্ন ভিন্ন নাম বেছে নিতে পারবে দুই শিবিরই। চাইলে তাঁদের নাম মূল দল “সর্বভারতীয় তৃণমূল কংগ্রেস”-এর সঙ্গে যুক্ত করতে পারবে। এছাড়াও, উভয় পক্ষকে তাদের প্রার্থীদের জন্য তিনটি পছন্দের নির্বাচনী প্রতীকও জমা দিতে হবে। চলতি উপনির্বাচনের জন্য নির্বাচন কমিশন কর্তৃক বিজ্ঞাপিত অবাধ নির্বাচনী প্রতীকের তালিকা থেকে উভয় পক্ষের প্রার্থীদের পৃথক প্রতীক বরাদ্দ করা হবে। কমিশন চলতি উপনির্বাচনের জন্য এই অন্তর্বর্তীকালীন ব্যবস্থা নিয়েছে। চূড়ান্ত সিদ্ধান্ত না হওয়া পর্যন্ত এটি অব্যাহত থাকবে।

    ২৮ বছর পর জোড়া-ফুল প্রতীক নেই

    ১৯৯৮ সালের পর পথ চলা শুরু হয়েছিল তৃণমূলের (TMC)। ২৮ বছর পর পশ্চিমবঙ্গে কোনও ভোট হবে জোড়াফুল চিহ্ন ছাড়াই। উল্লেখ্য, দলের প্রতীক জোড়াফুল চিহ্ন নিজের হাতে এঁকেছিলেন মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়। সেই প্রতীকই এখন তাঁর হাতে রইল না। ঋতব্রত পন্থী বিধায়ক আখরুজ্জামান বলেন, “আমরা আশা করেছিলাম যে ঘাষের উপর জোড়াফুল প্রতীকটা আমাদেরই থাকবে। আমরাই পাব। কারণ মূল তৃণমূল কংগ্রেস আমরাই। বাংলার জনপ্রতিনিধির প্রায় ৮০ শতাংশ আমাদের সঙ্গে আছে। আর আমরা নির্বাচন কমিয়শনকে কাগজপত্রে দিয়ে প্রমাণ করার জন্য সক্ষমও হয়েছিলাম। কিন্তু জানিনা কেন এটা হল। যাই হোক আমরা স্বাগত জানাচ্ছি। তবে আশা করব আগামী দিনে ঘাষের উপর জোড়াফুল আমাদের সঙ্গে থাকবে। সেইভাবে আমরা এগোব।”অন্যদিকে কালীঘাট তৃণমূল শিবিরে থাকা সাংসদ কল্যাণ বন্দ্যোপাধ্যায় জানিয়েছেন , “এই অর্ডার আমরা মানছি না।”

  • Nandigram-Reginagar By Election: নন্দীগ্রাম-রেজিনগরে উপনির্বাচন, নামছে ৭১ কোম্পানি কেন্দ্রীয় বাহিনী! ১০০% বুথে ওয়েব কাস্টিং

    Nandigram-Reginagar By Election: নন্দীগ্রাম-রেজিনগরে উপনির্বাচন, নামছে ৭১ কোম্পানি কেন্দ্রীয় বাহিনী! ১০০% বুথে ওয়েব কাস্টিং

    মাধ্যম নিউজ ডেস্ক: পশ্চিমবঙ্গের দুই নজরকাড়া বিধানসভা কেন্দ্র নন্দীগ্রাম ও রেজিনগরের উপনির্বাচন ঘিরে নিরাপত্তা ব্যবস্থা আরও জোরদার করল নির্বাচন কমিশন। আগামী ৬ অক্টোবর এই দুই কেন্দ্রে ভোটগ্রহণ। তার আগে অবাধ ও শান্তিপূর্ণ ভোট নিশ্চিত করতে মোট ৭১ কোম্পানি কেন্দ্রীয় বাহিনী মোতায়েনের সিদ্ধান্ত নেওয়া হয়েছে। এর মধ্যে নন্দীগ্রামে থাকবে ৩৭ কোম্পানি এবং রেজিনগরে ৩৪ কোম্পানি বাহিনী।

    নির্বাচন কমিশনের তরফে মঙ্গলবার রাজ্যের মুখ্য নির্বাচনী আধিকারিকের দফতরকে কেন্দ্রীয় বাহিনী মোতায়েনের বিস্তারিত হিসাব জানানো হয়েছে। কমিশন জানিয়েছে, শুধু কেন্দ্রীয় বাহিনী মোতায়েনই নয়, নন্দীগ্রাম ও রেজিনগরের ১০০ শতাংশ বুথেই ওয়েব কাস্টিং করা হবে। ফলে ভোটগ্রহণের সময় বুথগুলির পরিস্থিতির উপর সরাসরি নজরদারির ব্যবস্থাও থাকছে।

    নন্দীগ্রামে ৩৭, রেজিনগরে ৩৪ কোম্পানি

    কমিশনের সিদ্ধান্ত অনুযায়ী, নন্দীগ্রাম বিধানসভা কেন্দ্রে মোতায়েন করা হবে ৩৭ কোম্পানি কেন্দ্রীয় বাহিনী। রেজিনগরে থাকবে ৩৪ কোম্পানি। অর্থাৎ দুই কেন্দ্রে সব মিলিয়ে ৭১ কোম্পানি বাহিনী মোতায়েন থাকছে। সাধারণত এক কোম্পানি কেন্দ্রীয় বাহিনীতে প্রায় ১০০ জন অফিসার ও জওয়ান থাকেন। সেই হিসেবে দুই কেন্দ্রে কয়েক হাজার কেন্দ্রীয় বাহিনীর সদস্য নিরাপত্তার দায়িত্বে থাকবেন।

    বর্তমানে পশ্চিমবঙ্গে নির্বাচনী প্রস্তুতির অংশ হিসেবে প্রায় ১০০ কোম্পানি কেন্দ্রীয় বাহিনী আগে থেকেই রয়েছে বলে কমিশন সূত্রে খবর। সেই বাহিনীর মধ্য থেকেই নন্দীগ্রাম ও রেজিনগরের জন্য ৭১ কোম্পানি নির্দিষ্ট করা হয়েছে।

    ১০০ শতাংশ বুথে ওয়েব কাস্টিং

    নিরাপত্তার পাশাপাশি প্রযুক্তিনির্ভর নজরদারিতেও জোর দিচ্ছে কমিশন। নন্দীগ্রাম ও রেজিনগরের প্রতিটি বুথে ওয়েব কাস্টিংয়ের ব্যবস্থা থাকবে। নন্দীগ্রামে মোট বুথ রয়েছে ২৮২টি এবং রেজিনগরে বুথের সংখ্যা ৩১৫টি। কেন্দ্রীয় বাহিনীর সদস্যরা বুথের পাশাপাশি সংলগ্ন স্পর্শকাতর এলাকাতেও নজরদারি চালাবেন। ভোটের আগে এলাকায় রুট মার্চ এবং এরিয়া ডমিনেশনের মাধ্যমে সাধারণ ভোটারদের মধ্যে নিরাপত্তার বার্তা পৌঁছে দেওয়ার পরিকল্পনাও রয়েছে।

    কেন উপনির্বাচন নন্দীগ্রাম ও রেজিনগরে?

    এ বারের বিধানসভা নির্বাচনে নন্দীগ্রাম এবং ভবানীপুর—দুই কেন্দ্র থেকেই জয় পেয়েছিলেন শুভেন্দু অধিকারী। পরে ভবানীপুরের বিধায়ক হিসেবে মুখ্যমন্ত্রী পদে শপথ নেওয়ার পর নন্দীগ্রাম আসনটি ছেড়ে দেন তিনি। ফলে নন্দীগ্রাম বিধানসভা কেন্দ্রে উপনির্বাচন প্রয়োজন হয়।

    অন্যদিকে, রেজিনগর আসনটি খালি হয়েছে আম জনতা উন্নয়ন পার্টি (এজেইউপি)-র প্রধান হুমায়ুন কবীরের পদত্যাগের পর। তিনিও রেজিনগরের পাশাপাশি নওদা কেন্দ্র থেকে জয়ী হয়েছিলেন। পরে নওদা আসনটি রেখে রেজিনগর ছেড়ে দেন তিনি।

    তৃণমূলের প্রতীক-জটিলতায় নজর

    নন্দীগ্রাম ও রেজিনগরের উপনির্বাচনে রাজনৈতিক লড়াইয়ের পাশাপাশি তৃণমূলের প্রতীক নিয়েও তৈরি হয়েছে নতুন জটিলতা। জোড়াফুল প্রতীক নিয়ে কালীঘাট ও ঋতব্রত বন্দ্যোপাধ্যায়—দুই শিবিরের দাবির প্রেক্ষিতে নির্বাচন কমিশন উভয় পক্ষের সঙ্গে বৈঠক করেছে। তবে প্রতীক নিয়ে চূড়ান্ত সিদ্ধান্ত এখনও হয়নি।

    এই পরিস্থিতিতেই দুই শিবির আলাদা করে প্রার্থী ঘোষণা করেছে। কালীঘাট তৃণমূলের তরফে নন্দীগ্রামে সঞ্চিতা প্রধান (দে) এবং রেজিনগরে রবিউল আলম চৌধুরীকে প্রার্থী করা হয়েছে। অন্যদিকে ঋতব্রত বন্দ্যোপাধ্যায় শিবির নন্দীগ্রামে মহম্মদ এতেশামুল হক এবং রেজিনগরে সফিউদ্দিন শেখকে প্রার্থী করেছে।

    ফলে প্রতীক সংক্রান্ত সিদ্ধান্তের দিকে যেমন রাজনৈতিক মহলের নজর রয়েছে, তেমনই দুই কেন্দ্রের নিরাপত্তা ও ভোটগ্রহণ প্রক্রিয়াও কমিশনের কাছে গুরুত্বপূর্ণ হয়ে উঠেছে।

    ৬ অক্টোবর ভোট, ৯ অক্টোবর গণনা

    নির্বাচন কমিশনের নির্ঘণ্ট অনুযায়ী, নন্দীগ্রাম ও রেজিনগর-সহ চার রাজ্য ও একটি কেন্দ্রশাসিত অঞ্চলের মোট ছয়টি বিধানসভা কেন্দ্রে আগামী ৬ অক্টোবর উপনির্বাচন হবে। ভোটগণনা হবে ৯ অক্টোবর

    নির্ঘণ্ট অনুযায়ী, আজ, ১৬ সেপ্টেম্বর মনোনয়ন জমা দেওয়ার শেষ দিন। ১৭ সেপ্টেম্বর মনোনয়নপত্র পরীক্ষা হবে এবং ১৯ সেপ্টেম্বর পর্যন্ত প্রার্থীরা মনোনয়ন প্রত্যাহার করতে পারবেন। এরপরই দুই কেন্দ্রের চূড়ান্ত প্রার্থী তালিকা স্পষ্ট হবে।

    নন্দীগ্রামে পুলিশ পর্যবেক্ষকের দায়িত্বে রয়েছেন হরি লাল চৌহান এবং সাধারণ পর্যবেক্ষক সন্তোষ দাস। রেজিনগরে পুলিশ পর্যবেক্ষক হিসেবে রয়েছেন এম বি বোরলিঙ্গাইয়া এবং সাধারণ পর্যবেক্ষক হর্ষল পঞ্চোলী।

    নন্দীগ্রাম ও রেজিনগরের রাজনৈতিক গুরুত্ব এবং আসন্ন উপনির্বাচনকে ঘিরে প্রতিদ্বন্দ্বিতার আবহে কমিশনের এই বিপুল নিরাপত্তা আয়োজনের ফলে ভোটের প্রস্তুতি এখন আরও তুঙ্গে।

  • Kidney disease in India: ভারতে ১৬ শতাংশ মানুষ কিডনির রোগে আক্রান্ত! কোন ৪ অভ্যাসে বাড়ছে অসুখের ঝুঁকি?

    Kidney disease in India: ভারতে ১৬ শতাংশ মানুষ কিডনির রোগে আক্রান্ত! কোন ৪ অভ্যাসে বাড়ছে অসুখের ঝুঁকি?

    তানিয়া বন্দ্যোপাধ্যায় পাল

    ভারতে বাড়ছে কিডনির রোগ! ভারতীয়দের একাংশ ক্রনিক কিডনি ডিজিজে আক্রান্ত হচ্ছেন। কিডনির সমস্যা বয়সের সীমানায় আটকে থাকছে না। তরুণ প্রজন্মের মধ্যেও কিডনির রোগের প্রকোপ দেখা দিচ্ছে। যা নিয়ে উদ্বিগ্ন স্বাস্থ্য মহল। চিকিৎসকদের একাংশ জানাচ্ছেন, আগাম সতর্কতা না নিলে দীর্ঘ সুস্থ জীবনযাপন সম্ভব নয়। এমনকি সংসদীয় কমিটিতেও সম্প্রতি এই নিয়ে আলোচনা হয়েছে।

    কেন উদ্বিগ্ন চিকিৎসক মহল?

    বিশ্বের একাধিক পরিসংখ্যান জানাচ্ছে, বিশ্বের বিভিন্ন উন্নত দেশে কিডনির রোগের প্রকোপ বাড়ছে। বাদ নেই ভারতও। আধুনিক ব্যস্ত জীবনের সঙ্গী হয়ে আসছে নানান রোগ। তেমনি একটি জটিল শারীরিক সমস্যা হল কিডনির রোগ।

    কিডনির ক্রনিক অসুখে আক্রান্ত হচ্ছেন ৩০ থেকে ৮০—যেকোনও বয়সের মানুষ। কম বয়সিদের মধ্যে উদ্বেগজনক হারে কিডনির অসুখ বাড়ছে। আর তার ফলেই জটিলতা আরও বাড়ছে।

    সম্প্রতি আন্তর্জাতিক বিজ্ঞান বিষয়ক পত্রিকা ‘নেফ্রোলজি’-তে প্রকাশিত এক প্রতিবেদনে জানানো হয়েছে, ১৬ শতাংশ ভারতীয় কিডনির অসুখে ভুগছেন। বিশ্বের মোট কিডনির অসুখে আক্রান্তের একটি বড় অংশ ভারতীয়।

    শহরের পাশাপাশি গ্রামীণ ভারতেও কিডনির অসুখের প্রকোপ মারাত্মক। গত কয়েক বছরে গ্রামে কিডনির অসুখে আক্রান্তের সংখ্যা শহুরে পরিসংখ্যানকে ছাপিয়ে গিয়েছে।

    কেন ভারতীয়দের মধ্যে কিডনির অসুখ বাড়ছে?

    ডায়াবেটিসের প্রকোপ বাড়ছে!

    চিকিৎসকদের একাংশ জানাচ্ছেন, ভারতীয়দের মধ্যে ডায়াবেটিসের প্রকোপ মারাত্মক। খুব কম বয়সে, এমনকি স্কুল পড়ুয়াদের মধ্যেও ডায়াবেটিসের প্রকোপ দেখা দিচ্ছে।

    ১৫ বছরের কম বয়সিদের মধ্যেও টাইপ-২ ডায়াবেটিসের দাপট উদ্বেগজনক। আর তার জেরেই কিডনির অসুখের প্রকোপও বাড়ছে।

    রক্তে শর্করার পরিমাণ বেশি থাকলে কিডনির উপর চাপ বাড়ে। কিডনির কার্যকারিতাও কমে। তাই ডায়াবেটিস নিয়ন্ত্রণ করতে না পারলে কিডনির অসুখের বোঝা কমানো যাবে না।

    উচ্চ রক্তচাপের সমস্যা!

    ভারতীয়দের মধ্যে উচ্চ রক্তচাপের সমস্যাও বাড়ছে। তরুণ প্রজন্মের মধ্যে এই সমস্যা আরও বেশি।

    অস্বাস্থ্যকর জীবনযাপন এবং লাগাতার মানসিক চাপের জেরেই তরুণ ভারতীয়দের মধ্যে উচ্চ রক্তচাপের সমস্যা বাড়ছে বলে চিকিৎসকদের একাংশের মত।

    উচ্চ রক্তচাপ কিডনির কার্যক্ষমতা নষ্ট করে। তাই ভারতীয়দের কিডনির রোগ বেড়ে যাওয়ার অন্যতম কারণ হিসেবে উচ্চ রক্তচাপে আক্রান্ত হওয়ার বিষয়টিও উঠে আসছে।

    অতিরিক্ত ধূমপান!

    ধূমপান একাধিক রোগের কারণ। মুখ ও গলার ক্যান্সার, ফুসফুসের একাধিক সংক্রমণ এবং ক্যান্সারের নেপথ্যে থাকে ধূমপানের মতো অস্বাস্থ্যকর অভ্যাস।

    তেমনি কিডনির অসুখের কারণ হিসাবেও ধূমপানের অভ্যাসের কথা জানাচ্ছেন চিকিৎসকদের একাংশ। তাঁদের বক্তব্য, ধূমপান স্বাস্থ্যের পক্ষে ক্ষতিকারক।

    বয়ঃসন্ধিকাল থেকেই অনেকের মধ্যে ধূমপানের অভ্যাস তৈরি হচ্ছে। যার ফলে পরবর্তী জীবনে একাধিক রোগ দেখা দিচ্ছে। ধূমপান কিডনির একাধিক জটিল অসুখের ঝুঁকি বাড়াতে পারে।

    চিকিৎসকের পরামর্শ ছাড়া অতিরিক্ত ওষুধ সেবন!

    ভারতে অন্যতম বড় অসচেতনতা হল, ইচ্ছেমতো ওষুধ খাওয়ার অভ্যাস। জ্বর, গায়ে ব্যথা, মাথা যন্ত্রণা বা হজমের গোলমাল—যে কোনও সমস্যায় অনেকে বিশেষজ্ঞের পরামর্শ ছাড়াই ওষুধ কিনে খান।

    দীর্ঘমেয়াদি এই অভ্যাস অত্যন্ত বিপজ্জনক বলেই জানাচ্ছেন চিকিৎসকদের একাংশ। তাঁদের বক্তব্য, ইচ্ছেমতো ওষুধ খাওয়ার জেরে শরীরে মারাত্মক প্রভাব পড়তে পারে।

    বিশেষত ব্যথা কমানোর ওষুধ বা পেনকিলারের অতিরিক্ত ব্যবহারের প্রভাব কিডনির উপর পড়তে পারে। লাগামছাড়া ভাবে বিশেষজ্ঞের পরামর্শ ছাড়া পেনকিলারের মতো ওষুধ খেলে কিডনির অসুখের ঝুঁকি বাড়তে পারে।

    কিডনির অসুখ নিয়ে কী নয়া সুপারিশ সংসদীয় কমিটির?

    সম্প্রতি সংসদীয় কমিটিতে ভারতে কিডনির অসুখের প্রকোপ বৃদ্ধি নিয়ে আলোচনা হয়েছে। সেখানে কমিটির সদস্যেরা উদ্বেগ প্রকাশ করেছেন।

    তরুণ প্রজন্মের মধ্যে এই রোগের প্রকোপ বৃদ্ধি হওয়ায় পরিস্থিতি আরও উদ্বেগজনক বলেই তাঁরা জানিয়েছেন। তাঁদের পরামর্শ, কিডনির অসুখ রুখতে নিয়মিত স্বাস্থ্য পরীক্ষা জরুরি।

    ২০ বছর বয়স থেকেই বছরে নিয়ম মেনে কিডনির পরীক্ষা করানোর পরামর্শ দেওয়া হয়েছে। কিডনির রোগ রয়েছে কি না, তা প্রথম পর্বেই জানা গেলে জটিলতা কমানোর সুযোগ থাকবে।

    বিশেষজ্ঞদের পরামর্শ, নির্দিষ্ট কিছু রক্ত পরীক্ষার মাধ্যমে কিডনির অসুখের প্রাথমিক ইঙ্গিত পাওয়া যায়। কিডনি ঠিকমতো ফিল্টার করতে পারছে কি না, নির্দিষ্ট কিছু শারীরিক পরীক্ষার মাধ্যমে সেটাও বোঝা সম্ভব।

    তাই কিডনির অসুখের জটিলতা রুখতে প্রতি বছর শারীরিক পরীক্ষা করানো জরুরি বলে মনে করছেন বিশেষজ্ঞরা।

    কম বয়সিদের মধ্যে কিডনির অসুখ নিয়ে বাড়তি সচেতনতা প্রয়োজন বলেই জানিয়েছে সংসদীয় কমিটি। তাঁদের বক্তব্য, ভবিষ্যতের ভারতের উন্নতির জন্য তরুণ প্রজন্মের দীর্ঘ ও সুস্থ জীবন নিশ্চিত করতে হবে।

    একদিকে রোগ নিয়ে সচেতনতা প্রয়োজন। তাহলে আক্রান্ত হওয়ার ঝুঁকি কমানো সম্ভব। আবার রোগ হয়েছে কি না, সেটাও যাচাই করা জরুরি। তবেই প্রাথমিক পর্ব থেকেই রোগের মোকাবিলা করা যাবে।

LinkedIn
Share