Tag: Madhyom

Madhyom

  • Independence Day: স্বাধীনতা দিবসের আগে দিল্লিতে হাই অ্যালার্ট, ১৯ মোস্ট ওয়ান্টেড জঙ্গির পোস্টার প্রকাশ পুলিশের

    Independence Day: স্বাধীনতা দিবসের আগে দিল্লিতে হাই অ্যালার্ট, ১৯ মোস্ট ওয়ান্টেড জঙ্গির পোস্টার প্রকাশ পুলিশের

    মাধ্যম নিউজ ডেস্ক: স্বাধীনতা দিবসের আগে নিরাপত্তার চাদরে মুড়ে ফেলা হচ্ছে রাজধানী দিল্লিকে। ১৫ অগাস্টকে কেন্দ্র করে সম্ভাব্য নাশকতা রুখতে নিরাপত্তা ব্যবস্থা আরও জোরদার করেছে দিল্লি পুলিশ। এরই মধ্যে আমজনতাকে সতর্ক করতে রাজধানীর বিভিন্ন গুরুত্বপূর্ণ ও জনবহুল এলাকায় ১৯ জন ‘মোস্ট ওয়ান্টেড’ জঙ্গির ছবি ও পরিচয়-সংক্রান্ত তথ্য-সহ পোস্টার লাগানো হয়েছে। সাধারণ মানুষের কাছে তাদের সম্পর্কে কোনও তথ্য থাকলে পুলিশকে জানানোর আবেদনও করা হয়েছে। পুলিশ সূত্রে খবর, পোস্টারে ইন্ডিয়ান মুজাহিদিন, আল-কায়দা এবং বিভিন্ন খালিস্তানি জঙ্গি সংগঠনের সঙ্গে যুক্ত একাধিক ওয়ান্টেড জঙ্গির ছবি রয়েছে। তাঁদের সন্ধান পেতে তথ্য দিলে উপযুক্ত পুরস্কারের কথাও জানানো হয়েছে।

    কোন কোন জঙ্গি পুলিশের নজরে?

    দিল্লি পুলিশের প্রকাশিত তালিকায় ইন্ডিয়ান মুজাহিদিনের সঙ্গে যুক্ত রিয়াজ ভাটকল এবং শাবানদ্রি মহম্মদ ইকবাল ওরফে ইকবাল ভাটকলের নাম রয়েছে। আল-কায়দার সঙ্গে যুক্ত মহম্মদ শারজিল আখতার, আবু সুফিয়ান এবং সৈয়দ মহম্মদ আরশিয়ান-এর ছবিও পোস্টারে রাখা হয়েছে। খালিস্তানি জঙ্গিদের মধ্যে খালিস্তান জিন্দাবাদ ফোর্স (KZF)-এর সঙ্গে যুক্ত রঞ্জিত সিং ওরফে নীতা এবং পরমজিৎ সিং পাম্মা-র নাম রয়েছে। এছাড়াও খালিস্তান টাইগার ফোর্স (KTF)-এর সঙ্গে যুক্ত আরশদীপ সিং ওরফে আরশ ডালা-র ছবিও প্রকাশ করা হয়েছে। বাব্বর খালসা ইন্টারন্যাশনাল (BKI)-এর সঙ্গে যুক্ত বলে চিহ্নিত হরবিন্দর সিং সান্ধু ওরফে রিন্ডা, ওয়াধাওয়া সিং বাব্বর এবং গুরমিত সিং বাগ্গা-র নামও রয়েছে পুলিশের প্রকাশিত তালিকায়।

    কেন পোস্টার লাগানো হলো?

    স্বাধীনতা দিবসের আগে রাজধানীতে এ ধরনের পোস্টার সাঁটানো নতুন নয়। ১৫ অগeস্ট ও ২৬ জানুয়ারির মতো গুরুত্বপূর্ণ জাতীয় অনুষ্ঠানের আগে নিরাপত্তা ব্যবস্থা জোরদার করার অংশ হিসেবেই সাধারণত সন্দেহভাজন বা ওয়ান্টেড জঙ্গিদের ছবি জনসমক্ষে তুলে ধরা হয়। এ বারও দিল্লি পুলিশের লক্ষ্য, ওই ব্যক্তিদের সম্পর্কে কোনও তথ্য সাধারণ মানুষের কাছে থাকলে তা দ্রুত নিরাপত্তা সংস্থার কাছে পৌঁছনো। পুলিশ জানিয়েছে, সন্দেহজনক কোনও ব্যক্তি বা কার্যকলাপ চোখে পড়লে নাগরিকদের সতর্ক থাকতে হবে এবং দ্রুত কর্তৃপক্ষকে জানাতে হবে। তবে, পুলিশের এই পদক্ষেপের উদ্দেশ্য শুধু নজরদারি বাড়ানো নয়, সাধারণ মানুষকেও সম্ভাব্য নিরাপত্তা হুমকি সম্পর্কে সতর্ক করা। পুলিশ সূত্রে খবর, স্বাধীনতা দিবসে হামলার আশঙ্কায় দিল্লি জুড়ে চূড়ান্ত সতর্কতা জারি করা হল। গোয়েন্দা সূত্রে খবর আসার পরই স্বাধীনতা দিবসের আগে রাজধানীতে নিরাপত্তা আঁটোসাঁটো করা হল।

    সংবেদনশীল এলাকায় নজরদারি বৃদ্ধি

    স্বাধীনতা দিবসের আগে রাজধানীর নিরাপত্তা ব্যবস্থায় কোনও ফাঁক রাখতে চাইছে না দিল্লি পুলিশ। রেলস্টেশন, বাস টার্মিনাল, জনবহুল বাজার, ধর্মীয় স্থান এবং অন্যান্য গুরুত্বপূর্ণ ও সংবেদনশীল এলাকায় নজরদারি বাড়ানো হয়েছে। নিরাপত্তা সংস্থাগুলির সঙ্গে সমন্বয়ও আরও বাড়ানো হয়েছে। সন্দেহজনক ব্যক্তি, বস্তু বা গতিবিধির উপর বিশেষ নজর রাখা হচ্ছে। দিল্লির গুরুত্বপূর্ণ এলাকাগুলিতে অতিরিক্ত পুলিশ মোতায়েনের পাশাপাশি বিভিন্ন স্তরে নিরাপত্তা পরিকাঠামো খতিয়ে দেখা হচ্ছে। স্বাধীনতা দিবসের আগে দিল্লি মেট্রোতেও নিরাপত্তা বাড়ানো হয়েছে। স্বাধীনতা দিবসের নিরাপত্তা নিশ্চিত করতে দিল্লি পুলিশ পার্শ্ববর্তী রাজ্যগুলির পুলিশের সঙ্গেও সমন্বয় বাড়িয়েছে। দিল্লির পাশাপাশি দেশের পশ্চিম সীমান্তেও নিরাপত্তা বাড়ানো হয়েছে।

    রেড ফোর্টে বিশেষ নজর

    স্বাধীনতা দিবসের মূল অনুষ্ঠান হবে দিল্লির লালকেল্লায়। সেখান থেকেই প্রধানমন্ত্রী নরেন্দ্র মোদি জাতীয় পতাকা উত্তোলন করে দেশবাসীর উদ্দেশে ভাষণ দেবেন। ফলে লালকেল্লা ও তার আশপাশের এলাকায় নিরাপত্তা ব্যবস্থাকে সর্বোচ্চ গুরুত্ব দেওয়া হচ্ছে। একাধিক নিরাপত্তা সংস্থার অন্তত ১৫,০০০ থেকে ২০,০০০ কর্মীকে ওই এলাকায় মোতায়েন করা হবে বলে মনে করা হচ্ছে। নিরাপত্তা জোরদার করতে এবং জনবহুল এলাকায় অপরাধমূলক কর্মকাণ্ডে জড়িত ব্যক্তিদের শনাক্ত করতে দিল্লি পুলিশ প্রথম বারের মতো তাদের ‘ফেসিয়াল রিকগনিশন সিস্টেমে’র পাশাপাশি ‘অভিজ্ঞান অ্যাপ’ ব্যবহার করবে। উত্তর দিল্লির ডেপুটি কমিশনার অব পুলিশ (ডিসিপি) রাজা বানথিয়া বলেছেন, বেশ কয়েক দিন ধরেই নিরাপত্তার প্রস্তুতি চলছে এবং এতে দিল্লি পুলিশ, আধাসামরিক বাহিনী, ন্যাশনাল সিকিউরিটি গার্ড (এনএসজি) এবং অন্যান্য সংস্থার কর্মীরা অংশ নেবেন। নিরাপত্তা ব্যবস্থায় ভিডিয়ো অ্যানালিটিক্স এবং ফেসিয়াল রিকগনিশন সিস্টেমযুক্ত সিসিটিভি ক্যামেরা অন্তর্ভুক্ত রয়েছে। এই ব্যবস্থা দূর থেকে মুখাবয়ব চিহ্নিত করতে পারে।

    সাধারণ মানুষকে পরামর্শ

    নিরাপত্তা সংস্থাগুলির তরফে সাধারণ মানুষকে অযথা আতঙ্কিত না হয়ে সতর্ক থাকার পরামর্শ দেওয়া হয়েছে। বিশেষ করে জনবহুল জায়গায় কোনও পরিত্যক্ত ব্যাগ বা সন্দেহজনক বস্তু পড়ে থাকতে দেখা গেলে সেটি স্পর্শ না করে পুলিশকে খবর দিতে বলা হয়েছে। একই সঙ্গে পোস্টারে থাকা ওয়ান্টেড ব্যক্তিদের সম্পর্কে কোনও নির্ভরযোগ্য তথ্য কারও কাছে থাকলে তা নিরাপত্তা সংস্থাকে জানানোর আবেদন করা হয়েছে। ১১২ নম্বরে ফোন করে তথ্য দেওয়া যাবে। এছাড়াও দিল্লি পুলিশের স্পেশাল সেল-এর সঙ্গেও যোগাযোগ করার আবেদন জানানো হয়েছে। পুলিশের তরফে জানানো হয়েছে, বিশ্বাসযোগ্য তথ্য প্রদানকারীকে উপযুক্ত পুরস্কার দেওয়া হবে এবং তাঁর পরিচয় গোপন রাখা হবে।

  • Rahul Gandhi: ঝাড়খণ্ডে পড়ুয়াদের ওপর হামলা, রাহুলের নীরবতা নিয়ে প্রশ্ন ধর্মেন্দ্র প্রধানের

    Rahul Gandhi: ঝাড়খণ্ডে পড়ুয়াদের ওপর হামলা, রাহুলের নীরবতা নিয়ে প্রশ্ন ধর্মেন্দ্র প্রধানের

    মাধ্যম নিউজ ডেস্ক: লোকসভার বিরোধী দলনেতা কংগ্রেসের রাহুল গান্ধীকে (Rahul Gandhi) নিশানা করলেন প্রাক্তন শিক্ষামন্ত্রী ধর্মেন্দ্র প্রধান। কংগ্রেস মিথ্যা রটাচ্ছে বলে অভিযোগ করার পাশাপাশি ঝাড়খণ্ডে (Jharkhand Parliament) পড়ুয়াদের ওপর হিংসার ঘটনায় রাহুলের নীরবতা নিয়েও প্রশ্ন তুলেছেন তিনি। সোমবার যন্তর মন্তরে বিক্ষোভকারীদের বিরুদ্ধে পুলিশি পদক্ষেপ নিয়ে সংসদে কেন্দ্রীয় স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী অমিত শাহকে বিবৃতি দেওয়ার দাবি করেছিলেন রাহুল। তার পরের দিনই কংগ্রেস এবং রাহুলকে নিশানা করেন ধর্মেন্দ্র প্রধান। সোশ্যাল মিডিয়ায় করা এক পোস্টে ধর্মেন্দ্র প্রধান বলেন, ‘‘পড়ুয়াদের স্বার্থ নিয়ে কংগ্রেস ধারাবাহিকভাবে মিথ্যা রটিয়ে চলেছে। রাহুল গান্ধীর কাছে তথ্য নেই। যে বিরোধী দলনেতা অভ্যাসগতভাবে মিথ্যা বলেন, তিনি সংসদে আসতে বা জবাব শুনতেও চান না। তাঁরা শুধু নিজেদের মিথ্যা রটাতে এবং কুমিরের কান্না কাঁদতে চান।’’

    রাহুল গান্ধী নীরব কেন?’ (Rahul Gandhi)

    অমিত শাহের বিরুদ্ধে রাহুল ও কংগ্রেস ভিত্তিহীন ও মিথ্যা অভিযোগ তুলছে বলেও দাবি করেন ধর্মেন্দ্র প্রধান। তাঁর বক্তব্য, সংসদে যে কোনও বিষয় নিয়ে আলোচনার জন্য সরকার প্রস্তুত। কংগ্রেস সংসদের কাজ ব্যাহত করছে এবং দেশের ও যুবসমাজের স্বার্থের চেয়ে নিজেদের রাজনৈতিক স্বার্থকেই বেশি গুরুত্ব দিচ্ছে বলেও অভিযোগ করেন তিনি।এর পরেই ঝাড়খণ্ডের পরিস্থিতি নিয়ে রাহুলকে নিশানা করেন প্রধান। বলেন, ‘‘ঝাড়খণ্ডে পড়ুয়াদের ওপর যে বর্বরতা হয়েছে, তা গোটা দেশ দেখেছে। কিন্তু প্রশ্ন হল, যে রাহুল গান্ধী প্রতিটি বিষয় নিয়ে সাংবাদিক বৈঠক করেন, তিনি আজ নীরব কেন?’’ কংগ্রেস গণতন্ত্রের ক্ষেত্রে বাছাই করা নীতি অনুসরণ করে বলেও অভিযোগ করেন ধর্মেন্দ্র প্রধান। তাঁর দাবি, যেখানে কংগ্রেস ক্ষমতায় রয়েছে, সেখানে যুবকদের বিরুদ্ধে হিংসার আশ্রয় নেওয়া হয়। আবার রাজনৈতিক নজর কাড়ার প্রয়োজন হলে মিথ্যা এবং হইচইও করা হয়। তিনি বলেন, ‘‘দেশের যুবসমাজ কংগ্রেসের এই দ্বিচারিতা সম্পূর্ণভাবে বুঝে গিয়েছে।’’

    রাহুলকে সংসদে আলোচনায় যোগ দেওয়ার আহ্বান নাড্ডার

    সংসদে অচলাবস্থা নিয়ে রাহুলকে আক্রমণের একদিন পর ধর্মেন্দ্র প্রধানের এই মন্তব্য সামনে এল। কেন্দ্রীয় মন্ত্রী জেপি নাড্ডাও রাহুলের বিরুদ্ধে সংসদের কাজ ইচ্ছাকৃতভাবে ১৫ দিন ধরে ব্যাহত করার এবং দেশকে বিভ্রান্ত করার অভিযোগ তুলেছিলেন (Rahul Gandhi)। স্বাস্থ্যমন্ত্রী নাড্ডার দাবি, রাহুল গান্ধীর দাবির পর সরকার সংসদে নিট পরীক্ষার প্রশ্নপত্র ফাঁসের বিষয়টি নিয়ে আলোচনায় রাজি হয়েছিল। কিন্তু পরে রাহুল তাঁর দাবি বদলে ফেলেন। নাড্ডা বলেন, “যন্তর মন্তরের বিক্ষোভ নিয়ে কেন্দ্রীয় স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী অমিত শাহের বিবৃতি দাবি করছিলেন রাহুল। স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী তাঁর দাবিতে রাজি হওয়ার পর কংগ্রেস নেতা নিজের দাবিই বদলে ফেললেন এবং রাম মন্দিরের অনুদানে কথিত আর্থিক অনিয়ম নিয়ে আলোচনার দাবি তুলতে শুরু করলেন।” সংসদে আলোচনায় অংশ নেওয়ার জন্য রাহুলকে আহ্বান জানান নাড্ডাও। তিনি বলেন, ‘‘তিনি (রাহুল) আলোচনা থেকে পালিয়ে যাচ্ছেন কেন? আমি স্পষ্ট করে বলতে চাই, রাহুল গান্ধী, আলোচনা থেকে পালাবেন না। আমরা প্রস্তুত। সংসদের ভিতরে প্রতিটি বিষয় নিয়ে আলোচনা করতে আমরা প্রস্তুত। পালিয়ে যাবেন না।’’

    কংগ্রেসের বিরুদ্ধে জরুরি অবস্থার যুগের মানসিকতা নিয়ে চলার অভিযোগও করেন ধর্মেন্দ্র প্রধান। তাঁর বক্তব্য (Jharkhand Parliament), গণতান্ত্রিক ব্যবস্থায় স্বৈরতন্ত্রের কোনও ঠাঁই নেই। তিনি বলেন, ‘‘জরুরি অবস্থার যুগের মানসিকতা নিয়ে চলা রাহুল এবং কংগ্রেস পার্টির এটা ভালো করে বুঝে নেওয়া উচিত (Rahul Gandhi)।’’

  • Mangal Milan: ‘মঙ্গল মিলন’-এ মোদি-শাহদের হাতে তেরঙ্গা, ‘বন্দে মাতরম’ ধ্বনিতে মুখর সংসদ

    Mangal Milan: ‘মঙ্গল মিলন’-এ মোদি-শাহদের হাতে তেরঙ্গা, ‘বন্দে মাতরম’ ধ্বনিতে মুখর সংসদ

    মাধ্যম নিউজ ডেস্ক: সংসদের বাদল অধিবেশনের শেষ প্রান্তে মঙ্গলবার দেশাত্মবোধের আবহে বসেছিল এনডিএ-র সাপ্তাহিক সংসদীয় বৈঠক ‘মঙ্গল মিলন’ (Mangal Milan)। সংসদ ভবনের লাইব্রেরি বিল্ডিংয়ে আয়োজিত এই বৈঠকে প্রধানমন্ত্রী নরেন্দ্র মোদি, কেন্দ্রীয় স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী অমিত শাহ, বিজেপির সর্বভারতীয় সভাপতি নিতিন নবীন-সহ এনডিএ-র একাধিক শীর্ষ নেতা হাতে তেরঙ্গা নিয়ে জাতীয় পতাকা ওড়ান। অনুষ্ঠানে ‘বন্দে মাতরম’ স্লোগানে মুখর হয়ে ওঠে জিএমসি বালাযোগী অডিটোরিয়াম। ২০২৬ সালের বাদল অধিবেশনে এনডিএ-র এটাই ছিল শেষ সংসদীয় দলের বৈঠক। এর আগে এনডিএ-র সাপ্তাহিক সংসদীয় বৈঠকটি ‘মঙ্গল মিলন’ নামে পরিচিতি পেয়েছে। বৈঠকের মূল লক্ষ্য হল শরিক দলগুলির মধ্যে সংসদে যৌথ কৌশল নির্ধারণ, ফ্লোর ম্যানেজমেন্টে সমন্বয় বাড়ানো এবং অধিবেশনের বাকি সময়ের জন্য আইন প্রণয়নের অগ্রাধিকার চূড়ান্ত করা। এদিনের বৈঠকেও হাজির ছিলেন এনসিপিআই সাংসদেরা।

    বিরোধীদের বিরুদ্ধে সরব এনডিএ সাংসদরা

    ‘মঙ্গল মিলন’ বৈঠক শেষ হওয়ার পরই সংসদের দিকে মিছিল করে এগিয়ে যান এনডিএ-র সাংসদরা। তাঁদের হাতে ছিল বিরোধীদের বিরুদ্ধে লেখা বিভিন্ন প্ল্যাকার্ড। ছাত্র বিক্ষোভ ঘিরে ২০ জুলাই পুলিশের পদক্ষেপ নিয়ে কেন্দ্রীয় স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী অমিত শাহের বিবৃতির দাবিতে বিরোধীদের অবস্থানের বিরুদ্ধে সরব হন তাঁরা। এনডিএ সাংসদদের অভিযোগ, সরকার আলোচনার জন্য প্রস্তুত থাকা সত্ত্বেও বিরোধীরা সংসদ অচল করে দিচ্ছে এবং আলোচনায় অংশ নেওয়া থেকে পালিয়ে যাচ্ছে। সরকারের পক্ষ থেকে দাবি করা হয়েছে, স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী অমিত শাহ নিজেই এই বিষয়ে আলোচনায় অংশ নিয়ে বিরোধীদের বক্তব্যের জবাব দিতে প্রস্তুত।

    আলোচনায় প্রস্তুত কেন্দ্র

    এর আগে সোমবার সংসদীয় বিষয়ক মন্ত্রী কিরেন রিজিজু জানিয়েছিলেন, ছাত্র বিক্ষোভ এবং ২০ জুলাই পুলিশের পদক্ষেপ-সহ সংশ্লিষ্ট সমস্ত বিষয় নিয়ে সংসদে আলোচনার জন্য কেন্দ্র প্রস্তুত। রিজিজুর বক্তব্য, শুধু স্বরাষ্ট্রমন্ত্রীর বিবৃতি নয়, আলোচনায় বিরোধীরা যে সমস্ত বিষয় তুলবেন, তারও জবাব দেবেন অমিত শাহ। তবে একই সঙ্গে সংসদে হট্টগোল না করে নিয়ম মেনে আলোচনায় অংশ নেওয়ার জন্য বিরোধীদের আহ্বান জানান তিনি। সরকারের অবস্থান, ছাত্র বিক্ষোভ নিয়ে যে কোনও প্রশ্নের উত্তর দিতে তারা প্রস্তুত এবং বিরোধীরা যে বিষয়গুলি উত্থাপন করবেন, সেগুলির প্রতিটি পয়েন্টের জবাব দেওয়া হবে। অন্যদিকে, স্বরাষ্ট্রমন্ত্রীর বিবৃতির দাবিতে বিরোধীদের অবস্থানের জেরে বাদল অধিবেশনের একাধিক দিন সংসদের কার্যক্রমে বিঘ্ন ঘটেছে। ফলে অধিবেশনের শেষ পর্যায়ে সরকার ও বিরোধী শিবিরের সংঘাত আরও তীব্র হওয়ার সম্ভাবনা তৈরি হয়েছে।

  • NDA: ছাত্র আন্দোলন নিয়ে অযথা সংসদ অচল করছেন রাহুল, অভিযোগ এনডিএ সাংসদদের

    NDA: ছাত্র আন্দোলন নিয়ে অযথা সংসদ অচল করছেন রাহুল, অভিযোগ এনডিএ সাংসদদের

    মাধ্যম নিউজ ডেস্ক: বিরোধীদের লাগাতার অচলাবস্থার প্রতিবাদে মঙ্গলবার সংসদের দিকে মিছিল করলেন এনডিএ (NDA) সাংসদরা। তাঁদের হাতে ছিল বিভিন্ন স্লোগান লেখা প্ল্যাকার্ড। সেখানে লোকসভার বিরোধী দলনেতা রাহুল গান্ধীর বিরুদ্ধে ছাত্র আন্দোলন নিয়ে সংসদে বিতর্ক এড়িয়ে (Jharkhand) যাওয়ার অভিযোগও তোলা হয়।

    এনডিএর বিক্ষোভ (NDA)

    সাম্প্রতিক ছাত্র আন্দোলন এবং ঝাড়খণ্ডে বিক্ষোভকারীদের বিরুদ্ধে পুলিশের পদক্ষেপ ঘিরে সরকার ও বিরোধীদের মধ্যে টানাপোড়েনের মধ্যেই এই বিক্ষোভ হল। এই ঘটনাকে কেন্দ্র করে বারবার সংসদের অধিবেশন ব্যাহত হয়েছে। বিরোধীরা পুলিশের পদক্ষেপের ব্যাখ্যা দাবি করছে। এদিকে, রাহুল গান্ধী কেন্দ্রীয় স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী অমিত শাহের জবাবদিহি করেছেন। সরকার অবশ্য এই বিষয়ে সংসদে আলোচনার প্রস্তাব দিয়েছে এবং স্বরাষ্ট্রমন্ত্রীর জবাব দেওয়ার কথা রয়েছে।সোমবার ঝাড়খণ্ডে ঝাড়খণ্ড পাবলিক সার্ভিস কমিশন ও ঝাড়খণ্ড স্টাফ সিলেকশন কমিশনের পরীক্ষার্থীদের বিক্ষোভে পুলিশের লাঠিচার্জ এবং জলকামান ব্যবহারের ঘটনায়ও রাহুলের কাছে জবাব চেয়েছেন এনডিএ সাংসদরা। বিজেপি সাংসদ কঙ্গনা রানাউত বলেন, “এখন ওরা আলোচনা করতে অস্বীকার করছে। এর আগে ওরাই আলোচনার দাবি জানিয়েছিল—যে পদক্ষেপকে স্বাগত জানানো হয়েছিল। কিন্তু পরে ওরা পিছিয়ে গেল। ওরা দেশকে বিভ্রান্ত করছে। সংসদ চলতে দিচ্ছে না।”

    কী বলছে বিজেপি

    বিজেপি নেতা তরুণ চুঘ রাহুলের বিরুদ্ধে দ্বিচারিতার অভিযোগ তুলে বলেন, “এটি দ্বিচারিতার ঘটনা। ঝাড়খণ্ডে ছাত্রদের ওপর লাঠিচার্জের ঘটনায় রাহুল গান্ধী সংসদ থেকে পালিয়ে যাচ্ছেন এবং নীরব রয়েছেন। গোটা দেশ সব কিছু দেখছে (NDA)।” বিজেপি সাংসদ সাক্ষী মহারাজ বলেন, “পুরো বিরোধী দল কোনও ধরনের আলোচনাই চায় না। ছাত্রদের বিষয়টির ক্ষেত্রে তাদের নীতি এক এক জায়গায় এক এক রকম, এবং ঝাড়খণ্ডের ক্ষেত্রে সম্পূর্ণ আলাদা।” বিজেপি সাংসদ সঞ্জয় জয়সওয়াল বলেন, “আমরা আলোচনার জন্য প্রস্তুত, কিন্তু রাহুল গান্ধী প্রস্তুত নন। তিনিই লোকসভাকে অচল করে রেখেছেন। স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী জবাব দিতে প্রস্তুত।” বিজেপি সাংসদ মনোজ তিওয়ারি বলেন, “অমিত শাহজি জবাব দেবেন, রাহুল গান্ধী পালাবেন না… রাহুল গান্ধী লজ্জা করুন, ঝাড়খণ্ডে ছাত্রদের উপর এতটা বর্বরতা হয়েছে…”  অন্যদিকে, জাতীয়তাবাদী কংগ্রেস পার্টির সাংসদ রচনা বন্দ্যোপাধ্যায় বলেন, “সবাই তাঁদের (বিরোধীদের) কাছে জবাব চাইছে। তাঁদের জবাব দিতেই হবে।”

    গুলি চালানোর নির্দেশ কে দিয়েছিল

    এর আগে সোমবার রাহুল জানিয়েছিলেন, বিরোধীরা অমিত শাহের মতামত শুনতে আগ্রহী নয়। বরং পুলিশের দমন-পীড়নের নির্দেশ কে দিয়েছিলেন, তা জানতে চান বিরোধীরা। রাহুল বলেন, “অমিত শাহের সংসদে এসে আমাদের সামনে দাঁড়ানোর সাহস নেই। গত ১৫ দিনে তাঁরা সেটাই দেখিয়েছেন। নরেন্দ্র মোদি কিংবা অমিত শাহ—কারও সাহস নেই… তাঁর মতামত নিয়ে কারও আগ্রহ নেই। আমরা শুধু জানতে চাই, গুলি চালানোর নির্দেশ কে দিয়েছিল। তিনি যদি নির্দেশ না দিয়ে থাকেন, তাহলে স্বরাষ্ট্রমন্ত্রকের কে সেই নির্দেশ দিয়েছিলেন? আমরা জানতে চাই, এর দায় কার, নাকি এটি অদক্ষতার ফল?” টানা কয়েক দিন ধরে সরকার ও বিরোধী দলগুলির মধ্যে এই সংঘাতের জেরে (Jharkhand) সংসদের অধিবেশন ব্যাহত হওয়ার পর সরকার ফের জানিয়েছে, তারা সংসদে বিষয়টি নিয়ে আলোচনায় প্রস্তুত। অন্যদিকে, বিরোধীরা পুলিশের পদক্ষেপের নির্দেশদাতা এবং তার দায়বদ্ধতা নিয়ে সরাসরি জবাব দাবি করছে (NDA)।

     

  • RSS: অন্ধ্রপ্রদেশে সংঘ-প্রাণিত ৩২ সংগঠনের বার্ষিক সমন্বয় বৈঠক, আলোচনায় জনসংখ্যার ভারসাম্য-পঞ্চ পরিবর্তন

    RSS: অন্ধ্রপ্রদেশে সংঘ-প্রাণিত ৩২ সংগঠনের বার্ষিক সমন্বয় বৈঠক, আলোচনায় জনসংখ্যার ভারসাম্য-পঞ্চ পরিবর্তন

    মাধ্যম নিউজ ডেস্ক: এ বছর রাষ্ট্রীয় স্বয়ংসেবক সংঘের (আরএসএস) প্রেরণায় পরিচালিত বিভিন্ন সংগঠনের বার্ষিক অখিল ভারতীয় সমন্বয় বৈঠক (RSS) অনুষ্ঠিত হতে চলেছে অন্ধ্রপ্রদেশের বিশাখাপত্তনম জেলার গুডিলোভায়। আগামী ১৯ থেকে ২১ অগাস্ট এই (Akhil Bharatiya Samanvay Baithak) তিন দিন ধরে হবে এই বৈঠক। হিন্দু পঞ্জিকা অনুযায়ী, দিনগুলি যুগাব্দ ৫১২৮, বিক্রম সংবৎ ২০৮৩ এবং শ্রাবণ শুক্ল সপ্তমী, অষ্টমী ও নবমী।

    বৈঠকে অংশ নেবে কারা (RSS)

    এই বৈঠকে সংঘের প্রেরণায় পরিচালিত মোট ৩২টি সংগঠন অংশ নেবে। সংশ্লিষ্ট সংগঠনগুলির অখিল ভারতীয় সভাপতি, সাধারণ সম্পাদক, সংগঠন সম্পাদক এবং নির্বাচিত পদাধিকারীরা বৈঠকে উপস্থিত থাকবেন। দীর্ঘ কয়েক বছর ধরে এই সংগঠনগুলি দেশের সামাজিক জীবনে সক্রিয়ভাবে কাজ করে চলেছে। জনজীবনের বিভিন্ন সমস্যা সমাধানের পাশাপাশি জাতীয় স্বার্থে জনসচেতনতা গড়ে তোলা এবং ব্যবস্থার প্রয়োজনীয় সংস্কার ও পরিবর্তনের জন্য দীর্ঘমেয়াদি কর্মসূচি চালিয়ে যাচ্ছে সংগঠনগুলি। বৈঠকে সংশ্লিষ্ট সংগঠনগুলি নিজেদের কাজের বিষয়ে বিস্তারিত তথ্য তুলে ধরবে। পাশাপাশি বিভিন্ন গুরুত্বপূর্ণ বিষয়ে তাদের পর্যবেক্ষণ ও মতামত পেশ করা হবে। সব সংগঠনের মধ্যে পারস্পরিক সমন্বয় ও সহযোগিতাকে আরও কার্যকর করার বিষয়েও আলোচনা হবে। জনকল্যাণ এবং নীতি-সংক্রান্ত বিভিন্ন বিষয় নিয়েও মতামত বিনিময় হওয়ার কথা রয়েছে।

    বৈঠকে আলোচ্যসূচি

    বর্তমান পরিস্থিতির সঙ্গে সম্পর্কিত একাধিক গুরুত্বপূর্ণ বিষয় বৈঠকের আলোচনায় ঠাঁই পাবে বলে জানা গিয়েছে। এর মধ্যে রয়েছে জনসংখ্যাগত ভারসাম্যহীনতা, নেশামুক্তি, যুবসমাজের মধ্যে সচেতনতা বৃদ্ধি, ‘পঞ্চ পরিবর্তন’ কর্মসূচির বাস্তবায়ন এবং ভারতীয় দৃষ্টিভঙ্গিতে উন্নয়নের ধারণা (RSS)। বৈঠকে রাষ্ট্রীয় স্বয়ংসেবক সংঘের সরসংঘচালক মোহন ভাগবত, সরকার্যবাহ দত্তাত্রেয় হোসাবলে, সমস্ত সহ-সরকার্যবাহ এবং অখিল ভারতীয় কার্যবিভাগের প্রধানরা উপস্থিত থাকবেন (Akhil Bharatiya Samanvay Baithak)। বৈঠকে ভারতীয় মজদুর সংঘ, ভারতীয় কিষান সংঘ, ভারতীয় জনতা পার্টি, বিশ্ব হিন্দু পরিষদ, অখিল ভারতীয় বিদ্যার্থী পরিষদ, সক্ষম এবং রাষ্ট্র সেবিকা সমিতি-সহ ৩২টি সংগঠনের গুরুত্বপূর্ণ পদাধিকারীরা অংশ নেবেন (RSS)।

     

  • RG Kar Incident: আরজি কর মামলায় দায়ের নতুন এফআইআর, তথ্যপ্রমাণ লোপাটে নির্মল ঘোষ-সহ ৩ জনের নামে অভিযোগ

    RG Kar Incident: আরজি কর মামলায় দায়ের নতুন এফআইআর, তথ্যপ্রমাণ লোপাটে নির্মল ঘোষ-সহ ৩ জনের নামে অভিযোগ

    মাধ্যম নিউজ ডেস্ক: মৃতদেহ কেন দ্রুত দাহ করা হয়েছিল? কেন নিহতের পরিবারের সই ছাড়াই দাহ করা হয়েছিল? মুখ্যমন্ত্রী শুভেন্দু অধিকারীর নির্দেশের পর আর জি কর কাণ্ডে (RG Kar Incident) এবার নতুন এফআইআর দায়ের করল পুলিশ। রাজ্যে সরকার বদলের পরই আরজি করের ফাইলস (RG Kar Files) নতুন করে খুলেছে। তদন্তের গতি বাড়িয়েছে সিবিআইও (CBI)। গত রবিবার চিকিৎসক-পড়ুয়ার দ্বিতীয় মৃত্যুবার্ষিকীতে পৃথক একটি এফআইআর দায়ের করে তদন্তের নির্দেশ দিয়েছিলেন মুখ্যমন্ত্রী (Suvendu Adhikari)। মুখ্যমন্ত্রীর নির্দেশ পেয়েই সোমবার ব্যারাকপুর পুলিশ কমিশনারেটে নতুন করে লিখিত অভিযোগ দায়ের করেন নির্যাতিতার বাবা। নয়া এফআইআরে (RG Kar New FIR) অপরাধমূলক ষড়যন্ত্র এবং তথ্যপ্রমাণ লোপাট করার মতো একাধিক গুরুতর অভিযোগ আনা হয়েছে।

    এফআইআর-এ কাদের নাম

    নতুন এফআইআর-এ নাম রয়েছে পানিহাটির প্রাক্তন তৃণমূল বিধায়ক নির্মল ঘোষ, পানিহাটি পুরসভার প্রাক্তন চেয়ারম্যান সোমনাথ দে এবং প্রাক্তন কাউন্সিলর সঞ্জীব মুখোপাধ্য়ায়ের। তাদের বিরুদ্ধে অপরাধমূলক ষড়যন্ত্র, বেআইনি ভাবে বাধাদান, তথ্যপ্রমাণ লোপাট-সহ একাধিক ধারায় মামলা করা হয়েছে। মুখ্যমন্ত্রীর অভিযোগ, ঘোলা থানার অন্তর্গত নাটাগড় কদমতলা শ্মশানে নির্যাতিতার দাহকার্য প্রক্রিয়ায় বেআইনি কাজ করা হয়েছিল। তিনি জানান, দাহকার্যের সিরিয়াল ৩ নম্বরে থাকলেও রাতারাতি তা বদলে ১ নম্বর করে তড়িঘড়ি সৎকার করা হয়। শ্মশানের নির্ধারিত খরচ পরিবারের লোক দেয়নি, এমনকি মৃতার পরিবারের কোনও ক্লোজ রিলেটিভ বা নিকটাত্মীয়ের বাধ্যতামূলক স্বাক্ষরও নেওয়া হয়নি। এই গুরুতর বেআইনি কর্মকাণ্ডের পেছনে সরাসরি প্রভাবশালী যোগের দাবি তুলে মুখ্যমন্ত্রী বলেন, “নির্মল ঘোষ, সোমনাথ দে এবং সঞ্জীব মুখার্জি মিলে এই পুরো কাণ্ডটি ঘটিয়েছেন।”

    মুখ্যমন্ত্রীর আশ্বাস

    রবিবার উত্তর ২৪ পরগনার পানিহাটির লোকসংস্কৃতি ভবনে নিহত চিকিৎসকের স্মরণে এক সভার আয়োজন করা হয়েছিল। সেখানে চিকিৎসকের মা-বাবার পাশাপাশি উপস্থিত ছিলেন মুখ্যমন্ত্রী। স্মরণসভা থেকেই মুখ্যমন্ত্রী ঘোষণা করেন যে, ব্যারাকপুরের পুলিশ কমিশনারের নেতৃত্বে একটি বিশেষ তদন্তকারী কমিটি গঠিত হবে, যা সম্পূর্ণ নতুন একটি মামলা দায়ের করে তদন্ত প্রক্রিয়া এগিয়ে নিয়ে যাবে। মুখ্যমন্ত্রী নিশ্চিত করেন যে, কর্তব্যে গাফিলতির অভিযোগে ইতিমধ্যেই পুলিশের শীর্ষ তিন আধিকারিকের বিরুদ্ধে কঠোর পদক্ষেপ করা হয়েছে। তাঁদের সাসপেন্ড করা হয়েছে। সিবিআই এবং আদালতের নিজস্ব প্রক্রিয়ার বাইরে গিয়ে এই পৃথক তদন্তের মাধ্যমে সমস্ত অস্পষ্ট প্রশ্নের উত্তর খোঁজা হবে।

  • 80th Independence Day: থিম ‘যুব শক্তি’! স্বাধীনতা দিবসে লালকেল্লায় প্রথম গাওয়া হবে ‘বন্দে মাতরম’

    80th Independence Day: থিম ‘যুব শক্তি’! স্বাধীনতা দিবসে লালকেল্লায় প্রথম গাওয়া হবে ‘বন্দে মাতরম’

    মাধ্যম নিউজ ডেস্ক: স্বাধীনতা দিবসে (80th Independence Day) লালকেল্লায় (Red Fort) এবার যুক্ত হতে চলেছে এক নতুন অধ্যায়। ইতিহাস তৈরি করে প্রথম বার জাতীয় মঞ্চে গাওয়া হবে জাতীয় গান ‘বন্দে মাতরম’ (Vande Mataram in Red Fort)। আর ‘বিকশিত ভারত’ গঠনে তরুণ প্রজন্মের ভূমিকাকে স্বীকৃতি দিতেই স্বাধীনতা দিবসে এ বারের মূল ভাবনা ‘যুব শক্তি’। সোমবার এই সিদ্ধান্তের কথা জানালেন প্রতিরক্ষা সচিব আরকে সিং। সাম্প্রতিক রাজনৈতিক আবহে দু’টি ঘোষণাই যথেষ্ট তাৎপর্যপূর্ণ বলে মনে করা হচ্ছে।

    জাতীয় সঙ্গীতের আগে গাওয়া হবে ‘বন্দে মাতরম’

    প্রতি বছর ১৫ অগস্ট প্রধানমন্ত্রী লালকেল্লায় জাতীয় পতাকা উত্তোলনের পর প্রথা অনুযায়ী কেবল জাতীয় সঙ্গীত ‘জনগণমন’ গাওয়া হত। তবে এ বছর থেকে সেই বিধিতে বদল আসছে। নতুন সূচি অনুযায়ী, জাতীয় পতাকা উত্তোলনের মুখেই প্রথমে গাওয়া হবে জাতীয় গান ‘বন্দে মাতরম’ এবং তার পরেই বাজানো হবে জাতীয় সঙ্গীত। ঋষি বঙ্কিমচন্দ্র চট্টোপাধ্যায় রচিত এই কালজয়ী দেশাত্মবোধক রচনার ১৫০ বছর পূর্তি উপলক্ষে জাতীয় গানের মর্যাদা পুনর্প্রতিষ্ঠায় কেন্দ্র নানা পদক্ষেপ গ্রহণ করেছে। খবর অনুযায়ী, এ বারের স্বাধীনতা দিবসের প্রাতিষ্ঠানিক নিমন্ত্রণপত্রেও ‘বন্দে মাতরম’-এর ছ’টি স্তবককেই অন্তর্ভুক্ত করা হয়েছে।

    ‘বন্দে মাতরম’-এর গুরুত্ব প্রতিষ্ঠা

    চলতি বছরে বঙ্কিমচন্দ্র চট্টোপাধ্যায় রচিত দেশাত্মবোধক গান ‘বন্দে মাতরম’-এর ১৫০ বছর পূর্তি উদযাপিত হচ্ছে। ১৮৭৫ সালে লেখা এই গান প্রথম প্রকাশিত হয় ১৮৮২ সালে ‘আনন্দমঠ’ উপন্যাসে। ১৮৯৬ সালে রবীন্দ্রনাথ ঠাকুর প্রথম এই গান গেয়েছিলেন। ব্রিটিশ-বিরোধী স্বাধীনতা আন্দোলনের সঙ্গে জুড়ে গিয়েছিল ‘বন্দে মাতরম’-এর কথা ও ভাবনা। কংগ্রেস জমানায় জাতীয় গানের মর্যাদা বৃদ্ধির পক্ষে বার বার সওয়াল করে এসছিল বিজেপি। বস্তুত, চলতি বছরেই জাতীয় গান পরিবেশনের নিয়মবিধি স্থির করে কেন্দ্র। জানিয়ে দেয়, জাতীয় সঙ্গীত ‘জনগণমন’র মতো এ বার থেকে সরকারি অনুষ্ঠানে পরিবেশন করতে হবে জাতীয় গানও। সময়ও স্থির করে দেওয়া হয়। বিধি অনুযায়ী, ‘বন্দে মাতরম’-এর ছ’টি স্তবক ১৯০ সেকেন্ড (৩ মিনিট ১০ সেকেন্ড)-এ পরিবেশন করতে হবে। কেন্দ্রের গত ফেব্রুয়ারির নির্দেশিকা অনুযায়ী, জাতীয় পতাকা উন্মোচন-সহ যে সব সরকারি অনুষ্ঠানে জাতীয় সঙ্গীত পরিবেশনের রীতি রয়েছে— সেখানে জাতীয় সঙ্গীতের আগে জাতীয় গান পরিবেশন করা হবে। ‘বন্দে মাতরম’-এর অপমানকে শাস্তিযোগ্য করতে সম্প্রতি সংসদে বিল পাস করিয়েছে কেন্দ্র। এ বার লালকেল্লায় স্বাধীনতা দিবসের অনুষ্ঠানেও ‘বন্দে মাতরম’ গাওয়ার বিষয়টি বিবৃতি প্রকাশ করে জানাল কেন্দ্রীয় সরকার।

    ভারতীয় বায়ুসেনার বিশেষ স্যালুট

    প্রতিরক্ষা মন্ত্রকের তরফে জানানো হয়েছে, ফুলের মাধ্যমে ‘বন্দে মাতরম’-র আবহ প্রদর্শিত হবে। এনসিসির ক্যাডেট এবং এবং মাই ভারতের স্বেচ্ছাসেবকরা লালকেল্লার প্রাচীরের উল্টোদিকের জ্ঞানপীঠে ‘বন্দে মাতরম’ ফুটিয়ে তুলবে। সেইসঙ্গে ‘বন্দে মাতরম’-র ১৫০ বছর পূর্তি উপলক্ষে ভারতীয় বায়ুসেনার এমআই-১৭ হেলিকপ্টার একটি ব্যানার বহন করবে এবং লালকেল্লায় সমবেত জনতার উপরে পুষ্পবৃষ্টি করবে।

    মূল ভাবনা যুব শক্তি!

    ২০৪৭-এর মধ্যে বিকশিত ভারত গড়ে তোলার ক্ষেত্রে দেশের তরুণ প্রজন্মের অবদান মনে করিয়ে দিতেই এ বারে যুবশক্তি থিম করা হয়েছে বলে জানিয়েছেন প্রতিরক্ষা সচিব। সাংবাদিক সম্মেলনে তিনি বলেন, ‘বিকশিত ভারতের লক্ষ্যে পৌঁছতে যুবসমাজের ভূমিকা অত্যন্ত গুরুত্বপূর্ণ। তাঁরাই এই দেশকে গড়ে তুলবেন। ভবিষ্যতে তার সুফলও পাবেন।’ তবে এর সঙ্গে যন্তর মন্তরে ছাত্রছাত্রীদের আন্দোলনের কোনও সম্পর্ক নেই বলেও স্পষ্ট করে দিয়েছেন তিনি। আরকে সিংয়ের কথায়, ‘স্বাধীনতা দিবসের অনুষ্ঠানে যুবসমাজের সাফল্য ও অবদানকে তুলে ধরার পরিকল্পনা অনেক আগেই করা হয়েছিল।’ তিনি জোর দিয়ে বলেন, ‘যন্তর মন্তরে আন্দোলনের অনেক আগে।’ কেন্দ্র জানিয়েছে, এ বারের স্বাধীনতা দিবস উদযাপনের মূল বিষয় হবে ‘যুব শক্তি’। এর মাধ্যমে ‘বিকশিত ভারত’ গড়ার লক্ষ্যে দেশের তরুণদের অবদানের কথা তুলে ধরা হবে। ঘটনাচক্রে, সম্প্রতি প্রশ্নফাঁস কাণ্ডের প্রতিবাদে দেশ জুড়ে ছাত্র-যুবদের বিক্ষোভ হয়েছে। সাম্প্রতিক সময়ে বার বার দেশের তরুণদের উদ্দেশে বার্তা দিয়েছেন প্রধানমন্ত্রী। এ অবস্থায় লালকেল্লার অনুষ্ঠানেরও মূল বিষয় হিসেবে ‘যুব শক্তি’-কে তুলে ধরা তাৎপর্যপূর্ণ বলে মনে করা হচ্ছে। লালকেল্লার অনুষ্ঠানে দেশ গঠনে ছাত্র-যুবদের গুরুত্ব বোঝাতে চাইছে কেন্দ্র।

    আমন্ত্রিতদের তালিকা

    স্বাধীনতা দিবসের অনুষ্ঠানে প্রায় ৫,০০০ বিশেষ অতিথিকে আমন্ত্রণ জানানো হয়েছে। প্রতিরক্ষা মন্ত্রকের তরফে জানানো হয়েছে, জাতীয় উদ্ভাবন কর্মসূচির আওতাধীন তরুণ প্রজন্মের উদ্ভাবক, প্রধানমন্ত্রী ইন্টার্নশিপ প্রকল্পের আওতাধীন ইন্টার্নরা, বিভিন্ন প্রকল্পের আওতাধীন স্টার্ট আপের প্রতিনিধিরা, প্রধানমন্ত্রী কৌশল বিকাশ যোজনায় সেরা হওয়া প্রতিনিধি, স্টার্ট-আপ ইন্ডিয়া সিড ফান্ডের আওতাধীন সেরা স্টার্ট-আপের প্রতিনিধিরা অনুষ্ঠানে থাকবেন । সংবাদ সংস্থা এএনআই সূত্রে খবর, পদার্থবিদ্যা, রসায়ন, জীববিদ্যা এবং গণিত অলিম্পিয়াডে এ বছরে পদকজয়ী ১৯ পড়ুয়াকে আমন্ত্রণ জানানো হচ্ছে অনুষ্ঠানে। দিল্লির বিভিন্ন সরকারি স্কুলের পড়ুয়াদেরও আমন্ত্রণ জানানো হবে লালকেল্লায়। প্রতিরক্ষাসচিব আরকে সিং জানিয়েছেন, লোকসভার বিরোধী দলনেতা রাহুল গান্ধীকেও আমন্ত্রণ জানানো হয়েছে। বস্তুত, বিরোধী দলনেতার পদ ক্যাবিনেট মন্ত্রীর সমতুল। সে ক্ষেত্রে প্রতিরক্ষাসচিব জানান, পদমর্যাদা অনুযায়ীই তাঁর বসার ব্যবস্থা করা হচ্ছে। ক্যাবিনেট মন্ত্রীদের ঠিক পরেই তাঁর আসন থাকবে।

  • Khudiram Bose Death Anniversary: “হাসি হাসি পরব ফাঁসি…”! ১৮ বছর বয়সেই ফাঁসির মঞ্চে, আজ ক্ষুদিরাম বসুর আত্মবলিদান দিবস

    Khudiram Bose Death Anniversary: “হাসি হাসি পরব ফাঁসি…”! ১৮ বছর বয়সেই ফাঁসির মঞ্চে, আজ ক্ষুদিরাম বসুর আত্মবলিদান দিবস

    মাধ্যম নিউজ ডেস্ক: “হাসি হাসি পরব ফাঁসি, দেখবে ভারতবাসী”, অখণ্ড ভারতের স্বাধীনতা সংগ্রাম ও বিপ্লবী আন্দোলনের সব থেকে উজ্জ্বল নক্ষত্র ক্ষুদিরাম বসুর আত্মবলিদান দিবস (Khudiram Bose Death Anniversary) আজ। ১৯০৮ সালের ১১ অগাস্ট মাত্র ১৮ বছর বয়সে দেশের সর্বকনিষ্ঠ স্বাধীনতা সংগ্রামী হিসেবে হাসিমুখে ফাঁসিতে চড়েছিলেন ভারতের এই বীর সন্তান। মুজফফরপুর ষড়যন্ত্র মামলায় ফাঁসি হয় ক্ষুদিরাম বসুর (Khudiram Bose Martyrdom Day)।

    ফিরে দেখা ইতিহাস (Khudiram Bose Death Anniversary)

    ১৮৮৯ সালের ৩ ডিসেম্বর মেদিনীপুর শহরের কাছাকাছি (বর্তমানে পশ্চিম মেদিনীপুর জেলা) কেশপুর থানার অন্তর্গত মৌবনী (হাবিবপুর) গ্রামে জন্মগ্রহণ করেন ক্ষুদিরাম বসু। পাঁচ বছর বয়সে তিনি তাঁর মাকে হারান এবং এর এক বছর পর তাঁর বাবা মারা যান। এরপর খুব অল্প বয়সেই তিনি কলকাতার বারিন্দ্রকুমার ঘোষের মতো বিপ্লবীদের সংস্পর্শে আসেন এবং মাত্র ১৫ বছর বয়সে নিজেকে স্বাধীনতা সংগ্রামে ব্রতী করেছিলেন ক্ষুদিরাম। স্থানীয়দের মধ্যে ব্রিটিশবিরোধী পুস্তিকা বিতরণের জন্য ইংরেজ শাসকরা তাঁকে আটক করে।

    ১৯০৮ সালের এপ্রিল মাসে ক্ষুদিরামের বয়স যখন ১৬ বছর, সে সময় প্রধান প্রেসিডেন্সি ম্যাজিস্ট্রেট ডগলাস কিংসফোর্ডকে হত্যার উদ্দেশ্যে ক্ষুদিরাম বসু ও প্রফুল্ল চাকি মুজফফরপুরে একটি গাড়িতে বোমা নিক্ষেপ করেছিলেন। কিন্তু দুর্ভাগ্যবশত, কিংসফোর্ড সেদিন ক্লাবে আসেননি। দুই ইংরেজ মহিলা মিসেস কেনেডি ও তাঁর কন্যা একই লাল গাড়িতে করে বাড়ি ফিরছিলেন। ফলে সেই বোমা হামলায় তাঁরা মারা গিয়েছিলেন। এরপর পুলিশ ধরার আগেই প্রফুল্ল চাকি নিজেকে গুলি করে আত্মহত্যা করেন।

    অন্যদিকে, এই ঘটনার পর নিজের প্রাণ বাঁচাতে ক্ষুদিরাম বসু (Khudiram Bose Martyrdom Day) ২৫ মাইল পথ পায়ে হেঁটে পালানোর চেষ্টা করেছিলেন৷ কিন্তু, একটি জায়গায় জলের খোঁজ করতে গিয়ে পুলিশের মুখোমুখি হন তিনি। তাঁকে দেখে পুলিশের সন্দেহ হয়৷ কিন্তু, সদ্য কৈশোর পেরনো ক্ষুদিরাম পুলিশি জিজ্ঞাসাবাদে ধরা পড়ে যান৷ তাঁর কাছ থেকে আগ্নেয়াস্ত্র উদ্ধার হয়েছিল বলে দাবি করে ব্রিটিশ পুলিশ৷ এরপর তাঁকে গ্রেফতার করে পুলিশ। বিচারে ক্ষুদিরাম বসুকে ফাঁসির সাজা শোনায় করে ব্রিটিশ বিচার ব্যবস্থা৷

    মাত্র ১৮ বছর বয়সে মৃত্যুবরণ

    বিখ্যাত অনুশীলন সমিতির সদস্য ছিলেন ক্ষুদিরাম। তাঁকে ফাঁসি দেওয়া (Khudiram Bose Death Anniversary) হয় মুজফফপুর সংশোধনাগারে। বর্তমানে সেই কারাগারের নাম বদলে বিপ্লবী ক্ষুদিরাম বসুর নামেই নামকরণ করা হয়েছে। এই কারাগারেই মাত্র ১৮ বছর বয়সে ফাঁসির মঞ্চে হাসতে হাসতে মৃত্যুবরণ করেছিলেন ভারতের এই বীর সন্তান। ভারতের সর্বকনিষ্ঠ স্বাধীনতা সংগ্রামীদের একজন যিনি দেশের জন্য নিজের জীবন উৎসর্গ করেছিলেন। তাঁর শরীরের মৃত্যু হলেও আজীবন তিনি অমর হয়ে থেকে গেলেন প্রতিটি ভারতবাসীর মনের মণিকোঠায়।

  • Colombia Earthquake: ভয়াবহ ভূমিকম্প! তাসের ঘরের মতো ভেঙে পড়ল একের পর এক বাড়ি, মৃত্যুপুরী কলম্বিয়া

    Colombia Earthquake: ভয়াবহ ভূমিকম্প! তাসের ঘরের মতো ভেঙে পড়ল একের পর এক বাড়ি, মৃত্যুপুরী কলম্বিয়া

    মাধ্যম নিউজ ডেস্ক: তছনছ হয়ে গেল পশ্চিম কলম্বিয়ার বিস্তীর্ণ এলাকা। সোমবার এক বিধ্বংসী ভূমিকম্পে কেঁপে ওঠে পুরো দেশ (Colombia Earthquake)। ৭.৪ মাত্রার এই ভয়াবহ কম্পনের বলি হয়েছেন অন্তত ১৩২ জন। মুহূর্তের মধ্যে গুঁড়িয়ে গিয়েছে একাধিক বহুতল ও ঘরবাড়ি। ইট-পাথরের স্তূপের নীচে এখনও আটকে রয়েছেন শয়ে শয়ে মানুষ (Earthquake In Colombia)। মৃতের সংখ্যা আরও বাড়তে পাবে বলে খবর। বিপর্যয়ের পর পরিস্থিতি নিয়ন্ত্রণে সরাসরি দায়িত্ব নিয়েছেন কলম্বিয়ার নবনির্বাচিত প্রেসিডেন্ট আবেলর্দো দে লা এস্প্রিয়েলা। সান হোসে দেল পালমারে জরুরি উদ্ধারকাজ তদারকির আশ্বাস দিয়ে তিনি ক্ষতিগ্রস্ত মানুষদের উদ্দেশে বলেন, “আপনারা কেউ একা নন। দেশ আপনাদের পাশে আছে এবং প্রয়োজনীয় সব ব্যবস্থা নেওয়া হচ্ছে।”

    ভূমিকম্পের উৎসস্থল 

    মার্কিন ভূতাত্ত্বিক সংস্থা জানিয়েছে, ভারতীয় সময় অনুযায়ী সোমবার দুপুরের দিকে তীব্র ভূমিকম্প অনুভূত হয়। তবে, কলম্বিয়ার স্থানীয় সময় ছিল সকাল ৭টা ৩৪ মিনিট। জানা গিয়েছে, চকো প্রদেশের সান হোসে দেল পালমারের প্রায় ৫ কিলোমিটার পূর্বে ছিল ভূমিকম্পের কেন্দ্রস্থল। ভূপৃষ্ঠ থেকে প্রায় ১০৭ কিলোমিটার গভীরে ছিল কম্পনের উৎস। ভূমিকম্পের তীব্রতা এতটাই বেশি ছিল যে কলম্বিয়ার অনেকটা এলাকাজুড়ে কম্পন অনুভূত হয়। ভেনেজুয়েলা, ইকুয়েডর এবং পানামাতেও অনুভূত হয়েছে। উল্লেখ্য, কম্পনের উৎসস্থল স্যান হোসে দে পামার এলাকাটি প্রশান্ত মহাসাগরের অখ্যাত ‘রিং অব ফায়ার’ অঞ্চলে অবস্থান করার ফলে মহাসাগরকে ঘিরে থাকা ওই বলয়ের সবচেয়ে স্পর্শকাতর এলাকাগুলির মধ্যে একটি। তবে কলম্বিয়া প্রশাসনের তথ্য অনুযায়ী এটি গত এক দশকে সবচেয়ে শক্তিশালী ভূমিকম্প।

    ধসে পড়েছে একাধিক বাড়ি

    ভূমিকম্পের জেরে বহু ঘর বাড়ি ভেঙে পড়েছে। ঘটনার পরই জোরকদমে শুরু হয়েছে উদ্ধারকাজ। ধ্বংসস্তূপে আটকে পড়া মানুষদের উদ্ধার করার কাজ চলছে। সবচেয়ে করুণ অবস্থা পেরেইরা শহরের। সেখানকার মেয়র মাউরিসিও সালাজার জানান, শুধুমাত্র পেরেইরাতেই অন্তত ১৮ জনের মৃত্যু হয়েছে। শহরের সামগ্রিক অবস্থাকে অত্যন্ত ‘সংকটময়’ বলে বর্ণনা করেছেন তিনি। সোশ্যাল মিডিয়া ও স্থানীয় সংবাদমাধ্যমে প্রকাশিত ভিডিওতে দেখা গেছে পেরেইরা, কালি এবং কিবদো শহরে চোখের সামনে ধসে পড়ছে বাড়িঘর। ভেঙে পড়া বাড়িঘর ছেড়ে রাস্তায় ছুটছেন মানুষ। শোনা যআচ্ছে আর্তনাদ। অন্যদিকে, বোগোটা থেকে ৩০০ কিলোমিটার পশ্চিমে অবস্থিত মানিজালেস শহরের বিখ্যাত নিও-গোথিক ক্যাথেড্রালের একটি টাওয়ার ভেঙে পড়েছে।

    দেশে জরুরি অবস্থা, বন্ধ বিমানবন্দর

    ভূমিকম্পের জেরে কলম্বিয়ার পাঁচটি বিমানবন্দরে নিয়মিত যাত্রী পরিষেবা বন্ধ রাখা হয়েছে। পেরেইরা, মানিজালেস, আর্মেনিয়া, কার্তাগো এবং বুয়েনাভেনতুরা বিমানবন্দর আপাতত শুধুমাত্র চিকিৎসা ও সরকারি উড়ানের জন্য ব্যবহার করা হচ্ছে। বিমানবন্দরগুলির পরিকাঠামোয় কোনও ক্ষয়ক্ষতি হয়েছে কি না, তা খতিয়ে দেখছে প্রশাসন। স্কুল ও বিশ্ববিদ্যালয়গুলিও বন্ধ রাখা হয়েছে। পরিস্থিতির ভয়াবহতা বুঝে দেশে জরুরি অবস্থা ঘোষণা করেছে কলম্বিয়া সরকার।

LinkedIn
Share