Tag: Child health

Child health

  • Hepatitis in India: হেপাটাইটিস আক্রান্তের নিরিখে বিশ্বে দ্বিতীয় স্থান ভারতের! টিকাকরণে ঘাটতিই কি বড় কারণ?

    Hepatitis in India: হেপাটাইটিস আক্রান্তের নিরিখে বিশ্বে দ্বিতীয় স্থান ভারতের! টিকাকরণে ঘাটতিই কি বড় কারণ?

    তানিয়া বন্দ্যোপাধ্যায় পাল

    ক্রমশ বাড়ছে উদ্বেগ। সদ্যোজাত ও শিশুদের মধ্যে লিভারের রোগের দাপট বাড়ছে‌। বিশেষত দীর্ঘমেয়াদি এবং সংক্রামক লিভারের রোগের প্রকোপ বাড়ছে। তাই উদ্বেগ আরও বেশি। ওয়ার্ল্ড হেপাটাইটিস ডে-তে তাই চিকিৎসকেরা জানাচ্ছেন, সামাজিক সচেতনতার হার না বাড়ালে এবং স্বাস্থ্য সতর্ক না হলে আগামী দিনে আরও বড় বিপদ হতে পারে। তাঁরা আরেকটি মহামারির আশঙ্কা করছেন।
    ভারতে ক্রমশ বাড়ছে হেপাটাইটিস রোগের দাপট। বিশ্ব স্বাস্থ্য সংস্থা এবং একাধিক আন্তর্জাতিক সমীক্ষায় দেখা গিয়েছে, হেপাটাইটিস আক্রান্তের নিরিখে ভারত বিশ্বের মধ্যে দ্বিতীয় স্থানে রয়েছে। গত এক দশকে ভারতে হেপাটাইটিস বি এবং হেপাটাইটিস সি রোগের প্রকোপ বেড়েছে। উল্লেখযোগ্য হারে আক্রান্তের সংখ্যা পাওয়া যাচ্ছে। হেপাটাইটিস এ এবং অন্যান্য হেপাটাইটিস সারিয়ে তোলা সহজ। কিন্তু হেপাটাইটিস বি এবং সি হলো দীর্ঘমেয়াদি রোগ। সংক্রমণ ছড়ানোর ক্ষমতা অনেক বেশি।

    মিলিয়েনিয়াম প্রজন্মের টিকাকরণে ঘাটতি বিপদ বাড়িয়েছে?

    চিকিৎসকদের একাংশ জানাচ্ছেন, ভারতে হেপাটাইটিস বি এবং সি রোগে আক্রান্তের একটা বড় অংশ শিশু এবং সদ্যোজাত। অধিকাংশ আক্রান্ত তার মায়ের শরীর থেকে এই রোগে সংক্রামিত হয়েছেন। আবার অনেকের দীর্ঘদিন পরে রোগ চিহ্নিত হয়েছে। উপসর্গ বিশেষ না থাকায়, তাঁরা স্বাস্থ্য অবহেলা করেছেন। যার ফলে পরবর্তী কালে রোগ আরও জটিল আকার নিয়েছে।
    বিশেষজ্ঞদের মতে, টিকাকরণে ঘাটতি ভারতে হেপাটাইটিসের বোঝা বাড়াচ্ছে। তাঁরা জানাচ্ছেন, কুড়ি-পঁচিশ বছর আগে ভারতে হেপাটাইটিসের টিকাকরণের হার একদম কম ছিল। এখন যাদের পঁচিশ -তিরিশ বছর বয়স, তাঁদের অনেকেই হেপাটাইটিস বি-র টিকাকরণ হয়নি। এখন গোটা দেশ জুড়ে শিশুদের জন্মের পরে হেপাটাইটিসের টিকা দেওয়া হয়। কিন্তু আগের প্রজন্মের অনেকের এই টিকা দেওয়া হয়নি। এর ফলে, তাদের মধ্যে এই রোগের প্রকোপ দেখা দিচ্ছে। আর হেপাটাইটিস বি এবং সি-র মতো রোগ সহজেই মায়ের শরীর থেকে গর্ভস্থ শিশুর শরীরে সংক্রামিত হয়। তাই বর্তমানে ভারতে শিশুদের মধ্যে হেপাটাইটিসের দাপট দেখা দিচ্ছে।
    পাশপাশি প্রাপ্ত বয়স্কদের টিকাকরণের হার এ দেশে এখনো উল্লেখযোগ্য ভাবে কম। স্বাস্থ্য মন্ত্রকের তথ্য অনুযায়ী, ভারতে প্রাপ্ত বয়স্কদের হেপাটাইটিস টিকাকরণের হার মাত্র ৩ শতাংশ। হেপাটাইটিসের প্রকোপ বাড়ার নেপথ্যে এটাও অন্যতম কারণ বলেই মনে করছেন চিকিৎসকেরা। তাঁরা জানাচ্ছেন, টিকাকরণের হার না বাড়লে এই রোগের দাপট আটকানো কঠিন হয়ে যাবে।

    কীভাবে রোগ নির্ণয় হয়?

    চিকিৎসকদের একাংশ জানাচ্ছেন, কয়েকটি উপসর্গ সম্পর্কে সজাগ থাকলেই রোগ নির্ণয় সহজ হয়। তাঁরা জানাচ্ছেন, লিভারে এই রোগ সংক্রামিত হলে, বমি ভাব, খিদে কমে যাওয়া, পেটের ডান দিকে ব্যথা হওয়া, ক্লান্তি ভাব দেখা দেবে। এই ধরনের উপসর্গ দেখা দিলে অবহেলা করা উচিত নয়। বরং, চিকিৎসকদের পরামর্শ নেওয়া প্রয়োজন। নির্দিষ্ট উপায়ে রক্ত পরীক্ষা করালে হেপাটাইটিস রোগ চিহ্নিত করা যায়। এর দ্রুত চিকিৎসাও করা যায়। চিকিৎসকেরা জানাচ্ছেন, হেপাটাইটিস রোগ দীর্ঘমেয়াদি হলে লিভারের কার্যক্ষমতা সম্পূর্ণ চলে যেতে পারে। সিরোসিস হতে পারে। জীবন সংশয় ও দেখা দিতে পারে। তাই এই ধরনের রোগকে একেবারেই অবহেলা করা উচিত নয়।

    হেপাটাইটিস বি এবং সি নিয়ে কেন বাড়তি উদ্বেগ?

    চিকিৎসকদের একাংশ জানাচ্ছেন, হেপাটাইটিস এ সাধারণত জলবাহিত রোগ। বর্ষার মরশুমে এই সংক্রামক রোগের দাপট বাড়ে। দূষিত জল থেকেই এই রোগ হয়। কিন্তু হেপাটাইটিস বি এবং সি আরও বেশি জটিল। এই রোগ একাধিক কারণে হতে পারে। মায়ের শরীর থেকে শিশুর শরীরে সংক্রামিত হওয়া ছাড়াও, এই রোগ রক্ত এবং যৌন সংস্পর্শ থেকেও ছড়াতে পারে। বিশেষজ্ঞরা জানাচ্ছেন, হেপাটাইটিস বি চিকিৎসায় সবচেয়ে বড় চ্যালেঞ্জ, এই রোগ কোনো উপসর্গ ছাড়াই দীর্ঘদিন আক্রান্তের শরীরে থাকতে পারে। যখন রোগ নির্ণয় হয়, তখন অনেক দেরি হয়ে যায়। ফলে চিকিৎসা আরও জটিল হয়ে যায়।

    হেপাটাইটিসের দাপট ঠেকাতে কী পরামর্শ দিচ্ছেন বিশেষজ্ঞরা?

    ২৮ জুলাই ওয়ার্ল্ড হেপাটাইটিস ডে! এই উপলক্ষে দেশ জুড়ে একাধিক কর্মসূচি পালন করা হচ্ছে। সামাজিক সচেতনতা বৃদ্ধি হেপাটাইটিসের মতো রোগ আটকানোর মূল হাতিয়ার বলে জানাচ্ছেন চিকিৎসকেরা। বিশেষজ্ঞরা জানাচ্ছেন, ভারতে প্রায় আড়াই কোটি মানুষ হেপাটাইটিস বি রোগে আক্রান্ত। প্রতি বছর এ দেশে ৫৫ লাখ মানুষ হেপাটাইটিস সি রোগে আক্রান্ত হন। ভারতে হেপাটাইটিসের দাপট ঠেকাতে মূল হাতিয়ার টিকাকরণ। এ দেশে হেপাটাইটিস বি এবং সি রোগের দাপট বেড়েছে। তাই লিভারের এই সংক্রামক রোগ ঠেকাতে টিকা করণ জরুরি। শিশুদের টিকা দেওয়ার পাশপাশি প্রাপ্ত বয়স্কদের টিকাকরণে জোর দিতে হবে। তাঁদের পরামর্শ, প্রাপ্ত বয়স্কদের টিকাকরণ না হলে হেপাটাইটিসের এই বোঝা ভারতে বাড়তে পারে। হেপাটাইটিস বি নিঃশব্দে মহামারির আকার নিতে পারে। তাছাড়া লিভার সুস্থ রাখতে স্বাস্থ্যকর খাদ্যাভাসে জোর দিতে হবে। আবার মদ্যপানের অভ্যাস ছাড়তে হবে। কারণ দেশ জুড়ে মদ্যপানে আসক্তি বাড়ছে। যা লিভারের একাধিক সংক্রমণের কারণ হয়ে উঠছে।

  • Juvenile Arthritis: খেলতে গিয়ে হাঁটতে কষ্ট, বারবার জ্বর? অবহেলা করবেন না, শিশুর হাড়েও বাসা বাঁধতে পারে আর্থারাইটিস!

    Juvenile Arthritis: খেলতে গিয়ে হাঁটতে কষ্ট, বারবার জ্বর? অবহেলা করবেন না, শিশুর হাড়েও বাসা বাঁধতে পারে আর্থারাইটিস!

    তানিয়া বন্দ্যোপাধ্যায় পাল

    মাঝেমধ্যেই জ্বর, গায়ে ব্যথা আবার কখনো হাঁটতে বা ছুটতে গেলেই ক্লান্তি গ্রাস করে! পরিবারের একরত্তি সদস্যের এমন সমস্যায় উদ্বেগ বাড়ে অভিভাবকদের! চিকিৎসকদের একাংশ জানাচ্ছেন, সাধারণ এমন উপসর্গ জটিল রোগের জানান দেয়। তাই আগাম সচেতনতা জরুরি। তবেই পরিস্থিতি নিয়ন্ত্রণ সম্ভব। রোগ সম্পর্কে জানলে তবে রোগের ঝুঁকি কমানো সম্ভব। জুলাই মাস জুভেনাইল আর্থারাইটিস অ্যাওয়ারনেস মান্থ। চিকিৎসকদের একাংশ জানাচ্ছেন, শিশুর হাড়েও সমস্যা হতে পারে। আর্থারাইটিস প্রৌঢ় বয়সে দেখা দেয়। কিন্তু শিশুদের মধ্যেও এই রোগের প্রকোপ বাড়ছে। একাধিক সমীক্ষায় দেখা গিয়েছে, ভারতে প্রত্যেক বছর কয়েক হাজার শিশু এই রোগে আক্রান্ত হচ্ছে। বর্তমানে কয়েক লাখ শিশু আর্থারাইটিসের মতো রোগে কাবু। সম্প্রতি এই রোগের প্রকোপ আরও বেড়েছে। তাই এই নিয়ে বাড়তি সতর্কতা জরুরি বলেও জানাচ্ছেন চিকিৎসকদের একাংশ।

    জুভেনাইল আর্থারাইটিস কী?

    চিকিৎসকদের একাংশ জানাচ্ছেন, ১৬ বছরের কম বয়সি ছেলেমেয়েদের হাড় এবং দেহের একাধিক জয়েন্টে যন্ত্রণা এবং হাড়ের ক্ষমতা কমতে থাকার এক ধরনের অসুখ হলো জুভেনাইল আর্থারাইটিস।

    কেন এই রোগ হয়?

    শিশুরোগ বিশেষজ্ঞদের একাংশ জানাচ্ছেন, জুভেনাইল আর্থারাইটিসে আক্রান্ত হওয়ার কোনো নির্দিষ্ট একটি কারণ থাকে না। তবে কয়েকটি ঘটনা এই রোগে আক্রান্তের ঝুঁকি বাড়িয়ে দেয়। পরিবারের কেউ আর্থারাইটিসে আক্রান্ত হলে শিশুর জুভেনাইল আর্থারাইটিস হওয়ার ঝুঁকি বেড়ে যায়‌। এই রোগ জিনগত। তাই বংশানুক্রমিক ভাবে এই রোগ ছড়িয়ে পড়ে। অর্থাৎ পরিবারের কেউ আর্থারাইটিসে আক্রান্ত থাকলে, পরবর্তী প্রজন্মের এই রোগে আক্রান্ত হওয়ার ঝুঁকি বেশি থাকে। শিশুর এই রোগে আক্রান্ত হওয়ার অন্যতম কারণ রোগ প্রতিরোধ ক্ষমতা। এমনটাই জানাচ্ছেন শিশুরোগ বিশেষজ্ঞদের একাংশ। তাঁরা জানাচ্ছেন, আর্থারাইটিস অনেক সময়েই অটোইমিউন ডিজিজ হিসাবে দেখা যায়। অর্থাৎ নিজের দেহের রোগ প্রতিরোধ শক্তি, শরীরে সমস্যা সৃষ্টি করছে। শিশুর রোগ প্রতিরোধ ক্ষমতা নিয়ে এমন জটিলতা থাকলে, এই ধরনের রোগের ঝুঁকি বেড়ে যায়। পরিবেশগত কারণেও জুভেনাইল আর্থারাইটিস হতে পারে বলেই জানাচ্ছেন শিশুরোগ বিশেষজ্ঞেরা। অর্থাৎ এমন কোনো ব্যাকটেরিয়া সংক্রমণ শিশু দেহে হতে পারে, তার থেকে এই ধরনের রোগে আক্রান্ত হওয়ার ঝুঁকি তৈরি হয়‌।

    কীভাবে বুঝবেন সন্তানের সমস্যা রয়েছে কিনা?

    চিকিৎসকদের একাংশ জানাচ্ছেন, কয়েকটি উপসর্গ সম্পর্কে সচেতন থাকলেই এই রোগ সম্পর্কে ওয়াকিবহাল থাকা যায়। তাঁরা জানাচ্ছেন, শিশু অতিরিক্ত ক্লান্ত হয়ে পড়লে অভিভাবকদের নজর দেওয়া জরুরি। বারবার জ্বর হওয়া, ত্বকে নানান রকম দাগ দেখা দেওয়া, হাঁটাচলা বা খেলার সময়ে হঠাৎ করেই পায়ে অসুবিধা হয়ে যাওয়া, সকালে ঘুম থেকে ওঠার পরে হাঁটতে অসুবিধা হওয়া কিংবা পায়ের জয়েন্ট ফুলে যাওয়ার মতো উপসর্গ দেখা দিলে বাড়তি নজরদারি প্রয়োজন। সবচেয়ে গুরুত্বপূর্ণ দিক হলো, শিশুর বিকাশ ঠিকমতো হচ্ছে কিনা সেদিকে নজর দেওয়া। অর্থাৎ ওজন ঠিকমতো বাড়ছে কিনা, উচ্চতাও ঠিকমতো বাড়ছে কিনা এগুলো নজর দেওয়া প্রয়োজন। শিশুরোগ বিশেষজ্ঞদের পরামর্শ মেনে প্রয়োজনীয় পরীক্ষা করানো জরুরি বলেই জানাচ্ছেন চিকিৎসকদের একাংশ। তাঁরা জানাচ্ছেন, ১ থেকে ৫ বছর বয়সের মধ্যে শিশুদের এই রোগে আক্রান্ত হওয়ার ঝুঁকি সবচেয়ে বেশি‌ থাকে। আবার ১২-১৬ বছর বয়সিদের মধ্যেও এই রোগের প্রকোপ নতুন করে বেশি দেখা দিতে পারে। তাই এই বয়সে বাড়তি নজরদারি জরুরি।

    সন্তানকে সুস্থ রাখতে কী পরামর্শ দিচ্ছেন বিশেষজ্ঞরা?

    বিশেষজ্ঞদের একাংশ জানাচ্ছেন, রোগের ঝুঁকি কমানো জরুরি। কিন্তু পুরোপুরি এড়ানো সম্ভব নয়‌। এই রোগে আক্রান্ত হলে সম্পূর্ণ সুস্থ হয়ে ওঠাও সম্ভব হয় না।‌ এই রোগে আক্রান্তের দীর্ঘমেয়াদি চিকিৎসা প্রয়োজন। তবে সুস্থ স্বাভাবিক জীবন যাপনের জন্য কয়েকটি দিকে বাড়তি নজরদারি জরুরি। শিশুর প্রত্যেক দিন সুষম খাবার প্রয়োজন বলেই জানাচ্ছেন চিকিৎসকদের একাংশ। তাঁরা জানাচ্ছেন, শিশুর হাড় মজবুত করতে ক্যালসিয়াম সমৃদ্ধ খাবার খাওয়া দরকার। তাছাড়া এই রোগে শিশুর শরীরে ক্লান্তিবোধ আরও তৈরি হয়। তাই প্রোটিন ও ভিটামিন জাতীয় খাবার খাওয়া প্রয়োজন। বিশেষজ্ঞদের পরামর্শ, নিয়মিত শিশুকে দুধ, ডিম, মাছ এবং পর্যাপ্ত পরিমাণে সব্জি খাওয়াতে হবে। যাতে শরীরের প্রয়োজনীয় প্রোটিন, ভিটামিন ও মিনারেলের চাহিদা পূরণ হয়। শিশুর নিয়মিত শারীরিক কসরত করা জরুরি। বিশেষজ্ঞরা জানাচ্ছেন, শারীরিক কসরত করলে তবেই হাড়, পেশি, স্নায়ু সচল থাকে। জুভেনাইল আর্থারাইটিসের মতো রোগের মোকাবিলায় শারীরিক সক্রিয়তা অত্যন্ত জরুরি। দিনে নূন্যতম তিরিশ মিনিট যাতে শিশু শারীরিক কসরত করে, সেদিকে নজর দেওয়া জরুরি। শিশুকে সুস্থ রাখতে নিয়মিত পর্যাপ্ত ঘুম জরুরি। বিশেষজ্ঞরা জানাচ্ছেন, প্রতিদিন পর্যাপ্ত ঘুম হলে তবেই শরীর প্রয়োজনীয় বিশ্রাম পাবে। ক্লান্তি দূর হবে। আবার পেশি ও স্নায়ুর উপরেও চাপ কমবে। ফলে শিশু স্বাভাবিক কাজ সহজেই করতে পারবে। এছাড়াও নিয়মিত চিকিৎসার ফলোআপ করানো জরুরি বলেই মনে করছেন বিশেষজ্ঞরা।

    DISCLAIMER: এই প্রতিবেদনটি বিশেষজ্ঞদের মতামত অনুযায়ী লেখা। এর সঙ্গে মাধ্যম-এর কোনও সম্পর্ক নেই। মাধ্যম এর কোনও দায় নিচ্ছে না। এখানে বলা যে কোনও উপদেশ পালন করার আগে অবশ্যই কোনও চিকিৎসক বা বিশেষজ্ঞের পরামর্শ নিন।
  • Child Health: তীব্র গরম! এই আবহাওয়ায় শিশুদের কোন ভোগান্তি বাড়তে পারে?

    Child Health: তীব্র গরম! এই আবহাওয়ায় শিশুদের কোন ভোগান্তি বাড়তে পারে?

    তানিয়া বন্দ্যোপাধ্যায় পাল

    গরমের তীব্রতা বাড়ছে! বেলা বাড়তে তাপমাত্রার পারদ ৩৪ ডিগ্রি ছাড়িয়ে যাচ্ছে। যদিও রোদের তাপ যেন অনুভূতি দিচ্ছে পঞ্চাশ ডিগ্রি তাপমাত্রার! এই প্রচন্ড গরমে একাধিক স্বাস্থ্য সমস্যা দেখা দিচ্ছে। বিশেষত শিশুদের নানান স্বাস্থ্য সমস্যা দেখা দিচ্ছে বলেই জানাচ্ছেন শিশুরোগ বিশেষজ্ঞদের একাংশ। তাই এই আবহাওয়ায় পরিবারের একরত্তি সদস্যের বাড়তি খেয়াল রাখা জরুরি বলেই জানাচ্ছেন চিকিৎসকদের একাংশ।

    কোন ধরনের স্বাস্থ্য সঙ্কটের আশঙ্কা করছেন?

    ডিহাইড্রেশনের ঝুঁকি!

    চিকিৎসকদের একাংশ জানাচ্ছেন, এই তীব্র গরমে শিশুদের ডিহাইড্রেশনের ঝুঁকি সবচেয়ে বেশি দেখা যায়। তাঁরা জানাচ্ছেন, শিশুরা দীর্ঘ সময় একজায়গায় বসে থাকে না। তাদের স্বভাবজাত ভাবেই তারা ছোটাছুটি, লাফালাফি করে। এর ফলে তাদের ঘাম হয়। এই আবহাওয়ায় আদ্রতা আরও বেশি। স্বাভাবিকের চেয়েও বেশি ঘাম হচ্ছে। শিশুদেরও অতিরিক্ত ঘাম হচ্ছে। এর জেরে শরীর থেকে জল বেরিয়ে যাচ্ছে। তাই শরীরে জলশূণ্যতা কিংবা ডিহাইড্রেশনের ঝুঁকি বেড়ে যাচ্ছে। চিকিৎসকদের একাংশ জানাচ্ছেন, অত্যন্ত কম পরিমাণ প্রস্রাব হলে বা চোখ-মুখে শুকনো ভাব এলে, বাড়তি সতর্কতা জরুরি। শিশুর ডিহাইড্রেশনের সমস্যা প্রাণঘাতী হয়ে ওঠে।

    হিট র‌্যাশের সমস্যা

    শিশুদের শরীরে হিট র‌্যাশের মতো সমস্যা দেখা দিচ্ছে বলেই জানাচ্ছেন শিশুরোগ বিশেষজ্ঞদের একাংশ। তাঁরা জানাচ্ছেন, বহু শিশুর ত্বকে এই গরমে লাল চাকা দাগ বা ফুসকুড়ি দেখা দিচ্ছে। প্রাথমিক ভাবে, হাম বা অন্যকোনো ভাইরাসঘটিত অসুখ বলে সন্দেহ হলেও, পরীক্ষা করে বোঝা যাচ্ছে, অতিরিক্ত গরমের জেরেই ত্বকে এই ধরনের র ্যাশ তৈরি হচ্ছে। যা শিশুর ভোগান্তি বাড়াচ্ছে।

    হিট ফিভারে ভোগান্তি বাড়ছে!

    পাঁচ বছর বা তার কম বয়সী শিশুদের সবচেয়ে বড় সমস্যা হয়ে উঠছে হিট ফিভার। শিশুরোগ বিশেষজ্ঞদের একাংশ জানাচ্ছেন, অতিরিক্ত গরমে শিশুর শরীরের তাপমাত্রা ভারসাম্য রাখতে পারছে না। এর ফলে, সেটাও গরম হয়ে উঠছে। তাই মনে হচ্ছে শিশুর জ্বর হয়েছে। কিন্তু সেটা ভাইরাস ঘটিত কোনো জ্বর নয়। গরমের জেরেই শরীরের তাপমাত্রা বেড়ে যাচ্ছে। একে হিট ফিভার বলা হয়।

    হজমের সমস্যা এবং বমি!

    অতিরিক্ত গরমের জেরে বমি, হজমের গোলমালের মতো সমস্যায় ভুগছে বহু শিশু। এমনটাই জানাচ্ছেন চিকিৎসকদের একাংশ। তাঁরা জানাচ্ছেন, এই আবহাওয়ায় খাবার হজম করা মুশকিল হয়ে উঠছে। এর ফলে শিশুরা বমি বা পেটের সমস্যায় ভুগছে।

    শিশুকে সুস্থ রাখতে কী পরামর্শ দিচ্ছেন বিশেষজ্ঞরা?

    • ১) শিশুরোগ বিশেষজ্ঞদের একাংশ জানাচ্ছেন, এই আবহাওয়ায় শিশুদের খাবারের দিকে বাড়তি নজরদারি প্রয়োজন। তাঁদের পরামর্শ, স্বল্প পরিমানে বারবার শিশুদের জল খাওয়াতে হবে। ডিহাইড্রেশনের ঝুঁকি কমানো যায়, এমন ব্যবস্থার দিকে নজরদারি প্রয়োজন।
    • ২) তাঁদের পরামর্শ, জলের পাশপাশি নিয়মিত ডাবের জল, লেবুর সরবত খাওয়াতে হবে। এতে একদিকে শরীরে ডিহাইড্রেশনের ঝুঁকি কমবে। আরেকদিকে ভিটামিন সি এবং অন্যান্যা ভিটামিন, খনিজ পদার্থের জোগান শরীর সহজেই পাবে। এর ফলে শরীরে ক্লান্তি গ্রাস করবে না। তাছাড়া শিশুর ত্বকের সমস্যা কমবে।
    • ৩) নিয়মিত এই আবহাওয়ায় শিশুদের খাবারের তালিকায় তরমুজ, শশার মতো রসালো ফল রাখার পরামর্শ দিচ্ছেন বিশেষজ্ঞরা। এতে শরীর ঠান্ডা থাকবে। একাধিক সমস্যা কমবে।
    • ৪) গরম থেকে বাঁচাতে শিশুকে নিয়মিত টক দই খাওয়ানোর পরামর্শ দিচ্ছেন বিশেষজ্ঞরা। তাঁরা জানাচ্ছেন বয়স দুই বছরের বেশি হলে নিয়মিত টক দই খাওয়ানো যেতে পারে। এতে অন্ত্র ভালো থাকবে। হজমের গোলমাল এড়ানো যাবে। গরমের ভোগান্তি কমবে।
    • ৫) হালকা মাছের ঝোল, ডিম সিদ্ধ, হালকা সব্জি খাওয়ার পরামর্শ দিচ্ছেন শিশুরোগ বিশেষজ্ঞদের একাংশ। তাঁরা জানাচ্ছেন, সহজ পাচ্য খাবার খাওয়ালে শিশুদের বমি, পেটের সমস্যা সহজেই এড়ানো যাবে।
    • ৬) হিট ফিভারের মোকাবিলা করার জন্য নিয়মিত ভালোভাবে স্নান করার পরামর্শ দিচ্ছেন বিশেষজ্ঞরা। তাঁরা জানাচ্ছেন, শিশুকে নিয়মিত ভালোভাবে স্নান করাতে হবে। শিশুকে নিয়ে বেলা ১১টা থেকে বিকেল ৪টের মধ্যে বাইরে না যাওয়ার পরামর্শ দিচ্ছেন। সকালে কিংবা সন্ধ্যায় খেলাধুলা করলেও দুপুরে শিশু যাতে অতিরিক্ত দৌড়াদৌড়ি না করে সেদিকে খেয়াল রাখার পরামর্শ দিচ্ছেন বিশেষজ্ঞরা।

     

    DISCLAIMER: এই প্রতিবেদনটি বিশেষজ্ঞদের মতামত অনুযায়ী লেখা। এর সঙ্গে মাধ্যম-এর কোনও সম্পর্ক নেই। মাধ্যম এর কোনও দায় নিচ্ছে না। এখানে বলা যে কোনও উপদেশ পালন করার আগে অবশ্যই কোনও চিকিৎসক বা বিশেষজ্ঞের পরামর্শ নিন।
  • Temperature: বাড়ছে তাপমাত্রার পারদ! হঠাৎ করেই জ্বরের প্রকোপ? সন্তানকে সুস্থ রাখতে কোন খাবার জরুরি?

    Temperature: বাড়ছে তাপমাত্রার পারদ! হঠাৎ করেই জ্বরের প্রকোপ? সন্তানকে সুস্থ রাখতে কোন খাবার জরুরি?

    মাধ্যম নিউজ ডেস্ক: এপ্রিলের শুরুতেই চড়ছে তাপমাত্রার পারদ। রোদের তাপে বাইরে থাকা যথেষ্ট কষ্টকর।‌ আগামী কয়েক দিনের মধ্যে তাপমাত্রা আরও বাড়বে বলেই জানাচ্ছেন আবহবিদরা। আর এই আবহাওয়ায় (Temperature) শিশুদের জ্বরের প্রকোপ বাড়ছে, যা অভিভাবকদের একাংশের উদ্বেগ বাড়াচ্ছে। চিকিৎসকদের একাংশ জানাচ্ছেন, বহু শিশুর শরীরের তাপমাত্রা হঠাৎ করেই বেড়ে যাচ্ছে। এই পরিস্থিতিতে শিশুকে সুস্থ রাখতে ঘরোয়া উপাদানেই ভরসা রাখছেন চিকিৎসকদের একাংশ।

    কেন শিশুদের মধ্যে জ্বরের প্রকোপ বাড়ছে (Temperature)?

    চিকিৎসকদের একাংশ জানাচ্ছেন, তাপমাত্রার পারদ বাড়ছে। কিন্তু জলীয় বাষ্প বাড়ছে না। অর্থাৎ, গরম লাগলেও সেরকম ঘাম হচ্ছে না। বরং বেলা বাড়ার সঙ্গে সঙ্গে বাইরে গরম হাওয়া দিচ্ছে। আর এই আবহাওয়া শরীরকে শুকিয়ে দিচ্ছে। শরীরে জলের ভাব কমে যাচ্ছে। আর এর ফলেই শিশুদের শরীরে নানান রোগ বাসা বাঁধছে। দেখা দিচ্ছে নানান ভাইরাস ঘটিত অসুখ। যার ফলে শরীরের তাপমাত্রা বেড়ে যাচ্ছে। আবার শিশুরোগ বিশেষজ্ঞদের একাংশ জানাচ্ছেন, শিশুদের শরীরের সোয়েট গ্ল্যান্ড অর্থাৎ, যেখান থেকে ঘাম নিঃসরণ হয়, তা প্রাপ্তবয়স্কদের মতো সক্রিয় হয় না। এর ফলে বাইরের তাপমাত্রা বাড়লে শরীর নিজের তাপমাত্রার সঙ্গে সেটা মানিয়ে নিতে পারে না। এর ফলে হঠাৎ করেই তাপমাত্রার পারদ চড়লে, শরীরের তাপমাত্রাও বাড়তে থাকে। চিকিৎসকদের একাংশ জানাচ্ছেন, অনেকে ক্ষেত্রে দেখা যাচ্ছে, শিশুর শরীরের তাপমাত্রা ১০০ ডিগ্রি ফারেনহাইটের কাছাকাছি। কিন্তু সর্দি-কাশি বা অন্য কোনও উপসর্গ নেই। অভিভাবকদের উদ্বেগ বাড়ছে। আবহাওয়ার কারণেই শিশুদের এই ভোগান্তি বলে জানাচ্ছেন চিকিৎসকদের একাংশ।

    শিশুর শরীর সুস্থ রাখতে কোন ঘরোয়া উপাদানে ভরসা বিশেষজ্ঞ মহলের?

    চিকিৎসকদের একাংশ জানাচ্ছেন, চলতি মাসে গরম আরও বাড়বে। তাই প্রথম থেকেই সতর্কতা জরুরি। তাঁরা জানাচ্ছেন, এই আবহাওয়ায় অতিরিক্ত পরিমাণ জল খাওয়া দরকার। সাধারণত নিয়মিত শিশুদের তিন থেকে চার লিটার জল খাওয়া দরকার। কিন্তু এই শুকনো আবহাওয়ায় জল খাওয়ার পরিমাণ বাড়াতে হবে। তাঁরা জানাচ্ছেন, অন্তত দিনে পাঁচ লিটার জল খাওয়া দরকার। তাতে শরীরে জলের পরিমাণ ঠিক থাকবে। ডিহাইড্রেশনের ঝুঁকিও কমবে। আবার শরীরের তাপমাত্রাও (Temperature) স্বাভাবিক থাকবে।

    লেবুর রস নিয়মিত খাওয়ান (Temperature)

    শিশুদের জলের পাশপাশি শশা, তরমুজ, লেবু জাতীয় রসালো ফল খাওয়ার পরামর্শ দিচ্ছেন চিকিৎসকদের একাংশ। তাঁরা জানাচ্ছেন, এই ধরনের ফলে শরীরে জলের পরিমাণ ঠিক থাকবে। পাশপাশি এই ধরনের ফলে শরীরে এনার্জির ঘাটতি সহজেই পূরণ হয়। আবার লেবুর রস নিয়মিত খেলে শরীরের রোগ প্রতিরোধ শক্তি বাড়ে। প্রচণ্ড গরমে এতে যে কোনও ভাইরাস ঘটিত অসুখের বিরুদ্ধে মোকাবিলাও সহজ হয়।

    ডাবের জল খাওয়া জরুরি

    এই আবহাওয়ায় সুস্থ থাকতে নিয়মিত ডাবের জল খাওয়ার পরামর্শ দিচ্ছেন বিশেষজ্ঞদের একাংশ। তাঁরা জানাচ্ছেন, ডাবের জলে থাকে একাধিক খনিজ পদার্থ। তাই এই আবহাওয়ায় ডাবের জল অত্যন্ত উপকারী। এতে শরীরের আদ্রতা বজায় থাকে। আবার পটাশিয়াম, ম্যাগনেশিয়াম, ম্যাঙ্গানিজের মতো খনিজ উপাদান শরীরের ক্লান্তি দূর করে। তাই শিশুদের (Child Health) নিয়মিত একটি ডাবের জল খাওয়া জরুরি বলেই জানাচ্ছেন চিকিৎসকদের একাংশ।

    মৌরি ও মিছরি ভেজানো জল অন্ত্রের জন্য ভালো

    বিশেষজ্ঞদের একাংশ জানাচ্ছেন, শিশুদের গরমে (Temperature) মৌরি এবং মিছরি মিশিয়ে সারারাত ভিজিয়ে রেখে, সকালে খালি পেটে ওই ভেজানো জল খেলে শরীরে একাধিক উপকার পাওয়া যাবে। তাঁরা জানাচ্ছেন, মৌরি ও মিছরি ভেজানো জল অন্ত্রের জন্য বিশেষ উপকারী। এই আবহাওয়ায় শিশুদের হজমের সমস্যা হয়। তাই জল খেলে অন্ত্র ভালো থাকে। হজমের গোলমাল কমে।

     

    DISCLAIMER: এই প্রতিবেদনটি বিশেষজ্ঞদের মতামত অনুযায়ী লেখা। এর সঙ্গে মাধ্যম-এর কোনও সম্পর্ক নেই। মাধ্যম এর কোনও দায় নিচ্ছে না। এখানে বলা যে কোনও উপদেশ পালন করার আগে অবশ্যই কোনও চিকিৎসক বা বিশেষজ্ঞের পরামর্শ নিন।

  • Child Nutrition: সন্তানের ওজন নিয়ে দুশ্চিন্তা! কোন ধরনের খাবার খেলে স্থূলতা নয়, পুষ্টি পাবে শরীর?

    Child Nutrition: সন্তানের ওজন নিয়ে দুশ্চিন্তা! কোন ধরনের খাবার খেলে স্থূলতা নয়, পুষ্টি পাবে শরীর?

    তানিয়া বন্দ্যোপাধ্যায় পাল

    বয়সের অনুপাতে শরীর বড়ই ছিপছিপে! খাবার নিয়েও নানান বায়না। তাই অনেক সময়েই প্রয়োজনের তুলনায় ওজন কম থাকে।‌ সন্তানের এই কম ওজন নিয়ে তাই দুশ্চিন্তা মায়েদের। বিশ্বজুড়ে স্থূলতার সমস্যা বাড়ছে। কিন্তু তারপরেও বহু শিশু কম ওজনের সমস্যায় ভোগে (Child Nutrition)। বিশেষত বছর বারোর পরে বহু শিশুর ওজন ঠিকমতো বাড়ছে না। যার প্রভাব পড়ছে তাদের শারীরিক গঠন এবং পড়াশোনার ওপরেও। চিকিৎসকদের একাংশ জানাচ্ছেন, বয়স অনুপাতে ঠিকমতো‌ ওজন‌ না‌ বাড়লে নানান রোগে আক্রান্ত হওয়ার ঝুঁকি‌ বাড়ে। তাই বয়স অনুপাতে ঠিকমতো ওজন বৃদ্ধি জরুরি। এখন দেখা যাক, কোন ধরনের খাবার নিয়মিত দিলে ওজন দ্রুত বাড়াবে?

    দুধের পাশপাশি মেনুতে নিয়মিত পনির থাকুক (Child Nutrition)

    পুষ্টিবিদদের একাংশের পরামর্শ, সন্তানকে নিয়মিত দুধ খাওয়ানো জরুরি। শুধু এক গ্লাস দুধের পরিবর্তে দুধ-কর্নফ্লেক্স কিংবা কাজু, আখরোটের মতো বাদাম জাতীয় জিনিস দুধে মিশিয়ে খেলে বাড়তি উপকার পাওয়া যাবে। এগুলো খাবারের পুষ্টিগুণ বাড়ায়। দুধ সুষম খাবার। ভিটামিন, ক্যালসিয়াম সহ একাধিক উপাদান দুধে রয়েছে। এতে কর্নফ্লেক্স বা বাদাম জাতীয় উপাদান মেশানো হলে‌ শরীরে খনিজ পদার্থের জোগান বাড়ে। তাই ওজন বাড়াতেও সাহায্য করে। তবে দুধের পাশপাশি কয়েকটি দুগ্ধজাত খাবার নিয়মিত খেলে সন্তানের ওজন দ্রুত বাড়বে বলেই জানাচ্ছেন বিশেষজ্ঞদের একাংশ। তাঁরা জানাচ্ছেন, পনির নিয়মিত খেলে দ্রুত ওজন বাড়ে। কারণ, পনীরের পুষ্টিগুণ অনেক বেশি। এটি প্রোটিন জাতীয় খাবার। তাই পেশিকে শক্তিশালী করতে বাড়তি সাহায্য করে পনির।

    নিয়মিত ডাল সিদ্ধ বাড়াবে ওজন

    পুষ্টিবিদদের একাংশ জানাচ্ছেন, অধিকাংশ শিশু নিয়মিত ভাত, ডাল জাতীয় খাবার খেতে চায় না। বায়নার জেরে ভোগান্তি বাড়ে মায়েদের। কিন্তু সন্তানের পুষ্টির জন্য জরুরি নিয়মিত ডাল জাতীয় খাবার খাওয়া। তাই পুষ্টিবিদদের একাংশের পরামর্শ, নিয়মিত যে কোনও এক ধরনের ডাল খাওয়া জরুরি। ভাতের সঙ্গে ডাল না খেতে চাইলেও, দিনের অন্য সময় ডাল সিদ্ধ মেনুতে রাখার পরামর্শ দিচ্ছেন বিশেষজ্ঞদের একাংশ। তাঁরা জানাচ্ছেন, ডালে রয়েছে পর্যাপ্ত প্রোটিন এবং ফাইবার (Child Nutrition)। তাই নিয়মিত ডাল খেলে অন্ত্র ভালো থাকে। পেশি শক্তিশালী হয়। ওজন বাড়ে। পাশপাশি দেহে এনার্জির জোগান সহজে‌ হয়‌।

    নিয়মিত ডিম সিদ্ধ বাড়াবে ওজন (Child Nutrition)

    চিকিৎসকদের একাংশ জানাচ্ছেন, বয়ঃসন্ধিকালে থাকা ছেলেমেয়েদের প্রতি দিনের খাবারের তালিকায় অবশ্যই ডিম সিদ্ধ রাখা জরুরি। তাঁরা জানাচ্ছেন, ডিমে রয়েছে‌ একাধিক ভিটামিন এবং ক্যালসিয়াম,‌ প্রোটিন। তাই এই জাতীয় খাবার একদিকে শরীরের ওজন বাড়াতে সাহায্য করে, পাশপাশি রোগ প্রতিরোধ শক্তি বাড়ায়। দুর্বলতা কমায়। বয়ঃসন্ধিকালে থাকা ছেলেমেয়েদের শরীরে হরমোনের একাধিক পরিবর্তন হয়। এই‌ সময়ে তাদের শরীরের পরিবর্তন হয়। তাই জরুরি বাড়তি যত্নের।‌ তাই নিয়মিত একটা ডিম সিদ্ধ শরীরের প্রয়োজনীয় প্রোটিন, ক্যালসিয়ামের জোগান দেবে। শরীর সুস্থ রাখতে‌ বাড়তি সাহায্য করবে।

    নিয়মিত কিসমিস এবং খেজুর খাওয়ার অভ্যাস বাড়াবে ওজন

    পুষ্টিবিদদের একাংশের পরামর্শ, নিয়মিত কিসমিস ও খেজুর খেলে ওজন বাড়বে। তাঁরা জানাচ্ছেন, শিশুদের ওজন বাড়াতে এবং শরীরে এনার্জির জোগান‌ বজায় রাখতে এই দুই ড্রাই ফ্রুটস খুবই উপকারী। কারণ এগুলোতে রয়েছে প্রচুর পরিমাণে খনিজ পদার্থ। তাই এগুলো শরীর সুস্থ রাখতে বাড়তি সাহায্য করে‌। অধিকাংশ শিশুই দিনভর ছোটাছুটি করে। পর্যাপ্ত এনার্জি জাতীয় খাবার না পেলে ওজন বাড়বে না। তাই নিয়মিত খেজুর জাতীয় খাবার খেলে শরীরে পর্যাপ্ত এনার্জির জোগান পাওয়া যাবে (Child Nutrition)। এর জেরে ওজন ঠিকমতো‌ থাকবে।

    খাবারের পাশাপাশি পর্যাপ্ত ঘুম জরুরি (Child Nutrition)

    চিকিৎসকদের একাংশ জানাচ্ছেন, খাবারের পাশাপাশি জরুরি পর্যাপ্ত ঘুম। শিশুরোগ বিশেষজ্ঞদের একাংশ জানাচ্ছেন, অধিকাংশ শিশুর একাধিক শারীরিক ও মানসিক সমস্যার অন্যতম কারণ পর্যাপ্ত ঘুম না হওয়া। এর জেরে বিকাশের সমস্যা দেখা দিচ্ছে (Child Nutrition)। তাই খাবারের পাশাপাশি ঘুমের সময়ের দিকেও নজরদারি জরুরি। তাঁদের পরামর্শ, নিয়মিত আট ঘণ্টা ঘুম দরকার। তাই নিয়মিত রাতে তাড়াতাড়ি ঘুমিয়ে পড়ার অভ্যাস ছোট থেকেই যেন হয়, সেদিকে অভিভাবকদের নজরদারি দরকার। স্কুল পড়ুয়াদের অধিকাংশের অনেক ভোরে উঠতে হয়। তাই রাতে তাড়াতাড়ি ঘুমোতে অভ্যস্ত না হলে ঘুম পর্যাপ্ত হবে না। তাই নির্দিষ্ট সময়ে ঘুমের অভ্যাস তৈরি জরুরি।

     

    DISCLAIMER: এই প্রতিবেদনটি বিশেষজ্ঞদের মতামত অনুযায়ী লেখা। এর সঙ্গে মাধ্যম-এর কোনও সম্পর্ক নেই। মাধ্যম এর কোনও দায় নিচ্ছে না। এখানে বলা যে কোনও উপদেশ পালন করার আগে অবশ্যই কোনও চিকিৎসক বা বিশেষজ্ঞের পরামর্শ নিন।

    দেশের খবর, দশের খবর, সব খবর, সবার আগে পেতে ফলো করুন আমাদের  Whatsapp, FacebookTwitter, Telegram এবং Google News পেজ।

  • Child Nutrition: সন্তানকে খাওয়াতে নাজেহাল! কোন দিকে নজর দিলে সমস্যা মিটবে?

    Child Nutrition: সন্তানকে খাওয়াতে নাজেহাল! কোন দিকে নজর দিলে সমস্যা মিটবে?

    তানিয়া বন্দ্যোপাধ্যায় পাল

    জন্মের প্রথম ছ’মাসের পর থেকেই অধিকাংশ বাবা-মায়ের দুশ্চিন্তার কারণ হয় সন্তানের খাবার। কী খাবার খাওয়ানো হবে, সেই চিন্তার পাশপাশি অনেকেই নাজেহাল হন খাওয়ানোর সময় নিয়ে। দীর্ঘ সময় ধরে খাওয়া, খেতে বসে টিভি কিংবা মোবাইল ছাড়া খাওয়ানো যায় না অনেককেই। আর এর জেরে ভোগান্তি বাড়ে। শিশুরোগ বিশেষজ্ঞদের একাংশ জানাচ্ছেন, ছোট থেকেই খাওয়ানোর অভ্যাস স্বাস্থ্যকর না হলে পুষ্টি (Child Nutrition) পর্যাপ্ত হবে না। কী খাবার খাচ্ছে, তার পাশপাশি কীভাবে খাচ্ছে সেটাও জরুরি। অনেক সময়েই শিশুর খাবারের প্রতি অনিহা তৈরি হয়ে যায়। এর জেরে পুষ্টি ঠিকমতো হয় না। তার সরাসরি প্রভাব পড়ে শিশুর বিকাশে। তাই চিকিৎসকদের একাংশ জানাচ্ছেন, কয়েকটি বিষয় নজরে রাখলে শিশুর খাবার খাওয়ার সুঅভ্যাস তৈরি করা সহজ হবে। অভিভাবকদেরও ভোগান্তি কমবে।

    কোন দিকগুলি নজরে রাখার পরামর্শ দিচ্ছেন বিশেষজ্ঞেরা? (Child Nutrition)

    পরিবার নিয়ে একসাথে বসে খাওয়া!

    শিশুরোগ বিশেষজ্ঞদের একাংশ জানাচ্ছেন, অধিকাংশ সময়েই শিশুকে আলাদা ভাবে খাওয়ানো হয়। প্রথম থেকেই বাড়ির সকলের সঙ্গে বসে খাওয়ার অভ্যাস তৈরি করা জরুরি। খাবার খাওয়া শুধু কাজ নয়। বরং খাওয়ার সময় পরিবারের সঙ্গে সময় কাটানো‌ যায়। একসঙ্গে সময় কাটানোর আনন্দ অনুভব করানো দরকার। তাহলে শিশুদের মধ্যেও এক ধরনের আনন্দ কাজ করবে। পাশপাশি অনেকেই শিশুকে কোলে নিয়ে ঘুরে ঘুরে খাওয়ায়। এটা একেবারেই সুঅভ্যাস নয়। প্রথম থেকেই পরিবারের সঙ্গে বসে খাওয়ার অভ্যাস থাকলে, খাওয়ানো অনেক সহজ হবে‌।পাশপাশি পরিবারের সঙ্গে একসাথে খাবার খেলে মোবাইল বা টিভি দেখার অভ্যাস এড়ানোও সহজ হয়। পরিবারের সদস্যদের সঙ্গে গল্প করার অভ্যাস তৈরি হলে সহজেই সব কিছু ভাগ করে নেওয়ার অভ্যাস হবে। এতে মোবাইলে বা টিভির পর্দায় চোখ আটকে থাকবে না (Child Nutrition)।

    নানা রকমের খাবারে অভ্যস্ত করা জরুরি!

    পুষ্টিবিদদের একাংশ জানাচ্ছেন, প্রথম থেকেই শিশুকে নানান রকমের খাবারে অভ্যস্ত করা জরুরি। এতে শিশুর খাবারের প্রতি একঘেয়েমি লাগবে না। অনেক সময়েই দেখা যায়, শিশুদের প্রত্যেক দিন এক ধরনের খাবার দেওয়া হয়‌। এর জেরে একঘেয়েমি তৈরি হতে পারে। পুষ্টিকর নানা রকমের খাবার দেওয়া হলে শিশুদের স্বাদবোধ সহজে তৈরি হবে। নানা রকমের সব্জি, ফল, দুধের নানান পদ, মাছ, মাংসের স্ট্রু জাতীয় নানান পদ খেতে দিলে তাদের পুষ্টি (Child Nutrition) ঠিকমতো হবে। আবার বিভিন্ন রকমের খাবারের সঙ্গে পরিচিত হবে। এতে খাবারের প্রতি আগ্রহ থাকবে‌।

    খাবারের সময়ের মধ্যে ব্যবধান জরুরি!

    শিশুকে সময় মতো খেতে দেওয়া যেমন জরুরি, তেমনি দরকার শিশুর খিদে (Child Nutrition) অনুভব করা। এমনটাই জানাচ্ছেন শিশুরোগ বিশেষজ্ঞদের একাংশ। তাদের পরামর্শ, শিশুর খাবার সময়ের মধ্যে নির্দিষ্ট ব্যবধান জরুরি। খাবারের চাহিদা অনুভব করানোও দরকার। খিদে পাওয়ার আগেই সব সময় পেট ভরে খেলে, অনেক সময়েই খাবার ইচ্ছে তৈরি হয় না। তাই কতক্ষণ পরে খেতে দেওয়া হচ্ছে, সেদিকেও নজর দিতে হবে। অনেক সময়েই আপাতভাবে হাল্কা খাবার বারবার শিশুকে দেওয়া হলে দিনের বা রাতের ভারী খাবার খাওয়ার ইচ্ছে চলে যায়। তাই শিশুকে কখন কী খাবার দেওয়া হবে, কত সময় অন্তর খাবার দেওয়া হচ্ছে, সেদিকেও নজরদারি জরুরি।

     

    DISCLAIMER: এই প্রতিবেদনটি বিশেষজ্ঞদের মতামত অনুযায়ী লেখা। এর সঙ্গে মাধ্যম-এর কোনও সম্পর্ক নেই। মাধ্যম এর কোনও দায় নিচ্ছে না। এখানে বলা যে কোনও উপদেশ পালন করার আগে অবশ্যই কোনও চিকিৎসক বা বিশেষজ্ঞের পরামর্শ নিন।

    দেশের খবরদশের খবরসব খবরসবার আগে পেতে ফলো করুন আমাদের FacebookTwitter এবং Google News পেজ।

  • Child Health: দিনভর দুষ্টুমি, লাফালাফি আর দৌড়, রাতে সন্তানের পায়ে অসহ্য যন্ত্রণা! কীসের ইঙ্গিত?

    Child Health: দিনভর দুষ্টুমি, লাফালাফি আর দৌড়, রাতে সন্তানের পায়ে অসহ্য যন্ত্রণা! কীসের ইঙ্গিত?

    মাধ্যম নিউজ ডেস্ক: দিনভর দুষ্টুমি। লাফালাফি আর দৌড়। বাড়ির একরত্তির সারাদিনের হৈহৈ কাণ্ডে অস্থির সকলে। কিন্তু রাত বাড়লেই এক সমস্যা। প্রায় রাতেই পায়ে অসহ্য যন্ত্রণা। কখনও কেঁদে উঠছে।‌ সারা রাত পায়ের যন্ত্রণায় ঠিকমতো ঘুমও হচ্ছে না। সন্তানের কেন রাতে পায়ের যন্ত্রণা হচ্ছে, এ নিয়ে দুশ্চিন্তায় থাকেন অনেক বাবা-মা! চিকিৎসকদের একাংশ জানাচ্ছেন, সতর্ক হতে হবে। না হলেই এই সমস্যার (Child Health) মোকাবিলা কঠিন হ‌য়ে উঠবে।

    রাত বাড়লেই কেন বাড়ে পায়ের যন্ত্রণা?

    শিশুরোগ বিশেষজ্ঞদের একাংশ জানাচ্ছেন, তিন বছরের পর থেকেই বহু শিশু রাতে পায়ের যন্ত্রণায় কাবু হয়। বছর দশেক পর্যন্ত এই সমস্যা থাকে‌। ছেলে-মেয়ে কমবেশি সকলেই এই সমস্যায় ভোগে। চিকিৎসা বিজ্ঞানের ভাষায় এই সমস্যার নাম গ্রোইং পেন (Child Health)। 
    চিকিৎসকদের একাংশ জানাচ্ছেন, তিন বছরের পর থেকেই শিশুর শরীরে উল্লেখযোগ্য ভাবে বিকাশ হয়। অর্থাৎ, হাত-পায়ের হাড় ও পেশির বিকাশ ঘটে। উচ্চতা বাড়ে। বছর দশেক পর্যন্ত বিশেষ ভাবে দৈহিক পরিবর্তন ঘটে। আর তার জেরেই এই ধরনের যন্ত্রণা হয়। শিশুরোগ‌ বিশেষজ্ঞদের একাংশ জানাচ্ছেন, সাধারণত এই বয়সের শিশুরা দিনভর খুব ‘অ্যাক্টিভ’ থাকে। অর্থাৎ, দৌড়াদৌড়ি, লাফালাফি করে। ফলে, পেশি ও হাড় যথেষ্ট ক্লান্ত থাকে। পাশপাশি এগুলির এই বয়সে নতুন করে গঠন হয়। তাই রাতে বিশ্রামের সময় যন্ত্রণা অনুভব হয়। বিশেষত পেশির যন্ত্রণা বেশি হয়।

    তবে যন্ত্রণা কি গ্রোইং পেন? (Child Health)

    চিকিৎসকদের একাংশ অবশ্য জানাচ্ছেন, সব রকমের যন্ত্রণা কিন্তু গ্রোইং পেন নয়। তাই অভিভাবকদের সতর্কতা জরুরি। শিশুরোগ বিশেষজ্ঞদের একাংশ জানাচ্ছেন, সন্তান দিনভর ছটফটে রয়েছে। স্কুল যাওয়া কিংবা খেলাধুলো স্বাভাবিক ভাবেই করছে। রাতে পায়ের পেশিতে যন্ত্রণা (Child Health) হলেও, সকালে ঘুম থেকে উঠে‌ একেবারেই স্বাভাবিক হয়ে গিয়েছে। তাহলে বুঝতে হবে এটা গ্রোইং পেন। কিন্তু অনেক সময়ে শিশুদের হাড়ে একাধিক সমস্যা হয়। সেই যন্ত্রণা শুধু রাতে নয়, দিনেও হবে। যদি একটানা যন্ত্রণা অনুভব হয়, সারাদিন ক্লান্তিবোধ থাকে, তাহলে চিকিৎসকের পরামর্শ জরুরি। তাছাড়া, জ্বর বা সর্দি-কাশির মতো উপসর্গ থাকলে হাতে-পায়ে যন্ত্রণা অনুভব হলে, কখনই শিশুকে অবহেলা করা যাবে না। দ্রুত চিকিৎসকের পরামর্শ নিতে হবে। কারণ, সেক্ষেত্রে অন্য কোনও সমস্যা দেখা‌ দিতে পারে।

    গ্রোইং পেন দেখা দিলে কীভাবে খেয়াল রাখতে হবে?

    শিশুরোগ বিশেষজ্ঞদের একাংশ জানাচ্ছেন, গ্রোইং পেন দেখা দিলে পেশি আস্তে আস্তে ম্যাসাজ করতে হবে। তাতে সাময়িক আরাম পাওয়া যাবে। শিশুদের এই পায়ের যন্ত্রণার জন্য কোনও রকমের ওষুধ বা মলম না লাগানোই ভালো বলে মনে করছেন অধিকাংশ চিকিৎসক। তবে এই সময়ে পুষ্টির দিকে বাড়তি খেয়াল রাখা জরুরি বলে জানাচ্ছেন পুষ্টিবিদদের একাংশ। তাঁরা বলছেন, এই সময়ে পেশি ও হাড়ের বিকাশ ঘটে। তাই পুষ্টিতে বিশেষ নজরদারি জরুরি (Child Health)। ভিটামিন ডি-র ঘাটতি যাতে দেখা না‌ দেয়, সেদিকে বিশেষ নজরদারি দরকার। তাই শুধু ঘরের ভিতরে নয়, সূর্যের আলোতে শিশুদের খেলাধুলো প্রয়োজন। সেদিকে অভিভাবকদের নজরদারি দরকার। পাশাপাশি হাড়ের শক্তি বাড়াতে ক্যালসিয়াম জাতীয় খাবার খাওয়া দরকার। তাই নিয়মিত দুধ, ডিম সিদ্ধ, কলা, লেবু খেতে হবে। পাশপাশি বাদাম খাওয়া জরুরি। শরীরে ভিটামিন এবং প্রোটিনের জোগান থাকা জরুরি। তবেই পেশি শক্তিশালী হবে বলে‌ জানাচ্ছেন পুষ্টিবিদদের একাংশ। আর পেশি‌ শক্তিশালী হলে গ্রোইং পেন‌ মোকাবিলাও সহজ হবে। তাই মাছ, মাংস, পনির, এবং সবুজ সব্জি নিয়মিত খাওয়া দরকার। তবেই শিশুর বিকাশ‌ ঠিকমতো হবে।

     

    দেশের খবর, দশের খবর, সব খবর, সবার আগে পেতে ফলো করুন আমাদের Facebook, Twitter এবং Google News পেজ।

  • Breast Feeding: জন্মের পরের ছ’মাস কি কেবল মায়ের দুধ? সন্তানের স্তন্যপান জরুরি কেন?

    Breast Feeding: জন্মের পরের ছ’মাস কি কেবল মায়ের দুধ? সন্তানের স্তন্যপান জরুরি কেন?

    তানিয়া বন্দ্যোপাধ্যায় পাল

    সদ্যোজাতের যত্নের মূল চাবিকাঠি কি রয়েছে মায়ের কাছেই? আজীবন রোগ প্রতিরোধ শক্তিকে মজবুত করতে মায়েই কাছেই কি রয়েছে মূল মন্ত্র? আর সন্তান প্রসবের পরে সুস্থ জীবন কাটাতে এবং নানান মারণ রোগের ঝুঁকি কমানোর কৌশলও কি নতুন মা আর সন্তানের মধ্যেই গোপন রয়েছে? বিশেষজ্ঞ মহলের উত্তর, হ্যাঁ! নবজাতকের সুস্থ জীবন কিংবা মায়ের দীর্ঘ রোগমুক্ত জীবন এই সবকিছুর চাবিকাঠি স্তন্যপান (Breast Feeding)! ব্রেস্ট ফিডিং অ্যাওয়ারনেস উইকে এমনই জানাচ্ছে বিশেষজ্ঞ মহল!

    কী বলছেন চিকিৎসকরা (Breast Feeding)? 

    চিকিৎসকরা জানাচ্ছেন, শিশুর জন্মের পরের প্রথম ছ’মাস তার জন্য শুধুমাত্র মায়ের বুকের দুধ (Breast Feeding) যথেষ্ট। বাইরের কোনও রকম খাবার কিংবা জলের প্রয়োজন শিশুর নেই। বরং জন্মের প্রথম ছ’মাস শিশুকে বাইরের খাবার কিংবা জল দিলে, তা শিশুর স্বাস্থ্যের পক্ষে ক্ষতিকারক হতে পারে! তাই এই সময়ে শিশুকে শুধুমাত্র মাতৃদুগ্ধ পানের পরামর্শ দিচ্ছেন চিকিৎসকরা। 
    বিশ্ব স্বাস্থ্য সংস্থার তরফেও জানানো হয়েছে, স্তন্যপান মা ও শিশু দু’ জনের স্বাস্থ্যের জন্য সমানভাবে উপকারী। মা যে কোনও শারীরিক অবস্থাতেই শিশুকে স্তন্যপান করাতে পারেন। এমনকি করোনার মতো সংক্রামক মহামারীতে আক্রান্ত হলেও শিশুকে মা স্তন্যপান করাতে পারেন। এমনই নিদান দিয়েছে বিশ্ব স্বাস্থ্য সংস্থা। মায়ের দুধের কোনও বিকল্প নেই বলেই জানাচ্ছে তারা।

    কেন শিশুদের জন্য মাতৃদুগ্ধ (Breast Feeding) উপকারী? 

    বিশেষজ্ঞ মহল জানাচ্ছে, ঠিক কোন কোন উপাদানে মায়ের দুধ তৈরি হয়, তা আজও বিজ্ঞানের কাছে অজানা। তাই মাতৃদুগ্ধের কোনও বিকল্প তৈরি করা যায়নি। কিন্তু এই দুধের উপকার জানা গিয়েছে। চিকিৎসকরা জানাচ্ছেন, শিশুর জন্মের পরে প্রথম ছ’মাস শুধুমাত্র মাতৃদুগ্ধ পান করলে রোগ প্রতিরোধ ক্ষমতা বাড়ে। সাধারণত ছ’মাসের পরে যখন শক্ত খাবার শিশু খেতে শুরু করে, তখন থেকেই তার পেটের সমস্যা ও হজম সংক্রান্ত সমস্যা দেখা যায়। দেখা গিয়েছে, যারা ফর্মুলা দুধ খেয়ে অভ্যস্ত, সেই শিশুদের সমস্যা বেশি হয়। মাতৃদুগ্ধ শিশুর লিভার, কিডনি এবং পরিপাকতন্ত্রের সক্রিয়তা বাড়ায়। শিশুকে সুস্থ রাখে। তাছাড়া, জন্মের পরের প্রথম ছ’মাসের মধ্যে শিশুকে বাইরের জল খাওয়ালে, তার কিডনির উপরে বাড়তি চাপ পড়ে। তাই শিশুর কিডনির সমস্যা হওয়ার ঝুঁকি বেড়ে যায়। শরীরের পাশপাশি মস্তিষ্কের বিকাশেও মাতৃদুগ্ধের (Breast Feeding) গুরুত্ব অপরিসীম বলে মনে করছেন চিকিৎসকরা। তাঁরা জানাচ্ছেন, মস্তিষ্ককে সক্রিয় রাখতে সাহায্য করে মাতৃদুগ্ধ। স্মৃতিশক্তি বাড়ানো এবং চিন্তাশক্তি বৃদ্ধিতে বিশেষ সাহায্য করে মাতৃদুগ্ধ। 
    এর পাশপাশি, চিকিৎসকরা জানাচ্ছেন, সন্তান ও মায়ের মানসিক স্বাস্থ্য ভালো রাখতেও মাতৃদুগ্ধের বিশেষ ভূমিকা রয়েছে। যে মা সন্তানকে মাতৃদুগ্ধ পান করান, তার সঙ্গে সন্তানের মানসিক সম্পর্ক অনেক বেশি দৃঢ় হয় বলেই মনে করছে চিকিৎসকদের একাংশ।

    সন্তানকে স্তন্যপান (Breast Feeding) মায়ের শরীরের জন্য কতখানি উপকারী? 

    চিকিৎসকরা জানাচ্ছেন, শুধুমাত্র সন্তানকে সুস্থ রাখা নয়, নিজেকেও সুস্থ রাখতে স্তন্যপান (Breast Feeding) করানো জরুরি। সন্তান জন্মের পরে মা স্তন্যপান করালে বেশ কিছু উপকার পাওয়া যায়। চিকিৎসকদের একাংশ জানাচ্ছে, স্তন্যপান করালে স্তন ক্যান্সার, জরায়ুর ক্যান্সারের ঝুঁকি কমে। পাশপাশি দেহে হরমোনের ভারসাম্য বজায় থাকে। ফলে, শরীরে নানান রোগের ঝুঁকি কমে। হরমোনের ভারসাম্য বজায় থাকার জেরে মানসিক স্বাস্থ্য সুস্থ রাখতেও সাহায্য করে। অধিকাংশ মায়েরা সন্তান প্রসবের পরে পোস্ট পার্টম ডিপ্রেশনের শিকার হন। এটা এক ধরনের মানসিক অবসাদ। সন্তানকে স্তন্যপান করালে এই অবসাদ কমার সম্ভাবনা বেড়ে যায় বলেও জানাচ্ছে মনোরোগ বিশেষজ্ঞদের একাংশ। তাছাড়া, অনেকের গর্ভবতী থাকাকালীন শরীরের ওজন বেড়ে যায়। বাড়তি ওজন কমাতেও বেশ সময় লাগে। তবে, নিয়মিত স্তন্যপান করালে দ্রুত ওজন কমে বলেও জানাচ্ছে চিকিৎসক মহল। 

    তবে, সন্তানের প্রথম ছ’মাসে যে এক্সক্লুসিভ ব্রেস্ট ফিডিং-এর পরামর্শ চিকিৎসকরা দিচ্ছেন, এই পর্বে মায়ের বাড়তি যত্ন প্রয়োজন বলে জানাচ্ছেন চিকিৎসকরা। তাঁদের পরামর্শ, স্তন্যপান করানোর সময় মা যাতে নিয়মিত অন্তত ছ’লিটার জল পান করেন, সে দিকে নজর দিতে হবে। পাশপাশি, মাকে পর্যাপ্ত দুধ, ডিম, মাংস, মাছ এবং সব্জি খেতে হবে। যাতে তার শরীরে প্রোটিন এবং ক্যালসিয়ামের ঘাটতি না পড়ে। তাছাড়া, আপেল, নাশপাতি, কলার মতো ফল নিয়মিত খেতে হবে, যাতে শরীরে ফাইবার ও আয়রন পর্যাপ্ত থাকে। পাশপাশি, মা স্তন্যপান করালে তাঁর ঘুমের ব্যাঘাত ঘটে। তাই পরিবারে তরফে নজর রাখতে হবে, যাতে সময় মতো মা বিশ্রাম নিতে পারেন। তবেই, মা ও শিশু দুজনেই সুস্থ থাকবে।

     

    DISCLAIMER: এই প্রতিবেদনটি বিশেষজ্ঞদের মতামত অনুযায়ী লেখা। এর সঙ্গে মাধ্যম-এর কোনও সম্পর্ক নেই। মাধ্যম এর কোনও দায় নিচ্ছে না। এখানে বলা যে কোনও উপদেশ পালন করার আগে অবশ্যই কোনও চিকিৎসক বা বিশেষজ্ঞের পরামর্শ নিন।

     
    দেশের খবর, দশের খবর, সব খবর, সবার আগে পেতে ফলো করুন আমাদের FacebookTwitter এবং Google News পেজ।
  • Stomach Disorder: বর্ষায় শিশুদের ভোগাচ্ছে পেটের অসুখ! কোন খাবারে বাড়ছে ভোগান্তি?

    Stomach Disorder: বর্ষায় শিশুদের ভোগাচ্ছে পেটের অসুখ! কোন খাবারে বাড়ছে ভোগান্তি?

    তানিয়া বন্দ্যোপাধ্যায় পাল

    বর্ষার মরশুম! রোজকার বৃষ্টিতে আবহাওয়া স্বস্তি দিলেও, ভোগান্তি বাড়াচ্ছে বর্ষার অসুখ! সবচেয়ে বেশি সমস্যায় ফেলছে পেটের অসুখ (Stomach Disorder)! বিশেষত, শিশুদের জন্য বাড়তি চিন্তার কারণ হচ্ছে পেটের অসুখ! তাই সতর্ক হওয়ার পরামর্শ দিচ্ছেন চিকিৎসকরা।

    পেটের অসুখে (Stomach Disorder) বাড়তি চিন্তা কেন? 

    চিকিৎসকরা জানাচ্ছেন, পেটের অসুখে বাড়তি চিন্তা রয়েছে। বিশেষত শিশুদের জন্য এই সমস্যা বাড়তি উদ্বেগের। কারণ, পেটের সমস্যায় (Stomach Disorder) অতিরিক্ত ভুগলে ডায়ারিয়া, কলেরার মতো রোগের ঝুঁকি তৈরি হয়। যা শারীরিক অবস্থার অবনতি ঘটাতে পারে। তাছাড়া, পেটের অসুখ অর্থাৎ বারবার মলত্যাগের মতো সমস্যা হলে, ডিহাইড্রেশনের ঝুঁকি তৈরি হয়। কারণ, অতিরিক্ত মলত্যাগের ফলে শরীরে জলের ঘাটতি তৈরি হয়। তার জেরেই হয় ডিহাইড্রেশনের ঝুঁকি। যা প্রাণঘাতীও হতে পারে। লিভারের অসুখের ঝুঁকি বাড়াতে পারে লাগাতার পেটের সমস্যা। সব মিলিয়ে পেটের সমস্যা নানা জটিল সমস্যা তৈরি করতে পারে। তাই চিকিৎসকরা বাড়তি সতর্ক থাকার পরামর্শ দিচ্ছেন।

    কোন খাবার বিপদ বাড়ায়? 

    চিকিৎসকরা জানাচ্ছেন, বর্ষায় মূলত জল থেকেই নানা সমস্যা তৈরি হয়। পেটের অসুখের (Stomach Disorder) অন্যতম কারণ, জল। বৃষ্টির জেরে অনেক জায়গায় বন্যা হয়, জল জমে থাকে, নিকাশি নালার সঙ্গে মিশে যায় খাবার জলের পাইপ! সব মিলিয়ে পরিশ্রুত পানীয় জলের সঙ্কট অনেক ক্ষেত্রে তৈরি হয়। আর তার জেরেই বাড়ে বিপদ! চিকিৎসকরা জানাচ্ছেন, জন্ডিস, কলেরা, ডায়ারিয়া কিংবা সাধারণ পেটের অসুখ, এই সব রোগ আটকাতে জরুরি পরিশ্রুত জল। তাই প্রয়োজনে শিশুদের জল ফুটিয়ে খাওয়ানোর পরামর্শ দিচ্ছে চিকিৎসক মহল। 
    বাইরের খাবার বিশেষত, রঙিন সরবত একেবারেই এড়িয়ে চলার পরামর্শ দিচ্ছেন চিকিৎসকরা। কারণ, রঙিন সরবতে কী ধরনের তরল ব্যবহার করা হয়, তা কতখানি পরিশুদ্ধ, সে ব্যাপারে সব সময় নিশ্চয়তা থাকে না। তাই বর্ষায় সুস্থ থাকতে শিশুদের রঙিন সরবত এড়িয়ে যেতে বলছে বিশেষজ্ঞ মহল। 
    যে কোনও বাইরের তৈরি চটজলদি খাবার, অর্থাৎ, চাউমিন, রোল, মোগলাই পরোটার মতো ফাস্ট ফুড বর্ষায় না খাওয়ার পরামর্শ দিচ্ছে চিকিৎসক মহল। তারা জানাচ্ছে, এই ধরনের খাবার সহজপাচ্য নয়। শিশুদের হজমের সমস্যা তৈরি হতে পারে। তার জেরেও পেটের অসুখ হতে পারে।

    ফি-দিনের মেনুতে কোন খাবার রাখলে ঝুঁকি কমবে? 

    চিকিৎসকরা জানাচ্ছেন, নিয়মিত পরিশ্রুত জল খাওয়ার পাশাপাশি কিছু খাবার ফি-দিন খেলে পেটের অসুখের (Stomach Disorder) ঝুঁকি কমবে। বিশেষজ্ঞদের পরামর্শ, বাচ্চাদের খাবারের মেনুতে নিয়মিত কাঁচকলা আর পেঁপের মতো সবজি থাকুক। কারণ, এই দুই সবজিতে আছে আয়রন ও ভিটামিন। এই দুই সবজি সহজে হজম হয়। পেটের পক্ষে উপকারী। 
    খাবারের তালিকায় লাউ রাখার পরামর্শ দিচ্ছেন চিকিৎসকরা। তাঁরা জানাচ্ছেন, লাউ লিভারের জন্য খুব উপকারী। তাই নিয়মিত লাউ খেলে পেটের সমস্যা কমবে। 
    সবুজ আপেল খাওয়ার পরামর্শ দিচ্ছে বিশেষজ্ঞ মহল। সবুজ আপেল পেটের জন্য উপকারী। 
    খাওয়ার পরে এক টুকরো আমলকি খেলে পেটের সমস্যা থেকে রেহাই পাওয়া যাবে বলে পরামর্শ বিশেষজ্ঞ মহলের। আমলকি সহজে হজম করায়। তাই আমলকি বিশেষ উপকারী। 
    তবে, পেটের সমস্যা দেখা দিলে বেশি পরিমাণে জল খেতে হবে। চিকিৎসকরা জানাচ্ছেন, প্রয়োজনে নুন-চিনি মিশিয়ে জল খেতে হবে। যাতে ডিহাইড্রেশনের ঝুঁকি তৈরি না হয়। তবে, সমস্যা বাড়লে দ্রুত চিকিৎসকের পরামর্শ নেওয়া জরুরি বলেই মত বিশেষজ্ঞদের।

     

    DISCLAIMER: এই প্রতিবেদনটি বিশেষজ্ঞদের মতামত অনুযায়ী লেখা। এর সঙ্গে মাধ্যম-এর কোনও সম্পর্ক নেই। মাধ্যম এর কোনও দায় নিচ্ছে না। এখানে বলা যে কোনও উপদেশ পালন করার আগে অবশ্যই কোনও চিকিৎসক বা বিশেষজ্ঞের পরামর্শ নিন।

     

    দেশের খবর, দশের খবর, সব খবর, সবার আগে পেতে ফলো করুন আমাদের FacebookTwitter এবং Google News পেজ।

  • Monsoon Cold and Cough: বৃষ্টিতে ভিজে সর্দি-কাশি! কোন কোন ঘরোয়া উপাদান কমাবে ভোগান্তি? 

    Monsoon Cold and Cough: বৃষ্টিতে ভিজে সর্দি-কাশি! কোন কোন ঘরোয়া উপাদান কমাবে ভোগান্তি? 

    তানিয়া বন্দ্যোপাধ্যায় পাল

    বর্ষার মরশুম! কখন বৃষ্টি হবে, অনেক সময়ই আগাম বোঝার উপায় নেই। প্রায়ই স্কুল ফেরত কিংবা অফিস যাওয়ার সময় অঝোর বৃষ্টিতে ভিজতে হচ্ছে। যার জেরে হাঁচি-কাশি, সর্দি, গলা ব্যথার মতো সমস্যা (Monsoon Cold and Cough) লেগেই থাকছে। এমনকী লাগাতার সর্দির জন্য নানা সংক্রমণে আক্রান্ত হয়ে ভোগান্তি বাড়ছে। সব মিলিয়ে নাজেহাল বঙ্গবাসী। কিন্তু বিশেষজ্ঞরা জানাচ্ছেন, কিছু ঘরোয়া উপাদান সঙ্গে থাকলে এই ভোগান্তি কমতে পারে।

    কোন কোন উপাদান নিয়মিত সঙ্গী হলে ভোগান্তি (Monsoon Cold and Cough) কমে? 

    বিশেষজ্ঞরা জানাচ্ছেন, নিয়মিত লেবু খাওয়া দরকার। যে কোনও ধরনের লেবুর রস নিয়মিত খেতে হবে। লেবুতে রয়েছে ভিটামিন সি। যা সর্দি-কাশি প্রতিরোধে শরীরে বাড়তি শক্তি জোগায়। তাই নিয়মিত লেবুর রস খেলে সর্দি-কাশির হাত থেকে রেহাই পাওয়া সহজ হয়। 
    যাঁরা অতিরিক্ত সর্দি-কাশিতে ভোগেন, তাঁদের সকালে মধু খাওয়ার পরামর্শ দিচ্ছে বিশেষজ্ঞ মহল। বিশেষত শিশু ও বয়স্কদের মধু খাওয়ার পরামর্শ তাঁরা দিচ্ছেন। মধুতে শরীর গরম থাকে। ফলে, সর্দির প্রকোপ (Monsoon Cold and Cough) কমে। 
    বৃষ্টিতে ভিজলে একটা গোটা লবঙ্গ চিবিয়ে খাওয়ার পরামর্শ দিচ্ছে বিশেষজ্ঞ মহল। লবঙ্গ গলার জন্য খুবই উপকারী। তাই গলার আপার রেসপিরেটরি ট্র্যাক ইনফেকশন এড়াতে লবঙ্গ বিশেষ সাহায্য করে বলেই জানাচ্ছেন তাঁরা। 
    গোলমরিচ আর তুলসী পাতা একসঙ্গে মিশিয়ে খেলে সর্দি-কাশিতে (Monsoon Cold and Cough) বিশেষ উপকার পাওয়া যাবে বলেই জানাচ্ছেন বিশেষজ্ঞরা। কারণ, এগুলো শরীর গরম রাখে, আবার সংক্রমণ রুখতেও সাহায্য করে।
    রাতে ঘুমনোর আগে গরম দুধে হলুদ মিশিয়ে খাওয়ার পরামর্শ দিচ্ছেন বিশেষজ্ঞরা। তাঁরা জানাচ্ছেন, দুধে রয়েছে ভিটামিন, ক্যালসিয়াম আর হলুদে রয়েছে রোগ প্রতিরোধ শক্তি বাড়ানোর ক্ষমতা। এই দুটি এক সঙ্গে খেলে শরীর সুস্থ থাকে। 
    খাবারে আদা ও রসুন দেওয়ার পরামর্শ দিচ্ছেন চিকিৎসকরা। আদা ও রসুনে অ্যান্টি অক্সিডেন্ট থাকে। যার জেরে শরীরে রোগ প্রতিরোধ শক্তি বাড়ে। যে কোনও সংক্রমণ থেকে বাঁচাতে সাহায্য করে। তাই খাবারে এই দুই উপকরণ দেওয়ার পরামর্শ দিচ্ছেন পুষ্টিবিদরা।

    কোন কোন দিক এড়িয়ে চলা বিশেষ জরুরি? 

    চিকিৎসকরা জানাচ্ছেন, খাবার ও ঘরোয়া উপকরণ রোগ (Monsoon Cold and Cough) প্রতিরোধ শক্তি বাড়াতে সাহায্য করবে। তবে, সতর্ক ও সচেতন না হলে ভোগান্তি বাড়বে। তাই চিকিৎসকদের পরামর্শ, এই আবহাওয়ায় আইসক্রিম, ঠান্ডা নরম পানীয় এড়িয়ে চলা উচিত। কারণ, এগুলো খেলে দ্রুত আপার রেসপিরেটরি ট্র্যাক ইনফেকশনে আক্রান্ত হওয়ার ঝুঁকি বেড়ে যায়। 
    তাছাড়া, যেহেতু আবহাওয়ার খামখেয়ালি ধরন রয়েছে, দ্রুত তাপমাত্রা ওঠানামা করছে, তাই লাগাতার এসি ঘরে থাকা উচিত নয় বলেই পরামর্শ চিকিৎসকদের। বিশেষত, বৃষ্টিতে ভিজে গেলে তারপর কখনই এসি ঘরে থাকা চলবে না বলেই তাঁরা জানাচ্ছেন। এতে সর্দি-কাশির (Monsoon Cold and Cough) ঝুঁকি বাড়বে। 
    তাছাড়া, পরিবারের কেউ সর্দি-কাশি বা জ্বরে আক্রান্ত হলে বাকিদের থেকে দূরত্ব বজায় রাখতে হবে। যাতে সংক্রমণ বেশি না ছড়ায়। বিশেষত শিশুদের থেকে দূরত্ব বজায় রাখা জরুরি।

     

    DISCLAIMER: এই প্রতিবেদনটি বিশেষজ্ঞদের মতামত অনুযায়ী লেখা। এর সঙ্গে মাধ্যম-এর কোনও সম্পর্ক নেই। মাধ্যম এর কোনও দায় নিচ্ছে না। এখানে বলা যে কোনও উপদেশ পালন করার আগে অবশ্যই কোনও চিকিৎসক বা বিশেষজ্ঞের পরামর্শ নিন।

     

    দেশের খবর, দশের খবর, সব খবর, সবার আগে পেতে ফলো করুন আমাদের FacebookTwitter এবং Google News পেজ।

LinkedIn
Share