Tag: Child health

Child health

  • Climate Change: বৃষ্টিতে পারদ-পতন! আবহাওয়ার দ্রুত পরিবর্তনে বিপদের আশঙ্কা?

    Climate Change: বৃষ্টিতে পারদ-পতন! আবহাওয়ার দ্রুত পরিবর্তনে বিপদের আশঙ্কা?

    তানিয়া বন্দ্যোপাধ্যায় পাল

    সকালে কয়েক ঘণ্টার বৃষ্টি বদলে দিয়েছে আবহাওয়া (Climate Change)। সাময়িক স্বস্তি বঙ্গবাসীর। তাপমাত্রার পারদ কিছুটা কমেছে। কিন্তু হঠাৎ করেই আবহাওয়ার এই পরিবর্তন শরীরের জন্য বেশ বিপজ্জনক বলেই জানাচ্ছে চিকিৎসক মহল।

    আশঙ্কা কোথায়? 

    রবিবার পর্যন্ত তাপমাত্রা ৪০ ডিগ্রির কাছাকাছি ছিল। কয়েক ঘণ্টার বৃষ্টিতে অবস্থার পরিবর্তন (Climate Change) হয়েছে। আর এত দ্রুত তাপমাত্রার পরিবর্তনে নানা ভাইরাসঘটিত রোগের হানার ঝুঁকি বেড়ে যায় বলেই আশঙ্কা করছেন চিকিৎসকরা। তাঁরা জানাচ্ছেন, এতে সিজিনাল ফ্লু-র আশঙ্কা বাড়ে। বিশেষত সর্দি-কাশিতে ভোগান্তি বাড়ে। তবে, সবচেয়ে বেশি ঝুঁকি শিশুদের। আবহাওয়ার এই দ্রুত পরিবর্তন তারা মানিয়ে নিতে পারে না। আর তার জেরেই তাদের ভাইরাসঘটিত অসুখে আক্রান্ত হওয়ার ঝুঁকি বেশি। 
    করোনার ঝুঁকি কয়েক মাস আগেও ছিল। চিন্তায় ফেলেছিল নতুন প্রজাতি। তারপরে আবার শিশুদের উপর ছিল অ্যাডিনা ভাইরাসের প্রকোপ। তাদের জন্য এই ঘন ঘন আবহাওয়ার পরিবর্তন বাড়তি উদ্বেগের বলেই জানাচ্ছেন চিকিৎসকরা। কারণ, এমনিতেই তাদের শরীর দুর্বল। রোগ প্রতিরোধ ক্ষমতা কম। তাই যে কোনও ভাইরাসঘটিত অসুখে দ্রুত আক্রান্ত হওয়ার ঝুঁকিও বেশি। তাই তাদের জন্য বাড়তি সতর্কতা জরুরি।

    কীভাবে সুস্থ থাকবে (Climate Change)? 

    আবহাওয়াবিদরা জানাচ্ছেন, স্বস্তি সাময়িক। তাপমাত্রার পারদ ফের বাড়বে (Climate Change)। চিকিৎসকরা তাই বলছেন, সতর্কতা জরুরি। বিশেষত শিশুদের জন্য বাড়তি সতর্কতা নিতে হবে। আর প্রথমেই খেয়াল রাখতে হবে এসির ব্যবহার নিয়ে। তাপমাত্রার এই রকমফেরে বাড়ির ছোটরা কতক্ষণ এসিতে থাকছে, এসির তাপমাত্রা কত, এইসব বিষয়ে নজর দেওয়া জরুরি। কারণ, অনেক সময়ই এসিতে দীর্ঘক্ষণ থাকার জেরে নানা ভাইরাসঘটিত অসুখের ঝুঁকি বাড়ে। আবার, এসির তাপমাত্রা যাতে ২৬-২৭ ডিগ্রির কম না হয়, সেটাও দেখা জরুরি। এসিতে ঘুমোলে অবশ্যই গায়ে চাদর ঢাকা দেওয়ার পরামর্শ দিচ্ছেন চিকিৎসকরা। 
    সর্দি-কাশি হলে দ্রুত চিকিৎসকের পরামর্শ নেওয়া জরুরি। আর সর্দি-কাশি হলে বাড়িতে থেকে বিশ্রাম নেওয়ার পরামর্শ চিকিৎসকদের। কারণ, স্কুলে গেলে একদিকে সংক্রমণ ছড়ানোর ভয় থাকে, আরেকদিকে পরিশ্রম বেশি হওয়ায় ক্লান্তি বেড়ে যাওয়ায় ঝুঁকি থাকে। 
    শিশুদের বিশ্ব স্বাস্থ্য সংস্থার নির্দেশ মতো নিউমোকক্কাল ভ্যাকসিন নেওয়া জরুরি বলেই জানাচ্ছে বিশেষজ্ঞ মহল। যে কোনও সর্দি-কাশির সমস্যা থেকে বাঁচাতে ও বড় বিপদ এড়াতে এই টিকা সাহায্য করবে বলেই জানাচ্ছেন চিকিৎসকরা। 
    আবহাওয়ার এই রকমফেরে রাশ থাকুক আইসক্রিম, ঠান্ডা পানীয়ে। বিশেষজ্ঞরা জানাচ্ছেন, আবহাওয়ার এই হঠাৎ পরিবর্তনের (Climate Change) সময় আইসক্রিম, ঠান্ডা পানীয় খেলে, সহজেই আপার রেসপিরেটরি ট্র্যাক ইনফেকশনের ঝুঁকি বেড়ে যায়। আর তার থেকে জ্বর-কাশির ঝুঁকি বাড়ে।

     

    DISCLAIMER: এই প্রতিবেদনটি বিশেষজ্ঞদের মতামত অনুযায়ী লেখা। এর সঙ্গে মাধ্যম-এর কোনও সম্পর্ক নেই। মাধ্যম এর কোনও দায় নিচ্ছে না। এখানে বলা যে কোনও উপদেশ পালন করার আগে অবশ্যই কোনও চিকিৎসক বা বিশেষজ্ঞের পরামর্শ নিন।

     

    দেশের খবর, দশের খবর, সব খবর, সবার আগে পেতে ফলো করুন আমাদের FacebookTwitter এবং Google News পেজ।

  • Adeno Virus: খুদেদের মধ্যে ক্রমশ বাড়ছে অ্যাডিনো-সংক্রমণ! হাসপাতাল পরিদর্শনে রাজ্য শিশু সুরক্ষা কমিশন

    Adeno Virus: খুদেদের মধ্যে ক্রমশ বাড়ছে অ্যাডিনো-সংক্রমণ! হাসপাতাল পরিদর্শনে রাজ্য শিশু সুরক্ষা কমিশন

    মাধ্যম নিউজ ডেস্ক: কোভিডের পর স্বাস্থ্য দফতরের সামনে নয়া উদ্বেগ অ্যাডিনো ভাইরাস। বিশেষত শিশুদের মধ্যে এই ভাইরাসের সংক্রমণ নিয়ে বাড়ছে দুশ্চিন্তা। কলকাতা সহ একাধিক জেলাতেও অ্যাডিনো ভাইরাসের সংক্রমণ অতিরিক্ত মাত্রায় ছড়াচ্ছে। চিকিৎসা করাতে আসা শিশুদের মধ্যে কেউ ১৫ দিন, কেউ এক মাস, কেউ আবার দেড় মাস ধরে ভুগছে সর্দি, কাশি ও জ্বরে। কারও আবার শ্বাসকষ্ট রয়েছে বলে জানিয়েছেন অভিভাবকরা। এইরকম পরিস্থিতিতে সব থেকে গুরুত্বপূর্ণ বিষয় হল সচেতনতা। তাই নতুন এই ভাইরাসের উপসর্গ কী এবং পরিস্থিতি ঠিক কতটা উদ্বেগজনক তার সঠিক মূল্যায়ন করতে আগ্রহী রাজ্য সরকার।

    শিশু সুরক্ষা কমিশনের পরিদর্শন

    সোমবার রাজ্য শিশু সুরক্ষা কমিশনের সদস্য  যশোবন্তী শ্রীমানি অ্যাডিনো ভাইরাসের চিকিৎসা চলা হাসপাতালগুলির পরিস্থিতি ঠিক কী রকম , তা জানতে  বিভিন্ন হাসপাতাল পরিদর্শন করেন। রাজ্য শিশু সুরক্ষা কমিশনের তরফে  প্রথম পরিদর্শন করা হয় ফুলবাগানের বিসি রায় শিশু হাসপাতালে। বিসি রায় হাসপাতালের পাশাপাশি, সেখান থেকে কলকাতা মেডিকেল কলেজ হাসপাতালে যান শিশু সুরক্ষা কমিশনের সদস্যরা। কমিশনের তরফ থেকে হাসপাতাল কর্তৃপক্ষের কাছে জানতে চাওয়া হয়, অ্যাডিনো ভাইরাসের সংক্রমণ রুখতে তারা কী কী ব্যবস্থা নিয়েছে, কত সংখ্যক শিশু ভর্তি রয়েছে অ্যাডিনো ভাইরাসে আক্রান্ত হয়ে, কত জনের মৃত্যু হয়েছে। প্রাথমিকভাবে হাসপাতালের সঙ্গে কথা বলে পরিস্থিতি সন্তোষজনক বলেই মনে করছে কমিশন। 

    আরও পড়ুন: নয়া উদ্বেগের নাম অ্যাডিনো ভাইরাস! শিশুর খাদ্য তালিকায় রাখুন রসুন, নিম, কাঁচা হলুদ

    সচেতনতা প্রচার

    হাসপাতালের তরফে রোগীর বিভিন্ন স্টেজ ভাগ করে আলাদা আলাদা ভাবে চিকিৎসা করা হচ্ছে বলে জানানো হয়েছে। এ ছাড়াও কমিশনের তরফে সচেতনতামূলক প্রচারের জন্য কী কী করণীয় তা সম্পর্কেও হাসপাতালকে জিজ্ঞাসা করা হয়। কমিশন প্রাথমিকভাবে জানিয়েছে বাড়ির বড়দের কারও ঠাণ্ডা জ্বর সর্দি-কাশি থাকলে বাড়ির শিশুকে তার থেকে দূরে রাখার ব্যবস্থা করতে হবে। শরীর খারাপ থাকলে স্কুলে পাঠানো বন্ধ করতে হবে। জ্বরের সঙ্গে বমি, পাতলা পায়খানা, শ্বাসকষ্ট, খিদে কমে যাওয়া এই লক্ষণ থাকলেই চিকিৎসকের পরামর্শ নিয়ে হাসপাতালে ভর্তি করতে নির্দেশ দেওয়া হচ্ছে। শিশুর তিন থেকে পাঁচ দিনের জ্বর হলেও হাসপাতালে নিতে হবে। এছাড়া জনবহুল এলাকায় গেলে মাক্স ব্যবহার করাতে হবে।

    দেশের খবর, দশের খবর, সব খবর, সবার আগে পেতে ফলো করুন আমাদের Facebook এবং Twitter পেজ।

  • Child Growth: সন্তানের বৃদ্ধি নিয়ে চিন্তিত? মেনে চলুন এই তালিকা

    Child Growth: সন্তানের বৃদ্ধি নিয়ে চিন্তিত? মেনে চলুন এই তালিকা

    মাধ্যম নিউজ ডেস্ক: বাচ্চাদের (Children) বৃদ্ধি নিয়ে চিন্তিত থাকেন অনেক বাবা-মা। তাঁদের সন্তানটি লম্বা (Height) হবে তো! এই ভয় অনেককেই তাড়া করে বেড়ায়। এক্ষেত্রে সবসময়ই বিশেষজ্ঞরা খাওয়া-দাওয়ার ওপর জোর দেন। পুষ্টিকর খাবার খেলে বাচ্চাদের বৃদ্ধি অনেকটাই স্বাভাবিক হয়। কিছু পরিবেশগত, জিনগত বিষয়ের ওপরেও নির্ভর করে কে কতটা লম্বা হবে। জীবনযাপনেরও অনেকটাই প্রভাব আছে এর ওপর। ভালো খাদ্যাভ্যাস অনেকটাই বাচ্চাদের লম্বা হতে সাহায্য করে। লম্বা হওয়ার জন্যে কিছু আসনেরও পরামর্শ দেন বিশেষজ্ঞরা। জেনে নিন। 

    আরও পড়ুনঃ হঠাতই ওজন কমছে বা বাড়ছে! হতে পারে আপনি অজানা রোগে আক্রান্ত
     
    ১। দেওয়ালে পেট ঠেসে রেখে দাঁড়িয়ে আঙুল দিয়ে ওপরে ওঠার চেষ্টা করতে হবে। আস্তে আস্তে যতটা সম্ভব পায়ের আঙুলের ওপর দাঁড়াতে হবে। শরীরকে যতটা সম্ভব টানটান করতে হবে। পাঁচ- সাত মিনিট এই আসনটি করান আপনার বাচ্চাটিকে।  

    ২। দেওয়ালে পেছন করে দাঁড়াতে হবে। পা দুটিকে ফাঁকা করে হাঁটু খানিকটা শিথিল করে রাখতে হবে। এবার দুই হাত দিয়ে দেওয়াল ছুঁতে হবে। এরপর নীচু হয়ে পায়ের পাতা ছোঁয়ার চেষ্টা করতে হবে। এই আসনটিও ৫-৭ মিনিট করান আপনার সন্তানকে।

    ৩। স্কোয়াট পজিশনে শ্বাস নিন এবং শ্বাস ছাড়তে ছাড়তে লাফান। 

    ৪। এরপর ভুজনাসন করুন।

    ৫। তারপর এক পা এবং দুই পায়ে যথাক্রমে পবন মুক্তাসন করুন। 

    বিশেষজ্ঞদের মতে শুধু খাদ্যই নয় বাচ্চাদের প্রকৃতির সংস্পর্শেও রাখতে হবে। তাহলেই তাদের প্রকৃত বৃদ্ধি হবে। বাচ্চার বৃদ্ধির জন্যে মুক্ত বাতাস, সূর্যালোক খুব জরুরি।  

    আরও পড়ুনঃ রোজ খান এই খাবারগুলো, থামিয়ে রাখুন ত্বকের বয়স

    এবার জেনে নিন কী কী খাওয়াবেন আপনার খুদেটিকে।

    ১। বাচ্চাদের দুধ, ঘি এবং চিনি খাওয়ানো জরুরি।

    ২। সকালের খাবারে পোহা, সবজি দিয়ে দেশী ঘি-র উপমা বানিয়ে দিতে পারেন।

    ৩। গরমকালে তরমুজসহ নানা ফল দিন।

    ৪। দুপুরের খাবারে দিতে পারেন, স্যালাড, আলুর পরোটা, মুগডাল, বাটার মিল্ক, ছাতু, লাড্ডু।

    ৫। বিকেলে খিদে পেলে দিতে পারেন ছোলা, কিসমিস বা ডাবের জল।
     
    ৬। রাতে দিন রুটি, মেশানো সবজি, পনির এবং বিভিন্ন সবজি দিয়ে তৈরি স্যুপ।

    ৭। খেয়াল রাখবেন, আপনার সন্তান যেন বেশি না খেয়ে ফেলে। খাওয়ার পরেই যেন শুতে না যায়। খেয়ে খানিকটা সময় পেরোলে তবেই বিছানায় যাওয়া উচিত। 

    ৮। সন্ধ্যে ৬.৩০-৭ টার মধ্যে রাতের খাবার খেয়ে নিতে হবে।

    ৯। সঠিক বৃদ্ধি হতে পর্যাপ্ত ঘুম দরকার বাচ্চাদের। 

    * ওপরের সব মতামত বিশেষজ্ঞদের। 

LinkedIn
Share