Tag: China

China

  • Giant Panda Fossil: চিন থেকে উদ্ধার ৬০ লক্ষ বছরের পুরনো জায়েন্ট পান্ডার জীবাশ্ম

    Giant Panda Fossil: চিন থেকে উদ্ধার ৬০ লক্ষ বছরের পুরনো জায়েন্ট পান্ডার জীবাশ্ম

    মাধ্যম নিউজ ডেস্ক: ডাইনোসরের জীবাশ্মের খোঁজ, এসব এখন অতীত। সম্প্রতি ৬ মিলিয়ন অর্থাৎ ৬০ লক্ষ বছর পুরনো জায়েন্ট পান্ডার (Giant Panda) জীবাশ্ম উদ্ধার করা হয়েছে চিন (China) থেকে। আর এই নিয়েই আবারও চর্চা শুরু হয়েছে। কিছুদিন আগেই পান্ডার উৎপত্তি কোথা থেকে হয়েছে এই নিয়ে অনেক আলোচনা চলছিল। জানা গিয়েছিল, জায়েন্ট পান্ডার হদিশ নাকি চিন থেকেই পাওয়া যায়। কিন্তু এবারে এত বছরের পুরনো বিলুপ্ত হয়ে যাওয়া পান্ডার জীবাশ্ম উদ্ধার করে তাক লাগিয়ে দিয়েছে সাধারণ মানুষের।

    ওই দুই মহিলার মধ্যে একজন অস্ট্রিয়ান ও অন্যজন রোমানিয়ান ছিলেন।

    বিশেষজ্ঞরা জানিয়েছেন, যে প্রজাতির পান্ডার হাড়ের জীবাশ্ম উদ্ধার করা হয়েছে তার নাম Ailurarctos। জীবাশ্মটি চিনের ইউনানের (Yunnan) জাওটং (Zhaotong) শহরের থেকে উদ্ধার করা হয়েছে। এটি ৬০ লক্ষ বছরের পুরনো জীবাশ্ম ও এই প্রজন্মের পান্ডাদের থেকেই বর্তমান প্রজন্মের পান্ডারা এসেছে বলে জানিয়েছেন বিশেষজ্ঞরা। এই হাড়গুলো থেকে বর্তমান প্রজন্মের পান্ডাদের হাড়ের পরিবর্তনের কথা জানতে পারবেন বিজ্ঞানীরা। ‘ফলস থাম্প’ নামক হাড়ের গঠনে কী কী পরিবর্তন এসেছে এই নিয়ে বিস্তারিত জানতে এই জীবাশ্ম অনেক সাহায্য করে থাকবে বলে জানিয়েছেন বিজ্ঞানীরা। এই ফলস থাম্পের সাহায্যেই পান্ডারা হাতে কোনও খাবার বা বাঁশ নিয়ে খেতে পারে। বর্তমান প্রজন্মের পান্ডাদের ফলস থাম্পের সঙ্গে এর মিলও খুঁজে পাওয়া গিয়েছে। শুধুমাত্র এটি আকারে বড় ধরণের ছিল ও এতে হুক নেই যা বর্তমান প্রজন্মের পান্ডাদের আছে।

    আরও পড়ুন: অদ্ভুত কাণ্ড! ৫ লাখ টাকার গয়না চুরি করল ইঁদুর!

    এর আগে ২০১০ সালে প্রথম Ailurarctos প্রজাতির পান্ডার হাতের হাড় পাওয়া গিয়েছিল ও ২০১৫ সালে দাঁত ও ফলস থাম্প উদ্ধার করেছিল বিশেষজ্ঞরা। বিশেষজ্ঞরা জানিয়েছেন, এই জীবাশ্মের সাহায্যেই বিজ্ঞানীরা জানতে পেরেছেন যে,  Ailurarctos প্রজাতির পান্ডার ফলস থাম্পের থেকে বর্তমান প্রজন্মের পান্ডাদের ফলস থাম্পের গঠন বেশি ভালো। এদের থাম্পে হুক থাকায় কোনও জিনিসকে বা কোনও খাবারকে এরা ভালোভাবে ধরতে পারে। ফলে এই জীবাশ্মের সন্ধান পাওয়ার পরে বিজ্ঞানীরা জায়েন্ট পান্ডাদের সম্পর্কে বিভিন্ন অজানা তথ্য জানতে পারেন ও এখনকার পান্ডাদের সঙ্গে আগের প্রজন্মের পান্ডাদের কী কী মিল ও অমিল রয়েছে তাও জানতে পারেন। বিজ্ঞানীরা এই জীবাশ্ম নিয়ে এখনও গবেষণা করে চলেছে, তাই ভবিষ্যতে আর কী কী নতুন তথ্য পাওয়া যেতে পারে এটিই এখন দেখার।

  • Asian Games 2022: চিনে ফের মাথা চাড়া দিয়েছে করোনা, স্থগিত হয়ে গেল ১৯তম এশিয়ান গেমস

    Asian Games 2022: চিনে ফের মাথা চাড়া দিয়েছে করোনা, স্থগিত হয়ে গেল ১৯তম এশিয়ান গেমস

    মাধ্যম নিউজ ডেস্ক: চিনে (China) করোনার (Covid-19) বাড়বাড়ন্তে স্থগিত হয়ে গেল এশিয়ান গেমস (2022 Asian Games)। চলতি বছরেই ১০ ​​থেকে ২৫ সেপ্টেম্বর ১৯তম এশিয়ান গেমসের আসর বসার কথা ছিল চিনের হাংজুতে (Hangzhou)। এএফপি-র রিপোর্ট অনুযায়ী, করোনার প্রকোপে সে প্রতিযোগিতায় স্থগিতাদেশ দিল অলিম্পিক কাউন্সিল অফ এশিয়া (Olympic Council of Asia)।    
     
    [tw]


    [/tw]

    চিনের সংবাদ মাধ্যম সূত্রে জানা গেছে, প্রাণঘাতী করোনা ভাইরাসের ক্রমবর্ধমান সংক্রমণের কথা মাথায় রেখেই এই সিদ্ধান্ত । তাসখন্দে সংস্থার এক্সিকিউটিভ বোর্ডের বৈঠকে এই সিদ্ধান্ত নেওয়া হয়েছে। গেমসের আয়োজন অনির্দিষ্টকালের জন্য স্থগিত রাখার কথা জানানো হয়েছে হাংজু প্রশাসনের তরফেও।

    [tw]


    [/tw]

    একটি আন্তর্জাতিক প্রতিবেদন অনুসারে, অলিম্পিক কাউন্সিল অফ এশিয়া শুক্রবার জানিয়েছে, চিনের হাংজুতে ১৯তম এশিয়ান গেমস অনুষ্ঠিত হওয়ার কথা ছিল। তা স্থগিত করা হবে। কতদিনের জন্যে স্থগিত করা হয়েছে প্রতিযোগিতাটি সে বিষয়ে কিছু জানানো হয়নি।  

    করোনার প্রকোপে এশিয়ান গেমস বাতিল হতে পারে এমন জল্পনা বেশ কিছুদিন ধরেই শোনা যাচ্ছিল। চিনে করোনা সংক্রমণ ফের ব্যাপক হারে বৃদ্ধি পেয়েছে। ইতিমধ্যে মৃত্যুও হয়েছে বেশ কিছু মানুষের। পরিস্থিতি সামাল দিতে সে দেশের একাধিক শহরে লকডাউন করতে হয়েছে। এই পরিস্থিতিতে চিনে গিয়ে এশিয়ান গেমসে অংশগ্রহণ করা নিয়ে কিছু দেশ আপত্তি জানিয়েছিল। শেষ পর্যন্ত অনির্দিষ্টকালের জন্য গেমস স্থগিত হওয়ায় স্বস্তি পেলেন অনেকেই।
      

  • Quad summit: চিন নিয়ে সহমত, রাশিয়া প্রসঙ্গে বিভেদ কোয়াডে

    Quad summit: চিন নিয়ে সহমত, রাশিয়া প্রসঙ্গে বিভেদ কোয়াডে

    মাধ্যম নিউজ ডেস্ক: শেষ হল চতুর্থ কোয়াড সম্মেলন (Quad Summit)। জাপানের রাজধানী টোকিওতে (Tokyo) এক মঞ্চে দেখা গেল ভারতের প্রধানমন্ত্রী নরেন্দ্র মোদি (Modi), জাপানের প্রধানমন্ত্রী ফুমিয়ো কিশিদা, অস্ট্রেলিয়ার প্রধানমন্ত্রী অ্যান্টনি আলবানিজ এবং আমেরিকার প্রেসিডেন্ট জো বাইডেনকে (Joe Biden)।

    বৈঠকে আলোচিত বিষয়গুলির মধ্যে প্রধান ছিল করোনা (Covid-19) সংক্রমণ প্রতিরোধ, রাশিয়া-ইউক্রেন যুদ্ধ (Russia Ukraine war) এবং ইন্দো-প্যাসিফিক অঞ্চলে (Indo-Pacific Ocean Region) চিনের মোকাবিলা। বৈঠকের শেষে চিনের (China) বিরুদ্ধে একজোট হলেও রাশিয়ার (Russia) ক্ষেত্রে দ্বিধাবিভক্ত কোয়াড। পুতিন সরকারের বিরুদ্ধে আমেরিকা ও জাপান সরব হলেও, চুপ ছিল অস্ট্রেলিয়া এবং ভারত (India)।

    বৈঠকের শুরুতেই বাইডেন জানান, ইন্দো-প্রশান্ত মহাসাগরীয় এলাকায় যাতে বিভিন্ন দেশ অবাধে যাতায়াত করতে পারে, সেজন্য চেষ্টা করবে কোয়াড। তাঁর কথায়, “ইউক্রেনে (Ukraine) রাশিয়ার হামলা দেখিয়ে দেয়, আন্তর্জাতিক ক্ষেত্রে স্থিতিশীলতা রক্ষা করা কত জরুরি।” মার্কিন প্রেসিডেন্টের মতে, রাশিয়ার প্রেসিডেন্ট ভ্লাদিমির পুতিন (Vladimir Putin) ইউক্রেনের সংস্কৃতিকে বিলুপ্ত করার চেষ্টা করছেন। এমনটা নয় যে রাশিয়া, ইউক্রেনে শুধু সামরিক লক্ষ্যবস্তুগুলিতে আঘাত করছে! তারা (রাশিয়া) ইউক্রেনের প্রতিটি স্কুল, প্রতিটি গির্জাকে ধ্বংস করছে। বিশ্বের সমস্ত শান্তিকামী দেশকে এর বিরুদ্ধে সরব হওয়ার আহ্বান জানান তিনি। 

    আরও পড়ুন: বিশ্ব-বাজারের পণ্য তৈরির ভিত্তিভূমি হোক ভারত, আহ্বান মোদির

    জাপানের প্রধানমন্ত্রী কিশিদার মতে, ইউক্রেনে রাশিয়ার আক্রমণ রাষ্ট্রপুঞ্জের সনদকেই চ্যালেঞ্জ করেছে। তাঁর কথায়, “ভারতীয় প্রশান্ত মহাসাগরীয় অঞ্চলে কখনও ইউক্রেনের মতো ঘটনা ঘটতে দেওয়া হবে না।”

    অন্যদিকে রাশিয়া প্রসঙ্গে চুপ থেকে কোয়াড বৈঠকে মোদি বলেন, “অল্প সময়ের মধ্যে আন্তর্জাতিক মঞ্চে গুরুত্বপূর্ণ স্থান দখল করেছে কোয়াড। ভারতীয় প্রশান্ত মহাসাগরীয় অঞ্চলে গঠনমূলক কর্মসূচি নিয়ে এগোতে চায় এই গোষ্ঠী এর ফলে সকলেই বুঝতে পারবে, কোয়াড (QUAD) মানুষের কল্যাণ চায়।” পরে প্রধানমন্ত্রী বলেন, কোয়াড গোষ্ঠীভুক্ত দেশগুলি কয়েকটি ক্ষেত্রে পরস্পরের মধ্যে ঘনিষ্ঠ সহযোগিতা করছে। তাদের মধ্যে আছে পরিবেশ দূষণ রোধ, বিপর্যয় মোকাবিলা, ভ্যাকসিন সরবরাহ এবং অর্থনীতি। ইন্দো-প্রশান্ত মহাসাগরীয় অঞ্চলে শান্তি, সমৃদ্ধি ও স্থিতিশীলতা সুনিশ্চিত করেছে কোয়াড।

    রাশিয়া নিয়ে সরাসরি কোনও কথা বলেননি অস্ট্রেলিয়ার নবনির্বাচিত প্রধানমন্ত্রী অ্যান্টনি আলবানিজ। তিনি বলেন, “আগামী দিনে অস্ট্রেলিয়া প্রশান্ত মহাসাগরীয় দেশগুলিকে আরও সাহায্য করবে। তার ফলে সমুদ্রপথে নিরাপত্তা সুনিশ্চিত হবে।” 

    তবে, বৈঠকের শেষে রাশিয়া-প্রসঙ্গে চার দেশের তরফে প্রকাশিত যৌথ বিবৃতিতে জানানো হয়, সব দেশেরই উচিত আন্তর্জাতিক আইনগুলি মেনে চলা। কখনওই তা লঙ্ঘন করা উচিত নয়। যাবতীয় বিভেদ মেটাতে শান্তিপূর্ণ আলোচনার পথই শ্রেয়, বলে মনে করে কোয়াড।

    রাশিয়া নিয়ে একমত হতে না পারলেও একজোট হয়ে চিনের বিরুদ্ধে কঠোর নীতি নেওয়ার কথা জানায় চার দেশের রাষ্ট্রনেতারা। ইন্দো-প্রশান্ত মহাসাগরীয় অঞ্চলে চিন যেভাবে নিজেদের আধিপত্য বিস্তারের চেষ্টা চালাচ্ছে তার বিরুদ্ধে কঠোর বার্তা দেওয়া হয়। এই অঞ্চলে শান্তি বিঘ্নিত করার বা অবস্থান বদলের কোনওরকম চেষ্টা যদি চিন করে তাহলে তার কড়া জবাব দেওয়া হবে বলেও জানানো হয় কোয়াড সম্মেলনে। করোনা মোকাবিলায় ভারতের ভূমিকার প্রশংসা করেন মার্কিন প্রেসিডেন্ট জো বাইডেন। এ প্রসঙ্গেও চিনের সমালোচনা করেন তিনি।

  • China Pakistan Economic corridor: ঢিমেতালে চলছে চিন-পাক অর্থনৈতিক করিডরের কাজ, ক্ষুব্ধ শেহবাজ প্রশাসন

    China Pakistan Economic corridor: ঢিমেতালে চলছে চিন-পাক অর্থনৈতিক করিডরের কাজ, ক্ষুব্ধ শেহবাজ প্রশাসন

    মাধ্যম নিউজ ডেস্ক: কথা ছিল প্রজেক্ট হবে ১৫টি। খরচ হবে ৬০ বিলিয়ন মার্কিন ডলার। চিন পাকিস্তান অর্থনৈতিক করিডরে (China Pakistan Economic corridor) মোট ১৫টি প্রজেক্টের মধ্যে বাস্তবায়িত হয়েছে মাত্র ৩টি। সাম্প্রতিক এক রিপোর্টেই উঠে এসেছে এই তথ্য। প্রত্যাশিতভাবেই ক্ষুব্ধ পাকিস্তানের নয়া সরকার।

    ২০১৩ সালে চিন (China) ও পাকিস্তানের (Pakistan) মধ্যে অর্থনৈতিক করিডর সংক্রান্ত চুক্তি হয়। ৪৬ হাজার কোটি ডলার বিনিয়োগ করে পাকিস্তানের মধ্যে দিয়ে চিন এই করিডর তৈরির চুক্তি চূড়ান্ত করে। পরে বিনিয়োগ আরও বাড়ে। শেষ হয় চিনের কাশগড় থেকে কারাকোরাম হাইওয়ে হয়ে পাকিস্তানের গ্বাদর (Gwadar) পর্যন্ত সড়ক নির্মাণের কাজ। করিডর বরাবর পরিকাঠামোও তৈরি হয়েছে। শেষ হয়েছে আরও দুটি প্রকল্প। তবে বাকি ১২টি প্রকল্পের কাজ বিশ বাঁও জলে। এর মধ্যে রয়েছে জল সরবরাহ ও বিদ্যুৎ উৎপাদনের মতো গুরুত্বপূর্ণ প্রজেক্টও। ঘটনায় যারপরনাই ক্ষুব্ধ পাকিস্তানের নয়া সরকার। তবে কাজ ঠিকঠাক গতিতেই এগোচ্ছে বলে দাবি চিন-পাকিস্তান অর্থনৈতিক করিডর রূপায়ণের দায়িত্বে থাকা কর্তাদের।

    কথা ছিল, প্রজেক্টের ৯০ শতাংশ টাকাই খরচ করবে ড্রাগনের দেশ। বাকি টাকা দেবে পাক সরকার। তবে এখন দেখা যাচ্ছে, চিনের আগ্রহের তালিকায় থাকা ৩টি প্রকল্পের কাজ শেষ করা হয়েছে। বাকিগুলির কাজ কবে শেষ হবে, তা কেউ জানে না। এই অর্থনৈতিক করিডরের একাংশ গিয়েছে পাক অধিকৃত কাশ্মীরের ভিতর দিয়ে। যার প্রতিবাদও জানিয়েছে ভারত। তবে ভারতের ওই প্রতিবাদ কানে তোলেনি পাক সরকার।

    প্রতিবাদের ঝড় উঠেছে পাক ব্যবসায়ীদের তরফেও। জানা গিয়েছে, করিডর বেয়ে হু হু করে পাকিস্তানে ঢুকছে সস্তার চিনা পণ্য। আর পাকিস্তানের পণ্য চিনে ঢুকছে অত্যন্ত কম। যা নিয়ে ক্ষুব্ধ পাক ব্যবসায়ীরা। করিডর অথরিটিকে বাতিল করার প্রক্রিয়া দ্রুত শুরু করার নির্দেশ দিয়েছেন পাকিস্তানের পরিকল্পনা মন্ত্রী আহসান ইকবাল। তিনি বলেন, এটি একটি অপ্রয়োজনীয় সংস্থা। যে কেবল দেশের সম্পদ নষ্ট করেছে। কাজের কাজ কিছু হয়নি।

     

  • Pakistan: ঋণ মেটাতে অধিকৃত কাশ্মীরের একাংশ চিনকে সমর্পণ করতে পারে পাকিস্তান?

    Pakistan: ঋণ মেটাতে অধিকৃত কাশ্মীরের একাংশ চিনকে সমর্পণ করতে পারে পাকিস্তান?

    মাধ্যম নিউজ ডেস্ক: অর্থসংকটে জেরবার দেশ। সংকট কাটাতে এবার চিনকে (China) গিলগিট বাল্টিস্তান (Gilgit Baltistan) লিজ দিতে পারে পাকিস্তান (Pakistan)। সম্প্রতি এমনই আশঙ্কা প্রকাশ করেছেন কারাকোরাম ন্যাশনাল মুভমেন্টের চেয়ারম্যান মুমতাজ নাগরি। একটি সংবাদ মাধ্যমে প্রকাশিত প্রতিবেদনে নাগরিকে উদ্ধৃত করে এই মন্তব্য করা হয়েছে। অর্থনৈতিক সংকট কাটাতে কিছুদিন আগেই দেশবাসীকে চা খাওয়া কমানোর দাওয়াই দিয়েছিলেন শরিফের মন্ত্রিসভার এক সদস্য। এবার প্রকাশ্যে এল জায়গা লিজ দেওয়ার আশঙ্কা। 

    আরও পড়ুন : ‘মৃত’ জঙ্গিকে ‘গ্রেফতার’, ধূসর তালিকা থেকে বেরোতে মরিয়া পাকিস্তান?

    সম্প্রতি রাজনৈতিক পটপরিবর্তন হয়েছে পাকিস্তানে। ইমরান খানের সরকারের জায়গায় ক্ষমতায় এসেছে শেহবাজ শরিফের সরকার। তার পরেই প্রকাশ্যে এসেছে দেশের অর্থনীতির হাঁড়ির হাল। অর্থসংকট কাটাতে একাধিক গুরুত্বপূর্ণ সিদ্ধান্ত নিয়েছে পাক সরকার। দিন কয়েক আগেই এক লপ্তে পেট্রোলের দাম বাড়ানো হয়েছে লিটার প্রতি ৩০ টাকা। দিন কয়েক আগে সংসদের বৈঠকে তিনি বলেছিলেন, আগের সরকারের ভুল আর্থিক নীতির জন্য আইএমএফ-ও আর পাকিস্তানকে অর্থ সাহায্য করতে চাইছে না।আইএমএফের সব শর্ত পূরণ করলে তবেই মিলবে আর্থিক সাহায্য। এই সময়ই প্রধানমন্ত্রী দেশবাসীকে মনে করিয়ে দেন, এই সংকট থেকে বেরতে গেলে পাকিস্তানকে আরও অনেক খারাপ পরিস্থিতির মধ্যে দিয়ে যেতে হবে। 

    আরও পড়ুন : ভারতকে বন্ধু হিসেবে চায় পাকিস্তান! বেনজির-পুত্রের মন্তব্যে বরফ গলার ইঙ্গিত?

    কাশ্মীরের বেশ খানিকটা অংশ অবৈধভাবে দখল করে রেখেছে পাকিস্তান। দখলীকৃত এই অংশের মধ্যেই পড়ে গিলগিট বাল্টিস্তান। ভারতের থেকে জোর করে দখল করা সেই অংশই পাকিস্তানকে লিজ দেওয়া হতে পারে বলে আশঙ্কা নাগরির। শোনা যাচ্ছে, শি জিনপিংয়ের সরকার পাকিস্তানকে ২৩০ কোটি ডলার ঋণ দেবে। এই ঋণের বিনিময়েই কি পাকিস্তান গিলগিট ও বাল্টিস্তান লিজ দিতে পারে ড্রাগনকে? উঠছে প্রশ্ন।  

    আরও পড়ুন : “তিন টুকরো হয়ে যাবে পাকিস্তান!” কেন এমন কথা বললেন ইমরান?

  • Quad Summit: শুভেচ্ছা-স্মারক হিসেবে রাষ্ট্রনেতাদের বিশেষ উপহার মোদির

    Quad Summit: শুভেচ্ছা-স্মারক হিসেবে রাষ্ট্রনেতাদের বিশেষ উপহার মোদির

    কোয়াড সম্মেলনের শেষে জাপানের প্রধানমন্ত্রী ফুমিও কিশিদা,অস্ট্রেলিয়ার প্রধানমন্ত্রী অ্যান্টনি আলবানিজ এবং মার্কিন প্রেসিডেন্ট জো বাইডেনের সঙ্গে দেখা করেন প্রধানমন্ত্রী নরেন্দ্র মোদি। ভারতীয়দের পক্ষ থেকে শুভেচ্ছা-স্মারক হিসেবে অস্ট্রেলিয়ার প্রধানমন্ত্রীকে গন্ড আর্ট পেইন্টিং, জাপানের প্রধানমন্ত্রীকে রোগান পেইন্টিং সহ এবং মার্কিন রাষ্ট্রপতিকে সাঁঝি আর্ট উপহার দিয়েছেন মোদি।

    অস্ট্রেলিয়ার প্রধানমন্ত্রীকে মোদির উপহার: গন্ড আর্ট পেন্টিংপ্রসিদ্ধ আদিবাসী শিল্পগুলির মধ্যে একটি হল গন্ড পেইন্টিং। ‘গন্ড’ শব্দটি এসেছে ‘কন্ড’ শব্দ থেকে যার অর্থ ‘সবুজ পাহাড়’। বিন্দু এবং রেখা দিয়ে তৈরি এই ছবিগুলি পাহাড়ের দেওয়ালে লাগানো থাকে। এই আদি চিত্রশিল্পে মাটি,গাছের রস,পাতা,গোবর,চুন পাথরের গুঁড়ো ইত্যাদি ব্যবহার করা হয়।

    গন্ড শিল্পকে অস্ট্রেলিয়ার আদিম শিল্পের অনুরূপ বলে মনে করা হয়। গন্ডদের সৃষ্টি সম্পর্কে আদিবাসীদের নিজস্ব গল্প আছে। এই শিল্পের মাধ্যমে স্রষ্টার সঙ্গে সৃষ্টির দূরত্ব কমে। অস্ট্রেলিয়দের কাছে এর এক বিশেষ অনুভূতি আছে।

    মার্কিন রাষ্ট্রপতিকে প্রধানমন্ত্রীর উপহার: সাঁঝি আর্ট- সাঁঝি,কাগজে হাতে কাটা নকশার শিল্প। উত্তর প্রদেশের মথুরায় এই বিশেষ শিল্পরীতি চোখে পড়ে। ভগবান কৃষ্ণের বাড়ির গায়ে এই শিল্পকর্ম দেখা যেত। এখন এর ঐতিহ্য ধরে রাখতে ভগবান কৃষ্ণের গল্পের মোটিফগুলি স্টেনসিলে তৈরি করা হয়। এই স্টেনসিলগুলি কাঁচি বা ব্লেড ব্যবহার করে কাটা হয়। সূক্ষ্ম সাঁঝি প্রায়ই কাগজের পাতলা শিট দ্বারা একসাথে রাখা হয়। 

    [tw]


    [/tw]

    জাপানের প্রধানমন্ত্রীকে উপহার: রোগান পেইন্টিং-সহ কাঠের বাক্স- এই শিল্পটি দুটি ভিন্ন শিল্পের সংমিশ্রণ-রোগান পেইন্টিং এবং কাঠের কাজ। রোগান পেইন্টিং হল গুজরাটের কচ্ছ জেলার শিল্প। সাধারণত কাপড় মুদ্রণের ক্ষেত্রে এই শিল্প ব্যবহার করা হয়।  এক্ষেত্রে উদ্ভিজ তেল এবং উদ্ভিজ্জ রঞ্জকগুলি থেকে তৈরি রঙটি একটি ধাতব ব্লক (প্রিন্টিং) বা স্টাইলাস (পেইন্টিং) ব্যবহার করে ফ্যাব্রিকের উপর স্থাপন করা হয়। ২০ শতকের শেষের দিকে কারুশিল্পটি প্রায় শেষ হয়ে যায়।  শুধুমাত্র একটি পরিবারই এখনও রোগান চিত্রকর্মটি বজায় রেখেছে।

    ‘রোগান’ শব্দটি এসেছে ফার্সি থেকে, যার অর্থ বার্নিশ বা তেল। রোগান পেইন্টিং তৈরি করতে খুবই পরিশ্রম করতে হয়। দক্ষ শিল্পী ছাড়া এই কাজ সম্ভব নয়। কাঠের উপর হাত দিয়ে খোদাই করাও একটি জটিল শিল্প। এই কারুকার্যের বিষয়বস্তু ভারতের বিখ্যাত স্মৃতিস্তম্ভগুলি থেকে নেওয়া হয়।

    উপহার দেওয়ার ক্ষেত্রে প্রধানমন্ত্রীর পছন্দ আগেও নজর কেড়েছে। এবারও তাঁর অভিনব উপহারে আপ্লুত রাষ্ট্রনেতারা।

  • Wheat Export Ban: গম-ইস্যুতে ভারতের পাশে দাঁড়াল ড্রাগনের দেশ!

    Wheat Export Ban: গম-ইস্যুতে ভারতের পাশে দাঁড়াল ড্রাগনের দেশ!

    মাধ্যম নিউজ ডেস্ক: অপ্রত্যাশিত! 

    গম রফতানি বন্ধ (Wheat Export Ban) নিয়ে ভারতের (India) সিদ্ধান্তকে সমর্থন জানাল চিন (China)। সম্প্রতি বিশ্ববাজারে গম রফতানি বন্ধ (Wheat export ban) করে দিয়েছে ভারত। প্রতিবেশী দেশটির এই সিদ্ধান্তকেই সমর্থন করেছে ড্রাগনের দেশ।

    ভারত গম রফতানি বন্ধের সিদ্ধান্ত ঘোষণা করতেই বিবৃতি জারি করে জার্মানি। বলা হয়, ভারতের এই সিদ্ধান্তের নিন্দা করছে জি-৭ (G-7) রাষ্ট্রগুলি। ভারতের অবস্থানকে সমর্থন করে চিন বলেছে, ভারত নিজেরাই খাদ্য সঙ্কটে থাকে। তবে পশ্চিমের কোনও দেশ যদি ভারতের মতো বিশ্ব খাদ্য সঙ্কটের (world food crisis) মুখে পড়ে গম (wheat) রফতানির ওপর নিষেধাজ্ঞা জারি করত, তাহলে কি প্রশ্ন উঠত না? চিনা কমিউনিস্ট পার্টির মুখপত্র গ্লোবাল টাইমসের (Global Times) একটি প্রতিবেদনে জি-৭ দেশগুলিকে ভারতের সমালোচনা না করে নিজেদেরই খাদ্য সঙ্কটের মোকাবিলায় এগিয়ে আসার পরামর্শ দেওয়া হয়েছে।

    ওই প্রতিবেদনে বলা হয়েছে, ভারতকে দোষারোপ করলে খাদ্যসঙ্কট মিটে যাবে না। প্রতিবেদনে প্রশ্ন তোলা হয়েছে, আজ জি-৭ দেশগুলি ভারতের কাছে আবেদন করছে যাতে গম রফতানির ওপর নিষেধাজ্ঞা জারি না করা হয়। তাহলে এই দেশগুলি খাদ্য সরবরাহ স্থিতিশীল রাখতে নিজেরা কেন গম রফতানি বাড়াচ্ছে না?  

    গালওয়ান উপত্যকায় (Galwan valley) সংঘর্ষের জেরে ভারত-চিনের সম্পর্কে (India China relation) ফাটল ধরেছিল। সময়ের সঙ্গে সঙ্গে সেই ফাটল ক্রমেই হয়েছে চওড়া। যার প্রভাব পড়েছে দুই দেশের বাণিজ্যিক সম্পর্কে। কূটনৈতিক স্তরে আলাপ-আলোচনার পরেও মেরামত হয়নি সম্পর্কের ফাটল। এই আবহে ভারতের বন্ধু দেশ রাশিয়ার (Russia) সঙ্গে সখ্যতা বেড়েছে ড্রাগনের দেশের। আবার পাকিস্তানের সঙ্গেও সুসম্পর্ক বজায় রেখে চলেছে চিন। যা নিঃসন্দেহে মাথাব্যথার কারণ হয়ে দাঁড়িয়েছে সাউথ ব্লকের। সব মিলিয়ে ভারতকে নিরন্তর কোণঠাসা করার ছক কষে চলেছে কমিউনিস্ট শাসিত দেশটি। এই পরিস্থিতিতেই ভারতের হয়ে গলা ফাটাল চিনা সরকার।  

    মার্চ ও এপ্রিলে দাবদাহের কারণে দেশে গমের ফলন কম হয়েছে। প্রত্যাশিতভাবেই বেড়েছে দাম। দেশবাসীর চাহিদা পূরণে গম রফতানিতে নিষেধাজ্ঞা জারি করেছে নরেন্দ্র মোদির (Modi) সরকার। স্বভাবতই রুষ্ট হয়েছে জি-৭ ভুক্ত দেশগুলি। নিন্দা করা হয়েছে ভারতের সিদ্ধান্তকে। এহেন আবহে ভারতের সিদ্ধান্তের সঙ্গে সহমত পোষণ করে জি-৭ ভুক্ত দেশগুলিকে একহাত নিলে শি জিনপিংয়ের সরকার।

    আরও পড়ুন : ভারতকে ধন্যবাদ , মোদি-বন্দনা শ্রীলঙ্কার নতুন প্রধানমন্ত্রীর মুখে

  • Padma Bridge: পদ্মা সেতু বাংলাদেশ-চিনের যৌথ প্রকল্প? বেজিংয়ের দাবি ওড়াল ঢাকা

    Padma Bridge: পদ্মা সেতু বাংলাদেশ-চিনের যৌথ প্রকল্প? বেজিংয়ের দাবি ওড়াল ঢাকা

    মাধ্যম নিউজ ডেস্ক: পদ্মা সেতুর (Padma Multi Purpose Bridge) সাফল্যে বাংলাদেশকে অভিনন্দন জানাল ভারত (India)। শনিবার পদ্মা সেতুর উদ্বোধন করেন বাংলাদেশের প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনা (Sheikh Hasina)। রবিবার সকাল ৬টা থেকে থেকে জনসাধারণের জন্যে তা উন্মুক্ত হবে। বহু বছর ধরে এই সেতু বাংলাদেশের স্বপ্ন। এই সেতু চালু হলেই ঢাকার সঙ্গে যোগাযোগ সহজ হবে বাংলাদেশের দক্ষিণের ২১টি জেলার মানুষের। সেই সঙ্গে ঢাকা এবং কলকাতার মধ্যেও দূরত্ব কমবে। ওই এলাকার অর্থনীতি চাঙ্গা হবে।

    ভারতীয় হাই কমিশনের পক্ষ থেকে জানানো হয়, “প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনার নেতৃত্ব এবং দূরদৃষ্টিই পদ্মা সেতুর সাফল্য এনে দিয়েছে। বাংলাদেশ এই প্রকল্পকে আরও এগিয়ে নিয়ে যেতে চায়। আমরা প্রধানমন্ত্রীর সিদ্ধান্তের ওপর আস্থা রেখেছি।” 

    আরও পড়ুন: সন্দেহ নয়, একে অপরের প্রতি আস্থা রাখুন, ভারতকে বার্তা চিনের

    ৬.১৫ কিলোমিটার লম্বা এই সেতুটি দোতলা। নীচের তলায় চলবে ট্রেন এবং ওপরের তলায় বাস ও অন্যান্য গাড়ি। প্রায় ৩৫ হাজার কোটি টাকা খরচ করে তৈরি করা হয়েছে এই সেতু। ৪২টি পিলারের ওপর থাকা সেতুটি দৈর্ঘের হিসেবে বিশ্বে ১২২তম স্থানে রয়েছে। পিলারগুলি আছে জলের নীচে ১২৮ মিটার গভীর পর্যন্ত। পৃথিবীর অন্য কোনও দেশে কোনও সেতুর পিলার এত গভীরে নেই।  

    এর আগে চিন দাবি করেছিল যে, বাংলাদেশ এবং চিনের যৌথ প্রকল্প পদ্মা সেতু। চিনের এই দাবিকে ভুয়ো বলে দাবি করেছে বাংলাদেশের বিদেশমন্ত্রক। ১৭ জুন একটি বিজ্ঞপ্তি জারি করে জানিয়ে দেওয়া হয়েছে, “কিছু মহল দাবি করছে পদ্মা সেতু বিদেশি অর্থ সাহায্যে তৈরি এবং এই সেতুকে চিনের বিআরআইয়ের (Belt and Road Initiative) অংশ হিসেবে দেখানোর চেষ্টার বিষয়টি বিদেশমন্ত্রকের নজরে এসেছে। মন্ত্রকের তরফে জানানো হচ্ছে, পদ্মা বহুমুখী সেতু পুরোপুরি বাংলাদেশ সরকারের অর্থায়নে নির্মিত এবং এতে কোনও দ্বিপক্ষীয় বা বহুপক্ষীয় অর্থ সাহায্য নেই। বাংলাদেশি এবং বিদেশি নির্মাণ প্রতিষ্ঠানগুলি এই প্রকল্পের সঙ্গে যুক্ত ছিল।” 

    আরও পড়ুন: এবার বাংলাদেশকেও হুমকি চিঠি আল কায়দার!

    নিজে টোল ট্যাক্স দিয়ে এদিন পদ্মা সেতুর উদ্বোধন করেন প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনা। উদ্বোধনী অনুষ্ঠানে শেখ হাসিনার গলায় শোনা গেল সুকান্ত ভট্টাচার্যের কবিতা। প্রধানমন্ত্রী বলেন, “প্রচুর বাধা-বিপত্তি, প্রতিকূলতা পেরিয়ে পদ্মা সেতুর স্বপ্নপূরণ হয়েছে। বহু ভুয়ো খবর রটেছে এই সেতু নির্মাণের বিষয়ে। টেকেনি। নিজেদের টাকায় পদ্মা সেতু তৈরি করেছে বাংলাদেশ।”  

     

  • Visa Suspension: চিনা নাগরিকদের পর্যটক ভিসা বাতিল করল ভারত, ২০ এপ্রিল থেকে নির্দেশ কার্যকর

    Visa Suspension: চিনা নাগরিকদের পর্যটক ভিসা বাতিল করল ভারত, ২০ এপ্রিল থেকে নির্দেশ কার্যকর

    মাধ্যম নিউজ ডেস্ক: ভিসা না মেলায় চিনে (China) যেতে না পারার ফলে সেদেশে  আগে থেকে পাঠরত ভারতীয় পড়ুয়াদের (Indian students) ক্ষতি হচ্ছে। তাঁদের ভবিষ্যৎ নষ্ট হচ্ছে। এই নিয়ে চিনকে বারবার বলেও লাভ হয়নি। এবার পাল্টা পদক্ষেপ করল ভারত (India)। চিনা নাগরিকদের (Chinese Citizens) পর্যটক ভিসা (Tourist Visa) বাতিল করার সিদ্ধান্ত নিয়েছে নয়াদিল্লি (New Delhi)। 

    আগামী ২০ এপ্রিল থেকে নতুন নিয়ম কার্যকর হচ্ছে। সবকটি সদস্য রাষ্ট্রগুলিকে ভারতের এই সিদ্ধান্তর কথা জানিয়ে দিয়েছে অসামরিক বিমান চলাচলের আন্তর্জাতিক নিয়ন্ত্রক সংস্থা আইএটিএ (‌‌IATA)।
     
    চিনের বিশ্ববিদ্যালয়গুলিতে (chinese university) পড়াশোনা করে প্রায় ২২ হাজার ভারতীয় ছাত্র। ২০২০ সালের প্রথমে কোভিড সংক্রমণ শুরু হওয়ার পর ওই পড়ুয়াদের ভারতে পাঠিয়ে দেয় চিন। এর পর থেকে তাঁদের আর সেদেশে ফিরতে দেওয়া হয়নি। ফলে এই পড়ুয়াদের শিক্ষা থমকে যাচ্ছে। তাঁদের ভবিষ্যৎ অনিশ্চয়তায় ঘেরা। তার পরিপ্রেক্ষিতেই ভারতের এই পদক্ষেপ বলে মনে করা হচ্ছে। 

    আইএটিএ একটি নির্দেশিকা জারি করে জানিয়েছে, ‘‌চিনের নাগরিকদের যে পর্যটন ভিসা ইস্যু করা হয়েছে, তা বাতিল করা হয়েছে।’‌ তাই এখন থেকে নেপাল, ভুটান, ভারত, মলদ্বীপের নাগরিকরাই শুধু ভারতে প্রবেশ করতে পারবেন। ভারত যাঁদের রেসিডেনশিয়াল পারমিট দিয়েছে,নয়তো ভিসা বা ই–ভিসা দিয়েছে, যাঁদের ওভারসিজ সিটিজেন অফ ইন্ডিয়া কার্ড (‌OCI card)‌ রয়েছে বা ভারতীয় বংশোদ্ভুত (PIO) বা কূটনৈতিক ছাড়পত্র রয়েছে,তাঁরাই ভারতগামী বিমান চাপতে পারবেন।

    আইএটিএ এ-ও বলেছে, যেসব চিনা নাগরিককে ১০ বছরের পর্যটন ভিসা দিয়েছিল ভারত,তাঁদের ভিসাও বাতিল করা হয়েছে। ভারতীয় বিদেশমন্ত্রকের মুখপাত্র অরিন্দম বাগচি (Arindam Bagchi) জানান, ৮ ফেব্রুয়ারি চিন প্রতিশ্রুতি দিয়েছিল, ভারতীয় পড়ুয়াদের সে দেশ ফিরিয়ে নিয়ে যাওয়ার বিষয়টি দেখছে তারা। কিন্তু এখন পর্যন্ত কোনও সদুত্তর দেয়নি। ভারত এখনও আর্জি জানাচ্ছে, পড়ুয়াদের কথা ভেবে যেন সুযোগ দেওয়া হয়। তিনি এ-ও জানিয়েছেন, গত সেপ্টেম্বরে দুশানবেতে একটি বৈঠকের সময় এই নিয়ে চিনের বিদেশমন্ত্রী ওয়াং ইয়ের সঙ্গে কথা বলেছেন ভারতীয় বিদেশমন্ত্রী এস জয়শঙ্কর। 

    সাংহাই কো-অপারেশন অর্গানাইজেশনের (SCO) সম্মেলনের ফাঁকে তাজিকস্তানের রাজধানী শহরে দুই বিদেশমন্ত্রীর মধ্যে বিষয়টি নিয়ে আলোচনা হয়। কিন্তু, তারপরও সমস্যা একচুলও মেটেনি। আর, সেই কারণেই যে বাধ্য হয়ে এই কঠোর সিদ্ধান্ত, তা স্পষ্ট করে দিয়েছে ভারত। তবে, চিন বাদে নতুন করে অন্য কোনও দেশের নাগরিকদের পর্যটক ভিসা বাতিল করা হয়নি।

     

  • China: ভারতীয় পডুয়াদের দু’বছর পর চিনে ফেরাতে উদ্যোগী হল বেজিং

    China: ভারতীয় পডুয়াদের দু’বছর পর চিনে ফেরাতে উদ্যোগী হল বেজিং

    মাধ্যম নিউজ ডেস্ক:  কোভিড বিধিনিষেধের কারণে চিনে পাঠরত ভারতীয় ছাত্ররা দেশে দু’বছর ধরে আটকা পড়ে আছেন। তাঁদের একাংশকে চিনে ফেরার জন্য অনুমতি দিতে চলেছে সে দেশের সরকার। ভিসা এবং বিমান চলাচলে নিষেধাজ্ঞার জন্য ভারতীয় পড়ুয়ারা চিনে ফিরতে পারছিলেন না।

    চিনা বিদেশমন্ত্রকের মুখপাত্র ঝাও লিজিয়ান বলেন, ‘‘চিনে যে সব ভারতীয় ছাত্ররা পড়াশুনার জন্য এসেছিলেন। তাঁরা ফিরতে পারছিলেন না। তাঁদের সমস্যাকে যথেষ্ট গুরুত্ব দেয় চিন। তাই অন্যান্য দেশের পডুয়াদের সঙ্গে তাঁরাও যাতে ফিরতে পারেন সে বিষয়টিকে যথেষ্ট অগ্রাধিকার দিয়ে দেখা হচ্ছে।’’তিনি আরও বলেন, ‘‘ভারতীয় ছাত্রদের প্রত্যাবর্তনের কাজ ইতিমধ্যে শুরু হয়েছে। যাঁরা ফিরে আসবেন ভারতকে তার তালিকা দিতে হবে।’’

    তথ্য অনুযায়ী ২৩ হাজারেরও বেশি ভারতীয় পডুয়া চিনে পড়তে গিয়েছিলেন। এঁদের অধিকাংশ ডাক্তারি পড়ুয়া। ২০১৯ সালে করোনাভাইরাস ছড়িয়ে  পড়ায় তাঁদের একাংশ দেশে ফিরে এসেছিলেন। কিন্তু ভাইরাসের প্রকোপ শুরু হওয়ায় চিন একাধিক বিধিনিষেধ জারি করে। ফলে তাঁরা আর চিনে ফিরতে পারেননি। তার পর থেকে তাঁরা চিনে ফেরার মরিয়া চেষ্টা করে যাচ্ছিলেন। কিন্তু বিমান চলাচলের উপর নিষেধাজ্ঞা জারি হওয়ার ফলে শুধু মাত্র অনলাইন ক্লাস করতে হচ্ছিল। অন্যদিকে কিছুদিন আগেই চিনা বিশ্ববিদ্যালয়ের ডিগ্রি নিয়ে প্রশ্ন তুলেছে ইউজিসি। অনলাইন পাঠক্রমের ডিগ্রি ভারতে মান্যতা পাবে না এমন‌ই ঘোষনা করেছিল বিশ্ববিদ্যালয় মঞ্জরী কমিশন। এক‌ই সময় চিনের বিদেশমন্ত্রীর সঙ্গে ভারতের বিদেশমন্ত্রীর বৈঠকে উঠে আসে এই প্রসঙ্গ। এমনকি চিনা পর্যটকদের ভিসাও বাতিল করার সিদ্ধান্ত নেয় ভারত। তারপরই শেষমেষ ভারতের চাপে পড়ে ভারতীয় পড়ুয়াদের বিষয়ে সদর্থক পদক্ষেপ গ্রহণ করল চিন। ফলে পড়াশোনা মাঝপথে ফেলে চিন থেকে যাঁরা ফিরে এসেছিলেন এবার সেই সব ছাত্রদেরই আবার দেশে ফিরিয়ে নিয়ে যেতে উদ্যোগী হয়েছে চিন।

LinkedIn
Share