Tag: CM Suvendu Adhikari

  • Suvendu Adhikari: ‘‘যিনি এদের মাথা, তাঁর এক ঘণ্টার রোজগারও বলা যেতে পারে’’, সরিষায় নগদ উদ্ধারে নাম না করে অভিষেককে নিশানা শুভেন্দুর

    Suvendu Adhikari: ‘‘যিনি এদের মাথা, তাঁর এক ঘণ্টার রোজগারও বলা যেতে পারে’’, সরিষায় নগদ উদ্ধারে নাম না করে অভিষেককে নিশানা শুভেন্দুর

    মাধ্যম নিউজ ডেস্ক: দক্ষিণ ২৪ পরগনার সরিষায় তৃণমূল কংগ্রেসের একটি দলীয় কার্যালয় থেকে উদ্ধার হল নগদ ১ কোটি ২ লাখ ৭৯ হাজার টাকা। তৃণমূল নেতা অভিষেক বন্দ্যোপাধ্যায়ের আপ্তসহায়ক সুমিত রায়কে জিজ্ঞাসাবাদ করেই এই বিপুল পরিমাণ টাকার হদিশ পেয়েছে (Suvendu Adhikari) ডায়মন্ড হারবার জেলা পুলিশ। বুধবার পুলিশের তরফে এই টাকা উদ্ধারের কথা জানানো হয়েছে। যে দলীয় কার্যালয় থেকে নগদ উদ্ধার হয়েছে, সেটি মগরাহাট পশ্চিমের তৃণমূল বিধায়ক শামিম আহমেদের বলে পরিচিত। ঘটনাকে কেন্দ্র করে রাজ্য রাজনীতিতে নতুন করে শোরগোল পড়েছে (Hidden Cash Recovery)।

    সুমিতকে জেরা করেই টাকার হদিশ (Suvendu Adhikari)

    পুলিশ সূত্রে খবর, গত ৩১ অক্টোবর প্রায় ৩০০ কোটি টাকার মাটি চুরির অভিযোগে সুমিতকে গ্রেফতার করে ডায়মন্ড হারবার জেলা পুলিশ। দক্ষিণ ২৪ পরগনার কালীতলা আশুতি থানায় দায়ের হওয়া একটি মামলার ভিত্তিতে তাঁকে গ্রেফতার করা হয়। এই ঘটনায় সুমিত-সহ মোট ২৩ জনের বিরুদ্ধে অভিযোগ দায়ের হয়েছে। আদালত তাঁকে ১০ দিনের পুলিশি হেফাজতের নির্দেশ দেয়।

    পুলিশি হেফাজতে সুমিতকে দফায় দফায় জিজ্ঞাসাবাদ করা হয়। তদন্তকারীদের দাবি, তাঁর কাছ থেকে পাওয়া তথ্যের ভিত্তিতেই সরিষার ওই দলীয় কার্যালয়ে বিপুল পরিমাণ নগদ মজুত থাকার বিষয়টি সামনে আসে। এরপর সেখানে তল্লাশি চালিয়ে ১ কোটি ২ লাখ ৭৯ হাজার টাকা উদ্ধার করা হয়।

    প্রাথমিক তদন্তে পুলিশের অনুমান, কালীতলা থানা এলাকায় বেআইনিভাবে মাটি কাটা ও বিক্রির যে অভিযোগ উঠেছে, তার সঙ্গে উদ্ধার হওয়া টাকার যোগ থাকতে পারে। তবে এই অর্থের প্রকৃত মালিক কে, কী উদ্দেশ্যে তা দলীয় কার্যালয়ে রাখা হয়েছিল এবং কারা এই লেনদেনের সঙ্গে যুক্ত, তা এখনও স্পষ্ট নয়।

    প্রায় ৩০০ কোটি টাকার মাটি চুরির অভিযোগ

    তদন্তকারীদের দাবি, ২০১৭ থেকে ২০২৫ সালের মধ্যে প্রায় ন’বছর ধরে একটি নির্দিষ্ট জমি থেকে বিভিন্ন সময়ে বেআইনিভাবে মাটি কাটা ও বিক্রি করা হয়েছে। এর আনুমানিক বাজারমূল্য ৩০০ কোটি টাকা। এই কারবার থেকে পাওয়া বিপুল অর্থ বিভিন্ন জায়গায় পাঠানো হয়েছিল বলে প্রাথমিক তদন্তে উঠে এসেছে। একাধিক প্রভাবশালী ব্যক্তির ব্যাঙ্ক অ্যাকাউন্টেও বেআইনি মাটি কাটার টাকা জমা পড়েছিল বলে সন্দেহ তদন্তকারীদের।

    এই ঘটনায় শুধু সুমিত নন, ডায়মন্ড হারবারের একাধিক রাজনৈতিক ব্যক্তিত্ব এবং প্রশাসনিক আধিকারিকের নামও তদন্তের আওতায় এসেছে বলে পুলিশ সূত্রে খবর। এর আগে জমি সংক্রান্ত দুর্নীতির অভিযোগে একাধিক মামলায় সুমিতের নাম জড়িয়েছিল (Suvendu Adhikari)।

    টাকা উদ্ধারে রাজনৈতিক তরজা, নিশানায় তৃণমূল

    সরিষার দলীয় কার্যালয় থেকে এত বিপুল পরিমাণ নগদ উদ্ধারের ঘটনায় তৃণমূলকে নিশানা করেছেন মুখ্যমন্ত্রী শুভেন্দু অধিকারী। তাঁর অভিযোগ, দক্ষিণ ২৪ পরগনায় এই ধরনের টাকা তোলা দীর্ঘদিনের ঘটনা। তিনি বলেন, “দক্ষিণ ২৪ পরগনায় এই ধরনের টাকা তোলার ঘটনা নতুন কিছু নয়। ওরা সেখানে সীমাহীন টাকা তুলেছে। কোথায় রেখেছিল, তারও ঠিক ছিল না। এটা ওদের প্রতিদিনের রোজগারের মতো বিষয় ছিল।”

    নাম না করেই অভিষেক বন্দ্যোপাধ্যায়কে আক্রমণ করে শুভেন্দুর কটাক্ষ, “যিনি এদের মাথা, তাঁর এক ঘণ্টার রোজগারও বলা যেতে পারে।”

    শুধু নগদ উদ্ধারের ঘটনা নয়, রাজ্যের রাজস্ব আদায়ের পরিসংখ্যান তুলে ধরেও দুর্নীতির অভিযোগ করেছেন মুখ্যমন্ত্রী। তাঁর দেওয়া হিসাব অনুযায়ী, ২০২৫ সালের ১ এপ্রিল থেকে ৩১ অক্টোবর পর্যন্ত রাজ্যের রাজস্ব আদায় হয়েছিল ৩৩ হাজার ৭৮৮ কোটি টাকা। ২০২৬ সালের একই সময়সীমায় তা বেড়ে দাঁড়িয়েছে ৩৭ হাজার ২৮১ কোটি টাকা। অর্থাৎ, রাজস্ব আদায় বেড়েছে প্রায় ৩ হাজার ৫০০ কোটি টাকা।

    শুভেন্দুর প্রশ্ন, নতুন করে কোনও করের বোঝা না চাপিয়েই রাজস্ব আদায় এতটা বাড়ল কীভাবে? তাঁর দাবি, তৃণমূল নেতাদের দুর্নীতির টাকা কোথায় কোথায় রয়েছে, সে সম্পর্কে তাঁরা তথ্য পেয়েছেন। ওই অর্থের একটি বড় অংশ আবাসন ব্যবসায় বিনিয়োগ করা হচ্ছে এবং বেনামে জমি কেনা হচ্ছে বলেও অভিযোগ করেছেন তিনি। এমনকী, দুর্নীতির টাকা বিদেশেও পাচার করা হয়েছে বলে তাঁর দাবি।

    সরিষার দলীয় কার্যালয়ে নগদ উদ্ধারের ঘটনাকে ‘মিসফায়ার’ বলেও কটাক্ষ করেন মুখ্যমন্ত্রী। তাঁর বক্তব্য, সেখানে টাকা রেখে যাওয়ার পর তা সরিয়ে ফেলার কথা সম্ভবত তৃণমূল নেতারা ভুলে গিয়েছিলেন।

    পুলিশের বিরুদ্ধে ষড়যন্ত্রের অভিযোগ তৃণমূলের

    অন্যদিকে, সুমিতের হয়ে তৃণমূলের আইনজীবী অর্ক নাগ পুলিশের বিরুদ্ধে গুরুতর অভিযোগ তুলেছেন। তাঁর দাবি, সুমিতকে ফাঁসানোর উদ্দেশ্যেই পুলিশ তাঁকে ওই দলীয় কার্যালয়ে নিয়ে গিয়েছিল। এই অভিযোগের জবাবে মুখ্যমন্ত্রীর সংক্ষিপ্ত প্রতিক্রিয়া, “যা জানানোর, আদালতে গিয়ে জানান।”

    তদন্তকারীদের নজরে টাকার উৎস ও মালিকানা

    সরিষার তৃণমূল কার্যালয় থেকে উদ্ধার হওয়া বিপুল পরিমাণ নগদকে ঘিরে একাধিক প্রশ্ন উঠেছে। কোনও রাজনৈতিক দলের কার্যালয়ে এত টাকা কেন রাখা হয়েছিল? কোথা থেকে এসেছিল এই অর্থ? বেআইনি মাটি কাটার কারবারের সঙ্গে এর সরাসরি যোগ রয়েছে কি না? এই সমস্ত প্রশ্নের উত্তর খুঁজছেন তদন্তকারীরা।

    উদ্ধার হওয়া টাকার উৎস, মালিকানা এবং আর্থিক লেনদেনের নথিপত্র খতিয়ে দেখা হচ্ছে। এই অর্থের সঙ্গে আরও কোনও রাজনৈতিক নেতা, ব্যবসায়ী কিংবা প্রশাসনিক আধিকারিকের যোগ রয়েছে কি না, তা-ও খতিয়ে দেখছে পুলিশ।

    সুমিতকে জিজ্ঞাসাবাদে আরও গুরুত্বপূর্ণ তথ্য (Hidden Cash Recovery) সামনে আসতে পারে বলে মনে করছেন তদন্তকারীরা। সেই তথ্যের ভিত্তিতে তদন্তের পরিধি আরও বাড়ার সম্ভাবনা রয়েছে। আপাতত সরিষার দলীয় কার্যালয় থেকে (Suvendu Adhikari) উদ্ধার হওয়া টাকার নেপথ্যে থাকা রহস্যের জট খোলাই পুলিশের কাছে বড় চ্যালেঞ্জ।

     

  • Suvendu Adhikari: পরিবারতন্ত্রকে নিশানা করে ‘৪জি-৩জি-২জি’ তত্ত্ব শুভেন্দুর, শিলিগুড়ির উন্নয়নে গুচ্ছের প্রতিশ্রুতি

    Suvendu Adhikari: পরিবারতন্ত্রকে নিশানা করে ‘৪জি-৩জি-২জি’ তত্ত্ব শুভেন্দুর, শিলিগুড়ির উন্নয়নে গুচ্ছের প্রতিশ্রুতি

    মাধ্যম নিউজ ডেস্ক: গণতন্ত্র পুনরুদ্ধারের বার্তা দিয়ে উত্তরবঙ্গে মিছিল করল বিজেপি। মঙ্গলবার শিলিগুড়িতে বিশাল মিছিলের নেতৃত্ব দিয়ে রাজ্যের প্রাক্তন শাসকদলকে আক্রমণ শানান রাজ্যের প্রথম বিজেপি সরকারের মুখ্যমন্ত্রী শুভেন্দু অধিকারী (Suvendu Adhikari)। একই সঙ্গে কংগ্রেস, আঞ্চলিক দল এবং বিরোধী রাজনৈতিক নেতৃত্বের পরিবারতন্ত্রকে নিশানা করে সামনে আনলেন ‘৪জি, ৩জি ও ২জি’ তত্ত্ব। মিছিলের মঞ্চ থেকে উত্তরবঙ্গের উন্নয়নেও একাধিক প্রতিশ্রুতি দিলেন তিনি।

    শিলিগুড়ির বাঘাযতীন পার্ক থেকে শুরু হয়ে এয়ারভিউ মোড়ে শেষ হয় মিছিল (Siliguri Rally)। মুখ্যমন্ত্রীর সঙ্গে কর্মসূচিতে উপস্থিত ছিলেন কেন্দ্রীয় মন্ত্রী সুকান্ত মজুমদার, দার্জিলিঙের সাংসদ রাজু বিস্তা, বিধায়ক নিশীথ প্রামাণিক, শঙ্কর ঘোষ-সহ বিজেপির একাধিক নেতা ও জনপ্রতিনিধি।

    মিছিল শেষে বক্তব্য রাখতে গিয়ে নাম না করেই তৃণমূল নেত্রী মমতা বন্দ্যোপাধ্যায় ও অভিষেক বন্দ্যোপাধ্যায়কে আক্রমণ শানান শুভেন্দু। তাঁর অভিযোগ, রাজনৈতিকভাবে কোণঠাসা হয়ে বিরোধী শিবিরের নেতারা এখন দিল্লিতে গিয়ে অস্থিরতা তৈরির চেষ্টা করছেন। এই প্রসঙ্গে বামপন্থী দলগুলিকেও নিশানা করেন তিনি।

    জামাতি ও মৌলবাদী শক্তির প্রভাব (Suvendu Adhikari)

    শুভেন্দুর কথায়, “এঁরা সবাই রাজনৈতিকভাবে পরাজিত। এখন দিল্লিতে গিয়ে একজোট হয়েছেন। বাংলাদেশে যেমন জামাতি ও মৌলবাদী শক্তির প্রভাব রয়েছে, তেমন পরিস্থিতি ভারতেও তৈরি করতে চাইছে কিছু শক্তি। দেশকে বিভক্ত করার রাজনীতি এবং উৎখাত হয়ে যাওয়া রাজনৈতিক নেতৃত্ব একসঙ্গে অস্থিরতা তৈরির চেষ্টা করছেন।”

    বিরোধীদের উদ্দেশে তিনি বলেন, “দিমাগি নকশাল, জিহাদি, জঙ্গি কিংবা দেশবিরোধী শক্তিকে কীভাবে নিয়ন্ত্রণ করতে হয়, তা আমাদের জানা আছে। রাজনীতি করতে হলে নির্বাচনে লড়াই করতে হবে। নরেন্দ্র মোদি যতদিন দেশের নেতৃত্বে থাকবেন, ততদিন তোমাদের পক্ষে নির্বাচনে জয় পাওয়া কঠিন।”

    পরিবারতন্ত্র বোঝাতে নয়া তত্ত্ব

    ভারতীয় রাজনীতিতে পরিবারতন্ত্রের প্রসঙ্গ তুলে বিরোধী দলগুলিকে নতুন আঙ্গিকে আক্রমণ করেন মুখ্যমন্ত্রী। তাঁর বক্তব্য, দেশের একাধিক রাজনৈতিক দল নির্দিষ্ট কিছু পরিবারের নিয়ন্ত্রণে পরিচালিত হচ্ছে। এই প্রবণতাকে বোঝাতেই তিনি ৪জি, ৩জি ও ২জি-র উদাহরণ সামনে আনেন।

    শুভেন্দুর ব্যাখ্যায়, নেহরু, ইন্দিরা গান্ধী, রাজীব গান্ধী ও রাহুল গান্ধীকে নিয়ে ৪জি। শেখ আবদুল্লা, ফারুক আবদুল্লা ও ওমর আবদুল্লাকে নিয়ে ৩জি। একইভাবে করুণানিধি, এম কে স্ট্যালিন ও উদয়নিধি স্ট্যালিনের রাজনৈতিক পরিবারকেও ৩জি-র উদাহরণ হিসেবে উল্লেখ করেন তিনি (Suvendu Adhikari)।

    অন্যদিকে, মমতা বন্দ্যোপাধ্যায় ও অভিষেক বন্দ্যোপাধ্যায়, মুলায়ম সিং যাদব ও অখিলেশ যাদব, লালুপ্রসাদ যাদব ও তেজস্বী যাদব এবং মুফতি পরিবারের উদাহরণ টেনে ২জি-র প্রসঙ্গ তোলেন। তাঁর দাবি, নরেন্দ্র মোদির ক্ষেত্রে এমন পারিবারিক রাজনৈতিক উত্তরাধিকারের নজির নেই। তাঁর রাজনৈতিক দর্শনের মূল ভিত্তি দেশ ও দেশের স্বার্থ।

    মোদির নেতৃত্বে ভারতের অগ্রগতির দাবি

    প্রধানমন্ত্রী নরেন্দ্র মোদির প্রশংসা করে দেশের অর্থনৈতিক অগ্রগতি ও আন্তর্জাতিক ক্ষেত্রে ভারতের ভূমিকার কথাও তুলে ধরেন শুভেন্দু। তাঁর দাবি, ২০১৪ সালে বিশ্বের অর্থনীতিতে ভারতের অবস্থান ছিল দ্বাদশ স্থানে। বর্তমানে দেশ তৃতীয় বৃহত্তম অর্থনীতির দিকে এগিয়ে চলেছে।

    করোনা অতিমারির সময় প্রতিষেধক তৈরির উদ্যোগ এবং বিভিন্ন দেশকে টিকা সরবরাহের বিষয়টিও বক্তব্যে তুলে ধরেন তিনি। শুভেন্দুর কথায়, “অতিমারি শুরু হওয়ার মাত্র ১১ মাসের মধ্যে তিনটি প্রতিষেধক তৈরির উদ্যোগ নেওয়া হয়েছিল। বিশ্বের ৫৫টি দরিদ্র দেশকে বিনামূল্যে টিকা দেওয়ার ব্যবস্থা করেছিলেন (Siliguri Rally) নরেন্দ্র মোদি। এই কারণেই তিনি আন্তর্জাতিক ক্ষেত্রে গুরুত্বপূর্ণ নেতৃত্বের জায়গায় পৌঁছেছেন।”

    রাশিয়া-ইউক্রেন যুদ্ধের সময় ভারতীয় পড়ুয়াদের দেশে ফিরিয়ে আনার প্রসঙ্গেরও উল্লেখ করেন মুখ্যমন্ত্রী। তাঁর দাবি, প্রধানমন্ত্রীর কূটনৈতিক তৎপরতায় সাময়িকভাবে যুদ্ধবিরতির ব্যবস্থা হয়েছিল এবং প্রায় ৩০ হাজার ভারতীয়কে নিরাপদে দেশে ফিরিয়ে আনা সম্ভব হয়েছিল।

    পুরভোটে জয়ের ব্যাপারে আত্মবিশ্বাসী

    আসন্ন পুরসভা নির্বাচন নিয়েও যথেষ্ট আত্মবিশ্বাসী শুভেন্দু। নন্দীগ্রাম, ফলতা ও রেজিনগরের নির্বাচনী সাফল্যের উদাহরণ দিয়ে কলকাতা, হাওড়া ও শিলিগুড়িতেও জয়ের আশা প্রকাশ করেন তিনি। তাঁর দাবি, আগামী ফেব্রুয়ারিতে শিলিগুড়িতেও বিজেপি ভালো ফল করবে।

    শুভেন্দু (Suvendu Adhikari) বলেন, “নন্দীগ্রাম, ফলতা ও রেজিনগরের মতো কলকাতাতেও আমরা জয় পাব। এরপর কলকাতা, হাওড়া এবং শিলিগুড়িতে রাজনৈতিক সাফল্য অর্জন করাই আমাদের লক্ষ্য।”

    উত্তরবঙ্গের উন্নয়নে একগুচ্ছ ঘোষণা

    উত্তরবঙ্গকে রাজ্যের উন্নয়ন পরিকল্পনার বাইরে রাখা হবে না বলেও আশ্বাস দেন মুখ্যমন্ত্রী। স্বাস্থ্য, শিক্ষা, যোগাযোগ এবং পর্যটন পরিকাঠামোর উন্নয়নে একাধিক প্রকল্পের কথা ঘোষণা করেন তিনি।

    তাঁর ঘোষণার মধ্যে রয়েছে, রায়গঞ্জে সর্বভারতীয় চিকিৎসাবিজ্ঞান প্রতিষ্ঠান গড়ে তোলা, জলপাইগুড়িতে ক্যান্সার হাসপাতাল নির্মাণ, বালুরঘাট, কালিম্পং ও আলিপুরদুয়ারে মেডিক্যাল কলেজ স্থাপন, শিলিগুড়িতে প্রযুক্তি অথবা ব্যবস্থাপনা শিক্ষার উচ্চমানের প্রতিষ্ঠান গড়ার পরিকল্পনা, হাসিমারা, কলাইকুন্ডা, বালুরঘাট ও পুরুলিয়ায় বিমানবন্দর চালুর উদ্যোগ এবং সামসিং-সহ বন্ধ হয়ে থাকা ২১টি চা বাগান ফের খোলার ব্যবস্থা করা।

    উত্তরবঙ্গের মানুষের কাছে উন্নয়নের সুবিধা পৌঁছে দেওয়ার পাশাপাশি রাজ্যবাসী ডাবল ইঞ্জিন সরকারের সুফল পাবেন বলেও দাবি করেন তিনি। আগামী রাসপূর্ণিমায় কোচবিহারে উপস্থিত থাকার কথাও জানান মুখ্যমন্ত্রী।

    ভাওয়াইয়া ও বৈষ্ণব সংগীতশিল্পীদের বাদ্যযন্ত্র দেওয়ার প্রতিশ্রুতিও দেন মুখ্যমন্ত্রী। স্থানীয় সংস্কৃতি ও শিল্পীদের পাশে থাকার বার্তাও দেন তিনি।

    পরিকাঠামো উন্নয়নে বৈঠক

    মিছিল শেষ হওয়ার পর শিলিগুড়ির পুর কমিশনার, প্রশাসক এবং স্থানীয় জনপ্রতিনিধিদের সঙ্গে বৈঠক করেন মুখ্যমন্ত্রী। উপস্থিত ছিলেন শিলিগুড়ির বিধায়ক শঙ্কর ঘোষ, ডাবগ্রাম-ফুলবাড়ির বিধায়ক শিখা চট্টোপাধ্যায় এবং দার্জিলিঙের সাংসদ রাজু বিস্ত-সহ প্রশাসনের আধিকারিকেরা।

    বৈঠক শেষে রাজু জানান, কার্শিয়াং থেকে দার্জিলিং পর্যন্ত রোপওয়ে নির্মাণের কাজ দ্রুত শুরু করার উদ্যোগ নেওয়া হবে। এই প্রকল্পে রাজ্য সরকারের অনুমোদন আগেই মিলেছে বলে জানান তিনি।

    আগামী ৯ ডিসেম্বর কালিম্পং মেডিক্যাল কলেজের শিলান্যাস করবেন মুখ্যমন্ত্রী। দার্জিলিং, কার্শিয়াং, কালিম্পং, মিরিক ও শিলিগুড়ির হাসপাতালগুলির সংস্কার এবং আধুনিকীকরণের বিষয়েও বৈঠকে সিদ্ধান্ত হয়েছে বলে সূত্রের খবর।

    লেবং গ্রাউন্ডকে আধুনিক ক্রীড়া স্টেডিয়ামে রূপান্তরের অনুমোদন দেওয়া হয়েছে। এদিকে, দার্জিলিঙের মহাকাল মন্দির চত্বরের সৌন্দর্যায়ন, উন্নয়ন ও রক্ষণাবেক্ষণের জন্য ১৯ কোটি টাকা বরাদ্দের সিদ্ধান্তও নেওয়া হয়েছে (Siliguri Rally)।

    সব মিলিয়ে রাজনৈতিক আক্রমণ, পরিবারতন্ত্রের বিরোধিতা এবং উত্তরবঙ্গের উন্নয়নের প্রতিশ্রুতি—এই তিনটি বিষয়কে সামনে রেখেই শিলিগুড়ির মিছিল থেকে নিজেদের রাজনৈতিক অবস্থান স্পষ্ট করে দিলেন শুভেন্দু অধিকারী (Suvendu Adhikari)।

     

  • Vedanta Invest in Bengal: ৮০ হাজার কোটির বিনিয়োগ! আসানসোলে অ্যালুমিনিয়াম কারখানা গড়তে আগ্রহী বেদান্ত

    Vedanta Invest in Bengal: ৮০ হাজার কোটির বিনিয়োগ! আসানসোলে অ্যালুমিনিয়াম কারখানা গড়তে আগ্রহী বেদান্ত

    মাধ্যম নিউজ ডেস্ক: বাংলায় বড় শিল্প গড়ার আগ্রহ প্রকাশ করলেন বেদান্ত গোষ্ঠীর চেয়ারম্যান অনিল আগরওয়াল (Anil Agarwal Vedanta)। বুধবার নবান্নে এ নিয়ে মুখ্যমন্ত্রী শুভেন্দু অধিকারীর (Suvendu Adhikari) সঙ্গে তাঁর বৈঠক হয়। আলোচনার কেন্দ্রে ছিল রাজ্যে বিনিয়োগ ও কর্মসংস্থান। সূত্রের খবর, আসানসোলে (Asansol) অ্যালুমিনিয়াম কারখানা (aluminium smelter) গড়তে চান অনিল। অ্যালুমিনিয়াম উৎপাদনের পাশাপাশি বিদ্যুৎ প্রকল্প নিয়েও ভাবছে বেদান্ত। দুই ক্ষেত্র মিলিয়ে সম্ভাব্য বিনিয়োগের পরিমাণ ৭০ থেকে ৮০ হাজার কোটি টাকা হতে পারে। রাজ্যে বিনিয়োগ করার জন্য বেদান্ত গ্রুপের চেয়ারম্যানকে বার্তা দিয়েছেন মুখ্য়মন্ত্রী। বুধবার কলকাতায় ইন্ডিয়ান চেম্বার অফ কমার্সের একটি অনুষ্ঠানে যোগ দিয়েছেন অনিল আগরওয়াল।

    ৩ বছরের মধ্যে আসানসোলে অ্যালুমিনিয়াম কারখানার ভাবনা

    বাংলা তথা কলকাতার সঙ্গে অনিলের (Vedanta Invest in Bengal) পুরনো সম্পর্ক রয়েছে। বড়বাজারের তুলাপট্টিতে ছিল অনিলদের পারিবারিক দোকান। কলকাতাতেই কেটেছে ছোটবেলার বেশ কয়েকটি বছর। সেই শহরে ফের কিছু করতে চান অনিল। বাংলার সঙ্গে নতুন বন্ধনে বাঁধতে চান। সূত্রের খবর, আসানসোলে (Asansol) অ্যালুমিনিয়াম কারখানা (aluminium smelter) গড়তে চায় বেদান্ত। প্রাথমিক প্রস্তুতির কাজও দ্রুত এগিয়ে নিতে আগ্রহী তারা। কয়লার জোগান এবং চালু পরিকাঠামোর সুবিধা থাকায় প্রস্তাবিত প্রকল্পগুলির জন্য আসানসোলকেই সম্ভাব্য কেন্দ্র হিসেবে বিবেচনা করছে বেদান্ত। তা ছাড়া আসানসোলে গোষ্ঠীর প্রায় ৩০০ একর জমি রয়েছে। সেখানে কারখানা গড়া সম্ভব কি না, তা খতিয়ে দেখা হবে। তবে প্রকল্পের জন্য আরও জমির প্রয়োজন হতে পারে। অনিল আগরওয়াল জানিয়েছেন, সম্ভাব্য সমীক্ষার ফল অনুকূল হলে এবং সরকারের প্রয়োজনীয় সহযোগিতা পাওয়া গেলে ৩ বছরের মধ্যে প্রস্তাবিত প্রকল্পগুলি চালু করা সম্ভব হতে পারে।

    কর্মসংস্থানের পরিসর বাড়ানোর লক্ষ্যে রাজ্য সরকার

    মুখ্যমন্ত্রীও বৈঠকে কর্মসংস্থানের বিষয়টিতেই বিশেষ জোর দিয়েছেন। নবান্ন সূত্রে খবর, অনিলকে তিনি বলেছেন, রাজ্যে ১০ হাজার মানুষের কাজের সুযোগ তৈরি করতে হবে। বেদান্তার বিবৃতিতেও বিনিয়োগ ও ১০ হাজার কর্মসংস্থান নিয়ে আলোচনার কথা জানানো হয়েছে। বাংলায় শিল্পে বিনিয়োগ টানার পাশাপাশি স্থানীয় মানুষের কাজের সুযোগ বাড়ানো রাজ্য সরকারের অন্যতম লক্ষ্য। মুখ্যমন্ত্রী বারবার বলেছেন, তিনি শ্রমনিবিড় শিল্পে বিনিয়োগ টানতে আগ্রহী। সেই প্রেক্ষাপটে খনি ও ধাতুশিল্পের আন্তর্জাতিক গোষ্ঠী বেদান্তর আগ্রহ তাৎপর্যপূর্ণ। তবে বিনিয়োগের চূড়ান্ত সিদ্ধান্ত এখনও হয়নি। প্রকল্পের সম্ভাব্যতা যাচাইয়ের পরেই সেই সিদ্ধান্ত নেওয়া হবে বলে জানিয়েছেন আগরওয়াল। আসানসোলে বড় কারখানা হলে তার চারপাশে ছোট ও মাঝারি শিল্পের সুযোগও তৈরি হতে পারে। আগরওয়ালের বক্তব্য, অ্যালুমিনিয়ামকে কাঁচামাল হিসেবে ব্যবহার করে নানা পণ্য তৈরির উদ্যোগ নিতে পারবেন স্থানীয় ব্যবসায়ীরা। তাঁর মতে, বড় শিল্পের সঙ্গে সরবরাহকারী সংস্থা ও ছোট উদ্যোগের যোগসূত্র তৈরি হলে কর্মসংস্থানের পরিসরও বাড়বে। বুধবার কলকাতায় ইন্ডিয়ান চেম্বার অফ কমার্স এবং তার ইয়ং লিডার্স ফোরামের অনুষ্ঠানেও বাংলার শিল্পসম্ভাবনার কথা বলেছেন বেদান্তা চেয়ারম্যান। দক্ষ কর্মী, মেধাসম্পদ এবং শিল্পের দীর্ঘ ঐতিহ্যকে রাজ্যের বড় শক্তি হিসেবে তুলে ধরেন তিনি। বিনিয়োগ, উদ্যোগ ও কর্মসংস্থানের সুযোগ কাজে লাগাতে সরকারের সঙ্গে শিল্পমহলকে একযোগে কাজ করার আহ্বান জানান।

  • WB Schools Pass Fail: স্কুলে পাশ-ফেল ফেরানোর পক্ষে মুখ্যমন্ত্রী, আগামী শিক্ষাবর্ষে একাধিক বদলের ইঙ্গিত

    WB Schools Pass Fail: স্কুলে পাশ-ফেল ফেরানোর পক্ষে মুখ্যমন্ত্রী, আগামী শিক্ষাবর্ষে একাধিক বদলের ইঙ্গিত

    মাধ্যম নিউজ ডেস্ক: পশ্চিমবঙ্গের স্কুলশিক্ষায় ফের পাশ-ফেল (WB Schools Pass Fail) প্রথা চালু করার পক্ষে নিজের অবস্থান স্পষ্ট করলেন মুখ্যমন্ত্রী শুভেন্দু অধিকারী। তবে এ বিষয়ে চূড়ান্ত সিদ্ধান্ত নেওয়ার আগে সিলেবাস কমিটির সুপারিশ এবং জাতীয় শিক্ষানীতির দিকনির্দেশনা খতিয়ে দেখার কথাও জানিয়েছেন তিনি। পাশাপাশি, স্কুলে মোবাইল ফোনের ব্যবহার নিয়ন্ত্রণ, ইতিহাসের পাঠ্যক্রমে পরিবর্তন, সাংস্কৃতিক শিক্ষার প্রসার এবং ব্রতচারী, এনসিসি ও এনএসএসের মতো কার্যক্রম ফিরিয়ে আনার পক্ষেও সওয়াল করেছেন মুখ্যমন্ত্রী (Suvendu Adhikari)। তাঁর বক্তব্য, আগামী শিক্ষাবর্ষে রাজ্যের স্কুলশিক্ষায় একাধিক পরিবর্তন দেখা যেতে পারে।

    পূর্ব মেদিনীপুরের রামনগরে সাংবাদিকদের মুখোমুখি হয়ে মুখ্যমন্ত্রী জানান, পাশ-ফেল প্রথা ফিরিয়ে আনার বিষয়ে শিক্ষা দফতর ও সিলেবাস কমিটির মতামতকে গুরুত্ব দেওয়া হবে। তাঁর কথায়, “সিলেবাস কমিটির সুপারিশ আমরা মেনে চলব। নতুন জাতীয় শিক্ষানীতিও রয়েছে। তাই রিপোর্ট আসা পর্যন্ত অপেক্ষা করা উচিত। শিক্ষা দফতরের দায়িত্বে যাঁরা রয়েছেন, তাঁরা অভিজ্ঞ ও প্রাজ্ঞ। এই বিষয়ে তাঁদেরই চূড়ান্ত সিদ্ধান্ত নিতে দেওয়া যুক্তিযুক্ত। তবে ব্যক্তিগতভাবে আমি মনে করি, স্কুলে পাশ-ফেল প্রথা ফিরিয়ে আনা প্রয়োজন।”

    পাশ-ফেল ফেরানোর ভাবনা (WB Schools Pass Fail)

    বর্তমানে রাজ্যের সরকারি ও সরকার-পোষিত স্কুলে প্রাথমিক স্তর থেকে অষ্টম শ্রেণি পর্যন্ত প্রচলিত পাশ-ফেল ব্যবস্থা নেই। তবে এই ব্যবস্থা ফেরানোর সম্ভাবনা নিয়ে শিক্ষা মহলে আলোচনা চলছে। সূত্রের খবর, সিলেবাস কমিটির বিশেষজ্ঞদের একাংশ মনে করছেন, প্রাথমিক স্তরকে বাদ রেখে পঞ্চম অথবা ষষ্ঠ শ্রেণি থেকে পাশ-ফেল চালু করার বিষয়টি বিবেচনা করা যেতে পারে।

    পাশ-ফেল প্রথা ফিরলে কোনও পড়ুয়া পরীক্ষায় উত্তীর্ণ হতে না পারলে তার জন্য অতিরিক্ত শিক্ষার ব্যবস্থা করার প্রস্তাবও আলোচনায় রয়েছে। সেই পরিকল্পনা অনুযায়ী, ফল প্রকাশের পরে সংশ্লিষ্ট পড়ুয়াদের জন্য ১৫ দিন থেকে এক মাস পর্যন্ত বিশেষ বা রেমেডিয়াল ক্লাসের ব্যবস্থা করা হতে পারে। এরপর ফের পরীক্ষার সুযোগ দেওয়ার ভাবনাও রয়েছে। দ্বিতীয়বারেও উত্তীর্ণ হতে না পারলে সংশ্লিষ্ট শ্রেণিতে ওই পড়ুয়ার পড়াশোনা চালিয়ে যাওয়ার ব্যবস্থা রাখা হতে পারে।

    সিলেবাস কমিটির এই প্রস্তাবের উদ্দেশ্য, একদিকে শিক্ষার মান বজায় রাখা, অন্যদিকে পরীক্ষায় ব্যর্থ পড়ুয়াদের উন্নতির সুযোগ দেওয়া। তবে এই বিষয়ে চূড়ান্ত সিদ্ধান্ত এখনও ঘোষিত হয়নি।

    পাশ-ফেল তুলে দেওয়ার পিছনে ছিল স্কুলছুট কমানোর যুক্তি

    রাজ্যে পাশ-ফেল প্রথা তুলে দেওয়া নিয়ে দীর্ঘদিন ধরেই বিতর্ক রয়েছে। ১৯৮২ সালে বামফ্রন্ট সরকারের আমলে প্রাথমিক স্তরে, অর্থাৎ চতুর্থ শ্রেণি পর্যন্ত পাশ-ফেল তুলে দেওয়া হয়েছিল। পরবর্তীকালে ২০০৯ সালে শিক্ষার অধিকার আইন কার্যকর হওয়ার পর দেশজুড়ে অষ্টম শ্রেণি পর্যন্ত পড়ুয়াদের আটকে না রাখার নীতি চালু হয়।

    ২০১৮ সালে শিক্ষার অধিকার আইনে সংশোধনের মাধ্যমে পঞ্চম ও অষ্টম শ্রেণিতে পাশ-ফেল ফিরিয়ে আনার সুযোগ তৈরি হয়। সংশ্লিষ্ট রাজ্য সরকারগুলিকে এই বিষয়ে সিদ্ধান্ত নেওয়ার অধিকার দেওয়া হয়েছিল। তবে পশ্চিমবঙ্গে এখনও সেই ব্যবস্থা পুরোপুরি কার্যকর হয়নি।

    পাশ-ফেল তুলে দেওয়ার অন্যতম উদ্দেশ্য ছিল স্কুলছুটের হার কমানো এবং পড়ুয়াদের শিক্ষার ধারাবাহিকতা বজায় রাখা। অন্যদিকে, শিক্ষামহলের একাংশের বক্তব্য, নিয়মিত মূল্যায়ন ও শ্রেণিভিত্তিক দক্ষতা যাচাইয়ের ব্যবস্থা জোরদার না হলে পড়ুয়াদের শিক্ষাগত ভিত দুর্বল হওয়ার আশঙ্কা থাকে। এই দুই দিকের মধ্যে ভারসাম্য রেখেই নতুন ব্যবস্থা নির্ধারণের প্রয়োজনীয়তা রয়েছে।

    দেশপ্রেম ও সামাজিক সচেতনতা বৃদ্ধিতে বিশেষ উদ্যোগ

    স্কুলশিক্ষায় পরিবর্তনের প্রসঙ্গে পড়ুয়াদের মধ্যে দেশপ্রেম, সামাজিক সচেতনতা এবং রাষ্ট্র সম্পর্কে ধারণা গড়ে তোলার ওপরও জোর দিয়েছেন মুখ্যমন্ত্রী। তাঁর প্রস্তাব, প্রতি বছর অন্তত তিন দিন স্কুলে বিতর্ক, কুইজ এবং তাৎক্ষণিক বক্তৃতার মতো অনুষ্ঠানের আয়োজন করা হোক। তাঁর মতে, এই ধরনের কর্মসূচির মাধ্যমে শিক্ষার্থীদের মধ্যে দেশ ও সমাজ সম্পর্কে সচেতনতা বাড়ানো সম্ভব।

    এ প্রসঙ্গে বিরোধী মত ও রাজনৈতিক বিতর্কের আবহেও শিক্ষাপ্রতিষ্ঠানে মতপ্রকাশ, আলোচনা এবং সমালোচনামূলক চিন্তার সুযোগ বজায় রাখার বিষয়টি গুরুত্বপূর্ণ বলে মনে করছেন শিক্ষামহলের একাংশ (WB Schools Pass Fail)।

    ইতিহাসের পাঠ্যক্রমে বদল, ফিরতে পারে ব্রতচারী ও এনসিসি

    পশ্চিমবঙ্গের স্কুলপাঠ্যে ভারত ও রাজ্যের ইতিহাস যথাযথভাবে তুলে ধরার প্রয়োজনীয়তার কথাও বলেছেন শুভেন্দু। তাঁর মতে, ছাত্রছাত্রীদের কাছে ইতিহাসের উপস্থাপনা আরও আধুনিক ও তথ্যভিত্তিক হওয়া দরকার।

    পাশাপাশি, পড়ুয়াদের শারীরিক, মানসিক ও সাংস্কৃতিক বিকাশের লক্ষ্যে ব্রতচারী, এনএসএস এবং এনসিসির মতো কার্যক্রম ফিরিয়ে আনার পক্ষেও মত প্রকাশ করেন তিনি। স্কুলের প্রাথমিক স্তর থেকেই তবলা, হারমোনিয়াম, গিটার, সেতার, মৃদঙ্গ ও খঞ্জনির মতো বাদ্যযন্ত্র শেখানোর ব্যবস্থা করার কথাও বলেছেন মুখ্যমন্ত্রী। তাঁর বক্তব্য, পড়ুয়াদের সাংস্কৃতিক প্রতিভার বিকাশও শিক্ষার গুরুত্বপূর্ণ অংশ (Suvendu Adhikari)।

    মোবাইলের বদলে শিক্ষামূলক ট্যাব দেওয়ার প্রস্তাব

    স্কুল পড়ুয়াদের মোবাইল ফোন ব্যবহারের বিষয়েও উদ্বেগ প্রকাশ করেছেন মুখ্যমন্ত্রী। আগের সরকারের আমলে একাদশ শ্রেণির পড়ুয়াদের মোবাইল কেনার জন্য আর্থিক সহায়তা দেওয়ার প্রসঙ্গ তুলে শিক্ষার কাজে উপযোগী ইলেকট্রনিক ট্যাব দেওয়ার পক্ষে মত দেন তিনি।

    শুভেন্দুর কথায়, “আমি ইতিমধ্যে শিক্ষামন্ত্রী ও শিক্ষা দফতরের সচিবকে জানিয়েছি, প্রয়োজন হলে বেশি অর্থ বরাদ্দ করা হোক, কিন্তু শিক্ষার কাজে লাগবে এমন ট্যাব দেওয়া হোক। পড়ুয়ারা যাতে মোবাইল ফোন কিনতে না পারে, তার ব্যবস্থাও করতে হবে।”

    তবে স্কুলে মোবাইল ব্যবহারের ক্ষেত্রে কী ধরনের নিয়ম কার্যকর করা হবে, তা নিয়ে বিস্তারিত নির্দেশিকা এখনও সামনে আসেনি (WB Schools Pass Fail)।

    মুখ্যমন্ত্রীর মন্তব্যের জবাব বিরোধীদের

    শিক্ষা ও রাজ্যের পূর্ববর্তী সরকারগুলিকে নিয়ে মুখ্যমন্ত্রীর মন্তব্যের পাল্টা প্রতিক্রিয়া জানিয়েছে বিরোধী শিবির। সিপিএম নেতা সুজন চক্রবর্তী বলেন, “সব সময়ে মুখ্যমন্ত্রীর কথায় সব কিছু চলবে না। প্রতিবাদী মানুষ থাকবেই। প্রতিবাদীদের উপরে সরকার অত্যাচার করলে, আইনের পাশাপাশি মানুষ রাস্তাতেও আন্দোলন করবে।”

    সব মিলিয়ে, পাশ-ফেল প্রথা ফেরানো থেকে শুরু করে পাঠ্যক্রম, সাংস্কৃতিক শিক্ষা এবং প্রযুক্তির ব্যবহার—একাধিক বিষয়ে রাজ্যের স্কুলশিক্ষায় পরিবর্তনের ইঙ্গিত দিয়েছেন মুখ্যমন্ত্রী (Suvendu Adhikari)। তবে প্রস্তাবগুলির মধ্যে কোনগুলি কার্যকর হবে এবং সেগুলি কবে থেকে চালু হবে, তা নির্ভর করছে শিক্ষা দফতরের পরবর্তী সিদ্ধান্ত ও সিলেবাস কমিটির সুপারিশের ওপর (WB Schools Pass Fail)।

     

  • West Bengal Bar Council: বার কাউন্সিলের নির্বাচনেও বিজেপির দাপট! ‘রাষ্ট্রবাদের জয়’ বললেন শুভেন্দু

    West Bengal Bar Council: বার কাউন্সিলের নির্বাচনেও বিজেপির দাপট! ‘রাষ্ট্রবাদের জয়’ বললেন শুভেন্দু

    মাধ্যম নিউজ ডেস্ক: রাজ্য বার কাউন্সিলের গুরুত্বপূর্ণ পদগুলির নির্বাচনেও বিজেপির দাপট। সভাপতি, সহ-সভাপতি এবং বার কাউন্সিল (West Bengal Bar Council) অফ ইন্ডিয়ার প্রতিনিধি-তিনটি পদেই বিজেপি-সমর্থিত প্রার্থীদের জয়ের কথা জানিয়ে ‘রাষ্ট্রবাদের জয়জয়কার’ বলে মন্তব্য করলেন মুখ্যমন্ত্রী শুভেন্দু অধিকারী। মুখ্যমন্ত্রী শুভেন্দু অধিকারী (Suvendu Adhikari) এদিন নির্বাচিতদের শুভেচ্ছা জানিয়েছেন। একই সঙ্গে তৃণমূল কংগ্রেসকে নিশানা করে তাঁর দাবি, রাজ্যে এখন আর তৃণমূলের কোনও অস্তিত্বই অবশিষ্ট নেই। রাজ্য বার কাউন্সিলের সভাপতি নির্বাচিত হলেন সমীর পাল। বিধানসভা নির্বাচনে তৃণমূলকে পর্যূদস্ত করে বিপুল জনমত নিয়ে বিজেপি বাংলায় প্রথমবারের জন্য ক্ষমতায় এসেছে। দুই কেন্দ্রে উপনির্বাচনেও বড় জয় পেয়েছে বিজেপি। সেই জয়ের ধারাই ওয়েস্ট বেঙ্গল বার স্টেট কাউন্সিলের অফিস বেয়ারার নির্বাচনেও বজায় রইল। এমনই মনে করছে রাজনৈতিক মহল।

    কোন কোন পদে জয়ী

    গত মার্চে বিধানসভা নির্বাচনের আগে বার কাউন্সিলের সদস্য নির্বাচন হয়েছিল। শুভেন্দুর দেওয়া হিসেব অনুযায়ী, সেই পর্বে বিজেপি ও তাদের সমর্থক আইনজীবী সংগঠনগুলির পক্ষে মাত্র তিন জন জয়ী হয়েছিলেন। বাকি আসনগুলিতে জয় পেয়েছিলেন তৃণমূল,কংগ্রেস এবং অন্যান্য শিবিরের প্রার্থীরা। কিন্তু এবারের নির্বাচনে তিনটি গুরুত্বপূর্ণ পদেই বিজেপি-সমর্থিত প্রার্থীদের জয় হয়েছে। সভাপতি পদে ১৮-৮ ভোটে নির্বাচিত হয়েছেন সমীর পাল। সহ-সভাপতি পদে ১৭-৯ ভোটে জয়ী হয়েছেন অজয় চৌবে। বার কাউন্সিল অফ ইন্ডিয়ার প্রতিনিধি হিসেবে নির্বাচিত হয়েছেন শিলিগুড়ির বর্ষীয়ান আইনজীবী অরুণ সরকার। ওই পদেও ভোটের ব্যবধান ছিল ১৭-৯। এই ফলকে সামনে রেখেই আইনজীবী মহলে নিজেদের প্রভাব বৃদ্ধির দাবি করছে বিজেপি শিবির। পুজোর ছুটির পর বার কাউন্সিলের নতুন সদস্যদের নিয়ে বৈঠকের কথাও এদিন জানিয়েছেন শুভেন্দু অধিকারী। এক হাজারেরও বেশি সদস্য রাজ্য বার কাউন্সিলে আছেন। কাজের পরিকল্পনা নতুন সদস্যদের নিয়ে করা হবে। সেই কথাও এদিন জানিয়েছেন মুখ্যমন্ত্রী

    রাজ্যে বিরোধীদের নিশানা মুখ্যমন্ত্রীর

    ফল ঘোষণার পর তৃণমূলকে আক্রমণ করে শুভেন্দু বলেন, ওরা এখন একাধিক ভাগে বিভক্ত। তাঁর কথায়, “তৃণমূল তো এখন ত্রিখণ্ডিত। একদল নতুন পার্টিতে জয়েন করেছেন আর একটি দল দু’ভাগে বিভক্ত হয়েছে। নাম, নিশান, পতাকা নেই।” বার কাউন্সিলের এই ফলকে রাজ্যের সাম্প্রতিক রাজনৈতিক প্রবণতার সঙ্গে মিলিয়ে দেখছেন শুভেন্দু। তাঁর বক্তব্য, বিধানসভা নির্বাচন থেকে শুরু করে বিভিন্ন স্তরের নির্বাচনেই একই প্রবণতা দেখা যাচ্ছে। ফলতা, রিষড়া, নন্দীগ্রাম এবং বার কাউন্সিলের নির্বাচনের প্রসঙ্গ টেনে তিনি বলেন, “দেখুন রাষ্ট্রবাদের জয়জয়কার। এখানে সব একমুখী। একদম সেম ট্রেন্ড।” বিধানসভা ভোটের ফল নিয়ে যাঁরা আগে উচ্ছ্বাস প্রকাশ করেছিলেন, কটাক্ষের সুরে তাঁদের ‘শোক রাত্রি’ পালনের পরামর্শও দিয়েছেন। রাজ্যের প্রাক্তন শাসকদলের রাজনৈতিক অবস্থান নিয়ে কটাক্ষ করে মুখ্যমন্ত্রী জানান, তৃণমূল এখন নন্দীগ্রামে প্রার্থী পর্যন্ত দিতে পারে না। পাঁচ মাস আগে যে তৃণমূল প্রার্থী রেজিনগরে ৪৭ হাজার ভোট পেয়েছিলেন, এখন তিনি মাত্র ছ’হাজার ভোট পাচ্ছেন। কংগ্রেসের জেতা লোকসভা আসনও হাতছাড়া হচ্ছে। যারা একসময় ব্রিগেডে সভা করার দম্ভ দেখাত, তারা এখন ৫০০ লোক জড়ো করতে তারামণ্ডলের গলিপথ খোঁজে!

  • CM Suvendu Adhikari: নন্দীগ্রাম-রেজিনগরে বিজেপির বড় জয়ে আত্মবিশ্বাসী শুভেন্দু, তীব্র কটাক্ষ সেলিমকে

    CM Suvendu Adhikari: নন্দীগ্রাম-রেজিনগরে বিজেপির বড় জয়ে আত্মবিশ্বাসী শুভেন্দু, তীব্র কটাক্ষ সেলিমকে

    মাধ্যম নিউজ ডেস্ক: রাজ্যের দুই হাইভোল্টেজ বিধানসভা কেন্দ্র নন্দীগ্রাম ও রেজিনগরে বিজেপির বিপুল জয় নিয়ে একশো শতাংশ আত্মবিশ্বাসী মুখ্যমন্ত্রী শুভেন্দু অধিকারী। বুধবার রাতে কলকাতায় সাংবাদিকদের মুখোমুখি হয়ে তিনি দাবি করেন, দুই কেন্দ্রেই বিরোধী হিসেবে তৃণমূল কংগ্রেস এবং বামেদের কার্যত কোনও অস্তিত্ব নেই (CM Suvendu Adhikari)। রেজিনগরে পরিযায়ী শ্রমিকদের একটি বড় অংশ (Nandigram Rejinagar By-Polls) এবার ভোট দিতে না আসায় গত বিধানসভা নির্বাচনের তুলনায় ভোটদানের হার প্রায় ১৩ শতাংশ কমেছে বলে জানান শুভেন্দু। তাঁর দাবি, তা সত্ত্বেও ওই কেন্দ্রে ৭৯ থেকে ৮০ শতাংশ ভোট পড়েছে। বিশেষ করে সংখ্যালঘু মহিলা ও যুব সম্প্রদায়ের ভোট বিজেপির পক্ষে গিয়েছে বলেই দাবি তাঁর। শুভেন্দুর কথায়, “নন্দীগ্রাম তো ২০২১ সাল থেকেই বিজেপির সঙ্গে আছে। রেজিনগরে তৃণমূল বা বামেদের কোনও অস্তিত্ব ছিল না। সিপিএম পঞ্চম বা ষষ্ঠ স্থানে নোটার নীচেও থাকতে পারে।”

    সংখ্যালঘু ভোটে উন্নয়ন প্রকল্পের প্রভাব (CM Suvendu Adhikari)

    সংখ্যালঘু ভোট নিজেদের দিকে টানার ক্ষেত্রে রাজ্য সরকারের বিভিন্ন উন্নয়নমূলক প্রকল্প গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা নিয়েছে বলেও দাবি করেন শুভেন্দু। তাঁর বক্তব্য, বয়স্ক সংখ্যালঘু ভোটারদের একটি অংশ কংগ্রেস অথবা হুমায়ুন কবীরের ছেলেকে ভোট দিয়ে থাকতে পারেন। কিন্তু সংখ্যালঘু মহিলাদের বড় অংশ বিজেপিকে সমর্থন করেছেন বলে দাবি তাঁর। বিরোধীদের দাবি খারিজ করে দিয়ে শুভেন্দু বলেন, অন্নপূর্ণা বা আবাস যোজনার মতো সরকারি প্রকল্পে কোনও ধর্মীয় ভেদাভেদ করা হয়নি। তাঁর দাবি, “এক কোটি ৫৮ লাখ অন্নপূর্ণা প্রাপকের মধ্যে ২৪ লাখ মুসলিম মহিলা রয়েছেন। আমার বিশ্বাস ৯০ শতাংশ মুসলিম মহিলা বিজেপিকে ভোট দিয়েছেন।”

    আবাস যোজনার ১৭ হাজার বাড়ির তালিকাতেও ১০ হাজারের বেশি সংখ্যালঘু পরিবার এবং ৬-৭ হাজার সনাতনী পরিবার রয়েছে বলে দাবি করেন মুখ্যমন্ত্রী। তাঁর বক্তব্য, রাজ্য সরকারের উন্নয়নমূলক কাজের প্রভাবেই রেজিনগরে বিজেপি প্রার্থী এক লাখ ২০ হাজারেরও বেশি ভোটে জয়ী হবেন। নন্দীগ্রামেও গতবারের তুলনায় পাঁচ-ছ’গুণ বেশি ব্যবধানে বিজেপি জিতবে বলে আত্মবিশ্বাস প্রকাশ করেন (CM Suvendu Adhikari) শুভেন্দু।

    সেলিমকে নিশানা শুভেন্দুর

    বামেদের ভোটপ্রাপ্তি এবং সিপিএমের রাজ্য সম্পাদক মহম্মদ সেলিমের ভোটে কারচুপির অভিযোগ নিয়েও তীব্র কটাক্ষ করেন শুভেন্দু। সেলিমের রাজনৈতিক পরাজয়ের প্রসঙ্গ তুলে তাঁর দাবি, ২০১৯ সালে রায়গঞ্জ, ২০২১ সালে চণ্ডীতলা এবং ২০২৪ সালে মুর্শিদাবাদে পরাজিত হয়েছেন সেলিম।

    শুভেন্দু বলেন, “যেখানে মুসলমান ভোট বেশি আছে, বেছে বেছে সেখানে গিয়ে দাঁড়াতে হয়। অথচ মুখে বলেন ধর্মনিরপেক্ষ পার্টি!”

    সেলিমকে চ্যালেঞ্জ ছুড়ে দিয়ে তিনি আরও বলেন, “আমি ওঁকে বলব কলকাতা কর্পোরেশনের নির্বাচনে কাউন্সিলর পদে লড়তে। যদি জমানত রাখতে পারেন, তাহলে বুঝব উনি একটা বিরাট মাপের নেতা হয়েছেন।”

    তৃণমূলের বিরুদ্ধে আইনি পদক্ষেপের বার্তা

    অন্যদিকে, আইনি লড়াই নিয়েও কড়া বার্তা দিয়েছেন শুভেন্দু। তৃণমূলের তথ্যপ্রযুক্তি শাখার বিরুদ্ধে ব্যবস্থা নেওয়ার কথা জানিয়ে তাঁর দাবি, মুখ্য নির্বাচনী আধিকারিক এবং মুখ্যমন্ত্রীর উপদেষ্টার নামে মিথ্যা অভিযোগ তোলার ঘটনায় নির্দিষ্টভাবে মানহানি ও অপরাধমূলক মামলা করা হয়েছে।

    আসন্ন পুরসভা নির্বাচন নিয়েও রাজ্য প্রশাসনের প্রস্তুতির কথা জানিয়েছেন তিনি। তাঁর বক্তব্য, ফেব্রুয়ারি মাসে (Nandigram Rejinagar By-Polls) মাধ্যমিক পরীক্ষা শুরু হওয়ার আগেই রাজ্যের সব পুরসভায় নির্বাচন সম্পন্ন করার সময়সীমা তৈরি হচ্ছে।

    ভোটযন্ত্রের ঘাটতি বা নির্বাচন সংক্রান্ত অন্যান্য বিষয়ে শুভেন্দুর বক্তব্য, নির্বাচন কমিশন সম্পূর্ণ স্বাধীন। রাজ্য সরকার শুধুমাত্র পরিকাঠামোগত সহায়তা (CM Suvendu Adhikari) করে। নির্বাচন পরিচালনায় মুখ্যমন্ত্রী বা মন্ত্রীদের কোনও ভূমিকা থাকে না বলেও স্পষ্ট করে দেন তিনি।

     

  • New Airports in West Bengal: উড়ান প্রকল্পে রাজ্যে আরও চার নতুন বিমানবন্দর, কেন্দ্রকে কলকাতা-লন্ডন সরাসরি বিমানের অনুরোধ মুখ্যমন্ত্রীর

    New Airports in West Bengal: উড়ান প্রকল্পে রাজ্যে আরও চার নতুন বিমানবন্দর, কেন্দ্রকে কলকাতা-লন্ডন সরাসরি বিমানের অনুরোধ মুখ্যমন্ত্রীর

    মাধ্যম নিউজ ডেস্ক: পশ্চিমবঙ্গের বিমান যোগাযোগ ব্যবস্থাকে আরও বিস্তৃত করতে কেন্দ্রের উড়ান প্রকল্পে চারটি নতুন বিমানবন্দর (New Airports in West Bengal) তৈরি করতে উদ্যোগী হল পশ্চিমবঙ্গ সরকার। সোমবার নবান্ন সভাঘরে অসামরিক বিমান পরিবহণ মন্ত্রক, এয়ারপোর্টস অথরিটি অফ ইন্ডিয়া এবং রাজ্যের পরিবহণ দফতরের মধ্যে এই মর্মে মউ স্বাক্ষরিত হয়েছে। নবান্নে মুখ্যমন্ত্রী শুভেন্দু অধিকারীর উপস্থিতিতে কেন্দ্রীয় বিমানমন্ত্রী কিনজারাপ্পু রামমোহন নায়ডু জানান, দু’বছরের মধ্যে এই চার এয়ারপোর্ট — পুরুলিয়ার ছড়রা, বালুরঘাট এবং বায়ুসেনার অধীনে কলাইকুন্ডা ও হাসিমারা থেকে প্যাসেঞ্জার ফ্লাইট যাতায়াত শুরু হবে। নায়ডুর কাছে কলকাতা–লন্ডন এবং ইউরোপের অন্যান্য শহরে সরাসরি উড়ান চালুর অনুরোধ জানান শুভেন্দু (Suvendu Adhikari)।

    রাজ্যের চার প্রান্তে চার বন্দর

    কেন্দ্রীয় মন্ত্রী জানান, গত কয়েক বছরে এ রাজ্যে এয়ারপোর্টের সংখ্যা বাড়েনি। নতুন সরকার আসার পরে দ্রুত গতিতে সেই কাজ এগোচ্ছে। শুভেন্দু জানান, আলিপুরদুয়ারের হাসিমারা এবং পশ্চিম মেদিনীপুরের কলাইকুন্ডায় রানওয়ে আছে। সেখান থেকে বায়ুসেনার বিমান নিয়মিত ওঠানামা করে। মুখ্যমন্ত্রী জানান ওখান থেকে বোয়িং এবং এয়ারবাস-এর বিমান স্বচ্ছন্দে ওঠানামা করতে পারে। শুধু টার্মিনাল বিল্ডিং এবং অন্যান্য পরিকাঠামো তৈরির জন্য হাসিমারা ও কলাইকুন্ডায় ২৫ এবং ৩৭ একর জমি হস্তান্তর করেছে রাজ্য। সেনা প্রয়োজনীয় অনুমতি দিয়েছে। বালুরঘাটে এখন ছোট বিমান ওঠানামা করতে পারে। সেখানে পরিকাঠামো বাড়ানো হবে। পুরুলিয়ায় ছড়রায় শূন্য থেকে নতুন বিমানবন্দর তৈরি হবে।

    সাধারণের জন্য সরাসরি লন্ডন

    একটা সময়ে কলকাতা থেকে ইউরোপের একাধিক শহরে সরাসরি বিমান যোগাযোগ ছিল। রাজ্যের বক্তব্য, কলকাতাকে পূর্ব ভারতের অন্যতম প্রধান বিমান যোগাযোগের কেন্দ্র হিসেবে আরও শক্তিশালী করতে আন্তর্জাতিক রুট বাড়ানো প্রয়োজন। কলকাতা থেকে সরাসরি ইউরোপের অন্যান্য শহরেরও ফ্লাইট নেই। কলকাতা থেকে ডোমেস্টিক ফ্লাইটের সংখ্যাও কম। এদিন শুভেন্দু রামমোহন নায়ডুর হাতে একটি আবেদনপত্র তুলে দিয়ে লন্ডন এবং ইউরোপে সরাসরি ফ্লাইট চালুর আবেদন জানান। নায়ডু বলেন, ‘আমি মুখ্যমন্ত্রীর অনুরোধ মতো ইউরোপে ডাইরেক্ট ফ্লাইটের জন্য বিভিন্ন এয়ারলাইন্সকে অনুরোধ করব।’

    কলকাতার দ্বিতীয় এয়ারপোর্ট

    কলকাতা থেকে প্রধানত ডোমেস্টিক সেক্টরে নিয়মিত যাত্রী বাড়ছে। বর্তমান টার্মিনালের ধারণ ক্ষমতা আর কয়েক বছরের মধ্যে নিঃশেষিত হওয়ার কথা। প্রয়োজন শহরের ৫০ কিলোমিটারের মধ্যে দ্বিতীয় বিকল্প বিমানবন্দর। শুভেন্দু সোমবার বলেন, ‘আগের বিমানমন্ত্রী জ্যোতিরাদিত্য সিন্ধিয়া প্রাক্তন মুখ্যমন্ত্রী মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়কে চিঠি লিখে জমি চেয়েছিলেন। কিন্তু তিনি জানিয়েছিলেন জমি দেওয়া যাবে না। আমরা কল্যাণীতে জমি চিহ্নিত করেছি। সেই জমি হস্তান্তর প্রক্রিয়ার পাশাপাশি, মাটি পরীক্ষা-সহ সবরকম কাজ চলছে। আশা করছি খুব শিগগিরই সেই জমি তৈরি হয়ে যাবে।’ কল্যাণীতে গ্রিনফিল্ড বিমানবন্দর তৈরির জন্য প্রায় ২০০০ একর জমি চিহ্নিত করেছে রাজ্য সরকার। কেন্দ্রীয় অসামরিক বিমান পরিবহন মন্ত্রী জানান, বাংলায় একাধিক বিমানবন্দর তৈরির পরিকল্পনা রয়েছে। এর জন্য রাজ্যকে সম্পূর্ণ সহযোগিতা করবে কেন্দ্রীয় সরকার। বিমানবন্দরের জমি নিয়ে জটিলতা কাটাতে ও পরিকাঠামো উন্নয়নে রাজ্যের সঙ্গে কাজ করার বার্তা দেন তিনি। মন্ত্রী জানান, কেন্দ্র-রাজ্য সমন্বয়ে বিমানবন্দর উন্নয়নের কাজ হবে। রানওয়ে সংস্কার, টার্মিনাল বিল্ডিংয়ে নজর দেওয়া হবে। বিমানবন্দরের প্রযুক্তিগত দিক দেখবে কেন্দ্রীয় সরকার।

    উড়ান-২ প্রকল্পে যুক্ত হলো পশ্চিমবঙ্গ

    উড়ান (উড়ে দেশ কা আম নাগরিক)– ২.০ প্রকল্পে যুক্ত হলো পশ্চিমবঙ্গ। বালুরঘাট, হাসিমারা–সহ রাজ্যের ছোট বিমানবন্দর থেকে এই প্রকল্পে ফ্লাইট চালালে ভর্তুকি দেবে কেন্দ্র। আশা করা হচ্ছে, ওই প্রকল্পের সুবিধে নিয়ে রাজ্যের ছোট বিমানবন্দর থেকে বিভিন্ন এয়ারলাইন্স ফ্লাইট চালাবে। ২০১৬ সালে চালু হয় কেন্দ্রের উড়ান প্রকল্প। লক্ষ্য ছিল দেশের ছোট শহর ও প্রত্যন্ত অঞ্চলের বিমান যোগাযোগ বাড়ানো এবং সাধারণ মানুষের নাগালের মধ্যে বিমানযাত্রা নিয়ে আসা। পশ্চিমবঙ্গও এই প্রকল্পের আওতায় একাধিক বিমানবন্দর তৈরিতে উদ্যোগী হয়। হাসিমারা ও কলাইকুন্ডায় বিমানবন্দর তৈরির জন্য অতিরিক্ত জমির প্রয়োজনীয়তা নিয়ে আগে কেন্দ্র-রাজ্য টানাপড়েন ছিল। বর্তমান সরকারের দাবি, রাজনৈতিক পালাবদলের পরে ওই দুই জায়গায় প্রয়োজনীয় অতিরিক্ত জমির অনুমতি দেওয়া হয়েছে। পাশাপাশি বালুরঘাট ও পুরুলিয়াতেও জমির ব্যবস্থা করা হয়েছে। প্রশাসনিক সূত্রের খবর, প্রস্তাবিত বিমানবন্দরগুলিতে উড়ান প্রকল্পের আওতায় ৭২ আসনের বিমান চালানোর পরিকল্পনা রয়েছে।

    প্রস্তাবিত বিমানবন্দরগুলির গুরুত্ব

    প্রস্তাবিত বিমানবন্দরগুলির ফলে উত্তরবঙ্গ, জঙ্গলমহল এবং দক্ষিণবঙ্গের শিল্পাঞ্চলের সঙ্গে কলকাতা ও দেশের অন্যান্য প্রান্তের যোগাযোগ সহজ হবে। শিল্প, পর্যটন এবং বাণিজ্যের প্রসারেও এই বিমানবন্দরগুলি গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা নেবে বলে মনে করছে নবান্ন। নবান্নের আধিকারিকদের একাংশের মতে, শুধু যাত্রী পরিষেবা নয়, নতুন বিমানবন্দরগুলি পণ্য পরিবহণের ক্ষেত্রেও সম্ভাবনার দরজা খুলবে। কৃষিজাত পণ্য, চা, ফুল, হস্তশিল্প এবং শিল্পপণ্যের দ্রুত পরিবহণে আঞ্চলিক বিমান পরিষেবা কার্যকর হতে পারে। বিশেষ করে উত্তরবঙ্গের সঙ্গে কলকাতা ও দেশের অন্যান্য বাণিজ্যকেন্দ্রের যোগাযোগ বাড়লে ব্যবসায়িক কর্মকাণ্ডে গতি আসবে। পর্যটনের ক্ষেত্রেও হাসিমারা, পুরুলিয়ার মতো এলাকার গুরুত্ব রয়েছে। ফলে উড়ান প্রকল্পের এই পর্বকে রাজ্যের সামগ্রিক অর্থনৈতিক পরিকাঠামো সম্প্রসারণের অংশ হিসেবেই দেখছে প্রশাসন।

  • Nandigram By Poll: ‘আমরা সরকারের বন্ধুত্ব চাই’ নন্দীগ্রামে শুভেন্দুর রোড শোতে প্ল্যাকার্ড হাতে সংখ্যালঘুরা

    Nandigram By Poll: ‘আমরা সরকারের বন্ধুত্ব চাই’ নন্দীগ্রামে শুভেন্দুর রোড শোতে প্ল্যাকার্ড হাতে সংখ্যালঘুরা

    মাধ্যম নিউজ ডেস্ক: সংখ্যালঘুদের বন্ধুত্বের বার্তা দিয়েছিলেন মুখ্যমন্ত্রী শুভেন্দু অধিকারী (Suvendu Adhikari)। তাঁর সেই বার্তায় সাদরে হাত বাড়ালেন সংখ্যালঘুরা। রবিবার ‘বন্ধুত্বের’ ছবি দেখা গেল নন্দীগ্রামে (Nandigram By Poll)। উপনির্বাচনের প্রচারের শেষ দিনে মুখ্যমন্ত্রীর ব়্যালির সময় বন্ধুত্বের হাত বাড়িয়ে পোস্টার হাতে দেখা গেল সংখ্যালঘুদের। শুভেন্দুর ব়্যালির পর সংখ্যালঘুরা জানালেন, মুখ্যমন্ত্রীর বার্তায় তাঁরা খুশি। মুখ্যমন্ত্রীও বললেন, “প্রচারে বেরিয়ে আমার দেখে মনে হল, আমার বন্ধুত্বের আহ্বান অনেকটা কাজ করবে।” নন্দীগ্রামে উপনির্বাচনের প্রচারের শেষ দিনে বিজেপি প্রার্থী হাসিরানি রথের সমর্থনের নন্দীগ্রাম ১ ব্লকের সংখ্যালঘু অধ্যুষিত এলাকায় এদিন রোড শো করেন শুভেন্দু অধিকারী।

    নন্দীগ্রামে সংখ্যালঘু অঞ্চলে শুভেন্দু

    রবিবার ছিল নন্দীগ্রামে প্রচারের শেষ দিন। এদিন সকালে নন্দীগ্রাম ১ নম্বর ব্লকের টেঙ্গুয়া থেকে হাসপাতাল মোড় পর্যন্ত প্রায় তিন কিলোমিটার মিছিল করেন শুভেন্দু। দলীয় পতাকা, প্ল্যাকার্ড হাতে তাঁর সঙ্গে পা মেলান এলাকার বিজেপি কর্মী-সমর্থকরা। একই ভাবে বিকেলে নন্দীগ্রাম ২ নম্বর ব্লকের রাজারামচক থেকে মিরের বাজার পর্যন্ত পদযাত্রা করেন তিনি। দু’টি মিছিলেই ছিল উপচে পড়া ভিড়। রাস্তার ধারে জড়ো হয়েছিলেন সাধারণ মানুষ। শুভেন্দুর পাশাপাশি বিজেপি প্রার্থী হাসিরানির নামেও স্লোগান দেন তাঁরা। রাতে হরিপুরের পার্টি অফিসের সাংবাদিক সম্মেলনে জয় নিয়ে আত্মবিশ্বাসী শুভেন্দু বলে দিলেন, ‘বহু মানুষ রাস্তায় বেরিয়েছিলেন। প্ল্যাকার্ড হাতে নিয়ে পথের দু’ধারে দীর্ঘক্ষণ দাঁড়িয়ে ছিলেন তাঁরা। লেখা, ‘আমরা মুখ্যমন্ত্রীর পাশে আছি। আমরা বন্ধুত্ব করতে চাই সরকারের সঙ্গে।’

    রোড শো নিয়ে বার্তা মুখ্যমন্ত্রীর

    উপনির্বাচনের প্রচারে সংখ্যালঘু এলাকায় রোড শো নিয়ে মুখ্যমন্ত্রী বলেন, “এই এলাকাতে আমার মনে হয়, ভারতীয় জনতা পার্টি প্রথম কোনও কর্মসূচি করতে পারল। একুশ ও ছাব্বিশের বিধানসভা, চব্বিশের লোকসভা নির্বাচন এবং তেইশের পঞ্চায়েত নির্বাচনে এখানে প্রচার করিনি। কারণ, বাইরে থেকে লোক নিয়ে গিয়ে প্রচার করার কোনও মানে হয় না। এখানকার বুথগুলিতে বিজেপি কার্যত শূন্য ভোট পেয়েছিল।” এরপরই তিনি জানান, “এখানকার স্থানীয় বাসিন্দারা আমাদের দলের নেতৃত্বকে বলেছিলেন, যদি মুখ্যমন্ত্রী এলাকায় আসেন। আজ প্রচারে বেরিয়ে আমার দেখে মনে হল, বিজেপির ব্যবধান অনেকটাই বাড়বে। আপনি হাত বাড়ালে আমি ধরব।” সংখ্যালঘুরা বিজেপিকে আপন করে নিচ্ছে বলেও মনে করেন শুভেন্দু। নির্বাচন শান্তিপূর্ণ হবে বলেও আশ্বাস দেন তিনি। মুখ্যমন্ত্রী বলেন, ‘আগামী পরশু শান্তিপূর্ণ নির্বাচন হবে। আমি মুখ্যমন্ত্রী, পুলিশমন্ত্রীও। তাই নিরাপত্তার বিষয়টা আমি দেখব।’ একই সঙ্গে তৃণমূলকে কটাক্ষ করতেও ছাড়েননি শুভেন্দু। ব্যঙ্গের সুরে বলেন, ‘আগেই বলেছিলাম, তৃণমূলের নাম-নিশান থাকবে না। সেটাই হলো। এখানে মমতার কোনও চিহ্ন নেই। রেজিনগরের নোটার নীচে থাকবে, ৫-৬ নম্বরে।’

  • Ambuja Neotia Investment: ৫ বছরে ১৫ হাজার কোটি! আদানি, রিলায়েন্সের পর নেওটিয়ারও বাংলায় বড় লগ্নির পরিকল্পনা

    Ambuja Neotia Investment: ৫ বছরে ১৫ হাজার কোটি! আদানি, রিলায়েন্সের পর নেওটিয়ারও বাংলায় বড় লগ্নির পরিকল্পনা

    মাধ্যম নিউজ ডেস্ক: মুম্বই সফরে রিলায়েন্স ইন্ডাস্ট্রিজের চেয়ারম্যান মুকেশ আম্বানি এবং অনন্ত আম্বানির সঙ্গে মুখ্যমন্ত্রী শুভেন্দু অধিকারীর (Suvendu Adhikari) বৈঠকের পরই বাংলায় নতুন লগ্নির সম্ভাবনা নিয়ে জল্পনা তৈরি হয়েছিল। সেই আবহেই বুধবার নবান্নে মুখ্যমন্ত্রীর সঙ্গে বৈঠক করলেন (Reliance Investment) অম্বুজা নেওটিয়া গোষ্ঠীর চেয়ারম্যান হর্ষবর্ধন নেওটিয়া। বৈঠকে রাজ্যে সংস্থার একাধিক ক্ষেত্রে বিনিয়োগ পরিকল্পনা নিয়ে আলোচনা হয়েছে। অম্বুজা নেওটিয়া গোষ্ঠী আগেই পশ্চিমবঙ্গে আগামী পাঁচ বছরে ১৫ হাজার কোটি টাকার বেশি বিনিয়োগের পরিকল্পনার কথা জানিয়েছিল। স্বাস্থ্য, আতিথেয়তা, পর্যটন, আবাসন এবং বাণিজ্যিক পরিকাঠামো—একাধিক ক্ষেত্রে এই বিনিয়োগের পরিকল্পনা রয়েছে। সংস্থার ঘোষিত পরিকল্পনা অনুযায়ী, পাঁচটি নতুন হাসপাতাল, একাধিক হোটেল এবং একটি বড় গল্ফভিত্তিক আবাসন প্রকল্প গড়ে তোলার কথা রয়েছে। এদিকে রিলায়েন্স গোষ্ঠীর সঙ্গেও রাজ্যে নতুন লগ্নি নিয়ে আলোচনা এগিয়েছে। বুধবার নবান্নে রিলায়েন্সের শীর্ষ আধিকারিকদের একটি প্রতিনিধি দল মুখ্যমন্ত্রী শুভেন্দু অধিকারী এবং রাজ্যের প্রশাসনিক কর্তাদের সঙ্গে বৈঠক করে। আলোচনায় পরিকাঠামো, বিদ্যুৎ ও জ্বালানি, স্বাস্থ্য পরিষেবা-সহ বিভিন্ন ক্ষেত্রে বিনিয়োগের সম্ভাবনা খতিয়ে দেখা হয়। সরকারি-বেসরকারি অংশীদারির মাধ্যমেও কয়েকটি প্রকল্প বাস্তবায়নের সম্ভাবনা নিয়ে আলোচনা হয়েছে।

    ইন্টারনেট সংযোগ পরিকাঠামো (Reliance Investment)

    প্রশাসনিক সূত্রের খবর, রিলায়েন্সের সঙ্গে আলোচনায় দিঘায় সংস্থার তৈরি করা সমুদ্রতলের কেবল লাইন কেন্দ্রের বিষয়টিও উঠে আসে। এই প্রকল্প চালু হলে রাজ্যের ইন্টারনেট সংযোগ ও তথ্য আদানপ্রদানের পরিকাঠামো আরও শক্তিশালী হওয়ার সম্ভাবনা রয়েছে। এর আগে মুম্বইয়ে মুকেশ আম্বানি ও অনন্ত আম্বানির সঙ্গে বৈঠকে রাজ্যে শিল্প বৃদ্ধি এবং কর্মসংস্থান তৈরির সম্ভাবনা নিয়ে আলোচনা করেছিলেন মুখ্যমন্ত্রী। রিলায়েন্সের পাশাপাশি রাজ্যে অন্য বড় শিল্পগোষ্ঠীর বিনিয়োগ নিয়েও ইতিমধ্যে আলোচনা চলছে। আদানি গোষ্ঠী ২০৩৫ সালের মধ্যে পশ্চিমবঙ্গে প্রায় এক লক্ষ কোটি টাকা বিনিয়োগের পরিকল্পনার কথা জানিয়েছে। সেই বিনিয়োগের মধ্যে বন্দর, পরিবহণ, বিদ্যুৎ, তথ্যকেন্দ্র, সড়ক ও সেতু এবং স্বাস্থ্য পরিষেবার মতো একাধিক ক্ষেত্র রয়েছে।

    ১৫ হাজার কোটি টাকার বিনিয়োগ পরিকল্পনা অম্বুজা নেওটিয়ার

    অম্বুজা নেওটিয়ার ঘোষিত ১৫ হাজার কোটি টাকার বিনিয়োগ পরিকল্পনার মধ্যে স্বাস্থ্য পরিষেবায় ১,৫০০ কোটি টাকা ব্যয়ের কথা বলা হয়েছিল। এই অর্থে কলকাতা, দুর্গাপুর ও শিলিগুড়িতে পাঁচটি নতুন হাসপাতাল তৈরির পরিকল্পনা রয়েছে। আবাসন ও বাণিজ্যিক পরিকাঠামোয় প্রায় ৬,৫০০ কোটি টাকা এবং (Reliance Investment) গল্ফভিত্তিক একটি বড় আবাসন প্রকল্পে প্রায় ৫,০০০ কোটি টাকা বিনিয়োগের পরিকল্পনাও রয়েছে। হোটেল ও পর্যটন ক্ষেত্রেও বড় পরিকল্পনা রয়েছে সংস্থার। দার্জিলিং, কালিম্পং, ডুয়ার্স, দীঘা, সুন্দরবন, শান্তিনিকেতন ও রায়চকে হোটেল তৈরির পরিকল্পনার কথা সংস্থা জানিয়েছিল। কলকাতা ও শিলিগুড়িতে সম্মেলনকেন্দ্র তৈরির পরিকল্পনাও রয়েছে। তবে প্রস্তাবিত প্রকল্পগুলির কোনটি কবে বাস্তবায়িত হবে, কোথায় কোন প্রকল্প গড়ে উঠবে এবং প্রত্যেক ক্ষেত্রে কত কর্মসংস্থান তৈরি হবে, তার বিস্তারিত চিত্র এখনও স্পষ্ট নয়। বিনিয়োগ প্রস্তাবগুলি বাস্তবায়নের পর্যায়ে পৌঁছলে রাজ্যের শিল্প, স্বাস্থ্য, পর্যটন ও আবাসন ক্ষেত্রে তার প্রভাব আরও পরিষ্কার হবে।

    রাজ্য সরকারের শিল্পনীতির অন্যতম লক্ষ্য এখন বড় বিনিয়োগের পাশাপাশি কর্মসংস্থান তৈরি করা। ফলে (Suvendu Adhikari) রিলায়েন্স, অম্বুজা নেওটিয়া এবং অন্যান্য শিল্পগোষ্ঠীর সঙ্গে ধারাবাহিক আলোচনাকে সেই বৃহত্তর বিনিয়োগ প্রচেষ্টার অংশ হিসেবেই দেখা হচ্ছে (Reliance Investment)।

     

  • Sabuj Sathi Corruption: ‘পরিবারের আত্মীয়রা সাইকেলের যন্ত্রাংশ একত্রীকরণ করত’! তৃণমূল জমানার ‘সবুজ সাথী’তে দুর্নীতি নিয়ে সরব শুভেন্দু

    Sabuj Sathi Corruption: ‘পরিবারের আত্মীয়রা সাইকেলের যন্ত্রাংশ একত্রীকরণ করত’! তৃণমূল জমানার ‘সবুজ সাথী’তে দুর্নীতি নিয়ে সরব শুভেন্দু

    মাধ্যম নিউজ ডেস্ক: ভিনরাজ্য থেকে সাইকেলের যন্ত্রাংশ এনে রাজ্যে সেসব একত্রিকরণ করা হত। তারপর সেই সাইকেল তুলে দেওয়া হত পড়ুয়াদের হাতে। সেই সাইকেলের (Sabuj Sathi Corruption) গুণমান নিয়ে মাঝেমধ্যেই প্রশ্ন উঠত। ওই কাজেও বরাত পেত প্রাক্তন মুখ্যমন্ত্রী মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়ের (Mamata Banerjee) তোষামোদকারীরা। পড়ুয়াদের দেওয়া ওইসব সাইকেলের কলকব্জা সহজেই খুলে যেত, এমনও অভিযোগ উঠেছে। এ প্রসঙ্গে রাজ্যে বিগত তৃণমূল সরকারকে নিশানা করলেন মুখ্যমন্ত্রী শুভেন্দু অধিকারী। তৃণমূল জমানায় ‘সবুজ সাথী’ প্রকল্পে সাইকেল দেওয়া হত স্কুল পড়ুয়াদের। রাজ্যে পালাবদলের পর সেই ‘সবুজ সাথী’ নাম বদলে ‘সারথি’ করা হয়েছে। সেই সারথি প্রকল্পে সাইকেল বিতরণে এসে হাওড়ায় মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়কে ফের কাঠগড়ায় তুললেন মুখ্যমন্ত্রী শুভেন্দু অধিকারী (CM Suvendu Adhikari)। মুখ্যমন্ত্রী জানিয়েছেন, রাজ্যে এবার থেকে সারথি প্রকল্পে আরও উন্নতমানের সাইকেল দেওয়া হবে। যারা এই সাইকেল রাজ্যে তৈরি করবে, তাদের জমি দেওয়া হবে।

    ‘সবুজ সাথী’তেও দুর্নীতি

    তৃণমূল আমলে মমতা বন্দ্যোপাধ্যায় (Suvendu Attacks Mamata) জেলা সফরে গিয়ে সরকারি মঞ্চ থেকে ‘সবুজ সাথী’তে পড়ুয়াদের সাইকেল দিতেন। সেই সাইকেলের গুণমান নিয়ে বিভিন্ন সময় প্রশ্নও উঠেছে। বহু সময় দেখা যেত বহু সংখ্যায় সরকারি প্রকল্পের সাইকেল পড়ে রয়েছে কোনও বন্ধ ঘরে। সেইসব সাইকেলে জং পড়ে যেত দীর্ঘদিন ওভাবে থাকার কারণে। রাজ্যে পালাবদলের পর এই সরকারি প্রকল্পের নাম ‘সবুজ সাথী’ থেকে ‘সারথি’ রাখা হল। হাওড়ার এক স্কুলে এই প্রকল্পে সাইকেল বিতরণ অনুষ্ঠানে উপস্থিত ছিলেন মুখ্যমন্ত্রী শুভেন্দু অধিকারী, রাজ্যের উচ্চ শিক্ষামন্ত্রী জগন্নাথ চট্টোপাধ্যায়-সহ অন্যান্য বিশিষ্টরা। সেখানেই প্রাক্তন সরকারকে এই ইস্যুতে আরও একবার বিঁধলেন মুখ্যমন্ত্রী। শুভেন্দু বলেন, “পাঞ্জাব থেকে সাইকেলের যন্ত্রাংশ আনা হত। এখানে এনে সেসব একত্রিকরণ করা হত। প্রাক্তন সরকারের সর্বোচ্চ প্রশাসনিক আধিকারিক, তাঁর পরিবারের আত্মীয়রা সেই কাজটি করত। সেই জায়গা থেকে এটাকে বার করে এনেছি।” তাহলে কি তৃণমূল জমানার ‘সবুজ সাথী’তে দুর্নীতির প্রসঙ্গও উসকে গেল বক্তব্যে? মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়ের পরিবারের কারা এই প্রকল্পে বরাত পেতেন? পাঞ্জাবে কাদের থেকে ওই সাইকেলের যন্ত্রাংশ আসত? অভিষেক বন্দ্যোপাধায়ও জড়িয়ে আছে এই নিশানায়? সেসব প্রশ্ন উঠছে।

    পড়ুয়ারা পাবে উন্নতমানের সাইকেল

    বিজেপি সরকারের আমলে আরও ভালো, উন্নতমানের সাইকেল পড়ুয়াদের দেওয়া হবে। সেই বার্তা দিয়েছেন মুখ্যমন্ত্রী। ইতিমধ্যেই ‘সবুজ সাথী’ প্রকল্পের নতুন নাম ‘সারথি’ এবং তার নতুন লোগো উন্মোচন করেছেন মুখ্যমন্ত্রী শুভেন্দু অধিকারী (Suvendu Adhikari)। এ দিন নবম শ্রেণির ১২ লক্ষ ৫৯ হাজারেরও বেশি ছাত্র-ছাত্রীর হাতে সাইকেল বিতরণের কর্মসূচির সূচনা করে শুভেন্দু স্পষ্ট জানিয়ে দেন, আগের সরকারের চালু করা প্রকল্প বন্ধ করা তাঁদের লক্ষ্য নয়; বরং তার ত্রুটিগুলি শুধরে সামগ্রিক গুণগত মান ও নিরাপত্তা বৃদ্ধি করাই রাজ্য সরকারের প্রধান অগ্রাধিকার।

    বাংলাতেই তৈরি হবে উন্নতমানের সাইকেল!

    বাংলাতেই আগামী দিনে আরও উন্নতমানের এই সাইকেল তৈরির ইচ্ছাপ্রকাশ করেছেন মুখ্যমন্ত্রী। মঞ্চ থেকে এদিন শুভেন্দু অধিকারী বলেছেন, “আগামী দিনে আমরা চেষ্টা করব, পশ্চিমবঙ্গে এই ধরনের সাইকেল তৈরির কারখানা যারা তৈরি করবে তাঁদেরকে জমিও দেব, তাঁদের থেকে সাইকেলও কিনব।” এদিন পড়ুয়াদের সঙ্গে বসে খেয়েছেন মুখ্যমন্ত্রী। শুভেন্দু বলেন, “১৫ বছর আগেও সীমিত পরিসরে এসসি, এসটি ও সংখ্যালঘুদের জন্য এই স্কিম চালু ছিল। তবে আগের জমানায় পাঞ্জাব থেকে সাইকেলের খুচরো যন্ত্রাংশ এনে এখানে একত্রীকরণ করা হত। অত্যন্ত দুঃখের বিষয়, তৎকালীন শীর্ষ প্রশাসনিক আধিকারিকের আত্মীয়েরা সেই কাজের সঙ্গে যুক্ত ছিলেন। আমরা সেই চক্র ভেঙে বের করে এনেছি। এ বার ফ্রেঞ্চ, ফর্ক, মাডগার্ড ও টায়ার তিন স্তরে গুণমান পরীক্ষা করে নিরাপদ সাইকেল তুলে দেওয়া হচ্ছে ছাত্র-ছাত্রীদের হাতে।” তিনি আরও জানান, প্রধানমন্ত্রী নরেন্দ্র মোদির ‘ভোকাল ফর লোকাল’ নীতিকে পাথেয় করে আগামী দিনে রাজ্যেই সাইকেল তৈরির কারখানা গড়ে তোলার পরিকল্পনা রয়েছে, যেখানে সংস্থাকে জমি দেওয়া ও সরকারের সাইকেল কেনার চুক্তিও করা হবে।

    রাজ্যে ছাত্রছাত্রীদের জন্য উন্নয়ন মূলক প্রকল্প

    কন্যারত্নে ভাতা বৃদ্ধি: গত ১৪ অগস্ট ‘কন্যারত্ন দিবসে’ দেওয়া প্রতিশ্রুতি স্মরণ করিয়ে মুখ্যমন্ত্রী জানান, ২০২৭ সাল থেকে ছাত্রীদের বার্ষিক ভাতা ১,০০০ টাকা থেকে বাড়িয়ে ২০০০ টাকা করা হবে। এ ছাড়া আগামী শিক্ষাবর্ষ থেকে নবম শ্রেণির পাশাপাশি অষ্টম শ্রেণির শিক্ষার্থীদেরও ‘সারথী’ সাইকেল দেওয়া হবে।

    স্মার্ট স্কুল ও পরিকাঠামো: চলতি শিক্ষাবর্ষে ৬০০টি অনুমোদিত এবং আরও ২০০টি প্রস্তাবিত-সহ মোট ৮০০টি স্কুলে স্মার্ট ক্লাসরুম, ল্যাবরেটরি, লাইব্রেরি ও খেলার মাঠ আধুনিকীকরণ করা হচ্ছে। বিগত সরকার ৩ বছর যে ‘কম্পোজিট গ্র্যান্ট’ বন্ধ রেখেছিল, বর্তমান সরকার এসে ৮০ হাজার প্রাথমিক ও উচ্চ মাধ্যমিক স্কুলে এক লপ্তে ৩০০ কোটি টাকা বরাদ্দ করেছে।

    খাতা, পোশাক ও নিয়োগ: নিম্নমানের খাতার কাগজ এবং ব্যাগ বদলানোর পাশাপাশি স্কুলের পোশাকের রঙ ও ব্র্যান্ড নির্বাচন করার চূড়ান্ত অধিকার স্কুলের হাতেই ছেড়ে দেওয়ার সিদ্ধান্ত নেওয়া হয়েছে। সেই সঙ্গে দীর্ঘদিনের শিক্ষক-সংকট মেটাতে স্কুল সার্ভিস কমিশন (এসএসসি) প্রথম ধাপে ১০ হাজারের বেশি নির্ভেজাল ও ত্রুটিমুক্ত তালিকা প্রকাশ করেছে বলে জানান শুভেন্দু।

    মিড-ডে মিল ও রাঁধুনীদের বেতন: প্রাথমিক স্তরে মিড-ডে মিলের পুষ্টি বাড়াতে বরাদ্দ ৬.৭৮ টাকা থেকে বাড়িয়ে ১০ টাকা করা হয়েছে। কলকাতায় ইসকনের মাধ্যমে ৪৪ হাজার ছাত্র-ছাত্রীকে দেওয়া শুদ্ধ পুষ্টিকর আহার আগামী এক মাসের মধ্যে ২.৪৫ লক্ষ শিক্ষার্থীর কাছে পৌঁছে দেওয়া হবে। ইসকন সম্পূর্ণ নিরামিষ হওয়ায় এসএইচজি (SHG) গ্রুপের মাধ্যমে সপ্তাহে দু’দিন সিদ্ধ ডিম সরবরাহের বিকল্প ব্যবসাও চালু রাখা হয়েছে। রাঁধুনীদের চাকরি যাওয়ার বিভ্রান্তি উড়িয়ে তাঁদের মাসিক ভাতা ২,০০০ টাকা থেকে বাড়িয়ে ৩,০০০ টাকা করা হয়েছে।

    ভারতীয় সংস্কৃতিকে আপন করে নেওয়ার আহ্বান

    পড়ুয়াদের স্রেফ পুথিগত বিদ্যায় সীমাবদ্ধ না থেকে দেশপ্রেম, জাতীয়তাবাদ ও ভারতীয় সংস্কৃতিকে আপন করে নেওয়ার আহ্বান জানান মুখ্যমন্ত্রী। ১৯৪২ সালের ২৯ সেপ্টেম্বর রেড রোডে স্বাধীনতা সংগ্রামী মাতঙ্গিনী হাজরার আত্মবলিদান দিবসে শ্রদ্ধা নিবেদনের কথা মনে করিয়ে দিয়ে শুভেন্দু বলেন, “১৯৪৭ সালের ২০ জুন ডঃ শ্যামাপ্রসাদ মুখোপাধ্যায় ও স্বামী প্রণবানন্দের প্রচেষ্টায় আমরা মাতা ভারতীর কোলে পশ্চিমবঙ্গ হিসেবে আশ্রয় পেয়েছিলাম। ২০৪৭-এর বিকশিত ভারতের কণ্ডারীদের এই ইতিহাস জানা জরুরি।” স্বামী বিবেকানন্দের শিক্ষা দর্শনের কথা উল্লেখ করে তিনি শিক্ষার্থীদের ইংরেজি শেখার পাশাপাশি বাংলা ভাষার মাধুর্য বজায় রাখা, বিতর্ক, তাৎক্ষণিক বক্তৃতা, ড্রয়িং এবং খঞ্জনি, মৃদঙ্গ, তবলা ও গিটারের মতো সাংস্কৃতিক চর্চায় যুক্ত হওয়ার পরামর্শ দেন। আগামী দিনে আরও বেশি স্কুলে এনসিসি (NCC) চালু করার জন্য কেন্দ্রীয় প্রতিরক্ষা মন্ত্রকের সঙ্গেও আলোচনা হয়েছে বলে জানান মুখ্যমন্ত্রী।

LinkedIn
Share