Tag: Corruption

Corruption

  • Dilip Ghosh: “তৃণমূলে মুষলপর্ব শুরু, যত তাড়াতাড়ি দলটা উঠে যায়, ততই মঙ্গল”, বললেন দিলীপ

    Dilip Ghosh: “তৃণমূলে মুষলপর্ব শুরু, যত তাড়াতাড়ি দলটা উঠে যায়, ততই মঙ্গল”, বললেন দিলীপ

    মাধ্যম নিউজ ডেস্ক: “পুরো পার্টিটাই জালি। আর কী আশা করা যাবে! মুষলপর্ব শুরু হয়ে গিয়েছে। যত তাড়াতাড়ি দলটা উঠে যায়, বাংলার পক্ষে ততই মঙ্গল।” তৃণমূল (TMC) ভাঙনের জল্পনা প্রসঙ্গে প্রতিক্রিয়া জানাতে গিয়ে এমনই মন্তব্য করলেন রাজ্যের মন্ত্রী দিলীপ ঘোষ (Dilip Ghosh)। সইকাণ্ডে মুখ খোলায় তৃণমূল বহিষ্কার করেছে বিধায়ক ঋতব্রত বন্দ্যোপাধ্যায় ও সন্দীপন সাহাকে। তারপরেই জল্পনা ছড়ায়, ৫০ বিধায়ককে নিয়ে ‘নতুন তৃণমূল’ গড়ছেন ঋতব্রতরা। শোনা যাচ্ছে, নিজেদের প্রধান বিরোধী দল দাবি করে তাঁরা স্পিকারের কাছে চিঠিও দেবেন। এমতাবস্থায় ভাঙনের মুখে পড়তে পারে মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়ের সাধের তৃণমূল। সেক্ষেত্রে তাঁর দল বিধানসভায় বিরোধী দলের মর্যাদাও খোয়াতে পারে। কারণ বিধানসভায় বিরোধী দলের মর্যাদা ধরে রাখতে প্রয়োজন ৩০ বিধায়কের সমর্থন। নতুন করে এই প্রক্রিয়া শুরু হলেও, তৃণমূল তা আদৌ জোগাড় করতে পারবে কিনা, সেটাই বড় প্রশ্ন। আজ, মঙ্গলবার সকালে তৃণমূলের এই হতশ্রী দশা প্রসঙ্গে মুখ খুললেন দিলীপ।

    “নেত্রী সবাইকে চুরি করতে শিখিয়েছেন” (Dilip Ghosh)

    রাজ্যের প্রথম বিজেপি সরকারের গুরুত্বপূর্ণ এই মন্ত্রী বলেন, “যেমন যেখান যেখান থেকে লোকজন একসময় তৃণমূল কংগ্রেসে এসেছিল, এখন তেমন তেমন সেখানে চলে যাচ্ছে। প্রয়াত সুব্রত মুখার্জি একবার আমায় গল্পচ্ছলে বলেছিলেন, তৃণমূল আসলে একটা প্ল্যাটফর্ম। সবাই দাঁড়িয়ে আছে। যার যেমন ট্রেন আসছে, সে তেমন চলে যাচ্ছে। আজ উনি বেঁচে নেই। কিন্তু, ওঁর কথা অক্ষরে অক্ষরে মিলে যাচ্ছে। শুধু পয়সা কমানোর জন্য লোকগুলো এসেছিল। দুনিয়ার ক্রিমিনাল, অ্যান্টি সোশ্যাল এসেছিল। এখন যার যার মতো পালিয়ে যাচ্ছে। দলটা বিধানসভায় ঢুকলই না, তার আগেই দু’জন সাসপেন্ড হয়ে গেল। আমার ভাবতে অবাক লাগে, এই দলটাকে বাংলার মানুষ ১৫ বছর ধরে সহ্য করেছে! দিলীপ (Dilip Ghosh) বলেন, “নেত্রী সবাইকে চুরি করতে শিখিয়েছেন। এখন তার ফল ভোগ করতে হবে। ছোটবেলায় একটা গল্প পড়েছিলাম। রাখাল স্কুলে সবার খাতা, বই, পেনসিল চুরি করত। যেদিন ধরা পড়ল সেদিন মাসির কানে কথা বলার বাহানায় মাসির কান কামড়ে ছিঁড়ে দিয়েছিল। বলল, মাসি তুমিই আমায় চুরি করতে শিখিয়েছ। এই মাসির কান কাটা এখনও বাকি আছে।”

    ‘দুই সাংসদ পালিশ খেয়েছেন’

    তিনি বলেন, “ওদের দু’জন সাংসদ পাবলিকের কাছে অলরেডি পালিশ খেয়েছেন। অথচ দু’জনের কারোর গায়ে কোনও দাগ নেই! এরমধ্যে একজন কল্যাণ ব্যানার্জি। তাঁর নাটক আমরা পার্লামেন্টে বহুবার দেখেছি। ওঁকে সেদিন কেউ একটা চাঁটি মেরেছিল। রুমাল দিয়ে রগড়েও একফোঁটা রক্ত বের করতে পারলেন না!” মন্ত্রী (Dilip Ghosh) বলেন, “আমি এখন বুঝতে পারছি, আমার হরিণঘাটা ডিমের দাম এত বাড়ল কেন? এদিক-ওদিক ডিম ছোড়া হচ্ছে। অভিষেক কোনও হাসপাতালে ভর্তি হতে পারেননি। বেলভিউ হাসপাতালের ডাক্তাররা বুঝিয়ে (TMC) দিয়েছেন, তাঁদের মেরুদণ্ড শক্ত। এটা খুব জঘন্য একটা আচরণ। সরকার কাজ করছে। মানুষ দেখছে। কয়েকদিন আপনারা ঘরের ভেতরে থাকুন। আন্দোলনের নামে ব্লকে বা থানায় ঘেরাও-ফেরাও করবেন না। দেখছেন তো চারিদিকে কী অবস্থা! হুজ্জুতি করতে যাবেন পাবলিক আবার ধরে পালিশ করে দেবে! আবার হাসপাতালে যেতে হবে। শান্তিতে থাকুন। বাড়িতে থাকুন।”

    ‘ডিম খান, শক্তি বাড়ান’

    খড়্গপুরের বিধায়ক বলেন, “আমরা বলেছি ডিমের ক্রাইসিস আছে। ডিম এঁর তাঁর গায়ে ছুড়ে নষ্ট করবেন না। ডিম খান। শক্তি বাড়ান। ফালতু লোককে ডিম মেরে লাভ নেই।” এদিনই ধর্মতলার ওয়াই চ্যানেলে ধর্নায় বসেন তৃণমূল সুপ্রিমো তথা প্রাক্তন মুখ্যমন্ত্রী মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়। সে প্রসঙ্গে দিলীপ (Dilip Ghosh) বলেন, “গণতান্ত্রিক কার্যকলাপ আমরা বন্ধ করতে চাই না। আন্দোলন করতে কারওর কোর্টে যাওয়ার দরকার হবে না। তবে পুলিশের অনুমতি নিয়ে করতে হবে। বিরোধী দলনেতা থাকাকালীন শুভেন্দু অধিকারীকে আন্দোলন করার অনুমতির জন্য ১০৪ বার কোর্টে ছুটতে হয়েছিল। রেড রোডের নমাজ শান্তিতে ব্রিগেডে হয়ে গেল। তাই, আমি বলব কয়েকটা মাস (TMC) শান্তিতে ঘরে থাকুন।”

    ‘মায়ের কাছেও কাটমানি খেয়েছে’

    তিনি বলেন, “তৃণমূল পঞ্চায়েত, মণ্ডল সভাপতি, প্রাক্তন বিধায়কদের অফিস সার্চ হচ্ছে। আর আজব আজব জিনিস পাওয়া যাচ্ছে। ডাব, নারকেল, তেল, হাঁড়ি-কলসি-খুন্তি। আমি জানি না এগুলো কারখানা ছিল, গুদাম ছিল, নাকি অফিস ছিল! পার্টি অফিসে যাঁরা পিঠে বানাতে যেতেন, সেখানকার বাসিন্দারাই তার বদলা নিয়েছেন। তৃণমূল পার্টি ব্যান করে দেওয়া উচিত। এদের প্রতীক চিহ্ন ব্যান করে দেওয়া উচিত। এরা একটা টেরোরিস্ট সংগঠনের মতো কাজ করে গিয়েছে। গোপন সংগঠনের মতো কাজ করে গিয়েছে।” পদ্ম-মন্ত্রিসভার সদস্য দিলীপ (Dilip Ghosh) বলেন, “স্যাঁকরা নিজের মায়ের গয়না থেকেও সোনা চুরি করে। তৃণমূল নেতারা আবাস যোজনায় নিজের মা ঘর পেলে, তার থেকেও কাটমানি নিয়েছে। মেসিও রেহাই পেলেন না! তাঁর মূর্তি থেকেও কাটমানি নেওয়া হল। লোকটা ওখানে ছ’মাস দাঁড়িয়ে থাকতে পারল না, ফেলে দিল তৃণমূল।”

    পিঠ বাঁচাতে পদত্যাগ!

    পদত্যাগ করেছেন বিধায়ক তারক সিং। সে প্রসঙ্গে বিজেপির প্রাক্তন রাজ্য সভাপতি দিলীপ বলেন, “এতদিন কী করেছেন? নেতাদের বাড়িতে রেড হতেই বোঝা যাচ্ছে, কে কী কাজ করেছেন! পিঠ বাঁচানোর জন্য এখন অনেকে পদত্যাগ করছেন। বিষবৃক্ষ রোপণ করেছেন কে? তার ফল এখন সবাইকে ভুগতে হবে।” রাজ্যে শিল্পায়ন প্রসঙ্গে তিনি (Dilip Ghosh) বলেন, “আমূলের কলকাতা প্রধান দেখা করার জন্য সময় চেয়েছেন। আজই (TMC) হয়তো দেখা হবে। কথা হবে। অনেকে ব্যবসা শুরু করতে চাইছেন। অনেক ফোনই আসছে।”

     

  • Diamond Harbour Municipality: এবার ‘রামধাক্কা’ তৃণমূলের ‘ডায়মন্ড হারবার’ মডেলেও, একযোগে পদত্যাগ ঘাসফুল প্রতীকে জয়ী ৮ কাউন্সিলরের

    Diamond Harbour Municipality: এবার ‘রামধাক্কা’ তৃণমূলের ‘ডায়মন্ড হারবার’ মডেলেও, একযোগে পদত্যাগ ঘাসফুল প্রতীকে জয়ী ৮ কাউন্সিলরের

    মাধ্যম নিউজ ডেস্ক: ‘রামধাক্কা’ তৃণমূলের ‘ডায়মন্ড হারবার’ মডেলে! রাজ্যে পালাবদলের আবহে এই পুরসভায়ও (Diamond Harbour Municipality) মুখ থুবড়ে পড়ল মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়ের হাতে গড়া দল তৃণমূল কংগ্রেস (Corruption Allegations)। ছাব্বিশের বিধানসভা নির্বাচনের পর রবিবার ফল বের হয় ফলতা বিধানসভা পুনর্নির্বাচনের। গোটা রাজ্যের মতো এই বিধানসভা কেন্দ্রেও গোহারা হেরে যায় তৃণমূল। তার পর সোমবারই ইঙ্গিত মিলল দীর্ঘদিন ধরে ‘ডায়মন্ড হারবার মডেল’ নামে পরিচিত প্রশাসনিক ও রাজনৈতিক কাঠামো ভেঙে পড়ার। ডায়মন্ড হারবার পুরসভার মোট ১৬টি ওয়ার্ডের মধ্যে ৮ জন কাউন্সিলর  একযোগে এদিন মহাকুমাশাসকের দফতরে গিয়ে জমা দেন পদত্যাগপত্র। এঁরা তৃণমূলের ঘাসফুল প্রতীকে জয়ী হয়ে পুরসভায় এসেছিলেন। এই ঘটনায় চাঞ্চল্য ছড়িয়েছে ডায়মন্ড হারবারে।

    একযোগে পদত্যাগ কাউন্সিলরদের (Diamond Harbour Municipality)

    এদিন দুপুরে ডায়মন্ড হারবারের মহকুমা শাসক অয়ন দত্তগুপ্তের হাতে পদত্যাগপত্র তুলে দেন ওই কাউন্সিলররা। রাজনৈতিক মহলের একটা বড় অংশের মতে, একসঙ্গে এতজন কাউন্সিলরের পদত্যাগ কেবল প্রশাসনিক নয়, ডায়মন্ড হারবারের দীর্ঘদিনের রাজনৈতিক সমীকরণেও বড়সড় পরিবর্তনের ইঙ্গিত। এদিন যাঁরা পদত্যাগপত্র জমা দিয়েছেন, তাঁদের অভিযোগ, ডায়মন্ড হারবার পুরসভা এতদিন জনপ্রতিনিধিদের দ্বারা নয়, বরং চলত পুলিশ-প্রশাসনের অঙ্গুলি হেলনে। সাত নম্বর ওয়ার্ডের কাউন্সিলর তমাল হালদার বলেন, “এতদিন ডায়মন্ড হারবার মডেলের নামে একটা বেলুন ফুলিয়ে রাখা হয়েছিল। এখন সেই বেলুন ফুস! আমরা জনপ্রতিনিধি হলেও, কোনও স্বাধীনতা ছিল না। সব কিছু নিয়ন্ত্রণ করত পুলিশ কর্তারা। তাঁদের নির্দেশেই আমাদের উঠতে-বসতে হত।”

    ফাটল তৃণমূল জমানার দুর্নীতির বেলুন

    তাঁর দাবি, “ওপরতলা থেকে পুলিশ- প্রশাসনকে নিয়ন্ত্রণ করা হত। কাউন্সিলরদের ব্যবহার করা হত পুতুলের মতো। প্রতিবাদ করার পরিবেশ ছিল না। রাজ্যে পালাবদলের পর সাহস পেয়েছি। তাই পদত্যাগের সিদ্ধান্ত।” দুর্নীতির অভিযোগেও সোচ্চার হয়েছেন পদত্যাগী কাউন্সিলররা। তাঁদের দাবি, ডায়মন্ড হারবার এলাকায় পুকুর ভরাট, অবৈধ নির্মাণ, তোলাবাজি—সব ক্ষেত্রেই পুলিশের একাংশের প্রত্যক্ষ ভূমিকা ছিল। অবৈধ বিল্ডিং তৈরির ক্ষেত্রে মালিকদের কাছ থেকে জোর করে টাকা আদায় করা হত। প্রতিবাদ করলে শিকার হতে হত পুলিশি নির্যাতনের।

    পদত্যাগী কাউন্সিলরের বক্তব্য

    পদত্যাগপত্র জমা দিয়েছেন ১৩ নম্বর ওয়ার্ডের কাউন্সিলর তৃণমূলের অমিত সাহাও। তিনি বলেন, “ডায়মন্ড হারবার পুরসভা ১৬টি ওয়ার্ড নিয়ে গঠিত (Corruption Allegations)। এতদিন সব ওয়ার্ড তৃণমূলের দখলেই ছিল। কিন্তু আমরা ৮ জন কাউন্সিলর পদত্যাগ করার সিদ্ধান্ত নিয়েছি। আমাদের মেয়াদ প্রায় আট মাস বাকি রয়েছে। উন্নয়নের বার্তা নিয়েই আমরা এসেছিলাম। কিন্তু যেভাবে দুর্নীতি হয়েছে, তাতে ক্রমশই মানুষের সামনে দাঁড়ানো কঠিন হয়ে উঠেছিল (Diamond Harbour Municipality)।” তিনি বলেন, “পুলিশ-প্রশাসনের মাধ্যমে পুরসভা থেকে কোটি কোটি টাকা তোলা হয়েছে। বিষয়টি আমরা তৎকালীন মুখ্যমন্ত্রী মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়কেও জানিয়েছিলাম। কিন্তু কোনও ব্যবস্থাই নেওয়া হয়নি।” পদত্যাগী এই কাউন্সিলর বলেন, “আমরাও দুর্নীতির তদন্ত চাই। যদি তদন্তে আমাদের কারওর নাম জড়ায়, তাহলে যা শাস্তি হবে, মাথা পেতে নেব। তবে যারা প্রকৃত দোষী, তাদেরও আইনের মুখোমুখি হতে হবে।”

    বিজেপিকে স্পেস পদত্যাগীদের

    পদত্যাগকারী কাউন্সিলররা জানান, রাজ্যের নয়া সরকার যাতে নতুন করে বোর্ড গঠন করে মানুষের জন্য কাজ করতে পারে, সেই রাস্তা পরিষ্কার করতেই সরে দাঁড়ানোর সিদ্ধান্ত নিয়েছেন তাঁরা। তমাল বলেন, “বিজেপির দুর্দিনে যাঁরা মাটি কামড়ে লড়াই করেছেন, তাঁদের প্রাপ্য আমরা কেড়ে নিতে চাই না। নতুন সরকার তাদের প্রতিনিধি দিয়েই পুরসভা চালাক। স্থানীয় বাসিন্দা হিসেবে আমরা তাদের সবরকমভাবে সহযোগিতা করব (Corruption Allegations)।” ডায়মন্ড হারবারের বিজেপি নেতা দীপক কুমার হালদার বলেন, “ডায়মন্ড হারবার পুরসভায় যদি দুর্নীতি হয়ে থাকে, তাহলে তার তদন্ত অবশ্যই হবে। যাঁরা যুক্ত, তাঁদের বিরুদ্ধে কঠোর ব্যবস্থা নেওয়া হবে। এখন রাজ্যে আইনের শাসন প্রতিষ্ঠিত হয়েছে। তাই দুর্নীতি করে কেউ পার পাবেন না।”

    তৃণমূলের খাসতালুকেই ধস

    ২০১৪ সালের পর থেকে বস্তুত ডায়মন্ড হারবার হয়ে উঠেছিল তৃণমূলের খাসতালুক (Diamond Harbour Municipality)। এই লোকসভা কেন্দ্র থেকেই সাত লাখেরও বেশি ভোটে জয়ী হয়ে সংসদে প্রবেশের ছাড়পত্র পেয়েছিলেন তৃণমূলের সেকেন্ড ইন-কমান্ড অভিষেক বন্দ্যোপাধ্যায়। তাই ডায়মন্ড হারবার পুরসভার ৮ কাউন্সিলরের একযোগে পদত্যাগ নিঃসন্দেহে বড় বার্তাই দিচ্ছে বলে ধারণা রাজনৈতিক মহলের। পদত্যাগী কাউন্সিলরদের মুখে ‘পুলিশি নিয়ন্ত্রণ’, ‘দুর্নীতি’, ‘তোলাবাজি’র মতো গুরুতর অভিযোগ শোনা গিয়েছে। যার জেরে তৃণমূল বেশ চাপে পড়ে গেল বলেই ওয়াকিবহাল মহলের ধারণা।

    একযোগে ইস্তফা উত্তর বারাকপুর পুরসভায়ও

    এদিকে, এদিনই একযোগে ইস্তফা দেন উত্তর বারাকপুর পুরসভায় ১৮ জন কাউন্সিলর। ছাব্বিশের বিধানসভা নির্বাচনে পুরসভা এলাকায় তৃণমূলের খারাপ ফলের দায় স্বীকার করে ইস্তফা দেন তাঁরা। পরিস্থিতির দায় ঘাড়ে নিয়ে পদত্যাগ করেছেন চেয়ারম্যান নিজেও। বিজেপি নেতা তথা বিধায়ক অর্জুন সিং বলেন, “আমরা মুখ্যমন্ত্রীকে প্রশাসক বসাতে বলেছি। দ্রুত প্রশাসক নিয়োগ করে পরিষেবা স্বাভাবিক রাখতে হবে। আগামী ছ’মাসের মধ্যেই ভোট হয়ে যাবে বলে আশা করি।”

    প্রসঙ্গত, রাজ্যে পালাবদলের ঝোড়ো হাওয়ার ধাক্কা লেগেছে বিভিন্ন পুরসভায়ও। খোদ কলকাতা পুরনিগমও বেসামাল ছাব্বিশের পদ্ম-ঝড়ে। মেয়র ফিরহাদ হাকিম নিজেও পদত্যাগ করতে চলেছেন বলে জল্পনা ছড়িয়েছে। এহেন আবহে রাজ্যের অন্য পুরসভাগুলিতেও সিঁদুরে মেঘ দেখছেন তৃণমূল কাউন্সিলররা (Diamond Harbour Municipality)। একদিন যে অস্ত্রে শান দিয়ে তাঁরা দখল করেছিলেন বাম-শাসিত একাধিক পুরসভা, সেই হাতিয়ারই ফিরছে ব্যুমেরাং হয়ে।

    ইতিহাস ফিরে ফিরে আসে বইকি (Corruption Allegations)!

     

  • Kerala: “কংগ্রেস নেতৃত্বাধীন ইউডিএফ সরকারের আচরণে নজর রাখতে হবে”, বললেন বিজেপি নেতা

    Kerala: “কংগ্রেস নেতৃত্বাধীন ইউডিএফ সরকারের আচরণে নজর রাখতে হবে”, বললেন বিজেপি নেতা

    মাধ্যম নিউজ ডেস্ক: কংগ্রেস নেতৃত্বাধীন ইউডিএফ (UDF)-এর নয়া সরকারকে সতর্ক করে দিলেন কেরল বিজেপির (Kerala) সভাপতি রাজীব চন্দ্রশেখর। শনিবার তিনি জানান, ইউডিএফ বিধানসভা নির্বাচনে মিথ্যে প্রতিশ্রুতি ও রাজনৈতিক প্রতিপক্ষদের বিরুদ্ধে ভুয়ো প্রচারের মাধ্যমে (BJP Chief Slams) জয়ী হয়েছে। তাঁর অঙ্গীকার, রাজ্যের পক্ষে বিপজ্জনক শক্তিগুলি সরকারকে ‘রিমোট কন্ট্রোল’ করছে কি না, সেই বিষয়েও কড়া নজর রাখবে বিজেপি।

    বিজেপির বক্তব্য (Kerala)

    মুখ্যমন্ত্রী নির্বাচন প্রক্রিয়ার সমালোচনা করে বিজেপির এই নেতা বলেন, “জামাত-ই-ইসলামি এবং এসডিপিআইয়ের মতো শক্তিগুলি এই সিদ্ধান্তে প্রভাব ফেলছে—এটা অত্যন্ত উদ্বেগজনক। এটি এমন একটি বিষয়, যা শুধু আজ বা আগামিকাল নয়, আগামী কয়েক মাস ও বছর ধরে গভীরভাবে আলোচনা ও পর্যালোচনা করা দরকার। আমাদের এই সরকারের আচরণ পর্যবেক্ষণ করতে হবে এবং দেখতে হবে যে, কতটা এই সরকার এমন শক্তির দ্বারা পরিচালিত হচ্ছে যারা আমাদের রাজ্যের পক্ষে অত্যন্ত বিপজ্জনক। এসডিপিআই এবং জামাত-ই-ইসলামির মতো সংগঠনগুলিকে মূলধারায় আনা আমাদের রাজ্যের পক্ষে ভালো নয়, কোনও মালয়ালির জন্যই ভালো নয়।”

    ‘জিরো টলারেন্স’ নীতি

    চন্দ্রশেখর জানান (Kerala), নবনির্বাচিত মুখ্যমন্ত্রী ভিডি সতীশন তাঁকে ব্যক্তিগতভাবে শপথগ্রহণ অনুষ্ঠানে উপস্থিত থাকার জন্য আমন্ত্রণ জানিয়েছেন। তবে তিনি স্পষ্ট করেন যে, দুর্নীতি, ভোটব্যাঙ্ক তোষণ এবং মালয়ালি সমাজকে বিভক্ত করার রাজনীতির বিরুদ্ধে বিজেপি (BJP Chief Slams) ‘জিরো টলারেন্স’ নীতি গ্রহণ করবে। তিনি বলেন, “কংগ্রেস এমন কিছু প্রতিশ্রুতির ভিত্তিতে এই জনসমর্থন পেয়েছে, যা তারা কখনও পূরণ করতে পারেনি। তারা সিপিএম ও বিজেপির মধ্যে গোপন সমঝোতার ভুয়ো গল্প রটিয়েছে এবং এফসিআরএ (FCRA) নিয়ে মিথ্যা প্রচার চালিয়েছে। আমি অত্যন্ত স্পষ্টভাবে নয়া মুখ্যমন্ত্রীকে বলতে চাই, আমরা তাঁকে শুভেচ্ছা জানালেও বিধানসভার ভিতরে ও বাইরে দুর্নীতি, কোনও সম্প্রদায়কে তোষণ, অথবা মালয়ালিদের মধ্যে বিভেদ সৃষ্টির যে কোনও প্রচেষ্টার বিরুদ্ধে কঠোর অবস্থান নেব।”

    তিনি আরও বলেন, “আজ (শনিবার) সকালে মুখ্যমন্ত্রী মনোনীত ভিডি সতীশন আমায় ফোন করেছিলেন এবং অত্যন্ত সৌজন্যের সঙ্গে ১৮ তারিখের শপথগ্রহণ অনুষ্ঠানে উপস্থিত থাকার জন্য ব্যক্তিগতভাবে আমন্ত্রণ জানান। আমি তাঁকে ধন্যবাদ জানাই। দলের পক্ষ থেকে শুভেচ্ছাও জানাই এবং বলি যে, আমি অবশ্যই আমার সহকর্মী বিধায়ক ও দলীয় কর্মীদের নিয়ে উপস্থিত থাকব।” তিনি এও বলেন, “এই নির্বাচনকে ‘পরিবর্তনের জনাদেশ’ হিসেবে দেখা হচ্ছে। কারণ এলডিএফ (LDF)-এর দশ বছরের শাসনের অবসান ঘটেছে।” প্রসঙ্গত, সম্প্রতি কেরলে এলডিএফ সরকারের এক দশকের শাসনের অবসান ঘটিয়ে বিধানসভা নির্বাচনে (Kerala) নিরঙ্কুশ জয় লাভ করেছে কংগ্রেস নেতৃত্বাধীন ইউডিএফ। সতীশন ১৮ মে সকাল ১০টায় লোকভবনে (পূর্বতন রাজ্যপাল ভবন) মুখ্যমন্ত্রী হিসেবে (BJP Chief Slams) শপথ নেবেন।

     

  • Shuvendu Adhikari: “অভিষেক এত চুরি করেছে যে তাঁকে জেলে ঢোকাবে বিজেপি সরকার”, বলে দিলেন শুভেন্দু

    Shuvendu Adhikari: “অভিষেক এত চুরি করেছে যে তাঁকে জেলে ঢোকাবে বিজেপি সরকার”, বলে দিলেন শুভেন্দু

    মাধ্যম নিউজ ডেস্ক: বঙ্গে গেরুয়া ঝড়ে খড়কুটোর মতো উড়ে গেল তৃণমূল কংগ্রেস। বিজেপির (Shuvendu Adhikari) আঁচে শুকিয়ে কাঠ ক্ষমতার দম্ভে মত্ত ঘাসফুল। বঙ্গে (Abhishek Banerjee) তুষ্টিকরণের যে রাজনীতির চল চালু হয়েছিল বাম জমানায়, মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়ের দলের আশ্রয়ে-প্রশ্রয়ে যাতে ফলতে শুরু করেছিল বিষবৃক্ষের ফল, সেই তৃণমূলকে সমূলে উৎপাটিত করে আস্তাকুঁড়ে ফেলে দিয়েছে বিজেপি। যে ভবানীপুর কেন্দ্রের উপনির্বাচনে জিতে মুখ্যমন্ত্রীর কুর্সি ধরে রেখেছিলেন মমতা, সেই ভবানীপুরেও প্রাক্তন সতীর্থ শুভেন্দু অধিকারির কাছে গোহারা হেরে কার্যত ঘরে ঢুকে গিয়েছেন তৃণমূলের মুখ্যমন্ত্রী পদপ্রার্থী তথা বিদায়ী মুখ্যমন্ত্রী মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়।

    শুভেন্দুর বাক্য-বাণ (Shuvendu Adhikari)

    এহেন আবহে তৃণমূলকেই নিশানা করলেন রাজ্যের বিদায়ী বিরোধী দলনেতা শুভেন্দু। নন্দীগ্রামের পর ভবানীপুরেও জয় নিশ্চিত হওয়ার পর ঘাসফুল শিবিরকে আক্রমণ করেন তিনি। বলেন, “যারা গুন্ডা, চোর তাদের বিরুদ্ধে ব্যবস্থা নেবে বিজেপি সরকার। রাহুল গান্ধী শেষ, মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়ও শেষ। আগামী নির্বাচনে উত্তরপ্রদেশে শেষ হয়ে যাবে অখিলেশ যাদবও।” শুভেন্দু বলেন, “পুরো হিন্দু সমাজ মিলে এক সঙ্গে বিজেপিকে ভোট দিয়েছে। মমতা বন্দ্যোপাধ্যায় খিদিরপুরে ২০ হাজার ভোটে লিড পেয়েছে, বাকি জায়গায় আমি লিড পেয়েছি। মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়কে হারানো জরুরি ছিল।”

    অভিষেককে জেলে ঢোকাবে বিজেপি

    তৃণমূলের সেনাপতি অভিষেক বন্দ্যোপাধ্যায়কেও আক্রমণ করতে ছাড়েননি শুভেন্দু। বলেন, “অভিষেক বন্দ্যোপাধ্যায় যেখানেই থাকুক, এত চুরি করেছে যে আগামিদিনে তাঁকে জেলে ঢোকানোর কাজ করবে বিজেপি সরকার।” তিনি বলেন, “এই আসন না জিতলে শ্যামাপ্রসাদ মুখোপাধ্যায়ের স্বপ্নপূরণ হত না। বাংলায় এই পরিবর্তনের নেপথ্যে রয়েছে ৩০০ বিজেপি কর্মীর আত্মবলিদান। হিন্দু শহিদ হরগোবিন্দ দাস-সহ যাঁরা প্রাণ দিয়েছেন, এই জয় তাঁদের উৎসর্গ করছি।”

    প্রসঙ্গত, নির্বাচনের ঢের আগেই শুভেন্দু ঘোষণা করেছিলেন (Shuvendu Adhikari), দল যদি তাঁকে স্বয়ং মুখ্যমন্ত্রী মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়ের বিরুদ্ধেও প্রার্থী করেন, তিনি তাঁকে প্রাক্তন করে ছাড়বেন। ওয়াকিবহাল মহলের মতে, কথা রেখেছেন শুভেন্দু। ১৫ হাজার ১০৫ ভোটে মমতাকে হারিয়ে তৃণমূল সুপ্রিমোর ফের মুখ্যমন্ত্রী হওয়ার আশায় জল ঢেলে দিয়েছেন তিনি। তৃণমূলের ক্ষমতায় আসার অন্যতম ভরকেন্দ্র পূর্ব মেদিনীপুরের নন্দীগ্রামেও তৃণমূলের পবিত্র করকে (Abhishek Banerjee) প্রায় ১০ হাজার ভোটে হারিয়ে দিয়েছেন শুভেন্দু। দেখিয়ে দিয়েছেন তাঁর কলজের জোর (Shuvendu Adhikari)!

     

  • Balen Shah: র‍্যাপার থেকে রাজনীতিবিদ হওয়া বালেন্দ্রর দলের হাতেই যাচ্ছে নেপালের রাশ?

    Balen Shah: র‍্যাপার থেকে রাজনীতিবিদ হওয়া বালেন্দ্রর দলের হাতেই যাচ্ছে নেপালের রাশ?

    মাধ্যম নিউজ ডেস্ক: নেপালের সাধারণ নির্বাচনে (Nepal Election) বড় ধরনের জয়ের পথে র‍্যাপার থেকে রাজনীতিবিদ হয়ে ওঠা বালেন্দ্র শাহের (Balen Shah) দল রাষ্ট্রীয় স্বতন্ত্র পার্টি (RSP)। এই নির্বাচন অনুষ্ঠিত হয়েছে গত বছরের যুব নেতৃত্বাধীন বিক্ষোভের পর, যা দেশের রাজনৈতিক প্রতিষ্ঠানের ভিত নাড়িয়ে দিয়েছিল।

    এগিয়ে আরএসপি (Balen Shah)

    নির্বাচনের ফলে দেখা গিয়েছে হিমালয়ের পাদদেশের এই অঞ্চলের দেশটিতে একটি বড় রাজনৈতিক পরিবর্তন ঘটতে চলেছে। এতে শাহের প্রধানমন্ত্রী হওয়ার সম্ভাবনা প্রবল। এদিকে প্রাক্তন প্রধানমন্ত্রী তথা প্রবীণ নেতা কেপি শর্মা ওলি (KP Sharma Oli) তাঁর নিজের শক্ত ঘাঁটিতেই পিছিয়ে পড়েছেন। নেপালের নির্বাচন কমিশনের তথ্য অনুযায়ী, ১৬৫টি আসনের মধ্যে ১৬১টির ফল প্রকাশিত হতে চলেছে। এতে দেখা যাচ্ছে আরএসপি ইতিমধ্যেই সর্বাধিক আসনে জয় পেয়েছে এবং আরও বহু আসনে এগিয়ে রয়েছে। এটি দেশের প্রচলিত রাজনৈতিক দলগুলির সমর্থনের বড় ধরনের পতনের ইঙ্গিত বলেই ধারণা ওয়াকিবহাল মহলের।

    নজর কেড়েছেন ঝাপা-৫ আসনে

    নেপালের এই সাধারণ নির্বাচনের ফলের ইঙ্গিত, নয়া রাজনৈতিক শক্তি আরএসপির পক্ষে একটি শক্তিশালী নির্বাচনী ঢেউ তৈরি হয়েছে। গত বছরের যুব আন্দোলনের পর থেকেই এই দলটি দ্রুত জনপ্রিয়তা অর্জন করে। বালেন্দ্র শাহ, যিনি ‘বালেন’ নামেই পরিচিত, বিশেষভাবে নজর কেড়েছেন ঝাপা-৫ আসনে। এই এলাকাটি দীর্ঘদিন ধরেই কমিউনিস্ট পার্টি অব নেপাল – ইউএমএলের শক্ত ঘাঁটি হিসেবে পরিচিত। এই আসনে শাহ ১৫,০০০-এরও বেশি ভোট পেয়েছেন। আর সিপিএন-ইউএমএলের চেয়ারম্যান তথা নেপালের চারবারের প্রধানমন্ত্রী কেপি শর্মা ওলি শনিবার সকাল পর্যন্ত পেয়েছেন প্রায় ৩,৩০০টি ভোট (Nepal Election)। ৩৫ বছর বয়সী ইঞ্জিনিয়ার শাহ কিছুদিন আগে পর্যন্তও কাঠমান্ডুর মেয়র ছিলেন। বর্তমান প্রবণতা অব্যাহত রইলে নেপালের পরবর্তী প্রধানমন্ত্রী হতে চলেছেন শাহ-ই।

    তিনি পরিচিত ছিলেন একজন র‍্যাপার হিসেবে

    রাজনৈতিক মহলের মতে, এই নির্বাচনী পরিবর্তন জনগণের মধ্যে প্রচলিত রাজনৈতিক নেতৃত্বের প্রতি বাড়তে থাকা অসন্তোষের প্রতিফলন। গত ১৮ বছরে নেপালে ১৪টি সরকার গঠিত হয়েছে, যা দেশের দীর্ঘদিনের রাজনৈতিক অস্থিরতার ছবিটাই তুলে ধরে (Balen Shah)। নির্বাচন কমিশনের তথ্য অনুযায়ী, আরএসপি ইতিমধ্যেই ২০টি আসনে জয়ী হয়েছে, এগিয়ে রয়েছে আরও ৯৫টি আসনে। বালেন্দ্র শাহের রাজনৈতিক উত্থান কোনও বাঁধাধরা গতে হয়নি। রাজনীতিতে আসার আগে তিনি পরিচিত ছিলেন একজন র‍্যাপার হিসেবে। কাঠমান্ডু মেয়র নির্বাচনে জয়ী হওয়ার পরেই শুরু হয় তাঁর রাজনৈতিক যাত্রা। ওই নির্বাচনে তিনি নিজেকে প্রতিষ্ঠান-বিরোধী প্রার্থী হিসেবে উপস্থাপন করেছিলেন। সাম্প্রতিক নির্বাচনী প্রচারে তাঁর জনসমর্থন নজর কেড়েছে নেপালবাসীর। তাঁর সমাবেশগুলিতে বিপুল জনসমাগম হয়, যার একটা বড় অংশই ছিল তরুণ ভোটার (Nepal Election)।

    বালেন্দ্রর জনপ্রিয়তা

    তাঁর এই জনপ্রিয়তা তৈরি হয় ২০২৫ সালের সেপ্টেম্বর মাসে শুরু হওয়া যুব আন্দোলনের সময়। তখন হাজার হাজার তরুণ দুর্নীতি ও রাজনৈতিক পৃষ্ঠপোষকতার বিরুদ্ধে পথে নেমেছিলেন। এই আন্দোলনের জেরে পতন ঘটে ওলি সরকারের। অনেক পর্যবেক্ষক এই আন্দোলনকে “জেন জেড মুভমেন্ট” এমনকি “রেভেলিউশান” বলেও উল্লেখ করেছেন। এই আন্দোলনের অন্যতম মুখ ছিলেন বালেন শাহ স্বয়ং (Balen Shah)। সরকার পতনের পর নেপাল সুপ্রিম কোর্টের প্রাক্তন প্রধান বিচারপতি সুশীলা কার্কির নেতৃত্বে একটি অন্তর্বর্তী সরকার গঠিত হয়, যার দায়িত্বই ছিল সাধারণ নির্বাচনের আয়োজন করা। আরএসপির নেতৃত্বে রয়েছেন প্রাক্তন টেলিভিশন সঞ্চালক রবি লামিছানে। শাহ গত বছরের ডিসেম্বরে এই দলে যোগ দেন এবং দ্রুত দলের অন্যতম গুরুত্বপূর্ণ নেতা হয়ে ওঠেন।

    রাজনৈতিক অভিজাতদের প্রভাবকে চ্যালেঞ্জ

    তাঁর নির্বাচনী প্রচারের মূল বক্তব্যই ছিল নেপালের পুরনো রাজনৈতিক অভিজাতদের প্রভাবকে চ্যালেঞ্জ করা এবং প্রজন্মগত পরিবর্তনের প্রতীক  হিসেবে নিজেকে তুলে ধরা। প্রধানমন্ত্রী পদে প্রচার শুরু করার সময় তিনি বক্তব্য শুরু করতেন ‘সর্বপ্রথম, মাতা জানকী কি প্রণাম’ শব্দবন্ধ দিয়ে (Nepal Election)। তিনি বক্তব্য রাখেন মৈথিলী ভাষায়, যা প্রচলিত ভারতের দুই রাজ্য বিহার, ঝাড়খণ্ড এবং নেপালের মাধেশ প্রদেশে। তিনি তাঁর প্রচার শুরুই করেছিলেন জনকপুর থেকে। এটি মাধেশ প্রদেশের রাজধানী এবং হিন্দু দেবী সীতা বা মা জানকীর জন্মস্থান (Nepal Election)। ওয়াকিবহাল মহলের মতে, এটি নেপালের বিভিন্ন ভাষাগত ও আঞ্চলিক জনগোষ্ঠীর কাছে নিজের গ্রহণযোগ্যতা বাড়ানোর কৌশল (Balen Shah)। প্রসঙ্গত, নেপালের এই নির্বাচন ছিল সেপ্টেম্বর ২০২৫-এর যুব বিদ্রোহের পর প্রথম জাতীয় নির্বাচন। এই আন্দোলনের নেপথ্যে ছিল দুর্নীতি, শাসন ব্যর্থতা এবং পুরনো রাজনৈতিক দলগুলির আধিপত্যের বিরুদ্ধে গড়ে ওঠা জনরোষ।

    জেন জেডের শক্তি

    বিশ্লেষকদের মতে, এই নির্বাচন ছিল সেই জেন জেডের শক্তির রাজনৈতিক পরীক্ষা। আরএসপির ফলেই স্পষ্ট, বিশেষ করে তরুণ ভোটাররা নেপালের পুরনো রাজনৈতিক কাঠামোর আমূল পরিবর্তন চায় (Nepal Election)। নেপালের ভারপ্রাপ্ত প্রধান নির্বাচন কমিশনার রাম প্রসাদ ভান্ডারি জানান, এবার ভোট দিয়েছেন প্রায় ৬০ শতাংশ মানুষ। ভোটগ্রহণের সময় কয়েকটি জেলায় সামান্য বিক্ষিপ্ত ঘটনা ঘটে বলে খবর।এদিকে, নেপালে সফলভাবে নির্বাচন সম্পন্ন হওয়ায় খুশি ভারত। তারা একে স্বাগত জানিয়েছে (Balen Shah)। ৫ মার্চ ভারতের বিদেশমন্ত্রকের মুখপাত্র রণধীর জয়সওয়াল বলেন, “ভারত নেপালের নাগরিকদের গণতান্ত্রিক অধিকার প্রয়োগকে স্বাগত জানায়।” ভারত অন্তর্বর্তী প্রধানমন্ত্রী সুশীলা কার্কি এবং নেপাল সরকারের ভূমিকাকেও অভিনন্দন জানিয়েছে। বিবৃতিতে বলা হয়েছে, “কাঠমান্ডুর অনুরোধে ভারত নির্বাচন পরিচালনায় লজিস্টিক সাহায্য করেছে। ভারত ভবিষ্যতেও নেপালের সঙ্গে শান্তি, সমৃদ্ধি এবং স্থিতিশীলতা বজায় রাখতে এবং দুই দেশের দ্বিপাক্ষিক সম্পর্ক আরও শক্তিশালী করতে কাজ করবে।” অন্যদিকে, শনিবার সকালেও ভোট গণনা চলতে থাকায় বালেন্দ্রর দল আরএসপি বড় ব্যবধানে জয়ের দিকে এগোচ্ছে। এখনও পর্যন্ত পাওয়া খবরে জানা গিয়েছে, আরএসপি ২৫টি আসনে জয়ী হয়েছে। এগিয়ে রয়েছে ৯৩টি আসনে (Nepal Election)। প্রধান নির্বাচন কমিশনার জানান, ভোট গণনা শেষ হওয়ার কথা ৯ মার্চের মধ্যে (Balen Shah)।

     

  • Mamata Banerjee: “মমতাই একমাত্র মুখ্যমন্ত্রী যিনি নিজের কর্মচারীদের বিরুদ্ধেই মামলা করেন”, তোপ ভূপেন্দ্রর  

    Mamata Banerjee: “মমতাই একমাত্র মুখ্যমন্ত্রী যিনি নিজের কর্মচারীদের বিরুদ্ধেই মামলা করেন”, তোপ ভূপেন্দ্রর  

    মাধ্যম নিউজ ডেস্ক: “মুখ্যমন্ত্রী মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়ই (Mamata Banerjee) একমাত্র মুখ্যমন্ত্রী যিনি নিজের কর্মচারীদের বিরুদ্ধেই মামলা করেন এবং লড়াই করেন।” বুধবার কথাগুলি বললেন কেন্দ্রীয়মন্ত্রী ভূপেন্দ্র যাদব। পশ্চিমবঙ্গের মুখ্যমন্ত্রী মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়কে কটাক্ষ করে তিনি বলেন, “ডিএ সংক্রান্ত বিষয়ে তিনি নিজের সরকারি কর্মচারীদের বিরুদ্ধে সুপ্রিম কোর্টে গিয়েছেন।”

    ভূপেন্দ্রর নিশানায় মমতা (Mamata Banerjee)

    কেন্দ্রীয় বাজেট প্রসঙ্গে সাংবাদিক সম্মেলনে বক্তব্য রাখতে গিয়ে মন্ত্রী বলেন, “মুখ্যমন্ত্রী মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়ই একমাত্র মুখ্যমন্ত্রী যিনি নিজের কর্মচারীদের বিরুদ্ধেই মামলা করেন এবং লড়াই করেন। ২০ লাখ মানুষ ষষ্ঠ বেতন কমিশনের জন্য লড়াই করছেন, অথচ ইতিমধ্যেই কেন্দ্রীয় সরকারের কর্মচারীরা সপ্তম বেতন কমিশনের সুবিধা পাচ্ছেন।” তিনি বলেন, “এসআইআর বাস্তবায়নের বিরুদ্ধে তিনি লড়াই করতে গিয়েছেন, কিন্তু ডিএর ক্ষেত্রে নিজের কর্মচারীদের বিরুদ্ধেই অবস্থান নিয়েছেন। তিনি হেরে গিয়েছেন। তাই তাঁর ক্ষমা চাওয়া উচিত। তিনি নিজের কর্মচারীদের যথাযোগ্য সম্মান দিতে ব্যর্থ হয়েছেন।” কেন্দ্রীয় এই মন্ত্রী বলেন, “বাংলাদেশ থেকে ব্যাপক অনুপ্রবেশের কারণে জাতীয় নিরাপত্তা একটি বড় ইস্যু হয়ে উঠেছে এবং বন্দ্যোপাধ্যায় জাতীয় নিরাপত্তার সঙ্গে আপস করছেন।” তোষণমূলক রাজনীতির জন্যও মন্ত্রী রাজ্য সরকারকে নিশানা করেন।

    মন্ত্রী দাবি

    মন্ত্রীর দাবি (Mamata Banerjee), পশ্চিমবঙ্গে মাথাপিছু আয় কমে যাওয়ার পেছনে একাধিক কারণ রয়েছে। তাই মানুষ অন্য রাজ্যে চলে যাচ্ছেন। তিনি বলেন, “পশ্চিমবঙ্গে স্বাস্থ্য ব্যবস্থা ও শিক্ষা ব্যবস্থা ভেঙে পড়েছে। নির্বাচনের সময় রাজনৈতিক খুন ও হিংসার ঘটনা এখানে সর্বাধিক। এখানে রাজনৈতিক তোষণও সর্বাধিক।” তাঁর অভিযোগ, কেন্দ্র থেকে বরাদ্দ অর্থ রাজ্য সরকার সঠিকভাবে ব্যবহার করছে না এবং কেন্দ্রীয় প্রকল্পগুলিতে দুর্নীতির অভিযোগ রয়েছে। কেন্দ্রীয় মন্ত্রী বলেন, “কেন্দ্রের ‘চা সুন্দরী’ প্রকল্প অসম, পশ্চিমবঙ্গ ও মেঘালয়ে চালু করা হয়েছিল। প্রতিটি রাজ্যে একটি কমিটি গঠনের কথা ছিল। কিন্তু গত চার বছরে বাংলায় তা করা হয়নি। চা বাগানের শ্রমিকদের জন্য বহু বিধান ছিল। অসম সরকার কমিটি গঠন করে ৩৭০ কোটি টাকা ব্যবহার করেছে।”

    এমএসএমই গ্রোথ ফান্ড প্রস্তাব

    যাদব বলেন, “সুরাট–ডানকুনি ফ্রেট করিডর পরিবহন ব্যয় ৩০ শতাংশ কমাবে বলে আশা করা হচ্ছে। শিলিগুড়ি–বারাণসী করিডর এবং দুর্গাপুরে উন্নয়ন সামগ্রিক লজিস্টিক দক্ষতা বাড়াবে।” তিনি জানান, ১০,০০০ কোটি টাকার এমএসএমই গ্রোথ ফান্ড প্রস্তাব করা হয়েছে। কিন্তু বর্তমান সরকারের দুর্বল প্রশাসনের কারণে বাংলা সবসময় বঞ্চিত হচ্ছে। তিনি বলেন, “মুখ্যমন্ত্রী মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়ের আমলে তালিকাভুক্ত ৬,৮০০টি কোম্পানি বন্ধ হয়ে গিয়েছে বলে জানা গিয়েছে এবং এমএসএমই ক্ষেত্র ক্ষতিগ্রস্ত হয়েছে।” মন্ত্রী উল্লেখ করেন, গ্রামীণ উন্নয়নমন্ত্রক একাই পশ্চিমবঙ্গকে (Mamata Banerjee) ১.১০ লাখ কোটি টাকা দিয়েছে, তবুও তিনি অভিযোগ করেন যে তৃণমূল সরকার দুর্বল প্রশাসনের প্রতীক।

    মনরেগা বাস্তবায়নে ত্রুটি

    তিনি বলেন, “মনরেগা বাস্তবায়নে ত্রুটি রয়েছে এবং তহবিল অপব্যবহারের অভিযোগ উঠেছে। প্রধানমন্ত্রী আবাস যোজনার অর্থের ব্যবহার সংক্রান্ত শংসাপত্র সঠিকভাবে জমা দেওয়া হয়নি, প্রধানমন্ত্রী পোষণ যোজনায় দুর্নীতির অভিযোগ রয়েছে, এবং কেন্দ্র নির্ধারিত ‘দিশা’ বৈঠকগুলি রাজ্যে অনুষ্ঠিত হয়নি।” মন্ত্রী বলেন, “আয়ুষ্মান ভারত এবং পিএম-কিষানের মতো প্রকল্প পূর্ণমাত্রায় চালু হতে দেওয়া হয়নি। রাজ্য কম মূলধনী ব্যয়ে চলছে এবং আয় না বাড়িয়ে ধারাবাহিকভাবে ঋণ নিচ্ছে, ফলে পশ্চিমবঙ্গের ভবিষ্যৎ বিপন্ন হচ্ছে। এটি শুধু তৃণমূলের শেষ বাজেট নয়, বিদায়ী দলিল।” তিনি মন্তব্য করেন, “বাংলা সত্যেন্দ্রনাথ বসু ও জগদীশচন্দ্র বসুর মতো মহান বিজ্ঞানীদের ভূমি, তবুও বিজ্ঞান শিক্ষায় বরাদ্দ করা হয়নি, কিন্তু মাদ্রাসায় ৫,৭১৩.৬১ কোটি টাকা (Mamata Banerjee) বরাদ্দ করা হয়েছে।” উত্তরবঙ্গে ৩ কোটি জনসংখ্যার জন্য মাত্র ৯১০ কোটি টাকা বরাদ্দ করা হয়েছে (Mamata Banerjee)। মন্ত্রী বলেন, “বস্ত্রশিল্পে পশ্চিমবঙ্গের বিপুল সম্ভাবনা থাকা সত্ত্বেও রাজ্য সরকারের এই খাতে উন্নয়নের কোনও সুস্পষ্ট রোডম্যাপ নেই (Mamata Banerjee)।”

     

  • Suvendu Adhikari: “ওএমআর শিটের কার্বন কপিতে নেই সিরিয়াল নম্বর”! পুলিশ-নিয়োগে দুর্নীতির পর্দাফাঁস শুভেন্দুর

    Suvendu Adhikari: “ওএমআর শিটের কার্বন কপিতে নেই সিরিয়াল নম্বর”! পুলিশ-নিয়োগে দুর্নীতির পর্দাফাঁস শুভেন্দুর

    মাধ্যম নিউজ ডেস্ক: দুর্নীতির জেরে বাতিল হয়েছে ২০১৬ সালের শিক্ষক ও শিক্ষাকর্মীদের চাকরি। ফের হয়েছে পরীক্ষা। আবারও হয়েছে মামলা। সেই ঘটনার রেশ কাটতে না কাটতেই ফের প্রকাশ্যে এল পুলিশে নিয়োগ পরীক্ষায় (Police Exams) দুর্নীতির অভিযোগ। রবিবারই হয়েছে এই পরীক্ষা। তার পরেই ব্যাপক দুর্নীতি হয়েছে বলে দাবি করলেন রাজ্য বিধানসভার বিরোধী দলনেতা শুভেন্দু অধিকারী (Suvendu Adhikari)। সোমবার সাংবাদিক বৈঠকে এমনই দাবি করেন তিনি। শুভেন্দুর দাবি, পরীক্ষার পর চাকরিপ্রার্থীদের দেওয়া হয়নি ওএমআর শিটের কার্বন কপি। ওই শিটে সিরিয়াল নম্বরও ছিল না বলে অভিযোগ। সাংবাদিক বৈঠকে পরীক্ষা কেন্দ্রের উল্লেখ করে এমন একটি ওএমআর শিটও দেখান নন্দীগ্রামের বিধায়ক শুভেন্দু।

    কার্বন কপিতে সিরিয়াল নম্বর ছিল না (Suvendu Adhikari)

    রাজ্যের বিরোধী দলনেতা বলেন, “ওএমআর শিটের কার্বন কপিতে সিরিয়াল নম্বর ছিল না। ওই শিটের কার্বন কপি প্রার্থীদের দেওয়াও হয়নি। কার্বন কপি না দেওয়ায় বোর্ড যে কোনও ধরনের দুর্নীতি করতে পারবে। সিরিয়াল নম্বর নেই মানে যে কোনও সময় কার্বন কপি চেঞ্জ করে দেবে।” তাঁর প্রশ্ন, “কার্বন কপি বোর্ডের কাছে থাকবে কেন?” তিনি বলেন, “টাকার ভিত্তিতে যাঁদের নেওয়া হবে, তাঁদের ওএমআর চেঞ্জ করে দেবে।” রেলবোর্ডকে ধন্যবাদ জানিয়ে শুভেন্দু বলেন, “এই কারণে ওড়িশা সরকার পরীক্ষা করাচ্ছে, আর সেখানে পরীক্ষা দিতে গিয়ে চাকরি পাচ্ছে বাংলার ছেলেমেয়েরা।”

    শুভেন্দুর অভিযোগ

    শুভেন্দু (Suvendu Adhikari) বলেন, “জাতীয় স্তরের সমস্ত পরীক্ষায়, পাবলিক সার্ভিস কমিশন (Police Exams) থেকে শুরু করে রেলের পরীক্ষায়, সবেতেই ওএমআরের কার্বন কপি দেওয়া হয়, সিরিয়াল মেনটেইন করা হয়। কার্বন কপির একটা কপি পরীক্ষার্থীদের হাতে থাকে।” এই নিয়োগ পরীক্ষায় কীভাবে দুর্নীতি হবে, তারও আভাস দেন শুভেন্দু। বলেন, “এসএসসির মতোই খাতা বদলাবে। তবে এবার হয়তো আর সাদা রাখবে না, ওএমআর শিটটাই বদলে দেবে। যাঁদের নিতে চায়, নির্বাচন আসছে বলে যাঁদের কাছ থেকে টাকা তোলা হয়েছে, সেই লোকগুলোকে ডেকে ডেকে ফিলআপ করিয়ে দেবে। সেখান থেকে পুলিশ রিক্রুটমেন্ট বোর্ডের চেয়ারম্যান গৌতম সান্যালের কাছে পৌঁছে যাবে।”

    মামলা করার পরামর্শ

    এদিন শুভেন্দু (Suvendu Adhikari) চাকরিপ্রার্থীদের জনস্বার্থ মামলা করার পরামর্শ দেন। আশ্বস্ত করে আইনি সাহায্যের জন্যও। তিনি বলেন, “এই সরকার যুবকদের স্বপ্ন ভাঙার কাজ করছে। প্রতারণার শিকার হওয়া যুবকরা চাইলে আন্দোলনের রাস্তায় হাঁটতে পারেন। চাইলে তাঁরা আইনি লড়াইতেও নামতে পারেন। এই বিষয়ে বিজেপির যুব মোর্চা তাঁদের পাশে থাকবে।” রাজ্যের বিরোধী দলনেতা বলেন, “এই সরকার চাকরি দেওয়ার সরকার নয়। পরীক্ষায় চাকরিপ্রার্থীদের সঙ্গে প্রতারণা করা হয়েছে।” তিনি বলেন, “যেহেতু ওএমআর শিটে সিরিয়াল নম্বর দেওয়া হয়নি, কার্বন কপিও দেওয়া হয়নি, তার মান পরে চাকরি নিয়ে (Police Exams) নয়ছয় করা হবে। অন্য লোকদের চাকরি পাইয়ে দেওয়া হবে।” প্রসঙ্গত, রবিবারই শুভেন্দু বলেছিলেন, “ফর্ম বিক্রি করে টাকা তোলা হচ্ছে। পুলিশের পরীক্ষা হচ্ছে, একটাও চাকরি হবে না। সবাইকে পরীক্ষায় বসিয়ে রেখে গাজর ঝুলিয়ে দিল। ফেব্রুয়ারির প্রথম সপ্তাহে মৌখিক পরীক্ষা হবে। দ্বিতীয় সপ্তাহে ভোট ঘোষণা হয়ে যাবে। তাই আর নিয়োগ হবে না (Suvendu Adhikari)।”

  • Sushila Karki: “মানুষের সেবা করতেই দায়িত্ব নিয়েছি, ক্ষমতায় টিকে থাকতে নয়”, নেপালের প্রধানমন্ত্রী হয়েই বললেন কার্কি

    Sushila Karki: “মানুষের সেবা করতেই দায়িত্ব নিয়েছি, ক্ষমতায় টিকে থাকতে নয়”, নেপালের প্রধানমন্ত্রী হয়েই বললেন কার্কি

    মাধ্যম নিউজ ডেস্ক: “মানুষের সেবা করতেই দায়িত্ব নিয়েছি আমি ও আমার সহযোগীরা, ক্ষমতায় টিকে থাকতে নয়।” রবিবার নেপালের (Nepal) অন্তর্বর্তী সরকারের প্রধানমন্ত্রী হিসেবে দায়িত্ব নেওয়ার পরে এমনই বললেন সে দেশের সুপ্রিম কোর্টের প্রাক্তন প্রধান বিচারপতি সুশীলা কার্কি (Sushila Karki)। এদিনই তিনি জাতির উদ্দেশে প্রথম ভাষণ দেন। বলেন, “যুব সমাজের আন্দোলনে যাঁরা প্রাণ হারিয়েছেন, তাঁদের শহিদের মর্যাদা দেওয়া হবে।” তিনি জানান, সময় পেরিয়ে গেলে মানুষের সমর্থন ছাড়া তিনি গদি আঁকড়ে বসে থাকবেন না। এদিন সকালে প্রধানমন্ত্রীর দায়িত্ব নেন সুশীলা। কাঠমাণ্ডুর সিংহ দরবার হল প্রধানমন্ত্রীর দফতর। আন্দোলনের সময় গণরোষের আঁচে পুড়ে গিয়েছে ওই ভবনের সিংহভাগ অংশ। তাই স্বরাষ্ট্রমন্ত্রকের দফতরকেই আপাতত প্রধানমন্ত্রীর দফতর করা হয়েছে। এদিন সেখানে বসেই জাতির উদ্দেশে ভাষণ দেন সুশীলা।

    অন্তর্বর্তী সরকারের প্রধানমন্ত্রীর বক্তব্য (Sushila Karki)

    অন্তর্বর্তী সরকারের প্রধানমন্ত্রী বলেন, “যাঁরা ভাঙচুরের ঘটনায় জড়িত ছিলেন, তাঁদের বিরুদ্ধে তদন্ত করা হবে।” এর পরেই তিনি বলেন, “আমি এবং আমার দল এখানে ক্ষমতার স্বাদ নিতে আসিনি। আমরা ছ’মাসের বেশি পদে থাকব না। নতুন পার্লামেন্টকে দায়িত্ব দিয়ে দেব। আপনাদের সমর্থন ছাড়া থাকব না।” নেপাল পুনর্গঠনের ডাকও দেন সুশীলা। বলেন, “নেপালকে আবার গড়ে তোলার জন্য সব অংশীদারের এগিয়ে আসা উচিত। আমরা হাল ছাড়ব না। আমাদের দেশকে পুনরুদ্ধার করতে এক সঙ্গে কাজ করব।” তিনি (Sushila Karki) বলেন, “আমাদের জেন জেড প্রজন্মের সঙ্গে খাপ খাইয়ে কাজ করতে হবে। এরা যা দাবি করছে, তা হল দুর্নীতির সমাপ্তি, সুশাসন ও অর্থনৈতিক সমতা। আপনাকে এবং আমাকে এই লক্ষ্য পূরণে দৃঢ়প্রতিজ্ঞ হতে হবে।”

    নেপালে সাধারণ নির্বাচন

    জানা গিয়েছে, নেপালে সাধারণ নির্বাচন হবে আগামী বছরের ৫ মার্চ। প্রসঙ্গত, নেপালের ক্ষমতায় ছিল কেপি শর্মা অলির নেতৃত্বাধীন সরকার। সেই সরকারের বিরুদ্ধে দুর্নীতির অভিযোগে সোচ্চার হন আম নেপালবাসী। পথে নামে জনতা। এদের নেতৃত্ব দেয় জেন জেড। এদিন বেলা ১১টা নাগাদ নিজের দফতরে আসেন সুশীলা। তার পরেই দেন জাতির উদ্দেশে ভাষণ। জেন জেডের তরফে বলা হয়েছে, “আমাদের মূল দাবি ছিল দুর্নীতিমুক্ত নেপাল। সুশীলা কার্কির (Sushila Karki) নেতৃত্বে নয়া আইন আসুক। দুর্নীতিগ্রস্ত রাজনীতিবিদদের সম্পত্তি বাজেয়াপ্ত করা (Nepal) হোক। আমাদের ভবিষ্যৎ উজ্জ্বল হোক।”

  • Chandranath Sinha: সম্মতি মিলল রাজ্যপালের, আদালতে আত্মসমর্পণের নির্দেশ কারামন্ত্রী চন্দ্রনাথকে

    Chandranath Sinha: সম্মতি মিলল রাজ্যপালের, আদালতে আত্মসমর্পণের নির্দেশ কারামন্ত্রী চন্দ্রনাথকে

    মাধ্যম নিউজ ডেস্ক: প্রাথমিক নিয়োগ দুর্নীতি মামলায় (Recruitment Corruption) রাজ্যের কারামন্ত্রী চন্দ্রনাথ সিনহার (Chandranath Sinha) বিরুদ্ধে আদালতে যে চার্জশিট জমা দেওয়া হয়েছিল, তাতে অনুমোদন দিলেন রাজ্যপাল সিভি আনন্দ বোস। বুধবার আদালতে এমনই জানিয়েছে কেন্দ্রীয় তদন্তকারী সংস্থা ইডি। মন্ত্রীকে আগামী ১২ সেপ্টেম্বর ইডি আদালতে সশরীরে উপস্থিত থেকে আত্মসমর্পণের নির্দেশ দেওয়া হয়েছে।

    সংবিধানের নিয়ম (Chandranath Sinha)

    প্রসঙ্গত, চন্দ্রনাথের বিরুদ্ধে আদালতে আগেই চার্জশিট জমা দিয়েছিলেন ইডির তদন্তকারী আধিকারিকরা। কিন্তু তাতে রাজ্যপালের অনুমোদন না থাকায় আদালতে তা গৃহীত হয়নি। কারণ, সংবিধান অনুযায়ী কোনও মন্ত্রীর বিরুদ্ধে বিচারপ্রক্রিয়া শুরু করতে গেলে রাজ্যপালের সম্মতি জরুরি। এই প্রক্রিয়ার অভাবেই ঝুলে ছিল মামলাটি। শেষমেশ রাজভবনের অনুমোদন মেলায় বুধবার কাটল জট। রাজ্যপালের অনুমোদন মানেই রাজ্যের কারামন্ত্রীর বিরুদ্ধে বিচারপ্রক্রিয়া শুরুর অনুমতি দিলেন রাজ্যপাল। তার পরেই মন্ত্রীকে হাজিরার নির্দেশ আদালতের। জানা গিয়েছে, এই মামলায় ইতিমধ্যেই অভিযুক্ত হিসেবে যুক্ত করা হয়েছে পার্থ চট্টোপাধ্যায়, কুন্তল ঘোষ, সুজয়কৃষ্ণ ভদ্র ওরফে কালীঘাটের কাকু-সহ বেশ কয়েকজনকে। তাই তাঁদেরও এই চার্জশিটের কপি পাঠাতে হবে। কারণ তাঁরাও বিচারপ্রক্রিয়ার মধ্যে রয়েছেন। এবার সেই তালিকায়ই যুক্ত হলেন তৃণমূল নেতা তথা মন্ত্রী চন্দ্রনাথ।

    প্রাথমিক নিয়োগ কেলেঙ্কারি মামলা

    ইডি সূত্রে খবর, রাজ্যের প্রাথমিক নিয়োগ কেলেঙ্কারি মামলার তদন্তে বলাগড়ের তৃণমূলের যুবনেতা (বর্তমানে বহিষ্কৃত) কুন্তল ঘোষের সূত্র ধরে উঠে আসে চন্দ্রনাথের নাম। তাঁর বাড়িতে একাধিকবার তল্লাশি অভিযানও চালিয়েছিল ইডি। এই অভিযানে মন্ত্রীর বাড়ি (Chandranath Sinha) থেকে উদ্ধার হয়েছিল ৪০ লাখ টাকা। কেন্দ্রীয় তদন্তকারী সংস্থা সূত্রে খবর, সেই টাকার কোনও হিসেব দিতে পারেননি মন্ত্রিমশাই। এদিকে, তাঁর অ্যাকাউন্টে থাকা দেড় কোটি টাকা সম্পর্কে ইডির অনুমান, ২০১৬ থেকে ২০২১ সালের মধ্যে এই টাকা জমা পড়েছিল। জানা গিয়েছে, মন্ত্রীর অ্যাকাউন্টে জমা থাকা এই টাকার উৎস কী, সেটাই খতিয়ে দেখতে চাইছেন তদন্তকারীরা। চলতি মাসের শুরুতে কলকাতার বিশেষ সিবিআই আদালতে মন্ত্রীর বিরুদ্ধে চার্জশিট জমা দেন ইডির আধিকারিকরা। তাতেই রাজ্যপালের সিলমোহর পড়ায় মন্ত্রীকে আদালতে আত্মসমর্পণের নির্দেশ।

    দু’-দু’বার ইডির তলব এড়িয়ে গিয়েছিলেন চন্দ্রনাথ

    প্রসঙ্গত, এর (Recruitment Corruption) আগে দু’-দু’বার ইডির তলব এড়িয়ে গিয়েছিলেন চন্দ্রনাথ। দিন কয়েক আগে ইডির তদন্তকারীদের মুখোমুখি হন তিনি। এবার এল আদালতে আত্মসমর্পণের নির্দেশ। মূলত, প্রাথমিক নিয়োগ দুর্নীতি মামলার তদন্ত শুরুর পর থেকেই নানা স্তরে বিপুল পরিমাণ অর্থ লেনদেন, বেআইনি নিয়োগ, সুপারিশ এবং ক্ষমতার (Chandranath Sinha) অপব্যবহারের অভিযোগ উঠে আসে। তদন্তে ইডি এবং সিবিআই নানা সময় বিস্ফোরক তথ্য প্রকাশ্যে আনে। মন্ত্রীর বাড়ি থেকে উদ্ধার হওয়া বিপুল অর্থ নিয়ে ক্ষোভও তৈরি হয় জনমানসে। বিরোধীদের অভিযোগ, পুরো নিয়োগ প্রক্রিয়াই ছিল দুর্নীতিতে ভরা এবং রাজ্যের শাসক দলের একাংশের সক্রিয় মদত ছাড়া এত বড় দুর্নীতি করা সম্ভব ছিল না (Recruitment Corruption)।

    প্রশ্ন হল, পার্থর মতো কারামন্ত্রীরও (Chandranath Sinha) কি ঠাঁই হতে চলেছে গারদের ছোট্ট কুঠুরিতে?

  • Bangladesh Crisis: প্রতিশ্রুতি দিয়েও সাত মাসে কথা রাখেননি ইউনূস! ক্ষোভে ফুঁসছে বাংলাদেশ

    Bangladesh Crisis: প্রতিশ্রুতি দিয়েও সাত মাসে কথা রাখেননি ইউনূস! ক্ষোভে ফুঁসছে বাংলাদেশ

    মাধ্যম নিউজ ডেস্ক: দায়িত্ব নেওয়ার সময় প্রতিশ্রুতি দিয়েছিলেন বাংলাদেশকে (Bangladesh Crisis) উপহার দেবেন দুর্নীতিমুক্ত প্রশাসন। তারপর কেটে গিয়েছে সাত মাস। সেই প্রতিশ্রুতি পূরণে চূড়ান্তভাবে ব্যর্থ হয়েছেন বাংলাদেশের অন্তর্বর্তী সরকারের প্রধান মহম্মদ ইউনূস (Muhammad Yunus)। উল্টে তাঁর ঘনিষ্ঠদের গায়ে লেগেছে দুর্নীতির পাঁক।

    ‘ইউরেশিয়া রিভিউ’য়ের নিবন্ধ (Bangladesh Crisis)

    ‘ইউরেশিয়া রিভিউ’তে আনজুমান-এ-ইসলাম প্রকাশিত একটি নিবন্ধে বলা হয়েছে, ৮ আগস্ট বাংলাদেশের অন্তর্বর্তী সরকারের দায়িত্ব গ্রহণ করার পর নোবেল শান্তি পুরস্কার জয়ী মহম্মদ ইউনূস দুর্নীতি নির্মূল করাকে তাঁর সর্বোচ্চ অগ্রাধিকার হিসেবে ঘোষণা করেছিলেন। তিনি দাবি করেছিলেন, তাঁর মিশন হল রাষ্ট্রীয় ক্ষমতার অপব্যবহার নির্মূল করে নতুন যুগের সূচনা করা এবং বাংলাদেশকে পুনর্গঠিত করা। নিবন্ধে বলা হয়েছে, বস্তুত, ইউনূসের প্রাথমিক ঘোষণা পূরণ হয়নি। উল্টে তাঁর সরকারের উপদেষ্টাদের বিরুদ্ধে দুর্নীতির অভিযোগ উঠেছে।

    অবাধে চলছে নিয়ম লঙ্ঘন

    ওই নিবন্ধে এও উল্লেখ করা হয়েছে, একটি বাংলাদেশি সংবাদপত্রের সাম্প্রতিক প্রতিবেদনে প্রকাশিত হয়েছে যে ইউনূসের বেশ কয়েকজন উপদেষ্টা সরকারি কাজের জন্য নির্ধারিত একাধিক গাড়ি ব্যক্তিগত কাজে ব্যবহার করছেন। এটি নিয়ম বিরুদ্ধ। বাংলাদেশে একজন উপদেষ্টার জন্য শুধুমাত্র একটিই গাড়ি ব্যবহারের অনুমতি রয়েছে। সেই নিয়ম আকছার লঙ্ঘন করেই উপদেষ্টারা ব্যবহার করছেন একাধিক গাড়ি। করদাতাদের অর্থে প্রাপ্ত সম্পদের এই অপব্যবহারে ব্যাপক ক্ষোভের সৃষ্টি হয়েছে বাংলাদেশের অন্দরে।

    ধামাচাপা দেওয়ার চেষ্টা!

    সেখানে আরও বলা হয়েছে, একটি উদ্বেগজনক বিষয় হল ইউনূসের অফিস তাঁর উপদেষ্টাদের এসব নিয়ম-বিরুদ্ধ কার্যকলাপ ধামাচাপা দিতে চেয়েছিল। বিষয়টি চাপাও পড়ে গিয়েছিল। মিথ্যার বেসাতির পর্দা ফাঁস করে ওই সংবাদপত্রটি। ট্রান্সপারেন্সি ইন্টারন্যাশনাল বাংলাদেশ শাখার এক্সিকিউটিভ ডিরেক্টর ইফতেখারুজ্জামান এটিকে জুলাই-আগস্ট বিপ্লবের চেতনার স্পষ্ট লঙ্ঘন বলে অভিহিত করেছেন (Bangladesh Crisis)। ইউনূস নানাভাবে চেয়েছেন বাংলাদেশের জনমানসে একটি ধারণার বীজ রোপণ করতে। সেটি হল, আওয়ামি লিগই দেশের একমাত্র দুর্নীতির উৎস। ইউনূসের এই অভিযোগ ধোপে টেকেনি। উল্টে নোবেল জয়ীর পার্ষদদের কাণ্ডকারখানা এবং রাষ্ট্রীয় ক্ষমতার অপব্যবহারে যারপরনাই ক্ষুব্ধ বাংলাদেশবাসী (Muhammad Yunus)।

    আখের গুছোনোর কাজ শুরু!

    অন্তর্বর্তী সরকারের প্রধান পদে বসে ইউনূস আখের গুছোতে শুরু করেছেন বলেও অভিযোগ। তিনি নিয়ম বিরুদ্ধভাবে তাঁর ও তাঁর সহযোগীদের সঙ্গে যুক্ত বড় ব্যবসায়িক উদ্যোগগুলিকে দ্রুত অনুমোদন দিয়ে দিচ্ছেন বলেও অভিযোগ। দায়িত্ব গ্রহণের মাত্র দু’মাসের মধ্যেই ইউনূসের মাইক্রোক্রেডিট সংস্থা গ্রামীণ ব্যাংককে পাঁচ বছরের জন্য ট্যাক্স-ফ্রি করে দেওয়া হয়। আনজুমানের নিবন্ধে বলা হয়েছে, ইউনূস ও তাঁর পরিবারের সঙ্গে সম্পর্কযুক্ত লোকজনের ব্যবসা প্রতিষ্ঠানগুলিও অনৈতিকভাবে লাভ করেছে সরকারি বদান্যতা। এরকমই একটি অনুমোদনে হাইকোর্টের আগের রায়ের পরোয়া না করে ইউনূসের গ্রামীণ কল্যাণ সংস্থার ৬৬৬ কোটি টাকা কর মকুব করে দেওয়া হয়। এছাড়াও, গ্রামীণ বিশ্ববিদ্যালয় নামের একটি বেসরকারি বিশ্ববিদ্যালয়কে অনুমোদন দেওয়া হয়েছে। অভিযোগ, এই বিশ্ববিদ্যালয় ইউনূস ঘনিষ্ঠদের স্বার্থে কাজ করছে (Bangladesh Crisis)।

    এদিকে, শ্রমিক অধিকার কর্মী, দুর্নীতিবিরোধী প্রচারক এবং আইনজীবীরা ইউনূসের নেতৃত্বে থাকা প্রতিষ্ঠানগুলির বিরুদ্ধে দায়ের করা মামলাগুলি দ্রুত খারিজ হয়ে যাওয়া নিয়ে ইউনূসের নীরবতা সম্পর্কে উদ্বেগ প্রকাশ করেছেন। ৫ আগস্টের (এদিনই প্রধানমন্ত্রী পদে ইস্তফা দিয়ে বাংলাদেশ ছাড়েন শেখ হাসিনা) আগে দায়ের হওয়া এসব মামলা কোনও ব্যাখ্যা ছাড়াই দ্রুত খারিজ করে দেওয়া হয়েছে। যার জেরে ইউনূস প্রশাসনের সততা সম্পর্কে আরও জোরালো সন্দেহ তৈরি হয়েছে।

    দুর্নীতির পর্দা ফাঁস হয়েছে আগেও

    প্রসঙ্গত, এর আগে ইউনূস প্রশাসনের বিরুদ্ধে দুর্নীতির (Muhammad Yunus) পর্দা ফাঁস করেছিল দি এশিয়াপোস্ট নিউজ। এই সংবাদপত্রের একটি প্রতিবেদনে জানানো হয়েছিল, “এই প্রকাশনাগুলি (দুর্নীতি সংক্রান্ত খবর) আরও উদ্বেগ বাড়িয়ে দেয় যে যেসব ব্যক্তি এক সময় ন্যায়বিচার ও গণতন্ত্রের পক্ষে দাঁড়ানোর দাবি করেছিলেন, তাঁরা এখন হয়তো নির্বিচারে দুর্নীতিতে জড়িয়ে পড়েছেন, এবং এই সবই ঘটছে যখন বাংলাদেশ তার ইতিহাসের সবচেয়ে চ্যালেঞ্জিং সময়গুলির একটির মুখোমুখি। এই প্রমাণগুলি বাংলাদেশের ইতিহাসের সবচেয়ে বড় দুর্নীতি কেলেঙ্কারিগুলির একটি প্রকাশ করতে পারে।” প্রতিবেদনটিতে প্রশ্ন তোলা হয়েছিল, “জাতি যখন বেঁচে থাকার জন্য সংগ্রাম করছে, তখন প্রশ্নটি থেকে যায়: ন্যায়বিচার কি প্রতিষ্ঠিত হবে, নাকি যাঁরা ক্ষমতায় আছেন তাঁরা তাঁদের সেই মানুষদের শোষণ করতে থাকবেন যাঁদের রক্ষা করার জন্য তাঁরা একসময় শপথ নিয়েছিলেন (Bangladesh Crisis)?”

    এশিয়াপোস্ট নিউজের তদন্তে (Muhammad Yunus) জানা গিয়েছিল, ‘ছাত্র কর্মী’ সারজিস আলমের কাছে ৭৭.৬ লক্ষ মার্কিন ডলারের একটি বিশাল সম্পদ জমা হয়েছে। এটি এমন একটি সময়ে হয়েছে, যখন জানা যায়নি তাঁর আয়ের কোনও উৎস। বাংলাদেশের অন্তর্বর্তী সরকারের কোনও পদেও নেই তিনি। এই আলমই বারবার ভারতকে হুমকি দিয়েছেন এবং প্রাক্তন প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনাকে বাংলাদেশের হাতে তুলে দেওয়ার দাবি জানিয়েছেন। তাঁর ভারত-বিরোধী বক্তব্যের কারণে, এই ইসলামপন্থীকে জাতীয় নাগরিক কমিটির প্রধান সংগঠক করা হয়েছিল। তিনি বিজয় দিবসে (১৬ ডিসেম্বর ২০২৪) ভারতের প্রধানমন্ত্রী নরেন্দ্র মোদিকে গোপন হুমকিও দিয়েছিলেন (Bangladesh Crisis)।

LinkedIn
Share