Tag: cpm

cpm

  • Bhatar: প্রকাশ্য সভায় বদলার নিদান তৃণমূল বিধায়কের মুখে, বিতর্ক

    Bhatar: প্রকাশ্য সভায় বদলার নিদান তৃণমূল বিধায়কের মুখে, বিতর্ক

    মাধ্যম নিউজ ডেস্ক: নেতাজি ইন্ডোর স্টেডিয়ামের সমাবেশ থেকে তৃণমূল সুপ্রিমো আগেই সুর চড়িয়েছিলেন বিরোধীদের উদ্দেশে। মূলত টার্গেট ছিল বিজেপি। তৃণমূল নেত্রী হুঁশিয়ারি দিয়েছিলেন, ৪ জনের বদলে ৮ জনকে জেলে ঢোকাবেন। এবার সেই সুরেই কার্যত সুর মেলালেন ভাতারের (Bhatar) তৃণমূল বিধায়ক মানগোবিন্দ অধিকারী। তাঁর স্পষ্ট বার্তা, ‘বদল নয়, এবার বদলা চাইব’। তৃণমূল বিধায়কের এই বক্তব্যকে কেন্দ্র করে রাজনৈতিক মহলে জোর চর্চা শুরু হয়েছে।

     ঠিক কী বলেছেন বিধায়ক? (Bhatar)

    ভাতাড়ের সিপিএমের পক্ষ থেকে ইনসাফ যাত্রা করা হয়েছিল। তার পাল্টা হিসাবে শুক্রবার ভাতারের (Bhatar) বিধায়ক মানগোবিন্দ অধিকারীর নেতৃত্বে ভাতারের বলগোনা বাজার থেকে ভাতার বাজার পর্যন্ত একটি পদযাত্রা করা হয়। পদযাত্রা শেষে বক্তব্য রাখতে গিয়ে মানগোবিন্দ অধিকারী বিরোধীদের হুঁশিয়ারি দিয়ে বলেন, ‘আমাদের নেত্রী সেদিন বলে দিয়েছেন, আমাদের চারজনকে জেলে ঢোকালে, আমরা আটজনকে ঢোকাবো। উনি আগে বলেছিলেন বদলা নয়, বদল চাই। কিন্তু এবার বদলা চাইব।’ এরপরেই সিপিএমকে নিশানা করে বিধায়ক বলেন, তোমরা কি করেছো সেটা তো আমরা জানি। এখনকার ১৯ বছরের যুবকরা জানে না তোমরা কি করেছো। কিন্ত, আমরা জানি, সেই হিসাব আমরা চাই।

    বাম আমলে সিপিএমের অত্যাচারের কথা স্মরণ করালেন তৃণমূল বিধায়ক

    ভাতারের (Bhatar) তৃণমূল বিধায়ক বলেন, ২০১০ এর ১০ই জানুয়ারি বনপাস স্কুলের কাছে টোটন মল্লিককে মারা হয়েছিল বোম মেরে। পুলিশের রিপোর্ট অনুযায়ী সে নিজের বোমাতেই নিজে মারা গিয়েছে। এরপর তিনি বলেন, ‘২০১১ সালের ৩০ শে জানুয়ারি তেঁতুলতলায় আমাকে গুলি করা হয়েছিল, তখন পুলিশগুলিটাকে বাজেয়াপ্ত করেছিল। এক পুলিশ অফিসারকে জিজ্ঞেস করেছিলাম গুলিটা কি হল,যেটা বাজেয়াপ্ত করেছিলেন? তিনি বলেছিলেন, বড় সাহেবের নির্দেশে গুলিটা দেখায়নি। ইনসাফ তো আমরা চাই, তোমরা কি চাইবে?’

    বামেদের পাশে লোক দেখে তৃণমূল আতঙ্কিত, সরব সিপিএম নেতৃত্ব

    সিপিএমের রাজ্য কমিটির সদস্য অচিন্ত্য মল্লিক বলেন, ‘বদলার রাজনীতি, স্বৈরাচারী রাজনীতি নিয়ে চলছে, তৃণমূল ভয় পেয়েছে বামেদের পাশে লোক দেখে তাঁরা আতঙ্কিত।’ তাঁর কথায়, ১২ বছর ধরে ইনসাফ চাইতে পারলো না,এখন বলছে ইনসাফ চায়। এসব আর ওদের মানায় না।

     

    দেশের খবরদশের খবরসব খবরসবার আগে পেতে ফলো করুন আমাদের FacebookTwitter এবং Google News পেজ।

  • Suvendu Adhikari: ‘মুসলিমদের ভোট ছাড়া মুখ্যমন্ত্রী হতে পারতেন না’, মমতাকে তোপ শুভেন্দুর

    Suvendu Adhikari: ‘মুসলিমদের ভোট ছাড়া মুখ্যমন্ত্রী হতে পারতেন না’, মমতাকে তোপ শুভেন্দুর

    মাধ্যম নিউজ ডেস্ক: গত কয়েকদিন ধরে নানা টানাপোড়েন চলেছে দক্ষিণ ২৪ পরগনার জয়নগরের এই দলুয়াখাঁকি গ্রামে। ১৩ নভেম্বর তৃণমূল নেতা সইফুদ্দিন লস্কর খুন হন। এই ঘটনার পর বিভিন্ন  রাজনৈতিক দলের নেতৃত্বকে আটকে দেওয়া হয়েছে গ্রামের অনেক আগেই। অবশেষে হাইকোর্টের নির্দেশে গ্রামে ত্রাণ নিয়ে প্রবেশ করার অনুমতি মিলল। বৃহস্পতিবার দুপুর দুটো নাগাদ দলুয়াখাঁকি গ্রামে পৌঁছন রাজ্যের বিরোধী দলনেতা শুভেন্দু অধিকারী (Suvendu Adhikari)। তিনি গ্রামবাসীদের জন্য ত্রাণ নিয়ে যান। ত্রাণ সামগ্রী বিতরণের পাশাপাশি আর্থিক সাহায্য করা হয় গ্রামবাসীদের। গ্রামের মানুষের পাশে থাকার বার্তা দেন তিনি। যারা গ্রামে অসুস্থ রয়েছেন, তাদের চিকিৎসার ব্যবস্থার পাশাপাশি যাদেরকে ফাঁসিয়ে গ্রেফতার করা হয়েছে তাঁদেরও জামিনের ব্যবস্থার আশ্বাস দিয়েছেন রাজ্যের বিরোধী দলনেতা।

    মুসলিমদের ভোট ছাড়া মুখ্যমন্ত্রী হতে পারতেন না, মমতাকে তোপ শুভেন্দুর (Suvendu Adhikari)

    শুভেন্দু (Suvendu Adhikari) বলেন,’ মুসলিমদের ভোট ছাড়া মুখ্যমন্ত্রী হওয়া আপনার বাপের সাধ্যি ছিল না। সেই মুসলমানদের এই প্রতিদান দিলেন। তৃণমূলকে ভোট দেয় না বলে এদের ওপর হামলা হয়েছে। বগটুইয়ের মতো পুড়িয়ে মারার চেষ্টা হয়েছে দলুয়াখাঁকিতে। দিল্লি যাওয়ার আগে জয়নগরে একবার ঘুরে যান না। আপনি বগটুইতে পুড়িয়েছেন মুসলমানদের। আর এখানে মুসলমানদের বাড়ি পুড়িয়েছেন। বগটুইয়ের মতো পরিকল্পিত হামলা হয়েছে, নাহলে পেট্রল আর হাতুড়ি এল কোথায় থেকে। এই গ্রামের মানুষজন বিরোধী দল করেন বলেই পরিকল্পিতভাবে গ্রামের উপরে হামলা চালানো হয়েছে।’

    সিপিএম প্রতিনিধি দল যায় গ্রামে

    বিরোধী দলনেতার আগে এদিন সকালে সিপিএমের প্রতিনিধি দল গ্রামে ত্রাণ নিয়ে যান। ঘর তৈরির জন্য বাঁশ টিন থেকে শুরু করে অন্যান্য ত্রাণ সামগ্রী তুলে দেন গ্রামবাসীদের হাতে। সেই প্রতিনিধি ছিলেন সুজন চক্রবর্তী, কান্তি গঙ্গোপাধ্যায়, সায়ন বন্দ্যোপাধ্যায়ের মত সিপিএম নেতৃত্ব। যদিও সিপিএমের প্রতিনিধি দল গ্রামের প্রবেশ করার মুখে পুলিশের সঙ্গে বচসায় জড়ান। পাঁচজনের বেশি মানুষ গ্রামে প্রবেশ করতে পারবেন না বলে পুলিশের তরফ থেকে জানিয়ে দিলে দু পক্ষের মধ্যে বচসা বাধে। শেষ পর্যন্ত সিপিএমের তরফ থেকে ত্রাণ নিয়ে গ্রামে প্রবেশ করা হয়।

     

    দেশের খবরদশের খবরসব খবরসবার আগে পেতে ফলো করুন আমাদের FacebookTwitter এবং Google News পেজ।

  • Joynagar: জয়নগর কাণ্ডে এবার গ্রেফতার তিন তৃণমূল কর্মী

    Joynagar: জয়নগর কাণ্ডে এবার গ্রেফতার তিন তৃণমূল কর্মী

    মাধ্যম নিউজ ডেস্ক: জয়নগর কাণ্ডে নতুন করে আরও তিনজনকে গ্রেফতার করল পুলিশ। পুলিশ জানিয়েছে, ধৃতদের নাম নজরুল মণ্ডল, আকবর ঢালি এবং আমানুল্লাহ জমাদার। তাঁদের প্রত্যেকের বাড়িই দলুয়াখাকিতে। স্থানীয় সূত্রে খবর, ধৃত তিন জনই এলাকায় তৃণমূল কর্মী হিসাবে পরিচিত। তৃণমূল নেতা খুনের পর গন্ডগোলের ঘটনায় দলীয় কর্মীরা গ্রেফতার হওয়ার ঘটনায় তৃণমূলের দলীয় কোন্দল প্রকাশ্যে চলে এসেছে।

    তৃণমূল নেতা খুনের পরই একজনকে পিটিয়ে খুন করা হয়েছিল

    তৃণমূল নেতা সইফুদ্দিন লস্করকে খুনের মামলার পাশপাশি, ভাঙচুর এবং অগ্নিসংযোগের ঘটনায় আলাদা মামলা রুজু করে পুলিশ। সেই মামলাতেই রবিবার রাতে তিনজনকে গ্রেফতার করেছে পুলিশ। ১৩ নভেম্বর জয়নগরের বামনগাছির পঞ্চায়েতের তৃণমূল নেতা সইফুদ্দিন লস্কর বাড়ি থেকে ঢিলছোড়া দূরত্বে মসজিদ নমাজ পড়তে যাচ্ছিলেন।  মসজিদের সিঁড়িতে সবে পা রেখেছিলেন তিনি। এমন সময়ে তাঁর ঘাড়ে বন্দুক ঠেকিয়ে গুলি চালিয়ে পালায় দুষ্কৃতীরা। গুলির শব্দ শুনে প্রতিবেশীরা বেরিয়ে এসেছিলেন। রক্তাক্ত দেহটি তুলে দৌড়েছিলেন হাসপাতালে। কিন্তু বাঁচানো যায়নি সইফুদ্দিনকে। খুনের পর উত্তপ্ত হয়ে ওঠে দলুয়াখাকি গ্রাম। সইফুদ্দিনকে গুলি করে পালানোর সময় দুর্ঘটনার কবলে পড়ায় দু’জন ধরা পড়ে যান স্থানীয়দের হাতে। অভিযোগ, সাহাবুদ্দিন নামে তাঁদের একজনকে পিটিয়ে খুন করা হয়েছে। অন্য জন, শাহরুল শেখকে জখম অবস্থায় উদ্ধার করে গ্রেফতার করে পুলিশ।

    শাসক দলের নেতা খুনের পরই সিপিএম-তৃণমূল সংঘর্ষ হয়

    তৃণমূল নেতা খুনের ঘটনার পর পরই তৃণমূল এবং সিপিএমের মধ্যে সংঘর্ষ হয়। ২০-২৫ টি বাড়িতে ভাঙচুর এবং লুটপাটের অভিযোগ ওঠে। পরিবারের মহিলাদের মারধর করে হুমকি দেওয়ার অভিযোগ উঠেছে। শুধু তাই নয়, বেছে বেছে শুধুমাত্র সিপিএম কর্মী-সমর্থকদের বাড়িতে ভাঙচুর এবং আগুন লাগিয়ে দেওয়া হয়েছে বলে অভিযোগ ওঠে। খুনের ঘটনায় অন্যতম অভিযুক্ত আনিসুর লস্করকে নদিয়া থেকে গ্রেফতার করা হয়। এছাড়াও কামালউদ্দিন ঢালি নামে আরও একজনকে গ্রেফতার করা হয়েছিল। এবার জয়নগরের দলুয়াখাকিতে ঘরবাড়ি ভাঙচুর এবং অগ্নিসংযোগের ঘটনার প্রায় এক সপ্তাহ পর তিন অভিযুক্তকে গ্রেফতার করল পুলিশ।

     

    দেশের খবরদশের খবরসব খবরসবার আগে পেতে ফলো করুন আমাদের FacebookTwitter এবং Google News পেজ।

  • Jaynagar: জয়নগরে তৃণমূল নেতা খুনে নদিয়া থেকে গ্রেফতার ‘মাস্টারমাইন্ড’

    Jaynagar: জয়নগরে তৃণমূল নেতা খুনে নদিয়া থেকে গ্রেফতার ‘মাস্টারমাইন্ড’

    মাধ্যম নিউজ ডেস্ক: দক্ষিণ ২৪ পরগনার জয়নগরে (Jaynagar) তৃণমূল নেতা খুনের ঘটনার সময় যত গড়িয়েছে ততই পরিষ্কার হয়ে উঠছে এই খুনের কারণ। গত সোমবার বাড়ির কাছেই খুন হন তৃণমূল নেতা সইফুদ্দিন। এরপর থেকেই অগ্নিগর্ভ পরিস্থিতির সৃষ্টি হয় জয়নগর এলাকায়। তবে নেতা খুনের ঘটনায় দলুয়াখাঁকির যোগ রয়েছে বলে এখনও পর্যন্ত তদন্তে এমনটাই উঠে এসেছে। এই গোটা ঘটনার মাস্টারমাইন্ড ছিলেন আনিসুর লস্কর এমনটাই পুলিশ সূত্রে দাবি। মৃত তৃণমূল নেতার পরিবারের পক্ষ থেকে যে এফআইআর করা হয়েছিল তাতে নাম আছে তার। তাঁর বাড়ি দলুয়াখাঁকি এলাকায়। তিনি এলাকায় সিপিএম কর্মী হিসেবে পরিচিত। নদিয়া থেকে তাঁকে গ্রেফতার করল পুলিশ। সেখানেই তিনি গা ঢাকা দিয়েছিলেন।

    কেন খুন করা হল সইফুদ্দিনকে? (Jaynagar)

    পুলিশি তদন্তে উঠে এসেছে, সুপারি কিলার দিয়েই জয়নগরে (Jaynagar) তৃণমূল নেতাকে খুনের পরিকল্পনা করা হয়েছিল। তাই, সবকিছুই পরিকল্পনা মতো হয়েছিল। কারণ হিসেবে উঠে আসছে দুটি তথ্য- ১) ক্রমশ এলাকায় সইফুদ্দিন শেষ কথা হয়ে উঠেছিলেন। এমনকী তিনি শাসকদলের নেতা হওয়ায় এলাকায় বিরাট অট্টালিকা থেকে শুরু করে প্রচুর টাকা-পয়সা করে ফেলেছিলেন। ২) একটি জায়গা নিয়ে দীর্ঘদিন ধরেই তাদের ঝামেলা চলছিল। এমনকী পারিবারিক বিবাদও ছিল দীর্ঘদিনের। এমনটাই মনে করছে পুলিশ। প্রায় ১ লক্ষ টাকা সুপারি দেওয়া হয়েছিল। তবে এই গোটা বিষয় নিয়ে ইতিমধ্যেই জয়নগর, বকুলতলা, কুলতলি, বারুইপুর, মন্দিরবাজার পুলিশ অফিসারদের সতর্ক থাকতে বলা হয়েছে। এমনকী একটি স্পেশাল পুলিশ টিমও গঠন করা হয়েছে। টিমের মাথায় রয়েছেন পুলিশ সুপার পলাশচন্দ্র ঢালি, অতিরিক্ত পুলিশ সুপার পার্থ ঘোষ।

    খুন কাণ্ডে বড় ভাইয়ের নাম সামনে আসছে, কে সে?

    এই ঘটনায় এখনও পর্যন্ত ধৃত সাহারুল লস্করকে জিজ্ঞাসাবাদে যে বড় ভাইয়ের নাম উঠে এসেছে, সেই বড় ভাই কে তা এখনও স্পষ্ট নয়। এখনও পর্যন্ত জয়নগর (Jaynagar) খুন কাণ্ডে পুলিশের সামনে নাসির হালদার এবং আলাউদ্দিন নামে দুজনের নাম সামনে এসেছে। এই আলাউদ্দিন নাকি নাসির বড় ভাই, তা এখনও পর্যন্ত  পুলিশ তা জানতে পারেনি। তবে, দুজনের বাড়ি মন্দিরবাজার থানার টেকপাঁজা এলাকায় বলে জানা গেছে। পাশাপাশি ধৃত সাহারুল ঘটনার পর চালতাবেড়িয়ার বাসিন্দা মোতালেফ নামে যে ব্যক্তির বাড়িতে আত্মগোপন করেছিল তিনিও এলাকায় সিপিএম কর্মী বলেই পরিচিত। তবে, ঘটনার পর থেকে সবাই ঘরছাড়া রয়েছে। ইতিমধ্যেই পুলিশ তদন্তে নেমে জানতে পেরেছে, এরা একদিকে যেমন সিপিএম কর্মী বা সমর্থক বলে এলাকায় পরিচিত ছিল, ঠিক তেমনি কেউ দর্জির কাজ, আবার কেউবা ফেরির কাজের সঙ্গে যুক্ত ছিল। তবে এই ঘটনায় যে সমস্ত অভিযুক্তের নাম উঠে আসছে তা তাদের সঠিক নাম কিনা তা ইতিমধ্যেই তদন্ত শুরু করেছে পুলিশ। অন্যদিকে রাজনৈতিক প্রতিহিংসা নাকি পারিবারিক শত্রুতার কারণে খুন করা হয়েছে সইফুদ্দিনকে গোটা বিষয়ের তদন্ত শুরু করেছে পুলিশ।

     

    দেশের খবরদশের খবরসব খবরসবার আগে পেতে ফলো করুন আমাদের FacebookTwitter এবং Google News পেজ।

  • Sodepur: এ কী কাণ্ড! সোদপুরে একসঙ্গে ঝান্ডা হাতে আন্দোলনে সিপিএম-তৃণমূল, হতবাক এলাকাবাসী

    Sodepur: এ কী কাণ্ড! সোদপুরে একসঙ্গে ঝান্ডা হাতে আন্দোলনে সিপিএম-তৃণমূল, হতবাক এলাকাবাসী

    মাধ্যম নিউজ ডেস্ক: হুগলি জেলাজুড়ে ‘ইন্ডিয়া’ জোটের হোর্ডিং ঘিরে রাজনৈতিক মহলে চাঞ্চল্য ছড়িয়ে পড়েছিল। হোর্ডিংয়ে একসঙ্গে মমতা-অধীর, অভিষেক-সুজনের ছবি। তৃণমূল এবং সিপিএম নেতৃত্ব এই হোর্ডিংয়ের দায় নিতে অস্বীকার করেছেন। কারণ, রাজ্যে সিপিএমের মূল শত্রু তৃণমূল এবং বিজেপি। সেখানে তৃণমূলের শীর্ষ নেতা-নেত্রীর সঙ্গে দলের রাজ্য নেতাদের ছবি থাকায় সিপিএম নেতৃত্ব অস্বস্তিতে পড়ে হোর্ডিং ছিঁড়ে ফেলার নিদান দিয়েছে কর্মীদের। সেই ঘটনার জের মিটতে না মিটতে এবার বারাকপুরের সোদপুর (Sodepur) স্টেশনে রেল হকারদের উচ্ছেদের প্রতিবাদে রাজ্যের দুই যুযুধান প্রতিপক্ষ তৃণমূল ও সিপিএমের শ্রমিক সংগঠন রেলের সিদ্ধান্তের বিরুদ্ধে একসঙ্গে মিছিল করল। সোদপুর প্ল্যাটফর্মে তৃণমূল সিপিএমের একসঙ্গে ঝান্ডা নিয়ে এই প্রতিবাদের ঘটনা দেখে হতবাক নিত্যযাত্রী থেকে সকল রেলযাত্রী।

    কেন আন্দোলন? (Sodepur)

    তৃণমূল এবং সিপিএম দুই দলেরই শ্রমিক সংগঠনের কর্মী সমর্থকরা সোদপুরে (Sodepur) একসঙ্গে দলীয় ঝান্ডা এবং ব্যানার হাতে স্টেশন চত্বরে প্রতিবাদ মিছিল করেন। যা নিয়ে রীতিমতো চর্চা শুরু হয়েছে। কেন্দ্রের বিরুদ্ধে লড়াইয়ে নিচু তলায় সিপিএম এবং তৃণমূলকর্মীরা যে কাছাকাছি আসতে পারেন এই ঘটনাই চোখে আঙুল দিয়ে দেখিয়ে দিল। ‘ইন্ডিয়া’ জোটে তৃণমূল থাকায় সিপিএম সমন্বয় কমিটিতে থাকল না, অথচ সোদপুর রেল স্টেশনের হকার ইউনিয়নের সিপিএম কর্মীরা তৃণমূলের সঙ্গে কাঁধে কাঁধ মিলিয়ে রেলের বিরুদ্ধে স্লোগান দিলেন, মিছিল করলেন। দুপক্ষই একসঙ্গে রেলের বিরুদ্ধে রীতিমতো জেহাদ ঘোষণা করলেন। প্রসঙ্গত, শিয়ালদা মেন লাইনের প্রত্যেকটি রেল স্টেশনে বহুবার হকার উচ্ছেদের নোটিশ দিয়েছে রেল কর্তৃপক্ষ। কয়েকটি জায়গায় রেল পুলিশ অভিযানও চালিয়েছে। এছাড়াও পুনর্বাসন না দিয়ে উচ্ছেদ করা যাবে না, এটা জানিয়ে লাগাতার স্টেশন গুলিতে আন্দোলনও চালিয়েছে রাজনৈতিক দলগুলির শ্রমিক সংগঠন। তৃণমূলের পক্ষ থেকে পরিষ্কার বলে দেওয়া হয়েছে, সুষ্ঠু পুনর্বাসন ছাড়া উচ্ছেদ করা যাবে না। একই দাবিতে সোদপুর রেলস্টেশনে প্রতিবাদ মিছিল হয়। কিন্তু, সেই মিছিল রাজ্য রাজনীতির এক বিরল চিত্র দেখা যায়।

    কী বললেন সিপিএম নেতৃত্ব?

    শাসক বিরোধী একসঙ্গেই মিছিল করেছেন বলেই কার্যত স্বীকার করে নেয় উত্তর ২৪ পরগনা জেলার সিটুর নেত্রী গার্গী চট্টোপাধ্যায়। তিনি বলেন, অনেক ক্ষেত্রেই শ্রমিক সংগঠন একসঙ্গে প্রতিবাদ করে। যেভাবে রেলস্টেশন থেকে হকারদের উচ্ছেদ করে দেওয়া হচ্ছে তার প্রতিবাদে এবং হকাররা নিজেদের রুটি রুজির দাবিতে এক হয়ে প্রতিবাদ জানিয়েছে। তাই অনেক রকম ঝান্ডা থাকতে পারে।

    কী বললেন তৃণমূল নেতৃত্ব?

    এই প্রসঙ্গে বারাকপুর দমদম সাংগঠনিক জেলা আইএনটিটিইউসি সভাপতি সোমনাথ শ্যাম বলেন, সোদপুরে (Sodepur) প্রতিবাদ কর্মসূচি আমাদের পূর্ব ঘোষিত ছিল। সেই অনুযায়ী হকারদের স্বার্থে আইএনটিটিইউসি একাধিক দাবি নিয়ে মিছিল করেছে। অন্য রাজনৈতিক দলের শ্রমিক সংগঠনও একইদিনে একইস্থানে মিছিল করেছে। এখানে একসঙ্গে রাজনৈতিক কর্মসূচি করার কোন ব্যাপার নেই।

     

    দেশের খবরদশের খবরসব খবরসবার আগে পেতে ফলো করুন আমাদের FacebookTwitter এবং Google News পেজ।

  • Hooghly: ‘মমতা-সুজন-অধীর-অভিষেক-সেলিম’ এক ব্যানারে, হুগলিজুড়ে পোস্টারে চাঞ্চল্য

    Hooghly: ‘মমতা-সুজন-অধীর-অভিষেক-সেলিম’ এক ব্যানারে, হুগলিজুড়ে পোস্টারে চাঞ্চল্য

    মাধ্যম নিউজ ডেস্ক: সামান্য একটি রাজনৈতিক নেতাদের ছবি সহ ব্যানার। আর সেই ব্যানার নিয়ে তোলপাড়় হুগলি (Hooghly) জেলার রাজনীতি। জেলার একাধিক প্রান্তেই ওই ব্যানার কে বা কারা টাঙিয়েছে। আর সেই ব্যানারকে কেন্দ্র করে রাজনৈতিক মহলে চর্চা শুরু হয়েছে।

    কী রয়েছে ব্যানারে? (Hooghly)  

    লোকসভা নির্বাচনে বিজেপির বিরুদ্ধে লড়াই করতে বিরোধীরা ইন্ডিয়া জোট গড়ে তোলার উদ্যোগ গ্রহণ করেছে। তবে, সেই জোটের স্লোগান, ব্যানার, ফেস্টুন, প্রচারের ইস্যু কী হবে তা কিছুই ঠিক হয়নি। ব্যানারে কাদের ছবি ব্যবহার করা হবে, কাদের হবে না সেই বিষয়ে কোনও স্পষ্ট কোনও বার্তা নেই। এরমধ্যেই হুগলি (Hooghly)  জেলায় একটি ব্যানারে দেখা গেল, এক ফ্রেমের মধ্যে মমতা- অভিষেক-সনিয়া-রাহুল-সেলিম-সুজন সকলের মুখ একসঙ্গে শোভা পাচ্ছে ব্যানারে। বাংলার রাজনীতিতে এমন ছবি বিরল। তৃণমূল-বাম-কংগ্রেস সব দলের নেতাদের মুখ একসঙ্গে। এক ব্যানারে। শুধু তাই নয়, একই ব্যানারে লেখা রয়েছে ‘ইনক্লাব’, ‘জয় বাংলা’ ধ্বনিও। বিজেপির বিরুদ্ধে লড়াইয়ে ‘ইন্ডিয়া’ জোটে সামিল হওয়ার ডাক দেওয়া হয়েছে সেখানে। হুগলি জেলার বিভিন্ন জায়গায় এমন ব্যানার লাগানো হয়েছে। চাঁপদানী, ভদ্রেশ্বর, পোলবা-সহ অনেক জায়গায় দেখা গিয়েছে মমতা-সেলিম- অধীরদের ছবি নিয়ে এই ব্যানার। কিন্তু কারা ছড়াল এসব? ব্যানার দেখে তা বোঝার উপায় নেই। কারণ, কোনও দল বা কোনও সংগঠনের নাম সেখানে উল্লেখ নেই। শুধু ইন্ডিয়ার সমর্থনে প্রচার করা হয়েছে।

    ব্যানার নিয়ে শুরু হয়েছে রাজনৈতিক তরজা

    কোনও রাজনৈতিক দলই ব্যানার লাগানোর দায় নিচ্ছে না। তৃণমূলের হুগলি (Hooghly) জেলা সভাপতি অরিন্দম গুঁইন বলছেন, ইন্ডিয়া জোট শক্তিশালী হোক, এটা আমরা সবাই চাই। বিজেপিকে আটকাতে হলে ইন্ডিয়া জোটকে শক্তিশালী করতে হবে। তবে, এই পোস্টার বা ব্যানার কারা লাগাচ্ছে, সেটা আমাদের জানা নেই। আমাদের দলের কেউ করেনি এটা বলতে পারি। ইন্ডিয়া জোটের সমর্থনে এই পোস্টারের দায় নিতে নারাজ বামেরাও। সিপিএম জেলা সম্পাদক দেবব্রত ঘোষ বলছেন, আমাদের নেতৃত্বের অনুমতি ছাড়া ছবি ব্যবহার করা হয়েছে। আমাদের কর্মীদের নির্দেশ দিয়েছি, যেখানে এই ধরনের পোস্টার দেখবে, যেন সেগুলি ছিঁড়ে দেওয়া হয়। কংগ্রেসের হুগলি জেলা সহ সভাপতি দেবব্ৰত চট্টোপাধ্যায় বলেন, ইন্ডিয়া জোট হওয়ার পর বিজেপি ভয় পেয়ে গিয়েছে। যাতে এই সমঝোতা ভেঙে যায়, সেই চেষ্টা করছে বিজেপি। সিপিএম ও কংগ্রেস কর্মীদের বিভ্রান্ত করে নিজেদের হাত শক্ত করার চেষ্টা করছে বিজেপি। বিভিন্ন জায়গায় পোস্টার লাগাচ্ছে।

    কী বললেন বিজেপি নেতৃত্ব?

    এদিকে ব্যানার বিতর্কে বিজেপি আবার খোঁচা দিতে শুরু করেছে তৃণমূল-সিপিএম-কংগ্রেসকে। পদ্ম শিবিরের হুগলি (Hooghly)  সাংগঠনিক জেলার সাধারণ সম্পাদক সুরেশ সাউ বলছেন, বেঙ্গালুরুতে যখন এদের শীর্ষ নেতৃত্বরা বৈঠক করেছিল, তখনই রাজ্যের মানুষের কাছে এদের আসল ছবি পরিস্কার হয়ে গিয়েছিল। এদের দিল্লিতে একরকম মুখোশ, পশ্চিমবঙ্গে আরেকরকম মুখোশ। এই ব্যানার নিয়ে সাধারণ মানুষের এতটুকু মাথাব্যথা নেই।

     

    দেশের খবরদশের খবরসব খবরসবার আগে পেতে ফলো করুন আমাদের FacebookTwitter এবং Google News পেজ।

  • Dhupguri: ইন্ডিয়া জোটের বৈঠকের দিনই ধূপগুড়িতে তৃণমূলকে তুলোধোনা কং-বাম নেতৃত্বের

    Dhupguri: ইন্ডিয়া জোটের বৈঠকের দিনই ধূপগুড়িতে তৃণমূলকে তুলোধোনা কং-বাম নেতৃত্বের

    মাধ্যম নিউজ ডেস্ক: একদিকে বিজেপির বিরুদ্ধে মুম্বইয়ে ইন্ডিয়া জোটের বৈঠক হচ্ছে। সেই বৈঠকে তৃণমূল, কংগ্রেস, বাম নেতৃত্ব সহ সকলেই জোট বেঁধে বিজেপির বিরুদ্ধে লড়াই করার রূপরেখা তৈরি করছে। ঠিক সেই সময় ধূপগুড়ি (Dhupguri) উপনির্বাচনে তৃণমূলের বিরুদ্ধে তেড়ে ফুড়ে নামল কংগ্রেস ও বামফ্রন্ট। ফলে,কেন্দ্রে ইন্ডিয়া জোটের গ্রহণযোগ্যতা নিয়ে প্রশ্ন তুলেছেন ধূপগুড়়ির বাসিন্দারা।

    কেন্দ্রের জোট শরিক তৃণমূলকে নিয়ে কী বললেন কং-বাম নেতৃত্ব?

    শুক্রবার ধূপগুড়ির (Dhupguri) উপনির্বাচনে কংগ্রেসের রাজ্য সভাপতি তথা কেন্দ্রের বিরোধী দলনেতা অধীর চৌধুরী এবং সি পি আই এমের রাজ্য সাধারণ সম্পাদক মহ:সেলিম এক মঞ্চে বাম প্রার্থীর হয়ে প্রচার সভা করেন। ধূপগুড়ি ডাকবাংলো মাঠে শুক্রবার তাঁরা একই মঞ্চে উপস্থিত ছিলেন। এদিন প্রথমে অধীর চৌধুরী বক্তব্য দিতে উঠেই কড়া ভাষায় আক্রমণ করে বলেন, তৃণমূল গোটা রাজ্য জুড়ে লুট করে চলেছে। একদিকে কয়লা, গরু, বালি পাচারের টাকা খাচ্ছে, এর পাশাপাশি চাকরিও চুরি করছে। পঞ্চায়েত নির্বাচনে সন্ত্রাস চালিয়েছে। ভোটের আগে সন্ত্রাস, ভোটের মনোনয়নে সন্ত্রাস,ভোটের দিন সন্ত্রাস,ভোটের পরেও সন্ত্রাস করেছে বলে অভিযোগ করেছেন অধীর চৌধুরী। একই সুর শোনা যায় মহ: সেলিমের গলায়। তাঁর বক্তব্যের মূল নিশানা ছিল তৃণমূল কংগ্রেস। এদিন তিনি মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়কে উদ্দেশ্য করে বলেন, তিনিই চোরেদের সর্দার। গোটা রাজ্য জুড়েই তারা সব টাকা লুটে পুটে খাচ্ছে। বিভিন্ন প্রকল্পের টাকা তারা লুটে পুটে নিয়ে সাধারণ মানুষকে সব কিছু থেকে বঞ্চিত করছে।

    কী বললেন বিজেপি নেতৃত্ব?

    এই জোট প্রসঙ্গে বিজেপির জলপাইগুড়ির জেলা সাধারণ সম্পাদক শ্যাম প্রাসাদ বলেন, এই জোট শিয়ালের জোট। তারা এই ইন্ডিয়া জোটকে শিয়ালের জোট হিসেবেই দেখছেন। কারণ, এক শিয়াল যখন চুরি করার জন্য হুক্কা হুয়া ডাকে তখন অন্য শিয়ালরাও হুক্কা হুয়া করে। এরা নিজেদের স্বার্থ চরিতার্থ করার জন্য এই জোট করছে। মানুষের সেবার জন্য নয়। এরা শুধু মানুষের রক্ত চোষার জন্য এই জোটে সামিল হয়েছে

    ইন্ডিয়া জোট নিয়ে একী বললেন সিপিএম নেতৃত্ব?

    এদিন মহ:সেলিমকে ইন্ডিয়া জোট নিয়ে প্রশ্ন করা হলে তিনি কিছুটা বিরক্ত বোধ করে বলেন মুম্বইয়ের কথা মুম্বাই থেকে শুনবেন। ধূপগুড়ির (Dhupguri) বিষয় ধূপগুড়িতে হবে। এই মঞ্চে ইন্ডিয়া জোট বা বৈঠক নিয়ে কোনও কথাই বলতে রাজি হন নি। এক কথায় এই প্রাশ্ন এড়িয়ে গিয়ে বলেন, রাজ্যের বিষয়টি একেবারেই আলাদা। এর সঙ্গে ইন্ডিয়া জোটের কোনও সম্পর্ক নেই। রাজ্যের বিষয় রাজ্যেই হবে।

     

    দেশের খবরদশের খবরসব খবরসবার আগে পেতে ফলো করুন আমাদের FacebookTwitter এবং Google News পেজ।

  • Panchayat Board: খেজুরিতে বোর্ড গঠনে বোমাবাজি, গুলিবিদ্ধ ৩ বিজেপি কর্মী, অভিযুক্ত তৃণমূল

    Panchayat Board: খেজুরিতে বোর্ড গঠনে বোমাবাজি, গুলিবিদ্ধ ৩ বিজেপি কর্মী, অভিযুক্ত তৃণমূল

    মাধ্যম নিউজ ডেস্ক: পূর্ব মেদিনীপুরের খেজুরি-২ ব্লকের নিজ কসবা এলাকায় পঞ্চায়েতে বোর্ড (Panchayat Board) গঠনকে কেন্দ্র করে এলাকা রণক্ষেত্রের চেহারা নেয়। বিজেপির জয়ী প্রার্থী সহ দলীয় কর্মী সমর্থকদের লক্ষ্য করে ব্যাপক বোমাবাজি এবং গুলি চালানোর অভিযোগ ওঠে তৃণমূল আশ্রিত দুষ্কৃতীদের বিরুদ্ধে। তিনজন বিজেপি কর্মী গুলিবিদ্ধ হন বলে অভিযোগ। পরিস্থিতি সামাল দিতে এসে গণ্ডগোলের মধ্যে পড়ে একাধিক পুলিশ কর্মী জখম হন।

    ঠিক কী ঘটনা ঘটেছে?

    নিজ কসবা গ্রাম পঞ্চায়েতে মোট আসন সংখ্যা ২৮টি। তারমধ্যে তৃণমূল পেয়েছে ১২টি আসন। আর বিজেপি পেয়েছে ১৬টি আসন। বৃহস্পতিবার এই পঞ্চায়েতে বোর্ড (Panchayat Board) গঠনের দিন ধার্য করা হয়। সেই মতো বিজেপি এবং তৃণমূলের জয়ী প্রার্থীরা দলীয় কর্মী সমর্থকদের সঙ্গে পঞ্চায়েত অফিসের সামনে জমায়েত হন। উত্তরদিকে তৃণমূল কর্মীরা জমায়েত হন। আর দক্ষিণদিকে জমায়েত হন বিজেপি কর্মীরা। প্রথমে দুই দলের কর্মীদের নিয়ে বচসা শুরু হয়। সেটা বাড়তে বাড়তে দুপক্ষের মধ্যে হাতাহাতি শুরু হয়। পরে,  পঞ্চায়েত অফিসের সামনে ব্যাপক বোমাবাজি করা হয়। চলে গুলিও। বিজেপির জয়ী প্রার্থীর স্বামী সহ তিনজন গুলিবিদ্ধ হন। ঘটনাস্থলে পুলিশ মোতায়েন থাকায় পরিস্থিতি সামাল দিতে গিয়ে পুলিশ কর্মীও জখম হন। পরে, ভোটাভুটিতে বিজেপি বোর্ড গঠন করে। বিজেপির জয়ী সদস্য মৌসুমী মণ্ডল প্রধান নির্বাচিত হন।

    কী বললেন বিজেপি নেতৃত্ব?

    বিজেপি বিধায়ক শান্তনু প্রামাণিক বলেন, তৃণমূলই এদিন জমায়েত করে এলাকায় সন্ত্রাস করেছে। আমাদের কর্মীদের উপর হামলা চালিয়েছে। ৩ জন কর্মী আমাদের গুলিবিদ্ধ হয়েছে। আমরা  হামলাকারীদের গ্রেফতারের দাবি জানাচ্ছি। আহত তিন বিজেপি কর্মীকে শিল্যাবেড়িয়া প্রাথমিক স্বাস্থ্য কেন্দ্রের নিয়ে যাওয়া হয়েছে। পরিস্থিতি নিয়ন্ত্রণে আনতে এলাকায় মোতায়ন করা হয়েছে বিরাট পুলিশ বাহিনী। জখম একাধিক পুলিশ কর্মীকে জনকা প্রাথমিক স্বাস্থ্য কেন্দ্রে নিয়ে যাওয়া হয়েছে।

    কী বললেন তৃণমূল নেতৃত্ব?

    তৃণমূলের কাঁথি সাংগঠনিক জেলার সহ সভাপতি দেবাশিস দাস বলেন, বোর্ড (Panchayat Board) গঠনের দিনে বিজেপি গণ্ডগোল পাকানোর জন্য ব্যাপক জমায়েত করেছিল। ওরাই এলাকায় বোমাবাজি, গুলি চালিয়েছে। এই ঘটনার সঙ্গে তৃণমূল কোনওভাবেই যুক্ত নয়।

    হুগলির ফুরফুরায় পঞ্চায়েত বোর্ড গঠন ঘিরে বোমাবাজি

    হুগলির জাঙ্গিপাড়ার ফুরফুরায় পঞ্চায়েত বোর্ড (Panchayat Board)  গঠন ঘিরে ব্যাপক উত্তেজনা দেখা দেয়। জানা গিয়েছে, ফুরফুরার পঞ্চায়েত গেটে তালা ঝোলানো ছিল। আইএসএফ এই তালা দিয়েছে বলে অভিযোগ। পুলিশ তালা খুলতে গেলে পুলিশকে লক্ষ্য করে ইট ছোঁড়া হয়। পরে, বোমাবাজি করার অভিযোগ ওঠে। পরিস্থিতি নিয়ন্ত্রণে আনতে কাঁদানে গ্যাসের সেল ফাটানো হয়। আইএসএফের অভিযোগ, এই পঞ্চায়েতে আইএসএফ জয়ী হয়েছে। তৃণমূল দাবি করছে তারা জয়ী হয়েছে। বিষয়টি আদালতে বিচারাধীন রয়েছে। এই অবস্থায় বোর্ড গঠন করা ঠিক নয়। তৃণমূল নেতৃত্বের বক্তব্য, আইএসএফ এলাকায় সন্ত্রাসের বাতাবরণ তৈরি করে রেখেছে।

     

    দেশের খবরদশের খবরসব খবরসবার আগে পেতে ফলো করুন আমাদের FacebookTwitter এবং Google News পেজ।

  • BJP: সিপিএমের সঙ্গে আঁতাত! লজ্জা ও ঘৃণায় তৃণমূলের প্রথম নির্বাচিত পঞ্চায়েত প্রধান বিজেপিতে

    BJP: সিপিএমের সঙ্গে আঁতাত! লজ্জা ও ঘৃণায় তৃণমূলের প্রথম নির্বাচিত পঞ্চায়েত প্রধান বিজেপিতে

    মাধ্যম নিউজ ডেস্ক: কেন্দ্রে সিপিএম, কংগ্রেস এবং তৃণমূলের আঁতাত দেখে লজ্জায় এবং ঘৃণায় তৃণমূল ছেড়ে বিজেপিতে (BJP) যোগদান করলেন রাজ্যের প্রথম তৃণমূলের নির্বাচিত পঞ্চায়েত প্রধান স্বপন সান্যাল। এদিন জেলা সভাপতি ও বিজেপি নেতা জয় ব্যানার্জির উপস্থিতিতে পতাকা হাতে তুলে নেন তিনি। ১৯৯৮ সালে শান্তিপুর ব্লকের ফুলিয়া টাউনশিপ গ্রাম পঞ্চায়েতের প্রথম তৃণমূলের নির্বাচিত প্রধান ছিলেন তিনি। উল্লেখ্য, ২১ শে জুলাই নিহতদের শ্রদ্ধা জানিয়ে কলকাতার ধর্মতলায় ঐতিহাসিক জন সমাবেশ করেছে তৃণমূল কংগ্রেস। আর সেই দিন যাদের অত্যাচারে তাঁরা শহিদ হয়েছিলেন, রাজ্যের বাইরে গিয়ে তাদের সঙ্গেই জোটবদ্ধ হচ্ছে তৃণমূল কংগ্রেস। সেই লজ্জা আর ঘৃণাতেই এবার তৃণমূল ছাড়ার সিদ্ধান্ত নেন তিনি।

    কোথায় যোগদান করলেন বিজেপিতে (BJP)?

    এদিন একুশে জুলাই উপলক্ষে তৃণমূল  একদিকে যখন জনসভা করছে, ঠিক তার উল্টোদিকে গোটা রাজ্য জুড়ে ব্লক অফিসে বিক্ষোভ সমাবেশ কর্মসূচি পালন করছে বিজেপি (BJP)। সেই মতো নদিয়ার শান্তিপুর ব্লকের ফুলিয়া বিডিও অফিসের কিছুটা দূরে মঞ্চ বেঁধে বিক্ষোভ সমাবেশ করতে দেখা যায় বিজেপিকে। সেখানেই নীল-সাদা পতাকা ছেড়ে গেরুয়া পতাকা হাতে তুলে নেন পোড় খাওয়া তৃণমূলের এই প্রবীণ নেতা।

    কী বললেন প্রাক্তন তৃণমূল প্রধান?

    এ বিষয়ে প্রাক্তন তৃণমূল প্রধান স্বপন সান্যাল বলেন, যাদের অত্যাচারে আজ এই শহিদ দিবস পালন হচ্ছে, তাদের সঙ্গেই তৃণমূল জোটবদ্ধ হচ্ছে। আমি এই রাজ্যের প্রথম তৃণমূল কংগ্রেসের প্রধান ছিলাম। আমি স্বপ্ন দেখেছিলাম আমার পঞ্চায়েতটিকে মডেল হিসাবে তৈরি করব। কিন্তু দুর্ভাগ্য বিজেপিকে হারানোর জন্য সব নীতিবোধ বিসর্জন দিয়ে চিরশত্রুদের সঙ্গেই তিনি জোটবদ্ধ হয়েছেন। সেই কারণেই আমি আজ বিজেপিতে (BJP) যোগদান করলাম। 

    উল্লেখ্য, কয়েক দিন আগেই সিপিএমের এক পরিবার তৃণমূলের হামলা নিয়ে একই ধরনের প্রতিক্রিয়া দিয়েছিল। তাঁরাও মমতার পদক্ষেপের ব্যাপারে ক্ষোভ এবং ঘৃণাই উগরে দিয়েছিলেন।

     

    দেশের খবর, দশের খবর, সব খবর, সবার আগে পেতে ফলো করুন আমাদের FacebookTwitter এবং Google News পেজ।

  • Murshidabad: এবার তৃণমূল কর্মীর বাড়িতে বোমাবাজি, আতঙ্কে মহিলারা, কাঠগড়ায় সিপিএম

    Murshidabad: এবার তৃণমূল কর্মীর বাড়িতে বোমাবাজি, আতঙ্কে মহিলারা, কাঠগড়ায় সিপিএম

    মাধ্যম নিউজ ডেস্ক: মুর্শিদাবাদের ধুলাউড়ি (Murshidabad) অঞ্চলের যুব তৃণমূল কংগ্রেস সভাপতির বাড়িতে বোমা বিস্ফোরণ ঘটানোর অভিযোগ উঠল সিপিএমের বিরুদ্ধে। মঙ্গলবার রাত ১০ টার দিকে তুলসীপুর গ্রামে ধুলাউড়ি অঞ্চল তৃণমূল কংগ্রেসের যুব সভাপতি আঞ্জারুলের বাড়িতে বোমা বিস্ফোরণ হয় বলে জানা গেছে। পরপর তিনটি বোমা বিস্ফোরণ হয়। বাড়ির লোকজন ঘটনায় ভীষণ আতঙ্কিত হয়ে পড়েছেন।

    কীভাবে বোমা বিস্ফোরণ হল (Murshidabad)?

    তৃণমূল কংগ্রেসের সমর্থক হওয়ায়, তাঁর বাড়ি (Murshidabad) লক্ষ্য করে বোমা মারে দুষ্কৃতীরা। এরপর সেই ঘটনার পরিপ্রেক্ষিতে আঞ্জারুল, সিপিএমের দুষ্কৃতীদের বিরুদ্ধে থানায় অভিযোগ দায়ের করেছেন। পুলিশ সরজমিনে গিয়ে তদন্ত শুরু করে দেখে, কে বা কারা এই বোমা বিস্ফোরণের পিছনে রয়েছে। যদিও ওই অভিযোগ অস্বীকার করেছেন সিপিএম নেতৃত্ব। তাঁদের দাবি, ভোটের দিন থেকেই  তৃণমূল কংগ্রেসের অত্যাচারে সিপিএম কর্মীরা এলাকাছাড়া রয়েছেন। সিপিএম কর্মীদের নামে মিথ্যে অভিযোগ দেওয়া হচ্ছে।

    আক্রান্ত পরিবারের বক্তব্য

    তৃণমূল নেতা আঞ্জারুলের মা মঞ্জুরা বিবি বলেন, ভোটের দিন থেকেই আমাদের উপর অত্যাচার চলছে। গতকাল রাতে পরপর তিনটি বোমা বিস্ফোরণ ঘটিয়েছে সিপিএমের দুষ্কৃতীরা। আমার ছেলে আঞ্জারুল, রানা প্রত্যেকেই ঘরছাড়া সিপিএমের দুষ্কৃতীদের তাণ্ডবে। ভোটের দিনেই বাড়িতে ঢুকে মারামারি করে ছেলেদের সঙ্গে। প্রাণের ভয়ে ছেলেরা বাড়িতে ঢুকতে পারছে না। গতকাল রাতে ১০ টার পর আমি এবং আমার বৌমা বাড়িতে (Murshidabad) ছিলাম। রাতের খাবার খেয়ে নমাজ পড়ার পর হঠাৎ দেখি ঘর ধোঁয়ায় ভরে গেছে। এরপর বাইরে বেরিয়ে দেখি বোমা বিস্ফোরণ করেছে দুষ্কৃতীরা। যারা করেছে তাদের চিনি না। তবে সকলেই সিপিএম করে। আমরা দুই মহিলা আতঙ্কের মধ্যে দিন কাটাচ্ছি। পুলিশে খবর দিলে পুলিশ আসে এবং এসে উল্টে আমদের বিরুদ্ধেই বোমা মারার অভিযোগ করে। অত্যন্ত অসহায় বোধ করছি!

    সিপিএমের বক্তব্য

    সিপিএমের ডোমকল (Murshidabad) লোকাল কমিটির সম্পাদক মস্তাফিজুর রহমান বলেন, সিপিএমের কর্মীরা এলাকায় তৃণমূলের অত্যাচারে ঘর ছাড়া। তৃণমূলের এই অভিযোগ মিথ্যা ভিত্তিহীন। তিনি আরও বলেন, তৃণমূলের কর্মীরা নিজেরাই বিস্ফোরণ ঘটিয়ে সিপিএমের বিরুদ্ধে মিথ্যা কেস দেওয়ার পরিকল্পনা করছেন।    

     

    দেশের খবর, দশের খবর, সব খবর, সবার আগে পেতে ফলো করুন আমাদের Facebook, Twitter এবং Google News পেজ।

LinkedIn
Share