Tag: CRPF

CRPF

  • Sandeshkhali Incidents: সন্দেশখালিকাণ্ডের জের! কেন্দ্রের কাছে ১ কোম্পানি বাহিনী চাইল ইডি

    Sandeshkhali Incidents: সন্দেশখালিকাণ্ডের জের! কেন্দ্রের কাছে ১ কোম্পানি বাহিনী চাইল ইডি

    মাধ্যম নিউজ ডেস্ক: আধিকারিকদের নিরাপত্তায় এক কোম্পানি কেন্দ্রীয় বাহিনী চেয়ে স্বরাষ্ট্র মন্ত্রকে চিঠি পাঠাল ইডি।  এই মর্মে কেন্দ্রীয় স্বরাষ্ট্র মন্ত্রককে চিঠি লিখেছেন ইডির যুগ্ম নির্দেশক। ওই বাহিনী বিধাননগরের সিজিও কমপ্লেক্সে ইডির সদর দফতরেই থাকবে বলে জানা গিয়েছে। সন্দেশখালিতে (SandeshKhali Incidents) দফায় দফায় বেপরোয়া হামলার ঘটনার পর থেকেই সতর্ক কেন্দ্রীয় তদন্তকারী সংস্থা। 

    কেন কোম্পানি চাইছে ইডি

    রেশন দুর্নীতিকাণ্ডে গত ৫ জানুয়ারি তৃণমূল নেতা শেখ শাহজাহনের বাড়িতে ইডির অভিযান ঘিরে রণক্ষেত্রে চেহারা নেয় উত্তর ২৪ পরগনার সন্দেশখালি। আক্রান্ত হন ইডি আধিকারিকরা। ওই রাতেই রেশন দুর্নীতিকাণ্ডে বনগাঁয় গিয়ে আরও একবার হামলার মুখে পড়ে ইডি। তারপর ৬ জানুয়ারি থেকে বাড়ানো হয় সল্টলেকের সিজিও কমপ্লেক্সের নিরাপত্তা। ধাপে ধাপে আনা হয় কেন্দ্রীয় বাহিনীর জওয়ানদের। আর এবার নিজেদের জন্য এক কোম্পানি সিআরপিএফ চাইল ইডি। তবে অনেকে এর পিছনে অন্য কারণ দেখছেন। অনেকের অনুমান, আগামী দিনে আরও বড় কোনও নেতার বাড়িতে তল্লাশির প্রস্তুতি নিচ্ছে কেন্দ্রীয় তদন্তকারী সংস্থা। সেই অভিযানে গেলে ইডি আধিকারিকদের বড় প্রতিরোধের মুখে পড়তে হতে পারে। তাই আগে থেকেই সতর্ক হয়ে পা ফেলতে চাইছে কেন্দ্রীয় তদন্তকারী সংস্থা।

    আরও পড়ুুন: দুয়ারে লোকসভা ভোট, মোদিকে দিয়ে শতাধিক সভা করাতে চাইছে বিজেপি

    কী বলছে ইডি

    ইডি সূত্রে জানা গিয়েছে, এতদিন সিবিআইয়ের জন্য বরাদ্দ বাহিনী নিয়ে অভিযানে যেতেন ইডি আধিকারিকরা। সেই বাহিনী থাকে নিজাম প্যালেসে। কিন্তু সন্দেশখালির ঘটনার পর আর কোনও ঝুঁকি নিতে চান না ইডি আধিকারিকরা। তাই ইতিমধ্যে সিজিও কমপ্লেক্সে নিরাপত্তায় মোতায়েন বাহিনীর সংখ্যা দ্বিগুণ করা হয়েছে। আগে সিজিও কমপ্লেক্সে জওয়ানের সংখ্যা ছিল ১৫, এখন তা বাড়িয়ে ৩০ করা হয়েছে। সঙ্গে আরও ১ কোম্পানি বাহিনী চেয়ে পাঠানো হয়েছে। দরকার মতো ইডি আধিকারিকদের সঙ্গে তল্লাশিতে যাবেন এই বাহিনীর সদস্যরা। 

     

    দেশের খবরদশের খবরসব খবরসবার আগে পেতে ফলো করুন আমাদের FacebookTwitter এবং Google News পেজ।

  • Nina Singh:  সিআইএসএফ-এর প্রথম মহিলা ডিজি নিনা সিং, কাজ করেছেন নোবেলজয়ীর সঙ্গে  

    Nina Singh: সিআইএসএফ-এর প্রথম মহিলা ডিজি নিনা সিং, কাজ করেছেন নোবেলজয়ীর সঙ্গে  

    মাধ্যম নিউজ ডেস্ক: দেশে ফের নারী শক্তির জয়। সেন্ট্রাল ইন্ডাস্ট্রিয়াল সিকিউরিটি ফোর্স বা সিআইএসএফ-এর প্রথম মহিলা ডিজি হলেন নিনা সিং। রাজস্থান ক্যাডারের ১৯৮৯ ব্যাচের আইপিএস অফিসার নিনা। তিনি এতদিন সিআইএসএফ-এর স্পেশাল ডিজি পদে ছিলেন। এর আগে সিবিআই-এর গুরুত্বপূর্ণ পদেও থেকেছেন তিনি। 

    নতুন পদে কে কে

    কেন্দ্রীয় বাহিনীর শীর্ষপদে বড়সড় পরিবর্তন আনল স্বরাষ্ট্রমন্ত্রক। অমিত শাহর মন্ত্রক থেকে বিজ্ঞপ্তি জারি করে সিআরপিএফ, আইটিবিপি ও সিআইএসএফ-এর নতুন ডিজি নিয়োগ করা হয়েছে। আইপিএস নিনা সিংকে সিআইএসএফ-এর স্পেশাল ডিজি পদ থেকে নিয়ে আসা হল ডিজি পদে। রিপোর্ট অনুযায়ী, আইবি আধিকারিক রাহুল রাসগোত্রকে আইটিবিপি প্রধান পদে বসানো হয়েছে। ১৯৮৯ ব্যাচের আইপিএস অফিসার রাহুল বর্তমানে ইন্টেলিজেন্স ব্যুরোর স্পেশাল ডিরেক্টর পদে আছেন। তিনি প্রায় ৩০ বছর ধরে আইবি-তে আছেন। এদিকে অনীশ দয়াল সিংকে সিআরপিএফ-এর ডিজি করা হয়েছে। এদিকে অনীশ আইটিবিপি প্রধান ছিলেন। বিগত বেশ কয়েক সপ্তাহ ধরে সিআরপিএফ-এর অতিরিক্ত দায়িত্ব ছিল তাঁর ওপর। ১৯৮৮ ব্যাচের এই আইপিএস অফিসারকে এবার সিআরপিএফ-এর পূর্ণ দায়িত্ব দেওয়া হল।

    আরও পড়ুন: ‘মদ-মুক্ত’ অযোধ্যার রাম মন্দির চত্বর, ঘোষণা যোগী সরকারের

    গবেষণার কাজে নিনা

    নিনা সিং হলেন দেশের প্রথম মহিলা, যিনি সিআইএসএফ-এর সর্বোচ্চ পদের দায়িত্ব সামলাবেন। অতীতে সিবিআই-এর সঙ্গেও কাজ করেছেন তিনি। শীনা বোরা হত্যা মামলা, জিয়া খান আত্মহত্যা মামলার মতো হাই প্রোফাইল তদন্তের দায়িত্ব সামলেছেন হার্ভার্ড বিশ্ববিদ্যালয় থেকে পাবলিক অ্যাডমিনিস্ট্রেশনে স্নাতকোত্তর করা এই আইপিএস অফিসার। পড়ুশানো ও গবেষণার দিকেও ঝোঁক রয়েছে তাঁর। নোবেলজয়ী অর্থনীতিবিদ অভিজিৎ বিনায়ক বন্দ্যোপাধ্যায় ও এসথার ডুফলোর সঙ্গে দু’টি গবেষণাপত্র প্রকাশ করেছেন নিনা সিং। দিল্লি মেট্রো-সহ দেশের সমস্ত বিমানবন্দরের নিরাপত্তার দায়িত্বে আছে সিআইএসএফ। কেন্দ্রীয় স্বরাষ্ট্র মন্ত্রকের অধীনে এই আধা সামরিক বাহিনী। এই বাহিনীরই প্রধান হয়ে ইতিহাস তৈরি করলেন নিনা।  ২০২৪ সালের ৩১ জুলাই অবসরের আগে পর্যন্ত এই পদে থাকবেন তিনি।

     

    দেশের খবর, দশের খবর, সব খবর, সবার আগে পেতে ফলো করুন আমাদের Facebook, Twitter এবং Google News পেজ।

  • Jyotipriya Mallick: রেশন দুর্নীতির তদন্ত নিয়ে রাজ্য পুলিশের ডিজিকে পরামর্শ-চিঠি ইডির

    Jyotipriya Mallick: রেশন দুর্নীতির তদন্ত নিয়ে রাজ্য পুলিশের ডিজিকে পরামর্শ-চিঠি ইডির

    মাধ্যম নিউজ ডেস্ক: জ্যোতিপ্রিয় মল্লিকের (Jyotipriya Mallick) ঘর থেকে সিসি ক্যামেরা খুলে ফেলার নির্দেশ কলকাতা হাইকোর্টের। শুক্রবার বিচারপতি তীর্থঙ্কর ঘোষের নির্দেশ, প্রাক্তন খাদ্যমন্ত্রীর নিরাপত্তায় থাকবে সিআরপিএফ। মন্ত্রীর ঘরে কারা ঢুকছেন, বেরচ্ছেনই বা কারা, এবার থেকে তা নজরদারি করবে সিআরপিএফ। ব্যবহার করতে হবে রেজিস্টার খাতা। রাজ্যের প্রাক্তন মন্ত্রীর ঘরে যে ক্যামেরা লাগানো রয়েছে, তা খুলে ফেলার নির্দেশও হাসপাতাল কর্তৃপক্ষকে দিয়েছে আদালত।

    ব্যক্তিগত গোপনীয়তা খর্ব হচ্ছে!

    রেশন বণ্টন কেলেঙ্কারিতে গ্রেফতার হয়েছেন রাজ্যের প্রাক্তন খাদ্যমন্ত্রী তথা বর্তমান বনমন্ত্রী জ্যোতিপ্রিয় মল্লিক (Jyotipriya Mallick)। অসুস্থ হয়ে পড়ায় তিনি ভর্তি রয়েছেন রাজ্যের সুপার স্পেশালিটি হাসপাতাল এসএসকেএমে। মন্ত্রীর ওপর নজরদারি চালাতে সিসি ক্যামেরা বসিয়েছে ইডি। এর পরেই ব্যক্তিগত গোপনীয়তা খর্ব হচ্ছে বলে আদালতে মামলা করেন মন্ত্রী। তার জেরেই এদিন মন্ত্রীর কেবিন থেকে সিসি ক্যামেরা খুলে নেওয়ার নির্দেশ দেয় আদালত।

    সিসি ক্যামেরা খুলে ফেলার নির্দেশ

    বিচারপতি ঘোষের নির্দেশ, মন্ত্রীর ঘরে কোনও সিসি ক্যামেরা রাখা যাবে না। তবে রুমের বাইরে সিসি ক্যামেরা আগে থেকে লাগানো থাকলে, তদন্তের স্বার্থে তার ফুটেজ দেখতে পারবেন ইডির তদন্তকারী অফিসার। সিসি ক্যামেরার পরিবর্তে মন্ত্রীর ওপর নজরদারি চালাবেন সিআরপিএফ জওয়ানরা। মন্ত্রীর ঘরে যাঁরা যাতায়াত করবেন, তাঁদের প্রত্যেকের গতিবিধি নথিভুক্ত করতে হবে রেজিস্টার খাতায়। 

    রাজ্য পুলিশকে চিঠি ইডির

    এদিকে, রেশন বণ্টন কেলেঙ্কারি (Jyotipriya Mallick) মামলায় তদন্তে নেমে ইডি জেনেছে, রেশন ব্যবস্থায় অনিয়ম সংক্রান্ত একাধিক অভিযোগ জমা পড়লেও, সেভাবে তদন্ত হয়নি। তদন্তকারীদের বিশ্বাস, এই অভিযোগগুলির তদন্ত হলে কোটি কোটি টাকার দুর্নীতির হদিশ মিলবে। তাই রাজ্য পুলিশকে এ ব্যাপারে চিঠি দিয়েছে ইডি।

    আরও পড়ুুন: “রাজনীতি করবেন না”, লোকসভাকাণ্ডে বিরোধীদের পরামর্শ শাহের

    রাজ্য পুলিশের ডিজি মনোজ মালব্যের কাছে পাঠানো ওই চিঠিতে ইডি জানিয়েছে, রেশন বণ্টন কেলেঙ্কারিতে কলকাতা পুলিশ সহ রাজ্যের বিভিন্ন জেলা পুলিশের কাছে যেসব অভিযোগ জমা পড়েছে, তার বিস্তারিত তদন্ত হয়নি। এ ব্যাপারে বিস্তারিত তদন্ত করা প্রয়োজন। চিঠিতে এও বলা হয়েছে, রাজ্যজুড়ে ছড়িয়ে রয়েছে রেশন কেলেঙ্কারির জাল। এ ব্যাপারে তথ্যপ্রমাণ কিংবা সাহায্যের প্রয়োজন হলে ইডি তা (Jyotipriya Mallick) করতে প্রস্তুত বলেও জানানো হয়েছে চিঠিতে।

     

    দেশের খবরদশের খবরসব খবরসবার আগে পেতে ফলো করুন আমাদের FacebookTwitter এবং Google News পেজ।

     
     
  • Security Force Rule: হানি ট্র্যাপের হাতছানি এড়াতে আধা সামরিক বাহিনীতে কড়া নির্দেশিকা

    Security Force Rule: হানি ট্র্যাপের হাতছানি এড়াতে আধা সামরিক বাহিনীতে কড়া নির্দেশিকা

    মাধ্যম নিউজ ডেস্ক: ‘হানি ট্র্যাপের (Honey Trap) ফাঁদ থেকে কেন্দ্রীয়  আধিকারিকদের বাঁচাতেই এবার কেন্দ্রীয় পুলিশ বাহিনীর তরফে বিশেষ নির্দেশিকা জারি করা হল। পুলিশ আধিকারিকদের নির্দেশ (Security Force Rule) দেওয়া হল অনলাইনে কোনও রকমের বন্ধুত্ব যেন না পাতান। এছাড়াও ইউনিফর্ম পড়ে সোশ্যাল মাধ্য়মে ছবি আপলোড বা সাজেশনে আসা কোনও প্রোফাইলে যেন ফ্রেন্ড রিকোয়েস্ট না পাঠান, তার কথাও বলা হয়েছে।

    কী কী করতে মানা

    অনলাইনে বন্ধুত্ব পাতিয়ে যৌনতার ফাঁদে ফেলার মতো ঘটনা বার বার প্রকাশ্যে আসায় দেশের গোয়েন্দা সংস্থার তরফে সতর্ক করা হল। গোয়েন্দা সূত্রে খবর, দেশের গুরুত্বপূর্ণ তথ্য হাতিয়ে নেওয়ার জন্য বেছে বেছে দেশের নিরাপত্তাবাহিনীর কর্মীদেরই বাছা হচ্ছে। ‘যৌনতার ফাঁদ’ পেতে অনলাইনে বন্ধুত্ব পাতানো, ছবি এবং ভিডিয়ো শেয়ার করার মতো ঘটনা ঘটছে। এমন বেশ কিছু ঘটনা মাঝেমধ্যেই প্রকাশ্যে আসছে। আর সেই ফাঁদে যাতে কেন্দ্রীয় বাহিনীর কর্মীরা পা না-দেন, তাই তাঁদের সতর্ক করলেন গোয়েন্দারা। গোয়েন্দাদের থেকে এমন সতর্কবার্তা পাওয়ার পরই দেশের আধাসামরিক বাহিনী এবং পুলিশকর্মীদের সতর্ক করার কাজ শুরু হয়েছে।

    কেন এই নিষেধাজ্ঞা

    কেন্দ্রের তরফে জানানো হয়েছে, বিশ্লেষণ করে দেখা গিয়েছে যে বহু আধিকারিকরাই নিজেদের ইউনিফর্মে ছবি বা ভিডিয়ো আপলোড করছেন। স্পর্শকাতর স্থান, যেমন সেনা ছাউনি বা অন্য কোনও ক্যাম্প থেকে এইসব ছবি-ভিডিয়ো আপলোড হওয়ায় অনেক গোপনীয় তথ্য ফাঁস হয়ে যাচ্ছে। অনলাইনে বিভিন্ন সোশ্যাল মাধ্যমে অচেনা মানুষের সঙ্গে বন্ধুত্ব ও চ্যাট করেও বিপদ ডেকে আনছেন। এই সমস্ত কার্যকলাপ থেকেই এবার বিরত থাকতে বলা হল আধিকারিকদের। শুধুমাত্র কেন্দ্রীয় বাহিনীই নয়, প্য়ারামিলিটারি ও পুলিশ বাহিনীকেও এই নির্দেশ পাঠিয়েছে কেন্দ্রীয় গোয়েন্দা সংস্থা। যদি এই নির্দেশ না মানা হয়, তবে কড়া পদক্ষেপ করা হবে বলেও জানানো হয়েছে। বিএসএফ ও আইটিবিপির তরফেও বাহিনীকে এই নির্দেশ অনুসরণ করতে বলা হয়েছে।

    আরও পড়ুন: দেশের গোপন নথি পাক গুপ্তচর সংস্থাকে পাচারের অভিযোগ! কলকাতায় ধৃত বিহারের যুবক

    দিল্লি পুলিশের একটি সূত্রের খবর, পুলিশ কমিশনার সঞ্জয় অরোরা তাঁর বাহিনীর সমস্ত কর্মীকে এ বিষয়ে অবহিত করেছেন। সমাজমাধ্যমে কোনও উস্কানিমূলক, কোনও কুরুচিকর মন্তব্য না করার নির্দেশ দেওয়া হয়েছে। শুধু তাই-ই নয়, যত ক্ষণ কাজ করবেন তত ক্ষণ কোনও সমাজমাধ্যম ব্যাবহার না করার পরামর্শ দেওয়া হয়েছে। এ ছাড়াও কোনও সংবেদনশীল ছবি পোস্ট না করতে নির্দেশ দেওয়া হয়েছে।

    দেশের খবর, দশের খবর, সব খবর, সবার আগে পেতে ফলো করুন আমাদের FacebookTwitter এবং Google News পেজ।

  • Manipur Violence: ইম্ফল, চূড়াচাঁদপুর যেন যুদ্ধক্ষেত্র! নিহত সিআরপিএফ জওয়ান, আয়কর আধিকারিক

    Manipur Violence: ইম্ফল, চূড়াচাঁদপুর যেন যুদ্ধক্ষেত্র! নিহত সিআরপিএফ জওয়ান, আয়কর আধিকারিক

    মাধ্যম নিউজ ডেস্ক: মেইতেই জনগোষ্ঠীর তফশিলি উপজাতি পরিচয়ের দাবিতে অশান্তির আগুনে জ্বলছে মণিপুর (Manipur Violence)। ৩৫৫ ধারা জারি করে, সেনা মোতায়েন করেও পরিস্থিতি নিয়ন্ত্রণে আনা যাচ্ছে না। চলতি সপ্তাহের গোড়ায় শুরু হয়েছিল আন্দোলন। ৪৮ ঘণ্টার মধ্যেই কার্যত যুদ্ধক্ষেত্রে পরিণত হয়েছে মণিপুর। শুক্রবার গভীর রাতে চূড়াচাঁদপুরে গুলি করে খুন করা হয়েছে বাড়িতে ছুটি কাটাতে আসা এক সিআরপিএফ কোবরা কমান্ডোকে। রাজধানী ইম্ফলে হিংসার বলি ইন্ডিয়ান রেভিনিউ সার্ভিসের এক আয়কর আধিকারিকও।

    হিংসায় অন্তত ১৫ জনের মৃত্যু

    স্থানীয় বাসিন্দারা জানিয়েছেন, সেনা নামার পরে মুহুর্মুহু গুলির শব্দ শোনা যাচ্ছে। মনে হচ্ছে ইম্ফল, চূড়াচাঁদপুর যেন যুদ্ধক্ষেত্র। অসমর্থিত সূত্রে পাওয়া খবরে জানা গিয়েছে, চলতি হিংসায় অন্তত ১৫ জনের মৃত্যু হয়েছে। গত বুধবার মেইতেই সম্প্রদায়কে তফশিলি জাতিভুক্ত করার প্রতিবাদ জানিয়ে মণিপুরের জনজাতি ছাত্র সংগঠনের পক্ষ থেকে মিছিল বের করা হয়। ওই মিছিল ঘিরে শুরু হয় হিংসা। সময় গড়ানোর সঙ্গে সঙ্গেই রাজ্যের বিভিন্ন প্রান্তে হিংসা ছড়িয়ে পড়েছে। 

    মণিপুরে ৩৫৫ ধারা

    পরিস্থিতি সামলাতে শুক্রবার মণিপুরে ৩৫৫ ধারা জারি করে আইনশৃঙ্খলা রক্ষা এবং নিরাপত্তার দায়িত্ব নিজেদের হাতে তুলে নিয়েছে কেন্দ্রীয় সরকার। তার পরেই চূড়াচাঁদপুরে গুলি করে খুন করা হয়েছে বাড়িতে ছুটি কাটাতে আসা সিআরপিএফের কোবরা বাহিনীর এক কমান্ডোকে। নিহতের নাম ছোনখেলেন হাওকিপ। পাশাপাশি রাজধানী ইম্ফলে লেটমিনথাং হাওকিপ নামে এক আয়কর আধিকারিককে বাড়ি থেকে টেনে বের করে এনে খুন করার অভিযোগ উঠেছে বিক্ষোভকারীদের বিরুদ্ধে। ঘটনার নিন্দায় সরব হয়েছে ইন্ডিয়ান রেভিনিউ সার্ভিস অ্যাসোসিয়েশন। বিক্ষোভকারীদের থামাতে সেনা মোতায়েনের পাশাপাশি দেখামাত্র গুলির নির্দেশ জারি করা হয়েছে।

    সেনার সক্রিয়তা

    ইতিমধ্যেই অগ্নিগর্ভ পরিস্থিতি থেকে ১৩ হাজার সাধারণ নাগরিককে উদ্ধার করেছে সেনাবাহিনী। তাঁরা মণিপুরে যাওয়ার জন্য সি ১৭ গ্লোবমাস্টার এবং এন ৩২ বিমান ব্যবহার করেন। ভারতীয় সেনাবাহিনী শুক্রবার একটি বিবৃতি জারি করে বলেছে যে, তাঁরা প্রায় ১৩ হাজার সাধারণ নাগরিকদের উদ্ধার করতে সক্ষম হয়েছেন। উদ্ধার করা বেসামরিক নাগরিকদের নিরাপদ আশ্রয়ে রাখা হয়েছে। এখনও অবধি র‍্যাফ, সিআরপিএফ, বিএসএফ-সহ আধাসামরিক বাহিনীর ১৪টি কোম্পানি মোতায়েন করা হয়েছে। আরও বাহিনী রাজ্যে মোতায়েন করার ব্যবস্থা হচ্ছে। গত ৩ মে অল ট্রাইবাল স্টুডেন্টস ইউনিয়ন অফ মণিপুরের একটি সমাবেশ হিংসাত্মক হয়ে ওঠে। রাজ্যে বিশৃঙ্খলা দেখা দেয়। চূড়াচাঁদপুরের তোরবুং এলাকায় ৬০ হাজারের বেশি লোক সমাবেশে যোগ দিয়েছিলেন। তখনই অগ্নিগর্ভ পরিস্থিতির সৃষ্টি হয়।

    আরও পড়ুন: ‘‘জেগে উঠুন, কফির ঘ্রাণ নিন, ৩৭০ ধারা ইতিহাস’’! বিলাওয়ালকে জয়শঙ্কর

    মণিপুরের বৃহত্তম জনগোষ্ঠী মেইতেইরা। মূলত সমতল এলাকার বাসিন্দা এরা। অন্য দিকে, কুকি, অঙ্গামি, লুসাই, নাগা, থাড়োয়াসের মতো প্রায় ৩০টি জনজাতি গোষ্ঠীর বাস পাহাড়ি এলাকায়। তাদের আশঙ্কা, জনজাতির মর্যাদা পেলেই পাহাড়ি এলাকার জমিতে হাত বাড়াবে। এখন জনজাতির মর্যাদা না পাওয়ায় তারা ওই জমি কিনতে পারে না। অন্য দিকে, মেইতেইদের দাবি, ১৯৪৯ সালে ভারতীয় যুক্তরাষ্ট্রের সঙ্গে মণিপুর সংযুক্ত হওয়ার আগে তাঁরা জনজাতি হিসাবে গণ্য হতেন। কিন্তু সংযুক্তিকরণের পর সেই পরিচয় হারান তাঁরা। ফলে জনজাতি জমির অধিকার, সাংস্কৃতিক ঐতিহ্যের সাংবিধানিক রক্ষাকবচও হারিয়েছেন। 

     

    দেশের খবর, দশের খবর, সব খবর, সবার আগে পেতে ফলো করুন আমাদের FacebookTwitter এবং Google News পেজ।

  • Kashmir: ভূস্বর্গে ফিরেছে শান্তি! ৩৭০ অবলুপ্তির পর এবার কাশ্মীর থেকে সেনা প্রত্যাহারের পথে মোদি সরকার?

    Kashmir: ভূস্বর্গে ফিরেছে শান্তি! ৩৭০ অবলুপ্তির পর এবার কাশ্মীর থেকে সেনা প্রত্যাহারের পথে মোদি সরকার?

    মাধ্যম নিউজ ডেস্ক: মোদি সরকারের জমানায় নেওয়া হয় এক ঐতিহাসিক সিদ্ধান্ত। সংবিধান থেকে অবলুপ্ত করে দেওয়া হয় ধারা ৩৭০, বিশেষ মর্যাদা হারায় জম্মু-কাশ্মীর। সেসময় উপত্যকা জুড়ে প্রচুর পরিমাণে অতিরিক্ত সেনা মোতায়েন করে কেন্দ্রীয় সরকার। এই ঘটনার এখন তিন বছর পার হয়েছে। ফলে এক বড় পদক্ষেপ নিতে চলেছে কেন্দ্রীয় সরকার। জম্মু ও কাশ্মীর থেকে সেনা প্রত্যাহারের কথা ভাবছে কেন্দ্রীয় সরকার।

    ভূস্বর্গ থেকে সেনা প্রত্যাহারের সিদ্ধান্ত

    সূত্রের খবর, বিশেষ মর্যাদা প্রত্যাহারের সাড়ে তিন বছর পর উপত্যকা থেকে সেই সেনা প্রত্যাহারের চিন্তাভাবনা করছে কেন্দ্রীয় সরকার। শীর্ষস্তর থেকে এই প্রস্তাব মঞ্জুর হলেই এই প্রস্তাব কেবল নিয়ন্ত্রণ রেখা (এলওসি) বরাবর মোতায়েন থাকবে সেনাবাহিনীর সদস্যরা। এক সর্বভারতীয় সংবাদ মাধ্যমে প্রকাশিত খবর অনুযায়ী, বিষয়টি নিয়ে স্বরাষ্ট্রমন্ত্রক, প্রতিরক্ষা মন্ত্রক, সশস্ত্র বাহিনী এবং জম্মু ও কাশ্মীর পুলিশের মধ্যে আলোচনা হয়েছে। ফলে এই প্রস্তাবনা গৃহীত হলে জম্মু-কাশ্মীরে ভারত-পাকিস্তান আন্তর্জাতিক সীমান্তের নিয়ন্ত্রণ রেখা বরাবর ছাড়া আর কোথাও সেনা মোতায়েন থাকবে না। সূত্রের খবর, গত দু’বছর ধরেই এ বিষয়ে আলোচনা চলছে।

    নিরাপত্তার দায়িত্বে সিআরপিএফ

    জানা গিয়েছে, ভারতীয় সেনাকে কাশ্মীরের নিরাপত্তার দায়িত্ব থেকে সরিয়ে সেখানে সিআরপিএফকে দায়িত্ব দেওয়া হবে। দুই কেন্দ্রশাসিত অঞ্চলের আইন-শৃঙ্খলা বজায় রাখতে ও সন্ত্রাসবাদ মোকাবিলার জন্যই সিআরপিএফ মোতায়েন করা হবে বলে জানানো হয়েছে।

    কেন এই পরিকল্পনা?

    কেন্দ্রীয় স্বরাষ্ট্র মন্ত্রকের এক আধিকারিক বলেছেন, সরকার দাবি করেছে যে ২০১৯ সালের অগাস্ট থেকে জম্মু ও কাশ্মীরে সন্ত্রাসবাদী কার্যকলাপ নিরাপত্তা কর্মীদের হত্যার ঘটনায় উল্লেখযোগ্য পরিবর্তন হয়েছে। কমেছে সেনাবাহিনীর ওপর পাথর ছোঁড়ার ঘটনাও। আইনশৃঙ্খলা পরিস্থিতি অনেকাংশে নিয়ন্ত্রণে রয়েছে বলেই সেনা প্রত্যাহারের সিদ্ধান্ত, দাবি কেন্দ্রীয় স্বরাষ্ট্রমন্ত্রকের।

    সূত্রের খবর অনুযায়ী, সেনাবাহিনী প্রত্যাহারের পর সেখানকার দায়িত্বে থাকবে সিআরপিএফ এবং জম্মু ও কাশ্মীর পুলিশ। আরও জানা গিয়েছে, উপত্যকার দায়িত্বে থাকা সেনাবাহিনীর রাষ্ট্রীয় রাইফেলসকেও তিনটি ভাগে তুলে নেওয়া হবে। সিআরপিএফকে দিয়ে তাদের আংশিক প্রত্যাহারের পরিকল্পনা করা হয়েছে। তবে এই পরিকল্পনায় রাষ্ট্রীয় রাইফেলসের সদস্য সংখ্যা হ্রাস করা হবে, তাদেরকে একেবারে প্রত্যাহার করা হবে না। এইভাবে প্রায় ১৫ হাজার রাষ্ট্রীয় রাইফেলস প্রত্যাহার করা যেতে পারে।

    উল্লেখ্য, ১৯৯০ সালে তৈরি করা হয় রাষ্ট্রীয় রাইফেলস। তখন থেকেই জম্মু ও কাশ্মীরে জঙ্গি কার্যকলাপ দমনে নেতৃত্বে দিচ্ছে রাষ্ট্রীয় রাইফেলস। তবে ২০০৫ সাল থেকে শ্রীনগরে জঙ্গি দমন অভিযান পরিচালনা করে সিআরপিএফ এবং জম্মু ও কাশ্মীর পুলিশ।

  • PM Modi: কাশ্মীরের পুলওয়ামায় সন্ত্রাসবাদী হামলায় শহিদ জওয়ানদের শ্রদ্ধা জ্ঞাপন করলেন মোদি

    PM Modi: কাশ্মীরের পুলওয়ামায় সন্ত্রাসবাদী হামলায় শহিদ জওয়ানদের শ্রদ্ধা জ্ঞাপন করলেন মোদি

    মাধ্যম নিউজ ডেক্স: আজ ১৪ ফেব্রুয়ারি। চার বছর আগে ঠিক এই দিনে কাশ্মীরের (Kashmir) পুলওয়ামায় সন্ত্রাসবাদী হামলায় শহিদ হয়েছিলেন ৪০জন সিআরপিএফ (CRPF) জওয়ান। মঙ্গলবার সেই শহিদদেরই শ্রদ্ধা জ্ঞাপন করলেন প্রধানমন্ত্রী নরেন্দ্র মোদি (PM Modi)। এনিয়ে একটু ট্যুইটও করেন তিনি। তাতে লেখেন, আজকের দিনে পুলওয়ামায় যে বীরদের হারিয়েছি, তাঁদের স্মরণ করছি। তাঁদের এই আত্মত্যাগ আমরা কোনওদিন ভুলব না। তাঁদের সাহস আমাদের শক্তিশালী দেশ গড়ে তুলতে উদ্বুদ্ধ করে।

    সিআরপিএফ…

    প্রসঙ্গত, ২০১৯ সালের ১৪ ফেব্রুয়ারি পুলওয়ামায় সিআরপিএফ জওয়ানদের একটি কনভয়ে হামলা চালায় জঙ্গিরা। বিস্ফোরক ঠাসা একটি গাড়ি নিরাপত্তা বাহিনীর ওই কনভয়ে হামলা চালায়। শহিদ হন সিআরপিএফের ৪০ জন জওয়ান। জখমও হন বেশ কয়েকজন জওয়ান। হামলার দায় স্বীকার করে মাসুদ আজাহারের নেতৃত্বাধীন পাকিস্তানি সন্ত্রাসবাদী গোষ্ঠী জইশ-ই-মহম্মদ।

    প্রধানমন্ত্রীর পাশাপাশি পুলওয়ামার শহিদদের প্রতি শ্রদ্ধা জ্ঞাপন করে ট্যুইট করেছেন কেন্দ্রীয় স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী অমিত শাহ। ট্যুইট বার্তায় তিনি লিখেছেন, আমি সেই সাহসী জওয়ানদের প্রতি শ্রদ্ধা জানাই, যাঁরা ২০১৯ সালে ১৪ ফেব্রুয়ারি পুলওয়ামায় জঙ্গি হামলায় তাঁদের জীবন দিয়েছেন। জাতি তাঁদের আত্মত্যাগকে ভুলতে পারবে না। সন্ত্রাসের বিরুদ্ধে লড়াইয়ে তাঁদের বীরত্ব ও অদম্য সাহস সব সময় অনুপ্রেরণা হয়ে থাকবে।

    আরও পড়ুুন: ‘বিজেপির কিছু লুকোনোর নেই, ভয় পাওয়ারও নেই’, আদানিকাণ্ডে বললেন শাহ

    ১৪ ফেব্রুয়ারি ভালবাসার দিন। এদিন এই নারকীয় ঘটনায় শোকস্তব্ধ হয়ে পড়েছিল ভারতবাসী। বিশ্বজুড়ে উঠেছিল নিন্দার ঝড়। ঘটনার তদন্তের নির্দেশ দেয় ভারত সরকার। তদন্তে উঠে আসে পাক মদতপুষ্ট জঙ্গি সংগঠন জয়েশ-ই-মহম্মদের নাম। পাল্টা আঘাত করে ভারত। ২০১৯ সালের ২৬ ফেব্রুয়ারি এয়ারস্ট্রাইক করে ভারত। ভেঙে গুঁড়িয়ে দেয় পাকিস্তানের বেশ কিছু জঙ্গি ঘাঁটি। ১৪ ফেব্রুয়ারির ওই ঘটনার পর ফি বছর পুলওয়ামার শহিদদের শ্রদ্ধা জানান প্রধানমন্ত্রী নরেন্দ্র মোদি (PM Modi)।

    উনিশের ১৪ ফেব্রুয়ারির ওই ঘটনার পর বাইশ সালের অক্টোবর মাসেও ফের রক্তাক্ত হয় উপত্যকা। পুলওয়ামা জেলায় জঙ্গি হামলায় শহিদ হন এক পুলিশ কর্মী। জখম হন সেন্ট্রাল রিজার্ভ পুলিশ ফোর্সের এক কর্মী। কাশ্মীর জোন পুলিশের তরফে জানানো হয়, পুলওয়ামার পিঙ্গলানায় সিআরপিএফ ও পুলিশ যৌথভাবে নাকা চেকিং চালানোর সময় গুলি ছোড়ে জঙ্গিরা। শহিদ হন এক পুলিশ কর্মী। জখম হন সিআরপিএফের এক জওয়ান।

     

    দেশের খবর, দশের খবর, সব খবর, সবার আগে পেতে ফলো করুন আমাদের Facebook এবং Twitter পেজ।

  • Jammu and Kashmir: সন্ত্রাসবাদীদের আটকাতে রাজৌরিতে গ্রামবাসীরদের অস্ত্র প্রশিক্ষণ দিচ্ছে সিআরপিএফ

    Jammu and Kashmir: সন্ত্রাসবাদীদের আটকাতে রাজৌরিতে গ্রামবাসীরদের অস্ত্র প্রশিক্ষণ দিচ্ছে সিআরপিএফ

    মাধ্যম নিউজ ডেস্ক: এবার রাজৌরিতে গ্রাম প্রতিরক্ষা রক্ষীদের (ভিডিজি) বিশেষ অস্ত্র প্রশিক্ষণ দিচ্ছে সিআরপিএফ (Jammu and Kashmir)। তাদের আধুনিক রাইফেল এসএলআর প্রশিক্ষণ দেওয়া হচ্ছে। ১ জানুয়ারি, বছরের প্রথম দিন রাজৌরির ডাংরি গ্রামে ৭ জন হিন্দুকে হত্যা করেছে সন্ত্রাসবাদীরা। এরপর গ্রামবাসীরা সন্ত্রাসবাদীর বিরুদ্ধে হাতে অস্ত্র তলে নেওয়ার দাবি জানায়। গ্রামবাসীদের মধ্যে অনেকেই ভিডিজি- র অংশ হয়ে চেয়েছেন। এখন তাঁদের নির্বাচন করার জন্য সিআরপিএফ ক্যাম্পের আয়োজন করেছে।

    কী জানা গেল? 

    মঙ্গলবার সুন্দরবানী সেক্টরের (Jammu and Kashmir) মহাদেব মানেকা ফায়ারিং রেঞ্জে গুলি চালানোর অনুশীলন হয়েছিল। যেখানে এলওসি- র কাছাকাছি গ্রামের ৫০ জনেরও বেশি গ্রামবাসী অংশগ্রহণ করেছিলেন। 

    সাম্প্রতিক হামলার পর, জম্মু ও কাশ্মীর (Jammu and Kashmir) প্রশাসন ভিডিজিকে ২৬ জানুয়ারি প্রজাতন্ত্র দিবস উদযাপনের আগে সতর্ক থাকার পরামর্শ দিয়েছে। সন্ত্রাসবাদীরা জম্মু অঞ্চলের শান্তি নষ্ট করতে পারে বলে আশঙ্কা করছে প্রশাসন। তাই ভিডিজিগুলি জম্মু, সাম্বা এবং কাঠুয়া জেলাগুলির পাশাপাশি ভারত-পাকিস্তান আন্তর্জাতিক সীমান্তে সক্রিয় হয়ে উঠেছে৷ 

    এ পর্যন্ত প্রায় ৫০ জনকে জঙ্গি সন্দেহে আটক করা হয়েছে। ক্রমাগত তল্লাশি অভিযান চালাচ্ছে পুলিশ। জেলার অনেক জায়গায় পুলিশের পোস্টারও লাগানো হয়েছে। সন্ত্রাসবাদীদের সম্পর্কে তথ্য দেওয়ার জন্য ১০ লক্ষ টাকার পুরস্কারের ঘোষণা করা হয়েছে।

    ৫ জানুয়ারি রাজৌরি জেলার (Jammu and Kashmir) বেশ কয়েকটি গ্রামে গ্রাম প্রতিরক্ষা কমিটি ক্যাম্পের আয়োজন করেছিল প্রশাসন। এতে ভিডিসির সদস্য হতে ইচ্ছুক ব্যক্তিদের নামের তালিকা প্রস্তুত করা হয়।

    আরও পড়ুন: ‘ভয়ঙ্কর ভুল’ হয়ে গিয়েছে, নেটিজেনদের কাছে ক্ষমা চাইলেন অমিতাভ বচ্চন    

    হামলার পরে, ডাংরির পঞ্চায়েত (Jammu and Kashmir) প্রধান ধীরাজ শর্মা বলেন, “এলাকায় একটি গ্রাম প্রতিরক্ষা কমিটি ছিল, তবে পুলিশ ৬০ বছরের বেশি বয়সী লোকদের কাছ থেকে অস্ত্র ফিরিয়ে নিয়েছে। সেই অস্ত্রগুলো আবার বরাদ্দও করা হয়নি। ভিডিসি সদস্যদের কাছে অস্ত্র থাকলে তারা সন্ত্রাসীদের যোগ্য জবাব দিত।”  

    ১৯৯০-এর দশকে, জম্মু ও কাশ্মীর (Jammu and Kashmir) প্রশাসন পার্বত্য এলাকায় সন্ত্রাস দমনের লক্ষ্যে গ্রাম নিরাপত্তা কমিটি গঠন করে। সেই সময় গ্রামবাসীদের নিজেদের এবং তাদের প্রিয়জনকে রক্ষা করার জন্য অস্ত্র ব্যবহার করতে শেখানো হয়েছিল। এই কমিটিতে স্থানীয় লোকজনকে নিয়োগ করে অস্ত্র বন্টন করা হয়।

    দেশের খবর, দশের খবর, সব খবর, সবার আগে পেতে ফলো করুন আমাদের Facebook এবং Twitter পেজ।

     

  • Jammu and Kashmir: রক্তাক্ত ভূস্বর্গ, রাজৌরিতে ১৮০০ সিআরপিএফ জওয়ান পাঠাচ্ছে কেন্দ্র

    Jammu and Kashmir: রক্তাক্ত ভূস্বর্গ, রাজৌরিতে ১৮০০ সিআরপিএফ জওয়ান পাঠাচ্ছে কেন্দ্র

    মাধ্যম নিউজ ডেস্ক: নতুন বছরের প্রথম দিনই রক্তাক্ত হয়েছে ভূস্বর্গ (Jammu and Kashmir)। হামলা হয়েছে হিন্দু পরিবারের ওপর। পর পর দুটি হামলায় এক শিশু সহ বেশ কয়েকজনের মৃত্যু হয়েছে। তার জেরে এবার জম্মু-কাশ্মীরের রাজৌরি (Rajouri) জেলায় আরও বেশি সেনা মোতায়েনের সিদ্ধান্ত নিয়েছে কেন্দ্র। সূত্রের খবর, ইতিমধ্যেই রাজৌরিতে ১৮ কোম্পানি সিআরপিএফ (CRPF) জওয়ান পাঠানো হয়েছে।

    জঙ্গি হানা…

    গত দু সপ্তাহের ব্যবধানেও এই জেলায় দু বার জঙ্গি হানা হয়েছে। তার জেরে এলাকায় ছড়িয়েছে আতঙ্ক। ঘটনার প্রতিবাদে জেলার বিভিন্ন জায়গায় ব্যাপক প্রতিবাদ-বিক্ষোভ হয়েছে। তাঁদের অভিযোগ, জনতার সুরক্ষা দিতে ব্যর্থ হয়েছে প্রশাসন। জানা গিয়েছে, গত তিন দিন ধরে একশোরও বেশি নিরাপত্তা রক্ষী জঙ্গিদের খোঁজে শুরু করেছে তল্লাশি। এই জঙ্গিরাই রাজৌরি জেলায় হামলা চালিয়েছিল কয়েকটি হিন্দু পরিবারের ওপর। কেবল নিরাপত্তা রক্ষীরাই নয়, সেনা এবং পুলিশও অভিযান চালিয়েছিল যৌথভাবে (Jammu and Kashmir)।

    আরও পড়ুুন: বন্দে ভারত এক্সপ্রেসে পাথর নিক্ষেপ! সামনে এল দোষীদের ছবি, জানেন এরা কারা?

    প্রসঙ্গত, রবিবার সন্ধেয় এবং সোমবার সকালে আপার ডাংরি গ্রামে হামলা চালিয়েছিল জঙ্গিরা। জঙ্গিদের হামলায় দুই শিশু সহ ছ জনের মৃত্যু হয়। জঙ্গিদের হামলায় জখমও হয়েছেন বেশ কয়েকজন। জানা গিয়েছে, রবিবার সশস্ত্র অবস্থায় দুই জঙ্গি হানা দেয় তিনটি বাড়িতে। তার পরেই গুলি চালাতে থাকে নির্বিচারে। গুলিতে জখম হন ছ জন, মৃত্যু হয় চার জনের। পরের দিন ওই গ্রামেই ফের হামলা চালায় জঙ্গিরা। এদিন বিস্ফোরণে জখম হন অন্তত পাঁচজন। মৃত্যু হয় দুই শিশুর।

    রবিবার সন্ধের জঙ্গি হামলায় জড়িতদের খোঁজে তল্লাশি শুরু করেন নিরাপত্তা রক্ষীরা। তখনই এক বাড়ির সামনে বিস্ফোরণ ঘটে। এই বাড়িটির সামনে আগে থেকেই বিস্ফোরক পুঁতে রেখেছিল জঙ্গিরা।এই জেলায়ই গত দু সপ্তাহে দুবার জঙ্গি হামলার ঘটনা ঘটেছে। ডিসেম্বরের ১৬ তারিখে আর্মি ক্যাম্পের বাইরেও দুজনের মৃত্যু হয়। সূত্রের খবর, কেন্দ্রের তরফে জম্মু-কাশ্মীর (Jammu and Kashmir) প্রশাসনকে অবিলম্বে জঙ্গিদের হদিশ দিতে বলা হয়েছে। ইতিমধ্যেই জম্মু-কাশ্মীরে প্রচুর সিআরপিএফ জওয়ানকে টহল দিতে দেখা গিয়েছে। এই কেন্দ্র শাসিত অঞ্চলে ৭০ ব্যাটেলিয়নের বেশি সিআরপিএফ জওয়ান মোতায়েন করা হয়েছে বলেও খবর।

     

    দেশের খবর, দশের খবর, সব খবর, সবার আগে পেতে ফলো করুন আমাদের Facebook এবং Twitter পেজ। 

  • CRPF Female Jawan: এখন থেকে উপত্যকায় দেশের সুরক্ষার দায়িত্বে পুরুষদের সঙ্গে থাকবেন মহিলা সিআরপিএফরাও

    CRPF Female Jawan: এখন থেকে উপত্যকায় দেশের সুরক্ষার দায়িত্বে পুরুষদের সঙ্গে থাকবেন মহিলা সিআরপিএফরাও

    মাধ্যম নিউজ ডেস্ক: নারীর ক্ষমতায়ন এদেশে আর আকাশ-কুসুম কল্পনা নয়। এর আগেও বার বার সেই প্রমাণ পাওয়া গিয়েছে। আরও একবার তা প্রমাণিত হল। কাশ্মীরে সন্ত্রাসবাদ বিরোধী অভিযানে এবার থেকে বন্দুক হাতে দেখা যাবে মহিলা আধা সামরিক সিআরপিএফ জওয়ানদের (CRPF Female Jawan)।

    উপত্যকার সুরক্ষার দায়িত্বে মহিলারা  

    ২০১৪ সালে নরেন্দ্র মোদি ক্ষমতায় আসার পর থেকেই দেশের মহিলাদের ক্ষমতায়নের কথা বলেছেন। বার বার মহিলাদের পক্ষে সওয়াল করেছেন। তাঁর শাসনকালে দেশের মহিলারা পেয়েছেন বিভিন্ন গুরুত্বপূর্ণ কাজের দায়িত্ব। এবার আরও এক গুরুত্বপূর্ণ কাজের কাজের দায়িত্ব এল দেশের নারীশক্তির কাঁধে। উপত্যকার সুরক্ষায় এখন থেকে বহাল হবেন মহিলা সিআরপিএফরা। নতুন বছরের মার্চ মাস থেকেই এই দায়িত্ব পাবেন মহিলা জওয়ানরা (CRPF Female Jawan)। উপত্যকায় জঙ্গিদের সঙ্গে সরাসরি লড়াইয়ের ক্ষেত্রে এই প্রথমবারের জন্য কোনও নিরাপত্তা সংস্থার তরফে মহিলাদের যোগদান করানো হচ্ছে।          

    বর্তমানে সেন্ট্রাল রিজার্ভ পুলিশ ফোর্স (CRPF Female Jawan) মহিলা বাহিনীর প্রশিক্ষণ চলছে। মোটামুটি চার থেকে ছয় সপ্তাহ চলবে এই প্রশিক্ষণ। তারপর উপত্যকার বিভিন্ন জায়গায় পুরুষ সিআরপিএফ জওয়ানের পাশাপাশি মহিলা সিআরপিএফ মোতায়েন করা হবে। শ্রীনগর সেক্টরের সিআরপিএফ ইনস্পেক্টর জেনারেল চারু সিনহা সংবাদমাধ্যমকে বলেন, “আমরা প্রথমে অল্প সংখ্যক মহিলা জওয়ান মোতায়েন করব। কোনও ঘেরাও ও তল্লাশি অভিযানের সময় স্থানীয় মহিলারা যাতে নিরাপদ বোধ করেন, সে কথা ভেবেই এই উদ্যোগ নেওয়া হয়েছে।”

    আরও পড়ুন: কর্নাটকে ভোটের বাদ্যি বাজালেন শাহ, তুলোধোনা করলেন কংগ্রেস, জেডিএসকে

    উল্লেখ্য, চারু সিনহা প্রথম মহিলা আইপিএস অফিসার যিনি সিআরপিএফ-র (CRPF Female Jawan) শ্রীনগর সেক্টরের প্রধানের দায়িত্ব পেয়েছেন। তিনি আরও বলেন, স্থানীয় ভাবাবেগকে সম্মান জানানোর জন্য সরসারি কমব্যাটে মহিলা জওয়ান মোতায়েন করা হচ্ছে। বর্তমানে শ্রীনগর বিমানবন্দরে সিভিল সেক্রেটারিয়েট ও অন্যান্য সরকারি প্রতিষ্ঠানে মহিলাদের তল্লাশি চালানোর জন্য মহিলা সিআরপিএফ কর্মীদের মোতায়েন করা হয়ে থাকে। এবার উপত্যকায় সন্ত্রাসবাদ বিরোধী অভিযানে পুরুষ সিআরপিএফ জওয়ানের পাশে দেখা যাবে মহিলা জওয়ানদেরও। চারু সিনহা আরও বলেন, “পুরুষ কনস্টেবল যা করছেন মহিলারাও তাই করবেন। পুরুষদের কাছে যে অস্ত্র থাকবে মহিলারাদের হাতেও থাকবে একই অস্ত্র। এদিকে মহিলা সিআরপিএফ জওয়ান মোতায়েনের আগে ছয় মাসের জন্য একটি পাইলট প্রজেক্ট চালু করা হয়েছিল। আর এতে সাফল্য পাওয়ার পরেই এই সিদ্ধান্ত। মার্চ মাস থেকে সন্ত্রাসবাদ দমনে জঙ্গিদের বিরুদ্ধে অভিযানে নামবেন মহিলারা।”

    দেশের খবর, দশের খবর, সব খবর, সবার আগে পেতে ফলো করুন আমাদের Facebook এবং Twitter পেজ।

     
     
LinkedIn
Share