Tag: CRPF

CRPF

  • Lok Sabha Election 2024: নির্বাচনের পরেও কেন্দ্রীয় বাহিনী রাজ্যে, হিংসা রুখতে একগুচ্ছ পরিকল্পনা কমিশনের

    Lok Sabha Election 2024: নির্বাচনের পরেও কেন্দ্রীয় বাহিনী রাজ্যে, হিংসা রুখতে একগুচ্ছ পরিকল্পনা কমিশনের

    মাধ্যম নিউজ ডেস্ক: রাজ্যে ভোট (Lok Sabha Election 2024) চলাকালীন ও পরবর্তী সময়ে হিংসা ঠেকাতে তৎপর নির্বাচন কমিশন। শান্তিপূর্ণ নির্বাচনের লক্ষ্যে একগুচ্ছ পরিকল্পনা গ্রহণ করা হয়েছে। সেই মতোই কাজ চলছে। কমিশন (Election Commission) সূত্রে খবর, ভোট পরবর্তী সময়েও বিভিন্ন জেলায় কেন্দ্রীয় বাহিনী রাখার সিদ্ধান্ত নেওয়া হয়েছে। প্রথম দফার মতো নির্বাচনের দ্বিতীয় দফাতেও ১০০ শতাংশ বুথে কেন্দ্রীয় বাহিনী থাকবে। প্রয়োজনে আরও বাহিনী আনা হবে।

    ভোট পরবর্তী সময়ে কেন্দ্রীয় বাহিনী

    আগামী শুক্রবার প্রথম দফায় আলিপুরদুয়ার, কোচবিহার এবং জলপাইগুড়ি— রাজ্যের এই তিন আসনে ভোটগ্রহণ (Lok Sabha Election 2024)। কমিশন সূত্রে খবর, ভোট পরবর্তী হিংসা ঠেকাতে ওই তিন কেন্দ্রে দু’কোম্পানি করে মোট ৬ কোম্পানি বাহিনী মোতায়েন থাকবে। দু’কোম্পানির মধ্যে এক কোম্পানি করে বাহিনী স্ট্রংরুম পাহারা দেওয়ার জন্য ব্যবহার করা হবে। ভোট পরবর্তী সময়ে যাতে প্রতিটি কেন্দ্রে আইনশৃঙ্খলা বজায় থাকে, তা নিশ্চিত করবে আর এক কোম্পানি বাহিনী। দ্বিতীয় দফার ভোটে কেন্দ্রীয় বাহিনী মোতায়েন নিয়ে সোমবার বৈঠক করেন রাজ্যের মুখ্য নির্বাচনী দফতর। সেখানেই কমিশনের তরফে এই কথা জানানো হয়েছে।

     ১০০ শতাংশ বুথে বাহিনী

    কমিশন সূত্রে জানানো হয়েছে, দ্বিতীয় দফাতেও ১০০ শতাংশ বুথে কেন্দ্রীয় বাহিনী থাকবে। দ্বিতীয় দফায় ২৬ এপ্রিল ভোট (Lok Sabha Election 2024) নেওয়া হবে রায়গঞ্জ, বালুরঘাট ও দার্জিলিং আসনে। কমিশন সূত্রের খবর, দক্ষিণ দিনাজপুর ৭৩ কোম্পানি ফোর্স থাকবে। একইভাবে রায়গঞ্জ পুলিশ জেলায় ৬০ কোম্পানি, ইসলামপুর পুলিশ জেলায় ৫১ কোম্পানি, দার্জিলিং পুলিশ  জেলায় ৫১ কোম্পানি, শিলিগুড়ি পুলিশ  জেলায় ২১ কোম্পানি এবং কালিম্পং পুলিশ জেলায় ১৬ কোম্পানি কেন্দ্রীয় বাহিনী মোতায়েন করা হবে। মোট ২৭২ কোম্পানি কেন্দ্রীয় বাহিনী থাকবে দ্বিতীয় দফা ভোটের পাহারায়।

    আরও পড়ুুন: বিজেপির ‘সঙ্কল্পপত্রে’ করা হয়েছে কোন কোন সঙ্কল্প, জানেন?

    আরও ফোর্স আসছে

    ইতিমধ্যেই প্রথম দফার আগে রাজ্যে এসেছে পৌঁছেছে ২৭৭ কোম্পানি। যার মধ্যে ২৬৩ কোম্পানি ব্যবহার করা হবে প্রথম দফায়। সংশ্লিষ্ট তিনটি কেন্দ্রে বাহিনীর রুটমার্চও শুরু হয়ে গেছে। দ্বিতীয় দফার জন্য রাজ্যে আরও অতিরিক্ত ২২ কোম্পানি ফোর্স আসছে। এর মধ্যে ৯ কোম্পানি আসবে সিকিম থেকে এবং ১৩ কোম্পানি আসবে মেঘালয় থেকে। কমিশন (Election Commission) সূত্রে জানা গেছে, অতিরিক্ত ২২ কোম্পানি ফোর্স আসার ফলে রাজ্যে দ্বিতীয় দফা ভোটের আগে মোট বাহিনীর সংখ্যা দাঁড়াবে ২৯৯ কোম্পানি। এর মধ্যে সরাসরি বুথ পাহারায় ব্যবহার করা হবে ২৭২ কোম্পানি। বাকি ২৭ কোম্পানির মধ্যে ৬ কোম্পানি ফোর্স থাকবে স্ট্রং রুম এবং পোস্ট পোল ভায়োলেন্স সামলাতে। বাকি ২১ কোম্পানি তৃতীয় দফার বিভিন্ন কেন্দ্রে পাঠানো হবে।

    চার জেলায় বাহিনী নেই

    প্রথম দফা পর্যন্ত রাজ্যের চার জেলায় আপাতত কোনও কেন্দ্রীয় বাহিনী রাখছে না নির্বাচন কমিশন (Election Commission)। ওই জেলাগুলিতে আইনশৃঙ্খলা নিয়ন্ত্রণে থাকবে রাজ্য পুলিশ। কমিশন সূত্রে খবর, আপাতত প্রথম দফার ভোটের আগে পশ্চিম মেদিনীপুর, ঝাড়গ্রাম, বাঁকুড়া, পুরুলিয়া- এই চার জেলায় কোনও কেন্দ্রীয় বাহিনী রাখা হচ্ছে না। সেইসব বাহিনীকে অন্যত্র সরানো হচ্ছে। কমিশনের যুক্তি, ওই জেলাগুলিতে আইনশৃঙ্খলা পরিস্থিতি স্বাভাবিক রয়েছে। কেন্দ্রীয় বাহিনী আগেই রুটমার্চ করেছে। তাই তাদের অন্য জায়গায় নিয়ে যাওয়া হচ্ছে। যেহেতু একসঙ্গে বহু বুথে ভোট। ফলে সব মিলিয়ে হিসাব করেই বাহিনী রাখা হচ্ছে। আর ওই জেলাগুলিতে ভোটও দেরি আছে, তাই এই সিদ্ধান্ত।

     

    দেশের খবর, দশের খবর, সব খবর, সবার আগে পেতে ফলো করুন আমাদের  Whatsapp, FacebookTwitter, Telegram এবং Google News পেজ।

  • Central Force for Election: অবাঙালি জওয়ানদের কাছে হিট বাংলার সজনে ডাঁটা

    Central Force for Election: অবাঙালি জওয়ানদের কাছে হিট বাংলার সজনে ডাঁটা

    মাধ্যম নিউজ ডেস্ক: এ মাস থেকেই শুরু হবে লোকসভা নির্বাচন। আর লোকসভা নির্বাচনের (Central Force for Election) প্রায় এক মাস আগে থেকেই রাজ্যে এসে গিয়েছে কেন্দ্রীয় বাহিনী। বিভিন্ন জেলায় ক্যাম্প করা হয়েছে তাঁদের। আগামী ১৯ এপ্রিল প্রথম দফায় উত্তরবঙ্গে নির্বাচন। ইতিমধ্যেই আলিপুরদুয়ার লোকসভা কেন্দ্রের জন্য প্রায় ৩ কোম্পানি বাহিনী পাঠানো হয়েছে। সেখানে একটি পলিটেকনিক ইনস্টিটিউটশনে ক্যাম্প করে রয়েছেন তাঁরা। আর ক্যাম্পের রান্নাঘরে সিআরপিএফ জাওয়ানদের প্রতিদিনের খাবারের তালিকায় জায়গায় করে নিয়েছে টাটকা তাজা সজনে ডাঁটা।

    সজনে ডাটার বিভিন্ন পদ

    বাঙালি এলাকায় যখন ডিউটি পড়েছে তখন বাঙালি খাবার থেকে কি আর দূরে থাকা যায়। নির্বাচনী ডিউটি (Central Force for Election) করতে দেশের বিভিন্ন প্রান্ত থেকে কেন্দ্রীয় বাহিনী এসেছে বংলায়। আর বাঙালি এলাকায় যখন ডিউটি পড়েছে তখন বাঙালি খাবার থেকে কি আর দূরে থাকা যায়। তাই সজনে ডাঁটা, আলু, বেগুন ও বড়ি দিয়ে পাতলা ঝোল হোক কিংবা আলু, কাঁচকলা, উচ্ছে, বেগুন দিয়ে সজনে ডাঁটার শুক্তো অথবা সজনে ডাঁটার সর্ষে-পোস্ত বিভিন্ন স্বাদে জমিয়ে চলছে সজনে ডাটা খাওয়া।

    গরম পড়তেই সজনে ডাঁটার চাহিদাও রয়েছে বাংলায়

    গরমে টাটকা তাজা সবজির মধ্যে সজনে ডাঁটা অন্যতম। গরম পড়তেই সজনে ডাঁটার চাহিদাও রয়েছে (Central Force for Election) বাংলায়। আর সজনে ডাঁটার পুষ্টিগত গুণও নেহাত কম নয়। শরীর সতেজ এবং সুস্থ রাখতে তাই সজনে ডাঁটাকে আপন করে নিয়েছেন জওয়ানরাও। পাঞ্জাবের সুরিন্দর সিংই হোক বা ঝাড়খণ্ডের যশ পান্ডে অথবা বিহারের রাজেশ কুমার, রাজ্যের বাইরে থেকে আসা এই জাওয়ানদের কাছে সজনে ডাঁটার স্বাদ অবশ্য একেবারেই নতুন। তাই পলিটেকনিক ইনস্টিটিউটশনের সামনের বাজারে সকাল হলেই ভিড় জমিয়ে নানা শাক সবজি ব্যাগ ভর্তি করে কিনছেন তাঁরা। লাল শাক, বেগুন, পাট শাকের সঙ্গে বাজারের তালিকায় অবশ্যই থাকছে সজনে ডাঁটাও।

    ৮৬ জনের কোম্পানিতে রয়েছে, নাপিত-ধোপা-রাঁধুনিও

    প্রসঙ্গত, আলিপুরদুয়ারে জওয়ানদের মধ্যে ২ জন রাঁধুনি, একজন সাফাইকর্মী, একজন ধোপা ও একজন নাপিত রয়েছেন (Central Force for Election)। সকলে মিলে ৮৬ জনের কোম্পানি। কোম্পানি কমান্ডান্ট  হিসেবে আছেন সুরিন্দর। আর কেন্দ্রীয় বাহিনীর এই ক্যাম্পে রান্নার দায়িত্বে রয়েছেন  বিহারের বাসিন্দা রাজেশ কুমার। তাঁর হাতেই এখন বাংলার নিজস্ব সজনে ডাঁটা এবং অন্য শাকসবজি সুস্বাদু হয়ে উঠেছে। টাটকা রান্না করা সবজিতেই এখন মজেছেন কেন্দ্রীয় বাহিনীর এই জওয়ানরা।

    কী বলছেন জনৈক জওয়ান

    রান্নার দায়িত্বে থাকা জওয়ান রাজেশ কুমার জানায়, “রোজ মেনু চার্ট মেনেই রান্না করা হয়। তবে আলিপুরদুয়ারে কিছুদিন ধরে সজনে ডাঁটা এবং বিভিন্ন ধরনের শাকও রান্না করছি। এগুলো খেতেও খুব স্বাদ। জওয়ানরা চেটেপুটেই খাচ্ছেন।” উল্লেখ্য জওয়ানদের কেউ গুজরাট, কেউ পাঞ্জাব কেউ বা হিমাচল প্রদেশের বাসিন্দা। ফলে বাঙালি খাবারের সঙ্গে তাঁদের দূর দূরান্তে কোনও সম্পর্ক নেই। তবুও তপ্ত গরমে বাংলায় এসে কেন্দ্রীয় বাহিনীদের ক্যাম্পের হেঁসেলে জায়গা করে নিয়েছে সজনে ডাটা। অর্থাৎ অবাঙালি জাওয়ানদের কাছে এখন হিট টাটকা তাজা সজনে ডাটা।

     

    দেশের খবর, দশের খবর, সব খবর, সবার আগে পেতে ফলো করুন আমাদের WhatsappTelegramFacebookTwitter এবং Google News পেজ।

  • Central Force: রাজ্যে বাহিনীর গতিবিধির রিপোর্ট রোজ পাঠাতে হবে কেন্দ্রীয় স্বরাষ্ট্রমন্ত্রকে, জানাল সিআরপিএফ

    Central Force: রাজ্যে বাহিনীর গতিবিধির রিপোর্ট রোজ পাঠাতে হবে কেন্দ্রীয় স্বরাষ্ট্রমন্ত্রকে, জানাল সিআরপিএফ

    মাধ্যম নিউজ ডেস্ক: বাংলায় কেন্দ্রীয় বাহিনীর গতিবিধি সংক্রান্ত সমস্ত রিপোর্ট প্রতি দিন পাঠাতে হবে অমিত শাহের স্বরাষ্ট্রমন্ত্রককে। চলতি সপ্তাহের শুক্রবার থেকেই প্রতি দিন এ সংক্রান্ত রিপোর্ট দিতে হবে, এ রাজ্যের বাহিনী সমন্বয়কারী অফিসারকে (Central Force)। এ বিষয়ে ইতিমধ্যে নির্দেশ জারি করেছে সিআরপিএফ। রাজনৈতিক পর্যবেক্ষকদের ধারণা, কেন্দ্রীয় বাহিনীকে এর ফলে রাজ্যের শাসক দলের প্রশাসন নিজেদের মতো করে ব্যবহার করতে পারবে না।

    নির্দেশে কী বলা হয়েছে? 

    ওই নির্দেশে জানানো হয়েছে, কেন্দ্রীয় বাহিনীর (Central Force) অবস্থান ও গতিবিধি সংক্রান্ত সমস্ত রিপোর্ট ই-মেল ও হার্ডকপি মারফত স্বরাষ্ট্রমন্ত্রককে রিপোর্ট দিতে হবে। ওই নির্দেশে আরও বলা হয়েছে, রাজ্যে কেন্দ্রীয় বাহিনীকে যাতে সঠিক ভাবে ব্যবহার করা হয়, সে জন্যই এই পদক্ষেপ নিতে হবে। সিআরপিএফ আরও জানিয়েছে, রাজ্যের মুখ্য নির্বাচনী আধিকারিক এবং ডিজিপির সঙ্গে আলোচনা করেই কেন্দ্রীয় বাহিনীর প্রতিনিধি সিদ্ধান্ত নেবেন কোথায়, কত বাহিনী মোতায়েন হবে। বাহিনীর যাতায়তের সুবিধার জন্য রেলকে বিশেষ ট্রেনও দিতে বলা হয়েছে।

    এপ্রিলের শুরুতেই রাজ্যে আসছে আরও ২৭ কোম্পানি কেন্দ্রীয় বাহিনী

    এপ্রিলের শুরুতেই রাজ্যে আসছে আরও ২৭ কোম্পানি কেন্দ্রীয় বাহিনী। এর মধ্যে রয়েছে, ১৫ কোম্পানি সিআরপিএফ (সেন্ট্রাল রিজার্ভ পুলিশ ফোর্স), পাঁচ কোম্পানি বিএসএফ (সীমান্তরক্ষী বাহিনী) এবং সাত কোম্পানি সিআইএসএফ (সেন্ট্রাল ইন্ডাস্ট্রিয়াল সিকিউরিটি ফোর্স)। ইতিমধ্যেই দু’দফায় মোট ১৫০ কোম্পানি কেন্দ্রীয় বাহিনী রাজ্যে এসেছে। প্রথম দফায়, ১ মার্চ ১০০ কোম্পানি কেন্দ্রীয় বাহিনী আসে। ৭ মার্চ দ্বিতীয় দফায় এসেছিন আরও ৫০ বাহিনী (Central Force)। জেলায় জেলায় বাহিনী রুটমার্চও করছে। সন্ত্রাসমুক্ত পরিবেশ নির্মাণ ও সাধারণ মানুষের মনোবল বৃদ্ধি করতেই কেন্দ্রীয় বাহিনীর এমন রুটমার্চ বলে জানা গিয়েছে। প্রশাসনের দাবি, ইতিমধ্যেই জেলার বিভিন্ন থানা এলাকায় কেন্দ্রীয় বাহিনীর টহল শুরু হয়েছে।

    ৭ দফায় নির্বাচন

    উল্লেখ্য, সারা দেশে নির্বাচন সাত দফায় হবে। প্রতিটি দফাতেই পশ্চিমবঙ্গের কোনও না কোনও আসন থাকবেই। প্রথম দফার নির্বাচন ১৯ এপ্রিল। প্রথম দফায় ভোটগ্রহণ হবে কোচবিহার, আলিপুরদুয়ার, জলপাইগুড়িতে। কমিশন সূত্রে জানা গিয়েছে, বাংলায় প্রথম দফার তিনটি আসনের ভোটে ২২৫ কোম্পানির বেশি কেন্দ্রীয় বাহিনী (Central Force) ব্যবহার করা হতে পারে।

     

    দেশের খবর, দশের খবর, সব খবর, সবার আগে পেতে ফলো করুন আমাদের Facebook, Twitter এবং Google News পেজ।

  • Bastar: ছত্তিশগড়ে নিরাপত্তাবাহিনীর এনকাউন্টারে খতম ৭ মাওবাদী

    Bastar: ছত্তিশগড়ে নিরাপত্তাবাহিনীর এনকাউন্টারে খতম ৭ মাওবাদী

    মাধ্যম নিউজ ডেস্ক: গত রবিবার থেকে ছত্তিশগড়ের বস্তারে (Bastar) নিরাপত্তা বাহিনীর এনকাউন্টারে খতম সাত মাওবাদী। রবিবার নিহত হন ৩ মাওবাদী নেতা, মঙ্গলবারের রাতের অভিযানে মারা যান ৪ মাওবাদী। বিজাপুরের জঙ্গলে গতকাল মঙ্গলবার রাতে এই অভিযান চালায় সেন্ট্রাল রিজার্ভ পুলিশ ফোর্স, বস্তার ফাইটারস্ এবং জেলা পুলিশের একটি টিম।

    মঙ্গলরাতে মাওবাদীদের সঙ্গে জঙ্গলে গুলির লড়াই

    নিরাপত্তা বাহিনী গোপন সূত্রে খবর পায়, ৪০ থেকে ৫০ জনের একটি মাওবাদীদের দল বিজাপুরের জঙ্গলে রয়েছে। সেই মতো হানা দেয় নিরাপত্তা বাহিনী। জানা গিয়েছে জঙ্গলা পুলিশ স্টেশনের আওতায় থাকা ওই অঞ্চলে নিরাপত্তা বাহিনী পৌঁছাতেই শুরু হয়ে যায় গুলির লড়াই। নিরাপত্তা বাহিনীর কাছে এও খবর ছিল, ওই অঞ্চলে (Bastar) গা ঢাকা দিয়ে রয়েছেন যতনা সরকার নামের শীর্ষ মাওবাদী নেতা। জানা গিয়েছে, কয়েক ঘণ্টা ধরে চলে ওই গুলির লড়াই। যখন গুলির লড়াই শেষ হয় তখন চারজন মাওবাদী নেতার দেহ উদ্ধার হয়। মাওবাদী নেতাদের কাছ থেকে উদ্ধার করা হয়েছে প্রচুর অস্ত্রশস্ত্র এবং বিস্ফোরক। দেশীয় পিস্তল, মাওবাদীদের প্রচার পুস্তিকা, ওয়াকি টকি এবং নিত্য প্রয়োজনীয় সামগ্রীও উদ্ধার করা হয়েছে।

    রবিবার নিরাপত্তা বাহিনীর অভিযানে খতম ৩ মাওবাদী

    প্রসঙ্গত এর আগে গত রবিবার ২৫ ফেব্রুয়ারি নিরাপত্তা বাহিনী অপারেশন চালায় কোয়ালিবেড়াতে (Bastar)। সেখানেও তিনজন মাওবাদী নিহত হয় এনকাউন্টারে। জানা গিয়েছে টেকালগুডা নামক জায়গাতে চলতি বছরের শুরুতেই হামলা চালায় মাওবাদীরা। তারপরেই পাল্টা প্রত্যাঘাতে নামে নিরাপত্তা বাহিনী। টেকালগুডাতে অবস্থিত নিরাপত্তা বাহিনীর ক্যাম্পেও হামলা চালায় মাওবাদীরা। এবং সেখানে বেশ কয়েকজন রক্ষী নিহত হন। এরপরেই সুকমা জেলায় স্থানীয় পুবেরতি গ্রামে একটি ক্যাম্প তৈরি করে জওয়ানরা। এখান থেকেই যাবতীয় অপারেশন চালাতে থাকে নিরাপত্তা বাহিনী। সুকমাতে যে জায়গায় নিরাপত্তারক্ষীরা ক্যাম্প তৈরি করেছে সেটি কুখ্যাত মাওবাদী নেতা মাধবী হিদমার বাসস্থান বলে পরিচিত।

     

    দেশের খবরদশের খবরসব খবরসবার আগে পেতে ফলো করুন আমাদের FacebookTwitter এবং Google News পেজ।

  • ECI: লোকসভা নির্বাচনে কেন্দ্রীয় বাহিনী থাকবে সিআরপিএফের নিয়ন্ত্রণে, সিদ্ধান্ত নির্বাচন কমিশনের

    ECI: লোকসভা নির্বাচনে কেন্দ্রীয় বাহিনী থাকবে সিআরপিএফের নিয়ন্ত্রণে, সিদ্ধান্ত নির্বাচন কমিশনের

    মাধ্যম নিউজ ডেস্ক: হাতে গোনা আর মাত্র ক’টা দিন। তারপরেই আসন্ন লোকসভা নির্বাচনের বাজনা বেজে যাবে। ইতিমধ্যেই জাতীয় নির্বাচন কমিশন (ECI) বেশ কিছু নজরকাড়া পদক্ষেপ গ্রহণ করেছে। তবে উল্লেখযোগ্যভাবে নির্বাচনী নির্ঘণ্ট প্রকাশ হওয়ার আগেই নির্বাচন কমিশন জানিয়ে দিয়েছে, প্রত্যেক বুথেই থাকবে কেন্দ্রীয় বাহিনী। যদিও ২০১৯ এবং ২০২১ সালে এই কেন্দ্রীয় বাহিনী মোতায়েন করা হলেও তাকে সম্পূর্ণভাবে মনিটর করেছে বিএসএফ। কিন্তু এবার আসন্ন লোকসভা নির্বাচনে কেন্দ্রীয় বাহিনীর সব কিছুই মনিটর করবে সিআরপিএফ। শাসক থেকে বিরোধী, সকলেই বিএসএফের দিকে বিভিন্ন সময়ে আঙুল তুলেছে। আর সব কিছু পর্যালোচনা করেই জাতীয় নির্বাচন কমিশন এবার সিদ্ধান্ত নিয়েছে, রাজ্যের মুখ্য নির্বাচনী আধিকারিকের দফতর, জেলা নির্বাচনী আধিকারিক বা রিটার্নিং অফিসার থেকে শুরু করে কেন্দ্রীয় বাহিনী যেখানে যেখানে মোতায়েন হবে, তার সব কিছুই মনিটার করবে একমাত্র সিআরপিএফ।

    যোগাযোগ রক্ষার কাজও করবে সিআরপিএফ (ECI)

    পাশাপাশি কেন্দ্রীয় বাহিনী সংক্রান্ত সব বিষয়ে কমিশন এবং মুখ্য নির্বাচনী আধিকারিকের সঙ্গে যোগাযোগ রক্ষার কাজ করবে সিআরপিএফ। নির্বাচনী নির্ঘণ্ট প্রকাশ হওয়ার আগে থেকেই সব দিকের সব কাজ আগে থাকতেই শেষ করে রাখতে চাইছে জাতীয় নির্বাচন কমিশন। ২০২১ সালের বিধানসভা নির্বাচনে কেন্দ্রীয় বাহিনীর গতিবিধি এবং অতি সক্রিয়তা নিয়ে বারবার প্রশ্ন করেছিল রাজ্যের শাসক দল। অন্যদিকে রাজ্যের শাসক তথা বিরোধী তর্জার মাঝেই জাতীয় নির্বাচন কমিশন (ECI) জানিয়ে দিয়েছে, আসন্ন ২০২৪’ এর লোকসভা নির্বাচনে কেন্দ্রীয় বাহিনীকে মোতায়েন করা থেকে শুরু করে সব কিছুই এবার মনিটর করবে সিআরপিএফ।

    আশায় বুক বাঁধছে মানুষ (ECI)

    এখন দেখার বিষয় একটাই, সম্প্রতি রাজ্যের শেষ হওয়া পঞ্চায়েত ভোটে মানুষের মধ্যে যে ছবি এখনও ঢুকে রয়েছে, সেই আতঙ্ককে দূর করে কেন্দ্রীয় বাহিনীর নিজস্ব যে ভূমিকা তা যথাযথ ভাবে পালন করে আদপে সিআরপিএফ কতটা সক্রিয় ভূমিকা পালন করতে পারে এবং আসন্ন লোকসভা নির্বাচনে জাতীয় নির্বাচন কমিশনের (ECI) গরিমাকে ধরে রাখতে কতটা তৎপর হতে পারে। তবে জাতীয় নির্বাচন কমিশনের যে ভূমিকা এখন থেকেই সাধারণ মানুষ দেখছে, তাতে আশায় বুক বাঁধছে মানুষ, হয়তো বা এবার রাজ্যে অবাধ, শান্তিপূর্ণ এবং রক্তপাতহীন লোকসভা নির্বাচন সম্পন্ন হবে।

     

    দেশের খবরদশের খবরসব খবরসবার আগে পেতে ফলো করুন আমাদের FacebookTwitter এবং Google News পেজ

  • ED: ‘রণসজ্জায়’ সজ্জিত ইডি শাহজাহানের বাড়িতে ঢুকল তালা ভেঙে, উধাও ‘তৃণমূলের বীরপুঙ্গবরা’

    ED: ‘রণসজ্জায়’ সজ্জিত ইডি শাহজাহানের বাড়িতে ঢুকল তালা ভেঙে, উধাও ‘তৃণমূলের বীরপুঙ্গবরা’

    মাধ্যম নিউজ ডেস্ক: ১৯ দিন পর বুধবার ফের সন্দেশখালির বেতাজ বাদশার ডেরায় হানা দিল ইডি (ED)। তাঁর বাড়ির ভিতরে তল্লাশি চালিয়ে কী উদ্ধার হয় তা নিয়ে রাজ্যবাসীর নজর ছিল। এদিন শাহজাহানের বাড়িতে হানার সময় রাজ্য পুলিশের পাশাপাশ রাজ্য পুলিশের বিশেষ প্রশিক্ষণপ্রাপ্ত র‍্যাফকে দেখা গিয়েছে। তাঁরা হেলমেট পরিহিত। হাতে লাঠি বা আধুনিক অস্ত্র। শাহজাহানের বাড়ির ফটকে দাঁড়িয়ে রয়েছেন রাজ্য পুলিশের জওয়ানরা। সঙ্গে রয়েছেন সিআরপিএফ জওয়ানরাও। এবার ‘রণসজ্জায়’ সজ্জিত হয়ে তৃণমূল নেতার ঘরের তালা ভেঙে ঢোকেন ইডি আধিকারিকরা। তারপর একের পর এক ঘরে ঢুকে চলে তল্লাশি। নামিয়ে আনা হয় সুটকেস। ভাঙা হয়েছে আলমারির তালা।

    তল্লাশি চালিয়ে কী মিলল? (ED)

    বুধবার সাতসকালে শাহজাহানের বাড়িতে যান ইডির (ED) ছয় আধিকারিক। তাঁদের মধ্যে দু’জন অ্যাসিস্ট্যান্ট ডিরেক্টর পদমর্যাদার অফিসার রয়েছেন। এ ছাড়া এক জন আছেন শুধুমাত্র ছবি তোলার জন্য। তাঁরা একের পর এক ঘরে যান। সমস্ত ঘরে তল্লাশি চালান। আসবাবপত্র ঘাঁটতে ঘাঁটতে পৌঁছে যান রান্নাঘরেও। ঘরের ভিতরে থাকা আলমারির তালা ভাঙা হয়েছে। সুটকেস নামিয়ে খোলা হয়েছে। কিন্তু, রান্নাঘরের সিঙ্ক থেকে বাসনকোসন আর আলমারি এবং সুটকেস থেকে জামাকাপড় ছাড়া কিচ্ছু মেলেনি।

    নিরাপত্তায় মোড়া গোটা এলাকা, বন্ধ শাহজাহান মার্কেট

    ১৯ দিন আগে ইডি (ED) হানার সময় সন্দেশখালির শাহজাহানের বাড়ির সঙ্গে বুধবারের তাঁর বাড়ি ও আশপাশের পরিবেশের চেহারা একেবারেই আলাদা। এদিন সন্দেশখালিতে শেখ শাহজাহানের বাড়িতে ইডির অভিযান চালানোর সময় বাড়ির সামনে নেই কোনও জনতার ভিড়়। তৃণমূল নেতার নামাঙ্কিত শাহজাহান মার্কেটের একটি দোকানও খোলেনি। বাজারে দেখা গেল সুনসান ছবি। আদালতের নির্দেশে তৃণমূল নেতার বাড়ির সঙ্গে সঙ্গে সন্দেশখালির বাজারেও সিসি ক্যামেরা বসিয়েছিল পুলিশ। সাধারণ মানুষের আনাগোনাও একেবারেই হাতেগোনা। সমস্ত এলাকা দখল নিয়েছে রাজ্য পুলিশ এবং সিআরপিএফ। শাহজাহানের বাড়ি থেকে বড় রাস্তায় যাওয়ার জন্য রয়েছে এক চিলতে রাস্তা। সেই ১০০ মিটার রাস্তাও পুরোপুরি মোড়া খাকি, জলপাই পোশাক পরিহিত দীর্ঘদেহীদের দিয়ে। বড় রাস্তার দখলও পুরোপুরি নিরাপত্তাবাহিনীর হাতে। জায়গায় জায়গায় তাঁরা দাঁড়িয়ে রয়েছেন। সকাল থেকে শাহজাহানের বাড়িতে তল্লাশি চালিয়ে সেরকম গুরুত্বপূর্ণ কিছু পাননি ইডি আধিকারিকরা।

     

    দেশের খবরদশের খবরসব খবরসবার আগে পেতে ফলো করুন আমাদের FacebookTwitter এবং Google News পেজ।

  • Panchayat Election 2023: কমিশন নিজের মতো বাহিনী মোতায়েন করেছে, বিস্ফোরক বিএসএফ কর্তা

    Panchayat Election 2023: কমিশন নিজের মতো বাহিনী মোতায়েন করেছে, বিস্ফোরক বিএসএফ কর্তা

    মাধ্যম নিউজ ডেস্ক: বিএসএফ আগেই রাজ্য নির্বাচন কমিশনকে চিঠি দিয়ে জানতে চেয়েছিল স্পর্শকাতর বুথের তালিকা। অভিযোগ, দিচ্ছি দেবো করে বার বার এড়িয়ে গিয়েছেন রাজ্য নির্বাচন কমিশনার রাজীব সিনহা। শুক্রবার রাতেও অনেক বার আমরা চেয়েছিলাম স্পর্শকাতর বুথের তালিকা (Panchayat Election 2023)। কিন্তু কমিশন এবং কমিশনার সেই তালিকা দেয়নি। যার ফলে বাহিনী এলেও তাকে কোথায় কীভাবে মোতায়েন করা হবে, তা কিছুই জানাতে পারেনি রাজ্য নির্বাচন কমিশন। দশম পঞ্চায়েত নির্বাচনকে কেন্দ্র করে বিএসএফের পক্ষ থেকে এমনই দাবি করা হয়েছে। তাদের অভিযোগ, কমিশন তার নিজের মতো করে বাহিনীকে মোতায়েন করেছে। শনিবার রাজ্যে যে পঞ্চায়েত নির্বাচন হয়েছে এবং তাতে যে হিংসার ঘটনা ঘটেছে, তার জন্য কেন্দ্রীয় বাহিনী কোন অংশেই দায়ী নয় বলে বিএসএফের পক্ষ থেকে ট্যুইট করা হয়েছে।

    বাহিনী পাঠাতেও দেরি করেছে কমিশন (Panchayat Election 2023)

    এমনকী বিএসএফ এটাও জানায়, দূর দূরান্ত থেকে যে বাহিনী এসেছে, তাদের সবাইকেই প্রথমে আনা হয়েছে কলকাতায়। তারপর ফের পাঠানো হয়েছে দূর দূরান্তের সব জেলায়। আর এখানেই দেখা দিয়েছে যত বিপত্তি। তার কারণ রাজ্যে বাহিনী এসে পৌঁছালেও তাদের সঠিক জায়গায় পাঠাতে অনেক দেরি করেছে কমিশন। কমিশনের এই চূড়ান্ত অব্যবস্থার কথা জানিয়ে শনিবার বিএসএফের আইজি এস সি বুধাকোটি কমিশনার রাজীব সিনহাকে চিঠি দিয়েছেন, যা নিয়ে কমিশনার (Panchayat Election 2023) মুখে কুলুপ এঁটেছেন। অর্থাৎ গাফিলতিতেই কেন্দ্রীয় বাহিনীকে সঠিকভাবে মোতায়েন করতে যে কমিশন চূড়ান্ত ভাবে ব্যর্থ হয়েছে, সে কথা বিএসএফের আইজি এস সি বুধাকোটি স্পষ্ট করে দিয়েছেন।

    অশান্তির (Panchayat Election 2023) ঘটনার সঙ্গে কেন্দ্রীয় বাহিনীর সম্পর্ক নেই, দাবি বিএসএফের

    প্রথম দিন থেকে শেষ মুহূর্ত পর্যন্ত বাহিনী মোতায়েনের তালিকা ও স্পর্শকাতর বুথের তালিকা চেয়েও পাননি বিএসএফ এবং সিআরপিএফ কর্তারা। অন্য দিকে তাঁরা জানাচ্ছেন, শনিবার পঞ্চায়েত নির্বাচনে যেখানে যেখানে অশান্তির ঘটনা ঘটেছে, তার সঙ্গে কেন্দ্রীয় বাহিনীর কোনও সম্পর্ক নেই। কারণ ওই জায়গায় রাজ্য পুলিশ মোতায়েন ছিল। এ ক্ষেত্রে তাঁদের কোনও গাফিলতি নেই বলে দাবি করেন বুধাকোটি। বেলা গড়াতেই রাজ্য নির্বাচন কমিশনার (Panchayat Election 2023) রাজীব সিনহা সংবাদ মাধ্যমকে জানান, বাহিনী দিতে যদি এত দেরি না করত, তাহলে রাজ্যে এই হিংসার ঘটনা ঘটত না। আর এখান থেকেই বিএসএফের সঙ্গে কমিশনের ফের টক্কর শুরু হয়েছে। একে অপরের ঘাড়ে দোষ চাপাতে গিয়ে রাজ্যে পঞ্চায়েত নির্বাচনে সকাল থেকেই একের পর এক নজিরবিহীন ঘটনা ঘটে গিয়েছে। চলে গিয়েছে বারোটি প্রাণ ,চলেছে গুলি, ফেটেছে বোমা, ঝরেছে রক্ত, অশান্ত হয়েছে বাংলা।

     

    দেশের খবর, দশের খবর, সব খবর, সবার আগে পেতে ফলো করুন আমাদের FacebookTwitter এবং Google News পেজ।

  • Train Accident: নিহত সিআরপিএফ জওয়ানের কফিনবন্দি দেহ ফিরল গ্রামে, গান স্যালুটে শেষ বিদায়

    Train Accident: নিহত সিআরপিএফ জওয়ানের কফিনবন্দি দেহ ফিরল গ্রামে, গান স্যালুটে শেষ বিদায়

    মাধ্যম নিউজ ডেস্ক: রাজ্যের বিভিন্ন জায়গা থেকে আসছে একের পর এক মন খারাপ করা খবর। একের পর এক পরিবারে শোকের ছায়া। এবার বালেশ্বরে ট্রেন দুর্ঘটনায় (Train Accident) নিহত সিআরপিএফ জওয়ানের কফিনবন্দি দেহ পৌঁছাল বাঁকুড়ার ইন্দাসের বাড়িতে। দুর্ঘটনার দিন থেকে নিখোঁজ ছিলেন বাঁকুড়ার ইন্দাস ব্লকের কুশমুড়ি গ্রামের ওই সিআরপিএফ জওয়ান নিখিল ধাড়া। দীর্ঘ খোঁজাখুঁজির পরেও তাঁর দেহ মিলছিল না। অবশেষে গতকাল সিআরপিএফ-এর তৎপরতায় তাঁর মৃতদেহের খোঁজ মেলে। মরদেহ চিহ্ণিত করার পর আজ মৃত নিখিল ধাড়ার কফিনবন্দি দেহ সিআরপিএফ জওয়ানদের কাঁধে ফেরে ইন্দাসের কুশমুড়ি গ্রামে। চোখের জলে নিহত জওয়ানকে শেষ বিদায় জানান এলাকার হাজার হাজার মানুষ।

    কীভাবে ঘটেছিল দুর্ঘটনা (Train Accident)?

    পরিবার সুত্রে জানা গেছে, সম্প্রতি রাজগীরে প্রশিক্ষণ নিতে যান ছত্তিশগড়ে সিআরপিএফে কর্মরত বাঁকুড়ার নিখিল ধাড়া। প্রশিক্ষণ নিয়ে রাজগীর থেকে খড়্গপুরে এসে গত ২ জুন নিজের কর্মস্থলে যাওয়ার উদ্দেশ্যে করমণ্ডল এক্সপ্রেসে চেপে বসেন নিখিল। তারপরই ঘটে যায় ভয়াবহ দুর্ঘটনা (Train Accident)। দুর্ঘটনার পর থেকে আর নিখিলের কোনও খোঁজ মিলছিল না। বহু চেষ্টা করেও তাঁর সাথে যোগাযোগ করে উঠতে পারেনি পরিবার। গতকাল গ্রামের একদল বাসিন্দা নিখিলের খোঁজে বালেশ্বরে যান। সেখানে প্রশাসনের সহযোগিতায় নিখিলের সঙ্গে থাকা ব্যাগ ও তার ভিতরে থাকা পরিচয়পত্র মিললেও নিখিলের খোঁজ মিলছিল না। অবশেষে সিআরপিএফ-এর তরফেও শুরু হয় সন্ধান। শেষে ওড়িশার একটি হাসপাতালে নিখিলের মৃতদেহের খোঁজ মেলে। এরপরই তাঁর  দেহ গ্রামের বাড়িতে ফিরিয়ে আনার উদ্যোগ নেয় সিআরপিএফ।

    গান স্যালুটে শেষ বিদায়

    আজ দুপুরে সিআরপিএফ-এর গাড়িতে করে জওয়ানরা কুশমুড়ি গ্রামে নিহত (Train Accident) জওয়ানের দেহ নিয়ে পৌঁছান। সেখানেই তাঁকে শ্রদ্ধা জানাতে হাজির ছিলেন এলাকার কয়েক হাজার মানুষ। কুশমুড়ি গ্রামের অদূরেই গান স্যালুট দিয়ে তাঁর শেষকৃত্য সম্পন্ন হচ্ছে।

     

    দেশের খবর, দশের খবর, সব খবর, সবার আগে পেতে ফলো করুন আমাদের FacebookTwitter এবং Google News পেজ।

  • Madvi Hidma: মাথার দাম ছিল ৪০ লক্ষ! খতম শীর্ষ মাওবাদী নেতা হিদমা, ছত্তিসগড়ে বড় সাফল্য বাহিনীর

    Madvi Hidma: মাথার দাম ছিল ৪০ লক্ষ! খতম শীর্ষ মাওবাদী নেতা হিদমা, ছত্তিসগড়ে বড় সাফল্য বাহিনীর

    মাধ্যম নিউজ ডেস্ক: ফের মাওবাদী হামলার ঘটনা ঘটলো ছত্তিসগড়ে। গতকাল সিআরপিএফ জওয়ানদের উপরে হামলা চালায় মাওবাদীদের একটি দল। পাল্টা হামলায় এক শীর্ষস্থানীয় মাওবাদী নেতার মৃত্যু হয়েছে বলে জানা গেছে। এদিন ছত্তিসগড়ের একটি প্রত্যন্ত এলাকায় সিআরপিএফ ক্যাম্পে হেলিকপ্টার থেকে জওয়ানদের নামার সময় আচমকাই হামলা চালায় মাওবাদীরা। ছত্তিসগড়ের এই ক্যাম্প থেকে এখন ব্যাপক মাওবাদী বিরোধী অভিযান চালানো হচ্ছে আধা-সামরিক বাহিনীর পক্ষ থেকে। ছত্তিসগড় এবং তেলঙ্গানা সীমান্তে এই ঘটনা ঘটেছে বলে সূত্রের খবর।

    আজ জাতীয় যুব দিবস, স্বামী বিবেকানন্দের জন্মদিনে পড়ুন তাঁর কিছু অমর বাণী

    অভিযান চালাচ্ছে কোবরা বাহিনী

    মাওবাদী বিরোধী এই অপারেশন চলছে মূলত মাওবাদীদের কিছু সিনিয়র নেতাদের ধরা অথবা নিকেশ করার উদ্দেশ্যেই। এমনটাই জানা যাচ্ছে আধা-সামরিক বাহিনী সূত্রে। সিআরপিএফ জওয়ানদের মধ্যে থেকে বিশেষ প্রশিক্ষণপ্রাপ্ত কোবরা (CoBRA) টিম এই অপারেশনের চালাচ্ছে। দুর্গম এলাকাগুলি হেলিকপ্টারে করে পৌঁছাতে হচ্ছে তাঁদের। প্রত্যন্ত এলাকাগুলোতে নেমে কোবরা বাহিনীর এই অভিযান আগামীদিনেও চলবে বলে জানা যাচ্ছে। ছত্তিসগড়ের বিজাপুর এবং সুকমা জেলায় অবস্থিত বেশকিছু অঞ্চল এখনও মাওবাদী অধ্যুষিত। এই এলাকাগুলি তেলঙ্গানা সীমান্ত সংলগ্ন। 

    মৃত মাওবাদী নেতার পরিচয়

    সিআরপিএফ-এর পক্ষ থেকে জানানো হয়েছে যে গুলির লড়াইতে শেষ পর্যন্ত মাওবাদীরা পিছু হঠে। এদিনের সংঘর্ষের ঘটনায় সিআরপিএফ জওয়ানদের কোনও ক্ষতি হয়নি বলেই জানা গেছে। তবে ছত্তিসগড়ের মাওবাদী নেতা মাডভি হিদমার (Madvi Hidma) মৃত্যু হয়েছে। ৪৩ বছর বয়সী এই নেতার মাথার উপর ৪০ লক্ষ টাকা পুরস্কার ঘোষণা করা হয়েছিল রাজ্য সরকারের পক্ষ থেকে। প্রসঙ্গত ২০২১ সালের ৩ এপ্রিল ছত্তিসগড়ে যে ভয়ঙ্কর মাওবাদী হামলা ঘটেছিল তার পিছনে মাস্টারমাইন্ড ছিল এই মাডভি হিদমা (Madvi Hidma)। বস্তার জেলার এই হামলায় নিহত হয়েছিলেন ২২ জন জওয়ান এবং আহত হয়েছিলেন আরও ৩১ জন।

    দেশের খবর, দশের খবর, সব খবর, সবার আগে পেতে ফলো করুন আমাদের Facebook এবং Twitter পেজ। 

  • Lok Sabha Election 2024: শুধু উত্তর ২৪ পরগনাতেই ২১ কোম্পানি, রাজ্যের কোন জেলায় রয়েছে কত বাহিনী?

    Lok Sabha Election 2024: শুধু উত্তর ২৪ পরগনাতেই ২১ কোম্পানি, রাজ্যের কোন জেলায় রয়েছে কত বাহিনী?

    মাধ্যম নিউজ ডেস্ক: রাজনৈতিক দলগুলির পক্ষ থেকে প্রার্থী ঘোষণার পর্ব শুরু হলেও ২০২৪ সালের লোকসভা নির্বাচনের (Lok Sabha Election 2024) দিনক্ষণ আনুষ্ঠানিকভাবে এখনও ঘোষণা করেনি নির্বাচন কমিশন। বাংলায় নির্বাচনের সময় যা পরিস্থিতির সৃষ্টি হয়, সেই অভিজ্ঞতাকে মাথায় রেখে এবং ভোটারদের আস্থা ফেরাতে মার্চ মাসের প্রথম থেকেই কেন্দ্রীয় বাহিনী নিয়ে আসা হয়েছে এ রাজ্যে। 

    এই মর্মে, পশ্চিমবঙ্গে এখনও পর্যন্ত মোট ১৫০ কোম্পানি বাহিনী পৌঁছে গিয়েছে এবং বিভিন্ন জেলায় তাদের মোতায়েন করা হয়েছে (Lok Sabha Election 2024)। জেলায় জেলায় টহল শুরু করেছে কেন্দ্রীয় বাহিনী। এলাকার রাস্তা ধরে রুট মার্চ করছেন জওয়ানরা। এই বাহিনীর মধ্যে কোন কোন জেলায় কত কোম্পানি মোতায়েন করা হয়েছে তার তালিকা প্রকাশ করা হয়েছে কমিশনের পক্ষ থেকে। দেখা যাচ্ছে, সবচেয়ে বেশি বাহিনী মোতায়েন রয়েছে উত্তর ২৪ পরগনাতে।

    উত্তর ২৪ পরগনায় কত (Lok Sabha Election 2024)?

    উত্তর ২৪ পরগনায় এখনও পর্যন্ত ২১ কোম্পানি বাহিনী মোতায়েন করা হয়েছে। শুধুমাত্র বসিরহাটেই মোতায়েন রয়েছে ৫ কোম্পানি। এছাড়া, বারাসতে ৩, বনগাঁয় ৩, বারাকপুরে ৬, বিধাননগরে ৪ কোম্পানি বাহিনী রাখা হয়েছে। এই জেলার সব জায়গায় বিএসএফ বাহিনী থাকবে। কেবলমাত্র বিধাননগরে সিআরপিএফ রাখা হবে।

    দক্ষিণবঙ্গে আর কোথায় কত?

    অন্যদিকে, দক্ষিণ ২৪ পরগনার বারুইপুর, ডায়মন্ডহারবাড়, সুন্দরবনে মোট ৯ কোম্পানি বাহিনী রাখা হবে। একই সঙ্গে বাঁকুড়ায় ৪, বীরভূমে ৪, পূর্ব মেদিনীপুরে ৭, পশ্চিম মেদিনীপুরের ৫ কোম্পানি মোতায়েন রয়েছে। আবার নদিয়া জেলায় ৮ কোম্পানি, মুর্শিদাবাদ জেলায় ৮, পশ্চিম বর্ধমানে ৬, পূর্ব বর্ধমানে ৪, পুরুলিয়ায় ৪  এবং ঝাড়গ্রামে ৩ কোম্পানি বাহিনী মোতায়েন করা হয়েছে।

    কলকাতায় কত বাহিনী (Lok Sabha Election 2024)

    কমিশন সূত্রে জানা গিয়েছে, কলকাতায় মোট ১০ কোম্পানি বাহিনী রাখা হয়েছে। তার মধ্যে ৮ কোম্পানি বিএসএফ এবং দুই কোম্পানি সিআরপিএফ। হাওড়া, হুগলি ও দক্ষিণ ২৪ পরগনা জেলায় মোতায়েন করা হয়েছে ৯ কোম্পানি করে কেন্দ্রীয় বাহিনী। এর মধ্যে হুগলির চন্দননগরেই রয়েছে ৫ কোম্পানি বাহিনী।

    উত্তরবঙ্গে কত (Lok Sabha Election 2024)?

    দক্ষিণবঙ্গের সঙ্গে উত্তরবঙ্গেও বাহিনী মোতায়েন হয়েছে। এর মধ্যে দার্জিলিঙে ৭ কোম্পানি, কোচবিহারে ৫ কোম্পানি, আলিপুরদুয়ারে ৩ কোম্পানি, জলপাইগুড়িতে চার কোম্পানি, কালিম্পঙে ২ কোম্পানি বাহিনী মোতায়েন করা হবে। উত্তর-দক্ষিণ দুই দিনাজপুরে থাকবে মোট ৭ এবং ৪ কোম্পানি। মালদায় মোতায়েন করা হবে ৭ কোম্পানি বাহিনী।

     

     

    দেশের খবর, দশের খবর, সব খবর, সবার আগে পেতে ফলো করুন আমাদের Facebook, Twitter এবং Google News পেজ।

LinkedIn
Share