Tag: Dengue

Dengue

  • Dengue: মরশুমের শুরুতেই একের পর এক মৃত্যু! ডেঙ্গি সংক্রমণ হতে পারে লক্ষাধিক! 

    Dengue: মরশুমের শুরুতেই একের পর এক মৃত্যু! ডেঙ্গি সংক্রমণ হতে পারে লক্ষাধিক! 

    মাধ্যম নিউজ ডেস্ক: আগাম সতর্কবার্তা দেওয়া হয়েছিল। কিন্তু সেই মতো কাজ কতখানি হয়েছে, সেই প্রশ্ন তুলছে মৃত্যু। বর্ষার মরশুম শুরু হতেই ফের একের পর এক মৃত্যু রাজ্যে! আক্রান্তের সংখ্যাও প্রত্যেক দিন লাফিয়ে লাফিয়ে বাড়ছে। প্রশ্ন উঠছে, ডেঙ্গি (Dengue) রুখতে কতখানি সক্রিয় রাজ্যের স্বাস্থ্য দফতর!

    কী বলছে স্বাস্থ্য দফতরের তথ্য (Dengue)? 

    ২০১৭ সাল থেকেই রাজ্যে ডেঙ্গি সংক্রমণ গোটা দেশের চর্চার বিষয় হয়ে উঠেছে। সেই ধারা এ বছরেও অব্যাহত থাকবে বলেই আশঙ্কা করছে সংশ্লিষ্ট মহল। ন্যাশনাল সেন্টার ফর ভেক্টর বোর্ন ডিজিজেজ-এর তথ্য অনুযায়ী, ২০২২ সালে রাজ্যে ডেঙ্গি আক্রান্তের সংখ্যা ছিল ৬৭,২৭১। ৩০ জন ডেঙ্গি আক্রান্তের মৃত্যু হয়েছিল বলে সরকারি হিসাব। যদিও, বেসরকারি হিসাবে মৃত্যুর সংখ্যা শতাধিক। এ বছরের পরিস্থিতি আরও ভয়ানক হতে চলেছে বলেই আশঙ্কা করছে সংশ্লিষ্ট মহল। 
    স্বাস্থ্য দফতর সূত্রে জানা গিয়েছে, জুলাইয়ের দ্বিতীয় সপ্তাহ পর্যন্ত রাজ্যে ডেঙ্গি (Dengue) আক্রান্তের সংখ্যা ৪০ হাজার ছাড়িয়েছে। গত তিন সপ্তাহে প্রায় এক হাজারের কাছাকাছি মানুষের ডেঙ্গি রিপোর্ট পজিটিভ। 
    চিন্তা বাড়াচ্ছে পর পর ডেঙ্গিতে আক্রান্ত হয়ে চারজনের মৃত্যু। সূত্রের খবর, গত কয়েক দিনের মধ্যে কলকাতার তিনটি বেসরকারি হাসপাতালে চারজন ডেঙ্গি আক্রান্তের মৃত্যু হয়েছে। তার মধ্যে একজন দশ বছরের স্কুল ছাত্রী।

    কী আশঙ্কা করছে বিশেষজ্ঞ মহল? 

    বিশেষজ্ঞ মহল জানাচ্ছে, পরিস্থিতি যে উদ্বেগজনক তা স্পষ্ট।  জুন-জুলাইয়ে পরিস্থিতি এতখানি খারাপ থাকে না। বিগত বছরগুলোতে সেপ্টেম্বর-অক্টোবর মাসে আক্রান্তের সংখ্যা হাজার পেরিয়ে যায়। কিন্তু এ বছরে জুলাই মাসের প্রথম কয়েক সপ্তাহের মধ্যে আক্রান্তের সংখ্যা উর্ধ্বমুখী। ডেঙ্গিতে মৃত্যুর ঘটনাও ঘটছে। তাই এ বছরের ডেঙ্গি (Dengue) সংক্রমণের ‘পিক টাইম’ সেপ্টেম্বর-অক্টোবর মাসে পরিস্থিতি আরও বিপজ্জনক হতে চলেছে বলেই তারা আশঙ্কা করছে।

    কোন চার জেলা উদ্বেগ (Dengue) বাড়াচ্ছে? 

    স্বাস্থ্য দফতরের কর্তারা জানাচ্ছেন, চার জেলা নিয়ে বিশেষ উদ্বিগ্ন রাজ্য প্রশাসন। কলকাতা, হাওড়া, উত্তর চব্বিশ পরগনা এবং নদিয়া। এই চার জেলার ডেঙ্গু (Dengue) সংক্রমণ বিপদ বাড়াতে পারে বলেও তাঁরা আশঙ্কা করছেন। স্বাস্থ্য কর্তাদের একাংশ জানাচ্ছে, সম্প্রতি কলকাতার পিকনিক গার্ডেন এবং নদিয়ার রানাঘাটের দুই বাসিন্দা ডেঙ্গি আক্রান্ত হয়ে মারা গিয়েছেন। এরপরে এলাকা পরিদর্শন করে জানা গিয়েছে, অনেকে তিন দিনের বেশি জ্বরে আক্রান্ত। কিন্তু রক্ত পরীক্ষা করানো হয়নি। এটাই চিন্তা বাড়াচ্ছে বলে তাঁরা জানাচ্ছেন।

    কী বলছেন স্বাস্থ্য অধিকর্তা? 

    স্বাস্থ্য অধিকর্তা সিদ্ধার্থ নিয়োগী অবশ্য জানাচ্ছেন, পরিস্থিতি (Dengue) হাতের বাইরে যায়নি। তিনি জানাচ্ছেন, পরিস্থিতি নিয়ন্ত্রণে আছে। প্রয়োজনীয় পদক্ষেপ নিচ্ছে স্বাস্থ্য দফতর।

     

    দেশের খবর, দশের খবর, সব খবর, সবার আগে পেতে ফলো করুন আমাদের FacebookTwitter এবং Google News পেজ।

  • Durgapur: দুর্গাপুর পুরসভা এলাকায় ডেঙ্গির প্রকোপ, ১৪ জনের দেহে মিলল জীবাণু

    Durgapur: দুর্গাপুর পুরসভা এলাকায় ডেঙ্গির প্রকোপ, ১৪ জনের দেহে মিলল জীবাণু

    মাধ্যম নিউজ ডেস্ক: বর্ষার মরশুম সবে শুরু। আর তাতেই খারাপ খবর শহর দুর্গাপুরের জন্য। ইতিমধ্যেই শহরে ১৪ জনের শরীরে পাওয়া গিয়েছে ডেঙ্গির জীবাণু। দুর্গাপুর (Durgapur) পুরসভার ৩২ নম্বর ওয়ার্ডের পলাশডিহা এলাকার এই ঘটনা চিন্তা বাড়িয়েছে শহরের। চলছে এলাকায় স্বাস্থ্য পরীক্ষা। সংখ্যা আরও কিছু বাড়তে পারে বলে আশঙ্কা করছেন চিকিৎসকরা।

    কীভাবে ডেঙ্গির প্রকোপ (Durgapur)?

    বর্ষার জল জমে ডেঙ্গির থাবা। ইতিমধ্যেই দুর্গাপুর (Durgapur) পুরসভার তরফ থেকে বিভিন্ন জায়গায় শুরু হয়েছে সার্ভে করার কাজ। কোথাও জল জমে রয়েছে কিনা, সেই বিষয়টি দেখা হচ্ছে। আগামী পাঁচ দিন ধরে এই কর্মসূচি চালিয়ে যাওয়া হবে বলে জানিয়েছে প্রশাসন। যে সমস্ত জায়গায় ডেঙ্গির মশার লার্ভা জন্ম নেওয়ার সম্ভাবনা রয়েছে, সেই জায়গাগুলিকে নষ্ট করা হচ্ছে এই অভিযানে। পাশাপাশি যাঁদের এই সময় জ্বর হচ্ছে, তাঁদেরকে সাবধানে থাকতে বলা হচ্ছে। বিনামূল্যে রক্ত পরীক্ষার ব্যবস্থা করা হয়েছে যাতে সঠিক সময় ডেঙ্গি চিহ্নিত করা যায়।

    সতর্কতা

    জানা গিয়েছে, যাঁরা আক্রান্ত হয়েছেন অর্থাৎ সেই ১৪ জন আপাতত অনেকটাই সুস্থ। তবে তাঁদের সব সময় মশারির ভেতরে থাকতে বলা হয়েছে। যাতে করে ডেঙ্গির জীবাণু আর ছড়াতে না পারে। স্টেট আরবান ডেভেলপমেন্টের পতঙ্গবিদ বিশ্বরূপ মিত্র ছিলেন এই সার্ভেতে। তিনি জানান, বর্ষার সময় ডেঙ্গি নিয়ে সচেতন থাকতে বলা হচ্ছে শহরবাসীকে (Durgapur)। বাড়ির আশপাশ পরিষ্কার রাখতে বলা হচ্ছে। পাশাপাশি কোথাও যাতে জল জমে না থাকে, সে বিষয়ে আবেদন করা হচ্ছে। অন্যদিকে শহরে একসঙ্গে ১৪ জনের ডেঙ্গুতে আক্রান্ত হওয়ার ঘটনা চিন্তা বাড়িয়েছে মানুষ এবং প্রশাসনের।

    পুরসভার বক্তব্য

    অন্যদিকে এই বিষয়ে দুর্গাপুর (Durgapur) পুরসভার চেয়ারপার্সন অনিন্দিতা মুখার্জি বলেছেন, ডেঙ্গির খবর পাওয়ার পর থেকেই দুর্গাপুরর পুরসভা অত্যন্ত তৎপর হয়েছে। SUDA (state urban development authority) অত্যন্ত বিচলিত। সুডার প্রতিনিধি এসেছেন। বিভিন্ন নর্দমা থেকে শুরু করে অন্যান্য অপরিষ্কার জায়গাগুলিকে পরিষ্কার করানো হচ্ছে। পুরসভার প্রাক্তন কাউন্সিলর থেকে আশা কর্মী, সাফাই কর্মীরা সকলে ডেঙ্গি মোকাবিলায় মাঠে নেমেছেন। যাঁরা ডেঙ্গিতে আক্রান্ত হয়েছেন, তাঁদের একটি কার্ড দেওয়া হয়েছে। আগামী ৮ দিন তাঁদের শারীরিক অগ্রগতি, অবনতির রিপোর্ট সেখানে দেওয়া থাকবে। আপাতত ১৪ জনের রিপোর্টে ডেঙ্গি ধরা পড়লেও, শহরে আরও দু এক জায়গায় আশঙ্কা রয়েছে বলেও খবর। তবে সাধারণ মানুষকে সাবধান থাকা এবং ডেঙ্গি মোকাবিলায় প্রয়োজনীয় পদক্ষেপ করার জন্য বিশেষ আর্জি জানিয়েছেন তিনি।

     

    দেশের খবর, দশের খবর, সব খবর, সবার আগে পেতে ফলো করুন আমাদের Facebook, Twitter এবং Google News পেজ।

  • Dengue: বিজ্ঞাপনেই কি দায়িত্ব শেষ? বর্ষার শুরুতেই ম্যালেরিয়া, ডেঙ্গুর দ্বিগুণ প্রকোপ!

    Dengue: বিজ্ঞাপনেই কি দায়িত্ব শেষ? বর্ষার শুরুতেই ম্যালেরিয়া, ডেঙ্গুর দ্বিগুণ প্রকোপ!

    তানিয়া বন্দ্যোপাধ্যায় পাল

    অগাস্ট-সেপ্টেম্বর থেকে শুরু হয় আতঙ্ক। অক্টোবরে প্রকোপ বাড়ে মারাত্মক! প্রত্যেক বছর ম্যালেরিয়া আর ডেঙ্গুর (Dengue) প্রকোপ যেন রাজ্যবাসীর সঙ্গী হয়েছে। এ বছরে সেই ভোগান্তি আরও কয়েক গুণ বাড়বে বলেই আশঙ্কা করছে বিশেষজ্ঞ মহল। কারণ, বর্ষার শুরুতেই দ্বিগুণ হয়েছে ডেঙ্গু ও ম্যালেরিয়া আক্রান্তের সংখ্যা!

    কী বলছে স্বাস্থ্য দফতরের রিপোর্ট (Dengue)? 

    স্বাস্থ্য দফতর সূত্রে জানা গিয়েছে, বছরের প্রথম ছ’মাসের ডেঙ্গু (Dengue) ও ম্যালেরিয়া আক্রান্তের পরিসংখ্যান উদ্বেগ বাড়াচ্ছে। স্বাস্থ্য দফতরের তথ্য অনুযায়ী, গত ছ’মাসে ডেঙ্গু আক্রান্তের সংখ্যা দু’হাজারের কাছাকাছি। ম্যালেরিয়া আক্রান্ত শুধু কলকাতাতেই গত ছ’মাসে দেড় হাজার ছাড়িয়েছে। যা ২০২২ সালের তুলনায় দ্বিগুণ। কলকাতার যাদবপুর, গিরিশ পার্ক সহ একাধিক এলাকায় নিয়মিত ম্যালেরিয়ার প্রকোপ বাড়ছে বলে জানা গিয়েছে। সূত্রের খবর, গত বছর যে সব এলাকাকে ডেঙ্গু ও ম্যালেরিয়ার জন্য রেড জোন অর্থাৎ, অধিক বিপজ্জনক বলে ঘোষণা করা হয়েছিল, ২০২৩ সালের প্রথম ছ’মাসে সেই সব এলাকার স্বাস্থ্য পরিস্থিতির বিশেষ উন্নত হয়নি। বিশেষত উত্তর চব্বিশ পরগনার দমদম, হাবড়া, বসিরহাট, নিউটাউন এলাকায় ডেঙ্গুর প্রকোপ মারাত্মক। আবার হুগলি, হাওড়া জেলায় ডেঙ্গুর পাশপাশি প্রকোপ বাড়াচ্ছে ম্যালেরিয়া। যে হারে ম্যালেরিয়া আক্রান্তের সংখ্যা বাড়ছে, তা রাজ্যবাসীর জন্য উদ্বেগজনক বলেই জানাচ্ছে বিশেষজ্ঞ মহল।

    বিজ্ঞাপনেই কি দায়িত্ব শেষ? 

    স্বাস্থ্য দফতর ও সংশ্লিষ্ট পুরসভার বিরুদ্ধে ভুক্তভোগীদের একাংশের অভিযোগ, হোর্ডিং আর ফ্লেক্স টাঙিয়েই দায়িত্ব শেষ করতে চাইছে সংশ্লিষ্ট মহল। যেমন, উত্তরপাড়ার একাধিক রাস্তায় হোর্ডিং টাঙিয়েছে উত্তরপাড়া পুরসভা। আশপাশ পরিষ্কার রাখা, নোংরা না ফেলার জন্য সেখানে বলা হয়েছে। জমা জল মশার আঁতুড় ঘর, ডেঙ্গু (Dengue) নিয়েও রয়েছে সতর্কবার্তা। কিন্তু বাসিন্দাদের অভিযোগ, রাস্তা, পার্ক কে পরিষ্কার করবে? উত্তরপাড়ার একাধিক পার্কে অপ্রয়োজনীয় গাছ কাটা হয় না। নোংরা হয়ে থাকে। ফলে, শিশুরা খেলতে গেলেই মশার কামড়ের আশঙ্কা থাকে। নিকাশি ব্যবস্থা নিয়েও তাদের অভিযোগ। বৃষ্টি হলেই জল জমে। এই একই অভিযোগ হাওড়া ও কলকাতার বাসিন্দাদের একাংশের। গিরিশ পার্ক সহ উত্তর কলকাতার একাধিক জায়গায় ম্যালেরিয়ার প্রকোপ বাড়ছে। বাসিন্দাদের অভিযোগ, রাস্তার মোড়ে হোর্ডিং দেওয়া হচ্ছে, জল জমতে দেওয়া যাবে না। এদিকে সামান্য বৃষ্টিতে রাস্তার জল বাড়িতে উঠে আসছে। শুধু বিজ্ঞাপন কি ডেঙ্গু, ম্যালেরিয়া রুখতে পারবে?

    কী বলছেন স্বাস্থ্য কর্তারা? 

    স্বাস্থ্য কর্তারা অবশ্য এই সব অভিযোগ মানতে নারাজ। তাঁরা জানাচ্ছেন, সব রকম কাজ হচ্ছে। শুধুই হোর্ডিং টাঙিয়ে তাঁরা দায়িত্ব শেষ করছেন না। বিভিন্ন পুরসভার সঙ্গে নিয়মিত যোগাযোগ হচ্ছে। পঞ্চায়েত ও পুরসভার সাহায্য নিয়ে বাড়ি বাড়ি জ্বর হয়েছে কিনা, খোঁজ নেওয়া হচ্ছে। তবে, এক স্বাস্থ্যকর্তা বলেন, “ডেঙ্গু, (Dengue) ম্যালেরিয়া রুখতে সচেতনতা সবচেয়ে বড় হাতিয়ার। মানুষ তার আশপাশ পরিষ্কার রাখলে অনেক সংক্রমণ কমবে। তাই সেদিকে বাড়তি গুরুত্ব দেওয়া হচ্ছে। তবে প্রয়োজনীয় অন্যান্য পদক্ষেপ নেওয়া হচ্ছে।”

     

    DISCLAIMER: এই প্রতিবেদনটি বিশেষজ্ঞদের মতামত অনুযায়ী লেখা। এর সঙ্গে মাধ্যম-এর কোনও সম্পর্ক নেই। মাধ্যম এর কোনও দায় নিচ্ছে না। এখানে বলা যে কোনও উপদেশ পালন করার আগে অবশ্যই কোনও চিকিৎসক বা বিশেষজ্ঞের পরামর্শ নিন।

     

    দেশের খবর, দশের খবর, সব খবর, সবার আগে পেতে ফলো করুন আমাদের FacebookTwitter এবং Google News পেজ।

  • Tropical Disease: ডেঙ্গির দোসর ম্যালেরিয়া! বিধাননগর, রাজারহাট, নিউটাউনে ভোগান্তি অব্যাহত!

    Tropical Disease: ডেঙ্গির দোসর ম্যালেরিয়া! বিধাননগর, রাজারহাট, নিউটাউনে ভোগান্তি অব্যাহত!

    মাধ্যম নিউজ ডেস্ক: প্রতি বছর ভোগান্তি লেগেই থাকে! এবছর তা আরও বেড়েছে। বিধাননগর, রাজারহাট, নিউটাউন এলাকার বাসিন্দাদের দুশ্চিন্তা এবার আরও বেশি। কারণ, দুই রোগের (Tropical Disease) দাপটে কাবু হচ্ছেন এলাকাবাসী। কিন্তু অভিযোগ, সংশ্লিষ্ট কর্তৃপক্ষ অধিকাংশ সময়ই দায় এড়াচ্ছে! তাই ভোগান্তি বাড়ছে।

    কী সমস্যায় ভুগছেন বাসিন্দারা? 

    এলাকার বাসিন্দারা জানাচ্ছেন, এই গরমেও তাঁরা ডেঙ্গি সংক্রমণে নাজেহাল। আর এবছর ডেঙ্গির দোসর হয়েছে ম্যালেরিয়া। এই দুই মশাবাহিত রোগের (Tropical Disease) দাপটে তাঁরা নাজেহাল। সূত্রের খবর, প্রতি বছর বিধাননগর, রাজারহাট, নিউটাউন এলাকায় ব্যাপকহারে ডেঙ্গি হয়। গত বছরও ওই এলাকার কয়েক হাজার মানুষ ডেঙ্গিতে আক্রান্ত হয়েছিলেন। পাড়ায় পাড়ায় চলেছিল মৃত্যুমিছিল। এবছরের শুরু থেকেই ডেঙ্গি সংক্রমণ হচ্ছে। তার সঙ্গে উপদ্রব বেড়েছে ম্যালেরিয়ার। স্বাস্থ্য ভবন সূত্রে জানা গিয়েছে, ইতিমধ্যেই ম্যালেরিয়া আক্রান্তের সংখ্যা কয়েকশো হয়েছে। তারমধ্যে বিধাননগর, রাজারহাট, নিউটাউন এলাকার বহু বাসিন্দা রয়েছেন। 

    এলাকাবাসীর অভিযোগ কী? 

    বিধাননগর, রাজারহাট, নিউটাউন এলাকার বাসিন্দাদের একাংশ জানাচ্ছে, প্রত্যেক বছর ডেঙ্গিতে (Tropical Disease) মৃত্যুমিছিল হলেও হুঁশ ফেরে না প্রশাসনের। তার উপর এবছর ম্যালেরিয়ার প্রকোপ বাড়ছে। তারপরেও এক পরিস্থিতি। সল্টলেক, নিউটাউন, রাজারহাটের বিস্তৃত এলাকা ঠিকমতো পরিষ্কার করা হয় না। বিশেষত রাজারহাট ও নিউটাউন এলাকায় একাধিক পার্ক, বাগান রয়েছে, সেগুলো ঠিকমতো পরিচর্যা করা হচ্ছে না। ফলে, অপরিচ্ছন্ন এলাকা মশার আঁতুরঘর হয়ে উঠছে। সল্টলেকের বাসিন্দাদের একাংশ জানাচ্ছে, ওই এলাকায় একাধিক নার্সারি রয়েছে। অর্থাৎ, যেখানে চারাগাছ বিক্রি করা হয়। ওইসব জায়গায় জল জমে। প্রচুর টব থাকায়, সেখানে সহজেই জল জমা হয় ও মশার জন্ম হয়। কিন্তু সেইসব জায়গা যে ঠিকমতো রক্ষণাবেক্ষণ করা হচ্ছে না, সে ব্যাপারে কোনও নজরদারি নেই। ফলে, এলাকাবাসীর ভোগান্তি হয়। ফি-বছর অগাস্ট, সেপ্টেম্বর, অক্টোবর মাসে পুরসভা এলাকাবাসীকে আশ্বাস দেয়, বছরভর কাজ হবে। ডেঙ্গি নির্মূল হবে। কিন্তু তারপরেও পরিস্থিতির কোনও পরিবর্তন হয় না। যেমন  এবছরেও পুরসভার সক্রিয়তার অভাব স্পষ্ট বলে অভিযোগ এলাকার বাসিন্দাদের। 

    সংশ্লিষ্ট পুর কর্তৃপক্ষ কী বলছে? 

    বিধাননগর পুরসভার তরফে বলা হয়েছে, অন্য বছরের তুলনায় এখনও পর্যন্ত বিধাননগর এলাকায় ডেঙ্গি (Tropical Disease) সংক্রমণ প্রায় অর্ধেক। তারা জানাচ্ছে, গত বছরও মে মাসে বিধাননগর পুর এলাকায় প্রায় ১৮ জন ডেঙ্গি আক্রান্ত ছিলেন। কিন্তু এ বছর এপ্রিলের শেষ হিসাব অনুযায়ী ডেঙ্গি আক্রান্তের সংখ্যা ১০ জন। তবে, ম্যালেরিয়া যে চিন্তার কারণ, সে কথা মেনে নিয়ে বিধাননগর পুরসভার এক কর্তা জানান, মশা নিধনের জন্য প্রয়োজনীয় সবরকম কাজ বিধাননগর পুরসভা করছে। রাজারহাট গোপালপুর পুরসভার তরফে জানানো হয়েছে, তারা সক্রিয় ভূমিকা পালন করছে। তবে, সব সমস্যা যে পুরসভা মেটাতে পারবে না, সে কথাও তারা জানিয়ে দিয়েছে! 

    ডেঙ্গি-ম্যালেরিয়ার যৌথ দাপট কতখানি ভয়ানক? কী বলছে বিশেষজ্ঞ মহল? 

    ম্যালেরিয়া (Tropical Disease) এবছর বাড়তি ঝুঁকি তৈরি করবে, এ কথা আগেই জানিয়েছিল বিশেষজ্ঞ মহল। তাই আক্রান্তের সংখ্যা বাড়বে! তবে, ম্যালেরিয়ার মোকাবিলা করতে এলাকার বাসিন্দা ও সংশ্লিষ্ট প্রশাসনকে সক্রিয় ভূমিকা নিতে হবে বলে জানাচ্ছে বিশেষজ্ঞ মহল। জল জমতে না দেওয়া, চারপাশ পরিষ্কার রাখা, বিশেষত পার্ক, বাগান এলাকার আগাছা কাটা, জঞ্জাল সাফ করা নিয়মিত জরুরি। তাছাড়া, নর্দমা পরিষ্কার রাখা, ব্লিচিং পাউডার দেওয়ার মতো কাজগুলো নিয়ম করে করতে হবে। তবে, ডেঙ্গি রুখতেও প্রশাসনের এইসব ভূমিকা পালনের পরামর্শ একাধিকবার দিয়েছে বিশেষজ্ঞ মহল। কিন্তু প্রত্যেক বছর সংক্রমণ বাড়লে, তবেই প্রশাসন কাজ শুরু করে। কিন্তু বিশেষজ্ঞরা জানাচ্ছেন, জনস্বাস্থ্য সংক্রান্ত এই কাজগুলো বছরভর করতে হবে, তবেই সংক্রমণ কমবে। তা না হলে রাজ্যবাসীর জন্য আরও ভোগান্তি অপেক্ষা করছে বলেই তাদের আশঙ্কা।

     

    দেশের খবর, দশের খবর, সব খবর, সবার আগে পেতে ফলো করুন আমাদের FacebookTwitter এবং Google News পেজ।

  • Dengue Fever: বছরভর হয়নি তেমন কাজ, ডেঙ্গি মোকাবিলায় স্বাস্থ্য দফতরের ভূমিকায় বিরক্ত কেন্দ্র! 

    Dengue Fever: বছরভর হয়নি তেমন কাজ, ডেঙ্গি মোকাবিলায় স্বাস্থ্য দফতরের ভূমিকায় বিরক্ত কেন্দ্র! 

    তানিয়া বন্দ্যোপাধ্যায় পাল

    বর্ষা শুরু হলেই ডেঙ্গি (Dengue Fever) এরাজ্যে মহামারির আকার ধারণ করে। শুরু হয় মৃত্যুমিছিল। তাই ডেঙ্গি রুখতে কাজ দরকার বছরভর। কিন্তু অভিযোগ, উদ্যোগ নেই। পুরসভা, পঞ্চায়েত, এমনকী স্বাস্থ্য দফতরেরও তেমন হেলদোল নেই। এদিকে এবছরও রাজ্যে ডেঙ্গির প্রকোপ ভয়ানক হতে পারে বলে আশঙ্কা প্রকাশ করেছে বিশেষজ্ঞ মহল। রাজ্যের ভূমিকা নিয়ে বিরক্ত কেন্দ্রের স্বাস্থ্য মন্ত্রক।

    কী বলছে স্বাস্থ্য মন্ত্রক? 

    সম্প্রতি ন্যাশনাল সেন্টার ফর ভেক্টর বোর্ন ডিজিজ কন্ট্রোল ব্যুরোর তরফে জানানো হয়েছে, ডেঙ্গি (Dengue Fever) নিয়ে ঠিকমতো তথ্য দিচ্ছে না রাজ্য সরকার। এরপরই স্বাস্থ্য ভবনের সঙ্গে যোগাযোগ করেছে স্বাস্থ্য মন্ত্রক। সূত্রের খবর, ডেঙ্গি এরাজ্যে বছরভর হচ্ছে। এমনকী শীতকালেও ডেঙ্গির থেকে রেহাই পায়নি রাজ্যবাসী। যদিও নভেম্বর থেকে প্রকোপ একটু কমেছিল। তা সত্ত্বেও ডেঙ্গি নিয়ে লাল সতর্কতা জারি রাখা জরুরি বলেই মত স্বাস্থ্য মন্ত্রকের। যদিও রাজ্যের তরফে বিশেষ তৎপরতা নেই বলেই জানিয়েছে মন্ত্রক। ডেঙ্গির মোকাবিলা করা কোনও একটি বিভাগের পক্ষে সম্ভব নয়। স্বাস্থ্য দফতর মূখ্য ভূমিকা নিলেও পুর ও নগরোন্নয়ন দফতর, পঞ্চায়েত ও পূর্ত বিভাগের ভূমিকাও এক্ষেত্রে খুব গুরুত্বপূর্ণ। বিশেষ করে পুরসভার ভূমিকা অত্যন্ত জরুরি। কারণ, ডেঙ্গি রুখতে যেমন আক্রান্তকে চিহ্নিত করে চিকিৎসা দ্রুত শুরু করতে হবে, তেমনি এলাকা পরিচ্ছন্ন রাখা, জল জমতে না দেওয়া, রাস্তা ঠিক করার মতো বিষয়গুলি সংক্রমণ রুখতে বিশেষ গুরুত্বপূর্ণ। কিন্তু দেখা যাচ্ছে, ঠিকমতো সেইসব কাজ হচ্ছে না। বিশেষত, সারা বছর পুরসভার যে সক্রিয় ভূমিকা থাকা দরকার, তা নেই। 

    অভিযোগ কী কী? 

    গত বছর কলকাতার পাশাপাশি হাওড়া, উত্তর চব্বিশ পরগনা, হুগলিতেও ডেঙ্গির (Dengue Fever) প্রকোপ হয়েছিল মারাত্মক। হাওড়া, হুগলি ও উত্তর চব্বিশ পরগনার একাধিক পুর ও পঞ্চায়েত এলাকার বাসিন্দারা অভিযোগ জানিয়েছিলেন, এলাকা পরিষ্কার করা হয় না। সামান্য বৃষ্টিতেও জল জমছে। রাস্তার জল বাড়ির ভিতরে ঢুকে মশার আঁতুরঘর হচ্ছে। এমনকী বাসিন্দাদের একাংশ পুরসভা ঘেরাও, রাস্তা অবরোধ করেও প্রতিবাদ জানিয়েছিলেন অনেক জায়গায়। কিন্তু তারপরে কয়েক মাস কেটে গেলেও হেলদোল নেই প্রশাসনের। অধিকাংশ জায়গায় নোংরা ঠিকমতো সরানো হয় না। রাস্তার পাশেই জঞ্জাল পড়ে থাকে। নর্দমাও নিয়মিত পরিষ্কার করা হয় না। আর রাস্তার অবস্থা অত্যন্ত খারাপ। অনেক জায়গায় বাসিন্দাদের আশঙ্কা, ফের বর্ষাকালে তাদের জন্য ভোগান্তি অপেক্ষা করছে। প্রত্যেক বছর ডেঙ্গি নিয়ে রাজ্যের মানুষ নাজেহাল হন। প্রাণ হারাতে হয় বহু মানুষকে। তবে, এই বছরেও যে তার ব্যতিক্রম হবে, এমন প্রত্যাশা নেই বিশেষজ্ঞ মহলের। বছরভর ডেঙ্গি মোকাবিলা করলেও যে সমস্যাগুলো হচ্ছে, তার ঠিকমতো সমাধান করলে তবেই পরিস্থিতি উন্নতি হতে পারতো। কিন্তু প্রশাসনের নজরদারির অভাব হলে সেই ভোগান্তি আরও বাড়বে বলেই আশঙ্কা করছে বিশেষজ্ঞ মহল। 

    স্বাস্থ্য দফতর কী বলছে? 

    বছরের ডেঙ্গি (Dengue Fever) মোকাবিলা কেমন,  সে সম্পর্কে স্বাস্থ্য কর্তাদের কাছে জানতে চাইলে তারা জানায়, কাজ হচ্ছে। কিন্তু তারপরেও স্বাস্থ্য মন্ত্রক কেন তাদের কাজে সন্তুষ্ট নয়, সেই প্রশ্নের অবশ্য কোনও সদুত্তর দিতে পারেননি রাজ্যের স্বাস্থ্য কর্তারা।

     

    দেশের খবর, দশের খবর, সব খবর, সবার আগে পেতে ফলো করুন আমাদের FacebookTwitter এবং Google News পেজ।

  • Salman Khan: ডেঙ্গিতে আক্রান্ত সলমন খান,শারিরীক অসুস্থতায় শুটিং বন্ধ

    Salman Khan: ডেঙ্গিতে আক্রান্ত সলমন খান,শারিরীক অসুস্থতায় শুটিং বন্ধ

    মাধ্যম নিউজ ডেস্ক: ডেঙ্গিতে আক্রান্ত বলিউড অভিনেতা সলমন খান (Salman Khan)। গত চার-পাঁচদিন ধরে অসুস্থ তিনি। যার কারণে বড় পর্দা বা ছোট পর্দার তাঁর সব শ্যুটিং এই মুহূর্তে বন্ধ রয়েছে। ‘ভাইজান’ অসুস্থ, এই খবর শুনলে মন খারাপ হবে ভক্তদের।সূত্র মারফত জানা যাচ্ছে, সলমন খান গত দু’সপ্তাহ ধরে কিসি কা ভাই, কিসি কি জান (Kisi Ka Bhai Kisi Ki Jaan) ছবির শ্যুটিংয়ে ব্যস্ত ছিলেন।তার মাঝেই তিনি আক্রান্ত হন ডেঙ্গিতে (Dengue)। অভিনেতার শারীরিক অবস্থার কথা ভেবে আপাতত ছবির শ্যুটিং বন্ধ রাখা হয়েছে।কিছু দিনের জন্য তাই ‘বিগ বস’-এর মঞ্চ থেকেও বিরতি নিতে হয়েছে নায়ককে। শুক্রবার দর্শক ওই শোয়ের সঞ্চালকের আসনে দেখেছেন পরিচালক কর্ণ জোহরকে। বলিউডের ভাইজান না থাকলে, অনেকেই মুখ ফেরাতেন পারেন জনপ্রিয় ‘বিগ বস’ থেকে। তাই সংবাদ সূত্রে জানা যাচ্ছে, আগেভাগেই বেশ কিছু পর্বের শুটিং সেরে রেখেছেন সলমন। যদিও এর আগেও করণ জোহর (Karan Johar) ‘বিগ বস ওটিটি’- সঞ্চালনা করেছেন। তাঁর নিজস্ব স্টাইলে এই শো হিট হয়েছে।

    ঘনিষ্ঠ সূত্রে জানা গিয়েছে, পরিস্থিতি খুব বাড়াবাড়ি না হলেও চিকিৎসকেরা তাঁকে বিশ্রামে থাকার নির্দেশ দিয়েছেন।

    প্রসঙ্গত, আগামী মঙ্গলবার, ২৫ অক্টোবর থেকে পরের ছবির শুটিং শুরু করার কথা সলমনের। ডেঙ্গিতে আক্রান্ত নায়ক অতটা দ্রুত সেরে উঠে নির্দিষ্ট দিনে সে ছবির কাজ শুরু কতে পারবেন কি না, তা শনিবার পর্যন্ত স্পষ্ট নয়। তবে নায়কের ঘনিষ্ঠ সূত্রে খবর, “ধীরে ধীরে সুস্থ হয়ে উঠছেন ভাইজান। খুব শীঘ্রই শুরু করবেন নতুন ছবি ‘কিসি কা ভাই, কিসি কি জান’”-এর শুটিং। তবে নায়কের অসুস্থতার কারণে বন্ধ নেই সেই ছবির কাজ। অন্যান্য অভিনেতাকে নিয়ে ছবির বাকি অংশের কাজ এগিয়ে রাখছেন পরিচালক। আগামীতে অভিনেত্রী ক্যাটরিনা কাইফের সাথে ফের টাইগার ৩ তে দেখা যাবে ভাইজানকে।

    এই মুহূর্তে সলমনকে দর্শক দেখছেন বিগ বস (Bigg Boss) -এর ঘরে যাবতীয় সমস্যা এবং বিতর্ক সামলাতে। এমনিতেই ওই শোয়ে সাজিদ খানকে নিয়ে বিতর্কে ফুটছে বলিপাড়া। মাঝে এমনটাও শোনা গিয়েছিল বিগ বস থেকে নাকি বেরিয়ে যেতে পারেন সাজিদ। তবে এ প্রসঙ্গে এখনও পর্যন্ত মুখ খোলেননি শোয়ের সঞ্চালক-নায়ক।বিগ বস-এর পর নিজের প্রযোজিত আগামী ছবিতে মন দিতে চান সলমন।

    দেশের খবর, দশের খবর, সব খবর, সবার আগে পেতে ফলো করুন আমাদের Facebook এবং Twitter পেজ।

     
     
  • Dengue: জানুন ডেঙ্গির লক্ষণ, প্রতিকারের উপায়ই বা কী?

    Dengue: জানুন ডেঙ্গির লক্ষণ, প্রতিকারের উপায়ই বা কী?

    মাধ্যম নিউজ ডেস্ক: ডেঙ্গি (Dengue) জ্বর এডিস ইজিপ্টাই নামক মশাবাহিত রোগ। এই জ্বর সাধারণত পশ্চিম প্রশান্ত মহাসাগরীয় (Pacific ocean) দ্বীপপুঞ্জ, দক্ষিণ-পূর্ব এশীয় অঞ্চলের গ্রীষ্মমন্ডলীয় এবং উপক্রান্তীয় দেশগুলিতে দেখা যায়। মূলত বর্ষাকালে জমা জলে বংশ বিস্তার করে ডেঙ্গির জীবাণুবাহী মশা। ডেঙ্গি জীবাণুবাহী এডিস প্রজাতির স্ত্রী মশা কামড়ালে, আক্রান্ত ব্যক্তি ৪ থেকে ৭ দিনের মধ্যে জ্বরে আক্রান্ত হন। অনেক সময় ডেঙ্গি জ্বরে আক্রান্ত কোনও ব্যক্তিকে এডিস মশা (Aedes Mosquito) কামড়ালে, সেই মশাটিও ডেঙ্গি জ্বরের জীবাণুবাহী মশায় পরিণত হয়। চিকিৎসকদের মতে, সুস্থ ব্যক্তির শরীরে সাধারণত ১.৫ লাখ থেকে ৪ লাখ পর্যন্ত প্লেটলেট থাকে। কিন্তু ডেঙ্গি আক্রান্ত ব্যক্তির প্লেটলেট নেমে যায় ৫০ হাজারের নীচে। তাই ডেঙ্গি আক্রান্ত রোগীর জীবনে ঝুঁকির সম্ভাবনা থাকে।

    আরও পড়ুন: রক্তে শর্করা নিয়ন্ত্রণে রাখতে চান? খান এই চার ধরণের খাবার

    ডেঙ্গি জ্বরের লক্ষণ: সাধারণত মশার কামড়ের ৪ থেকে ৭ দিন পর ডেঙ্গির লক্ষণ প্রকট হয়। কিছু কিছু ক্ষেত্রে তা ১০ দিনও হতে পারে। জ্বর হওয়ার ৪ থেকে ৫ দিন পর শরীরজুড়ে ত্বকে র‍্যাশ দেখা যায়। এটা অনেকটা এলার্জি বা ঘামাচির মতো। ক্লাসিক্যাল ডেঙ্গি জ্বরে তীব্র জ্বর ও সেই সঙ্গে সারা শরীরে প্রচণ্ড ব্যথা হয়। জ্বর ১০৫ ডিগ্রি ফারেনহাইট পর্যন্ত হয়। মাংশপেশিতে তীব্র ব্যথা হয়। ব্যথার তীব্রতার জন্য মনে হয় এই বুঝি হাড় ভেঙে গেল। তাই এই জ্বরের আর এক নাম ‘ব্রেক বোন ফিভার’ (Break Bone Fever)।

    ডেঙ্গি জ্বরের আর একটি প্রকার হল হেমোরেজিক জ্বর (Hemorrhagic Fever) । এই জ্বরে ক্লাসিক্যাল ডেঙ্গি জ্বরের লক্ষণ ও উপসর্গের পাশাপাশি আরও কিছু সমস্যা দেখা দেয়। মলত্যাগের সময় রক্তক্ষরণ হতে থাকে। মহিলাদের ক্ষেত্রে অসময়ে ঋতুস্রাবের মতো ঘটনাও ঘটে।

    ডেঙ্গি জ্বরের ভয়াবহ রূপ হল ডেঙ্গি শক সিনড্রোম। এর ফলে রক্তচাপ হঠাৎ কমে যাওয়া,নাড়ির স্পন্দন অত্যন্ত ক্ষীণ ও দ্রুত হয়, শরীরের হাত পা ও অন্যান্য অংশ ঠান্ডা হয়ে যায়। এমন আরও অনেক সমস্যার সম্মুখীন হন রোগী।

    ডেঙ্গি রোগ প্রতিরোধের উপায়:   

    ডেঙ্গি জ্বর প্রতিরোধের জন্য ভারতে কোনও ভ্যাকসিন মেলে না। ডেঙ্গভ্যাক্সিয়া নামে একটি ভ্যাসসিন আবিষ্কার হলেও এর ব্যবহার খুবই কম। এডিস মশার কামড়ের হাত থেকে বাঁচলেই ডেঙ্গির হাত থেকে রক্ষা পাওয়া সম্ভব। তাই ডেঙ্গির হাত থেকে বাঁচতে কিছু ব্যবস্থা নেওয়া উচিত।

    • জলের পাত্র ঢাকা রাখা উচিত।
    • প্রতি সপ্তাহে বাড়ির যেসব পাত্রে জল জমে থাকে, সেগুলি পরিষ্কার করতে হবে। যেমন বালতি, ফুলের টব, নারকেলের খোলা। যেসব জায়গায় জল জমে, সেসব জায়গাও পরিষ্কার করতে হবে। 
    • মশার কামড়ের হাত থেকে বাঁচতে ফুল হাতা জামাকাপড় পরা প্রয়োজন।
    • মশা তাড়ানোর ধূপ ও মশারি ব্যবহার করতে হবে।
    • শরীরে মশা কামড় প্রতিরোধক ক্রিমও ব্যবহার করতে পারেন। 

    ডেঙ্গির প্রতিকার: 

    • ডেঙ্গি জ্বরে আক্রান্ত রোগীকে সম্পূর্ণ বিশ্রামে থাকতে হবে।
    • যথেষ্ট পরিমাণে জল, শরবত, ডাবের জল ও অন্যান্য তরল জাতীয় খাবার গ্রহণ করতে হবে।
    • স্বাস্থ্যকর ও সুষম খাদ্য গ্রহণ করতে হবে। রোগীর খাদ্যতালিকায় খিচুড়ি, যব এবং মসুর ডালের মতো উচ্চফাইবার যুক্ত খাবার রাখা প্রয়োজন।

     

    দেশের খবর, দশের খবর, সব খবর, সবার আগে পেতে ফলো করুন আমাদের Facebook এবং Twitter পেজ।

     
     
  • Dengue: বিরাম নেই হেমন্তেও, পুজোর মরশুমেও কলকাতায় রমরমা ডেঙ্গির

    Dengue: বিরাম নেই হেমন্তেও, পুজোর মরশুমেও কলকাতায় রমরমা ডেঙ্গির

    মাধ্যম নিউজ ডেস্ক: হেমন্তেও বিরাম নেই ডেঙ্গির (Dengue)। সকাল-বিকেলে হালকা শীতের আমেজ। দুপুরে সহনশীল তাপমাত্রা। এহেন আবহেও কলকাতায় বাড়বাড়ন্ত ডেঙ্গির। কলকাতা পুরসভার স্বাস্থ্য বিভাগ সূত্রে খবর, অক্টোবরের প্রথম তিন সপ্তাহের প্রতি সপ্তাহে শহরে ডেঙ্গি আক্রান্তের সংখ্যা ছিল হাজারের বেশি।

    ডেঙ্গি আক্রান্তের সংখ্যা

    পুরসভা সূত্রে খবর, উত্তরের তুলনায় দক্ষিণ কলকাতায় ডেঙ্গি আক্রান্তের সংখ্যা ঢের বেশি। পুরসভা এলাকায় ডেঙ্গি আক্রান্তের সংখ্যা প্রায় ৯ হাজার। এঁদের ৮০ শতাংশই দক্ষিণের বাসিন্দা। দক্ষিণ কলকাতার ৯ থেকে ১৩ নম্বর বরো এলাকায় ডেঙ্গি আক্রান্তের হার সব চেয়ে বেশি। দিন দুয়েক আগে ডেঙ্গিতে আক্রান্ত হয়ে মৃত্যু হয়েছে এসএসকেএম হাসপাতালের এক চিকিৎসকের। এই হাসপাতালটি ৯ নম্বর বরোর অন্তর্গত। এই হাসপাতালের হস্টেলের ২০ জন আবাসিকও ডেঙ্গিতে আক্রান্ত। পুরসভার চিকিৎসকদের মতে, নভেম্বরের পরে ঠান্ডা আরও পড়লে কমবে ডেঙ্গি আক্রান্তের হার। 

    সরকারি পরিসংখ্যান

    ডেঙ্গি (Dengue) নিয়ন্ত্রণে যে রাশ টানা যায়নি, তার প্রমাণ মিলেছে সরকারি পরিসংখ্যানেই। ২৪ অক্টোবর পর্যন্ত রাজ্যে ডেঙ্গি আক্রান্তের সংখ্যা ছিল ৭৬ হাজার ৪৭৫। গত বছর আক্রান্তের সংখ্যা ছিল ৬৭ হাজার ২৭১ জন। আর তার আগের বছর ডেঙ্গি হয়েছিল ৮ হাজার ২৬৪ জনের। ২০২০ সালে এই সংখ্যাটা ছিল ৫ হাজার ১৬৬ জন।

    আর চলতি বছর সরকারি হাসপাতালে ডেঙ্গি ধরা পড়েছে ৪৮ হাজার ৩১১ জনের। বেসরকারি হাসপাতাল এবং ল্যাবে ডেঙ্গির জীবাণু মিলেছে ২৮ হাজার ১৬৪ জনের রক্ত পরীক্ষায়। ডেঙ্গির বাড়বাড়ন্তে উদ্বেগে স্বাস্থ্য দফতরের আধিকারিকরা। তাই পুরসভাগুলিকে আরও একবার সতর্ক করে দেওয়া হয়েছে। জমা জলে জন্মায় মশার লার্ভা। তাই কোথাও যেন জল জমে না থাকে, সে ব্যাপারে নির্দেশিকা পাঠানো হচ্ছে পুরসভাগুলিকে।

    আরও পড়ুুন: বাকিবুরের আরও ৫৬০ কাঠা জমির হদিশ আমডাঙায়! সবই কি বেনামে জ্যোতিপ্রিয়র?

    ডেঙ্গি (Dengue) আক্রান্তের সংখ্যা বাড়ায় বৃদ্ধি পাচ্ছে মৃতের সংখ্যাও। এ মাসেই ডেঙ্গিতে আক্রান্ত হয়ে মৃত্যু হয়েছে পার্ক সার্কাসের তিলজলার মাস দুয়েকের এক শিশুর। তার ডেথ সার্টিফিকেটে মৃত্যুর কারণ হিসেবে উল্লেখ করা হয়েছে সিভিয়ার ডেঙ্গির। তার আগে বেলেঘাটা আইডি হাসপাতালে মৃত্যু হয়েছিল দমদম পুরসভা এলাকার এক যুবকের।

     

    দেশের খবর, দশের খবর, সব খবর, সবার আগে পেতে ফলো করুন আমাদের Facebook, Twitter এবং Google News পেজ।

  • Dengue Update: পুজোর মুখে ফের চিন্তা বাড়াচ্ছে ডেঙ্গি! একসপ্তাহে শহরে নতুন করে আক্রান্ত ১,৩৬৭

    Dengue Update: পুজোর মুখে ফের চিন্তা বাড়াচ্ছে ডেঙ্গি! একসপ্তাহে শহরে নতুন করে আক্রান্ত ১,৩৬৭

    মাধ্যম নিউজ ডেস্ক: পুজো এসে গিয়েছে। মহালয়ার পর থেকেই প্যান্ডেলে প্যান্ডেলে ঠাকুর দেখার ভিড়। এরই মধ্যে উৎসবের শহরে ফের চিন্তা বাড়াচ্ছে ডেঙ্গি সংক্রমণ। গত সপ্তাহে কলকাতা থেকে ১,৩০০টিরও বেশি নতুন ডেঙ্গি সংক্রমণের খবর পাওয়া গিয়েছে। গত দু’সপ্তাহ আগে ১২৭৬ জন ডেঙ্গি আক্রান্তের সংখ্যা ছিল। এর মাঝে একধাক্কায় অনেকটাই বাড়ল আক্রান্তের সংখ্যা। বিধাননগর এবং দক্ষিণ দমদমের মতো পার্শ্ববর্তী পুর এলাকায় বেশ কয়েকজন মানুষও ডেঙ্গিতে আক্রান্ত হয়েছেন। 

    ফের ডেঙ্গির প্রকোপ

    জানুয়ারি থেকে শহরে ডেঙ্গিতে আক্রান্তের মোট সংখ্যা দাঁড়িয়েছে ৭,৪২২। রাজ্যে এখনও পর্যন্ত ডেঙ্গি আক্রান্তের মোট সংখ্যা ৭০ হাজার পেরিয়েছে। মারা গিয়েছেন ৬২ জনের মতো। কেএমসি আধিকারিকরা বলেছেন, যে সাপ্তাহিক সংক্রমণের সংখ্যা যে ভাবে বৃদ্ধি পাচ্ছে তাতে সঙ্কটজনক হতে খুব বেশি সময় লাগে না। সেপ্টেম্বর ও অক্টোবরে ডেঙ্গির সংক্রমণ বেশি থাকে৷ পুজোর মধ্যেও ডেঙ্গি সংক্রমণের ভয় থাকবে। শহরের নানা হাসপাতালগুলোর সূত্রে খবর, এখনও দৈনিক ৪-৫ জন করে ডেঙ্গি আক্রান্ত প্রতিটি হাসপাতালে ভর্তি হচ্ছেন।

    আরও পড়ুন: আতঙ্ক ‘শ্রীভূমি’! প্রতিপদেই থিকথিকে ভিড়, যানজটে আটকে বিমানযাত্রী, অসুস্থ রোগী, শিশু ও বয়স্কেরা

    কেন বাড়ল ডেঙ্গি

    স্বাস্থ্য দফতর সূত্রে খবর, দক্ষিণবঙ্গের ১৬টি জেলা এবং স্বাস্থ্য জেলায় ডেঙ্গি আক্রান্তের সংখ্যা ৫৫ হাজার ৮১৮ জন। ১১ অক্টোবর পর্যন্ত, গোটা রাজ্যে আক্রান্ত প্রায় ৬২ হাজার। গত এক সপ্তাহে নতুন করে রাজ্যে ডেঙ্গি আক্রান্ত হয়েছেন প্রায় ৯ হাজার মানুষ। উত্তর ২৪ পরগনা জেলায় ডেঙ্গি আক্রান্তের সংখ্যা সর্বাধিক ১৩ হাজার ৭১৬ জন। ২ নম্বরে কলকাতা। ডেঙ্গি আক্রান্তের সংখ্যা ৮ হাজার ৫৪৯। তৃতীয় স্থানে রয়েছে মুর্শিদাবাদ, আক্রান্তের সংখ্যা ৭ হাজার ৫২। ডেঙ্গি প্রতিরোধে আধা শহরাঞ্চলে জল ও আবর্জনা নিষ্কাশনের কথা বলা হলেও, কাজের কাজ হচ্ছে না। জনগণের দাবি, জল জমে থাকছে। যত্রতত্র আবর্জনার স্তুপ, তাই এভাবে ফের পুজোর মুখে ডেঙ্গির প্রকোপ বাড়ল। 

    দেশের খবর, দশের খবর, সব খবর, সবার আগে পেতে ফলো করুন আমাদের Facebook, Twitter এবং Google News পেজ।

  • Dengue: হাওড়ায় বাড়ছে ডেঙ্গি! জেলাজুড়ে আকাল প্লেটলেটের, কী করছে স্বাস্থ্য দফতর?

    Dengue: হাওড়ায় বাড়ছে ডেঙ্গি! জেলাজুড়ে আকাল প্লেটলেটের, কী করছে স্বাস্থ্য দফতর?

    মাধ্যম নিউজ ডেস্ক: পুজোর আগে রাজ্যজুড়ে চোখ রাঙাচ্ছে ডেঙ্গি (Dengue)। কলকাতা লাগোয়া হাওড়ায় বাড়ছে ডেঙ্গি। আক্রান্ত হয়ে বহু রোগী সরকারি হাসপাতালে ভর্তি হচ্ছেন। এরইমধ্যে সরকারি হাসপাতালগুলিতে প্লেটলেটের অভাব দেখা দিয়েছে। পরিস্থিতি এমন জায়গায় গিয়ে দাঁড়িয়েছে যে পরিস্থিতি সামাল দিতে কলকাতার সরকারি হাসপাতাল থেকে প্লেটলেট আনতে হচ্ছে।

    কী বললেন জেলা স্বাস্থ্য দফতরের এক আধিকারিক? (Dengue)

    হাওড়া জেলা হাসপাতাল সূত্রের খবর, দৈনিক ২৫-২৭ জন ডেঙ্গি (Dengue) আক্রান্ত রোগী হাসপাতালে ভর্তি হওয়ায় শয্যার পাশাপাশি প্লেটলেটেরও অভাব দেখা দিয়েছে। জেলা স্বাস্থ্য দফতরের এক আধিকারিক বলেন, বুধবার মাত্র এক দিনে আট জন ম্যালেরিয়া আক্রান্ত ভর্তি হয়েছেন। ডেঙ্গি রোগীর পাশাপাশি অন্য রোগীদের পরিষেবা দিতে গিয়ে হিমশিম খাচ্ছেন চিকিৎসকেরা। ক্লাব বা সংগঠনগুলি রক্তদান শিবিরের আয়োজন না করায় হাসপাতালের ব্লাড ব্যাঙ্কে প্লেটলেট নেই বললেই চলে। এসএসকেএম থেকে ২০ ব্যাগ প্লেটলেট আনিয়ে পরিস্থিতি সামলানো হয়েছে। দফতর সূত্রে জানা গিয়েছে, প্লেটলেট সাধারণত চার দিনের বেশি রাখা যায় না। নষ্ট হয়ে যায়। রবিবার যে রক্তদান শিবির হয়, সেখান থেকে প্লেটলেট নিয়ে টেনেটুনে বৃহস্পতিবার পর্যন্ত চালানো যায়। পরের তিন দিন চরম সঙ্কট হয়।

    হাওড়া পুরসভার কর্তা কী বললেন?

    পুরসভা সূত্রে জানা গিয়েছে, ৩৯তম সপ্তাহে আক্রান্তের সংখ্যা ১০৮৭। ৪০ তম সপ্তাহে সেই সংখ্যা বেড়ে হয়েছে ১৩০০। এই পুর এলাকায় যে ডেঙ্গি (Dengue) আক্রান্তের সংখ্যা লাফিয়ে লাফিয়ে বাড়ছে, তা মানছেন জেলা স্বাস্থ্য দফতরের কর্তারাও। নতুন করে যে ওয়ার্ডগুলিতে ডেঙ্গি আক্রান্ত বাড়ছে, সেগুলি হল ২৫, ৪২, ৪৯ এবং ৫০ নম্বর। শনিবারই ডেঙ্গি পরিস্থিতি খতিয়ে দেখতে হাওড়ার শরৎ সদনে পুরসভার স্বাস্থ্য দফতরের সঙ্গে বৈঠক করেন পুর ও নগরোন্নয়ন দফতরের অতিরিক্ত সচিব জলি চৌধুরী। হাওড়া পুরসভার চেয়ারম্যান সুজয় চক্রবর্তী জানান, পুর ও নগরোন্নয়ন দফতরের অতিরিক্ত সচিবের সঙ্গে ডেঙ্গি নিয়ন্ত্রণের প্রক্রিয়ার বিষয়ে কথা হয়েছে। সরকারি আবাসনের চত্বর পরিষ্কার রাখার জন্য চিঠি দেওয়া হচ্ছে। ডেঙ্গি নিয়ন্ত্রণের ক্ষেত্রে আবর্জনা পরিষ্কারে বিশেষ জোর দেওয়া হচ্ছে।  

     

    দেশের খবরদশের খবরসব খবরসবার আগে পেতে ফলো করুন আমাদের FacebookTwitter এবং Google News পেজ।

LinkedIn
Share