Tag: Dharmatala

Dharmatala

  • NEET Protest in Kolkata: ধর্মতলায় পুলিশ ও সাংবাদিকদর লক্ষ্য করে জুতো, বোতল! চিহ্নিত চার কুখ্যাত দুষ্কৃতী সহ ৭০, গুন্ডাদমন আইনে মামলা

    NEET Protest in Kolkata: ধর্মতলায় পুলিশ ও সাংবাদিকদর লক্ষ্য করে জুতো, বোতল! চিহ্নিত চার কুখ্যাত দুষ্কৃতী সহ ৭০, গুন্ডাদমন আইনে মামলা

    মাধ্যম নিউজ ডেস্ক: সাংবাদিকদের উপর হামলার তীব্র নিন্দা করলেন মুখ্যমন্ত্রী শুভেন্দু অধিকারী। শুক্রবার ধর্মতলার মিছিল থেকে পুলিশের উপর আক্রমণের চেষ্টা হয় বলে অভিযোগ। ওই মিছিল থেকে আক্রান্ত হয়েছেন সাংবাদিকেরাও। শনিবার বিধানসভায় এ নিয়ে অসন্তোষ প্রকাশ করেন মুখ্যমন্ত্রী। তিনি জানিয়েছেন, পুলিশকে বার বার প্ররোচিত করা হয়েছিল। কিন্তু পুলিশ কোনও ফাঁদে পা দেয়নি। শুভেন্দু জানিয়েছেন, শুক্রবারের ঘটনায় হেয়ার স্ট্রিট থানায় ছ’টি এবং এন্টালিতে একটি— মোট সাতটি মামলা দায়ের করা হয়েছে। মোট ৭০ জনকে চিহ্নিত করা হয়েছে। তাতে গুন্ডাদমন আইন যোগ করা হয়েছে বলে জানালেন মুখ্যমন্ত্রী শুভেন্দু অধিকারী। এর ফলে রাজ্য আইনসভায় সদ্য পাস হওয়া আইনটি এই প্রথম প্রয়োগ করল সরকার। শুভেন্দু জানিয়েছেন, দুষ্কৃতীদের কঠোর শাস্তি নিশ্চিত করা হবে। এমন শাস্তি দেওয়া হবে যে, তাদের তিন পুরুষ মনে রাখবে।

    কলকাতা পুলিশকে ধন্যবাদ মুখ্যমন্ত্রীর

    শিক্ষায় দুর্নীতি, নিটের প্রশ্নফাঁসের বিরুদ্ধে দিল্লিতে ককরোচ জনতা পার্টির (সিজেপি) আন্দোলনের আঁচ লেগেছে কলকাতাতেও। শুক্রবার ধর্মতলায় একটি মিছিলের আয়োজন করা হয়েছিল। বাম ছাত্রসংগঠনগুলির সঙ্গে সিজেপি-র ডাকে বহু মানুষ জমায়েত করেছিলেন। মিছিলের ব্যাখা দিয়ে শুভেন্দু বলেন, “এই মিছিল শান্তিপূর্ণভাবেই এগোচ্ছিল। পুলিশের হিসেবে ভিড় ছিল ৯ হাজার। তার মধ্যে কলকাতা ও পার্শ্ববর্তী এলাকা থেকে ভোটে পরাজিতরা খিদিরপুর, মেটিয়াবুরুজ, রাজারহাট নিউটাউন, বেলগাছিয়া, বাগুইআটি থেকে লোক সাপ্লাই করেছে। পরবর্তীকালে যখন ডোরিনা ক্রসিংয়ে আসে, প্রথমে জুতো, বোতল ছোড়া হয়। টার্গেট করে সাংবাদিকদের। ওরা চেয়েছিল পুলিশ লাঠি মারুক সেল ফাটাক যাতে নাটক জমে। কিন্তু পুলিশ সেই ফাঁদে পা দেননি। কলকাতা পুলিশকে ধন্যবাদ জানাই।”

    কোনওরকম বলপ্রয়োগ নয়

    বিধানসভায় দাঁড়িয়ে শনিবার শুভেন্দু বলেন, “আমি আক্রান্ত ও আহত সাংবাদিকদের সঙ্গে ব্যক্তিগতভাবে দেখা করেছি। …আমাদের পুলিশকে নির্দেশ দেওয়া ছিল যে এটা গণতান্ত্রিক দেশ। যে কেউ গণতান্ত্রিক মত প্রতিষ্ঠিত করতে পারে। কোনওরকম আইনশৃঙ্খলার অবনতি যেন না হয়। সরকারের তরফে স্পষ্ট নির্দেশ ছিল, কোনওরকম বলপ্রয়োগ করা যাবে না বা পুলিশের দিক থেকে কিছু করা যাবে না। যতক্ষণ না পর্যন্ত বিক্ষোভকারীরা নিয়ন্ত্রণের বাইরে না চলে যায়। শুভেন্দুর কথায়, ‘‘পুলিশ যে সংযত ছিল, সেটা সবাই দেখেছে। মিছিল থেকে সাংবাদিকদের নিশানা করা হয়। ছ’জন সাংবাদিক গুরুতর জখম হয়েছেন। হাসপাতাল থেকে চিকিৎসা নিয়েছেন।’’ মুখ্যমন্ত্রী বলেন, “ইতিমধ্যেই সাংবাদিকদের তরফে আমরা লিখিত অভিযোগ পেয়েছি। মোট ৭টি মামলা রুজু করা হয়েছে। এই মামলাগুলিতে গুন্ডাদমন আইন যুক্ত করা হয়েছে। প্রায় ৭০ জনকে চিহ্নিত করা হয়েছে। যারা একজনও ছাত্র নয়। ককরোচ পার্টির সদস্য নয়। যারা একজনও নিট সংক্রান্ত আন্দোলনকারীদের অংশ নয়।”

    রণক্ষেত্র ধর্মতলা চত্বর

    প্রশ্নফাঁসের প্রতিবাদে শুক্রবার বিকেলে রণক্ষেত্র হয়ে উঠেছিল ধর্মতলা চত্বর। বিক্ষোভকারীদের একাংশ পুলিশকর্মীদের লক্ষ্য করে জুতো ও জলের বোতল ছোড়ে বলে অভিযোগ। আক্রান্ত হন কয়েক জন সাংবাদিকও। সেই ঘটনায় স্বতঃপ্রণোদিত মামলা দায়ের করেছে হেয়ার স্ট্রিট থানার পুলিশ। একটি মামলা হয়েছে এন্টালি থানাতেও। পাশাপাশি বিভিন্ন সংবাদমাধ্যমের পাঁচ সাংবাদিকের অভিযোগের ভিত্তিতেও পাঁচটি পৃথক মামলা রুজু করা হয়েছে। এক ছাত্রনেতা বলেন, ‘‘এই নেগেটিভ পিআর এর আগেও ছড়ানো হয়েছে। যে পুলিশের তরফ থেকে হামলা শুরু হয়েছে। কিন্তু আমাদের এখানে আমরা স্বচক্ষে দেখেছি যে পুলিশের তরফে কোনও হামলা শুরু হয়নি। পুলিশ আটকাতে আসছিল। আর আমাদের এই ছাত্রসমাজের মাঝখান থেকে এক দু’জন উঠে কিছুটা তেড়ে যায় পুলিশের দিকে। তবে, তারা ছাত্রছাত্রী ছিল না অবশ্যই। তারা আমাদের ডাকে অবশ্যই আসেনি।’’

    পাঁচ জন ‘কুখ্যাত দুষ্কৃতী’ জড়িত

    এদিন বিধানসভায় বেশ কয়েকজন অভিযুক্তের নামও তুলে ধরেন মুখ্যমন্ত্রী। বলেন, “চারজন কুখ্যাত লোকের নাম বলছি আমি। যাদের আমরা ছাড়ব না। আরও বাকি নাম বলে এখানে সময় নষ্ট করব না। রাজাবাগানের আফরোজ, খিদিরপুরের নাহিদ, একবালপুরের তানভীর, ওয়াটগঞ্জের রাহুল জামাল। এই পাঁচটা গুণ্ডার নাম এখানে ঘোষণা করলাম। গুণ্ডাদমন আইনে এমন ব্যবস্থা নেব যাতে তিন পুরুষ মনে রাখে। এই জন্যই গুণ্ডাদমন আইন আনা হয়েছে। এর কতটা প্রয়োজনীয়তা ছিল, মানুষ এখন বুঝতে পারবে। সমগ্র বিধানসভার তরফে সাংবাদিকদের উপরে শারীরিক নিগ্রহের নিন্দা করছি। বিজেপির বিধায়করা বিআর আদেম্বকর মূর্তির নিচে কর্মসূচি নিয়েছেন। সেখানেই কালো ব্যাজ পরে তাঁরা সাংবাদিকদের পাশে থাকবেন।”

    কেন আক্রান্ত সাংবাদিকরা?

    সিজেপি-র কর্মসূচিতে এসএফআই-সহ বামেদের কিছু ছাত্র সংগঠন ঢুকে পড়েছিল বলে অভিযোগ করেন মুখ্যমন্ত্রী। তবে তাঁরা আদৌ ছাত্র কি না, তা নিয়ে সন্দেহ প্রকাশ করেছেন। অভিযোগ, কলেজ বা বিশ্ববিদ্যালয়ে তাঁদের অধিকাংশেরই কোনও অস্তিত্ব নেই। সাংবাদিকদের উপর হামলার নিন্দা করে শুভেন্দু বলেন, ‘‘ডিম ছোড়া যদি পশ্চিমবাংলার সংস্কৃতি না হয়ে থাকে, তবে সাংবাদিকদের লক্ষ্য করে জলের বোতল বা জুতো ছোড়াও এ রাজ্যের সংস্কৃতি নয়।’’ পুলিশ সূত্রে খবর, শুক্রবারের ঘটনায় পাঁচটি অভিযোগই ছিল সংবাদমাধ্যমের তরফে। তার ভিত্তিতে পুলিশ পদক্ষেপ করেছে। এ ছাড়া, একটি মামলা রুজু করা হয়েছে স্বতঃপ্রণোদিত ভাবে। মূলত বেআইনি জমায়েত, হিংসা, জমায়েত থেকে অপরাধমূলক কাজ, সরকারি আধিকারিকের কাজে বাধা দেওয়া, অশান্তিতে উস্কানির ধারায় মামলা হয়েছে। তদন্ত শুরু করেছে পুলিশ। ঘটনার ভিডিও ফুটেজ, প্রত্যক্ষদর্শীদের বয়ান এবং অন্যান্য প্রমাণের ভিত্তিতে অভিযুক্তদের চিহ্নিত করার চেষ্টা চালাচ্ছে পুলিশ। অভিযুক্তদের বিরুদ্ধে দ্রুত আইনানুগ ব্যবস্থা নেওয়া হবে।

  • Kolkata Police: ধর্মতলা চত্বরে মিছিল-ধর্না নয়! ব্যস্ত রাস্তায় জমায়েত বন্ধে ৬০ দিনের নিষেধাজ্ঞা পুলিশের

    Kolkata Police: ধর্মতলা চত্বরে মিছিল-ধর্না নয়! ব্যস্ত রাস্তায় জমায়েত বন্ধে ৬০ দিনের নিষেধাজ্ঞা পুলিশের

    মাধ্যম নিউজ ডেস্ক: কলকাতার প্রাণকেন্দ্র ধর্মতলার ভিক্টোরিয়া হাউসের সামনে তৃণমূল কংগ্রেসের ঐতিহ্যবাহী ২১ জুলাইয়ের সমাবেশের অনুমতি স্পষ্ট ভাষায় খারিজ করে দিল লালবাজার। এমনকী, ধর্মতলা চত্বরে আগামী ৬০ দিনের জন্য কড়া নিষেধাজ্ঞা (Ban At Dharmatala) জারি করল কলকাতা পুলিশ (Kolkata Police)। সম্ভাব্য বিক্ষোভ, অশান্তি এবং জনশৃঙ্খলা ভাঙনের আশঙ্কায় এই পদক্ষেপ করা হয়েছে বলে জানিয়েছে পুলিশ-প্রশাসন। কলকাতার পুলিশ কমিশনার অজয় নন্দ ভারতীয় নাগরিক সুরক্ষা সংহিতার ১৬৩ ধারার আওতায় এই নির্দেশ জারি করেছেন।

    পুলিশের নির্দেশে কী বলা হল

    পুলিশের (Kolkata Police) নির্দেশ অনুযায়ী, আগামী ২ জুলাই থেকে ৩০ অগস্ট পর্যন্ত ধর্মতলার একটি বিস্তীর্ণ এলাকায় পাঁচ জন বা তার বেশি মানুষের জমায়েত নিষিদ্ধ থাকবে। একইসঙ্গে মিছিল, সভা, ধর্না, বিক্ষোভ কর্মসূচি আয়োজনেও নিষেধাজ্ঞা জারি করা হয়েছে। পুলিশের তরফে জানানো হয়েছে, নির্ভরযোগ্য সূত্রে এমন তথ্য মিলেছে যে, ওই এলাকায় হিংসাত্মক বিক্ষোভ এবং বড়সড় অশান্তির আশঙ্কা রয়েছে। তার জেরে জনশান্তি বিঘ্নিত হতে পারে এবং আইনশৃঙ্খলা পরিস্থিতির অবনতি ঘটতে পারে। সেই কারণেই আগাম সতর্কতামূলক ব্যবস্থা হিসেবে এই সিদ্ধান্ত নেওয়া হয়েছে। নিষেধাজ্ঞার আওতায় পড়ছে বউবাজার থানা, হেয়ার স্ট্রিট থানা এবং সদর ট্র্যাফিক গার্ডের অন্তর্গত নির্দিষ্ট অংশ। কেসি দাস মোড় থেকে ভিক্টোরিয়া হাউস তথা সিইএসসি দফতর পর্যন্ত বিস্তীর্ণ এলাকায় এই নির্দেশ কার্যকর হবে। তবে বেন্টিঙ্ক স্ট্রিটকে এই নিষেধাজ্ঞার বাইরে রাখা হয়েছে। পুলিশ কমিশনারের নির্দেশে স্পষ্ট বলা হয়েছে, এই সময়ের মধ্যে পাঁচ বা তার বেশি মানুষের জমায়েত করা যাবে না। লাঠি, আগ্নেয়াস্ত্র বা অন্য কোনও বিপজ্জনক অস্ত্র বহনেও নিষেধাজ্ঞা জারি হয়েছে। এমন কোনও কাজ করা যাবে না, যাতে শান্তিভঙ্গ, জনদুর্ভোগ বা যান চলাচলে বিঘ্ন ঘটে।

    কেন এই সিদ্ধান্ত

    প্রশাসনের বক্তব্য, ধর্মতলা (Gathering in Dharmatala) কলকাতার অন্যতম ব্যস্ত এলাকা। প্রতিদিন হাজার হাজার মানুষ ওই পথ ব্যবহার করেন। সেখানে রাজনৈতিক জমায়েত বা বিক্ষোভ থেকে বড়সড় বিশৃঙ্খলার আশঙ্কা রয়েছে। তাই বৃহত্তর জনস্বার্থেই এই সিদ্ধান্ত নেওয়া হয়েছে। পুলিশ আরও জানিয়েছে, এত সংখ্যক মানুষের কাছে আলাদা করে নোটিস পৌঁছে দেওয়া সম্ভব নয়। সেই কারণেই ভারতীয় নাগরিক সুরক্ষা সংহিতার ১৬৩ ধারার উপধারা অনুযায়ী একতরফা ভাবে এই নির্দেশ জারি করা হয়েছে। সংবাদমাধ্যম, কলকাতা পুলিশ গেজেট এবং বিভিন্ন থানার নোটিস বোর্ডের মাধ্যমে এই নির্দেশ প্রকাশ করা হবে।

  • TMC July 21 Rally: ধর্মতলায় ২১ জুলাইয়ের সভার অনুমতি নয়, মমতা-ঋতব্রত— তৃণমূলের দুই শিবিরকেই জানিয়ে দিল পুলিশ

    TMC July 21 Rally: ধর্মতলায় ২১ জুলাইয়ের সভার অনুমতি নয়, মমতা-ঋতব্রত— তৃণমূলের দুই শিবিরকেই জানিয়ে দিল পুলিশ

    মাধ্যম নিউজ ডেস্ক: ২১ জুলাই ধর্মতলায় ‘শহিদ দিবস’ উপলক্ষে রাজনৈতিক সমাবেশের (TMC July 21 Rally) অনুমতি দেওয়া হবে না বলে কালীঘাট এবং ঋতব্রত— তৃণমূলের দুই শিবিরকেই জানিয়ে দিল (Dharmatala) কলকাতা পুলিশ। লালবাজারের বক্তব্য, ধর্মতলার মতো অত্যন্ত ব্যস্ত এলাকায় রাস্তা অবরুদ্ধ করে কোনও রাজনৈতিক কর্মসূচি আয়োজনের অনুমতি দেওয়া সম্ভব নয়।

    ধর্মতলায় সভা নয় (TMC July 21 Rally)

    এ বছর ভিক্টোরিয়া হাউসের সামনে ২১ জুলাইয়ের কর্মসূচি করার জন্য পুলিশের কাছে আলাদা করে আবেদন জানিয়েছিল দুই পক্ষই। অনুমতির সিদ্ধান্ত ঘোষণার আগেই রবিবার সেখানে ফিতে দিয়ে জায়গা মাপতে দেখা গিয়েছিল তৃণমূলের মমতা বন্দ্যোপাধ্যায় শিবিরের কুণাল ঘোষ ও দোলা সেনকে। এই ঘটনাকে কেন্দ্র করে শুরু হয় রাজনৈতিক বিতর্ক। পরে যান চলাচলে বিঘ্ন ঘটিয়ে মাপজোক করার অভিযোগে তাঁদের বিরুদ্ধে মামলা দায়ের করে কলকাতা পুলিশ। তার পরের দিনই ধর্মতলায় সভার অনুমতি না দেওয়ার সিদ্ধান্ত জানিয়ে দেওয়া হয়।

    মমতা শিবিরের বক্তব্য

    মমতা শিবিরের তরফে রাজ্যসভার প্রাক্তন সাংসদ শুভাশিস চক্রবর্তী বলেন, “এখনও পুলিশের তরফে কোনও চিঠি আমরা পাইনি। তাই এখনই এই বিষয়ে কোনও মন্তব্য করব না।” ঋতব্রত শিবিরের পরিষদীয় দলের মুখ্যসচেতক তথা মুর্শিদাবাদের রঘুনাথগঞ্জের বিধায়ক আখরুজ্জামান জানান, “আমরা আমাদের শহিদ দিবস পালন করবই। তবে তা কখনও মানুষের কোনও অসুবিধা করে হবে না। আমরা সবাই মিলে বসে এই কর্মসূচি নিয়ে আলোচনা করেই পরবর্তী সিদ্ধান্ত নেব।”

    তৃণমূলে মুষল পর্ব 

    প্রসঙ্গত, ছাব্বিশের বিধানসভা নির্বাচনে গোহারা হেরে যাওয়ার পরেই মুষল পর্ব শুরু হয় মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়ের সাধের তৃণমূলে। এক শিবিরের নেতা ঋতব্রত বন্দ্যোপাধ্যায়, আর অন্য গোষ্ঠীর নেতা মমতা স্বয়ং। দলের অন্দরে এই বিভাজনের জেরে এ বছর ২১ জুলাইয়ের কর্মসূচি আদৌ হবে কি না, তা নিয়ে অনিশ্চয়তা তৈরি হয়েছিল। তবে সম্প্রতি মমতা জানিয়েছিলেন, ধর্মতলায়ই শহিদ দিবস পালনের পরিকল্পনা রয়েছে। উত্তর কলকাতার এক কর্মসূচিতে কুণালের মোবাইল ফোন থেকে (TMC July 21 Rally) তাঁর বার্তাও শোনানো হয়। সেখানে মমতা বলেন, “২১ জুলাই আশা করি অনুমতি পাব। আমরা একটা দিনই মিটিং করি। সে দিন বিস্তারিত বলব। পাঁচ জন কর্মী থাকলেও সেই মিটিংয়ে থাকব। আপনারা ওই দিন সমবেত হোন।” এরপরই দুই শিবির পৃথকভাবে একই জায়গায় সমাবেশের অনুমতি চেয়ে আবেদন করে।

    ২১ জুলাই

    ধর্মতলায় ২১ জুলাইয়ের সভা তৃণমূলের দীর্ঘদিনের রাজনৈতিক ঐতিহ্য। ২০১১ সালে কর্মসূচি পালিত হয়েছিল ব্রিগেড ময়দানে। ২০১৩ এবং অতিমারির কারণে ২০২০ ও ২০২১ সালে ধর্মতলায় সভা হয়নি। বাকি প্রায় প্রত্যেক বছরই এই কর্মসূচি অনুষ্ঠিত হয়েছে ধর্মতলায়ই। ২১ জুলাইয়ের এই কর্মসূচির সূচনা ১৯৯৩ সালের ঘটনাকে ঘিরে। সেই সময় যুব কংগ্রেসের সভাপতি ছিলেন মমতা। সচিত্র ভোটার পরিচয়পত্রের দাবিতে মহাকরণ অভিযানের ডাক দেওয়া হয়েছিল। মিছিল মহাকরণের দিকে এগোতে শুরু করলে বিভিন্ন জায়গায় পুলিশ ব্যারিকেড করে তা রুখে দেয়। এরপর বিক্ষোভকারীদের সঙ্গে পুলিশের সংঘর্ষ, ইট-পাথর বর্ষণ, কাঁদানে গ্যাসের সেল ফাটানো এবং উত্তেজনার মধ্যে গুলিচালনার ঘটনা ঘটে। সেই ঘটনায় ১৩ জনের মৃত্যু হয় (Dharmatala), জখম হয়েছিলেন বহু কংগ্রেস কর্মী-সমর্থক। এই দিনটিকেই শহিদ দিবস হিসেবে পালন করে আসছে তৃণমূল (TMC July 21 Rally)।

     

  • Mamata Banerjee: মুখ্যমন্ত্রীর বিরুদ্ধে সাম্প্রদায়িকতা ছড়ানোর অভিযোগ পদ্ম শিবিরের

    Mamata Banerjee: মুখ্যমন্ত্রীর বিরুদ্ধে সাম্প্রদায়িকতা ছড়ানোর অভিযোগ পদ্ম শিবিরের

    মাধ্যম নিউজ ডেস্ক: তৃণমূল সুপ্রিমো তথা রাজ্যের মুখ্যমন্ত্রী মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়ের (Mamata Banerjee) বিরুদ্ধে সাম্প্রদায়িকতা ছড়ানোর অভিযোগ (Dharna Stage)। এসআইআরের প্রতিবাদে দিন কয়েক ধরে ধর্মতলায় ধরনায় বসেছেন তৃণমূল সুপ্রিমো। সেখানেই তিনি বিস্ফোরক মন্তব্য করেন বলে অভিযোগ। ঠিক কী বলেছেন মুখ্যমন্ত্রী? ওই মঞ্চে দাঁড়িয়ে তিনি বলেন, “আমরা আছি বলেই আপনারা সবাই ভালো আছেন। যদি আমরা না থাকি, কোনও দিন সেই রকম আসে, এক সেকেন্ড লাগবে। একটা কমিউনিটি যখন জোট বাঁধে না, ঘিরে ফেললে এক সেকেন্ড লাগবে, একদম বারোটা বাজিয়ে দেবে। যদি নিজেদের ১৩টা বাজাতে না চান, তাহলে বিজেপির অপপ্রচারে কোনও দিন ভুল বুঝবেন না।” মুখ্যমন্ত্রীর এহেন মন্তব্যেই উত্তাল রাজনৈতিক মহল। তাঁর বিরুদ্ধে সাম্প্রদায়িক উসকানি দেওয়ার অভিযোগ তুলেছেন বিরোধীরা।

    সুকান্তর প্রতিক্রিয়া (Mamata Banerjee)

    ঘটনার কড়া প্রতিক্রিয়া দিয়েছে বিজেপি। বাঁকুড়ায় দলের প্রাক্তন রাজ্য সভাপতি,  কেন্দ্রীয় মন্ত্রী সুকান্ত মজুমদার বলেন, “মুখ্যমন্ত্রীই ধরনা-মঞ্চ থেকে বলছেন, এক সম্প্রদায় একজোট হলে অন্যান্য সম্প্রদায়কে মেরে পুড়িয়ে ফেলবে! ওঁকে বলব, পশ্চিমবঙ্গের চেয়ে অনেক বেশি মুসলিম রয়েছেন উত্তরপ্রদেশ ও অসমে। সেখানে একটাও দাঙ্গা হয় না (Mamata Banerjee)। কারণ কেউ দাঙ্গা করলে তার বাড়িতে বুলডোজার চলবে।” সুকান্ত বলেন, “মুখ্যমন্ত্রী আগেই ৭০ শতাংশ হিন্দু ভোট হারিয়েছেন, বাকি মুসলিম ভোটও এখন চলে গিয়েছে বাবরি মসজিদ গড়তে হুমায়ুন কবীরের কাছে (Dharna Stage)। তাই প্রমাদ গুণছেন উনি।” মুখ্যমন্ত্রীর মন্তব্যের প্রতিক্রিয়ায় সিপিএমের তরফে দলের কেন্দ্রীয় কমিটির সদস্য সুজন চক্রবর্তী বলেন, “মুখ্যমন্ত্রীর ভাব শিষ্য হুমায়ুন কবীর লোকসভা নির্বাচনে একটা সম্প্রদায়ের নাম করে হুমকি দিয়েছিলেন, বিধানসভা ভোটের আগে তাঁর নেত্রী সম্প্রদায়ের নাম না করে একই ইঙ্গিত করছেন। আরএসএস-বিজেপির অভিসন্ধির পাশাপাশি পশ্চিমবঙ্গে এটাও আর একটা বিপদ।”

    শঙ্কর ঘোষের প্রতিক্রিয়া

    মুখ্যমন্ত্রীর বিরুদ্ধে দাঙ্গা লাগানোর চেষ্টার অভিযোগ তুলেছেন বিজেপি নেতা তথা শিলিগুড়ির বিধায়ক শঙ্কর ঘোষ। মুখ্যমন্ত্রীর বক্তব্য উদ্ধৃত করে তিনি বলেন, “মুখ্যমন্ত্রী হুমকি দিয়েছেন, একটি কমিউনিটি যদি চায়, জোট বেঁধে তাহলে আপনাদের বারোটা বাজিয়ে দেবে।” মুখ্যমন্ত্রীকে খোলা চ্যালেঞ্জ ছুড়ে দিয়ে শঙ্কর বলেন, “ক্ষমতা থাকলে ওই কমিউনিটির নাম বলুন।” তাঁর অভিযোগ, “রাজ্যের মাননীয়া মুখ্যমন্ত্রী (Mamata Banerjee) একটি কমিউনিটির নাম করে থ্রেট করছেন হিন্দু সনাতনী মানুষকে।” এই ধরনের মন্তব্য রাজ্যে সাম্প্রদায়িক সম্প্রীতি নষ্ট করতে পারে বলেও আশঙ্কা প্রকাশ করেন তিনি।

    বিজেপির পরিবর্তন যাত্রা

    প্রসঙ্গত, মঙ্গলবার শিলিগুড়িতে শঙ্করের নেতৃত্বে হয় বিজেপির পরিবর্তন যাত্রা। শিলিগুড়ির সেবক রোডের খাটু শ্যাম মন্দিরে পুজো দিয়ে শুরু হওয়া এই যাত্রা ভেনাস মোড় ও দার্জিলিং মোড় হয়ে মাটিগাড়া ও নকশালবাড়ির উদ্দেশে রওনা দেয়। ভেনাস মোড়ে আয়োজিত এক সভায় রাজ্যে তৃণমূল শাসনের অবসানের ডাকও দেন শঙ্কর। শিলিগুড়ির বিধায়কের দাবি, তৃণমূলের ভয় ও সন্ত্রাসের পরিবেশ সত্ত্বেও, পরিবর্তন যাত্রাকে কেন্দ্র করে মানুষের মধ্যে অভাবনীয় স্বতঃস্ফূর্ততা দেখা যাচ্ছে। ১৫ বছরের তৃণমূল শাসনের অবসান ঘটিয়ে বিজেপি রাজ্যে পরিবর্তন আনতে বদ্ধপরিকর বলেও জানান তিনি। বিজেপির এই (Dharna Stage) সভায় উপস্থিত ছিলেন দলের উত্তরবঙ্গের একাধিক নেতানেত্রী (Mamata Banerjee)।

     

  • Junior Doctors Protest: “আপনাদের কণ্ঠই আমাদের শক্তি”, এবার ‘চিৎকার সমাবেশ’-এর ডাক জুনিয়র ডাক্তারদের

    Junior Doctors Protest: “আপনাদের কণ্ঠই আমাদের শক্তি”, এবার ‘চিৎকার সমাবেশ’-এর ডাক জুনিয়র ডাক্তারদের

    মাধ্যম নিউজ ডেস্ক: রবিবার ধর্মতলায় ‘চিৎকার সমাবেশ’(Shout Rally)-এর ডাক দিলেন জুনিয়র ডাক্তাররা (Junior Doctors Protest)। আন্দোলনে সাধারণ মানুষকে যোগদানের জন্য অনশনমঞ্চের সামনে আহ্বান জানালেন আন্দোলনকারীরা। এদিন বিকেল ৪টে থেকে সমাবেশ হওয়ার কথা। একই ভাবে মুখ্যসচিবের করা ইমেলের জবাব কী দেবেন ডাক্তাররা, সেই দিকেও নজর রেখেছেন সাধারণ মানুষ।

    অনশনমঞ্চে গিয়েছিলেন মুখ্যসচিব (Junior Doctors Protest)

    শনিবার ধর্মতলার অনশনমঞ্চে জুনিয়র ডাক্তারদের সঙ্গে দেখা করতে গিয়েছিলেন মুখ্যসচিব মনোজ পন্থ, স্বরাষ্ট্রসচিব নন্দিনী চক্রবর্তী, ডিসি সেন্ট্রাল ইন্দিরা মুখোপাধ্যায় এবং আরও অনেক সরকারি আধিকারিক। তাঁদের মাধ্যমে রাজ্যের মুখ্যমন্ত্রী মমতা বন্দ্যোপাধ্যায় ফোনে আন্দোলনরত জুনিয়র ডাক্তারদের সঙ্গে কথা বলেন। এরপর মুখ্যসচিব সোমবার বিকেল ৫টায় নবান্নে বৈঠকে বসার কথা বলেন। কিন্তু তার আগে অনশন তুলে নেওয়ার কথাও বলেন মুখ্যসচিব। মোট ১০ জন সদস্যকে ৪৫ মিনিটের জন্য বৈঠকে ডাকা হবে। ইতিমধ্যে সোমবারের আগে রবিবার ধর্মতলায় অভিনব প্রতিবাদ কর্মসূচি ঘোষণার কথা জানান আন্দোলনকারীরা।

    বিকেল ৪ টেয় ধর্মতলায় সমাবেশ

    পশ্চিমবঙ্গে জুনিয়র ডক্টরস ফ্রন্টের (Junior Doctors Protest) তরফে সামজিক মাধ্যমে চিৎকার সমাবেশের ডাক দিয়ে বলা হয়, “আমাদের দাবির কথা ছড়িয়ে পড়ুক চিৎকারের মাধ্যমে। দেখা হবে বিকেল ৪ টেয় ধর্মতলার অনশনমঞ্চে।” যদিও গত শুক্রবার আগেই অনশনমঞ্চ থেকে সাংবাদিক সম্মেলন করে প্রতিবাদ কর্মসূচির (Shout Rally) কথা বলা হয়েছিল। কিন্তু সেই সময় নাম দেওয়া হয়নি। ওইদিন সাংবাদিক সম্মেলনে জুনিয়র ডাক্তারদের পক্ষে উপস্থিত ছিলেন, স্নিগ্ধা হাজরা, সায়ন্তনী ঘোষ হাজরা, রুমেলিকা কুমার প্রমুখ। তাঁরা বলেছিলেন, “রবিবার আপনারা এখানে আসুন। আমাদের পাশে একটু দাঁড়ান। আমাদের আশীর্বাদ করুন। আমরা না খেয়ে আছি। আমাদের কণ্ঠ দুর্বল হয়ে পড়েছে। আপনাদের কণ্ঠই আমাদের শক্তি।”

    আরও পড়ুনঃ ১৩ নভেম্বর রাজ্যে উপনির্বাচন, প্রথম দল হিসেবে ৬ কেন্দ্রেই প্রার্থী ঘোষণা করে দিল বিজেপি

    সোমবার নবান্নে বৈঠক?

    একইভাবে জুনিয়র ডাক্তাররা (Junior Doctors Protest) ঘোষণা করেছিলেন, ১০ দফা দাবি পূরণ না করলে মঙ্গলবার সারা রাজ্য জুড়ে ধর্মঘট ডাকা হবে। জুনিয়র, সিনিয়র সকল ডাক্তার এই ধর্মঘটে অংশগ্রহণ করবেন। সরকারি এবং বেসরকারি হাসপাতালেও এর প্রভাব পড়বে। কোনও রোগীর কিছু হলে দায় নিতে হবে মুখ্যমন্ত্রীকেই। এরপর শনিবার মুখ্যসচিব উপস্থিত হন ধর্মতলায়। তারপর সোমবার নবান্নে বৈঠকের প্রস্তাব দেন। বিকেল চারটের মধ্যে নবান্নে পৌঁছানোর কথা বলেন। কোন কোন আন্দোলনকারীরা (Shout Rally) যাবেন, তাঁদের নাম আগেই জানাতে বলা হয়েছে।

     

    দেশের খবর, দশের খবর, সব খবর, সবার আগে পেতে ফলো করুন আমাদের  Whatsapp, FacebookTwitter, Telegram এবং Google News পেজ।

  • Dharmatala: বাড়ছে আন্দোলনের ঝাঁঝ, ধর্মতলার অনশনে যোগ দিলেন আরও দুই জুনিয়র চিকিৎসক

    Dharmatala: বাড়ছে আন্দোলনের ঝাঁঝ, ধর্মতলার অনশনে যোগ দিলেন আরও দুই জুনিয়র চিকিৎসক

    মাধ্যম নিউজ ডেস্ক: বাড়ছে ঝাঁঝ জুনিয়র ডাক্তারদের আন্দোলনের, শুক্রবার রাতে তাঁদের অনশনমঞ্চে যোগ দিলেন আরও দুই জন চিকিৎসক। এরফলে বর্তমানে ওই মঞ্চে অনশনরত চিকিৎসকের সংখ্যা বেড়ে দাঁড়াল আট। ধর্মতলা (Dharmatala) ছাড়াও, উত্তরবঙ্গ মেডিক্যাল কলেজের দুই জুনিয়র ডাক্তারও ‘আমরণ অনশন’ (Hunger Strike) করছেন। শুক্রবার রাতে ধর্মতলায় ‘ওয়েস্ট বেঙ্গল জুনিয়র ডক্টর্‌স ফ্রন্ট’-এর তরফে জানানো হয়, আরও দুই জন জুনিয়র ডাক্তার আমরণ অনশন (Dharmatala) শুরু করছেন। তাঁরা হলেন পরিচয় পণ্ডা এবং আলোলিকা ঘোড়ুই। জানা গিয়েছে, পরিচয় শিশুমঙ্গল হাসপাতালের সঙ্গে যুক্ত। তিনি ওই হাসপাতালের ইএনটি (নাক, কান, গলা) বিভাগের পিজিটি-র দ্বিতীয় বর্ষের পড়ুয়া। আর কলকাতা ন্যাশনাল মেডিক্যাল কলেজের সার্জারি বিভাগের প্রথম বর্ষের পিজিটি আলোলিকা। তাঁরা জানান, সরকার যত দিন পর্যন্ত না তাঁদের দাবি মেটাচ্ছেন তত দিন এ ভাবেই জীবনকে বাজি রেখে এগিয়ে যাবেন একে একে।

    গত শনিবার থেকে চলছে অনশন (Dharmatala)

    প্রসঙ্গত, ১০ দফা দাবিতে গত শনিবার রাত সাড়ে ৮টা থেকে ধর্মতলায় আমরণ অনশন শুরু করেন কলকাতার বিভিন্ন মেডিক্যাল কলেজের ছ’জন জুনিয়র ডাক্তার। স্নিগ্ধা হাজরা ছাড়াও সেই তালিকায় রয়েছেন তনয়া পাঁজা, সায়ন্তনী ঘোষ হাজরা, অনুষ্টুপ মুখোপাধ্যায়, অর্ণব মুখোপাধ্যায় এবং পুলস্ত্য আচার্য। এরপর গত রবিবার, ৬ অক্টোবর অনশনে যোগ দিয়েছিলেন আরজি করের জুনিয়র চিকিৎসক অনিকেত মাহাতোও। বৃহস্পতিবার রাতে শারীরিক অবস্থার অবনতি তাঁকে আরজি কর হাসপাতালে ভর্তি করানো হয়। তাঁকে ধরলে অনশনকারীর (Dharmatala) সংখ্যা ন’জন।

    আজ ১২ ঘণ্টার প্রতীকী অনশন কর্মসূচি আইএমএ-এর বেঙ্গল শাখার

    গত অগাস্ট মাস থেকেই আরজি করে চিকিৎসককে ধর্ষণ ও খুনের ঘটনায় উত্তাল রাজ্য। প্রতিবাদে কর্মবিরতি পালন করেছেন জুনিয়র ডাক্তাররা। গত বুধবার রাতে মুখ্যসচিবের সঙ্গে স্বাস্থ্য ভবনে বৈঠকে বসেছিলেন আন্দোলনকারীরা। কিন্তু সেই বৈঠক বিফল বলেই দাবি তাঁদের। আন্দোলনকারীদের অভিযোগ, রাজ্য সরকার নতুন কিছু বলছে না। শুধু মৌখিক প্রতিশ্রুতি দিয়ে অনশন তুলে নেওয়ার কথা বলছে। ঠিক এই আবহে আজ রবিবার সর্বভারতীয় চিকিৎসক সংগঠন আইএমএ-র (ইন্ডিয়ান মেডিক্যাল অ্যাসোসিয়েশন) বেঙ্গল শাখা কলকাতা-সহ জেলায় জেলায় ১২ ঘণ্টার প্রতীকী অনশন কর্মসূচি (Hunger Strike) পালন করছে।

     

    দেশের খবর, দশের খবর, সব খবর, সবার আগে পেতে ফলো করুন আমাদের  Whatsapp, FacebookTwitter, Telegram এবং Google News পেজ।

  • RG Kar: ধর্মতলায় আমরণ অনশন জুনিয়র ডাক্তারদের, এবার যোগ দিলেন আরজি করের অনিকেত

    RG Kar: ধর্মতলায় আমরণ অনশন জুনিয়র ডাক্তারদের, এবার যোগ দিলেন আরজি করের অনিকেত

    মাধ্যম নিউজ ডেস্ক: ১০ দফা দাবি নিয়ে ধর্মতলায় শনিবার রাত থেকেই আমরণ অনশন শুরু করেন ছয় জুনিয়র ডাক্তার। রবিবার রাতে তাঁদের সঙ্গে যোগ দেন আরও এক জুনিয়র ডাক্তার অনিকেত মাহাত। তিনি আরজি করের (RG Kar) জুনিয়র ডাক্তার। প্রথম থেকেই জুনিয়র ডাক্তারদের আন্দোলনের অন্যতম মুখ তিনি।

    আমরণ অনশনে কারা?

    শনিবার ধর্মতলায় (Dharmatala) আমরণ অনশনে (RG Kar) বসেন কলকাতা মেডিক্যাল কলেজের অনুষ্টুপ মুখোপাধ্যায়, স্নিগ্ধা হাজরা, তনয়া পাঁজা, এসএসকেএমের অর্ণব মুখোপাধ্যায়, কেপিসি মেডিক্যাল কলেজের সায়ন্তনী ঘোষ হাজরা এবং এনআরএস মেডিক্যাল কলেজের পুলস্ত্য আচার্য। সেই সময়ই দেখা যায় আরজি করের কেউ নেই। তখনই উঠতে শুরু করে প্রশ্ন! আরজি কর কাণ্ডের প্রেক্ষিতে যে আন্দোলন শুরু হয়েছিল, সেখানে কেন সেই হাসপাতালের কেউ উপস্থিত (RG Kar) নেই? ঠিক এরই মধ্যে রবিবার অনশন মঞ্চে হাজির হলেন অনিকেত মাহাত।

    কী বলছেন অনিকেত মাহাত?

    জুনিয়র ডাক্তাররা অবশ্য বারবারই বলছেন, ‘‘কারা অনশনে (Dharmatala) বসবেন, আন্দোলনের পরবর্তী পদক্ষেপ কী হবে, সর্বসম্মত ভাবেই সে বিষয়ে সিদ্ধান্ত গৃহীত হয়েছে। প্যান জিবিতে সকলে মিলে এই সংক্রান্ত সিদ্ধান্ত নিয়েছেন। সকলের মতামতকে গুরুত্ব দেওয়া হয়েছে।’’ অনিকেত মাহাত বলেন, ‘‘সবাই মিলে এই সিদ্ধান্ত গৃহীত হয়েছে। আরজি কর (RG Kar) হাসপাতালের আন্দোলনের অন্যতম বিষয় থ্রেট কালচার। আর তার বিরুদ্ধে লড়াই। আমরা আন্দোলনের মধ্যেই আছি।’’

    কী বললেন ডাক্তার দেবাশিস হালদার?

    রবিবার অনশন মঞ্চ থেকে জুনিয়র ডাক্তার দেবাশিস হালদার বলেন, ‘‘এই অনশনে আরজি কর সামিল নেই কেন, এই প্রশ্ন উঠেছে। কলেজ ভিত্তিক লড়াইয়ে আরজি কর ব্যস্ত ছিল। থ্রেট কালচারের মাথাদের শাস্তি দেওয়ার লড়াইয়ে বিগত কয়েকদিন আরজি করের জুনিয়র ডাক্তাররা ব্যস্ত ছিলেন। সেই লড়াইয়ে আমরা আংশিক জয় ছিনিয়ে আনতে পেরেছি। শনিবার আমরণ অনশন শুরুর সময় সেই কারণে আরজি করের জুনিয়র ডাক্তাররা অনশনে যোগ দেওয়ার জায়গায় ছিলেন না।’’ দেবাশিস হালদার আরও বলেন, ‘‘কেউ কেউ বলছেন, এটা রিলে অনশন। তা নয়, আমাদের সহযোদ্ধারা জীবন বাজি রেখে অনশন শুরু করেছেন।’’

     

    দেশের খবর, দশের খবর, সব খবর, সবার আগে পেতে ফলো করুন আমাদের  Whatsapp, FacebookTwitter, Telegram এবং Google News পেজ।

  • Junior Doctors: কর্মবিরতি উঠল, বৃহত্তর আন্দোলন চলবে বলে জানালেন জুনিয়র ডাক্তাররা

    Junior Doctors: কর্মবিরতি উঠল, বৃহত্তর আন্দোলন চলবে বলে জানালেন জুনিয়র ডাক্তাররা

    মাধ্যম নিউজ ডেস্ক: নিজেদের কর্মবিরতি তুলে নিলেন আন্দোলনকারী জুনিয়র ডাক্তাররা (Junior Doctors)। ধর্মতলার মহাসমাবেশ থেকে গতকাল শুক্রবার রাতেই তাঁরা একথা ঘোষণা করেন। তবে পাশাপাশি তাঁরা জানিয়ে রেখেছেন যে ধর্মতলায় বিক্ষোভ তাঁরা চালিয়ে যাবেন। আন্দোলনকারীদের বক্তব্য রাজ্য সরকারকে তাঁরা বার্তা দিতে চান, তাঁরা যেমন কাজে ফিরছেন, তেমন রাস্তায় থেকে বুঝিয়ে দিচ্ছেন তাঁরা আন্দোলনে রয়েছেন। আন্দোলনকারীরা ধর্নামঞ্চে তাঁরা একটি বড় ঘড়ি টাঙিয়ে দেন। সেই ঘড়িকে সামনে রেখে রাজ্য সরকারকে সময় বেঁধে দিলেন জুনিয়র ডাক্তাররা। যদি ২৪ ঘণ্টার মধ্যে সরকার তাঁদের দাবি না মানে তবে আমরণ অনশনের হুঁশিয়ারিও দিয়েছেন তাঁরা। এর আগে, বৃহস্পতিবার রাত থেকে শুক্রবার সকাল পর্যন্ত প্রায় ১০ ঘণ্টা জুনিয়র ডাক্তারদের জেনারেল বডির বৈঠকেই ঠিক হয়ে যায় পরবর্তী কর্মসূচির রূপরেখা। তার পরে সিদ্ধান্ত ঘোষণা হয় রাতে।

    জনগণ আমাদের পাশেই, দাবি ডাক্তারদের (Junior Doctors) 

    ধর্মতলার (Dharmatala) অবস্থান থেকেই দেবাশিস হালদার (Junior Doctors) ঘোষণা করেন, ‘‘গণআন্দোলন বজায় রেখেই রোগীদের কথা মাথায় রেখে আমরা আজ থেকে কর্মবিরতি প্রত্যাহার করছি। জিবি মিটিংয়ে এটাই সিদ্ধান্ত নিয়েছি। তবে এটা যদি মনে হয় রাজ্য সরকার ভয় দেখাচ্ছে, ভাবছে জনগণ আমাদের পাশে নেই, ভয় পেয়ে কর্মবিরতি তুলে নিচ্ছি, তাহলে ভুল ভাববে রাজ্য সরকার। আসলে জনগণ আমাদের পাশে রয়েছেই। একটাই পক্ষ।’’ তবে কর্মবিরতি তুললেও, আন্দোলন যে আরও তীব্রতর হতে চলেছে, তার আভাসও দিতে শোনা যায় দেবাশিসকে। তিনি বলেন, ‘‘পূর্ব নির্ধারিত কর্মসূচি অনুযায়ী, ধর্মতলার ডোরিনা ক্রসিংয়ে লাগাতর অবস্থান বিক্ষোভের ডাক দিচ্ছি। আমরা কাজে ফিরছি। আর এখানে বসে থেকে বুঝিয়েও দিচ্ছি, আমরা ন্যায় বিচারের দাবিতে রাস্তাতেও আছি।’’ 

    এই লড়াই থ্রেট কালচারের বিরুদ্ধে

    প্রসঙ্গত দিন কয়েক আগেই সাগরদত্ত মেডিক্যাল কলেজে চিকিৎসক হেনস্থার অভিযোগ ওঠার পর দশ দফা দাবিতে কর্মবিরতিতে সামিল হন জুনিয়র চিকিৎসকরা (Junior Doctors)। শুক্রবার রাতে তারই ব্যাখ্যা দেন দেবাশিস। তিনি বলেন, ‘‘আমাদের দশ দফা দাবি আসলে দুটো দাবি। প্রথম দাবি, ন্যায়বিচার। বাকি সব দাবি জড়িয়ে রয়েছে, আর একটাও যাতে এই ধরনের ঘটনা না ঘটে, তার জন্য।’’ তাঁদের কথায়, ‘এই লড়াই থ্রেট কালচারের বিরুদ্ধে। নিরাপত্তার স্বার্থে।’ আন্দোলনকারী চিকিৎসক অনিকেত মাহাতো বলেন, ‘‘কর্মবিরতি যদি আমাদের দাবি পূরণের অন্তরায় হয়, তাহলে কর্মবিরতি তুলে নিলাম। কাল রাত সাড়ে আটটা পর্যন্ত সময়। সেই সময়ের মধ্যে দাবি না মানলে আমরণ অনশন। এই ঘটনার মোটিভকে সামনে আনতে হবে।’’ আন্দোলনকারী চিকিৎসকরা সাফ জানিয়েছেন, অনশন‌ও আন্দোলনের শেষ নয়। দাবি না মানা পর্যন্ত রাজপথেই থাকবেন তাঁরা। তাঁদের এই দাবি যে কথার কথা নয়, তা প্রমাণ করতে একটা বড় দেওয়ালঘড়ি সঙ্গে নিয়ে এসে ধর্নাস্থেলে টাঙিয়ে দেন আন্দোলনকারীরা। বলেন, ‘‘আমরা এই ঘড়ি নিয়ে এসেছি। প্রতি মিনিট, ঘণ্টার হিসাব হবে। তাই এই ঘড়ি অবস্থান মঞ্চে থাকবে। আগামী ২৪ ঘণ্টায় যদি সরকার আমাদের দাবি না মানে, তবে আমরা জীবনের বাজি রেখে আমরণ অনশন শুরু করব।’’

    দেশের খবর, দশের খবর, সব খবর, সবার আগে পেতে ফলো করুন আমাদের  Whatsapp, FacebookTwitter, Telegram এবং Google News পেজ।

  • Junior Doctor: পুলিশি হেনস্থার অভিযোগ, প্রতিবাদে ধর্মতলায় রাস্তায় বসে পড়লেন জুনিয়র ডাক্তাররা 

    Junior Doctor: পুলিশি হেনস্থার অভিযোগ, প্রতিবাদে ধর্মতলায় রাস্তায় বসে পড়লেন জুনিয়র ডাক্তাররা 

    মাধ্যম নিউজ ডেস্ক: জুনিয়র চিকিৎসকদের (Junior Doctor) কর্মসূচি ঘিরে ধুন্ধুমার কাণ্ড ধর্মতলায় (Dharmatala)। আন্দোলনকারী চিকিৎসকদের মিছিল শেষে পুলিশের সঙ্গে ব্যাপক বচসার পরিস্থিতি তৈরি হয়। জানা গিয়েছে, ধর্মতলার মঞ্চ তৈরি নিয়েই এই বচসার সূত্রপাত হয় প্রশাসনের সঙ্গে আন্দোলনকারীদের। এরপরেই রাস্তায় বসে বিক্ষোভ দেখাতে থাকেন আন্দোলনকারীরা (Junior Doctor)। প্রশাসনের বিরুদ্ধে ক্ষোভ উগরে দিয়ে জুনিয়র চিকিৎসকরা দাবি করছেন, কর্মসূচির অনুমতি তাঁদের আগেই দেওয়া হয়েছিল। তবু চিকিৎসকদের প্রতিনিধি দলের কয়েকজন ধর্মতলায় পৌঁছানোর সঙ্গে সঙ্গে সেখান থেকে তাঁদেরকে জোর করে সরিয়ে দেয় পুলিশ। শুধু তাই নয়, পুলিশের বিরুদ্ধে মারাত্মক অভিযোগ তুলেছেন জুনিয়ার ডাক্তাররা, তাঁদের দাবি, আন্দোলনকারীদের মারধরও করেছে পুলিশ।

    উত্তপ্ত ধর্মতলা (Junior Doctor)

    প্রতিবাদে ধর্মতলায় (Dharmatala) অবস্থানে বসে পড়েন চিকিৎসকরা। এরপরে বেশ কিছু পুলিশ কর্তাকে দেখা যায় ঘটনাস্থলে পৌঁছে আন্দোলনকারী চিকিৎসকদের সঙ্গে কথা বলার চেষ্টা করছেন। তখন পরিস্থিতি আবারও উত্তপ্ত হয়ে ওঠে। প্রশাসনের সঙ্গে বাদানুবাদ শুরু হয়ে যায়। চলতে থাকে স্লোগান। প্রসঙ্গত, আরজিকর কাণ্ডের প্রতিবাদে দীর্ঘদিন ধরে আন্দোলন চালিয়ে যাচ্ছেন জুনিয়র চিকিৎসকরা। সেই আন্দোলনে শামিল হতে দেখা গিয়েছে, সমাজের সর্বস্তরের মানুষজনকে। জুনিয়র ডাক্তারদের আন্দোলনের মাঝেই রাজ্যের একাধিক জায়গার হাসপাতালগুলিতে হামলার খবর সামনে আসে। চিকিৎসক নিগ্রহ, স্বাস্থ্যকর্মী নিগ্রহের মতো একাধিক ঘটনা সম্প্রতি সামনে এসেছে।

    কী বলছেন আন্দোলনকারী (Junior Doctor) চিকিৎসক? 

    দিন কয়েক আগেই সাগর দত্ত হাসপাতালে ফের ডাক্তারদের ওপর হামলা হয়। এর প্রতিবাদের জুনিয়র ডাক্তাররা কর্মবিরতি শুরু করেন। নতুন করে আন্দোলনে নামেন চিকিৎসকরা। আন্দোলনকারী চিকিৎসক অনুষ্টুপ এনিয়ে বলেন, ‘‘আমরা তো শান্তিপূর্ণ মিছিল করছিলাম। আমরা সমাবেশের প্ল্যান করেছিলাম। কিন্তু আমরা এখানে এসে পৌঁছানোর আগেই এক জুনিয়র ডাক্তারকে টেনে হিঁচড়ে সরিয়ে দেওয়া হয়েছে। আমরা কলকাতা পুলিশকে ধিক্কার জানাচ্ছি।’’ শেষ খবর পাওয়া পর্যন্ত এখনও বিক্ষোভ চলছে।

     

    দেশের খবর, দশের খবর, সব খবর, সবার আগে পেতে ফলো করুন আমাদের  Whatsapp, FacebookTwitter, Telegram এবং Google News পেজ।

  • IT Raid: শহরের এক ডজন জায়গায় আয়কর হানা! ভোটের আবহে উদ্ধার টাকার পাহাড়

    IT Raid: শহরের এক ডজন জায়গায় আয়কর হানা! ভোটের আবহে উদ্ধার টাকার পাহাড়

    মাধ্যম নিউজ ডেস্ক: ভোটের আবহে (Lok Sabha Elections 2024) আবারও শহরে (Kolkata) উদ্ধার টাকার পাহাড়। গত আড়াই দিন ধরে শহরে চলছে আয়কর তল্লাশি। প্রায় ৬০ ঘণ্টারও বেশি সময় ধরে তিনটি বিজ্ঞাপন সংস্থার দফতর ও তার মালিকদের বাড়িতে তল্লাশি (IT Raid) চালিয়ে উদ্ধার হয়েছে প্রায় এক কোটি টাকার নগদ। 

    শহরের ১২ জায়গায় চলল তল্লাশি (IT Raid)

    বৃহস্পতিবার সকালে খবর পাওয়া যায় শহরে (Kolkata) আয়কর দফতরের তল্লাশি অভিযান শুরু হয়েছে। কলকাতার প্রায় ১২টি জায়গায় এই তল্লাশি চলছে বলে খবর। ধর্মতলা, গড়িয়াহাট সহ একাধিক জায়গায় হানা দেয় আয়কর দফতর। মূলত ব্যবসায়ীদের অফিসেই এই তল্লাশি অভিযান চলে। প্রাথমিক ভাবে জানা গিয়েছে, দুটি অফিসে তল্লাশি চালানোর সময় ওই বিপুল পরিমাণ টাকা উদ্ধার হয়। হিসাব বহির্ভূত এই টাকা আপাতত বাজেয়াপ্ত করেছে আয়কর দফতর। জানা গিয়েছে তিনটি বিজ্ঞাপন সংস্থার মধ্যে শুধুমাত্র একটি বিজ্ঞাপন সংস্থার দফতর থেকেই উদ্ধার হয়েছে নগদ ৫৫ লক্ষ টাকা। 

    আরও পড়ুন: প্রকাশ্যে গুলিবিদ্ধ স্লোভাকিয়ার প্রধানমন্ত্রী, ‘‘কাপুরুষোচিত কাজ’’, প্রতিক্রিয়া মোদির

    নির্বাচন কমিশনের নজরদারি 

    উল্লেখ্য, আগামী ১ জুন সপ্তম দফায় ভোট রয়েছে কলকাতায় (Kolkata)। ইতিমধ্যেই শেষ মুহূর্তের প্রচারে ব্যস্ত প্রার্থীরা। আর এরই মধ্যে শহর (kolkata) থেকে আয়কর দফতরের তৎপরতায় (IT Raid) উদ্ধার হল এতগুলো টাকা। এমনিতেই রাজ্যে নির্বাচন বিধি লাগু থাকায়, টাকার লেনদেনের ওপর নজর রাখছে নির্বাচন কমিশনও। ভোটে যাতে কোনও ভাবেই অর্থশক্তি কায়েম না হয়, তার জন্য সবসময় কড়া নজরদারি চালাচ্ছে কমিশন। তবে কী কারণে এত পরিমাণ টাকা বাড়িতে রাখা হয়েছিল, তা নিয়ে তদন্ত চালাচ্ছেন আয়কর বিভাগের আধিকারিকরা। 

    প্রসঙ্গত, মাস খানেক আগেই কলকাতার নামী ছাতু ব্যবসায়ীর বাড়িতে আয়কর আধিকারিকরা তল্লাশি (IT Raid) চালান। ভোটের মুখে উদ্ধার হয়েছিল ৫৮ লক্ষ টাকা। পাশাপাশি বড়বাজার, ধর্মতলা চত্বর থেকেও টাকা উদ্ধারের ঘটনা সামনে এসেছে। স্বাভাবিকভাবেই ভোটের আগে বিপুল টাকা উদ্ধারে চাঞ্চল্য ছড়িয়েছে শহরে। 

     

    দেশের খবর, দশের খবর, সব খবর, সবার আগে পেতে ফলো করুন আমাদের  Whatsapp, FacebookTwitter, Telegram এবং Google News পেজ।

LinkedIn
Share