Tag: Dharmatala

Dharmatala

  • Kolkata News: চাকরিপ্রার্থীদের বিক্ষোভকে কেন্দ্র করে ধুন্ধুমার পরিস্থিতি ধর্মতলা চত্বরে

    Kolkata News: চাকরিপ্রার্থীদের বিক্ষোভকে কেন্দ্র করে ধুন্ধুমার পরিস্থিতি ধর্মতলা চত্বরে

    মাধ্যম নিউজ ডেস্ক: চাকরিপ্রার্থীদের বিক্ষোভকে কেন্দ্র করে ফের ধুন্ধুমার পরিস্থিতি ধর্মতলা চত্বরে। শুক্রবার সাতটি সংগঠনের যৌথ উদ্যোগে কলেজ স্কোয়ার থেকে ধর্ম সভা পর্যন্ত মহামিছিলের ডাক দেওয়া হয়। কিন্তু ডোরিনা ক্রসিং-এর সামনেই মিছিল আসতে পুলিশের সঙ্গে ব্যাপক ধস্তাধস্তি শুরু হয়। নিয়োগের দাবিতে চাকরিপ্রার্থীদের (Kolkata News) রাস্তায় বসে পড়েন এবং পুলিশ তাঁদের টেনে হিঁচড়ে তুলতে থাকে।

    ডোরিনার ক্রসিং-এর কাছেই উত্তেজনার পরিস্থিতি

    বুধবার ২০১৭ সালের গ্রুপ ডি, ২০০৯ সালের দক্ষিণ চব্বিশ পরগনার প্রাইমারি মঞ্চ, যুব ছাত্র অধিকার, ২০১৪ প্রাইমারি টেট একতা মঞ্চ, প্রভৃতি সংগঠন এই মিছিলের ডাক দেয়। সেই মতো শহীদ মিনার পর্যন্ত মিছিল চলতে শুরু করে। কিন্তু ডোরিনার ক্রসিং-এর কাছেই উত্তেজনার পরিস্থিতি তৈরি হয়। রাস্তা আটকে চাকরিপ্রার্থীরা (Kolkata News) আন্দোলন শুরু করলে পুলিশের সঙ্গে বচসা বাঁধে। এরপরই কয়েকজন চাকরিপ্রার্থীকে আটো করে তুলে নিয়ে যায় পুলিশ। যার মধ্যে সংগ্রামী যৌথ মঞ্চের আহ্বায়ক ভাস্কর ঘোষকেও গ্রেফতার করা হয়। এ প্রসঙ্গে ভাস্কর বাবু বলেন, ‘‘আমি জানতে পেরেছি পুলিশ অভিষেক বন্দ্যোপাধ্যায়ের নির্দেশে এইভাবে আন্দোলন থামিয়ে দিয়েছে। ওনার মদতেই বিক্ষোভে বাধা দেওয়া হচ্ছে। কিন্তু আমাদের আন্দোলন থামবে না।’’

    কী বলছেন চাকরি প্রার্থীরা?

    বঞ্চিত চাকরিপ্রার্থীদের তরফে আশিষ খামরুই বলেন, ‘‘সরকার বলছে, আইনি জটিলতার জন্য চাকরি (Kolkata News) দিচ্ছি না ৷ এটা সর্বৈব মিথ্যা ৷ একাধিক মঞ্চ আছে, যেখানে কোনও আইনি জটিলতা নেই ৷ সরকারের সদিচ্ছা থাকলে আইনি জটিলতা কাটিয়ে নিয়োগ করা যেত ৷ এতদিন ধরে আমরা মাননীয়া মুখ্যমন্ত্রীর দৃষ্টি আকর্ষণ করেছি ৷ আজও তা করছি ৷ মুখ্যমন্ত্রীর কাছে আমাদের আবেদন, আগে নিয়োগ, তারপরে ভোট ৷’’

     

    আরও পড়ুন: বিকল নৌকা, মাঝ-সমুদ্রে আটকে পড়া ২৭ বাংলাদেশি মৎস্যজীবীকে উদ্ধার ভারতের

     

    দেশের খবর, দশের খবর, সব খবর, সবার আগে পেতে ফলো করুন আমাদের  Whatsapp, FacebookTwitter, Telegram এবং Google News পেজ।

  • Recruitment Scam: যন্ত্রণার হাজার দিন! ধর্মতলায় ন্যাড়া হয়ে প্রতিবাদ মহিলা চাকরিপ্রার্থীর

    Recruitment Scam: যন্ত্রণার হাজার দিন! ধর্মতলায় ন্যাড়া হয়ে প্রতিবাদ মহিলা চাকরিপ্রার্থীর

    মাধ্যম নিউজ ডেস্ক: হাজার দিন হয়ে গেল চাকরি প্রার্থীদের আন্দোলন। শীত, গ্রীষ্ম, বর্ষা তাঁরা রাস্তায় বসে রয়েছেন। পুজো, দীপাবলি, ইদ বা বড়দিন তাঁদের কাটছে আন্দোলন করেই। হকের চাকরির জন্য লড়াই চালিয়ে যাচ্ছেন তাঁরা। বিভিন্ন সময়ে আন্দোলনের বিভিন্ন পন্থা অবলম্বন করতে দেখা গিয়েছে তাঁদের। আজ, শনিবার, আন্দোলনের ১০০০ দিনের মাথায় ধর্মতলার ধর্না মঞ্চে এসএলএসটি চাকরি প্রার্থীরা নিজেদের পাওনা চাকরির জন্য ন্যাড়া হলেন। এদিন হকের চাকরির দাবিতে রাস্তাতেই মাথা ন্যাড়া করতে দেখা গেল এক মহিলা আন্দোলনকারীকে। লজ্জার এই ছবি দেখল বহু লড়াইয়ের সাক্ষী থাকা এই শহর।

    চাকরিপ্রার্থীদের অভিযোগ 

    এদিন মাথা মুড়িয়ে কান্নায় ভেঙে পড়েন ওই মহিলা চাকরিপ্রার্থী। কান্নাভেজা গলায় মহিলা চাকরিপ্রার্থী জানান, তিনি এমএ পাশ করেছেন। বিএডও পাশ করেছেন। চাকরির পরীক্ষায় উত্তীর্ণও হয়েছেন। তারপরও চাকরি মেলেনি। তাঁর কথায়, “বাড়িতে বৃদ্ধ মা, বাবা, অসুস্থ ছেলে। চাকরির আশায় টানা ১ হাজার দিন ধরে প্রতিদিন সকাল ১১টা থেকে সন্ধে ৬টা পর্যন্ত অবস্থান মঞ্চে আসছি। কিন্তু আর পারছি না। বাধ্য হয়ে মাথা ন্যাড়া করলাম। মুখ্যমন্ত্রীর দৃষ্টি আকর্ষণ করতে চাই। জানতে চাই, কী করলে হকের চাকরি পাব?” নিয়োগের দাবিতে গত এক হাজার দিন ধরে রাস্তায় বসে আন্দোলন করছেন এসএলএসটি-র নবম-দশম এবং একাদশ ও দ্বাদশ শ্রেণির চাকরিপ্রার্থীরা৷ ২০১৬ সালে এই নিয়োগের বিজ্ঞপ্তি জারি হয়৷ কিন্তু প্যানেলের তালিকাভুক্ত হয়েও এই চাকরিপ্রার্থীদের নিয়োগ হয়নি বলে অভিযোগ৷

    আরও পড়ুন: রানিমার পারিবারিক বিয়েতে ব্যস্ত রাজ্য, তাই চাষিদের দুঃখে নজর নেই, তোপ শুভেন্দুর

    মুখ্যমন্ত্রীকে প্রশ্ন আন্দোলনকারীদের

    চাকরির দাবিতে কখনও প্রেস ক্লাবের সামনে, কখনও সল্টলেকের সেন্ট্রাল পার্কের সামনে অবস্থান বিক্ষোভ চালিয়ে গিয়েছেন এই চাকরিপ্রার্থীরা৷ বর্তমানে তাঁরা ধর্মতলার কাছে গান্ধিমূর্তির নিচে অবস্থান বিক্ষোভ চালাচ্ছেন৷ এর আগেও আন্দোলনের বিভিন্ন পর্যায়ে প্রশাসন এবং মুখ্যমন্ত্রী দৃষ্টি আকর্ষণ করতে নানা কর্মসূচি নিয়েছেন চাকরিপ্রার্থীরা৷ কিন্তু কাজের কাজ হয়নি৷ মেলেনি কাঙ্খিত নিয়োগ পত্র। এক চাকরিপ্রার্থীর কাতর আবেদন, “মুখ্যমন্ত্রী আপনি উত্তরবঙ্গে রয়েছেন সাংস্কৃতিক অনুষ্ঠানে। আপনার পারিবারিক বিবাহ অনুষ্ঠানে। আমাদের এই আন্দোলন যদি দেখে থাকেন তাহলে আগামিকালই আমাদের ধর্না মঞ্চে আসুন। আপনাকে আমাদের নিয়োগ দিতেই হবে।” 

     

    দেশের খবরদশের খবরসব খবরসবার আগে পেতে ফলো করুন আমাদের FacebookTwitter এবং Google News পেজ।

  • Kolkata Accident: বেহালার পর ফের দুর্ঘটনা শহরে! সৌরনীলের মৃত্যুর পর রাতারাতি বদলে গেল ট্রাফিক নিরাপত্তা

    Kolkata Accident: বেহালার পর ফের দুর্ঘটনা শহরে! সৌরনীলের মৃত্যুর পর রাতারাতি বদলে গেল ট্রাফিক নিরাপত্তা

    মাধ্যম নিউজ ডেস্ক: বেহালায় (Behala) ট্রাকের ধাক্কায় ৭ বছরের শিশুর মৃত্যুর পর শুক্রবার রাতে ফের এক সড়ক দুর্ঘটনায় প্রাণ হারালেন হাওড়ার এক যুবতী। মৃতের নাম সুনন্দা দাস। কলকাতার ধর্মতলা এলাকার এক হোটেলের কর্মী ছিলেন সুনন্দা। হাওড়ার নেতাজি সুভাষ রোডের বাসিন্দা তিনি। শুক্রবার রাত ১১টা নাগাদ স্কুটি চালিয়ে দ্বিতীয় হুগলি সেতু দিয়ে বাড়ি ফিরছিলেন সুনন্দা। ফ্লাইওভারে ওঠার মুখে পিছন থেকে একটি লরি এসে স্কুটিতে ধাক্কা মারে। সঙ্গে সঙ্গে ঘটনাস্থলে পৌঁছন কর্তব্যরত পুলিশকর্মীরা। লরির ধাক্কায় সুনন্দার শরীরের একাংশ গাড়ির তলায় পিষে যায় বলে পুলিশ সূত্রে খবর। তাঁকে উদ্ধার করে এসএসকেএম হাসপাতালে নিয়ে যাওয়া হলে সেখানকার চিকিৎসকেরা সুনন্দাকে মৃত বলে ঘোষণা করেন। পুলিশ লরিটিকে আটক করলেও ঘটনাস্থল থেকে পলাতক লরির চালক।

    ট্রাক চলাচলে নয়া নিয়ম

    বেহালায় স্কুল ছাত্রের মৃত্যুর পর অবশেষে টনক নড়ল পুলিশের (Police)। লালবাজারের (Lalbazar) নির্দেশ, সকাল ৬টার পর কলকাতায় (Kolkata) ঢুকবে না কোনও ট্রাক। আজ থেকেই চালু হয়েছে এই নিয়ম। মৌখিকভাবে সমস্ত ট্রাফিক গার্ডকে ইতিমধ্যেই নির্দেশ দেওয়া হয়েছে। সরকারি হোক বা বেসরকারি, কলকাতার সমস্ত স্কুলের বাইরে থাকতে হবে ওসি বা অ্যাডিশনাল ওসি পদমর্যাদার একজন অফিসারকে। সমস্ত স্কুলের বাইরে যান নিয়ন্ত্রণ ও ভিড় সামলাতে থাকবে পুলিশ। গতকাল পথ দুর্ঘটনায় শিশু মৃত্যুর পরের দিন বদলে গেল বেহালা চৌরাস্তার ছবিও। 

    আরও পড়ুন: ‘‘গলায় গামছা দিয়ে পদত্যাগ করুন পুলিশ কমিশনার’’, বেহালা কাণ্ডে মন্তব্য শুভেন্দুর

    বদলে গেল বেহালার ছবি

    রাতারাতি পাল্টে দিল বেহালা চৌরাস্তা এলাকার ট্রাফিক নিরাপত্তা ব্যবস্থা। শহরের অন্যান্য গুরত্বপূর্ণ মোড়গুলির মত বেহালা চৌরাস্তায় শুক্রবার রাতেই বসিয়ে দেওয়া হয়েছে ম্যানুয়াল ড্রপ গেট। জেব্রা ক্রসিংয়ের ঠিক সমান্তরাল ভাবেই। দড়ির বাঁধনের কন্ট্রোলে পুলিশকর্মীরা ড্রপ গেট তুলছেন এবং নামিয়ে দিচ্ছেন। রাস্তা পারাপার করতে হবে এখান দিয়েই। আর কোনও অবস্থাতেই, কোনওভাবে রাস্তা পারাপারের চেষ্টা করামাত্র জুটবে পুলিশের কড়া ধমক। বড়িশা হাই স্কুলের সামনেও বসানো হয়েছে ম্যানুয়াল ড্রপ গেট, মোতায়ন পুলিশ।ঠাকুরপুকুর থেকে তারাতলা পর্যন্ত ফুটপাতের সিংহভাগ কার্যত হকারদের দখলে। ব্যস্ততার মধ্যে একপ্রকার বাধ্য হয়েই পথচারীদের রাস্তার ধার ঘেঁষেই চলাচল করতে হয়। তাঁদের জন্য রাস্তার দু’দিকের লেনের এক পাশে আড়াই মিটার অংশ পথচারীদের জন্য নির্দিষ্ট করা হয়েছে। 

    দেশের খবরদশের খবরসব খবরসবার আগে পেতে ফলো করুন আমাদের FacebookTwitter এবং Google News পেজ।

LinkedIn
Share