Tag: Dilip Ghosh

Dilip Ghosh

  • Dilip Ghosh: ‘‘৩৬ বছরেই এত দুর্নীতি, ৭২-এ কী হবে’’! অভিষেককে কটাক্ষ দিলীপের

    Dilip Ghosh: ‘‘৩৬ বছরেই এত দুর্নীতি, ৭২-এ কী হবে’’! অভিষেককে কটাক্ষ দিলীপের

    মাধ্যম নিউজ ডেস্ক: প্রতিদিনের মতোই মঙ্গলবার সকালে নিউটাউনের ইকোপার্কে প্রাতঃভ্রমণে আসেন বিজেপির সর্বভারতীয় সহ সভাপতি তথা সাংসদ দিলীপ ঘোষ (Dilip Ghosh)। সেখানে সাংবাদিকদের মুখোমুখি হয়ে, তৃণমূলের সেকেন্ড ইন কমান্ড অভিষেক বন্দ্যোপাধ্যায়কে (Abhishek Banerjee) কটাক্ষ করলেন দিলীপ। তিনি বলেন, “৩৬ বছরেই যদি কেউ এতো দুর্নীতি করে, ৭২ এ গিয়ে কি করবে? মোদি ৫০ বছর ধরে সামাজিক ও রাজনৈতিক জীবনে আছেন। তাঁকে যারা কালিমালিপ্ত করার চেষ্টা করেছিল, তারাই আজ নিশ্চিহ্ন হয়ে গেছে। উনি যেন ভুলে না যান, মোদি-শাহ কে ফাঁসাতে কেস গুজরাট থেকে তুলে মুম্বই নিয়ে যাওয়া হয়েছিল। তাঁরা সেখানেও গেছেন। কেউ রাস্তা অবরোধ করেনি। কেউ কোর্টের বিরুদ্ধে যায়নি। কেউ সরকারকে গালাগাল দেয়নি। আগুনের থেকে সোনা যেমন চকচকে হয়ে বেরিয়ে আসে, সেরকম কোর্টে নির্দোষ প্রমাণ হয়ে বেরিয়ে এসেছেন তাঁরা।”

    অভিষেককে নিশানা

    গতকালই সিবিআই জেরার বিরোধিতা করে সুপ্রিম কোর্টের দ্বারস্থ হন অভিষেক। এই বিষয়ে দিলীপ ঘোষ বলেন, “এদিকে বলছে আমাকে ফাঁসি দিয়ে দিন। এদিকে রক্ষাকবচ চাইতে সুপ্রিম কোর্টে যাচ্ছে। এই বেঞ্চ থেকে ওই বেঞ্চ ঘুরে বেড়াচ্ছেন। আদালতের সময়, সরকারি পয়সা অপচয় করছেন। তাকে ২৫ লাখ টাকা জরিমানা করা হয়েছে। চাট্টিখানি কথা নয়। এই চালাকি সবাই বোঝে। একাধিক নেতা আগে এই চেষ্টা করেছেন। এই কোর্ট সেই কোর্ট ঘুরে তারা ভিতরে গিয়েছেন। অপেক্ষা করুন। কাজ চলছে।”

    নিয়োগ দুর্নীতি নিয়ে তোপ

    নিয়োগ দুর্নীতি নিয়েও এদিন মুখ খোলেন দিলীপ ঘোষ। বলেন, “আমি গোড়া থেকেই বলছি, প্রতিটি ক্ষেত্রে নিয়োগে দুর্নীতি হয়েছে। সব তদন্ত হওয়া উচিৎ। সব জায়গায় দুর্নীতি পাওয়া যাবে। কোনও মামলায় ছাড় পাবেন না। যতই দৌড়াদৌড়ি করুন, সবাইকে জেলে যেতে হবে।”

    কেজরিওয়াল-মমতা বৈঠক

    অন্যদিকে লোকসভা ভোটের আগে আজ কেজরিওয়াল-মমতা (Mamata Banerjee) বৈঠক প্রসঙ্গে দিলীপ ঘোষ বলেন, “গতবারও একই হয়েছিল। মোদির সামনে কে যাবেন? কেউ যেতে সাহস পাচ্ছেন না। তাই একটা মুরগি খোঁজা হচ্ছে। গতবার মমতা লাফালাফি করেছিলেন। সবাইকে মাছ ভাত খাইয়েছিলেন। তারপর তো ওনার ১২টা সিট কমে গিয়েছিল। তাই উনি এবার রাজি হচ্ছেন না। একটু হাওয়া দিলেই উনি অনেক সময় রাজি হয়ে যান। তাই একেক জন এসে হাওয়া দিচ্ছে। বলছে, দিদি আপনি রাজি হয়ে যান। ওনাকে আসরে নামানোর চেষ্টা চলছে। কেবল ওনাকে রাজি করাতে একেক সময়ে একেক জন কলকাতায় আসছে। কিন্তু মোদির সামনে গেলে হাওয়া খারাপ হয়ে যাবে তা উনি জেনে গিয়েছেন।”

    আরও পড়ুন: পথ অবরোধ তোলাকে কেন্দ্র করে রণক্ষেত্র, পুলিশের লাঠিচার্জ, সরব বিজেপি

    রাজ্যের সাম্প্রতিক পরিবেশ নিয়ে দিলীপ ঘোষ বলেন, “রাজ্যে নতুন কোনও শিল্প নেই। বোমা বন্দুকই এখানকার শিল্প। যেকোনও নেতার বাড়িতে বোমা ও মশলা পেয়ে যাবেন। এই লোকগুলো সব সমাজবিরোধী। পার্টির টিকিটে নেতা হয়েছে। অভ্যাস যায়নি। এরাই তৃণমূল কংগ্রেসকে টিকিয়ে রেখেছে। মানুষ যোগ্য জবাব দেবে।”

    দেশের খবর, দশের খবর, সব খবর, সবার আগে পেতে ফলো করুন আমাদের FacebookTwitter এবং Google News পেজ।

     

  • Dilip Ghosh: ‘‘একটা মুরগি খোঁজা হচ্ছে’’, মমতা-কেজরির বৈঠককে কটাক্ষ দিলীপের

    Dilip Ghosh: ‘‘একটা মুরগি খোঁজা হচ্ছে’’, মমতা-কেজরির বৈঠককে কটাক্ষ দিলীপের

    মাধ্যম নিউজ ডেস্ক: “একটা মুরগি খোঁজা হচ্ছে।” তৃণমূল (TMC) সুপ্রিমো মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়ের (Mamata Banerjee) সঙ্গে আপ (AAP) নেতা অরবিন্দ কেজরিওয়ালের প্রস্তাবিত বৈঠককে এভাবেই ব্যাখ্যা করলেন বিজেপির (BJP) সর্বভারতীয় সহ-সভাপতি তথা মেদিনীপুরের সাংসদ দিলীপ ঘোষ (Dilip Ghosh)। মঙ্গলবার দুপুরে মমতা-কেজরি বৈঠক হওয়ার কথা।

    দিলীপের (Dilip Ghosh) নিশানায় মমতা

    এদিন নিউটাউনের ইকোপার্কে প্রাতর্ভ্রমণে এসে দিলীপ বলেন, “গতবারও একই ঘটনা ঘটেছিল। মোদির সামনে কে যাবেন? কেউ যেতে সাহস পাচ্ছেন না। তাই একটা মুরগি খোঁজা হচ্ছে।” তিনি বলেন, “গতবার মমতা লাফালাফি করেছিলেন। সবাইকে মাছ-ভাত খাইয়েছিলেন। তারপর তো ওঁর ১২টি সিট কমে গিয়েছিল। তাই আর উনি এবার রাজি হচ্ছেন না। একটু হাওয়া দিলেই অনেক সময় উনি রাজি হয়ে যান। তাই এক একজন এসে হাওয়া দিচ্ছে। বলছে, দিদি, আপনি রাজি হয়ে যান। ওঁকে আসরে নামানোর চেষ্টা চলছে। কেবল ওঁকে রাজি করাতে এক এক সময় এক একজন কলকাতায় আসছেন। কিন্তু উনি জেনে গিয়েছেন, মোদির সামনে গেলে হাওয়া খারাপ হয়ে যাবে।”

    দিলীপের (Dilip Ghosh) নিশানায় অভিষেক

    এদিন তৃণমূল নেত্রীর ভাইপো তথা ঘাসফুল শিবিরের নম্বর টু নেতা অভিষেক বন্দ্যোপাধ্যায়কেও নিশানা করেন বিজেপির সর্বভারতীয় সহ-সভাপতি। তিনি (Dilip Ghosh) বলেন, “এদিকে বলছে আমাকে ফাঁসি দিয়ে দিন। এদিকে রক্ষাকবচ চাইতে সুপ্রিম কোর্টে যাচ্ছেন। এ বেঞ্চ থেকে ও বেঞ্চ ঘুরে বেড়াচ্ছেন। আদালতের সময় নষ্ট করছেন। সরকারি পয়সা অপচয় করছেন। তাঁকে ২৫ লাখ টাকা জরিমানা করা হয়েছে। চাট্টিখানি কথা নয়। এই চালাকি সবাই বোঝে। একাধিক নেতা আগেও এই চেষ্টা করেছেন। এ কোর্ট সে কোর্ট ঘুরে তাঁরা ভিতরে গিয়েছেন। অপেক্ষা করুন। কাজ চলছে।”

    আরও পড়ুুন: ‘দ্য কেরালা স্টোরি’ দেখতে গিয়ে সঙ্গীর বিরুদ্ধে ধর্ষণের অভিযোগ হিন্দু যুবতীর

    বর্তমানে বাঁকুড়ায় তৃণমূলের নব জোয়ার কর্মসূচিতে ব্যস্ত রয়েছেন অভিষেক। সেখানকারই এক সভায় মোদির বয়স তুলে আক্রমণ শানিয়েছিলেন অভিষেক। এদিন সে প্রসঙ্গে দিলীপ (Dilip Ghosh) বলেন, “৩৬ বছরেই কেউ যদি এত দুর্নীতি করে, ৭২ এ গিয়ে কী করবে?  মোদি ৫০ বছর ধরে সামাজিক ও রাজনৈতিক জীবনে রয়েছেন। তাঁকে যারা কালিমালিপ্ত করার চেষ্টা করেছিল, তারাই আজ নিশ্চিহ্ন হয়ে গিয়েছে। উনি যেন ভুলে না যান, মোদি-শাহকে ফাঁসাতে কেস গুজরাট থেকে তুলে মুম্বই নিয়ে যাওয়া হয়েছিল। তাঁরা সেখানেও গিয়েছেন। কেউ রাস্তা অবরোধ করেনি। কেউ কোর্টের বিরুদ্ধে যায়নি। কেউ সরকারকে গালাগাল দেয়নি। আমরা আগুনের থেকে সোনা চকচকে হয়ে বেরিয়ে আসার মতো কোর্টে নির্দোষ প্রমাণিত হয়ে বেরিয়ে এসেছি।”

    দেশের খবর, দশের খবর, সব খবর, সবার আগে পেতে ফলো করুন আমাদের FacebookTwitter এবং Google News পেজ।

  • Dilip Ghosh: ‘কানমলা খাওয়ার আগে উনি নিজেই এনআইএ মেনে নিয়েছেন’, মমতাকে কটাক্ষ দিলীপের

    Dilip Ghosh: ‘কানমলা খাওয়ার আগে উনি নিজেই এনআইএ মেনে নিয়েছেন’, মমতাকে কটাক্ষ দিলীপের

    মাধ্যম নিউজ ডেস্ক: পূর্ব মেদিনীপুরের এগরায় (Egra) তৃণমূল (TMC) নেতার বাড়িতে বেআইনি বাজি কারখানায় ভয়াবহ বিস্ফোরণে মৃত্যু হয়েছে অন্তত ৯ জনের। বিস্ফোরণের অভিঘাতে মৃতদেহ ছিটকে গিয়ে পড়েছিল পুকুর ও রাস্তায়। এলাকাবাসীর দাবি, বাজি কারখানার আড়ালে তৈরি হত বোমা। তৃণমূলের ওই প্রাক্তন পঞ্চায়েত প্রধান যে বাজি কারখানাটি অবৈধভাবে চালাচ্ছিলেন, তা জানিয়ে দিয়েছেন খোদ জেলা পুলিশ সুপার। বিস্ফোরণকাণ্ডে এনআইএ (NIA) তদন্তের দাবি তুলেছে বিজেপি। অমিত শাহকে এ ব্যাপারে চিঠিও দিয়েছেন বিজেপির রাজ্য সভাপতি সুকান্ত মজুমদার। এর পরেই তড়িঘড়ি মুখ্যমন্ত্রী জানিয়ে দেন, এনআইএ তদন্ত করলে আপত্তি নেই।

    দিলীপ ঘোষের (Dilip Ghosh) কটাক্ষ-বাণ…

    এই প্রসঙ্গেই মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়কে কটাক্ষ-বাণ হেনেছেন বিজেপির সর্বভারতীয় সহ সভাপতি দিলীপ ঘোষ (Dilip Ghosh)। তিনি বলেন, ‘‘ঠেলায় পড়লে বিড়ালও গাছে ওঠে। মুখ্যমন্ত্রী জানেন, এটা নিয়ে কেউ না কেউ কোর্টে যাবে। কোর্ট সঙ্গে সঙ্গে এনআইএ তদন্তের নির্দেশ দেবেই। তাই কানমলা খাওয়ার আগে উনি নিজেই মেনে নিয়েছেন, এনআইএ হলে আপত্তি নেই। তিনি বলেন, যদি উনি সত্যিই চান, তাহলে নিজে থেকে এনআইএ তদন্ত চাইছেন না কেন? ওঁরই উচিত কেন্দ্রীয় স্বরাষ্ট্রমন্ত্রীকে চিঠি লেখা।’’

    বিজেপির সর্বভারতীয় সহ সভাপতি (Dilip Ghosh) বলেন, ‘‘মমতা বন্দ্যোপাধ্যায় বলছেন, সেখানে বিজেপির পঞ্চায়েত। আগে বিজেপির পঞ্চায়েত ছিল না। ওঁদের পঞ্চায়েত ছিল। মানুষ খেপে গিয়ে সেই পঞ্চায়েত ভেঙে দিয়েছে। এখন সেখানে নির্দল প্রধান। এই সমাজবিরোধী ও দেশ বিরোধী কাজে পুলিশ যুক্ত। না হলে কমপ্লেন করার পরেও পুলিশ কিছু করে না কেন? তার মানে পুলিশের ওপর পলিটিক্যাল প্রেসার রয়েছে। তাই আক্রমণের শিকার পুলিশ।’’

    আরও পড়ুুন: ‘দ্য কেরালা স্টোরি’ নিয়ে সুপ্রিম কোর্টের নোটিশের জবাব দিল রাজ্য, কী বলল?

    মেদিনীপুরের সাংসদ (Dilip Ghosh) বলেন, ‘‘রাজ্যের একাধিক জায়গায় বিস্ফোরণ আগেও হয়েছে। আমি তার মধ্যে কয়েকটা জায়গায় গিয়েছি। কয়েক বছর আগে পিংলায়ও একই ঘটনা ঘটেছিল। তখন বাড়ির ছাদ উড়ে গিয়েছিল। দেহগুলি ছিন্নভিন্ন হয়ে গিয়েছিল। এবারও তাই হয়েছে। ওখানে প্রায় ২২ জন কাজ করছিল। তারা নিশ্চিহ্ন হয়ে গিয়েছে। কজনকে পাওয়া গিয়েছে বা যায়নি, নিশ্চিত নয়।’’

    দেশের খবর, দশের খবর, সব খবর, সবার আগে পেতে ফলো করুন আমাদের FacebookTwitter এবং Google News পেজ।

     

  • Dilip Ghosh: ‘‘দিলীপ ঘোষের সঙ্গে কোনও যোগাযোগ নেই’’, দলিল-বিতর্কে জানালেন প্রসন্ন

    Dilip Ghosh: ‘‘দিলীপ ঘোষের সঙ্গে কোনও যোগাযোগ নেই’’, দলিল-বিতর্কে জানালেন প্রসন্ন

    মাধ্যম নিউজ ডেস্ক: নিয়োগ-দুর্নীতি মামলায় ধৃত মিডলম্যান প্রসন্ন রায় এদিন বলেন, ‘‘বিজেপির সর্বভারতীয় সহ-সভাপতি দিলীপ ঘোষের (Dilip Ghosh) সঙ্গে আমার কোনও যোগাযোগ নেই, আর্থিক লেনদেনও কখনও হয়নি।’’ প্রসঙ্গত, অভিযোগ উঠেছিল প্রসন্ন রায়ের কাছ থেকে দিলীপ ঘোষের ফ্ল্যাটের দলিল উদ্ধার হয়েছে। এই অভিযোগে বারবার সরব হয়েছিল তৃণমূল। কিন্তু দিলীপ ঘোষ প্রতিবারই অভিযোগ ভিত্তিহীন বলেছেন। সোমবার প্রসন্ন রায়ের বিবৃতির পরে তৃণমূলের তোলা অভিযোগ ব্যুমেরাং হল বলেই মনে করছে রাজনৈতিক মহলের একাংশ।

    কে এই প্রসন্ন?

    রঙের মিস্ত্রি থেকে কোটি কোটি টাকার সম্পত্তি করেছিলেন নিয়োগ দুর্নীতিতে ধৃত প্রসন্ন। প্রাক্তন শিক্ষামন্ত্রী পার্থ চট্টোপাধ্যায়ের আত্মীয় বলেই পরিচিত তিনি। সিবিআই সূত্রে খবর, মাত্র পাঁচ বছরেই এক হাজার চৌঁত্রিশ কাঠা জমির মালিক হন তিনি। ২০০ কোটি টাকার বিনিয়োগ করেন তাঁর বিভিন্ন ব্যবসায়। শুরু করেন হোটেল ব্যবসাও। কোথা থেকে তাঁর কাছে এত টাকা এল তা খতিয়ে দেখতে গিয়েই দুর্নীতি ধরা পড়ে। প্রথমে নবম দশমের দুর্নীতি পরে গ্রুপ ডি দুর্নীতিতে নাম জড়ায় প্রসন্নর।

    কী বললেন প্রসন্ন রায়?

    ধৃত প্রসন্ন রায়কে এদিন আলিপুরে সিবিআইয়ের বিশেষ আদালতে তোলা হয়। গ্রুপ-ডি কর্মী নিয়োগের দুর্নীতি মামলায় অভিযুক্ত প্রসন্ন দলিল প্রসঙ্গে বলেন, ‘‘ওটি আসল দলিল নয়, দলিলের প্রতিলিপি বা সার্টিফায়েড কপি। দিলীপ ঘোষের সঙ্গে আমার কোন যোগাযোগ নেই, কোনও আর্থিক লেনদেনও কখনো হয়নি।’’ তবে দিলীপ ঘোষের (Dilip Ghosh) ফ্ল্যাটের দলিল তাঁর কাছে এল কীভাবে? প্রসন্নর উত্তর, ‘‘দিলীপবাবু তাঁর নিজের ফ্ল্যাটের বিদ্যুৎ সংযোগের জন্য দলিলের কপি একটি বেসরকারি সংস্থাকে দিয়েছিলেন। আমি ওই দলিল পেয়েছি সেই সংস্থার কাছ থেকে।’’ নবম ও দশম শ্রেণির শিক্ষক নিয়োগ দুর্নীতি মামলায় ইতিমধ্যে প্রসন্ন ২৫৮ দিন জেল খেটেছেন। এরপর গ্রুপ ডি মামলায় সিবিআই তাঁকে ৪ দিনের হেফাজতে নিয়েছিল, এদিন আলিপুরের সিবিআই বিশেষ আদালত প্রসন্নকে ২৫ মে পর্যন্ত জেল হেফাজতে রাখার নির্দেশ দিয়েছে।

    এ প্রসঙ্গে কী বললেন দিলীপ ঘোষ?

    ঝাড়গ্রামে দলীয় কর্মসূচিতে এদিন দিলীপ ঘোষ (Dilip Ghosh) বলেন, ‘‘ব্যাঙ্কের টাকায় ফ্ল্যাট কিনেছি, ব্যাঙ্কের কাছে আসল দলিল আছে। যে ভদ্রলোক ওই ফ্ল্যাটের মালিক ছিলেন মিটারে তাঁর নাম পরিবর্তন করতে হতো, তাই আমি তার একটা ফটোকপি প্রসন্ন রায়ের কাছে পাঠিয়েছিলাম, শুধু এটুকুই। আমি ওকে চিনি না জানি না।’’

     

    দেশের খবর, দশের খবর, সব খবর, সবার আগে পেতে ফলো করুন আমাদের Facebook, Twitter এবং Google News পেজ।

  • Dilip Ghosh: ‘‘জোয়ারের চোটে ব্যালট বাক্স ভেসে যাচ্ছে’’! অভিষেকের কর্মসূচিকে আক্রমণ দিলীপের

    Dilip Ghosh: ‘‘জোয়ারের চোটে ব্যালট বাক্স ভেসে যাচ্ছে’’! অভিষেকের কর্মসূচিকে আক্রমণ দিলীপের

    মাধ্যম নিউজ ডেস্ক: তৃণমূলের সর্বভারতীয় সাধারণ সম্পাদক অভিষেক বন্দ্যোপাধ্যায়, ২০২৪ সালের লোকসভা নির্বাচনে ৪০টি আসনের লক্ষ্যমাত্রা বেঁধে দিয়েছেন দলের কর্মীদের কাছে। এ ব্যাপারে বিজেপির কেন্দ্রীয় সহ-সভাপতি দিলীপ ঘোষ (Dilip Ghosh) কটাক্ষ করে বলেন, ‘‘ওরা তো টার্গেট দেয় কিন্তু পৌঁছায় কতদূর!’’ এ প্রসঙ্গে দিলীপবাবু (Dilip Ghosh) মনে করিয়ে দেন যে গত লোকসভা নির্বাচনে মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়ও একইভাবে ৪২ টি আসনের টার্গেট দিয়েছিলেন। কিন্তু সেখান থেকে তারা বাইশে নেমে গিয়েছিল। ২০১৯ সালের নির্বাচনে বিজেপির চমকপ্রদ উত্থানের কথাও বলেন দিলীপবাবু। স্মরণ করান, সে বছর ২ থেকে বিজেপি ১৮ তে পৌঁছায়। 

    দলীয় ভোটেই ব্যালট লুঠ….

    নব জোয়ার কর্মসূচিতে গতকালই ফুটবল খেলেন অভিষেক বন্দ্যোপাধ্যায় এবং সেখানে দেখা যায় তাঁর জুতোটা বলের সঙ্গে এগিয়ে যাচ্ছে, এখানেও কটাক্ষ করে দিলীপ ঘোষ (Dilip Ghosh) বলেন, ‘‘এখন ফুটবল খেলতে গিয়ে বলের সঙ্গে জুতো চলে যাচ্ছে, আগে ওটা অল ইন্ডিয়া পার্টি ছিল এখন তা লোকাল হয়ে গেছে।’’ দিলীপ ঘোষের (Dilip Ghosh) আরও কটাক্ষ, ‘‘পঞ্চায়েত নির্বাচনে তৃণমূল প্রার্থী তালিকা ঘোষণা করলে রাজ্যজুড়ে খুনোখুনি শুরু হবে। অভিষেক বন্দ্যোপাধ্যায়ের নবজোয়ার কর্মসূচিতে কোচবিহার, মালদা এবং মুর্শিদাবাদ সর্বত্র দেখা যায় যে দলীয় ভোটেই ব্যালট বাক্স লুঠ হচ্ছে।’’ এ প্রসঙ্গে দিলীপ ঘোষ বলেন, ‘‘এটাতো হওয়ারই ছিল, মমতাও গিয়েছিলেন মালদাতে কিন্তু তিনি সামলাতে পারেননি কারণ পার্টিটা আজ আর কারও কন্ট্রোলে নেই। এমন জোয়ার আসছে যে ব্যালট বাক্স ভেসে চলে যাচ্ছে। আসলে এটা পঞ্চায়েত ভোটের প্র্যাকটিস ম্যাচ চলছে।’’ পঞ্চায়েত ভোট নিয়ে তাঁর মন্তব্য যে ভোট লুঠ হলে পুলিশ তো কিছু করবে না, তাই যা করার বিজেপিকেই করতে হবে। তাঁর সংযোজন, ‘‘কেউ যদি ভোট লুঠ করতে আসে তাকে কি আমরা রসগোল্লা খাওয়াবো?’’ ডিএ আন্দোলন নিয়ে মেদিনীপুরের সাংসদের দাবি যে মুখ্যমন্ত্রী কেন্দ্রীয় বঞ্চনার অভিযোগ তুলে ধর্না দিতে পারছেন, অথচ কেন্দ্রীয় সরকারী কর্মচারীরা তাদের প্রাপ্য ডিএ-এর দাবিতে আন্দোলন করতে পারেন না? 

    দেশের খবর, দশের খবর, সব খবর, সবার আগে পেতে ফলো করুন আমাদের FacebookTwitter এবং Google News পেজ।

  • Dilip Ghosh: ‘‘ধীরে ধীরে নীচে আসছেন’’! মমতা, অভিষেককে তীব্র কটাক্ষ দিলীপের

    Dilip Ghosh: ‘‘ধীরে ধীরে নীচে আসছেন’’! মমতা, অভিষেককে তীব্র কটাক্ষ দিলীপের

    মাধ্যম নিউজ ডেস্ক: ‘‘উত্তরে ও জঙ্গলমহলে বারে বারে যাচ্ছেন। কারণ তৃণমূল কোথায় আছে, দেখতে যাচ্ছেন। কই নদিয়া, মুর্শিদাবাদ যান না তো! জানেন এগুলো মারপিট করে জিতে নেব।’’ বুধবার তৃণমূল (TMC) সুপ্রিমো মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়ের (Mamata Banerjee) উত্তরবঙ্গ সফরকে কটাক্ষ করে এই কথাগুলি বললেন বিজেপির (BJP) সর্বভারতীয় সহ সভাপতি দিলীপ ঘোষ (Dilip Ghosh)। তিনি বলেন, ‘‘উত্তর আর দক্ষিণে তৃণমূল উপড়ে গিয়েছে। মানুষ ঠিক করেছেন, একটা আসনও দেবেন না। চেষ্টা করছেন। নিজের লোক লুঠপাট করে নিয়েছে। জনসংযোগ করে আর লাভ কী?’’ এবার ট্রেনে চড়ে মালদহে যাচ্ছেন মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়। দিলীপ বলেন, ‘‘ধীরে ধীরে নীচে আসছেন। হেলিকপ্টার থেকে ট্রেনে নেমেছেন। এরপর বাসে করে যাবেন।’’

    অভিষেককে দিলীপের (Dilip Ghosh) কটাক্ষ-বাণ …

    পঞ্চায়েত নির্বাচনের আগে জনসংযোগ যাত্রায় বেরিয়েছেন তৃণমূল নেতা অভিষেক বন্দ্যোপাধ্যায়। ভাষণ দিতে গিয়ে তাঁর গলা ভেঙে গিয়েছে বলেও জানিয়েছেন এই তৃণমূল নেতা। একেই কটাক্ষ করে দিলীপ (Dilip Ghosh) বলেন, ‘‘আমি সারা উত্তরবঙ্গ ঘুরে এলাম। আমার গলাও ভাঙেনি। লুটপাটও হয়নি। উনি দু’দিন ঘুরলেন, গলা ভেঙে গেল। সুখী লোক। আরামে রাজনীতি করেন। এসিতে থাকেন। মাঝে মাঝে বেরিয়ে শো-বাজি করতে হয়। হঠাৎ রোদে বেরলে এরকম হয়। আমাদের দেখে অনুকরণ করছেন। মন্দিরে যাচ্ছেন। লোকের বাড়িতে খাচ্ছেন। লোকের বাড়ি গিয়ে সাজানো খাবার খাচ্ছেন। আমরা খেলে বলা হয় ফাইভ স্টার থেকে খাবার এসেছে। ওঁর খাবার কোন স্টোর থেকে এসেছে? মা চণ্ডীর সামনে যেমন প্রসাদ দেয়, সেরকম ওঁর সামনে খাবার সাজানো।’’ 

    আরও পড়ুুন: মানিক ভট্টাচার্যকে নিয়ে বিস্ফোরক তথ্য সিবিআইয়ের, রিপোর্ট পেশ সুপ্রিম কোর্টে

    সভায় পুলিশ প্রহরা নিয়েও অভিষেককে কটাক্ষ করেন বিজেপির সর্বভারতীয় সহ সভাপতি। তিনি (Dilip Ghosh) বলেন, ‘‘ওঁর সভায় তো পুলিশই আছে। আর কে আছে? সাধারণ কর্মীদের ঢুকতে দেওয়া হচ্ছে না। ঢোকার চেষ্টা করলে কী হচ্ছে, দেখতেই পাচ্ছেন। আসলে উত্তরবঙ্গে ওঁর পার্টিটা আছে কিনা, তা দেখতে গিয়েছেন।’’ দিলীপ আরও বলেন, ‘‘এই সরকার যতদিন আছে, পুলিশকে যেভাবে ব্যবহার করছে, তাতে এদের থেকে সুবিচার পাওয়ার আশা করা অন্যায়।’’ পুলিশি অত্যাচার ও রাজনীতিকরণের জন্যই থানায় আক্রমণের ঘটনা বলে মনে করেন তিনি। কাশীপুরে সিপিএম পার্টি অফিস দখল হয়েছে। এদিন সে প্রসঙ্গে দিলীপ (Dilip Ghosh) বলেন, ‘‘ওরা বহু পার্টি অফিস নিয়ে নিয়েছে। বহু পার্টি অফিসের দেওয়ালে আঁচড় কাটলে লাল বা গেরুয়া রং বেরিয়ে পড়বে।’’ তাঁর মতে, রাজ্যের পরিস্থিতি যেন আফগানিস্তান বা সিরিয়ার মতো।

    দেশের খবর, দশের খবর, সব খবর, সবার আগে পেতে ফলো করুন আমাদের FacebookTwitter এবং Google News পেজ।

  • Dilip Ghosh: ‘ডিএ দিতে পারছেন না, ৪৪০ কোটির অডিটোরিয়াম করছেন’! মমতাকে নিশানা দিলীপের

    Dilip Ghosh: ‘ডিএ দিতে পারছেন না, ৪৪০ কোটির অডিটোরিয়াম করছেন’! মমতাকে নিশানা দিলীপের

    মাধ্যম নিউজ ডেস্ক: ঠা ঠা রোদেও বকেয়া ডিএ (DA) ও কেন্দ্রীয় হারে মহার্ঘ ভাতার দাবিতে চলছে ধর্না। মুখ্যমন্ত্রী মমতা বন্দ্যোপাধ্যায় (Mamata Banerjee) আপাতত তিন শতাংশের বেশি ডিএ দিতে পারবেন না বলে সাফ জানিয়ে দিয়েছেন। তার পরেও চলছে আন্দোলন। ওই একই দাবিতে গোটা দেশের দৃষ্টি আকর্ষণ করতে আন্দোলনকারীরা দুদিন ধরে ধর্না দিয়েছেন দিল্লির যন্তরমন্তরেও। তার পরেও অনড় অবস্থানে রয়েছে তৃণমূল (TMC) পরিচালিত রাজ্য সরকার। অর্থের অভাবের যুক্তিতে যেখানে বকেয়া ডিএ দেওয়া যাচ্ছে না, বৃহস্পতিবার সেখানেই ঘটা করে উদ্বোধন করা হল বিশ্বমানের অডিটোরিয়ামের। শাঁখের আকৃতির এই অডিটোরিয়াম তৈরিতে খরচ হয়েছে ৪৪০ কোটি টাকা। নাম দেওয়া হয়েছে ধনধান্য।

    দিলীপ ঘোষ (Dilip Ghosh) বলেন…

    মুখ্যমন্ত্রী স্বয়ং উদ্বোধন করেছেন এই অডিটোরিয়ামের। তারই প্রেক্ষিতে রাজ্য সরকারের সমালোচনায় মুখর হয়েছে বিজেপি (BJP)। দলের সর্বভারতীয় সহ সভাপতি দিলীপ ঘোষ (Dilip Ghosh) বলেন, মুখ্যমন্ত্রী ডিএ দিতে পারছেন না, অথচ ৪৪০ কোটি টাকা ব্যয় করে অডিটোরিয়ামের উদ্বোধন করছেন। উনি সারাদিন টাকা টাকা করেন কেন? সকাল হলেই টাকা, রাত হলেই টাকা। বিজেপির প্রাক্তন এই রাজ্য সভাপতি বলেন, স্বাভাবিকভাবেই লোকের মনে প্রশ্ন উঠছে। ডিএর জন্য ধর্না চলছে আর এত কোটি টাকার বিল্ডিং তৈরির কী মানে হয়? তিনি বলেন, পশ্চিমবঙ্গে তো কম অডিটোরিয়াম নেই। এত অডিটোরিয়াম থাকা সত্ত্বেও উনি প্যান্ডেল বেঁধে প্রশাসনিক বৈঠক করেন, তো কী হবে অডিটোরিয়াম তৈরি করে?

    আরও পড়ুুন: ‘দুর্নীতির মাথা ধরতে না পারলে কী করতে হবে, জানি’, সিবিআইকে বিচারপতি

    বিজেপির সর্বভারতীয় সহ সভাপতি বলেন, আমাদের অডিটোরিয়াম দেওয়া হয় না। কীসের জন্য এত টাকা ব্যয় করে এই অডিটোরিয়াম তৈরি করা হয়েছে? এদিন সকালে আন্দামান যাচ্ছেন দিলীপ। তার আগে কলকাতা বিমানবন্দরে তিনি মুখোমুখি হন সংবাদ মাধ্যমের। সেখানেই অডিটোরিয়ামের উদ্বোধন প্রসঙ্গে রাজ্য সরকারকে নিশানা করেন তিনি। কেবল অডিটোরিয়ামই নয়, মিড-ডে মিলে দুর্নীতির অভিযোগেও সরব হন দিলীপ (Dilip Ghosh)। তিনি বলেন, মিড-ডে মিলে ১০০ কোটি টাকার দুর্নীতি নিয়ে রাজ্যের শিক্ষামন্ত্রী বলেছেন বিজেপি দফতর থেকে এই রিপোর্ট লেখা হয়েছে। শিক্ষামন্ত্রীর দায়িত্ব এখন বেনিফাশিয়ারিতে কত ছাত্রছাত্রীর নাম রয়েছে, আর কতজন এর সুবিধা পাচ্ছে, সেই তথ্যটা পাঠিয়ে দিন কেন্দ্রের কাছে, তাহলেই সব স্পষ্ট হয়ে যাবে।

    দেশের খবর, দশের খবর, সব খবর, সবার আগে পেতে ফলো করুন আমাদের FacebookTwitter এবং Google News পেজ।

     
     
     
  • BJP Dharna: আজ শহরে ধর্নায় বিজেপি! কেন্দ্রীয় প্রকল্পের টাকা লুঠের অভিযোগে পথে সুকান্ত-শুভেন্দু-দিলীপরা

    BJP Dharna: আজ শহরে ধর্নায় বিজেপি! কেন্দ্রীয় প্রকল্পের টাকা লুঠের অভিযোগে পথে সুকান্ত-শুভেন্দু-দিলীপরা

    মাধ্যম নিউজ ডেস্ক: আজ, বুধবার রাজপথ সরগরম। তৃণমূলের বিরুদ্ধে দুর্নীতির অভিযোগ তুলে শ্যামবাজার পাঁচ মাথার মোড়ে ধর্নায় বসছে বিজেপি। অন্যদিকে, পঞ্চায়েত ভোটের আগে কেন্দ্রীয় সরকারের বিরুদ্ধে আর্থিক বঞ্চনার অভিযোগ তুলে দু’দিনের ধর্নায় বসছেন মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়। বকেয়া ডিএ-র দাবিতে শহিদ মিনার চত্বরে সরকারি কর্মীদের আন্দোলন তো চলছেই। আর সেখান থেকে মাত্র ১০০ মিটার দূরে আজই তৃণমূলের ছাত্র-যুবদের সমাবেশ। যেখানে প্রধান বক্তা অভিষেক বন্দ্যোপাধ্যায়। আজ পথে নামছে বাম-কংগ্রেসও। সপ্তাহের মধ্যে কর্মব্যস্ত দিনে শহরের রাস্তায় যানজটের আশঙ্কা রয়েছে।

    বিজেপির ধর্না

    কেন্দ্রের বিরুদ্ধে আর্থিক বঞ্চনার অভিযোগে রেড রোডে মুখ্যমন্ত্রী মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়ের ধর্নার দিনই রাজ্যের বিরুদ্ধে পাল্টা কেন্দ্রীয় প্রকল্পের টাকা লুঠের অভিযোগে অবস্থানে বসছে বঙ্গ বিজেপি।  শ্যামবাজার মেট্রো স্টেশনের গেটের কাছে ৪০ ফুটের ধর্না মঞ্চ তৈরি করা হয়েছে। ধর্নায় বসছেন রাজ্যের বিরোধী দলনেতা শুভেন্দু অধিকারী,বিজেপির রাজ্য সভাপতি সুকান্ত মজুমদার। থাকবেন দলের সর্বভারতীয় সহসভাপতি দিলীপ ঘোষও। বেলা ১২টা থেকে বিকেল ৫টা পর্যন্ত ধর্না চলবে। শ্যামবাজারে দলীয় ধর্না মঞ্চে হাজির থাকার কথা রাজ্য বিজেপির শীর্ষ নেতৃত্বের। থাকতে বলা হয়েছে দক্ষিণবঙ্গের দলীয় বিধায়কদেরও। 

    বিজেপির প্রশ্ন, রাজ্য সরকার এখনও কেন কেন্দ্রীয় প্রকল্পে প্রাপ্ত অর্থের হিসেব দিচ্ছে না দিল্লিকে? কেন্দ্রীয় প্রকল্পের নাম পরিবর্তন থেকে শুরু করে কাটমানি৷ শিক্ষক নিয়োগ দুর্নীতি থেকে শুরু করে আবাস যোজনা৷ এইধরনের নানান ইস্যুকে হাতিয়ার করে মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়ের বিরুদ্ধে এদিন সুর সপ্তমে তুলতে চাইছেন শুভেন্দু- সুকান্ত- দিলীপরা। শ্যামবাজার মেট্রো স্টেশনের ১ নম্বর গেটের সামনে কর্মসূচি হবে বিজেপির। গাড়ি বন্ধ হবে না। তবে দুপুরের দিকে রাস্তার একাংশ বন্ধ করে যানযট নিয়ন্ত্রণ করা হবে। মোতায়েন থাকবে প্রচুর পুলিশ।

    আরও পড়ুুন: ‘লড়াইয়ের জন্য প্রস্তুত থাকতে হবে’, বিজেপির সংসদীয় দলের বৈঠকে বললেন মোদি

    তৃণমূলের অবস্থান

    মুখ্যমন্ত্রী মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়ও বুধবারই ধর্না দেবেন আম্বেদকরের মূর্তির পাদদেশে। সেখানে নিরাপত্তায় উপস্থিত থাকবেন যুগ্ম পুলিশ কমিশনার। এছাড়াও প্রচুর পরিমাণে পুলিশ মোতায়েন থাকবে। ধর্মতলা চত্বরে যান নিয়ন্ত্রণ করবে পুলিশ। শহরের বিভিন্ন প্রান্ত থেকে গাড়ি যাবে সভাস্থলের দিকে। ধর্মতলায় অভিষেক বন্দোপাধ্যায়ের শহিদ মিনারের সভার জন্য একাধিক উচ্চপদস্থ পুলিশ অফিসারকে মোতায়েন করা হয়েছে। থাকছেন অতিরিক্ত পুলিশ কমিশনার পদমর্যাদার একজন অফিসার, ২ জন যুগ্ম কমিশনার পদমর্যাদার অফিসার, ৪ জন ডিসি। এছাড়াও ৫০০-র বেশি পুলিশ মোতায়েন থাকছে। পুলিশ সভাস্থলে ৩০ টি সিসিটিভি ক্যামেরা লাগাবে। এছাড়া আরও বেশ কিছু সিসি ক্যামেরা লাগানো হবে আয়োজকদের তরফে। অন্যদিকে, ডিএ-র ধর্নামঞ্চে থাকছেন ডিসি পদমর্যাদার অফিসার একজন। এছাড়াও বেশ কিছু পুলিশ মোতায়েন থাকবে শহিদ মিনারে।

    বাম-কংগ্রেসের মিছিল

    একই দিনে দুপুর আড়াইটে নাগাদ পথে নামছে বাম-কংগ্রেস। বুধবার বিকেলে রামলীলা ময়দান থেকে মিছিল শুরু করে মৌলালীর দিকে এগিয়ে যাবে। মল্লিক বাজার হয়ে পার্ক সার্কাসের সেভেন পয়েন্ট পার করে লেডি ব্র্যাবর্ন কলেজের সামনে শেষ হবে মিছিল। ফলে ওই সময় মৌলালি, এন্টালি, শিয়ালদহ, এপিসি রোড, পার্ক সার্কাস এলাকায় প্রবল যানজট হতে পারে। 

    দেশের খবর, দশের খবর, সব খবর, সবার আগে পেতে ফলো করুন আমাদের FacebookTwitter এবং Google News পেজ।

  • Anubrata Mondal: অনুব্রতর দিল্লি যাত্রা নিয়ে রাজ্য সরকারকে কটাক্ষ সুকান্ত, শুভেন্দু, দিলীপের

    Anubrata Mondal: অনুব্রতর দিল্লি যাত্রা নিয়ে রাজ্য সরকারকে কটাক্ষ সুকান্ত, শুভেন্দু, দিলীপের

    মাধ্যম নিউজ ডেস্ক: গরু পাচার মামলায় (Cattle Smuggling Case) অভিযুক্ত অনুব্রত মণ্ডলকে (Anubrata Mondal) দিল্লি নিয়ে যাওয়া নিয়ে ধোঁয়াশা অব্যাহত। আদালতের নির্দেশের পরও নিরাপত্তার দায়িত্ব নিয়ে একে অপরের দিকে দায় ঠেলছে ইডি ও রাজ্য পুলিশ। এরই মধ্যে অনুব্রত মণ্ডলের (Anubrata Mondal) দিল্লি যাত্রা নিয়ে কার্যত এক সুরে কথা বললেন বঙ্গ বিজেপির অন্যতম দুই প্রধান মুখ শুভেন্দু অধিকারী এবং সুকান্ত মজুমদার। রাজ্যের বিরোধী দলনেতা শুভেন্দু অধিকারীর বক্তব্য, “বিষয়টা অনেকদিন ধরেই চলছে। হয়ত আর একটাই জায়গায় যাওয়া বাকি আছে, সেটা হল সুপ্রিম কোর্ট। সেখানে যাওয়ার জন্যই হয়ত অপেক্ষা করছে। কিন্তু সুপ্রিম কোর্ট তো ১৩ মার্চের আগে খুলবে না। এখন ছুটি চলছে। দিল্লি যেতেই হবে অনুব্রতকে।”

    ইডি-রাজ্য পুলিশ দ্বন্দ্ব

    অনুব্রত মণ্ডলের (Anubrata Mondal) দিল্লি যাত্রা নিয়ে টানাপড়েন চলছে জেল কর্তৃপক্ষ, আসানসোল কমিশনারেটের পুলিশ ও কেন্দ্রীয় সরকারি সংস্থা ED-র মধ্যে। শনিবার, কলকাতা হাইকোর্টের বিচারপতি নির্দেশ দেন, শারীরিক অবস্থার কথা মাথায় রেখে, অনুব্রত মণ্ডলকে বিমানে দিল্লি নিয়ে যেতে হবে। কলকাতায় কেন্দ্রীয় সরকারের অধীনে কোনও হাসপাতালের চিকিৎসকরা অনুব্রত মণ্ডলের স্বাস্থ্য পরীক্ষা করে ফিট সার্টিফিকেট দিলে, তারপরই তাঁকে ইডির হাতে তুলে দেওয়া যাবে। কিন্তু আসানসোল সংশোধনাগার থেকে কে অনুব্রতকে কলকাতায় নিয়ে আসবে ইডি না আসানসোল কমিশনারেট তাই নিয়েই জল্পনা চলে রবিবার সারাদিন।

    আরও পড়ুন: ইডি না আসানসোল পুলিশ! আজ আদালতই ঠিক করবে অনুব্রতকে কারা নিয়ে যাবে দিল্লি?

    এ প্রসঙ্গে রাজ্য বিজেপির সভাপতি সুকান্ত মজুমদারের কথায়, “সরকার ও শাসকদল ওঁকে ক্রমাগত আড়াল করে চলেছে। তদন্তে সব ধরনের অসহযোগিতা করছে। যাঁকে বীর, বাঘ বলা হচ্ছিল তাঁকে এখন একা ছেড়ে দিচ্ছে। কোনও সুরক্ষা দিচ্ছে না। এই চালাকি বেশিদিন চলবে না। তিহার জেলে অনুব্রত মণ্ডলকে যেতেই হবে।” অনুব্রতের (Anubrata Mondal) প্রসঙ্গে বিজেপি সর্বভারতীয় সহ সভাপতি দিলীপ ঘোষেরও কটাক্ষ, ”রাজ্য সরকার মুখ্যমন্ত্রীকে, তার ভাইপোকে, নেতা মন্ত্রীদের সুরক্ষা দিতে পারছে, বাড়ি বাড়ি পুলিশ দিতে পারছে। আর অনুব্রত যখন সিবিআই এর হাতে আছে তখন সুরক্ষা দিতে পারছে না। তাহলে সেক্ষেত্রে কেন্দ্রীয় বাহিনীর প্রয়োজন। রাজ্যের আইন কানুনের যা অবস্থা তা পুলিশ আর সামাল দিতে পারছে না। শুধু অনুব্রত না গোটা রাজ্যেই কেন্দ্রীয় বাহিনী প্রয়োজন।”

    দেশের খবর, দশের খবর, সব খবর, সবার আগে পেতে ফলো করুন আমাদের FacebookTwitter এবং Google News পেজ

     

  • Tripura: ত্রিপুরা জয়ের অভিযানে বঙ্গ বিজেপি, তারকা প্রচারকের তালিকায় শুভেন্দু-দিলীপ-মিঠুন

    Tripura: ত্রিপুরা জয়ের অভিযানে বঙ্গ বিজেপি, তারকা প্রচারকের তালিকায় শুভেন্দু-দিলীপ-মিঠুন

    মাধ্যম নিউজ ডেস্ক: সামনেই ত্রিপুরা বিধানসভা নির্বাচন। আর তার জন্যেই জোর প্রস্তুতি শুরু হয়ে গিয়েছে রাজনৈতিক দলের। ত্রিপুরায় ক্ষমতা দখলের লড়াইয়ে এবারে ময়দানে নেমেছে বাংলার বিজেপি নেতারাও। প্রধানমন্ত্রী নরেন্দ্র মোদি, স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী অমিত শাহ সহ অন্যান্য কেন্দ্রীয় নেতাদের পাশাপাশি প্রচারে ঝড় তুলতে বাংলার স্টার প্রচারকদের তালিকাও প্রকাশ করেছে গেরুয়া শিবির। তালিকায় শুভেন্দু অধিকারী, দিলীপ ঘোষ, মিঠুন চক্রবর্তী ও লকেট চট্টোপাধ্যায় রয়েছেন। আবার এরই মধ্যে রাজ্যের শাসকদলও ২৮ আসনে প্রার্থী দিয়েছে ত্রিপুরায়। তবে মোট ৩৭ জন তারকা প্রচারকের তালিকা প্রকাশ করেছে তৃণমূল। প্রার্থী সংখ্যার থেকে প্রচারকের সংখ্যাই বেশি। ফলে এই নিয়ে কটাক্ষ করতে ছাড়েনি গেরুয়া শিবির।

    ত্রিপুরায় প্রচারে বাংলার বিজেপি নেতারা

    কেন্দ্রীয় নেতৃত্ব ৪০ জনের নামের তালিকা প্রকাশ করেছে, তাতে বাংলার কয়েকজন বিজেপি নেতাও রয়েছেন, যাঁরা পর্যায়ক্রমে ত্রিপুরা গিয়ে ভোটের প্রচারে অংশ নেবেন। আজ শুক্রবার, বাংলার পদ্ম নেতাদের প্রচার কর্মসূচি রয়েছে ত্রিপুরায়। শুভেন্দু অধিকারীর আজ ত্রিপুরায় দু’টি জনসভা রয়েছে। প্রথমটি কমালাসাগর এবং দ্বিতীয়টি তেলিয়ামুরাতে। দিলীপ ঘোষও অংশ নেবেন পৃথক দু’টি জনসভায়। প্রথমটি দক্ষিণ ত্রিপুরার শান্তি বাজারে। তারপর উত্তর ত্রিপুরার বিশালগড়ে। বিধানসভা নির্বাচনকে পাখির চোখ করে ত্রিপুরার মাটিতে একাধিক মেগা প্রচার কর্মসূচিতে একে একে অংশ নেবেন বাংলার নিশীথ প্রামাণিক, শান্তনু ঠাকুর সহ বঙ্গ বিজেপির অন্যান্য নেতারা।

    আরও পড়ুন: হাইকোর্টে স্বস্তি শুভেন্দুর! রাজ্য শিশু সুরক্ষা কমিশনের শোকজ নোটিসের উপর স্থগিতাদেশ

    ত্রিপুরায় তৃণমূল প্রার্থীর থেকে তারকা প্রচারকই বেশি! কটাক্ষ বিজেপির

    যেখানে ২৮ আসনে প্রার্থী, সেখানে তারকা প্রচারক ৩৭ জন! এই বিষয়েই কটাক্ষ করেছে বিজেপি (BJP)। ত্রিপুরা নির্বাচনের প্রচারের জন্য বাকি আর ১৩ দিন। এরই মধ্যে এই তারকা প্রচারক নিয়েই জোর তরজা। এই বিষয়ে ত্রিপুরা বিজেপির রাজ্য সম্পাদক অস্মিতা বণিকের মন্তব্য, ‘ত্রিপুরায় পরিবর্তনের দাবি তোলার আগে সব আসনে প্রার্থী দিক তৃণমূল।’ ৬০ আসনের বিধানসভার মাত্র ২৮ আসনে প্রার্থী কেন তৃণমূলের? এই নিয়েও  বিজেপি সহ বিরোধীদের প্রশ্নের মুখে পড়তে হয় শাসকদলকে। আবার রাজ্য বিজেপির মুখপাত্র শমীক ভট্টাচার্য বলেছেন, ‘এটা তৃণমূলের পলিটিক্যাল ট্যুরিসম। বেড়াতে যাওয়ার জন্য তৃণমূল ত্রিপুরায় যেতেই পারে। কিন্তু, ভোটের আশা যেন না করে।’ 

LinkedIn
Share