Tag: Dilip Ghosh

Dilip Ghosh

  • Dilip Ghosh: ‘‘ভারতে কোনও ইন্ডিয়া থাকবে না, পছন্দ না হলে দেশের বাইরে যাবেন’’, হুঁশিয়ারি দিলীপের

    Dilip Ghosh: ‘‘ভারতে কোনও ইন্ডিয়া থাকবে না, পছন্দ না হলে দেশের বাইরে যাবেন’’, হুঁশিয়ারি দিলীপের

    মাধ্যম নিউজ ডেস্ক: বিজেপি ক্ষমতায় এলে সব উপড়ে ফেলবে। রাস্তাঘাটে কোনও গোলামির চিহ্ন রাখা যাবে না। কলকাতার রাস্তায় এখনও কিছু ব্রিটিশদের মূর্তি রয়েছে। সবই সরিয়ে দেওয়া হবে। দেশের নাম বদলে ইন্ডিয়া থেকে ভারত করা প্রসঙ্গে বলতে গিয়ে এমনই হুঁশিয়ারি দিলেন বিজেপি সাংসদ দিলীপ ঘোষ (Dilip Ghosh)। তিনি বলেন, দেশকে যারা পরাধীন করে রেখেছিল, তাদের কোনও চিহ্ন দেশে থাকবে না। আর তাই ভারতে কোনও ইন্ডিয়া থাকবে না। ভারতে ভারত থাকবে। আর যাঁদের তা পছন্দ হবে না, তাঁরা ভারতের বাইরে যাবেন।

    বামেদের নিয়ে কী বললেন বিজেপি সাংসদ? (Dilip Ghosh)

    এদিন বামেদের একহাত নিয়ে দিলীপ (Dilip Ghosh) বলেন, সিপিএমের লোকেদের খুব কষ্ট, যাঁরা চিরদিন বিদেশের তাঁবেদারি করেছেন। চামচাগিরি করতে গিয়ে বলছেন চিন আমার বাপ। বিভিন্ন শহরের নাম পালটেছে, বিদেশিরা বলতে পারত না বলে। সব পালটে দেব আমরা। কোনও বাপের ব্যাটার হিম্মত নেই আটকে রাখার। ইন্ডিয়া পালটে ভারত হবে । যার পছন্দ হবে না সে বাইরে যাবে। খড়্গপুর শহরের ডিভিসি মার্কেটে বিজেপি কর্মী-সমর্থকদের নিয়ে চা চক্রে যোগ দিয়ে একের পর এক হুঙ্কার দেন সাংসদ দিলীপ ঘোষ। চেন্নাই, বেঙ্গালুরু, মুম্বইয়ের মতো বহু রাজ্য ও শহর ব্রিটিশদের দেওয়া নাম পরিবর্তন করেছে বলে তিনি বলেন, এখানকার শাসক দলের বন্ধুরা জানেই না ভারত কী, ইন্ডিয়া কেন বলছে, এর পিছনে ইতিহাস কী রয়েছে?

    রাজ্যের সঙ্গে রাজ্যপালের সংঘাত নিয়ে কী বললেন দিলীপ? (Dilip Ghosh)

    কলকাতার রাস্তায় ব্রিটিশদের মূর্তির প্রসঙ্গে বিজেপি সাংসদ (Dilip Ghosh) বলেন, কলকাতার বহু রাস্তাঘাটে ব্রিটিশদের বহু মূর্তি ছিল, কোথায় সব এখন। সেগুলি তুলে ভিক্টোরিয়া মেমোরিয়াল হাউজে রাখা হয়েছে। এখনও বেশ কয়েকটা রয়ে গিয়েছে । বিজেপি ক্ষমতায় এলে সব উপড়ে ফেলব আমরা। মিউজিয়ামের রাখার জিনিস মিউজিয়ামে থাকবে, রাস্তাঘাটে থাকবে না। সকালে উঠে আমাদের ছেলেপুলেরা দেখবে বিদেশিদের মুখ, এ চলবে না। এ দিন রাজ্যের সঙ্গে রাজ্যপালের সংঘাত নিয়েও মুখ খোলেন দিলীপ ঘোষ। তিনি বলেন, রাজ্যপাল তাঁর যেটা দায়িত্ব সেটাই করছেন। যারা ভয় পেয়ে যাচ্ছে, চুরি করছে তারা গালাগালি করছে। তিনি সাংবিধানিক প্রধান। সংবিধান মেনে চললেই হবে।

     

    দেশের খবরদশের খবরসব খবরসবার আগে পেতে ফলো করুন আমাদের FacebookTwitter এবং Google News পেজ।

  • Sukanta Majumdar: ‘‘লেনিনের সঙ্গে যোগ নেই ভারতের’’, মূর্তি সরানোর সওয়াল সুকান্তর

    Sukanta Majumdar: ‘‘লেনিনের সঙ্গে যোগ নেই ভারতের’’, মূর্তি সরানোর সওয়াল সুকান্তর

    মাধ্যম নিউজ ডেস্ক: এবার লেনিনের মূর্তি সরানোর পক্ষে সরব হলেন বিজেপির রাজ্য সভাপতি সুকান্ত মজুমদার (Sukanta Majumdar)। পরাধীনতার চিহ্ন মুছে ফেলা উচিত, এ কথা আগেই বলেছিলেন দিলীপ ঘোষ। এবার সুকান্ত মজুমদারের (Sukanta Majumdar) কণ্ঠে শোনা গেল সেই একই কথা। 

    কী বললেন বিজেপির রাজ্য সভাপতি?

    সুকান্ত মজুমদার (Sukanta Majumdar) রবিবার বলেন, ‘‘ব্রিটিশদের স্মৃতি সৌধ ভেঙেছিলেন সুভাষচন্দ্র বসু। লেনিনের যে এত মূর্তি রয়েছে কী অবদান আছে লেনিনের? লেনিনের সঙ্গে ভারতের আত্মার কোনও যোগ নেই। তার চেয়ে আমরা রবি ঠাকুরের মূর্তি বানাবো, বিবেকানন্দের মূর্তি বানাবো, রাজা রামমোহন রায়ের মূর্তি বানাবো। দিলীপ ঘোষকে সরাসরি সমর্থন করে সুকান্ত বলেন, ‘‘বিজেপি বা দিলীপ ঘোষকে দোষী করছেন, সেই দোষে কি নেতাজিও দোষী? পরাধীনতার চিহ্ন মুছে ফেলতে সিঙ্গাপুরে নেতাজি ইংরেজদের একটি স্মৃতিসৌধ ভেঙে ফেলেছিলেন। তাহলে কি নেতাজি ভুল কাজ করেছিলেন? ভারতবাসীর জীবনে লেনিনের কি অবদান রয়েছে? আমার জীবনে তো কোনও অবদানই নেই লেনিনের, আমার পূর্বপুরুষের জীবনেও লেনিনের কোনও অবদান ছিল না। তাই এগুলো রাখার কোন দরকার নেই।’’ 

    সুকান্তর আগে দিলীপ ঘোষও একই সওয়াল করেছিলেন

    প্রসঙ্গত, সুকান্ত মজুমদারের (Sukanta Majumdar) আগে এই একই সওয়াল করতে শোনা গিয়েছিল বিজেপি নেতা দিলীপ ঘোষকেও। তিনি বলেছিলেন, ‘‘কোথাও ব্রিটিশ, কোথাও মোঘল যারা আমাদের দেশকে এক হাজার বছর ধরে পরাধীন করে রেখেছিল, তাদের কোনও স্মৃতি সৌধ ভারতে থাকবে না। কোনও বাপের বেটার হিম্মত থাকলে তারা রুখে দেখাক। কলকাতার রাস্তাঘাটে ব্রিটিশের বহু মূর্তি রয়েছে। বিজেপি একবার ক্ষমতায় এলে গোলামীর কোন চিহ্ন রাখা হবে না।’’ প্রসঙ্গত আমার দেশ আমার মাটি কর্মসূচিতে রবিবার জোড়াসাঁকো ঠাকুরবাড়ি থেকে মাটি সংগ্রহ করেন বিজেপির রাজ্য সভাপতি (Sukanta Majumdar) সেখানেই তিনি এই মন্তব্য করেন। সারা দেশ জুড়েই চলছে এই বিজেপির কর্মসূচি। এই কর্মসূচিতে জোড়াসাঁকো ঠাকুরবাড়ি, ছাড়াও শ্যামাপ্রসাদ মুখার্জির বাড়ি, কালীঘাটের মন্দির থেকে মাটি সংগ্রহ করে দিল্লি পাঠানো হবে। সেখানে তৈরি হবে অমৃত বাটিকা। স্বাধীনতার অমৃত মহোৎসবে এই অমৃত উদ্যান তৈরি করার জন্য সারা দেশের বিভিন্ন গ্রাম, শহর এবং পবিত্র স্থানগুলির মাটি সংগ্রহের কাজ চলছে।

     

    দেশের খবরদশের খবরসব খবরসবার আগে পেতে ফলো করুন আমাদের FacebookTwitter এবং Google News পেজ।

  • Jadavpur University: ‘‘কাশ্মীরের মতো যাদবপুরও ঠান্ডা হবে’’, তোপ দিলীপের

    Jadavpur University: ‘‘কাশ্মীরের মতো যাদবপুরও ঠান্ডা হবে’’, তোপ দিলীপের

    মাধ্যম নিউজ ডেস্ক: যাদবপুরে (Jadavpur University) ছাত্রমৃত্যুর ঘটনায় তোলপাড় সারা রাজ্য। এই আবহে উত্তর ২৪ পরগনার দলীয় সভা থেকে দিলীপ ঘোষ বলেন, ‘‘কাশ্মীর ঠান্ডা হয়েছে, যাদবপুরও কাল ঠান্ডা হয়ে যাবে।’’ এ প্রসঙ্গে বিজেপি সাংসদ উদাহরণ টানেন দিল্লির জওহরলাল নেহরু বিশ্ববিদ্যালয়ের এবং তিনি বলেন, ‘‘যেখানে যেখানে সন্ত্রাসবাদী, সমাজবিরোধী শক্তি মাথাচাড়া দিয়েছে, তা আমরা শেষ করে দিতে পেরেছি। দেখে আসুন জেএনইউ। ওখানেও প্রকাশ্যে মদ, গাঁজা খাওয়া হতো। প্রকাশ্যে আজাদি আজাদি স্লোগান তোলা হতো। সবাইকে আজাদ করে দেওয়া হয়েছে।’’ পাশাপাশি মেদিনীপুরের সাংসদের আরও দাবি, বাংলায় বিজেপি সরকার এলে যাদবপুরে (Jadavpur University) বিবেকানন্দের স্ট্যাচু তৈরি হবে, আর ‘ভারত মাতা কি জয়’ স্লোগান চলবে।

    তৃণমূল-কংগ্রেস-সিপিএমের জাতীয় স্তরে জোটকেও এদিন নিশানা করেন দিলীপ ঘোষ 

    একইসঙ্গে রাজ্যের বুদ্ধিজীবীদেরও এদিনের সভা থেকে তোপ দাগেন বিজেপি সাংসদ। উত্তর ২৪ পরগনার ভাটপাড়ায় একটি দলীয় সভা ছিল বিজেপির এবং সেখানেই দিলীপ ঘোষের বক্তব্যে উঠে আসে যাদবপুর (Jadavpur University) প্রসঙ্গ। তৃণমূল-কংগ্রেস-সিপিএমের জাতীয় স্তরে জোটকেও এদিন নিশানা করে দিলীপ ঘোষ বলেন, ‘‘আগামী নির্বাচনে মোদির বিরুদ্ধে লড়াই করবে সবাই, কিন্তু অন্যায়-অবিচার, খুন, ধর্ষণের মতো অপরাধের বিরুদ্ধে কেউ লড়বে না। সেই বাংলা তৈরি করা হচ্ছে। তাই তৃণমূল চুপ করে আছে।’’ ছাত্রমৃত্যু প্রসঙ্গে দিলীপ ঘোষের আরও মন্তব্য, ‘‘ওখানে (Jadavpur University) খুন যেই করুক, এই কাজে তো বিজেপি ছিল না। সিপিএম আছে, নকশালরা আছে, কংগ্রেসের সংগঠন আছে, তৃণমূলও আছে। এবার কিন্তু বিজেপির দিকে কেউ আঙুল তুলতে পারবে না।’’

    দেশবিরোধী শক্তির আখড়া যাদবপুর (Jadavpur University)

    পাশাপাশি এদিন বাংলার যাদবপুর (Jadavpur University), দিল্লির জেএনইউ এবং হায়দরাবাদের ওসমানিয়া ইউনিভার্সিটি একই তারে জোড়া আছে বলেও তোপ দাগেন দিলীপ ঘোষ। তাঁর অভিযোগ, এই সমস্ত বিশ্ববিদ্যালয়গুলিতেই বিচ্ছিন্নতাবাদী শক্তি বারবার মাথা দিয়ে উঠছে। এরাই ভারতকে টুকরো করার স্লোগান তোলে। তাঁর কথায়, ‘‘যাদবপুর (Jadavpur University) দেশবিরোধী শক্তির আখড়া হয়ে উঠেছে। যেসব রাজনৈতিক সংগঠন কখনও নির্বাচনে প্রতিদ্বন্দ্বিতাই করতে পারে না, যাদের রাজনৈতিক শক্তি নেই, তারাই জেনইউ এবং যাদবপুরে রয়েছে। আমার আপনার বাড়ির ছেলে কখনও কমিউনিজম কী জানে না, নকশাল রাজনীতি বোঝে না, কিন্তু সে ওখানে গিয়ে অতি বাম হয়ে যায়! আসলে সেই পরিবেশ তৈরি করে রাখা হয়েছে।’’ প্রসঙ্গত ২০১৯ সালের সেপ্টেম্বর মাসে যাদবপুরে আক্রান্ত হয়েছিলেন তৎকালীন বিজেপি সাংসদ বাবুল সুপ্রিয়। এ প্রসঙ্গ টেনে দিলীপ বলেন, ‘‘ওই সময় (Jadavpur University) বাবুল-অগ্নিমিত্রা পলের উপর আক্রমণ করা হয়েছিল। বাবুলকে থাপ্পড় মারা হয়েছিল। তৎকালীন রাজ্যপাল তাঁকে গিয়েছিলেন উদ্ধার করতে। তাঁকেও কালো পতাকা দেখিয়ে গাড়ি আটকানো হয়েছিল। তারপর আমাদের লোকেরা গিয়ে অফিস উড়িয়ে দিয়েছিল, যেখানে তারা বসে মদ খেতো।’’

    কেন্দ্রীয় শিক্ষামন্ত্রীর নিশানায় মুখ্যমন্ত্রী 

    অন্যদিকে কেন্দ্রীয় শিক্ষামন্ত্রী ধর্মেন্দ্র প্রধান কলকাতায় এসে মমতা বন্দ্যোপাধ্যায় এবং তৃণমূলকে নিশানা করলেন। যাদবপুরকাণ্ডে (Jadavpur University) কেন্দ্রীয় শিক্ষামন্ত্রী বলেন, ‘‘মুখ্যমন্ত্রী মমতা বন্দ্যোপাধ্যায় এই মৃত্যুর দায় এড়াতে পারেন না।’’ কেন্দ্রীয় শিক্ষামন্ত্রী জানান, যাদবপুর (Jadavpur University) দেশের অন্যতম ঐতিহ্যবাহী প্রতিষ্ঠান। তবে এটা পরিষ্কার হোক যে র‍্যাগিং রুখতে ইউজিসি-র গাইডলাইনকে মানা হয়নি। মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়কে এর দায় নিতে হবে। কোনও ছাত্রকে র‍্যাগিং করার অধিকার নেই।

     

    দেশের খবরদশের খবরসব খবরসবার আগে পেতে ফলো করুন আমাদের FacebookTwitter এবং Google News পেজ।

  • Paschim Medinipur: বেঙ্গালুরুর বৈঠকের মূল উদ্দেশ্য চোরদের বাঁচানো, তোপ দাগলেন দিলীপ ঘোষ

    Paschim Medinipur: বেঙ্গালুরুর বৈঠকের মূল উদ্দেশ্য চোরদের বাঁচানো, তোপ দাগলেন দিলীপ ঘোষ

    মাধ্যম নিউজ ডেস্ক: মেদিনীপুর (Paschim Medinipur) সদর ব্লকের মালিদা গ্রামে ভোট পরবর্তী হিংসার শিকার হওয়া বিজেপি কর্মীদের সঙ্গে দেখা করতে গেলেন বিজেপির সর্ব ভারতীয় সহ সভাপতি দিলীপ ঘোষ। রাজ্যের শাসক শিবিরকে একাধিক ইস্যুতে তোপ দাগলেন দিলীপ ঘোষ। এছাড়াও খড়্গপুরে চায়ে পে চর্চায় যোগদান করে বিভিন্ন বিষয়ে বেঙ্গালুরুতে বিরোধীদের বৈঠকের বিরুদ্ধে তীব্র ক্ষোভ প্রকাশ করলেন।

    কৌস্তুভ রায়ের গ্রেফতার সম্পর্কে কী বললেন?

    দিলীপ ঘোষ মালিদা গ্রামে (Paschim Medinipur) তৃণমূলের সন্ত্রাসে আক্রান্ত বিজেপি কর্মীদের বাড়িতে গিয়ে হিংসার কথা সবিস্তারে শোনেন। সেই সঙ্গে বিজেপি কর্মীদের সবরকম সাহয্যের আশ্বাস দেন। এরপর সাংবাদিকদের মুখোমুখি হয়ে কৌস্তুভ রায়ের গ্রেফতার প্রসঙ্গে বলেন, আর্থিক প্রতারণা মামলায় ইডির হাতে গ্রেফতার হয়েছে বলে শুনেছি। পিনকন চিটফান্ড কাণ্ডে নাম জড়ায় এই তৃণমূল নেতার। তার মোবাইল থেকে একাধিক প্রভাবশালীর নাম মিলেছে। এই ব্যক্তি মুখ্যমন্ত্রীর সঙ্গে অনেকবার বিদেশে যাত্রা করছে। এমনকি বিদেশে যাতায়াত করার সময় কয়েকবার আর্থিক লেনদেনে ধরাও পড়েছে। তৃণমূলের অন্যতম রাখব বোয়াল এই ব্যক্তি। অনেক দুর্নীতির সঙ্গে যুক্ত রয়েছে সে। ধরা যখন পড়েছে আরও অনেক তৃণমূল নেতার নাম উঠে আসবে।

    চায়ে পে চর্চাতে কী বললেন?  

    মঙ্গলবার সকালে খড়্গপুরে (Paschim Medinipur) দিলীপ ঘোষ চায়ে পে চর্চার মধ্যে সাংবাদিকদের বলেন, পঞ্চায়েত নির্বাচনে ভোট লুঠ, ছাপ্পা ভোট, গণনার দিন ব্যালট ছিনতাই সব রকম অপকর্ম রাজ্যের শাসক দল তৃণমূল করছে। শুধু এই করেই ক্ষান্ত হয়নি। গণনার পর থেকেই বিজেপি কর্মীদের বাড়িতে গিয়ে আক্রমণ করছে তৃণমূল। এমনকি বিজেপির জয়ী প্রার্থীরাও ঘরছাড়া হয়েছেন। পশ্চিমবঙ্গের গণতন্ত্রকে সবদিক থেকে হরণ করছে তৃণমূল।

    বেঙ্গালুরুতে বিরোধীদের বৈঠকের সমালোচনা করে তিনি আরও বলেন, গত ১৯ এর লোকসভার আগেও বিরোধীদের নিয়ে মুখ্যমন্ত্রী বৈঠক করেছেন, মাছ ভাত খাইয়েছেন, কিন্তু লাভ কিছুই হয়নি বরং একডজন সিট কমে গেছে। মোদির বিরুদ্ধে লড়াই করতে গিয়ে সিপিএম আজ অপ্রাসঙ্গিক। সবটাই অস্তিত্বের জন্য লড়াই করছেন। কে কার বিরুদ্ধে লড়াই করছেন কেউ কিছুই জানেন না। তিনি আরও বলেন, পশ্চিমবঙ্গে এতো তৃণমূল বিরোধী মানুষ পঞ্চায়েত নির্বাচনে খুন হলেন। কিন্তু কোনও জাতীয় দলের নেতারা কিছু বলছেন না এই বৈঠকে! নিজের দলের মানুষরাই মারা যাচ্ছেন। অথচ দলের নেতারা নির্বাক! অত্যন্ত লজ্জার ঘটনা। এই বেঙ্গালুরুর বৈঠকের মূল উদ্দেশ্য হল চোরদের বাঁচানো। মমতা বন্দ্যোপাধ্যায় নিজের ভাইপোকে বাঁচাতে বৈঠক করছেন আর বাকিরা নিজেদের পরিবারকে বাঁচাতে বৈঠক করছেন মোদির বিরুদ্ধে। তিনি আরও বলেন, বিচারপতিদের নামে যেভাবে তৃণমূলের নেতারা প্রকাশ্যে বক্তব্য রাখছেন, তাতে সাধারণ মানুষের মনে বিচার ব্যবস্থার প্রতি সন্দেহ তৈরি করার অপচেষ্টা করা হচ্ছে।  

     

    দেশের খবর, দশের খবর, সব খবর, সবার আগে পেতে ফলো করুন আমাদের Facebook, Twitter এবং Google News পেজ।

  • Birbhum: “মুখ্যমন্ত্রীর কাজ গভর্নর করছেন” ‘চায়ে পে চর্চা’ থেকে মন্তব্য দিলীপ ঘোষের

    Birbhum: “মুখ্যমন্ত্রীর কাজ গভর্নর করছেন” ‘চায়ে পে চর্চা’ থেকে মন্তব্য দিলীপ ঘোষের

    মাধ্যম নিউজ ডেস্ক: তারাপীঠ (Birbhum) এলাকায় “চায়ে পে চর্চা” কর্মসূচির মধ্য দিয়ে দিলীপ ঘোষ বিজেপির কর্মী এবং প্রার্থীদের সঙ্গে কথা বললেন। আর সেখান থেকেই শাসক দল তথা তৃণমূলকে তীব্র কটাক্ষ করলেন। ছাড় পাননি তৃণমূল সুপ্রিমো মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়ও। অন্যদিকে, এদিন রাজ্যপালের ভূমিকার প্রশংসা করেন তিনি।

    রাজ্যাপাল নিয়ে কী বললেন (Birbhum)?

    বীরভূমে (Birbhum) দিলীপ ঘোষ বলেন, রাজ্যে ১২ হাজার নির্দল প্রার্থী দেওয়া হয়েছে। ওরাও তো তৃণমূল! তৃণমূল দলটা চোরে ভর্তি। তাই নিজেদের মধ্যে “খুনোখুনি” করে চলেছে। আরও হত্যালীলা দেখতে পাবেন। কারণ পুলিশ তৃণমূলের হয়ে কাজ করছে, আর কেন্দ্রীয় বাহিনীকে কাজ করতে দেওয়া হচ্ছে না। দিলীপ ঘোষ রাজ্যপাল প্রসঙ্গে জানান, মুখ্যমন্ত্রীর কাজটা গভর্নর করছেন! নিহত ও আহতদের বাড়িতে যাচ্ছেন। এমন দিন এসেছে যে বাংলার রাস্তায় বোমা-বন্দুক পড়ে থাকতে দেখা যাচ্ছে। আইএসএফ ও তৃণমূল সংর্ঘষ প্রসঙ্গে দিলীপ ঘোষ দুই দলকেই কটাক্ষ করেন।

    ছাপ্পা ভোট প্রসঙ্গে কী বললেন?

    নির্বাচনে হবে বিজেপির জয়। কিন্তু তৃণমূল ভুয়ো কাগজপত্র আর বল প্রয়োগ করে নির্বাচনে জয়ী হাওয়ার কৌশল করছে। ছাপ্পা ভোট দেওয়ার জন্য তৃণমূল কংগ্রেস অতিরিক্ত ব্যালট ছাপিয়েছে। শাসক দলের বিরুদ্ধে এমনই অভিযোগ আনেন বিজেপির সর্বভারতীয় সহ-সভাপতি দিলীপ ঘোষ। তারাপীঠে (Birbhum) সাংবাদিকদের মুখোমুখি হয়ে তিনি বলেন, বুথে যদি কেন্দ্রীয় বাহিনী না থাকে, তৃণমূল কংগ্রেস ভোট লুট করবেই। সরকারি কর্মচারীরা ভয়ে ভোট করতে যাবে না। এক্সট্রা ব্যালট যেগুলি ছাপানো হয়েছে, সেগুলি ঢোকানো হবে। আর এভাবেই জিততে চাইছে তৃণমূল।

    নির্বাচনী প্রচারে দিলীপ বীরভূমে (Birbhum)

    শনিবার বীরভূমের ভোট প্রচারে এসেছেন দিলীপ ঘোষ। সকাল থেকেই সেখানে বিভিন্ন কর্মসূচি রয়েছে তাঁর। সকাল ন’টায় তারাপীঠ (Birbhum) কড়কড়িয়া মোড়ে চা চক্রে অংশগ্রহণ করেন তিনি। সেখানেই সাংবাদিকদের মুখোমুখি হয়ে প্রশ্নের উত্তরে এক হাত নেন শাসকদল তৃণমূলকে। তিনি বলেন, বিজেপির কোনও দুষ্কৃতী নেই, কোনও আশ্রিত নেই। তৃণমূলের এত ভালো ছাতা থাকতে আমাদের কাছে আশ্রয় নেবে কেন? সব গুন্ডারা তৃণমূলের আশ্রয়েই আছে। তারাই আলাদা আলাদা দল হয়ে মারামারি করছে। সব জায়গায় তৃণমূল নিজেদের মধ্যেই খুনোখুনি, মারামারি করছে, ভয় দেখানো হচ্ছে সর্বত্র। ভয় না দেখিয়ে তৃণমূল জিততে পারবে না! তবে তৃণমূল এবার হারবে। তাই হারার ভয়ে লোককে ভয় দেখাচ্ছে।

     

    দেশের খবর, দশের খবর, সব খবর, সবার আগে পেতে ফলো করুন আমাদের Facebook, Twitter এবং Google News পেজ।

  • Purba Bardhaman: ‘‘একবারের জন্যও হিংসা বন্ধের আবেদন করেননি মুখ্যমন্ত্রী’’! তোপ দিলীপের

    Purba Bardhaman: ‘‘একবারের জন্যও হিংসা বন্ধের আবেদন করেননি মুখ্যমন্ত্রী’’! তোপ দিলীপের

    মাধ্যম নিউজ ডেস্ক: ১৫ বছরের বেশি সময় ধরে পঞ্চায়েতগুলিতে টিএমসি রয়েছে। শুধুই দুর্নীতি হয়েছে এত বছর ধরে। কিন্তু প্রধান, পঞ্চায়েত সমিতির সদস্য-কারও বিরুদ্ধে কোনও এফআইআর হয়নি। ঠিক এই ভাবেই পূর্ব বর্ধমানে (Purba Bardhaman) গিয়ে তৃণমূলের বিরুদ্ধে তোপ দাগলেন বিজেপির সর্ব ভারতীয় সহ সভাপতি দিলীপ ঘোষ।

    কী বললেন দিলীপ ঘোষ (Purba Bardhaman)?

    নির্বাচনী প্রচারে (Purba Bardhaman) এসে দিলীপ ঘোষ বলেন, মমতা বন্দ্যোপাধ্যায় চান না দুর্নীতি বন্ধ হোক। তিনি দুর্নীতি করাচ্ছেন এবং তিনিই দায়িত্ব নিয়ে হিংসা ছড়িয়ে দিচ্ছেন। একবারের জন্য রাজনৈতিক হিংসা বন্ধের কথা বলেননি। তিনি মাথার ওপর বসে বসে সমস্ত দুর্নীতিকে প্রশ্রয় দিচ্ছেন। আজ সায়নী ঘোষের ইডিতে হাজিরা প্রসঙ্গে তিনি বলেন, চুরি করার পর অনেকেই এমন কথা বলেন! এই প্রসঙ্গে দিলীপ ঘোষ আরও বলেন, যাদের ইডি ডেকেছে, এখন কোথায় আছে খোঁজ নিয়ে দেখুন। এক অনুষ্ঠানে তৃণমূল নেত্রী শশী পাঁজা এদিন বলেছেন, বিজেপি চক্রান্ত করে সিবিআইকে লেলিয়ে দিচ্ছে। উত্তরে দিলীপ ঘোষ বলেন, যেখানে বিজেপি রাজ্যে রয়েছে, সেখানে দুর্নীতি সব থেকে কম হয়েছে। আর যেখানে বিজেপি নেই, সেখানে দুর্নীতি সব থেকে বেশি হচ্ছে।

    মনোনয়ন নিয়ে কী বললেন?

    দিলীপ ঘোষ বলেন, আমাদের প্রার্থীদের ইচ্ছে করে বিডিও অফিস থেকে নাম বাতিল করা হয়েছে। উলুবেড়িয়া প্রসঙ্গে বলেন, বিরোধীদের মনোনয়ন বাতিল নিয়ে হাইকোর্ট সিবিআই তদন্তের নির্দেশ দিয়েছে। তৃণমূলের দুর্নীতি পঞ্চায়েত নির্বাচনেও হয়েছে। অধিকাংশ বিরোধীদের মনোনয়ন বাতিলে বিডিও-এসপিরা সক্রিয় ভূমিকা পালন করেছেন। বান্ডিল করে বিডিও অফিস থেকে মনোনয়নপত্র তুলে, বাড়িতে নিয়ে গিয়ে পূরণ করে আবার বিডিও অফিসে জমা করেছে তৃণমূলের নেতারা। বিডিও সাহেবরা ভালো করে নজরই দেননি। কারণ তৃণমূলের মনোনয়ন ছিল বলে কথা। সৌদি আরব থেকেও পঞ্চায়েতে মনোনয়ন হয়েছে। ঠিক এই ভাবেই পূর্ব বর্ধমানে (Purba Bardhaman) এসে তৃণমূল সরকারের প্রশাসন এবং নির্বাচন কমিশনের বিরুদ্ধে ক্ষোভ প্রকাশ করেন দিলীপ ঘোষ।

    বাহিনী প্রসঙ্গে কী বললেন?

    সাংবাদিক সম্মেলনে দিলীপ ঘোষ (Purba Bardhaman) আরও বলেন, মমতা বন্দ্যোপাধ্যায় গত এগারো বছরে এমন পরিস্থিতির সৃষ্টি করেছেন যে আজ সরকারি কর্মচারীরা বলেছেন, সেন্ট্রাল ফোর্স ছাড়া ভোট করতে যাবেন না। তাই তৃণমূলের তৈরি করা শাসন কাঠামো এবং পরিস্থিতি সম্পর্কে আমাদের জনমত গড়ে তুলতে হবে। তৃণমূলকে হারানোর জন্যই বিজেপি লড়ছে। তিনি আরও বলেন, নবজোয়ারের নামে স্কুল-কলেজ বন্ধ করে রাজনীতি করেছেন অভিষেক বন্দ্যোপাধ্যায়। কেন্দ্রীয় বাহিনী প্রসঙ্গে তিনি বলেন, যে মমতা বন্দ্যোপাধ্যায় সকাল-বিকেল কেন্দ্রীয় বাহিনীকে গালিগালাজ করেন, আবার বিপদে পড়লে সেই বাহিনীর কাছে গিয়েই আশ্রয় নিতে হয় তাঁকে।

     

    দেশের খবর, দশের খবর, সব খবর, সবার আগে পেতে ফলো করুন আমাদের Facebook, Twitter এবং Google News পেজ।

     

  • Paschim Medinipur: মুখ্যমন্ত্রীর চোট কি রাজনৈতিক! সুস্থতা কামনা করেও তীব্র কটাক্ষ দিলীপের

    Paschim Medinipur: মুখ্যমন্ত্রীর চোট কি রাজনৈতিক! সুস্থতা কামনা করেও তীব্র কটাক্ষ দিলীপের

    মাধ্যম নিউজ ডেস্ক: সাত সকালে খড়্গপুরে (Paschim Medinipur) চা চক্রে যোগ দিলেন বিজেপির সর্বভারতীয় সহ-সভাপতি দিলীপ ঘোষ। একাধিক ইস্যু নিয়ে রাজ্য সরকারকে তোপ দাগলেন তিনি। মুখ্যমন্ত্রী এবং শাসক দল তৃণমূলের বিরুদ্ধে বিস্ফোরক মন্তব্য করলেন দিলীপ ঘোষ।

    মুখ্যমন্ত্রীকে নিয়ে কী বললেন?

    মুখ্যমন্ত্রী পায়ে চোট পেয়েছেন। আশা করি মুখ্যমন্ত্রীর চোট তাড়াতাড়ি ভালো হয়ে উঠবে। তবে এটা মুখ্যমন্ত্রীর কি আসল চোট, নাকি রাজনৈতিক চোট? বুঝতে পারছি না! ভোট এলে অনেকেরই চোট লেগে যায়। সব সময় সেনাকে গালাগাল দেন আর সংকটের সময় সেনার কাছেই যেতে হয়, কটাক্ষ দিলীপের।

    শ্রীনু নাইডু হত্যা কেসে মন্তব্য (Paschim Medinipur)

    শ্রীনু নাইডু হত্যা মামলা খড়্গপুরকে (Paschim Medinipur) নাড়িয়ে দিয়েছিল। দিলীপ ঘোষ বলেন, তৃণমূল আমাকেও ওই মামলায় ঢোকানোর চক্রান্ত করেছিল। একটা এত বড় হত্যা হয়ে গেল, সেখানে কেউ সাজা পেল না, সবাই ছাড়া পেয়ে গেল? প্রশ্ন তুললেন দিলীপ ঘোষ। এভাবে দোষীরা সাজা না পেলে খড়্গপুরে আবারও হিংসা বাড়বে। পঞ্চায়েত ভোটে জেতার জন্যই কি খালাস করে দেওয়া হল মাফিয়াদের? প্রশ্ন তুললেন দিলীপ ঘোষ।

    আরও কী বললেন

    প্রধানমন্ত্রীর মুখে রাজ্যের শাসক শিবিরের দুর্নীতির কথা উঠে এসেছে। এই প্রসঙ্গে দিলীপ ঘোষের (Paschim Medinipur) দাবি, এই রাজ্যে ঐতিহাসিক দুর্নীতি রয়েছে। মুখ্যমন্ত্রী যদি এক গলা গঙ্গা জলে দাঁড়িয়ে বলেন বিজেপি চোর তাহলেও কেউ বিশ্বাস করবে না। কারণ তাঁর ডানদিক বামদিক সবদিকেই চোরেরা ভর্তি। সারা দেশ জুড়ে যখন বিজেপির এবং মোদিজীর সমর্থন বাড়ছে, তখন সব চোরেরা একজোট হয়েছেন। হাম সব চোর এক-এই স্লোগান দিয়ে পাটনায় একজোট হয়েছে। এভাবেই তীব্র কটাক্ষ করেন দিলীপ ঘোষ। 

    সারা রাজ্য জুড়ে বোমাবাজি হচ্ছে। এখনও প্রচুর জায়গায় বোমা-বন্দুক লুকিয়ে রাখা হয়েছে। পুলিশের এগুলো খুঁজে বার করা উচিত। বোমা-বন্দুক উদ্ধার না হলে পঞ্চায়েত ভোট রক্তাক্ত হবে, অনেক জীবনহানি হবে। অনেক জায়গায় আবার সিভিক পুলিশ দিয়ে বোমা রেখে আসা হচ্ছে লোককে ভয় দেখানোর জন্য। সেন্ট্রাল ফোর্স দিয়ে সমস্ত বোমা উদ্ধার করা উচিত। মাফিয়াদের সাথে তৃণমূলের এগ্রিমেন্ট হয়েছে পঞ্চায়েত ভোটে। নির্বাচনে মাফিয়ারা সাহায্য করবে তৃণমূলকে, ঠিক এভাবেই বিস্ফোরক মন্তব্য করেন বিজেপি নেতা দিলীপ ঘোষ। 

     

     দেশের খবর, দশের খবর, সব খবর, সবার আগে পেতে ফলো করুন আমাদের Facebook, Twitter এবং Google News পেজ।

  • Dilip Ghosh in Egra: “গুরু পাপে, লঘু দণ্ড”! এগরায় গিয়ে রাজ্য সরকার ও পুলিশের বিরুদ্ধে বিস্ফোরক দিলীপ

    Dilip Ghosh in Egra: “গুরু পাপে, লঘু দণ্ড”! এগরায় গিয়ে রাজ্য সরকার ও পুলিশের বিরুদ্ধে বিস্ফোরক দিলীপ

    মাধ্যম নিউজ ডেস্ক: অপরাধীকে সঠিক সাজা দেওয়া হচ্ছে না। “গুরু পাপে, লঘু দণ্ড” দেওয়া হচ্ছে। তাই এগরায় বিস্ফোরণের ঘটনায় এআইএ তদন্ত প্রয়োজন। বৃহস্পতিবার ঘটনাস্থল পরিদর্শন করে বললেন বিজেপির সর্বভারতীয় সহ সভাপতি দিলীপ ঘোষ (Dilip Ghosh in Egra)। এদিন তিনি কার্যত বিনা বাধাতেই এলাকা ঘুরে দেখেন। তিনি স্থানীয় বাসিন্দাদের সঙ্গে কথাবার্তা বলেন। এরপরই গোটা ঘটনায় রাজ্য সরকারের ভূমিকা নিয়ে প্রশ্ন তুললেন তিনি।

    এগরায় দিলীপ যা বললেন

    এদিন বিস্ফোরণস্থলে গিয়ে দিলীপ ঘোষ (Dilip Ghosh in Egra) বলেন, “যে ধরনের ধারা দেওয়া হয়েছে, আমরা বিভিন্ন মিডিয়ায় দেখলাম, সাধারণ পাড়ায় মারপিট করলেও এর চেয়ে কঠিন ধারা দেওয়া হয়। আমরা কোনও রাজনৈতিক কর্মসূচি করলে এর থেকে কঠিন ধারা আমাদের দেওয়া হয়। পুরো সমাজবিরোধী কাজ হয়েছে।” স্থানীয় মানুষদের সঙ্গে কথা বলে তিনি বলেন, “স্থানীয়রা বলছে ২২ জন মারা গিয়েছেন। এর আগেও ওরা অপরাধ করেছে। এত বড় বিস্ফোরণ হল আর কোথাও বিস্ফোরণের ধারা নেই। দুমাস বাদে জামিন পেয়ে চলে আসবে। আবার বিজনেস শুরু হয়ে যাবে। আমার মনে হয় রাজ্য সরকার ও পুলিশ চাইছে এই ধরনের কাজ বন্ধ না হোক। পরোক্ষে ওরা সাপোর্ট করছে।”

    বিনা বাধায় ঘটনাস্থলে যান দিলীপ

    এদিন সংসদ দিলীপ ঘোষের (Dilip Ghosh in Egra) সঙ্গে ছিলেন রাজ্য কমিটির সদস্য অনুপ কুমার চক্রবর্তী ও জেলা কমিটির সভাপতি সুদাম পন্ডিত। বোমা বিস্ফোরণে মৃত মাধবী বাগ ও অন্যান্য পরিবারের সঙ্গে দেখা করে পাশে থাকার আশ্বাস দেন তিনি। বুধবারই এগরায় গিয়ে গ্রামবাসীদের একাংশের বিক্ষোভের মুখে পড়েছিলেন তৃণমূল নেতা মানস ভুঁইয়া। শুনেছিলেন চোর চোর স্লোগান। কার্যত তাড়া খেয়ে এলাকা ছেড়েছিলেন তৃণমূল নেতারা। তবে বৃহস্পতিবার বিজেপি নেতাদের তেমন কোনও পরিস্থিতির মুখে পড়তে হয়নি। তাঁরা এলাকায় গিয়ে বিস্ফোরণস্থল ঘুরে দেখেন।

    আরও পড়ুন: অমৃতা সিনহার নির্দেশকে চ্যালেঞ্জ করে প্রধান বিচারপতির ডিভিশন বেঞ্চে অভিষেক

    এগরায় বিস্ফোরণ স্থল ঘুরে দেখেছেন বিরোধী দলনেতা শুভেন্দু অধিকারীও। জেলা পুলিশ সুপার থেকে শুরু করে রাজ্য সরকারের বিরুদ্ধে বিষোদ্গার করেছিলেন তিনিও।  এমনকি আগামী দিনে এগরা থেকে মহা মিছিলের ডাক দেন তিনি। উল্লেখ্য, গত বুধবার পূর্ব মেদিনীপুর জেলার এগরা ব্লকে খাদিকূল গ্রামে একটি বাজি কারখানায় ভয়াবহ বিস্ফোরণ ঘটে। স্থানীয় একাধিক বাসিন্দা এই ঘটনায় হতাহত হন। বাজি তৈরির নাম ওই কারখানায় বোমা তৈরি হতো বলে অভিযোগ তোলেন স্থানীয় বাসিন্দারা। বিনা নথিতে কিভাবে দিনের পর দিন এভাবে বাজি তৈরি হতো তা নিয়ে প্রশ্ন ওঠে।

    দেশের খবর, দশের খবর, সব খবর, সবার আগে পেতে ফলো করুন আমাদের FacebookTwitter এবং Google News পেজ।

  • Dilip Ghosh: দিল্লিতে অনুব্রত মণ্ডল কেমন থাকবেন জানালেন দিলীপ ঘোষ

    Dilip Ghosh: দিল্লিতে অনুব্রত মণ্ডল কেমন থাকবেন জানালেন দিলীপ ঘোষ

     

    মাধ্যম নিউজ ডেস্কঃ জল্পনার অবসান। অবশেষে দোল উত্সবের দিন দিল্লি উড়িয়ে নিয়ে যাওয়া হল অনুব্রত মণ্ডলকে। সেখানে নিয়ে গিয়ে তিনি কেমন থাকবেন, তাঁর উপর নির্যাতন চালানো হবে কি না তা নিয়ে শাসক দলের অন্দরেই জোর চর্চা শুরু হয়েছে। কারণ, সামনেই পঞ্চায়েত নির্বাচন। তাই, অনুব্রতহীন ভোট হবে বীরভূমে। তাই, ওই জেলায় শাসক দলের নেতা কর্মীদের কাছে এবার পঞ্চায়েত নির্বাচন মস্তবড় চ্যালেঞ্জ। বীরভূম জেলার নেতারা সেটা প্রকাশ্যে স্বীকার করছেন। শুধু তাই নয়, দিল্লি নিয়ে গিয়ে তাঁর উপর নির্যাতন চালানোরও আশঙ্কা করছেন অনেকে। দুদিন আগেই বীরভূমের নানুরে দলীয় সভায় প্রাক্তন তৃণমূল বিধায়ক গদাধর হাজরা পঞ্চায়েত নির্বাচনের আগে বিজেপি কর্মীদের হুঁশিয়ারি দেন। প্রকাশ্য সভায় তিনি বলেছিলেন, অনুব্রত মণ্ডলকে দিল্লি নিয়ে গিয়ে বীরভূমের সংগঠন ভেঙে দেওয়ার চক্রান্ত করা হচ্ছে। দিল্লিতে অনুব্রত মণ্ডলকে কষ্ট দেওয়া হলে, এই জেলায় বিজেপি কর্মীদের আমরা কষ্ট দেব। এবার দিল্লিতে গিয়ে অনুব্রত কেমন থাকবেন তা প্রকাশ্যে জানিয়ে দিলেন বিজেপি সাংসদ দিলীপ ঘোষ (Dilip Ghosh)। পূর্ব মেদিনীপুরে দোল উত্সবে যোগ দিতে এসে তিনি বলেন, শীত ছিল বলে আগে নিয়ে হয়নি। এখন গরম পড়েছে আরামে সেখানে থাকতে পারবেন। দিল্লি গিয়ে অনুব্রত লস্যি খাবেন। সেখানে সুখেই থাকবেন। কিন্তু, মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়ের চিন্তা বীরভূমে ভোট করাবে কি করে !  সেজন্য তাঁকে আটকানোর চেষ্টা করা হচ্ছিল। অনুব্রতের মতো অপরাধীদের আড়াল করার চেষ্টা করা হচ্ছে, কারণ প্রকৃত সত্য যাতে বেরিয়ে না আসে। সত্য একদিন উদঘাটন হবে।

     ডিএ নিয়ে মুখ্যমন্ত্রীর মন্তব্যকে এ কী বললেন দিলীপ ঘোষ ? Dilip Ghosh

    ডিএ নিয়ে মুখ্যমন্ত্রী জানিয়েছেন, আমার মুন্ডু কেটে নিলেও আমি এর বেশি ডি এ দিতে পারব না। সোমবার মুখ্যমন্ত্রীর করা বক্তব্যকে কটাক্ষ করেন বিজেপির প্রাক্তন রাজ্য সভাপতি (Dilip Ghosh)। তিনি বলেন, মুখ্যমন্ত্রী মাথা নিয়ে কি চচ্চড়ি হবে ?  রাজ্য সরকারি কর্মীরা কাজ করছেন। ডিএ তাঁদের ন্যায্য পাওনা। তাঁদের ডিএ দিতে হবে। মঙ্গলবার দোল উত্সবের দিনে সকাল থেকেই পূর্ব মেদিনীপুরের তমলুক সাংগঠনিক জেলায় আবির খেলায় মাতেন বিজেপি সাংসদ (Dilip Ghosh)। এদিন মেচেদার শান্তিপুরে ভবতারিণী মন্দির এবং হরি মন্দিরে পুজো দেন। দলীয় কর্মী সমর্থকদের আবির মাখিয়ে মিষ্টিমুখ করেন তিনি।

    দেশের খবর, দশের খবর, সব খবর, সবার আগে পেতে ফলো করুন আমাদের FacebookTwitter এবং Google News পেজ।

  • Dilip Ghosh: ‘‘কাউন্সিলর-এমএলএ-এমপিরা খুব টাকা খাচ্ছে, আর…’’ গার্ডেনরিচকাণ্ডে কটাক্ষ দিলীপের

    Dilip Ghosh: ‘‘কাউন্সিলর-এমএলএ-এমপিরা খুব টাকা খাচ্ছে, আর…’’ গার্ডেনরিচকাণ্ডে কটাক্ষ দিলীপের

    মাধ্যম নিউজ ডেস্ক: গার্ডেনরিচের বেআইনি নির্মীয়মাণ বহুতল ভেঙে পড়ায় মারা গিয়েছেন ৫ জন। আশঙ্কা মৃতের সংখ্যা আরও বাড়তে পারে। মনে করা হচ্ছে নিচে এখনও চাপা পড়ে আছেন ৭ জন। মোট ২৩ জন ধ্বংসস্তূপের তলায় আটকে পড়েছিলেন বলে জানা গিয়েছে। এই ঘটনায় তৃণমূলকে তীব্র আক্রমণ করলেন মেদিনীপুরের সাংসদ তথা বিজেপি নেতা দিলীপ ঘোষ (Dilip Ghosh)। প্রতিদিনকার মতো সোমবারও নিউটাউনের ইকো পার্কে প্রাতর্ভ্রমণে গিয়ে দিলীপ ঘোষ বলেন, ‘‘পশ্চিমবঙ্গে বেআইনি বিল্ডিং ডেভেলপমেন্ট খুব হচ্ছে। আর কাউন্সিলর, এমএলএ ,এমপিরা খুব টাকা খাচ্ছে।’’

    যে কিনছে তার পুরো জীবনটাও কাটাতে পারবে না, মাঝখানে ভেঙে পড়বে

    তাঁর আরও সংযোজন, ‘‘লোকাল নেতারাও টাকা খাচ্ছে। এখানে ব্রিজ ভেঙে পড়ে, নির্মীয়মাণ ফ্লাইওভার ভেঙে পড়ে এখন বিল্ডিং ভেঙে পড়ছে। এই যে দুর্নীতি হচ্ছে, যেখানে অর্ধেক টাকা দিয়ে দিতে হচ্ছে লোকাল নেতা ও কাউন্সিলরদের। ফলে কোনও মতে ইট-বালি দিয়ে দাঁড় করিয়ে দিচ্ছে বাড়ি। যে কিনছে তার পুরো জীবনটাও কাটাতে পারবে না, মাঝখানে ভেঙে পড়বে।’’ রাজ্য বিজেপির প্রাক্তন সভাপতির (Dilip Ghosh) আরও মন্তব্য, ‘‘এই যে পরিস্থিতি তৈরি হয়েছে, এর পিছনে রয়েছে ব্যাপক দুর্নীতি। সেই জন্য সরকারকে সতর্ক হতে হবে। এগুলো তদন্ত হওয়া দরকার আছে। নতুন নতুন ফ্ল্যাট-বিল্ডিং যেগুলো তৈরি হচ্ছে, বেশিরভাগ অবস্থা এরকম আছে।’’

    আতঙ্কিত স্থানীয়রা

    রবিবার রাত ১২টা নাগাদ নির্মীয়মান বহুতলের একাংশ হুড়মুড়িয়ে ভেঙে পড়ে। আহত হয়ে হাসপাতালে ভর্তি রয়েছে ১৫ জন। তার মধ্যে ৬ জন ভর্তি রয়েছে আইসিইউতে। তাদের মধ্যে ২ জন নাবালকও রয়েছে। স্থানীয় বাসিন্দাদের অভিযোগ, জলাভূমি ভরাট করে একের পর এক নির্মাণ গজিয়ে উঠেছে। ৩ ফুট সংকীর্ণ রাস্তাতেও গড়ে উঠছে বহুতল নির্মাণ। এই ঘটনায় কলকাতার পুরসভার মেয়র ফিরহাদ হাকিমের বিরুদ্ধে তোপ দেগেছেন রাজ্যের বিরোধী দলনেতা শুভেন্দু অধিকারীও। দুর্ঘটনার পরে অভিঘাত এসে পড়ে পাশের বাড়িগুলির উপরেও। পাশাপাশি বাড়িগুলোরও ছাদের একাংশ ভেঙে যায়। দেওয়ালে ফাটলও ধরেছে। এর ফলে রীতিমতো আতঙ্কিত হয়ে পড়েছেন স্থানীয়রা।

     

    দেশের খবর, দশের খবর, সব খবর, সবার আগে পেতে ফলো করুন আমাদের Facebook, Twitter এবং Google News পেজ।

LinkedIn
Share