Tag: DRDO

DRDO

  • Chinese PL-15E missile: প্লিজ একবার দাও! ভারতের হেফাজতে থাকা আস্ত চিনা ক্ষেপণাস্ত্র হাতে পেতে লাইন বিশ্বের হেভিওয়েটদের

    Chinese PL-15E missile: প্লিজ একবার দাও! ভারতের হেফাজতে থাকা আস্ত চিনা ক্ষেপণাস্ত্র হাতে পেতে লাইন বিশ্বের হেভিওয়েটদের

    মাধ্যম নিউজ ডেস্ক: ‘অপারেশন সিঁদুর’ (Operation Sindoor) চলাকালীন পাকিস্তানের নিক্ষেপ করা চিনা নির্মিত ‘পিএল-১৫ই’ ক্ষেপণাস্ত্র (Chinese PL-15E missile) সফলভাব ইন্টারসেপ্ট বা মাঝপথেই ধ্বংস করেছে ভারত। সেই ক্ষেপণাস্ত্রের ধ্বংসাবশেষ এসে পড়ে ভারতের ভূমিতে, যা বর্তমানে রয়েছে কেন্দ্রের হেফাজতে। এখন, এই ধ্বংসাবশেষ হয়ে উঠেছে বিশ্বের আকর্ষণের কেন্দ্রবিন্দু। তাবড় তাবড় দেশ এখন এই চিনা ক্ষেপণাস্ত্রের ধ্বংসাবশেষ নিজেদের হেফাজতে নিয়ে পরীক্ষা চাইছে। সেই কারণে, সকলে এক এক করে এখন ভারতের দ্বারস্থ হচ্ছে। আমেরিকা থেকে শুরু করে ফ্রান্স, জাপান থেকে শুরু করে ‘পঞ্চ অক্ষী’ জোট— কে নেই সেই তালিকায়!

    ‘পিএল-১৫ই’ বিভিআরএএএম ক্ষেপণাস্ত্র (Chinese PL-15E missile)

    ‘অপারেশন সিঁদুর’-এর (Operation Sindoor) সময়, পাকিস্তানের একাধিক ক্ষেপণাস্ত্র ও ড্রোন সফলভাবে ধ্বংস করে দেয় ভারতের ইন্টিগ্রেটেড এয়ার ডিফেন্স সিস্টেম। ধ্বংস হওয়া পাকিস্তানের নিক্ষিপ্ত সেই ক্ষেপণাস্ত্রের তালিকায় ছিল চিনা নির্মিত ‘পিএল-১৫ই’ বিয়ন্ড ভিজ্যুয়াল রেঞ্জ এয়ার টু এয়ার ক্ষেপণাস্ত্র (BVRAAM)। তালিকায় ছিল তুরস্কের ‘বায়রাক্তার টিবি-২’ কামিকাজে ড্রোন। আকাশে ধ্বংস হওয়ার পর এগুলির বহু অংশ ভারতের ভূমিতে এসে পড়ে। এমনকি, একটি গোটা চিনা ক্ষেপণাস্ত্র উদ্ধার হয় পঞ্জাবের হোসিয়ারপুর থেকে। ওই ক্ষেপণাস্ত্রটিকে ছোড়া হয়েছিল পাক ফাইটার জেট থেকে। কিন্তু ইন্টারসেপ্ট হওয়ায় গোঁত্তা খেয়ে তা ভারতে পড়ে। কিন্তু, কোনও বিস্ফোরণ না হওয়ায় ক্ষেপণাস্ত্রটিকে (Chinese PL-15E missile) প্রায় গোটা অবস্থায় উদ্ধার করা হয়।

    প্লিজ, একবার ক্ষেপণাস্ত্রটা দাও!

    এই খবর চাউর হতে বেশি সময় লাগেনি। চিনা ক্ষেপণাস্ত্রটির ধ্বংসাবশেষ দ্রুত নিজেদের হেফাজতে নেয় ভারতীয় সেনা। বর্তমানে তা রয়েছে ডিআরডিও-র পরীক্ষাগারে। ক্ষেপণাস্ত্রটিকে বিশ্লেষণ করছে ভারতীয় বিজ্ঞানীরা। একটা আস্ত চিনা ‘পিএল-১৫ই’ ক্ষেপণাস্ত্র (Chinese PL-15E missile) ভারতের হাতে এসে পড়েছে, এটা জানতে পেরেই বহু দেশের সামনে একটা বড় সুযোগের দ্বার খুলে গিয়েছে। চিনের অত্যাধুনিক ক্ষেপণাস্ত্রকে পরীক্ষা করে প্রযুক্তি বোঝার সুযোগ পেতে তাদের তর সইছে না। সেই কারণে, তারা এক এক করে ভারতের দ্বারস্থ হচ্ছে। সকলের আবদার অনেকটা যেন এরকমই— প্লিজ, একবার ক্ষেপণাস্ত্রটা দাও।

    চিনা ক্ষেপণাস্ত্রের দুর্বলতা বের করছে ভারত?

    এই ‘পিএল-১৫ই’ (Chinese PL-15E missile) হল চিনের ‘পিএল-১৫’ মূল ক্ষেপণাস্ত্রের রফতানি সংস্করণ, যা পাকিস্তান সহ বিশ্বের বেশ কয়েকটি দেশ ব্যবহার করে। চিনের এভিয়েশন ইন্ডাস্ট্রি কর্পোরেশন দ্বারা নির্মিত এই আকাশ-থেকে-আকাশ মিসাইলটির পাল্লা ১৪৫ কিমি। এতে ডুয়াল-পালস রকেট মোটর এবং অ্যাক্টিভ রেডার গাইডেন্স রয়েছে। এই ক্ষেপণাস্ত্রে অত্যাধুনিক সিকার এবং ইলেকট্রনিক কাউন্টার-মেজার রয়েছে। এটি চিনা আস্ত্রাগারের একটি গুরুত্বপূর্ণ সদস্য। বর্তমানে ডিআরডিও-র (DRDO) পরীক্ষাকেন্দ্রে এই ক্ষেপণাস্ত্রের কাটাছেঁড়া চলছে। এর ফলে, ভবিষ্যতের যুদ্ধে উপকৃত হতে পারে ভারত। এই ক্ষেপণাস্ত্রের প্রোপালশন সিস্টেম, গাইডেন্স প্রযুক্তি এবং ইলেকট্রনিক যুদ্ধের উপাদানগুলির অধ্যয়ন করে ভারত তার দুর্বলতা বের করে ফেলতে পারে। অচিরে এতে ভারতের নিজস্ব ক্ষেপণাস্ত্র উন্নয়ন কর্মসূচিতে উল্লেখযোগ্যভাবে সহায়তা করবে। চিন যে ভারতের সবচেয়ে বড় শত্রু, এটা একটা শিশুও জানে। ফলে, শত্রুর সামরিক প্রযুক্তি হাতে পাওয়া মানে ভবিষ্যতের যুদ্ধে এগিয়ে থাকা।

    চিনের প্রতিদ্বন্দ্বীদের কাছে সুবর্ণ সুযোগ

    কিন্তু, বিশ্বের বিভিন্ন দেশের এত আগ্রহ কেন? এর অন্যতম কারণ হল, চিনের অ্যাডভান্সড ক্ষেপণাস্ত্র প্রযুক্তি সম্পর্কে অন্য দেশের কাছে সীমিত তথ্য থাকা। বেজিং বরাবরই গোপনীয়তা বজায় রাখে। যে কারণে, আমেরিকা থেকে শুরু করে জাপান— বিশ্বে চিনের প্রতিদ্বন্দ্বীদের কাছে এটা একটা সুবর্ণ সুযোগ। ভারতের হাতে এসে পড়া চিনা ‘পিএল-১৫ই’ ক্ষেপণাস্ত্র (Chinese PL-15E missile) তাই এখন বিশ্বের কাছে ‘হট-কেক’। ফ্রান্স এবং জাপানের মতো দেশগুলি ক্ষেপণাস্ত্রটির অভ্যন্তরীণ গঠন এবং রেডার এড়িয়ে যাওয়ার বৈশিষ্ট্যগুলি বুঝতে আগ্রহী বলে জানা গিয়েছে। আবার আমেরিকা, যুক্তরাজ্য, নিউজিল্যান্ড, কানাডা ও অস্ট্রেলিয়াকে নিয়ে গঠিত ‘ফাইভ আইজ’ গোয়েন্দা জোটও ধ্বংসাবশেষ হাতে পেতে নয়াদিল্লির সাথে আলোচনা করছে বলেও জানা গিয়েছে।

    ভারতের হাতে এখন তুরুপের তাস

    ‘অপারেশন সিঁদুর’-এর (Operation Sindoor) সময় হাতে আসা এই ধ্বংসাবশেষ আদৌ কারোর সঙ্গে ভাগ করা হবে কিনা, সেই বিষয়ে ভারত এখনও পর্যন্ত কাউকে কিছুই জানায়নি। বিশেষজ্ঞদের একাংশের মতে, তাড়াহুড়ো নয়, কৌশলগত ও কূটনৈতিক স্বার্থকে মাথায় রেখে সব দিক পর্যালোচনা করেই এই সিদ্ধান্ত নেবে ভারত। তাঁদের মতে, এই ক্ষেপণাস্ত্র ভারতের হাতে তুরুপের তাস হয়ে উঠতে পারে। ভারতে এর বিনিময়ে গুরুত্বপূর্ণ প্রযুক্তি হস্তান্তর করিয়ে নিতে পারে।

    অন্যদিকে, প্রমাদ গুণছে চিন…

    এদিকে, ভারতের হাতে তাদের আস্ত একখান অত্যাধুনিক ক্ষেপণাস্ত্র এসে পড়ায় সিঁদুরে মেঘ দেখছে চিন। বেজিং ভালোই বুঝতে পারছে, প্রতিপক্ষ ভারত এখন ক্ষেপণাস্ত্রের (Chinese PL-15E missile) নাড়িভুঁড়ি বের করে পোস্ট-মর্টেম করছে এবং সব রহস্য বের করছে। এর পর, ভারত যদি ওই ক্ষেপণাস্ত্র অন্য দেশকে দেয়, তাহলে বিপদ বাড়বে বৈকি। এই ক্ষেপণাস্ত্র বিশ্লেষণ করে চিনের জন্য পাল্টা দাওয়াই-এর ব্যবস্থা করে ফেলবে ভারত সহ গোটা বিশ্ব। এতে, চিনের উন্নত প্রযুক্তির ধার অনেকটাই ভোঁতা হতে পারে।

  • Hypersonic Cruise Missile: স্ক্র্যামজেট ইঞ্জিনের পরীক্ষায় সাফল্য, হাইপারসনিক মিসাইলের নতুন যুগে প্রবেশ করল ভারত

    Hypersonic Cruise Missile: স্ক্র্যামজেট ইঞ্জিনের পরীক্ষায় সাফল্য, হাইপারসনিক মিসাইলের নতুন যুগে প্রবেশ করল ভারত

    মাধ্যম নিউজ ডেস্ক: ভারতের প্রতিরক্ষা গবেষণা ও উন্নয়ন সংস্থা (DRDO) হাইপারসোনিক প্রযুক্তির ক্ষেত্রে এক বিশাল সাফল্য অর্জন করল। শুক্রবার ডিআরডিও জানিয়েছে, নতুন প্রজন্মের হাইপারসোনিক মিসাইল (Hypersonic Cruise Missile) সিস্টেমের জন্য তৈরি স্ক্র্যামজেট ইঞ্জিনের দীর্ঘমেয়াদি পরীক্ষা সফলভাবে সম্পন্ন হয়েছে। এই পরীক্ষায় ইঞ্জিনটি একটানা ১০০০ সেকেন্ড (প্রায় ১৭ মিনিট) চালানো হয়। যা পূর্বে জানুয়ারি ২০২৫-এর পরীক্ষায় মাত্র ১২০ সেকেন্ড পর্যন্ত সীমাবদ্ধ ছিল। এই সাফল্যের মাধ্যমে ভারত এখন হাইপারসোনিক ক্রুজ মিসাইল প্রযুক্তিতে আরও একধাপ এগিয়ে গেল।

    কী এই হাইপারসোনিক ক্রুজ মিসাইল?

    হাইপারসোনিক ক্রুজ মিসাইল (HCM) এমন একধরনের অস্ত্র যা ন্যূনতম মাক ৬ বা শব্দের গতি থেকে ছয়গুণেরও বেশি বেগে দীর্ঘ সময় ধরে চলতে সক্ষম। এই মিসাইলে ব্যবহৃত হয় এয়ার ব্রিদিং স্ক্র্যামজেট ইঞ্জিন, যার মাধ্যমে বায়ুর মধ্যেই ইঞ্জিন জ্বালানী পায় এবং উচ্চ গতিতে জ্বলন (combustion) সম্পন্ন হয়। এই পরীক্ষার মাধ্যমে স্ক্র্যামজেট ইঞ্জিনের দীর্ঘমেয়াদী কার্যক্ষমতা ও টেস্ট ফ্যাসিলিটির ডিজাইন সফলভাবে যাচাই করা হয়েছে। ডিআরডিও জানিয়েছে, এই পরীক্ষার ফলে এখন পুরোপুরি ফ্লাইট-যোগ্য কমবাস্টার টেস্টিংয়ের পথ খুলে গেল।

    কেন তাৎপর্যপূর্ণ এই পরীক্ষা?

    বিশ্বের যেখানে আজও স্ক্র্যামজেট প্রযুক্তি সীমিত কয়েক মিনিটের পরীক্ষায় আবদ্ধ, সেখানে ভারত ১০০০ সেকেন্ডের এক বিরাট মাইলফলক স্পর্শ করল। ডিআরডিও-র ল্যাবে এই দীর্ঘসময় ধরে সফলভাবে অ্যাকটিভ কুলড্ স্ক্র্যামজেট কমবাস্টর গ্রাউন্ড টেস্ট করে এমন একটি রেকর্ড স্থাপন করল, যা বর্তমানে বিশ্বের সবচেয়ে দীর্ঘ স্ক্র্যামজেট ইঞ্জিন অপারেশন হিসেবেই ধরা হচ্ছে। এই সাফল্য শুধু একটি ইঞ্জিন টেস্ট নয়, বরং এটি হতে চলেছে ভারতের হাইপারসনিক প্রপালশনের পরবর্তী বড় প্রকল্প— প্রোজেক্ট বিষ্ণু-র মূল ভিত্তি।

    প্রোজেক্ট বিষ্ণু-র গুরুত্ব কোথায়?

    এই ১০০০ সেকেন্ডের স্ক্র্যামজেট টেস্টের ফলস্বরূপ ভারত যা পেতে চলেছে তা সত্যিই বৈপ্লবিক—

    ● বিশাল হাইপারসনিক রেঞ্জ:
    ভারত এখন ২০০০–৩০০০ কিমি রেঞ্জের হাইপারসনিক ল্যান্ড অ্যাটাক ও জাহাজ-বিধ্বংসী ক্ষেপণাস্ত্র তৈরি করতে পারবে, যেগুলো কয়েক মিনিটেই লক্ষ্যে আঘাত হানতে সক্ষম।

    ● বিমানবাহী রণতরী ধ্বংসের ক্ষমতা:
    এতদূর থেকে ছোঁড়া হাইপারসনিক অ্যান্টি-শিপ মিসাইল সহজেই বিমানবাহী রণতরী সহ গোটা ব্যাটল গ্রুপকে ধ্বংস করতে পারবে — শত্রুপক্ষ প্রতিরোধ করার আগেই লক্ষ্যবস্তু ধ্বংস।

    ● ক্ষেপণাস্ত্র প্রতিরোধ ব্যবস্থাকে টেক্কা:
    এত উচ্চ গতিতে (মাক ৬-৮), এই মিসাইলগুলো পাশ্চাত্য দেশগুলির থাড, এস-৪০০ বা এইজিসের মতো শীর্ষস্থানীয় ডিফেন্স সিস্টেমও অতিক্রম করে ফেলতে পারবে — প্রতিরোধ কার্যত অসম্ভব।

    ● প্রতিক্রিয়ার সময় পাবে না শত্রু:
    স্যাটেলাইট বা রেডারে ডিটেকশন হলেও প্রতিক্রিয়া জানানোর সময় পাওয়া যাবে না, কারণ এই গতি ও রেঞ্জে প্রতিক্রিয়ার সময় খুবই কম।

    ● যুদ্ধে গেমচেঞ্জার:
    এতদূর থেকে, এত দ্রুত, এত শক্তিশালী আঘাত ভারতের কাছে থাকলে — যেকোনও যুদ্ধক্ষেত্রে বা জলসীমায় ভারত গেমচেঞ্জার হয়ে উঠবে।

    প্রোজেক্ট বিষ্ণু-র সম্ভাব্য রেঞ্জ

    যদি আমরা প্রোজেক্ট বিষ্ণু-র জন্য মাক ৬ গতি ধরি (যা স্ক্র্যামজেটের বেসিক ন্যূনতম), তাহলে ১০০০ সেকেন্ড ধরে এই গতি ধরে রাখলে দাঁড়ায় সেকেন্ড প্রতি ২.০৫৮ কিমি। অর্থাৎ, ১০০০ সেকেন্ড ধরে ইঞ্জিন চললে, এর পাল্লা দাঁড়াবে ২০৫৮ কিমি। অর্থাৎ, শুধুমাত্র স্ক্র্যামজেট ফেজেই এর সম্ভাব্য কার্যক্ষমতা হতে পারে ২০০০ কিমি পার করে দেবে ক্ষেপণাস্ত্র। আর যদি মাক ৭ বা মাক ৮ হয়, তাহলে এই পাল্লা বেড়ে হবে ২৫০০-৩০০০ কিমি।

    প্রতিরক্ষামন্ত্রীর অভিনন্দন

    এই পরীক্ষাটি হায়দরাবাদের প্রতিরক্ষা গবেষণা ও উন্নয়ন সংস্থার (DRDO) পরীক্ষাগার ডিফেন্স রিসার্চ অ্যান্ড ডেভেলপমেন্ট ল্যাবরেটরিতে (ডিআরডিএল)সম্পন্ন হয়েছে। এটি ডিআরডিও, বিভিন্ন শিল্প সংস্থা ও শিক্ষাবিদদের সম্মিলিত প্রচেষ্টার ফল। ভারতের প্রতিরক্ষা প্রযুক্তিতে এই অগ্রগতি ভবিষ্যতের হাইপারসোনিক অস্ত্র উন্নয়ন কর্মসূচির জন্য মজবুত ভিত গড়ে তুলবে বলে মনে করছেন বিশেষজ্ঞরা। প্রতিরক্ষামন্ত্রী রাজনাথ সিং এই অসাধারণ সাফল্যের জন্য ডিআরডিও, শিল্প অংশীদার এবং শিক্ষাবিদদের প্রশংসা করেছেন। তিনি জানান, এই সাফল্য জাতির জন্য গুরুত্বপূর্ণ হাইপারসনিক অস্ত্র প্রযুক্তি বাস্তবায়নে সরকারের দৃঢ় অঙ্গীকারের ফল। এই পরীক্ষাটি দীর্ঘমেয়াদী স্ক্র্যামজেট কম্বাস্টারের নকশার পাশাপাশি পরীক্ষার সুবিধার বৈধতা দেয়। এটি শিল্প ও একাডেমিয়ার সাথে ডিআরডিও ল্যাবগুলির দ্বারা প্রদত্ত একটি সমন্বিত প্রচেষ্টার ফলাফল। এই সাফল্য দেশের হাইপারসনিক ক্রুজ ক্ষেপণাস্ত্র (Hypersonic Cruise Missile) উন্নয়ন কর্মসূচির জন্য একটি শক্তিশালী ভিত্তি তৈরি করে।

  • India’s First Laser Weapon: এক লহমায় ধ্বংস এক ঝাঁক ড্রোন! পাকিস্তান-চিনের ঘুম উড়িয়ে দেশীয় লেজার অস্ত্রের সফল পরীক্ষা ভারতের

    India’s First Laser Weapon: এক লহমায় ধ্বংস এক ঝাঁক ড্রোন! পাকিস্তান-চিনের ঘুম উড়িয়ে দেশীয় লেজার অস্ত্রের সফল পরীক্ষা ভারতের

    মাধ্যম নিউজ ডেস্ক: নতুন প্রজন্মের অস্ত্রের দুনিয়ায় পা রাখল ভারত। লেজার অস্ত্রের (India’s First Laser Weapon) সফল পরীক্ষা চালিয়েছে দেশের প্রতিরক্ষা গবেষণা সংস্থা ডিআরডিও। ডিফেন্স রিসার্চ ডেভেলপমেন্ট অর্গানাইজেশন-এর এই অস্ত্র মনে করাচ্ছে জর্জ লুকাসের তৈরি বিখ্যাত সিরিজ স্টার ওয়ারস-এর (Star Wars) যোদ্ধাদের। যেখানে যোদ্ধাদের অত্যাধুনিক তলোয়ার থেকে প্রতি নিয়ত বেরোচ্ছে আলোক রশ্মি। যা মাঝখান থেকে চিরে দিতে পারে একটা আস্ত বিমানকেও। এবার প্রায় একই রকম শক্তি নিজের হাতে তুলতে চলেছে ভারতীয় সেনা। শত্রু রাষ্ট্রের যুদ্ধবিমান থেকে গুপ্তচর ড্রোন, যে কোনও কিছু নিমিষে ধ্বংস করে দিতে পারে ডিআরডিও-র তৈরি এই লেজার অস্ত্র।

    ৩০ কিলোওয়াট লেজার অস্ত্রের ট্রায়াল রান সফল

    ডিআরডিও সূত্রে খবর, রবিবার অন্ধ্রপ্রদেশের কুর্নুলে এক দল গবেষক এই সদ্য নির্মিত ৩০ কিলোওয়াটের লেজার অস্ত্রের ট্রায়াল রান করায়। যাতে সফল হয়েছে তারা। জানা গিয়েছে, এই অত্যাধুনিক অস্ত্র তৈরির মাধ্যমেই মার্কিন যুক্তরাষ্ট্র, চিন ও রাশিয়ার সঙ্গে জুড়ে গেল ভারতের নাম। সম্পূর্ণ দেশীয় পদ্ধতিতে তৈরি এই নতুন মার্ক-২(এ)  ডিইডব্লু সিস্টেমটি দূর পর্যন্ত যে কোনও শত্রু ড্রোনের আক্রমণকে প্রতিহত করতে পারে। সেই ড্রোন এক ঝটকায় উড়িয়েও দিতে পারে। তারা আরও জানিয়েছে, এই অস্ত্র থেকে নির্গত লেজার বা আলোকরশ্মি ৫ কিলোমিটারের মধ্যে থাকা যে কোনও ড্রোন বা হেলিকপ্টারকে আকাশপথেই ধ্বংস করে দিতে সক্ষম। যা স্থল ও নৌসেনা উভয়েই নিজেদের সুবিধার্থে ব্যবহার করতে পারবেন।

    সম্পূর্ণ দেশীয় পদ্ধতিতে তৈরি লেজার অস্ত্র

    প্রতিরক্ষা মন্ত্রক সূত্রে খবর, অন্ধ্রপ্রদেশের কুর্নুলের ন্যাশনাল ওপেন এয়ার রেঞ্জে লেজার (India’s First Laser Weapon) হাতিয়ারের পরীক্ষা করা হয়। ইতিমধ্যেই সেই ভিডিও সমাজমাধ্যমে ছড়িয়ে পড়েছে। এটি প্রকৃতপক্ষে একটি ‘ডিরেক্ট এনার্জি ওয়েপন সিস্টেম’ বা ডিইডব্লিউ। বর্তমান বিশ্বের হাতে গোনা কয়েকটি দেশের কাছে আছে এই হাতিয়ার। এটি তৈরির মূল কৃতিত্ব ডিআরডিওর ‘সেন্টার ফর হাই এনার্জি সিস্টেমস অ্যান্ড সায়েন্সেস’-এর (সিএইচইএসএস)। লেজার হাতিয়ারের গবেষণায় হারদরাবাদের একাধিক ল্যাবরেটরি এবং শিক্ষা প্রতিষ্ঠানের সাহায্য পেয়েছে ডিআরডিও। পরে নকশা অনুযায়ী অস্ত্রটিকে তৈরি করে একটি দেশীয় প্রতিরক্ষা সংস্থা। ট্রাক আকৃতির গাড়ির উপর ‘মার্ক-টু(এ) লেজার’কে বসানো হয়েছে। যুদ্ধের সময়ে একে একাধিক রণাঙ্গনে মোতায়েন করতে পারবে ফৌজ।

    ‘ড্রোন ঘাতক’ লেজার অস্ত্র

    প্রতিরক্ষা গবেষণা সংস্থা সূত্রে খবর, শত্রুর নজরদারি সেন্সর, অ্যান্টেনা বা রাডার ব্যবস্থাকে ধ্বংস করতে পারবে ‘মার্ক-টু(এ)’। চোখের পলক ফেলার আগে নিখুঁত নিশানায় সুনির্দিষ্ট লক্ষ্যে হামলা চালাতে পারবে এই সমরাস্ত্র। লেজার হাতিয়ারটি ৩০ কিলোওয়াট শক্তি সম্পন্ন। তবে এর পাল্লার বিষয়টি গোপন রেখেছে প্রতিরক্ষা গবেষণা সংস্থা। ডিআরডিওর তরফে অত্যাধুনিক অস্ত্রটিকে ‘ড্রোন ঘাতক’-এর তকমা দেওয়া হয়েছে। প্রতিরক্ষা গবেষণা সংস্থাটির কর্তা-ব্যক্তিদের দাবি, ‘মার্ক-টু(এ)’র সবচেয়ে বড় সুবিধা হল, এর নামমাত্র খরচ। এক-দু’লিটার পেট্রলের দামে কয়েক সেকেন্ডের জন্য লেজার রশ্মি ছুড়তে পারবে এই হাতিয়ার।

    ৩০-কিলোওয়াট লেজার অস্ত্রের গুরুত্বপূর্ণ বৈশিষ্ট্য

    ● এই লেজার অস্ত্র ড্রোন, হেলিকপ্টার ও ক্ষেপণাস্ত্রের মতো আকাশপথের হুমকি ৫ কিলোমিটার দূর থেকেই ধ্বংস করতে পারে।

    ● শত্রুর যোগাযোগ ব্যবস্থা ও স্যাটেলাইট সিগন্যাল জ্যাম করতে সক্ষম।

    ● স্থল ও সমুদ্র – দুই জায়গায়ই এটি ব্যবহারযোগ্য।

    ● ৩৬০ ডিগ্রি সেন্সর দ্বারা সজ্জিত, যা টার্গেটিং-এ নির্ভুলতা নিশ্চিত করে।

    ● সহজেই বিমান, রেল, সড়ক বা জলপথে মোতায়েন করা যায়।

    ● বিভিন্ন সামরিক প্রয়োজনে এর ডিজাইনকে মানিয়ে নেওয়া যায়।

    বদলে যাবে আকাশ প্রতিরক্ষার সংজ্ঞা

    প্রতিরক্ষা বিশ্লেষকেরা মনে করেন, ‘আকাশ প্রতিরক্ষা ব্যবস্থা’র (এয়ার ডিফেন্স সিস্টেম) সংজ্ঞা বদলে দেবে ডিআরডিওর তৈরি অত্যাধুনিক এই অস্ত্র (India’s First Laser Weapon)। এর দু’রকম ব্যবহারের কথা বলেছেন সাবেক সেনাকর্তারা। দীর্ঘ দিন ধরেই ড্রোনের সাহায্যে জম্মু-কাশ্মীর এবং পঞ্জাবে হাতিয়ার ও মাদক চোরাচালান চালিয়ে আসছে পাকিস্তান। বাহিনীতে ‘মার্ক-টু(এ)’ চলে এলে সেই সূচক অনেকাংশেই নেমে আসবে, তা বলাই বাহুল্য। এ ছাড়া যুদ্ধ বা সীমান্ত সংঘর্ষের সময়ে শত্রুর ঝাঁকে ঝাঁকে উড়ে আসা ড্রোনকে পুড়িয়ে শেষ করতে পারবে নতুন লেজার হাতিয়ার। তবে ভারতীয় সেনা কবে থেকে এটি ব্যবহার করবে, তা স্পষ্ট করেনি প্রতিরক্ষা মন্ত্রক।

    ডিআরডিও-র পরের লক্ষ্য ‘সূর্য’

    ডিআরডিও-র পরের লক্ষ্য এরই আরও উন্নত সংস্করণ ‘সূর্য’, ৩০০ কিলোওয়াট ক্ষমতাসম্পন্ন। যার সীমা ২০ কিমি। এটি এখন গবেষণার পর্যায়ে রয়েছে। ২০২৭ সালের মধ্যে ‘সূর্য’কে সামনে আনার চেষ্টায় রয়েছে ডিআরডিও। নতুন লেজার (India’s First Laser Weapon) হাতিয়ারটির সঙ্গে ‘সূর্য’-র কোনও মিল রয়েছে কি না, সেটা জানা যায়নি। তবে ‘সূর্য’র মাধ্যমে লেজার, মাইক্রোওয়েভ বা পার্টিকল বিমের (কণা রশ্মি) মতো কেন্দ্রীভূত শক্তিকে শত্রুর উপর সরাসরি প্রয়োগ করা যাবে বলে জানা গিয়েছিল। ‘সূর্য’ নিয়ে গবেষণার কাজে নিয়োজিত রয়েছে ডিআরডিওর লেজার সায়েন্স অ্যান্ড টেকনোলজি সেন্টার। প্রতিরক্ষা গবেষণা সংস্থাটির দাবি, ২০২৭ সালের মধ্যে হাতিয়ারটির প্রোটোটাইপ তৈরি করার কাজ পুরোপুরি শেষ করতে পারবে তারা। তবে এর জন্য একাধিক বেসরকারি সংস্থার সঙ্গে অংশীদারিত্বের পরিকল্পনা রয়েছে তাদের।

  • DRDO: নতুন ধরনের ক্ষেপণাস্ত্রের সফল পরীক্ষা করল ডিআরডিও, কতটা তাৎপর্যপূর্ণ?

    DRDO: নতুন ধরনের ক্ষেপণাস্ত্রের সফল পরীক্ষা করল ডিআরডিও, কতটা তাৎপর্যপূর্ণ?

    মাধ্যম নিউজ ডেস্ক: দেশীয় প্রতিরক্ষা সক্ষমতা বৃদ্ধির পথে আরও এক ধাপ এগোল ভারত। নতুন একটি ‘লং রেঞ্জ ল্যান্ড অ্যাটাক ক্রুজ মিসাইল’-এর পরীক্ষা করল ডিফেন্স রিসার্চ এন্ড ডেভেলপমেন্ট অর্গানাইজেশন (DRDO)। ওড়িশার চাঁদিপুরের ইন্ট্রিগ্রেটেড টেস্ট রেঞ্জ (ITR) থেকে মোবাইল আর্টিকুলেটেড লঞ্চারের মাধ্যমে এই ক্ষেপণাস্ত্রের পরীক্ষা করা হল। বিভিন্ন রেঞ্জ সেন্সরের মাধ্যমে ক্ষেপণাস্ত্রটির পারফরমেন্সের ওপর নজরদারি চালানো হয়। ক্ষেপণাস্ত্রটি ‘ওয়ে পয়েন্ট ন্যাভিগেশন’ ব্যবহার করে প্রত্যাশিত পথ অনুসরণ করে পরীক্ষায় সফল হয়। 

    সফল পরীক্ষামূলক উৎক্ষেপণ

    ডিআরডিও (DRDO) এবং বেঙ্গালুরুর অ্যারোনটিকাল ডেভেলপমেন্ট এস্টাবলিশমেন্ট সম্মিলিতভাবে এই ক্ষেপণাস্ত্রটি তৈরি, নির্মাণ এবং যাবতীয় পরীক্ষা করেছে। সহযোগী হিসেবে কাজ করেছে আরও কয়েকটি রাষ্ট্রায়ত্ত্ব সংস্থা। যার মধ্যে রয়েছে হায়দরাবাদের ভারত ডাইনামিকস লিমিটেড (বিডিএল) এবং বেঙ্গালুরুর ভারত ইলেকট্রনিক্স লিমিটেড (বেল)। ডিআরডিও-র এক বিবৃতিতে জানানো হয়, মিসাইলটির কর্মক্ষমতা মনিটর করার জন্য রেঞ্জ সেন্সর যেমন রাডার, ইলেকট্রো-অপটিক্যাল ট্র্যাকিং সিস্টেম (EOTS) এবং টেলিমেট্রি ব্যবহৃত হয়েছে, যেগুলি বিভিন্ন স্থান থেকে মিসাইলের উড়ান পথ সম্পূর্ণরূপে পর্যবেক্ষণ করেছে। মিসাইলটি প্রয়োজনীয় পথে চলেছে। এটি বিভিন্ন উচ্চতা ও গতিতে বিভিন্ন কৌশল সম্পাদন করার ক্ষমতা প্রদর্শন করেছে।

    গুরুত্বপূর্ণ মাইলফলক

    ক্ষেপণাস্ত্রটির পরীক্ষা চলাকালীন উপস্থিত ছিলেন ডিআরডিওর (DRDO) পদস্থ আধিকারিকরা। পরীক্ষার সময় ছিলেন ভারতীয় সেনাবাহিনী, নৌবাহিনী বায়ুসেনার আধিকারিকরাও। প্রতিরক্ষামন্ত্রী রাজনাথ সিং ডিআরডিও এবং সহযোগী সংস্থাগুলিকে সফল পরীক্ষামূলক উৎক্ষেপণের জন্য অভিনন্দন জানিয়েছেন। তিনি বলেন, “এই পরীক্ষাটি ভবিষ্যতে দেশীয় ক্রুজ মিসাইল উন্নয়ন প্রকল্পের জন্য একটি বড় পদক্ষেপ হিসেবে কাজ করবে।” তিনি আরও বলেন, “এটি ভারতীয় মিসাইল প্রযুক্তি এবং প্রতিরক্ষা খাতে একটি গুরুত্বপূর্ণ মাইলফলক।” এই সফল পরীক্ষার ফলে ভবিষ্যতে আকাশ প্রতিরক্ষার ক্ষেত্রে ভারত অনেকটা এগিয়ে যাবে বলে মত বিশেষজ্ঞদের একাংশের।

     

    দেশের খবর, দশের খবর, সব খবর, সবার আগে পেতে ফলো করুন আমাদের  Whatsapp, FacebookTwitter, Telegram এবং Google News পেজ।

  • DRDO: নিমেষে ধ্বংস হবে হাজার কিমি দূরের যুদ্ধজাহাজ, ডিআরডিও-র নয়া মিসাইলের পরীক্ষা শীঘ্রই

    DRDO: নিমেষে ধ্বংস হবে হাজার কিমি দূরের যুদ্ধজাহাজ, ডিআরডিও-র নয়া মিসাইলের পরীক্ষা শীঘ্রই

    মাধ্যম নিউজ ডেস্ক: প্রতিবেশী পাকিস্তান ও চিনকে টক্কর দিতে সব সময় প্রস্তুতি চালাচ্ছে ভারত। কোনওভাবেই দেশে শান্তি ও নিরাপত্তা বিঘ্নিত যাতে না হয় তার দিকে সজাগ দৃষ্টি সরকারের। সীমান্ত সুরক্ষার্থে সদা প্রস্তুত ভারতীয় সেনা, নৌবাহিনী ও বায়ুসেনা। সমুদ্র সীমান্তে প্রতিরক্ষার শক্তি বাড়াতে প্রথম থেকেই নজর দিয়েছে ভারতীয় নৌবাহিনী। সেই পথে হেঁটেই নতুন একটি দূরপাল্লার অ্যান্টি-শিপ ব্যালিস্টিক ক্ষেপণাস্ত্রের (Anti-Ship Ballistic Missile) পরীক্ষামূলক উৎক্ষেপণ করতে চলেছে ভারত (DRDO)।

    নয়া মিসাইলের ক্ষমতা

    এএনআই সূত্রের খবর, ওই দূরপাল্লার ব্যালিস্টিক ক্ষেপণাস্ত্রের পাল্লা হতে চলেছে ১ হাজার কিলোমিটারেরও বেশি। ওই ক্ষেপণাস্ত্র হাজার কিলোমিটার বা তারও বেশি দূরে থাকা এক জায়গায় ভাসমান বা চলন্ত কোনও যুদ্ধজাহাজ বা এয়ারক্র্যাফ্ট ক্যারিয়ারকে আঘাত হানতে সক্ষম। আগামী কয়েকদিনের মধ্যে ডিফেন্স রিসার্চ অ্যান্ড ডেভেলপমেন্ট অর্গানাইজেশন (DRDO)-এর তরফে ওই ব্যালিস্টিক ক্ষেপণাস্ত্রের পরীক্ষামূলক উৎক্ষেপণ করা হবে। এই অ্যান্টি-শিপ ব্যালিস্টিক মিসাইল যুদ্ধজাহাজ থেকে উৎক্ষেপণ করা যাবে, উপকূল থেকেও ছোড়া যাবে। দেশের পূর্ব উপকূলে এই ক্ষেপণাস্ত্র পরীক্ষা করা হবে।

    আরও পড়ুন: ভারত-মরিশাস সম্পর্ক আরও দৃঢ় হওয়ার আশা, বন্ধু রামগুলামকে জয়ের জন্য অভিনন্দন মোদির

    ব্যালিস্টিক মিসাইলের সংখ্যা বৃদ্ধি

    ভারতীয় নৌবাহিনীর জন্য তৈরি করা হয়েছে এই মিসাইল সিস্টেম। দূর পাল্লা থেকে শত্রুদের যুদ্ধজাহাজ ধ্বংস করার ক্ষমতা যাতে বাহিনীর হাতে থাকে, সেই কারণেই এমন পদক্ষেপ। ভারতের তিনদিকে রয়েছে জলসীমান্ত, সেই কারণেই নৌ প্রতিরক্ষাকে গুরুত্ব দেওয়া হচ্ছে।  পাকিস্তান ও চিনের কাছে ইতিমধ্যেই এই অস্ত্র রয়েছে। চিনেও এর বড় স্টোরেজ রয়েছে। কিছুদিন আগে পাকিস্তান তাদের দেশীয় ব্যালিস্টিক ক্ষেপণাস্ত্রের পরীক্ষাও করেছে। এই পরীক্ষার তথ্য দিয়ে পাকিস্তানি নৌবাহিনী বলেছিল যে এই ক্ষেপণাস্ত্রটি ৩৫০ কিলোমিটার দূরত্বে আঘাত হানতে সক্ষম এবং স্থল ও সমুদ্র উভয় দিক থেকেই এটি উৎক্ষেপণ করা যেতে পারে। তারই পাল্টা ভারতের এই ক্ষেপণাস্ত্র। ভাঁড়ারে ব্যালিস্টিক মিসাইলের সংখ্যা বৃদ্ধি করে যাচ্ছে ভারতের সব প্রতিরক্ষা বাহিনীই। ইতিমধ্যেই প্রলয় ব্যালিস্টিক ক্ষেপণাস্ত্র অর্ডার করেছে ভারতীয় সেনা ও ভারতীয় বিমানবাহিনী। দীর্ঘমেয়াদের যুদ্ধের দিকে তাকিয়ে তিন বাহিনীতেই ধীরে ধীরে ছোট ও মাঝারি পাল্লার ক্ষেপণাস্ত্রের ভাঁড়ার তৈরি করা হচ্ছে।

     

    দেশের খবর, দশের খবর, সব খবর, সবার আগে পেতে ফলো করুন আমাদের  Whatsapp, FacebookTwitter, Telegram এবং Google News পেজ।

  • Ballistic Missile Defence System: নয়া ব্যালিস্টিক মিসাইল সিস্টেমের সফল পরীক্ষা ভারতের, পাল্লা কত জানেন?

    Ballistic Missile Defence System: নয়া ব্যালিস্টিক মিসাইল সিস্টেমের সফল পরীক্ষা ভারতের, পাল্লা কত জানেন?

    মাধ্যম নিউজ ডেস্ক: ফের মিলল সাফল্য। সফল হল দ্বিতীয় পর্যায়ের ব্যালিস্টিক মিসাইল ডিফেন্স সিস্টেমের (Ballistic Missile Defence System) পরীক্ষামূলক উৎক্ষেপণ। ওড়িশা উপকূলের অদূরে বুধবার এই পরীক্ষা হয়েছে বলে বিবৃতিতে জানিয়েছে কেন্দ্র। দেশীয় প্রযুক্তিতে তৈরি ৫ হাজার কিলোমিটার পাল্লার এই ক্ষেপণাস্ত্রের পরীক্ষা করেছে ভারতীয় প্রতিরক্ষা গবেষণা ও উন্নয়ন সংস্থা, সংক্ষেপে ডিআরডিও (DRDO)।

    কী বললেন প্রতিরক্ষামন্ত্রী? (Ballistic Missile Defence System)

    সফল পরীক্ষার জন্য ডিআরডিওর বিজ্ঞানীদের শুভেচ্ছা জানিয়েছেন প্রতিরক্ষামন্ত্রী রাজনাথ সিং। তিনি বলেন, “এই সফল ফ্লাইট টেস্ট আরও একবার দেশের ব্যালিস্টিক মিসাইল ডিফেন্স ক্ষমতা প্রমাণ করল।” সরকারের তরফে জারি করা বিবৃতিতে বলা হয়েছে, বিকেল ৪টে ২০ মিনিটে একটি মিমিকিং অ্যাডভারসারি ব্যালিস্টিক মিসাইলকে টার্গেট মিসাইল বানিয়ে উৎক্ষেপণ করা হয়েছিল এলসি-৪ ধর্মা থেকে। স্থলে এবং সমুদ্রে থাকা ওয়েপন সিস্টেম রাডারগুলি সেগুলিকে চিহ্নিত করেছিল। 

    লঞ্চ হল ইন্টারসেপ্টর মিসাইল…

    বিবৃতিতে আরও বলা হয়েছে, শত্রুরূপী মিসাইলটি রেডারে আসতেই সঙ্গে সঙ্গেই স্বয়ংক্রিয়ভাবে অ্যাক্টিভেট হয়ে যায় এডি ইন্টারসেপ্টর সিস্টেম। ৪টে ২৪ মিনিটে ফেজ-২ এডি এনডো-অ্যাটমস্ফেরিক মিসাইলটি লঞ্চ হয়েছিল চাঁদিপুরের এলসি-৩ আরটিআর থেকে। এই ফ্লাইট টেস্ট সম্পূর্ণ নেটওয়ার্ক কেন্দ্রিক ওয়ারফেয়ার ওয়েপন সিস্টেমকে যাচাই করার সব ধাপগুলি সফলভাবে পেরিয়েছে। এই ওয়েপন সিস্টেমের মধ্যে রয়েছে লং রেঞ্জ সেন্সর, লো ল্যাটেন্সি কমিউনিকেশন সিস্টেম এবং এমসিসি ও অ্যাডভান্সড ইন্টারসেপ্টার মিসাইলগুলি।

    আরও পড়ুন: “আমাদের দেশকে দূষিত করছে খালিস্তানপন্থী জঙ্গিরা”, তোপ কানাডার সাংসদের

    ডিআরডিও সূত্রে খবর, শত্রুপক্ষের ক্ষেপণাস্ত্র হামলা প্রতিরোধে কার্যকরী হবে এই নয়া ব্যালিস্টিক ক্ষেপণাস্ত্র (Ballistic Missile Defence System)। ভারতীয় সেনার নয়া স্ট্র্যাটেজিক ফোর্স কমান্ডের তত্ত্বাবধানে আগেই প্রাথমিক পরীক্ষা হয়েছে এই মিসাইলের ব্যবহারিক কৌশল ও লক্ষ্যভেদের ক্ষমতা। এদিন হল দ্বিতীয় পর্যায়ের পরীক্ষা। সূত্রের খবর, নয়া এই মিসাইল ‘অগ্নি’ সিরিজের ব্যালিস্টিক ক্ষেপণাস্ত্র নয়।

    কেন্দ্রের তরফে জারি করা ওই বিবৃতিতে আরও বলা হয়েছে, মিসাইলটির পারফরমেন্স মনিটরিং করা হচ্ছিল ফ্লাইট ডেটা থেকে। এই ডেটা সংগ্রহ করেছিল রেঞ্জ ট্র্যাকিং যন্ত্র। জাহাজ-সহ বিভিন্ন জায়গায় (DRDO) রাখা হয়েছিল এই যন্ত্র। সেখান থেকেই মিলেছে যাবতীয় তথ্য (Ballistic Missile Defence System)।

     

    দেশের খবর, দশের খবর, সব খবর, সবার আগে পেতে ফলো করুন আমাদের  Whatsapp, FacebookTwitter, Telegram এবং Google News পেজ।

  • Junput: সেই তৃণমূলের ‘দাদাগিরি’, বন্ধ হয়ে গেল জুনপুটে ক্ষেপণাস্ত্র উৎক্ষেপণ কেন্দ্রের কাজও!

    Junput: সেই তৃণমূলের ‘দাদাগিরি’, বন্ধ হয়ে গেল জুনপুটে ক্ষেপণাস্ত্র উৎক্ষেপণ কেন্দ্রের কাজও!

    মাধ্যম নিউজ ডেস্ক: ফের তৃণমূলের দাদাগিরি। শাসক দলের শ্রমিক সংগঠনের বাধায় কার্যত কাজ বন্ধ হয়ে গেল পূর্ব মেদিনীপুরের জুনপুটে (Junput) ক্ষেপণাস্ত্র উৎক্ষেপণ কেন্দ্রের। এই ঘটনা নিয়ে চাঞ্চল্য ছড়িয়ে পড়েছে। তৃণমূলের এই দাপাদাপিতে বেজায় ক্ষুব্ধ বিজেপি। সরব হয়েছেন স্থানীয় সাংসদ।

    তৃণমূলের লোকজন গিয়ে বন্ধ করল কাজ (Junput)

    বুধবার থেকে ডিআরডিও-র (ডিফেন্স রিসার্চ অ্যান্ড ডেভেলপমেন্ট অর্গানাইজেশন)-র বিমান মহড়া হওয়ার কথা। সে জন্য প্রথম দফায় ১৯ জুলাই পর্যন্ত এবং দ্বিতীয় দফায় ২৪-২৬ জুলাই মৎস্যজীবীদের সমুদ্রে যেতে নিষেধ করা হয়েছিল। সেই সঙ্গে জুনপুটে (Junput) লঞ্চিং প্যাডের চারদিক টিন দিয়ে ঘেরা হচ্ছিল। কলকাতার এক ঠিকাদার সংস্থা কাজ করছিল। উৎক্ষেপণ কেন্দ্রের দক্ষিণ দিকে ঘেরাটোপ হয়েও গিয়েছে। তার পরেই ঝামেলা। অভিযোগ, ১০ জুলাই তৃণমূলের শ্রমিক সংগঠন আইএনটিটিইউসি-র রাজ্য সম্পাদক আমিন সোহেলের নেতৃত্বে মৎস্যজীবীরা গিয়ে ঠিকাদার সংস্থাকে কাজ বন্ধ রাখতে বলেন। ঠিকাদারের লোকজন এলাকা ছাড়েন। তারপর থেকে সেখানে নজরদারি চালাচ্ছেন বেসরকারি নিরাপত্তাকর্মীরা। জেলা পুলিশের একটি সূত্র মানছে, ডিআরডিও লঞ্চিং প্যাডের কাছে কিছু কাজ করবে বলে প্রথমে জানালেও পরে জানিয়েছে, আপাতত কাজ বন্ধ। কারণ জানানো হয়নি। জুনপুট মৎস্যখটির সভাপতি শেখ নজু এবং সহকারি সম্পাদক জাহেদ আলির বলেন, মৎস্যজীবীরা ঠিকাদার সংস্থার লোকেদের আলোচনায় বসার প্রস্তাব দিয়েছিলেন। তবে সমস্যা মেটেনি। তৃণমূল নেতা আমিন বলছেন, “অরাজনৈতিকভাবে কয়েকটি মৎস্যজীবী সংগঠন, পরিবেশপ্রেমী এবং বিজ্ঞান কর্মীরা ক্ষেপণাস্ত্র উৎক্ষেপণ কেন্দ্রের সমস্যা তুলে ধরে আন্দোলন করছেন। কাজ বন্ধ করার অভিযোগ ঠিক নয়।”

    আরও পড়ুন: পুলিশের নাকের ডগায় মাছের ভেড়িতে আত্মগোপনে সাদ্দাম, তিনদিন পর গ্রেফতার

    বিজেপি সাংসদ কী বললেন?

    কাঁথির বিজেপি সাংসদ সৌমেন্দু অধিকারী বলেন, “ডিআরডিও-র (DRDO) প্রকল্পের জন্য রাজ্য জমি দিয়েছে। তারপরেও কারা বাধা দিচ্ছে, তার তদন্ত হওয়া উচিত। ডিআরডিও দেশের সুরক্ষায় কাজ করে। এনআইএ তদন্ত চাইব।”

    প্রশাসনের আধিকারিকরা কী বললেন?

    সহ-মৎস্য অধিকর্তা (সামুদ্রিক) সুমনকুমার সাহাও বলেন, “ডিআরডিও নির্দেশিকা প্রত্যাহারের কথা জানায়নি। ৩ জুলাইয়ের নির্দেশিকা অনুযায়ী, ১৭-১৯ এবং ২৪-২৬ জুলাই সমুদ্রে মাছ ধরতে যাওয়ায় নিষেধাজ্ঞা রয়েছে।”কাঁথি ১-এর বিডিও অমিতাভ বিশ্বাস বলেন, “ডিআরডিও-র (DRDO) তরফে মৌখিকভাবে জানানো হয়েছে, সাময়িকভাবে তারা কাজ বন্ধ রাখছে।”

     

    দেশের খবর, দশের খবর, সব খবর, সবার আগে পেতে ফলো করুন আমাদের  Whatsapp, FacebookTwitter, Telegram এবং Google News পেজ।

  • Nishant Agarwal: পাকিস্তানের গুপ্তচর! ব্রহ্মস অ্যারোস্পেসের তরুণ ইঞ্জিনিয়ার নিশান্তের যাবজ্জীবন

    Nishant Agarwal: পাকিস্তানের গুপ্তচর! ব্রহ্মস অ্যারোস্পেসের তরুণ ইঞ্জিনিয়ার নিশান্তের যাবজ্জীবন

    মাধ্যম নিউজ ডেস্ক: দেশীয় প্রযুক্তিতে তৈরি ভারতের অন্যতম সেরা সুপারসনিক ক্রুজ ক্ষেপণাস্ত্র ব্রহ্মসের প্রাক্তন ইঞ্জিনিয়ার (Ex-Brahmos Engineer) নিশান্ত অগরওয়ালকে (Nishant Agarwal) যাবজ্জীবন কারাদণ্ড দিল আদালত। অভিযোগ, পাকিস্তানের গুপ্তচর সংস্থা আইএসআইয়ের হয়ে চরবৃত্তি করেছেন তিনি। সোমবার নাগপুরের জেলা আদালত নিশান্ত আগরওয়ালকে এই সাজা দেয়। পাশাপাশি, তাঁকে সরকারি গোপনীয়তা আইনে ১৪ বছরের কারাদণ্ড এবং ৩০০০ টাকা জরিমানাও করা হয়েছে।

    কী অভিযোগ

    ব্রহ্মস অ্যারোস্পেস প্রাইভেট লিমিডেটের মেধাবী কর্মী তথা কৃতি বিজ্ঞানী (Ex-Brahmos Engineer) ছিলেন নিশান্ত (Nishant Agarwal)। নাগপুরের ব্রহ্মস অ্যারোস্পেস প্রাইভেট লিমিডেটের প্রযুক্তি সংক্রান্ত গবেষণার অন্যতম বিজ্ঞানী ছিলেন তিনি। অভিযোগ, সেখানে চার বছর কাজ করার সময় গুপ্তচর বৃত্তিতে জরিয়ে পড়েন নিশান্ত। পাক গুপ্তচর সংস্থা আইএসআইকে গুরুত্বপূর্ণ তথ্য পাচারের অভিযোগ ওঠে তাঁর বিরুদ্ধে। নেহা শর্মা এবং পূজা রঞ্জন নামে দুটি ফেসবুক প্রোফাইলের সঙ্গে যোগাযোগ করেছিলেন নিশান্ত। তদন্তকারীরা জানতে পারেন, দুটিই ছিল ফেক প্রোফাইল। পিছনে ছিল পাকিস্তানি গোয়েন্দারা। ইসলামাবাদ থেকে আইএসআই এজেন্টরাই ওই প্রোফাইল দুটি চালাত। 

    আরও পড়ুন: এনডিএ জোট এগিয়ে ২৯২ আসনে, দিল্লির মসনদে ফের মোদি?

    কীভাবে টার্গেট নিশান্ত

    পুলিশ সূত্রে খবর, অনলাইনে কার সঙ্গে যোগাযোগ করছেন, সেই বিষয়ে উদাসীন ছিলেন নিশান্ত (Nishant Agarwal)। এর ফলেই তিনি আইএসআই-এর সহজ টার্গেট হন। ২০১৮ সালে উত্তরপ্রদেশ এবং মহারাষ্ট্র পুলিশের সন্ত্রাস দমন শাখা গ্রেফতার করে তাঁকে। নাগপুর দায়রা আদালতে বিচারক এম ভি দেশপাণ্ডে অপরাধমূলক ষড়যন্ত্রের দায়ে সোমবার দোষী সাব্যস্ত করে নিশান্ত আগরওয়ালকে। ডিফেন্স রিসার্চ অ্যান্ড ডেভেলপমেন্ট অর্গানাইজেশনের (Ex-Brahmos Engineer) সেরা তরুণ বিজ্ঞানীর পুরস্কার জিতেছিলেন নিশান্ত। তিনি এই কাজ করতে পারেন, তা তাঁর সহকর্মীরা ভাবতেই পারছেন না। সোমবার অতিরিক্ত দায়রা বিচারক এমভি দেশপাণ্ডে জানিয়েছেন, ফৌজদারি বিধির ২৩৫ ধারায় দোষী সাব্যস্ত করা হয়েছে নিশান্তকে। এ ছাড়াও তথ্যপ্রযুক্তি আইনেও দোষী সাব্যস্ত করা হয়েছে তাঁকে।

     

    দেশের খবর, দশের খবর, সব খবর, সবার আগে পেতে ফলো করুন আমাদের  Whatsapp, FacebookTwitter, Telegram এবং Google News পেজ।

  • BrahMos Missiles: আরও চাপে চিন! ফিলিপিন্সে পোঁছল ভারতের ব্রহ্মস ক্ষেপণাস্ত্র

    BrahMos Missiles: আরও চাপে চিন! ফিলিপিন্সে পোঁছল ভারতের ব্রহ্মস ক্ষেপণাস্ত্র

    মাধ্যম নিউজ ডেস্ক: কূটনৈতিক এবং সামরিক ক্ষেত্রে বড় পদক্ষেপ করল ভারত। চিনকে চাপে রাখতে ইতিমধ্যেই ফিলিপিন্সের সঙ্গে সামরিক চুক্তি স্বাক্ষরিত হয়েছিল। ওই চুক্তির আওতায় শুক্রবার সকালেই ফিলিপিন্সে প্রথম দফায় পৌঁছল ব্রহ্মস ক্ষেপণাস্ত্র (BrahMos Missiles)। ইতিমধ্যেই চিনকে নিশানায় রেখে লাদাখ ও অরুণাচলে প্রকৃত নিয়ন্ত্রণরেখা বরাবর ব্রহ্মস ক্ষেপণাস্ত্র বসিয়েছে ভারত। এবার এই জাহাজ বিধ্বংসী ক্ষেপণাস্ত্র চলে গেল ফিলিপিন্সের নৌ বাহিনীর হাতেও।

    সর্ববৃহৎ সামরিক রফতানি চুক্তি 

    ফিলিপিন্সের সঙ্গে এখনও পর্যন্ত সর্ববৃহৎ সামরিক রফতানি চুক্তি স্বাক্ষর করেছে ভারত (India-Philippines Relations)। শুক্রবার ভোরেই ফিলিপিন্সে পৌঁছে যায় ভারতের ব্রহ্মস ক্ষেপণাস্ত্র। ভারতীয় বায়ুসেনার (IAF C-17) বিমানে চাপিয়ে ফিলিপিন্সে ক্ষেপণাস্ত্র পাঠানো হয়। বৃহস্পতিবার রাতে নাগপুর থেকে রওনা দেয় বায়ুসেনার ওই বিমান। শুক্রবার ভোরে ফিলিপিন্সের রাজধানী ম্যানিলায় পৌঁছয়। এর সঙ্গে ছিল তিনটি সাধারণ বিমানও। যাতে ছিল অন্যান্য সামরিক সরঞ্জাম এবং ব্রহ্মস ক্ষেপণাস্ত্রের সহায়ক যন্ত্রাংশ।

    কেন ফিলিপিন্সে ব্রহ্মস

    ফিলিপিন্সের উপকূলীয় নিরাপত্তার কাজে ভারতে তৈরি ব্রহ্মস ক্ষেপণাস্ত্র ব্যবহৃত হবে। পশ্চিম ফিলিপিন্স সাগরে আধিপত্য নিয়ে চিনের সঙ্গে সংঘাত রয়েছে ফিলিপিন্সের। সেই আবহে ভারতের সঙ্গে ফিলিপিন্সের এই সামরিক চুক্তিতে চিনের উপর চাপ বাড়বে বলে মনে করছেন কূটনীতিকরা। ভারত ও রাশিয়ার মধ্যে যৌথ উদ্যোগে গঠিত ব্রহ্মস এরোস্পেস সংস্থায় তৈরি ব্রহ্মস ক্রুজ ক্ষেপণাস্ত্র শব্দের চেয়েও দ্রুতগামী। স্থলভূমির পাশাপাশি ডুবোজাহাজ, জাহাজ, যুদ্ধবিমান থেকে ছোড়া সম্ভব। এই ক্ষেপণাস্ত্রই এবার শোভা পাবে ফিলিপিন্সের নৌ বাহিনীর সমর সম্ভারে। 

    কবে হয়েছিল চুক্তি

    ২০২২ সালের জানুয়ারি মাসে ফিলিপিন্সের সঙ্গে সামরিক চুক্তির ঘোষণা করে ভারত। চুক্তি যদিও ২০২১ সালের ৩১ ডিসেম্বরই স্বাক্ষরিত হয়।  বিদেশে সামরিক সরঞ্জাম রফতানির ক্ষেত্রে ফিলিপিন্সের সঙ্গে এই চুক্তি অত্যন্ত গুরুত্বপূর্ণ। এই প্রথম অন্য দেশের সঙ্গে সামরিক সরঞ্জাম রফতানির এত বড় চুক্তি স্বাক্ষর করেছিল ভারত।  যা শুক্রবার বাস্তব রূপ পেল। মোট ২,৭০০ কোটি টাকার বিনিময়ে ভারতের সঙ্গে সামরিক চুক্তি স্বাক্ষর করেছে ফিলিপিন্স। ওই চুক্তির আওতায় ২৯০ কিলোমিটার পাল্লার ক্ষেপণাস্ত্র  প্রযুক্তি কিনছে তারা। ক্ষেপণাস্ত্রের তিনটি ব্যাটারিও তাদের বিক্রি করছে ভারত। গত বছর ফেব্রুয়ারি মাসে ফিলিপিন্স নৌসেনার ২১ সৈনিককে এ বিষয়ে প্রশিক্ষণও দেওয়া হয়।

     

    দেশের খবর, দশের খবর, সব খবর, সবার আগে পেতে ফলো করুন আমাদের  Whatsapp, FacebookTwitter, Telegram এবং Google News পেজ।

  • Ballistic Missile: সতর্ক থাকুক পাকিস্তান, চিন! ‘অগ্নি প্রাইম’ ক্ষেপণাস্ত্রের সফল উৎক্ষেপণ ভারতের

    Ballistic Missile: সতর্ক থাকুক পাকিস্তান, চিন! ‘অগ্নি প্রাইম’ ক্ষেপণাস্ত্রের সফল উৎক্ষেপণ ভারতের

    মাধ্যম নিউজ ডেস্ক: নতুন প্রজন্মের ব্যালিস্টিক ক্ষেপণাস্ত্র (Ballistic Missile) ‘অগ্নি প্রাইম’-এর (Agni-Prime) সফল পরীক্ষামূলক উৎক্ষেপণ করল ভারত। বৃহস্পতিবার ওড়িশা উপকূলে এপিজে আবদুল কালাম দ্বীপে অত্যাধুনিক ক্ষেপণাস্ত্র অগ্নি প্রাইমের সফল উৎক্ষেপণের কথা প্রতিরক্ষা মন্ত্রকের তরফে জানানো হয়েছে।

    প্রতিরক্ষা মন্ত্রকের বিবৃতি

    মন্ত্রকের বিবৃতি বলা হয়েছে, ক্ষেপণাস্ত্রের (Ballistic Missile) পরীক্ষার সময় সমস্ত কার্যকারিতা তথা উদ্দেশ্য সফল হয়েছে। সেনার স্ট্র্যাটেজিক ফোর্সেস কমান্ড (এসএফসি) এবং রাষ্ট্রায়ত্ত প্রতিরক্ষা গবেষণা ও উন্নয়ন সংস্থা (ডিআরডিও) যৌথভাবে অগ্নি প্রাইম ব্যালেস্টিক মিসাইলের পরীক্ষা চালিয়েছে। বুধবার বিকেল পাঁচটা নাগাদ ক্ষেপণাস্ত্রটিকৃ উৎক্ষেপণ করা হয়। চিফ অফ ডিফেন্স স্টাফ জেনারেল অনিল চৌহানের সামনেই এই উৎক্ষেপণ হয়। ছিলেন ডিআরডিও (DRDO) ও সেনার উচ্চপদস্থ আধিকারিকরাও। সফল পরীক্ষার জন্য ডিআরডিও, এসএফসি এবং সেনাকে অভিনন্দন জানান প্রতিরক্ষামন্ত্রী রাজনাথ সিং (Rajnath Singh)। তিনি বলেন, ক্ষেপণাস্ত্রের সফল উৎক্ষেপণে সেনা বাহিনীর শক্তি কয়েক গুণ বাড়ল। 

    অগ্নি প্রাইমের শক্তি

    অগ্নি প্রাইম মিসাইল (Ballistic Missile) হল অগ্নি সিরিজের নতুন প্রজন্মের ক্ষেপণাস্ত্র। এই ক্ষেপণাস্ত্রের ওজন ১১,০০০ কেজি। ক্ষেপণাস্ত্রটি ২০০০ কিলোমিটার দূরের যে কোনও লক্ষ্যবস্তুতে আঘাত করতে সক্ষম। ৩৪.৫ ফুট লম্বা ক্ষেপণাস্ত্রটিকে এক বা মাল্টিপল ইন্ডিপেন্ডেন্টলি টার্গেটেবল রিএন্ট্রি ভেহিক্যল (MIRV) ওয়ারহেডের সঙ্গে লাগানো যেতে পারে। এই ক্ষেপণাস্ত্র একসঙ্গে একাধিক লক্ষ্যবস্তুকে ধ্বংস করতে পারে।

    আরও পড়ুন: ‘দলের কোনও দিশা নেই, সনাতন ধর্ম বিরোধী’, ইস্তফা দিলেন কংগ্রেস মুখপাত্র গৌরব বল্লভ

    তাওয়াং এবং অরুণাচলে চিনের সঙ্গে সংঘাতের আবহেই এই ব্যালাস্টিক মিসাইলের সফল পরীক্ষা করল ভারত। দূরপাল্লার এই মিসাইসল প্রয়োজন পড়লে চিনের রাজধানী বেজিংয়েও আঘাত হানতে সক্ষম বলে জানা নিয়েছে। এই মিসাইলের সফল পরীক্ষার মধ্য দিয়ে পাকিস্তান ও চিনকে প্রচ্ছন্ন হুঁশিয়ারি বলে মত আন্তর্জাতিক বিশেষজ্ঞদের একাংশের। যদিও সরকারের তরফে জানানো হয়েছে, পূর্ব পরিকল্পনা অনুসারেই এই পরীক্ষা করা হয়েছে।

     

    দেশের খবর, দশের খবর, সব খবর, সবার আগে পেতে ফলো করুন আমাদের  Whatsapp, FacebookTwitter, Telegram এবং Google News পেজ।

LinkedIn
Share