Tag: ECI

ECI

  • Suvendu Adhikari: তাঁর ওপর নজর রাখছে সাদা পোশাকের পুলিশ! বিস্ফোরক দাবি শুভেন্দুর, কমিশকে দিলেন চিঠি

    Suvendu Adhikari: তাঁর ওপর নজর রাখছে সাদা পোশাকের পুলিশ! বিস্ফোরক দাবি শুভেন্দুর, কমিশকে দিলেন চিঠি

    মাধ্যম নিউজ ডেস্ক: ছাব্বিশের নির্বাচনে (Bengal Elections 2026) হাইভোল্টেজ কেন্দ্র ভবানীপুর (Bhabanipur Assembly Constituency)। তৃণমূল সুপ্রিমো মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়ের (Mamata Banerjee) বিরুদ্ধে ভবানীপুরে বিজেপির বাজি শুভেন্দু অধিকারী (Suvendu Adhikari)। দুই হেভিওয়েটের মুখোমুখি লড়াইয়ে (Suvendu vs Mamata) ভোট যত এগোচ্ছে, ততই রাজনৈতিক উত্তাপ বাড়ছে। শুভেন্দুর মনোনয়ন জমা দেওয়ার সময় কেন্দ্রীয় স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী অমিত শাহের (Amit Shah) উপস্থিতি এই প্রতিদ্বন্দ্বিতাকে আরও তীব্র করেছে।

    অভিযোগ ঘিরে নতুন বিতর্ক

    এই আবহেই নতুন করে বিতর্কের সূত্রপাত হয়েছে শুভেন্দু অধিকারীর তোলা এক গুরুতর অভিযোগকে কেন্দ্র করে। রবিবার তিনি ইমেলের মাধ্যমে মুখ্য নির্বাচন কমিশনার জ্ঞানেশ কুমারের (Gyanesh Kumar) কাছে লিখিত অভিযোগ জানান। তাঁর দাবি, ভবানীপুরে বাড়ি বাড়ি প্রচারের সময় সাদা পোশাকের পুলিশকর্মীরা তাঁকে অনুসরণ করছেন, তাঁর উপর নজরদারি চালাচ্ছেন। শুধু তাই নয়, যেসব সাধারণ ভোটার তাঁর সঙ্গে দেখা করছেন বা কথা বলছেন, তাঁদের নাম, ঠিকানা ও পরিচয় নথিভুক্ত করা হচ্ছে বলেও তিনি অভিযোগ করেছেন।

    ভোটারদের ভয় দেখানোর অভিযোগ

    শুভেন্দুর মতে, এই ধরনের পদক্ষেপের উদ্দেশ্য হতে পারে ভবিষ্যতে ওই ভোটারদের ভয় দেখানো। তাঁর বক্তব্য, “যাঁরা সাহস করে আমার সঙ্গে দেখা করছেন, তাঁদের চিহ্নিত করা হচ্ছে। এটি গণতান্ত্রিক প্রক্রিয়ার পরিপন্থী এবং ভোটারদের উপর পরোক্ষে চাপ সৃষ্টি করার কৌশল।” তিনি আরও অভিযোগ করেন, ভবানীপুরে গণতন্ত্র ক্ষতিগ্রস্ত হচ্ছে এবং কলকাতা পুলিশকে শাসকদল তাদের ‘নজরদারি বাহিনী’ হিসেবে ব্যবহার করছে। তাঁর দাবি, এই পরিস্থিতি অবাধ ও সুষ্ঠু নির্বাচনী প্রক্রিয়ার পথে বড় বাধা।

    সমাজমাধ্যমে সরব শুভেন্দু

    এই অভিযোগের সমর্থনে নিজের সমাজমাধ্যমেও একটি বিস্তারিত পোস্ট করেন শুভেন্দু অধিকারী। সেখানে তিনি লেখেন, “ভবানীপুরে আক্রান্ত গণতন্ত্র। কলকাতা পুলিশকে তৃণমূল ব্যক্তিগত নজরদারি বাহিনী হিসেবে বেপরোয়াভাবে ব্যবহার করছে।” তাঁর দাবি, শান্তিপূর্ণ প্রচারের সময় তাঁকে অনুসরণ করা হয়েছে এবং তাঁর সঙ্গে দেখা করা প্রতিটি ভোটারের তথ্য সংগ্রহ করা হয়েছে। এটি রাষ্ট্র-পৃষ্ঠপোষকতায় ভোটারদের ভয়ভীতি প্রদর্শন এবং অবাধ ও সুষ্ঠু নির্বাচনের পথে একটি বড় বাধা বলে দাবি ভবানীপুরের বিজেপি প্রার্থীর। যদিও এই সব কৌশল আর কাজ করবে না বলে দাবি শুভেন্দু অধিকারীর। তৃণমূলকে কটাক্ষ করে তিনি বলেন, “এই ধরনের কৌশল আর কাজ করবে না। রাজ্যে তাদের একচ্ছত্র আধিপত্যের দিন শেষের পথে। ভবানীপুরের ভোটাররা এর উপযুক্ত জবাব দেবেন।”

    ছবি প্রকাশ শুভেন্দুর, নজর কমিশনের দিকে

    উল্লেখযোগ্যভাবে, শুভেন্দু অধিকারী দু’জন ব্যক্তির ছবি প্রকাশ করেছেন, যাঁদের তিনি পুলিশকর্মী বলে দাবি করেছেন। তাঁদের নাম, পদ এবং সংশ্লিষ্ট থানার তথ্যও তিনি উল্লেখ করেছেন। যদিও এই ছবিগুলির সত্যতা স্বাধীনভাবে যাচাই করা হয়নি। এই অভিযোগ নিয়ে এখনও পর্যন্ত রাজ্য প্রশাসন বা কলকাতা পুলিশের পক্ষ থেকে কোনও আনুষ্ঠানিক প্রতিক্রিয়া মেলেনি। ফলে বিষয়টি নিয়ে রাজনৈতিক মহলে জল্পনা বাড়ছে। এখন নজর রয়েছে নির্বাচন কমিশন এই অভিযোগের প্রেক্ষিতে কী পদক্ষেপ গ্রহণ করে।

  • West Bengal Assembly Election: রাজ্যে বাড়ছে ভোটগ্রহণ কেন্দ্রের সংখ্যা, অনুমতি দিল নির্বাচন কমিশন

    West Bengal Assembly Election: রাজ্যে বাড়ছে ভোটগ্রহণ কেন্দ্রের সংখ্যা, অনুমতি দিল নির্বাচন কমিশন

    মাধ্যম নিউজ ডেস্ক: রাজ্যে বাড়ছে ভোটগ্রহণ কেন্দ্রের সংখ্যা। আরও ৪,৬৬০টি অতিরিক্ত বুথ (Auxiliary Polling Stations) তৈরির অনুমতি দিল নির্বাচন কমিশন। পশ্চিমবঙ্গ বিধানসভার (West Bengal Assembly Election) আসনসংখ্যা ২৯৪টি, বুথের সংখ্যা ৮০৬৮১। অতিরিক্ত বুথ তৈরি হয়ে গেলে সংখ্যাটা বেড়ে হবে ৮৫৩৭৯। কিছু বুথের স্থান পরিবর্তন হবে বলেও কমিশন সূত্রে খবর।

    অতিরিক্ত সহায়ক বুথ (West Bengal Assembly Election)

    জানা গিয়েছে, যেসব বুথে ভোটারের সংখ্যা ১২০০-এর বেশি, সেসব ক্ষেত্রে অতিরিক্ত সহায়ক বুথ তৈরির পরিকল্পনা রয়েছে। ৪৬৬০টি নতুন বুথ তৈরির অনুমতিও দিয়েছে কমিশন। ভোটদাতাদের সুবিধার্থে অন্যত্র সরানো হচ্ছে ৩২১টি বুথকে। ভোটকেন্দ্রের সংখ্যা বৃদ্ধি করার অনুমতি দিয়ে রাজ্যের মুখ্য নির্বাচনী আধিকারিকের দফতরে শুক্রবারই চিঠি দিয়েছে দিল্লির নির্বাচন কমিশন। বলা হয়েছে, নতুন বুথ তৈরির ক্ষেত্রে কমিশনের যে সব নিয়মকানুন রয়েছে, তা কঠোরভাবে মেনে চলতে হবে। ২০২০ সালের নিয়মাবলী মেনে চলার পরামর্শও দেওয়া হয়েছে। যেসব ভোটকেন্দ্রের ঠিকানা বদলাচ্ছে, সেখানে সংশ্লিষ্ট বুথের প্রত্যেক ভোটারকে এই পরিবর্তনের কথা ব্যক্তিগতভাবে জানাতে হবে কমিশনের আধিকারিকদের। কমিশনের নির্দেশ, একজনের ক্ষেত্রেও যেন এর অন্যথা না হয় (Auxiliary Polling Stations)।

    নির্বাচন কমিশনের নির্দেশ

    জাতীয় নির্বাচন কমিশনের নির্দেশ, অতিরিক্ত বুথ তৈরির কথা এবং বুথের ঠিকানা পরিবর্তন করার কথা সংশ্লিষ্ট এলাকায় ভালভাবে প্রচার করতে হবে। প্রত্যেক রাজনৈতিক দলকে লিখিতভাবে বুথ সংক্রান্ত নতুন তথ্য জানিয়ে দিতে হবে। সংশ্লিষ্ট আধিকারিকদেরও বিষয়টি সম্বন্ধে অবগত করতে হবে সিইও দফতরকে (West Bengal Assembly Election)। প্রসঙ্গত, ২৩ এবং ২৯ এপ্রিল দু’দফায় নির্বাচন হবে পশ্চিমবঙ্গের মোট ২৯৪টি বিধানসভা কেন্দ্রে। ভোটের ফল ঘোষণা হবে ৪ মে। কমিশন জানিয়েছে, রাজ্যে অবাধ, সুষ্ঠু নির্বাচন নিশ্চিত করতে তারা বদ্ধপরিকর। মুখ্য নির্বাচনী আধিকারিক মনোজকুমার আগরওয়াল শনিবার থেকেই জেলা সফর শুরু করছেন। ভোটের প্রস্তুতি এবং নিরাপত্তা ব্যবস্থা খতিয়ে দেখতে জেলায় জেলায় ঘুরবেন তিনি। মনে রাখতে হবে, ভোটের নিয়ম এবার আগের চেয়েও কঠোর। কোনও ভোটকেন্দ্রেই মোবাইল নিয়ে প্রবেশ করা যাবে না। থাকবে সিসি ক্যামেরার নজরদারি এবং ওয়েবকাস্টিংয়ের ব্যবস্থাও (West Bengal Assembly Election)।

     

  • Madras High Court: সংরক্ষিত আসনে অহিন্দুদের প্রার্থী বাতিলের দাবি, মাদ্রাজ হাইকোর্টে জনস্বার্থ মামলা দায়ের

    Madras High Court: সংরক্ষিত আসনে অহিন্দুদের প্রার্থী বাতিলের দাবি, মাদ্রাজ হাইকোর্টে জনস্বার্থ মামলা দায়ের

    মাধ্যম নিউজ ডেস্ক: তফশিলি জাতির (SC) জন্য সংরক্ষিত নির্বাচনী আসনগুলোতে প্রার্থী হওয়ার যোগ্যতা নিয়ে ভারতের বিচারব্যবস্থায় এক নতুন বিতর্কের সূত্রপাত হয়েছে। সম্প্রতি মাদ্রাজ হাইকোর্টে (Madras High Court) একটি আবেদন জমা পড়েছে, যেখানে দাবি করা হয়েছে যে, কেবল হিন্দু, শিখ এবং বৌদ্ধ ধর্মাবলম্বী তফশিলি জাতির ব্যক্তিরাই সংরক্ষিত আসনে প্রতিদ্বন্দ্বিতা করার যোগ্য বলে বিবেচনা করা হোক। ধর্মান্তরিত হওয়া কোন ব্যক্তিকে যেন এসসি হওয়ার সংরক্ষণ না মেলে সেই দিকের কথা ভেবে বিশেষ নির্দেশ দেওয়া হোক।

    হিন্দু ধর্মের অন্তর্গত পিছিয়ে পড়া মানুষের সংরক্ষণ (Madras High Court)

    জনস্বার্থ মামলায় (PIL) আবেদনকারী দাবি করেছেন যে, ভারতের সংবিধান অনুযায়ী তফশিলি জাতির বিশেষ সুবিধাগুলি মূলত হিন্দু ধর্মের অন্তর্গত পিছিয়ে পড়া শ্রেণির জন্য সংরক্ষিত। পরবর্তীতে শিখ এবং বৌদ্ধ ধর্মকেও এর আওতায় আনা হলেও, ইসলাম বা খ্রিস্টধর্মে ধর্মান্তরিত ব্যক্তিরা এই সুবিধা পাওয়ার অধিকারী নন।

    ধর্মান্তর ও সংরক্ষিত আসন

    আবেদনে (Madras High Court) অভিযোগ করা হয়েছে যে, অনেক ক্ষেত্রে তফশিলি জাতির ব্যক্তিরা অন্য ধর্মে বিশেষত খ্রিস্টধর্মে বা মুসলিম ধর্মে রূপান্তরিত হওয়ার পরেও কাগজে-কলমে তফশিলি পরিচয় বজায় রেখে সংরক্ষিত আসন থেকে নির্বাচন লড়ছেন। এটি প্রকৃত হিন্দু তফশিলি প্রার্থীদের অধিকার হরণ করছে বলে দাবি জানানো হয়েছে।

    আইনি যুক্তি

    আবেদনকারী ১৯৫০ সালের সংবিধান (তফশিলি জাতি) আদেশ-এর উল্লেখ করেছেন। ওই আদেশ অনুযায়ী, হিন্দু, শিখ বা বৌদ্ধ ধর্ম ছাড়া অন্য কোনও ধর্মাবলম্বী ব্যক্তিকে তফশিলি জাতির সদস্য হিসেবে গণ্য করা যাবে না। এই মামলাটি ভারতের জাতীয় রাজনীতিতে এবং সাংবিধানিক ব্যাখ্যায় অত্যন্ত গুরুত্বপূর্ণ। একদিকে ধর্মীয় স্বাধীনতার অধিকার (Madras High Court) এবং অন্যদিকে সংরক্ষিত শ্রেণির অধিকার রক্ষা—এই দুইয়ের ভারসাম্য নিয়ে আদালত কী অবস্থান নেয়, এখন সেটাই দেখার বিষয়। মামলাটি গৃহীত হলে এটি সংরক্ষিত আসনের নির্বাচনী সমীকরণে বড় পরিবর্তন আনতে পারে।

    আদালতের হস্তক্ষেপ প্রার্থনা

    মামলাটিতে নির্বাচন কমিশনকে (SC) নির্দেশ দেওয়ার আবেদন জানানো হয়েছে, যাতে তারা প্রার্থী বাছাইয়ের সময় বিষয়টি কঠোরভাবে যাচাই করে। অন্য ধর্মে বিশ্বাসী কেউ যাতে তফশিলি সংরক্ষিত আসনে মনোনয়ন দাখিল করতে না পারেন, তা নিশ্চিত করার দাবি জানানো হয়েছে।

  • Election Commission India: ভোট মিটলেও রাজ্যে থাকবে ৫০০ কোম্পানি বাহিনী, নির্বাচনোত্তর হিংসা রুখতে কড়া কমিশন

    Election Commission India: ভোট মিটলেও রাজ্যে থাকবে ৫০০ কোম্পানি বাহিনী, নির্বাচনোত্তর হিংসা রুখতে কড়া কমিশন

    মাধ্যম নিউজ ডেস্ক: পশ্চিমবঙ্গের নির্বাচনী (Election Commission India) ইতিহাসে এক নজিরবিহীন সিদ্ধান্ত গ্রহণ করল ভারতের নির্বাচন কমিশন। সাধারণত নির্বাচনের প্রক্রিয়া শেষ হলেই কেন্দ্রীয় বাহিনী রাজ্য ত্যাগ করে, কিন্তু বিগত বছরগুলোর তিক্ত অভিজ্ঞতা এবং কালিয়াচকের সাম্প্রতিক অশান্তির কথা মাথায় রেখে কমিশন (West Bengal Elections 2026) এবার বিশেষ সতর্কতামূলক ব্যবস্থা নিয়েছে। কমিশনের সিদ্ধান্ত অনুযায়ী, রাজ্যে ভোট গ্রহণ প্রক্রিয়া সম্পন্ন হওয়ার পরও অন্তত ৫০০ কোম্পানি কেন্দ্রীয় বাহিনী (CAPF) পশ্চিমবঙ্গে থেকে যাবে। ভোট-পরবর্তী হিংসা রুখতে এবং সাধারণ মানুষের নিরাপত্তা সুনিশ্চিত করতেই এই পদক্ষেপ।

    হিংসা দমনে জিরো টলারেন্স(Election Commission India)

    বিগত নির্বাচনগুলোতে (Election Commission India) ভোটের ফলাফল ঘোষণার পর রাজ্যের বিভিন্ন প্রান্তে যে অশান্তির চিত্র দেখা গিয়েছিল, তার পুনরাবৃত্তি রোধ করাই কমিশনের মূল লক্ষ্য। কমিশন স্পষ্ট করে দিয়েছে যে, ফল প্রকাশের পর কোনও ধরনের রাজনৈতিক প্রতিহিংসা বা গোলমাল বরদাস্ত করা হবে না।

    কালিয়াচককাণ্ডের প্রভাব

    মালদার কালিয়াচকে সরকারি আধিকারিকদের হেনস্থা ও আইন-শৃঙ্খলার অবনতি এই সিদ্ধান্ত গ্রহণের গতি ত্বরান্বিত করেছে। নিরাপত্তার পরিবেশ এতটাই অটুট রাখতে চায় কমিশন, যাতে ভোটার ও গণনার (West Bengal Elections 2026) কাজে নিযুক্ত কর্মীরা নির্ভয়ে থাকতে পারেন।

    রাজ্য প্রশাসনের সাথে সমন্বয়

    কেন্দ্রীয় বাহিনী মোতায়েন থাকলেও তারা স্থানীয় প্রশাসনের সাথে সমন্বয় রেখে কাজ করবে। তবে স্পর্শকাতর এলাকাগুলোতে টহলদারি এবং নজরদারির সম্পূর্ণ নিয়ন্ত্রণ থাকবে কেন্দ্রীয় বাহিনীর হাতেই। নির্বাচন কমিশনের এই পদক্ষেপ ইঙ্গিত দিচ্ছে যে, পশ্চিমবঙ্গকে ঘিরে তারা কোনও প্রকার ঝুঁকি নিতে নারাজ। ভোটের ফলাফল (West Bengal Elections 2026) পরবর্তী সময়কালকে শান্তিময় রাখতে এই অতিরিক্ত সুরক্ষা কবচ রাজ্যবাসীর মনে আত্মবিশ্বাস জোগাবে বলে মনে করা হচ্ছে।

  • Suvendu Adhikari: “সাম্প্রদায়িক উস্কানির পিছনে মমতা”, কালিয়াচকের ঘটনায় তীব্র ক্ষোভ শুভেন্দু অধিকারীর

    Suvendu Adhikari: “সাম্প্রদায়িক উস্কানির পিছনে মমতা”, কালিয়াচকের ঘটনায় তীব্র ক্ষোভ শুভেন্দু অধিকারীর

    মাধ্যম নিউজ ডেস্ক: মালদার কালিয়াচকে নির্বাচন কমিশনের (West Bengal Elections 2026) আধিকারিকদের ঘেরাও এবং হেনস্থার ঘটনায় সরব হয়েছেন রাজ্যের বিরোধী দলনেতা শুভেন্দু অধিকারী (Suvendu Adhikari)। এই ঘটনার জন্য তিনি সরাসরি মুখ্যমন্ত্রী মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়কে দায়ী করে তীব্র সমালোচনা করেছেন। রাজ্যে এসআইআর নিয়ে তৃণমূলের তরফে নির্বাচন কমিশনের বিরুদ্ধে আগেও উত্তেজক ভাষণ দিয়ে হিংসার বাতাবরণ তৈরি করেছে বলে অভিযোগ বিজেপির। অপর দিকে কালিয়াচকের ঘটনা অমিত মালব্যের শেয়ার করা ভিডিওতে দাবি করা হয়েছে যে, যখন বিচারবিভাগের আধিকারিকদের ঘেরাও করে রাখা হয়েছিল, তখন নেপথ্যে থেকে তৃণমূলের একজন মন্ত্রী ও স্থানীয় নেতৃত্ব ইন্ধন জোগাচ্ছিলেন। মালব্যের মতে, এটি কোনও স্বতঃস্ফূর্ত জনবিক্ষোভ ছিল না, বরং পরিকল্পিত ষড়যন্ত্র। অভিযুক্ত মন্ত্রীর নাম এবং ছবি প্রকাশ করেছেন একটি বার্তায়।

    উস্কানিমূলক বক্তব্যের অভিযোগ (Suvendu Adhikari)

    শুভেন্দু অধিকারীর (Suvendu Adhikari) দাবি, মুখ্যমন্ত্রী বিভিন্ন জনসভা থেকে একটি নির্দিষ্ট সম্প্রদায়ের মানুষকে প্ররোচিত করছেন। তাঁর মতে, মুখ্যমন্ত্রীর সেই সব বক্তব্যের কারণেই কালিয়াচকের মতো জায়গায় সরকারি আধিকারিকদের ওপর হামলা চালানোর সাহস পাচ্ছে দুষ্কৃতীরা।

    আইন-শৃঙ্খলার অবনতি

    বিরোধী দলনেতা (Suvendu Adhikari) অভিযোগ করেছেন যে, রাজ্যে আইন-শৃঙ্খলা পরিস্থিতি সম্পূর্ণ ভেঙে পড়েছে। তাঁর ভাষায়, “মুখ্যমন্ত্রী পুলিশকে ঠুঁটো জগন্নাথ করে রেখেছেন,” যার ফলে নির্বাচন কমিশনের কাজ পরিচালনা করা দুষ্কর হয়ে দাঁড়িয়েছে। কালিয়াচকের ঘটনার গুরুত্ব বিবেচনা করে এবং এর নেপথ্যে কোনও গভীর ষড়যন্ত্র রয়েছে কি না, তা খতিয়ে দেখতে তিনি ইতিমধ্যেই এনআইএ তদন্তের প্রয়োজনীয়তার কথা উল্লেখ করেছেন।

    নির্বাচন কমিশনকে বার্তা

    শুভেন্দু অধিকারী (Suvendu Adhikari) নির্বাচন কমিশনের কাছে দাবি জানিয়েছেন যেন রাজ্যে আরও কঠোরভাবে আদর্শ আচরণবিধি (Model Code of Conduct) প্রয়োগ করা হয় এবং কেন্দ্রীয় বাহিনীকে দিয়ে এলাকা দখলমুক্ত করা হয়। শুভেন্দু অধিকারী বলেন, “কালিয়াচকের ঘটনা কেবল একটি বিচ্ছিন্ন বিশৃঙ্খলা নয়, বরং এটি রাজনৈতিক মদতপুষ্ট একটি পরিকল্পিত বাধা। সাধারণ মানুষের নিরাপত্তা এবং নির্বাচনের স্বচ্ছতা বজায় রাখতে রাজ্যের বর্তমান প্রশাসনের ওপর ভরসা না করে কেন্দ্রীয় হস্তক্ষেপই একমাত্র পথ।” মালদার কালিয়াচকে নির্বাচন কমিশনের (West Bengal Elections 2026)  আধিকারিকদের পণবন্দি করে রাখার ঘটনায় তৃণমূল কংগ্রেসের একজন প্রভাবশালী মন্ত্রীর প্রত্যক্ষ ভূমিকা রয়েছে বলে চাঞ্চল্যকর দাবি করেছেন বিজেপি নেতা অমিত মালব্য। সোশ্যাল মিডিয়ায় একটি ভিডিও (যার সত্যতা যাচাই করেনি সংবাদমাধ্যম) পোস্ট করে তিনি রাজ্য সরকারকে কড়া ভাষায় আক্রমণ করেছেন।

    নির্বাচনী প্রক্রিয়ায় হস্তক্ষেপ

    বিজেপির পক্ষ থেকে অভিযোগ করা হয়েছে যে, ভোটার তালিকায় কারচুপি এবং বেআইনি ভোটারদের অন্তর্ভুক্তি নিশ্চিত করতেই আধিকারিকদের ওপর ভয় দেখানো ও মানসিক চাপ সৃষ্টির এই কৌশল নেওয়া হয়েছে। অমিত মালব্য প্রশ্ন তুলেছেন যে, যখন আধিকারিকদের কয়েক ঘণ্টা ধরে আটকে রাখা হল, তখন স্থানীয় পুলিশ ও প্রশাসন কেন নিষ্ক্রিয় ছিল? তাঁর মতে মন্ত্রীর নির্দেশ ছাড়া পুলিশের এই নীরবতা সম্ভব নয়।

    গণতন্ত্রের ওপর আঘাত

    এই ঘটনাকে গণতন্ত্রের লজ্জা হিসেবে অভিহিত করে বিজেপি দাবি করেছে যে, রাজ্যে অবাধ নির্বাচনের পরিবেশ নষ্ট করার জন্য শাসক দল পেশিশক্তি ব্যবহার করছে। কালিয়াচকের ঘটনাকে কেন্দ্র করে একদিকে যেমন নির্বাচন কমিশন প্রশাসনিক (West Bengal Elections 2026) স্তরে কড়াকড়ি শুরু করেছে, অন্যদিকে অমিত মালব্যের এই অভিযোগ রাজ্য রাজনীতিতে নতুন করে শোরগোল ফেলে দিয়েছে। শাসক দলের পক্ষ থেকে অবশ্য এই ভিডিওটিকে ‘বিভ্রান্তিকর’ এবং ‘ভিত্তিহীন’ বলে উড়িয়ে দেওয়া হয়েছে।

  • Kaliachak Incident: কালিয়াচক-কাণ্ড নিয়ে সরগরম লোকসভা! তৃণমূলকে নিশানা বিজেপি সাংসদ বাঁশরীর

    Kaliachak Incident: কালিয়াচক-কাণ্ড নিয়ে সরগরম লোকসভা! তৃণমূলকে নিশানা বিজেপি সাংসদ বাঁশরীর

    মাধ্যম নিউজ ডেস্ক: মালদার কালিয়াচকের ঘটনাকে কেন্দ্র করে তীব্র প্রতিক্রিয়া জানিয়েছে সুপ্রিম কোর্ট। রাজ্যের মুখ্যসচিব, ডিজিপি, মালদার পুলিশ সুপার এবং জেলা শাসক—সবার কাছেই শোকজ নোটিস পাঠানো হয়েছে। একই ঘটনায় ৭ জন বিচার বিভাগীয় আধিকারিককে ঘেরাও করে আটকে রাখার ঘটনায় তৃণমূল কংগ্রেসের তীব্র সমালোচনা করেছেন বিজেপি সাংসদ বাঁশরী স্বরাজ (Bansuri Swaraj)। তিনি ভারতীয় জনতা পার্টির পক্ষ থেকে বলেন, এসআইআর (Special Intensive Revision) কোনও রাজনৈতিক কর্মসূচি নয়, এটি একটি সাংবিধানিক প্রয়োজন।

    গণতন্ত্র পদদলিত

    লোকসভার জিরো আওয়ারে বিষয়টি উত্থাপন করে বাঁশরী দাবি করেন, এই ঘটনায় “গণতন্ত্রকে পদদলিত করা হয়েছে”। তাঁর অভিযোগ, তৃণমূল কংগ্রেসের সমর্থকেরা মালদায় বিচার বিভাগীয় কর্মকর্তাদের ঘণ্টার পর ঘণ্টা আটকে রাখে। বিশেষ করে মহিলা কর্মকর্তাদের আটকে রাখার তীব্র নিন্দা জানান বাঁশরী। তিনি এই বিষয়ে কেন্দ্রীয় সরকারের হস্তক্ষেপ দাবি করে বলেন, পশ্চিমবঙ্গে এমন নৈরাজ্য মেনে নেওয়া যায় না। সুপ্রিম কোর্টও এই বিষয়ে পশ্চিমবঙ্গ প্রশাসনের ভূমিকা নিয়ে তীব্র অসন্তোষ প্রকাশ করেছে। দেশের সর্বোচ্চ আদালত জানিয়েছে, দ্রুত এই ঘটনা নিয়ে একটি প্রাথমিক রিপোর্ট জমা দিতে হবে।

    রাজনৈতিক মেরুকরণ স্পষ্ট

    অন্যদিকে কমিশনকে একহাত নিয়ে সুপ্রিম কোর্টের বক্তব্য, জুডিশিয়াল আধিকারিকদের নিরাপত্তা কমিশনের দায়িত্ব। এজন্য যা যা পদক্ষেপ করা দরকার, তা কমিশনকে করতে হবে। কেন্দ্রীয় বাহিনী মোতায়েনেরও নির্দেশ দেওয়া হয়েছে কমিশনকে। শীর্ষ আদালতের বিচারপতিরা সরাসরি পর্যবেক্ষণে জানান, পশ্চিমবঙ্গের মতো এতটা ‘রাজনৈতিকভাবে মেরুকরণ’ আগে কখনও দেখেনি। সুপ্রিম কোর্টের এও পর্যবেক্ষণ, এ রাজ্যে এমন এক পরিস্থিতি তৈরি হয়েছে যেখানে প্রায় সব কিছুই রাজনৈতিক ভাষায় ব্যাখ্যা করা হচ্ছে, এমনকি আদালতের নির্দেশ পালন নিয়েও রাজনীতির ছাপ স্পষ্ট। বৃহস্পতিবার প্রধান বিচারপতি সূর্যকান্ত, বিচারপতি জয়মাল্য বাগচী এবং বিচারপতি বিপুল পঞ্চোলির বেঞ্চ এই ঘটনায় স্বতঃপ্রণোদিত মামলা রুজু করে শুনানি শুরু করে। কলকাতা হাইকোর্টের প্রধান বিচারপতির পাঠানো চিঠির ভিত্তিতেই সুপ্রিম কোর্ট বিষয়টি হাতে নেয়।

  • Kaliyachak Incident: পালানোর সময় বাগডোগরা বিমানবন্দরে গ্রেফতার কালিয়াচক-কাণ্ডের ‘মূলচক্রী’ মোফাক্কেরুল

    Kaliyachak Incident: পালানোর সময় বাগডোগরা বিমানবন্দরে গ্রেফতার কালিয়াচক-কাণ্ডের ‘মূলচক্রী’ মোফাক্কেরুল

    মাধ্যম নিউজ ডেস্ক: মালদার কালিয়াচকে (Kaliyachak Incident) অবরোধ-বিক্ষোভ এবং বিচারকদের আটকে রাখার ঘটনায় ‘মূলচক্রী’ মোফাক্কেরুল ইসলামকে গ্রেফতার করা হয়েছে। শুক্রবার সকালে এমনটাই জানিয়েছে নির্বাচন কমিশন। কমিশনের তরফে বলা হয়েছে, পেশায় আইনজীবী মোফাক্কেরুল (Mofakkarul Islam) পালানোর চেষ্টা করছিলেন। সেই সময় তাঁকে বাগডোগরা বিমানবন্দর থেকে গ্রেফতার করা হয়। ধৃতকে প্রথমে বাগডোগরা থানায় নিয়ে আসা হয়। শুক্রবার সকালে বেঙ্গালুরু যাওয়ার বিমানের টিকিট ছিল মোফাক্কেরুলের। গ্রেফতারের পরে সমাজমাধ্যমে লাইভ করেন তিনি। সেখানে দাবি করেন, ঘটনার সঙ্গে তিনি যুক্ত নন এবং কাউকে উস্কানিও দেননি। তাঁর দাবি, তিনি রাস্তা দিয়ে যাওয়ার সময় এসআই নিয়ে বিক্ষোভ-অবরোধ দেখে তাঁর বক্তব্য রেখেছিলেন। মোফাক্কেরুলের সঙ্গে আকরামুল বাগানি নামে আরও একজনকে গ্রেফতার করা হয়েছে।

    প্ররোচনামূলক পোস্ট মোফাক্কেরুলের

    সুপ্রিম কোর্টের নির্দেশে নির্বাচন কমিশন মোফাক্কেরুলের নামে বৃহস্পতিবারই গ্রেফতারি পরোয়ানা জারি করেছিল। তার পর থেকে পুলিশ তাঁকে বিভিন্ন জায়গায় খুঁজেছে। বৃহস্পতিবার মোফাক্কেরুলকে একাধিক বার ফোন করা হলেও তিনি ধরেননি। জবাব দেননি মোবাইল-বার্তারও। তবে শুক্রবার সকালে বাগডোগরা বিমানবন্দরে গ্রেফতার হওয়ার আগে সমাজমাধ্যমে একটি পোস্ট করে মোফাক্কেরুল লিখেছেন, ‘ভাল থাকুন আপনারা।’ গ্রেফতারির পর ফেসবুকে লাইভ ভিডিও পোস্ট তিনি বলেন, “নাম বাদ যাওয়া ভোটারদের প্রতিবাদে ছিলাম বলে বাগডোগরা বিমানবন্দর থেকে অ্যারেস্ট হলাম।” পরে অবশ্য ভিডিওটি মোফাক্কেরুলের সমাজমাধ্যম অ্যাকাউন্টে দেখা যায়নি।

    বেঙ্গালুরুতে পালানোর পরিকল্পনা

    উত্তরবঙ্গের এডিজি কে জয়রামন জানিয়েছেন, মালদার ঘটনায় এখনও পর্যন্ত ১৯টি মামলা দায়ের হয়েছে। গ্রেফতার হয়েছেন মোট ৩৫ জন। পুলিশের তরফে জানানো হয়েছে, মোফাক্কেরুলকে ‘মূল প্ররোচনাকারী’ হিসেবে গ্রেফতার করা হয়েছে। তাঁর বিরুদ্ধে কালিয়াচক থানায় তিনটি মামলা দায়ের হয়েছিল। জয়রামন জানান, মোফাক্কেরুলকে খুঁজে বার করতে সিআইডি-র সাহায্য চাওয়া হয়েছিল। শুক্রবার শিলিগুড়ি পুলিশ মোফাক্কেরুলকে গ্রেফতার করে। গ্রেফতার করে তাঁকে মালদা নিয়ে যাওয়া হচ্ছে। পুলিশ জানতে পেরেছে মালদা কাণ্ডের ‘মূলচক্রী’ বেঙ্গালুরুতে পালানোর পরিকল্পনা করেছিলেন।

    কে এই মোফাক্কেরুল

    ইটাহারের পোরসা হাটখোলার বাসিন্দা চল্লিশোর্ধ্ব মোফাক্কেরুল এক সময়ে রায়গঞ্জ জেলা আদালতের আইনজীবী ছিলেন। পরে কলকাতা হাইকোর্টেও মামলা করতেন। হাইকোর্টের কাছেই তাঁর চেম্বার। স্ত্রী-সন্তানদের নিয়ে কলকাতায় থাকেন। ২০২১ সালে বিধানসভা ভোটের আগে তিনি আসাদউদ্দিন ওয়েইসির দল এমআইএম (মিম)-এ যোগ দেন। প্রার্থীও হন। গত বিধানসভা নির্বাচনে ইটাহারের এমআইএম প্রার্থী হিসাবে মাত্র ৮৩১টি ভোট পেয়েছিলেন মোফাক্কেরুল। কিন্তু সমাজমাধ্যমে জনপ্রিয়তা রয়েছে তাঁর।

    মূলচক্রী মোফাক্কেরুল

    ভোটার তালিকা থেকে নাম বাদ পড়ার প্রতিবাদে বুধবার দফায় দফায় উত্তপ্ত হয়ে উঠেছিল মালদার মোথাবাড়ি, সুজাপুর-সহ বিভিন্ন এলাকা। এসআইআর-এর কাজে নিযুক্ত সাত জন বিচারককে কালিয়াচক-২ ব্লক অফিসের ভিতর রাত পর্যন্ত আটকে রাখে উত্তেজিত জনতা। বিকেল ৪টে থেকে রাত ১২টা পর্যন্ত আটকে থাকার পর পুলিশ গিয়ে তাঁদের উদ্ধার করে। বৃহস্পতিবার সকালে এসআইআর মামলার শুনানিতে সুপ্রিম কোর্ট কালিয়াচকের ঘটনার জন্য রাজ্য প্রশাসনকে ভর্ৎসনা করে। এনআইএ বা সিবিআই-এর মতো সংস্থাকে ওই ঘটনার তদন্তের দায়িত্ব দিতে বলা হয়। তদন্তকারী সংস্থাকে আদালতে প্রাথমিক রিপোর্ট জমা দিতেও বলা হয়। তার পরেই নির্বাচন কমিশন জরুরি বৈঠকে বসে প্রশাসনের শীর্ষ আধিকারিকদের নিয়ে। জ্ঞানেশের ভর্ৎসনার মুখে পড়েন পুলিশ আধিকারিকেরা। শেষপর্যন্ত মালদা কাণ্ডে এনআইএ-র হাতে তদন্তভার তুলে দেওয়ার সিদ্ধান্ত নেয় কমিশন। ইতিমধ্যেই,মালদা কাণ্ডের তদন্তে শুক্রবার সকালেই কলকাতায় এসেছেন জাতীয় তদন্তকারী সংস্থা এনআইএ-র (NIA) আইজি সনিয়া সিং। নির্বাচন কমিশন সূত্রে খবর, বুধবার বেশ কয়েক জন নেতা স্থানীয় মানুষদের প্ররোচিত করেছিলেন। তার পরেই উত্তেজিত জনতা ১২ নম্বর জাতীয় সড়ক অবরুদ্ধ করে দেয়। প্রাথমিক তদন্তে ঘটনার ‘মূলচক্রী’ হিসাবে মোফাক্কেরুলের নাম উঠে আসে।

    প্রশাসনকে হুমকি দেওয়ার অভিযোগ

    শুক্রবার সকালে বাগডোগরা বিমানবন্দর থেকে মোফাক্কেরুল ইসলামকে গ্রেফতার করা হয়। বুধবার রাত থেকেই ভাইরাল হয়ে কালিয়াচকের বিক্ষোভের একটি ছবি। সেখানে দেখা যায়, বিপুল জমায়েতের মাঝে গাড়ির উপর দাঁড়িয়ে কিছু বক্তব্য রাখছেন ওই ব্যক্তি। ঘটনার পর থেকেই তাঁকে খুঁজছিল পুলিশ। বাড়িতে গিয়েও তাঁর কোনও খোঁজ পাওয়া যায়নি। অবশেষে বিমানবন্দর থেকে গ্রেফতার করা হল তাঁকে। কালিয়াচকের ঘটনায় উত্তেজিত জনতাকে উস্কানি দেওয়ার অভিযোগ রয়েছে মোফাক্কেরুলের বিরুদ্ধে। উস্কানিমূলক মন্তব্য করার পাশাপাশি প্রশাসনকে হুমকি দেওয়ার অভিযোগও রয়েছে তাঁর বিরুদ্ধে।

    দেশের বিরুদ্ধে যুদ্ধ

    এই ঘটনায় বিজেপির দাবি, কেউ কেউ ভারতে বসেই দেশের ক্ষতি করছেন। বিজেপির মুখপাত্র দেবজিৎ সরকার বলেন, “যাঁরা এই ঘটনার পিছনে আছেন, যাঁরা কার্যত ভারত রাষ্ট্রের বিরুদ্ধে যুদ্ধ ঘোষণা করেছেন, যাঁরা জনবিন্যাস পরিবর্তন করার চেষ্টা করছেন, তাঁদের খুঁজে খুঁজে আইনের অধীনে আনতে হবে। ভারতে বসে ভারতের ক্ষতি করা হচ্ছে।” মোফাক্কেরুলের গ্রেফতারির পরে কেন্দ্রীয় মন্ত্রী তথা বালুরঘাটের বিজেপি সাংসদ সুকান্ত মজুমদার বলেছেন, ‘রাজ্যে পুলিশের সিআইডি শাখা নেপালে পালানোর সময় মোফাক্কেরুলকে গ্রেফতার করেছে। মোফাক্কেরুল আদতে কার হয়ে কাজ করে তা ভালো করে খতিয়ে দেখা উচিত। এই ইটাহারে তৃণমূলের সংখ্যালঘু মোর্চার প্রধানের সঙ্গে মোফাক্কেরুলের যোগাোগ রয়েছে। তাদের মধ্যে কী যোগসূত্র রয়েছে, কোনও পরিকল্পনা ছিল কি না, তা খতিয়ে দেখা দরকার।’

  • Election Commission: রাজ্য জুড়ে বেআইনি জমায়েতের উপর নিষেধাজ্ঞা, কালিয়াচক কাণ্ডের জেরে কঠোর অবস্থান কমিশনের

    Election Commission: রাজ্য জুড়ে বেআইনি জমায়েতের উপর নিষেধাজ্ঞা, কালিয়াচক কাণ্ডের জেরে কঠোর অবস্থান কমিশনের

    মাধ্যম নিউজ ডেস্ক: মালদা কালিয়াচকে ভোটার তালিকা সংশোধনী (SIR) প্রক্রিয়ার শুনানি চলাকালীন বিচারবিভাগীয় আধিকারিকদের দীর্ঘক্ষণ ঘেরাও করে রাখার ঘটনায় নির্বাচন কমিশন (Election Commission India) অত্যন্ত কঠোর মনোভাব গ্রহণ করেছে। এই নজিরবিহীন পরিস্থিতির পরিপ্রেক্ষিতে রাজ্যে অবাধ ও শান্তিপূর্ণ নির্বাচন সুনিশ্চিত করতে কমিশন বেশ কিছু গুরুত্বপূর্ণ নির্দেশিকা জারি করেছে।

    বেআইনি জমায়েতে নিষেধাজ্ঞা (Election Commission India)

    কালিয়াচকের ঘটনার পুনরাবৃত্তি রুখতে রাজ্যজুড়ে যে কোনও ধরনের বেআইনি জমায়েত বা উস্কানিমূলক বিক্ষোভের ওপর কড়া বিধিনিষেধ আরোপ করা হয়েছে। নির্বাচন কমিশন সূত্রে খবর, রাজ্য জুড়ে বেআইনি জমায়েতের উপর সম্পূর্ণ নিষেধাজ্ঞা জারি করা হয়েছে। অনুমতি ছাড়া কোনও মিছিল, সভা বা জমায়েত করা যাবে না। যদি কেউ এই নির্দেশ অমান্য করেন, তাহলে সঙ্গে সঙ্গেই তাঁকে গ্রেফতার করা হবে বলে জানানো হয়েছে। এমনকী মুখ্য নির্বাচনী আধিকারিকের দফতরে যাওয়ার ক্ষেত্রেও আগে থেকে অনুমতি নেওয়া বাধ্যতামূলক করা হয়েছে।

    স্টেটাস রিপোর্ট তলব কমিশনের

    নির্বাচন কমিশন (Election Commission India) স্পষ্ট জানিয়েছে যে, ভোট প্রক্রিয়ার সঙ্গে যুক্ত কোনও আধিকারিকের কাজে বাধা দিলে বা তাঁদের ওপর চাপ সৃষ্টি করলে তা কঠোর হাতে দমন করা হবে। পাশাপাশি, জামিন বা প্যারোলে জেলের বাইরে, ফৌজদারি মামলায় অভিযুক্ত বা যাঁদের অপরাধমূলক ইতিহাস রয়েছে এমন ব্যক্তিদের নিরাপত্তা প্রত্যাহার নিয়ে স্টেটাস রিপোর্ট চেয়েছে নির্বাচন কমিশন। একইসঙ্গে, জামিনঅযোগ্য মামলায় অভিযুক্ত ব্যক্তিদের (যাঁরা এখনও গ্রেফতার হননি) নিরাপত্তা প্রত্যাহারের পাশাপাশি আগামী ১০ দিনের মধ্যে তাঁদের গ্রেফতার করারও নির্দেশ দিয়েছে কমিশন।

    কেন্দ্রীয় বাহিনীর নজরদারি

    সুপ্রিম কোর্টের পর্যবেক্ষণ ও বর্তমান পরিস্থিতির গুরুত্ব বিবেচনা করে, স্পর্শকাতর এলাকাগুলোতে (SIR) এবং যেখানে ভোটার তালিকা সংশোধনের (Election Commission India) কাজ চলছে, সেখানে অতিরিক্ত কেন্দ্রীয় বাহিনী (CAPF) মোতায়েনের নির্দেশ দেওয়া হয়েছে। বুধবার রাতের মালদার কালিয়াচকের ঘটনার পর কড়া নির্দেশ দিয়েছে নির্বাচন কমিশন। জানা গিয়েছে, মুখ্য নির্বাচন কমিশনার জ্ঞানেশ কুমার জরুরি ভিত্তিতে যে ভিডিও কনফারেন্সের ডাক দিয়েছিলেন, সেখানে অন্যতম মূল প্রসঙ্গ ছিল মালদার কালিয়াচকের অশান্তি। এই বৈঠকেই আজ নির্বাচন কমিশন নির্দেশ দিয়েছে, ঘটনায় জড়িত প্রত্যেককে চিহ্নিত করে তাদের বিরুদ্ধে এফআইআর দায়ের করতে হবে। প্রত্যেককে গ্রেফতার করে আইনি ব্যবস্থা গ্রহণ করতে হবে। ঘটনাস্থলে যে এসপি অনেক দেরিতে পিছিয়েছেন, সেই বিষয়টিও নজরে রয়েছে কমিশনের। ইতি মধ্যে এসপি- জেলা শাসককে শোকজ করা হয়েছে। ইতিমধ্যে কালিয়াচকের ঘটনার গভীরতা ও ষড়যন্ত্রের দিকটি খতিয়ে দেখতে নির্বাচন কমিশন (SIR) এই মামলার তদন্তভার জাতীয় তদন্তকারী সংস্থা এনআইএ-এর হাতে তুলে দেওয়ার সিদ্ধান্ত নিয়েছে।

    প্রশাসনের তৎপরতা

    রাজ্যের মুখ্যসচিব ও ডিজিপিকে (DGP) তলব করে কমিশন (Election Commission India) আইন-শৃঙ্খলা পরিস্থিতি নিয়ে কড়া বার্তা দিয়েছে। ভবিষ্যতে এ ধরনের ঘটনা ঘটলে সংশ্লিষ্ট জেলা প্রশাসন ও পুলিশ আধিকারিকদের সরাসরি দায়ী করা হবে বলেও সতর্ক করা হয়েছে। বেশ কয়েকজনকে চিহ্নিত করে এফআইআর করা হয়েছে। অভিযুক্তদের তালিকায় রয়েছেন সান্তি রঞ্জন কুণ্ডু (ওয়ার্ড ৩২-এর কাউন্সিলর), সচিন সিং (ওয়ার্ড ৩৬-এর কাউন্সিলর), মহম্মদ ওয়াসিম, মইদুল, চন্দ্রকান্ত সিংহ এবং মহম্মদ রিজওয়ান আলি-সহ আরও বেশ কয়েকজন। তাঁদের বিরুদ্ধে ভারতীয় ন্যায় সংহিতার একাধিক ধারায় মামলা রুজু হয়েছে, যার মধ্যে অবৈধ জমায়েত, সরকারি কর্মীর কাজে বাধা এবং জনপথ অবরোধের মতো অভিযোগ রয়েছে।

    শূন্য সহনশীলতা

    নির্বাচন কমিশনের (Election Commission India) মূল লক্ষ্য হল ভীতিমুক্ত পরিবেশে ভোট পরিচালনা করা। কালিয়াচককাণ্ড (SIR) থেকে শিক্ষা নিয়ে তারা স্পষ্ট করে দিয়েছে যে, নির্বাচনী প্রক্রিয়ায় বিঘ্ন ঘটানোর যে কোনও প্রচেষ্টাকে ‘শূন্য সহনশীলতা’ (Zero Tolerance) নীতিতে দেখা হবে।

  • Kaliachak Incident: ‘রাজ্যে বিচার ব্যবস্থা আক্রান্ত, বাংলায় আইনের শাসন নেই’, কালিয়াচক-কাণ্ডে তৃণমূলকে তোপ বিজেপির

    Kaliachak Incident: ‘রাজ্যে বিচার ব্যবস্থা আক্রান্ত, বাংলায় আইনের শাসন নেই’, কালিয়াচক-কাণ্ডে তৃণমূলকে তোপ বিজেপির

    মাধ্যম নিউজ ডেস্ক: মালদার কালিয়াচকে (Kaliachak Incident) সাতজন বিচারপতির আটকে রাখার ঘটনা নিয়ে রাজ্য সরকারের বিরুদ্ধে তোপ দেগেছে বিজেপি (BJP)। দলের রাজ্য সভাপতি শমীক ভট্টাচার্য (Shamik Bhattacharya) বলেন, “তৃণমূলের (TMC) কারনে বাংলার মানুষ নয় দেশের মানুষ নজিরবিহীন ঘটনার সাক্ষী হয়েছেন। ১২ রাজ্যে এসআইআর চলছে। কেরলের মত অবিজেপি রাজ্যেও চলছে। কিন্তু যবে থেকে বাংলায় শুরু হয়েছে তখন থেকে তৃণমূল ধর্মীয় বিভাজন শুরু করেছে। যে রাজ্যে বিচার ব্যবস্থা আক্রান্ত হয়, সেই রাজ্যে আইনের শাসন থাকে না। আমরা দেখেছি হাইকোর্টের মহিলা বিচারপতির কাছে হুমকি এসেছে। বিচার ব্যবস্থার নিচুতলার কর্মীরা নিরাপত্তাহীনতায় ভুগছে।”

    পুরো ঘটনা পরিকল্পিত, চক্রান্ত

    দলের রাজ্য সভাপতি শমীক ভট্টাচার্যের দাবি, পুরো ঘটনা পরিকল্পিত। সাংবাদিক বৈঠকে শমীক বলেন, “কোনও স্থানীয় মানুষের জনরোষ নয়। এটা পরিকল্পিত। উত্তরবঙ্গকে দক্ষিণবঙ্গ থেকে বিচ্ছিন্ন করে দেওয়ার প্রয়াস চলছে।” এসআইআর প্রক্রিয়া কতটা জরুরি, তা বোঝাতে শমীক বলেন, “সীমান্তবর্তী এলাকার জনবিন্যাস বদলে যাচ্ছে। বিনাযুদ্ধে ভারত দখলের চক্রান্ত চলছে। মুর্শিদাবাদ, মালদাকে এপিসেন্টার হিসেবে ব্যবহার করা হচ্ছে। ছড়িয়ে দেওয়া হচ্ছে জাল নোট। সম্প্রতি লস্করের জঙ্গিদের গ্রেফতার করা হয়, যাঁরা পশ্চিমবঙ্গে থেকেছেন বলে স্বীকার করেছেন। কোভিডকালে জঙ্গিগোষ্ঠীগুলি কোচবিহারে মডিউল তৈরি করেছে। সেগুলো ছড়িয়ে দেওয়া হয়েছে পশ্চিমবঙ্গ-সহ ভারতের বিভিন্ন জায়গায়।” তৃণমূলের বিরুদ্ধে অনুপ্রবেশকারীদের সাহায্য করার অভিযোগ তুলে শমীক বলেন, “দেশের গোয়েন্দা সংস্থা বার বার রাজ্য গোয়েন্দা সংস্থাকে খবর পাঠিয়েছে যে কোচবিহার থেকে সন্ত্রাসবাদী মডিউল ছড়াচ্ছে। কিন্তু এখানকার সরকার কান দেয়নি। যেভাবে কিছু মানুষ সীমান্তের ওপার থেকে বলছেন, যে কোনও মুল্যে চিকেনস্ নেক-কে সরিয়ে দিয়ে আমরা এখান থেকে বাংলা এবং ভারতের উপর আক্রমণ নামিয়ে আনব, তার সামগ্রিক প্রতিফলন হয়েছে কালিয়াচকের ঘটনায়।”

    প্রগতিশীল মুসলিমরাও চিন্তা করুন

    সুপ্রিম কোর্ট এই ঘটনার পর পশ্চিমবঙ্গকে ‘পোলারাইজড’ বলে উল্লেখ করেছে। সেই পর্যবেক্ষণের কথা উল্লেখ করে শমীক বলেন, “হিন্দুদের সঙ্গে সঙ্গে প্রগতিশীল মুসলিমদেরও চিন্তা করার সময় এসেছে। ওপারে যা ঘটেছে, এপারেও তারই প্রতিফলন।” শমীক বলেন, “বাংলার সরকার বাবরদের সরকার, মৌলবাদিদের সরকার।” তিনি আরও বলেন, ‘‘বাঙালি মুসলিমদের সঙ্গে আমাদের কোনও বিরোধ নেই। হিন্দুদের সঙ্গে মুক্তমনা মুসলিম ভাইদেরও ভাবতে হবে তারা কাকে সমর্থন করবেন। মা কালিকে আজ অ্যারেস্ট করা হচ্ছে বাংলায়।’’ বিজেপি সভাপতির দাবি, এটা পরিকল্পিতভাবে রাজ্যে অশান্তি তৈরি করা হচ্ছে, যাতে কোনও বাহিনী এসে শান্তিরক্ষার স্বার্থে গুলি চালায়। আর তা থেকেই ছড়িয়ে পড়ে সাম্প্রদায়িক অশান্তি। পুরো প্রশাসনকে কাজে লাগিয়ে বিভাজনের রাজনীতি চালানো হচ্ছে বলে দাবি করেন শমীক। তিনি যোগ করেন, ‘‘বাংলার মানুষ ঠিক করে নিয়েছে বাংলাকে যদি ভারতের সঙ্গে রাখতে হয় তাহলে তৃণমূলকে সরাতে হবে। পৃথিবীর বিভিন্ন প্রান্তে থাকা বাংলা বলা মানুষ এই সরকারকে উৎখাত করতে চাইছে। পশ্চিমবঙ্গ ধর্মশালা নয়। যে কেউ, যখন খুশি এসে নাম তুলবে।’’

  • Kaliachak Incident: আজই রাজ্যে তদন্তকারী দল! কালিয়াচকের ঘটনায় এনআইএ-কে তদন্তভার দিল নির্বাচন কমিশন

    Kaliachak Incident: আজই রাজ্যে তদন্তকারী দল! কালিয়াচকের ঘটনায় এনআইএ-কে তদন্তভার দিল নির্বাচন কমিশন

    মাধ্যম নিউজ ডেস্ক: মালদার কালিয়াচকে (NIA Kaliachak Incident) বিচারবিভাগের আধিকারিকদের ঘেরাওয়ের ঘটনায় কঠোর পদক্ষেপ করল নির্বাচন কমিশন। সুপ্রিম কোর্টের নির্দেশ মেনে এই ঘটনার তদন্তভার দেওয়া হয়েছে এনআইএ-কে (National Investigation Agency)। ইতিমধ্যেই রাজ্যের মুখ্য নির্বাচনী আধিকারিককে এই সংক্রান্ত নির্দেশিকা পাঠিয়েছে জাতীয় নির্বাচন কমিশন। শুক্রবার এনআইএ-র একটি দল রাজ্যে আসার কথা।

    এনআইএ-র মাধ্যমে তদন্ত

    বুধবার রাতে ভোটার তালিকার নিবিড় সংশোধন (এসআইআর) চলাকালীন কালিয়াচকে (NIA Kaliachak Incident) তিন মহিলা-সহ সাতজন বিচারবিভাগীয় আধিকারিককে প্রায় ৯ ঘণ্টা ধরে ঘেরাও করে রাখা হয়। অভিযোগ, ভিড়ের মধ্যে এমন লোকজনও ছিলেন, যাদের নাম ভোটার তালিকা থেকে বাদ পড়েছে। তারা এসআইআর-এর বিরুদ্ধে প্রতিবাদ জানাচ্ছিলেন, বলে খবর। গভীর রাতে বিশাল পুলিশবাহিনী পৌঁছে আধিকারিকদের উদ্ধার করে। তবে উদ্ধার অভিযানের সময় তাদের গাড়িতে হামলার চেষ্টা এবং রাস্তা অবরোধের ঘটনাও ঘটে, যা পরিস্থিতিকে আরও উত্তপ্ত করে তোলে। এই ঘটনায় সুপ্রিম কোর্ট কড়া অবস্থান নেয়। এটি রাজ্যের আইনশৃঙ্খলার অবনতির স্পষ্ট প্রমাণ এবং গণতান্ত্রিক ব্যবস্থার জন্য বিপজ্জনক, বলে দাবি শীর্ষ আদালতের। সুপ্রিম কোর্ট কমিশনকে নির্দেশ দেয়, সিবিআই বা এনআইএ-র মতো স্বাধীন সংস্থার মাধ্যমে তদন্ত করাতে হবে। সেই অনুযায়ী এনআইএ তদন্ত শুরু করবে। এই ঘটনা বিচারকদের উপর ভয়ের প্রভাব ফেলবে বলে মামলার শুনানিতে জানান প্রধান বিচারপতি সূর্য কান্ত।

    এফআইআর দায়ের করার নির্দেশ

    এই ঘটনায় জাতীয় নির্বাচন কমিশন (Election Commission of India)-এর পক্ষ থেকেও কড়া বার্তা দেওয়া হয়েছে। মুখ্য নির্বাচন কমিশনার জ্ঞানেশ কুমার (Gyanesh Kumar) এই নিয়ে জরুরি বৈঠক করেন। ঘটনায় জড়িত সকলকে চিহ্নিত করে এফআইআর দায়ের করার নির্দেশ দেন তিনি। এই বৈঠকে উপস্থিত ছিলেন রাজ্যের সিইও মনোজ আগরওয়াল, রাজ্য পুলিশের ডিজি সিদ্ধনাথ গুপ্ত এবং মালদার পুলিশ সুপার অনুপম সিং। নিরাপত্তা দিতে ব্যর্থ হওয়ায় তাঁদের তীব্র ভর্ৎসনার মুখে পড়তে হয়। এছাড়া, বিচারবিভাগীয় আধিকারিকদের নিরাপত্তা নিশ্চিত করতে এবং প্রয়োজনে তাঁদের পরিবারের সুরক্ষার বিষয়টিও খতিয়ে দেখতে নির্বাচন কমিশনকে নির্দেশ দিয়েছে সুপ্রিম কোর্ট।

LinkedIn
Share