Tag: GDP Growth

GDP Growth

  • PM Modi: ‘অর্ধেক জল, অর্ধেক বাতাস—গ্লাস পুরো ভরা’, ১৩ বছর পরে এসআরসিসিতে নিজের পুরনো বার্তা স্মরণ মোদির

    PM Modi: ‘অর্ধেক জল, অর্ধেক বাতাস—গ্লাস পুরো ভরা’, ১৩ বছর পরে এসআরসিসিতে নিজের পুরনো বার্তা স্মরণ মোদির

    মাধ্যম নিউজ ডেস্ক: ১৩ বছর পর দিল্লি বিশ্ববিদ্যালয়ের শ্রীরাম কলেজ অফ কমার্সে (SRCC) ফিরে নিজের পুরনো ‘অর্ধেক ভরা গ্লাসে’র উদাহরণ স্মরণ করলেন প্রধানমন্ত্রী নরেন্দ্র মোদি (PM Modi)। শনিবার সন্ধ্যায় এসআরসিসির শতবর্ষ উদ্‌যাপন অনুষ্ঠানে বক্তব্য রাখতে গিয়ে ২০১৩ সালের সেই বক্তৃতার প্রসঙ্গ টেনে তিনি বলেন, নেতিবাচক পরিস্থিতির মধ্যেও তিনি বরাবর সম্ভাবনার দিকটি দেখেছেন। ২০১৩ সালের ফেব্রুয়ারিতে গুজরাটের মুখ্যমন্ত্রী থাকাকালীন ওই কলেজে বক্তৃতা দিয়েছিলেন মোদি। হাতে এক গ্লাস জল তুলে তিনি বলেছিলেন, আশাবাদীরা সেটিকে অর্ধেক ভরা এবং হতাশাবাদীরা অর্ধেক খালি বলবেন। কিন্তু তাঁর দৃষ্টিভঙ্গি ছিল আলাদা—গ্লাসটি অর্ধেক জলে এবং অর্ধেক বাতাসে পূর্ণ। শনিবার সেই প্রসঙ্গ ফের তুলে ধরে প্রধানমন্ত্রী বলেন, ‘‘আমি গ্লাসটিকে পুরো ভরা হিসেবে দেখি—অর্ধেক জল এবং অর্ধেক বাতাস।’’ তাঁর দাবি, ২০১৩ সালের সেই বক্তব্যের প্রভাব এখনও অনুভব করা যায়। সেই সময় বিজেপি বিরোধী আসনে ছিল এবং কেন্দ্রে ক্ষমতায় ছিল কংগ্রেস নেতৃত্বাধীন ইউপিএ সরকার। তা সত্ত্বেও তিনি ওই কলেজের মঞ্চকে রাজনৈতিক সমালোচনার জন্য ব্যবহার করেননি বলেও জানান। তাঁর কথায়, যা বলেছিলেন, তা বিশ্বাস থেকেই বলেছিলেন এবং পরবর্তী সময়ে সেই পথেই এগিয়েছেন।

    উন্নয়নের গতি এখন অনেক বেশি’ (PM Modi)

    শনিবারের বক্তৃতার বড় অংশ জুড়ে ছিল ২০১৩ সালের ভারত এবং বর্তমান ভারতের তুলনা। পাশাপাশি ২০৪৭ সালের মধ্যে ‘বিকশিত ভারত’ গড়ার লক্ষ্যের কথাও তুলে ধরেন প্রধানমন্ত্রী। ২০৪৭ সালে স্বাধীনতার ১০০ বছর পূর্ণ করবে ভারত।

    ২০১৩ সালের পরিস্থিতির কথা বলতে গিয়ে প্রধানমন্ত্রী বলেন, সেই সময় সংবাদপত্রের শিরোনামে থাকত সীমান্তে সেনা নিহত হওয়া, ১০ শতাংশের কাছাকাছি মূল্যবৃদ্ধি এবং দুর্নীতির মতো বিষয়। দেশের সর্বত্র ‘পলিসি প্যারালাইসিসে’র আলোচনা ছিল এবং ভারতকে বিশ্বের ‘ফ্র্যাজাইল ফাইভ’ অর্থনীতির তালিকায় রাখা হয়েছিল বলেও উল্লেখ করেন তিনি।

    এর বিপরীতে বর্তমান ভারতের অর্থনৈতিক পরিস্থিতির কথা তুলে ধরে প্রধানমন্ত্রী বলেন, ‘‘কয়েক দিন আগেই প্রথম ত্রৈমাসিকের জিডিপির পরিসংখ্যান প্রকাশিত হয়েছে। বিশ্ব যখন সংকটের মধ্যে রয়েছে, সেই সময় এই পরিসংখ্যান ভারতের শক্তি স্পষ্ট করে।’’

    তাঁর দাবি, যারা ভারতকে ‘ফ্র্যাজাইল ফাইভে’র মধ্যে দেখতে চেয়েছিলেন, তাঁরা বর্তমান পরিসংখ্যান মেনে নিতে পারছেন না। গাড়ি বিক্রি, নির্মাণ, উৎপাদন এবং শিল্পক্ষেত্রের কার্যকলাপ বৃদ্ধির কথাও তুলে ধরেন তিনি। মোদির বক্তব্য, ভারত শুধু বাড়ছে না, দ্রুত গতিতেও এগিয়ে চলেছে।

    তবে প্রথম ত্রৈমাসিকে ৭.৮ শতাংশ জিডিপি বৃদ্ধির পরিসংখ্যান নিয়ে ইতিমধ্যেই কয়েকজন অর্থনীতিবিদ এবং বিরোধী নেতারা প্রশ্ন তুলেছেন। তাঁদের সরাসরি নাম না করে প্রধানমন্ত্রী তাঁদের ‘নাখোশ ফুফাজি’ বা সবকিছুর মধ্যে নেতিবাচক দিক দেখতে অভ্যস্ত মানুষ হিসেবে কটাক্ষ করেন (PM Modi)।

    সন্ত্রাসবাদ নিয়েও বার্তা

    দেশের নিরাপত্তা প্রসঙ্গে প্রধানমন্ত্রী বলেন, ‘‘এখন সন্ত্রাসবাদ শেষ পর্যায়ে। তারা যদি সাহস দেখায়, তাহলে সেনাবাহিনী ভিতরে ঢুকে তাদের শেষ করে দেয়।’’ সীমান্তের ওপারে সন্ত্রাসবাদী পরিকাঠামোর বিরুদ্ধে ‘অপারেশন সিঁদুরে’র প্রসঙ্গও উঠে আসে তাঁর বক্তব্যে।

    বিরোধীদের কটাক্ষ

    মোদির বক্তব্য নিয়ে কংগ্রেসের তরফেও তীব্র প্রতিক্রিয়া এসেছে। কংগ্রেস সাংসদ তথা মুখপাত্র পবন খেরা এক্স-এ লেখেন, বক্তৃতাটি এতটাই বিরক্তিকর ছিল যে ‘‘পেঁয়াজও কেঁদে ফেলত’’।

    কংগ্রেস নেতা কানহাইয়া কুমারের অভিযোগ, প্রধানমন্ত্রী তাঁর বক্তৃতায় শুধু ২০১৩ এবং ২০৪৭ সালের কথা বলেছেন। কিন্তু ছাত্রছাত্রী এবং সাধারণ মানুষের বর্তমান সমস্যাগুলি নিয়ে কথা বলেননি।

    ১৩ বছর পর বদলে যাওয়া রাজনৈতিক প্রেক্ষাপটে এসআরসিসিতে মোদি

    ২০১৩ সালে এসআরসিসিতে মোদি এসেছিলেন গুজরাটের মুখ্যমন্ত্রী হিসেবে। তখন গুজরাটে তাঁর চতুর্থ দফার মুখ্যমন্ত্রিত্বের কয়েক সপ্তাহ কেটেছে এবং জাতীয় রাজনীতিতে বিজেপির প্রধানমন্ত্রী পদপ্রার্থী হিসেবে তাঁর নাম আনুষ্ঠানিকভাবে ঘোষণা করা হয়নি। সেই সময় গুজরাটের মুখ্যমন্ত্রী হিসেবে তাঁর ১২ বছর পূর্ণ হয়েছিল।

    ১৩ বছর পর শনিবার তিনি সেই এসআরসিসিতে ফিরলেন টানা তৃতীয়বারের প্রধানমন্ত্রী হিসেবে। ২০১৪ সাল থেকে প্রধানমন্ত্রী পদে রয়েছেন তিনি। আগামী মাসে গুজরাট ও কেন্দ্র—দুই পর্যায়ের দায়িত্ব মিলিয়ে সরকারপ্রধান হিসেবে তাঁর ২৫ বছর পূর্ণ হবে (PM Modi)।

    ২০১৩ সালের এসআরসিসি বক্তৃতার বিষয় ছিল ‘এমার্জিং বিজনেস মডেলস ইন দ্য গ্লোবাল সিনারিও (Emerging Business Models in the Global Scenario)’। তবে সেই বক্তৃতা শুধু ব্যবসা-বাণিজ্য নিয়ে সীমাবদ্ধ ছিল না। তরুণ ভোটারদের উদ্দেশে সেটি কার্যত একটি শাসন-ভাবনার ঘোষণাপত্র হয়ে উঠেছিল।

    তখন মোদি বলেছিলেন, সমাজের একটি অংশ, বিশেষ করে রাজনৈতিক মহলের অনেকে দেশের যুবসমাজকে শুধু ‘নতুন প্রজন্মের ভোটার’ হিসেবে দেখেন। তাঁর লক্ষ্য ছিল ভারতকে বোঝানো যে দেশের যুবসমাজ আসলে ‘নতুন যুগের শক্তি’।

    ঘটনাচক্রে শনিবার ছিল শিক্ষক দিবস। এদিনই ওই কলেজে বক্তৃতা দেন প্রধানমন্ত্রী। ২০১৩ সালে গুজরাটের একটি শিক্ষা প্রতিষ্ঠানের প্রসঙ্গ টেনে মোদি বলেছিলেন, কোনও ব্যবসায়ী বিদেশে পণ্য রফতানি করতে গেলে ডলার ও পাউন্ড নিয়ে আসেন। কিন্তু একজন শিক্ষক বিদেশে গেলে তিনি একটি গোটা প্রজন্মকে গড়ে তোলেন।

    এর আগে (SRCC) এপ্রিল মাসে নিজের বাসভবনে এসআরসিসির পরিচালন পর্ষদের সদস্যদের সঙ্গে দেখা করেছিলেন প্রধানমন্ত্রী। শতবর্ষ উপলক্ষে (PM Modi) একটি স্মারক ডাকটিকিটও প্রকাশ করেছিলেন তিনি।

     

  • PM Modi on GDP: ৭.৮% জিডিপি বৃদ্ধি, উচ্ছ্বসিত প্রধানমন্ত্রী! ‘স্বদেশি’ পণ্যে জোর দেওয়ার আহ্বান, সোশ্যাল মিডিয়ায় কী লিখলেন মোদি?

    PM Modi on GDP: ৭.৮% জিডিপি বৃদ্ধি, উচ্ছ্বসিত প্রধানমন্ত্রী! ‘স্বদেশি’ পণ্যে জোর দেওয়ার আহ্বান, সোশ্যাল মিডিয়ায় কী লিখলেন মোদি?

    মাধ্যম নিউজ ডেস্ক: ভারতের অর্থনীতির ৭.৮ শতাংশ বৃদ্ধিকে দেশের মানুষের সম্মিলিত শক্তি ও কঠোর পরিশ্রমের প্রতিফলন বলে প্রশংসা করলেন প্রধানমন্ত্রী নরেন্দ্র মোদি। একইসঙ্গে দেশবাসীকে ‘স্বদেশি’ ও ‘ভোকাল ফর লোকাল’-এর প্রচার আরও জোরদার করার আহ্বান জানালেন তিনি। অপ্রয়োজনীয় বিদেশি খরচ, বিশেষ করে অবকাশযাপন, বিদেশে ডেস্টিনেশন ওয়েডিং এবং প্রয়োজন না থাকলে সোনা কেনার মতো ব্যয় কমানোর বার্তাও দিয়েছেন প্রধানমন্ত্রী। মঙ্গলবার একটি ভিডিও বার্তায় প্রধানমন্ত্রী বলেন, বিশ্বজুড়ে যুদ্ধ, নানা সংকট এবং সরবরাহ ব্যবস্থা ব্যাহত হওয়ার মতো কঠিন পরিস্থিতির মধ্যেও ভারত দ্রুত গতিতে এগিয়ে চলেছে। তাঁর মতে, এই সাফল্য কোনও একজনের নয়, বরং দেশের সাধারণ মানুষের সংকল্প ও পরিশ্রমের ফল।

    সম্মিলিত শক্তির প্রতিফলন

    ৭.৮ শতাংশ বৃদ্ধির প্রসঙ্গে মোদি বলেন, “দেশের মানুষকে অনেক অভিনন্দন। ৭.৮ শতাংশ বৃদ্ধি। দেশ আনন্দে ভরে উঠেছে। তবে দেশের মানুষের সংকল্প ও কঠোর পরিশ্রমের জন্য তাঁদের অভিনন্দন জানাই। এটি সম্মিলিত শক্তির প্রতিফলন।” বিশ্ব অর্থনীতির অনিশ্চয়তার কথাও তুলে ধরেন প্রধানমন্ত্রী। তিনি বলেন, কোভিড-১৯ অতিমারির সময় থেকে এখনও পর্যন্ত বিশ্বে স্থিতিশীলতা পুরোপুরি ফিরে আসেনি। বিভিন্ন প্রান্তে যুদ্ধের খবর আসছে, বিশ্ব একাধিক সংকটের মধ্যে রয়েছে এবং সরবরাহ ব্যবস্থা ব্যাপকভাবে ব্যাহত হয়েছে। মোদি বলেন, “২০২০ সালে কোভিডের সময় থেকে আজ পর্যন্ত কোথাও স্থিতিশীলতা দেখা যাচ্ছে না। বিশ্ব যুদ্ধের মধ্যে রয়েছে, চারদিকে সংকট। সরবরাহ শৃঙ্খল সম্পূর্ণভাবে ব্যাহত। তা সত্ত্বেও ভারত দ্রুত গতিতে এগিয়ে চলেছে।”

    ভোকাল ফর লোকাল

    বিশ্ব অর্থনীতির টালমাটাল অবস্থা। আমেরিকা ও ইরান যুদ্ধের প্রভাব পড়ছে বিশ্ব বাজারে। তখন সাফল্যের সিঁড়ি বেয়ে উপরে উঠছে ভারতীয় অর্থনীতি। রিজার্ভ ব্যাঙ্ক অব ইন্ডিয়ার পূর্বাভাসকে ছাপিয়ে গিয়েছে ২০২৬-২৭ অর্থবর্ষের প্রথম ত্রৈমাসিকে ভারতের প্রকৃত জিডিপি GDP) বৃদ্ধির হার ৭.৮ শতাংশ। ভারতের অর্থনীতির এই সাফল্যের পর সোশ্যাল মিডিয়ায় বড় বার্তা দিলেন প্রধানমন্ত্রী নরেন্দ্র মোদি। দেশের অর্থনীতিকে আরও শক্তিশালী করতে সাধারণ মানুষকে দেশীয় পণ্য ও পরিষেবাকে অগ্রাধিকার দেওয়ার আহ্বান জানান প্রধানমন্ত্রী। তাঁর বার্তা, প্রয়োজনীয় খরচের পাশাপাশি দেশের অর্থনীতিতে বেশি অর্থপ্রবাহ নিশ্চিত করতে অপ্রয়োজনীয় বিদেশি ব্যয় কমিয়ে ‘স্বদেশি’ ও ‘ভোকাল ফর লোকাল’-কে আরও জোরদার করা প্রয়োজন।

    মেড ইন ইন্ডিয়া

    ভবিষ্যতেও এই সাফল্যের ধারা বজায় রাখার আহ্বান জানিয়ে মোদি বলেন, ভারতকে পুরোপুরি ‘আত্মনির্ভর’ হতে হবে এবং ‘স্বদেশী’ মন্ত্র মেনে কাজ করতে হবে। তিনি দেশবাসীকে অনুরোধ জানান, যেন তারা বিদেশে গিয়ে ধুমধাম করে বিয়ে করার সিদ্ধান্ত বা অপ্রয়োজনীয় বিদেশ ভ্রমণ বদলে ‘মেড ইন ইন্ডিয়া’ মন্ত্রকে জীবনে আপন করে নেন। একই সঙ্গে প্রয়োজন ছাড়া সোনা কেনা বন্ধ করার পরামর্শও দেন তিনি। প্রধানমন্ত্রী বিশ্বাস করেন, আমরা যত বেশি দেশি পণ্যের ওপর নির্ভরশীল হব, স্বাধীনতার ১০০ বছরে পৌঁছে দেশের যুবসমাজকে তত সুন্দর এক নতুন ভারত উপহার দিতে পারব।

    ভারত আবারও বিকশিত হল

    ২০২৬-২৭ অর্থবর্ষের প্রথম ত্রৈমাসিকে (এপ্রিল-জুন) ভারতের প্রকৃত GDP (মোট অভ্যন্তরীণ উৎপাদন) বৃদ্ধির হার দাঁড়িয়েছে ৭.৮ শতাংশ। সোমবার কেন্দ্রীয় পরিসংখ্যান ও কর্মসূচি বাস্তবায়ন মন্ত্রক এই তথ্য প্রকাশ করেছে। এই তথ্য সামনে আসার পরই এক্স হ্যান্ডলে প্রধানমন্ত্রী লেখেন, “২০২৬-২৭ অর্থবর্ষের প্রথম ত্রৈমাসিকে ভারতের ৭.৮ শতাংশের অসাধারণ জিডিপি বৃদ্ধি নিঃসন্দেহে এক বিরাট সাফল্য। বিশ্বজুড়ে অনিশ্চয়তার মধ্যে তেলের দামের ধাক্কা এবং সরবরাহ ব্যবস্থার নানা সমস্যার মধ্যেও দেশের মানুষের সম্মিলিত শক্তিই ভারতকে এই প্রবৃদ্ধি অর্জনে সাহায্য করেছে।” এরপরই ভারতীয় অর্থনীতির সমালোচকদের নিশানা করে মোদি লেখেন, “হতাশাবাদীদের ভবিষ্যদ্বাণী মুখ থুবড়ে পড়ল, ভারত আবারও বিকশিত হল।” প্রধানমন্ত্রী বুঝিয়ে দিলেন, যাঁরা ভারতের অর্থনীতি নিয়ে হতাশার ভবিষ্যদ্বাণী করেছিলেন, তাঁদের সেই আশঙ্কা ভুল প্রমাণিত হয়েছে।

    আরবিআই-এর পূর্বাভাস

    প্রসঙ্গত, কেন্দ্রীয় পরিসংখ্যান ও কর্মসূচি বাস্তবায়ন মন্ত্রকের প্রকাশিত তথ্য অনুযায়ী, গত অর্থবর্ষের একই ত্রৈমাসিকে জিডিপি (GDP) বৃদ্ধির হার ছিল ৬.৯ শতাংশ। চলতি অর্থবর্ষের প্রথম ত্রৈমাসিকে সেটাই হয়েছে ৭.৮ শতাংশ। চলতি অর্থবর্ষের প্রথম ত্রৈমাসিকে ভারতের প্রকৃত জিডিপি (GDP)-র পরিমাণ দাঁড়িয়েছে ৮১.৩৬ লক্ষ কোটি টাকা। গত অর্থবর্ষের প্রথম ত্রৈমাসিকে এই পরিমাণ ছিল ৭৫.৪৬ লক্ষ কোটি টাকা। জিডিপি বৃদ্ধির এই হার রিজার্ভ ব্যাঙ্ক অব ইন্ডিয়ার (RBI) ৭ শতাংশ পূর্বাভাসকেও ছাপিয়ে গিয়েছে। জুনে শেষ হওয়া ত্রৈমাসিকের জন্য আরবিআই ৭ শতাংশ জিডিপি বৃদ্ধির পূর্বাভাস দিয়েছিল।

    তরুণ প্রজন্মকে বার্তা

    অর্থনীতির পাশাপাশি দেশের তরুণ প্রজন্ম নিয়েও আশাবাদী বার্তা দিয়েছেন প্রধানমন্ত্রী। তাঁর বক্তব্য, আজ যে পরিশ্রম করা হচ্ছে, তার সুফল ভবিষ্যতে দেশের যুব সমাজ পাবে। মোদি বলেন, তরুণদের স্বপ্ন পূরণ করাই দেশের অন্যতম বড় লক্ষ্য। আজকের কঠোর পরিশ্রমের মাধ্যমেই আগামী দিনের ভারত তৈরি হবে। তিনি দেশবাসীকে দেশের উন্নয়নে আরও সক্রিয়ভাবে অংশ নেওয়ার আহ্বান জানান। তাঁর মতে, সরকারের নীতি সঠিক পথে রয়েছে। উদ্দেশ্যও স্পষ্ট। আর ১৪০ কোটি মানুষের সম্মিলিত শক্তি ভারতকে আরও উচ্চতায় নিয়ে যেতে পারে। প্রধানমন্ত্রীর এই বার্তার মূল সুর হল—দেশের অর্থনীতিকে আরও শক্তিশালী করতে শুধু সরকারের উদ্যোগ যথেষ্ট নয়। সাধারণ মানুষকেও নিজেদের কেনাকাটা, ভ্রমণ এবং জীবনযাপনের কিছু সিদ্ধান্তে দেশীয় ভাবনাকে গুরুত্ব দিতে হবে।

  • Modi Govt: প্রধানমন্ত্রী হিসেবে নেহরুকে ছাপিয়ে গেলেন মোদি, জগৎসভায় শ্রেষ্ঠ আসন নেওয়ার পথে ভারত

    Modi Govt: প্রধানমন্ত্রী হিসেবে নেহরুকে ছাপিয়ে গেলেন মোদি, জগৎসভায় শ্রেষ্ঠ আসন নেওয়ার পথে ভারত

    মাধ্যম নিউজ ডেস্ক: টানা এক যুগ ধরে প্রধানমন্ত্রী হিসেবে দায়িত্ব পালন করে জওহরলাল নেহরুর রেকর্ড ভাঙলেন প্রধানমন্ত্রী নরেন্দ্র মোদি (Modi Govt)। এই মাইলফলক শুধু রাজনৈতিক ইতিহাসের অংশ নয়, বরং গত ১২ বছরে ভারতের (India) অর্থনৈতিক ও প্রশাসনিক পরিবর্তনের মূল্যায়নেরও একটি গুরুত্বপূর্ণ সন্ধিক্ষণ।

    আন্তর্জাতিক ক্ষেত্রে ভারতের গুরুত্ব (Modi Govt)

    গত এক দশকে ভারতের অর্থনীতি প্রায় ২ ট্রিলিয়ন মার্কিন ডলার থেকে বেড়ে ৪ ট্রিলিয়ন মার্কিন ডলারেরও বেশি হয়েছে। ২০২৫-২৬ অর্থবর্ষে প্রকৃত জিডিপি প্রবৃদ্ধি দাঁড়িয়েছে ৭.৭ শতাংশ এবং বৈদেশিক মুদ্রার ভান্ডার প্রায় ৬৮৮ বিলিয়ন মার্কিন ডলারে পৌঁছেছে। আন্তর্জাতিক ক্ষেত্রে ভারতের গুরুত্বও উল্লেখযোগ্যভাবে বেড়েছে। বিশেষজ্ঞদের মতে, প্রকৃত পরিবর্তন শুধু অর্থনীতির আকারে নয়, বরং দেশের প্রশাসনিক কাঠামো এবং ডিজিটাল পরিকাঠামোর আমূল পরিবর্তনে।

    মোদি সরকারের অন্যতম বড় সাফল্য

    মোদি সরকারের অন্যতম বড় সাফল্য হল ডিজিটাল পাবলিক ইনফ্রাস্ট্রাকচার গড়ে তোলা। আধার, জনধন অ্যাকাউন্ট, ইউপিআই, জিএসটি এবং ডিবিটি (সরাসরি ভর্তুকি স্থানান্তর)-কে একত্রিত করে বিশ্বের বৃহত্তম ডিজিটাল প্রশাসনিক ব্যবস্থা তৈরি হয়েছে। বর্তমানে জনধন অ্যাকাউন্টের সংখ্যা ৫৮ কোটিরও বেশি, আয়ুষ্মান ভারত স্বাস্থ্য কার্ড ইস্যু হয়েছে প্রায় ৪৪ কোটি। ডিজিটাল মাধ্যমে সরাসরি ভর্তুকি পৌঁছে যাওয়ায় সরকারি প্রকল্পে দুর্নীতি ও অপচয় অনেকটাই কমেছে। বিশেষ করে ইউপিআই (UPI) ভারতের অর্থনীতিতে বিরাট পরিবর্তন এনেছে। ২০২৬ সালের মে মাসে ইউপিআইয়ের মাধ্যমে ২৩.২ বিলিয়ন লেনদেন হয়েছে, যার মোট মূল্য প্রায় ৩০ লাখ কোটি টাকা। ছোট দোকান থেকে বড় ব্যবসা—সব ক্ষেত্রেই ডিজিটাল পেমেন্ট এখন দৈনন্দিন বাস্তবতা (India)। বিশ্বের একাধিক দেশও এখন ভারতের এই ডিজিটাল পেমেন্ট পরিকাঠামো গ্রহণ করছে। বিশেষজ্ঞদের মতে, এটি ভারতের প্রযুক্তিগত সক্ষমতার আন্তর্জাতিক স্বীকৃতি (Modi Govt)।

    পরিকাঠামো নির্মাণে ব্যাপক সরকারি বিনিয়োগ

    মোদি সরকারের আর একটি বড় নীতি হল পরিকাঠামো নির্মাণে ব্যাপক সরকারি বিনিয়োগ। ২০১৫ সালে যেখানে মূলধনী ব্যয় ছিল প্রায় ২ লাখ কোটি টাকা, সেখানে ২০২৬-২৭ অর্থবর্ষে তা বেড়ে পৌঁছেছে ১২.২ লাখ কোটি টাকায়। জাতীয় সড়ক, রেলপথ, বন্দর, বিমানবন্দর এবং মালবাহী করিডর নির্মাণে গত এক দশকে নজিরবিহীন বিনিয়োগ হয়েছে। বর্তমানে ব্রডগেজ রেলপথের ৯৯ শতাংশেরও বেশি অংশে বিদ্যুতায়িত হয়েছে। দেশে চালু রয়েছে ১৬৪টি বন্দে ভারত এক্সপ্রেস পরিষেবা। সরকারের আশা, এই পরিকাঠামো উন্নয়ন ভবিষ্যতে শিল্পায়ন ও কর্মসংস্থান বৃদ্ধির ভিত্তি তৈরি করবে। তবে উৎপাদন খাতে কাঙ্ক্ষিত সাফল্য এখনও অধরা। ২০১৪ সালে ‘মেক ইন ইন্ডিয়া’ কর্মসূচির লক্ষ্য ছিল উৎপাদন শিল্পের অংশীদারিত্ব জিডিপির ২৫ শতাংশে উন্নীত করা। কিন্তু ১২ বছর পরেও তা ১৩ থেকে ১৭ শতাংশের মধ্যেই সীমাবদ্ধ রয়েছে (Modi Govt)।

    ইলেকট্রনিক্স-সহ বিভিন্ন ক্ষেত্রে সাফল্য

    চিন, ভিয়েতনাম কিংবা মালয়েশিয়ার তুলনায় ভারতের উৎপাদন খাত এখনও অনেক পিছিয়ে। যদিও প্রোডাকশন লিঙ্কড ইনসেনটিভ (PLI) প্রকল্পের মাধ্যমে ইলেকট্রনিক্স-সহ বিভিন্ন ক্ষেত্রে সাফল্য এসেছে, তবুও সামগ্রিক শিল্পায়নের গতি প্রত্যাশিত নয় (India)। এই পরিস্থিতি মোকাবিলায় সরকার ২০৩৫ সাল পর্যন্ত দীর্ঘমেয়াদি জাতীয় উৎপাদন মিশনের পরিকল্পনার কথা ঘোষণা করেছে। অর্থনৈতিক প্রবৃদ্ধি সত্ত্বেও কর্মসংস্থানের প্রশ্নে উদ্বেগ রয়ে গিয়েছে। সরকারি তথ্য অনুযায়ী, সাধারণ বেকারত্বের হার ৩.১ শতাংশ হলেও, ১৫ থেকে ২৯ বছর বয়সী যুবকদের মধ্যে সাপ্তাহিক ভিত্তিক বেকারত্বের হার প্রায় ১৪.৩ শতাংশ।

    উৎপাদন শিল্পে কর্মসংস্থান

    প্রতি বছর শ্রমবাজারে নতুন কয়েক মিলিয়ন মানুষ যুক্ত হলেও, সেই তুলনায় পর্যাপ্ত মানসম্পন্ন এবং স্থায়ী চাকরি তৈরি হয়নি। উৎপাদন শিল্পে কর্মসংস্থানের ঘাটতি অর্থনীতির অন্যতম বড় চ্যালেঞ্জ বলেই ধারণা ওয়াকিবহাল মহলের (Modi Govt)।অর্থনীতিবিদদের মতে, গত ১২ বছরে ভারতের ডিজিটাল পরিকাঠামো, আর্থিক অন্তর্ভুক্তি, ব্যাঙ্কিং সংস্কার এবং পরিকাঠামো উন্নয়নে বড় পরিবর্তন এসেছে। অবশ্য মাথাপিছু আয় বৃদ্ধি, উৎপাদন খাতের সম্প্রসারণ এবং বৃহৎ পরিসরে কর্মসংস্থান সৃষ্টি এখনও দেশের সবচেয়ে গুরুত্বপূর্ণ অসম্পূর্ণ লক্ষ্য (India)। আগামী দশকে যদি উৎপাদন ও কর্মসংস্থানে উল্লেখযোগ্য অগ্রগতি সম্ভব হয়, তাহলে মোদি যুগকে ভারতের বৈশ্বিক অর্থনৈতিক শক্তি হয়ে ওঠার ভিত্তি হিসেবেই দেখা হবে। অন্যথায় সম্ভাবনা ও বাস্তবতার ব্যবধানই ভারতের অর্থনীতির প্রধান আলোচ্য বিষয় হয়ে থাকবে (Modi Govt)।

     

  • India’s GDP: বিশ্ব অর্থনীতিতে চিনের পরই ভারত, তিনে আমেরিকা! মাস্কের মন্তব্য নিয়ে বিরোধীদের কটাক্ষ নির্মলার

    India’s GDP: বিশ্ব অর্থনীতিতে চিনের পরই ভারত, তিনে আমেরিকা! মাস্কের মন্তব্য নিয়ে বিরোধীদের কটাক্ষ নির্মলার

    মাধ্যম নিউজ ডেস্ক: বিশ্ব অর্থনীতিতে আমেরিকার একছত্র আধিপত্য আর নয়! সদ্য প্রকাশিত বৈশ্বিক প্রবৃদ্ধির রিপোর্ট সামনে আসার পর তেমনই ইঙ্গিত দিলেন ধনকুবের ইলন মাস্ক। ইন্টারন্যাশনাল মনিটরি ফান্ডের (IMF) রিপোর্টে দেখা গিয়েছে, বিশ্বের আর্থিক প্রবৃদ্ধিতে আমেরিকাকে ছাপিয়ে গিয়েছে ভারত। এই ঘটনায় প্রশংসার সুরেই টেসলা ও স্পেসএক্স প্রধান ইলন মাস্কের দাবি, ‘অবশেষে ক্ষমতার ভারসাম্য বদলাচ্ছে।’ মাস্কের মতে বিশ্ব অর্থনীতিতে এক গভীর পরিবর্তনের ইঙ্গিত মিলছে। ২০২৬ সালে গোটা বিশ্বের সম্ভাব্য আর্থিক প্রবৃদ্ধি ও তাতে সবচেয়ে বেশি যোগদান রাখা ১০টি দেশের তালিকা প্রকাশ করে আইএমএফ। সেই রিপোর্টেই দেখা গিয়েছে, ডলারের দেশ আমেরিকাকে ছাপিয়ে বিশ্ব তালিকায় দ্বিতীয় স্থানে উঠে এসেছে ভারত। বিশ্বের জিডিপিতে ভারতের অংশীদারিত্ব হতে চলেছে ১৭.০ শতাংশ। এই তথ্য সামনে রেখে বাজেট অধিবেশনের পর বিরোধীদের এক হাত নিয়েছেন নির্মলা।

    আন্তর্জাতিক মুদ্রা তহবিল (IMF)-এর সাম্প্রতিক তথ্য

    আন্তর্জাতিক মুদ্রা তহবিল (IMF)-এর সাম্প্রতিক তথ্য অনুযায়ী, ২০২৬ সালে বৈশ্বিক প্রকৃত জিডিপি বৃদ্ধিতে অবদানের ক্ষেত্রে যুক্তরাষ্ট্রকে পেছনে ফেলেছে ভারত। আইএমএফ-এর পূর্বাভাস অনুযায়ী, ২০২৬ সালে বৈশ্বিক অর্থনৈতিক প্রবৃদ্ধির ১৭ শতাংশ অবদান রাখবে ভারত। আমেরিকার (৯.৯ শতাংশ) ঠাঁই হয়েছে তালিকার তৃতীয় স্থানে। এই তালিকায় সবার উপরে রয়েছে চিন। বিশ্ব জিডিপিতে তাদের যোগদান হতে চলেছে ২৬.৬ শতাংশ। পাশাপাশি এই তালিকায় রয়েছে ইন্দোনেশিয়া (৩.৮%), তুরস্ক (২.২%), নাইজেরিয়া (১.৫%), ব্রাজিল (১.৫%), ভিয়েতনাম(১.৬%), সৌদি আরব (১.৭%), জার্মানি (০.৯%)। অর্থাৎ রিপোর্টে স্পষ্ট যে বিশ্ব অর্থনীতিতে সবচেয়ে বেশি আর্থিক যোগদান হতে চলেছে এশিয়ার দুই দেশ চিন ও ভারতের। যৌথভাবে দুই দেশের যোগদান হতে চলেছে ৪৩.৬ শতাংশ। অর্থাৎ গোটা বিশ্বের প্রায় অর্ধেক আর্থিক কার্যকলাপ পরিচালিত হচ্ছে চিন ও ভারতে। দীর্ঘ বছর ধরে যার কেন্দ্র ছিল আমেরিকা ও ইউরোপ বেষ্টিত।

    আমেরিকার দাদাগিরি আর কতদিন

    সোশাল মিডিয়ায় এই রিপোর্ট তুলে ধরেই ইলন মাস্ক লেখেন, ‘অবশেষে বিশ্বে পরিবর্তিত হচ্ছে ক্ষমতার ভারসাম্য।’ উল্লেখ্য, ইলন মাস্কের এহেন মন্তব্য এমন সময়ে সামনে এল যখন শুধুমাত্র আমেরিকার দাদাগিরির জেরে গোটা বিশ্বের অর্থনীতি চরম অস্থিরতার মধ্যে রয়েছে। নানা কূটনৈতিক সংঘাতের জেরে বিশ্বের দেশগুলির উপর আরোপ করা হচ্ছে কড়া শুল্ক। চিন ও ভারতের উপর সবচেয়ে বেশি শুল্ক আরোপ করেছে আমেরিকা। এবার আইএমএফের রিপোর্টেই জানা গেল, গোটা বিশ্বে আর্থিক প্রবৃদ্ধিতে সবচেয়ে বেশি যোগদান সেই চিন ও ভারতের।

    ইলন মাস্কের মন্তব্যের তাৎপর্য

    ইলন মাস্কের এই মন্তব্যকে নিছক প্রতিক্রিয়া হিসেবে দেখছেন না বিশ্লেষকরা। সাম্প্রতিক মাসগুলোতে তিনি দু’বার ভারতের প্রধানমন্ত্রী নরেন্দ্র মোদির সঙ্গে সাক্ষাৎ করেছেন, ভারতে টেসলার উৎপাদন কেন্দ্র স্থাপনের সম্ভাবনা খতিয়ে দেখেছেন এবং ১৪০ কোটির বাজারে চীনের মতো সাফল্যের পুনরাবৃত্তির সম্ভাবনা পর্যবেক্ষণ করছেন। বিশেষজ্ঞদের মতে, এমন সময়েই মাস্ক ভারতের অর্থনৈতিক উত্থানের দিকে দৃষ্টি আকর্ষণ করলেন, যখন টেসলার পশ্চিমি বাজারে বিক্রি শ্লথ। চিনে টেসলার গতি কমেছে, ইউরোপ জটিল নিয়ন্ত্রক সমস্যায় আটকে। এই প্রেক্ষাপটে আইএমএফ কর্তৃক ভারতের ৬.৩ শতাংশ প্রবৃদ্ধি পূর্বাভাস মাস্কের মতো শিল্পপতিদের কাছে স্বাভাবিকভাবেই আকর্ষণীয়।

    পশ্চিমি অর্থনীতির স্থবিরতা, উদীয়মান দেশের উত্থান

    আইএমএফ-এর তথ্য বলছে, ২০২৬ সালে জার্মানির অবদান বৈশ্বিক প্রবৃদ্ধিতে মাত্র ০.৯ শতাংশ। গোটা ইউরোজোন মিলিয়ে অবদান মাত্র ২ শতাংশ। উন্নত অর্থনীতিগুলির গড় প্রবৃদ্ধি যেখানে ১.৮ শতাংশ, সেখানে উদীয়মান বাজারগুলির প্রবৃদ্ধি হার ৪.২ শতাংশ—যা বছর বছর ব্যবধান আরও বাড়াচ্ছে। ভারতের পাশাপাশি ইন্দোনেশিয়া (৩.৮%), তুরস্ক (২.২%), ভিয়েতনাম (১.৬%) এই তালিকায় উল্লেখযোগ্য স্থান দখল করেছে। আশ্চর্যজনকভাবে, নাইজেরিয়ার ১.৫ শতাংশ অবদান অনেক ইউরোপীয় দেশের সম্মিলিত অবদানকেও ছাড়িয়ে গেছে।

    জনসংখ্যা নয়, উৎপাদনই চালিকাশক্তি

    আইএমএফ জানিয়েছে, ভারতের প্রবৃদ্ধির মূল চালিকা শক্তি রফতানি নয়, বরং অভ্যন্তরীণ চাহিদা ও উৎপাদন। ২০২৫ সালে দেশের পরিকাঠামো খাতে বিনিয়োগ উল্লেখযোগ্যভাবে বেড়েছে। বৈশ্বিক বাণিজ্য শ্লথ থাকলেও ভারতের উৎপাদন খাত গতি ধরে রেখেছে। মূল্যস্ফীতি নিয়ন্ত্রিত থাকায় ভোক্তা চাহিদাও স্থিতিশীল। অর্থনীতিবিদদের মতে, মাস্কের মন্তব্য আসলে দীর্ঘদিন ধরে চলা এক নীরব বাস্তবতার প্রকাশ—বিশ্ব অর্থনীতির প্রবৃদ্ধির কেন্দ্র ধীরে ধীরে পশ্চিম থেকে সরে এশিয়া ও উদীয়মান অর্থনীতির দিকে যাচ্ছে।

    বিরোধীদের সচেতন করলেন অর্থমন্ত্রী

    বিশ্ব অর্থনীতিতে ভারতের (India) ক্রমবর্ধমান ভূমিকা নিয়ে জোর দিয়েছেন অর্থমন্ত্রী নির্মলা সীতারামনও (Nirmala Sitharaman)। বাজেট ২০২৬-২৭ (Budget 2026-27) পেশের পর সংসদ ভবনে যুব সংলাপের (Youth Dialogue) মঞ্চে ছাত্রছাত্রীদের সঙ্গে কথা বলতে গিয়ে তিনি তুলে ধরলেন আন্তর্জাতিক মুদ্রা ভাণ্ডারের (IMF) সাম্প্রতিক হিসেব। ‘ওয়াও’ মন্তব্য করলেন ইলন মাস্ক। উদ্ধৃত করে বক্তব্য রাখলেন অর্থমন্ত্রী। তিনি জানান, সোশ্যাল মিডিয়ায় অনেকে হয়তো দেখেছেন, মাস্ক আইএমএফ–এর ডেটা শেয়ার করে আশ্চর্য হয়ে লেখেন, “ওয়াও, এটা সত্যি?” অর্থমন্ত্রী বলেন, “আমি ঠিক মনে করতে পারছি না তিনি ‘ওয়াও’ বলেছেন, না অন্য কিছু বলেছেন। কিন্তু আইএমএফ–এর তথ্য তুলে তিনি ভারতের অবদান নিয়ে বিস্ময় প্রকাশ করেছেন।” মাস্কের মন্তব্যকে উদ্ধৃত করে বিরোধীদের একহাত নেন অর্থমন্ত্রী। তাঁর সাফ বক্তব্য, “আমি তো সংসদে বলবই। কিন্তু দেশের বিরোধীদের (Opposition) বোঝা উচিত, এখন ভারত যে জায়গায় দাঁড়িয়ে— তা শক্তির পরিচয়। আমরা চিনের পরেই। ব্যবধান হয়তো একটু বেশি— ২৬ আর ১৭। কিন্তু আমরা এটা কমিয়ে আনব।”

  • Fake GDP: ভুয়ো জিডিপি প্রবৃদ্ধির দাবি নাড়িয়ে দিল চিনকে, কেন মিথ্যে বলল জিনপিং সরকার?

    Fake GDP: ভুয়ো জিডিপি প্রবৃদ্ধির দাবি নাড়িয়ে দিল চিনকে, কেন মিথ্যে বলল জিনপিং সরকার?

    মাধ্যম নিউজ ডেস্ক: দীর্ঘস্থায়ী অর্থনৈতিক মন্দা চলছে চিনে। তার সঙ্গেই লড়াই করতে হচ্ছে শি জিনপিংয়ের সরকারকে। এমতাবস্থায় ভুয়ো জিডিপি (Fake GDP) প্রবৃদ্ধির অভিযোগ দেশটির জন্য বড় ধাক্কা হয়ে দাঁড়িয়েছে। শি জিনপিংয়ের নেতৃত্বাধীন প্রশাসনের দাবি, ২০২৫ সালের শেষ ত্রৈমাসিক পর্যন্ত চিনের অর্থনৈতিক প্রবৃদ্ধি ছিল ৫.২ শতাংশ। তবে আন্তর্জাতিক বিশ্লেষকদের একাংশ এখন চিনের এই দাবি নিয়ে জোরালো প্রশ্ন তুলছেন।

    চিনের প্রকৃত অর্থনৈতিক সূচক (Fake GDP)

    বিশ্ব বিখ্যাত পরামর্শক সংস্থা রোডিয়াম গ্রুপের অভিযোগ, সরকারি প্রবৃদ্ধির পরিসংখ্যান অত্যন্ত অতিরঞ্জিত এবং ফুলিয়ে-ফাঁপিয়ে তথ্য প্রকাশ করে বেইজিং সাধারণ মানুষ ও বিনিয়োগকারীদের বিভ্রান্ত করেছে। সংস্থাটির মতে, চিনের (China) প্রকৃত অর্থনৈতিক সূচকগুলির সঙ্গে সরকারের ঘোষিত শীর্ষ প্রবৃদ্ধির পরিসংখ্যানের কোনও সামঞ্জস্য নেই। চিন টানা ১০টিরও বেশি ত্রৈমাসিক ধরে তীব্র মুদ্রাস্ফীতিহীনতার শিকার। ডিফ্লেশন ঘটে যখন মুদ্রাস্ফীতি শূন্যের নীচে নেমে যায়। ফলে পণ্যের দাম কমতে থাকে, চাহিদা কমে যায় এবং কর্পোরেট লাভ হ্রাস পায়। এমন পরিস্থিতিতে ভোক্তারা খরচ করতে দেরি করেন, সংস্থাগুলি লাভ করতে হিমশিম খায় এবং অর্থনৈতিক গতি তীব্রভাবে মন্থর হয়ে পড়ে।

    চিনে কর্পোরেট মুনাফা

    চিনে কর্পোরেট মুনাফা নভেম্বর মাসে ১৩.১ শতাংশ কমেছে, যা অক্টোবরে ৫.৫ শতাংশ পতনের পর আরও গভীর মন্দার ইঙ্গিত দেয়। রোডিয়াম গ্রুপ জানিয়েছে, এত দীর্ঘ সময় ধরে ডিফ্লেশনের মুখে পড়েও কোনও বড় অর্থনীতি কখনও প্রায় ৫ শতাংশ জিডিপি প্রবৃদ্ধি অর্জন করতে পারেনি। স্থায়ী সম্পদে বিনিয়োগ, যা দীর্ঘদিন ধরে চিনের অর্থনৈতিক মডেলের অন্যতম স্তম্ভ হিসেবে বিবেচিত হয়, সেটাই জুলাই থেকে নভেম্বরের মধ্যে কমেছে ১১ শতাংশ (China)। একাধিক সূচকের ভিত্তিতে বিশ্লেষকদের ধারণা, ২০২৫ সালে চিনের জিডিপি প্রবৃদ্ধি এখনও ৩ শতাংশের বেশি হয়নি (Fake GDP)।

    প্রখ্যাত অর্থনীতিবিদরা

    প্রখ্যাত অর্থনীতিবিদরাও এ বিষয়ে উদ্বেগ প্রকাশ করেছেন। তাইওয়ানের তামকাং বিশ্ববিদ্যালয়ের সাই মিং-ফাং এবং চুং-হুয়া ইনস্টিটিউশন ফর ইকোনমিক রিসার্চের লিউ মেং-চুন অভিযোগ করেছেন, ক্রমবর্ধমান অর্থনৈতিক চাপের মধ্যেও শক্তি ও স্থিতিশীলতার ভাবমূর্তি তুলে ধরতে বেইজিং রাজনৈতিক কৌশল হিসেবে ফুলিয়ে-ফাঁপিয়ে জিডিপি পরিসংখ্যান প্রকাশ করছে।মার্কিন যুক্তরাষ্ট্রের সঙ্গে চলমান বাণিজ্য বিরোধ চিনের একসময়ের প্রভাবশালী রফতানি খাতকে আরও দুর্বল করে দিয়েছে। অর্থনীতিবিদদের মতে, বাণিজ্য নীতিকে ‘অস্ত্র’ হিসেবে ব্যবহার করার সিদ্ধান্ত শেষ পর্যন্ত চিনের পক্ষেই বুমেরাং হয়েছে। বৈশ্বিক চাহিদা কমে যাওয়ায় চিন এখন বিকল্প বাজারের সন্ধান করতে বাধ্য হচ্ছে (China)।

    ভোগব্যয়ের সূচকগুলি

    দেশীয় ভোগব্যয়ের সূচকগুলিও সমানভাবে হতাশাজনক চিত্র তুলে ধরছে (Fake GDP)। জিডিপি হিসাবের একটি গুরুত্বপূর্ণ উপাদান খুচরো বিক্রির প্রবৃদ্ধি নভেম্বরে নেমে এসেছে মাত্র ১.৩ শতাংশে, যেখানে বিশ্লেষকদের প্রত্যাশা ছিল ২.৮ শতাংশ। একই সময়ে শিল্প উৎপাদনের প্রবৃদ্ধি কমে দাঁড়িয়েছে ৪.৮ শতাংশে। স্থায়ী সম্পদে বিনিয়োগের প্রবৃদ্ধিও কোভিড মহামারির পর থেকে সর্বনিম্ন স্তরে রয়েছে। চিনের সবচেয়ে বড় রফতানি বাজার যুক্তরাষ্ট্রে রফতানি ২৯ শতাংশ কমে যাওয়ায় সরকারি প্রবৃদ্ধির বর্ণনার ওপর আস্থা আরও দুর্বল হয়েছে।

    জিডিপি প্রবৃদ্ধির দাবি

    এই প্রেক্ষাপটে বহু অর্থনীতিবিদের মতে, ৫ শতাংশ জিডিপি প্রবৃদ্ধির দাবি বিশ্বাসযোগ্যতার সীমা ছাড়িয়ে যাচ্ছে। এদিকে চিন ও যুক্তরাষ্ট্রের মধ্যে উত্তেজনা এখন বাণিজ্যের গণ্ডি পেরিয়ে প্রতিরক্ষা ক্ষেত্রেও ছড়িয়ে পড়ছে। তাইওয়ানে বিপুল পরিমাণ অস্ত্র সরবরাহের মার্কিন সিদ্ধান্তে ক্ষুব্ধ বেইজিং (China)। কারণ তারা তাইওয়ানকে চিনের অবিচ্ছেদ্য অংশ বলেই দাবি করে (Fake GDP)। ‘এক চিন নীতি’ লঙ্ঘনের অভিযোগ তুলে বেইজিং ২০টি মার্কিন প্রতিরক্ষা ও প্রযুক্তি সংস্থার ওপর নিষেধাজ্ঞা আরোপের কথা ঘোষণা করেছে। নিষেধাজ্ঞার আওতায় থাকা সংস্থাগুলির মধ্যে রয়েছে নর্থরপ গ্রুম্যান সিস্টেমস, এল৩ হ্যারিস মেরিটাইম সার্ভিসেস, বোয়িং, গিবস অ্যান্ড কক্স, সিয়েরা টেকনিক্যাল সার্ভিসেস, টিল ড্রোনস, ভেন্টার এবং রেডক্যাট হোল্ডিংস।

    অর্থনৈতিক চাপ বাড়তে থাকা এবং ভূ-রাজনৈতিক উত্তেজনা তীব্র হওয়ার প্রেক্ষাপটে, আগামী মাসগুলিতে চিনের সরকারি অর্থনৈতিক তথ্যের ওপর নজরদারি আরও কঠোর হবে বলেই অনুমান (Fake GDP)।

  • Indian Economy: জিডিপি বৃদ্ধির হার ৮.২ শতাংশ, ‘‘এটা তো ট্রেলার’’, ট্যুইট উচ্ছ্বসিত প্রধানমন্ত্রীর

    Indian Economy: জিডিপি বৃদ্ধির হার ৮.২ শতাংশ, ‘‘এটা তো ট্রেলার’’, ট্যুইট উচ্ছ্বসিত প্রধানমন্ত্রীর

    মাধ্যম নিউজ ডেস্ক: মোদি জমানায় ক্রমশই এগিয়ে চলেছে দেশ। শেষ দফার ভোটগ্রহণে সেই তথ্য আবারও সামনে এল। দেশের মোট আভ্যন্তরীণ উৎপাদন বা জিডিপির হার (Indian Economy) সমস্ত পূর্বাভাসকে ছাপিয়ে পৌঁছেছে ৮.২ শতাংশে। ২০২৩-২৪ আর্থিক বর্ষের নিরিখে এই পরিসংখ্যান সামনে আসতেই উচ্ছ্বসিত প্রধানমন্ত্রী। নিজের এক্স হ্যান্ডেলে প্রধানমন্ত্রী লেখেন, ‘‘এটা তো ট্রেলার’’। এর পাশাপাশি তিনি দেশের পরিশ্রমী মানুষদের ধন্যবাদ জানিয়েছেন। ভারতের জিডিপির এই বৃদ্ধি নিয়ে তাঁর মত, আগামীদিনে বৃদ্ধির এই চাকা আরও দ্রুত গড়াবে।

    কী বললেন নির্মলা সীতারামান

    অন্যদিকে, অর্থমন্ত্রী নির্মলা সীতারামান লিখেছেন, মোদি সরকারের তৃতীয় পর্যায়েও এই বৃদ্ধির (Indian Economy) গতি বহাল থাকবে। তিনি জানিয়েছেন যে উৎপাদন ক্ষেত্রে উল্লেখযোগ্য বৃদ্ধি দেখা যাচ্ছে এবং সেখানে বৃদ্ধির হার ৯.৯ শতাংশ, ২০২৩-২৪ আর্থিক বর্ষে। বাংলার অন্যতম অর্থনৈতিক বিশেষজ্ঞ সুপর্ণ মৈত্র বলেন, ‘‘এই বৃদ্ধি অর্থনীতি নিয়ে শিল্পকে ইতিবাচক বার্তা দিচ্ছে। বিশ্ব জুড়ে ভূ-রাজনৈতিক জটিলতা এবং জোগান-শৃঙ্খলের সমস্যার মধ্যে দাঁড়িয়েও ভারতের এমন উন্নতি তাদের আরও উৎসাহিত করবে।’’

    ন্যাশনাল স্ট্যাটিস্টিক্যাল অফিসের দেওয়া তথ্য

    ন্যাশনাল স্ট্যাটিস্টিক্যাল অফিসের দেওয়া তথ্য অনুযায়ী, ২০২৩-২৪ অর্থবর্ষে দেশের জিডিপি (Indian Economy) ৮.২ শতাংশ হারে বেড়েছে। ২০২২-২৩ অর্থবর্ষে জিডিপি বৃদ্ধির হার ছিল ৭ শতাংশ। এদিকে, ন্যাশনাল স্ট্যাটিস্টিক্যাল অফিসের পূর্বাভাস ছিল, ২০২৩-২৪ অর্থবর্ষের জন্য জিডিপি বৃদ্ধির হার ৭.৭ শতাংশে পৌঁছাবে। তবে তা ছাপিয়ে গেল এদিন। অর্থনৈতিক ক্ষেত্রে ভারতের প্রধান প্রতিদ্বন্দ্বী প্রতিবেশী চিন। তাদের অর্থনৈতিক বৃদ্ধির হার জানুয়ারি-মার্চ ত্রৈমাসিকে ছিল ৫.৩ শতাংশ।

     

    দেশের খবর, দশের খবর, সব খবর, সবার আগে পেতে ফলো করুন আমাদের  Whatsapp, FacebookTwitter, Telegram এবং Google News পেজ।

  • BJP Attacks Rajan: বলেছিলেন ভারতের জিডিপি পড়বে, হয়েছে উল্টো! রাজনকে তুলোধনা বিজেপির

    BJP Attacks Rajan: বলেছিলেন ভারতের জিডিপি পড়বে, হয়েছে উল্টো! রাজনকে তুলোধনা বিজেপির

    মাধ্যম নিউজ ডেস্ক: দেশের জিডিপি বৃদ্ধি সংক্রান্ত তথ্য বুধবারই প্রকাশ পেয়েছে। তাতে দেখা যাচ্ছে ২০২২-২৩ অর্থবর্ষে অর্থনীতির বৃদ্ধির হার ৭.২ শতাংশে পৌঁছেছে। এ নিয়ে রিজার্ভ ব্যাঙ্কের প্রাক্তন গভর্নর রঘুরাম রাজনকে এক হাত নিতে (BJP Attacks Rajan) ছাড়েননি বিজেপি নেতৃত্ব। কিন্তু ভারতের অর্থনৈতিক বৃদ্ধির হারের সঙ্গে রঘুরাম রাজনকে কটাক্ষ করার সম্পর্ক কী? আসলে গত বছর রঘুরাম রাজন মন্তব্য করেছিলেন, ‘‘ভাগ্যক্রমে ২০২-২৩ অর্থবর্ষে অর্থনৈতিক বৃদ্ধির হার ৫% হতে পারে।’’ কিন্তু রঘুরাম রাজনের এই ভবিষ্যদ্বাণীকে মিথ্যা প্রমাণ করে ভারতের জিডিপি বেড়েছে ৭.২%। এক বছর আগে রঘুরাম রাজনের এই ভবিষ্যদ্বাণীকে (BJP Attacks Rajan) কটাক্ষ করতে ছাড়েননি বিজেপি নেতৃত্ব। এনিয়ে ট্যুইট করেন অমিত মালব্য।

    কী লিখলেন অমিত মালব্য?

    রিজার্ভ ব্যাঙ্কের প্রাক্তন গভর্নর গত বছর রাহুল গান্ধীর সঙ্গে ভারত জোড়ো যাত্রাতে অংশ নিয়েছিলেন। সেই সময়ের একটি ভিডিও নিজের ট্যুইটার হ্যান্ডেল থেকে পোস্ট করেন অমিত মালব্য। দেখা যাচ্ছে রঘুরাম রাজন এবং রাহুল গান্ধী পরস্পর কথাবার্তা চালাচ্ছেন। ওই ট্যুইটে অমিত মালব্য লেখেন, ‘‘রঘুরাম রাজন আজ থেকে এক বছর আগে ঠিক এই দিনে রাহুল গান্ধীর সঙ্গে কথাবার্তা বলছিলেন। কথা শুনে রাজনকে কখনও অর্থনীতিবিদ বলে মনে হচ্ছিল না। তিনি বলেন, ভারত খুবই ভাগ্যশালী হবে যদি ২০২২-২৩ অর্থবর্ষে জিডিপির বৃদ্ধি ৫ শতাংশ হয়। কিন্তু আসল সত্য হল চলতি বছরে দেশের জিডিপি বৃদ্ধির হার দাঁড়িয়েছে ৭.২ শতাংশ।

    মঙ্গলবারই আমেরিকাতে মনমোহন ও রাজন জুটিকে আক্রমণ শানান অর্থমন্ত্রী

    মঙ্গলবার কলম্বিয়া বিশ্ববিদ্যালয়ের School of international and public affairs এর মঞ্চ থেকে রঘুরাম রাজনের বিরুদ্ধে আক্রমণ শানাতে দেখা যায় অর্থমন্ত্রী নির্মলা সীতারমনকে। তাঁর নিশানা থেকে বাদ যাননি প্রাক্তন প্রধানমন্ত্রী মনমোহন সিংও। নির্মলা সীতারমন বলেন, ‘‘মনমোহন ও রাজনের জুটি একসঙ্গে ক্ষমতায় থাকাকালীনই দেশের রাষ্ট্রায়ত্ত ব্যাঙ্কগুলো সব থেকে খারাপ অবস্থার মধ্যে দিয়ে গেছে।’’ ঋণ মঞ্জুর নিয়েও দুর্নীতির অভিযোগ তোলেন নির্মলা।

     

    দেশের খবর, দশের খবর, সব খবর, সবার আগে পেতে ফলো করুন আমাদের FacebookTwitter এবং Google News পেজ।

  • GDP Growth: আশাতীত বৃদ্ধি জিডিপি-র, মোদি জমানাতেই বিশ্বের তৃতীয় বৃহত্তম অর্থনীতি হচ্ছে ভারত!

    GDP Growth: আশাতীত বৃদ্ধি জিডিপি-র, মোদি জমানাতেই বিশ্বের তৃতীয় বৃহত্তম অর্থনীতি হচ্ছে ভারত!

    মাধ্যম নিউজ ডেস্ক: মোদি জমানায় রকেট গতিতে উত্থান হচ্ছে জিডিপির হার (GDP Growth)। চলতি অর্থবর্ষের শেষে এই হার আরও বাড়তে পারে বলে ইঙ্গিত দিল রিজার্ভ ব্যাঙ্ক অফ ইন্ডিয়া সংক্ষেপে আরবিআই। অর্থনীতির কারবারিদের দাবি, এভাবে চলতে থাকলে আগামী তিন বছরের মধ্যেই বিশ্বের তৃতীয় বৃহত্তম অর্থনীতির দেশে পরিণত হবে ভারত।

    কী বলছেন আরবিআইয়ের গভর্নর

    প্রসঙ্গত, বর্তমানে বিশ্বের বৃহত্তম অর্থনীতির দেশের তালিকায় পাঁচ নম্বরে রয়েছে ভারত। দীর্ঘদিন এই জায়গাটা দখল করে রেখেছিল ইংল্যান্ড। ইংল্যান্ডকে সরিয়ে এই জায়গাটা দখল করেছে ভারত। ইংল্যান্ড গিয়েছে পিছিয়ে। আরবিআইয়ের গভর্নর শক্তিকান্ত দাস বলেন, “চলতি অর্থবর্ষের শেষে জিডিপি বৃদ্ধির হার ৭ শতাংশ পৌঁছবে বলে মনে করা হচ্ছে। আগে অনুমান করা হয়েছিল এটি ৬.৫ শতাংশ পর্যন্ত যেতে পারে।” বুধবার থেকে টানা তিনদিন দেশের অর্থনীতি নিয়ে আলোচনায় বসে আরবিআইয়ের মুদ্রা নীতি কমিটি। সেখানে জিডিপি সহ একাধিক বিষয় নিয়ে আলোচনা হয়।

    বজায় থাকবে অর্থনীতির ভারসাম্য

    এই বৈঠক শেষে শুক্রবার সংবাদ মাধ্যমের মুখোমুখি হয়ে জিডিপি বৃদ্ধির হার নিয়ে আশার আলোর কথা শোনান আরবিআইয়ের গভর্নর। তিনি বলেন, “২০২৩-২৪ অর্থবর্ষে জিডিপি বৃদ্ধির (GDP Growth) হার পৌঁছতে পারে ৭ শতাংশে। তৃতীয় ত্রৈমাসিকে এটা ৬.৫ শতাংশ ও চতুর্থ ত্রৈমাসিকে ৬ শতাংশ থাকবে বলে মনে করা হচ্ছে। ২০২৪-২৫ অর্থবর্ষের প্রথম ত্রৈমাসিকে জিডিপি বৃদ্ধির হার পৌঁছবে ৬.৭ শতাংশে। দ্বিতীয় ও তৃতীয় ত্রৈমাসিকে যথাক্রমে ৬.৫ ও ৬.৪ শতাংশে পৌঁছে যেতে পারে জিডিপি বৃদ্ধার হার। ফলে অর্থনীতির ভারসাম্য বজায় থাকবে। ঝুঁকিও তেমন থাকবে না।

    আরও পড়ুুন: বাইডেন-সুনক নয়, বিশ্বের সবচেয়ে জনপ্রিয় রাষ্ট্রনেতা মোদি, বলছে আন্তর্জাতিক সমীক্ষা

    প্রসঙ্গত, এ মাসেরই প্রথম দিকে মার্কিন সংস্থা এস অ্যান্ড পি গ্লোবাল রেটিংয়ের তরফে দাবি করা হয়েছিল ২০২৬-২৭ অর্থবর্ষে ভারতের জিডিপি বৃদ্ধির হার পৌঁছবে ৭ শতাংশে। আরবিআইয়ের অনুমান ঠিক হলে, তার ঢের আগেই ভারতের জিডিপি ছুঁয়ে ফেলবে ৭ শতাংশের মাইলস্টোন। এদিকে, এদিন ফের একবার সুদের হার অপরিবর্তিত রাখল আরবিআই। মুদ্রানীতি বিবৃতিতে (GDP Growth) আরবিআই জানিয়েছে, রেপো রেট (বাণিজ্যিক ব্যাঙ্কগুলিকে দেওয়া ঋণের সুদ) ৬.৫ শতাংশই থাকছে। তাই যাঁরা ইএমআই দেন, তাঁদের এই ইএমআইয়ের পরিমাণ বাড়ছে না।

     

    দেশের খবরদশের খবরসব খবরসবার আগে পেতে ফলো করুন আমাদের FacebookTwitter এবং Google News পেজ।

     

  • GDP Growth: চলতি অর্থবর্ষের শেষে ভারতে জিডিপি বেড়ে হবে ৭.৩ শতাংশ!

    GDP Growth: চলতি অর্থবর্ষের শেষে ভারতে জিডিপি বেড়ে হবে ৭.৩ শতাংশ!

    মাধ্যম নিউজ ডেস্ক: চলতি অর্থবর্ষের (Fiscal Year) শেষে ভারতে (India) জিডিপি (GDP) বেড়ে হতে পারে ৭.৩ শতাংশ। এস অ্যান্ড পি (S & P) গ্লোবাল রেটিংসের এক প্রজেক্টেই এ খবর উঠে এসেছে। তেলের চড়া দাম, দেশের রফতানি কমে যাওয়া এবং গত কয়েক বছরের মুদ্রাস্ফীতির কারণে অর্থনীতির এই হাল। এস অ্যান্ড পি গ্লোবাল রেটিংসের ভবিষ্যদ্বাণী, চলতি অর্থবর্ষে ভারতের খুচরো বাজারে মুদ্রাস্ফীতি দাঁড়াবে ৬.৮ শতাংশে। স্বাভাবিক বৃষ্টিপাত সহ আরও বেশ কয়েকটি পরিস্থিতির ওপর নির্ভর করছে অর্থনীতির ঘুরে দাঁড়ানোর বিষয়টি।

    কোনও একটি দেশের অভ্যন্তরে এক বছরে চূড়ান্তভাবে উৎপাদিত দ্রব্য ও সেবার বাজারে সামগ্রিক মূল্যই হচ্ছে গ্রস ডোমেস্টিক প্রোডাক্ট বা জিডিপি। আগের বছরের তুলনায় পরের বছরে এই উৎপাদন যে হারে বাড়ে সেটি হল জিডিপির প্রবৃদ্ধি। এই জিডিপি একটি দেশের অর্থনৈতিক উন্নয়নের প্রধান সূচক। ইকনোমিক আউটলুক এশিয়া-প্যাসিফিক কিউ-৩ রিপোর্টে এস অ্যান্ড পি বলেছে, আমরা আশা করি, চলতি অর্থবর্ষে ভারতের জিডিপি বেড়ে দাঁড়াবে ৭.৩ শতাংশে। তিন মাস আগেও এর পরিমাণ ছিল ৭.৮ শতাংশ। গত অগাস্টের মধ্যে ভারত পণ্য রফতানি করেছিল ৩৩শো কোটি মার্কিন ডলার মূল্যের। ২০২১ সালের অগাস্ট মাসে এর পরিমাণ ছিল প্রায় কাছাকাছি। তবে চলতি বছর অগাস্টের মধ্যে বেড়েছে পণ্য আমদানির পরিমাণ। শতাংশের হিসেবে যা দাঁড়িয়েছে ৩৬.৭৮। মার্কিন ডলারের মূল্যে এর পরিমাণ প্রায় ৬২শো কোটির মতো।

    ২০২২ সালের এপ্রিল থেকে অগাস্ট এই পাঁচ মাসে পণ্য রফতানির পরিমাণ দাঁড়িয়েছে ১ হাজার ৯৩০ কোটি মার্কিন ডলার। রফতানির চেয়ে বেড়েছে আমদানি পরিমাণ। রিপোর্টে বলা হয়েছে, ভারতে খুচরো বাজারে মুদ্রাস্ফীতি সব চেয়ে বেশি। জ্বালানি ও নিত্য প্রয়োজনীয় পণ্যের উচ্চ মূল্যের কারণে দেখা দিয়েছে মুদ্রাস্ফীতি। কনট্রাক্টের চাকরির কারণেও বেড়ছে মু্দ্রাস্ফীতি। রিপোর্টে বলা হয়েছে, আমরা আশা করি, চলতি অর্থবর্ষে কনজিউমার মুদ্রাস্ফীতি হবে ৬.৮ শতাংশ। ২০২৩ সালের জানুয়ারি থেকে মার্চে এর পরিমাণ হবে ৫.৮ শতাংশ।

     

     

  • GDP Growth: চলতি অর্থবর্ষের শেষে ভারতে জিডিপি বেড়ে হবে ৭.৩ শতাংশ!

    GDP Growth: চলতি অর্থবর্ষের শেষে ভারতে জিডিপি বেড়ে হবে ৭.৩ শতাংশ!

    মাধ্যম নিউজ ডেস্ক: চলতি অর্থবর্ষের (Fiscal Year) শেষে ভারতে (India) জিডিপি (GDP) বেড়ে হতে পারে ৭.৩ শতাংশ। এস অ্যান্ড পি (S & P) গ্লোবাল রেটিংসের এক প্রজেক্টেই এ খবর উঠে এসেছে। তেলের চড়া দাম, দেশের রফতানি কমে যাওয়া এবং গত কয়েক বছরের মুদ্রাস্ফীতির কারণে অর্থনীতির এই হাল। এস অ্যান্ড পি গ্লোবাল রেটিংসের ভবিষ্যদ্বাণী, চলতি অর্থবর্ষে ভারতের খুচরো বাজারে মুদ্রাস্ফীতি দাঁড়াবে ৬.৮ শতাংশে। স্বাভাবিক বৃষ্টিপাত সহ আরও বেশ কয়েকটি পরিস্থিতির ওপর নির্ভর করছে অর্থনীতির ঘুরে দাঁড়ানোর বিষয়টি।

    কোনও একটি দেশের অভ্যন্তরে এক বছরে চূড়ান্তভাবে উৎপাদিত দ্রব্য ও সেবার বাজারে সামগ্রিক মূল্যই হচ্ছে গ্রস ডোমেস্টিক প্রোডাক্ট বা জিডিপি। আগের বছরের তুলনায় পরের বছরে এই উৎপাদন যে হারে বাড়ে সেটি হল জিডিপির প্রবৃদ্ধি। এই জিডিপি একটি দেশের অর্থনৈতিক উন্নয়নের প্রধান সূচক। ইকনোমিক আউটলুক এশিয়া-প্যাসিফিক কিউ-৩ রিপোর্টে এস অ্যান্ড পি বলেছে, আমরা আশা করি, চলতি অর্থবর্ষে ভারতের জিডিপি বেড়ে দাঁড়াবে ৭.৩ শতাংশে। তিন মাস আগেও এর পরিমাণ ছিল ৭.৮ শতাংশ। গত অগাস্টের মধ্যে ভারত পণ্য রফতানি করেছিল ৩৩শো কোটি মার্কিন ডলার মূল্যের। ২০২১ সালের অগাস্ট মাসে এর পরিমাণ ছিল প্রায় কাছাকাছি। তবে চলতি বছর অগাস্টের মধ্যে বেড়েছে পণ্য আমদানির পরিমাণ। শতাংশের হিসেবে যা দাঁড়িয়েছে ৩৬.৭৮। মার্কিন ডলারের মূল্যে এর পরিমাণ প্রায় ৬২শো কোটির মতো।

    ২০২২ সালের এপ্রিল থেকে অগাস্ট এই পাঁচ মাসে পণ্য রফতানির পরিমাণ দাঁড়িয়েছে ১ হাজার ৯৩০ কোটি মার্কিন ডলার। রফতানির চেয়ে বেড়েছে আমদানি পরিমাণ। রিপোর্টে বলা হয়েছে, ভারতে খুচরো বাজারে মুদ্রাস্ফীতি সব চেয়ে বেশি। জ্বালানি ও নিত্য প্রয়োজনীয় পণ্যের উচ্চ মূল্যের কারণে দেখা দিয়েছে মুদ্রাস্ফীতি। কনট্রাক্টের চাকরির কারণেও বেড়ছে মু্দ্রাস্ফীতি। রিপোর্টে বলা হয়েছে, আমরা আশা করি, চলতি অর্থবর্ষে কনজিউমার মুদ্রাস্ফীতি হবে ৬.৮ শতাংশ। ২০২৩ সালের জানুয়ারি থেকে মার্চে এর পরিমাণ হবে ৫.৮ শতাংশ।

     

     

LinkedIn
Share