Tag: Higher Education

Higher Education

  • Indian Students: আমেরিকার বদলে ইউরোপে ঝুঁকছেন ভারতীয় পড়ুয়ারা, জানুন কারণ

    Indian Students: আমেরিকার বদলে ইউরোপে ঝুঁকছেন ভারতীয় পড়ুয়ারা, জানুন কারণ

    মাধ্যম নিউজ ডেস্ক: একসময় বিদেশে উচ্চশিক্ষার জন্য ভারতীয় পড়ুয়াদের (Indian Students) প্রথম পছন্দ ছিল আমেরিকা। উন্নত শিক্ষা, গবেষণার সুযোগ এবং কর্মসংস্থানের সম্ভাবনার কারণে বহু দশক ধরে দেশটি ছিল ভারতীয় শিক্ষার্থীদের স্বপ্নের গন্তব্য। দীর্ঘদিনের চেনা এই ছবিটাই বদলে যাচ্ছে দ্রুত। কড়া অভিবাসন নীতি, ভিসা সংক্রান্ত অনিশ্চয়তা, বাড়তে থাকা জীবনযাত্রার ব্যয় এবং ইউরোপের নতুন সুযোগ-সুবিধার কারণে ক্রমশ ইউরোপের বিভিন্ন দেশের বিশ্ববিদ্যালয়ের দিকে (US) ঝুঁকছেন ভারতীয় পড়ুয়ারা। খবরে প্রকাশ, শিক্ষা পরামর্শদাতা সংস্থা এবং ইউরোপীয় ইউনিয়নের কর্তারা ভারতীয় শিক্ষার্থীদের আগ্রহে উল্লেখযোগ্য বৃদ্ধি লক্ষ্য করছেন। বিশেষ করে জার্মানি, ফ্রান্স, নেদারল্যান্ডস, ইতালি, স্পেন এবং আয়ারল্যান্ড এখন আমেরিকা, কানাডা ও ব্রিটেনের বিকল্প হিসেবে উঠে আসছে।

    ভারতীয় শিক্ষার্থীদের ভর্তির হার (Indian Students)

    এই পরিবর্তন অবশ্য নতুন নয়। সংবাদ মাধ্যমের প্রতিবেদন সূত্রে প্রাপ্ত তথ্য অনুযায়ী, বর্তমানে ইউরোপীয় ইউনিয়নের বিভিন্ন দেশে প্রায় এক লাখ কুড়ি হাজার ভারতীয় শিক্ষার্থী পড়াশোনা করছেন। ২০১৫ থেকে ২০২৩ সালের মধ্যে ইউরোপে ভারতীয় শিক্ষার্থীদের সংখ্যা বেড়েছে ৪৫ শতাংশ। একই সময়ে জার্মানি, ফ্রান্স, ইতালি ও আয়ারল্যান্ডে ভারতীয় শিক্ষার্থীদের ভর্তির হার বেড়েছে প্রায় ৬৮.৩৩ শতাংশ। শিক্ষা-প্রযুক্তি সংস্থা জ্ঞানধনের তথ্য বলছে, আমেরিকাকে উচ্চশিক্ষার জন্য বেছে নেওয়া ভারতীয় শিক্ষার্থীর হার ২০২৩ সালে ছিল ৫৪ শতাংশ। ২০২৪ সালে তা নেমে আসে ২৬ শতাংশে, ২০২৫ সালে তা আরও কমে দাঁড়ায় ২০ শতাংশে। একই সময়ে ইউরোপে পড়াশোনার প্রবণতা দ্রুত বেড়েছে। ২০২৪ সালে শুধু জার্মানিতেই ছিলেন ৪৩ হাজারেরও বেশি ভারতীয় শিক্ষার্থী। ২০৩০ সালের মধ্যে এই সংখ্যা আরও অনেকটাই বাড়বে বলেই আশা বিশেষজ্ঞদের। বিদেশে উচ্চশিক্ষা সংক্রান্ত সংস্থা ‘আপগ্র্যাড স্টাডি অ্যাব্রড’-এর তথ্য অনুযায়ী, ২০২৫ সালে ইউরোপ বিদেশে পড়াশোনার দ্বিতীয় বৃহত্তম গন্তব্যে পরিণত হয়েছে। জার্মানি ও ফ্রান্সে সবচেয়ে বেশি বৃদ্ধি লক্ষ্য করা গিয়েছে। প্রতিবেদন অনুযায়ী, চেন্নাইয়ের বছর বাইশের এক প্রযুক্তিবিদ্যায় স্নাতকের উদাহরণও তুলে ধরা হয়েছে। পরিবারের সদস্যরা তাঁকে আমেরিকায় পাঠাতে চাইলেও, তিনি শেষ পর্যন্ত স্নাতকোত্তর পড়াশোনার জন্য বেছে নেন জার্মানিকেই।

    ভারত-ইউরোপীয় ইউনিয়ন বাণিজ্য চুক্তির প্রভাব

    জানা গিয়েছে, চলতি বছরের জানুয়ারিতে ভারত ও ইউরোপীয় ইউনিয়নের মধ্যে হওয়া বাণিজ্য চুক্তির পর ইউরোপের বিশ্ববিদ্যালয়গুলির প্রতি ভারতীয় শিক্ষার্থীদের আগ্রহ আরও বেড়েছে (Indian Students)। এই চুক্তিতে শিক্ষার্থী ও কর্মীদের জন্য সহজতর ভিসা ব্যবস্থা, পড়াশোনা শেষে কাজের সুযোগের স্পষ্ট রূপরেখা এবং ভারতীয় শিক্ষাগত যোগ্যতার স্বীকৃতি সংক্রান্ত একাধিক পদক্ষেপের কথা রাখা হয়েছে। ইউরোপীয় ইউনিয়নের এক কর্তা সংবাদমাধ্যমে সাক্ষাৎকার দিতে গিয়ে বলেন, “ভারত-ইউরোপীয় ইউনিয়ন গতিশীলতা কাঠামো বৃহত্তর উদ্যোগের অংশ, যার লক্ষ্য ভারতীয় শিক্ষার্থী ও দক্ষ জনশক্তিকে আকৃষ্ট করে ইউরোপকে আন্তর্জাতিক প্রতিভার অন্যতম কেন্দ্র হিসেবে গড়ে তোলা।” বিদেশে পড়াশোনার প্ল্যাটফর্ম লিপের সহ-প্রতিষ্ঠাতা অনব কুমার সংবাদমাধ্যমকে বলেন, “প্রথমবারের মতো একটি বড় অর্থনৈতিক জোট স্পষ্টভাবে বলছে, তারা বৃহৎ পরিসরে ভারতীয় মেধাকে স্বাগত জানাতে চায়।” তাঁর দাবি, আগামী তিন থেকে পাঁচ বছরে ভারত থেকে ইউরোপে শিক্ষার্থী ও কর্মীর সংখ্যা ৬০ থেকে ৭০ শতাংশ পর্যন্ত বাড়তে পারে (US)।

    কম খরচও বড় কারণ

    শুধু সুযোগ-সুবিধা নয়, খরচের দিক থেকেও ইউরোপ এখন অনেক বেশি আকর্ষণীয় হয়ে উঠেছে। শিক্ষা পরামর্শদাতা সংস্থা কেসি ওভারসিজের তথ্য অনুযায়ী, ইউরোপের বিশ্ববিদ্যালয়গুলিতে পড়ার খরচ আমেরিকার তুলনায় ৫০ থেকে ৮০ শতাংশ পর্যন্ত কম। পাশাপাশি জীবনযাত্রার ব্যয়ও তুলনামূলকভাবে অনেকটাই নিয়ন্ত্রিত। পশ্চিমের বিভিন্ন দেশে জীবনযাত্রার ব্যয় বৃদ্ধির পাশাপাশি ভারতীয় মুদ্রার ক্রয়ক্ষমতা কমে যাওয়ায় বিদেশে পড়াশোনার খরচও বেড়েছে। ফলে অনেক ভারতীয় শিক্ষার্থীকে খাবারে কাটছাঁট করা, গণপরিবহণের বদলে হেঁটে যাতায়াত করা কিংবা অতিরিক্ত কাজ করে পড়াশোনার খরচ জোগাড় করতে হচ্ছে। ইউরোপ স্টাডি সেন্টারের পরিচালক শিবরামন পাণ্ডিয়ান সংবাদমাধ্যমকে বলেন, “ইউরোপ এখন সবচেয়ে আকর্ষণীয় গন্তব্যে পরিণত হয়েছে। ভারত-ইউরোপীয় ইউনিয়ন চুক্তির পর আমাদের কাছে অনুসন্ধানের সংখ্যা ২৫ থেকে ৩০ শতাংশ বেড়েছে।” স্টুডেন্ট অ্যাকোমোডেশন সংস্থা ইউনিভার্সিটি লিভিংয়ের সহ-প্রতিষ্ঠাতা ও প্রধান পরিচালন আধিকারিক ময়ঙ্ক মহেশ্বরী সংবাদমাধ্যমকে বলেন, “জার্মানি, আয়ারল্যান্ড, ইতালি-সহ ইউরোপের একাধিক দেশ কম শিক্ষাব্যয়, পড়াশোনা শেষে কাজের সুযোগ, উন্নত কর্মসংস্থান এবং সামগ্রিকভাবে ভালো সুবিধার কারণে ভারতীয় শিক্ষার্থীদের আকর্ষণ করছে।” বর্তমানে অনেক শিক্ষার্থী নিজের পেশাগত লক্ষ্য অনুযায়ী দেশ বেছে নিচ্ছেন (Indian Students)। যেমন, প্রযুক্তি-শিক্ষার্থীদের কাছে জার্মানি, কর্মজীবন ও ব্যক্তিগত জীবনের ভারসাম্যের জন্য নেদারল্যান্ডস, ব্যবস্থাপনা শিক্ষার জন্য ফ্রান্স এবং কম খরচে গবেষণার সুযোগের জন্য পর্তুগাল জনপ্রিয় হয়ে উঠছে।

    আমেরিকার কড়া নীতিতে কমছে আগ্রহ

    বিশেষজ্ঞদের মতে, ইউরোপের প্রতি আগ্রহ বাড়ার পাশাপাশি আমেরিকার কঠোর অভিবাসন নীতিও এই পরিবর্তনের অন্যতম কারণ।২০২৫ সালের জানুয়ারিতে হোয়াইট হাউসে ফেরার পর ডোনাল্ড ট্রাম্প প্রশাসন আন্তর্জাতিক শিক্ষার্থীদের ক্ষেত্রে একাধিক কড়া পদক্ষেপ নিয়েছে। বর্তমানে যে ব্যবস্থায় শিক্ষার্থীরা পড়াশোনার মেয়াদ পর্যন্ত থাকার অনুমতি পান, তার পরিবর্তে নির্দিষ্ট সময়সীমার ভিসা চালুর প্রস্তাব চূড়ান্ত পর্যায়ে রয়েছে। এর ফলে বিদেশি শিক্ষার্থীদের ভবিষ্যৎ নিয়ে অনিশ্চয়তা বেড়েছে (US)। এছাড়া শিক্ষার্থী ভিসা আবেদনকারীদের সোশ্যাল মিডিয়ায় নজরদারি, ভিসা নবীকরণে কড়াকড়ি, বিশ্ববিদ্যালয়গুলির ওপর বাড়তি নজরদারি এবং ভিসার শর্ত ভাঙলে দ্রুত বহিষ্কারের মতো পদক্ষেপও করা হয়েছে। কিছু ক্ষেত্রে ক্যাম্পাসে আন্দোলনে অংশ নেওয়া বিদেশি শিক্ষার্থীদের ভিসা বাতিলের উদ্যোগ নিতেও দেখা গিয়েছে।এই পরিস্থিতিতে অনেক ভারতীয় শিক্ষার্থী আমেরিকাকে আগের মতো নির্ভরযোগ্য গন্তব্য হিসেবে দেখছেন না। সরকারি তথ্য অনুযায়ী, ২০২৩ সালে বিদেশে উচ্চশিক্ষার জন্য ভারত থেকে প্রায় ৯ লাখ ৮ হাজার শিক্ষার্থী গেলেও, ২০২৫ সালে সেই সংখ্যাটাই কমে দাঁড়িয়েছে প্রায় ৬ লাখ ২৬ হাজারে।

    ইউরোপে আগ্রহ বাড়লেও চ্যালেঞ্জ রয়ে গিয়েছে

    ইউরোপের বিভিন্ন বিশ্ববিদ্যালয় ইতিমধ্যেই ভারতীয় শিক্ষার্থীদের আবেদন ও ভর্তি বৃদ্ধির কথা জানিয়েছে। প্রতিবেদন অনুযায়ী, নেদারল্যান্ডসে ২০১৯-২০ শিক্ষাবর্ষে ভারতীয় শিক্ষার্থীর সংখ্যা ছিল ২,৬৩০। ২০২৫-২৬ শিক্ষাবর্ষে তা বেড়ে প্রায় ৩,৭০০-তে পৌঁছেছে। দেশটিতে ভারতীয়রা এখন ইউরোপীয় ইউনিয়নের বাইরের অন্যতম বৃহত্তম শিক্ষার্থী গোষ্ঠী। আইনডহোভেন প্রযুক্তি বিশ্ববিদ্যালয়, লেইডেন বিশ্ববিদ্যালয় এবং ইতালির পাদুয়া বিশ্ববিদ্যালয়ের প্রতিও ভারতীয় শিক্ষার্থীদের আগ্রহ উল্লেখযোগ্যভাবে বেড়েছে (Indian Students)।স্পেনও এখন নয়া গন্তব্য হিসেবে বেশ জনপ্রিয় হয়ে উঠছে। ইউনিভার্সিটি লিভিংয়ের ইউরোপীয় শিক্ষার্থী পরিস্থিতি প্রতিবেদনের তথ্য  অনুযায়ী, বর্তমানে সেখানে ১,০৮৭ জন ভারতীয় শিক্ষার্থী রয়েছেন। তুলনামূলক কম জীবনযাত্রা ব্যয়, শিক্ষার্থী-বান্ধব ভিসা ব্যবস্থা এবং ইংরেজি মাধ্যমে পড়াশোনার সুযোগ বৃদ্ধিই এর প্রধান কারণ। তবে বিশেষজ্ঞরা সতর্ক করছেন, ইউরোপে পড়াশোনা করলেই চাকরি নিশ্চিত নয়। প্রয়োজন দক্ষতা, স্থানীয় পরিস্থিতির সঙ্গে মানিয়ে নেওয়ার ক্ষমতা এবং প্রতিযোগিতামূলক যোগ্যতা (US)।

    চাকরির সুযোগ

    পাণ্ডিয়ান বলেন, “কেউ যদি বলে এই দেশে পড়লেই চাকরি পাবেন, তা অন্ধভাবে বিশ্বাস করবেন না। শুধু ওই দেশে পড়াশোনা করলেই চাকরির অধিকার তৈরি হয় না। প্রয়োজন দক্ষতা অর্জন। তবেই সুযোগের দরজা খুলবে।” শিক্ষার্থীদের একাংশ আবার ভাষাগত সমস্যা, আবাসনের সঙ্কট, চাকরির প্রতিযোগিতা এবং নতুন পরিবেশের সঙ্গে মানিয়ে নেওয়ার বিষয়েও উদ্বেগ প্রকাশ করেছে। ইউরোপের কিছু দেশে কট্টর ডানপন্থী রাজনীতির উত্থান এবং বিদেশিদের প্রতি কঠোর মনোভাব নিয়েও উদ্বেগ রয়েছে। তবুও কম খরচ, ইংরেজি মাধ্যমে বাড়তে থাকা পাঠ্যক্রম, স্পষ্ট কর্মসংস্থানের সুযোগ এবং তুলনামূলক সহজ অভিবাসন নীতির কারণে ইউরোপ এখন ভারতীয় শিক্ষার্থীদের কাছে আমেরিকা, কানাডা এবং ব্রিটেনের বিকল্প হিসেবে উঠে আসছে (Indian Students)।

     

  • Academic Environment: “রাজ্য ছেড়ে ছাত্রছাত্রীদের অন্যত্র চলে যাওয়া রুখতে হবে”, বললেন পালাবদলের অর্থমন্ত্রী

    Academic Environment: “রাজ্য ছেড়ে ছাত্রছাত্রীদের অন্যত্র চলে যাওয়া রুখতে হবে”, বললেন পালাবদলের অর্থমন্ত্রী

    মাধ্যম নিউজ ডেস্ক: উচ্চশিক্ষার জন্য পশ্চিমবঙ্গ থেকে বিপুল সংখ্যক ছাত্রছাত্রী অন্য (Academic Environment) রাজ্যের পাশাপাশি চলে যাচ্ছে বিদেশেও। এই প্রবণতা রুখতে রাজ্যে (Student Exodus) এমন শিক্ষাব্যবস্থা গড়ে তুলতে হবে, যাতে পড়ুয়ারা এখানেই উচ্চশিক্ষা গ্রহণে আগ্রহী হয়। রবিবার কলকাতা বিশ্ববিদ্যালয়ে অনুষ্ঠিত অল বেঙ্গল প্রিন্সিপালস কাউন্সিলের এক অনুষ্ঠানে এই বার্তা দেন রাজ্যের অর্থমন্ত্রী স্বপন দাশগুপ্ত।

    কী বললেন অর্থমন্ত্রী (Academic Environment)

    অর্থমন্ত্রীর বক্তব্য, বর্তমানে রাজ্যের বহু কলেজে আসন খালি পড়ে থাকছে। এই পরিস্থিতি থেকেই স্পষ্ট, উল্লেখযোগ্য সংখ্যক পড়ুয়া উচ্চশিক্ষার জন্য পশ্চিমবঙ্গ ছেড়ে অন্যত্র চলে যাচ্ছে। শুধু রাজ্যে থেকে যাওয়ার আহ্বান জানালেই সমস্যার সমাধান হবে না। এমন শিক্ষাপ্রতিষ্ঠান এবং পরিকাঠামো গড়ে তুলতে হবে, যা পড়ুয়াদের রাজ্যেই ভবিষ্যৎ গড়ার আস্থা দেবে। চলতি বছরের রাজ্য বাজেটেও এই বাস্তবতার প্রতিফলন ঘটেছে বলে জানান তিনি। অর্থমন্ত্রী বলেন, “কৃত্রিম বুদ্ধিমত্তা, যন্ত্রনির্ভর শিক্ষণ-সহ আধুনিক বিষয় পড়ানোর পাশাপাশি শিক্ষকদের এমন এক শিক্ষার পরিবেশ তৈরি করতে হবে, যাতে ছাত্রছাত্রীরা পশ্চিমবঙ্গেই উচ্চশিক্ষা নিতে আগ্রহী হয়।” তাঁর মতে, বড় লক্ষ্য নিয়ে এগোতে না পারলে রাজ্যের শিক্ষাক্ষেত্রের উন্নতি সম্ভব নয়।

    মানসম্মত শিক্ষার পরিবেশের অভাব

    তাঁর দাবি, এক সময় দেশের বিভিন্ন প্রান্ত থেকে ছাত্রছাত্রীরা পশ্চিমবঙ্গে পড়তে আসত, পাঠ দান করতেন খ্যাতনামা শিক্ষকরা। কিন্তু এখন সেই পরিস্থিতি আর নেই। তাঁর কথায়, “মানসম্মত শিক্ষার পরিবেশের অভাবেই বাইরের রাজ্যের পড়ুয়ারা আর পশ্চিমবঙ্গকে উচ্চশিক্ষার গন্তব্য হিসেবে বেছে নিচ্ছে না।” তিনি এও জানান, রাজ্য সরকার কলেজগুলিকে উন্নয়নের জন্য আর্থিক সাহায্য দিতে প্রস্তুত। বিশ্ববিদ্যালয় মঞ্জুরি কমিশনের কাছ থেকেও অতিরিক্ত অনুদান আনার চেষ্টা করা হবে। তবে সেই আর্থিক সাহায্য পেতে হলে কমিশনের নির্ধারিত নিয়মকানুন মেনে চলতে হবে এবং জবাবদিহির সংস্কৃতিও গ্রহণ করতে হবে বলে সাফ জানিয়ে দেন তিনি। পশ্চিমবঙ্গ থেকে পড়ুয়াদের অন্যত্র চলে যাওয়ার বিষয়টি নতুন নয়। দীর্ঘদিন ধরেই এই সমস্যা নিয়ে উদ্বেগ প্রকাশ করা হচ্ছে। প্রায় এক দশক আগে মডার্ন হাইস্কুল ফর গার্লসের তৎকালীন অধ্যক্ষা দময়ন্তী মুখোপাধ্যায়ও এই একই বিষয় তুলে ধরে বলেছিলেন, স্কুল থেকে পাশ করার পর বহু মেধাবী পড়ুয়া উচ্চশিক্ষার জন্য অন্য রাজ্য বা বিদেশে চলে যাচ্ছে (Academic Environment)।

    প্রিন্সিপালস কাউন্সিলের বক্তব্য

    কলকাতা বিশ্ববিদ্যালয়ের উপাচার্য আশুতোষ ঘোষও জানান, রাজ্যের বিভিন্ন কলেজে বিপুল সংখ্যক স্নাতক স্তরের আসন খালি থেকে যাওয়া এই সমস্যারই প্রমাণ। তাঁর অভিযোগ, অনেক কলেজে নিয়মিত ক্লাস না হওয়ায় ভর্তি হওয়ার পরেও বহু ছাত্রছাত্রী পড়াশোনা ছেড়ে দিচ্ছে বা অনুপস্থিত থাকছে। অল বেঙ্গল প্রিন্সিপালস কাউন্সিলের সম্পাদক পঙ্কজ রায় বলেন, “শিক্ষকদের আরও আধুনিক এবং আকর্ষণীয় পাঠদানের পদ্ধতি গ্রহণের জন্য উৎসাহিত করা হবে, যাতে ছাত্রছাত্রীদের নিয়মিত শ্রেণিকক্ষে আনা যায়।” অনুষ্ঠানে (Academic Environment) অর্থমন্ত্রী আরও জানান, জুলাই মাসে কলকাতায় পণ্য ও পরিষেবা কর পরিষদের বৈঠক অনুষ্ঠিত হবে। রাজ্যের অর্থমন্ত্রী হিসেবে এই সর্বভারতীয় বৈঠকের আয়োজক হতে পেরে তিনি গর্বিত। তাঁর আশা, এই বৈঠকের মাধ্যমে পশ্চিমবঙ্গের নতুন ভাবমূর্তি দেশের সামনে তুলে ধরা যাবে (Student Exodus)। তিনি জানান, কেন্দ্রীয় অর্থমন্ত্রী নির্মলা সীতারামনও ওই বৈঠকে উপস্থিত থাকবেন।

  • Indian students died in abroad: গত পাঁচ বছরে বিদেশে ভারতীয় পড়ুয়ার প্রাণহানির সংখ্যা ৬৩৩! শীর্ষে কানাডা

    Indian students died in abroad: গত পাঁচ বছরে বিদেশে ভারতীয় পড়ুয়ার প্রাণহানির সংখ্যা ৬৩৩! শীর্ষে কানাডা

    মাধ্যম নিউজ ডেস্ক: কত স্বপ্ন নিয়ে বিদেশে পড়তে যায় ছাত্র-ছাত্রীরা। বছরে হাজার হাজার শিক্ষার্থী বিদেশে পাড়ি দেয় স্বপ্নপূরণের লক্ষ্যে। অনেক সময় স্বপ্নপূরণ হয়, আবার বহু সময় অধরা থেকে যায় স্বপ্ন। কিন্তু সেই স্বপ্নকে ছাপিয়ে সরকারি তথ্যে বিদেশে ভারতীয় পড়ুয়াদের যে মৃত্যুর খবর (Indian students died in abroad) তুলে ধরা হয়েছে, তা উদ্বেগ বাড়িয়েছে কেন্দ্র সরকারের। পরিসংখ্যান অনুযায়ী, বিগত পাঁচ বছরে বিদেশে পড়তে যাওয়া ৬৩৩ জন ভারতীয় পড়ুয়ার মৃত্যু হয়েছে। এর মধ্যে শীর্ষে রয়েছে কানাডা (Canada)। সেখানে মৃত্যু সংখ্যা ১৭২। শুক্রবার লোকসভায় মোদি সরকারের বিদেশ প্রতিমন্ত্রী কীর্তি বর্ধন সিং এই তথ্য তুলে ধরেছেন।  

    রিপোর্টে কী বলা হয়েছে? 

    প্রকাশিত রিপোর্টের তথ্য অনুযায়ী, প্রাকৃতিক দুর্ঘটনা ছাড়াও এই মৃত্যুর (Indian students died in abroad) পিছনে অনেকগুলি কারণ আছে। জানা গিয়েছে, ৬৩৩টি মৃত্যুর ঘটনার মধ্যে ১০৮টি মার্কিন যুক্তরাষ্ট্রে, ৫৮টি ব্রিটেনে, ৫৭টি অস্ট্রেলিয়ায়, ২৪টি জার্মানিতে  এবং ৩৭টি রাশিয়ায় ঘটেছে। এছাড়াও হামলার কারণে ১৯জন ভারতীয় পড়ুয়ার মৃত্যু হয়েছে। এরমধ্যে কানাডা থেকে ৯টি ও মার্কিন মুলুক থেকে ৬টি মৃত্যুর খবর পাওয়া গেছে। 

    বিদেশ প্রতিমন্ত্রীর মন্তব্য 

    এ ঘটনা প্রসঙ্গে বিদেশ প্রতিমন্ত্রী কীর্তি বর্ধন সিং জানিয়েছেন, “মন্ত্রকের কাছে উপলব্ধ তথ্য অনুসারে, প্রাকৃতিক কারণ, দুর্ঘটনা এবং চিকিৎসা পরিস্থিতি সহ বিভিন্ন কারণে গত পাঁচ বছরে বিদেশে ভারতীয় ছাত্রদের মৃত্যুর (Indian students died in abroad) ৬৩৩টি ঘটনা ঘটেছে। বিদেশে ভারতীয় পড়ুয়াদের নিরাপত্তা প্রদান করা ভারত সরকারের শীর্ষ অগ্রাধিকারগুলির মধ্যে একটি। বিদেশে ভারতীয় মিশন/পোস্টগুলি বিদেশের বিশ্ববিদ্যালয়গুলিতে নথিভুক্ত ভারতীয় পড়ুয়াদের সঙ্গে নিয়মিত যোগাযোগ বজায় রাখে।” এছাড়াও কীর্তি বর্ধন সিং জানিয়েছেন, গত তিন বছরে মোট ৪৮ জন ভারতীয় পড়ুয়াকে মার্কিন যুক্তরাষ্ট্র থেকে দেশে ফেরানো হয়েছে। তবে কেন এই কঠিন পদক্ষেপ তা সেদেশের প্রশাসন আনুষ্ঠানিকভাবে জানায়নি। তবে অ-অনুমোদিত কর্মসংস্থান, বহিষ্কার এবং স্থগিতাদেশ, ঐচ্ছিক ব্যবহারিক প্রশিক্ষণ কর্মসংস্থানের রিপোর্ট তৈরির ব্যর্থতা ছাত্রদের দেশে ফেরত পাঠানোর সম্ভাব্য কারণ। অনেক সময় ভিসা জটিলতার ফলেও একজন পড়ুয়ার ভিসা বাতিল হতে পারে, এবং শেষ পর্যন্ত তিনি নির্বাসিত হতে পারেন।

    আরও পড়ুন: মাত্র পাঁচ টাকার বিনিময়ে প্রতিদিন দুঃস্থ মানুষের মুখে অন্ন তুলে দিচ্ছেন নয়ডার এই যুবক!

    উল্লেখ্য, প্রকাশিত রিপোর্ট অনুযায়ী বর্তমানে কমপক্ষে ৮৫৮০ জন ভারতীয় শিক্ষার্থী চীনে, ৭৩০০ জন নিউজিল্যান্ডে, ২১৩৪ জন নেপালে, ২০০০ জন সিঙ্গাপুরে, ১৫৩২ জন জাপানে এবং ১০২০ জন ইরানে অধ্যয়নরত রয়েছে। অন্তত ১৪ জন ভারতীয় ছাত্র প্রতিবেশী দেশ পাকিস্তানে পড়াশোনা করছে। আর যুদ্ধ বিধ্বস্ত ইউক্রেনে রয়েছে ২৫১০ জন ভারতীয় পড়ুয়া। ফলে এসকল পড়ুয়াদের নিয়েও আশঙ্কার মেঘ জমছে সরকারের মনে।

     

    দেশের খবর, দশের খবর, সব খবর, সবার আগে পেতে ফলো করুন আমাদের  Whatsapp, FacebookTwitter, Telegram এবং Google News পেজ।

  • US Visas: ভারতীয় পড়ুয়াদের রেকর্ড ভিসা! যুদ্ধকালীন তৎপরতায় কাজ বাইডেন প্রশাসনের

    US Visas: ভারতীয় পড়ুয়াদের রেকর্ড ভিসা! যুদ্ধকালীন তৎপরতায় কাজ বাইডেন প্রশাসনের

    মাধ্যম নিউজ ডেস্ক: ২০২২-২৩ সালে মার্কিন যুক্তরাষ্ট্র আড়াই লাখেরও বেশি ভারতীয় পড়ুয়াকে ভিসা (US Visas) প্রদান করেছে, যা রেকর্ড। সংখ্যাটা হল ২ লক্ষ ৬৮ হাজার ৯২৩। মার্কিন যুক্তরাষ্ট্রের ভিসা পরিষেবার উচ্চতম এক আধিকারিক জানিয়েছেন, গত বছর ভারতে আমেরিকান দূতাবাস সপ্তাহে ছয় থেকে সাত দিন কাজ করে নতুন ভিসা মঞ্জুর করেছে। সমস্ত ভারতীয় পড়ুয়া ক্লাস শুরুর আগে ইন্টারভিউ পর্যায়ে যাতে সঠিকভাবে পৌঁছাতে পারেন, সেই উদ্দেশ্যেই বাইডেন প্রশাসন যুদ্ধকালীন তৎপরতার মাধ্যমে আড়াই লাখেরও বেশি ভিসা প্রদান করেছে। পরবর্তী সময়ে আরও বাড়তে পারে ভারতীয় ভিসার সংখ্যা। উল্লেখ্য, আগের বছর এই সংখ্যাটা ছিল প্রায় দু’লাখ (১ লক্ষ ৯৯ হাজার ১৮২)। সেই হিসাবে দু’বছরের ব্যবধানে বৃদ্ধির হার ৩৫ শতাংশ।

    এই প্রথম এত ভিসা একসঙ্গে (US Visas)

    বর্তমানে ভারত থেকে আমেরিকাতে পড়তে যাওয়া পড়ুয়াদের সংখ্যা আগের থেকে অনেক বৃদ্ধি পেয়েছে। আর ভারতীয়দের এই উদ্দেশ্যকে সফল করতে আমেরিকান সরকার বেশ অনেকটাই তৎপর হয়েছে। আমেরিকান দূতাবাসের আধিকারিকরা জানান, “ইতিহাসে এই প্রথমবার এত ভিসা একসাথে মঞ্জুর করতে পারায় আমরা অনেক খুশি হয়েছি। পরবর্তীতে এই সংখ্যা আরও বৃদ্ধি পাবে বলেই আমরা মনে করছি। এমনকি চলতি বছরেও বহু ভারতীয় পড়ুয়া ভিসার (US Visas) জন্য আবেদন করেছেন। শুধু পড়ুয়া নন রয়েছেন, বেশ কয়েক হাজার কর্মী। বর্তমানে যেসব ভারতীয় পড়ুয়ারা আমেরিকায় পড়াশোনার জন্য যেতে চান, তাঁদের ক্ষেত্রে বিশেষ অগ্রাধিকার দেওয়া হচ্ছে আমেরিকান সরকারের পক্ষ থেকে। শুধু ভারতীয় নয়, বহু দেশ থেকেই পড়ুয়াদের আগমন হয় আমেরিকাতে পড়াশোনার জন্য। কিন্তু সেই তালিকায় ভারতীয়দের সংখ্যা সব থেকে বেশি, যা নয়া রেকর্ড গড়েছে। গ্র্যাজুয়েট বিভাগে ভারতীয় পড়ুয়ার সংখ্যা চিনকেও ছাপিয়ে গিয়েছে।

    মার্কিন বিদেশ দফতর কী জানিয়েছে?

    মার্কিন বিদেশ দফতরের জারি করা এক বিবৃতিতে জানানো হয়েছে ২০১৭ সালের পর থেকে এত পড়ুয়াকে ভিসা (US Visas) দেওয়া বন্ধ করে দেওয়া হয়েছিল। কিন্তু পরবর্তীতে ২০২২ থেকে ২০২৩ সালের মধ্যে মার্কিন বিশ্ববিদ্যালয়গুলি ফের ভারতীয় পড়ুয়াদের জন্য তাদেরকে ভিসা দেওয়ার দরজা উন্মুক্ত করে দেয়। শুধু ভারতই নয়, বিশ্বের অনেক দেশের পড়ুয়াকে প্রচুর ভিসা প্রদান করেছে আমেরিকা, যার পরিমাণ প্রায় এক কোটি ছাড়িয়েছে। গত বছর পড়ুয়া, কর্মী, পর্যটক সব মিলিয়ে প্রায় ১২ লক্ষের কাছাকাছি ভারতীয়কে ভিসা প্রদান করেছে মার্কিন যুক্তরাষ্ট্র।

     

    দেশের খবরদশের খবরসব খবরসবার আগে পেতে ফলো করুন আমাদের FacebookTwitter এবং Google News পেজ।

  • Madhyamik Result: অঙ্ক নিয়ে গবেষণার ইচ্ছা! টানাটানির সংসারে কি পূরণ হবে স্বপ্ন?

    Madhyamik Result: অঙ্ক নিয়ে গবেষণার ইচ্ছা! টানাটানির সংসারে কি পূরণ হবে স্বপ্ন?

    মাধ্যম নিউজ ডেস্ক: পাতলা গড়ন। সাধারণ খেটে খাওয়া ঘরের আর পাঁচটা মেয়ের মতোই। কিন্তু পড়াশোনার জগৎটা তার একেবারেই আলাদা। অত্যন্ত মেধাবী ছাত্রী স্নেহা বিশ্বাস। মাধ্যমিকে ৬৪২ পেয়ে নজর কেড়েছে গরিব কৃষকের মেয়ে এই স্নেহা। দক্ষিণ দিনাজপুরের তপন ব্লকের আউটিনা অঞ্চলের প্রত্যন্ত গ্রাম খলসি। সেখান থেকে প্রায় চার কিলোমিটার দূরে তিলন হাই স্কুল থেকে সেই সাফল্যের খবর (Madhyamik Result) তাই খুব সহজেই পৌঁছে যায় বালুরঘাটে।

    ছিল শুধু একজন গৃহশিক্ষক (Madhyamik Result)!

    উচ্চ মাধ্যমিক পাশ বাবা হরেকৃষ্ণ বিশ্বাস তিন বিঘা জমিতে চাষ করেন। দুই ছেলেমেয়ে, স্ত্রীকে নিয়ে টানাটানির সংসার। স্নেহা পরিবারের বড়। ছোট ভাই তৃতীয় শ্রেণির পড়ুয়া। মা অর্চনার কাছেই স্নেহার পড়াশোনা। স্নেহা বাংলায় ৯০, ইংরেজিতে ৯১, অঙ্কে ৯৩, ভৌতবিজ্ঞানে ৯৮, জীবন বিজ্ঞানে ৯১, ইতিহাসে ৮৭ ও ভূগোলে ৯২ নম্বর (Madhyamik Result) পেয়েছে। মেয়েটাকে আরও সাহায্য করতে পারলে আরও ভাল করতো। আনন্দের মাঝেও যেন কিছুটা আক্ষেপ বাবা-মায়ের। এক গৃহশিক্ষক ছাড়া আর কারও কাছে পড়ার সুযোগ ছিল না স্নেহার। বালুরঘাটের ললিতমোহন আদর্শ হাই স্কুলের প্রধান শিক্ষক আশিস চক্রবর্তী স্নেহাকে একাদশ শ্রেণির বিজ্ঞান বিভাগে ভর্তি করিয়ে সমস্ত সহায়তার আশ্বাস দিয়েছেন। কষ্ট হলেও বালুরঘাটে ছোট একটি ঘর ভাড়া নিয়ে মেয়ের উচ্চশিক্ষার স্বপ্ন পূরণে ফের লড়াইয়ের জন্য তৈরি, জানান অর্চনা। আর স্নেহা জানায়, অঙ্ক নিয়ে গবেষণার ইচ্ছা রয়েছে।

    কেউ যদি সাহায্য করত (Madhyamik Result), আর্জি বাবার

    এই বিষয়ে স্নেহার বাবা হরেকৃষ্ণ বিশ্বাস বলেন, আমি পেশায় কৃষক। আমার স্ত্রী, তিন ছেলেমেয়েকে নিয়ে সংসার। অতি কষ্টে আমাদের দিন চলে। আমার মেয়ের মাধ্যমিকে (Madhyamik Result) সাফল্য দেখে আমরা গর্বিত। আমার মেয়ে ভবিষ্যতে অঙ্ক নিয়ে গবেষণা করতে চায়। কিন্তু মাঝে আমার আর্থিক অবস্থা বাধা হয়ে পড়ছে। মেয়েটাকে কেউ যদি সাহায্য করত, তাহলে ভালো হতো।

     

    দেশের খবর, দশের খবর, সব খবর, সবার আগে পেতে ফলো করুন আমাদের FacebookTwitter এবং Google News পেজ।

  • Higher Education: উচ্চশিক্ষায় পড়ুয়া বৃদ্ধি পেয়েছে ৭.৫%, জানাচ্ছে সর্বভারতীয় সমীক্ষা

    Higher Education: উচ্চশিক্ষায় পড়ুয়া বৃদ্ধি পেয়েছে ৭.৫%, জানাচ্ছে সর্বভারতীয় সমীক্ষা

    মাধ্যম নিউজ ডেস্ক: উচ্চশিক্ষায় ঝোঁক বেড়েছে ভারতীয়দের। এমনই তথ্য দিল সর্বভারতীয় উচ্চশিক্ষা সমীক্ষা (Higher Education)। সমীক্ষার রিপোর্তে দেখা গিয়েছে, উচ্চশিক্ষায় পড়ুয়া সংখ্যা বেড়েছে ৭.৫% অল ইন্ডিয়া সার্ভে অন হায়ার এডুকেশন -এর রিপোর্টে বলা হয়েছে, ২০১৯-২০ সালের তুলনায় ২০২০-২১ সালে প্রায় ৭.৫ শতাংশ বেশি পড়ুয়া উচ্চশিক্ষায় নাম লিখিয়েছেন। ২০১৯-২০ সালে উচ্চশিক্ষা নিতে এসেছিলেন প্রায় ১.৮৮ কোটি ছাত্রী। ২০২০-২১ শিক্ষাবর্ষে সেটি বেড়ে দাঁড়িয়েছে ২.০১ কোটি। রবিবার প্রকাশিত হয়েছে সমীক্ষার রিপোর্ট। 

    প্রথম বার এই সমীক্ষা (Higher Education) চালানো হয়েছিল ২০১১ সালে। দেশ জুড়ে স্কুলের পরিকাঠামো, শিক্ষক-শিক্ষিকাদের সংখ্যা, স্কুলগুলির অর্থনৈতিক হাল, পড়ুয়াদের ভর্তির সংখ্যা নিয়ে এই সমীক্ষা চালানো হয়।

    আরও পড়ুন: জেলায় জেলায় মিড ডে মিলের পরিদর্শনে বেরল কেন্দ্রীয় দল, রিপোর্টের দিকে বিশেষ নজর শুভেন্দুর

    আর কী বলা হয়েছে রিপোর্টে? 

    • ২০১৯-২০ সালে উচ্চশিক্ষায় ভর্তির হার ছিল ৩.৮৫ কোটি। ২০২০-২১ সালে তা বেড়ে দাঁড়িয়েছে ৪.১৪ কোটি। 
    • ২০১৪-১৫ সালের পর থেকে শেষ সমীক্ষা পর্যন্ত উচ্চশিক্ষায় ভর্তির সংখ্যা বেড়েছে প্রায় ৭২ লক্ষ। অর্থাৎ প্রায় ২১ শতাংশ বৃদ্ধি।
    • উচ্চশিক্ষায় ছাত্রের সঙ্গে সঙ্গেই বেড়েছে ছাত্রীর সংখ্যাও। ২০১৯-২০ সালে উচ্চশিক্ষা নিতে এসেছিলেন প্রায় ১.৮৮ কোটি ছাত্রী। ২০২০-২১ সালে সেটি বেড়ে দাঁড়িয়েছে ২.০১ কোটি। অর্থাৎ উচ্চশিক্ষায় মেয়েদের অংশগ্রহণ বাড়ছে।
    • উচ্চশিক্ষায় তফশিলি জাতিভুক্ত পড়ুয়াদের সংখ্যাও বেড়েছে। ২০১৯-২০ সালে সেই সংখ্যা ছিল ৪৬.০৬ লক্ষ। সেটি ২০২০-২১ সালে বেড়ে দাঁড়িয়েছে ৫৬.৫৭ লক্ষ। তফশিলি উপজাতির ক্ষেত্রেও সংখ্যাটি বেড়েছে ২১.৬ লক্ষ থেকে ২৪.১ লক্ষে। সমীক্ষায় এ কথা উল্লেখ করাও হয়েছে, ২০১৪-১৫ এবং ২০১৯-২০-র রিপোর্টের দিকে তাকালে দেখা যাবে যে উচ্চশিক্ষায় তফশিলি জাতি এবং উপজাতির পড়ুয়াদের অংশগ্রহণ অনেকটাই বেড়েছে।       
    • আন্ডার গ্র্যাজুয়েট কোর্সের বিষয়েও কিছু তথ্য প্রকাশ করেছে সমীক্ষা। দেখা গিয়েছে সবচেয়ে বেশি পড়ুয়ারা ভর্তি হয়েছে হিউম্যানিটিজ বিভাগে (৩৩.৫ শতাংশ), তার পরে বিজ্ঞান (১৫.৫ শতাংশ), তার পরে কমার্সে (১৩.৯ শতাংশ)। আর ইঞ্জিনিয়ারিং ও টেকনোলজি বিভাগে (১১.৯ শতাংশ)। 
    • পোস্ট গ্র্যাজুয়েশনের ক্ষেত্রে সামাজিক বিজ্ঞানে ভর্তি হয়েছেন ২০.৫৬ শতাংশ পড়ুয়া, বিজ্ঞানে ভর্তি হয়েছেন ১৪.৮৩ শতাংশ পড়ুয়া।    

    সমীক্ষার রিপোর্ট অনুযায়ী, সব মিলিয়ে ভারতে উচ্চশিক্ষার হার বিগত কয়েক বছরের তুলনায় অনেকটাই বেশি।

    দেশের খবর, দশের খবর, সব খবর, সবার আগে পেতে ফলো করুন আমাদের Facebook এবং Twitter পেজ।

     
     
  • QS Ranking: আইআইটিদের ছাপিয়ে বিশ্ব তালিকায় নজর কাড়ল আইআইএসসি ব্যাঙ্গালুরু 

    QS Ranking: আইআইটিদের ছাপিয়ে বিশ্ব তালিকায় নজর কাড়ল আইআইএসসি ব্যাঙ্গালুরু 

    মাধ্যম নিউজ ডেস্ক: দেশের তাবড় তাবড় আইআইটিকে পিছনে ফেলে বিশ্ব র‍্যাঙ্কিংয়ে এগিয়ে এল আইআইএসসি ব্যাঙ্গালুরু (IISc Bengaluru)। কিউএস ওয়ার্ল্ড র‌্যাঙ্কিং (QS World Ranking 2022)- এ প্রথম ২০০-র মধ্যে জায়গা করে নিল দক্ষিণ এশিয়ার এই দ্রুততম বর্ধনশীল বিশ্ববিদ্যালয়। গত বছরের তুলনায় তালিকায় ৩১ ধাপ এগিয়েছে এই শিক্ষা প্রতিষ্ঠান।  

    বিশ্ব র‍্যাঙ্কিংয়ে নিজের জায়গা ধরে রাখল জেএনইউ (JNU), দিল্লি বিশ্ববিদ্যালয় (DU), জামিয়া মিলিয়া ইসলামিয়া (Jamia Milia Islamia) বিশ্ববিদ্যালয়। কিউএস ওয়ার্ল্ড র‌্যাঙ্কিং ২০২২-এর জন্য তৈরি তালিকায় ভারতের বেশ কয়েকটি উচ্চশিক্ষা প্রতিষ্ঠান বিশ্বব্যাপী তালিকার প্রথম এক হাজারের মধ্যে জায়গা পেয়েছে। 

    বিশ্ব তালিকায় ৫২১-৫৩০ র‍্যাঙ্কের মধ্যে রয়েছে দিল্লি বিশ্ববিদ্যালয়। জহরলাল নেহরু বিশ্ববিদ্যালয় রয়েছে ৬০১-৬৫০ র‍্যাঙ্কের মধ্যে। জামিয়া মিলিয়া ইসলামিয়া বিশ্ব বিদ্যালয় রয়েছে ৮০১-১০০০ র‍্যাঙ্কের ক্যাটাগরিতে।  

    আরও পড়ুন: বদলে যাচ্ছে পঠন-পাঠনের ধারণা? মডেল স্কুল তৈরির ভাবনা কেন্দ্রের 

    গতবছরের তুলনায় এবছরে তালিকায় খানিকটা নীচে নেমে এসেছে এই তিন বিশ্ববিদ্যালয়। আগের বছর দিল্লি বিশ্ববিদ্যালয় ৫০১- ৫১০ র‍্যাঙ্কে ছিল। জেএনইউ ৫৬১-৫৭০ র‍্যাঙ্কে ছিল। জামিয়া মিলিয়া ইসলামিয়া গত বছর ৭৫১-৮০০ র‍্যাঙ্কের ক্যাটাগরিতে ছিল। তার থেকে সামান্য পতন এই বছর।

    এছাড়াও হায়দ্রাবাদ বিশ্ববিদ্যালয় (৬৫১-৭০০ থেকে ৭৫১-৮০০), যাদবপুর বিশ্ববিদ্যালয় (JU) (৬৫১-৭০০ থেকে ৭০১-৭৫০), আইআইটি ভুবনেশ্বরেরও (৭০১-৭৫০ থেকে ৮০১-১০০০) তালিকায় কিছুটা পতন হয়েছে। চারটে আইআইটি তালিকায় এগিয়ে এসেছে। 

    তালিকায় ১৭২ নম্বরে রয়েছে আইআইটি বম্বে (IIT Bombay)। ১১ ধাপ এগিয়ে আইআইটি দিল্লি (IIT Delhi) উঠে এসেছে ১৭৪ নম্বরে। ১৩ ধাপ এগিয়ে আইআইটি কানপুর (IIT Kanpur) রয়েছে ২৬৪ নম্বরে। গত বছরের থেকে ৩১ ধাপ এগিয়ে আইআইটি রূড়কী (IIT Roorkee) ৩৬৯ নম্বরে। আইআইটি গুয়াহাটিরও তালিকায় ১১ ধাপ উত্থান হয়েছে। 

    সাইটেশন পার ফ্যাকাল্টির বিচারে তালিকায় এগিয়ে এসেছে দেশের ১৩টি বিশ্ববিদ্যালয়। স্টুডেন্ট রেশিও-র ভিত্তিতে বিশ্বের ২৫০ টি বিশ্ববিদ্যালয়ে জায়গা করে নিয়েছে দেশের দুই শিক্ষা প্রতিষ্ঠান।

     

     

  • UGC Update: সেরা বিদেশি প্রতিষ্ঠানের সঙ্গে শীঘ্রই যৌথ ডিগ্রি প্রদান ভারতীয় প্রতিষ্ঠানের : ইউজিসি চেয়ারম্যান

    UGC Update: সেরা বিদেশি প্রতিষ্ঠানের সঙ্গে শীঘ্রই যৌথ ডিগ্রি প্রদান ভারতীয় প্রতিষ্ঠানের : ইউজিসি চেয়ারম্যান

    মাধ্যম নিউজ ডেস্ক: উচ্চশিক্ষায় (Higher Education) এবার আরও দরজা খুলে যাচ্ছে ভারতীয় পড়ুয়াদের। খুব শীঘ্রই দেশের মাটিতে গড়ে উঠবে বিভিন্ন বিদেশি বিশ্ববিদ্যালয়ের ক্যাম্পাস। তার জন্য বিশেষ একটি প্যানেল তৈরি করা হয়েছে। দেশের প্রতিষ্ঠিত শিক্ষাপ্রতিষ্ঠান থেকে সদস্যদের নিয়ে ওই প্যানেল তৈরি করা হয়েছে। এটা এই কর্মসূচীর প্রথম ধাপ। এছাড়াও বিভিন্ন কোর্সে যৌথভাবে ডিগ্রি (Degree) প্রদান করতে পারে ভারত ও বিদেশি উচ্চশিক্ষা প্রতিষ্ঠানগুলি। এমনকী বিশ্ববিদ্যালয় মঞ্জুরি কমিশন (ইউজিসি) এর অনুমোদনের ভিত্তিতে একসঙ্গে কোনও প্রোগ্রামের সুবিধা দিতেও পারে। এমনই জানালেন ইউজিসি-র চেয়ারম্যান এম জগদীশ কুমার। মঙ্গলবার উচ্চশিক্ষা নিয়ন্ত্রকের এক বৈঠকে এই সিদ্ধান্ত নেওয়া হয়।

    ভারতের উচ্চ শিক্ষার মান বিশ্বমানের করার জন্য এক অন্যতম পদক্ষেপ নিল ইউজিসি। বহু শিক্ষার্থী আছেন যারা বিদেশে পড়াশোনা করতে চান, সে ক্ষেত্রে এবার নিজের দেশের মধ্যেই সমস্ত সুযোগ-সুবিধা পাওয়া যাবে অর্থাৎ আন্তর্জাতিক স্তরের শিক্ষা ব্যবস্থার কাঠামো গড়ে তুলতে চাইছে ইউজিসি । এই সংক্রান্ত বিধিমালা ইতিমধ্যেই অনুমোদন করা হয়েছে। এর ফলে শিক্ষার্থীরা ভারতে থাকতে পারবেন কিন্তু পড়াশোনা করতে পারবেন বিশ্বের শীর্ষস্থানীয় বিশ্ববিদ্যালয়ে। আসলেই ইউজিসি বিশ্বের যে কোন বিশ্ববিদ্যালয়ের সঙ্গে দেশের যে কোনো শীর্ষ বিদ্যালায়ের যৌথ কোর্স চালু করতে চলেছে। মঙ্গলবার সাংবাদিকদের সঙ্গে একটি আলোচনা চলাকালীন ইউজিসির সভাপতি এম জগদেশ কুমার এই নিয়মের অনুমোদনের কথা জানান। এছাড়াও তিনি জানিয়েছেন নতুন শিক্ষানীতিতেও এই সুপারিশ করা হয়েছে।

    এরপর এক সাংবাদিক বৈঠকে এম জগদীশ কুমার বলেন, “ন্যাশনাল অ্যাসেসমেন্ট অ্যান্ড অ্যাক্রিডিয়েশন কাউন্সিল অনুমোদিত যে কোনও ভারতীয় শিক্ষা প্রতিষ্ঠান যারা ন্যূনতম ৩.০১ স্কোর করেছে বা  সেরা ১০০ বিশ্ববিদ্যালয়ের ক্যাটেগরিতে রয়েছে অথবা ইনস্টিটিউট অফ এমিনেন্স পর্যায়ে রয়েছে, তারা টাইমস হায়ার এডুকেশন বা QS World University-র সেরা 500 বিদেশি প্রতিষ্ঠানের সঙ্গে সম্বন্বয় স্থাপন করতে পারে। ইউজিসি-র কাছ থেকে আগাম কোনও অনুমোদন ছাড়াই। এই প্রোগ্রামে ছাত্রদের বিদেশি প্রতিষ্ঠান থেকে ৩০ শতাংশের বেশি নম্বর পেতে হবে।”

LinkedIn
Share