Tag: Hindu Dharma

Hindu Dharma

  • Maha Shivratri 2024: শিবরাত্রি কেন পালন করা হয়? মহাদেবের মাথায় জল ঢালার কারণ জানেন?

    Maha Shivratri 2024: শিবরাত্রি কেন পালন করা হয়? মহাদেবের মাথায় জল ঢালার কারণ জানেন?

    মাধ্যম নিউজ ডেস্ক: চলতি বছরে শিবরাত্রির (Maha Shivratri 2024) চতুর্দশী তিথি শুরু হবে ৮ মার্চ রাত ০৯.৪৭ মিনিট থেকে চলবে পরের দিন ৯ মার্চ সন্ধ্যা ০৬ টা ১৭ মিনিট পর্যন্ত। শিবরাত্রির পুণ্য তিথিতে ভক্তরা মেতে ওঠেন মহাদেবের আরাধনায়। ভক্তরা শিবরাত্রির দিনে উপবাস পালন করেন এবং বিশ্বজুড়ে শিব মন্দিরগুলিতে পূজা করা হয়। কেন পালন করা হয় শিবরাত্রি?  শিবমহাপুরাণ অনুসারে, এই রাত্রেই শিব সৃষ্টি, স্থিতি ও প্রলয়ের মহা তাণ্ডব নৃত্য করেছিলেন। পৌরাণিক মত অনুসারে, মহর্ষি বেদব্যাস দ্বাপর যুগে শিবপুরাণকে ১৮ টি ভাগে ভাগ করেছিলেন। ভক্তদের বিশ্বাস, এই তিথিতেই শিব ও পার্বতীর বিবাহ সম্পন্ন হয়েছিল।

    মহা শিবরাত্রির তাৎপর্য

    সাধারণভাবে প্রতি মাসের কৃষ্ণপক্ষের চতুর্দশী তিথিতে শিবরাত্রি পালিত হয়, কিন্তু ফাল্গুন মাসের শিবরাত্রি, মহা শিবরাত্রি (Maha Shivratri 2024) নামে প্রসিদ্ধ। হিন্দু ধর্ম অনুসারে, ফাল্গুন মাসের কৃষ্ণপক্ষের চতুর্দশী তিথিতে শিবলিঙ্গ রূপে আবির্ভূত হয়েছিলেন মহাদেব। এই ব্রতে ভক্তরা শিবলিঙ্গে দুধ নিবেদন করেন এবং মোক্ষ প্রার্থনা করে। সারা রাত ধরে চলে ভক্তদের প্রার্থনা। শিবলিঙ্গকে স্নান করানোর জন্য মূলত গঙ্গাজল বা গঙ্গাজল মেশানো জল ব্যবহার করা হয়। শিবলিঙ্গের মাথায় অর্পণ করা হয় তিনটি পাতাযুক্ত যৌগিক বেলপাতা।

    কেন শিবলিঙ্গের ওপর জল ঢালা হয়?

    পুরাণ অনুসারে, দেবতা এবং অসুররা যখন অমৃত পাওয়ার জন্য সাগর মন্থন শুরু করেন, তখন সেখান থেকে উঠেছিল বিষ বা হলাহল। মহাবিশ্বের সমস্ত সৃষ্টিকে ধ্বংস করে দিতে পারত সেই হলাহল। দেবতা এবং দানবরা মিলে ভগবান শিবকে বিষ পান করার জন্য অনুরোধ করেন। মহাবিশ্বকে রক্ষা করতে মহাদেব দেবতা ও অসুরদের অনুরোধ মেনে নেন। এবং সেই বিষ পান করেন। এই বিষ মহাদেবের শরীর জুড়ে ছড়িয়ে পড়লে তীব্র পীড়া হতে পারতো। তাই, ভোলানাথকে যন্ত্রণা থেকে বাঁচানোর জন্য দেবী পার্বতী তাঁর গলায় হাত রাখেন। বিষ শরীর জুড়ে ছড়িয়ে পড়ার আগেই তা রোধ হয়ে যায়। শরীর জুড়ে হলাহল ছড়িয়ে না পড়লেও ভগবান শিবের গলায় থাকার কারণে তা তাঁর গলাকে নীল করে দিয়েছিল। একারণেই তাঁকে নীলকণ্ঠ বলা হয়ে থাকে। বিষের কারণে প্রচন্ড উত্তপ্ত হয়ে ওঠে মহাদেবের শরীর। তাই ভগবান বিষ্ণু সেই তাপ কমানোর জন্য দেবতাদের (Maha Shivratri 2024) নির্দেশ দেন শিবের মাথায় জল ঢালতে। ভক্তদের এই বিশ্বাস থেকেই আজও শিবের মাথায় জল ঢালার রীতি দেখা যায়।

     

    দেশের খবরদশের খবরসব খবরসবার আগে পেতে ফলো করুন আমাদের FacebookTwitter এবং Google News পেজ।

  • Maha Shivratri 2024: চলতি বছরে মার্চের ৮ ও ৯ তারিখ শিবরাত্রির তিথি, জানুন পুজোর শুভক্ষণ

    Maha Shivratri 2024: চলতি বছরে মার্চের ৮ ও ৯ তারিখ শিবরাত্রির তিথি, জানুন পুজোর শুভক্ষণ

    মাধ্যম নিউজ ডেস্ক: হাতে গোনা কয়েকটা দিন, তারপরেই আসছে মহা শিবরাত্রি। শিবভক্তরা ওই দিন মেতে উঠবেন দেবাদিদেবের (Maha Shivratri 2024) আরাধনায়। নিয়ম হল, ফাল্গুন মাসের কৃষ্ণপক্ষের চতুর্দশী তিথিতে মহা শিবরাত্রি পালিত হয়। ভক্তদের বিশ্বাস, এদিন শিবলিঙ্গ রূপে প্রকট হয়েছিলেন মহাদেব। বিবাহ বন্ধনে আবদ্ধ হয়েছিলেন পার্বতীর সঙ্গে। এই তিথিতে শিব-পার্বতীর পুজো করলে ব্যক্তিগত জীবন সুখ, সৌভাগ্যে ভরে ওঠে বলে ভক্তদের বিশ্বাস। মহা শিবরাত্রির তারিখ ও মাহাত্ম্য সম্পর্কে এখানে জেনে নেওয়া যাক। এছাড়াও এ বছরের মহা শিবরাত্রি একাধিক শুভ যোগের উপস্থিতিতে পালিত হবে। সে বিষয়েও এখানে বিস্তারিত আলোচনা করা হল। ২০২৪ সালের ৮ মার্চ রাত ৯টা ৫৭ মিনিটে শুরু হচ্ছে মহা শিবরাত্রি (Maha Shivratri 2024), সমাপ্ত হবে পরের দিন ৯ মার্চ সন্ধ্যা ৭টা ১৭ মিনিটে।

    চার প্রহরের পুজো

    ৮ মার্চ সন্ধ্যা থেকেই শুরু হয়ে যাবে মহা শিবরাত্রির চার প্রহরের পুজো। প্রথম প্রহর শুরু হবে সন্ধ্যা ৬টা ২৫ মিনিট থেকে রাত ৯টা ২৮ মিনিট পর্যন্ত। দ্বিতীয় প্রহর শুরু হবে রাত ৯টা ২৮ মিনিট থেকে রাত ১২টা ৩১ মিনিট পর্যন্ত। তৃতীয় প্রহরের পুজো শুরু হবে মাঝরাত ১২টা ৩১ মিনিট থেকে ভোররাত ৩টে ৩৪ মিনিট পর্যন্ত। চতুর্থ প্রহর ভোররাত ৩টে ৩৪ মিনিট থেকে সকাল ৬টা ৩৭ মিনিট পর্যন্ত চলবে। পুজোর সময় মনে রাখবেন শিবের (Maha Shivratri 2024)  পুজোর ক্ষেত্রে কিছু বিধি নিষেধ রয়েছে। হিন্দুশাস্ত্র মতে, কয়েকটি জিনিস আছে, যেগুলি অন্য দেবদেবীকে অর্পণ করা গেলেও, শিবকে করা যায় না। যেমন হলুদ ও সিঁদুর প্রায় সব দেবদেবীকে অর্পণ করা গেলেও, কখনই দেওয়া যায় না শিবকে।

    মহা শিবরাত্রির পুজোর নিয়ম

    শিবরাত্রিতে (Maha Shivratri 2024)  ব্রহ্ম মুহূর্তে উঠে শিব ও পার্বতীকে প্রণাম করে পুজোর সংকল্প গ্রহণ করুন। এর পর গঙ্গায় স্নান করুন। গঙ্গা দূরে থাকলে গঙ্গাজল মেশানো জলে স্নান করুন। নতুন ও পরিষ্কার পোশাক পরে সূর্যকে অঞ্জলি দিন। মন্দিরে গিয়ে দুধ, গঙ্গাজল দিয়ে শিবের অভিষেক করুন। এ ছাড়াও বাড়িতে একটি চৌকিতে লাল কাপড় বিছিয়ে দিন। তার উপর রাখুন শিব মূর্তি। দুধ-গঙ্গাজল দিয়ে সেই প্রতিমার অভিষেক করুন। এর পর পঞ্চোপচার নিয়মে শিব ও পার্বতীর অভিষেক করুন।

     

    দেশের খবরদশের খবরসব খবরসবার আগে পেতে ফলো করুন আমাদের FacebookTwitter এবং Google News পেজ।

  • Kartik Puja: নবদম্পতির বাড়িতে কেন কার্তিক ফেলা হয়? জানুন দেব সেনাপতির পৌরাণিক কাহিনী

    Kartik Puja: নবদম্পতির বাড়িতে কেন কার্তিক ফেলা হয়? জানুন দেব সেনাপতির পৌরাণিক কাহিনী

    মাধ্যম নিউজ ডেস্ক: নবদম্পতির বাড়ির সামনে কার্তিক (Kartik Puja) রেখে এসেছে, এমন বন্ধু আমাদের পরিচিত মহলে নিশ্চয়ই রয়েছে। স্বয়ং মহাদেব-পুত্র তাঁদের বাড়িতে এসেছেন বলে কথা! গৃহকর্তা বা কর্ত্রীকে তাই পরপর চার বছর এই পুজো করতে হয়। কিন্তু বাড়ির সামনে কার্তিক ঠাকুরই বা কেন রাখা হয়? নিছক মজার উদ্দেশ্যেই নবদম্পতির বাড়ির সামনে কার্তিক ঠাকুর রাখা হয় না। এর মধ্যে লোকাচার রয়েছে। কী সেই লোকাচার? নবদম্পতির কোলে যেন কার্তিকের মতো পুত্র আসে। হঠাৎ কার্তিকের মতো পুত্রের আকাঙ্খা কেন? এর জন্য আমাদের জানতে হবে একটি পৌরাণিক আখ্যান।

    কার্তিকের পৌরাণিক কাহিনী

    পুরাণ অনুযায়ী, দেবাদিদেব মহাদেবের পুত্র হলেন দেব সেনাপতি কার্তিক (Kartik Puja)। তাঁর অপর নাম স্কন্দ। স্কন্দমাতা মানে হল কার্তিকের মাতা। দেবী পার্বতীর এই রূপেরই পুজো করা হয় নবরাত্রির পঞ্চমীর দিন। পৌরাণিক আখ্যান অনুযায়ী, বজ্রাঙ্গ নামে এক অসুর রাজা ছিলেন। তিনি ছিলেন দিতির পুত্র। দেবতাদের রাজা ইন্দ্রকে বজ্রাঙ্গ সিংহাসনচ্যুত করে, বন্দি করেন। দেবতাদের প্রতি বজ্রাঙ্গের এই রোষ আসলে ছিল তাঁর প্রতিশোধ। কারণ ইতিপূর্বে দিতির অসংখ্য পুত্রকে মানে বজ্রাঙ্গের নিজ ভাইদের দেবতারা হত্যা করেছিল। বজ্রাঙ্গের হাতে বন্দি ইন্দ্রকে মুক্ত করতে আসেন ব্রহ্মা এবং কাশ্যপ মুনি। কাশ্যপ মুনি ছিলেন বজ্রাঙ্গের পিতা, অর্থাৎ দিতির স্বামী। ব্রহ্মা এবং কাশ্যপ মুনির অনুরোধে বজ্রাঙ্গ তখনকার মতো ইন্দ্রকে মুক্ত করেন। 

    দৈত্য হয়েও এমন দয়ার ভাব বজ্রাঙ্গের মধ্যে দেখতে পেয়ে ব্রহ্মা তাঁকে বরদান করতে ইচ্ছাপ্রকাশ করলেন। বজ্রাঙ্গ তখন তপস্বী হওয়ার বর প্রার্থনা করলেন এবং বাকি জীবন যেন তিনি ধর্ম পথে চলতে পারেন, সেই আশীর্বাদ ব্রহ্মার কাছে চাইলেন। ব্রহ্মা তাঁর মানসকন্যা বরাঙ্গীর সঙ্গে বজ্রাঙ্গের বিবাহ দিলেন। বজ্রাঙ্গ এবং বরাঙ্গী বনের মধ্যে কুটির বানিয়ে ধর্মকর্ম করতে লাগলেন। বজ্রাঙ্গ তপস্যায় রত থাকতেন এবং বরাঙ্গী গৃহকর্ম সম্পাদন করতেন।

    একদিন দেবরাজ ইন্দ্র ওই কুটিরের পাশ দিয়ে যেতে যেতে বরাঙ্গীকে দেখতে পেয়ে পুরনো অপমানের বদলা নিতে চাইলেন। কখনও বানর সেজে, কখনও ভেড়া বা কখনও সাপ হয়ে কুটির লন্ডভন্ড করতে লাগলেন। ক্রন্দনরত অবস্থায় বরাঙ্গী তাঁর স্বামী বজ্রাঙ্গকে এসব বিষয়ে বললে, বজ্রাঙ্গ ব্রহ্মাকে স্মরণ করলেন। ব্রহ্মা প্রকট হয়ে বর দিতে চাইলে বজ্রাঙ্গ বললেন, ‘‘আমাকে এমন পুত্র দিন, যে দেবতাদের উপর অত্যাচার করতে সমর্থ হবে।’’ ব্রহ্মা বজ্রাঙ্গের মনোমত বরদান করলেন। বরাঙ্গীর গর্ভে জন্ম হল তারক নামের অসুরের‌।

    পরবর্তীতে তারকাসুরের উপর ব্রহ্মার বরদান ছিল যে- ‘‘একমাত্র শিবের বালকপুত্র ছাড়া, কারও হাতে তিনি হত হবেন না।’’ ব্রহ্মার বরদানে অজেয়, অপ্রতিরোধ্য হয়ে ওঠেন তারকাসুর। কারণ তিনি জানতেন শিব কখনও বিবাহ করবেন না এবং ত্রিভুবনে ব্রহ্মার বরদানে তাঁকে হত্যা করতে পারে এমন ক্ষমতা কোনও দেবতা, মানুষ বা জীবজন্তুর নেই। তারকাসুর দেবলোক নিজের দখলে আনেন। দেবরাজ ইন্দ্র সিংহাসনচ্যুত হলেন। বিতাড়িত দেবতারা বুঝতে পারলেন শিবের বিয়ে দিতে পারলে তবে তাঁর পুত্রই তারকাসুরকে বধ করতে পারবেন।

    আয়োজন শুরু হল শিব-পার্বতীর বিবাহের। সেখানেও তারকাসুরের আক্রমণ হল। সেই সময় মাতা চন্দ্রঘন্টার রূপ ধারণ করে পার্বতী দেবী অসুরদের বিতাড়িত করেন। এরপর সুসম্পন্ন হয় শিব-পার্বতীর বিবাহ। জন্ম হয় কার্তিকের (Kartik Puja)। মাতা পার্বতী তখন হন স্কন্দমাতা অর্থাৎ কার্তিক জননী। দৈববাণী পেয়ে দেবরাজ ইন্দ্র কার্তিককে সেনাপতি নিযুক্ত করলেন। এক প্রবল যুদ্ধে কার্তিকের হাতে তারকাসুর হত হলেন। দেবতারা তাঁদের হৃত স্বর্গরাজ্য পুনরায় নিজেদের দখলে আনলেন। এমনটাই লেখা রয়েছে ‘স্কন্দপুরাণে’। শিব-পার্বতীর পুত্রের জন্মই হয়েছিল তারকাসুরের বধ এবং স্বর্গ রাজ্যে দেবতাদের অধিকার পুনঃপ্রতিষ্ঠা করার জন্য। তাই প্রতিটি সন্তান যেন ‘কার্তিক’ এর মতো হয় এই কামনায় বাড়ি বাড়ি পুজো হয় কার্তিকের।

    বাংলায় কার্তিক পুজো বেশ জনপ্রিয়

    বাংলায় কার্তিক পুজো (Kartik Puja) প্রায় সর্বত্রই হয়, এর মধ্যে হুগলির বাঁশবেড়িয়া এবং পূর্ব বর্ধমানের কাটোয়ার কার্তিক পুজো  ব্যাপক জনপ্রিয়। এই দুই জায়গায় কার্তিক পুজোকে কেন্দ্র করে উৎসবে মাতেন লাখ লাখ মানুষ। সুসজ্জিত আলোর মালা, মণ্ডপসজ্জার কারুকার্য, বিভিন্ন হিন্দু দেব-দেবীদের বিশালাকার প্রতিমার সঙ্গে থাকে নানা রকমের বাজনা। চলতি বছরে কাটোয়ার একাধিক পুজো মণ্ডপে আগের দিন থেকেই ভিড় লক্ষ্য করা যাচ্ছে। নিউ আপনজন, জনকল্যাণের মতো ক্লাবগুলিতে এবারও থিমের পুজো লক্ষ্য করা যাবে। কাটোয়ার কার্তিক পুজো রাজ্যজুড়ে জনপ্রিয় কার্তিক লড়াই নামে। ১৭৫০ নাগাদ ধুমধাম করে কাটোয়াতে কার্তিক পুজোর সূত্রপাত হয় বলে জানা যায়। অন্যদিকে বাঁশবেড়িয়াতেও কার্তিক পুজোর বেশ ধুমধাম চোখে পড়ছে। যেমন, চলতি বছরে ৪৮ বর্ষে পদার্পণ করছে বাঁশবেড়িয়ায় অনির্বাণের জামাই কার্তিক পুজো। বিগত বছরগুলিতে একের পর এক দারুণ থিম নিয়ে এসেছে এই অনির্বাণ। আর এবার তাদের থিম নয়া সংসদ ভবন।

     

    দেশের খবরদশের খবরসব খবরসবার আগে পেতে ফলো করুন আমাদের FacebookTwitter এবং Google News পেজ।

  • Kali Puja 2023: স্বপ্নে দেবীর দর্শন পেয়েছিলেন অন্নদা ঠাকুর, প্রতিষ্ঠা করেন আদ্যাপীঠের, জানুন ইতিহাস

    Kali Puja 2023: স্বপ্নে দেবীর দর্শন পেয়েছিলেন অন্নদা ঠাকুর, প্রতিষ্ঠা করেন আদ্যাপীঠের, জানুন ইতিহাস

    মাধ্যম নিউজ ডেস্ক: দক্ষিণেশ্বরের ভবতারিণী মন্দিরের কিছু দূরেই অবস্থান আদ্যাপীঠের (Kali Puja 2023)। এখানে দেবী কালী আদ্যাশক্তি মহামায়া রূপে বিরাজ করেন বলে ভক্তদের বিশ্বাস। কথিত আছে, এই মন্দিরটি প্রতিষ্ঠা করেন রামকৃষ্ণ পরমহংসদেবের শিষ্য শ্রী অন্নদা ঠাকুর (Kali Puja 2023)। আদ্যাপীঠ মঠের অবস্থান প্রায় ২৭ বিঘা জায়গা জুড়ে। এই পীঠের সঙ্গে জুড়ে রয়েছে অজস্র অলৌকিক কাহিনীও। দেবী আদ্যার মূর্তি ছাড়াও দেখতে পাওয়া যায় এখানে রাধাকৃষ্ণ এবং শ্রীরামকৃষ্ণদেবের মূর্তিও। গবেষকরা বলেন, মন্দিরের প্রতিষ্ঠাতা অন্নদা ঠাকুরের বাড়ি ছিল অধুনা বাংলাদেশের চট্টগ্রামে। তাঁর পৈতৃক নাম অন্নদাচরণ ভট্টাচার্য। বাংলার ১৩২১ সালে অন্নদা ঠাকুর চট্টগ্রাম থেকে কলকাতায় কবিরাজি পড়তে আসেন। এই সময়ে কলকাতার বর্তমান আমহার্স্ট স্ট্রিটে এক বন্ধুর বাড়িতে থাকতেন অন্নদাচরণ। সেখান থেকেই কবিরাজি পাস করেছিলেন বৃত্তি সমেত। তাঁর বন্ধুর বাবার সাহায্যে কবিরাজির চেম্বারও তৈরি করেছিলেন বলে জানা যায়।

    স্বপ্নাদেশে কী নির্দেশ পান অন্নদাশঙ্কর

    কথিত আছে, এই সময়ে অন্নদা ঠাকুরকে স্বপ্নাদেশ দেন আদ্যা মা। শ্রীরামকৃষ্ণ পরমহংসদেবও সেই স্বপ্নাদেশে এসেছিলেন। ওই স্বপ্নাদেশে, শ্রী রামকৃষ্ণ তাঁকে (অন্নদাচরণকে) ইডেন গার্ডেন্সে গিয়ে ঝিলের পাশে নারকেল এবং পাকুর গাছের কাছ থেকে কালি মূর্তি (Kali Puja 2023) নিয়ে আসতে বলেন। ঝিলের পাশ থেকে অন্নদাচরণ ১৮ ইঞ্চি আদ্যা মায়ের কোষ্ঠী পাথরের মূর্তি পান। ঘটনাক্রমে, সেদিন ছিল রামনবমী তিথি। রাতেই দেবী তাঁকে দেখা দিয়ে বলেন, ‘‘অন্নদা কাল বিজয়া দশমী, তুমি আমায় গঙ্গায় বিসর্জন দিও।’’ দেবীর এই কথা শুনে অন্নদা একপ্রকার আঁতকে ওঠে। সে ভাবতে থাকে পুজোপাঠ করিনি তাই হয়তো দেবী রাগ করে চলে যাচ্ছেন। তখন দেবী বলেন, ‘‘সহজ সরল প্রাণের ভাষায় যে ভক্ত নিজের ভোগ্য বস্তু আমাকে নিবেদন করেন সেটাই আমার পুজো। যদি কোনও ভক্ত আমার সামনে আদ্যাস্তোত্র পাঠ করে, তাহলে আমি বিশেষ আনন্দিত হই।’’ এরপরেই দেবী আদ্যাস্তোত্র পাঠ করেন, অন্নদা ঠাকুর তা লিখে রাখেন। স্বপ্নের মধ্যেই বিজয়া দশমীতে আদ্যা দেবীকে (Kali Puja 2023) বিসর্জন দেন অন্নদা। তবে স্বপ্নাদেশে পাওয়া সেই মাতৃমূর্তি ছবি নিজের মনে রেখে দিয়েছিলেন অন্নদা ঠাকুর। পরে তা থেকেই তৈরি হয় বর্তমান মূর্তিটি। বাংলার ১৩২৫ সালে শ্রীরামকৃষ্ণ পরমহংসদেব তাঁকে স্বপ্নেই সন্ন্যাসী দীক্ষা দেন বলে জানা যায়।

    আদ্যাপীঠের ভোগ

    আদ্যাপীঠে রাধা কৃষ্ণের জন্য সাড়ে ৩২ সের চালের রান্না হয়। দেবী আদ্যার জন্য সাড়ে ১২ সের চাল রান্না হয়। রামকৃষ্ণ পরমহংসদেবের রান্না হয় সাড়ে ১২ সের চালে। সেই ভোগ পঞ্চ ব্যঞ্জন এ নিবেদন করা হয়। এর সঙ্গে থাকে পরমান্ন ভোগ। অন্নদা ঠাকুরের নির্দেশ অনুযায়ী, বড় মন্দিরে ভোগ যায় না। মন্দিরের পাশে ভোগালয় তা সাজিয়ে রাখা হয়। সেখানেই নিবেদন করা হয় ভোগ। তিনি নির্দেশ দিয়েছিলেন, শুধুমাত্র পরমান্ন ভোগই যাবে দেবীর কাছে। আজও সেই রীতি বজায় রয়েছে আদ্যাপীঠে (Kali Puja 2023)। রাতে পরমান্ন ভোগ দেওয়া হয় ঘি এবং উৎকৃষ্ট চাল সহযোগে। বাংলার ১৩৩৫ সালে অন্নদা ঠাকুর পুরীতে প্রয়াত হন বলে জানা যায়। তাঁর ভক্তরা আজও পালন করে চলেছেন অন্নদা ঠাকুরের দেওয়া শিক্ষা।

     

    দেশের খবরদশের খবরসব খবরসবার আগে পেতে ফলো করুন আমাদের FacebookTwitter এবং Google News পেজ।

  • Dayanand Saraswati: বৈদিক আদর্শ পুনঃস্থাপনে ব্রতী হয়েছিলেন, প্রয়াণ দিবসে স্বামী দয়ানন্দ সরস্বতীর জীবনী

    Dayanand Saraswati: বৈদিক আদর্শ পুনঃস্থাপনে ব্রতী হয়েছিলেন, প্রয়াণ দিবসে স্বামী দয়ানন্দ সরস্বতীর জীবনী

    মাধ্যম নিউজ ডেস্ক: আর্য সমাজের প্রতিষ্ঠাতা স্বামী দয়ানন্দ সরস্বতীর (Dayanand Saraswati) প্রয়াণ দিবস আজ। দয়ানন্দ সরস্বতী জন্মগ্রহণ করেন ১২ ফেব্রুয়ারি ১৮২৪ সালে। উনবিংশ শতকের এই মহান কর্মযোগী দার্শনিক এবং সনাতন ধর্মের প্রচারক হিসাবে সামাজিক এবং শিক্ষামূলক বিভিন্ন সংস্কার আন্দোলনে নেতৃত্ব দিয়েছেন। তাঁর মূল বাণী ছিল, ‘বেদের যুগে ফিরে চলো’। এই আদর্শেই তিনি জীবন অতিবাহিত করেছেন। সমগ্র হিন্দু সমাজকে সংগঠিত করার ক্ষেত্রে তাঁর অবদান অনস্বীকার্য। ঊনবিংশ শতকের এই মহান কর্মযোগী মাত্র ৫৯ বছর বয়সে ৩০ অক্টোবর ১৮৮৩ সালে প্রয়াত হন।

    জন্ম ও প্রথম জীবন

    স্বামী দয়ানন্দ সরস্বতীর (Dayanand Saraswati) জন্ম ফাল্গুন মাসের কৃষ্ণ দশমী তিথিতে হয়েছিল বলে জানা যায়। বর্তমান গুজরাটের কাঠিয়ার নামক স্থান ছিল তাঁর পৈতৃক বাসস্থান। বাল্যকালে তাঁর নাম ছিল শঙ্কর তেওয়ারি। কর্শানজি লালজি তিওয়ারি ছিলেন তাঁর পিতা এবং মাতার নাম ছিল যশোদাবাঈ। ১৮৪৬ সালে মাত্র ২২ বছর বয়সেই তিনি জীবনের লক্ষ্য নির্ধারণ করে ফেলেন। সাংসারিক জীবনে আবদ্ধ না হওয়ার সিদ্ধান্ত তখনই নেন। স্বামী দয়ানন্দ সরস্বতী (Dayanand Saraswati) জীবনের পরবর্তী সময়কাল সত্যের সন্ধানে একজন সন্ন্যাসী হয়ে কাটান। এই সময়ে গুরু হিসাবে তিনি সান্নিধ্য লাভ করেন ব্রিজানন্দর। কথিত আছে, গুরুদক্ষিণা হিসেবে তিনি সনাতন সমাজে বেদের আদর্শকে পুনঃস্থাপনের ব্রত নেন।

    সামাজিক, ধর্মীয় এবং শিক্ষামূলক নানা সংস্কার আন্দোলন 

    সামাজিক, ধর্মীয় এবং শিক্ষামূলক নানা সংস্কার আন্দোলনের নেতৃত্ব দিয়েছেন দয়ানন্দ সরস্বতী। এর মধ্যে ১৮৭৫ খ্রিস্টাব্দে তিনি স্থাপন করেন আর্য সমাজ। যার মূল উদ্দেশ্য ছিল বেদের প্রচার এবং ব্যক্তি জীবন ও সমাজ জীবনের সর্বাঙ্গীন বিকাশ। বেদের যুগে ফিরে যাওয়া ছাড়াও আর্য সমাজের অন্যতম উদ্দেশ্য ছিল বর্ণবিদ্বেষের বিরুদ্ধে লড়াই। তিনি শুদ্ধি আন্দোলনও শুরু করেছিলেন। যে সমস্ত হিন্দুরা ধর্মান্তরিত হতেন, শুদ্ধি আন্দোলনের মাধ্যমে পুনরায় তাঁদের হিন্দু ধর্মে ফিরিয়ে আনা হতো।

    ‘বেদের যুগে ফিরে চলো’

    বৈদিক সাহিত্যের প্রচার এবং বৈদিক শিক্ষার জন্য সারা জীবন প্রয়াস চালিয়ে গিয়েছেন স্বামী দয়ানন্দ সরস্বতী (Dayanand Saraswati)। কারণ তিনি মনে করতেন যে হিন্দু ধর্মের আধ্যাত্মিকতা, শারীরিক, মানসিকভাবে যে কোনও হিন্দুর বিকাশ সম্ভব বেদকে অধ্যয়ন করে, বেদের অন্তর্নিহিত সত্যকে উপলব্ধি করে। আধুনিক শিক্ষা ব্যবস্থা এবং জ্ঞানের বিকাশের জন্য বৈদিক সাহিত্য অপরিহার্য বলেই তিনি মনে করতেন। বৈদিক সাহিত্যের প্রচারের জন্য তিনি স্কুল এবং কলেজ স্থাপনও করতেন। দয়ানন্দ সরস্বতী ‘সত্যার্থ প্রকাশ’ নামে একটি পত্রিকা বের করতেন। পত্রিকার মাধ্যমে সামাজিক এবং বিভিন্ন ধর্মীয় কুসংস্কারের বিরুদ্ধে তিনি আওয়াজ তুলতেন। এটা মনে করা হয় যে ভারতবর্ষের চরমপন্থী জাতীয়তাবাদের বিকাশেও স্বামী দয়ানন্দ সরস্বতীর চিন্তাধারা যথেষ্ট প্রভাব ফেলেছিল। পরবর্তীকালে লোকমান্য তিলক যে ‘স্বরাজ’-এর কথা বলতেন, সেই ধারনা তিনি স্বামী দয়ানন্দ সরস্বতীর (Dayanand Saraswati) কাছ থেকেই পেয়েছিলেন বলে মনে করা হয়।

     

    দেশের খবরদশের খবরসব খবরসবার আগে পেতে ফলো করুন আমাদের FacebookTwitter এবং Google News পেজ।

  • G20 Summit: ‘‘আমি একজন গর্বিত হিন্দু’’, ভারতে এসে মন্তব্য ব্রিটিশ প্রধানমন্ত্রীর

    G20 Summit: ‘‘আমি একজন গর্বিত হিন্দু’’, ভারতে এসে মন্তব্য ব্রিটিশ প্রধানমন্ত্রীর

    মাধ্যম নিউজ ডেস্ক: শনিবার শুরু হচ্ছে জি২০ শীর্ষ সম্মেলন (G20 Summit)। তার আগে শুক্রবারই ভারতে পা রেখেছেন ব্রিটিশ প্রধানমন্ত্রী ঋষি সুনক। এদিন বিভিন্ন সংবাদ সংস্থাকে ব্রিটিশ প্রধানমন্ত্রী জানিয়েছেন, তিনদিন তাঁর ভারত সফরে বেশ কতগুলি মন্দির দর্শনে যাওয়ার ইচ্ছা রয়েছে তাঁর। নিজেকে গর্বিত হিন্দুও বলেন ব্রিটিশ প্রধানমন্ত্রী। বিমানবন্দরের ব্রিটিশ প্রধানমন্ত্রীকে স্বাগত জানাতে হাজির ছিলেন কেন্দ্রীয় মন্ত্রী অশ্বিনী কুমার চৌবে। সেখানে ব্রিটিশ প্রধানমন্ত্রীর হাতে তুলে দেওয়া হয় ভাগবত গীতা, রুদ্রাক্ষ এবং হনুমান চল্লিশা। তাঁকে ‘জয় সিয়া রাম’ বলে সম্বোধনও করা হয়।

    আমি একজন গর্বিত হিন্দু

    ঋষি সুনক (G20 Summit) বলেন, ‘‘আমি এক জন গর্বিত হিন্দু। সে ভাবেই বড় হয়েছি। আমি সে রকমই রয়েছি। পরের ক’দিন এখানে থাকার সময় আশা করি কয়েকটি মন্দির দর্শন করতে পারব।’’

     ভারতীয় বংশোদ্ভূত ব্রিটিশ প্রধানমন্ত্রী এও জানিয়েছেন যে চলতি বছরের রাখিবন্ধন উৎসবে তিনি শামিল হয়েছিলেন নিজের পরিবারের সঙ্গে। যদিও কর্মসূচিতে ব্যস্ত থাকায় জন্মাষ্টমী সেভাবে পালন করতে পারেননি তিনি। তাঁর নিজের ভাষায়, ‘‘কয়েক দিন আগেই রাখীবন্ধন পালন করেছি। আমার বোন, তুতো বোনেরা রাখী পরিয়েছে। সব রাখী এখনও রয়েছে আমার কাছে। যদিও জন্মাষ্ঠমী পালনের সময় হয়নি। তবে আশা রয়েছে, এ বার কিছু মন্দির দর্শনে যেতে পারব।’’ কেন ধর্ম পালন গুরুত্বপূর্ণ তারও ব্যাখ্যা দিয়েছেন ব্রিটিশ প্রধানমন্ত্রী, তিনি বলেন, ‘‘যাঁরা জীবনে বিশ্বাস করেন, তাঁদের সকলকে সাহায্য করে ধর্মবিশ্বাস। বিশেষত আমার মতো যাঁদের কাজের চাপ খুব বেশি। সহনশীলতা, শক্তি জোগানোর জন্য বিশ্বাস থাকা জরুরি।’’

    জি২০ শীর্ষ সম্মেলন ঘিরে সেজে উঠেছে দিল্লি 

    ৯ এবং ১০ সেপ্টেম্বর জি২০ সম্মেলনকে (G20 Summit) ঘিরে সাজো সাজো রব দিল্লিতে (G20 Summit)। সম্মেলন স্থলে ইতিমধ্যে বসানো হয়েছে ২৭ ফুটের অষ্টধাতুর তৈরি নটরাজের মূর্তি। তিন দিন ধরে প্রধানমন্ত্রীর নরেন্দ্র মোদী ১৫টি দ্বিপাক্ষিক বৈঠকে অংশ নেবেন বলে জানা গিয়েছে। ইতিমধ্যে ভারতে এসেছেন বিভিন্ন দেশের রাষ্ট্রপ্রধান। শুক্রবার আমেরিকা থেকে এসে মোদির সঙ্গে দ্বিপাক্ষিক বৈঠক করেন প্রেসিডেন্ট জো  বাইডেন। দ্বিপাক্ষিক বৈঠকের (G20 Summit) কথা রয়েছে মরিশাস, বাংলাদেশের রাষ্ট্রনেতাদের সঙ্গেও। শনিবার ব্রিটেন, জাপান, জার্মানি, ইতালির রাষ্ট্রপ্রধানদের সঙ্গেও দ্বিপাক্ষিক বৈঠকে মিলিত হবেন প্রধানমন্ত্রী (G20 Summit)। ১০ সেপ্টেম্বর তাঁর দ্বিপাক্ষিক বৈঠক রয়েছে ফ্রান্সের প্রেসিডেন্ট ইমানুয়েল ম্যাঁক্রোর সঙ্গে।

     

    দেশের খবরদশের খবরসব খবরসবার আগে পেতে ফলো করুন আমাদের FacebookTwitter এবং Google News পেজ।

  • Narad Jayanti: জানেন কি প্রাচীন ভারতে বার্তাবাহক বা সাংবাদিকতার কাজ করতেন নারদ মুনি?

    Narad Jayanti: জানেন কি প্রাচীন ভারতে বার্তাবাহক বা সাংবাদিকতার কাজ করতেন নারদ মুনি?

    মাধ্যম নিউজ ডেস্ক: ভক্তি এবং আধ্যাত্মিকতার এক আলাদা গুরুত্ব রয়েছে হিন্দু সমাজে। ঈশ্বরের প্রতি সমর্পণভাব এটাই সনাতন ধর্মের চিরাচরিত প্রথা। হিমালয়ের উপত্যকা সারা ভারতবর্ষের সাধু সন্ন্যাসীদের কাছে অত্যন্ত প্রিয় স্থান। সাধনার উপযুক্ত স্থান। তাই অনেকে হিমালয় উপত্যকাকে বলেন দেবভূমি। ঋষি অষ্টবক্র, দেবর্ষি নারদ, মহর্ষি ব্যাস, পরশুরাম, গুরু গোরক্ষনাথ আরও অনেকেই এই তালিকায় আছেন।

    শনিবার ছিল নারদ জয়ন্তী (Narad Jayanti) 

    হিন্দু সংস্কৃতিতে দেবর্ষি নারদের (Narad Jayanti) একটি বিশেষ গুরুত্বপূর্ণ স্থান রয়েছে। যদি আমরা ভারতীয় সাহিত্যগুলোর দিকে তাকাই, তাহলে দেখতে পাবো যে অনেক শাস্ত্র এবং পুরাণে দেবর্ষি নারদের (Narad Jayanti) উল্লেখ রয়েছে। পুরাণ মতে, তিনি হলেন ব্রহ্মার পুত্র। ভগবান বিষ্ণুর একজন পরম ভক্ত এবং দেবগুরু বৃহস্পতির শিষ্য। পুরাণ অনুযায়ী তিনি একজন বার্তাবাহক এবং যিনি জন সংযোগ করে থাকেন। প্রাচীন আমলে ভাব এবং তথ্যের আদান-প্রদান করতেন। বর্তমানকালে আমরা যাকে সাংবাদিকতা বলে থাকি। দেবর্ষি নারদ (Narad Jayanti) একজন পন্ডিত ছিলেন, সঙ্গীতের প্রতি তাঁর বিশেষ অনুরাগ ছিল। তিনি রহস্য বিদ্যা সম্পর্কেও আগ্রহী ছিলেন বলে জানা যায়। ৮৪টি ভক্তি সূত্র তিনি রচনা করেছেন। স্বামী বিবেকানন্দ এই নারদ ভক্তি সূত্রের ওপর ভাষ্যও দিয়েছেন। আমাদের হিন্দু ধর্মে আলাদা আলাদা দেবতাকে আমরা এক বিশেষ বিশেষ কাজের দেবতা হিসেবে মান্যতা দিয়েছি। বিদ্যারস দেবী সরস্বতী, ধনের দেবী লক্ষ্মী, শক্তির জন্য আমরা উপাসনা করে থাকি হনুমানজি এবং মা দুর্গার। ঠিক একইভাবে সম্পাদনার কাজে নারদ মুনিকে স্মরণ করা উচিত। কারণ তিনিই ছিলেন বার্তাবাহক বা প্রাচীন ভারতের সাংবাদিক। ভারতের প্রথম হিন্দি সাপ্তাহিক পত্রিকা ‘উদন্ত মারটেন্ড’ প্রথম প্রকাশিত হয়েছিল ৩০ মে ১৮২৬ সালে। ঘটনাক্রমে, সেদিন ছিল বৈশাখ মাসের কৃষ্ণপক্ষের দ্বিতীয় তিথি যা নারদজয়ন্তী নামে প্রসিদ্ধ। বার্তাবাহক হিসেবে দেবতা-মানব-অসুর এই তিনের সঙ্গেই যোগাযোগ রাখতেন তিনি।

    নারদ পুরাণ, নারদ স্মৃতি, নারদ ভক্তি সূত্র এই সমস্ত কিছু পড়লে জানা যাবে সাংবাদিকতার নীতি এবং পদ্ধতি। দৈত্য থেকে মানব, মানব থেকে দেবতা প্রত্যেকের দরবারেই মহর্ষি নারদকে যেতে হতো খবর সংগ্রহের জন্য। এবং তাঁর কাজ ছিল, যে বার্তা তিনি পেতেন এবং যাঁর উদ্দেশ্যে পেতেন সেটা সেই নির্দিষ্ট জায়গা পর্যন্ত পৌঁছানো।

     

    দেশের খবর, দশের খবর, সব খবর, সবার আগে পেতে ফলো করুন আমাদের FacebookTwitter এবং Google News পেজ।

  • Basanti Puja 2024: চলতি বছরে বাসন্তী পুজো কবে? জেনে নিন পৌরাণিক আখ্যান

    Basanti Puja 2024: চলতি বছরে বাসন্তী পুজো কবে? জেনে নিন পৌরাণিক আখ্যান

    মাধ্যম নিউজ ডেস্ক: চৈত্র মাসের দুর্গা পুজো নামে পরিচিত বাসন্তী পুজো (Basanti Puja 2024)। শ্রী শ্রী চণ্ডীতে দুর্গার প্রথম পুজারী হিসেবে রাজা সুরথের নাম পাওয়া যায়। চলতি বছরে চৈত্র মাসের শুক্লপক্ষের প্রতিপদ তিথি পড়ছে ৮ এপ্রিল বেলা ২টো ১১ মিনিট থেকে। কিন্তু উদয়া তিথি মেনে নবরাত্রির ঘট স্থাপন হবে ৯ এপ্রিল। সেই হিসেবে ২০২৪ সালে ৯ এপ্রিল থেকেই শুরু হয়েছে চৈত্র নবরাত্রি। নবরাত্রির অবসান হবে ১৭ এপ্রিল। পুরো ৯ দিন ধরে চলবে চৈত্র নবরাত্রি পালন।

    দেবীর আগমন ঘোটকে

    শাস্ত্র মতে, দেবীর আসা ও যাওয়ার বাহনের উপর নির্ভর করে গোটা বছর কেমন কাটতে চলেছে মর্ত্যবাসীর। দেবী দুর্গা কোনও বছর ঘোড়া, কোনও বছর হাতি, আবার কোনও বছর নৌকায় আসেন। চলতি বছরে চৈত্র নবরাত্রিতে দেবীর আগমন (Basanti Puja 2024) হবে ঘোটক বা ঘোড়ায়। ঘোড়ায় চড়ে দেবীর মর্ত্যে আগমন জ্যোতিষ অনুসারে শুভ লক্ষণ হিসাবে মানা হয় না। এর ফলে ক্ষমতার পরিবর্তন ও অরাজক পরিস্থিতির সৃষ্টি হতে পারে।

    রামনবমীর তিথি 

    ২০২৪ সালে ১৬ এপ্রিল পড়ছে রামনবমীর তিথি। ওই দিন দুপুর ১টা ২৩ মিনিট থেকে শুরু হচ্ছে রামনবমীর তিথি। আর তিথি চলবে ১৭ এপ্রিল পর্যন্ত। ১৭ এপ্রিল দুপুর ৩টে ১৪ মিনিটে শেষ হচ্ছে রামনবমীর তিথি। হিন্দু শাস্ত্র অনুসারে উদয়া তিথিতে এই উৎসব (Basanti Puja 2024) পালিত হয়। সেই নিয়মেই ১৭ এপ্রিল রামনবমীর তিথি পালিত হবে।

    দুর্গা পুজোর পৌরাণিক আখ্যান

    একবার রাজা সুরথ প্রতিবেশী রাজ্যের আক্রমণে পরাজিত হন, এই সুযোগে তাঁর সভাসদরা লুঠপাঠ চালায়। নিজের লোকেদের এমন আচরণে তিনি হতাশ হয়ে যান। এই সময় তিনি নিরাশ হয়ে ঘুরতে ঘুরতে ঘুরতে ঘুরতে ঋষি মেধসের আশ্রমে পৌঁছান। ঋষি তাঁকে সেখানেই থাকতে বলেন। কিন্তু রাজার মনে কোনও শান্তি ছিল না। এর মধ্যে একদিন তাঁর সঙ্গে সমাধি বলে একজন বৈশ্যর দেখা হয়। সুরথ জানতে পারেন সমাধিকেও তাঁর স্ত্রী ও ছেলে বাড়ি থেকে তাড়িয়ে দিয়েছে, তবুও তিনি বউ ছেলের ভালো-মন্দ এখনও ভেবে চলেছেন। এমন পরিস্থিতি থেকে উদ্ধার পেতে কী করণীয়? ঋষির কাছে তা জানতে চান দুজনেই। ঋষি মহামায়ার আরাধনা করতে বলেন। সেই মতো রাজা বসন্তকালের শুক্লপক্ষে দেবী দুর্গার পুজো শুরু করেন। সেই সময় থেকে শুরু হয়েছিল বাসন্তী পুজো (Basanti Puja 2024)। এরপরেই রাজা সুরথ নিজের রাজ্য ফিরে পান। বৈশ্য সমাধি ফিরে পান নিজের পরিবার।

     

    দেশের খবর, দশের খবর, সব খবর, সবার আগে পেতে ফলো করুন আমাদের Facebook, Twitter এবং Google News পেজ।

  • Madras High Court: ‘‘মন্দির কোনও পিকনিক স্পট নয়’’, প্রবেশ নিষেধ অহিন্দুদের, জানাল মাদ্রাজ হাইকোর্ট

    Madras High Court: ‘‘মন্দির কোনও পিকনিক স্পট নয়’’, প্রবেশ নিষেধ অহিন্দুদের, জানাল মাদ্রাজ হাইকোর্ট

    মাধ্যম নিউজ ডেস্ক: ‘‘মন্দির কোনও চড়ুইভাতির জায়গা নয়, কিন্তু কিছু কিছু মানুষ মন্দিরকে পিকনিক স্পট হিসেবেই দেখেন।’’ মন্দির সংক্রান্ত একটি মামলায় মাদ্রাজ হাইকোর্ট (Madras High Court) এমনই পর্যবেক্ষণ করল। তাৎপর্যপূর্ণ এই পর্যবেক্ষণে তামিলনাড়ুর পালানি মন্দিরের গর্ভগৃহে অহিন্দুরা যাতে ভিড় না করেন সেই মর্মে সাইনবোর্ড লাগাতেও নির্দেশ দিয়েছে আদালত।

    কী বললেন বিচারপতি?

    প্রসঙ্গত, পালানি মন্দিরের তরফে মাদ্রাজ হাইকোর্টের (Madras High Court) দ্বারস্থ হয়েছিলেন জনৈক ডি সেথিলকুমার। এদিনই আদালত সাফ জানিয়ে দিয়েছে, তামিলনাড়ুর ওই নির্দিষ্ট মন্দিরের গর্ভগৃহে কোনওভাবেই প্রবেশ করতে পারবেন না অহিন্দুরা। এবং মন্দিরে ভিড় কমানোর জন্য শুধুমাত্র হিন্দু ধর্মাবলম্বীদের প্রবেশ অধিকার দিয়েছে আদালত। মঙ্গলবারই এই মামলাটির শুনানি ছিল বিচারপতি এস শ্রীমতির বেঞ্চে। দুই পক্ষের সওয়াল জবাবের পরে বিচারপতি নির্দেশ এই নির্দেশ দেন তামিলনাড়ু সরকারের উদ্দেশে। তিনি আরও জানিয়েছেন যে, একজন অহিন্দু মানুষ মন্দিরের গর্ভগৃহে ঢোকার অনুমতি তখনই পাবেন, যদি তিনি (অহিন্দু) সংশ্লিষ্ট কর্তৃপক্ষের কাছ থেকে কাছে অঙ্গীকারবদ্ধ হন যে তিনি দেবতার প্রতি বিশ্বাস রাখেন এবং হিন্দু ধর্মের রীতিনীতি অনুসরণ করেন। বিচারপতির নিজের কথায়, ‘‘মন্দিরের রীতিনীতি এবং এই রকমের অঙ্গীকারের ভিত্তিতে উল্লিখিত অহিন্দুদের মন্দিরে যাওয়ার অনুমতি দেওয়া যেতে পারে।’’ পাশাপাশি আদালত (Madras High Court) আরও জানিয়েছে, অহিন্দুরা মন্দির প্রাঙ্গণ দেখতে যেতেই পারেন। কিন্তু এটা মাথায় রাখতে হবে মন্দির কোনও চড়ুইভাতি করার জায়গা নয়। কোনওভাবেই যেন হিন্দু ধর্মাবলম্বীদের পুজো দেওয়া অথবা প্রার্থনায় বিঘ্ন না ঘটে, সেটা দেখতে আদালত নির্দেশ দিয়েছে রাজ্য সরকারকে।

    মামলার খুঁটিনাটি

    প্রসঙ্গত, ২০২৩ সালের জুন মাসেই পালানি মন্দির সংক্রান্ত মামলার জল গড়ায় মাদ্রাজ হাইকোর্টে (Madras High Court)। এক মুসলমান পরিবারের উদাহরণ টেনে এনে অহিন্দুদের যথেচ্ছভাবে প্রবেশ বন্ধ করার আবেদন জানান মামলাকারী। ওই মামলাকারীর দাবি ছিল, বেশ কয়েকজন মুসলমান মহিলা বোরখা পরে মন্দিরে এসেছিলেন। তাঁরা পাহাড়ের গায়ে অবস্থিত পলানি মন্দিরের একদম উঁচুতে যাওয়ার জন্য টিকিট কেনেন শুধুমাত্র ছবি তুলবেন বলে। অর্থাৎ তাদের ধর্মীয় বিশ্বাসে নায়, মন্দিরকে তাঁরা শুধুমাত্র একটি পর্যটনস্থল হিসেবে দেখছিলেন। মন্দির কর্তৃপক্ষ তাঁদের প্রবেশে বাধা দেয়। কিন্তু মহিলারা পাল্টা যুক্তি দেন যে এভাবে বাধা দেওয়া যায় না। কারণ মন্দির চত্বরে কোনও লিখিত নির্দেশ তাদের চোখে আসেনি। সরকার আগে নির্দেশ দিক এ বিষয়ে। যদিও রাজ্য সরকার সাইনবোর্ড লাগাতে চায়নি। অবশেষে এবার ওই মন্দিরে সাইনবোর্ড বসতে চলেছে আদালতের (Madras High Court) নির্দেশে।

     

    দেশের খবরদশের খবরসব খবরসবার আগে পেতে ফলো করুন আমাদের FacebookTwitter এবং Google News পেজ।

  • Ram Mandir: রামমন্দির উদ্বোধনকে কেন্দ্র করে বাংলায় ব্যাপক জনসংযোগ করবে আরএসএস

    Ram Mandir: রামমন্দির উদ্বোধনকে কেন্দ্র করে বাংলায় ব্যাপক জনসংযোগ করবে আরএসএস

    মাধ্যম নিউজ ডেস্ক: আগামী বছরের ২২ জানুয়ারি রাম মূর্তিতে প্রাণ প্রতিষ্ঠা করবেন নরেন্দ্র মোদি। রাম মন্দিরের (Ram Mandir) উদ্বোধন ঘিরে ভক্তদের মধ্যে উন্মাদনা এখন তুঙ্গে। বাংলাতেও রামমন্দিরের উদ্বোধনী অনুষ্ঠানকে সফল করতে আদাজল খেয়ে নেমেছে সঙ্ঘ পরিবার। বাংলাতে বাড়ি বাড়ি যাওয়ার কর্মসূচি নিয়েছে সঙ্ঘ। এছাড়াও উদ্বোধনের পর কয়েক হাজার ভক্তকে ট্রেনে চাপিয়ে রামমন্দির (Ram Mandir) দর্শন করাতে অযোধ্যাও নিয়ে যাওয়া হবে। প্রসঙ্গত, রাষ্ট্রীয় স্বয়ংসেবক সঙ্ঘের কার্যকারিণী বৈঠক গত মাসে গুজরাটের ভুজে বসেছিল। সেখানেই স্থির হয়েছে ১ থেকে ১৫ জানুয়ারি রামমন্দিরের ছবি হাতে ৫ লাখ গ্রামে জনসংযোগ করবে সঙ্ঘ।

    রামমন্দির দর্শন

    এ রাজ্যে সমাজের প্রতিটি বর্গের মানুষকে উদ্বোধনী অনুষ্ঠানে সামিল হওয়ার আবেদন জানাবে সঙ্ঘ। উদ্বোধনের দিন প্রতিটি ধর্মীয় প্রতিষ্ঠানে ছোট-বড় নানা উৎসবের আয়োজনও করবে সঙ্ঘ পরিবার। এমনটাই ঘোষণা করেছেন মোহন ভাগবত। চলতি বছরের বিজয়া দশমীর ভাষণেই একথা বলতে শোনা যায় সঙ্ঘ প্রধানকে। সূত্রের খবর, উদ্বোধন হয়ে যাওয়ার পর ২৬ জানুয়ারি থেকে ২২ ফেব্রুয়ারি পর্যন্ত রামমন্দির (Ram Mandir) দর্শনের কর্মসূচি নেবে সঙ্ঘ পরিবার। পশ্চিমবঙ্গ থেকে এই কর্মসূচিতে প্রায় ৬ হাজার ভক্তকে অযোধ্যায় নিয়ে যাওয়ার পরিকল্পনা চলছে। আপাতত সবকিছু ঠিকঠাক থাকলে ৬ ফেব্রুয়ারি বাংলার ভক্তরা রওনা দেবেন রামনগরীতে। বিশ্ব হিন্দু পরিষদের দক্ষিণবঙ্গের মুখপাত্র সৌরিশ মুখোপাধ্যায়ের কথায়, ‘‘সারা দেশের প্রতিটা প্রান্ত থেকে সমস্ত রাম ভক্তদের কাছে নিমন্ত্রণ নিয়ে যাব। প্রতিটা গ্রাম, শহর অলিতে-গলিতে যাব। সবাইকে বলব রাম মন্দির দেখতে আসুন।’’

    কী বলছেন বাংলার আরএসএস নেতা?

    এ বিষয়ে দক্ষিণবঙ্গের রাষ্ট্রীয় স্বয়ংসেবক সঙ্ঘের প্রান্ত প্রচার প্রমুখ বিপ্লব রায় বলেন, ‘‘বাংলায় আমরা ৪০ লক্ষ পরিবারে যাব। অযোধ্যার রামমন্দিরের (Ram Mandir) গর্ভগৃহের প্রাণ প্রতিষ্ঠার প্রসাদ নিয়ে বাড়ি বাড়ি যাব। ১ থেকে ১৫ জানুয়ারি এই কর্মসূচি চলবে। ১ জানুয়ারি কল্পতরু দিবসের দিন শুরু হবে। ১৫ জানুয়ারি মকর সংক্রান্তি পর্যন্ত চলবে। একইসঙ্গে রাম মন্দিরে যাওয়ার জন্য আমন্ত্রণপত্র নিয়ে যাব। মার্চ পর্যন্ত উদ্বোধনপর্ব চলবে। সেখানে এক একটা প্রান্তকে এক একটা সময় দেওয়া হবে। প্রতিদিন এক থেকে দেড় লক্ষ মানুষের ব্যবস্থা থাকবে যাতে সুষ্ঠুভাবে কর্মসূচি হয়। তার জন্য আবেদন করব, আপনারাও আসুন সময় করে। আমাদের সঙ্গে যোগাযোগ করে আসুন।’’

     

    দেশের খবর, দশের খবর, সব খবর, সবার আগে পেতে ফলো করুন আমাদের Facebook, Twitter এবং Google News পেজ।

LinkedIn
Share