Tag: hindu

hindu

  • Bangladesh Crisis: “ধর্মনিরপেক্ষ, অথচ রাষ্ট্রধর্ম ইসলাম কী করে?” প্রশ্ন বাংলাদেশের প্রাক্তন প্রধান বিচারপতির

    Bangladesh Crisis: “ধর্মনিরপেক্ষ, অথচ রাষ্ট্রধর্ম ইসলাম কী করে?” প্রশ্ন বাংলাদেশের প্রাক্তন প্রধান বিচারপতির

    মাধ্যম নিউজ ডেস্ক: বাংলাদেশে বারবার হিংসার শিকার হন হিন্দুরা। এর বীজ লুকিয়ে আছে বাংলাদেশের (Bangladesh Crisis) সংবিধানেই। এমনই মত প্রকাশ করলেন বাংলাদশের প্রাক্তন প্রধান বিচারপতি, সুরেন্দ্রকুমার সিনহা। তাঁর মতে একটি রাষ্ট্র ধর্মনিরপেক্ষ হলে কী করে তার রাষ্ট্রীয় ধর্ম ইসলাম হয়? তিনি বলেন, “আপনার (সংবিধানে) ধর্মনিরপেক্ষতা থাকবে কিন্তু আপনি ইসলামকেও রাষ্ট্রধর্ম হিসেবে রেখে দেবেন—দুটো বিষয় তো একসঙ্গে চলতে পারে না।” তাঁর মতে, বাংলাদেশকে সেক্যুলার হতে আরও অনেক পথ পাড়ি দিতে হবে। 

    সত্যিই কি ধর্মনিরপেক্ষ(Bangladesh Crisis) 

    বাংলাদেশের (Bangladesh Crisis)  প্রাক্তন প্রধান বিচারপতি, সুরেন্দ্রকুমার সিনহার মতে, শেখ হাসিনার একটি পদক্ষেপেই হিন্দু ও অন্যান্য সংখ্যালঘুদের নিরাপত্তা বিঘ্নিত হয়েছে। ১৯৭১ সালে বাংলাদেশ গঠনের সময় দেশটিকে ধর্মনিরপেক্ষ দেশ হিসেবেই প্রতিষ্ঠা করেছিলেন শেখ মুজিবুর রহমান। বাংলাদেশের সংবিধানে ধর্মনিরপেক্ষতা ছিল এক মৌলিক বিষয়। তবে, ১৯৮৮ সালে সামরিক শাসক এরশাদ সংবিধান সংশোধন করে বাংলাদেশকে মুসলিম দেশ হিসেবে ঘোষণা করেছিলেন। এরশাদের বিদায়ের পরও দীর্ঘদিন বাংলাদেশের পরিচয় মুসলিম দেশই ছিল। এই সময় খালেদা জিয়া, শেখ হাসিনা দুজনেই দেশকে নেতৃত্ব দিয়েছিলেন। ২০১১ সালে, দ্বিতীয়বার প্রধানমন্ত্রী হওয়ার সময়, শেখ হাসিনা বাংলাদেশের সংবিধান ফের সংশোধন করে বাংলাদেশ সংবিধানের মৌলিক বিষয় হিসেবে বাংলাদেশের ধর্মনিরপেক্ষ পরিচয় পুনরুদ্ধার করেছিলেন। তবে, একইসঙ্গে তিনি ঘোষণা করেছিলেন, ইসলাম বাংলাদেশের রাষ্ট্রধর্ম হিসেবেই থাকবে।

    সুরক্ষিত হিন্দুরা!

    হাসিনা সরকারের আকস্মিক পতনের পর, বাংলাদেশে হিন্দুদের (Bangladeshi Hindu) ওপর অত্যাচার চলছে। সম্প্রতি হিন্দুদের উপর হামলায় জড়িতদের বিরুদ্ধে দ্রুত আইনি ব্যবস্থা নেওয়া হবে বলে আশ্বাস দিয়েছেন অন্তর্বর্তী সরকারের স্বরাষ্ট্র মন্ত্রকের উপদেষ্টা। ইসকন বাংলাদেশের প্রতিনিধিদের সঙ্গে বৈঠকে বসেছিলেন স্বরাষ্ট্র উপদেষ্টা অবসরপ্রাপ্ত ব্রিগেডিয়ার জেনারেল এম শাখাওয়াত হোসেন। সেখানে তিনি জানান, বাংলাদেশে হিংসা, ঘৃণা বা সংঘাতের কোনও স্থান নেই। হোসেন আরও জানান, বাংলাদেশ সাম্প্রদায়িক সম্প্রীতির দেশ। সব ধর্মের মানুষ এখানে কোনও ভেদাভেদ ছাড়াই বাস করেন। বৈঠকে ইসকন বাংলাদেশের সভাপতি সত্যরঞ্জন বাড়ই উপদেষ্টাকে হিন্দুদের নিরাপত্তার দাবি জানান। পাশাপাশি আট দফা দাবিও পেশ করা হয়। তাতে সংখ্যালঘু সুরক্ষায় নতুন আইন তৈরি, সংখ্যালঘু সেল তৈরি, সংখ্যালঘু কমিশন গঠন এবং মন্দিরের জন্য সরকারি সুরক্ষার  দাবি জানানো হয়েছে। তবে, সরকার হিন্দুদের সুরক্ষায় যতই আশ্বাস বাণী শোনাক, সাধারণ মানুষ কিন্তু অন্য কথাই বলছেন। বাংলাদেশের হিন্দুদের অভিযোগ, নিরাপত্তার বদলে মোটা টাকা দাবি করা হচ্ছে। 

    রাষ্ট্রধর্ম বাতিলের দাবি 

    বাংলাদেশে হিন্দুদের (Bangladeshi Hindu) উপর অত্যাচার প্রসঙ্গে সুরেন্দ্র কুমার সিনহা বলেন, “রাষ্ট্রধর্ম হিসেবে আমরা ইসলামকে রাখব এবং সেই সঙ্গে বলব আমাদের দেশ ধর্মনিরপেক্ষ। এটা একসঙ্গে চলতে পারে না। বাংলাদেশকে সত্যিকারের ধর্মনিরপেক্ষ দেশে পরিণত করতে চাইলে রাষ্ট্রধর্ম বাতিল করতে হবে। আপনার ধর্মনিরপেক্ষতাও থাকবে, কিন্তু সংবিধানে ইসলামকে রাষ্ট্রধর্ম বলা হবে, দুটো একসঙ্গে চলতে পারে না।” আর এই দুই নৌকোয় পা দিয়ে চলা বন্ধ না হলে, হিন্দু ও অন্যান্য সংখ্যালঘুদের উপর অত্যাচারও বন্ধ হবে না বলে মত তাঁর। সুরেন্দ্র কুমার সিনহা এখনও পর্যন্ত একমাত্র হিন্দু, যিনি বাংলাদেশের প্রধান বিচারপতি হয়েছেন। তবে, ২০১৭ সালে তাঁর সঙ্গে হাসিনা সরকারের বিবাদ বেধেছিল। শেষ পর্যন্ত দুর্নীতির দায় নিয়ে তাঁকে পদত্যগ করতে হয়েছিল।

    আরও পড়ুন: আরজি কর কাণ্ডের জের! ডাক্তারদের ওপর হামলা হলেই কঠোর সাজা, আইন আনছে কেন্দ্র

    সম্পত্তি আইন নিয়ে প্রশ্ন

    বাংলাদেশের সম্পত্তি আইন নিয়েও প্রশ্ন তুলেছেন সুরেন্দ্র কুমার সিনহা। এতে হিন্দুদের ক্ষতি হচ্ছে বলে দাবি করেছেন তিনি। তিনি বলেছেন, “ধর্মনিরপেক্ষ দেশে সম্পত্তি আইনের মতো আইন থাকতে পারে না। এই আইনের বলে হিন্দুদের সম্পত্তি বাজেয়াপ্ত করা হচ্ছে। একইভাবে, হিন্দু মন্দির পরিচালনার জন্য আলাদা আইন থাকতে পারে না। যদি সত্যিকারের গণতন্ত্র, আইনের শাসন এবং সাম্য বজায় থাকে, তবেই বাংলাদেশে হিন্দুরা নিরাপদে থাকবে।” 

     

    দেশের খবর, দশের খবর, সব খবর, সবার আগে পেতে ফলো করুন আমাদের  Whatsapp, FacebookTwitter, Telegram এবং Google News পেজ।

  • Bangladesh Crisis: ‘বাঁচতে চাইলে দিতে হবে টাকা’! বাংলাদেশে হিন্দুদেরকে হুমকি, দেশ ছাড়ার নির্দেশ

    Bangladesh Crisis: ‘বাঁচতে চাইলে দিতে হবে টাকা’! বাংলাদেশে হিন্দুদেরকে হুমকি, দেশ ছাড়ার নির্দেশ

    মাধ্যম নিউজ ডেস্ক: বাংলাদেশে (Bangladesh Crisis) অন্তর্বর্তীকালীন সরকারের প্রধান মহম্মদ ইউনূস শান্তি ফেরানোর কথা বললেও এখনও পর্যন্ত পদ্মাপারে সুরক্ষিত নন হিন্দুরা (Hindu in Bangladesh)। অভিযোগ, নিরাপত্তা দানের জন্য তাঁদের থেকে লক্ষাধিক টাকা দাবি করা হচ্ছে। টাকা না দিলে মিলছে প্রাণনাশের হুমকি। বলা হচ্ছে, বাংলাদেশ সংখ্যালঘুদের জন্য নয়, আর যদি তাঁরা এখানে থাকতে চান তবে তাঁদের ‘চাঁদা’ দিয়ে থাকতে হবে। এমনই জানালেন ঢাকায় কর্মরত এক হিন্দু ইঞ্জিনিয়ার। যিনি শিক্ষার্থী ভিসায় ভারতে এসে মহারাষ্ট্রের একটি কলেজ থেকে ইঞ্জিনিয়ারিংয়ে স্নাতক হন। এখন ঢাকায় কাজ করছেন। সম্প্রতি দেশে পালাবদলের পর আতঙ্কে দিন কাটাচ্ছেন ওই যুবক।

    হিন্দু ইঞ্জিনিয়ারের অভিযোগ

    ওই হিন্দু ইঞ্জিনিয়ারের বাড়ি ঢাকা থেকে প্রায় ২৫০ কিলোমিটার দূরে চট্টগ্রামে। সম্প্রতি তাঁরা একাধিক হুমকি ফোন কল পান, যেখানে তাঁদের লক্ষাধিক টাকা না দিলে বা বাংলাদেশ (Bangladesh Crisis) ছেড়ে না গেলে প্রাণনাশের হুমকি দেওয়া হয়। তাঁর কথায়, “আমার বাবা-মা বাংলাদেশের বন্দরনগরীর এক কলোনিতে থাকেন, যেখানে অন্যান্য হিন্দুরাও বসবাস করেন। সংখ্যালঘুদের বাড়িগুলি চিহ্নিত করা হয়েছে এবং মালিকদের কাছে ৫ লক্ষ টাকা চাঁদা দাবি করা হয়েছে। ফোনে বলা হয়েছে, টাকা দিতে না পারলে দেশ ছেড়ে চলে যেতে বা মৃত্যুর মুখোমুখি হতে।” 

    আরও পড়ুন: মধ্যরাতে আরজি করে তাণ্ডব, ভয়ে রোগীর চাদরের তলায় লুকিয়েছিল মমতার পুলিশ!

    শঙ্কিত হিন্দুরা

    ওই হুমকিদাতা নিজেকে একটি ইসলামি গোষ্ঠীর সদস্য হিসেবে পরিচয় দেন বলেও জানা যায়। চট্টগ্রামের আরও অনেকে একই ধরনের কল পেয়েছেন। ওই হিন্দু ইঞ্জিনিয়ারের কথায়, “আমি চাকরির কারণে ঢাকায় চলে এসেছি, কিন্তু আমার বাবা-মা এবং আত্মীয়স্বজনরা তাদের নিজ শহর চট্টগ্রামে রয়ে গিয়েছেন। গ্রামীণ বাংলাদেশে (Bangladesh Crisis) সংখ্যালঘুদের হত্যা করা হচ্ছে। তাদের ঘরবাড়ি লুট হয়ে যাচ্ছে, তবে শহরে বসবাসকারীরা কিছুটা নিরাপদ।” বাংলাদেশের শহুরে এলাকায় সংখ্যালঘুরা (Hindu in Bangladesh) এখনও রাস্তায় চলাচল করতে পারে, তবে উদ্বেগ স্পষ্ট। হিন্দু, বৌদ্ধ এবং খ্রিস্টানরা নীরবে থাকেন এবং জনসমক্ষে রাজনৈতিক বিশৃঙ্খলা নিয়ে কথা বলা এড়িয়ে চলেন। ওই ইঞ্জিনিয়ার দ্রুত ভারতে ফিরতে চান। সেজন্য ভিসারও আবেদন করেছেন তিনি।

     

    দেশের খবর, দশের খবর, সব খবর, সবার আগে পেতে ফলো করুন আমাদের  Whatsapp, FacebookTwitter, Telegram এবং Google News পেজ।

  • Mohan Bhagwat: “কারণ ছাড়াই টার্গেট করা হচ্ছে হিন্দুদের”, বাংলাদেশ নিয়ে বললেন মোহন ভাগবত

    Mohan Bhagwat: “কারণ ছাড়াই টার্গেট করা হচ্ছে হিন্দুদের”, বাংলাদেশ নিয়ে বললেন মোহন ভাগবত

    মাধ্যম নিউজ ডেস্ক: “কোনও কারণ ছাড়াই টার্গেট করা হচ্ছে হিন্দুদের।” বৃহস্পতিবার কথাগুলি বললেন আরএসএস প্রধান মোহন ভাগবত। তিনি বলেন, “তাঁরা যাতে কোনও (Bangladesh Crisis) অবিচার ও নৃশংসতার শিকার না হন, তা নিশ্চিত করার দায় রয়েছে আমাদের দেশেরও।”

    হিন্দুরাই টার্গেট (Mohan Bhagwat)

    এদিন স্বাধীনতা দিবস উপলক্ষে অনুষ্ঠানের আয়োজন করা হয়েছিল নাগপুরের মহল এলাকায়, আরএসএসের সদর দফতরে। সেখানেই তিনি বলেন, “আগামী প্রজন্মের কর্তব্য হল ‘স্বতন্ত্রে’র (স্বাধীনতা) ‘স্ব’ (নিজের)-কে রক্ষা করা। কারণ পৃথিবীতে এমন অনেক লোক আছে, যারা সব সময় অন্য দেশকে ডমিনেট করতে চায়। এ ব্যাপারে আমাদের সতর্ক থাকতে হবে, যত্নবান হতে হবে। তাদের হাত থেকে আমাদের নিজেদের রক্ষা করতে হবে।” সরসঙ্ঘচালক বলেন, “পরিস্থিতি যে সব সময় একই রকম থাকবে, তা নয়। কখনও কখনও এটা ভালো, অন্যের পক্ষে সেটা ভালো নাও হতে পারে। এই উত্থান-পতন চলতেই থাকবে।” ভাগবত বলেন, “আমরা এখন এই পরিস্থিতিই দেখতে পাচ্ছি। প্রতিবেশী দেশে প্রচুর হিংসার ঘটনা ঘটছে। সেখানে যেসব হিন্দু বাস করেন, কোনও কারণ ছাড়াই তাঁদের টার্গেট করা হচ্ছে।” ভাগবত (Mohan Bhagwat) এক বারের জন্যও বাংলাদেশের নাম না নিলেও, তাঁর আক্রমণের অভিমুখ যে বাংলাদেশের দিকেই, তা স্পষ্ট।

    ভারতের ঐতিহ্য

    আরএসএস প্রধান বলেন, “অন্যদের সাহায্য করার ঐতিহ্য রয়েছে ভারতের। আমরা গত কয়েক বছরে দেখেছি, ভারত কখনও কাউকে আক্রমণ করেনি। তারা আমাদের সঙ্গে যেমনই আচরণ করুক না কেন, তাদের সাহায্য করেছে। এই পরিস্থিতিতেও আমরা দেখেছি, আমাদের দেশ নিরাপদেই রয়েছে। একই সঙ্গে অন্য দেশকে সাহায্য করছে।” এর পরেই সরসঙ্ঘচালক বলেন, “আমাদের দেশের দায়িত্ব রয়েছে তাদের বাঁচানোর, যাঁরা ভিন দেশে নৃশংসতার শিকার হচ্ছেন।” তিনি বলেন, “কিছু ক্ষেত্রে সরকারকে তার নিজের লেভেলে দেখতে হয়। তবে এটি তখনই শক্তি পায় যখন সমাজ তার দায়িত্ব পালন করে। দেশের প্রতি অঙ্গীকার প্রদর্শন করে।”

    আরও পড়ুন: “বাংলাদেশের সংখ্যালঘু হিন্দুদের অবশ্যই বাঁচাতে হবে”, স্বাধীনতা দিবসের ভাষণে মোদি

    প্রসঙ্গত, সংরক্ষণকে কেন্দ্র করে অশান্ত হয়ে ওঠে বাংলাদেশ। অশান্তির আঁচ থেকে বাঁচতে প্রধানমন্ত্রী পদে ইস্তফা দিয়ে দেশ ছাড়েন শেখ হাসিনা। এর আগে-পরে বাংলাদেশে ব্যাপক অত্যাচার হয় হিন্দুদের ওপর। সেই প্রসঙ্গেই এদিন (Bangladesh Crisis) ভাগবতের এহেন মন্তব্য বলে ধারণা ওয়াকিবহাল মহলের (Mohan Bhagwat)।

     

    দেশের খবর, দশের খবর, সব খবর, সবার আগে পেতে ফলো করুন আমাদের  Whatsapp, FacebookTwitter, Telegram এবং Google News পেজ।      

  • PM Modi: “বাংলাদেশের সংখ্যালঘু হিন্দুদের অবশ্যই বাঁচাতে হবে”, স্বাধীনতা দিবসের ভাষণে মোদি

    PM Modi: “বাংলাদেশের সংখ্যালঘু হিন্দুদের অবশ্যই বাঁচাতে হবে”, স্বাধীনতা দিবসের ভাষণে মোদি

    মাধ্যম নিউজ ডেস্ক: “বাংলাদেশের (Bangladesh Crisis) সংখ্যালঘু হিন্দুদের অবশ্যই বাঁচাতে হবে।” স্বাধীনতা দিবসে জাতির উদ্দেশে ভাষণ দিতে গিয়ে কথাগুলি বললেন প্রধানমন্ত্রী নরেন্দ্র মোদি (PM Modi)। বৃহস্পতিবার ৭৮তম স্বাধীনতা দিবস উপলক্ষে আয়োজিত অনুষ্ঠানে লালকেল্লা থেকে জাতির উদ্দেশে ভাষণ দেন প্রধানমন্ত্রী।

    কী বললেন প্রধানমন্ত্রী? (PM Modi)

    সেই সময়ই তিনি বলেন, “একটি প্রতিবেশী দেশ হিসেবে, আমি বাংলাদেশে যা কিছু ঘটেছে, তা নিয়ে উদ্বেগ বুঝতে পারি। আমি আশা করি, সেখানকার পরিস্থিতি দ্রুত স্বাভাবিক হবে। সেখানে হিন্দু ও সংখ্যালঘুদের নিরাপত্তা নিশ্চিত করতে ১৪০ কোটি দেশবাসীর উদ্বেগ – ভারত সব সময় চায় আমাদের প্রতিবেশী দেশগুলি সমৃদ্ধি ও শান্তির পথে হাঁটুক।” তিনি বলেন, “আমরা শান্তির প্রতি দায়বদ্ধ। আগামী দিনে বাংলাদেশের বিকাশ যাত্রার শুভ কামনা করি আমরা। কারণ আমরা মানবতার কল্যাণ কামনা করি।”

    ইউনূসকে কী বলেছিলেন মোদি

    সংরক্ষণকে কেন্দ্র করে আন্দোলনের জেরে অশান্ত হয়েছিল বাংলাদেশ। শুরু হয় হিন্দু নিধন যজ্ঞ। আন্দোলনের তীব্রতার জেরে প্রধানমন্ত্রী পদে ইস্তফা দিয়ে দেশ ছাড়েন শেখ হাসিনা। তার পরেই পদ্মাপারের দেশে গঠিত হয় অন্তর্বর্তী সরকার। এই সরকারের প্রধান নোবেল জয়ী মহম্মদ ইউনূস। ইউনূসকে শুভেচ্ছা জানান প্রধানমন্ত্রী নরেন্দ্র মোদি (PM Modi)। তিনি বলেছিলেন, “আমরা আশা করি, দ্রুত স্বাভাবিকতা ফিরবে। হিন্দুদের নিরাপত্তা ও সুরক্ষা নিশ্চিত করবেন। অন্যান্য সংখ্যালঘু সম্প্রদায়েরও নিরাপত্তা নিশ্চিত করবেন।”

    আরও পড়ুন: রাতের রাজপথে জনজাগরণ, তৃণমূলের বুকে ধরল কাঁপন

    এদিকে, বুধবার লখনউতে দেশভাগের ভয়াবহ স্মরণ দিবসের অনুষ্ঠানে যোগ দিয়েছিলেন উত্তরপ্রদেশের মুখ্যমন্ত্রী যোগী আদিত্যনাথ। তিনি বলেছিলেন, “তারিখ এবং মুখগুলো হয়তো বদলে গিয়েছে। তবে ঘটনার প্রকৃতি ১৯৪৭ সালের মতোই। এটা এখনও ঘটছে পাকিস্তানে। বাংলাদেশেও হচ্ছে।” উত্তরপ্রদেশের মুখ্যমন্ত্রী বলেন, “সেই সময় ১০ লাখ হিন্দু ও শিখকে হত্যা করা হয়েছিল। আজও আমরা একইভাবে অগ্নিসংযোগ, লুটপাট ও মেয়ে-বোনদের হয়রান হতে দেখছি।” তাঁর প্রশ্ন, “অতীতের ভুল থেকে আমরা কবে শিক্ষা নেব?” তিনি বলেন, “বাংলাদেশে তাদের সম্মান বাঁচাতে দেড় কোটিরও বেশি হিন্দু কাঁদছে।” আদিত্যনাথ বলেন, “ভারতের তথাকথিত ধর্মনিরপেক্ষরা একটি শব্দও উচ্চারণ করছে না। দুর্বলদের জন্য আওয়াজ (Bangladesh Crisis) তুললে পাছে তাদের ভোটব্যাঙ্কে ধস নামে, তাই। তারা কেবল ভোটব্যাঙ্ক নিয়েই চিন্তিত (PM Modi)।”

     

    দেশের খবর, দশের খবর, সব খবর, সবার আগে পেতে ফলো করুন আমাদের  Whatsapp, FacebookTwitter, Telegram এবং Google News পেজ।

      

  • Bangladesh Crisis: মেহেরপুর ইসকন মন্দিরে মুসলিমদের আক্রমণ, বাঁচতে কুয়োতে ঝাঁপ হিন্দুদের!

    Bangladesh Crisis: মেহেরপুর ইসকন মন্দিরে মুসলিমদের আক্রমণ, বাঁচতে কুয়োতে ঝাঁপ হিন্দুদের!

    মাধ্যম নিউজ ডেস্ক: বাংলাদেশের (Bangladesh Crisis) মেহেরপুর ইসকন মন্দিরে (Meherpur ISKCON temple) কট্টর মৌলবাদী মুসলিমদের দ্বারা সংগঠিত দাঙ্গা থেকে বাঁচতে হিন্দুরা একটি কুয়োয় ঝাঁপ দেন। এই পৈশাচিক হামলার বিবরণ সংবাদমাধ্যমের দৌলতে প্রকাশ্যে এসেছে। এই মর্মান্তিক ঘটনা প্রমাণ করে দেয়, শেখ হাসিনা পদত্যাগ করার পর সেই দেশের সংখ্যালঘু হিন্দুদের ওপর কতটা নির্মম অত্যাচার নেমে এসেছে। সেনাবাহিনী এবং অন্তর্বর্তী সরকার মৌখিক নিরাপত্তার কথা বললেও, হিন্দু ধর্মের মানুষের জনজীবন এখনও বিপন্ন। আইনের শাসন নেই ওপার বাংলায়। প্রতিবাদে একাধিক শহরে লক্ষ লক্ষ হিন্দুদের বিক্ষোভে নেমেছেন।

    ভিডিওতে কী দেখা গিয়েছে (Bangladesh Crisis)?

    জানা গিয়েছে, ভিডিওটি ৫ অগাস্টের। সেদিন বাংলাদেশ অগ্নিগর্ভ ছিল, গণভবনে চলছিল লুট, প্রায় সব থানা হয়ে গিয়েছিল পুলিশ শূন্য! এমন অবস্থায় কট্টর ইসলামি মৌলবাদীরা মেহেরপুর (Bangladesh Crisis) ইসকন মন্দিরে (Meherpur ISKCON temple) নৃশংস হামলা চালায়। হামলার কয়েকদিন পর একটি ভিডিও সামনে এসেছে। ইতিমধ্যে একাধিক সংবাদ মাধ্যম সেই ভিডিওকে সম্প্রচার করছে। সেখানে দেখা যাচ্ছে, হিন্দু ধর্মগ্রন্থ পুড়িয়ে দেওয়া হচ্ছে, মন্দিরের মূর্তিগুলিকে ভাঙচুর করা হয়েছে। এমন অবস্থায় মন্দিরে আটকে থাকা হিন্দু সম্প্রদায়ের মানুষেরা জীবন বাঁচাতে কুয়োর জলে ঝাঁপ দিয়ছিলেন। জানা গিয়েছে, মোট ১৬-১৭ জন মানুষ কুয়োতে ঝাঁপ দিয়েছিলেন। পরে মন্দিরের আশেপাশের লোকজন দড়ি ফলে কুয়ো থেকে ঝাঁপ দেওয়া সমস্ত হিন্দুকে বের করে নিয়ে আসেন। মন্দিরের মুখপাত্র সুমোহন মুকুন্দ দাসও আক্রান্ত হয়েছিলেন।

    ১৯৭১ থেকে ২০২৪ সাল পর্যন্ত অত্যাচারের শিকার হিন্দুরা

    মেহেরপুরের (Meherpur ISKCON temple) ইসকন মন্দিরের পাশাপাশি ওইদিন ১টি কালী মন্দির ও ২টি দুর্গা মন্দির লুটপাট ও ভাংচুর করা হয়। ১০টির বেশি হিন্দু বাড়ি এবং ৮/৯টি হিন্দু মালিকানাধীন দোকান লুট করে পুড়িয়ে দেওয়া হয়। সেই সঙ্গে ২ জন হিন্দু মেয়েকে অপহরণ করা হয়। মন্দিরের মুখপাত্র সুমোহন মুকুন্দ দাস পরিস্থিতির ভয়াবহ বিবরণ দিয়ে বলেন, “উগ্র মুসলিম মৌলবাদীরা আমাদের ইসকন মন্দিরকে টার্গেট করেছে এবং ভাঙচুর করেছে। মন্দিরের ভেতরেও বোমা ছোড়া হয়। সারা রাত আমাদের জঙ্গলে লুকিয়ে থাকতে হয়েছিল, যখন আমরা কারও বাড়িতে আশ্রয় চাইছিলাম তারা বলেছিল, আমরা যদি আপনাকে আশ্রয় দিই তাহলে মুসলমানরা আমাদের বাড়ি জ্বালিয়ে দেবে। ১৯৭১ থেকে ২০২৪ সাল পর্যন্ত, হিন্দুরা সর্বদা অত্যাচারের (Bangladesh Crisis) শিকার হয়েছে।”

    আরও পড়ুনঃ অনুপ্রবেশ রুখতে ভারত-বাংলাদেশ সীমান্তে মোতায়েন ৭০ হাজার বিএসএফ জওয়ান

    প্রতিবাদে লক্ষ লক্ষ হিন্দুদের বিক্ষোভ

    শেখ হাসিনার নেতৃত্বাধীন সরকারের পতনের পর থেকেই বাংলাদেশে হিন্দুরা ইসলামি মৌলবাদীদের হাতে ক্রমাগত হামলার সম্মুখীন হচ্ছে। মুসলিম মৌলবাদীরা ক্রমাগত হিন্দুদের বাড়িঘর, ব্যবসা প্রতিষ্ঠান এবং মন্দিরকে লক্ষ্যবস্তুতে পরিণত করে ব্যাপক নির্যাতন করছে। গত কয়েক দিনে হিন্দুরা, বাংলাদেশে চট্টগ্রামের (Bangladesh Crisis) চিরাগী পাহাড় মোড়, বগুড়ার সাত মাথার মোড়, ঢাকার শাহবাগ, খুলনার শিববাড়ি এবং গোপালগঞ্জ সহ একাধিক জায়গায় লক্ষ লক্ষ মানুষের সমাবেশ করে গণ বিক্ষোভ প্রদর্শন করেছে এই নির্যাতনের বিরুদ্ধে। হিন্দুদের মূল শ্লোগান ছিল, ‘আমার মাটি আমার দেশ, বাংলা ছেড়ে যাব ক্যান।’ একই ভাবে পশ্চিমবঙ্গের কলকাতা, আসানসোল, কল্যাণী, শিলিগুড়ি, কোচবিহার সহ একাধিক জায়গায় বাংলাদেশে হিন্দু নিধনের বিরুদ্ধে প্রতিবাদ সভা অনুষ্ঠিত হয়েছে। হিন্দু সংগঠন আরএসএস-এর পক্ষ থেকেও ভারত সরকারকে দ্রুত ব্যবস্থা গ্রহণের আবেদন জানানো হয়েছে।   

     

    দেশের খবর, দশের খবর, সব খবর, সবার আগে পেতে ফলো করুন আমাদের  Whatsapp, FacebookTwitter, Telegram এবং Google News পেজ।

  • Bangladesh Crisis: “যা ভাবছেন, পরিস্থিতি তার চেয়েও খারাপ’’! মোদিকে চিঠি বাংলাদেশি হিন্দু ছাত্রীর

    Bangladesh Crisis: “যা ভাবছেন, পরিস্থিতি তার চেয়েও খারাপ’’! মোদিকে চিঠি বাংলাদেশি হিন্দু ছাত্রীর

    মাধ্যম নিউজ ডেস্ক: “যা ভাবছেন, পরিস্থিতি তার চেয়েও খারাপ।” ভারতের প্রধানমন্ত্রী নরেন্দ্র মোদিকে লেখা এক চিঠিতে এই কথাগুলিই লিখেছেন বাংলাদেশের (Bangladesh Crisis) এক হিন্দু ছাত্রী। পক্ষকালেরও বেশি সময় ধরে অস্থিরতা চলছে বাংলাদেশে। আগুনে পোড়ানো হচ্ছে (PM Modi) হিন্দুদের ঘরবাড়ি। লুটপাটের পাশাপাশি চালানো হচ্ছে ভাঙচুরও। মহিলাদের ওপর নিদারুণ নির্যাতন করা হচ্ছে বলেও অভিযোগ।

    অরাজক পরিস্থিতি (Bangladesh Crisis)

    অরাজক এই পরিস্থিতিতে ভারতের প্রধানমন্ত্রী নরেন্দ্র মোদিকে চিঠি লিখলেন বাংলাদেশের ওই হিন্দু কিশোরী। ওই কিশোরীর হৃদয় বিদারক চিঠিটি এক্স হ্যান্ডেলে শেয়ার করেছেন সৌর্য চক্র পদক প্রাপ্ত মেজর পবন কুমার। এই পোস্ট থেকেই জানা গিয়েছে, ওই কিশোরী বাংলাদেশের একটি স্কুলের দ্বাদশ শ্রেণির ছাত্রী। ভারতের প্রধানমন্ত্রীর কাছে চিঠিটি পৌঁছে দিতে অনুরোধ করেছে সে। বাংলাদেশে দেশে হিন্দুরা কীভাবে ভয়ঙ্কর সব ঘটনার সম্মুখীন হচ্ছেন, চিঠিটির ছত্রে ছত্রে তা তুলে ধরেছে ওই ছাত্রী।

    কী লিখেছেন ছাত্রী

    চিঠিতে ওই কিশোরী লিখেছে, “এ দেশে সব চেয়ে খারাপ যে জিনিসটা ঘটছে, তা হল হিন্দুদের ওপর নিয়মতান্ত্রিক আক্রমণ ও নির্যাতন। আমরা খুব খারাপ অবস্থায় আছি, যা ভাষায় বর্ণনা করতে পারব না। চরমপন্থী ও সন্ত্রাসী গোষ্ঠী আমাদের ওপর অকল্পনীয় নির্যাতন শুরু করেছে। মহিলারা ধর্ষিত (Bangladesh Crisis) হচ্ছেন। ওরা বাড়িঘর-মন্দিরে গুলি চালাচ্ছে। হিন্দুদের ব্যবসায়িক প্রতিষ্ঠানে লুটপাট চালাচ্ছে, ভাঙচুর করছে। লাখ লাখ টাকা চাঁদা চাইছে। না দিলে খুনের হুমকি দিচ্ছে। সোশ্যাল মিডিয়ায় সবাই যা দেখছে, তার চেয়েও খারাপ অবস্থা। আমাদের দেশ ছেড়ে চলে যেতে বলা হচ্ছে। এ দেশে সব অধিকার নিয়ে বেঁচে থাকার অধিকার আমাদের রয়েছে। আমি একে চিরতরে বাজে লোকদের হাতে ছেড়ে দেওয়ার মধ্যে ভালো কিছু দেখি না। বরং এই অপশক্তিকে রুখতে সকলের এগিয়ে আসা উচিত। আমি মনে করি, এ পৃথিবীতে ওদের বেঁচে থাকার অধিকার নেই।”

    আরও পড়ুন: বাংলাদেশ হিন্দুহীন হলে ক্ষতি ভারতেরই, দাবি ‘ওয়ার্ল্ড হিন্দু ফেডারেশন’ কর্তার

    বিনীত অনুরোধ

    চিঠিতে আরও লেখা হয়েছে, “স্যর, আমি আপনাকে বিনীতভাবে অনুরোধ করছি, যত তাড়াতাড়ি সম্ভব আমাদের জন্য কিছু করুন। এটা সব চেয়ে গুরুত্বপূর্ণ বিষয় যে আমরা আমাদের সব অধিকার নিয়ে শান্তিতে থাকতে পারি। আমি জানি, আপনারা সবাই আমাদের নিয়ে চিন্তিত। আমি বাংলাদেশের সমস্ত হিন্দুর পক্ষ থেকে আপনাকে অনুরোধ করছি, দয়া করে যত তাড়াতাড়ি সম্ভব আমাদের সাহায্য করার জন্য যথাসাধ্য চেষ্টা করুন। আর হ্যাঁ স্যর, আপনি আমাদের জন্য যা করছেন, সেজন্য আপনাকে আমি ধন্যবাদ জানাতে চাই। একই সঙ্গে ভারতের সব বাসিন্দাকে তাদের উদ্বেগ ও আমাদের প্রার্থনার জন্য ধন্যবাদ জানাতে চাই। ভগবান আমাদের রক্ষা করুন।”

    উত্তাল বাংলাদেশ

    সংরক্ষণকে কেন্দ্র করে প্রায় তিন সপ্তাহ ধরে উত্তাল বাংলাদেশ। ৫ অগাস্ট প্রধানমন্ত্রী পদে ইস্তফা দিয়ে বাংলাদেশ ছেড়েছেন শেখ হাসিনা। বস্তুত, তার পরেই বাংলাদেশজুড়ে চলছে অরাজক পরিস্থিতি। হিন্দুদের খুন করে লাশ ঝুলিয়ে দেওয়া হচ্ছে রাস্তায়। কোথাও আবার আক্রোশ মেটাতে খুন করে লাথি মেরে থেঁতলে দেওয়া হচ্ছে মৃতদেহের মুখ। হিন্দুদের বাড়িতে ভাঙচুর চালানোর পাশাপাশি নির্যাতন করা হচ্ছে মহিলাদের।  এককথায়, বাংলাদেশ এখন হয়ে উঠেছে দুষ্কৃতীদের স্বর্গরাজ্য।

    ভারতের বিপদ

    বাংলাদেশের মোট জনসংখ্য মাত্র ৮ শতাংশ হিন্দু। এই হিন্দুরা বরাবর আওয়ামি লিগের সমর্থক। রাজনৈতিক মহলের মতে, তার জেরে (Bangladesh Crisis) হিন্দুদের ওপর অত্যাচার চরমে। দুষ্কৃতীরা হিন্দু শূন্য বাংলাদেশ গড়ার সব রকম চেষ্টা চালাচ্ছে বলেই অভিযোগ। বাংলাদেশ হিন্দুহীন হলে আদতে বিপদে পড়বে ভারতই। এমনই মনে করেন ‘ওয়ার্ল্ড হিন্দু ফেডারেশনে’র সাধারণ সম্পাদক দীপন মিত্র। সংবাদ মাধ্যমে সাক্ষাৎকার দিতে গিয়ে তিনি বলেছেন, “বাংলাদেশে হিন্দুদের অবস্থা দিনের পর দিন খারাপ হচ্ছে।”

    মোদির জনপ্রিয়তা

    বাংলাদেশবাসী হিন্দুদের হয়ে এই কথাটাই তো চিঠির মাধ্যমে লিখে ভারতের প্রধানমন্ত্রী নরেন্দ্র মোদির কাছে পাঠিয়েছে ওই ছাত্রী। তার বিশ্বাস, এ ক্ষেত্রে যদি কিছু করতে পারেন, তা পারবেন মোদিই। যেহেতু বিষয়টি বাংলাদেশের অভ্যন্তরীণ বিষয়, তাই মোদি হয়তো কিছু করবেন না। তবে এটা ঠিক, তামাম বিশ্বে ক্রমেই বাড়ছে মোদির গ্রহণযোগ্যতা। ভরসা বাড়ছে বিশ্বের বিভিন্ন দেশের মানুষেরও।

    এর প্রমাণ আগেও মিলেছে। সোশ্যাল মিডিয়ায় এক্স হ্যান্ডেলে বিশ্বের জনপ্রিয় রাষ্ট্রনেতাদের তালিকায় সবার ওপরে রয়েছেন মোদি (PM Modi)। কিছুদিন আগেই তাঁর ফলোয়ারের সংখ্যা পেরিয়েছে ১০০ মিলিয়নের গন্ডি। এক্স হ্যান্ডেলে ফলোয়ারের নিরিখে তাঁর ধারে কাছে নেই বিশ্বের (Bangladesh Crisis) আর কোনও রাষ্ট্রনেতা।

     

    দেশের খবর, দশের খবর, সব খবর, সবার আগে পেতে ফলো করুন আমাদের  Whatsapp, FacebookTwitter, Telegram এবং Google News পেজ।

     

  • Interfaith Marriage: গুজরাটে হিন্দু যুবক খুনে কাঠগড়ায় মুসলমান স্ত্রীর আত্মীয়রা

    Interfaith Marriage: গুজরাটে হিন্দু যুবক খুনে কাঠগড়ায় মুসলমান স্ত্রীর আত্মীয়রা

    মাধ্যম নিউজ ডেস্ক: মাটিতে পড়ে আর্ত চিৎকার করছেন বছর চব্বিশের এক যুবক। কুড়ুল, লোহার রড এবং লাঠি দিয়ে তাঁকে এলোপাথাড়ি কুপিয়ে-পিটিয়ে চলেছে তাঁর স্ত্রীর মুসলিম আত্মীয়রা (Interfaith Marriage)। যারা মারছে, তারা অনবরত বলে চলেছে, “তোকে আজ বেঁচে ফিরতে দেব না।”

    ভিন ধর্মে বিয়ে (Interfaith Marriage)

    ঘটনাটি গুজরাটের (Gujarat) দ্বারকার। দ্বারকার যাজ্ঞিক দুধরেজিয়ার বয়স ২৪। ভালোবেসে বিয়ে করেছিলেন ভিন ধর্মে। জীবন দিয়ে তারই খেসারত দিতে হল বছর চব্বিশের ওই যুবককে। জেলা পুলিশ সুপার নীতীশ পাণ্ডে বলেন, “যে যুবকটি মারা গিয়েছেন, তিনি সাধু সম্প্রদায়ের। বিয়ে করেছিলেন মুসলিম মহিলাকে। যুবককে খুনের ঘটনায় অভিযুক্তরা সবাই মুসলমান। ভিন ধর্মে বিয়ে করায় খুন করা হয়েছে ওই যুবককে।”

    নৃশংসভাবে খুন হিন্দু যুবককে

    স্থানীয় সূত্রে খবর, শেধাখাই গ্রামের যুবক যাজ্ঞিক ভালোবেসেছিল গ্রামেরই এক মুসলিম তরুণীকে। বছর দেড়েক আগে ঘর ছেড়ে পালিয়ে গিয়ে বিয়েও করেন তাঁরা। তরুণীর পরিবার ভিন ধর্মে মেয়ের বিয়ে মেনে নিতে পারেনি। তাই অন্যত্র বসবাস করছিল ওই দম্পতি। মাস দেড়েক আগে এক কন্যা সন্তানের জন্ম দেন ওই তরুণী। তার পরেই গ্রামে ফেরেন তাঁরা। শনিবার সন্ধেয় এক বন্ধুকে নিয়ে বেড়াতে বের হন ওই যুবক। তাঁকে ঘিরে ধরে তাঁর স্ত্রীর আত্মীয়রা। তার পরেই শুরু হয় পাশবিক অত্যাচার। বেশ কিছুক্ষণ পরে উদ্ধার করে জামনগর হাসপাতালে নিয়ে যাওয়া হলে কর্তব্যরত চিকিৎসক তাঁকে মৃত ঘোষণা করেন (Interfaith Marriage)।

    আরও পড়ুন: বাংলাদেশ হিন্দুহীন হলে ক্ষতি ভারতেরই, দাবি ‘ওয়ার্ল্ড হিন্দু ফেডারেশন’ কর্তার

    এর পরেই যাজ্ঞিকের মা তাঁর বউমার কয়েকজন আত্মীয়ের বিরুদ্ধে অভিযোগ দায়ের করেন। সাব ইন্সপেক্টর কেকে মারু বলেন, “আমরা ছ’জনকে গ্রেফতার করেছি। তাদের মধ্যে রয়েছে মৃতের শ্যালক ও তরুণীর কাকা। একজন নাবালককে আটক করা হয়েছে। তাকে জুভেনাইল জাস্টিস বোর্ডের কাছে হাজির করানো হবে।” গ্রামে অশান্তি এড়াতে পুলিশ মোতায়েন করা হয়েছে বলেও (Gujarat) জানান তিনি। মারু জানান, ওই গ্রামে আর হিংসার খবর মেলেনি। পরিস্থিতি নিয়ন্ত্রণে (Interfaith Marriage)।

     

    দেশের খবর, দশের খবর, সব খবর, সবার আগে পেতে ফলো করুন আমাদের  Whatsapp, FacebookTwitter, Telegram এবং Google News পেজ।

      

  • Bangladesh Crisis: বাংলাদেশ হিন্দুহীন হলে ক্ষতি ভারতেরই, দাবি ‘ওয়ার্ল্ড হিন্দু ফেডারেশন’ কর্তার

    Bangladesh Crisis: বাংলাদেশ হিন্দুহীন হলে ক্ষতি ভারতেরই, দাবি ‘ওয়ার্ল্ড হিন্দু ফেডারেশন’ কর্তার

    মাধ্যম নিউজ ডেস্ক: অশান্তি অব্যাহত বাংলাদেশে (Bangladesh Crisis)। আওয়ামি লিগের নেতা-কর্মী-সমর্থকদের বাড়িতে চলছে হামলা। তবে ‘সোনার বাংলা’য় ডামাডোলের বাজারে যা তামাম বিশ্বের নজর কেড়েছে, তা হল হিন্দুদের ওপর অবর্ণনীয় অত্যাচার। বাংলাদেশের মোট জনসংখ্য মাত্র ৮ শতাংশ হিন্দু। এই হিন্দুরা আবার আওয়ামি লিগের সমর্থক।

    হিন্দুদের টার্গেট (Bangladesh Crisis)

    তাই দেশে সামান্যতম অশান্তি শুরু হলেই টার্গেট করা হয় হিন্দুদের (World Hindu Federation)। মারধর করে ভিটে মাটি ছাড়া করে কেড়ে নেওয়া হয় জমি-জিরেত। স্বাধীনতার পর থেকে এ পর্যন্ত সেই ট্র্যাডিশনে ভাঁটা পড়েনি। সংরক্ষণকে কেন্দ্র করে পক্ষকালের কিছু আগে যে অশান্তির সূত্রপাত হয়েছে বাংলাদেশ, অগাস্টের ৭ তারিখেও তা অব্যাহত। আন্দোলনের চাপে প্রধানমন্ত্রী পদে ইস্তফা দিয়ে বাংলাদেশ ছেড়েছেন শেখ হাসিনা। বস্তুত, তার পরেই দেশে অরাজক পরিস্থিতি উঠেছে চরমে। অবশ্য হিন্দুদের ওপর অত্যাচার হচ্ছিল তার আগেও। হাসিনার জমানায়ও যে বাংলাদেশি মুসলমানদের একটা অংশ ‘ভদ্রলোক’ হয়ে গিয়েছিল, তা নয় (এই অংশটাই মানুষের বাড়িঘর লুট করে। প্রধানমন্ত্রীর সরকারি বাসভবন ‘বঙ্গভবন’ থেকে লুট করে নিয়ে যায় কম্পিউটার, রাজহাঁস, ছাগল মায় প্রাক্তন প্রধানমন্ত্রীর অন্তর্বাসও)। হিন্দুদের ওপর অত্যাচার তখনও হয়েছে। আর অশান্তির ঢেউ আছড়ে পড়ায় শুরু হয়েছে হিন্দুমেধ যজ্ঞ।

    হিন্দু নিধন যজ্ঞের প্রতিবাদ

    এই হিন্দু নিধন যজ্ঞের প্রতিবাদ করেছে ইজরায়েল। বিক্ষিপ্তভাবে হলেও প্রতিবাদ করছে হাতে গোণা কয়েকটি সংগঠনও। (আশ্চর্যজনকভাবে মুখে কুলুপ এঁটে রয়েছেন বাংলাদেশ ও পশ্চিমবাংলার বুদ্ধিজীবীরা।) তার পরেও চলছে বাংলাদেশকে হিন্দুহীন করার উদগ্র চেষ্টা। বাংলাদেশ হিন্দুহীন হলে আদতে বিপদে পড়বে ভারতই। অন্তত এমনই মনে করেন ‘ওয়ার্ল্ড হিন্দু ফেডারেশনে’র সাধারণ সম্পাদক দীপন মিত্র। সংবাদমাধ্যমে সাক্ষাৎকার দিতে গিয়ে তিনি বলেন, “বাংলাদেশে হিন্দুদের অবস্থা দিনের পর দিন খারাপ হচ্ছে।” তাঁর বক্তব্যে উঠে এসেছে জনৈক হারাধন রায়, কাজল রায়, মৃণালকান্তি চ্যাটার্জির কথা। নৃশংসভাবে খুন করা হয়েছে এই তিনজনকে। আরও এক হিন্দুর দেহ উদ্ধার হয়েছে। তবে তাঁর পরিচয় জানা যায়নি।

    হিন্দু নির্যাতনের নিদারুণ ছবি 

    আরও অনেক হিন্দু খুনের খবরও জানান দীপন। তিনি জানান, ৫১টি হিন্দু মন্দির ভাঙচুর করা হয়েছে। হিন্দুদের ২৪০টি বাড়িতে হামলা চালিয়েছে দুষ্কৃতীরা। হিন্দুদের রক্ষা করতে বাংলাদেশ সেনা ও পুলিশ কি কিছু করছে? তিনি বলেন, “বাংলাদশে হিন্দু রয়েছেন প্রায় আড়াই কোটি। তাঁরাও নিরাপত্তাহীনতায় ভুগছেন।” দীপন বলেন (Bangladesh Crisis), “শেখ হাসিনা দেশ ছাড়ার সময় সেনাপ্রধান বলেছিলেন যে তিনি দায়িত্ব নেবেন। এবং এখানে শান্তি বজায় রাখবেন। কিন্তু শেষ পর্যন্ত কোনও পুলিশ বা সেনাবাহিনী হিন্দুদের সমর্থন করছে না। আমরা হিন্দুরা এখনও আক্রমণের শিকার হচ্ছি। কিন্তু এখনও পর্যন্ত আমরা সেনাবাহিনী কিংবা পুলিশের বাহিনীর কাছ থেকে কোনও সাহায্য পাইনি।” তিনি বলেন, “কয়েকটি মিডিয়া আউটলেট ছাড়া তাদের বেশিরভাগই বিষয়টি বিস্তারিতভাবে কভার করছে না। অনেক পরিবার এও ভয় পাচ্ছে যে, তারা যদি হিন্দুদের ওপর হামলার খবর পুঙ্খানুপুঙ্খভাবে জানায় তাহলে তাদের ওপর হামলা হবে।” মিডিয়া কেন খবর চেপে যাচ্ছে, তারও ব্যাখ্যা দেন দীপন (World Hindu Federation)। বলেন, “এই মুহূর্তে যদি মিডিয়া গ্রুপগুলি হিন্দুদের ওপর হামলা ও হিন্দু সম্পত্তি ও মন্দির ভাঙচুরের সঠিক সংখ্যা দেখায়, তবে তাদের চাঁদমারি করা হবে।” বাংলাদেশি হিন্দুদের ওপর যে অত্যাচার হচ্ছে, তা যে অচিরেই বন্ধ হয়ে যাবে, তা নয় বলেও দাবি করেন ওয়ার্ল্ড হিন্দু ফেডারেশনের সাধারণ সম্পাদক।

    আরও পড়ুন: অগ্নিগর্ভ বাংলাদেশ, ভারতের উদ্বেগের একাধিক কারণ

    কী বললেন হিন্দু ফেডারেশন কর্তা

    তিনি বলেন, “বাংলাদেশি উগ্রপন্থী গোষ্ঠীগুলো ছাড়াও সে দেশে অশান্তির নেপথ্যে রয়েছে পাকিস্তানি গোয়েন্দা সংস্থা আইএসআইয়ের হাত। তাই পরিস্থিতি এখনই স্বাভাবিক হবে না। কবে হবে, তাও বলা মুশকিল।” দীপন বলেন, “আমরা ভারত সরকারকে অনুরোধ করছি এ ব্যাপারে হস্তক্ষেপ করতে। কিন্তু এখনও ভারত সরকারের তরফে কোনও সাহায্য আমরা পাইনি।” তিনি বলেন, “আমরা বিশেষত হিন্দু সংখ্যালঘুরা ভারত সরকারের কাছে সাহায্যে আশাও করেছি। আমাদের রক্ষা করতে পদক্ষেপ করা হোক বলে আমরা তাদের কাছে আবেদনও করেছি।”

    আদতে ক্ষতি ভারতেরই

    ভারতের এক পড়শি দেশ হিন্দুশূন্য হতে যাচ্ছে বলেও জানান তিনি। তাই বাংলাদেশও হিন্দুহীন হলে, আদতে ক্ষতি ভারতেরই, মনে করেন দীপন। বলেন, “আফগানিস্তান সম্পূর্ণ হিন্দু মুক্ত হচ্ছে। পাকিস্তানে মাত্র কয়েক লাখ হিন্দু অবশিষ্ট আছে। কিন্তু বাংলাদেশে এখনও আড়াই কোটি হিন্দু রয়েছে। এই অবস্থায় ভারত কোনও উদ্যোগ না নিলে একটি নির্দিষ্ট সময় পর বাংলাদেশ সম্পূর্ণ হিন্দুমুক্ত হবে। আর তখন বাংলাদেশ হিন্দুমুক্ত ও ইসলামিক উগ্রপন্থীদের দেশে পরিণত হলে সব চেয়ে বেশি ক্ষতিগ্রস্ত হবে ভারত। এবং আরও বেশি করে ক্ষতিগ্রস্ত হতে থাকবে।” তিনি বলেন, “আফগানিস্তান এবং পাকিস্তানের চেয়ে অনেক বেশি হিন্দু রয়েছে বাংলাদেশে। সেই হিন্দুও যদি শেষ হয়ে যায়, তাহলে ভারতের সামনে অপেক্ষা করছে বড় বিপদ।”

    হামলাকে ছোট করে দেখানোর চেষ্টা

    বাংলাদেশে মন্দির বাঁচাতে মুসলমানরা মানবশৃঙ্খল তৈরি করছে বলে যে খবর দেখানো হচ্ছে কিংবা ভাইরাল হচ্ছে, সে প্রসঙ্গে দীপন বলেন, “এটা ভয়ঙ্কর।” তাঁর মতে, এভাবে কেবল হিন্দুদের ওপর আক্রমণকে ছোট করা হচ্ছে না, বিভ্রান্তির সৃষ্টিও করা হচ্ছে। বাম-উদারপন্থীদেরও নিশানা করেছেন দীপন। বলেন, “বিশ্বে যখন এরকম কোনও ঘটনা ঘটে, তখন বামপন্থী দল ও তাদের সমর্থকরা চিৎকার করে কাঁদে। কিন্তু এখানে প্রতিবেশী বাংলাদেশে যেখানে হিন্দুরা নিদারুণ কষ্ট পাচ্ছেন, তখন এই মানুষগুলোই হয় নীরবতা অবলম্বন করছেন, নয়তো ঘটনাটিকে ছোট করে দেখছেন।” তিনি বলেন, “এটা দুর্ভাগ্যজনক যে ভারতে বাম-উদারপন্থীরা বাংলাদেশে ঘটে চলা হিন্দু-বিরোধী হিংসাকে ছোট করে দেখছে। মুসলমানরা মানববন্ধন গঠন করছেন মন্দির বাঁচাতে – এসব মিথ্যা দাবি করে মানুষকে বিভ্রান্ত করছেন। বামপন্থী এবং ইসলামপন্থী সহানুভূতিশীলরা মনুসলমানদের এই আক্রমণকে কেবল ছোট করছে না, বিশ্ব জনমতকে বিভ্রান্তও করছে।”

    শেকড় ভুলেছেন মমতা

    দীপন বলেন, পশ্চিমবঙ্গে প্রাক্তন মুখ্যমন্ত্রী জ্যোতি বসু ও বর্তমান মুখ্যমন্ত্রী মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়ের শেকড়ও ছিল বাংলাদেশে (Bangladesh Crisis)। সেই শেকড়কে তাঁরা ভুলেছেন।” তিনি বলেন, “অনেক হিন্দু বামপন্থী মুসলমানদের হাতে নিপীড়িত হওয়ার ভয়ে বাংলাদেশ থেকে পালিয়ে গিয়েছে।” দীপন বলেন, “ইসলামপন্থীরা সব সময়ই হামলা-মামলা করে।” তিনি বলেন, “বাংলাদেশ মুসলিম রাষ্ট্রে পরিণত হলে এখানে বামপন্থী ও তাদের মতাদর্শ থাকবে না।” তাঁর আক্ষেপ, “প্যালেস্তাইন ও মুসলমানদের জন্য সবাই আছে, সবাই চিৎকার করছে। কিন্তু হিন্দুদের পাশে কেউ নেই।”

    এদিকে, ৮ অগাস্ট, বৃহস্পতিবার রাতে অন্তর্বর্তী সরকারের প্রধান হিসেবে শপথ নিতে চলেছেন মহম্মদ ইউনূস। তিনি সবাইকে শান্তি বজায় রাখতে বলেছেন। সংখ্যালঘুদের ওপর অত্যাচার বন্ধের আবেদন করেছেন। অন্তর্বর্তী সরকারের প্রধান হওয়ার পর বাংলাদেশে অরাজকতায় দাঁড়ি পড়ে কিনা, এখন সেটাই দেখার (Bangladesh Crisis)।   

     

    দেশের খবর, দশের খবর, সব খবর, সবার আগে পেতে ফলো করুন আমাদের  Whatsapp, FacebookTwitter, Telegram এবং Google News পেজ।

     

  • Bangladesh Crisis: ‘‘হিন্দুদের ওপর, মন্দিরে হামলায় উদ্বিগ্ন’’, বাংলাদেশ নিয়ে প্রতিক্রিয়া ইজরায়েলের

    Bangladesh Crisis: ‘‘হিন্দুদের ওপর, মন্দিরে হামলায় উদ্বিগ্ন’’, বাংলাদেশ নিয়ে প্রতিক্রিয়া ইজরায়েলের

    মাধ্যম নিউজ ডেস্ক: বন্ধুত্বের প্রতিদান দিল ইজরায়েল! বাংলাদেশে (Bangladesh Crisis) হিন্দুদের (Attacks On Hindus) ওপর মুসলমানদের নৃশংস অত্যাচারের বিরুদ্ধে মুখ খুললেন ভারতে নিযুক্ত ইজরায়েলি রাষ্ট্রদূত নাওর গিলন। তিনি বলেন, “বাংলাদেশে হিন্দু ও তাঁদের মন্দিরে যে হামলা হচ্ছে, তাতে আমি উদ্বিগ্ন।”

    উত্তাল বাংলাদেশ (Bangladesh Crisis)

    সংরক্ষণকে কেন্দ্র করে অশান্তির জেরে উত্তাল বাংলাদেশ। প্রাণ ভয়ে প্রধানমন্ত্রী পদে ইস্তফা দিয়ে ৫ অগাস্ট দেশ ছেড়েছেন শেখ হাসিনা। তার আগে পরে বাংলাদেশে চলছে হিন্দু নিধন  যজ্ঞ। হিন্দুদের বাড়িঘর লুটপাট করে জ্বালিয়ে দেওয়া হচ্ছে আগুন। নির্যাতন করা হচ্ছে হিন্দু নারীদের। হিন্দু-নির্যাতনের করুণ কাহিনির ছবি সম্বলিত নানা ভিডিও হয়েছে ভাইরাল। এহেন আবহে মুখ খুললেন ভারতে নিযুক্ত ইজরায়েলি রাষ্ট্রদূত গিলন। বাংলাদেশের জনসংখ্যা ১৭ কোটি। এর মাত্র ৮ শতাংশ হিন্দু। এই হিন্দুরা দীর্ঘদিন ধরে সমর্থন করে আসছেন হাসিনার আওয়ামি লিগকে। হাসিনা ভিটে ছাড়া হতেই বাংলাদেশে আক্ষরিক অর্থেই চলছে হিন্দু নিধন যজ্ঞ (Bangladesh Crisis)।

    কী বললেন ইজরায়েলি রাষ্ট্রদূত?

    এক্স হ্যান্ডেলে গিলন লিখেছেন, “বাংলাদেশে হিন্দু-সহ সংখ্যালঘুদের ওপর এবং তাদের মন্দিরে হামলায় খবরে আমি উদ্বিগ্ন।” গিলনের এই মন্তব্যেই স্পষ্ট, ক্রমেই আন্তর্জাতিক আকর্ষণের কেন্দ্রবিন্দু হয়ে উঠছে বাংলাদেশ। প্রসঙ্গত, ইজরায়েল-হামাস যুদ্ধে ইজরায়েলের পক্ষ নিয়েছিল ভারত। যদিও মানবিক সাহায্য পাঠিয়েছিল প্যালেস্তাইনকে। আন্তর্জাতিক সম্পর্ক বিশেষজ্ঞদের মতে, হামাসের সঙ্গে যুদ্ধে ইজরায়েলের পাশে দাঁড়িয়েছিল ভারত। তাই এবার ভারতের পাশে দাঁড়াল ইজরায়েল।

    আরও পড়ুন: বাংলাদেশে আওয়ামি লীগের উপর হিংসা অব্যহত, উদ্ধার ২৯ জনের দেহ

    এদিকে, দিন দিন বাংলাদেশের (Bangladesh Crisis) পরিস্থিতির অবনতি হওয়ায় মঙ্গলবার সংসদে সর্বদলীয় বৈঠক করলেন ভারতের বিদেশমন্ত্রী এস জয়শঙ্কর। সেখানে তিনি উপস্থিত নেতাদের বাংলাদেশের বর্তমান পরিস্থিতি সম্পর্কে অবহিত করেন। বাংলাদেশে সংখ্যালঘুদের কল্যাণ মনিটরিংয়ের ভারত সরকার দায়বদ্ধ বলেও মনে করিয়ে দেন জয়শঙ্কর। শেখ হাসিনা ভারতে আসছেন বলে একটি শর্ট নোটিশ পাঠানো হয়েছিল। সেই মতো তিনি ভারতে এসেছেন বলেও জানান বিদেশমন্ত্রী। সর্বদলীয় বৈঠকে তিনি জানান, বাংলাদেশে ভারতীয় রয়েছেন প্রায় ১৯ হাজার। এঁদের মধ্যে ৯ হাজারই ছাত্র। এই ছাত্রদের সিংহভাগই জুলাইয়ের মধ্যে ফিরে এসেছেন দেশে। তিনি জানান, ঢাকায় ভারতীয় সম্প্রদায়ের সঙ্গে (Attacks On Hindus) নিয়মিত যোগাযোগ রেখে চলেছে ভারত সরকার (Bangladesh Crisis)।

     

    দেশের খবর, দশের খবর, সব খবর, সবার আগে পেতে ফলো করুন আমাদের  Whatsapp, FacebookTwitter, Telegram এবং Google News পেজ।

     

  • Bangladesh Crisis: অরাজক পরিস্থিতি বাংলাদেশে, অব্যাহত হিন্দু নিধন যজ্ঞ

    Bangladesh Crisis: অরাজক পরিস্থিতি বাংলাদেশে, অব্যাহত হিন্দু নিধন যজ্ঞ

    মাধ্যম নিউজ ডেস্ক: বাংলাদেশ জুড়ে চলছে অরাজক পরিস্থিতি (Bangladesh Crisis)। প্রধানমন্ত্রী পদে ইস্তফা দিয়ে দেশ ছেড়েছেন শেখ হাসিনা। দেশের রশি রাষ্ট্রপতির হাতে। সেনাবাহিনীর মাধ্যমে তিনিই বর্তমানে পরিস্থিতি সামলানোর চেষ্টা করছেন। তবে তাতে যে কিছুই হয়নি, তার প্রমাণ হিন্দুনিধন যজ্ঞে ইতি না পড়া। কোথাও জীবন্ত পুড়িয়ে মারা (Hindu Killed) হচ্ছে মানুষকে।

    রাস্তায় ঝোলানো সারি সারি লাশ (Bangladesh Crisis)

    কোথাও আবার আতঙ্কের পরিবেশ সৃষ্টি করতে রাস্তায় ঝুলিয়ে রাখা হয়েছে সারি সারি লাশ। আক্রোশ মেটাতে মৃতের মুখ থেঁতলে দেওয়া হচ্ছে লাথি মেরে। হিন্দুদের ঘরদোর জ্বালিয়ে দেওয়া হচ্ছে। ভাঙচুর করা হচ্ছে মন্দির। আগুন লাগিয়ে দেওয়া হচ্ছে দেবালয়ে। নির্বিচারে চলছে মহিলা নির্যাতন। ভাইরাল হয়েছে মহিলাদের আর্ত চিৎকারের ভিডিও। মেহেরপুরে সোমবার রাতেই ভাঙচুর করে আগুন লাগিয়ে দেওয়া হয়েছিল ইস্কনের মন্দিরে। মঙ্গলবার রাতে আওয়ামি লিগের এক নেতা-সহ হিন্দুদের ৯টি বাড়িতেও হামলার ঘটনা ঘটছে। ঢাকায় একাধিক হিন্দুর বাড়ির ভাঙচুর করা হয়েছে। চালানো হয়েছে লুটপাট।

    উদ্বেগে ব্রিটেন

    সোমবার সন্ধেয় মালোপাড়ায় ছটি হিন্দু বাড়িতে হানা দেয় দুষ্কৃতীরা। করা হয় ভাঙচুর। দিনাজপুর সদর উপজেলায় ফুলতলা শ্মশানঘাট এলাকায় হরিসভা ঘর, দুর্গা মন্দির ভাঙচুর করা হয়েছে। বোচাগঞ্জ উপজেলার ঈশানিয়া ইউনিয়নের চৌরঙ্গী বাজারে হিন্দুদের অন্তত ৪০টি দোকানে চালানো হয়েছে লুটপাট। ব্রিটেনের বিদেশমন্ত্রী ডেভিড ল্যামি বাংলাদেশে (Bangladesh Crisis) সংখ্যালঘু সম্প্রাদায়ের ওপর হামলার ঘটনায় গভীর উদ্বেগ প্রকাশ করেছেন। হিংসা বন্ধে সবাইকে এগিয়ে আসার আহ্বান জানান তিনি। সংখ্যালঘু ও ক্ষুদ্র জাতি গোষ্ঠীর উপাসনালয় ও লোকজনের ওপর হামলার খবরে গভীর উদ্বেগ প্রকাশ করেছেন ঢাকায় ইউরোপীয় ইউনিয়নের মিশনগুলোর রাষ্ট্রদূতেরা।

    হিন্দুদের ওপর অত্যাচার

    সোমবার বাংলাদেশ হিন্দু বুদ্ধিস্ট খ্রিস্টান ইউনিটি কাউন্সিল হিন্দুদের মন্দির এবং বাড়িঘরে হামলার একটা তালিকা প্রকাশ করেছে। এক্স হ্যান্ডেল ভয়েস অফ বাংলাদেশি হিন্দুজে বলা হয়েছে, এই হামলার ঘটনা ঘটেছে পাঁচ ঘণ্টার মধ্যে। তালিকায় ৫৪টি হামলার ঘটনার উল্লেখ করা হয়েছে। ওয়াকিবহাল মহলের মতে, হামলার ঘটনা এর চেয়ে ঢের বেশি। খুলনায় রূপসা থানা এলাকায় জনৈক শ্যামল কুমার দাস ও স্বজন কুমার দাসের বাড়িতে হামালা চালায় দুষ্কৃতীরা। খুলনা ডিস্ট্রিক্ট ইউনিটি কাউন্সিলের প্রেসিডেন্ট বিমান বিহারী অমিত এবং খুলনা শহরের ইউথ ইউনিটি কাউন্সিলের প্রেসিডেন্ট অনিমেষ সরকার রিঙ্কুর বাড়িতে হামলা চালানো হয়েছে (Hindu Killed)। দেকোপের আমতলির বানিসান্তা এলাকায় জয়ন্ত গাইন এবং কয়রার দারপাড়া এলাকায় সংখ্যালঘুদের বাড়ি ভাঙচুর করা হয়। চালানো হয় লুটপাট।

    শ্মশানের জমিও দখল

    ফেনিতে আক্রান্ত দুর্গা মন্দির। দিনাজপুর ও ফুলথালা এলাকায় দুষ্কৃতীরা দখল করে নিয়েছে শ্মশানের জমি। পার্বতীপুরে কালীমন্দির-সহ পাঁচটি মন্দিরে ভাঙচুর চালানো হয়। চিরিরবন্দর থানা এলাকায় লুটপাট চালানো হয় সংখ্যালঘু সম্প্রদায়ের বাড়িঘরে। পেশায় ব্যবসায়ী দীপক সাহার বাড়ি ও অফিসে হামলা চালায় দুষ্কৃতীরা। তিনি লখিমপুরের পূজা সেলিব্রেশন কাউন্সিলের নেতাও। খোশরগঞ্জে ভাঙচুর করা হয় জনৈক নকুল কুমার ও সুশান্তের বাড়ি। পরে লাগিয়ে দেওয়া হয় আগুন। চট্টগ্রামে হামলা চালানো হয় উজ্জ্বল চক্রবর্তীর বাড়িতে। দুষ্কৃতীরা লুটে নিয়ে যায় (Bangladesh Crisis) ঘরগেরস্থালির জিনিসপত্রও। যশোরে হিন্দুদের তিনটি বাড়ি ভাঙচুর করা হয়েছে। ২২টি দোকানেও হানা দিয়েছে দুষ্কৃতীরা। এর মধ্যে একটি বাবুল সাহার ওয়্যার হাউস।

    হিন্দুদের দোকান লুটপাট

    সাতক্ষীরা এলাকায় হিন্দুদের দোকান লুটপাট করা হয়েছে। ডিস্ট্রিক্ট ইউনিটি কাউন্সিলের প্রেসিডেন্ট বিশ্বজিৎ সাধুর বাড়িতে চালানো হয়েছে লুটপাট। তাঁর বাড়িতে আগুনও লাগিয়ে দেওয়া হয়। ডক্টর সুব্রত ঘোষের বাড়িতেও লাগিয়ে দেওয়া হয় আগুন। তিনি ইউনিটি কাউন্সিলের সেন্ট্রাল অ্যাসিসটেন্ট অর্গানাইজেশনাল সেক্রেটারি। সময়ের সঙ্গে সঙ্গে দীর্ঘ থেকে দীর্ঘতর হচ্ছে তালিকা।  এই তালিকার বাইরে বহু ভিডিও এবং ছবি ভাইরাল হয়েছে সোশ্যাল মিডিয়ায়। যেখানে দেখা যাচ্ছে বাংলাদেশের হিন্দুদের বাড়িঘরদোর ভাঙচুর করা হচ্ছে। করা হচ্ছে অগ্নিসংযোগও (Bangladesh Crisis)। দুষ্কৃতীরা হিন্দুদের মন্দিরও ভাঙচুর করছে। এক্স হ্যান্ডেলে জনৈক রাজু দাস পোস্ট করেছেন একাধিক ভিডিও। একটি ভিডিওয় দেখা যাচ্ছে, উন্মত্ত জনতা বামুনিয়া পালপাড়ায় হিন্দুদের বাড়ি  আক্রমণ করেছে।

    কাতর আর্তি অসহায় তরুণীর

    অন্য একটি ভিডিওয় দেখা যাচ্ছে অসহায় এক তরুণীকে। বাঁচার জন্য কাতর আর্তি জানাচ্ছেন তিনি। ঘটনাটি পিরোজপুর জেলার মাথাবাড়িয়া থানা এলাকার। অন্য একটি ভিডিওয় দেখা গিয়েছে উন্মত্ত জনতা চট্টগ্রামের একটি মন্দিরে আগুন লাগিয়ে দিয়েছে। অবশ্য ভিডিওগুলোর সত্যতা যাচাই করেনি মাধ্যম। ভারতে ইস্কনের মুখপাত্র যুধিষ্ঠির গোবিন্দ দাস একটি পোস্টে বলেন, “আমি যে তথ্য পেয়েছি, মেহেরপুরে (খুলনা ডিভিশন) আমাদের একটি মন্দিরে আগুন লাগানো হয়েছে। পুড়ে গিয়েছে ভগবান জগন্নাথ, বলরাম ও সুভদ্রার বিগ্রহ। ওই মন্দিরে যে তিন ভক্ত ছিলেন, তাঁরা কোনও ক্রমে পালিয়ে প্রাণে বেঁচেছেন। অন্য একটি ভিডিওয় হিন্দুদের হুমকি দিতে দেখা গিয়েছে বেশ কিছু মুসলমানকে।

    বাংলাদেশের সংবাদপত্রের দাবি

    বাংলাদেশের সংবাদপত্র ‘ডেইলি স্টারে’র দাবি, দেশের ২৭ জেলাতে হিন্দুদের ওপর আক্রমণ হয়েছে। এই প্রতিবেদন থেকেই জানা গিয়েছে, লালমনিরহাট সদর উপজিলার তেলিপাড়া এবং থানা রোড এলাকায় ভাঙচুর করা হয়েছে দুই হিন্দুর বাড়ি। প্রদীপ চন্দ্র রায় এবং মুহিন রায় নামের এই হিন্দুর বাড়িতে লুটপাটও চালানো হয়। বাংলাদেশ স্বাধীন হয়েছিল ১৯৭১ সালে। তার পর থেকে এ পর্যন্ত নিত্য চলছে হিন্দুদের ওপর অত্যাচার। সে দেশে একবার হিংসা শুরু হলে পোয়া বারো মুসলমানদের একটা বড় অংশের। তারা হিন্দুদের মারধর করে কিংবা ভয় দেখিয়ে ধর্মান্তরিত করে ‘জান্নাতে’র পথ প্রশস্ত করে। কেউ কেউ আবার হিন্দু বিতাড়ন করে স্রেফ সম্পত্তি দখল করার অভিলাষে।

    স্বাধীন বাংলাদেশের জন্ম এবং তৎপরবর্তীকালে নানা আন্দোলন চলাকালীন হিংসার ঢেউ আছড়ে পড়েছে বাংলাদেশে, যার বলি হয়েছেন হিন্দুরা। এবার অবশ্য হিন্দুদের পাশাপাশি ভাঙচুর করা হয়েছে আওয়ামি লিগের কয়েকজন মুসলমান নেতার বাড়িতে। তবে সেই সংখ্যা নিতান্তই হাতে গোণা। সংবাদের শিরোনামে কিন্তু বাংলাদেশের হিন্দু নিধন (Hindu Killed) যজ্ঞই। কারণ আন্দোলনের বলি কেবল সনাতনী (Bangladesh Crisis) হিন্দুরাই।

    আরও পড়ুন: শেখ মুজিবুরের ভক্ত, হাসিনা বিরোধী! অশান্ত বাংলাদেশকে শান্ত করতে পারবেন ইউনূস?

     

    দেশের খবর, দশের খবর, সব খবর, সবার আগে পেতে ফলো করুন আমাদের  WhatsappFacebookTwitterTelegram এবং Google News পেজ।

     

LinkedIn
Share