Tag: humayun Kabir

humayun Kabir

  • Humayun Kabir: ‘বিতর্কিত’ মন্তব্যের জের! হুমায়ুনকে সেন্সর করল কমিশন

    Humayun Kabir: ‘বিতর্কিত’ মন্তব্যের জের! হুমায়ুনকে সেন্সর করল কমিশন

    মাধ্যম নিউজ ডেস্ক: ভোটের আবহেই ভরতপুরের তৃণমূল বিধায়ককে সতর্কবার্তা দিল নির্বাচন কমিশন। আসলে সম্প্রতি মুর্শিদাবাদের (Murshidabad) কাজিপাড়ায় এক দলীয় কর্মিসভায় হুমায়ুন কবিরের (Humayun Kabir) এক মন্তব্যকে কেন্দ্র করে বিতর্ক সৃষ্টি হয়েছিল। সেই মন্তব্যের প্রেক্ষিতেই এবার হুমায়ুন কবিরকে সেন্সর করল নির্বাচন কমিশন। কমিশন সাফ জানিয়ে দিল, এই ধরনের মন্তব্য থেকে আগামী দিনে তাঁকে বিরত থাকতে হবে।

     কী বলেছিলেন হুমায়ুন? 

    এক কর্মিসভায় হুমায়ুন কবীরকে (Humayun Kabir) বলতে শোনা যায়, ‘‘২ ঘণ্টার মধ্যে যদি তোমাদের ভাগীরথীতে না ফেলতে পারি তাহলে রাজনীতি থেকে সরে যাব। শক্তিপুর এলাকায় বসবাস করা বন্ধ করে দেব। তোমরা হাতির পাঁচ পা দেখেছো? মুর্শিদাবাদ জেলায় আমরা ৭০ শতাংশ। এখানে রামনগরে তোমরা বেশি আছো বলে কাজিপাড়ার মসজিদ ভাঙবে? আর বাকি এলাকায় মুসলিম ভাইয়েরা হাত গুটিয়ে বসে থাকবে এটা কোনও দিন হবে না, বিজেপিকে আমি বলছি।’’

    কেন এই সিদ্ধান্ত? 

    এর আগে ওই মন্তব্যের জন্য আদর্শ আচরণবিধি লঙ্ঘিত হয়েছে বলে হুমায়ুনকে (Humayun Kabir) শোকজ করা হয়েছিল। সেই শোকজের জবাবে সন্তুষ্ট না হয়ে এবার তাঁকে সেন্সর করার সিদ্ধান্ত নিল কমিশন।

    নির্বাচন কমিশনে অভিযোগ বিজেপির (Humayun Kabir) 

    বিতর্কিত মন্তব্যটিকে ইস্যু করে নির্বাচন কমিশনে আগেই নালিশ জানিয়েছিলেন বিজেপি নেতা শিশির বাজোরিয়া। বিজেপির অভিযোগ ছিল ওই মন্তব্যের মাধ্যমে বিরোধী দলের কর্মীদের ও সাধারণ ভোটারদের মনে ভীতি সঞ্চারের চেষ্টা হয়েছে। বিজেপির সেই অভিযোগের প্রেক্ষিতে গত ১০ মে হুমায়ুন কবিরকে শোকজ করেছিল নির্বাচন কমিশন। সেদিন কর্মিসভার মন্তব্যের জন্য জবাব তলব করা হয়েছিল তৃণমূল বিধায়কের থেকে। শোকজ নোটিশের জবাবও দিয়েছিলেন ভরতপুরের বিধায়ক। 

    আরও পড়ুন: মাথায় ধারালো অস্ত্রের কোপ! চোরাশিকারিদের হাতে খুন বনরক্ষী

    হুমায়ুনের বক্তব্যে সন্তুষ্ট নয় কমিশন

    হুমায়ুনের (Humayun Kabir) বক্তব্য ছিল, তাঁর বক্তব্যের একটি অংশকে তুলে এমনভাবে অভিযোগ জানানো হয়েছে, যাতে সেটি ভীতি সঞ্চারক ও আদর্শ আচরণবিধি ভাঙার সামিল বলে মনে হয়। যদিও হুমায়ুনের সেই বক্তব্যে সন্তুষ্ট নয় নির্বাচন কমিশন। তাই এবার ভরতপুরের তৃণমূল বিধায়ককে সতর্ক করে দিল কমিশন।

     

    দেশের খবর, দশের খবর, সব খবর, সবার আগে পেতে ফলো করুন আমাদের  Whatsapp, FacebookTwitter, Telegram এবং Google News পেজ।

  • Murshidabad: ৬৩ শতাংশ মুসলিম ভোটে কেন মুসলিম সাংসদ নয়? হুঁশিয়ারি হুমায়ুনের

    Murshidabad: ৬৩ শতাংশ মুসলিম ভোটে কেন মুসলিম সাংসদ নয়? হুঁশিয়ারি হুমায়ুনের

    মাধ্যম নিউজ ডেস্ক: বহরমপুরের (Murshidabad) টানা ৫ বারের সাংসদ কংগ্রেসের প্রার্থী অধীর রঞ্জন চৌধুরী। তাঁকে নির্বাচনে হারাতে তৃণমূল ময়দানে নামিয়েছে ক্রিকেটার ইউসুফ পাঠানকে। পাল্টা বিজেপি প্রার্থী করেছে নির্মল কুমার সাহাকে। তৃণমূলও নিজের ভোট ব্যাঙ্ককে লুফে নিতে বাংলার বাইরের মুসলমান প্রার্থীকে দিয়েছে এই কেন্দ্রে। যদিও ভরতপুরের তৃণমূল বিধায়ক হুমায়ুন কবীর আগেই ৩০-৭০ শতাংশের কথা বলে জেলার হিন্দুদের বিরাট হুমকি দিয়েছিলেন। এবার আজ বলেছেন, “ইসুউফ পাঠান মুসলমান তাই তৃণমূল এজেন্টদের বসতে দেওয়া হচ্ছে না।” এই বক্তব্যে ফের এরকবার সাম্প্রিদায়িক উস্কানি দিলেন বলে মনে করছেন রাজনীতির একাংশের মানুষ।

    ঠিক কী বললেন হুমায়ুন (Murshidabad)

    আজ বহরমপুরে (Murshidabad) চতুর্থদফা নির্বাচনের দিনে তৃণমূল বিধায়ক হুমায়ুন কবীর বলেন, “শক্তিপুর এলাকায় পুরো ভোটটা মেরুকরণ হয়েছে। কারণ যারা হিন্দু তারা বিজেপিতে ভোট দিয়েছেন। এই হিন্দুরা এতদিন অধীর চৌধুরীর শেল্টারে ছিলেন। তাঁর কাছ থেকে সুবিধা নিয়েছেন। লোকসভার ভোটে অধীরকেই ভোট দিতো সকলে। বাকি সময়ে সকলে বিজেপি করত, সিপিএম করত আবার তৃণমূলও করত।” এই প্রসঙ্গে তিনি আরও বলেন, “ইউসুফ পাঠান যেহেতু মুসলমান তাই তৃণমূলের কোনও এজেন্ট বসতে দেবে না। কিন্তু ইউসুফকে যিনি প্রার্থী করেছেন তিনি হিন্দু নেত্রী। ৬৩ শতাংশ মুসলমানদের ভোট নিয়ে কোনও মুসলমান কেন সাংসদ হতে পারবেন না? এটা ভারতের কোন সংবিধানে বসবাস করছি। যদি হিন্দুত্বকে হাতিয়ার করা হয় তাহলে আমরা মুসলমানের মুসলিমত্বকে হাতিয়ার হিসাবে ব্যবহার করব। ৯০ শতাংশ ভোট দিয়ে ইউসুফকে আড়াই লক্ষ ভোটে বিজেপি এবং কংগ্রেসকে হারাব।”

    আরও পড়ুনঃ যে আদালতে ছিলেন ধর্মাবতার, এখন সেখানেই বিচারপ্রার্থী অভিজিৎ গঙ্গোপাধ্যায়

    আগে কী বলেছিলেন?

    নির্বাচনী প্রচারে গিয়ে কয়েক দিন আগে হুমায়ুন নিজে মুর্শিদাবাদের (Murshidabad) সংখ্যালঘু হিন্দু ভোটারদের তীব্র হুমকি দিয়েছিলেন। তিনি বলেছিলেন, “২ ঘণ্টার মধ্যে যদি তোমাদের ভাগীরথীতে না ফেলতে পারি রাজনীতি থেকে সরে যাব। শক্তিপুর এলাকায় বসবাস করা বন্ধ করে দেব। তোমরা হাতির পাঁচ পা দেখেছো? কিন্তু যদি ভেবে থাকো, ৩০ শতাংশ লোক মুর্শিদাবাদ জেলায় আমরা ৭০ শতাংশ। এখানে কামনগরে তোমরা বেশি আছো বলে কাজিপাড়ার মসজিদ ভাঙবে? আর বাকি এলাকায় মুসলিম ভাইয়েরা হাত গুটিয়ে বসে থাকবে এটা কোনও দিন হবে না, বিজেপিকে আমি বলছি।” এরপর তাঁকে নির্বাচন কমিশন শোকজ করেছে। 

     

    দেশের খবর, দশের খবর, সব খবর, সবার আগে পেতে ফলো করুন আমাদের  Whatsapp, FacebookTwitter, Telegram এবং Google News পেজ।

  • Humayun Kabir: ধর্মীয় উস্কানিমূলক মন্তব্যের জের! তৃণমূল বিধায়ক হুমায়ুন কবীরকে শো-কজ কমিশনের

    Humayun Kabir: ধর্মীয় উস্কানিমূলক মন্তব্যের জের! তৃণমূল বিধায়ক হুমায়ুন কবীরকে শো-কজ কমিশনের

    মাধ্যম নিউজ ডেস্ক: ধর্মীয় উস্কানিমূলক মন্তব্যের জেরে ভরতপুরের তৃণমূল বিধায়ক হুমায়ুন কবীরকে (Humayun Kabir) শো-কজ করল নির্বাচন কমিশন। হুমায়ুন জানিয়েছেন তিনি এখনও শো-কজের চিঠি হাতে পাননি। চিঠি পেলে তার জবাব দেবেন। কমিশন সূত্রে খবর, গত ২ মে বিজেপি নেতা শিশির বাজোরিয়া কমিশনের কাছে হুমায়ুনের বিরুদ্ধে অভিযোগ জানিয়েছিলেন। তৃণমূল বিধায়কের মন্তব্যে আদর্শ আচরণবিধি লঙ্ঘিত হয়েছে বলে মনে করেই তাঁকে শো-কজের চিঠি ধরিয়ে জবাব তলব করা হয়েছে।

    কী বলেছিলেন কবীর

    সম্প্রতি একটি বুথ সম্মেলনে হুমায়ুন কবীর (Humayun Kabir) বলেন, ‘ভাগীরথীর জলে ভাসিয়ে দিতে না পারলে রাজনীতি ছেড়ে দেব। যদি ভেবে থাকো, তোমরা ৭০ শতাংশ আর বাকি ৩০ শতাংশ মানুষ কিছু করবে না, তাহলে ভুল হবে। তোমরা কোথাও মসজিদ ভাঙলে ভেবো না যে আমাদের ছেলেরা হাত গুটিয়ে বসে থাকবে।’ তাঁর এই মন্তব্যে সাম্প্রদায়িকতার উস্কানি রয়েছে বলে অভিযোগ জানানো হয় নির্বাচন কমিশনে। সেই অভিযোগের জেরে তাঁকে শোকজ করল কমিশন। যদিও হুমায়ুন দাবি করেছেন যে, সম্প্রতি জেলায় এসে বিজেপি নেতা উত্তরপ্রদেশের মুখ্যমন্ত্রী যোগী আদিত্যনাথ কিছু মন্তব্য করেছিলেন। সেই সূত্রেই তাঁর এমন মন্তব্য। এর আগেও বিতর্কিত মন্তব্য করতে দেখা গিয়েছে হুমায়ুন কবীরকে। লোকসভা ভোটে ইউসুফ পাঠানকে প্রার্থী করায় তিনি প্রচারে না থাকার কথা জানিয়েছিলেন ভরতপুরের বিধায়ক। তবে পরে অবশ্য তাঁকে প্রচারে দেখা গিয়েছে। 

    আরও পড়ুন: দেশে নির্বাচন পরিচালনায় পথিকৃৎ সুকুমার সেন, জানেন তাঁর কথা?

    হুমায়ুনের বিরুদ্ধে অভিযোগ

    হুমায়ুনের (Humayun Kabir) এই আচরণের বিরুদ্ধে আগেই মুর্শিদাবাদের শক্তিনগর থানাতে অভিযোগ জানিয়েছিল বিজেপি। দলের তরফে থানায় অভিযোগ দায়ের করেছিলেন শক্তিপুরে বিজেপির মণ্ডল সভাপতি গোকুলবিহারী ঘোষ। অভিযোগপত্রে তিনি জানিয়েছিলেন, গত ১ মে সন্ধ্যা ৬টা নাগাদ শক্তিপুর সবজি মার্কেটে এক সভায় হুমায়ুন কিছু বিতর্কিত মন্তব্য করেছেন। বিজেপির দাবি, অবিলম্বে তাঁর বিরুদ্ধে পদক্ষেপ করা হোক।

     

    দেশের খবর, দশের খবর, সব খবর, সবার আগে পেতে ফলো করুন আমাদের  Whatsapp, FacebookTwitter, Telegram এবং Google News পেজ।

  • Humayun kabir: এবার সরাসরি বিজেপিকে হুঁশিয়ারি! শক্তিপুরে উস্কানিমূলক ভাষণের অভিযোগ তৃণমূল নেতার বিরুদ্ধে

    Humayun kabir: এবার সরাসরি বিজেপিকে হুঁশিয়ারি! শক্তিপুরে উস্কানিমূলক ভাষণের অভিযোগ তৃণমূল নেতার বিরুদ্ধে

    মাধ্যম নিউজ ডেস্ক: রাজ্যে এখন ভোটের আবহ। আর এরই মধ্যে নির্বাচনী জনসভা থেকে উস্কানিমূলক ভাষণ দেওয়ার অভিযোগ উঠল মুর্শিদাবাদের তৃণমূল কংগ্রেস নেতা হুমায়ুন কবীরের বিরুদ্ধে। কয়েকদিন আগেই মুর্শিদাবাদ (Murshidabad) সফরে এসেছিলেন মুখ্যমন্ত্রী মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়। বহরমপুরে নেমেই বিধায়ক হুমায়ুন কবিরকে কাছে ডেকে বহরমপুর লোকসভা নির্বাচনে ইউসুফ পাঠান যাতে জয়লাভ করে সে বিষয়ে হুমায়ুন কবিরকে (Humayun kabir) নির্দেশ দিয়েছিলেন তিনি। মুখ্যমন্ত্রীর সেই কথা মেনেই বুধবার জনসভা করছিলেন হুমায়ুন কবির। 

    হুমায়ুন কবিরের মন্তব্য (Humayun kabir)

    এদিন তিনি রীতিমতো হুঁশিয়ারি দিয়ে তিনি বলেন,”কাদের কে বলেছে? কোন ধর্মস্থান ভাঙার কথা? যারা একথা বলে সম্প্রীতি নষ্ট করছে তাদের ক্ষেত্রে নির্বাচন কমিশন কেন কোন রকম পদক্ষেপ গ্রহণ করছেন না? ভোট আগামী ৭ তারিখ, তারপর সবাইকে এই শহরে থাকতে হবে। সেখানে কি করে রাজনীতির নেতৃত্বরা এরকম ভাবে হুমকি দেয়? তাদের ক্ষেত্রে কেন কোন পদক্ষেপ হবে না? কতদিন আর উভয় সম্প্রদায়ের মানুষ এই হুমকি শুনবে। ভোটের জন্য উস্কানি মূলক ভাষণ দেবেন নেতারা। আর তার ফল ভোগ করতে হবে সাধারণ মানুষকে। এ কতদিন ধরে চলবে? মানুষ কবে সজাগ হবে? প্রশ্ন উঠেছে আজ।” 
    একই সঙ্গে এদিন বিজেপি কে সরাসরি হুঁশিয়ারি দিয়ে তিনি বলেন,”কত ধানে কত চাল হয়, দুঘণ্টার মধ্যে তোমাদের কেটে যদি ভাগীরথীর গঙ্গায় না ফেলতে পারি রাজনীতি থেকে সরে যাব। শক্তিপুর এলাকায় বসবাস করা বন্ধ করে দেব। এখানে তোমরা হাতির পাঁচ পা দেখেছো? কিন্তু যদি ভেবে থাকো ৩০% লোক মুর্শিদাবাদ জেলায় আর আমরা ৭০%। এখানে কামনগরে তোমরা বেঁচে আছ বলে কাজীপাড়ায় মসজিদ ভাঙবে আর বাকি এলাকার মুসলমান ভাইয়েরা হাত গুটিয়ে বসে থাকবে এটা কোনদিন হবে না। বিজেপিকে আমি হুঁশিয়ার করে দিয়ে বলছি কোনও দিন হবে না।”   
    অর্থাৎ যেখানে সাম্প্রদায়িক সম্প্রীতি রক্ষার কথা মুখে বলছে সব দলই আর কাজে করছেন অন্য, সেরকমই একটি চিত্র এবার ধরা পরল হুমায়ুন কবিরের (Humayun kabir) সভায়। আর হুমায়ুন কবিরের মন্তব্যের জেরে ফের উত্তাপ ছড়াতে শুরু করেছে শক্তিপুরে।

    আরও পড়ুন: সন্দেশখালিকাণ্ডে হাইকোর্টে রিপোর্ট দিল সিবিআই, কী বলল তদন্তকারী সংস্থা?  

    রামনবমীর দিনও উত্তেজনা 

    প্রসঙ্গত শক্তিপুরে এর আগে রামনবমীর দিনও মিছিল ঘিরে উত্তেজনা ছড়ায় এলাকায়। এর জেরে একাধিক পুলিশকর্মী, দুই নাবালক সহ মোট ১৮ জন জখম হয়েছিলেন। শক্তিপুর হাই স্কুল মোড়ের কাছে রামনবমীর শোভাযাত্রায় দুষ্কৃতীরা হামলা চালায় বলে অভিযোগ উঠেছিল। রামনবমীর মিছিলটি যখন একটি মসজিদের সামনে দিয়ে যাচ্ছিল, তখনই নাকি হামলা চালানো হয়েছিল। সংঘর্ষের খবর পেয়েই ঘটনাস্থলে ছুটে যান মুর্শিদাবাদের ডিআইজি সৈয়দ ওয়াকার রাজা। এলাকায় পরিস্থিতি নিয়ন্ত্রণ করতে বিপুল সংখ্যক পুলিশ মোতায়েন করা হয়। তারই সঙ্গে কেন্দ্রীয় বাহিনীও মোতায়েন করা হয় শক্তিপুরে।

     

    দেশের খবর, দশের খবর, সব খবর, সবার আগে পেতে ফলো করুন আমাদের  WhatsappFacebookTwitterTelegram এবং Google News পেজ।

  • Murshidabad: “দলে ঘুণ ধরেছে” ফের বিস্ফোরক তৃণমূল বিধায়ক হুমায়ুন কবীর

    Murshidabad: “দলে ঘুণ ধরেছে” ফের বিস্ফোরক তৃণমূল বিধায়ক হুমায়ুন কবীর

    মাধ্যম নিউজ ডেস্ক: “দলের মধ্যে ঘুণ ধরেছে, গোষ্ঠীদ্বন্দ্ব চলছে। প্রার্থীর সঙ্গে থেকেও কাজ করছে না।” দলের একাংশের বিরুদ্ধে ক্ষোভ প্রকাশ করে বললেন ভরতপুরের (Bharatpur) বিধায়ক হুমায়ুন কবীর (Humayun Kabir)। তিনি দলীয় সভায় প্রার্থী ইউসুফ পাঠানকে (Yusuf Pathan) সঙ্গে নিয়ে প্রকাশ্যে বলেন, “কে কী লিখবে, কে কী বলবে জানি না। রাজ্য নেতৃত্বকে বলেছি, মুর্শিদাবাদ (Murshidabad) জেলা খুব গুরুত্বপূর্ণ জেলা। আগামী দিনে ডিলিমেটশন হলে আরও গুরুত্ব বাড়বে। এক সময় এই জায়গা বাংলা-বিহার-ওড়িশাকে নেতৃত্ব দিত। কেউ দলের বাইরে আলাদা কর্মসূচি করবেন না। এগুলো বন্ধ হওয়া দরকার। অনেকের অনেক অহংকার।” দলের সভায় সোজাসাপটা ভাবে দলের মধ্যে থাকা গোষ্ঠীকোন্দলের কথা জানিয়ে দিলেন ভরতপুরের এই তৃণমূল বিধায়ক।

    ভোটের আগে থেকেই বিতর্কের সূত্রপাত (Murshidabad)

    মুর্শিদাবাদে (Murshidabad) ভোট ঘোষণার আগে থেকে দলের বিতর্কিত মুখ ছিলেন হুমায়ুন। কিছু দিন আগে পর্যন্ত ঘনিষ্ঠ মহলে বলেছেন বহিরাগত প্রার্থী মানব না। প্রকাশ্যে বলেছেন, অন্য রাজ্য থেকে খেলোয়াড় কিংবা কলকাতা থেকে গায়ক এনে অধীর চৌধুরীকে হারানো যাবে না, এটা আগেও প্রমাণ হয়েছে। এমনকী দলের সিদ্ধান্তকে অবমাননাকর বলে মন্তব্য করেছিলেন মাস খানেক আগেও। এখন প্রার্থীর সঙ্গে আছেন ঠিকই কিন্তু কতটা আছেন তা নিয়ে দলের অনেকেই সন্দেহ প্রকাশ করেছেন। এর জন্য বহরমপুরে কেউ কেউ আলাদা মিটিং-মিছিল শুরু করেছেন। এর বিরুদ্ধেই এদিন ক্ষোভ প্রকাশ করেন হুমায়ুন।

    নেতা কর্মীদের অহংকার

    দলীয় সভায় যা বলেছেন তার বাইরে সংবাদমাধ্যমের প্রশ্নের উত্তরে হুমায়ুন বলেন, “জেলায় (Murshidabad) দলের কিছু নেতা-কর্মীদের মধ্যে অহংকার রয়েছে। ভাবছে এমনি এমনি হয়ে যাবে। ভোট অত সহজ জিনিস না। দলের কর্মীদের সতর্ক করছি। প্রার্থীর সঙ্গে হুড়োহুড়ি করছে কিন্তু মাঠে ময়দানের খাটবে না, এটা হবে না। দলের মধ্যে যদি কিছু খামতি থাকে সেটাকে সংশোধন করতে হবে।”

    কী বলছেন বিরোধীরা?

    বহরমপুরে (Murshidabad) একদিকে কংগ্রেসের প্রার্থী অধীর রঞ্জন চৌধুরী অন্যদিকে বিজেপির প্রার্থী নির্মল সাহা। দুজনেই স্থানীয়। আর কথায় কথায় বাংলাকে গুজরাট হতে দেব না বলা তৃণমূল কংগ্রেস সুদুর গুজরাটের বাসিন্দা ইউসুফ পাঠানকে প্রার্থী করেছে। যা নিয়ে দলের মধ্যেই কানাঘুষো আর গোষ্ঠীদ্বন্দ্ব চলছে। এবিষয়ে জেলা কংগ্রেসের মুখপাত্র জয়ন্ত দাস বলেন, “হুমায়ুন করবীরের বক্তব্য এখন ফাঁকা ঢোলের আওয়াজ। কখন কী বলে নিজের দল আর বাড়ির লোকেরাই জানে না। হুমায়ুন কবীর কিছুদিন আগে পর্যন্ত বিরোধিতা করেছিল। বলেছিল বহিরাগত প্রার্থী মানছি না। ফের অভিষেক বন্দ্যোপাধ্যায় কিছু দিন আগেই ডেকে পাঠানোয় সোজা হয়ে গিয়েছেন। ইউসুফ পাঠান তিন হবে না চার সেটাই এখন দেখার বিষয়।”

    আরও পড়ুন: মোদির সভায় জন সুনামি, ভিড়়ের প্রশংসা করলেন প্রধানমন্ত্রী

    তৃণমূলের বক্তব্য

    হুমায়ুনের বক্তব্যে যে ফের জলঘোলা হচ্ছে তা টের পেয়েছে তৃণমূল। মান বাঁচাতে হুমায়ুনের সমর্থনে নামেন তৃণমূলের জেলা সভাপতি অপুর্ব সরকার। তিনি বলেন, “হুমায়ুন কবীর দীর্ঘদিনের রাজনীতি করা মানুষ। আমার দাদা। ওঁর হয়ত কিছু মনে হয়েছে, সেটা বলেছেন। দলের ভালোর জন্যই বলেছে। আমরা তাঁর সঙ্গে কথা বলে দলের উচ্চ নেতৃত্বের সঙ্গেও এনিয়ে জানাবো।”

     

    দেশের খবর, দশের খবর, সব খবর, সবার আগে পেতে ফলো করুন আমাদের  Whatsapp, FacebookTwitter, Telegram এবং Google News পেজ।

  • Murshidabad: ‘ইউসুফ পাঠানের হয়ে প্রচার করব না’, ফিরহাদের সঙ্গে বৈঠকের পর সাফ জানালেন হুমায়ুন

    Murshidabad: ‘ইউসুফ পাঠানের হয়ে প্রচার করব না’, ফিরহাদের সঙ্গে বৈঠকের পর সাফ জানালেন হুমায়ুন

    মাধ্যম নিউজ ডেস্ক: মুর্শিদাবাদের (Murshidabad) বহরমপুর লোকসভা কেন্দ্রের তৃণমূল প্রার্থী ইউসুফ পাঠানকে প্রথমদিন থেকে মেনে নিতে পারেননি ভরতপুরের তৃণমূল বিধায়ক হুমায়ুন কবীর। নির্দল হিসেবে ভোটে দাঁড়ানোর হুঁশিয়ারি দিয়েছিলেন তিনি। বিদ্রোহ সামাল দিতেই রাজ্যের মন্ত্রী তথা জেলার দায়িত্বপ্রাপ্ত নেতা ফিরহাদ হাকিম তাঁর সঙ্গে বৈঠক করেন। কিন্তু, তাতে বরফ গলেনি। বহরমপুরের প্রার্থী নির্বাচনে তৃণমূল সুপ্রিমো মমতা বন্দ্যোপাধ্যায় এবং অভিষেক বন্দ্যোপাধ্যায় সিলমোহর দিয়েছেন। সেই শীর্ষ নেতৃত্বকে ফুৎকারে উড়িয়ে দিয়ে হুমায়ুন সাফ জানিয়ে দিয়েছেন, ইউসুফের হয়ে তিনি প্রচার করবেন না। মুর্শিদাবাদ জেলা তৃণমূলের পর্যবেক্ষক ফিরহাদ হাকিম বলেন, “বড় সংসারে ছোটখাটো ভুল বোঝাবুঝি থাকে। আলোচনায় সবটা মিটে গেছে। দলের হয়ে সবাই প্রচারে ঝাঁপিয়ে পড়বে।”

    ফিরহাদের সঙ্গে বৈঠকেও কাটল না জট (Murshidabad)

    মুর্শিদাবাদের (Murshidabad) তিনটি লোকসভা আসনে তৃণমূলের সাংগঠনিক প্রস্তুতি খতিয়ে দেখতে সাংগঠনিক নেতৃত্ব, বিধায়ক এবং সাংসদদের নিয়ে একটি বৈঠক করেন ফিরহাদ হাকিম। স্বাভাবিকভাবে তাতে আমন্ত্রিত ছিলেন মুর্শিদাবাদ সাংগঠনিক জেলা তৃণমূলের চেয়ারম্যান তথা হরিহরপাড়ার বিধায়ক নিয়ামত শেখ এবং ভরতপুরে বিধায়ক হুমায়ুন। বহরমপুরের প্রার্থী পছন্দ-না হওয়ায় প্রথমে ওই দু’জনই দলের লোকসভা প্রস্তুতি বৈঠকে যোগ দেবেন না বলে জানিয়েছিলেন। ঘটনাক্রমে প্রস্তুতি বৈঠক থেকে মুর্শিদাবাদের তাঁদের নাম না করে হুঁশিয়ারি দেন ফিরহাদ। তিনি বলেন, “যারা এখন বিদ্রোহ করছেন, তাঁরা যেন এটা ভুলে না-যান ২০২৬ সালে তাঁদেরও ভোট আছে।” সাংগঠনিক বৈঠক শেষে দলের জেলা চেয়ারম্যান নিয়ামত শেখ এবং বিধায়ক হুমায়ুন কবীরের সঙ্গে একটি বেসরকারি হোটেলে একান্তে বৈঠকও করেন ফিরহাদ। কিন্তু, সেই বৈঠক শেষেও দেখা গেল নিজেদের অবস্থানে অনড় দুই তৃণমূল বিধায়ক। বহরমপুর লোকসভা কেন্দ্রে দলীয় প্রার্থী হিসাবে প্রাক্তন ক্রিকেটার ইউসুফ পাঠানকে কোনও ভাবেই তাঁরা মেনে নেবেন না বলে জানিয়ে দিলেন দু’জন।

    আরও পড়ুন: তৃণমূলে মোহভঙ্গ,ভোটের মুখে একঝাঁক ছাত্র-যুব নেতা যোগ দিলেন বিজেপিতে

    কী বললেন বিক্ষুব্ধ বিধায়ক?

    তৃণমূল বিধায়ক হুমায়ুন বলেন, “রাগ-অভিমান কারও ওপর করিনি। তাই সেটা ভঞ্জন হওয়ারও কারণ নেই। আমার কাছে অনেক ‘অফার’ রয়েছে। তবে অন্য কোনও দলে আমি যাব না। এই দলেই থাকব এবং এই দলেরই অন্যায় দেখলে, ভুল দেখলে প্রতিবাদ করব। বহরমপুর লোকসভা কেন্দ্রের প্রার্থীর হয়ে আমি কখনও প্রচার করব না। অন্য প্রার্থীর হয়ে প্রচার করব, না কি নিজের জন্যই প্রচার করব, সেটা সময় বলবে।”

     

    দেশের খবরদশের খবরসব খবরসবার আগে পেতে ফলো করুন আমাদের FacebookTwitter এবং Google News পেজ।

  • Nirmal Kumar Saha: ‘নির্মলবাবু অত্যন্ত ভালো মানুষ’, বিজেপি প্রার্থীর প্রশংসায় পঞ্চমুখ তৃণমূল বিধায়ক

    Nirmal Kumar Saha: ‘নির্মলবাবু অত্যন্ত ভালো মানুষ’, বিজেপি প্রার্থীর প্রশংসায় পঞ্চমুখ তৃণমূল বিধায়ক

    মাধ্যম নিউজ ডেস্ক: মুর্শিদাবাদে চিকিৎসক হিসেবে পরিচিত মুখ নির্মলকুমার সাহাকে (Nirmal Kumar Saha) এ বারের লোকসভা নির্বাচনে বহরমপুর কেন্দ্র থেকে প্রার্থী করে রীতিমতো চমক দিয়েছে বিজেপি । আর বিজেপি-র প্রার্থী তথা জনপ্রিয় চিকিৎসকের প্রশংসায় পঞ্চমুখ হলেন ভরতপুরের তৃণমূল বিধায়ক হুমায়ুন কবীর। যা নিয়ে জেলা রাজনীতিতে রীতিমতো চর্চা শুরু হয়েছে।

    কে এই নির্মল সাহা? (Nirmal Kumar Saha)

    প্রত্যক্ষ রাজনীতিতে এত দিন না থাকলেও সঙ্ঘ পরিবারের সঙ্গে দীর্ঘ পারিবারিক সম্পর্ক নির্মল সাহার (Nirmal Kumar Saha) । কাকা মণিগোপাল সাহা সঙ্ঘের দীর্ঘ দিনের কর্মী ছিলেন। মুর্শিদাবাদ জেলায় আরএসএসের সংগঠন গড়ে তোলার ক্ষেত্রে তাঁর ভূমিকা গুরুত্বপূর্ণ ছিল। নির্মলের বড় দাদা কল্যাণকুমার সাহা মুর্শিদাবাদ চেম্বার অফ কমার্সের সভাপতি। সেই সঙ্গে জেলায় আরএসএস পরিচালিত একাধিক শিক্ষা প্রতিষ্ঠান পরিচালনার দায়িত্বও রয়েছে তাঁর কাঁধে। তবে, বিজেপি প্রার্থী নির্মলকে কোনওদিনই রাজনীতির আঙিনায় সেভাবে দেখা যায়নি। শল্যচিকিৎসক হিসেবে জেলা জুড়ে খ্যাতি তাঁর। প্রত্যন্ত গ্রামীণ এলাকার রোগীদের বিনামূল্যে অস্ত্রোপচার করেন তিনি। লোকমুখে এসব কথা মুর্শিদাবাদ জেলায় শোনা যায়। তাই, হিন্দু-মুসলিম, সকলের কাছেই তিনি ডাক্তারবাবু। এ বার রাজনৈতিক এবং ধর্মীয় মেরুকরণের ঊর্ধ্বে ব্যক্তি নির্মলের স্বচ্ছ ভাবমূর্তিকে ব্যবহার করেই বৈতরণী পেরোতে চাইছে বিজেপি।

    বিজেপি প্রার্থীকে নিয়ে কী বললেন তৃণমূল বিধায়ক?

    মঙ্গলবার তৃণমূল বিধায়ক হুমায়ুন কবীর বলেন, নির্মলবাবুকে (Nirmal Kumar Saha) ব্যক্তিগতভাবে আমি যতটা চিনি তাতে তিনি অত্যন্ত ভালো মানুষ। এটা নিয়ে কোনও সন্দেহ নেই। চিকিৎসক, ইঞ্জিনিয়র, অধ্যাপকদের রাজনীতিতে দরকার রয়েছে। সেদিক দিয়ে তাঁর মতো মানুষকে রাজনীতিতে স্বাগত। বিজেপি তাঁকে হেভিওয়েট হিসেবে প্রচার করছেন। তাঁর শিক্ষাগত যোগ্যতা, চিকিৎসক হিসেবে তিনি হয়তো হেভিওয়েট। তবে, রাজনীতি ময়দানে তিনি সমস্ত এলাকা চেনেন কি না সেটা তিনি ভালো বলতে পারবেন।

    ভোট কাটাকাটির অঙ্কে বাজিমাত করতে চাইছে বিজেপি

    বহরমপুর লোকসভা কেন্দ্রে সাতটি বিধানসভা- বড়ঞা, কান্দি, ভরতপুর, রানিনগর, বেলডাঙা, নওদা এবং বহরমপুর। গত লোকসভা ভোটে তৃণমূল ও কংগ্রেসের দ্বিমুখী লড়াই হয়েছিল। আরএসপি প্রার্থী দিলেও বামফ্রন্টগতভাবে লড়াইয়ে নামতে দেখা যায়নি। কংগ্রেসের অধীর চৌধুরীই জেতেন। যদিও গত বিধানসভা ভোটে উল্টে যায় অঙ্ক। ভোট প্রাপ্তির নিরিখে দ্বিতীয় স্থানে উঠে আসে বিজেপি, তৃতীয় স্থানে নেমে যায় কংগ্রেস। বহরমপুর বিধানসভায় জয়ী হন বিজেপি প্রার্থী। একাধিক বিধানসভায় বিজেপি-র প্রাপ্ত ভোটও অনেকটাই বেড়ে যায়। এ বার সেই আসনেই ভোট কাটাকাটির অঙ্কে বাজিমাত করতে চাইছে বিজেপি। বহরমপুর বিধানসভা-সহ সংখ্যালঘু কম এমন বিধানসভা এলাকাগুলিতে নিজেদের ভোট ধরে রেখে, চিকিৎসক নির্মলের ব্যক্তিগত গ্রহণযোগ্যতাকে কাজে লাগিয়ে সংখ্যালঘু অধ্যুষিত এলাকাতেও বাজিমাত করতে চায় বিজেপি। বিজেপি প্রার্থী তথা চিকিৎসক নির্মল সাহা বলেন, সংখ্যালঘু-সংখ্যাগুরু বলে কিছু হয় না। প্রত্যেকেই মানুষ। মানুষই ঠিক করে দেবেন তাঁদের প্রতিনিধি কে হবেন।

     

    দেশের খবরদশের খবরসব খবরসবার আগে পেতে ফলো করুন আমাদের FacebookTwitter এবং Google News পেজ।

  • Humayun Kabir: আইপ্যাকের নাম করে হুমায়ুন কবীরকে মন্ত্রী করার টোপ! চাওয়া হল ১০ লক্ষ টাকা

    Humayun Kabir: আইপ্যাকের নাম করে হুমায়ুন কবীরকে মন্ত্রী করার টোপ! চাওয়া হল ১০ লক্ষ টাকা

    মাধ্যম নিউজ ডেস্ক: আইপ্যাকের নাম করে তৃণমূলের এক বিধায়ককে মন্ত্রী করার টোপ দেওয়া হয়। আর তার বিনিময়ে ১০ লক্ষ টাকা চাওয়ার অভিযোগ ওঠে। চাঞ্চল্যকর ঘটনাটি ঘটেছে মুর্শিদাবাদ জেলার শক্তিপুর থানা এলাকায়। তৃণমূল বিধায়কের নাম হুমায়ুন কবীর (Humayun Kabir)। তিনি ভরতপুরে বিধানসভার বিধায়ক। শক্তিপুর থানায় তিনি অভিযোগ দায়ের করেন। সেই অভিযোগের ভিত্তিতে পুলিশ এক যুবককে গ্রেফতার করেছে। ধৃতের নাম রঞ্জন সরকার। তাঁর বাড়ি উত্তর ২৪ পরগনার মধ্যমগ্রাম এলাকার পূর্বদাস পাড়াতে। শনিবার সকালে পুলিশ তাঁকে গ্রেফতার করে।

     ঠিক কী ঘটনা ঘটেছে? (Humayun Kabir)

    পুলিশ সূত্রে জানা গিয়েছে, ধৃত ওই যুবক একটি পোর্টালে কাজ করেন।  হুমায়ুন কবীর (Humayun Kabir) বলেন,”প্রায়  ১৫ মাস আগে রঞ্জন সরকার প্রথম আমাকে ফোন করেন এবং নিজেকে রাজ্যের কয়েকজন মন্ত্রী এবং আইপ্যাক-এর শীর্ষ কয়েকজন কর্তার ঘনিষ্ঠ হিসেবে পরিচয় দেন। সেই সময় ওই ব্যক্তি আমাকে রাজ্য মন্ত্রিসভার সদস্য করে দেবে এই আশ্বাস দিয়ে আমার কাছ থেকে বেশ কয়েক হাজার টাকা দাবিও করেন । আমি কোনও মন্ত্রিত্ব পাওয়ার জন্য টাকা দিতে অস্বীকার করলে ওই যুবক আমাকে বারবার ফোন করতে থাকেন।” সূত্রের খবর -এরপর রঞ্জন সরকার বিপদে পড়েছেন এমন দাবি করে হুমায়ুন কবীরের  কাছ থেকে কয়েক ক্ষেপে প্রায় এক লক্ষ টাকা নিয়েছেন। এরপরই হুমায়ুন কবীর, রঞ্জন সরকারের টাকা চাওয়ার বিষয়টি কলকাতা পুলিশের নজরে আনেন। মুর্শিদাবাদ জেলার অতিরিক্ত পুলিশ সুপার (হেডকোয়ার্টার্স) মজিদ ইকবাল খান বলেন,” বিধায়কের লিখিত অভিযোগের ভিত্তিতে আমরা ওই ব্যক্তিকে মধ্যমগ্রাম থেকে গ্রেফতার করেছি।”  আদালত ধৃত রঞ্জন সরকারের তিন দিনের পুলিশ হেফাজতের আবেদন মঞ্জুর করেছে।

    কী বললেন তৃণমূল বিধায়ক?

    হুমায়ুন কবীর  বলেন,” এরপর প্রায় ১ বছর আমার কাছ থেকে রঞ্জন সরকারের টাকা চাওয়া বন্ধ হয়ে যায়। কিন্তু গত ২২ তারিখ থেকে আবার ওই ব্যক্তি আমাকে আইপ্যাক-এর নাম করে বারবার হোয়াটসঅ্যাপে এবং আমার ব্যক্তিগত নম্বরে ফোন করে বিরক্ত করতে থাকেন এবং টাকা চাইতে থাকেন। আমি ওই ব্যক্তিকে ফোন করতে বারণ করলেও বারবার নম্বর বদল করে আমাকে  ফোন করতে থাকেন। এরপরই আমি গোটা ঘটনাটি আইপ্যাক-এর কয়েকজন শীর্ষ আধিকারিকের নজরে আনি। তখন আমাকে জানানো হয় ওই নামে আইপ্যাক সংস্থাতে কেউ কাজ করে না এবং মন্ত্রিত্ব দেওয়ার প্রতিশ্রুতি দিয়ে টাকা চাওয়ার বিষয়টি পুলিশকে জানানোর পরামর্শ দেওয়া হয়।” শুক্রবার রাতে হুমায়ুন কবীর তাঁর নিজের বাড়ির কাছে শক্তিপুর থানাতে একটি লিখিত অভিযোগ দায়ের করেন। 

     

    দেশের খবরদশের খবরসব খবরসবার আগে পেতে ফলো করুন আমাদের FacebookTwitter এবং Google News পেজ।

  • Paschim Medinipur: সেচ দফতরের জমি প্লট করে বিক্রি করছেন তৃণমূল বিধায়কের ভাই! শোরগোল

    Paschim Medinipur: সেচ দফতরের জমি প্লট করে বিক্রি করছেন তৃণমূল বিধায়কের ভাই! শোরগোল

    মাধ্যম নিউজ ডেস্ক: বিক্রি হয়ে যাচ্ছে সরকারি জায়গায়! এবার সরাসরি শাসক দলের তৃণমূল বিধায়ক হুমায়ুন কবিরের বিরুদ্ধে আঙুল তুলে সরব হয়েছেন এলাকার মানুষ। ঘটনায় এলাকায় ব্যাপক শোরগোল পড়ে গিয়েছে। ডেবরার (Paschim Medinipur) কংসাবতী নদীর পাশের বারাসতী গ্রামে বাঁধের সেচ দফতরের জায়গা দখল করে প্লট করে বিক্রি হয়ে যাচ্ছে। আর এই ঘটনায় এলাকায় ব্যাপক উত্তেজনার সৃষ্টি হয়েছে।

    ঠিক অভিযোগ কী (Paschim Medinipur)?

    জানা গিয়েছে, এলাকার বাঁধের পাড়ে থাকা গাছ কেটে বিক্রি করা হচ্ছে। অথচ এই জায়গাটা সরকারি জায়গা। ডেবরা (Paschim Medinipur) ব্লকের বারাসতী এলাকায় কংসাবতী নদী বাঁধের জায়গা বিক্রি করে দেওয়া হচ্ছে। এই সেঁচের জায়গাও সরকারি জায়গা। জায়গা দেখিয়ে পছন্দ অনুসারে জায়গাকে চিহ্নিত করে কোনটা ৪০ হাজার, কোনটা ৫০ হাজার এবার কোনটা ৭০ হাজারে বিক্রি করা হচ্ছে। এলাকার বিধায়ক হুমায়ুন কবিরের নামে তাঁর ভাইয়েরা এই কাজ করছেন বলে অভিযোগ উঠেছে। গ্রামবাসীদের অবশ্য অভিযোগ বিডিও, জেলার আধিকারিক এমনকি মুখ্যমন্ত্রীর দফতরেও জানিয়ে লাভ হচ্ছে না।

    বিধায়কের ভাইয়ের বক্তব্য

    ঘটনায় অভিযোগের কথা অস্বীকার করে ডেবরার (Paschim Medinipur) তৃণমূল বিধায়ক হুমায়ুনের ভাই এলাকাবাসীর অভিযোগকে সম্পূর্ণ অস্বীকার করে বলেন, “অভিযোগ একেবার মিথ্যা। কেউ কিছু প্রমাণ করতে পারবেন না। যে ব্যক্তি আমাদের বিরুদ্ধে আঙুল তুলছে তিনি নিজেই সেচ দফতরের সরকারি জায়গা দখল করে রেখেছে।”

    এলাকাবাসীর অভিযোগ

    স্থানীয় (Paschim Medinipur) পঞ্চায়েত সদস্য বলেন, কিছু লোক পঞ্চায়েতে টিকিট না পেয়ে দলের বিরুদ্ধে অপপ্রচার করছে। যারা আজ অভিযোগ করছে তারা আগে তৃণমূল করত। পরে নির্দল হয়ে নির্বাচনে লড়াই করে।” তবে সেচের জমিকে অবৈধ ভাবে দখলের বিরুদ্ধে সরকার কোনও পদক্ষেপ কেন গ্রহণ করছেন না? এই বিষয়ে স্পষ্ট করে উত্তর দিতে পারেননি এই পঞ্চায়েত সদস্য।   

     

    দেশের খবর, দশের খবর, সব খবর, সবার আগে পেতে ফলো করুন আমাদের Facebook, Twitter এবং Google News পেজ।

  • Murshidabad: বিজয়া সম্মেলনে তৃণমূলের গোষ্ঠদ্বন্দ্ব প্রকাশ্যে! বিস্ফোরক হুমায়ুন কবীর

    Murshidabad: বিজয়া সম্মেলনে তৃণমূলের গোষ্ঠদ্বন্দ্ব প্রকাশ্যে! বিস্ফোরক হুমায়ুন কবীর

    মাধ্যম নিউজ ডেস্ক: মুর্শিদাবাদের (Murshidabad) বহরমপুরে তৃণমূল জেলা সভাপতির বিজয়া সম্মেলনে গরহাজির ছিলেন একাধিক দলের বিধায়ক। অসুস্থতার কথা বলে অনুপস্থিত ছিলেন জেলার সাংসদ। অবশ্য জেলার তৃণমূলের একাংশের নেতা-কর্মীদের বক্তব্য এই অনুপস্থিতি এক প্রকার অজুহাত ছিল। তবে এই প্রসঙ্গে বিস্ফোরক হলেন ভরতপুরের তৃণমূল বিধায়ক হুমায়ুন কবীর। তিনি তৃণমূলের জেলা সভাপতির বিরুদ্ধে বলেন, “ওঁকে জেলা সভাপতি বলে মনেই করিনা।” এই ঘটনায় মুর্শিদাবাদে ফের একবার গোষ্ঠী কোন্দল প্রকাশ্যে এলো।

    প্রকাশ্যে তৃণমূলের গোষ্ঠী কোন্দল (Murshidabad)

    তৃণমূল দলের কেন্দ্রীয় স্তর থেকে স্পষ্ট নির্দেশ ছিল দলের প্রত্যেক ব্লক স্তর পর্যন্ত দলীয় নেতা-কর্মীদের নিয়ে বিজায় সম্মেলন করতে হবে। বিধায়ক, ব্লক সভাপতি, অঞ্চল সভাপতি, টাউন সভাপতি, ওয়ার্ডের সভাপতি এবং অঞ্চলের নেতাদের এই বিজায়র সম্মলনে যোগদান করতে হবে। এখনও পর্যন্ত মুর্শিদাবাদ জেলায় মোট ২৭ টি বিজয়া সম্মেলনের অনুষ্ঠান হয়। গতকাল শনিবার ছিল বহরমপুরে বিজায় সম্মেলন কিন্তু এই অনুষ্ঠানে তৃণমূল জেলা সভাপতি শাওনি রায়, রাজ্য সহ-সভাপতি মইনুল হাসান উপস্থিত ছিলেন। কিন্তু বিজয়া সম্মেলনে উপস্থিত ছিলেন না নওদার (Murshidabad) বিধায়ক শাহিনা মমতাজ এবং ভরতপুরের বিধায়ক হুমায়ুন কবীর। ফলে জেলায় ফের একবার হুমায়ুন কবীর বনাম শাওনি রায়ের গোষ্ঠী কোন্দল প্রকাশ্যে।

    কী বললেন হুমায়ুন?

    বিজায় সম্মলনে উপস্থিত না থাকার কারণ হিসাবে তৃণমূল বিধায়ক হুমায়ুন, জেলার (Murshidabad) সভাপতি শাওনি রায়ের বিরুদ্ধে বলেন, “জেলা সভাপতির সঙ্গে আমার সম্পর্ক একদম ভালো নয়। তাই আমি যাইনি। জেলা সভাপতিকে পরিবর্তন করার বিষয়ে দলকে জানিয়েছি। দল নিশ্চয়ই ব্যবস্থা নেবে। তবে ওঁকে আমি জেলার সভাপতি বলে মানেই করিনা”

    জেলা সভাপতির বক্তব্য

    অপর দিকে মুর্শিদাবাদের তৃণমূল জেলা সভাপতি দলের কোন্দলকে অস্বীকার করে শাওনি রায় বলেন, “গত নির্বাচনগুলি আমরা একসঙ্গে নির্বাচনে লড়াই করছি। দলের সাফল্যের মূলে অভ্যন্তরীণ সম্পর্ক বেশ ভালো।”

     

    দেশের খবর, দশের খবর, সব খবর, সবার আগে পেতে ফলো করুন আমাদের ,  এবং Google News পেজ।

LinkedIn
Share