Tag: IMD

IMD

  • Weather Update: সকালেও ঝোড়ো হাওয়ার দাপট, সঙ্গে ভারী বৃষ্টি, রেমালের রেশ সোমেও

    Weather Update: সকালেও ঝোড়ো হাওয়ার দাপট, সঙ্গে ভারী বৃষ্টি, রেমালের রেশ সোমেও

    মাধ্যম নিউজ ডেস্ক: রাতভর তাণ্ডব চালানোর পর এখন শক্তি হারিয়ে সাধারণ ঘূর্ণিঝড়ে পরিণত রেমাল (Cyclone Remal)। মধ্যরাতেই সাগরদ্বীপ ও বাংলাদেশের খেপুপাড়ার মাঝে আছড়ে পড়ে  ঘূর্ণিঝড় রেমাল। হাওয়া অফিস (Weather Update) জানিয়েছে, স্থলভাগে ল্যান্ডফলের সময় রেমালের গতিবেগ ঘণ্টায় ১১০-১২০ কিলোমিটার ছিল। তবে শক্তি হারালেও সোমবারও এর প্রভাব বজায় থাকবে। এদিন সকালেও আকাশে কালো মেঘ, সঙ্গে ঝোড়ো হাওয়ার দাপট রয়েছে। কিছু কিছু জায়গায় গাছ ভেঙে পড়ে অবরুদ্ধ রাস্তাঘাট। আলিপুর আবহাওয়া দফতর সূত্রে খবর, সোমবার দুপুর পর্যন্ত কলকাতা ও পাশের জেলাগুলিতে দুর্যোগ চলবে।

    অতি-ভারী বৃষ্টির সতর্কতা

    কলকাতা থেকে জেলা, রেমালের (Cyclone Remal) প্রভাবে প্রবল ঝড়-বৃষ্টি চলছে। আলিপুর আবহাওয়া দফতরের (Weather Update) তরফে বলা হয়েছে, সোমবার দুপুর পর্যন্ত কলকাতায় ভারী থেকে অতিভারী বৃষ্টির সতর্কতা জারি করা হয়েছে। তিলোত্তমার পাশাপাশি হাওড়া-হুগলি এবং দুই ২৪ পরগনাকে ভারী থেকে অতি ভারী বৃষ্টি জারি থাকবে। দুই ২৪ পরগনা, পূর্ব বর্ধমানেও লাল সতর্কতা জারি আছে। সোমবারও ৬০ থেকে ৭০ কিলোমিটার প্রতি ঘণ্টায় ঝোড়ো হাওয়া বইবে এই সব জেলায়। নদিয়া-মুর্শিদাবাদেও আবহাওয়া এমনই থাকবে। দক্ষিণবঙ্গের অন্যান্য জেলায় ৪০ থেকে ৫০ কিলোমিটার প্রতি ঘণ্টায় ঝোড়ো হাওয়া বইবে। 

    বিধ্বস্ত জনজীবন

    হাওয়া অফিসের পূর্বাভাস (Weather Update) মতোই অতিশক্তিশালী রূপ নিয়ে ঘূর্ণিঝড় রেমাল (Cyclone Remal) আছড়ে পড়ল । টানা ২ ঘণ্টা ধরে চলে এই ল্যান্ডফল প্রক্রিয়া। জায়গায় জায়গায় গাছ ভেঙে পড়েছে। হেলে পড়েছে সিগন্যাল পোস্ট। কবি নজরুল স্টেশনে উড়ে গিয়েছে মেট্রোর শেড। ঘূর্ণিঝড় রেমালের কারণে বাতিল করা হয়েছে একগুচ্ছ লোকাল ও দূরপাল্লার ট্রেন। সোমবার সকাল ৬টা পর্যন্ত ৫৩টি লোকাল ট্রেন বাতিল করা হয়েছে। বাতিল করা হয়েছে বেশ কয়েকটি দূরপাল্লার ট্রেনও। আজ, সকাল ৯টা পর্যন্ত কলকাতা বিমানবন্দর থেকে কোনও বিমান ওড়েনি। কলকাতা ও জেলায় জেলায় বন্ধ রাখা হয়েছে ফেরি সার্ভিস।ঝোড়ো হাওয়ায় কলকাতার আলিপুরের কয়েকটি জায়গায় গাছ ভেঙে পড়ে রাস্তা অবরুদ্ধ হয়ে পড়েছে। কলকাতা পুরসভার কর্মীরা তা সরানোর কাজ শুরু করেছেন। শরৎ বোস রোডের একটি জায়গায় বিদ্যুতের খুঁটি উপড়ে গিয়েছে।  ঘূর্ণিঝড়ের প্রভাবে পুরোপুরি বিধ্বস্ত সুন্দরবন ও সাগরদ্বীপ অঞ্চল। ফ্লাড-শেল্টারগুলিতেও অব্যবস্থার অভিযোগ। হিঙ্গলগঞ্জে বাঁধ ভেঙে বানভাসি গ্রাম। 

    আরও পড়ুন: প্রবল গতিতে ধেয়ে আসছে ‘রেমাল’, শুরু বৃষ্টি, ভয়ঙ্কর দুর্যোগের পূর্বাভাস

    উত্তরবঙ্গে প্রভাব

    আবহাওয়া দফতর (Weather Update) জানিয়েছে, সরাসরি না হলেও উত্তরবঙ্গেও রেমালের (Cyclone Remal) পরোক্ষ প্রভাব পড়বে। সোম থেকে বুধবার পর্যন্ত মালদা এবং দক্ষিণ দিনাজপুরে ভারী বৃষ্টির কমলা সতর্কতা জারি করা হয়েছে। কোচবিহার, উত্তর দিনাজপুর এবং জলপাইগুড়িতে জারি করা হয়েছে মাঝারি থেকে ভারী বৃষ্টির হলুদ সতর্কতা।

     

    দেশের খবর, দশের খবর, সব খবর, সবার আগে পেতে ফলো করুন আমাদের  Whatsapp, FacebookTwitter, Telegram এবং Google News পেজ।

  • Monsoon Update: ‘বরিষ ধরা মাঝে শান্তির বারি’! তীব্র গরমে বর্ষা নিয়ে সুখবর দিল মৌসম ভবন

    Monsoon Update: ‘বরিষ ধরা মাঝে শান্তির বারি’! তীব্র গরমে বর্ষা নিয়ে সুখবর দিল মৌসম ভবন

    মাধ্যম নিউজ ডেস্ক: বৈশাখের কাঠফাটা রোদ, অসহ্য গরমের মধ্যেই বর্ষা (Monsoon Update) নিয়ে সুখবর দিল মৌসম ভবন। বর্ষায় দেশে এবার স্বাভাবিকের চেয়ে বেশি বৃষ্টি হবে বলে পূর্বাভাস দিল কেন্দ্রীয় আবহাওয়া দফতর। সোমবার আইএমডি-র তরফে জানানো হয়েছে, চলতি বছরে গোটা দেশে স্বাভাবিকের চেয়ে ছ’শতাংশ বেশি বৃষ্টি হওয়ার সম্ভাবনা রয়েছে। গড় বৃষ্টিপাতের পরিমাণ হতে পারে ৮৭ শতাংশ। দীর্ঘ হবে বর্ষাকাল।

    কী বলল মৌসম ভবন

    মৌসম ভবন জানাচ্ছে, এই মরশুমে বৃষ্টিপাত (Monsoon Update) স্বাভাবিকের থেকে কিছুটা বেশি হবে। আবহাওয়া দফতরের পূর্বাভাস, সামগ্রিকভাবে পশ্চিমবঙ্গের সর্বত্রই বৃষ্টি স্বাভাবিক বা তার কিছু বেশি হবে। তবে, দক্ষিণবঙ্গের কিছু জেলাতে স্বাভাবিকের থেকে কম বৃষ্টি হবে বলে মনে করছে হাওয়া অফিস। আবহাওয়া দফতর মনে করছে, ‘এল নিনো’র প্রভাবে বর্ষার প্রথম ভাগে তাপমাত্রা বাড়বে। যা মোটামুটি জুলাই অবধি চলবে। এরপর বৃষ্টি বাড়বে। দুর্যোগ বাড়বে সারা দেশেই। আমাদের দেশে জুনের দ্বিতীয় সপ্তাহ নাগাদ বর্ষা ঢোকে। এবারও তার পরিবর্তন হচ্ছে না বলেই মনে করা হচ্ছে। তবে এখনও পর্যন্ত এবছর দেশে  বর্ষা আসার দিনক্ষণ জানায়নি আবহাওয়া অফিস। কেরলে বর্ষা তাড়াতাড়ি এলে সারা দেশেই বর্ষা আসবে সময়ের আগে। আবহবিদদের ধারণা, এল নিনোর প্রভাবে এবারও সময়ের আগেই দেশে বর্ষা আসতে পারে।   

    আরও পড়ুন: অভিষেকের পর অযোধ্যায় প্রথম রাম নবমীতে পূজিত হবেন রামলালা, চলছে বিশেষ প্রস্তুতি

    কেন বেশি বৃষ্টি

    সোমবার আইএমডি-র তরফে জানানো হয়েছে, বসন্তকালে এ বার উত্তর মেরুতে অন্য বারের তুলনায় কম তুষারপাত হয়েছে। এর সঙ্গে দক্ষিণ-পশ্চিম মৌসুমি বায়ুর বিপরীত সম্পর্ক রয়েছে। সব মিলিয়ে আবহাওয়া দফতরের পূর্বাভাস, এ বার স্বাভাবিকের চেয়ে বেশি বৃষ্টি (Monsoon Update) পাবে দেশ। ১০৬ শতাংশ বৃষ্টি হতে পারে দেশে, বলছে মৌসম ভবন। মৌসম ভবনের ডিজি মৃত্যুঞ্জয় মহাপাত্র বলেছেন, ‘এল নিনো’ থাকলে সামগ্রিক ভাবে দেশে যেমন বেশি বৃষ্টি হয়, তেমনই ওড়িশা, দক্ষিণবঙ্গের কিছু অংশে স্বাভাবিকের চেয়ে কিছুটা কম বৃষ্টি হয়। আসল কথা, ১৫ জুলাই থেকে ১৫ অগস্টের মধ্যে কতটা বৃষ্টি হচ্ছে তার উপর বেশি খেয়াল রাখা হয়। ওই সময়ে পর্যাপ্ত বৃষ্টি হলে মুখে হাসি ফোটে কৃষকদের। কারণ, ওই সময়ই আমন ধান রোপণের কাজ চলে। ওই পর্বে স্বাভাবিক পরিমাণে বৃষ্টি হলে বাংলার চাষিরা কিছুটা হলেও নিশ্চিন্তে থাকেন।

     

    দেশের খবর, দশের খবর, সব খবর, সবার আগে পেতে ফলো করুন আমাদের  Whatsapp, FacebookTwitter, Telegram এবং Google News পেজ।

  • Cyclone Michaung: ডিসেম্বরের প্রথমেই ঘূর্ণিঝড়! ‘মিগজাউম’-এর প্রভাবে থমকে  শীত

    Cyclone Michaung: ডিসেম্বরের প্রথমেই ঘূর্ণিঝড়! ‘মিগজাউম’-এর প্রভাবে থমকে শীত

    মাধ্যম নিউজ ডেস্ক: ফের শীতের পথে বাধা ঘূর্ণিঝড়। বঙ্গোপসাগরে নতুন করে একটি ঘূর্ণিঝড় তৈরি হতে চলেছে, এমনটাই জানিয়েছে মৌসম ভবন। ঘূর্নিঝড় মিধিলির (Cyclone Midhili) পর ‘মিগজাউম’ (Cyclone Michaung)। বাংলায় এর কোনও প্রভাব পড়বে কিনা, তা এখনও পর্যন্ত স্পষ্ট নয়। তবে বঙ্গোপসাগরে তৈরি হওয়া নিম্নচাপের জন্য এখনই জাঁকিয়ে শীত পড়ার কোনও সম্ভাবনা নেই দক্ষিণবঙ্গে।

    কী বলছে হাওয়া অফিস

    মৌসম ভবন (India Meteorological Department) সূত্রে খবর, ইতিমধ্যেই আন্দামান সাগরে একটি নিম্নচাপ তৈরি হয়েছে। প্রতিবেদন লেখা পর্যন্ত নিম্নচাপটি অবস্থান করছে দক্ষিণ আন্দামান সাগর এবং সংলগ্ন মালাক্কা প্রণালীর উপর। হাওয়া অফিসের পূর্বাভাস, নিম্নচাপটি ক্রমেই পশ্চিম ও উত্তর-পশ্চিম দিকে অগ্রসর হবে। আগামিকাল, ২৯ নভেম্বরের মধ্যে শক্তি বাড়িয়ে গভীর নিম্নচাপে পরিণত হবে এটি। গভীর নিম্নচাপটি আগামী দুই দিনের মধ্যে গভীর ঘূর্ণিঝড়ে (Cyclone Michaung) পরিণত হবে। আবহবিদদের কথায়, ‘সাইক্লোনের গতিপ্রকৃতি ঠিক কী হতে চলেছে, সেই বিষয়ে এখনও স্পষ্ট কোনও ইঙ্গিত পাওয়া যায়নি। এই ঘূর্ণিঝড় কোন দিকে অগ্রসর হবে তা এখনও পর্যন্ত স্পষ্ট নয়। এর জন্য আরও বেশ কিছুটা সময় প্রয়োজন রয়েছে।’ বেশ কয়েকটি আবহাওয়া মডেল এই সাইক্লোনের একটি সম্ভাব্য গতিপথের ইঙ্গিত দিয়েছে। আর এই পূর্বাভাস মডেলগুলি অনুযায়ী, ৬ ডিসেম্বর নাগাদ স্থলভাগ ছুঁতে পারে সাইক্লোনটি। বাংলাদেশ বা মায়ানমার উপকূলের দিকে তা যেতে পারে। আগামী ৩০ নভেম্বর পর্যন্ত মৎস্যজীবীদের আন্দামানসাগরে যেতে নিষেধ করা হয়েছে।

    শীত পড়তে দেরি

    ঘূর্ণিঝড় মিগজাউমের প্রভাবে উত্তরবঙ্গে (North Bengal) ভারী বা মাঝারি বৃষ্টির কোনও সম্ভাবনা নেই। তবে পশ্চিমী ঝঞ্ঝার প্রভাবে ডিসেম্বরের শুরুর দিকে দার্জিলিং কালিম্পং-এ হালকা বৃষ্টির পূর্বাভাস রয়েছে। এই সাইক্লোনের ফলে রাজ্যে উত্তুরে হাওয়ার প্রবেশ বাধাপ্রাপ্ত হচ্ছে। আর যার ফলে পারদ পতনেও হচ্ছে বিলম্ব। আপাতত আগামী কয়েকদিন রাজ্যে জাঁকিয়ে শীত পড়ার সম্ভাবনা নেই বলেই জানিয়েছে আবহাওয়া দফতর। হাওয়া অফিসের পূর্বাভাস অনুযায়ী, দক্ষিণবঙ্গে (South Bengal) বুধবার থেকে আংশিক মেঘলা আকাশ থাকবে। সপ্তাহান্তে উপকূলীয় এলাকাগুলির হাওয়া বদলের সম্ভাবনা প্রবল। 

     

    দেশের খবরদশের খবরসব খবরসবার আগে পেতে ফলো করুন আমাদের FacebookTwitter এবং Google News পেজ।

  • Heavy Rain: ফের ভারী বর্ষণের সতর্কতা জারি দিল্লি সমেত উত্তর ভারতে! বৃষ্টিতে স্কুল বন্ধ মহারাষ্ট্রে

    Heavy Rain: ফের ভারী বর্ষণের সতর্কতা জারি দিল্লি সমেত উত্তর ভারতে! বৃষ্টিতে স্কুল বন্ধ মহারাষ্ট্রে

    মাধ্যম নিউজ ডেস্ক: ফের দিল্লিতে ভারী বৃষ্টির (Heavy Rain) পূর্বাভাস দিল হাওয়া অফিস। বিগত কয়েক সপ্তাহ ধরে বন্যায় নাজেহাল ছিল দিল্লিবাসী। ফের বৃষ্টি হলে যমুনার জলস্তর আরও বাড়তে পারে। বুধবারও ভারী বৃষ্টি হয় দিল্লিতে। এর ফলে রাজধানীর বহু এলাকায় ফের জল জমতে শুরু করে। সমস্যা দেখা দেয় দিল্লির ট্রাফিকে। সূত্রের খবর, গত ২৪ ঘণ্টায় ৩৭.১ মিলিমিটার বৃষ্টি হয়েছে রাজধানীতে। বৃহস্পতিবারের জন্যও আগাম হলুদ সতর্কতা জারি করেছে হাওয়া অফিস। তবে শুধু বৃহস্পতিবার নয়, দিল্লিতে বৃষ্টি চলতেই থাকবে বলে জানিয়েছে হাওয়া অফিস।

    দিল্লিতে ফের ফুঁসছে যমুনা, গ্রেটার নয়ডা প্লাবিত হিন্দনের জলোচ্ছ্বাসে

    টানা বৃষ্টির (Heavy Rain) জেরে ফের একবার বিপদসীমা অতিক্রম করেছে যমুনার জলস্তর। রাজধানীর নিচু এলাকাগুলি এর ফলে ডুবতে শুরু করেছে। যার জন্য সেখানে সতর্কতা জারি করেছে প্রশাসন। সরানো হয়েছে প্রায় ২৭ হাজার মানুষকে। যমুনার পাশাপাশি ফুঁসছে যোগী রাজ্যের হিন্দন নদীও। এর ফলে উত্তরপ্রদেশের নয়ডা এবং গ্রেটার নয়ডাতে বন্যা পরিস্থিতির অবনতি হয়েছে। সূত্রের খবর, যমুনা এবং হিন্দন নদীর জলোচ্ছ্বাসের ফলে ১৭টি গ্রাম প্লাবিত হয়েছে ইতিমধ্যে। জানা গিয়েছে, ৩১ হাজার দুর্গতকে ইতিমধ্যে নিরাপদ স্থানে সরিয়েছে প্রশাসন। যমুনার জলোচ্ছ্বাসে ইতিমধ্যে নাংলি ওয়াজিদপুর, শাহপুর গোবর্ধনপুর খাদার, চকবসন্তপুর, বসন্তপুর, ইয়াকুতপুর-সহ বহু এলাকা জলমগ্ন হয়েছে।

    মহারাষ্ট্রে বন্ধ স্কুল-কলেজ

    উত্তর ভারতের পাশাপাশি মহারাষ্ট্রেও ভারী বৃষ্টির (Heavy Rain) সতর্কতা জারি করেছে আবহাওয়া দফতর। রিপোর্ট বলছে, মুম্বই, রায়গড়, রত্নগিরি এবং সিন্ধুদুর্গের বহু এলাকায় ভারী থেকে অতিভারী বৃষ্টি (Heavy Rain) হবে। জানা গিয়েছে দেশের বাণিজ্য নগরী মুম্বইয়ে ভারী বৃষ্টির জেরে বিভিন্ন এলাকা বর্তমানে জলের তলায় রয়েছে। পরিস্থিতি এতটাই খারাপ যে স্কুল, কলেজগুলি বন্ধ রাখার নির্দেশ দিয়েছে একনাথ শিন্ডে সরকার। মহরাষ্ট্রে রাতভর বৃষ্টিতে বন্যা পরিস্থিতি দেখা গিয়েছে নাগপুরেও।

    বিপর্যস্ত উত্তরাখণ্ড ও হিমাচল

    উত্তরাখণ্ড এবং হিমাচল প্রদেশের জনজীবন বন্যায় একেবারে বিপর্যস্ত। বর্ষা নামার পর থেকেই হিমালয়ের কোলে এই দুই রাজ্যে বন্যা পরিস্থিত তৈরি হয়। অতিবৃষ্টি (Heavy Rain) এবং ভূমিধসের জেরে দুই রাজ্যের যোগাযোগ ব্যবস্থাও কার্যত ভেঙে পড়েছে। উত্তরাখণ্ডের বেশ কিছু জেলায় বৃহস্পতিবারও বৃষ্টির কারণে হলুদ সতর্কতা জারি করেছে হাওয়া অফিস। ধসের জেরে উত্তরাখণ্ডের ২৪১টি সড়ক বন্ধ হয়ে যাওয়ার খবর মিলেছে যার মধ্যে উল্লেখযোগ্য হল ঋষিকেষ-যমুনেত্রী সড়ক। ইতিমধ্যে পরিস্থিতি মোকাবিলায় নামানো হয়েছে ২০০ জেসিবি। পাশাপাশি হিমাচলের  ৯টি জেলায় বৃষ্টির কারণে কমলা সতর্কতা (Heavy Rain) জারি করেছে মৌসম ভবন। এগুলি হল, শিমলা, সোলান, মান্ডি, সিরমুর, বিলাসপুর, কাংড়া, চম্বা, হামিরপুর এবং উনা।

     

    দেশের খবর, দশের খবর, সব খবর, সবার আগে পেতে ফলো করুন আমাদের FacebookTwitter এবং Google News পেজ।

  • IMD: এবার দেশের প্রতিটি পিন কোডে মিলবে আবহাওয়ার পূর্বাভাস, জানুন নয়া উদ্যোগ সম্পর্কে

    IMD: এবার দেশের প্রতিটি পিন কোডে মিলবে আবহাওয়ার পূর্বাভাস, জানুন নয়া উদ্যোগ সম্পর্কে

    মাধ্যম নিউজ ডেস্ক: বাড়ির বাইরে বেরতে গেলে অনেকেই আকাশের দিকে তাকিয়ে তারপর বের হন। উদ্দেশ্য, আকাশ পরিষ্কার না মেঘলা, তা জানা। কৃষকরা আবার আকাশের দিতে তাকিয়ে থাকেন বৃষ্টি কিংবা রোদের আশায়। এতদিন এঁদের অনেকেই দিল্লির মৌসম (IMD) ভবনের পূর্বাভাসের ওপর নির্ভর করে ঠিক করতেন, কবে বীজ বপন করবেন, কবেই বা ফসল কাটবেন। তবে মৌসম ভবনের সেই পূর্বাভাস সব ক্ষেত্রে মিলত না বলেই অভিযোগ।

    ‘হর হর মৌসম, ঘর ঘর মৌসম’

    এমতাবস্থায় আবহাওয়ার পূর্বাভাস আরও নির্ভুলভাবে দিতে ‘হর হর মৌসম, ঘর ঘর মৌসম’ চালু করছে দিল্লির মৌসম ভবন। ‘হর হর মৌসম, ঘর ঘর মৌসমে’র মাধ্যমে দেশের প্রতিটি পিন কোড ধরে ধরে আবহাওয়ার পূর্বাভাস দেবে মৌসম ভবন। ইন্ডিয়ান মেটেরিওলজিক্যাল ডিপার্টমেন্টের (IMD) ডিরেক্টর মৃত্যুঞ্জয় মহাপাত্র বলেন, “দেশের যে কোনও প্রান্তে থাকা ব্যক্তি যখনই আবহাওয়ার পূর্বাভাস জানতে চাইবেন, তিনি যেন ততক্ষণাৎ তা পেয়ে যান, এটাই আমাদের লক্ষ্য।”

    মিলবে নির্ভুল পূর্বাভাস 

    তিনি বলেন, “ভারত অনেক বড় দেশ। ফলে প্রতিটি গ্রামে একটি করে আবহাওয়া দফতর থাকা সম্ভব নয়। কিন্তু বিশ্লেষণের মাধ্যমে প্রান্তিক এলাকায়ও আমরা আবহাওয়ার প্রায় নির্ভুল পূর্বাভাস দিতে সক্ষম। বর্তমানে পর্যবেক্ষণের ক্ষেত্রে টেকনোলজি ও কম্পিউটারের ব্যবহার সেই কাজ আরও সহজ করেছে। এবার আমাদের পরিকল্পনা পিন কোড ধরে ধরে আবহাওয়ার পূর্বাভাস দেওয়া। আমাদের ওয়েবসাইটে ক্লিক করলেই সেই তথ্য মিলবে।”

    আরও পড়ুুন: প্রযুক্তি সংস্থাগুলিকে ৫০ শতাংশ আর্থিক সাহায্য দেওয়ার কথা ঘোষণা মোদির

    মৃত্যুঞ্জয় বলেন, “পূর্বাভাসের জন্য আমরা কমন অ্যালার্ট প্রোটোকল তৈরি করেছি। এটা জাতীয় বিপর্যয় মোকাবিলার একটি প্রজেক্ট। কিন্তু ইন্ডিয়ান মেটেরিওলজিক্যাল ডিপার্টমেন্ট এই প্রজেক্টে যৌথভাবে কাজ করছে। প্রতিটি রাজ্য প্রশাসনের টেলিকমিউনিকেশন বিভাগের মদতে আমরা ঘূর্ণিঝড়ের সময় দ্রুত পদক্ষেপ গ্রহণ করতে পারি।” তিনি (IMD) বলেন, “এপিআই পদ্ধতির সাহায্যে প্রতিটি রাজ্যে আমাদের আবহাওয়ার পূর্বাভাস স্থানীয় ও আঞ্চলিক ভাষায় জনগণের মোবাইলে পৌঁছে দেওয়া সম্ভব হচ্ছে। এসএমএসের পাশাপাশি ভয়েস মেসেজ এবং ভিডিও বার্তায় পৌঁছচ্ছে ওয়েদার ফোরকাস্ট। এছাড়াও রয়েছে আমদের মোবাইল অ্যাপ মেঘদূত, দামিনী। যেখানে প্রতিটি রাজ্যের আঞ্চলিক ভাষায়ও আবহাওয়ার পূর্বাভাস পাওয়া সম্ভব।”

     

    দেশের খবর, দশের খবর, সব খবর, সবার আগে পেতে ফলো করুন আমাদের FacebookTwitter এবং Google News পেজ।

  • El Nino Effect: ‘এল নিনো’-র দাপট! জুলাইয়ের শুরুতেই কমতে পারে বৃষ্টির পরিমাণ

    El Nino Effect: ‘এল নিনো’-র দাপট! জুলাইয়ের শুরুতেই কমতে পারে বৃষ্টির পরিমাণ

    মাধ্যম নিউজ ডেস্ক: ইতিমধ্যেই দেশের বেশিরভাগ জায়গায় পৌঁছে গিয়েছে দক্ষিণ পশ্চিম মৌসুমী বায়ু। চলতি বছর স্বাভাবিক হবে বর্ষা, আশাবাদী মৌসম ভবন। যদিও ‘এল নিনো’- র (El Nino Effect) প্রভাব উদ্বেগ বাড়িয়েছে বিশেষজ্ঞদের একাংশের মধ্যে। এর প্রভাবে জুলাইয়ে সারা দেশে বৃষ্টিপাতের পরিমাণ কমবে, বলে অনুমান আবহাওয়াবিদদের।

    কেমন হবে বৃষ্টি

    আগামী কয়েকদিন দেশের একাধিক অংশে হালকা থেকে মাঝারি বৃষ্টিপাতের সম্ভাবনা রয়েছে, এমনটাই জানানো হয়েছে মৌসম ভবন। শুধু তাই নয়, দেশের বিভিন্ন জায়গার জন্য ইতিমধ্যেই হলুদ এবং কমলা সতর্কতা জারি করা হয়েছে। আবহাওয়া দফতরের তরফে আরও জানানো হয়েছে, আগামী চার থেকে পাঁচ দিনে আরও সক্রিয় হয়ে যাবে মৌসুমী বায়ু। তবে, তার মধ্যে রয়েছে এল নিনোর প্রভাব নিয়ে আশঙ্কায় আবহাওয়াবিদরা। তাঁদের ব্যাখ্যা এল নিনো শুধুমাত্র শুষ্ক আবহাওয়ার জন্য দায়ী, এমনটা নয়। এল নিনোর (El Nino Effect) প্রভাবে টানা বৃষ্টিপাতও হতে পারে।

    এল নিনো কী

    ২০১৫ সালে প্রশান্ত মহাসাগরে দেখা পাওয়া গিয়েছিল এল নিনোর (El Nino Effect)। ২০২৩ সালে ফের একবার তা প্রত্যাবর্তন করেছে বলে দাবি গবেষকদের একাংশের। এল নিনো একটি উষ্ণ সামুদ্রিক স্রোত যাঁর প্রভাব পড়ে একাধিক দেশের আবহাওয়ার উপর। এল নিনো একটি স্প্যানিশ শব্দ, এর অর্থ হল ছোট ছেলে। চলতি বছর বর্ষার উপর প্রভাব বিস্তার করতে পারে এল নিনো। বিশ্বে জলবায়ু পরিবর্তনের প্রভাবে আবহাওয়ার মতি-গতি প্রতিনিয়ত বদলে যাচ্ছে। বিশ্ব জল চক্রের বদলের বড় প্রভাব ভারতের জলবায়ুর উপর পড়তে পারে বলে মনে করা হচ্ছে।

    আরও পড়ুন: ১০ ঘণ্টায় কলকাতা থেকে ত্রিপুরা! বাংলাদেশ হয়ে উত্তর-পূর্বে পৌঁছবে ভারতীয় রেল?

    আবহাওয়া দফতর সূত্রে খবর, জুলাইয়ের প্রথম সপ্তাহ থেকেই এল নিনোর (El Nino Effect) প্রভাব প্রত্যক্ষ করা যাবে। তবে খরার মতো পরিস্থিতি তৈরি হবে না। পূর্ব ও উত্তর পশ্চিম ভারতে স্বাভাবিকের থেকে কম বৃষ্টিপাত হবে। চলতি বর্ষাকালের শেষ পর্যন্ত এল নিনোর প্রভাব থাকবে। আর এল নিনোর প্রভাবে যে শুধু খরা পরস্থিতি হতে পারে তা নয়, এর প্রভাবে এক প্রান্তে ভারী বৃষ্টিও হতে পারে যার ফলে তৈরি হতে পারে বন্যা পরিস্থিতিও।

    দেশের খবর, দশের খবর, সব খবর, সবার আগে পেতে ফলো করুন আমাদের FacebookTwitter এবং Google News পেজ।

     

  • Cyclone Mocha: আজ, দক্ষিণ-পূর্ব বঙ্গোপসাগরে তৈরি হতে পারে ঘূর্ণাবর্ত! ঘূর্ণিঝড় ‘মোকা’র সতর্কবার্তা

    Cyclone Mocha: আজ, দক্ষিণ-পূর্ব বঙ্গোপসাগরে তৈরি হতে পারে ঘূর্ণাবর্ত! ঘূর্ণিঝড় ‘মোকা’র সতর্কবার্তা

    মাধ্যম  নিউজ ডেস্ক: বছরের প্রথম ঘূর্ণিঝড়ের জন্য ইতিমধ্যেই প্রস্তুতি শুরু করে দিয়েছে মৌসম ভবন। আগাম সতর্কতামূলক ব্যবস্থা নেওয়া হচ্ছে রাজ্য প্রশাসনগুলির তরফে। আজ, শনিবার দক্ষিণ-পূর্ব বঙ্গোপসাগরে তৈরি হবে একটি ঘূর্ণাবর্ত। ৭ মে সেই ঘূর্ণাবর্ত পরিণত হতে পারে নিম্নচাপে (Depression)। তারপর সোমবার, ৮ মে সেটি গভীর নিম্নচাপে (Deep Depression) পরিণত হয়ে উত্তর অভিমুখে মধ্য বঙ্গোপসাগরের দিকে এগনোর সম্ভাবনা রয়েছে। মঙ্গলবার (৯ মে) ওই গভীর নিম্নচাপটি মধ্য বঙ্গোপসাগরে ঘূর্ণিঝড়ে পরিণত হতে পারে। শুক্রবার মৌসম ভবনের তরফে জানানো হয়, নিম্নচাপ তৈরি হওয়ার পরই ঘূর্ণিঝড় নিয়ে ছবিটা স্পষ্ট হবে। এখনও পর্যন্ত একটা পূর্বাভাস দেওয়া হয়েছে মাত্র। 

    ঘূর্ণিঝড় নিয়ে শঙ্কা

    ঘূর্ণিঝড় নিয়ে শঙ্কায় রয়েছে ওড়িশা। ঝড় মোকাবিলায় আগেভাগেই প্রশাসনকে সতর্ক করেছেন সে রাজ্যের মুখ্যমন্ত্রী নবীন পট্টনায়েক। উচ্চপর্যায়ের বৈঠকও করেছেন।  এখনও পর্যন্ত ঘূর্ণিঝড়ের গতিপথ নিয়ে কোনও পূর্বাভাস দেওয়া হয়নি। কিন্তু কোথায় আছড়ে পড়ার সম্ভাবনা রয়েছে, তারই ভিত্তিতে চারটি রাজ্যকে ইতিমধ্যেই সতর্ক করেছে মৌসম ভবন। অন্ধ্রপ্রদেশ, তামিলনাড়ু এবং ওড়িশা ছাড়াও অন্য যে রাজ্যে ‘মোকা’ আছড়ে পড়ার সম্ভাবনা রয়েছে, সেটি হল পশ্চিমবঙ্গ। তাই রাজ্যকেও সতর্ক করা হয়েছে। মৎস্যজীবীদের ৮-১১ মে পর্যন্ত সমুদ্রে যেতে নিষেধ করা হয়েছে।

    নিম্নচাপের প্রভাবে আন্দামান ও নিকোবর দ্বীপপুঞ্জে ভারী থেকে অতি ভারী বৃষ্টির সতর্কতা জারি করা হয়েছে। রবিবার ও সোমবার তুমুল বৃষ্টি হতে পারে এই দুই দ্বীপপুঞ্জ এলাকায়। বৃষ্টির সঙ্গে দমকা ঝোড়ো হাওয়া বইবে আন্দামান ও নিকোবর দ্বীপপুঞ্জে। হাওয়ার গতিবেগ থাকবে ৫০ কিলোমিটার প্রতি ঘণ্টা।

    আরও পড়ুন: চোখের সামনে ভেঙে পড়ল পাহাড়! বদ্রীনাথের রাস্তায় বড় ধস, বন্ধ যাত্রা

    শনিবার থেকে বুধবার পর্যন্ত দক্ষিণবঙ্গে বৃষ্টির সম্ভাবনা কার্যত নেই বলেই জানাচ্ছে আবহাওয়া দফতর। বাঁকুড়া, পুরুলিয়া, পশ্চিম বর্ধমান এবং বীরভূমের তাপমাত্রা ৪০ ডিগ্রি উঠতে পারে বলে অনুমান আবহাওয়াবিদদের।

    দেশের খবর, দশের খবর, সব খবর, সবার আগে পেতে ফলো করুন আমাদের FacebookTwitter এবং Google News পেজ।

  • Cyclone Sitrang: আসতে চলেছে ঘূর্ণিঝড় সিত্রাং! সতর্ক উপকূলরক্ষী বাহিনী, চলছে মাইকিং

    Cyclone Sitrang: আসতে চলেছে ঘূর্ণিঝড় সিত্রাং! সতর্ক উপকূলরক্ষী বাহিনী, চলছে মাইকিং

    মাধ্যম নিউজ ডেস্ক: ধেয়ে আসছে ঘূর্ণিঝড় সিত্রাং। এই ঘূর্ণিঝড়ের আগাম সতর্কতা হিসাবে শুক্রবার সকাল থেকেই মাঝসমুদ্রে গিয়ে মাইকিং শুরু করেছে উপকূলরক্ষী বাহিনী। মৎস্যজীবীদের সতর্ক করতে ব্যস্ত তাঁরা। সকাল থেকেই দেখা যায় মাইক হাতে চলছে কড়া নজরদারি৷ সমুদ্রে মাছ ধরতে যাওয়া মৎস্যজীবীরা যাতে বিপদে না পড়েন, তাই দক্ষিণ ২৪ পরগনার মৎস্যজীবীদের ক্ষেত্রে নিষেধাজ্ঞা জারি করেছে মৎস্য দফতর। নিষেধাজ্ঞা উপেক্ষা করে কেউ গভীর সমুদ্রে মাছ ধরতে গেলে তাঁর লাইসেন্সও বাতিল করা হতে পারে। কালীপুজোর পরের দিন মঙ্গলবার সিত্রাং এর প্রভাবে শুরু হয়ে যেতে পারে বৃষ্টি। বঙ্গোপসাগরের উত্তর-পূর্ব উপকূলে সর্বশক্তি দিয়ে  আগামী ২৬ অক্টোবর, বুধবার সকালে বা  বিকেলে ঘণ্টায় ৬৫ থেকে ৮৫ কিলোমিটার গতিবেগে আছড়ে পড়তে পারে সিত্রাং। পূর্বাভাস আলিপুর আবহাওয়া দফতরের (Alipore Weather Office)।

    আরও পড়ুন: ওড়িশা ও গুজরাট থেকে গ্রেফতার পাণ্ডে ভাইয়েরা! শিবপুর-কাণ্ডে ধৃতদের থেকে কী জানতে চায় পুলিশ?

    মৌসম ভবন জানায়, ইতিমধ্যেই উত্তর আন্দামান সাগর এবং দক্ষিণ আন্দামান সাগর এবং দক্ষিণ-পূর্ব বঙ্গোপসাগরের সংলগ্ন এলাকায় একটি নিম্নচাপ তৈরি হয়েছে। এটি সোমবার নাগাদ ঘূর্ণিঝড়ে পরিণত হবে। আইএমডি সূত্রে খবর, নিম্নচাপটি পশ্চিম-উত্তর-পশ্চিম দিকে অগ্রসর হবে। এই গভীর নিম্নচাপটি ২৪ অক্টোবরের মধ্যে পশ্চিমমধ্য এবং তৎসংলগ্ন পূর্ব-মধ্য বঙ্গোপসাগরে একটি ঘূর্ণিঝড়ে পরিণত হতে পারে। এই ঘূর্ণিঝড়ের  সতর্কতা হিসেবে মৎস্যজীবীদের রবিবারের মধ্যেই ফিরে আসতে বলা হয়েছে। মাঝসমুদ্রে সতর্কবার্তা দেওয়ার পাশাপাশি ঝড়ের কথা মাথায় রেখে আগাম প্রস্তুতিও শুরু করেছে বাহিনী।  নিজেদের মধ্যে বৈঠক করে কিভাবে কী পদক্ষেপ করা হবে, তা নিয়ে ইতিমধ্যেই বেশকিছু সিদ্ধান্ত নেওয়া হয়েছে। 

    আরও পড়ুন: বিরোধী শিবির এগোতেই রিটার্নিং অফিসার ‘বিরতি’ নিলেন, রাজ্য মেডিক্যাল কাউন্সিল নির্বাচনে ব্যাপক দুর্নীতির অভিযোগ তৃণমূলের বিরুদ্ধে 

    নদী উপকূল জুড়েও চলছে উপকূলরক্ষী বাহিনীর মাইকিং ও টহলদারি। নদী তীরবর্তী এলাকার বাসিন্দাদের অন্যত্র সরিয়ে নিয়ে যাওয়ার কাজও চলছে। সুন্দরবনে পর্যটনে ব্যবহৃত জলযানের ক্ষেত্রেও নিষেধাজ্ঞা জারি করা হয়েছে। সবকিছু সামাল দিতে নদী ও সমুদ্রযানের পাশাপাশি কোস্টগার্ড আকাশযানও ব্যবহার করার সিদ্ধান্ত নিয়েছে। বিভিন্ন জায়গায় কণ্ট্রোল রুম খোলা হয়েছে। কাকদ্বীপ এবং সাগরদ্বীপে জাতীয় বিপর্যয় মোকাবিলা বাহিনীকে প্রস্তুত রাখা হচ্ছে।

    দেশের খবর, দশের খবর, সব খবর, সবার আগে পেতে ফলো করুন আমাদের Facebook এবং Twitter পেজ।

  • Kolkata Weather: কাটছে না নিম্নচাপ, আজও ভিজবে শহর! বৃহস্পতি থেকে হতে পারে উন্নতি

    Kolkata Weather: কাটছে না নিম্নচাপ, আজও ভিজবে শহর! বৃহস্পতি থেকে হতে পারে উন্নতি

    মাধ্যম নিউজ ডেস্ক: সপ্তাহের শুরু থেকেই বৃষ্টিতে জেরবার জনজীবন। পুজোর মুখে বর্ষার মতো বৃষ্টি হওয়ায় দোকানিদের মাথায় হাত। হাতিবাগান, নিউমার্কেট থেকে গড়িয়াহাট প্রায় ফাঁকা বললেই চলে। বৃষ্টিতে সবই জলে যাচ্ছে এমনই বলছেন ব্যবসায়ীরা। আলিপুর হাওয়া অফিস (Alipore weather update) সূত্রে খবর, আপাতত বৃষ্টি থেকে মুক্তি নেই। দিনভর মেঘলা আকাশ শুধু নয়, সঙ্গে হালকা থেকে মাঝারি বৃষ্টিও হবে শহরের নানা প্রান্তে।  কোথাও কোথাও  দু-এক পশলা ভারী বৃষ্টিও হতে পারে। বুধবার সন্ধে পর্যন্ত বৃষ্টি চলবে। তবে বৃষ্টির জেরে শহরে তাপমাত্রার পারদ পতন ঘটেছে। এদিন সকালে সর্বনিম্ন তাপমাত্রা ছিল ২৫.৯ ডিগ্রি সেলসিয়াস। গতকাল  সর্বোচ্চ তাপমাত্রা ছিল ২৮.২ ডিগ্রি সেলসিয়াস। বাতাসে জলীয়বাষ্পের পরিমাণ ছিল সর্বাধিক ৯৭ শতাংশ।  বৃষ্টি হয়েছে ২.৪ মিলিমিটার।

    আরও পড়ুন: ফের ভয় ধরাচ্ছে ডেঙ্গি, কলকাতাতেই আক্রান্ত ৪৫১ জন

    মৌসম ভবন (IMD) সূত্রে খবর, নিম্নচাপ ক্রমশ শক্তি হারাচ্ছে। বর্তমানে মধ্যপ্রদেশে নিম্নচাপের অবস্থান সুস্পষ্ট। মৌসুমী অক্ষরেখা রাজস্থানের জয়সলমীর থেকে অম্বিকাপুর দিয়ে রাঁচি হয়ে দিঘার উপর দিয়ে বঙ্গোপসাগর পর্যন্ত বিস্তৃত। অপর একটি ঘূর্ণাবর্ত তৈরি হয়েছে মহারাষ্ট্র ও গোয়া উপকূলে আরব সাগরে। এই ঘূর্ণাবর্ত থেকে একটি নিম্নচাপ অক্ষরেখা মধ্য বাংলাদেশ পর্যন্ত বিস্তৃত। অক্ষরেখাটি গাঙ্গেয় পশ্চিমবঙ্গ ঝাড়খন্ড এবং মধ্যপ্রদেশের নিম্নচাপ বলয়ের উপর দিয়ে গেছে যার জেরে এই বৃষ্টি।

    আরও পড়ুন: কলকাতা বিশ্ববিদ্যালয়ের উপাচার্যকে পুনর্নিয়োগ করা যাবে না, সাফ জানাল হাইকোর্ট

    কলকাতা ছাড়াও গাঙ্গেয় পশ্চিমবঙ্গের আরও চার জেলায় দিনভর ভারী বৃষ্টি হতে পারে বলে পূর্বাভাস।  বুধবারের সকালের পূর্বাভাস অনুযায়ী ভারী বৃষ্টির সম্ভাবনা রয়েছে উত্তর ২৪পরগনা, দক্ষিণ ২৪পরগনা, মুর্শিদাবাদ এবং নদিয়াতে। বৃহস্পতিবার থেকেই একঘেয়ে বৃষ্টি আর মেঘলা আকাশের আবহাওয়া বদলাতে পারে। উত্তরে মালদা, উত্তর দিনাজপুর, দক্ষিণ দিনাজপুর, জলপাইগুড়ি, দার্জিলিংয়ে মাঝারি থেকে ভারী বৃষ্টির পূর্বাভাস রয়েছে।

    দেশের খবর, দশের খবর, সব খবর, সবার আগে পেতে ফলো করুন আমাদের Facebook এবং Twitter পেজ।

  • Amarnath: অমরনাথে মেঘভাঙা বৃষ্টি নয়, তবে কেন দুর্ঘটনা? কী বলছেন আবহ বিজ্ঞানীরা?

    Amarnath: অমরনাথে মেঘভাঙা বৃষ্টি নয়, তবে কেন দুর্ঘটনা? কী বলছেন আবহ বিজ্ঞানীরা?

    মাধ্যম নিউজ ডেস্ক: মেঘভাঙা বৃষ্টির জেরে (Cloudburst) বিধস্ত তুষারতীর্থ অমরনাথ (Amarnath)। মৃতের সংখ্যা অন্তত ১৬ জন। খোঁজ নেই প্রায় ৪০ জনের। ১৫ হাজার পুণ্যার্থীকে (Pilgrims) উদ্ধার করে নিয়ে আসা হয়েছে নিরাপদ আশ্রয়ে। প্রবল জলের তোড়ে ভেসে গিয়েছে পুণ্যার্থীদের তাঁবু। দুর্ঘটনার জেরে আপাতত বাতিল করা হয়েছে তুষারতীর্থ যাত্রা। তবে এই বৃষ্টিকে মেঘভাঙা বৃষ্টি বলতে রাজি নয় আবহাওয়া দফতর। আবহাওয়া দফতরের ডিরেক্টর মৃত্যুঞ্জয় মহাপাত্র জানান, হড়পা বানের জেরেই ঘটেছে দুর্ঘটনা। পাহাড়ের উঁচু ঢালে মুষলধারে বৃষ্টিপাত হলে এক সঙ্গে প্রচুর জল গড়িয়ে পড়ে। একে হড়পা বান বলে। এদিনও হয়েছে তাই। সেই জলই ভাসিয়ে নিয়ে গিয়েছে অমরনাথ যাত্রার পুণ্যার্থী ও তাঁদের তাঁবু।

    আরও পড়ুন : মেঘভাঙা বৃষ্টির জেরে বিধ্বস্ত তুষারতীর্থ অমরনাথ, আপাতত স্থগিত যাত্রা

    এই আবহ বিজ্ঞানী জানান, শুক্রবার বিকেল সাড়ে চারটে থেকে সাড়ে ছটার মধ্যে ওই এলাকায় বৃষ্টিপাত হয়েছে ৩১ মিলিমিটার। একে মেঘভাঙা বৃষ্টি বলা যায় না। কোনও একটি জায়গায় এক ঘণ্টায় যদি ১০০ মিলিমিটার বৃষ্টি হয়, তবে বিজ্ঞানের পরিভাষায় তাকে বলা হয় মেঘভাঙা বৃষ্টি। অমরনাথ গুহার কাছেই রয়েছে একটি আবহাওয়া অফিস। তীর্থযাত্রার আগে আগে আবহাওয়ার পূর্বাভাস দেওয়া হয় এখান থেকেই। সেই মতো ব্যবস্থা করা হয় তীর্থযাত্রার। শ্রীনগরের আঞ্চলিক আবহাওয়া দফতরের ডিরেক্টর সোনাম লোটাসের গলায়ও মহাপাত্রের কথার প্রতিধ্বনি। তিনি বলেন, শুক্রবারের ঘটনাটি স্থানীয়ভাবে প্রচুর মেঘ জমে যাওয়ার জের। তিনি বলেন, শুক্রবার অমরনাথ গুহা এলাকায় প্রচুর মেঘ জমেছিল। তার জেরেই ঘটেছে দুর্ঘটনা। তিনি জানান, চলতি বছরের গোড়ার দিকেও একবার এমন বৃষ্টি হয়েছিল।

    অমরনাথে মেঘভাঙা বৃষ্টি, ভয়ঙ্কর অভিজ্ঞতা নিয়ে কী বললেন বেঁচে ফেরা যাত্রীরা?

    তবে এই বৃষ্টির জেরে ঘটেছে প্রাণহানির ঘটনা। জলের তোড়ে ভেসে গিয়েছে পুণ্যার্থীদের তাঁবু, লঙ্গরখানা। যুদ্ধকালীন তৎপরতায় শুরু হয় উদ্ধার কাজ। বিপর্যয় মোকাবিলা দফতরের লোকজনের পাশাপাশি জম্মু-কাশ্মীর পুলিশ এবং ইন্দোটিবেটান পুলিশের কর্মীরাও হাত লাগান উদ্ধার কাজে। তার জেরে বেঁচে ফিরেছেন বহু পুণ্যার্থী।

    •  
LinkedIn
Share