Tag: INDEPENDENCE DAY

INDEPENDENCE DAY

  • Independence Day 2025: আজ ৭৯তম স্বাধীনতা দিবস, একনজরে ভারতের সংগ্রামীদের সেরা কিছু উক্তি

    Independence Day 2025: আজ ৭৯তম স্বাধীনতা দিবস, একনজরে ভারতের সংগ্রামীদের সেরা কিছু উক্তি

    মাধ্যম নিউজ ডেস্ক: ভারত জুড়ে পালিত হচ্ছে ৭৯তম স্বাধীনতা দিবস (Independence Day)। দেশের সব প্রান্তে তিরঙ্গা পতাকা উড়িয়ে এই বিশেষ দিনটি আড়ম্বরের সাথে পালন করে সাধারণ মানুষ। অনেক সংগ্রাম, রক্তক্ষয় ও অশ্রুজলের মধ্যে দিয়ে প্রায় দুশো বছরের পর পরাধীনতার হাত থেকে আমরা মুক্তি পেয়েছি। বহু ভারতীয়ের দীর্ঘ এবং কঠিন সংগ্রামের পর ১৯৪৭ সালের ১৫ অগাস্ট আমাদের দেশ স্বাধীনতা অর্জন করেছে। ব্রিটিশদের হাত থেকে দেশকে স্বাধীন করতে হাজার হাজার মানুষ প্রাণ দিয়েছেন। সেই বীর স্বাধীনতা সংগ্রামীদের অবদান কখনও ভোলার নয়। স্বাধীনতা দিবসের মত এই বিশেষ দিনে এমনই কিছু বীরের উক্তি মনে করা যাক একনজরে।

    “স্বাধীনতা মানুষের অবিচ্ছিন্ন অধিকার। ওরা আমাকে মেরে ফেলতে পারে, কিন্তু আমার বিশ্বাস, আমার চিন্তাকে ওরা কখনও মারতে পারবে না।” – ভগৎ সিং

    “প্রথমে তারা তোমাকে উপেক্ষা করবে, তারপর তোমাকে দেখে হাসবে। তারপরে সংঘর্ষে লিপ্ত হবে। শেষে কিন্তু জয় তোমারই হবে।” – মহাত্মা গান্ধী

    “পুঁজিবাদী সমাজের শক্তিগুলিকে যদি নিয়ন্ত্রণ না করা হয়, তাহলে ধনীরা আরও ধনী এবং দরিদ্ররা আরও দারিদ্রতার স্বীকার হবে।” – জওহরলাল নেহরু

    “কোনও সম্প্রদায়ের অগ্রগতি আমি সেই সম্প্রদায়ের নারীর অগ্রগতির নিরিখে পরিমাপ করি।” – ভীম রাও আম্বেদকর

    “তোমরা আমাকে রক্ত দাও, আমি তোমাদের স্বাধীনতা দেব।” – সুভাষ চন্দ্র বসু

    “দুশমন কি গোলিও কা হাম সামনা করেঙ্গে / আজাদ হি রহে হ্যায়, আজাদই রহেঙ্গে।” – চন্দ্রশেখর আজাদ

    “এদেশের সমস্ত নাগরিককে মনে রাখতে হবে যে তারা ভারতীয় এবং এই দেশে তাদের সমস্ত অধিকার রয়েছে, সমস্ত কর্তব্যও রয়েছে।” – সর্দার বল্লবভাই প্যাটেল

    “সরফরোশি কি তমন্না অব হামারে দিল মে হ্যায় / দেখনা হ্যায় জোর কিতনা বাজু-ই-কাতিল মে হ্যায়” – রামপ্রসাদ বিশমিল

    “স্বরাজ আমার জন্মগত অধিকার এবং আমি সেটা অর্জন করবই” – বাল গঙ্গাধর তিলক

    “আমরা গভীর আন্তরিকতা, বক্তৃতায় আরও সাহস এবং কর্মে আন্তরিকতা চাই।” – সরোজিনী নাইডু

    “আমি গীতাপাঠ করেছি। আমার মৃত্যুভয় নেই”– ক্ষুদিরাম বসু।

    “লক্ষ্যে পোঁছানোর আগে মৃত্যুর হিমশীতল তোমাদের স্পর্শ করলে তোমরা অনুগামীদের হাতে এই অন্বেষণ এর ভার তুলে দেবে-যেমন আমি তোমাদের হাতে তুলে দিচ্ছি। প্রিয় বন্ধুরা-এগিয়ে চল-কখনও পিছিয়ে যেও না। ওই দেখা যাচ্ছে স্বাধীণতার নবারুণ। উঠে-পড়ে লাগো। কখনও হতাশ হয়ো না। সাফল্য আমাদের সুনিশ্চিত।” – মাস্টারদা সূর্য সেন।

    “চিত্ত যেথা ভয়শূন্য, উচ্চ যেথা শির,
    জ্ঞান যেথা মুক্ত, যেথা গৃহের প্রাচীর
    আপন প্রাঙ্গণতলে দিবসশর্বরী
    বসুধারে রাখে নাই খণ্ড ক্ষুদ্র করি,
    যেথা বাক্য হৃদয়ের উৎসমুখ হতে
    উচ্ছ্বসিয়া উঠে, যেথা নির্বারিত স্রোতে
    দেশে দেশে দিশে দিশে কর্মধারা ধায়
    অজস্র সহস্রবিধ চরিতার্থতায়,
    যেথা তুচ্ছ আচারের মরুবালুরাশি
    বিচারের স্রোতঃপথ ফেলে নাই গ্রাসি,
    পৌরুষেরে করে নি শতধা, নিত্য যেথা
    তুমি সর্ব কর্ম চিন্তা আনন্দের নেতা,
    নিজ হস্তে নির্দয় আঘাত করি, পিতঃ;
    ভারতেরে সেই স্বর্গে করো জাগরিত॥” – রবীন্দ্রনাথ ঠাকুর

  • Independence Day 2025: আজ ১৫ অগাস্ট, ফিরে দেখা ভারতের স্বাধীনতা সংগ্রামের ইতিহাস

    Independence Day 2025: আজ ১৫ অগাস্ট, ফিরে দেখা ভারতের স্বাধীনতা সংগ্রামের ইতিহাস

    মাধ্যম নিউজ ডেস্ক: আজ স্বাধীনতা দিবস (Independence Day 2025)। এ বছর ভারত তার ৭৯তম স্বাধীনতা দিবস উদযাপন করছে। দেশজুড়ে সাজ সাজ রব। আজ, এই মাহাত্ম্যপূর্ণ দিবস উপলক্ষে ফের একবার মনে করে নিই ব্রিটিশ সাম্রাজ্যের বিরুদ্ধে স্বাধীনতা আন্দোলনের বিশেষ বিশেষ ঘটনাগুলি।

    ১৮৫৭ সালের বিদ্রোহ: স্বাধীনতার প্রথম যুদ্ধটি হয়েছিল ১৮৫৭ সালে। দেশবাসী একে জানেন সিপাই বিদ্রোহ হিসেবে। মঙ্গল পাণ্ডে, বাহাদুর শাহ জাফর, রানি লক্ষ্মীবাই এবং নানা সাহিব রুখে দাঁড়িয়েছিলেন ব্রিটিশ সৈনদের বিরুদ্ধে। পরে আন্দোলন ছড়িয়ে পড়ে গোটা দেশে।

    স্বদেশি আন্দোলন: উনবিংশ শতাব্দীতে শুরু হয় স্বদেশি আন্দোলন। বিদেশি দ্রব্য বর্জন করে দেশীয় জিনিস ব্যবহার করার ডাক দেওয়া হয়। বাল গঙ্গাধর তিলকের মতো নেতারা দেশবাসীকে স্বদেশি দ্রব্য ব্যবহার করার আহ্বান জানান। পরবর্তীকালে তিলক এবং জেআরডি টাটা মিলে চালু করেন বিখ্যাত বম্বে স্বদেশি কো-অপারেটিভ স্টোর্স কোম্পানি।

    ভারত ছাড়ো আন্দোলন: ১৯৪২ সালের ৮ অগাস্ট শুরু হয় ভারত ছাড়ো আন্দোলন। এদিনই মহাত্মা গান্ধীর নেতৃত্বে অল ইন্ডিয়া কংগ্রেস কমিটির বম্বে অধিবেশন বসে। এই আন্দোলন ছিল অহিংস আন্দোলন।

    প্রথম জাতীয় পতাকা: ভারতের প্রথম জাতীয় পতাকায় ছিল সবুজ, হলুদ এবং লাল রং। ১৯০৬ সালের ৭ অগাস্ট কলকাতার পার্সি বাগান স্কোয়ারে তোলা হয় ওই পতাকা। বর্তমানে যে জাতীয় পতাকা দেখি, তা প্রথম দেখা যায় ১৯২১ সালে। তিরঙ্গা ওই পতাকায় রয়েছে গেরুয়া, সাদা এবং সবুজ। ২৪ স্পোকের অশোক চক্রও রয়েছে। জাতীয় এই পতাকার ডিজাইন করেছিলেন পিঙ্গালি বেঙ্কাইয়া। ১৯৪৭ সালের ২২ জুলাই এটি গ্রহণ করা হয়। সরকারিভাবে এই জাতীয় পতাকা তোলা হয় ১৫ অগাস্ট, স্বাধীনতা দিবসের দিন।

    ভারতের জাতীয় সঙ্গীত: ভারত স্বাধীন হওয়ার সময় কোনও জাতীয় সঙ্গীত ছিল না। ১৯১১ সালে রবীন্দ্রনাথ ঠাকুর লিখেছিলেন ভারত ভাগ্য বিধাতা। পরে এর নাম হয় জনগণমন। ১৯৫০ সালের ২৪ জানুয়ারি আনুষ্ঠানিকভাবে একে জাতীয় সঙ্গীত হিসেবে গ্রহণ করা হয়।

    র‌্যাডক্লিফ লাইন: ভারত পাকিস্তানের মধ্যে র‌্যাডক্লিফ লাইন টানা হয় ১৯৪৭ সালের ৩ অগাস্ট। পাঞ্জাব ও পাকিস্তানের সীমান্ত ও বাংলা রিজিয়ন প্রকাশিত হয় ১৯৪৭ সালের ১৭ অগাস্ট।

    ভারতের জাতীয় গান: ১৮৮০ সালে জাতীয় গান বন্দে মাতরম লিখেছিলেন আনন্দমঠের রচয়িতা বঙ্কিমচন্দ্র চট্টোপাধ্যায়। ১৯৫০ সালের ২৪ জানুয়ারি সংবিধান পরিষদ একে জাতীয় গান হিসেবে গ্রহণ করে।

    ভারতের স্বাধীনতা: ১৯৪৭ সালের ১৫ অগাস্ট ব্রিটিশ শাসন থেকে মুক্তি পায় কঙ্গো, বাহরিন, কোরিয়া এবং লিচেস্টাইনের সঙ্গে ভারতও। ভাগ হয়ে যায় ভারত ও পাকিস্তান। ভারতের শেষ গভর্নর জেনারেল লর্ড মাউন্টব্যাটেন ১৯৪৮ সালের ৩০ জুন ক্ষমতা হস্তান্তর করতে রাজি হয়েছিলেন। ভারতীয় নেতারা এই সিদ্ধান্তের বিরুদ্ধে সরব হন। পরে ব্যাটেন ক্ষমতা হস্তান্তর করতে রাজি হন ১৯৪৭ সালের ১৫ অগাস্ট। তিনি জানান, দেশে আরও কোনও প্রতিবাদ দেখতে চান না তিনি।

    প্রথম তিরঙ্গা উত্তোলন: স্বাধীন ভারতের প্রথম প্রধানমন্ত্রী জওহরলাল নেহরু ১৫ অগাস্ট লালকেল্লায় প্রথমবার উত্তোলন করেন তিরঙ্গা পতাকা। দেশবাসীর উদ্দেশে ভাষণ দিতে গিয়ে তিনি বলেন, গোটা পৃথিবী যখন ঘুমোচ্ছে, তখন ভারত জাগবে নতুন জীবন ও স্বাধীনতা নিয়ে।

  • Independence Day 2025: এবারের থিম “নয়া ভারত”, স্বাধীনতা দিবসে লালকেল্লা থেকে ভাষণ দেবেন প্রধানমন্ত্রী

    Independence Day 2025: এবারের থিম “নয়া ভারত”, স্বাধীনতা দিবসে লালকেল্লা থেকে ভাষণ দেবেন প্রধানমন্ত্রী

    মাধ্যম নিউজ ডেস্ক: ১৫ অগাস্ট স্বাধীনতা দিবসের (Independence Day 2025) ৭৯তম উদযাপনের এবারের থিম হবে “নয়া ভারত”। ১৩ অগাস্ট জারি করা সরকারি বিবৃতিতে জানানো হয়েছে, এই থিম ভারতের এক সমৃদ্ধ, সুরক্ষিত ও আত্মনির্ভরশীল জাতি হিসেবে গড়ে ওঠার আকাঙ্ক্ষাকে প্রতিফলিত করে, যা ২০৪৭ সালের মধ্যে “বিকশিত ভারত” গঠনের সরকারের দৃষ্টিভঙ্গির সঙ্গে সামঞ্জস্যপূর্ণ।

    ‘অপারেশন সিন্দুর’ (Independence Day 2025)

    এ বছরের এই উদযাপন সফল ‘অপারেশন সিন্দুর’-এর প্রতিও শ্রদ্ধা নিবেদন করবে, যা ভারতের জাতীয় নিরাপত্তা শক্তিশালী করার জন্য একটি গুরুত্বপূর্ণ মাইলফলক। ১৫ আগস্ট প্রধানমন্ত্রী নরেন্দ্র মোদি ঐতিহাসিক লালকেল্লায় জাতীয় পতাকা উত্তোলন করবেন এবং দেশবাসীর উদ্দেশে ভাষণ দেবেন। লালকেল্লায় পৌঁছলে প্রধানমন্ত্রী মোদিকে স্বাগত জানাবেন প্রতিরক্ষামন্ত্রী রাজনাথ সিং, প্রতিরক্ষা প্রতিমন্ত্রী সঞ্জয় শেঠ এবং প্রতিরক্ষা সচিব রাজেশ কুমার সিং। এরপর প্রধানমন্ত্রীর সঙ্গে পরিচয় করিয়ে দেওয়া হবে দিল্লি অঞ্চলের জেনারেল অফিসার কমান্ডিং (জিওসি) লেফটেন্যান্ট জেনারেল ভবনীশ কুমারের, যিনি তাঁকে মঞ্চে নিয়ে যাবেন গার্ড অব অনার পরিদর্শনের জন্য।

    গার্ড অফ অনার

    ভারতে এই গার্ড অফ অনারের নেতৃত্ব দেবেন উইং কমান্ডার এএস সেখোঁ। এতে থাকবেন মোট ৯৬ জন সদস্য। একজন আধিকারিক ও ভারতীয় সেনা, ভারতীয় নৌবাহিনী, ভারতীয় বায়ুসেনা ও দিল্লি পুলিশের ২৪ জন করে সদস্য। গার্ড অব অনার পরিদর্শন করার পর প্রধানমন্ত্রী নরেন্দ্র মোদি লালকেল্লার প্রাচীরের দিকে অগ্রসর হবেন, যেখানে তিন বাহিনীর প্রধান এবং প্রতিরক্ষা প্রধান তাঁকে স্বাগত জানাবেন। ফ্লাইং অফিসার রাশিকা শর্মা প্রধানমন্ত্রীকে জাতীয় পতাকা উত্তোলনে সহায়তা করবেন, যা দেশীয় ১০৫ মিমি লাইট ফিল্ড গান ব্যবহার করে ১৭২১ ফিল্ড ব্যাটারি কর্তৃক ২১ বার তোপধ্বনির সঙ্গে সম্পন্ন হবে (Independence Day 2025)।

    ‘রাষ্ট্রীয় স্যালুট’

    পতাকা উত্তোলনের পর তিরঙ্গা পাবে ‘রাষ্ট্রীয় স্যালুট’, এবং সেই সময় ভারতীয় বিমানবাহিনীর ব্যান্ড জাতীয় সঙ্গীত পরিবেশন করবে। আনুষ্ঠানিকভাবে ফুলের পাপড়ির বর্ষণ করার পর প্রধানমন্ত্রী মোদি জাতির উদ্দেশে ভাষণ দেবেন। ভাষণ শেষে ন্যাশনাল ক্যাডেট কোরের ক্যাডেট এবং ‘মাই ভারত’ স্বেচ্ছাসেবীরা এক সঙ্গে জাতীয় সঙ্গীত গাইবেন। সব মিলিয়ে মোট ২,৫০০ ছেলে ও মেয়ে, যাঁরা সেনাবাহিনী, নৌবাহিনী এবং বিমানবাহিনীর এনসিসি শাখা থেকে আসবেন, তাঁরা উৎসবে অংশ নেবেন ‘মাই ভারত’ স্বেচ্ছাসেবীদের সঙ্গে। তাঁরা লালকেল্লার প্রাচীরের উল্টোদিকে জ্ঞানপথে বসে ‘নয়া ভারত’ লোগো তৈরি করবেন।

    দেশপ্রেমমূলক ব্যান্ড

    এই প্রথমবারের মতো স্বাধীনতা দিবসের সন্ধ্যায় সারা দেশে দেশপ্রেমমূলক ব্যান্ড পরিবেশনের আয়োজন করা হবে, যা জাতীয়তাবাদের চেতনা ও ‘অপারেশন সিঁদুর’ সাফল্য উদ্‌যাপনের জন্য অনুষ্ঠিত হবে। এতে অংশ নেবে সেনাবাহিনী, নৌবাহিনী, বিমানবাহিনী, ভারতীয় কোস্ট গার্ড, এনসিসি, সিআরপিএফ, আইটিবিপি, সিআইএসএফ, এসএসবি, বিএসএফ, আইডিএস, আরপিএফ এবং অসম রাইফেলসের ব্যান্ড। এটি দেশের ১৪০টিরও বেশি গুরুত্বপূর্ণ জায়গায় অনুষ্ঠিত হবে (Independence Day 2025)। এ বছর লালকেল্লায় স্বাধীনতা দিবসের উদ্‌যাপনে প্রায় ৫,০০০ বিশেষ অতিথিকে আমন্ত্রণ জানানো হয়েছে, যারা বিভিন্ন পটভূমি থেকে আসবেন। এছাড়াও, বিভিন্ন রাজ্য ও কেন্দ্রশাসিত অঞ্চল থেকে আসা ১,৫০০-রও বেশি ব্যক্তি, যারা ঐতিহ্যবাহী পোশাক পরিধান করবেন, তাঁরা এই বর্ণাঢ্য অনুষ্ঠানের সাক্ষী থাকবেন।

    গ্যালান্ট্রি পুরস্কার ঘোষণা

    এদিকে, স্বাধীনতা দিবসে অসাধারণ সাহসিকতা প্রদর্শনের জন্য স্বীকৃত প্রতিরক্ষা কর্মীদের গ্যালান্ট্রি পুরস্কার ঘোষণা করা হবে বলে জানিয়েছেন এক প্রবীণ আধিকারিক। অপারেশন সিঁদুরের সাফল্যকে এ বছরের স্বাধীনতা দিবসের উৎসবে বিশেষভাবে উদযাপন করা হবে। এর লোগো জ্ঞানপথে রাখা ভিউ কাটারে প্রদর্শিত হবে এবং থিমভিত্তিক ফুলের সাজসজ্জায়ও ব্যবহার করা হবে। যেসব প্রতিরক্ষা কর্মী সাহসিকতা পুরস্কারের জন্য নির্বাচিত হবেন, তাঁরা লালকেল্লার প্রাচীরে আসন পাবেন, যেখানে প্রধানমন্ত্রী নরেন্দ্র মোদি জাতির উদ্দেশে ভাষণ দেবেন। তাঁর ভাষণে অপারেশন সিঁদুরের সাফল্য এবং সশস্ত্র বাহিনীর বীরত্ব বিশেষভাবে তুলে ধরা হবে বলে ধারণা ওয়াকিবহাল মহলের (Independence Day 2025)।

    জানা গিয়েছে, এ বছরের স্বাধীনতা দিবস উদযাপন হবে “সমৃদ্ধ, সুরক্ষিত ও সাহসী ‘নয়া ভারতে’র অব্যাহত জয়যাত্রা”-কে স্মরণ করার জন্য, যা ২০৪৭ সালের মধ্যে ‘বিকশিত ভারত’ গড়ার সরকারের দৃষ্টিভঙ্গিকে প্রতিফলিত করবে বলে প্রতিরক্ষা মন্ত্রক জানিয়েছে। মন্ত্রকের তরফে আরও জানানো হয়েছে, এই উদযাপনের লক্ষ্য হল “অগ্রগতির পথে আরও দূর এগিয়ে যাওয়ার জন্য নতুন করে শক্তি জোগানো।” বিশেষ আকর্ষণ হিসেবে থাকবে লালকেল্লার ওপর দিয়ে ভারতীয় বিমানবাহিনীর উড়ান প্রদর্শনী, যেখানে তিনটি হেলিকপ্টার সারিবদ্ধভাবে উড়বে, বহন করবে জাতীয় পতাকা এবং অপারেশন সিঁদুরের পতাকা। সমবেত দর্শকদের ওপর ছড়ানো হবে ফুলের পাপড়ি (Independence Day 2025)।

  • Independence Day 2025: স্বাধীনতা দিবসে জাতীয় পতাকা উত্তোলন করবেন ভাবছেন, সঠিক নিয়ম জানেন তো?

    Independence Day 2025: স্বাধীনতা দিবসে জাতীয় পতাকা উত্তোলন করবেন ভাবছেন, সঠিক নিয়ম জানেন তো?

    মাধ্যম নিউজ ডেস্ক: রাত পোহালেই স্বাধীনতা দিবস (Independence Day)। ২০২৫ সালে ভারত তার ৭৯তম স্বাধীনতা দিবস উদযাপন করতে চলেছে। বৃহস্পতিবার মধ্যরাত থেকেই উদযাপন শুরু হবে দেশজুড়ে। শুক্রবার, সকাল থেকে চলবে জাতীয় পতাকা উত্তোলন সহ বিভিন্ন দেশাত্মবোধক কর্মসূচি পালন। স্বাধীনতা দিবস মানে অনুষ্ঠান-উৎসব, নাচ-গানের মাধ্যমে দেশের বীর যোদ্ধাদের স্মরণ করা। দেশাত্মবোধ ও জাতীয়তাবাদের এক আলাদা পরিবেশ দেখা যায় শহক থেকে প্রত্যন্ত গ্রাম থেকে প্রান্তিক জনপদগুলিতেও। বাড়ি থেকে ক্লাব, সর্বত্র দেশের জাতীয় পতাকা উত্তোলন করেন নাগরিকরা। বিগত কয়েক বছর ধরে কেন্দ্রীয় সরকারও ‘হর ঘর তিরঙ্গা’ কর্মসূচি নিয়েছে, যার মাধ্যমে নাগরিকদের কাছে খোদ প্রধানমন্ত্রী আহ্বান জানিয়েছেন পতাকা উত্তোলন করার।

    দ্য ব্যুরো অফ ইন্ডিয়ান স্ট্যান্ডার্স এবং দ্য ফ্ল্যাগ কোড অফ ইন্ডিয়ার নির্দেশিকা

    পতাকা উত্তোলন (Independence Day) তো সর্বত্রই হবে, কিন্তু জাতীয় পতাকা উত্তোলন করার সময় কী করা যাবে আর কী করা যাবে না, রয়েছে সেই ব্যাপারে কয়েকটি নিয়মাবলি ও নির্দেশিকাও (National Flag Hoisting Rules)। দ্য ব্যুরো অফ ইন্ডিয়ান স্ট্যান্ডার্স এবং দ্য ফ্ল্যাগ কোড অফ ইন্ডিয়া বেশ কিছু নিয়মাবলী বেঁধে দিয়েছে এবিষয়ে। এই দুই বিধিতেই শ্রদ্ধা ও মর্যাদার সঙ্গে জাতীয় পতাকা উত্তোলনের কথা বলা হয়েছে। এমন ভাবে তা তুলতে হবে যেন তা কোনওভাবেই মাটিতে স্পর্শ না করে বা কখনও জাতীয় পতাকাকে কেউ যেন পোশাক হিসেবে ব্যবহার না করেন।

    কী কী করতে হবে?

    – ফ্ল্যাগ কোড অফ ইন্ডিয়ার (Independence Day) ২ নং ধারা অনুযায়ী, প্রত্যেক স্বাধীন নাগরিকের অধিকার রয়েছে তাঁর বাড়ি, ব্যবসায়িক জায়গায় অথবা কর্মস্থানে জাতীয় পতাকা উত্তোলন করার।

    – যে কোনও সরকারি বা বেসরকারি প্রতিষ্ঠান বা শিক্ষা প্রতিষ্ঠানও প্রতিদিন জাতীয় পতাকা উত্তোলন করতে পারে।

    – জাতীয় পতাকা উত্তোলন করার সময় শিক্ষা প্রতিষ্ঠানগুলিতে ছাত্রদের শপথ বাক্য পাঠ করানোরও কথা বলা হয়েছে।

    – জাতীয় পতাকা উত্তোলন করার সময় মনে রাখতে হবে যে এই পতাকা আমাদের দেশের গর্ব ও মর্যাদার প্রতীক।

    – জাতীয় পতাকা কোনওভাবেই উল্টো করে উত্তোলন করা যাবে না, সর্বদাই গেরুয়া অংশ ওপরে থাকবে এবং সবুজ অংশ নীচে থাকবে।

    – জাতীয় পতাকা উত্তোলন করার সময় অথবা নামিয়ে নেওয়ার সময় সর্বদাই স্যালুট করতে হবে।

    – জাতীয় পতাকা সর্বোচ্চ স্থানে থাকবে।

    কী কী করা যাবে না (National Flag Hoisting Rules)

    – কোনও সাম্প্রদায়িক উদ্দেশ্যে জাতীয় পতাকা উত্তোলন করা যাবে না, কাপড় হিসেবে জাতীয় পতাকাকে ব্যবহার করা যাবে না। টেবিল ক্লথ, রুমাল হিসেবেও ব্যবহার করা যাবে না।

    – সূর্যাস্তের পরে তিরঙ্গা নামিয়ে নিতে হবে।

    – জাতীয় পতাকার প্রতি কোনও অবস্থাতেই অসম্মান প্রদর্শন করা যাবে না, এতে পা দেওয়া যাবে না, ইচ্ছাকৃতভাবে মাটিতে বা মেঝেতে স্পর্শ করানো যাবে না।

    – ফুল-মালা বা অন্য কোন বস্তু জাতীয় পতাকার ওপরে রাখা যাবে না।

    – জাতীয় পতাকা ফেস্টুন হিসেবে ব্যবহার করা যাবে না।

    – নষ্ট হয়ে যাওয়া জাতীয় পতাকা উত্তোলন করা যাবে না।

    – জাতীয় পতাকার ওপর কোনও ধরনের স্লোগান বা নকশা আঁকা যাবে না।

  • PM Modi: স্বাধীনতা দিবসের ভাষণে কী বলা যেতে পারে? দেশবাসীর কাছে পরামর্শ চাইলেন প্রধানমন্ত্রী মোদি

    PM Modi: স্বাধীনতা দিবসের ভাষণে কী বলা যেতে পারে? দেশবাসীর কাছে পরামর্শ চাইলেন প্রধানমন্ত্রী মোদি

    মাধ্যম নিউজ ডেস্ক: স্বাধীনতা দিবসে (Independence Day speech 2025) প্রধানমন্ত্রী নরেন্দ্র মোদির ভাষণে ধরা দেবে সাধারণ ভারতবাসীর চিন্তাধারা। মোদির মুখে ফুটে উঠবে আম-জনতার কথা। ১৫ অগাস্ট  ভারতের ৭৮তম স্বাধীনতা দিবস উদযাপনকে সামনে রেখে প্রধানমন্ত্রী নরেন্দ্র মোদি (PM Modi) দেশবাসীর প্রতি আহ্বান জানালেন, তাঁরা যেন স্বাধীনতা দিবসের ভাষণের জন্য তাঁদের মতামত, চিন্তা ও পরামর্শ জানান। তাঁদের মতামত ও চিন্তাই ১৫ অগাস্ট ভোরে লালকেল্লায় দাঁড়িয়ে বলবেন প্রধানমন্ত্রী।

    সাধারণের প্রতি আর্জি

    প্রধানমন্ত্রী তাঁর এক্স হ্যান্ডেলে শুক্রবার লেখেন— “স্বাধীনতা দিবস যত এগিয়ে আসছে, আমি আমার প্রিয় ভারতবাসীর মতামত শুনতে আগ্রহী! এবারের ভাষণে কী কী থিম বা ভাবনা উঠে আসা উচিত বলে মনে করেন? মাই গভ (MyGov)-এ অথবা নমো অ্যাপে (NaMo App) ওপেন ফোরামে শেয়ার করুন আপনার মূল্যবান মতামত…” । প্রতি বছরই এই বার্তা দিয়ে থাকেন মোদি। প্রধানমন্ত্রী ভাষণের আগে সাধারণ মানুষের চিন্তা-ভাবনাকে গুরুত্ব দিয়ে থাকেন। তাঁর কথায়, এটাই গণতন্ত্রের প্রাণ— অংশীদারিত্ব। ২০১৪ সালে চালু হওয়া মাই গভ (MyGov) প্ল্যাটফর্ম এবং নমো অ্যাপে (NaMo App)-এর মাধ্যমে নাগরিকরা সরাসরি সরকারের সঙ্গে যুক্ত থাকার সুযোগ পান। এই মাধ্যমগুলোতে সাধারণ মানুষ তাঁদের নিজস্ব অভিজ্ঞতা, নতুন চিন্তা এবং প্রস্তাব প্রধানমন্ত্রীর কাছে পৌঁছে দিতে পারেন।

    স্বাধীনতা দিবসের ভাষণে দেশ গঠনের বার্তা

    প্রধানমন্ত্রী মোদির স্বাধীনতা দিবসের (Independence Day speech 2025) ভাষণে বরাবরই উঠে আসে দেশের নানান প্রান্তের সাফল্যগাথা, উদ্ভাবনী উদ্যোগ, যুব সমাজের কীর্তি এবং নীতিগত পরামর্শ। এবারও তার ব্যতিক্রম হবে না। ওয়াকিবহাল মহল মনে করছে ৭৯তম স্বাধীনতা দিবসের প্রাক্কালে প্রধানমন্ত্রী এমন ভাষণের দিকেই এগোচ্ছেন, যা ভবিষ্যতের ভারত গঠনের স্বপ্নকে সামনে রেখে প্রযুক্তি, ঐক্য এবং অগ্রগতির বার্তা বহন করবে। সেই ভাষণের জন্যই দেশের সাধারণ মানুষকে নিজের নিজের চিন্তাধারা ও পছন্দের বিষয় জানানোর আহ্বান জানালেন প্রধানমন্ত্রী নরেন্দ্র মোদি। এই টুইটের মাধ্যমে দেশের সাধারণ মানুষের জীবন, উন্নয়ন, প্রযুক্তি, যুবসমাজ, কৃষি, পরিবেশ, আত্মনির্ভর ভারত এরকম যেকোনও একটি বিষয় নিয়ে মতামত জানাতে উৎসাহ দেওয়া হয়েছে।হ

  • PM Modi: স্বাধীনতা দিবসে ব্রাত্য ‘বঙ্গবন্ধু’! মুক্তিযুদ্ধের কথা মনে করিয়ে ইউনূসকে চিঠি মোদির

    PM Modi: স্বাধীনতা দিবসে ব্রাত্য ‘বঙ্গবন্ধু’! মুক্তিযুদ্ধের কথা মনে করিয়ে ইউনূসকে চিঠি মোদির

    মাধ্যম নিউজ ডেস্ক: “এই দিনটি আমাদের দুই দেশের ইতিহাস ও ত্যাগের দলিল। যা আমাদের মধ্যে দ্বিপাক্ষিক সম্পর্কের ভিত তৈরি করেছে।” বাংলাদেশের (1971 Liberation War) অন্তর্বর্তী সরকারের প্রধান উপদেষ্টা মহম্মদ ইউনূসকে লেখা চিঠিতে এ কথাই স্মরণ করিয়ে দিলেন ভারতের প্রধানমন্ত্রী নরেন্দ্র মোদি (PM Modi)। ইউনূসকে লেখা চিঠিতে তিনি লিখেছেন, “বাংলাদেশের মুক্তিযুদ্ধ সব সময় আমাদের সম্পর্কের পথপ্রদর্শক আলো। আমরা এই দ্বিপাক্ষিক সম্পর্ক এগিয়ে নিয়ে যেতে প্রতিশ্রুতিবদ্ধ।”

    উপেক্ষিত মুজিব (PM Modi)

    বুধবার, ২৬ মার্চ স্বাধীনতা দিবস পালন করে বাংলাদেশ। এদিন ইউনূস সরকার স্বাধীনতা ঘোষণার কথা উল্লেখ করে। যদিও কার অবদানে দেশ স্বাধীনতা পেল, কীভাবেই বা স্বাধীন হল দেশ, প্রেক্ষিতই বা কী – এসবের কোনও উল্লেখই ছিল না রাষ্ট্রপতি কিংবা প্রধান উপদেষ্টার ভাষণে। অথচ, পাকিস্তানে কারাবন্দি বঙ্গবন্ধু শেখ মুজিবুর রহমানকে আলোকবর্তিকা করে স্বাধীনতার লড়াই শুরু করেছিলেন মুক্তিযোদ্ধারা। ন’মাসের প্রাণপণ লড়াই শেষে আসে কাঙ্খিত স্বাধীনতা। ১৯৭১ সালে বাংলাদেশের এই মুক্তিযুদ্ধে যে ভারতের বিরাট অবদান ছিল, তা ইতিহাস স্বীকৃত। হাসিনা-উত্তর জমানায় বাংলাদেশবাসীকে সেই ইতিহাসও ভুলিয়ে দেওয়ার চেষ্টা চলছে বলে অভিযোগ। একইভাবে, অত্যন্ত সচেতনভাবে মুক্তিযুদ্ধে বঙ্গবন্ধুর অবদানকে অস্বীকার করার চেষ্টাও চলছে বলে অভিযোগ।

    মোদির শুভেচ্ছা-বার্তায় মুক্তিযুদ্ধের উল্লেখ

    দেশের স্বাধীনতা দিবসে মুজিবের নামোল্লেখ না থাকায় যারপরনাই ক্ষুব্ধ বাংলাদেশবাসীর একাংশ। এদিনই অন্তর্বর্তী সরকারের প্রধান উপদেষ্টা ইউনূসকে চিঠি লিখে স্বাধীনতা দিবস উপলক্ষে শুভেচ্ছা জানান প্রধানমন্ত্রী। সেই চিঠিটিই প্রকাশ করেছে বাংলাদেশে ভারতের হাই-কমিশন। তার পরেই প্রকাশ্যে আসে সেদিন ইউনূসকে লেখা চিঠিতে ঠিক কী লিখেছিলেন প্রধানমন্ত্রী নরেন্দ্র মোদি। আন্তর্জাতিক সম্পর্ক বিশেষজ্ঞদের মতে, ইউনূসকে লেখা চিঠিতে বাংলাদেশের মুক্তিযুদ্ধের প্রসঙ্গ উত্থাপন করে প্রধানমন্ত্রী মনে করিয়ে দিয়েছেন একাত্তরের ওই লড়াইয়ে ভারতের অবদানের কথা। প্রধানমন্ত্রীর পাশাপাশি রাষ্ট্রপতি দ্রৌপদী মুর্মুও বাংলাদেশের রাষ্ট্রপতি মহম্মদ শাহাবুদ্দিনকেও স্বাধীনতা দিবসের শুভেচ্ছা জানিয়ে ভারত-বাংলাদেশের মধ্যে দীর্ঘ সম্পর্কের কথা উল্লেখ করেন।

    সরানো হল মুজিবের ছবি

    এদিকে, দেশে তো বটেই, বিদেশি কূটনৈতিক ভবনগুলি থেকেও সরিয়ে ফেলা হয় মুজিবের ছবি। কলকাতা উপ-দূতাবাস ও নানা দেশের যে সব কূটনৈতিক ভবনে শেখ মুজিবের ভাস্কর্য রয়েছে, বেশ কিছুদিন আগেই সেগুলি কাপড়ে ঢেকে দেওয়া হয়েছিল। এদিন প্রায় সব দূতাবাসে স্বাধীনতা দিবসে রাষ্ট্রপতি, প্রধান উপদেষ্টা এবং বিদেশ উপদেষ্টার লিখিত ভাষণ পাঠ করা হয়। পরে হয় আলোচনা সভা। সেখানেও ব্রাত্যই ছিলেন মুজিব। অবশ্য পাকিস্তানের নামোল্লেখ করা হয়নি। তার পরিবর্তে ব্যবহার করা হয়েছে ‘দখলদার’ শব্দটি (PM Modi)।

    স্বাধীনতা দিবসে ‘মাতৃভূমি অথবা মৃত্যু’র ছবি!

    স্বাধীনতা দিবস উপলক্ষে একটি তথ্যচিত্র তৈরি করেছে বাংলাদেশের তথ্য ও সম্প্রচার মন্ত্রকের চলচ্চিত্র ও প্রকাশনা অধিদফতর। আধ ঘণ্টার ওই তথ্যচিত্রটি সব কূটনৈতিক ভবনে দেখানোর নির্দেশ দেওয়া হয়। ইউরোপের একটি দেশের বাংলাদেশি কূটনীতিক জানান, ‘মাতৃভূমি অথবা মৃত্যু’ শীর্ষক এই তথ্যচিত্রটিতে একাত্তরের স্বাধীনতা আন্দোলনের কথাই নেই। পুরোটাই শেখ হাসিনা সরকারের বিরুদ্ধে জুলাই অভ্যুত্থানের কাহিনি। তিনি বলেন, এই তথ্যচিত্র দেখিয়ে দিয়েছে, ইউনূস সরকার এবং তথ্য ও সম্প্রচার উপদেষ্টা মাহফুজ আলমের কাছে একাত্তর নয়, জুলাই আন্দোলনই স্বাধীনতা আন্দোলন। তিনি জানান, সরকারি তথ্যচিত্রটিতে সেন্সরের সাধারণ নিয়মটুকুও মেনে চলা হয়নি। অবাধে দেখানো হয়েছে হিংসা, রক্ত, রাস্তায় পড়ে থাকা রক্তাক্ত দেহের ক্লোজ আপ এবং ছিন্নভিন্ন দেহাংশও। এর সবগুলিই দর্শককে আতঙ্কিত করে তোলে। কলকাতার উপ-দূতাবাস ও আগরতলার সহকারি দূতাবাসেও মুজিব এবং ইন্দিরা গান্ধীর ছবিও সরিয়ে ফেলা হয়েছে। এই দুই জায়গায়ই দেখানো হয়েছে ‘মাতৃভূমি অথবা মৃত্যু’।

    মোদির চিঠি

    বাংলাদেশে অবস্থিত (1971 Liberation War) ভারতীয় হাইকমিশনের শেয়ার করা এক বার্তায় বাংলাদেশবাসীকে শুভেচ্ছা জানিয়ে প্রধানমন্ত্রী (PM Modi) লিখেছেন, “এই দিনটি আমাদের দুই দেশের ইতিহাস ও ত্যাগের দলিল। যা আমাদের মধ্যে দ্বিপাক্ষিক সম্পর্কের ভিত তৈরি করেছে। বাংলাদেশের মুক্তিযুদ্ধের চেতনা আমাদের সম্পর্ককে পরিচালিত করে চলেছে, যা অনেক ক্ষেত্রেই সমৃদ্ধ হয়েছে এবং আমাদের জনগণের জন্য সুনির্দিষ্ট সুবিধা দিয়েছে। শান্তি, স্থিতিশীলতা ও সমৃদ্ধির জন্য আমাদের অভিন্ন আকাঙ্খা এবং একে অপরের স্বার্থ ও উদ্বেগের প্রতি পারস্পরিক সংবেদনশীলতার ভিত্তিতে আমরা এই অংশীদারিত্বকে আরও বিকশিত করতে প্রতিশ্রুতিবদ্ধ।”

    প্রসঙ্গত, ১৯৭১ সালে বাংলাদেশের স্বাধীনতা যুদ্ধের সময় ভারত পূর্ব পাকিস্তানের (অধুনা বাংলাদেশ) জনগণকে সামরিক, কূটনৈতিক ও মানবিক সাহায্য দিয়েছিল। পাক সেনার বিরুদ্ধে যুদ্ধ করেছিল ভারতীয় সেনা। যার ফলে ১৯৭১ সালের ১৬ ডিসেম্বর ঢাকায় পরাজয় ঘটে পাকিস্তানের (1971 Liberation War)। ‘দখলদার’ মুক্ত হয় বাংলাদেশ (PM Modi)।

  • Mohan Bhagwat: দেশে সত্যিকারের স্বাধীনতা প্রতিষ্ঠিত হয়েছিল রাম মন্দির প্রতিষ্ঠার দিন, বললেন ভাগবত

    Mohan Bhagwat: দেশে সত্যিকারের স্বাধীনতা প্রতিষ্ঠিত হয়েছিল রাম মন্দির প্রতিষ্ঠার দিন, বললেন ভাগবত

    মাধ্যম নিউজ ডেস্ক: “যেদিন অযোধ্যায় রাম মন্দির প্রতিষ্ঠা হয়েছিল, সেদিনই সত্যিকারের স্বাধীনতা প্রতিষ্ঠিত হয়েছে দেশে।” কথাগুলি বললেন রাষ্ট্রীয় স্বয়ংসেবক সংঘ, সংক্ষেপে আরএসএসের (RSS) প্রধান মোহন ভাগবত (Mohan Bhagwat)। তিনি বলেন, “এই দিনটি দেশের উচিত ‘প্রতিষ্ঠা দ্বাদশী’ হিসেবে উদযাপন করা। কারণ এই দেশ বহু শতাব্দী ধরে ‘পরচক্র’ (বহিঃ শত্রুর আক্রমণ)-এর মুখোমুখি হয়েছে।

    কী বললেন ভাগবত? (Mohan Bhagwat)

    গত বছর ২২ জানুয়ারি অযোধ্যার মন্দিরে রামলালার প্রাণ প্রতিষ্ঠা করেন প্রধানমন্ত্রী নরেন্দ্র মোদি। সেদিন ছিল দ্বাদশী তিথি। পঞ্জিকা অনুসারে এ বছর সেই তিথি ছিল ১১ জানুয়ারি। সেদিনই পালিত হয় রামলালার প্রথম প্রতিষ্ঠা বার্ষিকী। সংঘ প্রধান (Mohan Bhagwat) বলেন, “রাম মন্দির আন্দোলন কারও বিরোধিতা করার জন্য শুরু হয়নি। এই আন্দোলন শুরু হয়েছিল ভারতের ‘স্ব’ কে জাগ্রত করতে, যাতে দেশ নিজের পায়ে দাঁড়াতে পারে এবং বিশ্বকে পথ দেখাতে পারে।”

    জাতীয় দেবী অহল্যা পুরস্কার

    সোমবার ইন্দোরে শ্রী রাম জন্মভূমি তীর্থক্ষেত্র ট্রাস্টের সাধারণ সম্পাদক চম্পত রাইকে “জাতীয় দেবী অহল্যা পুরস্কার” প্রদান করেন ভাগবত। তার পরেই দেন বক্তৃতা। সেখানেই তিনি বলেন, “গত বছর অযোধ্যায় রাম মন্দির প্রতিষ্ঠার সময় দেশে কোনও মতবিরোধ ছিল না।” পুরস্কার নেওয়ার পর রাই ঘোষণা করেন, তিনি তাঁর এই সম্মাননাটি রাম মন্দির আন্দোলনের সমস্ত পরিচিত ও অজ্ঞাত মানুষকে উৎসর্গ করছেন, যাঁরা উত্তরপ্রদেশের এই শহরে মহৎ রাম মন্দির নির্মাণে সহায়তা করেছেন। আন্দোলনের বিভিন্ন পর্যায়ের সংগ্রামের কথা উল্লেখ করে রাই বলেন, “এই মন্দির জাতীয় গর্বের প্রতীক। তিনি এর নির্মাণে একটি মাধ্যম ছিলেন মাত্র (Mohan Bhagwat)।”

    আরও পড়ুন: নুরুল সেজেছিল নারায়ণ! অটো চালিয়ে বিলাসবহুল জীবন যাপনই ধরিয়ে দিল বাংলাদেশিকে

    প্রতি বছর ‘জাতীয় দেবী অহল্যা পুরস্কার’ দেয় শ্রী অহল্যোৎসব সমিতি। বিভিন্ন সামাজিক ক্ষেত্রে অবদানের জন্য বিশিষ্ট ব্যক্তিদের এই পুরস্কার দেওয়া হয়। এই সংস্থার সভাপতি লোকসভার প্রাক্তন স্পিকার সুমিত্রা মহাজন। ভাষণ দিতে গিয়ে মহাজন বলেন, “ইন্দোর শহরে দেবী অহল্যাবাইয়ের প্রতি শ্রদ্ধা জানিয়ে একটি বৃহৎ স্মৃতিসৌধ নির্মাণ করা হবে, যাতে মানুষ তাঁর জীবন ও চরিত্রের সঙ্গে (RSS) পরিচিত হতে পারেন (Mohan Bhagwat)।”

     

    দেশের খবর, দশের খবর, সব খবর, সবার আগে পেতে ফলো করুন আমাদের  Whatsapp, FacebookTwitter, Telegram এবং Google News পেজ।

      

  • Nadia: নদিয়ায় জাতীয় পতাকা উত্তোলন করা হল ১৮ অগাস্ট! তিনদিন পর কেন জানেন?

    Nadia: নদিয়ায় জাতীয় পতাকা উত্তোলন করা হল ১৮ অগাস্ট! তিনদিন পর কেন জানেন?

    মাধ্যম নিউজ ডেস্ক: নদিয়া (Nadia) এবং মুর্শিদাবাদের একটি বড় অংশ জুড়ে স্বাধীনতা দিবস পালিত হয় ১৮ অগাস্ট। এবারও নদিয়ার শান্তিপুরে স্বাধীনতা দিবস উদযাপন কমিটির উদ্যোগে ১৮ অগাস্ট জাতীয় পতাকা তোলেন সেখানকার মানুষ। নানা অনুষ্ঠানের আয়োজন করা হয়। কেন তিনদিন পর জাতীয় পতাকা উঠল এই জেলায়, তা ব্যাখ্যা করেন উদ্যোক্তারা।

    ঠিক কী ঘটেছিল? (Nadia)

    ইতিহাস ঘেঁটে জানা যায়, ১৯৪৭ সালের ১৫ অগাস্ট নদিয়া (Nadia), কোচবিহার, মুর্শিদাবাদের একটা বড় অংশ পড়েছিল তৎকালীন পূর্ব পাকিস্তান, বর্তমান বাংলাদেশে। সাংসদ তথা পণ্ডিত লক্ষ্মীকান্ত মৈত্রর প্রচেষ্টায় তৎকালীন কৃষ্ণনগরের রানিমা রাজেশ্বরী দেবী, পণ্ডিত শ্যামাপ্রসাদ মুখোপাধ্যায় দিল্লিতে গিয়ে দরবার করেছিলেন। স্বাধীন ভারতের সদ্য ঘোষিত প্রধানমন্ত্রী জওহরলাল নেহরুর সঙ্গে তাঁরা দেখা করে সমস্ত বিষয়টি জানান। নবদ্বীপ, শান্তিপুর সহ শ্রীচেতন্য মহাপ্রভু এবং বৈষ্ণবকূলচূড়ামণি অদ্বৈত আচার্যের স্মৃতি বিজড়িত নদিয়া জেলাকে ভারতের মধ্যে অন্তর্ভূক্ত করতে না পারলে বৈষ্ণব সম্প্রদায়টিই বিলুপ্ত হয়ে যাবে। একই সঙ্গে মুর্শিদাবাদ, কোচবিহারের বিষয়টি বলা হয়। এরপর ১৭ অগাস্ট রাতে ঘোষণা করা হয়, এই বিস্তীর্ণ এলাকাগুলি ভারতের। ১৫ অগাস্ট সেই সময়কার পাকিস্তানের মুসলিম লিগের পতাকা উঠেছিল। কিন্তু, মাত্র তিনদিনের মধ্যেই দ্বিতীয়বার আবারও কবি করুণানিধান বন্দ্যোপাধ্যায় প্রথম জাতীয় পতাকা উত্তোলন করেন। এই দুই পতাকা সুরক্ষিত রয়েছে শান্তিপুর পাবলিক লাইব্রেরি সংগ্রহশালায়।

    আরও পড়ুন: ২২ অগাস্ট স্বাস্থ্য ভবন ঘেরাও, আরজি কর কাণ্ডে লাগাতার ধর্না বিজেপির

    স্বাধীনতা দিবস উদযাপন

    ১০ বছর আগে শান্তিপুরের (Nadia) বিভিন্ন ইতিহাস নিয়ে কাজ করা অমিতাভ মৈত্র বেশ কয়েকজনকে নিয়ে এই অন্তর্ভুক্তি দিবস পালন করতে গেলে পুলিশি বাধার সম্মুখীন হন। যদিও শান্তিপুরের বিশিষ্টজনদের সহযোগিতায় জটিলতা কাটে। এরপর থেকে ভারতভুক্তি হিসেবে শান্তিপুরে ১৮ অগাস্ট স্বাধীনতা দিবস পালিত হয়ে আসছে। এদিনের স্বাধীনতা দিবস অনুষ্ঠানে শান্তিপুর সাহিত্য পরিষদের সম্পাদক সুশান্ত মঠ, উদ্যাপন কমিটির অমিতাভ মৈত্র, রজত প্রামাণিক, সঞ্জিত কাষ্ঠ, বিশ্বজিৎ রায় সহ বহু বিশিষ্টজন উপস্থিত ছিলেন। সম্প্রতি বাংলাদেশের ঘটনার প্রসঙ্গে উঠে আসে আলোচনায়। উদ্যোক্তারা বলেন, যদি সেই সময় পণ্ডিত লক্ষ্মীকান্ত মৈত্র, শ্যামাপ্রসাদ মুখোপাধ্যায় এই উদ্যোগ গ্রহণ না করতেন, তাহলে আজ আমাদের পরিস্থিতিও ওই ভয়াবহতার মধ্যে দিয়েই কাটত।   

     

    দেশের খবর, দশের খবর, সব খবর, সবার আগে পেতে ফলো করুন আমাদের  Whatsapp, FacebookTwitter, Telegram এবং Google News পেজ।

  • India’s tallest flagpole: পাকিস্তানের চেয়েও উঁচু, আটারি সীমান্তে উড়বে ভারতের ৪১৮ ফুট উচ্চতার তেরঙ্গা

    India’s tallest flagpole: পাকিস্তানের চেয়েও উঁচু, আটারি সীমান্তে উড়বে ভারতের ৪১৮ ফুট উচ্চতার তেরঙ্গা

    মাধ্যম নিউজ ডেস্ক: আজ দেশের ৭৮তম স্বাধীনতা দিবস। বিভিন্ন প্রান্তে স্বাধীনতা দিবস উপলক্ষে চলবে পতাকা উত্তোলন। তবে দেশের সবচেয়ে উঁচু পতাকাটি (India’s tallest flagpole) উড়বে আটারি সীমান্তে (Attari Border)। কেন্দ্রীয় সড়ক পরিবহণ ও মহাসড়ক মন্ত্রী নিতিন গড়করি পঞ্জাবের অমৃতসর জেলার আটারিতে দেশের সবচেয়ে উঁচু এই জাতীয় পতাকাটির উদ্বোধন করেছিলেন।  

    আগে কী হয়েছিল? (India’s tallest flagpole)

    এর আগে আটারি সীমান্তে ২০১৭ সালে ৩.৫ কোটি টাকা ব্যয় করে ভারতের পতাকা স্থাপন করা হয়েছিল। এরপর পাকিস্তান ওয়াঘা চেক পোস্ট সংলগ্ন এলাকায় ৪০০ ফুট পতাকা উত্তোলন করেছিল। কিন্তু ভারত আবার আটারি সীমান্তেই (Attari Border) পাকিস্তানের তুলনায় আরও উঁচু পতাকা লাগানোর সিদ্ধান্ত নেয়। ভারতের নতুন পতাকাটি পাকিস্তানের তুলনায় আরও ১৮ ফুট লম্বা। অর্থাৎ ভারতের এই ৪১৮ ফুট উঁচু পতাকাটিই দেশের সবচেয়ে উঁচু পতাকা হিসেবে উত্তোলন করা হবে। 

    এর আগে আটারি সীমান্ত এলকায় যে জায়গায় ভারতীয় পতাকাটি (India’s tallest flagpole) ছিল, বিল্ডিংয়ের উচ্চতার জন্য সে সময় কুজকাওয়াজ দেখতে আসা দর্শকরা ঠিক মতো ভারতীয় পতাকাটি দেখতে পেতেন না। তবে নতুন পতাকা প্রতিস্থাপনের পর সকল দর্শকেরাই খুব ভালো ভাবে দেশের তেরঙ্গাটি দেখতে পান। ফলে  নতুন এই পতাকা স্থাপনের সিদ্ধান্তে, ভারতীয়রা খুশি বলে জানান নাম প্রকাশে অনিচ্ছুক এক বিএসএফ কর্তা। উল্লেখ্য, এর আগে দেশের সবচেয়ে বড় পতাকাটি ছিল কর্নাটকের বেলগাউম ফোর্টে। যার উচ্চতা ছিল ৩৬১ ফুট।

    উল্লেখ্য, এর আগে ৩৭০ ধারা বাতিলের পরেই প্রথমবার উপত্যকা সফরে গিয়ে পাকিস্তানকে কড়া বার্তা দিয়েছিলেন স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী অমিত শাহ। তার কয়েক ঘণ্টা কাটতে না কাটতে, আটারি সীমান্তে উঁচু ভারতীয় পতাকা স্থাপনের সিদ্ধান্ত প্রকাশ্যে এনেছিলেন তিনি। 

     

    দেশের খবর, দশের খবর, সব খবর, সবার আগে পেতে ফলো করুন আমাদের  Whatsapp, FacebookTwitter, Telegram এবং Google News পেজ।

  • Independence Day: জাতীয় পতাকা উত্তোলনের সময় কী করবেন আর কী করবেন না? জানুন বিধি

    Independence Day: জাতীয় পতাকা উত্তোলনের সময় কী করবেন আর কী করবেন না? জানুন বিধি

    মাধ্যম নিউজ ডেস্ক: আজ বৃহস্পতিবার দেশের ৭৮তম স্বাধীনতা দিবস (Independence Day)। ইতিমধ্যে কেন্দ্রীয় সরকার ঘোষণা করেছে যে চলতি বছরের স্বাধীনতা দিবসের থিম হল বিকশিত ভারত বা উন্নত ভারত। স্বাধীনতা দিবস মানে অনুষ্ঠান-উৎসব, নাচ-গানের মাধ্যমে দেশের বীর যোদ্ধাদের স্মরণ করা। দেশাত্মবোধ ও জাতীয়তাবাদের এক আলাদা পরিবেশ দেখা যায় রাজধানী দিল্লি থেকে প্রত্যন্ত গ্রামগুলিতেও। বাড়ি থেকে ক্লাব, সর্বত্র দেশের জাতীয় পতাকা উত্তোলন করেন নাগরিকরা। বিগত কয়েক বছর ধরে কেন্দ্রীয় সরকারও কর্মসূচি নিয়েছে হর ঘর তিরঙ্গার, এর মাধ্যমে নাগরিকদের কাছে খোদ প্রধানমন্ত্রী আহ্বান জানিয়েছেন পতাকা উত্তোলন করার।

    দ্য ব্যুরো অফ ইন্ডিয়ান স্ট্যান্ডার্স এবং দ্য ফ্ল্যাগ কোড অফ ইন্ডিয়ার নির্দেশিকা (Independence Day)

    পতাকা উত্তোলন (Independence Day) তো সর্বত্রই হবে, কিন্তু জাতীয় পতাকা উত্তোলন করার বিষয়ে, কী করা যাবে আর কী করা যাবে না, রয়েছে সেই ব্যাপারে নির্দেশিকাও। দ্য ব্যুরো অফ ইন্ডিয়ান স্ট্যান্ডার্স এবং দ্য ফ্ল্যাগ কোড অফ ইন্ডিয়া বেশ কিছু নিয়মাবলী বেঁধে দিয়েছে এবিষয়ে। এই দুই বিধিতেই শ্রদ্ধা ও মর্যাদার সঙ্গে জাতীয় পতাকা (National Flag) উত্তোলনের কথা বলা হয়েছে। এমন ভাবে তা তুলতে হবে যেন তা কোনওভাবেই মাটিতে স্পর্শ না করে বা কখনও জাতীয় পতাকাকে কেউ যেন পোশাক হিসেবে ব্যবহার না করেন।

    কী কী করতে হবে? 

    – ফ্ল্যাগ কোড অফ ইন্ডিয়ার (Independence Day) ২ নং ধারা অনুযায়ী, প্রত্যেক স্বাধীন নাগরিকের অধিকার রয়েছে তাঁর বাড়ি, ব্যবসায়িক জায়গায় অথবা কর্মস্থানে জাতীয় পতাকা উত্তোলন করার।

    – যে কোনও সরকারি বা বেসরকারি প্রতিষ্ঠান বা শিক্ষা প্রতিষ্ঠানও প্রতিদিন জাতীয় পতাকা (National Flag) উত্তোলন করতে পারে। 

    – জাতীয় পতাকা উত্তোলন করার সময় শিক্ষা প্রতিষ্ঠানগুলিতে ছাত্রদের শপথ বাক্য পাঠ করানোরও কথা বলা হয়েছে।

    – জাতীয় পতাকা উত্তোলন করার সময় মনে রাখতে হবে যে এই পতাকা আমাদের দেশের গর্ব ও মর্যাদার প্রতীক।

    – জাতীয় পতাকা কোনওভাবেই উল্টো করে উত্তোলন করা যাবে না, সর্বদাই গেরুয়া অংশ ওপরে থাকবে এবং সবুজ অংশ নীচে থাকবে।

    – জাতীয় পতাকা উত্তোলন করার সময় অথবা নামিয়ে নেওয়ার সময় সর্বদাই স্যালুট করতে হবে।

    – জাতীয় পতাকা সর্বোচ্চ স্থানে থাকবে।

    কী কী করা যাবে না

    – কোনও সাম্প্রদায়িক উদ্দেশ্যে জাতীয় পতাকা উত্তোলন করা যাবে না, কাপড় হিসেবে জাতীয় পতাকাকে ব্যবহার করা যাবে না। টেবিল ক্লথ, রুমাল হিসেবেও ব্যবহার করা যাবে না।

    – সূর্যাস্তের পরে তিরঙ্গা নামিয়ে নিতে হবে।

    – জাতীয় পতাকার প্রতি কোনও অবস্থাতেই অসম্মান প্রদর্শন করা যাবে না, এতে পা দেওয়া যাবে না, ইচ্ছাকৃতভাবে মাটিতে বা মেঝেতে স্পর্শ করানো যাবে না।

    – ফুল-মালা বা অন্য কোন বস্তু জাতীয় পতাকার ওপরে রাখা যাবে না।

    – জাতীয় পতাকা ফেস্টুন হিসেবে ব্যবহার করা যাবে না।

    – নষ্ট হয়ে যাওয়া জাতীয় পতাকা উত্তোলন করা যাবে না।

    – জাতীয় পতাকার ওপর কোনও ধরনের স্লোগান বা নকশা আঁকা যাবে না।

     

    দেশের খবর, দশের খবর, সব খবর, সবার আগে পেতে ফলো করুন আমাদের  Whatsapp, FacebookTwitter, Telegram এবং Google News পেজ।
     

LinkedIn
Share