Tag: India

India

  • Hindus Under Attack: ভারত তো বটেই, হিন্দু নির্যাতন চলছে বাংলাদেশেও, ঝলকে এই সপ্তাহের ছবি

    Hindus Under Attack: ভারত তো বটেই, হিন্দু নির্যাতন চলছে বাংলাদেশেও, ঝলকে এই সপ্তাহের ছবি

    মাধ্যম নিউজ ডেস্ক: অব্যাহত হিন্দু ও হিন্দু ধর্মের ওপর আক্রমণ। ভারত তো বটেই, বিশ্বের বহু অঞ্চলেও এই নির্যাতন ধীরে ধীরে এক ধরনের গণহত্যার রূপ নিচ্ছে (Hindus Under Attack)। কয়েক দশক ধরে বিশ্ব এই আক্রমণের প্রকৃত গভীরতা ও ব্যাপ্তি উপেক্ষা করে আসছে, যা খুবই উদ্বেগজনক (Roundup Week)। হত্যা, জোরপূর্বক ধর্মান্তর, জমি দখল, উৎসবে হামলা, মন্দির ও মূর্তি ভাঙচুর, ঘৃণা ভাষণ, যৌন হিংসা থেকে শুরু করে প্রাতিষ্ঠানিক ও আইনি বৈষম্য পর্যন্ত, সর্বত্র হিন্দুরা তাঁদের অস্তিত্বের ওপর ক্রমবর্ধমান আক্রমণ এবং নজিরবিহীন হিন্দু-বিদ্বেষের সম্মুখীন হচ্ছেন। এক ঝলকে দেখে নেওয়া যাক ৭ থেকে ৬ জুন, ২০২৬ – পর্যন্ত পর্বে ঘটে যাওয়া বিভিন্ন ঘটনার জলছবি।

    জমি জালিয়াতির অভিযোগ (Hindus Under Attack)

    বেঙ্গালুরুর সোমানাহাল্লিতে মুসলিম সম্প্রদায়ের বিরুদ্ধে বিশাল এক জমি জালিয়াতির অভিযোগ উঠেছে। অভিযোগ, কবরস্থানের জন্য কয়েক কোটি টাকা মূল্যের একর ছয়েক জমি একটি মুসলিম পরিবারকে ব্যবহারের অনুমতি দেওয়া হয়েছিল। অথচ স্থানীয় হাজার হাজার হিন্দুর জন্য রয়েছে খুবই ছোট আকারের একটি সমাধিস্থল এবং শ্মশান। সমাজকর্মীদের অভিযোগ, কবরস্থান করতে গিয়ে এলাকার একটি পুরনো হনুমান মন্দির সরিয়ে ফেলা হয়েছে। ঘটনার জেরে সৃষ্টি হয়েছে ধর্মীয় ও সাংস্কৃতিক ঐতিহ্যবাহী স্থানগুলির সুরক্ষা নিয়ে উদ্বেগ।কর্নাটকে ২০ লাখের কাছাকাছি অবৈধ বাংলাদেশি বসবাস করছে—ভাইরাল হওয়া এমন একটি দাবিকে কেন্দ্র করে সৃষ্টি হয়েছে নয়া বিতর্কের। এহেন দাবির সত্যতা নিয়ে বিভিন্ন মহলে প্রশ্ন থাকলেও, অনুপ্রবেশ, নিরাপত্তা এবং জনসংখ্যাগত প্রভাব নিয়ে আলোচনা তীব্র হয়েছে।

    ধর্মান্তরকে কেন্দ্র করে উত্তেজনা

    উত্তরপ্রদেশে আয়ুষ মালিক ওরফে মোহাম্মদ আলির ধর্মান্তরকে ঘিরেও শুরু হয়েছে বিতর্ক। পরিবারের সদস্যদের অভিযোগ, দীর্ঘদিন ধরে প্রভাব খাটিয়ে এবং মানসিক চাপের মাধ্যমে তাঁকে ধর্ম পরিবর্তনে উদ্বুদ্ধ করা হয়েছিল। অভিযোগ পেয়ে তদন্ত শুরু প্রশাসন। মহারাষ্ট্রের পালঘরে এক তরুণীকে ধর্ষণ ও তাঁর নাবালিকা বোনের ওপর যৌন নির্যাতনের অভিযোগে বছর বাইশের এক যুবকের বিরুদ্ধে মামলা দায়ের করেছে পুলিশ। ভারতীয় ন্যায় সংহিতা এবং পকসো আইনে মামলা রুজু করে অভিযুক্তকে গ্রেফতার করার চেষ্টা চলছে। কর্নাটকের ধারওয়াড়ে তফশিলি জাতির এক কিশোরীর মৃত্যুকে ঘিরে উত্তেজনা ছড়িয়েছে। অভিযোগ, প্রলোভন দেখিয়ে তাকে যৌন নির্যাতন করা হয়েছিল। দীর্ঘদিন ধরে লালসার শিকার হয়েছিল সে। স্থানীয়দের চাপে পড়ে দুই অভিযুক্তকে গ্রেফতার করে পুলিশ। তদন্তে কিছু ডিজিটাল প্রমাণ উদ্ধার হয়েছে বলেও দাবি করা হয়েছে পুলিশের তরফে।

    গো-মাংসের বিরিয়ানি নিয়ে বিতর্ক

    অসমের গোলপাড়া জেলার একটি স্কুলে গরুর মাংসের বিরিয়ানি নিয়ে এসেছিল এক ছাত্র। সে সেই বিরিয়ানি তার দুই হিন্দু সহপাঠীকে খেতে উৎসাহিত করে বলে অভিযোগ। ঘটনায় ব্যাপক বিতর্কের সৃষ্টি হয়। অভিযোগের ভিত্তিতে ওই ছাত্রের মায়ের বিরুদ্ধে মামলা দায়ের করা হয়েছে। শুরু হয়েছে তদন্ত।

    হিন্দু নির্যাতন বাংলাদেশেও

    ভারতের পাশাপাশি হিন্দু নির্যাতন চলছে পড়শি দেশ বাংলাদেশেও। সেখানে সংখ্যালঘু হিন্দুদের ওপর হামলা এবং নির্যাতনের অভিযোগেও উদ্বেগের সৃষ্টি হয়েছে। বিভিন্ন মানবাধিকার সংগঠন ও স্থানীয় সূত্রের দাবি, জমি দখল, মন্দির ভাঙচুর, ধর্ম অবমাননার মিথ্যা অভিযোগ, মহিলাদের ওপর হিংসা এবং সামাজিক ভীতি প্রদর্শনের মতো ঘটনার মাধ্যমে সংখ্যালঘুদের ওপর চাপ সৃষ্টি করা হচ্ছে। যশোর জেলার মণিরামপুর উপজেলার পারখাজুরা মালোপাড়া গ্রামে জমি বিবাদকে কেন্দ্র করে শুরু হওয়া অশান্তির জেরে জখম হন একটি সংখ্যালঘু পরিবারের আট সদস্য। স্থানীয়দের দাবি, সশস্ত্র হামলায় পরিবারের সদস্যরা গুরুতরভাবে জখম হন। তদন্ত করছে পুলিশ।জয়পুরহাটে ধান কাটাকে কেন্দ্র করে বিরোধের জেরে দিনমজুর শ্যামল চন্দ্র মালিকে পিটিয়ে হত্যার অভিযোগ উঠেছে। স্থানীয় সূত্রে খবর, প্রকাশ্য দিবালোকে সংঘটিত এই ঘটনায় সংখ্যালঘু সম্প্রদায়ের মধ্যে আতঙ্কের সৃষ্টি হয়েছে। শুরু হয়েছে তদন্ত।

    রামের মূর্তি গড়া বন্ধ

    বাংলাদেশেরই (Bangladesh) একটি ঐতিহ্যবাহী হিন্দু মন্দিরে ভগবান রামের একটি মূর্তি তৈরির কাজ শুরু হয়েছিল। মূর্তি নির্মাণের  কাজের খবর প্রকাশ্যে আসতেই কোমর বেঁধে মাঠে নামে স্থানীয় বেশ কয়েকটি উগ্রপন্থী ও মৌলবাদী ইসলামি সংগঠন। মসজিদ ও সোশ্যাল মিডিয়ার মাধ্যমে এই মূর্তি নির্মাণের বিরুদ্ধে তীব্র উস্কানিমূলক প্রচার শুরু হয়। পরিস্থিতি দ্রুত জটিল আকার ধারণ করে যখন মৌলবাদীরা দলবদ্ধ হয়ে মন্দির প্রাঙ্গনের (Bhagwan Ram Murti) বাইরে বিক্ষোভ দেখাতে শুরু করে। প্রত্যক্ষদর্শীদের অভিযোগ, বিক্ষোভকারীরা প্রকাশ্য দিবালোকে হুমকি দেয় যে, যদি অবিলম্বে রামমূর্তির নির্মাণের কাজ বন্ধ করা না হয়, তবে মন্দির ভেঙে গুঁড়িয়ে দেওয়া হবে। মন্দিরের পুরোহিত এবং মূর্তি গড়ার কারিগরদের প্রাণনাশের হুমকিও দেওয়া হয় বলে অভিযোগ। এর পরেই বন্ধ হয়ে যায় মূর্তি নির্মাণের কাজ।

    প্রসঙ্গত, অধিকাংশ ঘৃণাজনিত অপরাধ হিন্দু-বিরোধী বিদ্বেষের জের। এসবই ধর্মীয় শিক্ষা ও রাজনৈতিক মতাদর্শে নিহিত রয়েছে বলে দাবি। ইসলামিক দেশগুলিতে হিন্দু-বিরোধী ঘৃণা স্পষ্ট হলেও, ভারতের মতো তথাকথিত ধর্মনিরপেক্ষ রাষ্ট্রের প্রতিষ্ঠান ও জনপরিসরেও আরও সূক্ষ্ম ধরনের হিন্দু-বিরোধী মনোভাব রয়েছে, যা হিন্দু-বিদ্বেষ ও ঘৃণাজনিত অপরাধের সহায়ক পরিবেশ তৈরি করে। এই সূক্ষ্ম, দৈনন্দিন বৈষম্য অনেক সময় নজরে আসে না, যদি না কেউ প্রচলিত আইন ও ঘটনাপ্রবাহ বিশ্লেষণ করে। দীপাবলিতে ধীরে ধীরে আতশবাজির ওপর নিষেধাজ্ঞা জারি এর একটি উদাহরণ। আপাতভাবে এটি দূষণ-সংক্রান্ত মনে হলেও, বৃহত্তর প্রেক্ষাপটে হিন্দু উৎসবগুলির ওপর বিধিনিষেধ এবং নিষেধাজ্ঞার পেছনে যৌক্তিকতার অভাব লক্ষ্য (Hindus Under Attack) করলে দ্বিচারিতা (Roundup Week) স্পষ্ট হয়ে ওঠে।

     

  • India US: ওমান উপকূলে ফের হামলা, ভারতীয় নাবিকদের নিরাপত্তা নিয়ে উদ্বেগ! মার্কিন কূটনীতিককে তলব ভারতের

    India US: ওমান উপকূলে ফের হামলা, ভারতীয় নাবিকদের নিরাপত্তা নিয়ে উদ্বেগ! মার্কিন কূটনীতিককে তলব ভারতের

    মাধ্যম নিউজ ডেস্ক: ওমান উপকূলে ভারতীয় বাণিজ্যিক জাহাজগুলির (India US) উপর আমেরিকার ধারাবাহিক হামলার ঘটনায় তীব্র প্রতিবাদ জানিয়েছে নয়াদিল্লি। বিদেশ মন্ত্রক শুক্রবার আমেরিকান চার্জ ডি’অ্যাফেয়ার্স জেসন মিকসকে তলব করেছে। বিদেশ মন্ত্রক সূত্রে খবর, মন্ত্রকের অতিরিক্ত সচিব (আমেরিকা) আমেরিকান কূটনীতিককে ডেকে পাঠান এবং এই হামলার বিষয়ে ভারতের আপত্তির কথা জানান। পারস্য উপসাগর ও হরমুজ প্রণালী সংলগ্ন অঞ্চলে বাণিজ্যিক জাহাজগুলির উপর ধারাবাহিক হামলার পর নয়াদিল্লি কূটনৈতিক তৎপরতা আরও বাড়িয়েছে।

    আমেরিকান কূটনীতিককে তলব

    এই ঘটনার পরিপ্রেক্ষিতে এই নিয়ে দ্বিতীয় বার ভারত সরকার নয়াদিল্লিতে অবস্থিত আমেরিকান কূটনীতিককে তলব করল। এর আগে, বুধবার ওমান উপকূলের কাছে একটি বাণিজ্যিক জাহাজে আরও একটি হামলায় তিন জন ভারতীয় নাবিক নিখোঁজ হওয়ার পরে ভারত আমেরিকান দূতাবাসের ডেপুটি চিফ অব মিশন জেসন মিকসকে তলব করে ‘কড়া প্রতিবাদ’ জানায়। নিখোঁজ নাবিকদের মৃত্যুর খবর পরে পাওয়া গিয়েছে। সর্বশেষ হামলার মুখে যে বাণিজ্যিক জাহাজটি পড়েছিল, তাতে ছিলেন ২০ জন ভারতীয় নাবিক।

    আক্রান্ত এমটি জলভীর

    অন্যদিকে, ভারতীয় নৌপরিবহন দফতর (DGS) হরমুজ প্রণালী, ওমান উপসাগর এবং সংলগ্ন জলসীমায় কর্মরত প্রায় ১৮ হাজার ভারতীয় নাবিকের জন্য নতুন নিরাপত্তা সতর্কতা জারি করেছে। সাম্প্রতিক তিনটি হামলার ঘটনার প্রেক্ষিতেই এই নির্দেশিকা প্রকাশ করা হয়েছে। প্রথম হামলার ঘটনা ঘটে ৮ জুন। এমটি মারিভেক্স (MT Marivex) নামের একটি তেলবাহী জাহাজে সন্দেহজনক আঘাতের পর আগুন ধরে যায়। জাহাজে থাকা ২৪ জন ভারতীয় নাবিকই নিরাপদে উদ্ধার হন। দ্বিতীয় ঘটনা ঘটে ১০ জুন। এমটি সেট্টেবেলো (MT Settebello)-র উপর ওমান উপসাগরে হামলা হয়। জাহাজটিতে ২৪ জন ভারতীয় নাবিক ছিলেন। তাঁদের মধ্যে ২১ জনকে উদ্ধার করা সম্ভব হলেও নিখোঁজ তিন ভারতীয় নাবিকের মৃত্যুর খবর পরে নিশ্চিত করা হয়। তৃতীয় হামলার ঘটনা সামনে আসে বৃহস্পতিবার। ওমান উপকূলের কাছে আরও একটি বাণিজ্যিক জাহাজ আক্রমণের মুখে পড়ে। বিভিন্ন সূত্রের দাবি, জাহাজটির নাম এমটি জলভীর (MT Jalveer)। এতে ২০ জন ভারতীয় নাবিক ছিলেন। যদিও হামলার প্রকৃতি সম্পর্কে এখনও বিস্তারিত তথ্য প্রকাশ করেনি প্রশাসন।

    কত জন ভারতীয় নাবিক হরমুজের আশেপাশে

    সরকারি তথ্য অনুযায়ী, বর্তমানে হরমুজ প্রণালীর পূর্ব ও পশ্চিমাংশে ১৩টি ভারতীয় পতাকাবাহী জাহাজে মোট ৬২২ জন ভারতীয় নাবিক কর্মরত রয়েছেন। পাশাপাশি গোটা উপসাগরীয় অঞ্চলে শতাধিক বিদেশি পতাকাবাহী জাহাজে প্রায় ১৮ হাজার ভারতীয় নাবিক কাজ করছেন। বর্তমানে আনুমানিক তিন লক্ষেরও বেশি ভারতীয় নাবিক বিশ্বের বিভিন্ন বাণিজ্যিক জাহাজে কর্মরত। ফলে উপসাগরীয় অঞ্চলের ক্রমবর্ধমান সামুদ্রিক নিরাপত্তা সংকট ভারতের জন্য বড় উদ্বেগের কারণ হয়ে উঠেছে।

  • PM Modi: ভারতে বিরাট অঙ্কের বিনিয়োগ করবে এয়ারট্রাঙ্ক, স্বাগত জানালেন প্রধানমন্ত্রী

    PM Modi: ভারতে বিরাট অঙ্কের বিনিয়োগ করবে এয়ারট্রাঙ্ক, স্বাগত জানালেন প্রধানমন্ত্রী

    মাধ্যম নিউজ ডেস্ক: ভারতের ডিজিটাল পরিকাঠামো সম্প্রসারণে ২০৩০ সালের মধ্যে প্রায় ৩ লাখ কোটি টাকা বিনিয়োগের পরিকল্পনার কথা ঘোষণা করল ব্ল্যাকস্টোন-সমর্থিত ডেটা সেন্টার সংস্থা এয়ারট্রাঙ্ক। এই ঘোষণাকে স্বাগত জানান প্রধানমন্ত্রী নরেন্দ্র মোদি। তাঁর মতে, এই বিনিয়োগ ভারতের ডিজিটাল অর্থনীতিকে আরও শক্তিশালী করবে এবং দেশকে ক্লাউড কম্পিউটিং এবং এআইয়ের (AI) বৈশ্বিক কেন্দ্র হিসেবে প্রতিষ্ঠিত করতে গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা নেবে।

    ডিজিটাল পরিকাঠামোর অগ্রগতি (PM Modi)

    এক্স হ্যান্ডেলে প্রধানমন্ত্রী লিখেছেন, ভারতের ডিজিটাল পরিকাঠামোর অগ্রগতি দ্রুত গতিতে এগিয়ে চলেছে। এয়ারট্রাঙ্কের প্রায় ৩ লাখ কোটি টাকার বিনিয়োগ এবং ৫ গিগাওয়াট ডেটা সেন্টার গড়ে তোলার পরিকল্পনা দেশের ডিজিটাল পরিকাঠামোয় অন্যতম বৃহৎ প্রস্তাবিত বিনিয়োগ। তিনি এও লেখেন, এই ধরনের বিনিয়োগ ভারতের ক্লাউড কম্পিউটিং এবং এআই খাতে বৈশ্বিক অবস্থানকে আরও শক্তিশালী করবে। পাশাপাশি কর্মসংস্থান বৃদ্ধি, স্থানীয় সরবরাহ শৃঙ্খল উন্নয়ন এবং উদ্ভাবননির্ভর অর্থনৈতিক প্রবৃদ্ধিরও সহায়ক হবে। তাঁর মতে, বিশ্বের ডিজিটাল অর্থনীতির ভবিষ্যৎ ক্রমশ ভারতের হাতেই গড়ে উঠছে।

    এয়ারট্রাঙ্কের বক্তব্য

    এয়ারট্রাঙ্ক এক বিবৃতিতে জানিয়েছে, তাদের প্রস্তাবিত বিনিয়োগ কর্মসূচি ভারতের এআই এবং ক্লাউড পরিকাঠামো উন্নয়নের লক্ষ্যকে এগিয়ে নিয়ে যাবে। একই সঙ্গে গুরুত্বপূর্ণ অবদান রাখবে কর্মসংস্থান সৃষ্টি, অর্থনৈতিক কার্যকলাপ বৃদ্ধি এবং প্রযুক্তি শিল্পের বিকাশেও। সংস্থার তরফে জানানো হয়েছে, ভারতের বিভিন্ন রাজ্য ও কেন্দ্রশাসিত অঞ্চলে একাধিক প্রকল্পের মাধ্যমে এই বিনিয়োগ বাস্তবায়নের পরিকল্পনা রয়েছে, যা দেশকে বৈশ্বিক এআই ও ক্লাউড পরিকাঠামো বিনিয়োগের অন্যতম গন্তব্যে পরিণত করতে সাহায্য করবে।

    দীর্ঘমেয়াদি লগ্নি পরিকল্পনা

    চলতি বছরের এপ্রিল মাসে লুমিনা ক্লাউডইনফ্রা (Lumina CloudInfra) অধিগ্রহণের মাধ্যমে ভারতীয় বাজারে প্রবেশ করে এয়ারট্রাঙ্ক। বর্তমানে মুম্বই, চেন্নাই এবং হায়দরাবাদে প্রায় ৬০০ মেগাওয়াট ক্ষমতাসম্পন্ন ডেটা সেন্টার উন্নয়ন প্রকল্প তাদের হাতে রয়েছে। এয়ারট্রাঙ্কের প্রতিষ্ঠাতা ও প্রধান এক্সিকিউটিভ আধিকারিক রবিন খুদা জানান, কেন্দ্র ও বিভিন্ন রাজ্য সরকারের প্রতিনিধিদের সঙ্গে আলোচনার পর ভারতকে ঘিরে তাদের দীর্ঘমেয়াদি লগ্নি পরিকল্পনা আরও সম্প্রসারণের সিদ্ধান্ত নেওয়া হয়েছে। তিনি বলেন, “মূলধন সবসময় এমন জায়গায় যায় যেখানে উন্নয়নের অনুকূল পরিবেশ থাকে, আর ভারত সেই পরিবেশ তৈরি করতে পেরেছে। সরকারের এআই-কেন্দ্রিক নীতি, দক্ষ মানবসম্পদ এবং বিপুল নবায়নযোগ্য শক্তির প্রাপ্যতা আন্তর্জাতিক প্রযুক্তি বিনিয়োগকারীদের কাছে ভারতকে অত্যন্ত আকর্ষণীয় করে তুলেছে।

    ডিজিটাল পরিকাঠামো প্রকল্প

    ভারত সফরকালে রবিন খুদা কেন্দ্রীয় সরকারের প্রতিনিধি ছাড়াও মহারাষ্ট্র ও অন্ধ্রপ্রদেশ সরকারের মন্ত্রীদের সঙ্গে বৈঠক করেন। সেখানে নিরবচ্ছিন্ন বিদ্যুৎ সরবরাহ, নবায়নযোগ্য শক্তির ব্যবহার, জলসম্পদের টেকসই ব্যবস্থাপনা, দক্ষ মানবসম্পদ উন্নয়ন এবং দ্রুত প্রকল্প অনুমোদনের মতো বিষয় নিয়ে আলোচনা হয়। এছাড়া কেন্দ্র ও রাজ্য সরকারের মধ্যে আরও সমন্বয়ের মাধ্যমে বৃহৎ ডিজিটাল পরিকাঠামো প্রকল্প বাস্তবায়নের পথ কীভাবে সহজ করা যায়, সেই বিষয়েও মতামত বিনিময় হয়েছে।

    রবিন খুদার বক্তব্য

    খুদা বলেন, “প্রধানমন্ত্রী নরেন্দ্র মোদির ডিজিটাল অর্থনীতির ভাবনা ভারতকে বিশ্বের অন্যতম আকর্ষণীয় প্রযুক্তি বিনিয়োগের গন্তব্যে পরিণত করেছে।” তাঁর মতে, ভারতের পরিসর, প্রতিভা এবং উচ্চাকাঙ্ক্ষা দেশটিকে ভবিষ্যতের বৈশ্বিক এআই শক্তিকেন্দ্র হিসেবে গড়ে তুলতে সক্ষম। সেই লক্ষ্য পূরণে দীর্ঘমেয়াদি বিনিয়োগ, পরিকাঠামো উন্নয়ন এবং অংশীদারিত্বের মাধ্যমে এয়ারট্রাঙ্ক সহযোগিতা করতে আগ্রহী। সংস্থার দাবি, বিশ্বজুড়ে এআই প্রযুক্তির ব্যবহার দ্রুত বাড়ার সঙ্গে সঙ্গে যেসব দেশের শক্তিশালী ডিজিটাল পরিকাঠামো থাকবে, তারাই ভবিষ্যতে বেশি বিনিয়োগ, উদ্ভাবন এবং উচ্চমূল্যের কর্মসংস্থান আকর্ষণ করতে পারবে।

     

  • Modi Govt: প্রধানমন্ত্রী হিসেবে নেহরুকে ছাপিয়ে গেলেন মোদি, জগৎসভায় শ্রেষ্ঠ আসন নেওয়ার পথে ভারত

    Modi Govt: প্রধানমন্ত্রী হিসেবে নেহরুকে ছাপিয়ে গেলেন মোদি, জগৎসভায় শ্রেষ্ঠ আসন নেওয়ার পথে ভারত

    মাধ্যম নিউজ ডেস্ক: টানা এক যুগ ধরে প্রধানমন্ত্রী হিসেবে দায়িত্ব পালন করে জওহরলাল নেহরুর রেকর্ড ভাঙলেন প্রধানমন্ত্রী নরেন্দ্র মোদি (Modi Govt)। এই মাইলফলক শুধু রাজনৈতিক ইতিহাসের অংশ নয়, বরং গত ১২ বছরে ভারতের (India) অর্থনৈতিক ও প্রশাসনিক পরিবর্তনের মূল্যায়নেরও একটি গুরুত্বপূর্ণ সন্ধিক্ষণ।

    আন্তর্জাতিক ক্ষেত্রে ভারতের গুরুত্ব (Modi Govt)

    গত এক দশকে ভারতের অর্থনীতি প্রায় ২ ট্রিলিয়ন মার্কিন ডলার থেকে বেড়ে ৪ ট্রিলিয়ন মার্কিন ডলারেরও বেশি হয়েছে। ২০২৫-২৬ অর্থবর্ষে প্রকৃত জিডিপি প্রবৃদ্ধি দাঁড়িয়েছে ৭.৭ শতাংশ এবং বৈদেশিক মুদ্রার ভান্ডার প্রায় ৬৮৮ বিলিয়ন মার্কিন ডলারে পৌঁছেছে। আন্তর্জাতিক ক্ষেত্রে ভারতের গুরুত্বও উল্লেখযোগ্যভাবে বেড়েছে। বিশেষজ্ঞদের মতে, প্রকৃত পরিবর্তন শুধু অর্থনীতির আকারে নয়, বরং দেশের প্রশাসনিক কাঠামো এবং ডিজিটাল পরিকাঠামোর আমূল পরিবর্তনে।

    মোদি সরকারের অন্যতম বড় সাফল্য

    মোদি সরকারের অন্যতম বড় সাফল্য হল ডিজিটাল পাবলিক ইনফ্রাস্ট্রাকচার গড়ে তোলা। আধার, জনধন অ্যাকাউন্ট, ইউপিআই, জিএসটি এবং ডিবিটি (সরাসরি ভর্তুকি স্থানান্তর)-কে একত্রিত করে বিশ্বের বৃহত্তম ডিজিটাল প্রশাসনিক ব্যবস্থা তৈরি হয়েছে। বর্তমানে জনধন অ্যাকাউন্টের সংখ্যা ৫৮ কোটিরও বেশি, আয়ুষ্মান ভারত স্বাস্থ্য কার্ড ইস্যু হয়েছে প্রায় ৪৪ কোটি। ডিজিটাল মাধ্যমে সরাসরি ভর্তুকি পৌঁছে যাওয়ায় সরকারি প্রকল্পে দুর্নীতি ও অপচয় অনেকটাই কমেছে। বিশেষ করে ইউপিআই (UPI) ভারতের অর্থনীতিতে বিরাট পরিবর্তন এনেছে। ২০২৬ সালের মে মাসে ইউপিআইয়ের মাধ্যমে ২৩.২ বিলিয়ন লেনদেন হয়েছে, যার মোট মূল্য প্রায় ৩০ লাখ কোটি টাকা। ছোট দোকান থেকে বড় ব্যবসা—সব ক্ষেত্রেই ডিজিটাল পেমেন্ট এখন দৈনন্দিন বাস্তবতা (India)। বিশ্বের একাধিক দেশও এখন ভারতের এই ডিজিটাল পেমেন্ট পরিকাঠামো গ্রহণ করছে। বিশেষজ্ঞদের মতে, এটি ভারতের প্রযুক্তিগত সক্ষমতার আন্তর্জাতিক স্বীকৃতি (Modi Govt)।

    পরিকাঠামো নির্মাণে ব্যাপক সরকারি বিনিয়োগ

    মোদি সরকারের আর একটি বড় নীতি হল পরিকাঠামো নির্মাণে ব্যাপক সরকারি বিনিয়োগ। ২০১৫ সালে যেখানে মূলধনী ব্যয় ছিল প্রায় ২ লাখ কোটি টাকা, সেখানে ২০২৬-২৭ অর্থবর্ষে তা বেড়ে পৌঁছেছে ১২.২ লাখ কোটি টাকায়। জাতীয় সড়ক, রেলপথ, বন্দর, বিমানবন্দর এবং মালবাহী করিডর নির্মাণে গত এক দশকে নজিরবিহীন বিনিয়োগ হয়েছে। বর্তমানে ব্রডগেজ রেলপথের ৯৯ শতাংশেরও বেশি অংশে বিদ্যুতায়িত হয়েছে। দেশে চালু রয়েছে ১৬৪টি বন্দে ভারত এক্সপ্রেস পরিষেবা। সরকারের আশা, এই পরিকাঠামো উন্নয়ন ভবিষ্যতে শিল্পায়ন ও কর্মসংস্থান বৃদ্ধির ভিত্তি তৈরি করবে। তবে উৎপাদন খাতে কাঙ্ক্ষিত সাফল্য এখনও অধরা। ২০১৪ সালে ‘মেক ইন ইন্ডিয়া’ কর্মসূচির লক্ষ্য ছিল উৎপাদন শিল্পের অংশীদারিত্ব জিডিপির ২৫ শতাংশে উন্নীত করা। কিন্তু ১২ বছর পরেও তা ১৩ থেকে ১৭ শতাংশের মধ্যেই সীমাবদ্ধ রয়েছে (Modi Govt)।

    ইলেকট্রনিক্স-সহ বিভিন্ন ক্ষেত্রে সাফল্য

    চিন, ভিয়েতনাম কিংবা মালয়েশিয়ার তুলনায় ভারতের উৎপাদন খাত এখনও অনেক পিছিয়ে। যদিও প্রোডাকশন লিঙ্কড ইনসেনটিভ (PLI) প্রকল্পের মাধ্যমে ইলেকট্রনিক্স-সহ বিভিন্ন ক্ষেত্রে সাফল্য এসেছে, তবুও সামগ্রিক শিল্পায়নের গতি প্রত্যাশিত নয় (India)। এই পরিস্থিতি মোকাবিলায় সরকার ২০৩৫ সাল পর্যন্ত দীর্ঘমেয়াদি জাতীয় উৎপাদন মিশনের পরিকল্পনার কথা ঘোষণা করেছে। অর্থনৈতিক প্রবৃদ্ধি সত্ত্বেও কর্মসংস্থানের প্রশ্নে উদ্বেগ রয়ে গিয়েছে। সরকারি তথ্য অনুযায়ী, সাধারণ বেকারত্বের হার ৩.১ শতাংশ হলেও, ১৫ থেকে ২৯ বছর বয়সী যুবকদের মধ্যে সাপ্তাহিক ভিত্তিক বেকারত্বের হার প্রায় ১৪.৩ শতাংশ।

    উৎপাদন শিল্পে কর্মসংস্থান

    প্রতি বছর শ্রমবাজারে নতুন কয়েক মিলিয়ন মানুষ যুক্ত হলেও, সেই তুলনায় পর্যাপ্ত মানসম্পন্ন এবং স্থায়ী চাকরি তৈরি হয়নি। উৎপাদন শিল্পে কর্মসংস্থানের ঘাটতি অর্থনীতির অন্যতম বড় চ্যালেঞ্জ বলেই ধারণা ওয়াকিবহাল মহলের (Modi Govt)।অর্থনীতিবিদদের মতে, গত ১২ বছরে ভারতের ডিজিটাল পরিকাঠামো, আর্থিক অন্তর্ভুক্তি, ব্যাঙ্কিং সংস্কার এবং পরিকাঠামো উন্নয়নে বড় পরিবর্তন এসেছে। অবশ্য মাথাপিছু আয় বৃদ্ধি, উৎপাদন খাতের সম্প্রসারণ এবং বৃহৎ পরিসরে কর্মসংস্থান সৃষ্টি এখনও দেশের সবচেয়ে গুরুত্বপূর্ণ অসম্পূর্ণ লক্ষ্য (India)। আগামী দশকে যদি উৎপাদন ও কর্মসংস্থানে উল্লেখযোগ্য অগ্রগতি সম্ভব হয়, তাহলে মোদি যুগকে ভারতের বৈশ্বিক অর্থনৈতিক শক্তি হয়ে ওঠার ভিত্তি হিসেবেই দেখা হবে। অন্যথায় সম্ভাবনা ও বাস্তবতার ব্যবধানই ভারতের অর্থনীতির প্রধান আলোচ্য বিষয় হয়ে থাকবে (Modi Govt)।

     

  • Jairam Ramesh: “সম্পূর্ণ ভুল ও ভিত্তিহীন”, কংগ্রেস-তৃণমূলের সংযুক্তিকরণের খবর উড়িয়ে দিলেন জয়রাম রমেশ

    Jairam Ramesh: “সম্পূর্ণ ভুল ও ভিত্তিহীন”, কংগ্রেস-তৃণমূলের সংযুক্তিকরণের খবর উড়িয়ে দিলেন জয়রাম রমেশ

    মাধ্যম নিউজ ডেস্ক: কংগ্রেস সংসদীয় দলের (সিপিপি) চেয়ারম্যান সোনিয়া গান্ধী এবং তৃণমূল কংগ্রেস নেত্রী মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়ের সাম্প্রতিক বৈঠক নিয়ে রাজনৈতিক মহলে তীব্র গুঞ্জন শুরু হয়েছিল। কোনও কোনও সংবাদমাধ্যমে দাবি করা হয়, দুই দলের (TMC-Congress) সংযুক্তিকরণ নিয়ে আলোচনা হয়েছে। তবে সেই জল্পনা সম্পূর্ণ খারিজ করে দিয়েছেন প্রবীণ কংগ্রেস নেতা জয়রাম রমেশ (Jairam Ramesh)। তিনি স্পষ্ট জানিয়েছেন, এই ধরনের খবর “সম্পূর্ণ ভুল ও অসত্য”।

    সংবাদমাধ্যমের প্রতিবেদন সম্পূর্ণ ভুল (Jairam Ramesh)

    জয়রাম রমেশ (Jairam Ramesh) বলেন, সোনিয়া গান্ধী এবং মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়ের মধ্যের বৈঠকটি ছিল অত্যন্ত “আন্তরিক ও সৌজন্যমূলক”। দুই নেত্রীর দীর্ঘদিনের সুসম্পর্কের কারণে সেখানে মূলত ব্যক্তিগত বিভিন্ন বিষয়ে আলোচনা হয়েছে। সামাজিক যোগাযোগ মাধ্যম ‘এক্স’-এ (সাবেক টুইটার) একটি পোস্টে জয়রাম রমেশ লিখেছেন, “সোনিয়া গান্ধী ও মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়ের (TMC-Congress) বৈঠকে কী ঘটেছে তা নিয়ে কিছু সংবাদমাধ্যমের প্রতিবেদন সম্পূর্ণ ভুল। বৈঠকটি অত্যন্ত আন্তরিক ছিল এবং তাঁদের দীর্ঘদিনের সম্পর্কের পরিপ্রেক্ষিতে অনেক ব্যক্তিগত বিষয় নিয়ে কথা হয়েছে।” নয়াদিল্লিতে সোনিয়া-মমতার এই বৈঠকের পর সংবাদমাধ্যমের একাংশে কংগ্রেস ও তৃণমূলের রাজনৈতিক সংযুক্তিকরণের সম্ভাবনা নিয়ে নানা জল্পনা তৈরি হয়। যার পরিপ্রেক্ষিতেই কংগ্রেসের এই বর্ষীয়ান নেতার কাছ থেকে এই স্পষ্টীকরণ এলো।

    অভ্যন্তরীণ কোন্দল তীব্র

    অন্যদিকে, ২০২৬ সালের পশ্চিমবঙ্গ বিধানসভা নির্বাচনে পরাজয়ের পর থেকেই তৃণমূল কংগ্রেসের অভ্যন্তরীণ কোন্দল তীব্র রূপ নিয়েছে। দফায় দফায় ইস্তফা এবং বিদ্রোহী নেতাদের মন্তব্যের জেরে দলের অভ্যন্তরীণ সংহতি নিয়ে তৈরি হয়েছে গভীর অনিশ্চয়তা। এরই মধ্যে তৃণমূলের বহিষ্কৃত নেতা ঋতব্রত বন্দ্যোপাধ্যায় কংগ্রেসের (TMC-Congress) সঙ্গে কোনও ধরনের সংযুক্তিকরণের জল্পনা সরাসরি নাকচ করে দিয়েছেন। তিনি দাবি করেছেন, এই মুহূর্তে যা ঘটছে তা সম্পূর্ণই দলের অভ্যন্তরীণ বিষয়। তৃণমূল ব্লকের পক্ষে সংবাদসংস্থা এএনআই-কে ঋতব্রত বন্দ্যোপাধ্যায় বলেন, “বর্তমানে আমাদের সঙ্গে ৬৪ জন বিধায়ক রয়েছেন। এঁরা সবাই এসে বিধানসভার স্পিকারের কাছে চিঠি জমা দেবেন।” তিনি আরও জানান, তাঁদের পক্ষে বিধায়কদের সমর্থন ৫৮ থেকে বেড়ে ৬৪ হয়েছে এবং তাঁরা শীঘ্রই নিজেদের অবস্থান সুসংহত করতে পশ্চিমবঙ্গ বিধানসভার স্পিকারের দ্বারস্থ হবেন। ফলে এই সময়ে জয়রামের মন্তব্য মমতার জন্য কতটা সুবিধা জনক হবে তা নিয়েও রাজনৈতিক মহলে চলছে আলোচনা।

    কোনও প্রশ্নই ওঠে না

    শুধু তাই নয়, দলের সংযুক্তিকরণের জল্পনা উড়িয়ে দিয়ে তিনি বলেন, “কংগ্রেসে (TMC-Congress) যোগ দেওয়ার কোনও প্রশ্নই ওঠে না। আমাদের সংসদীয় দলের দুই-তৃতীয়াংশের বেশি সাংসদও কংগ্রেসে মিশে যাচ্ছেন না।” ঋতব্রত জোর দিয়ে বলেন, দলের কোনও অংশ—তা সে সাংসদ, পুরপ্রতিনিধি, জেলা পরিষদ বা পঞ্চায়েত সদস্য হোক না কেন, কেউই কোনও সংযুক্তিকরণের দিকে হাঁটছেন না। তবে এই ঘটনায় তৃণমূল এবং কংগ্রেস দুই দল চরম অস্বস্তিতে পড়েছে। উল্লেখ্য, গত মঙ্গলবার ইন্ডিয়া (INDIA) জোটের বৈঠকের পরদিন সোনিয়া গান্ধীর বাসভবনে গিয়ে তাঁর সঙ্গে দেখা করেন মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়। তৃণমূল কংগ্রেসের পক্ষ থেকেও ‘এক্স’-এ পোস্ট করে দুই নেত্রীর মধ্যকার আন্তরিকতার কথা জানানো হয়েছিল। তাৎপর্যপূর্ণ বিষয় হলো, যেদিন দুই নেত্রীর এই বৈঠক হয়, সেদিনই জালিয়াতি সই মামলার তদন্তের অংশ হিসেবে কলকাতার কালীঘাটে মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়ের বাসভবনে পৌঁছায় সিআইডি (CID)-র একটি দল। রাজ্য রাজনীতির আঙ্গিনায় এখন ব্যাপক শোরগোল পড়েছে।

  • India Slams Pakistan: রাষ্ট্রসঙ্ঘে পাকিস্তানকে ধুয়ে দিল ভারত, ‘ফিতনা আল হিন্দুস্তান’ তকমাকে বলল রাষ্ট্রীয় বিভ্রান্তি ছড়ানোর কৌশল

    India Slams Pakistan: রাষ্ট্রসঙ্ঘে পাকিস্তানকে ধুয়ে দিল ভারত, ‘ফিতনা আল হিন্দুস্তান’ তকমাকে বলল রাষ্ট্রীয় বিভ্রান্তি ছড়ানোর কৌশল

    মাধ্যম নিউজ ডেস্ক: রাষ্ট্রসঙ্ঘে পাকিস্তানের বিরুদ্ধে রাষ্ট্রীয়ভাবে বিভ্রান্তিকর প্রচার চালানোর অভিযোগ তুলল ভারত (India Slams Pakistan)। সোমবার রাষ্ট্রসঙ্ঘের নিরাপত্তা পরিষদে (UN Security Council) আফগানিস্তানের পরিস্থিতি নিয়ে আয়োজিত বৈঠকে ভারতের স্থায়ী প্রতিনিধি রাষ্ট্রদূত হরিশ পার্বতানেনি বলেন, “পাকিস্তান নিজেদের দেশের জঙ্গি সংগঠনগুলিকে ‘ফিতনা আল হিন্দুস্তান’ নামে অভিহিত করে ভারতের বিরুদ্ধে ভিত্তিহীন প্রচার চালাচ্ছে।”

    পাকিস্তানকে তোপ ভারতের (India Slams Pakistan)

    গত বছর পাকিস্তান নিজেদের ভূখণ্ডে সক্রিয় একাধিক জঙ্গি সংগঠনকে এই নামে চিহ্নিত করে দাবি করেছিল যে, তারা ভারতের মদতপুষ্ট। যদিও এই দাবির স্বপক্ষে ইসলামাবাদ কোনও প্রমাণ দাখিল করেনি। এ প্রসঙ্গে ভারতের প্রতিনিধি বলেন, “ধর্মীয় পরিভাষার আড়ালে এই নামকরণ আসলে পাকিস্তানের সরকারি পৃষ্ঠপোষকতায় পরিচালিত বিভ্রান্তি ও অপপ্রচারের অংশ।” তিনি বলেন, “পাকিস্তানের শাসকগোষ্ঠী নিজেদের জনগণ এবং আন্তর্জাতিক মহলকে বিভ্রান্ত করতে এই ধরনের প্রচার চালাচ্ছে।” তাঁর দাবি, ভারতের বিরুদ্ধে বিদ্বেষ জিইয়ে রেখে পাকিস্তান আসলে নিজেদের অভ্যন্তরীণ রাজনৈতিক ও অর্থনৈতিক সঙ্কট থেকে মানুষের দৃষ্টি ঘোরানোর চেষ্টা করছে।

    পাকিস্তানের সমালোচনা

    তিনি পাকিস্তানের রাজনৈতিক কাঠামো ও সেনাবাহিনীর ভূমিকার সমালোচনাও করেন। পার্বতানেনির অভিযোগ, সাম্প্রতিক সাংবিধানিক পরিবর্তনের মাধ্যমে দেশটিতে সামরিক বাহিনীর প্রভাব আরও বেড়েছে। আফগানিস্তানের ভেতরে পাকিস্তানের সামরিক অভিযানেরও তীব্র সমালোচনা করে ভারত। পার্বতানেনি সাফ জানিয়ে দেন, অসামরিক মানুষের মৃত্যু ঘটিয়ে কোনও অভিযানকে সন্ত্রাসবিরোধী পদক্ষেপ বলা যায় না। তিনি এও বলেন, “আন্তর্জাতিক আইন ও ইসলামি সংহতির কথা বললেও, রমজান মাসে আফগানিস্তানে বিমান হামলা চালিয়ে পাকিস্তান ভণ্ডামির পরিচয় দিয়েছে।” ভারতের প্রতিনিধি দাবি করেন, প্রতিবেশী দেশগুলির ওপর নিজেদের ব্যর্থতার দায় চাপানোর দীর্ঘ ইতিহাস রয়েছে পাকিস্তানের।

    পাক-আফগান সীমান্তে উত্তেজনা

    উল্লেখ্য, চলতি বছরের শুরুতে পাকিস্তান ও আফগানিস্তানের মধ্যে উত্তেজনা উল্লেখযোগ্যভাবে বেড়েছে। চলতি বছরের ফেব্রুয়ারি মাসে আফগানিস্তানে পাকিস্তানের বিমান হামলায় নারী ও শিশু-সহ অন্তত ১৩ জন সাধারণ মানুষের মৃত্যু হওয়ার তথ্য সামনে আসে। এরপর দুই দেশের মধ্যে সীমান্ত সংঘর্ষ ও পাল্টা সামরিক অভিযান শুরু হয়। মার্চ মাসে রাষ্ট্রসঙ্ঘ জানিয়েছিল, সংঘর্ষে আফগানিস্তানে অন্তত ৪২ জন নিহত ও ১০৪ জন আহত হয়েছেন, বাস্তুচ্যুত হয়েছেন এক লাখেরও বেশি মানুষ (India Slams Pakistan)। এরপর আফগান কর্তৃপক্ষ পাকিস্তানের বিরুদ্ধে কাবুলের একটি মাদক পুনর্বাসন কেন্দ্রে বিমান হামলা চালানোর অভিযোগ তোলেন। তাঁদের দাবি, ওই হামলায় ৪০০-এরও বেশি মানুষের মৃত্যু হয়েছে, যদিও রাষ্ট্রসঙ্ঘ (UN Security Council) অন্তত ২৬৯ জনের মৃত্যুর খবর যাচাই করেছে। আপাতত উত্তেজনা কিছুটা কমলেও, সীমান্তে এখনও ঘটছে বিচ্ছিন্ন সংঘর্ষের ঘটনা (India Slams Pakistan)।

     

  • India-China Relation: ‘ভারত প্রতিদ্বন্দ্বী নয়, সহযোগী’ বার্তা চিনের! বেজিংয়ের সুরে কি বরফ গলছে?

    India-China Relation: ‘ভারত প্রতিদ্বন্দ্বী নয়, সহযোগী’ বার্তা চিনের! বেজিংয়ের সুরে কি বরফ গলছে?

    মাধ্যম নিউজ ডেস্ক: ভারত, রাশিয়া এবং চিনের (India-China Relation) মধ্যে আরও ঘনিষ্ঠ সহযোগিতার পক্ষে সওয়াল করল বেজিং। চিনের মতে, ইউরেশিয়ার এই তিন প্রধান শক্তির মধ্যে গঠনমূলক সম্পর্ক শুধু সংশ্লিষ্ট দেশগুলির স্বার্থেই নয়, বিশ্বব্যাপী শান্তি, নিরাপত্তা ও স্থিতিশীলতা রক্ষার ক্ষেত্রেও গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা পালন করতে পারে। সোমবার নিয়মিত সাংবাদিক বৈঠকে চিনের বিদেশ মন্ত্রকের মুখপাত্র লিন জিয়ান জানান, রাশিয়া-ভারত-চিন (RIC) কাঠামোর অধীনে সহযোগিতা এগিয়ে নিয়ে যেতে বেজিং নয়াদিল্লি ও মস্কোর সঙ্গে ঘনিষ্ঠ যোগাযোগ বজায় রাখতে প্রস্তুত।

    ভারত-রাশিয়া-চিন সম্পর্কের গুরুত্ব

    সম্প্রতি আন্তর্জাতিক সংবাদমাধ্যমের প্রতিনিধিদের সঙ্গে এক বৈঠকে রুশ প্রেসিডেন্ট ভ্লাদিমির পুতিন ভারত ও চিনের সঙ্গে রাশিয়ার সম্পর্কের গুরুত্ব তুলে ধরেন। তিনি প্রধানমন্ত্রী নরেন্দ্র মোদি এবং চিনের প্রেসিডেন্ট শি জিনপিংয়ের ভূয়সী প্রশংসা করে বলেন, দুই নেতা পারস্পরিক সমস্যার সমাধান এবং সংলাপ বজায় রাখার ক্ষেত্রে ইতিবাচক ভূমিকা পালন করছেন। লিন জিয়ান বলেন, “চিন, রাশিয়া এবং ভারত—তিনটিই উদীয়মান অর্থনীতি। এই তিন দেশের মধ্যে সুসম্পর্ক বজায় রাখা তাদের নিজস্ব স্বার্থের পাশাপাশি আঞ্চলিক ও বৈশ্বিক শান্তি, নিরাপত্তা, স্থিতিশীলতা এবং সমৃদ্ধির জন্যও সহায়ক।” তিনি আরও বলেন, “তিন দেশের মধ্যে সহযোগিতা বাড়ানোর লক্ষ্যে রাশিয়া ও ভারতের সঙ্গে যোগাযোগ অব্যাহত রাখতে চিন প্রস্তুত।”

    আলোচনার মাধ্যমে সমাধানের চেষ্টা

    রুশ প্রেসিডেন্ট পুতিন সম্প্রতি মন্তব্য করেন যে, ভারত ও চিনের সঙ্গে রাশিয়ার সম্পর্ক স্বতন্ত্রভাবে বিকশিত হয়েছে এবং তা কোনও তৃতীয় দেশের বিরুদ্ধে পরিচালিত নয়। ভারত-চিন সম্পর্ককে তিনি “জটিল কিন্তু অত্যন্ত গুরুত্বপূর্ণ” বলে বর্ণনা করেন। তাঁর মতে, দীর্ঘদিনের অমীমাংসিত বিষয়গুলির সমাধানে বাইরের হস্তক্ষেপ বিশেষ সাহায্য করবে না। পুতিন আরও উল্লেখ করেন, সীমান্ত-সহ একাধিক ইস্যুতে নয়াদিল্লি ও বেজিং নিজেদের মধ্যে আলোচনার মাধ্যমে সমাধানের চেষ্টা চালিয়ে যাচ্ছে। দুই দেশের এই সহনশীল ভূমিকা সারা বিশ্বের কাছে শিক্ষনীয় অভিমত পুতিনের।

    সীমান্ত পরিস্থিতি ‘সাধারণভাবে স্থিতিশীল’

    ভারত-চিন দ্বিপাক্ষিক সম্পর্ক প্রসঙ্গে লিন জিয়ান জানান, প্রকৃত নিয়ন্ত্রণরেখা (LAC) বরাবর পরিস্থিতি বর্তমানে “সাধারণভাবে স্থিতিশীল” রয়েছে এবং দুই দেশের মধ্যে যোগাযোগের বিভিন্ন ব্যবস্থা কার্যকর রয়েছে। তিনি বলেন, ভারত ও চিনের উচিত একে অপরকে প্রতিদ্বন্দ্বী হিসেবে না দেখে সহযোগী হিসেবে দেখা। লিন জিয়ান বলেন, “দুই দেশকে সঠিক কৌশলগত দৃষ্টিভঙ্গি গ্রহণ করতে হবে। ভারত ও চিন একে অপরের প্রতিদ্বন্দ্বী নয়, বরং সহযোগী। উভয় দেশের উন্নয়নের জন্য একে অপর সুযোগ, হুমকি নয়।” লিনের মতে, দীর্ঘমেয়াদি দৃষ্টিভঙ্গি নিয়ে পারস্পরিক আস্থা বৃদ্ধি, বাস্তবভিত্তিক সহযোগিতা সম্প্রসারণ এবং আলোচনার মাধ্যমে মতপার্থক্য দূর করার পথে এগোনো উচিত দুই দেশের।

    ভারত-পাক সম্পর্ক নিয়েও অবস্থান স্পষ্ট 

    ভারত-পাকিস্তান সম্পর্ক নিয়ে প্রশ্নের উত্তরে চিনের মুখপাত্র জানান, নয়াদিল্লি ও ইসলামাবাদের মধ্যে মতপার্থক্য শান্তিপূর্ণ উপায়ে সমাধান হওয়া উচিত। তিনি বলেন, “আমরা দুই পক্ষকেই সংলাপ ও আলোচনার মাধ্যমে মতভেদ মেটানোর এবং যৌথভাবে আঞ্চলিক শান্তি ও স্থিতিশীলতা বজায় রাখার আহ্বান জানাই।”

    মতপার্থক্য দূর হওয়ার পথে

    বিশ্ব রাজনীতিতে দ্রুত পরিবর্তন, বিভিন্ন অঞ্চলে সংঘাত এবং নতুন অর্থনৈতিক জোটের উত্থানের প্রেক্ষাপটে আরআইসি কাঠামোর গুরুত্ব নতুন করে আলোচনায় এসেছে। ভারত ও চিনের মধ্যে এখনও নানা মতপার্থক্য থাকলেও, বেজিংয়ের সাম্প্রতিক মন্তব্য তিন দেশের মধ্যে সহযোগিতা ও কৌশলগত সংলাপ বাড়ানোর প্রতি নতুন আগ্রহের ইঙ্গিত দিচ্ছে।

    দুই দেশের কূটনৈতিক সম্পর্ক

    জিয়ানের এই মন্তব্য চিন-ভারত সুসম্পর্ক পুনর্নির্মাণের সম্ভাবনাকে বাড়িয়ে তুলেছে। কিছুদিন আগেই অরুণাচল প্রদেশকে ‘দক্ষিণ তিব্বত’ হিসেবে দাবি করে ইচ্ছাকৃতভাবে ‘বিকৃত’ মানচিত্র নিয়মিত প্রকাশ করতে দেখা গিয়েছে চিনকে। গালওয়ান ক্ষতের উপর নুন ছিটিয়েছে করাচির সঙ্গে বেজিংয়ের সখ্যতা। চিন-পাকিস্তান অর্থনৈতিক করিডোর নিয়ে দুই দেশের মধ্যে বিরোধ মেটেনি। এই আবহে জিয়ানের এই মত, দুই দেশের কূটনৈতিক সম্পর্ক বৃদ্ধির ক্ষেত্রে গুরুত্বপূর্ণ— সেরকমটাই মনে করছেন আন্তর্জাতিক বিশেষজ্ঞরা।

    চিনকে বিশ্বাস করা যায়!

    উল্লেখ্য, ১৯৫০ সালের ‘হিন্দি চিনি ভাই ভাই’ স্লোগানকে পদদলিত করে ৬২-তেই যুদ্ধে নেমেছিল চিন। এর পর থেকেই দুই দেশের সম্পর্কের গ্রাফ নেমেছে। সীমান্তবর্তী উত্তেজনা ছাড়াও নিউক্লিয়ার সাপ্লাই গ্রুপের সদস্যপদ গ্রহণ, জাতিসংঘের নিরাপত্তা পরিষদের সংস্কার — একাধিক বিষয়ে ভারতের সামনে প্রাচীর তুলেছে চিন। ১৯৬২-র যুদ্ধ এবং ১৯৬৭-র সীমান্ত সংঘর্ষের পর প্রকৃত নিয়ন্ত্রণরেখা (এলএসি) তুলনামূলক শান্ত ছিল। ২০১৭ সাল থেকে পরিস্থিতি আবার উত্তপ্ত হতে শুরু করে। সে বছর ডোকলামে টানা ৭৩ দিন দু’দেশের বাহিনী পরস্পরের মুখোমুখি দাঁড়িয়েছিল। পরে কূটনৈতিক পথে সমস্যার সমাধান হয়। এর পর ২০২০ সালে পূর্ব লাদাখের গলওয়ানে সংঘর্ষ হয় ভারতীয় সেনার সঙ্গে চিনের বাহিনীর। তার পরে কূটনৈতিক এবং সামরিক স্তরে দ্বিপাক্ষিক আলোচনার মাধ্যমে শান্তি ফিরেছে।

    ‘রাশিয়া-ভারত-চিন ত্রিশক্তি জোট’

    ভারত এবং চিনের কূটনৈতিক শৈত্য সম্প্রতি অনেকটাই কেটে গিয়েছে। প্রকৃত নিয়ন্ত্রণরেখা শান্ত। অতিমারিও এখন অতীত। কূটনীতিকদের মতে, সামরিক ও অর্থনৈতিক দিক থেকে এই তিন দেশ পৃথক বলয় তৈরি করলে ট্রাম্প প্রশাসনের চাপ বাড়বে। ‘রাশিয়া-ভারত-চিন ত্রিশক্তি জোট’ বা ‘রিক ট্রয়িকা’ বিশ্বকে চাপে রাখবে।

  • Gilgit Baltistan Elections: গিলগিট-বাল্টিস্তান বিধানসভা কেন্দ্রে নির্বাচন, পাক উদ্যোগে কড়া প্রতিক্রিয়া ভারতের

    Gilgit Baltistan Elections: গিলগিট-বাল্টিস্তান বিধানসভা কেন্দ্রে নির্বাচন, পাক উদ্যোগে কড়া প্রতিক্রিয়া ভারতের

    মাধ্যম নিউজ ডেস্ক: পাক অধিকৃত কাশ্মীরের গিলগিট-বাল্টিস্তান বিধানসভা কেন্দ্রে সাধারণ নির্বাচন (Gilgit Baltistan Elections) আয়োজনের কড়া প্রতিবাদ জানাল ভারত। বিদেশমন্ত্রকের তরফে প্রকাশিত এক বিবৃতিতে পাকিস্তানের এই পদক্ষেপের তীব্র নিন্দে করে বলা হয়েছে, এই অঞ্চল ভারতের (India) অংশ, যা পাকিস্তান অবৈধ ও জোরপূর্বক দখল করে রেখেছে।

    কড়া প্রতিক্রিয়া ভারতের (Gilgit Baltistan Elections)

    পাকিস্তান সরকার জানিয়েছিল, ছ’বছর পরে গিলগিট-বাল্টিস্তান বিধানসভা কেন্দ্রের নির্বাচন হবে ২ জুন। এর পরেই কড়া প্রতিক্রিয়া জানায় ভারত। সরকারি বিবৃতিতে বিদেশমন্ত্রকের তরফে বলা হয়েছে, “ভারত সরকার ফের তার সুপরিচিত অবস্থান স্পষ্ট করছে যে, জম্মু-কাশ্মীর এবং লাদাখ কেন্দ্রশাসিত অঞ্চলসমূহ, যার মধ্যে তথাকথিত গিলগিট-বাল্টিস্তানও অন্তর্ভুক্ত, ১৯৪৭ সালে জম্মু-কাশ্মীরের সম্পূর্ণ, বৈধ ও অপরিবর্তনীয় ভারতের সঙ্গে অন্তর্ভুক্তির ফলে ভারতের অবিচ্ছেদ্য ও অবিচ্ছিন্ন অংশ।” বিদেশমন্ত্রক এও জানিয়েছে, জম্মু-কাশ্মীর ও লাদাখ ভারতের অবিচ্ছেদ্য অংশ, এবং পাকিস্তানের দখলে থাকা গিলগিট-বাল্টিস্তানও সেই দাবিরই অন্তর্ভুক্ত।

    দখল করা এলাকা খালি করুক পাকিস্তান

    পাকিস্তানকে অবৈধভাবে দখল করে রাখা অঞ্চল খালি করার আহ্বান জানিয়ে ভারত বলেছে, ওই অঞ্চলের চরিত্র বা প্রশাসনিক অবস্থার কোনও ধরনের বাস্তব পরিবর্তন আনার চেষ্টা তারা প্রত্যাখ্যান করে। বিবৃতিতে বলা হয়েছে, “ভারত সরকার পাকিস্তানের অবৈধ দখলে থাকা অঞ্চলে কোনও ধরনের বাস্তব পরিবর্তন আনার প্রচেষ্টাকে সম্পূর্ণভাবে প্রত্যাখ্যান করে এবং জোর দিয়ে বলে যে, এসব পদক্ষেপ পাকিস্তানের অবৈধ দখলদারিত্বের সত্যকে আড়াল করতে পারবে না। পাকিস্তানকে এই ভারতীয় ভূখণ্ড খালি করতেই হবে।” বিবৃতিতে আরও বলা হয়েছে (Gilgit Baltistan Elections), এই ধরনের উদ্যোগ মানবাধিকার লঙ্ঘন, রাজনৈতিক দমন-পীড়ন, অর্থনৈতিক শোষণ এবং স্বাধীনতা হরণের মতো গুরুতর সমস্যাগুলি ঢাকতে পারবে না।

    মানবাধিকার কর্মীর বক্তব্য

    এদিকে, পাক অধিকৃত কাশ্মীরের মানবাধিকার কর্মী আমজাদ আইয়ুব মির্জা ভারতের প্রধানমন্ত্রী নরেন্দ্র মোদির কাছে পাক অধিকৃত কাশ্মীরের বাসিন্দাদের পক্ষ থেকে হস্তক্ষেপের আহ্বান জানিয়েছেন। তাঁর অভিযোগ, ওই অঞ্চলে ব্যাপক মানবাধিকার লঙ্ঘনের ঘটনা ঘটছে, ক্রমশ চাপ বাড়ছে রাজনৈতিক কর্মীদের ওপর। তাঁর দাবি, অন্য রাজনৈতিক কর্মীদেরও গ্রেফতার এবং আটক করা হচ্ছে। গিলগিট-বাল্টিস্তান আওয়ামি অ্যাকশন কমিটির বহু সদস্যকে জেলে পাঠানো হচ্ছে স্রেফ তাঁদের রাজনৈতিক প্রতিনিধিত্ব ও অর্থনৈতিক অধিকারের দাবিকে দমন করতে।

    গিলগিট-বাল্টিস্তান

    প্রসঙ্গত, গিলগিট-বাল্টিস্তান পাক-অধিকৃত কাশ্মীরের একটি অঞ্চল বলে দাবি করে ভারত, যদিও প্রশাসনিকভাবে নিয়ন্ত্রণ করে পাকিস্তান।ঐতিহাসিকভাবে এই অঞ্চলটি জম্মু-কাশ্মীরের দেশীয় রাজ্যের অংশ ছিল। ১৯৪৭ সালে ভারত (India) স্বাধীন হওয়ার পর এবং দেশভাগের সময়, তৎকালীন শাসক মহারাজা হরি সিং জম্মু-কাশ্মীরকে ভারতের সঙ্গে যুক্ত করার দলিলে সই করেছিলেন। যদিও তারপর থেকে গিলগিট-বাল্টিস্তান এবং তথাকথিত “আজাদ জম্মু-কাশ্মীর” পাকিস্তানের প্রশাসনিক নিয়ন্ত্রণে রয়েছে। গিলগিট-বাল্টিস্তান পাক-অধিকৃত কাশ্মীরের প্রায় ৮৫ শতাংশ এলাকাজুড়ে বিস্তৃত। পাক সরকার এলাকাটি শাসন করলেও, বিভিন্ন সূত্রের দাবি, ওই এলাকার পরিস্থিতি অস্থিতিশীল (Gilgit Baltistan Elections)। পাক সরকারের বিরুদ্ধে বাসিন্দাদের ক্ষোভের পারা ক্রমেই বাড়ছে (India)।

     

  • Lord Ram Idol: বাংলাদেশে নির্মীয়মান রামের মূর্তি ভেঙে ফেলার ডাক উগ্র ইসলামপন্থী বক্তার

    Lord Ram Idol: বাংলাদেশে নির্মীয়মান রামের মূর্তি ভেঙে ফেলার ডাক উগ্র ইসলামপন্থী বক্তার

    মাধ্যম নিউজ ডেস্ক: বাংলাদেশের রংপুর বিভাগের গাইবান্ধা জেলায় ভগবান রামের (Lord Ram Idol) নির্মীয়মান একটি মূর্তি ভেঙে ফেলার হুমকি দিলেন উগ্র ইসলামপন্থী এক ব্যক্তি। এ নিয়ে সোশ্যাল মিডিয়ায় মুসলমান গোষ্ঠীগুলির নানা মন্তব্যও ছড়িয়ে পড়েছে, যেখানে হিন্দু দেবতা রামকে ‘হিন্দুত্বের প্রতীক’ আখ্যা দিয়ে হিংসায় উসকানি দেওয়া হচ্ছে।

    উগ্র ইসলামি বক্তার হুমকি (Lord Ram Idol)

    ‘ইনসাফ কায়েমকারী ছাত্র শ্রমিক জনতা’ সংগঠনের সঙ্গে সংশ্লিষ্ট এক উগ্র ইসলামি বক্তা হুমকি দিয়ে বলেন, “পলাশবাড়ী উপজেলায় হিন্দুদের দেবতা রামের মূর্তি নির্মাণের কাজ যদি নির্বিঘ্নে চলতে থাকে, তাহলে বুঝতে হবে, এ দেশে কোনও সম্মানিত ইসলামি আলেম নেই। সে ক্ষেত্রে বাংলাদেশের মুসলমানরা হিন্দুত্ববাদীদের হাতে গণহত্যার শিকার হওয়ারই যোগ্য।” তিনি এও বলেন, “পলাশবাড়ীতে রামের একটি মূর্তি নির্মাণ করা হচ্ছে। সেটি বুলডোজার দিয়ে গুঁড়িয়ে দাও। সরকারকেই মূর্তিটি ভেঙে ফেলতে হবে। সরকার যদি তা না করে, তাহলে সাধারণ মানুষ (মুসলমানরা) সেটি ধ্বংস করবে। সরকারকে সাহায্য করা মুসলমানদের দায়িত্ব। বাংলাদেশে এই মন্দির ভেঙে ফেলতেই হবে।”

    ভারত দখলের হুমকি

    এর আগে ভারত দখলের হুমকি দিয়েছিলেন এই উগ্র ইসলামি বক্তা। তাঁর দাবি, “বাংলাদেশ থেকে ভারতের বিরুদ্ধে একটি অভিযান চালানো হবে। ভারত দখল করা হবে। মোদি ও তাঁর রাম রাজ্য গুঁড়িয়ে দেওয়া হবে। বাংলাদেশ, পাকিস্তান ও ভারতের মুসলমানরা যদি একযোগে আক্রমণ করে, তাহলে ভারত এক ঘণ্টাও টিকতে পারবে না।” প্রসঙ্গত, বাংলাদেশে হিন্দুদের ওপর আক্রমণ অব্যাহত। ধর্মীয় সংখ্যালঘুদের ধীরে ধীরে দেশছাড়া করার উদ্দেশ্যেই চলছে এই আক্রমণ। ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ের অধ্যাপক আবুল বরকতের গবেষণা অনুযায়ী, পদ্ধতিগত ও প্রাতিষ্ঠানিক নির্যাতনের কারণে ২০৫০ সালের মধ্যে বাংলাদেশে আর কোনও হিন্দু অবশিষ্ট থাকবে না। মন্দির ভাঙচুর, জমি দখল, মিথ্যা ধর্ম অবমাননার অভিযোগে হামলা, ধর্ষণ ও জোরপূর্বক ধর্মান্তর, এবং ঘৃণামূলক বক্তব্য—এসবকে হিন্দুদের ভয় দেখিয়ে দেশছাড়া করার হাতিয়ার হিসেবে ব্যবহার করা হচ্ছে বলে দাবি করা হয়।

     

  • PM Modi: ‘‘ভারতের ওপর নিষেধাজ্ঞার মাধ্যমে চাপ সৃষ্টির চেষ্টা বুমেরাং হবে”, সতর্ক করে দিলেন পুতিন

    PM Modi: ‘‘ভারতের ওপর নিষেধাজ্ঞার মাধ্যমে চাপ সৃষ্টির চেষ্টা বুমেরাং হবে”, সতর্ক করে দিলেন পুতিন

    মাধ্যম নিউজ ডেস্ক: “প্রধানমন্ত্রী নরেন্দ্র মোদির (PM Modi) নেতৃত্বে ভারতের ওপর নিষেধাজ্ঞার মাধ্যমে চাপ সৃষ্টি করার যে কোনও চেষ্টা শেষ পর্যন্ত বুমেরাং হবে।” শুক্রবার এমনই মন্তব্য করলেন রাশিয়ার প্রেসিডেন্ট ভ্লাদিমির পুতিন (Putin)। ভারতের কৌশলগত স্বায়ত্তশাসনকে সমর্থন করেন তিনি। বলেন, “সার্বভৌম রাষ্ট্রগুলির নিজেদের প্রতিরক্ষা ও অর্থনৈতিক অংশীদার বেছে নেওয়ার স্বাধীনতা থাকা উচিত।” সেন্ট পিটার্সবার্গ আন্তর্জাতিক অর্থনৈতিক ফোরামে সংবাদ মাধ্যমে সাক্ষাৎকার দিতে গিয়ে রুশ প্রেসিডেন্ট জানান, ভারত সবসময় নিজের জাতীয় স্বার্থকে সামনে রেখে নীতি নির্ধারণ করেছে এবং রাশিয়ার সঙ্গে সম্পর্কের কারণে বাইরের কোনও চাপ এলেও ভবিষ্যতেও তাই করবে।

    নিষেধাজ্ঞার হুমকি বুমেরাং হতে পারে (PM Modi)

    তিনি বলেন, “ভারত সবসময় একটি সার্বভৌম রাষ্ট্র হিসেবে কাজ করে এবং প্রধানমন্ত্রী মোদির নেতৃত্বে সম্ভাব্য নিষেধাজ্ঞার হুমকি ততক্ষণাৎ বুমেরাং হয়ে যাবে।” পুতিন জানান, রাশিয়া আগে ভারতের সঙ্গে Su-57 যুদ্ধবিমান যৌথভাবে তৈরির প্রস্তাব দিয়েছিল। কিন্তু সেই সহযোগিতা বাস্তবায়িত না হওয়ায় রাশিয়া একাই বিমানটি তৈরি করে। ভারত-রাশিয়ার প্রতিরক্ষা সহযোগিতা শুধু যে কেনাবেচার মধ্যেই সীমাবদ্ধ নয়, তাও জানান পুতিন। বলেন, “আমাদের ভারতীয় বন্ধুদের সঙ্গে সম্পর্কের বিশেষত্ব হল পারস্পরিক আস্থার ভিত্তিতে আমরা শুধু কেনাবেচা নয়, যৌথ গবেষণা ও উন্নয়নের ওপরও গুরুত্ব দিই।”

    ভারত-রাশিয়া যৌথ উদ্যোগ

    উদাহরণ হিসেবে (PM Modi) তিনি ব্রহ্মোস (BrahMos) সুপারসনিক ক্রুজ ক্ষেপণাস্ত্র প্রকল্পের কথা উল্লেখ করেন। রুশ প্রেসিডেন্ট বলেন, “ভারতীয় ও রুশ বিশেষজ্ঞরা শুরু থেকেই এই ক্ষেপণাস্ত্রের নকশা তৈরিতে একসঙ্গে কাজ করেছেন এবং তা সফল হয়েছে।” আমেরিকা যদি ভারত Su-57 বা S-500 এয়ার ডিফেন্স সিস্টেম কিনতে চায়, তাহলে তারা নিষেধাজ্ঞা জারি করতে পারে কি? এই (Putin) প্রশ্নের উত্তরে পুতিন বলেন, “ভারত একটি সার্বভৌম দেশ এবং নিজেদের জন্য সবচেয়ে আধুনিক ও উপযুক্ত প্রতিরক্ষা সরঞ্জাম বেছে নেওয়ার স্বাধীনতা তাদের রয়েছে। অন্যরা যা-ই বলুক, ভারত সবসময় এই ভাবেই সিদ্ধান্ত নিয়েছে।” তিনি জানান, ভারতের প্রতিরক্ষা সরঞ্জাম কেনার সিদ্ধান্ত রাজনৈতিক চাপের বদলে সামরিক প্রয়োজন ও কার্যকারিতার ভিত্তিতেই নেওয়া হবে (PM Modi)।

    পুরানো সেই দিনের কথা

    পুতিন মনে করিয়ে দেন, প্রধানমন্ত্রী হওয়ার আগে একসময় নরেন্দ্র মোদিকে আমেরিকায় প্রবেশের ভিসা দেওয়া হয়নি। অথচ বর্তমানে ভারত ও মার্কিন যুক্তরাষ্ট্রের সম্পর্ক ভালোভাবেই এগিয়ে চলছে। রুশ প্রেসিডেন্ট বলেন, “আমরা সবাই সেই সময়ের কথা মনে করি যখন প্রধানমন্ত্রী মোদির যুক্তরাষ্ট্রে প্রবেশে নিষেধাজ্ঞা জারি করা হয়েছিল। এখন তিনি প্রধানমন্ত্রী, সব নিষেধাজ্ঞা উঠে গিয়েছে, এবং যুক্তরাষ্ট্র ও ভারতের সম্পর্ক সফলভাবেই এগোচ্ছে।” তিনি জানান, মোদি নিশ্চয়ই সেই অভিজ্ঞতার কথা ভুলে যাননি এবং এই ঘটনাই প্রমাণ করে যে ভারত পরিবর্তিত আন্তর্জাতিক পরিস্থিতির মধ্যেও নিজের স্বার্থ রক্ষা করতে পারে। ভারতের সঙ্গে রাশিয়ার প্রতিরক্ষা সহযোগিতা রাজনৈতিক পরিবর্তনের ওপর নির্ভরশীল নয় বলেও জানান পুতিন (Putin)। বলেন, “ভারতের সঙ্গে আমাদের সহযোগিতা, অন্য সব অংশীদারের মতোই, রাজনৈতিক পরিবেশের ওপর নির্ভর করে না। কেউ আমাদের নির্দেশ দিতে পারে না যে, ভারতের কাছে এটা সরবরাহ করো না।” রাশিয়ার প্রেসিডেন্ট বলেন, “আমরা আমাদের অংশীদারদের, বিশেষ করে ভারতের মতো দেশের কাছে দেওয়া প্রতিশ্রুতি সবসময় রক্ষা করব (PM Modi)।”

LinkedIn
Share