Tag: India

India

  • PM Modi: প্রশান্ত মহাসাগরে শক্তিবৃদ্ধি ভারতের, ফিজির সঙ্গে প্রতিরক্ষা ও নিরাপত্তা সহযোগিতা চুক্তি স্বাক্ষর

    PM Modi: প্রশান্ত মহাসাগরে শক্তিবৃদ্ধি ভারতের, ফিজির সঙ্গে প্রতিরক্ষা ও নিরাপত্তা সহযোগিতা চুক্তি স্বাক্ষর

    মাধ্যম নিউজ ডেস্ক: প্রতিরক্ষা ও নিরাপত্তা ক্ষেত্রে সহযোগিতা আরও জোরদার করতে এবং শান্তিপূর্ণ, নিরাপদ ও অন্তর্ভুক্তিমূলক ইন্দো-প্যাসিফিক অঞ্চল গড়ে তুলতে একসঙ্গে কাজ করার বিষয়ে সম্মত হল ভারত ও ফিজি (India Fiji)। সোমবার প্রধানমন্ত্রী নরেন্দ্র মোদি (PM Modi) ও ফিজির প্রধানমন্ত্রী সিটিভেনি রবুকার মধ্যে অনুষ্ঠিত বৈঠকে কৃষি থেকে শুরু করে স্বাস্থ্য পর্যন্ত বিভিন্ন ক্ষেত্রে সহযোগিতা বাড়ানোর উপায় নিয়েও আলোচনা হয়। রবিবার তিন দিনের সফরে ভারতে পৌঁছন রাবুকা। সেখানে তিনি মোদির সঙ্গে বৈঠক করেন নিরাপত্তা সহযোগিতা, প্রশান্ত মহাসাগরীয় দ্বীপপুঞ্জের পরিস্থিতি, বৃহত্তর ইন্দো-প্যাসিফিক এবং অন্যান্য আঞ্চলিক বিষয় নিয়ে।

    প্রশান্ত মহাসাগরীয় দ্বীপ রাষ্ট্রগুলির সঙ্গে ঘনিষ্ঠ সম্পর্ক (PM Modi)

    সাম্প্রতিক বছরগুলিতে ভারত প্রশান্ত মহাসাগরীয় দ্বীপ রাষ্ট্রগুলির সঙ্গে ঘনিষ্ঠ সম্পর্ক গড়ে তোলার দিকে মনোযোগ দিয়েছে। এর মধ্যে ফিজির অর্থনীতি ও সেনাবাহিনী তুলনামূলকভাবে বড়। চিনের প্রভাবের মোকাবিলা করতেই ফিজির সঙ্গে সম্পর্ক পোক্ত করতে চাইছে নরেন্দ্র মোদির ভারত। রাবুকার সঙ্গে বৈঠকের পর সংবাদমাধ্যমের সঙ্গে আলাপচারিতায় প্রধানমন্ত্রী বলেন, “আমরা প্রতিরক্ষা ও নিরাপত্তা ক্ষেত্রে আমাদের সহযোগিতা আরও জোরদার করার সিদ্ধান্ত নিয়েছি। এ জন্য একটি কর্মপরিকল্পনা তৈরি করা হয়েছে। ভারতের পক্ষ থেকে ফিজির সামুদ্রিক নিরাপত্তা উন্নত করতে প্রশিক্ষণ ও সরঞ্জামে সহযোগিতা দেওয়া হবে।” তিনি বলেন, “আমরা সাইবার নিরাপত্তা ও তথ্য সুরক্ষায় আমাদের অভিজ্ঞতা ভাগ করে নিতে প্রস্তুত।” রাবুকা বলেন, “উভয় দেশই ইন্দো-প্যাসিফিক অঞ্চলে শান্তি, স্থিতিশীলতা ও উন্নয়নকে এগিয়ে নিতে চায়। ভারত–ফিজির সম্পর্ক থেকে ফিজি কেবলই উপকৃত হতে পারে।” ভারতের প্রধানমন্ত্রী বলেন, “ভারত ফিজিকে প্রশান্ত মহাসাগরীয় দ্বীপরাষ্ট্রগুলির সঙ্গে সহযোগিতার কেন্দ্র হিসেবে দেখে। আমাদের দুই দেশই মুক্ত, উন্মুক্ত, অন্তর্ভুক্তিমূলক, নিরাপদ এবং সমৃদ্ধশালী ইন্দো-প্রশান্ত মহাসাগরীয় অঞ্চলের পক্ষে জোরালো সওয়াল করে।” তিনি বলেন, “রাবুকার ‘শান্তির সাগর’ ধারণা অত্যন্ত ইতিবাচক এবং ভবিষ্যতমুখী একটি দৃষ্টিভঙ্গি।”

    প্রতিরক্ষা সহযোগিতা জোরদার করতে পদক্ষেপ

    দুই দেশের মধ্যে প্রতিরক্ষা সহযোগিতা জোরদার করতে যেসব পদক্ষেপ নেওয়া হয়েছে তার মধ্যে রয়েছে, এ বছর ফিজি সফরে একটি ভারতীয় নৌবাহিনীর জাহাজ পাঠানো, সুভায় ভারতের মিশনে প্রতিরক্ষা অ্যাটাশের পদ সৃষ্টি করা এবং ফিজির সেনাবাহিনীকে দু’টি সমুদ্র অ্যাম্বুলেন্স উপহার দেওয়া। ফিজি-ভিত্তিক প্রতিরক্ষা অ্যাটাশে অন্যান্য প্রশান্ত মহাসাগরীয় দ্বীপরাষ্ট্রগুলির সঙ্গেও সমন্বয় সাধন করবেন। এছাড়াও ভারত ফিজিতে একটি সাইবার সুরক্ষা প্রশিক্ষণ কেন্দ্র স্থাপনে সাহায্য করবে। বিদেশ মন্ত্রকের (দক্ষিণ বিভাগ) সচিব নীনা মালহোত্রা জানান, দু’টি দেশের মধ্যে ইতিমধ্যেই প্রতিরক্ষা সহযোগিতা সংক্রান্ত একটি মউ স্বাক্ষরিত হয়েছে (PM Modi)। এ বিষয়ে যৌথ ওয়ার্কিং গ্রুপের প্রথম বৈঠক অনুষ্ঠিত হয়েছে জুলাই মাসে। তিনি বলেন, “আমাদের প্রতিরক্ষা ও নিরাপত্তা সহযোগিতা মূলত ফিজির সামুদ্রিক সক্ষমতা বৃদ্ধির ওপর কেন্দ্রীভূত, যা সক্ষমতা উন্নয়ন ও প্রশিক্ষণ প্রদানের মাধ্যমে করা হচ্ছে। কিছু সরঞ্জামের অনুরোধ এসেছে, আমরা সেগুলি বিবেচনা করছি।” যৌথ বিবৃতিতে বলা হয়েছে, রবুকা ফিজির একচেটিয়া অর্থনৈতিক অঞ্চল সুরক্ষার গুরুত্বের ওপর জোর দেন এবং ভারতের কাছ থেকে নিরাপত্তা চাহিদা পূরণের জন্য সাহায্যের আশ্বাসকে স্বাগত জানান। তিনি ভারতের একটি যুদ্ধজাহাজের পরিকল্পিত বন্দর সফরকেও স্বাগত জানান, যা দুই দেশের মধ্যে সামুদ্রিক সহযোগিতা আরও জোরদার করবে (India Fiji)।

    সন্ত্রাসবাদের বিরুদ্ধে সহযোগিতা জোরদার করা

    জানা গিয়েছে, দুই দেশের প্রধানই সন্ত্রাসবাদের বিরুদ্ধে সহযোগিতা জোরদার করার ব্যাপারে সম্মত হন এবং এপ্রিল মাসে দক্ষিণ কাশ্মীরের পহেলগাঁওয়ে সংঘটিত জঙ্গি হামলাকে কঠোর ভাষায় নিন্দে করেন। ওই হামলায় বেছে বেছে ২৬ জন হিন্দু পর্যটককে নৃশংসভাবে খুন করা হয়েছিল। যৌথ বিবৃতিতে আরও বলা হয়েছে, তাঁরা সন্ত্রাসবাদের প্রতি জিরো টলারেন্স নীতি পুনর্ব্যক্ত করেছেন এবং সন্ত্রাসবাদ বিষয়ে ডাবল স্ট্যান্ডার্ড প্রত্যাখ্যান করেছেন। ভারতের প্রধানমন্ত্রী বলেন, “আমরা একমত যে সন্ত্রাসবাদ পুরো মানবজাতির পক্ষে একটি বিশাল চ্যালেঞ্জ। সন্ত্রাসবাদের বিরুদ্ধে আমাদের লড়াইয়ে সহযোগিতা ও সমর্থনের জন্য আমরা প্রধানমন্ত্রী রবুকা এবং ফিজি সরকারের প্রতি কৃতজ্ঞতা প্রকাশ করছি (PM Modi)।”

    ভারত-প্রশান্ত মহাসাগরীয় দ্বীপ সহযোগিতা ফোরাম

    প্রশান্ত মহাসাগরীয় দ্বীপ রাষ্ট্রগুলির সঙ্গে সম্পর্ক গভীর করতে ভারত ২০১৪ সালে ভারত-প্রশান্ত মহাসাগরীয় দ্বীপ সহযোগিতা ফোরাম (FIPIC) চালু করে। এই দ্বীপরাষ্ট্রগুলির মধ্যে বেশ কয়েকটিতে বাস করে ভারতীয় বংশোদ্ভূত মানুষের একটা বড় অংশ। ফিজিতে অবস্থিত প্রশান্ত মহাসাগরীয় অঞ্চলের জন্য ভারতের একাধিক উন্নয়নমূলক (India Fiji) উদ্যোগের মধ্যে রয়েছে সাসটেনেবল কোস্টাল ও মহাসাগর গবেষণা প্রতিষ্ঠান এবং আইটি কেন্দ্রও। সে দেশে গড়ে তোলা হবে ১০০ বেডের সুপার স্পেশালিটি হাসপাতালও (PM Modi)।

  • Bipin Joshi: খোঁজ নেই হামাসের হাতে বন্দি নেপালি শিক্ষার্থীর, হিন্দুরা নীরব কেন?

    Bipin Joshi: খোঁজ নেই হামাসের হাতে বন্দি নেপালি শিক্ষার্থীর, হিন্দুরা নীরব কেন?

    মাধ্যম নিউজ ডেস্ক: বুকে এক রাশ স্বপ্ন নিয়ে নেপাল থেকে ইজরায়েলে গিয়েছিলেন নেপালের হিন্দু তরুণ শিক্ষার্থী বিপিন জোশী (Bipin Joshi)। তিনি গিয়েছিলেন ইজরায়েলে উন্নত কৃষি প্রযুক্তির তালিম নিতে। গত অক্টোবরে হামাস (Hamas) জঙ্গিরা হামলা চালায় কিবুটজে। হামাসের গুলি বর্ষণের মধ্যে পড়ে গিয়েছিলেন ১৭ জন নেপালি হিন্দু ছাত্র। তাঁদের মধ্যে ১০জনকেই সেখানে নির্মমভাবে হত্যা করা হয়। বাকিরা প্রাণভিক্ষে করেছিলেন। সেই দলে ছিলেন বিপিনও। জঙ্গিরা তাঁকে হিড়হিড় করে টানতে টানতে নিয়ে গিয়েছিল তাদের ডেরার। নভেম্বরে প্রকাশিত এক ভয়ঙ্কর ভিডিওতে দেখা যায়, অপহরণকারীরা গাজার শিফা হাসপাতালে নিয়ে যাচ্ছে বিপিনকে। তার পর থেকে আর কোনও খোঁজ নেই নেপালি এই হিন্দু পড়ুয়ার।

    অদ্ভূতভাবে নীরব হয়ে রয়েছে ভারত (Bipin Joshi)

    বিপিনের মতো হামাসের হাতে বন্দিদের মুক্তির দাবিতে সোচ্চার হয়েছে তামাম বিশ্ব। হলুদ ফিতে পরে জানিয়েছে সমবেদনা। অথচ বিপিন হিন্দু হওয়া সত্ত্বেও অদ্ভূতভাবে নীরব হয়ে রয়েছে ভারত। যখন ইহুদি শিল্পীরা মহাদেশজুড়ে বন্দিদের জন্য ক্যাম্পেন চালাচ্ছেন, তখন ভারতের শিল্পী, চলচ্চিত্র তারকা এবং তথাকথিত মানবাধিকার কর্মীরা। এখানেই উঠেছে মোক্ষম প্রশ্নটি। বিপিন যদি ভারত কিংবা নেপালের একজন মুসলিম যুবক হতেন, তবে কি একই রকম প্রতিক্রিয়া হত? জেএনইউ থেকে গেটওয়ে অফ ইন্ডিয়া পর্যন্ত কি মোমবাতি মিছিল হত না? গলা ফাটাতেন না মানবাধিকার কর্মীরা? এখন তাঁরা কোথায় গেলেন? কিন্তু বিপিন হিন্দু হওয়ায় তাঁকে নিয়ে মাথাব্যথা নেই তথাকথিত এলিট শ্রেণির।

    বিপিনের ঘটনা কোনও একক ট্র্যাজেডি নয়

    নয়াদিল্লির প্যালেস্তাইন দূতাবাসের সামনে কোনও প্রতিবাদ নেই, নেই কোনও আন্তর্জাতিক ক্ষোভও (Bipin Joshi)। মার্টিন লুথার কিং জুনিয়র বলতেন, “যে কোনও জায়গার অবিচার মানেই সর্বত্র অবিচার।” তবে একজন হিন্দু যখন ইসলামি জেহাদি সন্ত্রাসের শিকার হয়, তখন কেন এই সত্য প্রযোজ্য হয় না? বিপিনের ঘটনা কোনও একক ট্র্যাজেডি নয়, এটা আমাদের সকলের সামনে ধরা একটি আয়না (Hamas)। শতাব্দীর পর শতাব্দী ধরে সনাতন ধর্ম অসংখ্য আক্রমণের মুখোমুখি হয়েছে, তবুও আমাদের সবচেয়ে বড় দুর্বলতা শত্রুর তলোয়ার নয়, বরং হিন্দুর হিরন্ময় নীরবতা। তাই একজোট হতে হবে হিন্দুদের। বিশ্বের প্রতিটি প্রান্তে আওয়াজ তুলতে হবে ‘বিপিন জোশীকে (Bipin Joshi) মুক্তি দাও’।

  • PMO: ট্রাম্পের শুল্কধাক্কার মোকাবিলায় প্রধানমন্ত্রীর দফতরে জরুরি বৈঠক

    PMO: ট্রাম্পের শুল্কধাক্কার মোকাবিলায় প্রধানমন্ত্রীর দফতরে জরুরি বৈঠক

    মাধ্যম নিউজ ডেস্ক: ভারতীয় পণ্যের ওপর দু’দফায় মোট ৫০ শতাংশ শুল্ক (Trumps Tariffs) আরোপ করেছে মার্কিন যুক্তরাষ্ট্র। তার জেরে বাণিজ্যিক চ্যালেঞ্জের মুখোমুখি হতে হচ্ছে ভারতীয় রফতানিকারীদের। ঘটনার মোকাবিলার ২৬ অগাস্ট, মঙ্গলবার একটি জরুরি উচ্চপর্যায়ের বৈঠকের আয়োজন করা হয়েছে বলে প্রধানমন্ত্রীর দফতর (PMO) সূত্রে খবর। প্রধানমন্ত্রীর প্রধান সচিবের নেতৃত্বে অনুষ্ঠিত হতে চলা এই গুরুত্বপূর্ণ বৈঠকটি ডাকা হয়েছে এমন একটা সময়ে, যখন ভারতীয় রফতানিকারীরা বুধবার থেকে কার্যকর হতে চলা ৫০ শতাংশ শুল্ক আরোপের জন্য প্রস্তুতি নিচ্ছেন। এটি আগের ২৫ শতাংশ শুল্ককে দ্বিগুণ করে দিচ্ছে। প্রথমে এই শুল্কহার ঘোষণা করা হয়েছিল ২৫ শতাংশ।

    শুল্কবৃদ্ধির ধাক্কা (PMO)

    ওয়াকিবহাল মহলের ধারণা, এই উল্লেখযোগ্য শুল্কবৃদ্ধির কারণে মার্কিন যুক্তরাষ্ট্রের বাজারে যেসব ভারতীয় ব্যবসা করছেন, তাঁদের লাভের পরিমাণ মারাত্মকভাবে ক্ষতিগ্রস্ত হবে। বাণিজ্য ও শিল্পমন্ত্রক রফতানিকারী এবং রফতানি উন্নয়ন পরিষদগুলির সঙ্গে যোগাযোগ করছে। বর্তমানে পঁচিশ বছরের শুল্ক কাঠামোর কারণে ইতিমধ্যেই যে ক্ষতি হয়েছে, তা মূল্যায়ন করতেই এই যোগাযোগ করা হচ্ছে। শিল্পপতিরা জানিয়েছেন, আগের ২৫ শতাংশ শুল্কও তাঁদের লাভের মার্জিনকে যথেষ্ট সংকুচিত করেছে এবং তার জেরে মার্কিন বাজারে তাঁদের প্রতিযোগিতামূলক অবস্থান আগের চেয়ে বেশ দুর্বল হয়েছে। সরকারি আধিকারিকরা সার্বিক অর্থনীতিজুড়ে স্বস্তিমূলক পদক্ষেপ নেওয়ার বদলে লক্ষ্যভিত্তিক হস্তক্ষেপ কৌশল খুঁজে দেখছেন। এখন তাঁরা মনোযোগ দিচ্ছেন খাতভিত্তিক সহায়তা ব্যবস্থার দিকে, যা ক্ষতিগ্রস্ত শিল্পগুলিকে আরও সুনির্দিষ্টভাবে সাহায্য করতে পারে।

    জরুরি ঋণসীমা গ্যারান্টি প্রকল্প

    রফতানিকারীরা জরুরি ঋণসীমা গ্যারান্টি প্রকল্প (Emergency Credit Line Guarantee Scheme) চালুর পক্ষে সওয়াল করেছেন। এটি জামানতবিহীন কার্যকরী মূলধন দেবে এবং সরকারের ঝুঁকি কভারেজের আওতায় আসবে। তবে নীতিনির্ধারকেরা খাতভিত্তিক কেন্দ্রীভূত হস্তক্ষেপের দিকেই বেশি ঝুঁকছেন। আধিকারিকদের ধারণা, এমন লক্ষ্যভিত্তিক পদ্ধতি বিস্তৃত কর্মসূচির তুলনায় বেশি কার্যকর ফল দিতে সক্ষম। জানা গিয়েছে, ইদানিং সরকারের মনোযোগ বিশেষভাবে কেন্দ্রীভূত হয়েছে ক্ষুদ্র ও মাঝারি শিল্প এবং রফতানিমুখী উৎপাদন ইউনিটগুলি রক্ষার দিকে। এগুলিকে বহিরাগত অর্থনৈতিক বিঘ্নের জন্য সবচেয়ে বেশি ঝুঁকিপূর্ণ বলে মনে করা হয়। ক্ষুদ্র উদ্যোগগুলি (Trumps Tariffs) বিশেষভাবে উল্লেখ করেছে যে খাতভিত্তিক ঋণ সুবিধা, যা জামানত দ্বারা সুরক্ষিত থাকবে, তা প্রকৃত অর্থে সাহায্য করতে পারবে (PMO)।

    সরকারি আধিকারিকরা জানাচ্ছেন, রফতানিমুখী ইউনিট ও ক্ষুদ্র-মাঝারি শিল্পগুলিকে রক্ষা করাই এখন সরকারের কৌশলের মূল লক্ষ্য। কারণ বহির্বিশ্বের ধাক্কায় সব চেয়ে বেশি ক্ষতিগ্রত হয় এই খাত। সূত্রের খবর, মঙ্গলবারের বৈঠকে ভারত সরকারের প্রতিক্রিয়ার (Trumps Tariffs) খসড়া চূড়ান্ত করা হবে। কারণ টেক্সটাইল, চর্মজাত পণ্য সামগ্রী, ইঞ্জিনিয়ারিং পণ্য এবং কেমিক্যাল খাত – সব ক্ষেত্রেই বড়সড় প্রভাব ফেলতে পারে নয়া শুল্কের ধাক্কা (PMO)।

  • Indias Energy Policy: “সবচেয়ে ভালো প্রস্তাব যারা দেবে, তাদের থেকেই তেল কিনবে ভারত,” সাফ কথা ভারতীয় রাষ্ট্রদূতের

    Indias Energy Policy: “সবচেয়ে ভালো প্রস্তাব যারা দেবে, তাদের থেকেই তেল কিনবে ভারত,” সাফ কথা ভারতীয় রাষ্ট্রদূতের

    মাধ্যম নিউজ ডেস্ক: মার্কিন যুক্তরাষ্ট্র ভারতীয় পণ্যের ওপর শুল্ক (Indias Energy Policy) বাড়ানো সত্ত্বেও রাশিয়ার থেকে ভারত তেল কেনা অব্যাহত রাখবে। সাফ জানিয়ে দিলেন মস্কোয় নিযুক্ত নয়াদিল্লির রাষ্ট্রদূত (Indian Envoy)। রুশ রাষ্ট্রীয় সংবাদ সংস্থা ‘তাস’কে দেওয়া সাক্ষাৎকারে রাশিয়ায় ভারতের রাষ্ট্রদূত বিনয় কুমার বলেন, “রাশিয়ার সঙ্গে নয়াদিল্লির জ্বালানি বাণিজ্য অব্যাহত থাকার জবাবে ভারতীয় আমদানির ওপর শুল্ক দ্বিগুণ করার ওয়াশিংটনের সিদ্ধান্তকে লক্ষ্য করে এই বক্তব্য দেওয়া হয়েছে।” তিনি বলেন, “মার্কিন যুক্তরাষ্ট্রের এই সিদ্ধান্ত অন্যায্য, অযৌক্তিক এবং অযথার্থ।” তিনি শুল্ক বৃদ্ধিকে ন্যায্য বাণিজ্যের নীতি ক্ষুণ্ণকারী এক শাস্তি হিসেবে উল্লেখ করেন। তাসকে দেওয়া সাক্ষাৎকারে তিনি বলেন, “আমাদের লক্ষ্য হল ভারতের ১৪০ কোটি মানুষের জ্বালানি নিরাপত্তা নিশ্চিত করা, আর রাশিয়া-সহ একাধিক দেশের সঙ্গে ভারতের সহযোগিতা বৈশ্বিক তেলের বাজারে স্থিতিশীলতা আনতে সাহায্য করেছে।” প্রসঙ্গত, ওয়াশিংটন যখন ভারতের আমদানির ওপর অতিরিক্ত ২৫ শতাংশ শুল্ক আরোপ করে মোট শুল্ক হার ৫০ শতাংশে নিয়ে যায়, তার কয়েক সপ্তাহ পরেই এল মস্কোয় নিযুক্ত নয়াদিল্লির রাষ্ট্রদূতের এই মন্তব্য।

    ভারতের প্রতিনিধির সাফ কথা (Indias Energy Policy)

    ভারতের প্রতিনিধি সাফ জানিয়ে দেন, ভারতের জ্বালানি নীতি মূলত তার জনগণের জন্য নির্ভরযোগ্য সরবরাহ নিশ্চিত করার প্রয়োজনে গঠিত, বাইরের কোনও রাজনৈতিক চাপে নয়। তিনি বলেন, “সরকার দেশের জাতীয় স্বার্থ রক্ষার জন্য পদক্ষেপ নিতে থাকবে।” কুমার বলেন, “বাণিজ্য সম্পূর্ণ বাণিজ্যিক ভিত্তিতেই হয়। তাই যদি বাণিজ্যিক লেনদেনের ভিত্তি ঠিক থাকে।  সবচেয়ে ভালো প্রস্তাব যারা দেবে, তাদের থেকেই তেল কিনবে ভারত। বর্তমান পরিস্থিতি এটিই।” ভারত বারবার (Indias Energy Policy) রাশিয়া থেকে তেল আমদানি করে চলেছে। নয়াদিল্লির যুক্তি, সাশ্রয়ী জ্বালানির প্রাপ্যতা তার অর্থনৈতিক স্থিতিশীলতার জন্য অত্যন্ত গুরুত্বপূর্ণ। শীর্ষকর্তারা আরও জানান, অন্যান্য দেশ, যেমন মার্কিন যুক্তরাষ্ট্র এবং ইউরোপীয় দেশগুলিও এখনও কিছু মাত্রায় মস্কোর সঙ্গে বাণিজ্য চালিয়ে যাচ্ছে। কুমার বলেন, “আমাদের বাণিজ্য বাজারের উপাদানের ওপর ভিত্তি করে এবং ১৪০ কোটি ভারতীয় মানুষের জ্বালানি নিরাপত্তা নিশ্চিত করার মূল উদ্দেশ্যকে সামনে রেখে করা হয়। অন্য দেশগুলিও, যার মধ্যে মার্কিন যুক্তরাষ্ট্র ও ইউরোপ রয়েছে, রাশিয়ার সঙ্গে বাণিজ্য করছে।”

    জয়শঙ্করের আগের বক্তব্যেরই প্রতিধ্বনি

    ভারতের বিদেশমন্ত্রী এস জয়শঙ্করের আগের বক্তব্যেরই প্রতিধ্বনি শোনা গিয়েছে রাষ্ট্রদূতের বক্তব্যে। শনিবার জয়শঙ্কর ওয়াশিংটনের পদক্ষেপকে অন্যায্য ও অযৌক্তিক বলে অভিহিত করেন। তিনি বলেন, “নয়াদিল্লি ভারতের কৃষক ও ক্ষুদ্র উৎপাদকদের স্বার্থে কখনও আপস করবে না।” প্রসঙ্গত, বিশ্বের তৃতীয় বৃহত্তম তেল আমদানিকারক দেশ হিসেবে ভারত ২০২২ সাল থেকে রাশিয়া থেকে (Indian Envoy) অপরিশোধিত তেল কেনা উল্লেখযোগ্যভাবে বাড়িয়েছে। পশ্চিমী নিষেধাজ্ঞা উপেক্ষা করেই জ্বালানি কিনে চলেছে ভারত। কুমার বলেন, “ভারত ও রাশিয়া জাতীয় মুদ্রায় নিষ্পত্তির জন্য একটি স্থিতিশীল ব্যবস্থা চালু করেছে (Indias Energy Policy)।”

  • India Post: শুল্ক-সংঘাতের আবহে কড়া পদক্ষেপ ভারতের, বিধিনিষেধ জারি আমেরিকায় পাঠানো চিঠি-পার্সেলের ক্ষেত্রে

    India Post: শুল্ক-সংঘাতের আবহে কড়া পদক্ষেপ ভারতের, বিধিনিষেধ জারি আমেরিকায় পাঠানো চিঠি-পার্সেলের ক্ষেত্রে

    মাধ্যম নিউজ ডেস্ক: ট্রাম্পের শুল্ক-সংঘাতের (USA Mail) জেরে এবার মোক্ষম অস্ত্র প্রয়োগ করল নরেন্দ্র মোদির ভারত। আমেরিকায় কোনও চিঠি বা পার্সেল পাঠানোর ক্ষেত্রে বিধিনিষেধ আরোপ করল ভারতীয় ডাক বিভাগ (India Post)। চলতি মাসের শেষ থেকেই কার্যকর হচ্ছে নয়া এই নিয়ম। কয়েকটি ক্ষেত্রে অবশ্য ছাড় দেওয়া হয়েছে।

    কী বলছে ডাক বিভাগ? (India Post)

    ডাক বিভাগের তরফে জানানো হয়েছে, আগামী ২৯ অগাস্ট থেকে আমেরিকায় পাঠানো সব ডাক পণ্যে তাদের মূল্যের ভিত্তিতে শুল্ক আরোপ করা হবে। সেই শুল্ক নির্ধারণ করা হবে আন্তর্জাতিক জরুরি অর্থনৈতিক শক্তি আইনের অধীনে। তাতে বলা হয়েছে, কেবলমাত্র ১০০ মার্কিন ডলার পর্যন্ত মূল্যের উপহার সামগ্রী থাকবে শুল্কমুক্ত। গত ৩০ জুলাই একটি নির্দেশিকা জারি করেছিল ডোনাল্ড ট্রাম্পের প্রশাসন। তাতে বলা হয়, ৮০০ মার্কিন ডলার মূল্য পর্যন্ত কোনও সামগ্রী আমেরিকার বাইরে পাঠানোর ক্ষেত্রে কোনও শুল্ক গুণতে হত না। তবে এবার সেই নিয়ম পাল্টে যাচ্ছে। শুল্কমুক্ত পরিষেবা স্থগিত করেছে ট্রাম্প প্রশাসন। ওই নির্দেশিকায় বলা হয়, ২৯ অগাস্ট থেকে আমেরিকায় যত ভারতীয় পণ্য ঢুকবে, সবের ওপর ইন্টারন্যাশনাল এমার্জেন্সি ইকনমিক পাওয়ার অ্যাক্টের আওতায় শুল্ক চাপবে। কেবলমাত্র ১০০ মার্কিন ডলার মূল্যের জিনিসপত্রই শুল্কমুক্ত থাকবে। নয়া নির্দেশিকায় বলা হয়, আমেরিকার শুল্ক বিভাগ ও সীমান্তরক্ষা বিভাগের অনুমোদনপ্রাপ্ত কোনও ‘যোগ্য পক্ষ’ই শুল্ক আদায় করতে বা তা কমাতে পারবে। কিন্তু এই যোগ্য পক্ষ কারা, তা স্পষ্ট করে বলা হয়নি ওই নির্দেশিকায়। কী প্রক্রিয়ায় শুল্ক নেওয়া হবে, তা নিয়েও রয়েছে ধোঁয়াশা। এ সবের প্রেক্ষিতেই পদক্ষেপ করে ভারত।

    ভারতীয় ডাক বিভাগের খবর

    জানা গিয়েছে, ভারতীয় ডাক বিভাগ ২৯ অগাস্ট থেকে পরিষেবা স্থগিতের কথা জানালেও, সোমবার ২৫ অগাস্টের পর থেকেই মার্কিন যুক্তরাষ্ট্রে পাঠানোর ক্ষেত্রে কোনও চিঠি বা সামগ্রীর বুকিং হবে না। বিমান সংস্থাগুলি জানিয়েছে, ২৫ অগাস্টের পরে তারা আমেরিকায় আর কোনও পার্সেল নিয়ে যেতে পারবে না। জানা গিয়েছে, সেই কারণেই ভারতীয় ডাক বিভাগ আমেরিকার জন্য সব রকমের সামগ্রীর বুকিং স্থগিত রাখছে (USA Mail)। সম্প্রতি আমেরিকা শুল্কনীতিতে বড়সড় পরিবর্তন করেছে। এটি কার্যকর হওয়ার কথা চলতি মাসের শেষের দিক থেকে। এহেন আবহে ভারতও (India Post) আমেরিকার সঙ্গে আপাতত ডাক যোগাযোগ বন্ধ করার সিদ্ধান্ত নিয়েছে।

    বুকিং ফি ফেরত

    ডাক বিভাগ সূত্রে খবর, যেসব উপভোক্তা ইতিমধ্যেই আমেরিকায় পার্সেল পাঠানোর জন্য বুকিং করেছেন, তাঁদের ক্ষেত্রেও কার্যকর হচ্ছে নয়া নিয়ম। ওই সব উপভোক্তার পার্সেল পাঠানো যাবে না বলেই জানিয়েছে ডাক বিভাগ। তবে বুকিং বাবদ তাঁদের যা খরচ হয়েছে, তা ফেরত দেওয়া হবে বলে জানানো হয়েছে ডাক বিভাগের তরফে জারি করা বিবৃতিতে। ডাক বিভাগ জানিয়েছে, পরিস্থিতি পর্যালোচনা করে যত দ্রুত সম্ভব আমেরিকায় পরিষেবা সম্পূর্ণভাবে চালু করার সিদ্ধান্ত নেওয়া হবে (USA Mail)।

    শুল্ক-সংঘাত

    শুল্ক-সংঘাতের জেরে সম্পর্ক তলানিতে ঠেকেছে ভারত ও আমেরিকার। মার্কিন নিষেধাজ্ঞা উড়িয়ে দিয়ে রাশিয়া-ইউক্রেন যুদ্ধের আবহেও মস্কো থেকে নিয়মিত অপরিশোধিত তেল কিনে চলেছে ভারত। তাই শাস্তিস্বরূপ দু’দফায় ভারতের ওপর মোট ৫০ শতাংশ শুল্ক আরোপ করছেন ‘হাউডি মোদি’র আয়োজক তথা ৪৭তম মার্কিন প্রেসিডেন্ট ডোনাল্ড ট্রাম্প। আজ, ২৫ অগাস্ট থেকেই কার্যকর হওয়ার কথা নয়া ওই শুল্ক হার। সেই প্রেক্ষিতেই আপাতত মার্কিন যুক্তরাষ্ট্রে ডাক পরিষেবা বন্ধ রাখার সিদ্ধান্ত নিয়েছে ভারতীয় ডাক বিভাগ। ভারতীয় ডাক বিভাগের (India Post) তরফে জানানো হয়েছে, মার্কিন নয়া শুল্কনীতির জেরে আপাতত ডাক পরিষেবা বন্ধ থাকলেও, চিঠি, নথি এবং ১০০ মার্কিন ডলার পর্যন্ত মূল্যের উপহার পাঠানো যাবে আমেরিকায়। ডাক বিভাগের তরফে আরও জানানো হয়েছে, মার্কিন যুক্তরাষ্ট্রের ডাক বিভাগ ও সে দেশের সীমান্ত নিরাপত্তা বিভাগের তরফে কিছু জানানো হলে, সে ব্যাপারে সকলকে অবহিত করা হবে।

    ইউরোপীয় ইউনিয়নের সিদ্ধান্ত

    এদিকে, কেবল ভারত নয়, আমেরিকায় ডাক পরিষেবা স্থগিত করেছে ফ্রান্স, অস্ট্রিয়া, ডেনমার্ক, জার্মানি, সুইডেন এবং বেলজিয়ামের মতো দেশগুলিও। ব্রিটেনের রয়্যাল মেইলও জানিয়েছে, তারাও ২৫ অগাস্ট থেকে আমেরিকায় চালান পাঠানো বন্ধ করবে। এই দেরি হওয়ার কারণ হল, নয়া শুল্ক কার্যকর হওয়ার আগে পৌঁছনো পার্সেলগুলির জন্য কিছুটা সময় দেওয়া। নর্ডিক লজিস্টিকস কোম্পানি পোস্টনর্ড ও ইতালির ডাক বিভাগ ঘোষণা করেছে, ৩০ অগাস্ট থেকে একই ধরনের (USA Mail) স্থগিতাদেশ কার্যকর হবে। পোস্টইউরোপ (৫১টি ইউরোপীয় সরকারি ডাক সংস্থার সমিতি) জানিয়েছে, যদি ২৯ অগাস্টের মধ্যে কোনও সমাধান সূত্র না মেলে, তবে এর সব সদস্যই সম্ভবত একই পদক্ষেপ করবে (India Post)।

  • S Jaishankar: “ওয়াশিংটনের পাকিস্তান সম্পর্কিত তাদের নিজেদের ইতিহাস ভুলে যাওয়ার প্রবণতা রয়েছে,” তোপ জয়শঙ্করের

    S Jaishankar: “ওয়াশিংটনের পাকিস্তান সম্পর্কিত তাদের নিজেদের ইতিহাস ভুলে যাওয়ার প্রবণতা রয়েছে,” তোপ জয়শঙ্করের

    মাধ্যম নিউজ ডেস্ক: পাকিস্তানের সঙ্গে সম্পর্ক উন্নত করার মার্কিন প্রচেষ্টার তীব্র সমালোচনা করলেন ভারতের বিদেশমন্ত্রী এস জয়শঙ্কর (S Jaishankar)। শনিবার রাজ্যসভার এই সাংসদ বলেন, “ওয়াশিংটনের পাকিস্তান (Pakistan) সম্পর্কিত তাদের নিজেদের ইতিহাস ভুলে যাওয়ার প্রবণতা রয়েছে।” তিনি মনে করিয়ে দেন যে জঙ্গি ওসামা বিন লাদেনকে ২০১১ সালে পাকিস্তানের সামরিক শহর অ্যাবোটাবাদে পাওয়া গিয়েছিল। তিনি আরও একবার সাফ জানিয়ে দেন, মার্কিন প্রেসিডেন্ট ডোনাল্ড ট্রাম্প বারবার যে দাবি করছেন অপারেশন সিঁদুরের সময় তিনিই ‘পারমাণবিক যুদ্ধ’ ঠেকিয়েছিলেন, তা ঠিক নয়।

    কী বললেন জয়শঙ্কর (S Jaishankar)

    জয়শঙ্কর বলেন, “তাদের মধ্যে একটি ইতিহাস আছে। এবং তারা সেই ইতিহাসকে উপেক্ষা করারও ইতিহাস রাখে। এটা প্রথমবার নয় যে আমরা এই ধরনের ঘটনা দেখছি। মজার বিষয় হল, যখন আপনি কখনও কখনও সেই সার্টিফিকেটগুলি দেখেন যা কেউ সামরিক বাহিনীর পক্ষ থেকে দেয়, তখন মনে রাখতে হবে, এটাই সেই একই সেনাবাহিনী যারা অ্যাবোটাবাদে গিয়ে আপনি জানেন কাকে খুঁজে পেয়েছিল। আসল বিষয় হল, এই দেশগুলি কেবল সুবিধার রাজনীতি করতে মনোযোগী হয়। তারা বারবার এমনটা করার চেষ্টা করে। এর কিছুটা কৌশলগত হতে পারে, আবার কিছু ক্ষেত্রে অন্য সুবিধা বা হিসেব-নিকেশও থাকতে পারে।”

    মার্কিন যুক্তরাষ্ট্র ও পাকিস্তানের সম্পর্ক কী বললেন জয়শঙ্কর

    এদিন ইটি ওয়ার্ল্ড লিডার্স ফোরামে যোগ দিয়েছিলেন ভারতের বিদেশমন্ত্রী (S Jaishankar)। সেখানে তিনি বলেন, “গত কয়েক মাসে মার্কিন যুক্তরাষ্ট্র ও পাকিস্তানের মধ্যে সম্পর্কের উল্লেখযোগ্য উন্নতি হয়েছে।  ট্রাম্প হোয়াইট হাউসে ফিল্ড মার্শাল আসিম মুনিরকে মধ্যাহ্নভোজে আমন্ত্রণ জানিয়েছিলেন। তেলের মজুত উন্নয়নের জন্য একটি বড় চুক্তিও ঘোষণা করেছিলেন এবং আরও অনেক কিছু।” তিনি জানান, ট্রাম্প প্রশাসন সন্ত্রাসবিরোধী পদক্ষেপ ও আঞ্চলিক স্থিতিশীলতার প্রচেষ্টায় পাকিস্তানের ভূমিকার স্বীকৃতি দিতে বারবার উদ্যোগ নিয়েছে। চলতি মাসের শুরুতে ইসলামাবাদে (Pakistan) মার্কিন যুক্তরাষ্ট্র-পাকিস্তান সন্ত্রাসবিরোধী আলাপ-আলোচনাও হয়েছে। সেখানে ফের একবার “সন্ত্রাসবাদের বিরুদ্ধে লড়াইয়ে যৌথ অঙ্গীকার” করা হয়েছে (S Jaishankar)।

  • PM Modi: বিশ্বের অর্থনৈতিক মন্দা সারাতে পারে ভারতই, বললেন প্রধানমন্ত্রী নরেন্দ্র মোদি

    PM Modi: বিশ্বের অর্থনৈতিক মন্দা সারাতে পারে ভারতই, বললেন প্রধানমন্ত্রী নরেন্দ্র মোদি

    মাধ্যম নিউজ ডেস্ক: ইটি ওয়ার্ল্ড লিডার্স ফোরামে বক্তব্য রাখেন প্রধানমন্ত্রী মোদি (PM Modi)। ২২ অগাস্ট তাঁর বক্তব্যে উঠে এল ভারতের ক্রমবর্ধমান অর্থনৈতিক শক্তির কথা এবং তিনি জোর দিয়ে বলেন যে, এই দেশ শুধুমাত্র পৃথিবীর দ্রুত বর্ধনশীল অর্থনীতির (Indian Economy) দিকে এগিয়ে চলেছে তা নয়, একই সঙ্গে সারা বিশ্বজুড়ে যেভাবে অর্থনীতির মন্দা দেখা দিয়েছে, সেখান থেকেও সেই পরিস্থিতিকে টেনে তুলে আনতে পারে ভারতের অর্থনীতি।

    নতুনভাবে লেখা হয়েছে ট্যাক্স আইন (PM Modi)

    তিনি তাঁর বক্তব্যে আরও জানান যে, তাঁর সরকার ভারতের ইনকাম ট্যাক্স আইনকে নতুনভাবে লিখেছে এবং বিগত ৬০ বছরের মধ্যে এই প্রথমবার হয়েছে। এই ইনকাম ট্যাক্স আইনকে (PM Modi) দেশের জনগণের জন্য অতি সরল করে দেওয়া হয়েছে, যার ফলে এই আইন বুঝতে আর কারও অসুবিধা হচ্ছে না।
    তিনি আরও বলেন যে, যেভাবে সংস্কার চলছে তা আগামী দিনেও চলতে থাকবে। সম্প্রতি তিনি বড় ঘোষণা করেছেন জিএসটি সংস্কারের কথা এবং তা দীপাবলিতেই নয়া উপহার হিসেবে দেশবাসীকে (Indian Economy) দেবেন বলে জানিয়েছেন।

    জিসটি নিয়ে কী বললেন?

    তিনি বলেন যে, নতুন জিএসটিতে অনেক জটিল বিষয় সরল করা হয়েছে। এই নতুন জিএসটির ফলে অনেক জিনিসের দাম কমবে। এর ফলে উৎপাদন শিল্প আরও বাড়বে এবং জনগণের মধ্যে জীবনযাত্রার মানোন্নয়ন হবে। তাঁরা অনেক ভালোভাবেই ব্যবসা করতে পারবেন। নিজের বক্তব্যে প্রধানমন্ত্রী আরও জানিয়েছেন যে, ২০১৭-র পর থেকে মুদ্রাস্ফীতি এখন সবচেয়ে কম চলছে এবং ইন্টারেস্ট রেটও নিয়ন্ত্রণে রয়েছে। ইপিএফও রেজিস্ট্রেশনের মাধ্যমে ২৪ লাখ নয়া ফর্মাল চাকরির ক্ষেত্র তৈরি করা গিয়েছে বলেও তিনি জানিয়েছেন।

    প্রত্যেক মাসে বিনিয়োগকারীরা এসআইপির মাধ্যমে বিনিয়োগ করছেন

    তিনি বলেন যে, প্রত্যেক মাসে বিনিয়োগকারীরা এসআইপির মাধ্যমে বিনিয়োগ করছেন। প্রথমত স্বাধীনতা দিবসে তিনি যে কথা বলেছিলেন, নয়া দিল্লিতে ওয়ার্ল্ড লিডার্স ফোরামেও তিনি একই কথা বলেন এবং জানান যে ‘মেড ইন ইন্ডিয়া’ খুবই জনপ্রিয় হচ্ছে এবং ভারতেই তৈরি হচ্ছে সেমিকন্ডাক্টর চিপ। একইসঙ্গে ৬জি প্রযুক্তির অগ্রগতির নিয়েও তিনি বলেন। নরেন্দ্র মোদি (PM Modi) ২০৪৭ সালের মধ্যে বিকশিত ভারতের কথা বলেন এবং এর ভিত্তি হবে ‘আত্মনির্ভর ভারত’—তাও তিনি জানান।

    ভারতের ‘স্পোর্টস ইকোনমি’ আরও বাড়ছে

    ভারতের ‘স্পোর্টস ইকোনমি’ আরও বাড়ছে বলেও তিনি জানিয়েছেন। একই সঙ্গে ওই মঞ্চ থেকে তিনি প্রাইভেট কোম্পানিগুলিকে আহ্বান জানান কোয়ান্টাম কম্পিউটিং, বায়োটেকনোলজি, ক্লিন এনার্জি, ব্যাটারি স্টোরেজ—এই সমস্ত বিষয়গুলিতে এগিয়ে আসার জন্য। বক্তব্যের একেবারে শেষে প্রধানমন্ত্রী নরেন্দ্র মোদি জানান যে, ভারত সম্পূর্ণ প্রস্তুত বিশ্বের উন্নয়নের সামনের সারিতে থাকার জন্য।

  • S Jaishankar: “ভারতকে আক্রমণ করতে যে যুক্তিগুলি ব্যবহার করা হচ্ছে, সেগুলি চিনের ক্ষেত্রে প্রযোজ্য হয়নি,” পশ্চিমী বিশ্বকে নিশানা জয়শঙ্করের

    S Jaishankar: “ভারতকে আক্রমণ করতে যে যুক্তিগুলি ব্যবহার করা হচ্ছে, সেগুলি চিনের ক্ষেত্রে প্রযোজ্য হয়নি,” পশ্চিমী বিশ্বকে নিশানা জয়শঙ্করের

    মাধ্যম নিউজ ডেস্ক: “ভারতকে আক্রমণ করতে যে যুক্তিগুলি ব্যবহার করা হচ্ছে, সেগুলি চিনের ক্ষেত্রে প্রযোজ্য হয়নি।” ঠিক এই ভাষায়ই পশ্চিমী বিশ্বকে আক্রমণ শানালেন ভারতের বিদেশমন্ত্রী এস জয়শঙ্কর (S Jaishankar)। ইকনমিক টাইমস ওয়ার্ল্ড লিডারশিপ ফোরামে বক্তব্য রাখতে গিয়ে তিনি ভারতের রুশ তেল আমদানিকে সঠিক বলেই সমর্থন করেন। তিনি এদিন ফের একবার সাফ জানিয়ে দেন, ভারত (India) কেবলমাত্র তার জাতীয় স্বার্থে সিদ্ধান্ত নেবে, এমনকি যদি তা অন্য দেশগুলির প্রত্যাশার সঙ্গে সামঞ্জস্যপূর্ণ না-ও হয়, তাহলেও।

    জয়শঙ্করের সাফ কথা (S Jaishankar)

    তিনি বলেন, “যদি মার্কিন যুক্তরাষ্ট্র ও ইউরোপীয় দেশগুলি রাশিয়ার তেল পছন্দ না করে, তবে তাদের উচিত নয় ভারত থেকে সেই পেট্রোকেমিক্যাল পণ্য কেনা, যা রুশ অপরিশোধিত তেল শোধন করে তৈরি হয়।” তিনি জানান, রাশিয়া থেকে তেল কেনার সিদ্ধান্ত ভারতের নিজের স্বার্থে, আবার বৈশ্বিক স্বার্থেও। তিনি বলেন, “শেষ পর্যন্ত আমরা সেই সিদ্ধান্তই নেব, যা জাতীয় স্বার্থে হবে। ভারতের মতো একটি ক্রমবর্ধমান অর্থনীতির জন্য জ্বালানি নিরাপত্তা কোনওভাবেই আপসযোগ্য নয়।”

    বিমাতৃসুলভ আচরণ!

    পশ্চিমী দেশগুলির সমালোচনার জবাবে জয়শঙ্কর বলেন, “ভারতের তেল বাণিজ্যকে আলাদা করে দেখা উচিত নয়। একে তেলের সমস্যা হিসেবে দেখানো হয়, অথচ বিশ্বের সবচেয়ে বড় আমদানিকারক চিনের ক্ষেত্রে একই যুক্তি প্রয়োগ করা হয় না। ভারতকে আক্রমণ করতে যে যুক্তিগুলি ব্যবহার করা হচ্ছে, সেগুলি চিনের ক্ষেত্রে প্রযোজ্য হয়নি।” এর পরেই ভারতের অবস্থান নিয়ে যাঁরা প্রশ্ন তুলছেন, তাঁদের উদ্দেশে ভারতের বিদেশমন্ত্রী বলেন, “আপনারা যদি পছন্দ না করেন, তবে কিনবেন না। কিন্তু ইউরোপও কেনে, আমেরিকাও কেনে। যদি পছন্দ না হয়, আমাদের কাছ থেকে কিনবেন না (S Jaishankar)।” জয়শঙ্কর মনে করিয়ে দেন, ২০২২ সালে যখন বৈশ্বিক তেলের দাম দ্রুত বাড়ছিল, তখন অনেক দেশই ভারতের রাশিয়ান তেল কেনার বিষয়ে কোনও আপত্তি করেনি। কারণ এতে তেলের দাম নিয়ন্ত্রণে রাখতে সাহায্য হয়েছিল (India)। তিনি স্মরণ করিয়ে দিয়ে বলেন, “সেই সময় অনেকে বলেছিল, যদি ভারত রাশিয়ান তেল কিনতে চায়, তাহলে কিনুক, কারণ এতে দামের স্থিতিশীলতা আসবে (S Jaishankar)।”

  • Amit Shah: “সুদর্শন রেড্ডিই মাওবাদীদের সাহায্য করেছিলেন”, ‘ইন্ডি’ জোটের উপরাষ্ট্রপতি প্রার্থীর বিরুদ্ধে তোপ শাহের

    Amit Shah: “সুদর্শন রেড্ডিই মাওবাদীদের সাহায্য করেছিলেন”, ‘ইন্ডি’ জোটের উপরাষ্ট্রপতি প্রার্থীর বিরুদ্ধে তোপ শাহের

    মাধ্যম নিউজ ডেস্ক: ‘ইন্ডি’ জোটের উপরাষ্ট্রপতি প্রার্থী বি সুদর্শন রেড্ডির বিরুদ্ধে মাওবাদীদের সমর্থনের অভিযোগ আনলেন কেন্দ্রীয় স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী অমিত শাহ (Amit Shah)। ২২ অগাস্ট একটি সম্মেলন বক্তব্য রাখতে গিয়ে শাহ অভিযোগ করেন, যদি রেড্ডি বস্তারের আদিবাসী নেতৃত্বাধীন মাওবাদবিরোধী (Naxalism) আন্দোলন ‘সলওয়া জুডুমে’র বিরুদ্ধে রায় না দিতেন, তাহলে ২০২০ সালের মধ্যেই দেশ থেকে নির্মূল হয়ে যেত মাওবাদীদের সন্ত্রাস। তিনি বলেন, “সুদর্শন রেড্ডিই মাওবাদীদের সাহায্য করেছিলেন। তিনি সলওয়া জুডুম বিষয়ে রায় দিয়েছিলেন। যদি সেই রায় না দেওয়া হত, তাহলে ২০২০ সালের মধ্যেই নকশাল সন্ত্রাসের অবসান হয়ে যেত। তিনি সেই মতাদর্শ দ্বারা প্রভাবিত ছিলেন, যার ফলেই সলওয়া জুডুমের রায় দেওয়া হয়েছিল।” ২০১১ সালে সুপ্রিম কোর্টের ‘সলওয়া জুডুম’ সংক্রান্ত রায় প্রসঙ্গে এই মন্তব্য করেন কেন্দ্রীয় স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী।

    কেন্দ্রীয় স্বরাষ্ট্রমন্ত্রীর তোপ (Amit Shah)

    তাঁর মতে, উপরাষ্ট্রপতি পদে প্রার্থী নির্বাচনের কারণে কেরালায় কংগ্রেসের জেতার সম্ভাবনা আরও কমে গিয়েছে। তিনি বলেন, “কেরলের মানুষ অবশ্যই বুঝতে পারবেন যে বামপন্থী দলগুলির চাপে কংগ্রেস এমন একজন প্রার্থীকে দাঁড় করাচ্ছে, যিনি নকশালবাদের পক্ষে ছিলেন এবং সুপ্রিম কোর্টের মতো একটি পবিত্র মঞ্চকে ব্যবহার করেছিলেন।” প্রসঙ্গত, ২০১১ সালের ডিসেম্বর মাসে সুপ্রিম কোর্টের বিচারপতি বি সুদর্শন রেড্ডি ছত্তিশগড়ের বস্তার অঞ্চলে মাওবাদীদের বিরুদ্ধে লড়াইয়ে বিশেষ পুলিশ অফিসার (SPO) বা সালওয়া জুডুম সদস্যদের অন্তর্ভুক্তিকে অসাংবিধানিক ও বেআইনি বলে ঘোষণা করেন। তিনি এ-ও নির্দেশ দেন, জুডুম সদস্যদের অবিলম্বে নিরস্ত্র করতে হবে।

    লাল-সন্ত্রাসবাদের বিরুদ্ধে লড়াইয়ে বড় ধাক্কা

    ‘নন্দিনী সুন্দর ও অন্যান্য বনাম ছত্তিশগড় রাজ্য’ মামলায় সুপ্রিম কোর্টের এই রায়কে তখন রাজ্যের লাল-সন্ত্রাসবাদের বিরুদ্ধে লড়াইয়ে একটি বড় ধাক্কা হিসেবে দেখা হয়। এর ফলে সালওয়া জুডুমের সদস্যরা নিরাপত্তার জন্য অন্যত্র পালিয়ে যেতে বাধ্য হন। সুপ্রিম কোর্টের রায়ের পর তৎকালীন ছত্তিশগড় সরকার রাজ্যে মাওবাদীদের বাড়বাড়ন্ত রুখতে ছত্তিশগড় অক্সিলিয়ারি আর্মড পুলিশ ফোর্স আইন পাশ করে (Naxalism)। প্রসঙ্গত, ২০১৩ সালে মাওবাদীরা ছত্তিশগড়ের ঝিরম ঘাঁটিতে রাজনৈতিক নেতাদের এক কনভয়ে হামলা চালায়। এই হামলায় কংগ্রেসের প্রবীণ নেতা এবং সলওয়া জুডুম  আন্দোলনের অন্যতম প্রধান ব্যক্তিত্ব মহেন্দ্র করমা-সহ দু’ডজনেরও বেশি মানুষ নিহত হন (Amit Shah)।

    আগামী মাসে দেশে উপ-রাষ্ট্রপতি নির্বাচন হওয়ার কথা। এজন্য মনোনয়নপত্র জমা পড়েছে ৬৮টি। এর মধ্যে ১৯ জন প্রার্থীর জমা দেওয়া ২৮টি মনোনয়নপত্র রাষ্ট্রপতি ও উপরাষ্ট্রপতি নির্বাচন আইন, ১৯৫২ অনুযায়ী বাতিল করা হয়েছে। ২০২৫ সালের উপরাষ্ট্রপতি নির্বাচনের রিটার্নিং অফিসার এবং রাজ্যসভার মহাসচিব এক বিবৃতিতে জানিয়েছেন, মোট ২৭ জন প্রার্থীর ৪০টি মনোনয়নপত্র পরীক্ষার জন্য গ্রহণ করা হয়েছে। জানা (Naxalism) গিয়েছে, ৯ সেপ্টেম্বরের ওই নির্বাচনে এনডিএর প্রার্থী হয়েছেন সিপি রাধাকৃষ্ণণ। আর তাঁর প্রধান প্রতিপক্ষ ‘ইন্ডি’ জোটের বি সুদর্শন রেড্ডি (Amit Shah)।

  • Trump Tariffs: ভারতের ওপর চড়া শুল্ক চাপিয়ে এবার নিজের ঘরেই কড়া সমালোচনার মুখে ট্রাম্প

    Trump Tariffs: ভারতের ওপর চড়া শুল্ক চাপিয়ে এবার নিজের ঘরেই কড়া সমালোচনার মুখে ট্রাম্প

    মাধ্যম নিউজ ডেস্ক: ভারতের ওপর ট্রাম্প প্রশাসনের আরোপিত চড়া শুল্কের (Trump Tariffs) কঠোর সমালোচনা করেছেন মার্কিন যুক্তরাষ্ট্রের বিশিষ্ট অর্থনীতিবিদ ও সাবজেক্ট বিশেষজ্ঞরা, যাঁদের ভারত-আমেরিকা কৌশলগত অংশীদারিত্ব বিষয়ে গভীর জ্ঞান রয়েছে। তাঁদের মতে, ভারতের সঙ্গে এই শুল্ক-সংঘর্ষ মার্কিন যুক্তরাষ্ট্রের একটি ‘কৌশলগত ভুল’ (Strategic Blunder)। তাঁরা ডোনাল্ড ট্রাম্পের রাজনৈতিক শিবিরকে অবিলম্বে এই নীতি সংশোধনের আহ্বানও জানিয়েছেন। কারণ ভারত হল এশিয়া ও ইন্দো-প্যাসিফিক অঞ্চলে মার্কিন যুক্তরাষ্ট্রের একটি গুরুত্বপূর্ণ অংশীদার।

    ৫০ শতাংশ শুল্ক আরোপ (Trump Tariffs)

    ভারতীয় পণ্যের ওপর দু’দফায় মোট ৫০ শতাংশ শুল্ক আরোপ করেছেন মার্কিন প্রেসিডেন্ট ডোনাল্ড ট্রাম্প। ট্রাম্প প্রশাসনের এই “ভারত নীতিতে বদল” নিয়ে কড়া বার্তা আসছে স্বদেশি বিশেষজ্ঞদের কাছ থেকেই। একে ট্রাম্প প্রশাসনের জন্য একটি গুরুতর কৌশলগত সংকেত হিসেবে দেখা যেতে পারে, যাতে তারা স্বল্পমেয়াদি ও ভ্রান্ত বক্তৃতার পেছনে না ছুটে, দীর্ঘমেয়াদি ও স্থায়ী ভূ-রাজনৈতিক স্বার্থের জন্য নিজেদের ভ্রম সংশোধন করতে পারে।

    মার্কিন অর্থনীতিবিদের বক্তব্য

    বিশিষ্ট মার্কিন অর্থনীতিবিদ জেফ্রি স্যাকস ভারতের ওপর আরোপিত মার্কিন শুল্ককে “যুক্তরাষ্ট্রের বিদেশনীতির সবচেয়ে নির্বোধ কৌশলগত পদক্ষেপ” বলে সমালোচনা করেছেন। তিনি বলেন, “এটি একটি আত্মঘাতী এবং ক্ষতিকর সিদ্ধান্ত। কারণ ভারত হল এশিয়ায় মার্কিন যুক্তরাষ্ট্রের অন্যতম গুরুত্বপূর্ণ ও মূল্যবান সম্পর্কের দেশগুলির একটি। বৈশ্বিক জোট যখন ইতিমধ্যেই সংকটে রয়েছে, তখন মার্কিন যুক্তরাষ্ট্রের উচিত হয়নি ভারতের মতো ভূ-রাজনৈতিকভাবে গুরুত্বপূর্ণ দেশের সঙ্গে এমন বিপ্রতীপ আচরণ করা।” কলম্বিয়া বিশ্ববিদ্যালয়ের অধ্যাপক জেফ্রি স্যাকস সারা বিশ্বের বহু সরকারের উপদেষ্টা হিসেবে কাজ করেছেন (Trump Tariffs)। ক্রিস্টাল বল ও সাগর এনজেটির ব্রেকিং পয়েন্টস অনুষ্ঠানে এক সাক্ষাৎকারে তিনি বলেন, “ভারতের ওপর এই শুল্ক কোনও কৌশল নয়। এটি নাশকতা।” তাঁর মতে, ভারতের ওপর আরোপিত এই অযৌক্তিক ও বেপরোয়া শুল্ক আমেরিকার অর্থনীতির কোনও উপকারে আসেনি, বরং এটি আরও বেশি করে ব্রিকস (BRICS) দেশগুলিকে ঐক্যবদ্ধ করেছে। তিনি জানান, ট্রাম্প প্রশাসনের শুল্ক আরোপের প্রভাব হিসেবে ২৪ থেকে ৪৮ ঘণ্টার মধ্যেই ব্রিকস দেশগুলির মধ্যে একাধিকবার টেলিফোনে আলাপ-আলোচনা হয়েছিল। তাঁর মতে, মার্কিন প্রশাসনের এই শুল্কনীতির ফলস্বরূপ কোনও অর্থনৈতিক সুফল আসেনি, যেমনটি ট্রাম্প প্রশাসন ভবিষ্যদ্বাণী করেছিলেন। এর ফলে কেবল বিপরীত প্রতিক্রিয়াই তৈরি হয়েছে (Strategic Blunder)।

    ট্রাম্প প্রশাসনের সমালোচনায় মুখর নিকি হ্যালিও

    ট্রাম্প প্রশাসনের সমালোচনা করেছেন রাষ্ট্রসংঘে মার্কিন যুক্তরাষ্ট্রের প্রাক্তন রাষ্ট্রদূত নিকি হ্যালিও। তিনি আমেরিকার শুল্ক নীতির ভারতের ওপর বিরূপ প্রভাব নিয়ে একটি প্রবন্ধও লিখেছেন। সেখানে তিনি বলেছেন, “নয়াদিল্লির সঙ্গে গত ২৫ বছরের অগ্রগতিকে ভেস্তে দেওয়া একটি কৌশলগত বিপর্যয় হবে।” হ্যালি বলেন, “ভারত এশিয়া ও ইন্দো-প্যাসিফিক অঞ্চলের একটি মূল্যবান স্বাধীন ও গণতান্ত্রিক অংশীদার, যা চিনের আধিপত্য মোকাবিলায় অত্যন্ত গুরুত্বপূর্ণ।” তিনি ওয়াশিংটন এবং ডোনাল্ড ট্রাম্পের উদ্দেশে শক্তিশালী কৌশলগত বার্তাও পাঠিয়েছেন। বলেছেন, “ভারতকে প্রতিদ্বন্দ্বী হিসেবে নয়, বরং মিত্র হিসেবে দেখতে হবে। কারণ এশিয়ায় মার্কিন যুক্তরাষ্ট্রের দীর্ঘমেয়াদি কৌশলের জন্য নয়াদিল্লি অত্যন্ত গুরুত্বপূর্ণ (Trump Tariffs)।”

    হ্যালির সাফ কথা

    হ্যালি ট্রাম্প প্রশাসনের সমালোচনাও করেছেন। তাঁর সাফ কথা, “রাশিয়ান তেল কেনার কারণে ভারতের মতো একটি গণতান্ত্রিক দেশকে শাস্তি দেওয়া হলেও, চিনের মতো কর্তৃত্ববাদী শাসনব্যবস্থাকে মার্কিন যুক্তরাষ্ট্রের নিষেধাজ্ঞা থেকে অব্যাহতি দেওয়া হয়েছে, যারা রাশিয়ার কাছ থেকে সবচেয়ে বেশি তেল আমদানি করে।” ট্রাম্প প্রশাসনের এহেন ভণ্ডামিকে ওয়াশিংটনের একটি ‘কৌশলগত বিপর্যয়’ (Strategic Blunder) বলে আখ্যা দিয়েছেন হ্যালি। তাঁর মতে, মার্কিন যুক্তরাষ্ট্রের বিদেশনীতিতে ভারতের ভূ-রাজনৈতিক গুরুত্ব অপরিসীম। হ্যালির ভাষায়, “এশিয়ায় চিনের আধিপত্যের পাল্টা ভারসাম্য রক্ষার একমাত্র দেশ হল ভারত।” তাঁর মতে, এটা বৈশ্বিক শক্তির ভারসাম্য পুনর্গঠন ও বজায় রাখার জন্য অপরিহার্য। হ্যালির সতর্কবার্তা (Trump Tariffs), ‘যদি মার্কিন যুক্তরাষ্ট্র অসচেতনভাবেও সর্বশেষ শুল্ক-সংক্রান্ত দ্বন্দ্বকে আরও গভীর হতে দেয়, তাহলে এটি আমেরিকা-ভারত সম্পর্কে দীর্ঘমেয়াদি ফাটলের সূচনা করবে। এর ফলে ক্ষতিগ্রস্ত হবে মার্কিন যুক্তরাষ্ট্রের ভূ-রাজনৈতিক উচ্চাকাঙ্ক্ষা, শক্তির ভারসাম্য চলে যাবে মার্কিন যুক্তরাষ্ট্রের বিরুদ্ধে।’ হ্যালির প্রস্তাব, ট্রাম্প প্রশাসনকে উচ্চপর্যায়ের আলাপ-আলোচনা এবং কূটনীতির মাধ্যমে ভারত-মার্কিন কৌশলগত অংশীদারিত্বের অবনতির (Strategic Blunder) সর্পিল ধারা বদলে দিতে হবে। তাঁর সাফ কথা, ‘শাস্তিমূলক কোনও পদক্ষেপ কখনওই কোনও সমাধান হতে পারে না (Trump Tariffs)।’

LinkedIn
Share