Tag: India

India

  • India Canada Relation: কানাডাভূমে শক্তি প্রদর্শন হিন্দুদের, প্রতিবাদে শামিল শিখরাও

    India Canada Relation: কানাডাভূমে শক্তি প্রদর্শন হিন্দুদের, প্রতিবাদে শামিল শিখরাও

    মাধ্যম নিউজ ডেস্ক: কানাডাভূমে শক্তি প্রদর্শন হিন্দুদের! রবিবার কানাডার ব্রাম্পটনে হিন্দু সভা মন্দিরে হামলা চালায় (India Canada Relation) খালিস্তানপন্থীরা। এই ঘটনার প্রতিবাদে সোমবার হাজার হাজার ভারতীয় বংশোদ্ভূত মানুষ পথে নামেন। এদিনের (Justin Trudeau) প্রতিবাদ মিছিলে বেশ কিছু শিখকেও হাঁটতে দেখা গিয়েছে। কানাডার প্রধানমন্ত্রী জাস্টিন ট্রুডোর সরকার যে খালিস্তানিদের তোল্লাই দিচ্ছে, তার বিরুদ্ধেই একজোট হয়েছেন কানাডার ভারতীয় বংশোদ্ভূত হিন্দু ও শিখরা।

    হিন্দু জাগরণ! (India Canada Relation)

    এদিন প্রতিবাদীদের একদল যখন রাস্তা অবরোধ করছিলেন, তখন অন্যদল খালিস্তানপন্থীদের আক্রমণের বিরুদ্ধে সুর চড়াচ্ছিলেন। এদিনের এই প্রতিবাদ-যাত্রার আয়োজক ছিল উত্তর আমেরিকার হিন্দুদের সংগঠন কোয়ালিশন অফ হিন্দুজ ইন নর্থ আমেরিকা। এই প্রতিবাদ মিছিলের লক্ষ্যই ছিল, খালিস্তানিদের অযৌক্তিক সহিংসতার মোকাবিলায় ঐক্য ও সাহসিকতার বার্তা দেওয়া। কানাডার সাংবাদিক ড্যানিয়েল বোর্ডম্যান বলেন, “এটি হিন্দু সম্প্রদায়ের জন্য এক ধরনের (India Canada Relation) জাগরণ। আগে কখনও হাজারে হাজারে হিন্দু এমনভাবে পথে নেমে প্রতিবাদ করেনি। খালিস্তানপন্থীরা সীমা অতিক্রম করেছে। আর হিন্দুরা সংগঠিত হয়ে সাড়া দেওয়ার প্রয়োজন অনুভব করেছে।” তিনি জানান, এদিন সব সম্প্রদায়ের মানুষই খালিস্তানপন্থীদের বিরুদ্ধে একজোট হয়েছেন।

    আরও পড়ুন: ‘‘অত্যন্ত উদ্বেগজনক’’, কানাডায় হিন্দু মন্দিরে হামলা প্রসঙ্গে কড়া প্রতিক্রিয়া জয়শঙ্করের

    পুলিশের বিরুদ্ধে পক্ষপাতিত্বের অভিযোগ

    এক্স হ্যান্ডেলে তিনি লেখেন, “আমি হিন্দু সভা মন্দিরে ছিলাম। যেখানে হাজার হাজার হিন্দুদের পাশাপাশি শিখ, ইহুদি, খ্রিস্টান এবং ইরানি সম্প্রদায়ের মানুষ মন্দিরে খালিস্তানপন্থীদের আক্রমণ ও পিল পুলিশের ব্যর্থতার প্রেক্ষিতে হিন্দু সম্প্রদায়ের প্রতি সমর্থন জানাতে এসেছিলেন।” সাংবাদিক মোচা বেজিরগান জানান, খালিস্তানপন্থীদের আক্রমণ ও সরকারের নিষ্ক্রিয়তার বিরুদ্ধে প্রতিবাদ বিক্ষোভ বৃদ্ধি পায়। সড়ক অবরোধ ও যানবাহন ভাঙচুরের মাধ্যমে অশান্ত হয়ে ওঠে ব্রাম্পটন। এদিনের প্রতিবাদে হিন্দু এবং শিখ উভয় সম্প্রদায়ের মানুষই অংশগ্রহণ করেন। পিল পুলিশের বিরুদ্ধে স্লোগানও দেন তাঁরা। পুলিশের বিরুদ্ধে পক্ষপাতিত্বের অভিযোগও তোলেন প্রতিবাদীরা।

    ভারতীয় বংশোদ্ভূত এক প্রতিবাদী বলেন, “শিখরা আমাদের ভাই। খালিস্তানপন্থীরা শিখ নয়। আমার শিখ বন্ধু ও ভাইয়েরা আছেন এবং তাঁরা হিন্দু সম্প্রদায়ের বিরুদ্ধে এই ঘৃণার সঙ্গে যুক্ত নয়। আমি চাই (Justin Trudeau) কানাডাবাসী এটি জানুক।” তিনি বলেন, “একটি মন্দিরে আক্রমণ করা মতপ্রকাশের স্বাধীনতা নয়। আমরা একত্র এবং ঐক্যবদ্ধ (India Canada Relation)।

     

    দেশের খবর, দশের খবর, সব খবর, সবার আগে পেতে ফলো করুন আমাদের  Whatsapp, FacebookTwitter, Telegram এবং Google News পেজ।

  • Ramayana-in-China: চিনের সাহিত্য ও লৌকিক কাহিনিতেও রামভক্ত হনুমানের কথা! কীভাবে জানেন?

    Ramayana-in-China: চিনের সাহিত্য ও লৌকিক কাহিনিতেও রামভক্ত হনুমানের কথা! কীভাবে জানেন?

    মাধ্যম নিউজ ডেস্ক: চিনেও রামায়ণের পদচিহ্ন (Footprints)। পণ্ডিতেরা বৌদ্ধ গ্রন্থে এর স্পষ্ট প্রভাব লক্ষ্য করেছেন। ধর্মীয় প্রভাবের ওপর অনেক দিন ধরে চিনা পণ্ডিতেরা গবেষণার কাজ করছিলেন। ওই দেশের ইতিহাস, শিল্প, লোককাহিনি এবং সাহিত্যে ভারতীয় সংস্কৃতির একটা প্রভাব যে পড়েছে, তা আরও একবার প্রমাণিত হল। চিনের (Ramayana-in-China) বহু শতাব্দীর পুরাতন বৌদ্ধ ধর্মগ্রন্থে রামায়ণের নানা প্রভাব লক্ষ্য করা গিয়েছে। অনেক চিনা পণ্ডিত বলেছেন, চেকার্ড ইতিহাসে ভারতীয় হিন্দু ধর্মের প্রভাব সামনে এসেছে। বিশেষ করে দশরথ এবং হনুমানের প্রভাব ব্যাপকভাবে পড়েছে চিনের সাহিত্যে। আসুন এখন চৈনিক গবেষকদের বক্তব্য শুনে নেওয়া যাক।

    ‘রামায়ণ-এ টাইমলেস গাইড’-শীর্ষক আলোচনাচক্র (Ramayana-in-China)

    শনিবার চিনের (Ramayana-in-China) ভারতীয় দূতাবাসে আয়োজিত ‘রামায়ণ-এ টাইমলেস গাইড’-শীর্ষক আলোচনাচক্র আয়োজিত হয়েছিল। কীভাবে চিনে ভারতীয় ধর্মের প্রভাব পড়েছিল, এই অনুষ্ঠানে সেই বিষয় নিয়ে আলোচনা হয়। রামায়ণ কীভাবে একটি পথ অনুসরণ করে চিন দেশে পৌঁছে প্রভাব বিস্তার করেছে, সেই কথাই এদিন শিল্প এবং সাহিত্যের আঙ্গিকে বিস্তৃত আলোচনা হয়। ইনস্টিটিউট ফর ইন্টারন্যাশনাল অ্যান্ড এরিয়া স্টাডিজের ডিন প্রফেসর ডক্টর জিয়াং জিংকুই বলেন, ধর্ম এবং ধর্মনিরপেক্ষ দেশের মধ্যে একটি মহাকাব্যের আন্তঃসংযোগ হয়েছে। ধর্মীয় এই মিশ্রণের ফলে ভারতীয় রামায়ণের (Footprints) প্রভাব উল্লেখযোগ্যভাবে পড়েছে চিনে। চিনও একই ভাবে রামায়ণের মতো মহাকাব্য দ্বারা প্রভাবিত হয়েছে। তা কেবলমাত্র বৃহৎ চিনা সংস্কৃতির মধ্যে প্রভাব ফেলেনি, একইভাবে জিজাং বা তিব্বতেও প্রভাব ফেলেছে। মহাকাব্য এবং সাধারণ পাঠ্য সাহিত্যের মধ্যে এর প্রভাব পড়েছে ব্যাপকভাবে। আবার চিনের প্রাচীন হান সাংস্কৃতিক পরিমণ্ডলে রামায়ণের প্রত্যক্ষ প্রভাব লক্ষ্য করা গিয়েছে। একই ভাবে বৌদ্ধ ধর্মের নানা গ্রন্থের মধ্যে রামায়ণের প্রভাব পড়েছে।”

    সাহিত্য এবং লোককাহিনিতে হনুমানের প্রভাব

    ডক্টর জিয়াং আরও বলেন, চিনের হান সংস্কৃতির উপর রামায়ণ (Ramayana-in-China) কখনই সম্পূর্ণ আগ্রাসী হয়নি। সবটাই সমন্বয় এবং সংমিশ্রণ হয়েছে।তবে এই মহাকাব্যের কিছু কিছু প্রভাব হীনযান বৌদ্ধ ধর্মগ্রন্থের মধ্যে পড়েছে। এই চিনা গ্রন্থের মধ্যে দশরথ এবং হনুমানের মতো প্রধান চরিত্রগুলি বৌদ্ধ চরিত্র হিসেবে উল্লেখ করা হয়েছে। হনুমান একজন বানর রাজা কিন্তু বৌদ্ধ অষ্টাঙ্গিকমার্গ মেনে চলেন। ফলে রামায়ণের ক্ল্যাসিক্যাল চরিত্রে বৌদ্ধ শীল বা আচার অন্তর্ভুক্ত হয়েছে। সান উকং নামক মানব চরিত্র হলেন বানর রাজা। এই চরিত্র চিনের জনপ্রিয় সাহিত্য এবং লোককাহিনির মধ্যে ব্যাপক ভাবে প্রভাব ফেলেছে।”

    সান উকংয়ের চরিত্র হনুমান থেকেই এসেছে

    আবার চাইনিজ অ্যাকাডেমি অফ সোশ্যাল সায়েন্সেসের ন্যাশনাল ইনস্টিটিউট অফ ইন্টারন্যাশনাল স্ট্র্যাটেজিসের প্রো লিউ জিয়ান বলেন, চিনা পণ্ডিতরা একমত যে চিনের বৌদ্ধ সাহিত্যের প্রধান চরিত্র সান উকুং-এর মধ্যে রামায়ণের হনুমানকে সন্ধান করা যেতে পারে। তবে আবার কেউ কেউ এই চরিত্রকে চিনের ‘দেশীয় চরিত্র’ বলে উল্লেখ করেছেন। তবে চিনা পণ্ডিতেরা একমত যে সান উকংয়ের চরিত্র হনুমান (Ramayana-in-China) থেকেই এসেছে। ফলে সান উকং শুধু ‘চিনের স্বদেশী নিজস্ব’ (Footprints) ভাবনায় পুষ্ট নয়, তা ভারতের মহাকাব্য রামায়ণ দ্বারা অবশ্যই প্রভাবিত। রামায়ণ কেবলমাত্র একটি মহাকাব্য নয়, আদর্শ ব্যক্তিত্ব এবং আদর্শ সামজের গভীর প্রকাশও বটে।”

    বিভিন্ন হিন্দু দেবতার ছবি প্রদর্শন হয়

    সিচুয়ান ইউনিভার্সিটি চয়না সেন্টার ফর সাউথ এশিয়ান স্টাডিজের প্রধান গবেষক প্রফেসর কিউ ইয়াংহুয়াই তাঁর আলোচনায় কোয়ানঝো জাদুঘরে বিভিন্ন হিন্দু দেবতার ছবি প্রদর্শন করেছিলেন। এই যাদুঘর চিনের ফুজিয়ান প্রদেশে রয়েছে। সেই সঙ্গে একজন হিন্দু পুরোহিতের দ্বারা পরিচালিত একটি বৌদ্ধ মন্দিরের ছবিও দেখান। সাংস্কৃতিক প্রবাহ কতটা গভীর, তা বোঝানোর চেষ্টা করেন। তিনি বলেন, “বৌদ্ধ ধর্মের মাধ্যমেই ভারতীয় ধর্ম-চেতনা-দর্শন চিনে বিস্তার লাভ করেছে। বহুমুখী ভারতীয় সংস্কৃতি, চিনের বৌদ্ধ এবং অ-বৌদ্ধ এমন ধর্মে প্রভাব বিস্তার করেছে। রামায়ণের (Ramayana-in-China) পদচিহ্ন খুব স্পষ্টভাবে পড়েছে।”

    আরও পড়ুনঃ নয়াদিল্লির চাপে পড়েই কি ‘বিদ্রোহী’ পুলিশ কর্মীকে সাসপেন্ড করল কানাডা?

    ১৯৮০ সালে সংস্কৃত থেকে প্রথম চিনা ভাষায় রামায়ণ অনুবাদ হয়

    উল্লেখ্য ডক্টর জিয়াং নিজের আলোচনায় সপ্তম শতকের বিখ্যাত চিনা পণ্ডিত জুয়ানজাং ভারতে কীভাবে পরিভ্রমণ করেছিলেন, সেই সূত্রও উল্লেখ করেছেন। নালন্দা বিশ্ববিদ্যালয়ে এই পর্যটক অধ্যয়ন করেছিলেন। ভারতীয় শিক্ষা-আধাত্মকে আত্মস্থ করেছিলেন। ১৯৮০ সালে জি জিয়ানলিন সংস্কৃত থেকে প্রথম চিনা ভাষায় রামায়ণ (Ramayana-in-China) অনুবাদ করেন। প্রায় ২৪০০০ শ্লোকের অনুবাদ করেছিলেন। একইভাবে এদিনের অনুষ্ঠানে চিনে ভারতীয় রাষ্ট্রদূত প্রতীপকুমার রাওয়াত বলেন, “রামায়ণ মানব সভ্যতার প্রাচীনতম কাব্য।” একইভাবে তাইল্যান্ড, ইন্দোনেশিয়ার রাষ্ট্রদূতেরাও তাঁদের দেশে রামায়ণের প্রভাব (Footprints) সম্পর্কে দৃষ্টান্ত দিয়ে উল্লেখ করেন।

     

    দেশের খবর, দশের খবর, সব খবর, সবার আগে পেতে ফলো করুন আমাদের  Whatsapp, FacebookTwitter, Telegram এবং Google News পেজ।

  • India Canada Relation: নয়াদিল্লির চাপে পড়েই কি ‘বিদ্রোহী’ পুলিশ কর্মীকে সাসপেন্ড করল কানাডা?

    India Canada Relation: নয়াদিল্লির চাপে পড়েই কি ‘বিদ্রোহী’ পুলিশ কর্মীকে সাসপেন্ড করল কানাডা?

    মাধ্যম নিউজ ডেস্ক: কানাডায় (Canada) হিন্দু মন্দিরের বাইরে বিক্ষোভ দেখাচ্ছেন খালিস্তানপন্থীরা। বিক্ষোভে শামিল হয়েছিলেন এক পুলিশ কর্মীও। খালিস্তানপন্থীদের হলুদ পতাকা হাতে বিক্ষোভ-আন্দোলনে দেখা গিয়েছে তাঁকে (India Canada Relation)। হিন্দু মন্দিরে হামলার ঘটনায় কানাডা প্রশাসনের তীব্র নিন্দা করেছে ভারত।

    পুলিশ কর্মী সাসপেন্ড (India Canada Relation)

    প্রধানমন্ত্রী জাস্টিন ট্রুডোর দল লিবারেল পার্টির অন্দরেও বিষয়টি নিয়ে জোরদার চর্চা হয়েছে। ঘরে-বাইরে সমালোচনার মুখে পড়ে ওই পুলিশ কর্মীকে সাসপেন্ড করেছে কানাডা প্রশাসন। সাসপেন্ডেড পুলিশ কর্মীর নাম হরিন্দর সোহি। কানাডার পিল অঞ্চলে সার্জেন্ট পদে কর্মরত ছিলেন তিনি। সোহিকে সাসপেন্ড করার কথা জানিয়েছেন পিল অঞ্চলের পুলিশের মুখপাত্র রিচার্ড চিন।

    মন্দিরে হামলায় ছিলেন ওই পুলিশ কর্মীও!

    রবিবার ব্রাম্পটনে হিন্দু সভা মন্দিরে পুজো দিতে গিয়েছিলেন কয়েকজন পুণ্যার্থী। ওই সময় মন্দিরের সামনে অবস্থান বিক্ষোভ দেখাচ্ছিলেন কয়েকজন খালিস্তানপন্থী। বিক্ষোভকারীদের হাতে ছিল খালিস্তানপন্থী সংগঠনের ঝান্ডা, লাঠি। অভিযোগ, ভক্তরা মন্দিরে ঢোকার চেষ্টা করতেই তাঁদের ওপর হামলা চালায় বিক্ষোভকারীরা। মারধর করা হয় পুণ্যার্থীদের। এই ঘটনার ভিডিও প্রকাশ্যে আসে। তাতে দেখা গিয়েছে সোহিকে। খালিস্তানপন্থী পতাকা হাতে (India Canada Relation) তিনিও ছিলেন বিক্ষোভকারীদের মধ্যে।

    আরও পড়ুন: কানাডায় হিন্দু মন্দিরে ‘ইচ্ছাকৃত’ হামলার তীব্র নিন্দা করলেন প্রধানমন্ত্রী, ব্যবস্থা নেওয়ার আহ্বান

    ভিডিওটি প্রকাশ্যে আসতেই হইচই পড়ে যায়। হিন্দু মন্দিরে হামলার ঘটনায় কড়া প্রতিক্রিয়া দেয় নয়াদিল্লি। এর পরেই চাপে পড়ে যায় ট্রুডো সরকার। কানাডা পুলিশের মুখপাত্র রিচার্ড জানান, ভিডিওটি কর্তৃপক্ষের নজরে এসেছে। বিক্ষোভের সময় তিনি কর্তব্যরত অবস্থায় ছিলেন না। কানাডার সম্প্রদায় সুরক্ষা ও পুলিশ আইন অনুসারে তাঁকে সাসপেন্ড করা হয়েছে। ওই দিন ওই মন্দিরে ঠিক কী ঘটেছিল, তা তদন্ত করে দেখা হচ্ছে। এর পর থেকে বিক্ষোভ যাতে শান্তিপূর্ণ থাকে, তা নিশ্চিত করতে আরও বেশি সংখ্যক পুলিশ কর্মী মোতায়েন করা হবে বলেও আশ্বাস দিয়েছে পিল রিজিওনাল পুলিশ।

    ব্রাম্পটনের মেয়র প্যাট্রিক ব্রাউন বলেন, “প্রার্থনাস্থলের সামনে যাতে বিক্ষোভ প্রদর্শন নিষিদ্ধ হয়, তা নিয়ে সিটি কাউন্সিলে শীঘ্রই প্রস্তাব পেশ করা হবে। শহরের সলিসিটরদের বিষয়টি পর্যালোচনা করতেও বলা হয়েছে।” আগামী সিটি কাউন্সিলের বৈঠকে (Canada) এ সংক্রান্ত আইনি ধারার বৈধতা নিয়ে আলোচনা হবে বলেও জানান তিনি (India Canada Relation)।

     

    দেশের খবর, দশের খবর, সব খবর, সবার আগে পেতে ফলো করুন আমাদের  Whatsapp, FacebookTwitter, Telegram এবং Google News পেজ।

     

  • Justin Trudeau: কানাডায় ফের হিন্দু মন্দিরে হামলা খালিস্তানপন্থীদের, চাপে পড়ে নিন্দামন্দ করলেন ট্রুডো!

    Justin Trudeau: কানাডায় ফের হিন্দু মন্দিরে হামলা খালিস্তানপন্থীদের, চাপে পড়ে নিন্দামন্দ করলেন ট্রুডো!

    মাধ্যম নিউজ ডেস্ক: দলের অন্দরে ক্রমেই বাড়ছে ট্রুডো (Justin Trudeau) বিরোধী ক্ষোভ। কানাডার প্রধানমন্ত্রীর পদ থেকে তাঁকে সরাতে গোপন ভোটের দাবি তুলেছেন তাঁরই দল লিবারেল পার্টির বেশ কয়েকজন সাংসদ। দলের অন্দরে বিদ্রোহের জেরে ট্রুডো যখন প্রায় কোণঠাসা, তখনই ফের হামলা হল কানাডার হিন্দু মন্দিরে (Attack On Hindus)। এই দফায় মন্দিরে উপস্থিত ভক্তদের ওপর হামলাও চালায় খালিস্তানপন্থীরা। এর পরেই (পড়ুন চাপে পড়ে) ঘটনার নিন্দা করেছেন কানাডার প্রধানমন্ত্রী জাস্টিন ট্রুডো। ব্রাম্পটনে হিন্দু মন্দিরের এই ঘটনা ‘মেনে নেওয়া যায় না’ বলেই মন্তব্য করেছেন তিনি।

    ফের হিন্দু মন্দিরে হামলা (Justin Trudeau) 

    ব্রাম্পটনে একটি হিন্দু মন্দিরে হামলা হয়। তার পরেই হিন্দু ফোরাম কানাডা এক্স হ্যান্ডেলে ঘটনাটির পুরো ভিডিও শেয়ার করে। ভিডিওতে দেখা যায়, বেশ কয়েকজন খালিস্তানপন্থী হাতে হলুদ ঝান্ডা নিয়ে মন্দির প্রাঙ্গনে গন্ডগোল করছে। কয়েকজনকে আবার লাঠি হাতে ভক্তদের মারধর করতেও দেখা গিয়েছে। ফোরাম লিখেছে, খুবই বিরক্তিকর ছবি। ব্রাম্পটনের হিন্দু সভা মন্দিরে ভক্তদের ওপর হামলা চালিয়েছে খালিস্তানপন্থীরা। এটা মেনে (Justin Trudeau) নেওয়া যায় না।”

    কী বললেন কানাডিয়ান সাংসদ 

    এক্স হ্যান্ডেলে ভারতীয় বংশোদ্ভূত কানাডিয়ান সাংসদ চন্দ্র আর্য লিখেছেন, “কানাডায় খালিস্তানি চরমপন্থীরা সীমা অতিক্রম করেছে। ব্রাম্পটনের হিন্দু সভা মন্দির প্রাঙ্গণে হিন্দু কানাডিয়ান ভক্তদের ওপর খালিস্তানপন্থীদের আক্রমণ দেখিয়ে দিল কানাডায় খালিস্তান সহিংস চরমপন্থা কতটা গভীর ও নির্লজ্জ হয়ে উঠেছে। আমি ভাবতে শুরু করেছি যে এই রিপোর্টের কিছু সত্যতা রয়েছে যে কানাডার রাজনৈতিক ব্যবস্থা ছাড়াও খালিস্তানপন্থীরা কার্যকরভাবে আমাদের আইন প্রয়োগকারী সংস্থাগুলিতে অনুপ্রবেশ করেছে। কানাডায় মত প্রকাশের স্বাধীনতার নামে খালিস্তানি চরমপন্থীরা অবাধে মুক্ত হচ্ছে। এতে অবাক হওয়ার কিছু নেই। আমি দীর্ঘদিন ধরে বলে আসছি, আমাদের সম্প্রদায়ের নিরাপত্তার জন্য হিন্দু-কানাডিয়ানদের এগিয়ে আসতে হবে এবং তাদের অধিকারের জন্য লড়াই করতে হবে এবং রাজনীতিবিদেরও জবাবদিহি করতে হবে।”

    ট্রুডোর ভোলবদল! 

    প্রতিক্রিয়া দিতে গিয়ে এক্স হ্যান্ডেলে ট্রুডো লিখেছেন, “ব্রাম্পটনের হিন্দু সভা মন্দিরে আজকের হিংসার ঘটনাগুলো মেনে নেওয়া যায় না। প্রতিটি কানাডিয়ানের নিজস্ব ধর্ম (Attack On Hindus) পালন করার অধিকার স্বাধীনভাবে ও নিরাপদে রয়েছে (Justin Trudeau)।”

     

  • Sheikh Hasina: “মুক্তিযোদ্ধারা কি এই বাংলাদেশ চেয়েছিলেন?”, জেলহত্যা দিবসে প্রশ্ন শেখ হাসিনার

    Sheikh Hasina: “মুক্তিযোদ্ধারা কি এই বাংলাদেশ চেয়েছিলেন?”, জেলহত্যা দিবসে প্রশ্ন শেখ হাসিনার

    মাধ্যম নিউজ ডেস্ক: “আজকের অবরুদ্ধ বাংলাদেশ কারাগারের অন্ধকারে প্রকোষ্ঠে পরিণত হয়েছে।” মাস তিনেক মুখে কুলুপ এঁটে থাকার পর কথাগুলি বললেন বাংলাদেশের (Bangladesh) প্রাক্তন প্রধানমন্ত্রী দেশছাড়া শেখ হাসিনা (Sheikh Hasina)। রবিবার বাংলাদেশে পালিত হয়েছে জেলহত্যা দিবস।

    কী বললেন হাসিনা (Sheikh Hasina)

    এদিন জারি করা এক বিবৃতিতে হাসিনা বলেন, “স্বাধীনতার পরাজিত শক্তি ও দেশবিরোধী চক্র এই হত্যাকাণ্ডের মাধ্যমে বাংলার মাটি থেকে মুক্তিযুদ্ধের চেতনা, প্রগতিশীল রাজনীতি ও বাংলাদেশ আওয়ামি লীগের নাম চিরতরে মুছে ফেলে মুক্তিযুদ্ধের চেতনা ধ্বংস ও বাঙালি জাতিকে নেতৃত্বশূন্য করার অপচেষ্টা চালিয়েছিল।” তাঁর মতে, কিন্তু তার পরেও সে চেষ্টা ব্যর্থ হয়েছিল। আরও একবার তা হবে। নভেম্বরের ৩ তারিখে গভীর রাতে মুক্তিযুদ্ধের চারজন প্রধান নেতা সৈয়দ নজরুল ইসলাম, তাজউদ্দিন আহমদ, ক্যাপ্টেন এম মনসুর আলি এবং এএইচএম কামারুজ্জামানকে ঢাকা সেন্ট্রাল জেলের একটি প্রকোষ্ঠে নিয়ে এসে বাইরে থেকে এলোপাথাড়ি গুলি করে হত্যা করা হয়।

    দেশছাড়া হাসিনা

    সংরক্ষণকে কেন্দ্র করে ৫ অগাস্ট দেশছাড়া হন হাসিনা। আশ্রয় নিয়েছেন ভারতে। জেলহত্যা দিবস উপলক্ষে তিনি (Sheikh Hasina) লেখেন, “দেশে বিভিন্ন সময়ে স্বাধীনতা-বিরোধীরা ক্ষমতাসীন হয়েছে। স্বাধীনতা-বিরোধী অপশক্তি দেশের গণতান্ত্রিক ধারা ব্যাহত করতে এবং স্বাধীনতার পক্ষের শক্তিকে নিশ্চিহ্ন করতে বারবার হামলা করছে। কিন্তু দিনের শেষে ষড়যন্ত্রকারীরা সফল হয়নি এবং ইতিহাসের আস্তাকুঁড়ে নিক্ষিপ্ত হয়েছে, ভবিষ্যতেও হবে।”

    আরও পড়ুন: গ্রেফতারির পর ‘উধাও’ অন্তর্বাসে প্রতিবাদ জানানো ইরানের তরুণী, কোথায় গেলেন তিনি?

    হাসিনা বলেন, “সময়ের পরিক্রমায় এক দিন সত্য ও ন্যায় প্রতিষ্ঠা হবে। যতদিন বাংলাদেশ থাকবে, ততদিন মুক্তিযুদ্ধের মাধ্যমে অর্জিত বাংলাদেশের চেতনা চির জাগরূক থাকবে।” তাঁর প্রশ্ন, “মুক্তিযোদ্ধারা কি এই বাংলাদেশ চেয়েছিলেন?” তিনি বলেন, “এখন শোক পালনের অধিকার নেই। আমি জাতির পক্ষ থেকে জাতীয় চার নেতার স্মৃতির প্রতি গভীর শ্রদ্ধা নিবেদন করছি।” বাংলাদেশের প্রাক্তন প্রধানমন্ত্রী বলেন, “হত্যাকারীদের বিচারের বদলে দূতাবাসে চাকরি দিয়ে পুরস্কৃত করেছে, রাজনীতি করার সুযোগ করে দিয়েছে। স্বাধীনতা বিরোধী অপশক্তির যে কোনও (Bangladesh) ষড়যন্ত্র ঐক্যবদ্ধভাবে মোকাবিলার জন্য আমাদের প্রস্তুত থাকতে হবে (Sheikh Hasina)।”

     

    দেশের খবর, দশের খবর, সব খবর, সবার আগে পেতে ফলো করুন আমাদের  Whatsapp, FacebookTwitter, Telegram এবং Google News পেজ।

  • Adani Group: বাংলাদেশকে বিদ্যুৎ সরবরাহ বন্ধের জন্য ডেডলাইন বেঁধে দিল আদানি গোষ্ঠী

    Adani Group: বাংলাদেশকে বিদ্যুৎ সরবরাহ বন্ধের জন্য ডেডলাইন বেঁধে দিল আদানি গোষ্ঠী

    মাধ্যম নিউজ ডেস্ক: বকেয়া না পেয়ে বিদ্যুৎ সরবরাহ অর্ধেক করে দিয়েছিল আদানি গোষ্ঠী (Adani Group)। এবার বিদ্যুৎ সরবরাহ বন্ধের জন্য বাংলাদেশকে ডেডলাইন বেঁধে দিল ভারতীয় এই ব্যবসায়িক গোষ্ঠী (Bangladesh)। সংস্থার তরফে সাফ জানিয়ে দেওয়া হয়েছে, ৭ নভেম্বরের মধ্যে বকেয়া না মেটালে বাংলাদেশকে আর বিদ্যুৎ দেওয়া হবে না।

    আঁধারে ডুবতে পারে বাংলাদেশ (Adani Group)

    সংবাদ মাধ্যম সূত্রে খবর, বিদ্যুতের দাম বাবদ বাংলাদেশের থেকে আদানি গোষ্ঠীর পাওনা ৭ হাজার ২০০ কোটি টাকা। সেই বকেয়া না মেটালে বন্ধ করে দেওয়া হবে বিদ্যুৎ সরবরাহ। আর যদি তা হয়, আঁধারে ডুবতে পারে বাংলাদেশ। বকেয়া না মেটানোয় সম্প্রতি বিদ্যুৎ সরবরাহ অর্ধেক করে দিয়েছে গৌতম আদানির সংস্থা। তার পরেই ব্যাপক লোডশেডিং শুরু হয়েছে বাংলাদেশে। এবার বিদ্যুৎ সরবরাহ বন্ধ করে দিলে একেবারেই অন্ধকারে ডুবে যাবে মহম্মদ ইউনূসের দেশ।

    লেটার অফ ক্রেডিটও দিয়েছিল

    বাংলাদেশে সব চেয়ে বেশি বিদ্যুৎ সরবরাহ করে আদানি গোষ্ঠী (Adani Group)। ২০২২ সাল থেকে ভারতীয় এই সংস্থা বিদ্যুৎ বিক্রি করে চলেছে পড়শি দেশকে। সেই বাবদ আদানির সংস্থার প্রাপ্য হয় ৭ হাজার ২০০ কোটি টাকা। এর আগে বকেয়া মেটানোর জন্য বাংলাদেশ বিদ্যুৎ উন্নয়ন পর্ষদকে ৩১ অক্টোবর পর্যন্ত সময়সীমা বেঁধে দিয়েছিল আদানি গোষ্ঠী। সেই সঙ্গে ১ হাজার ৫০০ কোটি টাকার লেটার অফ ক্রেডিটও দিয়েছিল। সেই টাকা কৃষি ব্যাঙ্কের মাধ্যমে লেটার অফ ক্রেডিট দিয়ে মেটানোর কথা থাকলেও, তা দেয়নি বাংলাদেশ। তার জেরে ৩১ অক্টোবর থেকে বাংলাদেশের বিদ্যুৎ সরবরাহ অর্ধেক করে দিয়েছে আদানি পাওয়ার ঝাড়খণ্ড।

    আরও পড়ুন: ইরানে হিজাবের বিরুদ্ধে পোশাক খুলে অন্তর্বাস পরে বিক্ষোভ তরুণীর, শোরগোল মধ্যপ্রাচ্যে

    জানা গিয়েছে, চলতি মাসে প্রতিদিন ৭২৪ মেগাওয়াট বিদ্যুৎ সরবরাহ করা হচ্ছে আদানি গোষ্ঠীর তরফে। অথচ চুক্তি অনুযায়ী, প্রতিদিন বাংলাদেশকে বিদ্যুৎ সরবরাহ করার কথা ছিল ১ হাজার ৪৯৬ মেগাওয়াট। বিদ্যুৎ সরবরাহ কমিয়ে দেওয়ায় চরম বিদ্যুৎ সঙ্কটে ভুগছে বাংলাদেশ। জানা গিয়েছে, গত কয়েক মাস ধরেই ইউনূসের দেশে দিনের অনেকটা সময় বিদ্যুৎ থাকছে না। এবার বিদ্যুৎ সরবরাহ একেবারে বন্ধ করে দিলে (Bangladesh) দেশটি যে অন্ধকারে ডুবে যাবে, তা (Adani Group) বলাই বাহুল্য।

     

    দেশের খবর, দশের খবর, সব খবর, সবার আগে পেতে ফলো করুন আমাদের  Whatsapp, FacebookTwitter, Telegram এবং Google News পেজ।

  • India Canada Relation: শাহকে নিয়ে মন্তব্য, কানাডা দূতাবাসের কূটনীতিককে তলব ভারতের

    India Canada Relation: শাহকে নিয়ে মন্তব্য, কানাডা দূতাবাসের কূটনীতিককে তলব ভারতের

    মাধ্যম নিউজ ডেস্ক: অমিত শাহকে (Amit Shah) নিয়ে কানাডার মন্ত্রীর মন্তব্যের জেরে নয়াদিল্লির কানাডা দূতাবাসের এক কূটনীতিককে তলব করল ভারতের বিদেশমন্ত্রক (India Canada Relation)। কানাডিয়ান মন্ত্রীর দাবি ‘অযৌক্তিক ও ভিত্তিহীন’ বলেও উড়িয়ে দিয়েছে নয়াদিল্লি। কানাডায় খালিস্তানপন্থী বিচ্ছিন্নতাবাদীদের ওপর আক্রমণের নেপথ্যে ভারতের কেন্দ্রীয় স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী অমিত শাহের হাত রয়েছে বলে অভিযোগ করেন কানাডার উপবিদেশমন্ত্রী ডেভিড মরিসন।

    মুখের মতো জবাব রণধীর জয়সওয়ালের (India Canada Relation)

    এক মার্কিন দৈনিকে সাক্ষাৎকার দিতে গিয়ে ওই মন্তব্য করেন তিনি। তার পরেই পদক্ষেপ করল সাউথব্লক। শনিবার ভারতের বিদেশমন্ত্রকের মুখপাত্র রণধীর জয়সওয়াল বলেন, “কানাডার উচ্চপদস্থ কর্তারা ভারতকে অসম্মান ও অন্য দেশকে প্রভাবিত করতে কৌশল হিসেবে আন্তর্জাতিক সংবাদ মাধ্যমের কাছে ভিত্তিহীন ইঙ্গিত করছেন। এমন দায়িত্বজ্ঞানহীন কর্মকাণ্ড দ্বিপাক্ষিক সম্পর্কে প্রভাব ফেলবে।”

    অযৌক্তিক ও ভিত্তিহীন অভিযোগ

    মার্কিন দৈনিকে সাক্ষাৎকার দেওয়ার আগে মঙ্গলবার কানাডিয়ান পার্লামেন্ট কমিটির সামনে মরিসন শাহকে নিয়ে একবার অভিযোগ করেছিলেন। সে প্রসঙ্গে এদিন জয়সওয়াল বলেন, “কানাডার উপবিদেশমন্ত্রী ডেভিড মরিসন কমিটির সামনে কেন্দ্রীয় স্বরাষ্ট্রমন্ত্রীর বিরুদ্ধে যে অভিযোগ করেছেন, তা অযৌক্তিক এবং ভিত্তিহীন। ভারত সরকার এর তীব্র প্রতিবাদ করছে। শুক্রবার ভারতে অবস্থিত (India Canada Relation) কানাডা দূতাবাসের এক প্রতিনিধিকে তলব করা হয়েছে।”

    ১৩ অক্টোবর কানাডা সরকারের তরফে জারি করা এক বিবৃতিতে বলা হয়, হরদীপ সিং নিজ্জর হত্যাকাণ্ডে যাঁদের স্বার্থ জড়িত, সেই তালিকায় কানাডায় নিযুক্ত ভারতীয় হাই কমিশনার সঞ্জয়কুমার বর্মা রয়েছেন। এর পরেই সঞ্জয়-সহ কয়েকজন কূটনীতিককে দেশে ফিরিয়ে আনা হয়। এর পাশাপাশি বিদেশমন্ত্রক অবাঞ্ছিত ঘোষণা করে বহিষ্কার করে কয়েকজন কানাডিয়ান কূটনীতিককে।

    আরও পড়ুন: গেরুয়া নিশান ওড়ানোয় দেশদ্রোহিতার অভিযোগ বাংলাদেশের ১৮ হিন্দুর বিরুদ্ধে

    গত বছর কানাডার একটি গুরুদ্বারের সামনে খালিস্তানপন্থী জঙ্গি নিজ্জরকে গুলি করে খুন করে আততায়ীরা। ওই ঘটনায় ভারতের দিকে অভিযোগের আঙুল তুলেছিলেন কানাডার প্রধানমন্ত্রী জাস্টিন ট্রুডো স্বয়ং। সম্প্রতি তিনি জানান, এই অভিযোগের বিষয়ে তাঁর কাছে কোনও প্রমাণ ছিল না। সেই ঘটনার রেশ মিলিয়ে যাওয়ার আগেই মার্কিন দৈনিকে শাহের বিরুদ্ধে অভিযোগ করেন ট্রুডোরই সতীর্থ। নরেন্দ্র মোদি সরকারের অভিযোগ, কানাডার সাধারণ নির্বাচনে খালিস্তানপন্থী গোষ্ঠীগুলির সমর্থন পাওয়ার জন্য (Amit Shah) ট্রুডো সরকার খুঁচিয়ে তুলছে নিজ্জর হত্যাকাণ্ড বিতর্ক (India Canada Relation)।

     

    দেশের খবর, দশের খবর, সব খবর, সবার আগে পেতে ফলো করুন আমাদের  Whatsapp, FacebookTwitter, Telegram এবং Google News পেজ।

  • GST: দ্বিতীয়বার রেকর্ড গড়ল জিএসটি সংগ্রহের পরিমাণ, কত হল জানেন?

    GST: দ্বিতীয়বার রেকর্ড গড়ল জিএসটি সংগ্রহের পরিমাণ, কত হল জানেন?

    মাধ্যম নিউজ ডেস্ক: চলতি বছরে এ নিয়ে দ্বিতীয়বার রেকর্ড গড়ল জিএসটি (GST) সংগ্রহ। চলতি বছরের অক্টোবরে ভারতে (India) এই প্রত্যক্ষ কর সংগ্রহের পরিমাণ দাঁড়িয়েছে ১.৮৭ লাখ কোটি টাকা। গত বছর অক্টোবরে এর পরিমাণ ছিল ১.৭২ লাখ কোটি টাকা। শতাংশের বিচারে এবার জিএসটি সংগ্রহের পরিমাণ বেড়েছে ৮.৯।

    জিএসটি সংগ্রহের পরিমাণ (GST)

    শুক্রবার অর্থমন্ত্রকের তরফে এই তথ্য জানানো হয়েছে। এর ঠিক এক মাস আগে, সেপ্টেম্বরে জিএসটি সংগ্রহের পরিমাণ ছিল ১.৭৩ কোটি টাকা। ২০২৪ সালের অক্টোবর পর্যন্ত মোট জিএসটি সংগ্রহ ৯.৪ শতাংশ বৃদ্ধি পেয়ে ১২.৭৪ লক্ষ কোটি টাকা হয়েছে। ২০২৩ সালে এই সময় এর পরিমাণ ছিল ১১.৬৪ লাখ কোটি টাকা। সরকারি পরিসংখ্যান অনুযায়ী, অক্টোবর মাসে কেন্দ্রীয় জিএসটি, রাজ্য জিএসটি, ইন্টিগ্রেটেড জিএসটি এবং সেস সংগ্রহের ক্ষেত্রে প্রবৃদ্ধি রেকর্ড করা হয়েছে।

    ব্রেক ডাউনের মধ্যে কী কী রয়েছে

    ব্রেক ডাউনের মধ্যে রয়েছে কেন্দ্রীয় জিএসটি (GST) ৩৩,৮২১ কোটি টাকা, রাজ্য জিএসটি ৪১,৮৬৪ কোটি টাকা, ইন্টিগ্রেটেড জিএসটি ৯৯,১১১  কোটি টাকা এবং সেস ১২,৫৫০ কোটি টাকা অন্তর্ভুক্ত রয়েছে। এই অক্টোবর দ্বিতীয় সেরা জিএসটি সংগ্রহের মাস হিসেবে রেকর্ড করা হয়েছে। কারণ সর্বোচ্চ সংগ্রহ ছিল এপ্রিল মাসে, আদায় হয়েছিল ২.১০ লাখ কোটি টাকারও বেশি।

    আরও পড়ুন: সৌদিকে টপকে ইউরোপের শীর্ষ পরিশোধিত জ্বালানি সরবরাহকারী দেশ এখন ভারত

    রিভিউয়ের মাসে, দেশীয় লেনদেন থেকে জিএসটি ১০.৬ শতাংশ বেড়ে পৌঁছেছে ১.৪২ লাখ কোটি টাকায়। আমদানি কর থেকে রাজস্ব প্রায় ৪ শতাংশ বেড়ে পৌঁছেছে ৪৫,০৯৬ কোটি টাকায়। গোটা মাসে ফেরত দেওয়া হয়েছে ১৯,৩০৬ কোটি টাকা। গত বছরের এই সময়ের তুলনায় ১৮.২ শতাংশ বেশি।

    জানা গিয়েছে, কেন্দ্রীয় জিএসটি ৩৩,৮২১ কোটি টাকা, রাজ্য জিএসটি ৪১,৮৬৪ কোটি টাকা, ইন্টিগ্রেটেড জিএসটি ৯৯,১১১ কোটি টাকা এবং সেস ১২,৫৫০ কোটি টাকা হয়েছে। অক্টোবর ২০২৪-এ জিএসটি সংগ্রহ ছিল (India) দ্বিতীয় সর্বোত্তম মানের। সর্বোচ্চ সংগ্রহ এপ্রিল ২০২৪-এ ছিল ২.১০ লাখ কোটি টাকার বেশি (GST)।

     

    দেশের খবর, দশের খবর, সব খবর, সবার আগে পেতে ফলো করুন আমাদের  Whatsapp, FacebookTwitter, Telegram এবং Google News পেজ।

  • India: সৌদিকে টপকে ইউরোপের শীর্ষ পরিশোধিত জ্বালানি সরবরাহকারী দেশ এখন ভারত

    India: সৌদিকে টপকে ইউরোপের শীর্ষ পরিশোধিত জ্বালানি সরবরাহকারী দেশ এখন ভারত

    মাধ্যম নিউজ ডেস্ক: সৌদি আরবকে দাঁড়িয়ে গোল দিচ্ছে নরেন্দ্র মোদির ভারত (India)! মোদির প্রধানমন্ত্রিত্বের আমলেই বিশ্বের বৃহত্তম দেশের তালিকায় পাঁচ নম্বরে ঠাঁই হয়েছে ভারতের। এই জায়গাটা দীর্ঘদিন দখলে রেখেছিল ব্রিটেন। সেই রানির দেশকে নীচে নামিয়ে ভারত উঠেছে ওপরে। এবার ভারতীয়দের গর্বিত হওয়ার আরও একটি খবর এল। জানা গিয়েছে, সৌদি আরবকে টপকে ইউরোপের শীর্ষ পরিশোধিত জ্বালানি সরবরাহকারী দেশ হয়ে উঠেছে ভারত।

    ‘অক্সিজেন’ জোগাচ্ছে ভারত (India)

    ভারত ব্রিকসের অন্যতম গুরুত্বপূর্ণ সদস্য। সেই দেশই ‘অক্সিজেন’ জোগাচ্ছে ইউরোপকে (Refined Fuel Supplier)। ট্রেড ইন্টেলিজেন্স প্রতিষ্ঠান কেপলারের প্রকাশিত রিপোর্টেই এ খবর জানা গিয়েছে। রাশিয়া-ইউক্রেন যুদ্ধের জেরে রাশিয়ার তেলের ওপর নতুন করে নিষেধাজ্ঞা জারি করেছে পশ্চিমের দেশগুলি। এহেন আবহে ইউরোপ ভারত থেকে পরিশোধিত তেলের আমদানি দিন প্রতি ৩৬০,০০০ ব্যারেল হতে পারে বলে আশা করা হচ্ছে। এই ঘটনায় বৈশ্বিক জ্বালানি বাণিজ্য পথগুলি উল্লেখযোগ্যভাবে পরিবর্তিত হবে বলেই ধারণা ওয়াকিবহাল মহলের।

    বাড়ল আমদানির পরিমাণ

    সৌদি আরব বিশ্বের শীর্ষ তেল উৎপাদকদের মধ্যে একটি দেশ। দশকের পর দশক ধরে তেল বাণিজ্যে একটি গুরুত্বপূর্ণ জায়গা ধরে রেখেছে এই দেশটি। তবে, ইউরোপীয় বাজার থেকে রাশিয়া সরে যাওয়ায় ইউরোপ তার জ্বালানি সরবরাহ নিশ্চিত করতে নতুন বিকল্প খুঁজছে (India)। রাশিয়া-ইউক্রেন যুদ্ধের আগে ইউরোপ ভারতীয় রিফাইনারদের কাছ থেকে প্রতিদিন গড়ে ১,৫৪,০০০ ব্যারেল তেল আমদানি করত। এই সংখ্যাটা এক ধাক্কায় অনেকখানি বেড়ে যায় ইউরোপীয় ইউনিয়ন ৫ ফেব্রুয়ারি রাশিয়ার তেলের ওপর নিষেধাজ্ঞা জারি করায়। আমদানি বেড়েছে দিন পিছু ২,০০,০০০ ব্যারেল। কেপলারের অনুমান, ভারতের রাশিয়ার  তেলের আমদানি আগামী বছরের এপ্রিল মাসের মধ্যে প্রতিদিন ২০ লক্ষ ব্যারেল অতিক্রম করতে পারে, যা ভারতের মোট তেল আমদানির ৪৪ শতাংশ হবে।

    আরও পড়ুন: গেরুয়া নিশান ওড়ানোয় দেশদ্রোহিতার অভিযোগ বাংলাদেশের ১৮ হিন্দুর বিরুদ্ধে

    আন্তর্জাতিক সম্পর্ক বিশেষজ্ঞদের মতে, প্রধানমন্ত্রী নরেন্দ্র মোদী ইউরোপীয় দেশগুলির সঙ্গে সম্পর্ককে শক্তিশালী করার ওপর গুরুত্ব দিয়েছেন। তিনি ভারতকে একটি নির্ভরযোগ্য শক্তি অংশীদার হিসেবে প্রতিষ্ঠিত করেছেন। শক্তি বাণিজ্য যাতে আরও উন্নত করা যায় সেজন্য (Refined Fuel Supplier) দ্বিপাক্ষিক বৈঠকও করে চলেছেন (India) তিনি।

     

    দেশের খবর, দশের খবর, সব খবর, সবার আগে পেতে ফলো করুন আমাদের  Whatsapp, FacebookTwitter, Telegram এবং Google News পেজ।

  • LAC: ভারত-চিন সম্পর্কের বরফ গলল ৪ বছর পর! পূর্ব লাদাখে প্রকৃত নিয়ন্ত্রণ রেখায় টহলদারি শুরু

    LAC: ভারত-চিন সম্পর্কের বরফ গলল ৪ বছর পর! পূর্ব লাদাখে প্রকৃত নিয়ন্ত্রণ রেখায় টহলদারি শুরু

    মাধ্যম নিউজ ডেস্ক: শেষমেশ গলল ভারত-চিন সম্পর্কের বরফ! চার বছরেরও বেশি সময় পর পূর্ব লাদাখে প্রকৃত নিয়ন্ত্রণ রেখা (LAC) বরাবর টহল দেওয়া (Patrolling Begins) শুরু করেছে ভারতীয় ও চিনা সেনারা। ২০২০ সালে গলওয়ানে দুই দেশের মধ্যে সংঘর্ষের ফলে সৃষ্ট সীমান্ত উত্তেজনা কমানোর লক্ষ্যে এটি একটি বড় পদক্ষেপ বলেই ধারণা আন্তর্জাতিক সম্পর্ক বিশেষজ্ঞদের।

    শুরু টহলদারি (LAC)

    বৃহস্পতিবার, দীপাবলি উপলক্ষে মিষ্টি বিনিময়ের মাধ্যমে শুভেচ্ছা জানিয়ে দেপসাং এবং দেমচক এলাকায় সেনারা টহল দেন। মিলিটারি ডিসএনগেজমেন্টের একদিন পর শুরু হয়েছে এই টহলদারি। ২০২০ সালের মে-জুন মাসে প্যাঙ্গং লেক ও গলওয়ান অঞ্চলে সংঘর্ষের পর এই দুই এলাকায় প্রায় সাড়ে চার বছর ধরে টহল বন্ধ ছিল। ভারত-চিনের সেই সংঘর্ষে শহিদ হন ২০ জন ভারতীয় সেনা। দুই দেশের সেনাবাহিনী গত সপ্তাহে টহল সংক্রান্ত একটি চুক্তিতে স্বাক্ষর করেছে। এই চুক্তির লক্ষ্য চার বছরেরও বেশি সময় ধরে সীমান্তে চলা উত্তেজনার অবসান ঘটানো। এই বিচ্ছিন্নতা চুক্তির আওতায় ডেপসাং এবং দামচোক থেকে সৈন্য ও পরিকাঠামো অপসারণ করা হয়। এপ্রিলে ২০২০-র আগের অবস্থানে সৈন্যদের প্রত্যাহারের কথা বলা হয়েছে।

    দীপাবলি

    দীপাবলি উপলক্ষে, গতকাল পাঁচটি জায়গায় যেমন লাদাখের চুশুল মল্ডো এবং দৌলত বেগ ওল্ডি-তে, সৈন্যরা মিষ্টি বিনিময় করেন। সূত্রের খবর, ভারতীয় সেনাবাহিনী এখন দেখছে, চিন চুক্তি অনুসারে সত্যিই তাদের সৈন্য প্রত্যাহার করেছে কি না। ভুল বোঝাবুঝি এড়াতে প্রতিটি পক্ষের স্থল-স্তরের কমান্ডাররা টহল দেওয়ার আগে একে অপরকে অবহিত করবেন (LAC)। দেপসাং ও দেমচকে উভয় পক্ষই নজরদারির বিকল্পগুলি বজায় রাখতে পারবে।

    আরও পড়ুন: বদলে যাচ্ছে জনবিন্যাস! অস্তিত্বের সঙ্কটে হিমাচলি হিন্দুরা, পালটা প্রতিরোধের ডাক

    বৃহস্পতিবারই সেনার তরফে জানানো হয়, দেমচক ও দেপসাংয়ে পূর্ব লাদাখে প্রকৃত নিয়ন্ত্রণরেখা বরাবর এলাকা থেকে সম্পূর্ণভাবে সেনা প্রত্যাহার করেছে দুই দেশ। শুরু হয়েছে স্বাভাবিক নজরদারি। তবে এখনও যেসব সমস্যা রয়েছে, সেগুলো মেটানোর জন্য নিয়মিত আলোচনায় বসবেন দুই দেশের সেনার কমান্ডার পর্যায়ের আধিকারিকরা। সীমান্ত এলাকায় যাতে কোনও (Patrolling Begins) ভুল বোঝাবুঝি না হয়, তাই সেদিকেও নজর রাখবেন তাঁরা (LAC)।

     

    দেশের খবর, দশের খবর, সব খবর, সবার আগে পেতে ফলো করুন আমাদের  Whatsapp, FacebookTwitter, Telegram এবং Google News পেজ।

LinkedIn
Share