Tag: Iran war

  • Saudi Arabia: সৌদি আরবের গুরুত্বপূর্ণ তেল পাইপলাইনে ড্রোন হামলা, নিরাপত্তার কারণে বন্ধ সরবরাহ পথ

    Saudi Arabia: সৌদি আরবের গুরুত্বপূর্ণ তেল পাইপলাইনে ড্রোন হামলা, নিরাপত্তার কারণে বন্ধ সরবরাহ পথ

    মাধ্যম নিউজ ডেস্ক: ইরান যুদ্ধের জেরে মধ্যপ্রাচ্যে উত্তেজনা ক্রমশ বাড়ার মধ্যেই সৌদি আরবের (Saudi Arabia) গুরুত্বপূর্ণ পূর্ব-পশ্চিম তেল পাইপলাইনে ড্রোন হামলার ঘটনা ঘটেছে। হামলার পর সতর্কতামূলক ব্যবস্থা হিসেবে পাইপলাইনটি বন্ধ করে দিয়েছে সৌদি আরব। বিশ্বের অন্যতম (Red Sea Island) গুরুত্বপূর্ণ জ্বালানি সরবরাহপথকে ঘিরে এই হামলার ফলে আন্তর্জাতিক তেলবাজারে নতুন করে উদ্বেগ সৃষ্টি হয়েছে।

    আরব উপদ্বীপের এক প্রান্ত থেকে অন্য প্রান্তে প্রতিদিন লাখ লাখ ব্যারেল অপরিশোধিত তেল পরিবহণ করে এই পাইপলাইন। বৃহস্পতিবার রিয়াদ ও মদিনা অঞ্চলে পাইপলাইনের বিভিন্ন অংশে ড্রোন হামলা চালানো হয়। হামলায় বেশ কয়েকজন জখম হয়েছেন। পাইপলাইনের ক্ষয়ক্ষতির পরিমাণ এখনও নির্ধারণ করা হচ্ছে।

    সৌদি জ্বালানিমন্ত্রকের বক্তব্য (Saudi Arabia)

    সৌদি জ্বালানিমন্ত্রক শুক্রবার জানিয়েছে, একাধিক হামলার পর সতর্কতামূলক ব্যবস্থা হিসেবে পাইপলাইনটি বন্ধ করে দেওয়া হয়েছে। সৌদি বিদেশমন্ত্রকের দাবি, ইরান-সমর্থিত সশস্ত্র গোষ্ঠীগুলির সক্রিয়তার জন্য পরিচিত ইরাকের দিক থেকে একাধিক ড্রোন এসে এই হামলা চালায়। হামলার ফলে মানুষ আহত হয়েছেন এবং সম্পত্তির ক্ষয়ক্ষতি হয়েছে বলেও জানিয়েছে সৌদি সরকার।

    তবে আপাতত পাল্টা হামলার পথে হাঁটেনি সৌদি আরব। সৌদি কর্তৃপক্ষ জানিয়েছেন, ইরাকের প্রধানমন্ত্রী দায়ীদের বিরুদ্ধে ব্যবস্থা নেওয়ার জন্য বাগদাদকে কিছুটা সময় দেওয়ার অনুরোধ করেছিলেন। সেই কারণে এই মুহূর্তে প্রতিক্রিয়া না জানানোর সিদ্ধান্ত নেওয়া হয়েছে।

    সৌদি আরব অবশ্য সতর্ক করে বলেছে, নিজেদের সার্বভৌমত্ব, নিরাপত্তা, স্থাপনা এবং নাগরিকদের সুরক্ষার জন্য প্রয়োজনীয় সমস্ত ব্যবস্থা নেওয়ার অধিকার সৌদি আরবের রয়েছে।

    চাপে রেড-সির পথও

    আটের দশকে নির্মিত প্রায় ১,২০০ কিলোমিটার দীর্ঘ এই পূর্ব-পশ্চিম তেল পাইপলাইন ইরান যুদ্ধের আবহে আরও গুরুত্বপূর্ণ হয়ে উঠেছে। কারণ, এর মাধ্যমে সৌদি আরব হরমুজ প্রণালী এড়িয়ে তেল রফতানি করতে পারে। যুদ্ধের কারণে হরমুজ প্রণালী দিয়ে ট্যাঙ্কার চলাচল মারাত্মকভাবে ব্যাহত হয়েছে।

    পাইপলাইনটি সৌদি আরবের তেল উৎপাদনকারী পূর্বাঞ্চল থেকে লোহিত সাগরের উপকূলে অবস্থিত ইয়ানবু পর্যন্ত বিস্তৃত। ফলে সমুদ্রপথে তেল রফতানির জন্য এটি একটি বিকল্প পথ হিসেবে কাজ করে।

    জাহাজ চলাচল পর্যবেক্ষণকারী সংস্থা এবং বিশ্লেষকদের তথ্য অনুযায়ী, সাম্প্রতিক মাসগুলিতে এই পাইপলাইনের মাধ্যমে প্রতিদিন প্রায় ৪০ লাখ থেকে ৫০ লাখ ব্যারেল তেল পরিবহণ করা হচ্ছিল। যা বিশ্বের মোট তেল সরবরাহের ৪ থেকে ৫ শতাংশের সমান।

    জুনের শুরু নাগাদ ইয়ানবু বন্দর থেকে সৌদি আরবের তেল রফতানি দ্বিগুণেরও বেশি বেড়ে প্রতিদিন ৫০ লাখ ব্যারেলের বেশি হয়েছিল।

    মার্কিন আধিকারিকদের প্রাথমিক মূল্যায়নে জানা গিয়েছে, পাইপলাইনের পাশে থাকা তেল পাম্প করার কেন্দ্রগুলিতে হামলা হয়েছে। উপগ্রহচিত্রে অন্তত একটি পাম্পিং কেন্দ্র থেকে আগুন এবং ঘন কালো ধোঁয়া উঠতে দেখা গিয়েছে। তবে পাইপলাইনের মূল অংশ কতটা ক্ষতিগ্রস্ত হয়েছে এবং মেরামতের কাজ শেষ হতে কত সময় লাগবে, তা এখনও স্পষ্ট নয়।

    ইরাকের মাটি ব্যবহার করে হামলার অভিযোগ

    সৌদি বিদেশমন্ত্রক জানিয়েছে, ইরাকের প্রধানমন্ত্রীর অনুরোধের পর এই পর্যায়ে পাল্টা ব্যবস্থা না নেওয়ার সিদ্ধান্ত নিয়েছে সৌদি আরব।

    ইরাক হামলার তীব্র নিন্দা করেছে। বাগদাদ জানিয়েছে, সৌদি আরব বা প্রতিবেশী দেশগুলির বিরুদ্ধে হামলা চালানোর জন্য ইরাকের ভূখণ্ড বা আকাশসীমা ব্যবহার করতে দেওয়া হবে না।

    ইরাকের প্রধানমন্ত্রীর দফতর আরও জানিয়েছে, তদন্তে হামলার উৎস ইরাক বলে প্রমাণিত হওয়ার পর এক সামরিক কমান্ডারকে পদ থেকে সরিয়ে দেওয়া হয়েছে। ইরাকের নিরাপত্তা সংস্থার দুই আধিকারিকের দাবি, সতর্কতামূলক ব্যবস্থা হিসেবে ইরান সীমান্তের শালামচেহ সীমান্তপথও বন্ধ করে দেওয়ার নির্দেশ দিয়েছে বাগদাদ। একই সঙ্গে হামলার সঙ্গে জড়িতদের খুঁজে বের করতে বড় আকারের অভিযান শুরু হয়েছে।

    লোহিত সাগরের কৌশলগত দ্বীপ দখল হুথিদের

    সৌদি তেল পাইপলাইনে হামলার ঘটনাটি এমন সময় ঘটল, যখন ইরান-সমর্থিত হুথি বিদ্রোহীরা লোহিত সাগরের দক্ষিণ প্রবেশপথে নিজেদের নিয়ন্ত্রণ আরও শক্তিশালী করছে (Saudi Arabia)।

    ইয়েমেন সরকারের সূত্রের দাবি, বাব এল-মান্দেব প্রণালীর কৌশলগতভাবে গুরুত্বপূর্ণ পেরিম দ্বীপ দখল করেছে হুথিরা। এর আগে তারা গুরুত্বপূর্ণ বন্দরনগরী মোচার নিয়ন্ত্রণও নিয়েছিল।

    হরমুজ প্রণালীর মাধ্যমে তেল পরিবহণ ব্যাহত হওয়ার পর বাব এল-মান্দেব প্রণালীর গুরুত্ব অনেক বেড়ে গিয়েছে। যুদ্ধ শুরুর আগে প্রতিদিন প্রায় ২ কোটি ব্যারেল তেল হরমুজ প্রণালী দিয়ে পরিবহণ করা হত, যা বিশ্বের মোট তেল সরবরাহের প্রায় এক-পঞ্চমাংশ। সেই পথ ব্যাহত হওয়ায় সৌদি আরব তার পূর্ব-পশ্চিম পাইপলাইন এবং লোহিত সাগরীয় তেল রফতানির উপর আরও বেশি নির্ভরশীল হয়ে পড়েছে।

    অপরিশোধিত তেলের পরিবহণ

    হুথিদের হামলার আশঙ্কার কারণে বাব এল-মান্দেব দিয়ে সৌদি অপরিশোধিত তেলের পরিবহণ আগেই উল্লেখযোগ্যভাবে কমে গিয়েছিল। এবার আরও বড় ধরনের বিঘ্ন ঘটলে তেলবাহী জাহাজগুলিকে অনেক দীর্ঘ পথ ঘুরে যেতে হতে পারে। এর ফলে পরিবহণের খরচ বাড়বে এবং আন্তর্জাতিক জ্বালানির দামের উপর আরও চাপ তৈরি হবে।

    ইতিমধ্যেই আন্তর্জাতিক বাজারে অপরিশোধিত তেলের দাম ব্যারেলপ্রতি ১০০ মার্কিন ডলারের উপরে উঠে গিয়েছে। মধ্যপ্রাচ্যের গুরুত্বপূর্ণ তেল পরিবহণপথগুলিতে একের পর এক অস্থিরতা তৈরি (Red Sea Island) হলে বিশ্বজুড়ে জ্বালানি সরবরাহ এবং দামের পরিস্থিতি আরও কঠিন হয়ে (Saudi Arabia) উঠতে পারে বলেই ধারণা ওয়াকিবহাল মহলের।

     

  • JD Vance: ‘ইরান যুদ্ধের অগ্রগতি নিয়ে ট্রাম্পকে দেওয়া পেন্টাগনের রিপোর্ট সঠিক নয়’, আশঙ্কা মার্কিন ভাইস প্রেসিডেন্টের

    JD Vance: ‘ইরান যুদ্ধের অগ্রগতি নিয়ে ট্রাম্পকে দেওয়া পেন্টাগনের রিপোর্ট সঠিক নয়’, আশঙ্কা মার্কিন ভাইস প্রেসিডেন্টের

    মাধ্যম নিউজ ডেস্ক: প্রতিরক্ষা সচিব পিট হেগসেথ এবং শীর্ষ সামরিক কর্তাদের ইরান যুদ্ধের (Iran War) অগ্রগতি নিয়ে দেওয়া বিভিন্ন রিপোর্ট সঠিক নয় বলেই আশঙ্কা মার্কিন ভাইস প্রেসিডেন্ট জেডি ভ্যান্সের (JD Vance)। তাঁর মতে, যুদ্ধে আমেরিকার সাফল্য সম্পর্কে পেন্টাগনের অতিরঞ্জিত উপস্থাপন প্রেসিডেন্ট ডোনাল্ড ট্রাম্পকে বিভ্রান্ত করতে পারে। প্রশাসনের অভ্যন্তরীণ এই মতভেদ প্রকাশ করেছে ‘দ্য আটলান্টিক’।

    ভ্যান্সের সন্দেহ (JD Vance)

    প্রতিরক্ষা সচিব পিট হেগসেথ এবং জয়েন্ট চিফস অব স্টাফের চেয়ারম্যান জেনারেল ড্যান কেইনের দাবি, আট সপ্তাহের যুদ্ধে ইরানের বিমানবাহিনী, নৌবাহিনী ও প্রতিরক্ষা ব্যবস্থা ধ্বংস হয়ে গিয়েছে, নিরাপদে রয়েছে মার্কিন যুক্তরাষ্ট্রের অস্ত্রভাণ্ডার। গোপন বৈঠকে ভান্স বারবার এসব দাবির সত্যতা নিয়ে প্রশ্ন তুলেছেন বলে অসমর্থিত সূত্রের খবর। ভ্যান্সের সন্দেহ, আমেরিকার ক্ষেপণাস্ত্র মজুতে বড় ঘাটতি রয়েছে, এ তথ্য লুকিয়ে রেখেছে পেন্টাগন। তিনি ইতিমধ্যেই প্রেসিডেন্ট ট্রাম্পকে জানিয়েছেন, বর্তমান অস্ত্রসঙ্কট ভবিষ্যতে চিন, রাশিয়া এবং উত্তর কোরিয়ার মতো দেশের সঙ্গে সম্পর্ককে প্রভাবিত করবে।

    পেন্টাগনের দাবি

    সেন্টার ফর স্ট্র্যাটেজিক অ্যান্ড ইন্টারন্যাশনাল স্টাডিজের মতে, আমেরিকা ইতিমধ্যেই তার অর্ধেকেরও বেশি ক্ষেপণাস্ত্র ব্যবহার করে ফেলেছে। পেন্টাগনের দাবি, ইরানের সামরিক শক্তি পুরোপুরি ধ্বংস হয়ে গিয়েছে। মার্কিন যুক্তরাষ্ট্র ইরানের আকাশসীমার ওপর পূর্ণ নিয়ন্ত্রণ প্রতিষ্ঠা করেছে এবং তাদের অস্ত্রভাণ্ডার একটুও কমেনি। তবে ভ্যান্স মনে করছেন, বাস্তব পরিস্থিতি সম্পূর্ণ ভিন্ন। গোয়েন্দা রিপোর্টে বলা হয়েছে, ইরান এখনও তার বিমানবাহিনী ও ক্ষেপণাস্ত্র উৎক্ষেপণ ব্যবস্থার দুই-তৃতীয়াংশ ধরে রেখেছে। হরমুজ প্রণালীতে জাহাজ চলাচল ব্যাহত করতে সক্ষম ইরানি নৌযানও এখনও হুমকি হিসেবেই রয়ে গিয়েছে (JD Vance)।

    সমালোচকদের অভিযোগ

    সমালোচকদের অভিযোগ, পেন্টাগন প্রধান পিট হেগসেথ বাস্তব পরিস্থিতি জানানোর বদলে ট্রাম্প যা শুনতে চান, তাই বলেন। প্রতিবেদনে আরও বলা হয়েছে, ফক্স নিউজে কাজের পূর্ব অভিজ্ঞতার কারণে হেগসেথ ট্রাম্পের মনোভাব অনায়াসেই বুঝতে পারেন (Iran War)। ২৮ ফেব্রুয়ারি ‘অপারেশন এপিক ফিউরি’ শুরু হওয়ার আগেই ভ্যান্স ইরানের সঙ্গে যুদ্ধের বিরোধিতা করেছিলেন। তিনি জানিয়েছিলেন, “এতে ব্যাপক প্রাণহানি হবে এবং অঞ্চল অস্থিতিশীল হয়ে পড়বে।” তবে এখন ভ্যান্স অত্যন্ত সতর্কভাবে এগোচ্ছেন, কারণ তিনি প্রেসিডেন্টের সঙ্গে নিজের ভালো সম্পর্ক এবং ২০২৮ সালের রাজনৈতিক ভবিষ্যতের বিষয়টি মাথায় রাখছেন।

    মার্কিন গোয়েন্দা প্রতিবেদনে ইঙ্গিত

    এদিকে, মার্কিন গোয়েন্দা প্রতিবেদনে ইঙ্গিত, ইরানের বিমানবাহিনী ও ক্ষেপণাস্ত্র উৎক্ষেপণ ব্যবস্থা এখনও অনেকটাই অক্ষত রয়েছে। হরমুজ প্রণালীতে নৌ-অভিযান চালানোর ক্ষমতাও রয়েছে ইরানের (JD Vance)। এদিকে, মার্কিন প্রতিরক্ষা সচিব পিট হেগসেথ প্রায় ছ’ঘণ্টাব্যাপী এক শুনানিতে ডেমোক্র্যাট আইনপ্রণেতাদের সঙ্গে তর্কে জড়িয়ে পড়েন। ইরান যুদ্ধ শুরু হওয়ার পর শপথ নিয়ে প্রশ্নের মুখোমুখি হওয়ার এটাই ছিল তাঁর প্রথম উপস্থিতি। বুধবার প্রতিনিধি পরিষদের সশস্ত্র বাহিনী কমিটির সামনে হাজির হন তিনি। তাঁর সঙ্গে ছিলেন জয়েন্ট চিফস অব স্টাফের চেয়ারম্যান জেনারেল ড্যান কেইন এবং প্রতিরক্ষা (Iran War) বিভাগের প্রধান আর্থিক কর্তা জুলস হার্স্ট।

    হেগসেথের বক্তব্য

    উদ্বোধনী বক্তব্যে হেগসেথ বলেন, “আমাদের সবচেয়ে বড় প্রতিপক্ষ হল ডেমোক্র্যাট এবং কিছু রিপাবলিকানের বক্তব্য।” কমিটির ডেমোক্র্যাট সদস্যরা সংঘাতে ফেডারেল অর্থ কীভাবে ব্যয় হচ্ছে, তা নিয়েও প্রশ্ন তোলেন। হার্স্ট জানান, এ পর্যন্ত এই যুদ্ধে আমেরিকার খরচ হয়েছে ২৫ বিলিয়ন ডলার। এর বেশিরভাগটাই ব্যয় হয়েছে গোলাবারুদ এবং সরঞ্জাম প্রতিস্থাপনে। খরচের পুরো হিসেব পরে দেওয়া হবে বলেও তিনি জানান। প্রসঙ্গত, মার্কিন যুক্তরাষ্ট্র ও ইরান শান্তি আলোচনায় বসতে যুদ্ধবিরতিতে রাজি হয়েছে, যদিও সংঘাত আনুষ্ঠানিকভাবে এখনও শেষ হয়নি (JD Vance)।

    প্রতিরক্ষা বাজেট বাড়ানোর দাবি

    অর্থের বিষয়টি শুনানির বড় আলোচ্য বিষয় ছিল। হোয়াইট হাউস কংগ্রেসের কাছে প্রতিরক্ষা বাজেট ১.৫ ট্রিলিয়ন ডলারে উন্নীত করার অনুরোধ করেছে, যা দ্বিতীয় বিশ্বযুদ্ধের পর সামরিক ব্যয়ের ক্ষেত্রে সবচেয়ে বড় বৃদ্ধি (Iran War)। হেগসেথ বলেন, “বাজেট প্রস্তাবটি সময়ের জরুরির বিষয়টি প্রতিফলিত করে।” জেনারেল কেইন বলেন, “১.৫ ট্রিলিয়ন ডলার ভবিষ্যৎ নিরাপত্তার জন্য ঐতিহাসিক অগ্রিম বিনিয়োগ, যা দ্রুত পরিবর্তনশীল প্রযুক্তিতে মার্কিন যুক্তরাষ্ট্রকে এগিয়ে রাখবে।” ডেমোক্র্যাট সদস্যরা প্রায়ই ইরানে মার্কিন সামরিক পদক্ষেপকে কংগ্রেসের অনুমোদন ছাড়া চালানো ‘ব্যয়বহুল পছন্দের যুদ্ধ’ হিসেবে বর্ণনা করেন।

    ক্যালিফোর্নিয়ার ডেমোক্র্যাট জন গারামেন্ডি বলেন, “আপনি প্রথম দিন থেকেই এই যুদ্ধ নিয়ে আমেরিকান জনগণকে মিথ্যে বলে আসছেন, এবং প্রেসিডেন্টও তাই (JD Vance) করেছেন।” তিনি আরও বলেন, “ট্রাম্প পশ্চিম এশিয়ার আর একটি যুদ্ধে একেবারে কাদায় আটকে গিয়েছেন (Iran War)”।

     

  • US Iran War: হরমুজ অবরোধ আমেরিকার! কাদের জাহাজ আটকাবে মার্কিন সেনা? কারা ছাড় পাবে?

    US Iran War: হরমুজ অবরোধ আমেরিকার! কাদের জাহাজ আটকাবে মার্কিন সেনা? কারা ছাড় পাবে?

    মাধ্যম নিউজ ডেস্ক: অবরুদ্ধ হরমুজ। সোমবার ভারতীয় সময় অনুযায়ী, সন্ধ্যা সাড়ে ৭টা থেকেই হরমুজ প্রণালীতে ‘অবরোধ’ শুরু করল আমেরিকা। তবে, ট্রাম্পের সিদ্ধান্তে সায় দেয়নি ব্রিটেন। মার্কিন প্রেসিডেন্ট ডোনাল্ড ট্রাম্প ভেবেছিলেন, ব্রিটেনের প্রধানমন্ত্রী কিয়ের স্টার্মার ইরান যুদ্ধের শুরুতেই নিঃশর্ত সাহায্যের হাত বাড়িয়ে দেবেন। কিন্তু স্টার্মার তাঁর আশা পূরণ করেননি। এবার ট্রাম্পের হরমুজ প্রণালী অবরোধের সিদ্ধান্তেরও বিরোধিতা করল লন্ডন। ব্রিটিশ প্রধানমন্ত্রী জানিয়েছেন, সোমবার বিকেল থেকে হরমুজ অবরোধের যে সিদ্ধান্ত ট্রাম্প নিয়েছেন, তাতে তাঁর সায় নেই, পশ্চিম এশিয়ায় মোতায়েন ব্রিটিশ বাহিনী ইরানের বন্দর অবরোধের অভিযানে শামিল হবে না বলেও স্পষ্ট জানিয়েছেন তিনি।

    কাদের আটাকানো হবে, কারা ছাড় পাবে

    ট্রাম্পের নির্দেশের পর আমেরিকার সেন্ট্রাল কমান্ড সমাজমাধ্যমে একটি বিবৃতি দিয়েছে। তাতে বলা হয়েছে, হরমুজে অবরোধ নিরপেক্ষ ভাবে সকল দেশের উপরেই প্রয়োগ করা হবে। যে সমস্ত জাহাজ ইরানের কোনও না কোনও বন্দরে প্রবেশ করার চেষ্টা করবে বা সেখান থেকে বেরিয়ে আসার চেষ্টা করবে, সেগুলিকেই আটকানো হবে। আরব উপসাগর এবং ওমান উপসাগরের ইরানি বন্দরগুলির ক্ষেত্রেও এই নির্দেশ প্রযোজ্য হবে। তবে ইরানের বন্দরের সঙ্গে কোনও যোগাযোগ না-রেখে যে জাহাজগুলি হরমুজ দিয়ে যাতায়াত করবে, তাদের বাধা দেবে না মার্কিন সেনা। তাদের জলপথে যাতায়াতের স্বাধীনতায় হস্তক্ষেপ করা হবে না।

    ট্রাম্পের নির্দেশ

    মার্কিন বাহিনী জানিয়েছে, অবরোধ শুরুর আগে আনুষ্ঠানিক একটি বিজ্ঞপ্তির মাধ্যমে নাবিকদের বিস্তারিত তথ্য দিয়ে দেওয়া হয়। ট্রাম্প জানিয়েছেন, ইরানকে শুল্ক দিয়ে যে সমস্ত দেশ হরমুজ প্রণালী ব্যবহার করছে, তাদের বিরুদ্ধে তিনি পদক্ষেপ করবেন। সেই ভাবনা থেকেই অবরোধ শুরু করা হচ্ছে। হরমুজ প্রণালী দিয়ে পণ্য পরিবহণের জন্য ইরানকে শুল্ক দেওয়া ‘বেআইনি’ বলে দাবি করেছেন ট্রাম্প। একইসঙ্গে তিনি জানিয়েছেন, আমেরিকা-ইজরায়েলের বিরুদ্ধে সংঘাত শুরুর পর হরমুজের জলে যে মাইন পেতেছিল ইরানের সেনা, সেগুলিও ধ্বংস করার কাজ আমেরিকা শুরু করবে। ট্রাম্পের কথায়, ‘‘যারা বেআইনি শুল্ক দেয়, তাদের কেউ নিরাপদে যাতায়াত করতে পারবে না। আর আমাদের উপর ইরান থেকে কেউ যদি কোনও হামলা করে বা গুলি চালায়, শান্তিপূর্ণ ভাবে যাতায়াতকারী কোনও জাহাজের উপর যদি হামলা হয়, আমরা তাদের নরকে পাঠাব।’’

    ইরানের পাল্টা

    ট্রাম্পের হুঁশিয়ারির পাল্টা দিয়েছে ইরানের রেভলিউশনারি গার্ড বাহিনী। বলা হয়েছে, হরমুজের দিকে কোনও সামরিক জাহাজ যদি এগিয়ে আসে, তা যুদ্ধবিরতির লঙ্ঘন হিসাবে ধরা হবে এবং কঠোর ভাবে তার জবাব দেওয়া হবে। ইরানের পার্লামেন্টের স্পিকার মহম্মদ বাকের কালিবাফ আমেরিকার উদ্দেশে বলেছেন, ‘‘তোমরা যদি যুদ্ধ করো, আমরাও করব। তোমরা যদি যুক্তি নিয়ে এগিয়ে আসো, আমরাও যুক্তি দিয়ে বিবেচনা করব।

  • US Iran War: ইসলামাবাদে ইরান-আমেরিকা সমঝোতা ব্যর্থ, হরমুজ প্রণালী ঘিরে বাড়ছে যুদ্ধের আশঙ্কা

    US Iran War: ইসলামাবাদে ইরান-আমেরিকা সমঝোতা ব্যর্থ, হরমুজ প্রণালী ঘিরে বাড়ছে যুদ্ধের আশঙ্কা

    মাধ্যম নিউজ ডেস্ক: শুরুতেই ব্যর্থ ‘ইসলামাবাদ টক্‌স’ (Islamabad Talk Collapses)। ফলে নতুন করে ইরান বনাম আমেরিকা-ইজরায়েলের যুদ্ধ (US Iran War) বাধা এখন শুধু সময়ের অপেক্ষা বলে মনে করছেন সামরিক বিশ্লেষকদের একাংশ। পশ্চিম এশিয়ার যুদ্ধ থামাতে গত ১১ এপ্রিল ‘ইসলামাবাদ টক্‌স’ আয়োজিত হয় মধ্যস্থতাকারী দেশ পাকিস্তানে। সেখানে যোগ দেন মার্কিন ভাইস প্রেসিডেন্ট জেডি ভান্স ও ইরানি পার্লামেন্টের অধ্যক্ষ মোহাম্মদ বাঘের গালিবাফ। বেশ কিছু ক্ষণ পর শান্তি বৈঠক থেকে বেরিয়ে দু’পক্ষই জানিয়ে দেয় যে আলোচনা ফলপ্রসু হয়নি। পরে এই নিয়ে আলাদা আলাদা করে বিবৃতি দিয়েছেন ভান্স ও গালিবাফ। সেখানে একে অপরের ঘাড়ে দোষ চাপাতে দেখা গিয়েছে তাঁদের।

    বৈঠক ভেঙে যাওয়ার প্রেক্ষাপট

    এই বৈঠককে গত কয়েক সপ্তাহের রক্তক্ষয়ী সংঘর্ষের পর একটি বড় কূটনৈতিক অগ্রগতি হিসেবে দেখা হচ্ছিল। বৈঠক শেষে ভ্যান্স স্পষ্টভাবে জানান, “ইরান আমাদের চূড়ান্ত প্রস্তাব মানতে অস্বীকার করেছে।” অন্যদিকে তেহরানের অভিযোগ—মার্কিন দাবি “অতিরিক্ত” এবং “আন্তর্জাতিক আইনের পরিপন্থী”। ইরানের সঙ্গে আলোচনার জন্য আমেরিকার প্রতিনিধিদলের নেতৃত্বে ছিলেন ভান্স। তা ছাড়াও ইসলামাবাদে গিয়েছিলেন বিশেষ মার্কিন রাষ্ট্রদূত স্টিভ উইটকফ এবং মার্কিন প্রেসিডেন্ট ডোনাল্ড ট্রাম্পের জামাতা জারেড কাশনার। ভান্স তাঁর বিবৃতিতে বলেছেন, ‘‘আমরা কোনও সমঝোতায় পৌঁছোতে পারিনি। এই খবর আমেরিকার চেয়ে ইরানের জন্য বেশি খারাপ। সমঝোতা ছাড়াই আমরা আমেরিকায় ফিরে যাচ্ছি। আমাদের শর্তগুলো খুব পরিষ্কার ভাবে ওঁদের জানিয়েছি, কী আমরা চাই এবং কী চাই না। যতটা সম্ভব স্পষ্ট করেই আমাদের অবস্থান জানিয়েছি। ওরা সেটা মানতে চায়নি।’ বৈঠক চলাকালীন ট্রাম্পের সঙ্গে অনবরত যোগাযোগ রেখেছিলেন ভান্সরা। সাংবাদিকদের প্রশ্নের উত্তরে জানিয়েছেন, ৬ থেকে ১২ বার ট্রাম্পের সঙ্গে তাঁদের ফোনে কথা হয়েছে। ট্রাম্পের বলে দেওয়া প্রস্তাবগুলিই ইরানের সামনে রেখেছিলেন ভান্স। তাতে ইরানের জবাব, তাদের অবস্থান ফোনেই ট্রাম্পকে তিনি জানান। তবে শেষ পর্যন্ত কোনও সুরাহা হল না।

    আলোচনা ভাঙার পিছনে কারণ

    ইসলামাবাদ বৈঠকের ব্যর্থতা শুধু একটি কূটনৈতিক পরাজয় নয়—এটি পুরো পশ্চিম এশিয়ার স্থিতিশীলতাকে প্রশ্নের মুখে ফেলেছে। হরমুজ প্রণালী এখন বিশ্বের সবচেয়ে বিপজ্জনক ‘চোকপয়েন্ট’। যুদ্ধ থামার বদলে পরিস্থিতি আরও জটিল ও অস্থির হয়ে উঠছে। যদিও এখনও আনুষ্ঠানিকভাবে যুদ্ধবিরতি শেষ হয়নি, কিন্তু পরিস্থিতি অত্যন্ত উত্তেজনাপূর্ণ। যে কোনও সময় আবার বড় আকারে হামলা শুরু হতে পারে। ইসলামাবাদে আলোচনা ভেস্তে যাওয়ার বেশ কয়েকটি কারণ রয়েছে।

    পারমাণবিক চুক্তি

    একটি জায়গাতেই ইরান-আমেরিকা (US Iran War) আলোচনা ধাক্কা খেয়েছে বলে ইঙ্গিত দিয়েছেন ভান্স। জানিয়েছেন, ইরানের কাছ থেকে পারমাণবিক বোমা তৈরি না-করার নিশ্চয়তা চান তাঁরা। তা মেলেনি। ভান্সের কথায়, ‘‘সহজ সত্যিটা হল, আমরা ইরানের কাছ থেকে পরমাণু বোমা তৈরি না-করার বিষয়ে একটা ইতিবাচক নিশ্চয়তা চাই। ওদের বলতে হবে যে, ওরা বোমা বানাবে না এবং পরমাণু বোমা তৈরির জন্য প্রয়োজনীয় যন্ত্রপাতি বা উপাদানও হাতে রাখবে না। আমেরিকার প্রেসিডেন্টের মূল লক্ষ্য এটাই। সেই সমঝোতাতেই আমরা পৌঁছোতে চেয়েছি। ভান্সের এই বিবৃতির পর ইরান দাবি করেছে, আমেরিকার অবাস্তব, অযৌক্তিক দাবির কারণেই পাকিস্তানে আয়োজিত বৈঠক ভেস্তে গিয়েছে। মার্কিন যুক্তরাষ্ট্র চেয়েছিল ইরান যেন স্থায়ীভাবে পারমাণবিক অস্ত্র তৈরির সম্ভাবনা ত্যাগ করে। কিন্তু ইরান এটিকে তার সার্বভৌম অধিকারে হস্তক্ষেপ বলে প্রত্যাখ্যান করে।

    হরমুজ প্রণালীর নিয়ন্ত্রণ

    হরমুজ প্রণালী—বিশ্বের প্রায় ২০% তেল পরিবহনের পথ—এই সংঘাতের কেন্দ্রবিন্দু। ইরান দাবি করে, তারা এই প্রণালী দিয়ে চলাচলকারী জাহাজ থেকে টোল আদায় করবে। মার্কিন যুক্তরাষ্ট্র এর সম্পূর্ণ বিরোধিতা করে। মার্কিন প্রেসিডেন্ট ডোনাল্ড ট্রাম্প বৈঠক ব্যর্থ হওয়ার পর ইঙ্গিত দেন, ইরানের ওপর চাপ বাড়াতে “নৌ অবরোধ” (Naval Blockade) ব্যবহার করা হতে পারে। এই পদক্ষেপ বাস্তবায়িত হলে, ইরানের তেল রফতানি পুরোপুরি বন্ধ হয়ে যেতে পারে—যার বড় প্রভাব পড়বে চীন ও ভারতের মতো দেশগুলিতে। বর্তমানে হরমুজ প্রণালী প্রায় বন্ধ। কয়েকটি জাহাজই কেবল ঝুঁকি নিয়ে চলাচল করছে। ইরানের পাতা মাইন (naval mines) বড় বাধা হয়ে দাঁড়িয়েছে।

    লেবানন ইস্যু

    ইরান চেয়েছিল লেবানন-এ হেজবোল্লাহ-র বিরুদ্ধে ইজরায়েল-এর হামলা বন্ধ হোক। কিন্তু যুক্তরাষ্ট্র ও ইজরায়েল জানায়, এটি আলাদা বিষয়—এবং হামলা চলতেই থাকবে।

    বিশ্ব অর্থনীতিতে প্রভাব

    তেলের দাম দ্রুত বাড়ছে। সরবরাহ চেইন ব্যাহত হচ্ছে। বৈশ্বিক মুদ্রাস্ফীতি বাড়ার আশঙ্কা রয়েছে। বিশেষ করে কাতার ও কুয়েত মারাত্মকভাবে ক্ষতিগ্রস্ত, কারণ তারা সম্পূর্ণভাবে এই প্রণালীর ওপর নির্ভরশীল। আলোচনা ভেস্তে যাওয়ায় সম্ভাব্য সামরিক পদক্ষেপগুলি চোখে পড়েতে পারে। বেড়ে যাবে মার্কিন নৌবাহিনীর টহল ও জাহাজ আটক-এর ঘটনা। ইরানের জ্বালানি পরিকাঠামোতে হামলা চালাতে পারে আমেরিকা। ইরানের পক্ষ থেকে প্রক্সি যুদ্ধের বিস্তার ঘটতে পারে।

  • Rajnath Singh: মধ্যপ্রাচ্য থেকে নজর ঘোরাতে পাকিস্তান ভারতের বিরুদ্ধে চক্রান্ত করলে কড়া পদক্ষেপ, হুঁশিয়ারি রাজনাথের

    Rajnath Singh: মধ্যপ্রাচ্য থেকে নজর ঘোরাতে পাকিস্তান ভারতের বিরুদ্ধে চক্রান্ত করলে কড়া পদক্ষেপ, হুঁশিয়ারি রাজনাথের

    মাধ্যম নিউজ ডেস্ক: ইরান ও আমেরিকার মধ্যে সংঘাত চলছে। ফলে সতর্ক এশিয়া মহাদেশের দেশগুলো। এই পরিস্থিতিতে পাকিস্তান যদি ভারতের বিরুদ্ধে কূটকৌশল অবলম্বন করে পদক্ষেপ করতে পিছপা হবে না ভারত। প্রতিবেশী দেশকে স্পষ্ট বার্তা কেন্দ্রীয় প্রতিরক্ষামন্ত্রী রাজনাথ সিংয়ের। বৃহস্পতিবার কেরলের সৈনিক সম্মান সম্মেলনে বক্তব্য রাখার সময় তিনি অত্যন্ত স্পষ্টভাবে জানিয়ে দেন যে, পশ্চিম এশিয়ার উত্তপ্ত পরিস্থিতির ফায়দা তুলে পাকিস্তান যদি ভারতের সীমান্তে কোনও অশান্তি পাকানোর চেষ্টা করে, তবে ভারতের জবাব হবে অভাবনীয় এবং চূড়ান্ত। কেরলে জওয়ানদের সম্মেলনে রাজনাথ (Rajnath Singh) বলেন, ‘‘বর্তমান পরিস্থিতিতে আমাদের প্রতিবেশী কোনও ধরনের কূটকৌশল অবলম্বন করতে পারে। যদি তা হয়, তাহলে ভারতের প্রতিক্রিয়া হবে দৃঢ়, নজিরবিহীন।’’

    কেন এই আগাম হুঁশিয়ারি

    পাকিস্তান কোনও ধরনের কূটকৌশল অবলম্বন করছে কি না সেই বিষয়ে ইঙ্গিত দেননি রাজনাথ। তবে তিনি এই মন্তব্য করলেন এমন সময় যখন, পাকিস্তানের মিডিয়া রিপোর্টে দাবি করা হয়েছিল, ভারত নাকি ইসলামাবাদের বিরুদ্ধে একটি ‘ফলস ফ্ল্যাগ’ অপারেশন পরিকল্পনা করছে। তবে, এই বিষয়ে কোনও প্রমাণ নেই। প্রতিরক্ষা মন্ত্রীর এই বার্তার নেপথ্যে রয়েছে আরও একটি করাণ। গত বছরের এক রক্তাক্ত স্মৃতি। আগামী কয়েক দিনের মধ্যেই ২০২৫ সালের সেই ভয়াবহ পহেলগাঁও হামলার এক বছর পূর্ণ হতে চলেছে। গত বছর ২২ এপ্রিল পহেলগাঁওয়ে লস্কর জঙ্গিদের গুলিতে ২৫ জন পর্যটকের মৃত্যুর পর ভারত যে প্রত্যাঘাত করেছিল, ইতিহাসে তা ‘অপারেশন সিঁদুর’ নামে পরিচিত।

    ভারতের প্রত্যাঘাত মনে রাখা উচিত

    রাজনাথ সিং এদিন অপারেশন সিঁদুর অভিযানের প্রসঙ্গ টেনে পাকিস্তানকে মনে করিয়ে দেন যে, মাত্র ২২ মিনিটের ঝোড়ো আক্রমণে ভারতের বীর সেনারা পাকিস্তানকে হাঁটু গেঁড়ে বসতে বাধ্য করেছিল। তিন দিনব্যাপী সেই অভিযানে পাকিস্তানের ভেতরে থাকা নয়টি জঙ্গি শিবির গুঁড়িয়ে দেওয়ার পাশাপাশি ভারতের সেনারা এমন কিছু গুরুত্বপূর্ণ সামরিক ঘাঁটিতে আঘাত হেনেছিল, যা এখনও মেরামত করে উঠতে পারেনি ইসলামাবাদ। এরপর পাকিস্তন ১০ মে যুদ্ধবিরতির অনুরোধ জানায়। রাজনাথের কথায়, ‘‘উরি আক্রমণের পর সার্জিক্যাল হামলা থেকে অপারেশন সিঁদুর, আমরা সন্ত্রাসবাদের বিরুদ্ধে বারবার প্রত্যাঘাত করেছি। সেই কথা প্রতিবেশী দেশের মনে রাখা উচিত।’’ প্রতিরক্ষা মন্ত্রী এদিন সাফ বলেন, ভারত এখন আর শুধু আত্মরক্ষায় বিশ্বাসী নয়, প্রয়োজনে ঘরের ভেতরে ঢুকে আঘাত করতেও জানে।

    মুখ পুড়েছে পাকিস্তানের

    যদিও মধ্যপ্রাচ্যের সংঘাতে পাকিস্তান নিজেদের মধ্যস্থতাকারী হিসেবে দাবি করেছে। কিন্তু ইরান এই দাবি উড়িয়ে দিয়েছে। এতে মুখ পুড়েছে ইসলামাবাদের। ধারণা করা হচ্ছে, এর থেকে নজর ঘোরাতেই পাকিস্তান কোনও ধরনের প্রক্সি যুদ্ধ বা সীমান্তে প্ররোচনামূলক কাজ করতে পারে—এই আশঙ্কার কথা মাথায় রেখেই রাজনাথ সিং আগাম সতর্কবার্তা দিয়ে রাখলেন। তিনি স্পষ্ট করে দিয়েছেন যে, ‘অপারেশন সিঁদুর’ এখনও শেষ হয়ে যায়নি, অর্থাৎ ভারত সবসময় সতর্ক এবং প্রয়োজনে ফের একইরকম কঠোর পদক্ষেপ নিতে পিছুপা হবে না।

     

     

     

     

  • Iran War: ভরসা সেই ভারতই, তীব্র জ্বালানি সঙ্কট কাটাতে হাত পাতল বাংলাদেশ-মলদ্বীপ-শ্রীলঙ্কা

    Iran War: ভরসা সেই ভারতই, তীব্র জ্বালানি সঙ্কট কাটাতে হাত পাতল বাংলাদেশ-মলদ্বীপ-শ্রীলঙ্কা

    মাধ্যম নিউজ ডেস্ক: বিপদে পড়ে সাধুও কলার খোসা খায়! তেমনই দশা হয়েছে বাংলাদেশ, মলদ্বীপের। মাস কয়েক আগেও ‘ইন্ডিয়া আউট’ স্লোগান দিচ্ছিল (Iran War) যারা, তারাই (Energy Crisis) ফের হাত পাতছে ভারতের কাছে। পশ্চিম এশিয়ায় ইরান যুদ্ধের কারণে জ্বালানি সঙ্কট চরমে। এমতাবস্থায় ভারতের কাছেই হাত পাততে হল বাংলাদেশ এবং মলদ্বীপকে। শ্রীলঙ্কাকেও জ্বালানি দেবে নরেন্দ্র মোদির ভারত। যে ভারতের বিরুদ্ধে এক সময় কুকথা বলেছিল বাংলাদেশের মৌলবাদীরা, বয়কটের ডাক দিয়েছিল ভারতীয় পণ্য, জ্বালানি সঙ্কটের জেরে সেই মোদি সরকারের কাছেই হাত পাততে হল বাংলাদেশ-মলদ্বীপকে। আর ভারত? যাবতীয় তিক্ততা ভুলে গিয়ে সে বাড়িয়ে দিয়েছে সাহায্যের হাত। এটি তার ‘নেবারহুড ফার্স্ট’ নীতির অংশ।

    হরমুজ প্রণালী (Iran War)

    অবশ্য একটি কঠিন সত্য হল, হরমুজ প্রণালী দিয়ে যাওয়া ৯০ শতাংশ অপরিশোধিত তেল এশিয়ার দেশগুলির জন্য নির্ধারিত। এতে পাকিস্তান, বাংলাদেশ, ভারত ও শ্রীলঙ্কার মতো জ্বালানি আমদানি-নির্ভর দেশগুলির দুর্বলতা স্পষ্ট। এই পরিস্থিতিতে ইরান ভারতের “বন্ধু” হিসেবেই চিহ্নিত। তাই তেল এবং এলপিজি  ট্যাঙ্কারগুলিকে হরমুজ প্রণালী দিয়ে চলাচলের অনুমতি দিয়েছে ইরান। যার ফলে স্বস্তিতে নয়াদিল্লি। জানা গিয়েছে, সঙ্কটকালে ভারত ইতিমধ্যেই বিপুল পরিমাণ জ্বালানি পাঠিয়ে দিয়েছে বাংলাদেশ ও শ্রীলঙ্কায়। বিবেচনা করা হচ্ছে মলদ্বীপের অনুরোধও। যদিও ভুটান ও নেপালে জ্বালানি সরবরাহ অব্যাহত রেখেছে নরেন্দ্র মোদির দেশ (Iran War)।

    কী বললেন রণধীর জয়সওয়াল

    ভারতের বিদেশমন্ত্রকের মুখপাত্র রণধীর জয়সওয়াল জানান, ওই দেশগুলি ভারতের কাছে সাহায্য চেয়েছে (Energy Crisis)। অভ্যন্তরীণ চাহিদা ও উৎপাদন বিবেচনা করেই নেওয়া হবে সিদ্ধান্ত। বর্তমানে ভারতের কাছে প্রায় দু’মাসের জ্বালানি মজুদ থাকায় আতঙ্কের পরিস্থিতি নেই। ওয়াকিবহাল মহলের মতে, সঙ্কটকালে দক্ষিণ এশিয়ার জ্বালানি নিরাপত্তায় ভারত অপরিহার্য শক্তি। ইরান-যুদ্ধজনিত সঙ্কটের সব চেয়ে বেশি প্রভাব পড়েছে বাংলাদেশে। দেশটি ৯৫ শতাংশ তেল এবং ৩০ শতাংশ গ্যাস আমদানি করে। গ্যাস সরবরাহ কমে যাওয়ায় বাংলাদেশজুড়ে বিদ্যুৎ বিভ্রাট দেখা দিয়েছে। দেশের অর্থনীতির প্রাণভোমরা টেক্সটাইল ও গার্মেন্টস খাত ডিজেলের অভাবে হুমকির মুখে।

    বাংলাদেশকে সাহায্যের হাত বাড়াল ভারত

    বিদ্যুৎ সাশ্রয়ের জন্য সব বিশ্ববিদ্যালয় বন্ধ রাখা হয়েছে, স্থগিত করা হয়েছে পাঁচটির মধ্যে চারটি রাষ্ট্রায়ত্ত সার কারখানার কাজকর্ম।এই সঙ্কট-পর্বের মোকাবিলা করতে ভারতের সাহায্য চেয়েছে তারেক রহমানের নেতৃত্বাধীন বাংলাদেশ সরকার। ভারত দ্রুত পদক্ষেপ নিয়ে ভারত-বাংলাদেশ ফ্রেন্ডশিপ পাইপলাইনের মাধ্যমে ডিজেল সরবরাহের পরিমাণ বাড়িয়ে দিয়েছে। অসমের নুমালিগড় রিফাইনারি থেকেও জ্বালানি পাঠানো হচ্ছে (Energy Crisis)। জানা গিয়েছে, ১০ মার্চ ভারত বাংলাদেশকে ৫,০০০ টন ডিজেল পাঠিয়েছে। এটি ১৫ বছরের চুক্তির অংশ। পরবর্তী সপ্তাহে আরও ১০,০০০ টন এবং নতুন করে ৭,০০০ টন ডিজেল পাঠানো হচ্ছে। এই সহযোগিতার ঘটনা এমন একটি সময়ে ঘটছে, যখন তারেক রহমানের নেতৃত্বাধীন নয়া সরকার ভারতের সঙ্গে সম্পর্ক পুনর্গঠনের ইঙ্গিত দিয়েছে (Iran War)।

    “বয়কট ইন্ডিয়া” স্লোগান

    ২০২৪ সালের অগাস্টে শেখ হাসিনা ক্ষমতাচ্যুত হওয়ার পর মহম্মদ ইউনূসের অন্তর্বর্তী সরকারের জমানায় তলানিতে পৌঁছয় ভারত-বাংলাদেশের সম্পর্ক। সেই সময় “বয়কট ইন্ডিয়া”-সহ ভারতবিরোধী মনোভাব বেড়ে গিয়েছিল। সেই আবহে পাকিস্তানের সঙ্গে বাংলাদেশের সম্পর্ক হয় গভীর। বিএনপি সরকারের উদ্যোগে অবশ্য ভারতের সঙ্গে সম্পর্কের লেখচিত্র ফের ঊর্ধ্বমুখী। এক বছর আগেও ভারতের কড়া সমালোচক ছিল মলদ্বীপ। এখন জ্বালানি সঙ্কটে পড়ে দ্বারস্থ হয়েছে ভারতের। ২০২৪ সালে প্রেসিডেন্ট মোহাম্মদ মুইজ্জু “ইন্ডিয়া আউট” প্রচারের মাধ্যমে ক্ষমতায় এসে ভারতীয় সেনা প্রত্যাহার করেন এবং চিনের দিকে ঝোঁকেন। তবে বর্তমান সঙ্কটের প্রেক্ষিতে মলদ্বীপ আবার ভারতের কাছে সাহায্য চাইতে বাধ্য হয়েছে। পর্যটননির্ভর অর্থনীতির এই দেশ মধ্যপ্রাচ্যে অশান্তির জেরে ক্ষতিগ্রস্ত হওয়ায় পরিস্থিতি আরও খারাপ হয়েছে (Iran War)। পেট্রোল, ডিজেল ও এলপিজির ঘাটতিতে দৈনন্দিন জীবন প্রায় স্থবির। মলদ্বীপ এখন ভারতের কাছে জ্বালানি সরবরাহের অনুরোধ করেছে, যা বিবেচনা করছে দিল্লি (Energy Crisis)।

    জ্বালানি নিরাপত্তায় ভারতের ভূমিকা

    শ্রীলঙ্কার ক্ষেত্রেও পরিস্থিতি ২০২২ সালের অর্থনৈতিক সংকটের স্মৃতি ফিরিয়ে এনেছে। তখন দেশটি চিনের ওপর নির্ভরশীল হয়ে পড়েছিল এবং ভারতের নিরাপত্তা উদ্বেগ উপেক্ষা করে চিনা জাহাজকে বন্দরে নোঙর করার অনুমতি দেয়। বর্তমান ইরান যুদ্ধ আবারও শ্রীলঙ্কার অর্থনীতিকে নাড়িয়ে দিয়েছে। দেশটি তার ৬০ শতাংশ জ্বালানি আমদানি করে, যার বড় অংশই হরমুজ প্রণালী দিয়ে আসে। সঙ্কটের কারণে জ্বালানির দাম ৩৩ শতাংশ পর্যন্ত বাড়াতে হয়েছে (Iran War)। মার্চের মাঝামাঝি প্রেসিডেন্ট অনুরা কুমারা দিসানায়েকে প্রধানমন্ত্রী নরেন্দ্র মোদিকে ফোন করেন। এর পরেই ভারত দ্রুত ২০,০০০ মেট্রিক টন ডিজেল ও ১৮,০০০ মেট্রিক টন পেট্রোল পাঠায়। দিসানায়েকে বলেন, “ভারতের দ্রুত সহায়তার জন্য আমরা কৃতজ্ঞ।” প্রসঙ্গত, সাম্প্রতিক বছরগুলিতে ভারতের প্রতিবেশী অঞ্চলের পরিস্থিতি অস্থির ছিল। যার প্রমাণ মলদ্বীপে “ইন্ডিয়া আউট” প্রচার বা বাংলাদেশে ভারতবিরোধী শক্তির মাথাচাড়া দেওয়া। কিন্তু ইরান যুদ্ধ ও জ্বালানি সঙ্কট একটি কঠিন বাস্তবতা সামনে এনে দিয়েছে। এটি হল, রাজনৈতিক বক্তব্য নয়, ভৌগোলিক বাস্তবতাই গুরুত্বপূর্ণ (Iran War)। এই বাস্তবতায় (Energy Crisis) দক্ষিণ এশিয়ার জ্বালানি নিরাপত্তায় ভারত এখনও কেন্দ্রীয় ভূমিকা পালন করছে।

  • US Troops: মধ্যপ্রাচ্যে সামরিক উপস্থিতি বাড়াচ্ছে আমেরিকা, মোতায়েন করা হল ৩,৫০০-রও বেশি সেনা

    US Troops: মধ্যপ্রাচ্যে সামরিক উপস্থিতি বাড়াচ্ছে আমেরিকা, মোতায়েন করা হল ৩,৫০০-রও বেশি সেনা

    মাধ্যম নিউজ ডেস্ক: মধ্যপ্রাচ্যে সামরিক উপস্থিতি বাড়াচ্ছে মার্কিন যুক্তরাষ্ট্র (US Troops)। ইরানের সঙ্গে সংঘাত (Iran War) তীব্রতর হওয়ায় ৩,৫০০-রও বেশি সেনা মোতায়েন করা হয়েছে। মার্কিন সেন্ট্রাল কমান্ডের দেওয়া তথ্য অনুযায়ী, প্রায় ২,৫০০ মেরিন-সহ ইউএসএস ট্রিপোলি এখন তার কর্মক্ষেত্রে অবস্থান করছে। এদিকে, পেন্টাগন ইরানে সম্ভাব্য কয়েক সপ্তাহব্যাপী স্থল অভিযানের প্রস্তুতি নিচ্ছে। তবে মার্কিন কর্তাদের উদ্ধৃতি দিয়ে সে দেশের সংবাদ মাধ্যম জানিয়েছে, ডোনাল্ড ট্রাম্প স্থলবাহিনী পাঠানোর অনুমোদন দেবেন কি না, তা এখনও স্পষ্ট নয়।

    ‘বিগ ডেক’ (US Troops)

    ইউএসএস ট্রিপোলি একটি আধুনিক ‘বিগ ডেক’ উভচর জাহাজ, যা এফ-৩৫ স্টেলথ ফাইটার জেট এবং ওস্প্রে বিমান পরিচালনা করতে সক্ষম। এটি আগে জাপানে মোতায়েন ছিল। সপ্তাহ দুয়েক আগে নয়া নির্দেশ পেয়ে এখানে আসে। অতিরিক্ত শক্তিবৃদ্ধি হিসেবে ইউএসএস বক্সার-সহ সান ডিয়েগো থেকে অন্যান্য নৌ ইউনিটও পাঠানো হচ্ছে। সেন্ট্রাল কমান্ডের মতে, ২৮ ফেব্রুয়ারি ‘অপারেশন এপিক ফিউরি’ শুরুর পর থেকে ১১,০০০-রও বেশি টার্গেটে হামলা চালানো হয়েছে, যা বর্তমান সামরিক অভিযানের ব্যাপকতা নির্দেশ করে।

    মার্কিন বিদেশমন্ত্রীর বার্তা

    মার্কিন বিদেশমন্ত্রী মার্কো রুবিও বলেন, “আমেরিকা স্থলবাহিনী মোতায়েন ছাড়াই লক্ষ্য অর্জনের চেষ্টা করছে। তবে পরিস্থিতি বদলালে প্রেসিডেন্ট ট্রাম্পকে প্রস্তুত থাকতে হবে।” উত্তেজনা আরও বেড়ে যায়, যখন ইরান সৌদি আরবের প্রিন্স সুলতান এয়ার বেস লক্ষ্য করে ব্যালিস্টিক ক্ষেপণাস্ত্র ও ড্রোন হামলা চালায়। এতে অন্তত ১০ জন মার্কিন সেনা জখম হন। একই সময়ে ইরান গুরুত্বপূর্ণ হরমুজ প্রণালীর ওপর নিয়ন্ত্রণ বজায় রেখেছে, যা বৈশ্বিক তেল সরবরাহে বড় ধরনের বিঘ্ন ঘটাচ্ছে এবং জ্বালানির দাম বাড়িয়ে দিচ্ছে।

    জটিল হচ্ছে পরিস্থিতি

    পরিস্থিতি আরও জটিল হয়ে উঠেছে ইয়েমেনের ইরান-সমর্থিত হুথি গোষ্ঠীর অংশগ্রহণে, যারা ইজরায়েলের দিকে ক্ষেপণাস্ত্র নিক্ষেপের দায় স্বীকার করেছে। তাদের এই সম্পৃক্ততা গুরুত্বপূর্ণ সমুদ্রপথের নিরাপত্তা নিয়ে উদ্বেগ বাড়িয়েছে, বিশেষ করে বাব এল-মান্দেব প্রণালী, যা সুয়েজ খালের দিকে যাওয়া বৈশ্বিক বাণিজ্যের একটি গুরুত্বপূর্ণ পথ (US Troops)। সংঘাতের কারণে আন্তর্জাতিক নৌপথ ও বিমান চলাচল ব্যাহত হয়েছে। হরমুজ প্রণালী কার্যত বন্ধ থাকায় বিকল্প পথ খুঁজছে বিভিন্ন দেশ (Iran War)। বিশ্লেষকরা সতর্ক করেছেন, হুথিদের আরও হামলা সামুদ্রিক নিরাপত্তায় প্রভাব ফেলতে পারে। যার জেরে বাড়তে পারে বৈশ্বিক জ্বালানির দাম।

    সার্বভৌমত্বের স্বীকৃতির দাবি

    জানা গিয়েছে, কূটনৈতিক প্রচেষ্টা এখনও স্থবির। মার্কিন যুক্তরাষ্ট্রের দূত স্টিভ উইটকফের মাধ্যমে একটি যুদ্ধবিরতির প্রস্তাব দেওয়া হয়েছিল, যার লক্ষ্য ছিল ইরানের পারমাণবিক কর্মসূচি নিয়ন্ত্রণ এবং গুরুত্বপূর্ণ জলপথ ফের খুলে দেওয়া। তবে তেহরান সেই প্রস্তাব প্রত্যাখ্যান করেছে। পাল্টা ক্ষতিপূরণ ও সার্বভৌমত্বের স্বীকৃতির দাবি জানিয়েছে তারা (US Troops)। বস্তুত, সংঘাত কমার কোনও লক্ষণ না থাকায় এবং নতুন একটি পক্ষ যুক্ত হওয়ায়, ক্রমেই (Iran War) বাড়ছে বৃহত্তর আঞ্চলিক অস্থিরতার ঝুঁকি।

     

  • Donald Trump: ইরান যুদ্ধ ও ডোনাল্ড ট্রাম্পের নীতির প্রতিবাদে উত্তাল বিশ্ব, আমেরিকা-ইউরোপে ‘নো কিংস’ বিক্ষোভ

    Donald Trump: ইরান যুদ্ধ ও ডোনাল্ড ট্রাম্পের নীতির প্রতিবাদে উত্তাল বিশ্ব, আমেরিকা-ইউরোপে ‘নো কিংস’ বিক্ষোভ

    মাধ্যম নিউজ ডেস্ক: মার্কিন প্রেসিডেন্ট ডোনাল্ড ট্রাম্পের (Donald Trump) কট্টরপন্থী নীতি এবং ইরানের সঙ্গে ক্রমবর্ধমান যুদ্ধ পরিস্থিতির প্রতিবাদে রাজপথে নেমেছেন লাখ লাখ মানুষ। শনিবার আমেরিকা ও ইউরোপের বিভিন্ন শহরে ‘নো কিংস’ (No Kings) ব্যানারে বিশাল বিক্ষোভ কর্মসূচি পালিত হয়। বিক্ষোভকারীদের অভিযোগ, ট্রাম্প প্রশাসন গণতান্ত্রিক রীতিনীতি উপেক্ষা করে স্বৈরাচারী মনোভাব প্রদর্শন করছে। আমেরিকার ৫০টি রাজ্যেই ৩,১০০টিরও বেশি বিক্ষোভ কর্মসূচি পালিত হয়েছে।

    বিক্ষোভের মূল কারণ (Donald Trump)

    সূত্রের খবর, ইরানের বিরুদ্ধে সামরিক অভিযান (Iran War) এবং মধ্যপ্রাচ্যে যুদ্ধ পরিস্থিতির প্রতিবাদে এই জনরোষ তৈরি হয়েছে। ব্রুস স্প্রিংস্টিন “স্ট্রিটস অফ মিনিয়াপোলিস” গানকে বিক্ষোভের ভাষা হিসেবে ব্যবহার করেন। নিউ ইয়র্ক থেকে শুরু করে আইডাহোর ছোট শহর ড্রিস— সর্বত্রই মানুষ প্ল্যাকার্ড হাতে বিক্ষোভে অংশ নেন। ওয়াশিংটন, বোস্টন, আটলান্টা, শিকাগো এবং লস অ্যাঞ্জেলেসের মতো প্রধান শহরগুলিতেও মিছিল হয়েছে। বিক্ষোভকারীদের হাতে থাকা পোস্টারে ‘গণতন্ত্র রক্ষা করো’ এবং ‘ফ্যাসিবাদ প্রতিরোধ করো’র মতো স্লোগান লেখা দেখা যায়।

    ট্রাম্পের প্রতিক্রিয়া

    বিক্ষোভের মধ্যেই প্রেসিডেন্ট ডোনাল্ড ট্রাম্প (Donald Trump) ফ্লোরিডার মার-এ-লাগো-তে সময় কাটাচ্ছিলেন। বিক্ষোভের প্রতিক্রিয়ায় তিনি সামাজিক যোগাযোগ মাধ্যমে এআই (AI) দ্বারা তৈরি কিছু ভিডিও পোস্ট করেন, যেখানে তাঁকে রাজমুকুট পরিহিত অবস্থায় দেখা গিয়েছে। ট্রাম্প অবশ্য বলেন, আমি কোনও ‘রাজা’ নই, তবুও এই ভিডিওগুলো নিয়ে নতুন করে বিতর্ক সৃষ্টি হয়েছে। বিরোধী ডেমোক্র্যাট নেত্রী ন্যান্সি পেলোসি এবং অন্যরা এই আচরণের তীব্র সমালোচনা করেছেন।

    হোয়াইট হাউসের মুখপাত্র অ্যাবিগেল জ্যাকসন এগুলিকে “বামপন্থী অর্থায়নকারী নেটওয়ার্কের” ফসল বলে সমালোচনা করেছেন। এর প্রতি প্রকৃত জনসমর্থন খুবই কম। তিনি আরও বলেন, “ট্রাম্প (Donald Trump) ডিরেঞ্জমেন্ট থেরাপি সেশনগুলি নিয়েই শুধু মাথা ঘামায়। এই কাজের জন্য প্রচুর পরিমাণে অর্থ খরচ করা হয়।

    আন্তর্জাতিক প্রভাব

    কেবল আমেরিকাই নয়, ইউরোপের বিভিন্ন দেশেও এই প্রতিবাদের ঢেউ আছড়ে পড়েছে। ডেনমার্ক এবং গ্রিনল্যান্ডেও ট্রাম্পের নীতির বিরুদ্ধে বিক্ষোভ হয়েছে। বিশ্লেষকদের মতে, ইরানের (Iran War) সঙ্গে যুদ্ধের কারণে জ্বালানি তেলের মূল্যবৃদ্ধি এবং জীবনযাত্রার ব্যয় বেড়ে যাওয়ায় সাধারণ মানুষের মধ্যে ক্ষোভ চরম পর্যায়ে পৌঁছেছে।

    উল্লেখ্য, ২০২৪ সালে ফের ক্ষমতায় আসার পর ট্রাম্প (Donald Trump)  প্রশাসনের বিরুদ্ধে এটিই সবচেয়ে বড় জনবিক্ষোভ বলে মনে করা হচ্ছে। বিক্ষোভকারীরা স্পষ্ট জানিয়েছেন, তাঁরা যুদ্ধের অবসান চান। চান সংবিধানে বর্ণিত জনগণের অধিকারের সুরক্ষা।

  • US Iran Conflicts: রণাঙ্গন মধ্যপ্রাচ্য! ইরান-ইজরায়েল যুদ্ধের এক মাস পূর্ণ, কী ভাবছে আমেরিকা? কতটা প্রভাব বিশ্বে?

    US Iran Conflicts: রণাঙ্গন মধ্যপ্রাচ্য! ইরান-ইজরায়েল যুদ্ধের এক মাস পূর্ণ, কী ভাবছে আমেরিকা? কতটা প্রভাব বিশ্বে?

    মাধ্যম নিউজ ডেস্ক: ইরান যুদ্ধের (US Iran Conflicts) একমাস পার। ইরান-ইজরায়েল যুদ্ধে (Iran‑Israel War) গোটা মধ্যপ্রাচ্য রণাঙ্গন হয়ে উঠেছে। যুদ্ধের জেরে বিশ্বের ‘তৈলধমনী’ হরমুজ প্রণালী বন্ধ, আকাশসীমা বন্ধের প্রভাব গড়িয়েছে বহু দূর। পরিবেশই বদলে গিয়েছে। আতঙ্কিত যুদ্ধ কবলিত দেশের মানুষজন। যেসব দেশের যুদ্ধের প্রত্যক্ষ প্রভাব নেই, তাঁরা আশঙ্কায়। গত ২৮ মার্চ আমেরিকা ও ইজরায়েল যৌথ হামলায় তেহরানে প্রথম ক্ষেপনাস্ত্র নিক্ষেপ করে। এতেই ইরানের সর্বোচ্চ নেতা খামেনেই-সহ শীর্ষ একাধিক নেতৃত্ব নিহত হন। এই হামলার আসল উদ্দেশ্য ছিল, ইরানে শাসনব্যবস্থার পরিবর্তন ঘটানো। ইরানের শীর্ষ নেতৃত্বকে সরিয়ে একটি পশ্চিমপন্থী সরকার প্রতিষ্ঠা করা। এই হামলার পরিকল্পনা চলছিল গত কয়েক মাস ধরেই। কিন্তু যুদ্ধ শুরুর মাত্র কয়েক দিনের মধ্যেই আমেরিকা ও ইজরায়েল বুঝতে পারে যে, তারা এমন এক প্রতিপক্ষের মুখোমুখি হয়েছে, যারা ডোনাল্ড ট্রাম্প ও নেতানিয়াহুর ধারণার চেয়েও অনেক বেশি সহনশীল ও বিধ্বংসী।

    যুদ্ধের শুরু ও বিস্তার

    ফেব্রুয়ারি ২৮ তারিখে ওয়াশিংটন ও তেল আভিভ যৌথভাবে তেহরান, মিনাবসহ একাধিক শহরে বিমান হামলা শুরু করে। হামলায় নিহত হন ইরানের সর্বোচ্চ নেতা আয়াতোল্লাহ আলি খামেনেই এবং সামরিক ও গোয়েন্দা বিভাগের একাধিক উচ্চপদস্থ কর্মকর্তা। তবে এত বড় আঘাতের পরও তেহরান নতিস্বীকার করেনি। প্রতিশোধে ইরান ইজরায়েল ছাড়াও উপসাগরীয় দেশগুলো—কুয়েত, সংযুক্ত আরব আমিরাত, সৌদি আরব ও জর্ডান—এর দিকে ক্ষেপণাস্ত্র ও ড্রোন হামলা চালায়। আবুধাবিতে ভূপাতিত ড্রোনের ধ্বংসাবশেষে দুজন নিহত হন, আর কুয়েতের শুওয়াইক বন্দরেও হামলার ঘটনা ঘটে। টমাহক ক্ষেপণাস্ত্র, বাঙ্কার-বাস্টার এবং আরও নানা ধরণের মারণাস্ত্রের অবিরাম আঘাতে জর্জরিত হওয়া সত্ত্বেও, ইরান স্বল্পমূল্যের অসংখ্য ক্ষেপণাস্ত্র ও ড্রোন ব্যবহার করে উপসাগরীয় দেশগুলোকে নাজেহাল করে চলেছে এবং হরমুজ প্রণালী অবরোধ করে বিশ্বের জ্বালানি সরবরাহের ওপর নিজেদের পূর্ণ নিয়ন্ত্রণ বজায় রেখেছে।

    হতাহত ও ক্ষয়ক্ষতি

    সংঘর্ষ শুরুর পর থেকে এখন পর্যন্ত ১২টিরও বেশি দেশে প্রায় ৪,৫০০ জন নিহত হয়েছেন, যার মধ্যে ইরানেই মারা গিয়েছেন প্রায় ১,৯০০ জন। লক্ষাধিক মানুষ বাস্তুচ্যুত হয়েছেন। ইরানের দুটি বড় ইস্পাত কারখানা ধ্বংস হয়েছে এবং পারমাণবিক কর্মসূচির সঙ্গে যুক্ত গুরুত্বপূর্ণ স্থাপনাগুলোতেও হামলা চালানো হয়েছে। অন্যদিকে, হিজবুল্লাহ-কে ঘিরে ইজরায়েলের সঙ্গে লেবাননে সংঘর্ষ ছড়িয়ে পড়েছে। সেখানে ১,১০০-র বেশি মানুষ নিহত এবং লক্ষ লক্ষ মানুষ ঘরছাড়া। আমেরিকা-ভিত্তিক একটি মানবাধিকার সংস্থার মতে, ইরানে এ পর্যন্ত ৩,৩০০-এরও বেশি মানুষ নিহত হয়েছেন, যার মধ্যে প্রায় ১,৪০০ জনই সাধারণ নাগরিক।

    মার্কিন ক্ষয়ক্ষতি ও ব্যয়

    মার্কিন প্রতিরক্ষা সচিব পিট হেগসেথ দাবি করেছেন, যুক্তরাষ্ট্র ১০,০০০-র বেশি লক্ষ্যবস্তু ধ্বংস করেছে এবং ইরানের ১৫০টিরও বেশি নৌযান ডুবিয়েছে। প্রাক্তন পেন্টাগন কর্মকর্তা ইলেইন ম্যাককাস্কার-এর মতে, যুদ্ধের প্রথম তিন সপ্তাহেই যুক্তরাষ্ট্রের ক্ষয়ক্ষতির খরচ ১.৪ থেকে ২.৯ বিলিয়ন ডলারের মধ্যে হতে পারে। এখনও পর্যন্ত পরিস্থিতি দেখে মনে হচ্ছে যে, আইআরজিসি এবং অন্যান্য সামরিক ইউনিটগুলো কোনও একক বা কেন্দ্রীয় কমান্ড ছাড়াই তাদের কার্যক্রম পরিচালনা করে যাচ্ছে। কূটনৈতিক আঙিনায় ইরানের বিদেশমন্ত্রী আব্বাস আরাঘচি এবং দেশটির পার্লামেন্টের স্পিকার মহম্মদ বাকের গালিবাফই মূলত নেতৃত্ব দিচ্ছেন বলে জানা গিয়েছে।

    অর্থনৈতিক চাপ ও তেলের বাজার

    ইরান তার কৌশলগত অবস্থান ব্যবহার করে বৈশ্বিক অর্থনীতিতে চাপ সৃষ্টি করছে। স্ট্রেইট অফ হরমুজ—যেখানে দিয়ে বিশ্বের প্রায় ২০% তেল পরিবাহিত হয়—সেখানে জাহাজ চলাচলে বাধা দিয়ে তারা সরবরাহ ব্যাহত করেছে। ফলে আন্তর্জাতিক বাজারে তেলের দাম বেড়ে গিয়েছে। বিশ্ব-বাজারে তেলের দাম ৪০ শতাংশেরও বেশি বেড়ে যাওয়ায় ট্রাম্প শেষমেশ আলোচনার পথে ঝুঁকতে বাধ্য হন। ৬ এপ্রিল পর্যন্ত (মোট ১০ দিন) ইরানের বিদ্যুৎ কেন্দ্রগুলোতে হামলা স্থগিত রাখার ঘোষণা করেন তিনি। এক মাসের মধ্যে এই সংঘাত শুধু আঞ্চলিক নয়, বৈশ্বিক সংকটে পরিণত হয়েছে। সামরিক, মানবিক ও অর্থনৈতিক—সব দিক থেকেই পরিস্থিতি ক্রমশ আরও অনিশ্চিত হয়ে উঠছে।

    যুদ্ধের বর্তমান পরিস্থিতি

    মার্কিন প্রেসিডেন্ট ডোনাল্ড ট্রাম্প বলেছেন, শান্তি আলোচনা “ভালোই এগোচ্ছে।” তবে ইরান মার্কিন প্রস্তাবকে “একপাক্ষিক ও অন্যায্য” বলে প্রত্যাখ্যান করেছে। তাদের দাবির মধ্যে রয়েছে স্ট্রেইট অব হরমুজে পূর্ণ সার্বভৌমত্ব এবং যুদ্ধের ক্ষতিপূরণ। এদিকে, ইজরায়েলের প্রতিরক্ষামন্ত্রী স্পষ্ট জানিয়েছেন, ইরানের বিরুদ্ধে হামলায় কোনওরকম শিথিলতা আসবে না। যুদ্ধে ব্যাপক ক্ষয়ক্ষতি হলেও ইরান এখনও অদম্য মনোবলে বলীয়ান। তেহরান বারবার জোর দিয়ে বলেছে যে, এই যুদ্ধের সমাপ্তি ঘটবে একমাত্র তাদের শর্তেই। এই ঘোষণার সঙ্গে সাদুর্য রেখে তারা যুদ্ধবিরতির লক্ষ্যে গোপন বা ‘ব্যাক-চ্যানেল’ আলোচনাও শুরু করেছে। তবে এই আপাত শান্তির আড়ালেই লুকিয়ে আছে ইরানে মার্কিন স্থল অভিযানের এক ভয়াবহ আশঙ্কা। যার প্রস্তুতি হিসেবে হাজার হাজার মেরিন সেনা ও প্যারাট্রুপার ইতিমধ্যেই মধ্য এশিয়ার দিকে এগিয়ে আসছে।

    ভারতের কৌশলগত অবস্থানের দিকে তাকিয়ে বিশ্ব

    মধ্যপ্রাচ্যে যুদ্ধের কালো মেঘ ঘনিয়ে আসতেই বিশ্ব রাজনীতির মানচিত্রে ফের একবার উজ্জ্বল হয়ে উঠেছে ভারতের নাম। সূত্রের খবর, ইরান ও ইজরায়েলের মধ্যে সম্ভাব্য পূর্ণাঙ্গ যুদ্ধ রুখতে এবার সরাসরি প্রধানমন্ত্রী নরেন্দ্র মোদির সঙ্গে টেলিফোনে দীর্ঘ আলোচনা করেছেন আমেরিকার প্রেসিডেন্ট ডোনাল্ড ট্রাম্প। নিউ ইয়র্ক টাইমসের খবর অনুযায়ী, মোদি ও ট্রাম্পের এই অতি গুরুত্বপূর্ণ ফোনালাপে যোগ দিয়েছিলেন বিশ্বের ধনীতম ব্যক্তি তথা ট্রাম্পের ঘনিষ্ঠ সহযোগী ইলন মাস্কও। ২০২৬-এর এই উত্তাল সময়ে দাঁড়িয়ে বিশ্বশান্তি ফেরাতে মোদি-ট্রাম্প-মাস্ক ত্রয়ীর এই ‘কানেকশন’ এক নয়া সমীকরণের ইঙ্গিত দিচ্ছে। সংবাদ সংস্থা সূত্রে খবর, ইরান-ইজরায়েল সংঘাত যাতে কোনওভাবেই নিয়ন্ত্রণের বাইরে না যায়, সে বিষয়ে মোদির পরামর্শ চেয়েছেন ট্রাম্প। ভারতের কৌশলগত অবস্থান ও ইরানের সঙ্গে দিল্লির সুসম্পর্ককে কাজে লাগিয়ে যুদ্ধের আগুন নেভাতে মরিয়া আমেরিকা। রাজনৈতিক বিশ্লেষকদের মতে, ইরান সংকটে ভারতের মধ্যস্থতা এখন বিশ্বের কাছে সবথেকে বড় ভরসা। প্রধানমন্ত্রী মোদি আগেই ‘টিম ইন্ডিয়া’র আদলে বিশ্বব্যাপী সমন্বিত প্রয়াসের কথা বলেছিলেন, এবার ট্রাম্পের সঙ্গে এই কথা সেই পথকেই আরও প্রশস্ত করল।

LinkedIn
Share