Tag: Jadavpur University

Jadavpur University

  • Bengal Assembly Election 2026: অশান্তি পাকানো হতে পারে! যাদবপুর, কলকাতা, আলিয়ার ছাত্রাবাসে কড়া নজর কমিশনের

    Bengal Assembly Election 2026: অশান্তি পাকানো হতে পারে! যাদবপুর, কলকাতা, আলিয়ার ছাত্রাবাসে কড়া নজর কমিশনের

    মাধ্যম নিউজ ডেস্ক: পশ্চিমবঙ্গে (Bengal Assembly Election 2026) বিধানসভা নির্বাচনের দ্বিতীয় দফার ভোটগ্রহণকে কেন্দ্র করে নিরাপত্তা ব্যবস্থা আরও জোরদার করল নির্বাচন কমিশন (Election Commission India)। অবাধ ও শান্তিপূর্ণ নির্বাচন নিশ্চিত করতে এবার বিশ্ববিদ্যালয়ের হস্টেলগুলোতে কড়া নজরদারি ও বিশেষ তল্লাশি চালানোর নির্দেশ দেওয়া হয়েছে। কমিশনের বিশেষ নজরে রয়েছে যাদবপুর বিশ্ববিদ্যালয়, কলকাতা বিশ্ববিদ্যালয়, আলিয়া বিশ্ববিদ্যালয়। ইতিমধ্যে বহিরাগত এবং নানা কর্মকাণ্ডের গোপন সূত্রে খবর মেলায় সক্রিয় ভূমিকায় নেমেছে নির্বাচন কমিশ।

    অশান্তি সৃষ্টির আশঙ্কা (Election Commission India)!

    কমিশন (Election Commission India) সূত্রে জানা গেছে, নির্বাচনের প্রাক্কালে কোনওভাবেই যাতে বহিরাগতরা হস্টেলগুলোতে আশ্রয় নিয়ে অশান্তি সৃষ্টি করতে না পারে, তা নিশ্চিত করতেই এই পদক্ষেপ। বিশেষ করে যে জেলাগুলোতে ভোট রয়েছে, সেই সংলগ্ন এলাকার শিক্ষা প্রতিষ্ঠান ও ছাত্রাবাসগুলোর ওপর বাড়তি সতর্কতা অবলম্বন করা হচ্ছে।

    বুধবার ২৯ এপ্রিল দ্বিতীয় দফার নির্বাচন (Bengal Assembly Election 2026)। সাতটি জেলার ১৪২টি আসনে ভোটগ্রহণ হবে। জেলাগুলির মধ্যে রয়েছে কলকাতা, উত্তর ২৪ পরগনা, দক্ষিণ ২৪ পরগনা, নদিয়া। তাই এই জেলাগুলির একাধিক বিশ্ববিদ্যালয়ের হস্টেলে বহিরাগতদের আনাগোনা বাড়ছে বলে খবর।

    নজরে কোন কোন ক্যাম্পাসের হোস্টেল?

    একাধিক বিশ্ববিদ্যালয়ের ক্যাম্পাস ও হস্টেলে বহিরাগতদের জামায়েতের ইঙ্গিত দিয়েছে নির্বাচন কমিশন (Bengal Assembly Election 2026)। তাই যাদবপুর বিশ্ববিদ্যালয়, কলকাতা বিশ্ববিদ্যালয়, কল্যাণী বিশ্ববিদ্যালয়, বেলগাছিয়ার ভেটেরিনারি বিশ্ববিদ্যালয়, কল্যাণীর বিধানচন্দ্র কৃষি বিশ্ববিদ্যালয়কে নজরে রাখা হয়েছে। এছাড়াও তেঘরিয়ায় হজ টাওয়ার, নিউটাউনে হজ হাউস, পার্ক সার্কাসে হজ হাউস, রাজারহাট নিউটাউনে আলিয়া বিশ্ববিদ্যালয়ের ক্যাম্পাস, পার্ক সার্কাসে আলিয়া বিশ্ববিদ্যালয়ের ক্যাম্পাস, তালতলার আলিয়া বিশ্ববিদ্যালয়ের ক্যাম্পাসকেও সজাগ দৃষ্টি রাখা হয়েছে। সল্টলেকে যুবভারতী ক্রীড়াঙ্গনের যুব আবাস সহ ৫৬টি বিভিন্ন‌ বিশ্ববিদ্যালয়ের ক্যাম্পাস রয়েছে, যেখানে থাকবে কমিশনের (Election Commission India) কড়া নজরদারি।

    বহিরাগত ব্যক্তিদের উপর নজর

    ইতিমধ্যেই সংশ্লিষ্ট জেলা প্রশাসন ও পুলিশ কর্তৃপক্ষকে এই মর্মে নির্দেশিকা পাঠানো হয়েছে। হস্টেলগুলোতে কারা অবস্থান করছেন, কোনও বহিরাগত ব্যক্তি সেখানে আছেন কি না—সে বিষয়ে বিস্তারিত তথ্য যাচাই করার প্রক্রিয়া শুরু হয়েছে। দ্বিতীয় দফার নির্বাচনের (Bengal Assembly Election 2026) আগে যেকোনও ধরনের অপ্রীতিকর পরিস্থিতি এড়াতে এবং আইনশৃঙ্খলা পরিস্থিতি স্বাভাবিক রাখতে নির্বাচন কমিশন (Election Commission India) এই কঠোর অবস্থান গ্রহণ করেছে।

  • Ram Navami 2026: স্লোগান-প্লাল্টা স্লোগানে রামনবমী উদযাপনে উত্তাল যাদবপুর-কলকাতা বিশ্ববিদ্যালয়ে

    Ram Navami 2026: স্লোগান-প্লাল্টা স্লোগানে রামনবমী উদযাপনে উত্তাল যাদবপুর-কলকাতা বিশ্ববিদ্যালয়ে

    মাধ্যম নিউজ ডেস্ক: নির্বাচনী আবহের মধ্যেই রামনবমী (Ram Navami 2026) পালনকে কেন্দ্র করে উত্তপ্ত হয়ে উঠল কলকাতার দুই ঐতিহ্যবাহী শিক্ষাপ্রতিষ্ঠান—কলকাতা বিশ্ববিদ্যালয় এবং যাদবপুর বিশ্ববিদ্যালয় (Jadavpur University)। একদিকে অখিল ভারতীয় বিদ্যার্থী পরিষদের পুজো ও ধর্মীয় স্লোগান, অন্যদিকে বাম-নকশাল ছাত্র সংগঠনগুলোর পাল্টা স্লোগান ও বিক্ষোভ। সব মিলিয়ে দিনভর টানটান উত্তেজনা বজায় ছিল দুই ক্যাম্পাসেই। গেরুয়া শিবিরের বড় শক্তি প্রদর্শন বলে মনে করছেন রাজনীতির একাংশ।

    কলকাতা বিশ্ববিদ্যালয়ের গেটের বাইরেই চলল আরাধনা (Jadavpur University)

    কলকাতা বিশ্ববিদ্যালয়ের কলেজ স্ট্রিট ক্যাম্পাসের ভেতরে রামনবমী পালনের জন্য গত ২৪ মার্চ কর্তৃপক্ষের কাছে অনুমতি চেয়েছিল এবিভিপি। কিন্তু বিশ্ববিদ্যালয় কর্তৃপক্ষের পক্ষ থেকে কোনও সদুত্তর না পাওয়ায়, বুধবার গেটের বাইরেই পুজোর আয়োজন করে এবিভিপি। পরিস্থিতি নিয়ন্ত্রণে রাখতে জোড়াসাঁকো থানার পুলিশের পাশাপাশি কেন্দ্রীয় বাহিনীও মোতায়েন করা হয়েছিল। ফটকের বাইরে শ্রীরামের ছোট মূর্তি স্থাপন করে চলে উপাসনা। তবে এই কর্মসূচিকে কেন্দ্র করে বিশ্ববিদ্যালয়ের মূল ফটকের সামনে উত্তেজনা ছড়ায়।

    যাদবপুর বিশ্ববিদ্যালয়: অনুমতিহীন পুজো ও ছাত্র বিক্ষোভ

    যাদবপুর বিশ্ববিদ্যালয়েও (Jadavpur University) পরিস্থিতি ছিল বেশ সংবেদনশীল। বিশ্ববিদ্যালয়ের উপাচার্য চিরঞ্জীব ভট্টাচার্য বলেছেন, “ক্যাম্পাসের ভেতরে রামনবমী পালনের জন্য কোনও আনুষ্ঠানিক অনুমতি দেওয়া হয়নি।” তাসত্ত্বেও একদল পড়ুয়া এবং বাইরের কিছু সদস্য ক্যাম্পাসের ভেতরে জমায়েত হয়ে পুজো শুরু করেন।

    স্লোগান যুদ্ধ

    একদিকে যখন এবিভির ‘জয় শ্রীরাম’ (Jadavpur University) ধ্বনি উঠছিল, তখনই বিশ্ববিদ্যালয়ের বামপন্থী ছাত্র সংগঠনগুলো ‘ইনকিলাব জিন্দাবাদ’ স্লোগান তুলে পাল্টা বিক্ষোভ দেখাতে শুরু করে। বিশৃঙ্খলা এড়াতে উপাচার্য নিজে পরিস্থিতি খতিয়ে দেখেন। কোনও রকম অপ্রীতিকর ঘটনা রুখতে ক্যাম্পাসের বাইরে বিশাল পুলিশ বাহিনী মোতায়েন ছিল। নির্বাচনের ঠিক আগে শিক্ষা প্রতিষ্ঠানগুলোতে এই ধরনের ধর্মীয় আয়োজন এবং তাকে কেন্দ্র করে ছাত্র সংঘাতের ঘটনা রাজ্যের প্রশাসনিক ও শিক্ষামহলে নতুন করে বিতর্কের জন্ম দিয়েছে। বিশ্ববিদ্যালয় কর্তৃপক্ষের পক্ষ থেকে জানানো হয়েছে, পঠনপাঠনের পরিবেশ বজায় রাখাই এখন তাঁদের প্রধান চ্যালেঞ্জ।

  • Jadavpur University: মাওবাদী নেতা হিডমার স্মরণে শোকসভা! যাদবপুরে ফের ‘দেশ-বিরোধী’ কার্যকলাপ

    Jadavpur University: মাওবাদী নেতা হিডমার স্মরণে শোকসভা! যাদবপুরে ফের ‘দেশ-বিরোধী’ কার্যকলাপ

    মাধ্যম নিউজ ডেস্ক: যাদবপুর বিশ্ববিদ্যালয়ে (Jadavpur University) আরবান নকশালদের ফের দৌরাত্ম্য। কেন্দ্রীয় বাহিনীর গুলিতে নিহত হয় কুখ্যাত মাওবাদী নেতা হিডমা। তার মাথার দাম ছিল ৫০ লক্ষ টাকা। ২৬টির বেশি নাশকতামূলক হামলার সঙ্গে প্রত্যক্ষ ভাবে যুক্ত ছিল এই দুষ্কৃতি। একজন দুষ্কৃতীর কার্যত শহিদ দিবস পালন করল যাদবপুরের মাওবাদী সংগঠন আরএসএফ। বিশ্ববিদ্যালয় এবং রাজ্য প্রশাসন জেনে শুনেও চুপ! কীভাবে দেওয়া হল স্মরণ সভার অনুমতি? এতো নিজের দেশেই যেন দেশবিরোধী কার্যকলাপ! এমনটাই মনে করছেন কিছু ছাত্রছাত্রী।

    বিপ্লবী ছাত্র ফ্রন্টের দেশ বিরোধী মনোভাব (Jadavpur University)

    গত ২৪ নভেম্বর, ২০২৫ তারিখে মাওবাদী সমর্থক বিপ্লবী ছাত্র ফ্রন্টের (RSF) ৬ষ্ঠ রাজ্য সম্মেলন ছিল যাদবপুর বিশ্ববিদ্যালয়ের (Jadavpur University) বিবেকানন্দ সভাগৃহে। এই সম্মলেন ছিল সম্পূর্ণ ভারত বিরোধী মনোভাবাপন্ন। সম্মেলন স্থল হিসেবে কলকাতার নামাঙ্কন করা হয় কোটেশ্বর রাও নগর এবং যাদবপুর বিশ্ববিদ্যালয়কে নামাঙ্কিত করা হয় বাসবরাজু সভাগৃহ। আর স্বামী বিবেকানন্দ সভাগৃহের নামাঙ্কিত করা হয় হিডমা সভামঞ্চ। খুব স্পষ্ট এযেন ভারতের ভিতরে আরেক মাওবাদী রাজ্য। এখান থেকেই নানা মহলে প্রশ্ন উঠতে শুরু করে।

    শোক প্রকাশ

    উল্লেখ্য, গত ১৮ নভেম্বর অন্ধ্রপ্রদেশের আল্লুরি সীতারামরাজু জেলায় নিরাপত্তা বাহিনীর সঙ্গে গুলির লড়াইতে খতম হয়েছে সিপিআই মাওবাদী কমান্ডার মাদভি হিডমা। আবার ওই বছরের মে মাসে ছত্তিশগড়ের বাস্তার অঞ্চলে এক এনকাউন্টারে নিহত হয় সিপিআই মাওবাদী সংগঠনের সম্পাদক নাম্বালা কেশবরাও ওরফে বাসভরাজু। ২০১১ সালে মাওবাদী নেতা কোটেশ্বর রাও ওরফে কিষেণজি  জঙ্গলমহলের বুড়িশোল গ্রামে নিহত হয়েছে।  দেশের এক অংশে যখন সেনাবাহিনী নিজেদের জীবনকে বাজি রেখে দেশের শত্রু মাওবাদীদের দমন করছে, সেখানে অপর দিকে যাদবপুরের (Jadavpur University) মতো বিশ্ববিদ্যালয়ে প্রকাশ্যে মাওবাদীদের সমর্থনে শোকসভা পালিত হচ্ছে।  তবে আরএসএফ (RSF) সংগঠনের পক্ষে সাধারণ সম্পাদক তথাগত রায় চৌধুরী দাবি করেছেন, “নামকরণ প্রতীকী ছিল। দেশবিরোধী কার্যকলাপকে প্রশ্রয় দেওয়া হয়নি।” তবে এদিনের সম্মেলনে কুখ্যাত মাওবাদীদের মৃত্যুতে ১ মিনিট করে বিশেষ শোক জ্ঞাপনও করা হয় বলে জানা গিয়েছে।

    এই মৃত মাওবাদীদের প্রতি শোকে জ্ঞাপনের অনুষ্ঠান এবং অনুমতি নিয়ে প্রশ্ন করলে উপাচার্য প্রফেসর চিরঞ্জীব ভট্টাচার্য কোন ভাবেই মুখ খোলেননি। তবে সিপিএম পরিচালিত শিক্ষক সংগঠন জুটার শিক্ষক বলেন, “সব রকম নিয়ম মেনে এই অনুষ্ঠানের আয়োজন করা হয়েছে। এখন আলচানায় কি বিষয় উঠে আসবে তা জানার কথা নয়।” অপর দিকে স্থানীয় পুলিশ প্রশাসনকে প্রশ্ন করলে উত্তর দেন, এই স্মরণ সভা বিশ্ববিদ্যালয়ের আভ্যন্তরীণ বিষয়, আমরা পরিস্থিতির উপর নজর রাখছি।

LinkedIn
Share