Tag: Jammu Kashmir

Jammu Kashmir

  • Kashmir Cinema Halls Re-open: ঐতিহাসিক! দীর্ঘ ৩০ বছর পর কাশ্মীরে খুলল সিনেমা হল

    Kashmir Cinema Halls Re-open: ঐতিহাসিক! দীর্ঘ ৩০ বছর পর কাশ্মীরে খুলল সিনেমা হল

    মাধ্যম নিউজ ডেস্ক: ৩৭০ ও ৩৫এ ধারা হটানোর পর থেকে জম্মু কাশ্মীরে (Jammu Kashmir) শান্তি ফিরিয়ে আনতে বিভিন্ন পদক্ষেপ নিয়েছে কেন্দ্রীয় সরকার (Modi Government)। তারই একটি অঙ্গ হিসেবে প্রায় তিন দশক পরে সিনেমা হল খোলা হল কাশ্মীরে (Kashmir)। রবিবার জন্মু-কাশ্মীরের লেফটেন্যান্ট গর্ভনর মনোজ সিনহা (Lieutenant Governor Manoj Sinha) দক্ষিণ কাশ্মীরের পুলওয়ামা (Pulwama) ও শোপিয়ানে (Shopian) দুটি মাল্টিপারপোজ সিনেমা হলের উদ্বোধন করেন। তিনি সাংবাদিকদের বলেন, আমরা শীঘ্রই জম্মু ও কাশ্মীরের প্রতিটি জেলায় এই ধরনের সিনেমা হল তৈরি করব। আজ আমি পুলওয়ামা এবং শোপিয়ানের যুবকদের এই ধরনের সিনেমা হল উৎসর্গ করছি। এখানে চলচ্চিত্র দেখানো ছাড়াও তথ্যপ্রযুক্তির বিষয়ে যুবকদের প্রশিক্ষণেরও ব্যবস্থা করা হয়েছে।

    লেফটেন্যান্ট গর্ভনর আরও জানান, চলচ্চিত্র একটি শক্তিশালী সৃজনশীল মাধ্যম যার দ্বারা ভিন্ন সংস্কৃতির সঙ্গে সহজেই মেলবন্ধন ঘটানো যায়। নতুন ফিল্ম নীতির ফলে জন্মু কাশ্মীর আবারও ফিল্ম ইন্ড্রাস্ট্রির কাছে প্রিয় শ্যুটিংস্পটে পরিণত হচ্ছে। আটের দশকের শেষ দিকেও কাশ্মীরে ডজনখানেক সিনেমা হল ছিল। কিন্তু নয়ের দশকের পর থেকেই সিনেমা হল বন্ধ হতে শুরু করে। সন্ত্রাসের কার্যকলাপ উত্তরোত্তর বাড়তে থাকায় নতুন করে পুনরায় সিনেমা হল খোলা আর সম্ভব হয়নি। প্রশাসনের উচ্চপদস্থ আধিকারিক জানিয়েছেন, মঙ্গলবার এই হল দুটি জনসাধারণের জন্য খুলে দেওয়া হবে। প্রথম সিনেমা হিসেবে আমির খান অভিনীত ‘লাল সিং চাড্ডা’ দেখানো হবে। দীর্ঘদিন পর আবারও কাশ্মীরের মানুষ সিনেমা দেখার সুযোগ পাবেন। 

    আরও পড়ুন: আজাদকে প্রাণনাশের হুমকি জঙ্গিগোষ্ঠীর, ‘রাজনৈতিক গিরগিটি’ বলে কটাক্ষ

    অপরদিকে, রবিবারই জম্মু ও কাশ্মীরের লেফটেন্যান্ট গভর্নর মনোজ সিনহা দক্ষিণ কাশ্মীরের পুলওয়ামায় ১২০ ফিট লম্বা জাতীয় পতাকা (National Flag) দেশবাসীর উদ্দেশ্যে উৎসর্গ করে বলেন, ভারতের পতাকা (তেরঙা) (Tricolor) আমাদের সম্মান, আবেগ ও গর্বের প্রতীক। তেরঙা আমাদের পূর্বপুরুষদের স্বপ্ন এবং আমাদের তরুণদের আকাঙ্ক্ষার প্রতিফলন। এই অনুষ্ঠান উপলক্ষে যুবকদের কর্মসংস্থান ভিত্তিক মোট ৯.১১ কোটির বিভিন্ন প্রকল্পের উদ্বোধন করেন। তিনি জানান, সরকার মুমকিন প্রকল্পের মাধ্যমে ৪,৪৮২ যুবক-যুবতীর ব্যবসার জন্য কর্মাসিয়াল ভেহিকল দিয়েছে। এর পাশাপাশি, তেজস্বিনী প্রকল্পের মাধ্যমে ৫০ হাজার যুবক-যুবতী সফল ব্যবসায়ী হিসেবে সমাজে উঠে এসেছে বলে জানান তিনি। এছাড়াও পারভেজ, রাইজ টুগেদার, সুপার ৭৫ এর মতো বিভিন্ন সামাজিক কর্মসূচীর মাধ্যমে লক্ষ লক্ষ যুবকযুবতী স্বনির্ভর হচ্ছে বলেও জানান তিনি। তিনি যুব সমাজকে কাশ্মীরের ভবিষ্যতের দিশা নির্ধারণের অংশীদার হওয়ার জন্য আহ্বান জানিয়েছেন।

     

    দেশের খবর, দশের খবর, সব খবর, সবার আগে পেতে ফলো করুন আমাদের Facebook এবং Twitter পেজ।

  • Jammu & Kashmir: কাশ্মীর পুলিশের এনকাউন্টারে খতম বাংলার শ্রমিক হত্যাকারী দুই জঙ্গি

    Jammu & Kashmir: কাশ্মীর পুলিশের এনকাউন্টারে খতম বাংলার শ্রমিক হত্যাকারী দুই জঙ্গি

    মাধ্যম নিউজ ডেস্ক: ফের সন্ত্রাসবাদের বিরুদ্ধে এক বড়সড় সাফল্য পেল কাশ্মীর পুলিশ ও নিরাপত্তা বাহিনী। গতকাল রাতে শ্রীনগর পুলিশের গুলিতে নিহত হল ২ সন্ত্রাসবাদি। জানা গিয়েছে, বুধবার শ্রীনগরের নওগাম এলাকায় এনকাউন্টারের ফলে পুলিশের গুলিতে খতম হয় দুই জঙ্গি। কাশ্মীর পুলিশের তরফ থেকে ট্যুইট করে জানানো হয়েছে, দুই জঙ্গি যুক্ত ছিল সন্ত্রাসবাদি গোষ্ঠী আনসার গাজওয়াত উল হিন্দের (Ansar Ghazwat-ul-Hind) সঙ্গে।

    পুলিশ সূত্রে খবর, কিছুদিন আগেই পুলওয়ামাতে বাঙালি শ্রমিককে মেরে ফেলার ঘটনায় যুক্ত ছিল এই দুই জঙ্গি। এই দুই নিহত জঙ্গির নাম আইজাজ রসুল নাজার এবং শহিদ আহমেদ ওরফে আবু হামজা ও এরা পুলওয়ামার বাসিন্দা। ট্যুইট থেকে জানা যায়, মৃত দুই জঙ্গি, ২ সেপ্টেম্বর পশ্চিমবঙ্গের মুনির উল ইসলাম নামে এক বহিরাগত শ্রমিকের উপর সাম্প্রতিক সন্ত্রাসী হামলায় জড়িত ছিল। জানা গিয়েছে, বুধবার নির্দিষ্ট তথ্যের ভিত্তিতে কাশ্মীর পুলিশ ও সেনা বাহিনী যৌথভাবে তল্লাশি চালিয়ে এই জঙ্গিদের খুঁজে পান ও এরপরেই শুরু হয় জঙ্গি ও পুলিশের গুলির লড়াই।

    আরও পড়ুন: ফের রক্তাক্ত কাশ্মীর! জঙ্গিদের গুলিতে খুন বিহারের পরিযায়ী শ্রমিক

    বুধবার রাত ৮:২৭ নাগাদ কাশ্মীর পুলিশের তরফ থেকে ট্যুইট করে জানানো হয় যে, শ্রীনগরের নওগাম এলাকায় তাদের সঙ্গে জঙ্গিদের গুলির লড়াই শুরু হয়। এরপর আরও জানানো হয় যে দুই জঙ্গির মধ্যে একজন রাত ৮টা ৪৬ মিনিটে ও অন্যজন ৯টা ১৩ মিনিটে নিকেশ করা হয়।

    মঙ্গলবারেও কাশ্মীর পুলিশের তরফ থেকে এনকাউন্টারে জঙ্গি নিকেশ করা হয়েছিল। যদিও সেই জঙ্গির পরিচয় এখনও জানা যায়নি। এই এনকাউন্টারে পুলিশের তরফ থেকেও একজন আহত হয়েছেন বলে জানা গিয়েছে। কার্যত এই জঙ্গি নিকেশ কাশ্মীর পুলিশের বড় সাফল্য বলেই মনে করা হচ্ছে।

  • Congress: ফের ধস জম্মু-কাশ্মীর কংগ্রেসে, আড়ে বহরে বাড়ছে আজাদ শিবির!

    Congress: ফের ধস জম্মু-কাশ্মীর কংগ্রেসে, আড়ে বহরে বাড়ছে আজাদ শিবির!

    মাধ্যম নিউজ ডেস্ক: ফের ধস জম্মু-কাশ্মীর (Jammu Kashmir) কংগ্রেসে (Congress)!

    দলীয় নেতৃত্বের প্রশ্নে ভিন্ন অবস্থানের জন্য  শুক্রবার কংগ্রেস ছেড়েছেন জম্মু-কাশ্মীরের প্রাক্তন মুখ্যমন্ত্রী গুলাম নবি আজাদ (Gulam Nabi Azad)। নয়া দল গড়ার পরিকল্পনাও করেছেন তিনি। সে খবর ছড়িয়ে পড়তেই মঙ্গলবার আজাদের সমর্থনে কংগ্রেস ছাড়লেন জম্মু-কাশ্মীরের ৬০ জনেরও বেশি নেতা। প্রত্যাশিতভাবেই ভূস্বর্গে ফের একবার জোর ধাক্কা খেল সোনিয়া গান্ধীর (Sonia Gandhi) দল।

    কংগ্রেসের বিক্ষুদ্ধ গোষ্ঠী জি-২৩ (G-23) হিসেবে পরিচিত। এই জি-২৩ এর সদস্য ছিলেন গুলাম নবি আজাদ। দলে গণতন্ত্রের দাবিতে সরব হয়েছিলেন জি-২৩ এর নেতারা। এনিয়ে দলীয় নেতৃত্বের সঙ্গে মনান্তরের জেরে সম্প্রতি দল ছাড়েন জম্মু-কাশ্মীরের এই প্রাক্তন মুখ্যমন্ত্রী। তাঁর সমর্থনে এদিন দল ছাড়লেন উপত্যকার এই ৬০ জন নেতাও। যাঁরা কংগ্রেস ছেড়ে আজাদ শিবিরে নাম লিখিয়েছেন, তাঁদের মধ্যে রয়েছেন জম্মু-কাশ্মীরের প্রাক্তন উপমুখ্যমন্ত্রী তারা চাঁদও। কংগ্রেস আমলে মন্ত্রী এবং বিধায়ক ছিলেন এমন অনেক নেতাও দল ছেড়েছেন এদিন।

    গণইস্তফাপত্রে স্বাক্ষর করেছেন ৬৪ জন। এদিন এই ইস্তফাপত্র পাঠ করে শুনিয়েছেন প্রাক্তন বিধায়ক কংগ্রেসের বলবন সিং। তাতে বলা হয়েছে, কংগ্রেসে এই মুহূর্তে চলছে নেতৃত্বের সংকট। দল চলছে অগোছালভাবে। কয়েক দশক ধরে আমরা পার্টির সঙ্গে ছিলাম। জম্মু-কাশ্মীরে দলীয় সংগঠনের ভিত শক্ত করতে আমরা আমাদের সমস্ত শক্তি এবং সম্পদ ব্যয় করেছি। কিন্তু দুর্ভাগ্যবশত আমরা দেখলাম  আমাদের অপমান করা হচ্ছে। ইস্তফাপত্রে এও বলা হয়েছে, আমাদের নেতা এবং অভিভাবক গুলাম নবি আজাদ দিন কয়েক আগে আপনাকে (সোনিয়া) চিঠি লিখে কংগ্রেস ছেড়েছিলেন। আমরা বিশ্বাস করি, আমাদেরও কংগ্রেস ছেড়ে বেরনোর সময় হয়েছে। একটি ইতিবাচক রাজনৈতিক সমাজ গঠনের জন্যই এটা প্রয়োজন।

    আরও পড়ুন : ভোটে অংশ নিতে বৈঠকে বসতে চলেছে কংগ্রেসের জি-২৩!

    প্রসঙ্গত, মঙ্গলবারের আগে সোমবারও কংগ্রেস ছেড়েছিলেন চার নেতা। এর মধ্যে জম্ম-কাশ্মীর বিধানসভার প্রাক্তন ডেপুটি স্পিকারও রয়েছেন। দিনের পর দিন আজাদ শিবিরে যে ভিড় বাড়ছে, তারও আঁচ মিলেছে এদিন। একটা বিরাট সংখ্যক পঞ্চায়েত এবং পার্টি কর্মী কংগ্রেস ছেড়ে আজাদ শিবিরে নাম লেখাবেন বলে ইতিমধ্যেই ঘোষণা করেছেন। আজাদেরও দাবি, তাঁর সঙ্গে রয়েছেন কংগ্রেসের ৯৫ শতাংশ পঞ্চায়েত এবং ডিস্ট্রিক্ট কাউন্সিল সদস্য। জম্মু-কাশ্মীর কংগ্রেসের প্রধান বিকার রসুল (Vikar Rasool) বলেন, যাঁরা কংগ্রেস ছেড়েছেন, আমরা তাঁদের ছাঁট বলেই মনে করি। নয়া দৃষ্টিভঙ্গী নিয়ে দলে নতুন মুখ নিয়ে আসব আমরা।  

    দেশের খবর, দশের খবর, সব খবর, সবার আগে পেতে ফলো করুন আমাদের Facebook এবং Twitter পেজ।

  • Jammu Kashmir: বানচাল অনুপ্রবেশের চেষ্টা, কাশ্মীরে খতম ৩ পাক জঙ্গি, উদ্ধার সমরাস্ত্রও

    Jammu Kashmir: বানচাল অনুপ্রবেশের চেষ্টা, কাশ্মীরে খতম ৩ পাক জঙ্গি, উদ্ধার সমরাস্ত্রও

    মাধ্যম নিউজ ডেস্ক: ফের অনুপ্রবেশের (Infiltration) চেষ্টা বন্ধ করল ভারতীয় সেনা (Indian Army)। বৃহস্পতিবার জম্মু-কাশ্মীরের (Jammu Kashmir) বারমুলা জেলার উরি সেক্টরে অনুপ্রেবেশের চেষ্টা করে পাকিস্তান (Pakistan) মদতপুষ্ট জঙ্গিরা। বাধা দেয় সীমান্তে প্রহরারত জওয়ানরা। দু পক্ষে শুরু হয় গুলির লড়াই। ঘটনাস্থলেই মৃত্যু হয় তিন অনুপ্রবেশকারীর। উদ্ধার হয়েছে সমরাস্ত্রও।

    শ্রীনগরে থাকা ভারতীয় সেনার জনসংযোগ আধিকারিক কর্নেল এমরন মুসাভি জানান, উত্তর কাশ্মীরের বারামুল্লা জেলার উরি সেক্টরের কামালকোটের মাদিয়ান নানক পোস্ট দিয়ে নিয়ন্ত্রণ রেখা পেরিয়ে ভারতে ঢোকার চেষ্টা করেছিল পাকিস্তানের তিন জঙ্গি। গোয়েন্দা সূত্রে খবর পেয়ে আগে থেকেই তৈরি ছিলেন জওয়ানরা। জনসংযোগ আধিকারিক বলেন, অনুপ্রবেশের খবর পেয়ে ২৪ অগাস্ট বিকাল থেকেই তৈরি ছিলেন জওয়ানরা। সীমান্তরেখার বিভিন্ন দিকে ছড়িয়ে পড়েছিলেন তাঁরা। বৈদ্যুতিন নজরদারিও চালানো হচ্ছিল। ২৫ অগাস্ট সকাল ৭টা নাগাদ তিন জঙ্গির অনুপ্রবেশের চেষ্টা নজরে আসে।

    তিনি বলেন, ২৫ অগাস্ট সকাল পৌনে ৯টা নাগাদ নিয়ন্ত্রণরেখার ভারতীয় প্রান্তে জঙ্গিদের রোখে ভারতীয় সেনা। সেখানে দু’ পক্ষের মধ্যে প্রবল গুলির লড়াই হয়। তখনই মৃত্যু হয় তিন পাক জঙ্গির। জানা গিয়েছে, মৃত জঙ্গিদের কাছ থেকে ২টি একে রাইফেল, একটি চিনা এম-১৬ রাইফেল এবং বেশ কিছু যুদ্ধাস্ত্র উদ্ধার হয়েছে। মুসাভি বলেন, ভারতীয় সেনার সফল অপারেশনের জেরে তিন জঙ্গির মৃত্যু নয়, জঙ্গি অনুপ্রবেশের নেপথ্যে পাকিস্তানের মদতের দিকটিও উন্মোচিত হয়েছে। এই ঘটনায় সামনে এসেছে জম্মু-কাশ্মীরের শান্তি নষ্ট করতে পাকিস্তানের মদতের বিষয়টিও।

    আরও পড়ুন : ফের জম্মু-কাশ্মীরে জঙ্গি হামলা, শহিদ তিন জওয়ান, নিকেশ দুই জঙ্গি

    প্রসঙ্গত, মঙ্গলবার সকালেও পাক মদতপুষ্ট দুই জঙ্গির দেহ উদ্ধার হয় সীমান্তে। এই জঙ্গিরাও ভারতে অনুপ্রবেশের চেষ্টা করেছিল। সময় মতো ঘটনাটি প্রহরারত জওয়ানদের নজরে পড়ে যাওয়ায় ব্যর্থ হয় অনুপ্রবেশের চেষ্টা। উদ্ধার হয় দুই জঙ্গির দেহ।

    দেশের খবর, দশের খবর, সব খবর, সবার আগে পেতে ফলো করুন আমাদের Facebook এবং Twitter পেজ।  

  • Kathua: জম্মু-কাশ্মীরে বিজেপি নেতার ঝুলন্ত দেহ উদ্ধার! খুন নাকি আত্মহত্যা, বাড়ছে রহস্য

    Kathua: জম্মু-কাশ্মীরে বিজেপি নেতার ঝুলন্ত দেহ উদ্ধার! খুন নাকি আত্মহত্যা, বাড়ছে রহস্য

    মাধ্যম নিউজ ডেস্ক: গাছ থেকে ঝুলছে বিজেপি (BJP) নেতার দেহ। চাঞ্চল্য ছড়াল জম্মু ও কাশ্মীরের (Jammu and Kashmir) কাঠুয়া জেলার হীরানগর এলাকায়। গত তিন দিন ধরে নিখোঁজ ছিলেন কাঠুয়ার বিজেপি নেতা সোম রাজ। মঙ্গলবার সোম রাজের ঝুলন্ত দেহ মেলে। তাঁর পরিবার ও বিজেপির দাবি, খুন করা হয়েছে সোম রাজকে।

    এক পুলিশ আধিকারিক জানিয়েছেন, হীরানগর শহরের এক গ্রামবাসী ওইদিন সকালে বিজেপি নেতার দেহ গাছ থেকে ঝুলন্ত অবস্থায় দেখেন। এরপর তিনি সঙ্গে সঙ্গে পুলিশে খবর দেন। তাঁর দেহে দাগ ছিল পাওয়া গিয়েছে বলে দাবি প্রত্যক্ষদর্শীদের। মৃতদেহটি ময়নাতদন্তের জন্য হাসপাতালে পাঠানো হয়েছে। ইতিমধ্যে পুলিশ একটি মামলা দায়ের করেছে। পুলিশের তরফে তদন্তও শুরু হয়েছে, বলে জানানো হয়।  

    আরও পড়ুন: ভুল করেই পাক ভূখণ্ডে ব্রহ্মোস! বরখাস্ত বায়ুসেনার তিন অফিসার

    মৃত বিজেপি নেতার পরিবারের অভিযোগ, এটা আত্মহত্যা নয়। খুন করে তারপর ঝুলিয়ে দেওয়া হয়েছে তাঁর দেহটি। খবর পেয়ে সোম রাজের বাড়ি পৌঁছন বহু বিজেপি নেতা। তাঁদের দাবি, এই ঘটনার পূর্ণাঙ্গ তদন্ত হোক। কেন্দ্রীয় মন্ত্রী জিতেন্দ্র সিং ট্যুইট করেছেন, “কাঠুয়া জেলার হীরানগরে আমাদের পুরানো সহকর্মী এবং প্রবীণ বিজেপি নেতা শ্রী সোম রাজ (সোমা) এর মৃত্যুর কথা শুনে গভীরভাবে দুঃখিত। ঈশ্বর তাঁর আত্মাকে শান্তি দিন।” এরপরই এই ঘটনার তদন্তের দাবি জানায় বিজেপি।

    প্রসঙ্গত, গত কয়েক মাস ধরে কাশ্মীরে শুরু হয়েছে ‘টার্গেট কিলিং’। জঙ্গিদের নিশানায় রয়েছে কাশ্মীরি পণ্ডিতরা। গত কয়েক মাসে বেশ কয়েকজন কাশ্মীরি পণ্ডিতকে প্রাণ দিতে হয়েছে। নিরাপত্তার খাতিরে উপত্যকা ছাড়তে চেয়েছে তাঁরা। প্রশাসনের বিরুদ্ধে রাস্তায় নেমে বিক্ষোভ দেখিয়েছেন কাশ্মীরি পণ্ডিতরা। জঙ্গিদের গুলির শিকার হয়েছে পরিযায়ী শ্রমিকরাও। এরই মধ্যে বিজেপি নেতা সোম রাজের রহস্য মৃত্যুতে  উপত্যকায় নতুন করে চাঞ্চল্যের সৃষ্টি হয়েছে।

    দেশের খবর, দশের খবর, সব খবর, সবার আগে পেতে ফলো করুন আমাদের Facebook এবং Twitter পেজ।

  • Ghulam Nabi Azad: দায়িত্ব পেয়েই ইস্তফা গুলাম নবি আজাদের, ‘ক্ষোভের আঁচে’ বিপাকে কংগ্রেস  

    Ghulam Nabi Azad: দায়িত্ব পেয়েই ইস্তফা গুলাম নবি আজাদের, ‘ক্ষোভের আঁচে’ বিপাকে কংগ্রেস  

    মাধ্যম নিউজ ডেস্ক: দলের প্রচার কমিটির চেয়ারম্যানের দায়িত্ব পাওয়ার মাত্র কয়েক ঘণ্টা পরেই পদ থেকে ইস্তফা দিলেন বর্ষীয়ান কংগ্রেস (Congress) নেতা গুলাম নবি আজাদ (Ghulam Nabi Azad)। যার জেরে বেকায়দায় কংগ্রেস। প্রবীণ এই কংগ্রেস নেতা জানিয়েছেন, শারীরিক কারণেই নতুন দায়িত্ব নেওয়া তাঁর পক্ষে সম্ভব নয়।

    জম্মু-কাশ্মীরে (Jammu Kashmir) শুরু হয়ে গিয়েছে ভোটের প্রস্তুতি। কেন্দ্রীয় বিভিন্ন মন্ত্রীর বক্তব্য থেকে এটা স্পষ্ট, ভূস্বর্গে নির্বাচন হতে পারে নভেম্বরে কিংবা নতুন বছরের গোড়ায়। এই সময় সীমার মধ্যে ভোট রয়েছে আরও কয়েকটি রাজ্যেও। তাই সংগঠন ঢেলে সাজাতে শুরু করেছে অগোছাল কংগ্রেস। সেই মতো গুলাম নবিকে দেওয়া হয় প্রচার কমিটির চেয়ারম্যানের দায়িত্ব। সেই পদেই ইস্তফা দিয়েছেন বিক্ষুব্ধ এই কংগ্রেস নেতা। 

    কংগ্রেস নেতৃত্বের বিরুদ্ধে গুলাম নবির ক্ষোভ নতুন নয়। নেতৃত্ব বদলের দাবিতে ২০২০ সালে যে ২৩ জন জন বিক্ষুব্ধ কংগ্রেস নেতা সোনিয়া গান্ধীকে চিঠি দিয়েছিলেন, তার অন্যতম শরিক ছিলেন গুলাম নবিও। দলের অন্দরে একাধিক পরিবর্তনের দাবিতে বারবার সোচ্চার হয়েছিলেন তিনি। বিক্ষুব্ধ নেতাদের সঙ্গে একাধিকবার বৈঠকও করেছিলেন। তার পরেও দলীয় সংগঠনে কোনও বদল আসেনি বলে অভিযোগ। এহেন পরিস্থিতিতে মঙ্গলবার তাঁকে ওই পদ দেওয়া হয়। দায়িত্ব দেওয়ার ঘণ্টা দুই পরেই ইস্তফা দেন জম্মু-কাশ্মীরের প্রাক্তন মুখ্যমন্ত্রী।  ইস্তফার কারণ হিসেবে গুলাম নবি শারীরিক কারণ দর্শালেও, তাঁর ঘনিষ্ঠ মহল সূত্রে খবর, তাঁর মতো প্রবীণ এবং ‘হেভিওয়েট’ একজন নেতাকে প্রচার কমিটির চেয়ারম্যান করায় যারপরনাই ক্ষুব্ধ গুলাম। তাঁর মতো নেতার ক্ষেত্রে পদটি অসম্মানজক তো বটেই, রাজনৈতিক অবনতির দ্যোতকও বটে। সেই কারণেই পদ পাওয়ার প্রায় সঙ্গে সঙ্গেই ইস্তফা দেন গুলাম নবি।

    আরও পড়ুন : দ্বিতীয়বার ইডির সামনে সোনিয়া! রাহুল-সহ ১৭ জন কংগ্রেস সাংসদ আটক

    প্রসঙ্গত, সম্প্রতি গুলাম নবি ঘনিষ্ট গুলাম আহমেদ মীরকে জম্মু-কাশ্মীর কমিটি থেকে সরিয়ে দেয় কংগ্রেস নেতৃত্ব। তাঁর বদলে ওই পদে বসানো হয় ভিকর রসুল ওয়ানিকে। সেটা নিয়েও জম্মু-কাশ্মীরের এই প্রাক্তন মুখ্যমন্ত্রীর ক্ষোভ ছিল বলেও একটি সূত্রের খবর। সব মিলিয়েই ক্ষোভে ফুঁসছিলেন প্রবীণ রাজনীতিবিদ গুলাম। পদ পেয়েও ইস্তফা দেওয়া যে ক্ষোভের বহিঃপ্রকাশ বলেই ধারণা রাজনৈতিক মহলের।

    আরও পড়ুন : ৩৭০ ধারা রদের তিন বছর পূর্তি, ভূস্বর্গ জুড়ে উন্নয়নের জোয়ার

  • Migrant Worker: ফের রক্তাক্ত কাশ্মীর! জঙ্গিদের গুলিতে খুন বিহারের পরিযায়ী শ্রমিক

    Migrant Worker: ফের রক্তাক্ত কাশ্মীর! জঙ্গিদের গুলিতে খুন বিহারের পরিযায়ী শ্রমিক

    মাধ্যম নিউজ ডেস্ক: ফের রক্তাক্ত জম্মু-কাশ্মীর (Jammu & Kashmir)। এবারে জঙ্গির গুলিতে প্রাণ হারালেন বিহারের এক পরিযায়ী শ্রমিক। বৃহস্পতিবার গভীর রাতে জম্মু ও কাশ্মীরের (Jammu And Kashmir) বান্দিপোরা এলাকার সোদনারা সুম্বলে এই ঘটনাটি ঘটেছে ও পুরো এলাকা জুড়ে চাঞ্চল্য ছড়িয়েছে। পুলিশ জানিয়েছে, নিহত পরিযায়ী শ্রমিকের নাম মহম্মদ আমরেজ (Mohd Amrez)। বিহারের মাধেপুরা জেলার বেসারের বাসিন্দা ছিলেন তিনি। গুলিবিদ্ধ আমরেজকে উদ্ধার করে হাসপাতালেও নিয়ে যাওয়া হয়, তবে তাকে বাঁচানো যায়নি।

    কাশ্মীর পুলিশ ট্যুইটে জানিয়েছেন, বান্দিপোরার সুম্বল এলাকায় জঙ্গিদের গুলিতে প্রাণ গিয়েছে বিহারের ওই পরিযায়ী শ্রমিকের। গুলি লাগার পর দ্রুত তাঁকে হাসপাতালে নিয়ে যাওয়া হলেও শেষ রক্ষা হয়নি। চিকিৎসকরা তাঁকে মৃত বলে ঘোষণা করেন।

    [tw]


    [/tw]

    আরও পড়ুন: ফের জম্মু-কাশ্মীরে জঙ্গি হামলা, শহিদ তিন জওয়ান, নিকেশ দুই জঙ্গি

    মৃত শ্রমিকের ভাই মোহাম্মদ তামহীদ (Mohammad Tamheed) সংবাদমাধ্যমে এক সাক্ষাৎকারে জানান, রাত প্রায় ১২:৩০-এর দিকে গুলির শব্দে ঘুম ভাঙে তাদের। আমরেজ তখন তার ভাইকে শুয়ে পড়তে বলে কারণ সেখানে প্রায়ই এমন গুলির শব্দ শোনা যায়। কিন্তু এর পরে বাইরে চলে যায় আমরেজ। এরপর যখন তামহীদ তার ভাইয়ের খোঁজ করে তাকে দেখতে যায়, তখন রক্তাক্ত অবস্থায় পড়ে থাকতে দেখে। তারপর তৎক্ষণাৎ সেনাকর্মীদের সঙ্গে যোগাযোগ করে হাসপাতালে নিয়ে যাওয়া হলেও তার মৃত্যু হয়।

    প্রসঙ্গত উল্লেখ্য গতকালই রাজৌরিতে সেনা-জঙ্গি সংঘর্ষে নিহত হয়েছে ২ সন্ত্রাসবাদী, এই হামলায় শহীদ হয়েছেন ৩ জওয়ানও। আরও দুজনের অবস্থা আশঙ্কা জনক। তাঁদের হাসপাতালে চিকিৎসা চলছে। গতকালের রেশ কাটতে না কাটতেই ফের হামলার শিকার আরও এক পরিযায়ী শ্রমিক। গত কয়েক মাসে এই নিয়ে একের পর এক খুন হয়েই চলেছে ভূস্বর্গে। 

  • J&K Terrorist Attack: ফের জম্মু-কাশ্মীরে জঙ্গি হামলা, শহিদ তিন জওয়ান, নিকেশ দুই জঙ্গি

    J&K Terrorist Attack: ফের জম্মু-কাশ্মীরে জঙ্গি হামলা, শহিদ তিন জওয়ান, নিকেশ দুই জঙ্গি

    মাধ্যম নিউজ ডেস্ক: ফের রক্তাক্ত ভূস্বর্গ। স্বাধীনতা দিবস কাছে আসতেই ফের জঙ্গি হামলা (Terrorists Attack) জম্মু কাশ্মীরে (Jammu kashmir)। বৃহস্পতিবার সকালে রাজৌরির (Rajouri) এলওসি-র (Loc) কাছে জঙ্গিদের হামলায় নিহত হয়েছেন তিন সেনা জওয়ান। আহত আরও তিন। সেনার পাল্টা গুলিতে খতম হয়েছে দুই জঙ্গিও।

    খবর সূত্রে জানা গিয়েছে, এদিন ভোরে রাজৌরির কাছে অবস্থিত পারগল (Pargal) এলাকায় ভারতীয় সেনাবাহিনীর ওই সেনা শিবিরের উপরে আত্মঘাতী হামলার চেষ্টা করে সন্ত্রাসবাদীরা। ডিরেক্টর জেনারেল মুকেশ সিং জানান, ওই জঙ্গিরা সেনা শিবিরে ঢোকার চেষ্টা করে। যদিও ক্যাম্পে ঢোকা মাত্রই দু-পক্ষের মধ্যে তুমুল গুলির সংঘর্ষ শুরু হয়। বেশ কিছুক্ষণ গুলির লড়াই চলে। ওই দুই জঙ্গিকে নিকেশ করা সম্ভব হয়েছে। অপরদিকে সেনা-জঙ্গির গুলির লড়াইয়ে শহীদ হন তিন সেনা জওয়ানও। পুলিশ সূত্রে খবর, এই জঙ্গি হামলার পেছনে লস্কর-ই-তৈবা (Lashkar-E-Taiba) জঙ্গিগোষ্ঠীর হাত রয়েছে। তাই আশঙ্কা করা হচ্ছে, নিহত জঙ্গিরা পাক জঙ্গিগোষ্ঠী লস্কর-ই-তৈবার সদস্য।

    আরও পড়ুন: অসমে জঙ্গিদের নতুন ছক! হাতিয়ার করা হয়েছে মাদ্রাসাগুলোকে, জানুন কীভাবে

    এখনও আশপাশে জঙ্গিদের তল্লাশি চলছে। জঙ্গি লুকিয়ে থাকতে পারে বলে আশঙ্কা করছে সেনারা। মুকেশ সিং বলেছেন, নিরাপত্তা আধিকারিকরা এলাকাটি ঘেরাও করে রেখেছেন এবং ঘটনাস্থলে অতিরিক্ত টিম পাঠানো হয়েছে। উল্লেখ্য, প্রায় কয়েক বছর ধরেই রাজৌরি জেলা এবং জম্মু অঞ্চলের অন্যান্য অংশগুলিতে অত পরিমাণে সন্ত্রাসবাদীদের দেখা যায়নি। কিন্তু গত ছয় মাস ধরে সেখানে একাধিক সন্ত্রাসী ঘটনা ঘটেছে। ২০১৮ সালের পর এই প্রথম এত বড় জঙ্গি হামলা হল জম্মু কাশ্মীরে। এই একইভাবে ২০১৬ সালেও জম্মু কাশ্মীরের উরিতে সেনা ক্যাম্পে হামলা চালিয়েছিল জঙ্গিরা, যার ফলে ১৮ জন সেনা জওয়ান প্রাণ ত্যাগ করছিলেন।

    সম্প্রতি বিজেপির সংখ্যালঘু মোর্চার সোশ্যাল মিডিয়া ইনচার্জ তালিব হুসেন শাহকে গ্রেপ্তার করেছে জম্মু পুলিশ। কারণ পুলিশ অনুমান করেছে যে, সেখানে ঘটা বিভিন্ন হামলার পেছনে তার হাত রয়েছে। বিপুল পরিমাণে অস্ত্রও উদ্ধার করা হয়েছে তার কাছ থেকে।

    জম্মু ও কাশ্মীরের প্রাক্তন মুখ্যমন্ত্রী ওমর আবদুল্লাহ টুইট করে লিখেছন, “রাজৌরিতে জঙ্গি হামলার পর তিনজন সৈন্যের মৃত্যুর কথা শুনে খুবই দুঃখিত। হামলার নিন্দা করছি ও পরিবারের প্রতি সমবেদনা জানাচ্ছি। হামলায় আহত অফিসার ও জওয়ানদের দ্রুত সুস্থতার জন্য প্রার্থনা করছি।”

  • Jammu Kashmir: জঙ্গিদের গ্রেনেড হামলায় কাশ্মীরে হত পরিযায়ী শ্রমিক, জখম ২  

    Jammu Kashmir: জঙ্গিদের গ্রেনেড হামলায় কাশ্মীরে হত পরিযায়ী শ্রমিক, জখম ২  

    মাধ্যম নিউজ ডেস্ক: ফের রক্তাক্ত ভূস্বর্গ। জঙ্গিদের ছোড়া গ্রেনেড বিস্ফোরণে (Grenade Attack) প্রাণ হারালেন এক পরিযায়ী শ্রমিক (Migrant Worker)। ওই হামলায় গুরুতর জখমও হয়েছেন দুজন। কাশ্মীরের (Kashmir) পুলওয়ামার ওই জঙ্গি হামলার ঘটনায় চাঞ্চল্য উপত্যকায়। জম্মু-কাশ্মীর (Jammu Kashmir) পুলিশ জানিয়েছে, পুলওয়ামার গদুরা এলাকায়, যেখানে ছিলেন ওই শ্রমিকরা, তার বাইরে গ্রেনেড ছোড়ে জঙ্গিরা। বিস্ফোরণের অভিঘাতে মৃত্যু হয়েছে মহম্মদ মুমতাজ নামে এক পরিযায়ী শ্রমিকের। জঙ্গিদের খোঁজে এলাকায় শুরু হয়েছে তল্লাশি অভিযান।

    জানা গিয়েছে, বিহারের শাকওয়া পারসা এলাকার এক দরিদ্র মুসলিম পরিবারের ছেলে মুমতাজ। রোজগারের আশায় এসেছিলেন কাশ্মীরে। জঙ্গিদের ছোড়া গ্রেনেড হামলায় মৃত্যু হয় তাঁর। ঘটনায় জখম হয়েছেন বিহারেরই দুজন। পুলিশ জানিয়েছে, এঁরা হলেন মহম্মদ আরিফ ও তাঁর ছেলে মহম্মদ মকবুল। বিহারের রামপুরের এই দুই বাসিন্দাকে আশঙ্কাজনক অবস্থায় নিয়ে যাওয়া হয়েছে হাসপাতালে। ঘটনার নেপথ্যে লস্কর-ই-তৈইবার ছায়া সংগঠন দ্য রেসিসটেন্স ফ্রন্টের হাত দেখছে পুলিশ।

    আরও পড়ুন : জম্মু-কাশ্মীর থেকে কাউকে বিতাড়িত হতে দেব না, আশ্বাস রাজনাথের

    ঘটনায় শোক প্রকাশ করেছেন জম্মু-কাশ্মীরের লেফটেন্যান্ট গভর্নর মনোজ সিনহা। ট্যুইট বার্তায় তিনি লেখেন, পুলওয়ামায় কাপুরুষোচিত ঘটনার তীব্র নিন্দা করছি। এই দুঃখের সময় মহম্মদ মুমতাজের পরিবারকে সান্ত্বনা জানাই। আহতরা দ্রুত সুস্থ হয়ে উঠুন। ঘটনার নেপথ্যে যারা, তারা শাস্তি পাবেই। আজ, ৫ অগাস্ট। তিন বছর আগে এই দিনেই জম্মু-কাশ্মীর থেকে রদ হয়েছিল ৩৭০ ধারা। তার ঠিক আগের দিন পরিকল্পিতভাবেই এই ঘটনা ঘটানো হয়েছে বলে অনুমান পুলিশের। উপত্যকা জুড়ে জারি হয়েছে সতর্কতা।

    এই প্রথম নয়, এর আগেও জঙ্গিরা উপত্যকায় বিচ্ছিন্নভাবে অশান্তি পাকিয়ে গিয়েছে। এপ্রিলের প্রথম সপ্তাহে জঙ্গিদের গুলিতে জখম হয়েছিলেন চারজন পরিযায়ী শ্রমিক। এপ্রিলেরই চার তারিখে পুলওয়ামায়াতেই জঙ্গিরা তিনটি হামলার ঘটনা ঘটিয়েছিল। সেই হামলায় প্রাণ হারান একজন সিআরপিএফ জওয়ান। ওই ঘটনায় জখম হয়েছিলেন চারজন। যাঁদের মধ্যে বিহারের দুই পরিযায়ী শ্রমিক ও এক কাশ্মীর পণ্ডিতও ছিলেন। এপ্রিলেরই পাঁচ তারিখে জঙ্গিরা সিআরপিএফের দুই জওয়ানকে লক্ষ্য করে গুলি ছোড়ে শ্রীনগরের প্রাণকেন্দ্র মইসুমা চক এলাকায়। চলতি বছরেরই ১৯ মার্চ পুলওয়ামায় জঙ্গিদের গুলিতে জখম হন এক পরিযায়ী কাঠের মিস্ত্রি।

    আরও পড়ুন : গুজরাট, হিমাচল প্রদেশের সঙ্গেই নভেম্বরে ভোট হবে জম্মু-কাশ্মীরেও?

  • Article 370:  ৩৭০ ধারা রদের তিন বছর পূর্তি, ভূস্বর্গ জুড়ে উন্নয়নের জোয়ার   

    Article 370:  ৩৭০ ধারা রদের তিন বছর পূর্তি, ভূস্বর্গ জুড়ে উন্নয়নের জোয়ার   

    মাধ্যম নিউজ ডেস্ক: ৫ অগাস্ট জম্মু-কাশ্মীরে (Jammu Kashmir) রদ হয়েছিল ৩৭০ ধারা (Article 370)। হল তারই তিন বছর পূর্তি।  তার পর থেকে ক্রমেই উন্নতি হচ্ছে ভূস্বর্গের। একদিকে উপত্যকায় যেমন কমেছে পাথর ছোড়া, জঙ্গিপনা (Terrorist Act) সহ নানা অশান্তিমূলক কাজকর্ম, তেমনি হচ্ছে উন্নয়ন (Development)। রাজনৈতিক মহলের একাংশের দাবি, প্রধানমন্ত্রী নরেন্দ্র মোদি (PM Modi) এবং উপত্যকার লেফটেনেন্ট গভর্নর মনোজ সিনহার (Monaj Sinha) নিরন্তর প্রচেষ্টায় নয়া রূপে সাজছে ভূস্বর্গ।

    ২০১৯ সালের ৫ তারিখে জম্মু-কাশ্মীর থেকে রদ হয় ৩৭০ ধারা। তার পরেই গেল গেল রব ওঠে বিরোধী শিবিরে। তাঁদের আশঙ্কা, ফের রক্তস্নাত হবে উপত্যকা। বাড়বে জঙ্গি হানার ঘটনাও। যদিও গত তিন বছরে জম্মু-কাশ্মীরে এমন কিছুই ঘটেনি, যা নিয়ে হইচই করতে পারেন বিরোধীরা। তবে বিচ্ছিন্ন কিছু ঘটনা ইদানিং ঘটছে কাশ্মীরের কিছু জায়গায়। এখনও একেবারে বন্ধ হয়নি পাক মদতপুষ্ট জঙ্গিদের কার্যকলাপ। সেই কারণেই ঘটছে এসব ঘটনা। গত কয়েক মাসে টার্গেট কিলিংয়ের ঘটনাও ঘটেছে। তার পরেও পুলিশ প্রশাসনের তৎপরতায় শান্তি নেমে এসেছে ভূস্বর্গে। সংখ্যাতত্ত্বের হিসেবেই দেখা যাচ্ছে, জম্মু-কাশ্মীরে ২০১৯এর আগের তুলনায় ঢের কমেছে অনুপ্রবেশের ঘটনা। বিধানসভার মর্যাদা ফেরাতে হবে নির্বাচন। শেষ হয়েছে ডিলিমিটেশনের কাজও। সেই কাজ শেষের পরে শুরু হয়েছে ভোটার লিস্টে নাম তোলার কাজও। শুরু হয়েছে রাজনৈতিক কর্মকাণ্ডও। এককথায়, ভূস্বর্গের সর্বত্র স্পষ্ট সুশাসনের ছাপ।

    আরও পড়ুন : ৩৭০ ধারা বাতিলের পর উপত্যকা ছাড়েননি কোনও কাশ্মীরি পণ্ডিত, জানাল সরকার

    গত ৭০ বছর ধরে কার্যত বঞ্চনার শিকার হয়েছিল উপত্যকা। এখন অবশ্য সে ছবি বদলে গিয়েছে বেবাক। কেন্দ্রীয় সরকারের সমস্ত সরকারি প্রকল্পের সুবিধা পাচ্ছেন উপত্যকার বাসিন্দারা। আয়ুষ্মান ভারত প্রধানমন্ত্রী জন আরোগ্য যোজনা এসইএইচএটি স্কিমের সুযোগও পাচ্ছেন তাঁরা। কেন্দ্রীয় সরকারের এই প্রকল্পে ফি বছর ৫ লক্ষ টাকার স্বাস্থ্যবিমার সুবিধা পাচ্ছেন কাশ্মীরবাসী।

    কেবল সরকারি সুযোগ সুবিধার ক্ষেত্রেই নয়, উন্নয়নের ছবি নজরে পড়ছে অন্যত্রও। ইতিমধ্যেই ১২০০ স্টার্টআপ রেজিস্টার্ড করে ফেলেছে। এর মধ্যে ফান্ডিং করে ফেলেছে ২০০। উপত্যকায় পরিকাঠামোগত উন্নয়নও হয়েছে। এক লক্ষ কোটি টাকার নয়া প্রোজেক্টও অনুমোদিত হয়েছে। ২০১৯ সালের আগে ফি বছর আট থেকে ন হাজার প্রজেক্ট কমপ্লিট হত। এখন এই সংখ্যাটা বেড়ে হয়েছে ৫১ হাজারের ওপর। যা প্রমাণ করে সরকারি কাজে গতি এসেছে, এসেছে স্বচ্ছতাও। উন্নয়নের গতি নজরে পড়ে অন্যত্রও। আগে যেখানে প্রতিদিন ছ কিলোমিটার করে রাস্তা তৈরি হত, এখন সেখানে তৈরি হয় ২০ কিলোমিটার। ব্যবসা করার জন্য দুশোরও বেশি প্রশাসনিক সংস্কার করা হয়েছে।

    আরও পড়ুন : গুজরাট, হিমাচল প্রদেশের সঙ্গেই নভেম্বরে ভোট হবে জম্মু-কাশ্মীরেও?

    প্রধানমন্ত্রী মোদি ও লেফটেন্যান্ট গভর্নরের নিরন্তর চেষ্টায় উপত্যকায় যে আক্ষরিক অর্থেই সোনা ফলেছে, তার উদাহরণ রয়েছে আরও। ইতিমধ্যেই ৫৬ হাজার কোটি লগ্নি প্রস্তাব পেয়েছে শিল্প দফতর। শিলান্যাস হয়েছে ৩৮ হাজার ৮০ কোটি টাকার প্রকল্পের। চলতি বছরের এপ্রিল মাসের মধ্যেই হয়েছে এই শিলান্যাস। ভূস্বর্গের বাস্তুতন্ত্রের কথাও মাথায় রেখেছে প্রশাসন। সেই কারণে উপত্যকায় ব্যাপক দূষণ ছড়ায় এমন শিল্পে উৎসাহ দিচ্ছে না সরকার। এর মধ্যে রয়েছে সিমেন্ট কারখানা, ইটভাটা, স্টোন ক্র্যাশার এবং আয়রণ ও স্টিল প্ল্যান্ট।

    ৩৭০ ধারা রদের পরে এভাবেই ছন্দে ফিরছে ভূস্বর্গ!

     

LinkedIn
Share