Tag: Jio

Jio

  • Mobile Network: ধীরে ধীরে ভারতবর্ষ হয়ে উঠছে 5G, এর সর্বোচ্চ স্পিড জানলে চমকে উঠবেন!

    Mobile Network: ধীরে ধীরে ভারতবর্ষ হয়ে উঠছে 5G, এর সর্বোচ্চ স্পিড জানলে চমকে উঠবেন!

    মাধ্যম নিউজ ডেস্ক: এবার মানুষের হাতের মুঠোয় দ্রুততম ইন্টারনেট পরিষেবা। ইতিমধ্যে বাজারে এসে পৌঁছেছে 5G। দ্রুত গতি, বিশাল নির্ভরযোগ্যতা এবং নগণ্য লেটেন্সি সহ এই 5G পরিষেবা পৃথিবীকে এক অন্য মাত্রায় নিয়ে যেতে চলেছে। 2G, 3G ছাড়িয়ে আমরা যখন 4G জমানায় আছি, তখন গোটা ভারতবর্ষ জুড়ে আসতে চলেছে 5G। ভারতের কিছু নেটওয়ার্ক (Mobile Network) পরিষেবা প্রদানকারী সংস্থা ইতিমধ্যে 5G নিয়ে এসেছে। যেগুলি সফলভাবে চলছে, তারা হল Airtel, JIO ।

    প্রথমে জানা দরকার 5G কী?

    এখানে G শব্দের অর্থ জেনারেশন (Generation)। 5G নেটওয়ার্কের স্পিড 4G নেটওয়ার্কের (Mobile Network) স্পিডের থেকে প্রায় ১০০ গুণ বেশি। এই ওয়্যারলেস নেটওয়ার্কের মাধ্যমে একসঙ্গে বহু ডিভাইসকে যোগ করা যাবে। অনেক দ্রুত গতিতে বড় বড় ফাইল ও ভিডিও ট্রান্সফার করা যাবে, ডাউনলোড করা যাবে খুব দ্রুত। এর মূল লক্ষ্য হল আল্ট্রা লো লেটেন্সি ও মাল্টি-জিবিপিএস ডেটার গতি সরবরাহ করা। 5G টেকনোলজি পাঁচটি প্রযুক্তি থেকে গঠিত হয়-মিলিমিটার ওয়েভ, স্পিড সেল, ম্যাক্সিমাম মিমো, বিমফর্মিং, ফুল ডুপ্লেক্স।

    কোন দেশ প্রথম 5G পরিষেবা  চালু করে?

    ২০১৯ সালে দক্ষিণ কোরিয়ায় প্রথম বাণিজ্যিকভাবে 5G নেটওয়ার্ক (Mobile Network) শুরু হয়েছিল। এখনও পৃথিবীর সব দেশে 5G নেটওয়ার্ক উপলব্ধ নয়। বর্তমানে কিছু দেশে 5G নেটওয়ার্ক রয়েছে, যেমন সিঙ্গাপুর, সাউথ কোরিয়া, জাপান, চিন, মার্কিন যুক্তরাষ্ট্র, ইউরোপ, অস্ট্রেলিয়া, কানাডা, মালয়েশিয়া, ভারত ইত্যাদি।

    ভারতে 5G পরিষেবা

    ২০২২ এর অক্টোবর মাসে আনুষ্ঠানিকভাবে ভারতে 5G পরিষেবা (Mobile Network) চালু করা হয়। ভারতে প্রথম এয়ারটেল ও জিও কোম্পানি এই পরিষেবা প্রদান করে। জিও কোম্পানি প্রথমে পরীক্ষামূলকভাবে দিল্লি, বারাণসী, কলকাতা এবং মুম্বইতে তাদের পরিষেবা শুরু  করেছিল। বর্তমানে প্রায় সমগ্র ভারতে এই পরিষেবা এখন উপলব্ধ। 

    5G পরিষেবা নিতে গেলে কী কী প্রয়োজন?

    5G পরিষেবা নিতে গেলে প্রথমে দেখতে হবে আপনি যে ফোনটি ব্যবহার করেন, সেটি 5G সাপোর্ট করে কি না। যদি করে তাহলে আপনার পুরনো 4G সিমটিকেই 5G তে পরিবর্তন করে নিতে পারেন কোনও রকম নম্বর না বদলে। আপনি যে কোম্পানির সিম ব্যবহার করেন, সেই কোম্পানির নিজস্ব অ্যাপ থেকেই আপনি 5G পরিষেবা (Mobile Network) চালু করতে পারেন।

    5G নেটওয়ার্কের সর্বোচ্চ স্পিড কেমন?

    বর্তমানে এখন যাঁরা এই পরিষেবা ব্যবহার করছে তাঁদের তথ্য অনুযায়ী এখনও পর্যন্ত সর্বোচ্চ স্পিড ৭০০ MBPS এর কাছাকাছি, যা সাধারণ মানুষের কাছে চমকে দেওয়ার মতো একটি স্পিড। ভবিষ্যতে আরও অনেক আপডেট আসতে চলেছে এই 5G পরিষেবায়। তাই আশা করাই যায়, আরও উন্নতি লাভ করবে এই পরিষেবা। আস্তে আস্তে সমগ্র ভারতবর্ষ হয়ে উঠবে 5G (Mobile Network)।

     

    দেশের খবর, দশের খবর, সব খবর, সবার আগে পেতে ফলো করুন আমাদের FacebookTwitter এবং Google News পেজ।

  • Reliance AGM 2022: কালীপুজোর সময়েই আসতে চলেছে জিও ৫জি! আগামী বছরেই সারা দেশে, জানুন কী বললেন মুকেশ আম্বানি

    Reliance AGM 2022: কালীপুজোর সময়েই আসতে চলেছে জিও ৫জি! আগামী বছরেই সারা দেশে, জানুন কী বললেন মুকেশ আম্বানি

    মাধ্যম নিউজ ডেস্ক: দীপাবলি থেকেই প্রাথমিক ভাবে ৫জি (5G) পরিষেবা চালু করার কথা জানিয়ে দিলেন, রিলায়েন্স ইন্ডাস্ট্রিজের এমডি ও চেয়ারম্যান মুকেশ অম্বানি (Mukesh Ambani)। অর্থাৎ কালীপুজোর সময়েই ৫জি পেয়ে যাবে শহরবাসী। মুকেশের কথায়, আগামী দু’মাসের মধ্যে, প্রাথমিক ভাবে দেশের চারটি শহরে এই পরিষেবা চালু হবে। এই শহরগুলির মধ্যে রয়েছে দিল্লি, মুম্বই, চেন্নাই এবং কলকাতা। প্রাথমিক ভাবে শুরু হওয়ার পর দেশের সমস্ত শহর এবং গ্রামাঞ্চলে তা চালু হতে বছরখানেক সময় লাগবে বলে জানিয়েছেন রিলায়েন্স কর্ণধার। তিনি বলেন, ২০২৩ সালের ডিসেম্বরের মধ্যে সমস্ত শহর, শহরতলি এবং গ্রামে পৌঁছে যাবে জিও-র ৫জি পরিষেবা।

    সোমবার রিলায়েন্স ইন্ডাস্ট্রির ৪৫ তম বার্ষিক সাধারণ বৈঠক ছিল। সেই বৈঠক থেকেই জিও-র 5G পরিষেবা নিয়ে ঘোষণা করেন মুকেশ আম্বানি। তিনি বলেন, “বিশ্বের সর্ববৃহৎ ও সবচেয়ে উন্নত 5G নেটওয়ার্ক হবে জিও 5G। 5G-র সর্বাধুনিক সংস্করণ নিয়ে আসবে জিও। যার নাম স্ট্যান্ড-অ্যালোন 5G। আমাদের 4G নেটওয়ার্কের উপর এর কোনও নির্ভরতা থাকবে না।” এরপর মুকেশের ছেলে তথা জিও-র চেয়ারম্যান আকাশ আম্বানি বলেন,”দেশে ৫জি পরিষেবা চালু করতে জিও ২ লক্ষ কোটি টাকা বিনিয়োগ করবে।”

    আরও পড়ুন: নিলাম হল ২০০৭ সালের প্রথম প্রজন্মের আইফোন! দাম শুনলে অবাক হবেন…

    এদিন মুকেশ অম্বানি বলেছেন, “জিও 5G পরিষেবা সাশ্রয়ী মূল্য়ে ও সর্বোচ্চ মানে দেশের প্রত্যেকটি জায়গা,প্রত্যেক জনগণ ও সবকিছুকে সংযুক্ত করবে। আমরা ভারতের অর্থনীতিকে চিন ও মার্কিন যুক্তরাষ্ট্রের থেকেও এগিয়ে রাখব। ভারতকে ডেটা-চালিত অর্থনীতিতে পরিণত করতে প্রতিশ্রুতিবদ্ধ আমরা।”

    সম্প্রতি ৫জি স্পেকট্রামের নিলাম করে কেন্দ্র। আর তাতেই এয়ারওয়েভের স্বত্ব কিনে নেয় রিলায়েন্স ইন্ডাস্ট্রিজ। প্রায় ১১ বিলিয়ন মার্কিন ডলারের চুক্তি হয়। প্রাথমিকভাবে মোট ১৩টি শহরে এই পরিষেবা চালু করবে জিও। সেই তালিকায় রয়েছে- দিল্লি, বেঙ্গালুরু, চণ্ডীগড়, হায়দ্রাবাদ, আহমেদাবাদ, গান্ধীনগর, গুরুগ্রাম, মুম্বই, পুনে, চেন্নাই, জামনগর, কলকাতা এবং লখনউ। আগামী অক্টোবরেই দেশে ৫জি রোলআউট হবে বলে জানা গিয়েছে। ধাপে ধাপে দেশের প্রতিটি কোণায় পরিষেবা পৌঁছে দেওয়ার নীলনকশা তৈরি করে ফেলেছে সংস্থা,দাবি জিও কর্ণধারের।

    দেশের খবর, দশের খবর, সব খবর, সবার আগে পেতে ফলো করুন আমাদের Facebook এবং Twitter পেজ।

  • Jio Independence Plan: জিও ইন্ডিপেন্ডেন্স ডে প্ল্যান, রিচার্জ করার আগে দেখে নিন অফারগুলি 

    Jio Independence Plan: জিও ইন্ডিপেন্ডেন্স ডে প্ল্যান, রিচার্জ করার আগে দেখে নিন অফারগুলি 

    মাধ্যম নিউজ ডেস্ক: আজকাল টেলিকম কোম্পানিগুলি প্রতিযোগীতায় টিকে থাকতে মাঝে মাঝেই বিভিন্ন ছাড়ের (Jio Independence Offer) ঘোষণা করে থাকে। টক টাইম থেকে ডেটা প্ল্যান, একের পর এক লোভনীয় ছাড়ের পেছনে ছোটেন মানুষও। অনেকেই বার বার রিচার্জের ঝামেলা এড়াতে চান। তাঁরা একবারে এক বছরের রিচার্জ করে নেন। এক ধাক্কায় অনেকটা টাকা চলে যায় ঠিকই, কিন্তু আখেরে এই প্ল্যানগুলিতে সাশ্রয়ই হয়।  

    আরও পড়ুন: বাবার মতো ভুল করতে চান না মুকেশ আম্বানি! দায়িত্ব দিচ্ছেন সন্তানদের হাতে

    সম্প্রতি বার্ষিক প্ল্যানে বড় ছাড়ের ঘোষণা করেছে জিও (Jio)। প্রিপেড ব্যবহারকারীরা এই রিচার্জ প্ল্যানগুলির সুবিধা নিতে পারেন। জেনে নিন প্ল্যানগুলি কী কী? 

    জিও তিনটি বার্ষিক রিচার্জ প্ল্যানে ছাড়ের ঘোষণা করেছে। এর মধ্যে দুটি রিচার্জে ৩৬৫ দিনের ভ্যালিডিটি রয়েছে। আর একটি প্ল্যানে আপনি ৩৩৬ দিনের ভ্যালিডিটি পাবেন। তিনটি প্ল্যানের দামে খুব বেশি পার্থক্য নেই, তবে সুবিধার ক্ষেত্রে অনেকটা পার্থক্য রয়েছে। 

    ২৫৪৫ টাকার প্ল্যান   

    কোম্পানির সবচেয়ে সস্তা বার্ষিক প্ল্যান হল ২৫৪৫ টাকা। এই প্ল্যানে ব্যবহারকারীরা ৩৩৬ দিনের ভ্যালিডিটি পাবেন। রিচার্জে, ব্যবহারকারীরা প্রতিদিন ১.৫ জিবি করে ডেটা পাবেন। অর্থাৎ প্ল্যানে মোট ৫০৮ জিবি ডেটা পাওয়া যাবে। এছাড়া, আনলিমিটেড কলিংয়ের সুবিধাও পাওয়া যাবে। প্রতিদিন ১০০ এসএমএস এবং জিও অ্যাপের সাবস্ক্রিপশন বিনামূল্যে পাবেন। 

    আরও পড়ুন: আকাশের পর ইশা! রিলায়েন্স রিটেইলের দায়িত্ব পেতে চলেছেন মুকেশ-কন্যা? 

    ২৮৭৯ টাকার প্ল্যান  

    এই প্ল্যান ব্যবহারকারীরা ৩৬৫ দিনের ভ্যালিডিটি পাবেন। জিওর এই রিচার্জ ২ জিবি দৈনিক ডেটা পাওয়া যাবে। অর্থাৎ, আপনি মোট সঙ্গে ৭৩০ জিবি ডেটা পাবেন। এছাড়াও, আনলিমিটেড কল এবং প্রতিদিন ১০০ এসএমএস- এর সুবিধা রয়েছে। জিও রিচার্জের সঙ্গে আপনি জিও টিভি, জিও সিনেমা, জিও সিকিওরিটি এবং জিও ক্লাউডের সাবস্ক্রিপশন বিনামূল্যে পাবেন।     

    ২৯৯৯ টাকার প্ল্যান  

    এই প্ল্যানের ভ্যালিডিটি ৩৬৫ দিন। এতে ব্যবহারকারীরা প্রতিদিন ২.৫ জিবি ডেটা পাবেন। অর্থাৎ পুরো প্ল্যানে আপনি ৯১২.৮ জিবি ডেটা পাবেন। গ্রাহকরা আনলিমিটেড কলিংয়ের সুবিধাও পাবেন। এর সঙ্গে, প্রতিদিন ১০০ এসএমএস- এর সুবিধাও রয়েছে। এই প্ল্যানের সঙ্গে আপনি ডিজনি+ হটস্টারের এক বছরের মোবাইল সাবস্ক্রিপশনও পাবেন। দেশের স্বাধীনতার ৭৫ বছর উপলক্ষ্যে কোম্পানি এই অফার দিচ্ছে।  ৭৫ জিবি অতিরিক্ত ডেটা ভাউচারসহ আজিও,নেটমেডস এবং ইক্সিগোর কুপনও পাওয়া যাবে এই অফারে। এই কুপনগুলি গ্রাহকদের মাই জিও অ্যাপে জমা হবে। সেখান থেকে আপনি রিডিম করতে পারবেন।       

     

     

  • Mobile Users: দেশজুড়ে মোবাইল ব্যবহারকারীর সংখ্যায় পতন, কোন সংস্থা কত লোকসানে?

    Mobile Users: দেশজুড়ে মোবাইল ব্যবহারকারীর সংখ্যায় পতন, কোন সংস্থা কত লোকসানে?

    মাধ্যম নিউজ ডেস্ক: একমাসে ৭৫ লক্ষ মোবাইল ফোন ব্যবহারকারীর (Active Mobile Users) সংখ্যা কমল দেশে। এমনটাই জানাল টেলিকম রেগুলেটরি অথরিটি অফ ইন্ডিয়া (Telecom Regulatory Authority of India)। চারমাসে এই প্রথম কমল এই সংখ্যা। এমনই তথ্য উঠে আসছে একটি গবেষণার রিপোর্ট থেকে।

    জানা গিয়েছে, এপ্রিল মাসে এয়ারটেল (Airtel) এবং ভোডাফোন (Vodafone) ব্যবহারকারীর সংখ্যা যথাক্রমে ৩১ লক্ষ এবং ৩৮ লক্ষ কমেছে। জিও (Jio) ব্যবহারকারীর সংখ্যায় কোনও তারতম্য দেখা যায়নি এপ্রিল মাসে। গোটা দেশে ওই মাসে মোবাইল ফোনের সক্রিয় ব্যবহারকারীর সংখ্যা ১০১ কোটিরও বেশি ছিল।

    আরও পড়ুন: এবার গুগল ম্যাপ দেখেই জানতে পারবেন টোল ট্যাক্সের তথ্য!আরও পড়ুন: এবার গুগল ম্যাপ দেখেই জানতে পারবেন টোল ট্যাক্সের তথ্য!

    বিশেষজ্ঞদের মতে, এই নিয়ে ১০ বছরে দ্বিতীয়বার মোবাইল ব্যবহারকারীর সংখ্যা কমল টেলিকম সংস্থাগুলির। প্রথমবার ২০২০-র এপ্রিল মাসে কোভিডের লকডাউন ঘোষণার পরে মোবাইল ফোন ব্যবহারকারীর সংখ্যা কমেছিল।

    আরও পড়ুন: আলবিদা ইন্টারনেট এক্সপ্লোরার! নস্টালজিক নেটদুনিয়া

    বেশ কিছুদিন ধরেই মন্দার মুখ দেখছে এয়ারটেল। দৈনিক ব্যবহারকারীর সংখ্যা আগেই কমেছে এই সংস্থার। ভিজিটর লোকেটর রেজিস্টার থেকে ব্যবহারকারীর পরিসংখ্যান পাওয়া যায়। কিন্তু কেউ যদি নেটওয়ার্ক কভারেজ স্থানের বাইরে থাকেন বা ফোনটি বন্ধ রাখেন তাহলে তাঁর বিষয়ে কোনও তথ্য পাওয়া যাবে না।  

    যেহেতু এপ্রিল ভ্রমণের মরসুম, তাই যেসব উপভোক্তারা ঘুরতে গিয়ে নেটওয়ার্কের বাইরে থাকবেন তাঁদের সক্রিয় ব্যবহারকারী হিসেবে ধরা যাবে না। কারণ তাঁদের কোনও তথ্য পাবে না টেলিকম সংস্থাগুলি। সেই কারণেও সংখ্যায় পতন হতে পারে। 

    গত কয়েক বছরেই মোবাইল ব্যবহারকারীর সংখ্যা ৬০ লক্ষ থেকে ১০০ কোটির গণ্ডি ছাড়িয়েছে। এতে সবচেয়ে বেশি কৃতিত্ব জিওর। জিও এবং এয়ারটেলের একবছরে যথাক্রমে ১১ লক্ষ এবং প্রায় ১৭ লক্ষ গ্রাহক বেড়েছে। ভোডাফোন উল্টে একবছরে ১৭ লক্ষ গ্রাহক হারিয়েছে। 

      

LinkedIn
Share