Tag: joe biden

joe biden

  • Gujarat Bridge collapse: মোরবির দুর্ঘটনায় মোদির পাশে থাকার বার্তা বাইডেনের! আজ ঘটনাস্থলে যাচ্ছেন প্রধানমন্ত্রী

    Gujarat Bridge collapse: মোরবির দুর্ঘটনায় মোদির পাশে থাকার বার্তা বাইডেনের! আজ ঘটনাস্থলে যাচ্ছেন প্রধানমন্ত্রী

    মাধ্যম নিউজ ডেস্ক: বিপদের সময় ভারতের পাশে থাকার বার্তা দিলেন আমেরিকার প্রেসিডেন্ট জো বাইডেন। সমবেদনা জানালেন ভাইস প্রেসিডেন্ট কমলা হ্যারিস। মোরবিতে সেতু বিপর্যয়ের (Morbi Bridge Collapse) ঘটনায়  শোক প্রকাশ করে ট্যুইট করেছেন বাইডেন। তিনি লেখেন, ‘জিল ও আমি ভারতে সেতু বিপর্যয়ে যাঁরা নিজের প্রিয়জনদের হারিয়েছেন তাঁদের প্রতি গভীর সমবেদনা জানাচ্ছি। এবং গুজরাটের জনগণের শোকে সমব্যথী। আমরা ভারতীয় জনগণের পাশে রয়েছি এবং তাঁদের সমর্থন করে যাব।’ তিনি বলেছেন, ‘মার্কিন যুক্তরাষ্ট্র ও ভারত অপরিহার্য অংশীদার। তার সঙ্গে মার্কিন নাগরিক ও ভারতীয় নাগরিকদের মধ্যেও গভীর বন্ধন রয়েছে। এই কঠিন সময়ে আমরা তাঁদের পাশে রয়েছি।’ 

    জো বাইডেন ছাড়াও বিশ্বের একাধিক রাষ্ট্রনেতা গুজরাটের এই ঘটনায় সমবেদনা প্রকাশ করেছেন। রাশিয়ার প্রেসিডেন্ট ভ্লাদিমির পুতিন, ইজরায়েলের প্রধানমন্ত্রী ইয়ের ল্যাপিড, শ্রীলঙ্কার প্রেসিডেন্ট রনিল বিক্রমসিঙ্ঘে, নেপালের প্রধানমন্ত্রী শের বাহাদুর দেউবা সহ একাধিক বিশ্বনেতা দুঃখ প্রকাশ করে বার্তা পাঠিয়েছেন। চিনা বিদেশমন্ত্রকের মুখপাত্র ঝাও লিজিয়ানও এই দুর্ঘটনায় শোকপ্রকাশ করেছেন। কানাডার প্রধানমন্ত্রী জাস্টিন ট্রুডো, জাপানের প্রধানমন্ত্রী ফুমিও কিশিদা-সহ নানা দেশের রাষ্ট্রপ্রধানরা ভারতের পাশে থাকার বার্তা দিয়েছেন। শোকবার্তা জানিয়েছেন পোল্যান্ডের প্রধানমন্ত্রীও। 

    প্রসঙ্গত, রবিবার সন্ধ্যায় গুজরাটের মোরবিতে ব্রিটিশ আমলে তৈরি কেবল সেতু ভেঙে এখনও পর্যন্ত কমপক্ষে ১৪১ জনের মৃত্যু হয়েছে। মৃতের সংখ্যা আরও বাড়তে পারে বলে আশঙ্কা করা হচ্ছে। মঙ্গলবারই মোরবি যাচ্ছেন প্রধানমন্ত্রী নরেন্দ্র মোদি। এখন গুজরাটেই রয়েছেন মোদি। আজ ঘটনাস্থলে গিয়ে পরিস্থিতি খতিয়ে দেখবেন প্রধানমন্ত্রী, স্বজনহারাদের সঙ্গে কথাও বলতে পারেন তিনি। সেতু ভেঙে পড়ার বিপর্যয় নিয়ে সোমবার গান্ধীনগরে একটি উচ্চপর্যায়ের বৈঠক করেছেন প্রধানমন্ত্রী। মোরবির দুর্ঘটনার জন্য গুজরাট সরকার বুধবার রাজ্যজুড়ে শোক পালনের ডাক দিয়েছে।

    দেশের খবর, দশের খবর, সব খবর, সবার আগে পেতে ফলো করুন আমাদের Facebook এবং Twitter পেজ। 

  • Joe Biden: পাকিস্তান বিশ্বের বিপজ্জনক দেশগুলির একটি, মার্কিন তোপে বেকায়দায় ইসলামাবাদ

    Joe Biden: পাকিস্তান বিশ্বের বিপজ্জনক দেশগুলির একটি, মার্কিন তোপে বেকায়দায় ইসলামাবাদ

    মাধ্যম নিউজ ডেস্ক: এ যেন বিনা মেঘে বজ্রপাত! পাকিস্তানকে (Pkistan) বিশ্বের বিপজ্জনক দেশগুলির একটি বলে দেগে দিল আমেরিকা (America)। শনিবার লস অ্যাঞ্জেলেসে ডেমক্রেটিক কংগ্রেসনার ক্যাম্পেন কমিটির রিসেপশনে ভাষণ দিচ্ছিলেন মার্কিন প্রেসিডেন্ট জো বাইডেন (Joe Biden)। তখন তিনি বলেন, পাকিস্তান বিশ্বের অন্যতম বিপজ্জনক দেশ। উপযুক্ত সুরক্ষা ছাড়াই পরমাণু অস্ত্র রেখেছে।

    এদিন বাইডেন (Joe Biden) বলেন, এই লোকটি (শি জিনপিং) যিনি বোঝেন তিনি কী চান, কিন্তু তাঁর সামনে রয়েছে সমস্যার পাহাড়। আমরা কীভাবে সেটা হ্যান্ডেল করব? রাশিয়ায় বর্তমানে যা চলছে, তাই বা হ্যান্ডেল করব কীভাবে? এর পরেই পাকিস্তানকে নিশানা করেন তিনি। বলেন, আমি মনে করি, বিশ্বের অন্যতম বিপজ্জনক একটি দেশ হল পাকিস্তান। যারা সুরক্ষা ছাড়াই রেখেছে পারমাণবিক অস্ত্র। সম্প্রতি পাকিস্তানকে এফ-১৬ যুদ্ধ বিমানের সরঞ্জাম সরবরাহের আশ্বাস দিয়েছিল আমেরিকা। তখন পাকিস্তানের হয়ে সাফাই দিতে গিয়ে মার্কিন বিদেশ সচিব অ্যান্টনি ব্লিঙ্কেন বলেছিলেন, খুব স্পষ্ট করে বলতে গেলে পাকিস্তানের কাছে দীর্ঘদিন ধরে রয়েছে এফ-১৬ যুদ্ধ বিমান। এগুলি পুরানো প্লেন এবং সিস্টেম, যা ইতিমধ্যেই তাদের কাছে রয়েছে। আমরা এই বহরের রক্ষণাবেক্ষণ ও টিকিয়ে রাখার জন্য সামরিক সরঞ্জাম সরবরাহ করি। তাদের প্রতি আমাদের দায়িত্ব ও বাধ্যবাধকতা রয়েছে।

    মার্কিন বিদেশ সচিবের এহেন মন্তব্যের ছাপ পড়েছিল ভারত-মার্কিন সম্পর্কে। মার্কিন ওই সিদ্ধান্তের জেরে প্রকাশ্যে অসন্তোষ প্রকাশ করেছিল নয়াদিল্লি। সেপ্টেম্বরের শেষ সপ্তাহে আমেরিকায় গিয়ে বাইডেন সরকারকে কটাক্ষ করে বিদেশমন্ত্রী জয়শঙ্কর বলেছিলেন, আপনারা আমাদের বোকা বানাতে পারবেন না। ভারতের বিদেশমন্ত্রীর ওই মন্তব্যের পর বিবৃতি জারি করে শেহবাজ শরিফের দেশ বলেছিল, মার্কিন যুক্তরাষ্ট্রের সঙ্গে পাকিস্তানের দীর্ঘস্থায়ী এবং বিস্তৃত সম্পর্ক রয়েছে। এই সম্পর্কের মৌলিক নিয়মগুলিকে সম্মান করার এবং আমেরিকা ও পাকিস্তানের মধ্যে দ্বিপাক্ষিক সম্পর্কের বিষয়ে মন্তব্য করা থেকে বিরত থাকার আহ্বান জানানো হচ্ছে ভারতকে। ভারত তার কূটনৈতিক আচরণ খতিয়ে দেখুক।

    আরও পড়ুন: আগ্রহী খোদ আমেরিকা, ন্যাটোর অন্তর্ভুক্ত হচ্ছে মোদির দেশ?

    এর পর এদিন মার্কিন প্রেসিডেন্টের এই মন্তব্য তাৎপর্যপূর্ণ বলেই ধারণা আন্তর্জাতিক কূটনীতিকদের। সন্ত্রাসে আর্থিক মদত দেওয়ার অভিযোগে চার বছর ধরে ধূসর তালিকায় রয়েছে পাকিস্তান। সেই কলঙ্ক মোছার কথা ছিল খুব শীঘ্রই। বাইডেনের এই মন্তব্যের জেরে শাহবাজ শরিফের দেশ যে বেশ বেকায়দায় পড়ল, তা বলার অপেক্ষা রাখে না।

     

    দেশের খবর, দশের খবর, সব খবর, সবার আগে পেতে ফলো করুন আমাদের Facebook এবং Twitter পেজ।

  • Shehbaz Sharif: বাইডেনের “বিপজ্জনক দেশ” মন্তব্যে কী বলছে পাকিস্তান?

    Shehbaz Sharif: বাইডেনের “বিপজ্জনক দেশ” মন্তব্যে কী বলছে পাকিস্তান?

    মাধ্যম নিউজ ডেস্ক: শনিবারই তোপ দেগেছিলেন মর্কিন প্রেসিডেন্ট জো বাইডেন (Joe Biden)। তার পর চব্বিশ ঘণ্টা কাটতে না কাটতেই তীব্র প্রতিক্রিয়া দিল পাকিস্তান (Pakistan)। পাকিস্তানের প্রধানমন্ত্রী শেহবাজ শরিফ (Shehbaz Sharif) রবিবার বাইডেনের মন্তব্যের প্রেক্ষিতে দাবি করেন, তাঁর মন্তব্য তথ্যগতভাবে ভুল এবং বিভ্রান্তিকর। এদিন সাংবাদ মাধ্যমে প্রতিক্রিয়া দিতে গিয়ে শেহবাজ শরিফ (Shehbaz Sharif) বলেন, গত কয়েক দশক ধরে পাকিস্তান প্রমাণ করেছে যে সে সব চেয়ে দায়িত্বশীল পারমাণবিক শক্তিধর রাষ্ট্র। যাবতীয় পারমাণবিক কর্মসূচি পালিত হয় উন্নত প্রযুক্তির সাহায্যে। পুরো বিষয়টি ওপর আমাদের নিয়ন্ত্রণ রয়েছে। কর্মসূচি পালনের সময় নিশ্চিদ্র নিরাপত্তার যাবতীয় ব্যবস্থাও করা হয়।

    শেহবাজ শরিফ (Shehbaz Sharif) বলেন, পাকিস্তানের সঙ্গে আমেরিকার বন্ধুত্বের একটা দীর্ঘ ইতিহাস রয়েছে। পারস্পরিক সাহায্যের সম্পর্ক রয়েছে। যখন গোটা বিশ্ব নানা চ্যালেঞ্জের মুখোমুখি তখন অপ্রয়োজনীয় মন্তব্য এড়িয়ে মার্কিন-পাক সম্পর্ক আরও দৃঢ় করা প্রয়োজন। আঞ্চলিক শান্তি ও নিরাপত্তা বজায় রাখতে আমরা চাই আমেরিকা আমাদের সহযোগিতা করুক। শনিবার লস অ্যাঞ্জেলেসে ডেমক্রেটিক কংগ্রেসনার ক্যাম্পেন কমিটির রিসেপশনে ভাষণ দিচ্ছিলেন মার্কিন প্রেসিডেন্ট জো বাইডেন। তখন তিনি বলেন, পাকিস্তান বিশ্বের অন্যতম বিপজ্জনক দেশ। উপযুক্ত সুরক্ষা ছাড়াই পরমাণু অস্ত্র রেখেছে। এদিন তারই প্রতিক্রিয়া দিল পাকিস্তান।

    আরও পড়ুন: পাকিস্তান বিশ্বের বিপজ্জনক দেশগুলির একটি, মার্কিন তোপে বেকায়দায় ইসলামাবাদ

    বাইডেন বলেন, এই লোকটি (শি জিনপিং) যিনি বোঝেন তিনি কী চান, কিন্তু তাঁর সামনে রয়েছে সমস্যার পাহাড়। আমরা কীভাবে সেটা হ্যান্ডেল করব? রাশিয়ায় বর্তমানে যা চলছে, তাই বা হ্যান্ডেল করব কীভাবে? এর পরেই পাকিস্তানকে নিশানা করেন তিনি। বলেন, আমি মনে করি, বিশ্বের অন্যতম বিপজ্জনক একটি দেশ হল পাকিস্তান। যারা সুরক্ষা ছাড়াই রেখেছে পারমাণবিক অস্ত্র। সম্প্রতি পাকিস্তানকে এফ-১৬ যুদ্ধ বিমানের সরঞ্জাম সরবরাহের আশ্বাস দিয়েছিল আমেরিকা। তখন পাকিস্তানের হয়ে সাফাই দিতে গিয়ে মার্কিন বিদেশ সচিব অ্যান্টনি ব্লিঙ্কেন বলেছিলেন, খুব স্পষ্ট করে বলতে গেলে পাকিস্তানের কাছে দীর্ঘদিন ধরে রয়েছে এফ-১৬ যুদ্ধ বিমান। এগুলি পুরানো প্লেন এবং সিস্টেম, যা ইতিমধ্যেই তাদের কাছে রয়েছে। আমরা এই বহরের রক্ষণাবেক্ষণ ও টিকিয়ে রাখার জন্য সামরিক সরঞ্জাম সরবরাহ করি। তাদের প্রতি আমাদের দায়িত্ব ও বাধ্যবাধকতা রয়েছে। এর পর কড়া প্রতিক্রিয়া দিয়েছিল ভারত। তার জেরেই শনিবার বাইডেন পাকিস্তানকে নিশানা করেন বলে ধারণা কূটনৈতিক মহলের একাংশের।

    দেশের খবর, দশের খবর, সব খবর, সবার আগে পেতে ফলো করুন আমাদের Facebook এবং Twitter পেজ।

  • Joe Biden on Taiwan: তৃতীয় বিশ্বযুদ্ধের ভ্রুকুটি! চিন হামলা করলে তাইওয়ানের হয়ে লড়বে মার্কিন ফৌজ, হুঁশিয়ারি বাইডেনের

    Joe Biden on Taiwan: তৃতীয় বিশ্বযুদ্ধের ভ্রুকুটি! চিন হামলা করলে তাইওয়ানের হয়ে লড়বে মার্কিন ফৌজ, হুঁশিয়ারি বাইডেনের

    মাধ্যম নিউজ ডেস্ক: দিন দিন সম্পর্কের অবনতি হচ্ছে বিশ্বের দুই শক্তিধর দেশ চিন (China) এবং আমেরিকার (USA)। আর এর মাঝেই চিনের বিরুদ্ধে বিস্ফোরক মন্তব্য করলেন মার্কিন রাষ্ট্রপতি জো বাইডেন (US President Joe Biden)। বাইডেন বলেন, “চিন তাইওয়ান আক্রমণ করলে যুক্তরাষ্ট্র তাইওয়ানকে (Taiwan) রক্ষা করবে।” চিন বহুদিন ধরেই তাইওয়ানের ওপর নিজের অধিকার দাবি করে আসছে। এই বিষয়ে রবিবার এক সংবাদমাধ্যমকে দেওয়া এক সাক্ষাৎকারে বাইডেন বলেন, “যদি তাইওয়ানের ওপর অপ্রত্যাশিত কোনো হামলা আসে, তাহলে যুক্তরাষ্ট্র তাদের পাশে থাকবে।” সত্যিই কী বিশ্বের দুই শক্তিধর দেশ এবার সম্মুখ সমরে? এটাই কী তৃতীয় বিশ্বযুদ্ধের পূর্বাভাস? এখন এই চিন্তাই ভাবাচ্ছে রাজনৈতিক মহলকে। যদিও এই সাক্ষাৎকার সম্প্রচারিত হওয়ার পরই হোয়াইট হাউজ জানায়, তাইওয়ান নিয়ে মার্কিন নীতিতে কোনও পরিবর্তন হয়নি।

    আরও পড়ুন: এবার আস্তিন গুটিয়ে চিনের পাল্টা মহড়ায় নামল তাইওয়ানও

    চিনের পূর্ব উপকূলে অবস্থিত স্বশাসিত দ্বীপ তাইওয়ান। বহুদিন ধরেই দ্বীপরাষ্ট্রটিকে নিজের অংশ বলে দাবি করে আসছে জিংপিং- এর দেশ। ওয়াশিংটন এই ইস্যুতে বরাবরই কূটনৈতিক অবস্থান নিয়েছে। এ বিষয়ে এর আগে সরাসরি ঢুকতে চায়নি যুক্তরাষ্ট্র। দ্বীপদেশটির সঙ্গে ওয়াশিংটনের কোনো কূটনৈতিক সম্পর্ক নেই। তবে তাইওয়ানের সঙ্গে ওয়াশিংটনের ঘনিষ্ঠ সম্পর্ক রয়েছে। তাইওয়ান রিলেশনস অ্যাক্ট অনুসারে ওয়াশিংটন তাইওয়ানে অস্ত্র বিক্রি করে। এ মাসের শুরুতে যুক্তরাষ্ট্র তাইওয়ানের প্রতিরক্ষা খাতে ১১০ কোটি ডলারের অস্ত্র বিক্রি করতে সম্মত হয়েছে। আমেরিকা চায় তাইওয়ানের সমস্যাটির শান্তিপূর্ণভাবে সমাধান হোক।  

    সম্প্রতি, মার্কিন প্রতিনিধি পরিষদের স্পিকার ন্যান্সি পেলোসি সহ বেশ কয়েকজন আধিকারিক তাইওয়ান সফর করেন। এর পরেই মার্কিন-চিন সম্পর্কে আরও অবনতি হয়েছে। মার্কিন প্রতিনিধিদের তাইওয়ান থেকে ফিরে যাওয়ার পরেই সামরিক অনুশীলন শুরু করে চিন।

    আরও পড়ুন: তাইওয়ানের ক্ষেপণাস্ত্র নির্মাণকারী সংস্থার শীর্ষ আধিকারিকের মৃত্যু, রহস্য  

    সম্প্রতি তাইওয়ানের প্রতিরক্ষা সহযোগিতা বৃদ্ধি সংক্রান্ত একটি বিল মার্কিন সেনেটে পাশ হয়েছে। এই বিল অনুমোদন পাওয়ার পরেই চিন অসন্তোষ প্রকাশ করেছে। চিনের বিদেশ মন্ত্রক আমেরিকার বিরুদ্ধে বিবৃতি জারি করে বলে, ‘এক চিন নীতি’- র অবমাননা করেছে আমেরিকা। চিনের আভ্যন্তরীণ বিষয়ে আমেরিকার হস্তক্ষেপ মেনে নেওয়া হবে না। 

    এই মুহূর্তে চিনের শি জিনপিংয়ের সরকার সমুদ্রে ক্ষেপণাস্ত্র নিক্ষেপ করে এবং আশেপাশের এলাকায় ফাইটার প্লেন উড়িয়ে তাইওয়ানকে ভয় দেখানোর চেষ্টা করছে। আর এর মাঝেই তাইওয়ানের পাশে থাকার আশ্বাস দিলেন বাইডেন। 

    দেশের খবর, দশের খবর, সব খবর, সবার আগে পেতে ফলো করুন আমাদের Facebook এবং Twitter পেজ।

  • Al-Qaeda: মার্কিন হামলায় নিহত আল-কায়দা প্রধান আল-জাওয়াহিরি, এবার নেতৃত্বে কে? জানুন 

    Al-Qaeda: মার্কিন হামলায় নিহত আল-কায়দা প্রধান আল-জাওয়াহিরি, এবার নেতৃত্বে কে? জানুন 

    মাধ্যম নিউজ ডেস্ক: আফগানিস্তানে (Afghanistan) মার্কিন ড্রোন হামলায় (US Drone strike) নিহত হয়েছেন আল-কায়দা (Al-Qaeda) প্রধান আয়মান আল-জাওয়াহিরি (Ayman Al-Zawahiri)। এমনটাই দাবি করেছেন মার্কিন প্রেসিডেন্ট জো বাইডেন (US President Joe Biden)। হোয়াইট হাউস সূত্রে খবর, শনিবার বিকেলে আমেরিকার ড্রোন হামলায় আল-কায়দা প্রধানের মৃত্যু হয়েছে। মার্কিন প্রেসিডেন্ট লিখেছেন, ‘ন্যায়বিচার মিলল, এই জঙ্গি নেতা আর বেঁচে নেই।’

    আরও পড়ুন: চিকিৎসক থেকে জঙ্গি ! জেনে নিন আল-কায়দা প্রধান আয়মান আল-জাওয়াহিরির ইতিহাস 

    টেলিভিশনে ভাষণ দিতে গিয়ে জো বাইডেন (Joe Biden) দাবি করেছেন, কাবুলে মার্কিন ড্রোন হানায় মৃত্যু হয়েছে ৭১ বছর বয়সি আল কায়দা প্রধানের৷ তবে এই অপারেশনে কোনও সাধারণ মানুষের প্রাণহানি ঘটেনি৷ মার্কিন প্রেসিডেন্ট আরও দাবি করেছেন, বিশ্বের সবথেকে কুখ্যাত এই সন্ত্রাসবাদী প্রাণ হারানোয় ২০০১ সালের ১১ সেপ্টেম্বর ওয়ার্ল্ড ট্রেড সেন্টারে (WTC) বিমান হানায় প্রাণ হারানো তিন হাজার মানুষের পরিবার ন্যায়বিচার পেল৷ পরে, ট্যুইটারে মার্কিন প্রেসিডেন্ট বাইডেন লিখেছেন, ‘শনিবার, আমার নির্দেশে, মার্কিন যুক্তরাষ্ট্র সফলভাবে আফগানিস্তানের কাবুলে (Kabul) ড্রোন হামলা চালায়। এই হামলায় আল-কায়দার আমির (প্রধান), আয়মান আল-জাওয়াহিরি নিহত হয়েছেন। যথার্থ বিচার হয়েছে।’  

    আয়মান আল-জাওয়াহিরির মৃত্যুর পর ব্যাপক নেতৃত্ব সংকটে আল-কায়দা। মধ্য প্রাচ্যের একটি সংস্থার মতে সাইফ আল-আদেল (Saif al-Adel) নিতে চলেছেন এই জঙ্গি সংগঠনের দায়িত্ব। 

    কে এই সাইফ আল-আদেল?

    ১৯৮০ সালে এই সাইফ আল-আদেল মাক্তাব আল-খিদমাত নামের চরমপন্থী সংগঠনে যোগদান করেন। ইজিপশিয়ান ইসলামিক জিহাদের সময় সাইফের পরিচয় হয় লাদেন এবং আল-জাওয়াহিরির সঙ্গে। তারপর থেকেই আল-কায়দার সঙ্গে যুক্ত তিনি। ১৯৮০ সালে রুশ সেনার বিরুদ্ধে আফগানিস্তানে যুদ্ধও করেন এই কুখ্যাত জঙ্গি। এমনটাই দাবি মার্কিন গোয়েন্দা সংস্থার।

    আরও পড়ুন: মার্কিন ড্রোন হামলায় খতম আল-কায়দা প্রধান আয়মান আল-জাওয়াহিরি    

    ওসামা বিন লাদেনের দেহরক্ষীদের প্রধান ছিলেন এই সাইফ। ২০০১ সাল থেকে যুক্তরাষ্ট্রের ‘মোস্ট ওয়ান্টেড’ তালিকায় রয়েছে তাঁর নাম। তাঁর মাথার দাম ১ কোটি মার্কিন ডলার রেখেছে আমেরিকা। মার্কিন গোয়েন্দা সংস্থাগুলির মতে, বহু মার্কিন নাগরিক খুন, নাশকতা, আমেরিকার সম্পত্তি নষ্টের মতো ঘটনায় মূল চক্রী ছিলেন এই জঙ্গি। ১৯৯৩ সাল থেকে মার্কিন সেনা খুঁজছে এই কুখ্যাত জঙ্গিকে। ‘ব্ল্যাক হক ডাউন’ নাশকতার সঙ্গেও যুক্ত ছিলেন এই জঙ্গি। এই হামলায় ১৮ জন মার্কিন নাগরিক প্রাণ হারান। তখন সাইফের বয়স ছিল ৩০ বছর। যদিও মধ্য প্রাচ্যের ওই সংস্থা এও দাবি করেছে যে, ইরানের উপস্থিতিতে সাইফকে আল-কায়দার প্রধানের পদ দেওয়া খুব একটা সহজ হবে না। 

     

     

  • Joe Biden: দশ দিন না পেরোতেই ফের করোনায় আক্রান্ত মার্কিন প্রেসিডেন্ট জো বাইডেন

    Joe Biden: দশ দিন না পেরোতেই ফের করোনায় আক্রান্ত মার্কিন প্রেসিডেন্ট জো বাইডেন

    মাধ্যম নিউজ ডেস্ক: আবারও করোনা (Corona) ভাইরাসে আক্রান্ত হয়েছেন মার্কিন প্রেসিডেন্ট জো বাইডেন (Joe Biden)। এক সপ্তাহও পেরোয়নি, ফের কোভিডের রিপোর্ট পজিটিভ এসেছে তাঁর। এই নিয়ে দ্বিতীয়বার করোনায় আক্রান্ত হলেন তিনি। হোয়াইট হাউজ থেকে জানানো হয়েছে, শনিবার সকালেই তাঁর কোভিড টেস্টের রিপোর্ট পজিটিভ এসেছে। তিনি এখন হোয়াইট হাউজেই নিভৃকবাসে আছেন।

    আরও পড়ুন: করোনা আক্রান্ত মার্কিন রাষ্ট্রপতি, ভিডিও বার্তায় জানালেন নিজেই

    তাঁর চিকিৎসক ডা. কেভিন ও’কনোর (Kevin O’Connor) জানিয়েছন, এর আগে মঙ্গলবার থেকে শুক্রবার পর্যন্ত টানা চারদিন বাইডেনের কোভিড পরীক্ষা করা হয়েছিল। কিন্তু তাঁর রিপোর্ট নেগেটিভ এসেছিল। কিন্তু শনিবার আবার তাঁর ‘অ্যান্টিজেন টেস্ট’ করা হলে তাঁর রিপোর্ট ‘পজিটিভ’ আসে। এরপর তাঁর চিকিৎসকরা তাঁকে আবারও নিভৃতবাসে থাকার পরামর্শ দেন। আপাতত পাঁচ দিন তিনি হোয়াইট হাউসেই নিভৃতবাসে থাকবেন।

    প্রসঙ্গত, গত ২১ জুলাই প্রথম করোনাভাইরাসে আক্রান্ত হন ৭৯ বছর বয়সী জো বাইডেন। তখন তাঁর করোনার মৃদু উপসর্গ ছিল বলে হোয়াইট হাউজের পক্ষ থেকে এক বিবৃতিতে জানোনো হয়েছিল। তবে তাঁকে চিকিৎসকদের বিশেষ নজরে রাখা হয়েছিল। গত মঙ্গলবার তাঁর করোনা রিপোর্ট নেগেটিভ আসলে চিকিৎসকরা জানান যে, তাঁকে আর আইসেলেশনে থাকার প্রয়োজন নেই। কিন্তু এরপর আবার বাইরে বেরোতেই ফের করোনায় আক্রান্ত হয়ে পড়লেন।

    আরও পড়ুন: দেড় বছর পর ওয়াশিংটনে, আবারও প্রার্থী হওয়ার ইঙ্গিত দিলেন ট্রাম্প

    চিকিৎসকরা আরও জানিয়েছেন, এক সপ্তাহের মধ্যেই ফের করোনা আক্রান্ত হওয়া আসলে ‘রিবাউন্ড পজিটিভিটি’ (Rebound Positivity)। অর্থাৎ বাইডেনের করোনা পরিস্থিতিতে প্যাক্সলোভিড (PAXLOVID) নামক ওষুধ দিয়ে চিকিৎসা করানো হয়েছিল, তাতে সমস্ত ভাইরাস মরে যায়। কিন্তু ওষুধের কোর্স শেষ হতেই রিপোর্ট ফের পজেটিভ চলে আসে। যদিও বর্তমানে তাঁর করোনার লক্ষণ দেখা যায়নি ও সুস্থই আছেন তিনি। ফলে তেমন কোনও বিশেষ চিকিৎসার প্রয়োজন নেই বলে জানিয়েছেন চিকিৎসকরা। উল্লেখ্য, প্রেসিডেন্ট ইতিমধ্যেই কোভিডের দু’টি টিকা এবং দু’বার বুস্টার ডোজ নিয়েছেন। তবে এই ভাবে করোনা থেকে মুক্তি পাওয়ার অল্প কিছু দিনের মধ্যেই আবার এই রোগে আক্রান্ত হওয়া একেবারেই বিরল ঘটনা বলে জানিয়েছেন চিকিৎসকরা।    

  • Donald Trump: দেড় বছর পর ওয়াশিংটনে, আবারও প্রার্থী হওয়ার ইঙ্গিত দিলেন ট্রাম্প

    Donald Trump: দেড় বছর পর ওয়াশিংটনে, আবারও প্রার্থী হওয়ার ইঙ্গিত দিলেন ট্রাম্প

    মাধ্যম নিউজ ডেস্ক: দেড় বছর আগে হোয়াইট হাউস (White House) ছেড়েছিলেন মার্কিন যুক্তরাষ্ট্রের প্রাক্তন প্রেসিডেন্ট (Former US President) ডোনাল্ড ট্রাম্প (Donald Trump)। এরপর আর ওয়াশিংটনে ফেরেননি তিনি। তবে গতকাল মঙ্গলবার আবারও ওয়াশিংটনে দেখা গেল তাঁকে। এদিন সমর্থকদের উদ্দেশে দেওয়া ভাষণে ট্রাম্প আবারও ইঙ্গিত করেছেন যে, ২০২৪ সালের নির্বাচনে তিনি আবারও প্রেসিডেন্ট পদে লড়বেন। তিনি প্রায় ১৮ মাস আগে হোয়াইট হাউস ছেড়ে চলে গেলে তাঁকে আর ওয়াশিংটনে দেখা যায়নি। কিন্তু ফিরে এসেই তাঁর এই বক্তব্য নিয়ে জোর আলোচনা শুরু হয়ে গিয়েছে সমস্ত দেশের রাজনৈতিক মহলে।

    তিনি এদিন বক্তব্য রাখতে গিয়ে জানিয়েছেন, তিনি প্রথমবার লড়ে জিতে গিয়েছিলেন। এরপর দ্বিতীয়বার প্রার্থী হয়েও ভালোই করেছিলেন। তাই আবারও হয়তো তাঁকে প্রার্থী হতে হবে, তবেই দেশকে শৃঙ্খলার মধ্যে আনতে পারবেন তিনি। তাঁর বিশ্বাস পরবর্তী রিপাবলিক প্রেসিডেন্ট হতে চলেছেন তিনি। এছাড়াও ২০২০ সালের নির্বাচনে নিজেকে জয়ী উল্লেখ করে ট্রাম্প যে মিথ্যা দাবি করে থাকেন তা নিয়ে আবারও বলেছেন এদিন।

    আরও পড়ুন: পুতিনের অবস্থা সঙ্কটজনক, কতদিন সময় তাঁর হাতে?

    আবার তিনি এদিন মার্কিন যুক্তরাষ্ট্রের বর্তমান প্রেসিডেন্ট জো বাইডেন (Joe Biden) কেও কটাক্ষ করতে ছাড়েননি। তিনি বলেছেন, দেশের এমন অবস্থার জন্য বাইডেনই দায়ী। তিনি দাবি করেছেন, দেশ এখন অবনতির দিকে এগোচ্ছে আর এসবের জন্য দায়ী জো বাইডেন। ৪৯ বছরে মুদ্রাস্ফীতি সবচেয়ে বেশি বেশি, গ্যাসের দামও ইতিহাসে প্রথমবার সর্বোচ্চ পর্যায়ে পৌঁছেছে। তিনি আরও জানিয়েছেন, বাইডেনের অনুমতিতেই বহিরাগতরা তাদের দেশে প্রবেশ করছে। ফলে সব দেশের অপরাধীদের যুক্তরাষ্ট্রে পাঠিয়ে দিচ্ছে আর সবকিছুর পেছনে বাইডেন দায়ী। এমনকি আফগানিস্তানের পরিস্থিতি ও রাশিয়া-ইউক্রেনের যুদ্ধের পেছনেও বাইডেনই আছেন বলেছেন ট্রাম্প। এসবের কিছুই হত না যদি তিনি কমান্ডার-ইন-চিফ হতেন এমনটাই দাবি ট্রাম্পের।

    এছাড়াও ট্রাম্পের বক্তব্য রাখার আগে এদিন তাঁর প্রাক্তন ভাইস প্রেসিডেন্ট, মাইক পেন্স (Mike Pence) বক্তব্য রাখেন ও তিনিও যে ২০২৪ -এর রাষ্ট্রপতি নির্বাচনে প্রার্থী হতে পারেন এমনটাই ইঙ্গিত দিয়েছেন।

    আরও পড়ুন: ফের রক্তাক্ত আমেরিকা, স্বাধীনতা দিবসের প্যারেডে গুলি, মৃত ৯

  • Joe Biden: করোনা আক্রান্ত মার্কিন রাষ্ট্রপতি, ভিডিও বার্তায় জানালেন নিজেই

    Joe Biden: করোনা আক্রান্ত মার্কিন রাষ্ট্রপতি, ভিডিও বার্তায় জানালেন নিজেই

    মাধ্যম নিউজ ডেস্ক: কোভিড আক্রান্ত (Covid-19) মার্কিন প্রেসিডেন্ট জো বাইডেন (Joe Biden)। বৃহস্পতিবার খবরটি নিশ্চিত করেছে হোয়াইট হাউস (White House)। বর্তমানে নিভৃতাবাসে (Isolation) রয়েছেন মার্কিন প্রেসিডেন্ট (US President)। হোয়াইট হাউসের তরফ থেকে জানানো হয়েছে, রোগের খুব সামান্য উপসর্গ রয়েছে প্রেসিডেন্টের। চিকিৎসকরা জানিয়েছেন, চিকিৎসায় ভালোভাবে সাড়া দিচ্ছেন তিনি। দ্রুত সেরে উঠবেন। চিকিৎসকরা এও জানিয়েছেন, যেহেতু তাঁর সবকটি টিকা নেওয়া আছে তাই চিন্তার কোনও কারণ নেই।

    আরও পড়ুন: পিছন থেকে ডাকছে কে! মোদিকে দেখে এগিয়ে এলেন বাইডেন

    ফাইজারের তৈরি অ্যান্টি-ভাইরাল ট্রিটমেন্ট ‘প্যাক্সলোভিড’ (Paxlovid) নেওয়া শুরু করেছেন ৭৯ বছর বর্ষীয় জো বাইডেন। এই প্রথম করোনা ভাইরাসে আক্রান্ত হলেন বাইডেন। প্রেসিডেন্টের চিকিৎসক কেভিন ও’কনর (Dr. Kevin O’Connor) জানিয়েছেন, বাইডেনের সর্দি লেগেছে, সামান্য শুকনো কাশি রয়েছে এবং ক্লান্তিও রয়েছে। হোয়াইট হাউসের তরফ থেকে জানানো হয়েছে, কোভিডজনিত সমস্য়া কমানোর জন্য বিশেষ ধরনের অ্যান্টি-ভাইরাল ওষুধ দেওয়া হচ্ছে জো বাইডেনকে। 

    আরও পড়ুন: চিনকে রুখতে বিশেষ পরিকল্পনা জি-৭ গোষ্ঠীর, কী সেই মাস্টার প্ল্যান? 

    হোয়াইট হাউসের প্রেস সেক্রেটারি কারিন জঁ-পিয়ের (Jean-Pierre) বিবৃতিতে জানিয়েছেন, এখন কিছুদিন আইসোলেশনে থাকবেন বাইডেন। আর সেখান থেকেই দায়িত্ব সামলাবেন। সকালে হোয়াইট হাউসের স্টাফসহ অন্যদের সঙ্গে ফোনে যোগাযোগ করেছেন রাষ্ট্রপতি। নির্ধারিত মিটিং করেছেন ফোন এবং জুমে। চারদিনের মধ্যপ্রাচ্য সফরে শেষে বুধবার যুক্তরাষ্ট্রে ফেরেন মার্কিন প্রেসিডেন্ট। আর তারপরেই রোগে আক্রান্ত। 

    ট্যুইটারে একটি ভিডিও বার্তায় মার্কিন রাষ্ট্রপতি জানিয়েছেন, হোয়াইট হাউস থেকে সমস্ত কাজ করবেন। তিনি বলেন, “আমি এই মুহূর্তে কোভিড আক্রান্ত। সামান্য উপসর্গ রয়েছে। আমার কোভিড ভ্যাক্সিনের দুটি ডোজসহ দুটি বুস্টার ডোজ নেওয়া রয়েছে। আপনাদের আমাকে নিয়ে দুশ্চিন্তা দেখে আমি অভিভূত। আমি ভালো আছি। অনেক কাজ করছি। খুব দ্রুত সব ঠিক হয়ে যাবে।”  

    [tw]


     [/tw]

    যুক্তরাষ্ট্রসহ বিশ্বের অনেক দেশে নতুন করে করোনা ভাইরাসের (Coronavirus) সংক্রমণ বাড়ছে। এ অবস্থায় সবাইকে কোভিডবিধি (Covid Guidelines) মেনে চলার পরামর্শ দিচ্ছেন স্বাস্থ্য বিশেষজ্ঞরা।   

     

     

     

  • Biden Modi: গণতন্ত্র রক্ষায় মোদির অবদান, প্রশংসায় পঞ্চমুখ বাইডেন

    Biden Modi: গণতন্ত্র রক্ষায় মোদির অবদান, প্রশংসায় পঞ্চমুখ বাইডেন

    মাধ্যম নিউজ ডেস্ক: প্রধানমন্ত্রী নরেন্দ্র মোদির(pm Narendra modi) প্রশংসায় পঞ্চমুখ মার্কিন প্রেসিডেন্ট জো বাইডেন(Joe Biden)। মঙ্গলবার টোকিওতে দ্বিপাক্ষিক বৈঠকে বসেন মোদি এবং বাইডেন। তার আগে এই দুই রাষ্ট্র প্রধানের দেখা হয়েছিল কোয়াড বৈঠকে। ওই বৈঠকেই মোদির ভূয়সী প্রশংসা করেন বাইডেন। বলেন, গণতন্ত্র(democracy) নিশ্চিত করার জন্য আপনার ক্রমাগত প্রতিশ্রুতির জন্য আপনাকে ধন্যবাদ।  

    কোয়াড সম্মেলনে(Quad summit) যোগ দিতে দু দিনের জাপান সফরে গিয়েছিলেন প্রধানমন্ত্রী নরেন্দ্র মোদি। বৈঠক শেষে সেখানে আলাদাভাবে মোদির সঙ্গে দ্বিপাক্ষিক বৈঠক হয় জাপান, অস্ট্রেলিয়া এবং মার্কিন প্রেসিডেন্টের। দ্বিপাক্ষিক বৈঠকে ইউক্রেনে রাশিয়ার আগ্রাসন নিয়ে মতপার্থক্যকে এক পাশে সরিয়ে রেখে আলোচনা শুরু করেন মোদি-বাইডেন। ওই বৈঠকের শুরুতেই বাইডেন বলেন, আমাদের দেশগুলি এক সঙ্গে অনেক কিছু করতে পারে এবং করবেও। আমি পৃথিবীতে আমাদের সব চেয়ে কাছের মার্কিন-ভারত নিবিড় বন্ধুত্ব তৈরি করতে প্রতিশ্রুতিবদ্ধ।

    আরও পড়ুন : মোদিময় জাপান! প্রধানমন্ত্রীকে দেখেই উঠল ‘মোদি মোদি’, ‘ভারত মাতা কি জয়’ স্লোগান

    এই দ্বিপাক্ষিক বৈঠকের আগে হয় কোয়াড বৈঠক। ওই বৈঠকে গণতন্ত্র বনাম স্বৈরচারের প্রেক্ষিতে মোদির নামোল্লেখ করেন বাইডেন। মার্কিন প্রেসিডেন্ট বলেন, প্রধানমন্ত্রী মোদি, আপনাকে আবার ব্যক্তিগতভাবে দেখতে পেয়ে খুব ভালো লাগছে। গণতন্ত্র নিশ্চিত করতে আপনার ক্রমাগত প্রতিশ্রুতির জন্য আমি আপনাকে ধন্যবাদ জানাই। কারণ এটিই হল গণতন্ত্র বনাম স্বৈরাচার। এবং আমাদের গণতন্ত্র নিশ্চিত করতে হবে।

    আরও পড়ুন : ৪০ ঘণ্টার সফরে ২৩টি বৈঠক, ঠাসা কর্মসূচি নিয়ে জাপানে মোদি

    টোকিওতে শীর্ষ সম্মেলনের ফাঁকে মোদি-বাইডেন দ্বিপাক্ষিক বৈঠক সম্পর্কে হোয়াইট হাউস জানিয়েছে, প্রেসিডেন্ট বাইডেন ইউক্রেনের বিরুদ্ধে রাশিয়ার অযৌক্তিক যুদ্ধের নিন্দা করেছেন। নেতারা মানবিক সহায়তা প্রদান অব্যাহত রাখতে প্রতিশ্রুতিবদ্ধ। এবং তাদের নিজ নিজ নাগরিক ও বিশ্বকে রক্ষা করার জন্য ইউক্রেনে যুদ্ধের কারণে সৃষ্ট বিঘ্ন, বিশেষ করে জ্বালানি ও খাদ্যের মূল্য বৃদ্ধির কারণে কীভাবে সহযোগিতা করা যায় তা নিয়ে আলোচনা করেছেন। ভারতের বিদেশ মন্ত্রকের জারি করা বিবৃতিতেও ইউক্রেনের পরিস্থিতির উল্লেখ করা হয়নি।

    আরও পড়ুন : বাঃ! কোথা থেকে শিখলে? জাপানি শিশুর হিন্দিতে মুগ্ধ মোদি

    বাইডেন মোদি দ্বিপাক্ষিক বৈঠকের শুরুতেই মোদি বলেছিলেন, আমাদের ভাগ করা মূল্যবোধ এবং নিরাপত্তা সহ অনেক ক্ষেত্রে আমাদের সাধারণ স্বার্থ, এই বিশ্বাসের বন্ধনকে শক্তিশালী করেছে। আমি নিশ্চিত যে ভারত ও মার্কিন যুক্তরাষ্ট্রের মধ্যে বন্ধুত্ব অটুট থাকবে। বিশ্বশান্তি ও স্থিতিশীলতার জন্য গ্রহের স্থায়িত্ব এবং সর্বোপরি, মানবজাতির মঙ্গলের জন্য এটা প্রয়োজন।

     

  • Quad Summit: চিনকে ঠেকাতে ৫০ বিলিয়ন মার্কিন ডলারের বেশি অর্থ বিনিয়োগের প্রতিশ্রুতি

    Quad Summit: চিনকে ঠেকাতে ৫০ বিলিয়ন মার্কিন ডলারের বেশি অর্থ বিনিয়োগের প্রতিশ্রুতি

    মাধ্যম নিউজ ডেস্ক: প্রশান্ত মহাসাগরীয় অঞ্চলে চিনের দাপট কমাতে তৈরি হয়েছে আমেরিকা, অস্ট্রেলিয়া, জাপান এবং ভারত-এই চারটি দেশের জোট কোয়াড (QUAD)। টোকিওয় জোটের শীর্ষ সম্মেলনে ইন্দো-প্যাসিফিক অঞ্চলে চিনের আধিপত্য ঠেকাতে অঙ্গীকারবদ্ধ হয়েছেন রাষ্ট্রনেতারা। ইন্দো-প্যাসিফিক অঞ্চলে চিনের সামরিক ও অর্থনৈতিক প্রভাব মোকাবিলায় ৫০ বিলিয়ন মার্কিন ডলারের বেশি অর্থ বিনিয়োগের প্রতিশ্রুতি দিয়েছেন চার দেশের নেতারা।

    জাপানের  প্রধানমন্ত্রী ফুমিও কিশিদা, আমেরিকার প্রেসিডেন্ট জো বাইডেন, ভারতের প্রধানমন্ত্রী নরেন্দ্র মোদি এবং অস্ট্রেলিয়ার প্রধানমন্ত্রী অ্যান্টনি আলবানেজ কোয়াড শীর্ষ সম্মেলনে অংশ নেন। সম্মেলনে চার নেতা ইন্দো-প্রশান্ত মহাসাগরীয় অঞ্চলের বিভিন্ন সমস্যার পাশাপাশি ইউক্রেনে রুশ আগ্রাসন, জলবায়ু সংকট, করোনাভাইরাস, তথ্যপ্রযুক্তি নিয়েও আলোচনা করেন।

    আরও পড়ুন: চিন নিয়ে একমত চার নেতা, রাশিয়া প্রসঙ্গে বিভেদ কোয়াড সম্মেলনে

    মঙ্গলবার বৈঠক চলাকালীনই চিন এবং রাশিয়া (Russia-China Fighter Plane) যৌথভাবে বোমারু বিমান ওড়ায় জাপান সাগর এবং পূর্ব চিন সাগরের উপর দিয়ে। একথা জানিয়ে জাপানের প্রতিরক্ষা মন্ত্রী ফুমিও কিশিদা অভিযোগ করেছেন, বেজিং এবং মস্কোর (Russia) তরফে উসকনিমূলক কার্যকলাপ চালানো হচ্ছে। এই ধরনের কাজ ইন্দো-প্যাসিফিক অঞ্চলে বরদাস্ত করা হবে না। ওই অঞ্চলে সামরিক তৎপরতা, নৌ মহড়া এবং মাছ ধরার জাহাজের অনধিকার প্রবেশসহ চিনের নানা কর্মকান্ডে আঞ্চলিক অস্থিরতা বাড়ছে। ইন্দো-প্রশান্ত মহাসাগরীয় অঞ্চলে চিন যেভাবে নিজেদের আধিপত্য বিস্তারের চেষ্টা চালাচ্ছে তার বিরুদ্ধে কঠোর বার্তা দেওয়া হয় কোয়াড সম্মেলনে। এই অঞ্চলে যদি শান্তি বিঘ্নিত করার বা অবস্থান বদলের কোনওরকম চেষ্টা চিন করে তাহলে তার কড়া জবাব দেওয়া হবে বলেও জানান রাষ্ট্রনেতারা। জানানো হয়, এ অঞ্চলে জবরদস্তিমূলক কর্মকাণ্ড রুখতে ইন্দো-প্যাসিফিক পার্টনারশিপ ফর মেরিটাইম ডোমেন অ্যাওয়ারনেস (আইপিএমডিএ)-এর আওতায় সামুদ্রিক নজরদারি আরও বাড়ানো হবে। এই প্রকল্পের আওতায় এই অঞ্চলে প্রাকৃতিক দুর্যোগ,চোরাচালান, অবৈধ মাছ ধরা মোকাবিলায় একযোগে কাজ করবে কোয়াড গোষ্ঠীভুক্ত দেশগুলি।

    প্রধানমন্ত্রী নরেন্দ্র মোদি বলেন, “কোয়াড সদস্যদের মধ্যে ক্রমবর্ধমান সমন্বয় ভারত-প্রশান্ত মহাসাগরীয় অঞ্চলের শান্তি,সমৃদ্ধি ও স্থায়িত্বকে নিশ্চিত করার ক্ষেত্রে বড় ভূমিকা নিচ্ছে। কোয়াড এখন আরও প্রভাবশালী।”

     

     

LinkedIn
Share