Tag: khyber pakhtunkhwa

khyber pakhtunkhwa

  • Pakistan: বিশ্ব সন্ত্রাসবাদ সূচকে প্রথম স্থানে পাকিস্তান, এক বছরে নিহত ১১৩৯

    Pakistan: বিশ্ব সন্ত্রাসবাদ সূচকে প্রথম স্থানে পাকিস্তান, এক বছরে নিহত ১১৩৯

    মাধ্যম নিউজ ডেস্ক: বিশ্ব সন্ত্রাসবাদ সূচকে প্রথমবারের মতো শীর্ষে উঠে এল পাকিস্তান (Pakistan)। ২০২৫ সালে দেশটিতে সন্ত্রাসবাদী হামলায় (Global Terrorism Index) প্রাণহানির সংখ্যা ৬ শতাংশ বেড়েছে। অর্থনীতি ও শান্তিবিষয়ক গবেষণা প্রতিষ্ঠান ইনস্টিটিউট ফর ইকোনমিকস অ্যান্ড পিসের প্রকাশিত বিশ্ব সন্ত্রাসবাদ সূচক ২০২৬-এর প্রতিবেদন অনুযায়ী, গত বছর পাকিস্তানে ১ হাজার ৪৫টি জঙ্গি হামলার ঘটনা ঘটেছে। এসব হামলায় প্রাণ হারিয়েছেন ১ হাজার ১৩৯ জন। ২০১৩ সালের পর দেশটিতে সন্ত্রাসবাদী হামলায় এত বেশি মানুষের মৃত্যু হয়নি।

    বিশ্বের ১৬৩টি দেশে সন্ত্রাসবাদের প্রভাব পর্যালোচনা করে এই প্রতিবেদন তৈরি করা হয়েছে। প্রতিবেদনে বলা হয়েছে, প্রতিবেশী দেশগুলির সঙ্গে পাকিস্তানের সম্পর্কের অবনতি, বিশেষত আফগানিস্তানের সঙ্গে ক্রমবর্ধমান উত্তেজনা এবং দেশের অভ্যন্তরে সন্ত্রাসবাদী কার্যকলাপ বৃদ্ধি পাকিস্তানের নিরাপত্তা পরিস্থিতিকে আরও জটিল করে তুলেছে। টানা ছ’বছর ধরে দেশটিতে সন্ত্রাসবাদী হামলায় প্রাণহানির সংখ্যা বেড়ে চলেছে।

    পণবন্দির ঘটনা (Pakistan) 

    প্রতিবেদনে পাকিস্তানে পণবন্দি করার ঘটনা উদ্বেগজনক হারে বৃদ্ধির বিষয়টিও উঠে এসেছে। ২০২৪ সালে দেশটিতে জঙ্গিদের হাতে ১০১ জন পণবন্দি হয়েছিলেন। ২০২৫ সালে সেই সংখ্যা বেড়ে দাঁড়িয়েছে ৬৫৫। মূলত জাফর এক্সপ্রেসে সন্ত্রাসবাদী হামলার জেরেই এই বিপুল বৃদ্ধি। ওই হামলায় ৪৪২ জনকে পণবন্দি করা হয়েছিল (Pakistan)।

    পাকিস্তানের খাইবার পাখতুনখোয়া এবং বালুচিস্তানে নিরাপত্তা পরিস্থিতির অবনতি সবচেয়ে বেশি প্রকট হয়ে উঠেছে। গত বছর দেশটিতে সংঘটিত মোট সন্ত্রাসবাদী হামলার ৭৪ শতাংশেরও বেশি ঘটেছে এই দুই প্রদেশে। পাশাপাশি, সন্ত্রাসবাদী হামলায় মোট প্রাণহানির ৬৭ শতাংশও ঘটেছে এই দুই অঞ্চলে। এই পরিসংখ্যান পাকিস্তানের অভ্যন্তরীণ নিরাপত্তা ব্যবস্থার দুর্বলতাকেই সামনে এনেছে।

    সন্ত্রাসবাদী হামলা

    বিশ্ব সন্ত্রাসবাদ সূচকের প্রতিবেদন অনুযায়ী, পাকিস্তান ছাড়াও বুরকিনা ফাসো, নাইজেরিয়া, নাইজার এবং গণতান্ত্রিক কঙ্গো প্রজাতন্ত্রে জঙ্গি হামলায় প্রাণহানির সংখ্যা অত্যন্ত বেশি। বিশ্বজুড়ে সন্ত্রাসবাদী হামলায় মোট মৃত্যুর প্রায় ৭০ শতাংশই ঘটেছে এই পাঁচটি দেশে।

    উল্লেখ্য, ২০২৫ সালের বিশ্ব সন্ত্রাসবাদ সূচকে দ্বিতীয় স্থানে ছিল (Global Terrorism Index) পাকিস্তান। এবার প্রথম স্থানে উঠে এসেছে দেশটি। টানা ছ’বছর ধরে সন্ত্রাসবাদী হামলায় মৃত্যুর সংখ্যা বৃদ্ধি এবং পণবন্দি করার ঘটনা বেড়ে যাওয়ার পরিসংখ্যান পাকিস্তানের ক্রমাবনতিশীল নিরাপত্তা পরিস্থিতির চিত্র তুলে ধরেছে (Pakistan)।

     

  • Pakistan: ইমরান খানের মুক্তির দাবিতে দেশজুড়ে বিক্ষোভের ডাক, অবরুদ্ধ ইসলামাবাদ নিরাপত্তাকর্মীতে ছয়লাপ

    Pakistan: ইমরান খানের মুক্তির দাবিতে দেশজুড়ে বিক্ষোভের ডাক, অবরুদ্ধ ইসলামাবাদ নিরাপত্তাকর্মীতে ছয়লাপ

    মাধ্যম নিউজ ডেস্ক: পাকিস্তানের (Pakistan) জেলবন্দি প্রাক্তন প্রধানমন্ত্রী ইমরান খানের মুক্তির দাবিতে দেশজুড়ে বিক্ষোভের প্রস্তুতি নিচ্ছে তাঁর দল পিটিআই (পাকিস্তান তেহরিক-ই-ইনসাফ)। আন্দোলনকারীদের রাজধানীতে প্রবেশ রুখতে ইসলামাবাদজুড়ে কঠোর নিরাপত্তার ব্যবস্থা করেছে প্রশাসন (Imran Khan)। বন্ধ করে দেওয়া হয়েছে গুরুত্বপূর্ণ সড়ক। মোতায়েন করা হয়েছে প্রায় ২২ হাজার পুলিশ ও অন্যান্য নিরাপত্তাকর্মী। জনসমাবেশের ওপরও বিধিনিষেধ আরোপ করা হয়েছে। ইসলামাবাদে প্রবেশের বিভিন্ন সড়কে এক হাজারেরও বেশি পণ্যবাহী কনটেইনার বসানো হয়েছে। এগুলির অনেকগুলিতে লাগানো হয়েছে ধারালো কাঁটা। সেতুগুলিতে রাখা হয়েছে বালি ভর্তি বস্তা। রাজধানীতে প্রবেশের একটি প্রধান সড়কও বন্ধ করে দিয়েছেন কর্তৃপক্ষ।

    ইসলামাবাদ অভিমুখী অভিযান স্থগিত পিটিআইয়ের (Pakistan)

    ইমরানের মুক্তির দাবিতে প্রথমে ২৭ সেপ্টেম্বর ইসলামাবাদ অভিমুখে অভিযানের কথা ঘোষণা করেছিল পিটিআই। তবে শুক্রবার দলের তরফে জানানো হয়, অভিযান শুরুর তারিখ পিছিয়ে ৪ অক্টোবর করা হয়েছে। দলটির দাবি, এটি সরকারের ওপর অতিরিক্ত চাপ সৃষ্টি করতে পারে। পাখতুনখাওয়ার মুখ্যমন্ত্রী সোহেল আফ্রিদি জানিয়েছেন, ইমরানের সঙ্গে আচরণ এবং জেলে তাঁর বন্দিদশার পরিবেশ নিয়ে সরকার উল্লেখযোগ্য ছাড় না দিলে পূর্বঘোষিত কর্মসূচি থেকে সরে আসবে না পিটিআই।

    সরকারের কঠোর নিরাপত্তাব্যবস্থার সমালোচনা করে আফ্রিদি বলেন, “সরকার আতঙ্কিত হয়ে পড়েছে। সেই কারণেই তারা ইসলামাবাদ অবরুদ্ধ করে রেখেছে এবং আমাদের মন্ত্রীদের অপহরণ করছে। কিন্তু ইমরান খান দেশের সবচেয়ে জনপ্রিয় নেতা। তাঁর জন্য মানুষ রাস্তায় নামবে।” বিপুলসংখ্যক সমর্থক নিয়ে রাজধানীতে প্রবেশের পরিকল্পনার কথাও জানিয়েছেন তিনি।আফ্রিদি বলেন, “আমি জানি, আমাদের থামাতে তারা বর্বর শক্তিপ্রয়োগের যে কোনও পর্যায়ে যেতে পারে। এ নিয়ে আমাদের কোনও সন্দেহ নেই। কিন্তু আমাদের সঙ্গে বিপুলসংখ্যক মানুষ থাকলে তারা আমাদের ওপর গুলি চালাতে পারবে না। আমাদের পরিকল্পনা হল, এত বেশি মানুষ নিয়ে আসা, যাতে তারা আত্মসমর্পণ করতে বাধ্য হয়।”

    ইসলামাবাদ-খাইবার পাখতুনখাওয়ায় কঠোর নিরাপত্তা

    পিটিআইয়ের শক্ত ঘাঁটি হিসেবে পরিচিত খাইবার পাখতুনখাওয়াতেও নিরাপত্তাব্যবস্থা জোরদার করেছে পাকিস্তান সরকার। পেশোয়ার থেকে ইসলামাবাদে যাওয়ার প্রধান সড়ক বন্ধ করে দেওয়া হয়েছে। প্রদেশটিতে মোতায়েন করা হয়েছে হাজার হাজার নিরাপত্তাকর্মী (Pakistan)। খাইবার পাখতুনখাওয়ায় সরকারনিযুক্ত গভর্নর ফয়সাল করিম কুন্দি নিরাপত্তাব্যবস্থা জোরদারের সিদ্ধান্তকে প্রয়োজনীয় সতর্কতামূলক পদক্ষেপ বলে উল্লেখ করেন। তাঁর অভিযোগ, পিটিআই দেশে অস্থিতিশীলতা ও হিংসা সৃষ্টির চেষ্টা করছে। কুন্দি বলেন, “কোনও সহিংস গোষ্ঠীকে ইসলামাবাদ অভিমুখে অভিযান চালানোর অনুমতি রাষ্ট্র দিতে পারে না।” এদিকে কঠোর বিধিনিষেধের প্রভাব পড়েছে ইসলামাবাদের স্বাভাবিক জনজীবনেও। রাজধানীর বিভিন্ন এলাকায় প্রবেশের পথ বন্ধ থাকায় ব্যবসাপ্রতিষ্ঠানগুলিতে পণ্য সরবরাহে সমস্যা দেখা দিয়েছে।

    ইমরানের তিন বোন আটক, গ্রেফতারি পরওয়ানা

    ইসলামাবাদ অভিমুখী কর্মসূচি ঘিরে পিটিআইয়ের নেতা-কর্মী ও সমর্থকদের বিরুদ্ধে ধরপাকড়ও জোরদার করা হয়েছে। দলের একাধিক নেতাকে আটক করা হয়েছে। আরও কয়েকজনের বিরুদ্ধে জারি হয়েছে গ্রেফতারি পরোয়ানা।

    এর মধ্যেই লাহোরে আটক করা হয়েছে ইমরান খানের তিন বোন আলিমা খান, উজমা খান ও নওরিন নিয়াজিকে। পাঞ্জাবের জনশৃঙ্খলা রক্ষা আইনের আওতায় তাঁদের ৩০ দিন আটক রাখার নির্দেশ দেওয়া হয়েছে। পিটিআইয়ের পূর্বঘোষিত বিক্ষোভ কর্মসূচির কয়েক দিন আগেই তাঁদের আটক করা হয়।

    সরকারের দাবি, জননিরাপত্তা ও আইনশৃঙ্খলা বজায় রাখতেই এসব পদক্ষেপ করা হয়েছে। এদিকে, এই পদক্ষেপের সমালোচনা করেছে পিটিআই। ইমরানের বোনদের আটকের নির্দেশকে চ্যালেঞ্জ জানিয়ে লাহোর হাইকোর্টেও আবেদন করা হয়েছে (Imran Khan)। ২০২৩ সাল থেকে জেলে রয়েছেন ইমরান। যদিও তাঁর বিরুদ্ধে আনা অভিযোগ অস্বীকার করেছেন তিনি। তাঁর মুক্তির দাবিতে (Pakistan) আন্দোলন অব্যাহত রেখেছে পিটিআই।

     

     

  • Pakistan: পাকিস্তানে জঙ্গি হামলায় হত ১৫ নিরাপত্তাকর্মী, পাল্টা অভিযানে খতম ১৫ জঙ্গি

    Pakistan: পাকিস্তানে জঙ্গি হামলায় হত ১৫ নিরাপত্তাকর্মী, পাল্টা অভিযানে খতম ১৫ জঙ্গি

    মাধ্যম নিউজ ডেস্ক: পাকিস্তানের (Pakistan) খাইবার পাখতুনখোয়া প্রদেশের ট্যাঙ্ক জেলায় যৌথ নিরাপত্তা চেকপোস্টে ভয়াবহ জঙ্গি হামলায় (TTP Attack) অন্তত ১৫ জন নিরাপত্তাকর্মী নিহত হয়েছেন। নিহতদের মধ্যে রয়েছেন ১২ জন সেনাকর্মী, দু’জন পুলিশ সদস্য এবং বন দফতরের এক সরকারি আধিকারিক। পাকিস্তান সেনাবাহিনীর গণমাধ্যম শাখা আন্তঃবাহিনী জনসংযোগ বিভাগ জানিয়েছে, নিষিদ্ধ ঘোষিত তেহরিক-ই-তালিবান পাকিস্তান এই হামলা চালিয়েছে। হামলার এই ঘটনা ঘটে শুক্রবার ভোরে।

    “ফিতনা-আল-খাওয়ারিজ” (Pakistan)

    সেনাবাহিনীর তরফে জারি করা বিবৃতিতে বলা হয়েছে, হামলাটি চালিয়েছে “ফিতনা-আল-খাওয়ারিজ” নামে চিহ্নিত জঙ্গিরা। পাকিস্তান সরকার বর্তমানে নিষিদ্ধ তেহরিক-ই-তালিবান পাকিস্তানের সদস্যদের বোঝাতে এই পরিভাষা ব্যবহার করে। এক সময় এই সংগঠনের প্রতি পাকিস্তান সরকারের নরম মনোভাব ছিল বলে দীর্ঘদিন ধরে অভিযোগ উঠেছে। কারণ, সংগঠনটির বহু সদস্য আফগানিস্তানে মার্কিন যুক্তরাষ্ট্র-সহ পশ্চিমী দেশগুলির সেনাদের বিরুদ্ধে হামলায় জড়িত ছিল। সেই সময় পাক প্রশাসন তাদের কার্যকলাপের বিরুদ্ধে কঠোর ব্যবস্থা নিতে অনীহা দেখিয়েছিল বলে বিভিন্ন মহলে সমালোচনাও হয়েছিল। ঘটনার বিবরণ দিতে গিয়ে আন্তঃবাহিনী জনসংযোগ বিভাগ জানিয়েছে, জঙ্গিরা প্রথমে যৌথ চেকপোস্টের নিরাপত্তা বলয় ভেঙে ভেতরে ঢোকার চেষ্টা করে। কিন্তু সেখানে মোতায়েন নিরাপত্তাকর্মীরা দ্রুত এবং দৃঢ় প্রতিরোধ গড়ে তোলেন। তাঁদের সতর্কতা, সাহসিকতা ও পেশাদারিত্বের কারণে জঙ্গিদের সেই চেষ্টা ব্যর্থ হয়। এরপর পাল্টা অভিযানে নিরাপত্তাবাহিনী ১৫ জন জঙ্গিকে হত্যা করে।

    ভয়াবহ বিস্ফোরণ

    তবে প্রথম আক্রমণে ব্যর্থ হওয়ার পর জঙ্গিরা কৌশল পাল্টায়। বিস্ফোরক বোঝাই একটি গাড়ি নিয়ে তারা চেকপোস্টের সীমানা প্রাচীরে গিয়ে সজোরে ধাক্কা মারে। সঙ্গে সঙ্গে ভয়াবহ বিস্ফোরণ ঘটে। বিস্ফোরণের অভিঘাতে চেকপোস্টের পরিকাঠামো ব্যাপকভাবে ক্ষতিগ্রস্ত হয়। ওই বিস্ফোরণেই ১২ জন সেনাসদস্য, দু’জন পুলিশ সদস্য এবং বন দফতরের এক সরকারি আধিকারিক নিহত হন। পাক সেনাবাহিনী নিহতদের “শহিদ” আখ্যা দিয়ে জানিয়েছে, তাঁরা দেশের নিরাপত্তা রক্ষায় সর্বোচ্চ আত্মত্যাগ করেছেন। সেনাবাহিনী আরও জানিয়েছে, হামলার পর গোটা এলাকায় তল্লাশি ও সাঁড়াশি অভিযান শুরু হয়েছে। হামলায় জড়িত অন্য কোনও জঙ্গি আশপাশে লুকিয়ে রয়েছে কি না, তা খতিয়ে দেখা হচ্ছে। পাকিস্তানের নিরাপত্তাবাহিনী ও আইনশৃঙ্খলা রক্ষাকারী সংস্থাগুলি “আজম-ই-ইস্তেহকাম” কর্মসূচির আওতায় সন্ত্রাসবিরোধী অভিযান আরও জোরদার করবে বলেও জানানো হয়েছে। জাতীয় কর্মপরিকল্পনা সংক্রান্ত ফেডারেল শীর্ষ কমিটির অনুমোদিত এই কর্মসূচির লক্ষ্য, বিদেশি মদতপুষ্ট সন্ত্রাসবাদ সম্পূর্ণ নির্মূল করা (Pakistan)। সেনাবাহিনীর জারি করা বিবৃতিতে বলা হয়েছে, “আমাদের সাহসী সেনাদের এই আত্মত্যাগ দেশের নিরাপত্তা রক্ষায় আমাদের অটল অঙ্গীকারকে আরও শক্তিশালী করেছে। যে কোনও মূল্যে দেশের সুরক্ষা নিশ্চিত করতে আমরা প্রতিশ্রুতিবদ্ধ (TTP Attack)।”

    আত্মঘাতী বিস্ফোরণের ঘটনা বেড়েছে

    এদিকে, গত সপ্তাহেও খাইবার পাখতুনখোয়ার বান্নু জেলা এবং সংলগ্ন এলাকায় নিরাপত্তাবাহিনী বড়সড় অভিযান চালায়। সেনাবাহিনীর দাবি, গত ২৪ ঘণ্টায় সেখানে সংঘর্ষে তেহরিক-ই-তালিবান পাকিস্তানের ২৪ জন জঙ্গি নিহত হয়েছে। সাম্প্রতিক সময়ে বান্নু জেলায় পুলিশকে লক্ষ্য করে হামলা এবং আত্মঘাতী বিস্ফোরণের ঘটনা উল্লেখযোগ্যভাবে বেড়ে গিয়েছে বলে জানিয়েছে সেনাবাহিনী। বিবৃতিতে আরও বলা হয়েছে, এই ধরনের হামলার নেপথ্যে থাকা জঙ্গি এবং তাদের সহায়ক নেটওয়ার্ককে চিহ্নিত করতে যৌথ গোয়েন্দা-তথ্যভিত্তিক ব্যাপক অভিযান শুরু হয়েছে। বান্নু জেলা এবং সংলগ্ন এলাকায় তীব্র গোলাগুলির পর ২৪ জন জঙ্গিকে হত্যা করা হয়েছে বলেও দাবি করেছে সেনাবাহিনী (Pakistan)। চলতি বছরের মে মাসেও বান্নু জেলার ফতেহ খেল পুলিশ পোস্টে আত্মঘাতী হামলায় অন্তত ১৫ জন পুলিশকর্মী নিহত হয়েছিলেন। সেই হামলায়ও বিস্ফোরক বোঝাই একটি গাড়ি গিয়ে পুলিশ পোস্টে ধাক্কা মেরে বিস্ফোরণ ঘটিয়েছিল। বর্তমান হামলার কৌশলের সঙ্গে সেই ঘটনার মিল রয়েছে বলে নিরাপত্তা বিশ্লেষকদের একাংশের অভিমত।

    একের পর এক জঙ্গি হামলা 

    গত এক বছরে খাইবার পাখতুনখোয়া প্রদেশে জঙ্গি হামলার ঘটনা উল্লেখযোগ্যভাবে বেড়ে গিয়েছে। বর্তমানে প্রদেশটি পাকিস্তানের প্রাক্তন প্রধানমন্ত্রী ইমরান খানের দল পাকিস্তান তেহরিক-ই-ইনসাফের নিয়ন্ত্রণে রয়েছে। তবে তেহরিক-ই-তালিবান পাকিস্তানের বিরুদ্ধে কী ধরনের কৌশল নেওয়া উচিত, তা নিয়ে কেন্দ্রের সরকার এবং প্রাদেশিক সরকারের মধ্যে দীর্ঘদিন ধরেই মতপার্থক্য রয়েছে। এই রাজনৈতিক বিভাজনও সন্ত্রাস দমনের কার্যকারিতায় প্রভাব ফেলছে বলে মনে করছেন পর্যবেক্ষকরা (TTP Attack)। গবেষণা ও নিরাপত্তা বিষয়ক সংস্থা সেন্টার ফর রিসার্চ অ্যান্ড সিকিউরিটি স্টাডিজের ২০২৫ সালের বার্ষিক নিরাপত্তা প্রতিবেদনে উদ্বেগজনক ছবি উঠে এসেছে। প্রতিবেদনে বলা হয়েছে, খাইবার পাখতুনখোয়ায় হিংসার মাত্রা গত বছর থেকে উল্লেখযোগ্যভাবে বেড়ে গিয়েছে। ২০২৪ সালে যেখানে হিংসায় মৃত্যুর সংখ্যা ছিল ১ হাজার ৬২০, ২০২৫ সালে তা বেড়ে দাঁড়িয়েছে ২ হাজার ৩৩১-এ। বিশেষজ্ঞদের মতে, খাইবার পাখতুনখোয়া এবং বালুচিস্তানে জঙ্গি কার্যকলাপ নতুন করে মাথাচাড়া দেওয়ায় পাকিস্তানের নিরাপত্তা পরিস্থিতি আরও জটিল হয়ে উঠেছে। এসব এলাকায় হামলার প্রধান লক্ষ্য থাকে সেনাবাহিনী, পুলিশ এবং অন্যান্য সশস্ত্র বাহিনীর সদস্যরা। ফলে জঙ্গি দমনে দেশটির নিরাপত্তা বাহিনী সাম্প্রতিক সময়ে অভিযান আরও জোরদার করেছে। তবে ধারাবাহিক হামলা প্রমাণ করছে, জঙ্গিগোষ্ঠীগুলি এখনও উল্লেখযোগ্য সংগঠনগত সক্ষমতা ধরে রেখেছে (TTP Attack) এবং নিরাপত্তা বাহিনীর জন্য বড় চ্যালেঞ্জ হয়ে দাঁড়িয়েছে (Pakistan)।

     

  • Pakistan: তীব্র খাদ্য সঙ্কটে ভুগছে পাকিস্তান, বিশ্বের ১০টি ‘ক্ষুধার্ত’ দেশের তালিকায় রয়েছে শরিফের দেশও

    Pakistan: তীব্র খাদ্য সঙ্কটে ভুগছে পাকিস্তান, বিশ্বের ১০টি ‘ক্ষুধার্ত’ দেশের তালিকায় রয়েছে শরিফের দেশও

    মাধ্যম নিউজ ডেস্ক: তীব্র খাদ্য সঙ্কটে ভুগছে পাকিস্তান। বিশ্বের ১০টি ‘ক্ষুধার্ত’ দেশের তালিকায় নাম রয়েছে শাহবাজ শরিফের দেশের। ২০২৬ সালের গ্লোবাল রিপোর্ট অন ফুড ক্রাইসিস (Global Report on Food Crises)-এ পাকিস্তানকে আফগানিস্তান, বাংলাদেশ, কঙ্গো, মায়ানমার, নাইজিরিয়া, দক্ষিণ সুদান, সুদান, সিরিয়া এবং ইয়েমেনের সঙ্গে তীব্র ক্ষুধার প্রধান কেন্দ্রগুলির একটি হিসেবে উল্লেখ করা হয়েছে।

    পাকিস্তানে খাদ্য সঙ্কট (Pakistan)

    পাক সংবাদ মাধ্যমের প্রতিবেদন অনুযায়ী, পাকিস্তান ২০২৫ সালে বিশ্বের সেই ১০টি দেশের মধ্যে ছিল যেখানে সবচেয়ে বড় খাদ্য সঙ্কট দেখা গিয়েছে। সেখানে প্রায় ১ কোটি ১০ লাখ মানুষ গুরুতর খাদ্য নিরাপত্তাহীনতার মুখোমুখি হয়েছে। ক্ষতিগ্রস্তদের মধ্যে ৯৩ লাখ মানুষ “ক্রাইসিস” অবস্থায় এবং ১৭ লাখ মানুষ “এমার্জেন্সি” অবস্থায় ছিল, যা দুর্ভিক্ষের ঠিক আগের সবচেয়ে গুরুতর স্তরগুলির মধ্যে পড়ে। প্রতিবেদনে বলা হয়েছে, ইন্টিগ্রেটেড ফুড সিকিউরিটি ফেজ ক্লাসিফিকেশন (IPC) নামের শ্রেণিবিন্যাস পদ্ধতি অনুযায়ী, খাদ্য সঙ্কট এমন এক পরিস্থিতি যেখানে জীবন ও জীবিকা রক্ষায় জরুরি পদক্ষেপ করা প্রয়োজন। তীব্র খাদ্য নিরাপত্তাহীনতা তখন ঘটে যখন খাদ্যে প্রবেশাধিকার এতটাই সীমিত হয়ে যায় যে, তা আদতে হয়ে দাঁড়ায় মানুষের বেঁচে থাকার পক্ষে হুমকি স্বরূপ।

    খাদ্য নিরাপত্তাহীনতা

    প্রতিবেদন অনুযায়ী, পাকিস্তানে খাদ্য নিরাপত্তাহীনতার অন্যতম কারণ চরম আবহাওয়া। ভারী বৃষ্টি ও বন্যার ফলে ফসলের ক্ষতি হয়েছে। এতে বলা হয়েছে, “২০২৫ সালে বিশ্বজুড়ে ভয়াবহ বন্যা দেখা দিয়েছিল, যা জীবিকা ও খাদ্য নিরাপত্তাকে ক্ষতিগ্রস্ত করেছে। পাকিস্তানে ভারী মৌসুমি বৃষ্টি ও আকস্মিক বন্যায় ৬০ লাখেরও বেশি মানুষ ক্ষতিগ্রস্ত হয়েছে, কৃষিজমি এবং পরিকাঠামোও ধ্বংস হয়েছে।” পুষ্টি বিশ্লেষণেও পাকিস্তানের নাম এসেছে, যেখানে বালুচিস্তান, সিন্ধ এবং খাইবার পাখতুনখোয়া উদ্বেগের অঞ্চল হিসেবে চিহ্নিত হয়েছে। তবে ২০২৫ সালের জন্য আনুষ্ঠানিক তীব্রতা নির্ধারণের মতো পর্যাপ্ত সাম্প্রতিক তথ্য না থাকায় পাকিস্তানকে “নো সেভেরিটি ডেটা” (no severity data) তালিকায় রাখা হয়েছে।

    মুদ্রাস্ফীতি পৌঁছতে পারে ৬ শতাংশে

    পাকিস্তানে অপুষ্টির ঝুঁকির কারণ বিশ্লেষণেও রয়েছে, যেখানে খাদ্যাভ্যাস, স্বাস্থ্যসেবার সুযোগ, জল এবং স্যানিটেশন এবং রোগব্যাধি সম্পর্কিত দুর্বলতা তুলে ধরা হয়েছে। প্রতিবেদনে পূর্বাভাস দেওয়া হয়েছে, ২০২৬ সালে পাকিস্তানে মুদ্রাস্ফীতি ৬ শতাংশে পৌঁছতে পারে, যা পরিস্থিতির ওপর আরও চাপ সৃষ্টি করবে। প্রতিবেদন অনুযায়ী, শীর্ষ ১০টি দেশের তালিকায় পাকিস্তানের অন্তর্ভুক্তি দেশটির সঙ্কটের গভীরতা এবং তথ্য সংগ্রহ বিস্তারের প্রতিফলন। বিশ্লেষণের এরিয়া ২০২৪ সালের ৪৩টি গ্রামীণ জেলা থেকে ২০২৫ সালে ৬৮টি জেলায় বাড়ানো হয়েছে। এতে বালুচিস্তান, খাইবার পাখতুনখোয়া এবং সিন্ধের এলাকা অন্তর্ভুক্ত হয়েছে। ফলে বিশ্লেষণে অন্তর্ভুক্ত পাকিস্তানের জনসংখ্যার হার ১৬ শতাংশ থেকে ২১ শতাংশে উন্নীত হয়েছে, অর্থাৎ অতিরিক্ত ১ কোটি ৪০ লাখের বেশি মানুষ যুক্ত হয়েছে ওই তালিকায়।

  • Pakistan: ইসলামাবাদে আদালতের বাইরে বিস্ফোরণ! মৃত অনন্ত ১২, তালিবানের হামলা?

    Pakistan: ইসলামাবাদে আদালতের বাইরে বিস্ফোরণ! মৃত অনন্ত ১২, তালিবানের হামলা?

    মাধ্যম নিউজ ডেস্ক: ইসলামাবাদে আদালতের বাইরে বিস্ফোরণের ঘটনায় নিহত অনন্ত ১২। অপর দিকে খাইবার পাখতুনখোয়ায় (Khyber Pakhtunkhwa) পাক সেনার কনভয়েও হামলার ঘটনায় জখম ১৬। জানা গিয়েছে, পাকসেনা এবং ফ্রন্টিয়ার কোর পার্সোনালের সেই কনভয় ফিরছিল ডেরা ইসমাইল খান জেলার লোনি পোস্টে। ফেরার পথেই ঘটে এই হামলার ঘটনা। একদিনে জোড়া হামলার ঘটনায় তোলপাড় পাকিস্তানে (Pakistan)।

    গেটের মুখেই এই বিস্ফোরণ (Pakistan)!

    ইসলামাবাদে (Pakistan) জেলা আদালতের সামনে বোম বিস্ফোরণের ঘটনাকে তুলে ধরে স্থানীয় পত্রিকা ‘ডন’ জানিয়েছে, আদালতের সামনে বিস্ফোরণে গোটা এলাকা কেঁপে ওঠে। স্থানীয়দের দাবি, অনেক দূর পর্যন্ত বিস্ফোরণের আওয়াজ শোনা গিয়েছে। বিস্ফোরণের ঘটনায় মোট ১২ জনের মৃত্যু হয়েছে। অনেকেই গুরুতর আহত হয়েছেন। এই বোমা বিস্ফোরণ নিয়ে স্থানীয় পুলিশ জানিয়েছে, “আমরা বিস্ফোরণের খবর পেয়েছি। তবে কি থেকে বিস্ফোরণ হয়েছে তা এখনও জানা যায়নি। আমাদের ফরেন্সিক দল ঘটনাস্থলে পৌঁছেছে। তাঁদের কাছ থেকে রিপোর্ট সংগ্রহ করার পর সমস্ত বিষয়টি সম্পর্কে জানা যাবে। জেলা আদালতের গেটের মুখেই এই বিস্ফোরণ ঘটেছে।”

    তালিবানদের দিকে ইঙ্গিত!

    আফগানিস্তান সীমান্ত লাগোয়া খাইবার পাখতুনখোয়ায় (Khyber Pakhtunkhwa) পাক সেনা কনভয়ে সোমবার রাতে হামলার ঘটনা ঘটে। পাকিস্তান (Pakistan) সেনা এবং ফ্রন্টিইয়ার কোর পার্সোনেলের কনভয় ফিরছিল ডেরা ইসমাইল খান জেলার লোনি পোস্টে। আর তখন সেই সময়েই হয় বিস্ফোরণ। উল্লেখ্য গতকাল সোমবার খাইবার পাখতুনখোয়ার অন্য একদিকে আত্মঘাতী বোমা হামলার ঘটনা ঘটেছিল। দক্ষিণ-পশ্চিম খাইবার পাখতুনখোয়ার আফগান সীমান্ত গ্রামে এক কলেজের গেটে হামলায় ছয়জন আহত হয়েছিলেন। তবে স্থানীয় পুলিশ প্রশাসনের দাবি ওই হামলার পিছনে রয়েছে তেহরিক-ই-তালিবান পাকিস্তান জঙ্গিরা।

    পাকিস্তানের অতিসক্রিয় বিদ্রোহী গোষ্ঠীগুলির মধ্যে অন্যতম প্রধান হল টিটিপি বা তেহরিক-ই-তালিবান। ২০২১ সালে আফগানিস্তানের মসনদে বসে তালিবান সরকার। পাকিস্তান সরকারের দাবি তালিবানরা এই সংগঠনকে পরোক্ষ মদত দেয়। পাকিস্তানের আফগান সীমান্ত লাগোয়া এলাকায় বেশিরভাগ বিস্ফোরণের দায় স্বীকার করেছে টিটিপি। তবে তালিবানের তরফে বারবার পাক সরকারের অভিযোগকে অস্বীকার করা হয়েছে।

  • Pakistan: খাইবার পাখতুনখোয়ার উপজাতিদের কুকুর সম্বোধন পাক সেনার

    Pakistan: খাইবার পাখতুনখোয়ার উপজাতিদের কুকুর সম্বোধন পাক সেনার

    মাধ্যম নিউজ ডেস্ক: পাকিস্তানের (Pakistan) খাইবার পাখতুনখোয়ার (Khyber Pakhtunkhwa) মুখ্যমন্ত্রী সোহেল আফ্রিদি পাকিস্তানি সেনাবাহিনীর বিরুদ্ধে পাখতুন জনগণ ও উপজাতীয় অঞ্চলের লোকদের অপমান করার অভিযোগ করেছেন। আফ্রিদির দাবি, সেনাবাহিনী এলাকাবাসী লোকদের পশুর সঙ্গে তুলনা করেছে। এভাবে উপজাতি সমাজের মানুষের মানবাধিকার লঙ্ঘন করা হয়েছে। কুকুরের সঙ্গে তুলনা করে তাদের অপমান করেছে খোদ পাকসেনা। এই ঘটনা প্রমাণ করে পাকিস্তানি আম নাগরিকদের জীবন কতটা দুর্বিষহ।

    যুদ্ধাপরাধের মতো সমতুল্য কাজ (Pakistan)

    সংবাদ মাধ্যমের প্রতিবেদন অনুযায়ী, মুখ্যমন্ত্রী আফ্রিদি (Pakistan) বলেছেন, “পাক সেনা প্রধান আসিম মুনিরের নেতৃত্বে পাকিস্তানি সেনাবাহিনী খাইবার পাখতুনখোয়া এলাকার মানুষকে মসজিদের ভেতরে কুকুরের মতো বেঁধে রাখার কাজ করছে। পাক সেনাবাহিনী বলেছে স্থানীয়রা এবং কুকুর এক। তাঁদের সম্মান সমান। ফলে মসজিদের পবিত্রতা লঙ্ঘন করছে এই লোকগুলি। সেনার কথায় উপজাতি এবং এই কুকুরগুলি আলাদা নয়। তবে এই মন্তব্য অত্যন্ত বর্বর কাজ। মানুষের ওপর নির্যাতন ভীষণভাবে অমানবিক। সেনাবাহিনী এখানে ক্রমাগত অভিযান চালাচ্ছে। আমি মনে করি এটা যুদ্ধাপরাধের সমতুল একটি কাজ।”

    বালুচিস্তানে অসামরিক নাগরিকদের হত্যা

    খাইবার পাখতুনখোয়ার (Pakistan) গভর্নর ফয়সাল করিম কুন্ডি পাল্টা প্রদেশের মুখ্যমন্ত্রীর মন্তব্যের নিন্দা করে বলেন, “তিনি নিরাপত্তা বাহিনীকে অবজ্ঞা করছেন এবং কেপিতে সন্ত্রাসবিরোধী অভিযানকে আক্রমণ করছেন। আমাদের মাটির সাহসী সেনারা আমাদের প্রদেশকে রক্ষা করার জন্য তাঁদের জীবন উৎসর্গ করছেন। তাঁদের উদ্দেশ্য নিয়ে প্রশ্ন করলে মনোবল এবং জননিরাপত্তা – দুয়েরই ক্ষতি হয়।”

    পাকিস্তানের (Pakistan) সেনাবাহিনীর বিরুদ্ধে কেপি (Khyber Pakhtunkhwa), বালুচিস্তানে অসামরিক নাগরিকদের হত্যা এবং জোরপূর্বক অপহরণের অভিযোগ নতুন নয়। স্থানীয় বাসিন্দারা কয়েক দশক ধরে এই বিষয়গুলি নিয়ে সরব হয়েছেন। এই ঘটনাটি প্রদেশব্যাপী প্রতিবাদ এবং আন্দোলনের সূত্রপাত সৃষ্টি করেছে। বেশ কয়েকটি আঞ্চলিক রাজনৈতিক দলও বেশ কয়েকবার এই উদ্বেগ প্রকাশ করেছে। পাক সরকার এবং সেনাবাহিনীর বিরুদ্ধে ক্ষোভ প্রকাশ করেছেন বহু মানুষ। তবে পাকিস্তান-আফগানিস্তানের নতুন সংঘর্ষে এখন পর্যন্ত ২০০ জনেরও বেশি মানুষ নিহত হয়েছেন। গত সপ্তাহে, পাকিস্তান আফগানিস্তানে তেহরিক-ই-তালিবান পাকিস্তান (টিটিপি) -এর শিবিরগুলিকে লক্ষ্য করে বিমান হামলা চালিয়েছে। পাকিস্তান ঘরে-বাইরে মিলিয়ে অত্যন্ত চাপের মধ্যে রয়েছে বলেই মনে করছেন আন্তর্জাতিক নিরাপত্তা বিশেষজ্ঞরা।

LinkedIn
Share