Tag: Kolkata news

Kolkata news

  • SSC Recruitment Scam: ‘‘বিচারপতি গঙ্গোপাধ্যায় দয়ালু, তাই পুরো প্যানেল বাতিল করেননি’’, নিয়োগ-মামলায় হাইকোর্ট

    SSC Recruitment Scam: ‘‘বিচারপতি গঙ্গোপাধ্যায় দয়ালু, তাই পুরো প্যানেল বাতিল করেননি’’, নিয়োগ-মামলায় হাইকোর্ট

    মাধ্যম নিউজ ডেস্ক: ‘‘বিচারপতি গঙ্গোপাধ্যায় অনেক দয়ালু, তাই পুরো প্যানেল বাতিল করেননি’’, নিয়োগ কেলেঙ্কারি মামলায় সাফ জানাল কলকাতা হাইকোর্ট। নিয়োগ কেলেঙ্কারিতে (SSC Recruitment Scam) আদালতের নির্দেশে সোমবারই চাকরি খোয়া গিয়েছে ২৩ হাজার ৭৫৩ জনের। মামলার শুনানিতে কলকাতা হাইকোর্টের বিচারপতি দেবাংশু বসাক দু’টি বিষয়ের উল্লেখ করেন।

    কী বললেন বিচারপতি দেবাংশু বসাক? (SSC Recruitment Scam)

    তিনি বলেন, “আমাদের আর কোনও উপায় ছিল না। তাই গোটা প্যানেল বাতিল করা হয়েছে। তাছাড়া এই প্যানেলে যে কোথাও কোনও দুর্নীতি হয়েছে রাজ্য সরকার তা জানত। সেই কারণেই তারা আবেদন করেছিল সুপার নিউমেরিক পোস্টের।” কলকাতা হাইকোর্টের তৎকালীন বিচারপতি অভিজিৎ গঙ্গোপাধ্যায় প্রায় পাঁচ হাজার জনের চাকরি বাতিলের নির্দেশ দিয়েছিলেন। এদিন সে প্রসঙ্গ টেনে আইনজীবী সুদীপ্ত বসাক বলেন, “বিচারপতি গঙ্গোপাধ্যায়ের বিরুদ্ধে যে ধরনের অভিযোগ উঠেছিল, যে তিনি প্রভাবিত হয়ে এই ধরনের রায় দিয়েছিলেন। কিন্তু ডিভিশন বেঞ্চের রায়ে এটাও স্পষ্ট, দুর্নীতি হয়েছিলই। তাই পুরো প্যানেল বাতিল করল।”

    অভিজিতের সম্পর্কে কী বলছে আদালত?

    এর পরেই তিনি বলেন, “বিচারপতি গঙ্গোপাধ্যায় অনেক দয়ালু, তাই পুরো প্যানেল বাতিল করেননি।” তিনি বলেন, “শুনানির সময় রাজ্য সরকার ও এসএসসিকে আদালত বারংবার জিজ্ঞাসা করেছিল, কারা প্রকৃত, তার হিসেবটা দিতে। রাজ্য সরকার তা দিতে পারেনি। এসএসসি যতজনকে রেকমেন্ডেশন দিয়েছিল, তার চেয়েও বেশি লোক চাকরি করছে। সেই কারণেই বিচারপতি বলেছেন, প্যানেল বাতিল করা ছাড়া আরও কোনও উপায় নেই।”

    আরও পড়ুন: ‘ইন্ডি’ জোটকে ‘ঝগড়ুটে জোট’ আখ্যা বিজেপির, কেন জানেন?

    প্রসঙ্গত, অভিজিৎ যখন বিচারপতি ছিলেন তখন প্রচুর অযোগ্য (SSC Recruitment Scam) শিক্ষকের চাকরি বাতিলের নির্দেশ দিয়েছিলেন। পরে রাজ্য সরকারের আবেদনের প্রেক্ষিতে অভিজিতের সিঙ্গল বেঞ্চের নির্দেশে স্থগিতাদেশ দেয় সুপ্রিম কোর্ট। পরে নিয়োগ সংক্রান্ত মামলা অভিজিতের বেঞ্চ থেকে সরিয়ে দেওয়া হয়। সুপ্রিম কোর্টের নির্দেশে গঠন করা হয় বিচারপতি দেবাংশু বসাক ও বিচারপতি শাব্বার রাশিদির বিশেষ ডিভিশন বেঞ্চ। ৯ নভেম্বর গঠিত হয় ওই বেঞ্চ। ছ’মাসের মধ্যে মামলার প্রক্রিয়া শেষ করার নির্দেশও দিয়েছিল সুপ্রিম কোর্ট।

    কলকাতা হাইকোর্টের নির্দেশে নিয়োগ কেলেঙ্কারির তদন্ত করছে সিবিআই। কেন্দ্রীয় এই তদন্তকারী সংস্থা জেনেছে, নবম, দশম, একাদশ ও দ্বাদশ শ্রেণির শিক্ষক পদে নিয়োগের পাশাপাশি এসএলএসটি ২০১৬-র মাধ্যমে গ্রুপ সি ও গ্রুপ ডি-র নিয়োগেও দুর্নীতি হয়েছিল। নিয়োগ কেলেঙ্কারির (SSC Recruitment Scam) ঘটনায় গ্রেফতার করা হয়েছে রাজ্যের তৎকালীন শিক্ষামন্ত্রী তথা তৃণমূল নেতা পার্থ চট্টোপাধ্যায়কে।

     

    দেশের খবর, দশের খবর, সব খবর, সবার আগে পেতে ফলো করুন আমাদের  Whatsapp, FacebookTwitter, Telegram এবং Google News পেজ।

     

  • Kolkata News: চাকরিপ্রার্থীদের বিক্ষোভকে কেন্দ্র করে ধুন্ধুমার পরিস্থিতি ধর্মতলা চত্বরে

    Kolkata News: চাকরিপ্রার্থীদের বিক্ষোভকে কেন্দ্র করে ধুন্ধুমার পরিস্থিতি ধর্মতলা চত্বরে

    মাধ্যম নিউজ ডেস্ক: চাকরিপ্রার্থীদের বিক্ষোভকে কেন্দ্র করে ফের ধুন্ধুমার পরিস্থিতি ধর্মতলা চত্বরে। শুক্রবার সাতটি সংগঠনের যৌথ উদ্যোগে কলেজ স্কোয়ার থেকে ধর্ম সভা পর্যন্ত মহামিছিলের ডাক দেওয়া হয়। কিন্তু ডোরিনা ক্রসিং-এর সামনেই মিছিল আসতে পুলিশের সঙ্গে ব্যাপক ধস্তাধস্তি শুরু হয়। নিয়োগের দাবিতে চাকরিপ্রার্থীদের (Kolkata News) রাস্তায় বসে পড়েন এবং পুলিশ তাঁদের টেনে হিঁচড়ে তুলতে থাকে।

    ডোরিনার ক্রসিং-এর কাছেই উত্তেজনার পরিস্থিতি

    বুধবার ২০১৭ সালের গ্রুপ ডি, ২০০৯ সালের দক্ষিণ চব্বিশ পরগনার প্রাইমারি মঞ্চ, যুব ছাত্র অধিকার, ২০১৪ প্রাইমারি টেট একতা মঞ্চ, প্রভৃতি সংগঠন এই মিছিলের ডাক দেয়। সেই মতো শহীদ মিনার পর্যন্ত মিছিল চলতে শুরু করে। কিন্তু ডোরিনার ক্রসিং-এর কাছেই উত্তেজনার পরিস্থিতি তৈরি হয়। রাস্তা আটকে চাকরিপ্রার্থীরা (Kolkata News) আন্দোলন শুরু করলে পুলিশের সঙ্গে বচসা বাঁধে। এরপরই কয়েকজন চাকরিপ্রার্থীকে আটো করে তুলে নিয়ে যায় পুলিশ। যার মধ্যে সংগ্রামী যৌথ মঞ্চের আহ্বায়ক ভাস্কর ঘোষকেও গ্রেফতার করা হয়। এ প্রসঙ্গে ভাস্কর বাবু বলেন, ‘‘আমি জানতে পেরেছি পুলিশ অভিষেক বন্দ্যোপাধ্যায়ের নির্দেশে এইভাবে আন্দোলন থামিয়ে দিয়েছে। ওনার মদতেই বিক্ষোভে বাধা দেওয়া হচ্ছে। কিন্তু আমাদের আন্দোলন থামবে না।’’

    কী বলছেন চাকরি প্রার্থীরা?

    বঞ্চিত চাকরিপ্রার্থীদের তরফে আশিষ খামরুই বলেন, ‘‘সরকার বলছে, আইনি জটিলতার জন্য চাকরি (Kolkata News) দিচ্ছি না ৷ এটা সর্বৈব মিথ্যা ৷ একাধিক মঞ্চ আছে, যেখানে কোনও আইনি জটিলতা নেই ৷ সরকারের সদিচ্ছা থাকলে আইনি জটিলতা কাটিয়ে নিয়োগ করা যেত ৷ এতদিন ধরে আমরা মাননীয়া মুখ্যমন্ত্রীর দৃষ্টি আকর্ষণ করেছি ৷ আজও তা করছি ৷ মুখ্যমন্ত্রীর কাছে আমাদের আবেদন, আগে নিয়োগ, তারপরে ভোট ৷’’

     

    আরও পড়ুন: বিকল নৌকা, মাঝ-সমুদ্রে আটকে পড়া ২৭ বাংলাদেশি মৎস্যজীবীকে উদ্ধার ভারতের

     

    দেশের খবর, দশের খবর, সব খবর, সবার আগে পেতে ফলো করুন আমাদের  Whatsapp, FacebookTwitter, Telegram এবং Google News পেজ।

  • ED Raid: ছেলে সমুদ্রকে সঙ্গে নিয়ে সুজিতের দফতরে হানা ইডির, কী বললেন মন্ত্রী-পুত্র?

    ED Raid: ছেলে সমুদ্রকে সঙ্গে নিয়ে সুজিতের দফতরে হানা ইডির, কী বললেন মন্ত্রী-পুত্র?

    মাধ্যম নিউজ ডেস্ক: মন্ত্রীর বাড়িতে তল্লাশি চালাতে চালাতেই এবার উল্টোদিকে সুজিত বসুর (Sujit Bose) দফতরেও হানা দিল ইডি (ED Raid)। মন্ত্রী-মুত্রকে নিয়ে উল্টোদিকের ফ্ল্যাটে থাকা দফতরে পৌঁছে গেল ইডি। সেখানও চলে তল্লাশি।

    ১১ ঘণ্টা পার, এখনও চলছে তল্লাশি

    ১১ ঘণ্টা পার হতে চলল। এখনও রাজ্যের দমকল মন্ত্রী সুজিত বসুর (Sujit Bose) বাড়িতে চলছে ইডি-র ম্যারাথন তল্লাশি (ED Raid)। সঙ্গে চলছে জিজ্ঞাসাবাদও। সেই সকাল থেকেই মন্ত্রীমশাইয়ের বাড়ির মধ্যেই রয়েছেন ইডি আধিকারিকরা। তবে, তার মধ্যেই, একবার দেখা মিলেছিল বিকেলে। এদিন বিকেল সওয়া ৪টে নাগাদ সুজিত বসুর ছেলে সমুদ্রকে নিয়ে মন্ত্রীর পুরনো বাড়ি থেকে বের হয় ইডির কয়েকজন আধিকারিক। গন্তব্য ২০০ মিটার দূরে শ্রীভূমি ক্লাবের উল্টোদিকে একটি বহুতল। জানা যায়, ওই বহুতলের একটি ফ্ল্যাটে সুজিত বসুর দফতর রয়েছে। সেখানে তিনি মাঝেমধ্যে বসেন। 

    আরও পড়ুন: ‘‘ব্যাগ গোছাতে শুরু করুন’’, ইডি হানায় খোঁচা শুভেন্দুর, ‘‘খেলা শুরু হয়েছে’’, কটাক্ষ দিলীপের

    কী বললেন মন্ত্রী-পুত্র?

    এদিকে, সমুদ্র বাড়ি থেকে বের হতেই তাঁকে ছেঁকে ধরেন সাংবাদিকরা। প্রথমে কিছু বলতে না চাইলেও, পরে তিনি প্রশ্নের উত্তরে সংক্ষিপ্তভাবে বলেন, “এ ব্যাপারে কিছু এখন বলা যাবে না। ওনারা তদন্ত করছেন। তদন্ত চলতে দিন। তারপর যা সামনে আসার আসবে। আমাদের তরফে পূর্ণ সহযোগিতা করা হচ্ছে।” সমুদ্র বাড়ি থেকে বেরোতেই সুজিতের অনুগামীরাও আশপাশে ভিড় করেন। তাঁদের সবাইকে শান্ত থাকতে বলেন সুজিত বসুর ছেলে। তার পর ইডি অফিসারদের সঙ্গে বাবার (Sujit Bose) অফিসে ঢুকে যান।

    দিকে দিকে তল্লাশি ইডির

    পুর নিয়োগ কেলেঙ্কারি তদন্তে এদিন একসঙ্গে বিভিন্ন জায়গায় তল্লাশি চালাচ্ছে ইডি (ED Raid)। এদিন সকাল ৭টা নাগাদ, লেকটাউনের শ্রীভূমি ক্লাবের পাশে থাকা সুজিত বসুর (Sujit Bose) জোড়া ফ্ল্যাটে হানা দেয় কেন্দ্রীয় তদন্তকারী দল। দুটি ফ্ল্যাটে হানা দেয় দুটি পৃথক দল। সুজিত বসু ছিলেন নতুন বাড়িতে। মন্ত্রীর বাড়ি বাইরে থেকে ঘিরে ফেলে বিশাল কেন্দ্রীয় বাহিনী। সন্দেশখালিকাণ্ডের পর থেকে সতর্ক বাহিনীও। জটলা দেখলেই সরিয়ে দিচ্ছেন জওয়ানরা। 

    সুজিত বসুর (Sujit Bose) বাড়ি ছাড়াও আরও ২ জায়াগায় এদিন একসঙ্গে তল্লাশি অভিযান শুরু করে ইডি (ED Raid)। বরানগরের বিধায়ক তথা তৃণমূল নেতা তাপস রায়ের বউবাজারের বাড়িতে হানা দেয় ইডি। উত্তর দমদম পুরসভার প্রাক্তন চেয়ারম্যান তথা ১৯ নম্বর ওয়ার্ডের তৃণমূল কাউন্সিলর সুবোধ চক্রবর্তীর বাড়িতে হানা দিয়েছে কেন্দ্রীয় তদন্তকারী সংস্থা। এই প্রতিবেদন লেখা পর্যন্ত এই ২ জায়গাতেও তল্লাশি চলছে।

     

    দেশের খবরদশের খবরসব খবরসবার আগে পেতে ফলো করুন আমাদের FacebookTwitter এবং Google News পেজ।

  • Durand Cup 2023: ট্রফি নিয়ে ৬৫ তলা থেকে ঝাঁপ দুই সেনাকর্তার, কলকাতায় অভিনব উদ্বোধন ডুরান্ড কাপের

    Durand Cup 2023: ট্রফি নিয়ে ৬৫ তলা থেকে ঝাঁপ দুই সেনাকর্তার, কলকাতায় অভিনব উদ্বোধন ডুরান্ড কাপের

    মাধ্যম নিউজ ডেস্ক: পরিকল্পনা সারা হয়েছিল আগেই। সেই মতো ছিল প্রস্তুতিও। শেষ বেলায় বৃষ্টির ফলে ঘটে সাময়িক ছন্দপতন। হয় বিলম্বও। কিন্তু, প্রতিকূল আবহাওয়াও বাধা হয়ে দাঁড়াতে পারেনি। মঙ্গলবার বিকেলে এক অভিনব দৃশ্যের সাক্ষী থাকল মহানগরবাসী। শহর কলকাতা তো বটেই, পূর্ব ভারতের সর্বোচ্চ বহুতল ‘দ্য ৪২’-র ছাদ থেকে ঝাঁপ দিলেন দুই সেনাকর্তা। হাজার হাজার মানুষ দেখলেন, কীভাবে ধীরে ধীরে তাঁরা প্যারাশ্যুট করে নেমে এলেন ব্রিগেডের মাঠে। সঙ্গে নিয়ে নামলেন সুদর্শন ট্রফি। এভাবেই মঙ্গলবার কলকাতায় ডুরান্ড কাপের (Durand Cup 2023) উদ্বোধন হল। কয়েকদিন পরেই শুরু হবে ১৩২তম ডুরান্ড কাপ। তার আগে, এশিয়ার সব থেকে প্রাচীন এই ফুটবল প্রতিযোগিতার উদ্বোধনে অভিনবত্ব দেখাল ভারতীয় সেনা (Indian Army)। অনুষ্ঠানে উপস্থিত ছিলেন সেনার পূর্বাঞ্চলীয় প্রধান জিওসি-ইন-সি লেফটেন্যান্ট জেনারেল আর পি কলিতা। উপস্থিত ছিলেন রাজ্যের ক্রীড়া এবং যুব কল্যাণ মন্ত্রী অরূপ বিশ্বাসও।

    কী এই বেস জাম্পিং?

    দেশের ১৪টি শহর ঘুরে ডুরান্ড কাপের ট্রফি (Durand Cup 2023) এসেছে কলকাতায়। দেরাদুন, উধমপুর, জয়পুর, পুনে, মুম্বই, কারওয়ার, এজিমালা, কোচি, বেঙ্গালুরু, হায়দরাবাদ, গুয়াহাটি, শিলং এবং কোকড়াঝোড় থেকে এবার ডুরান্ড কলকাতায়। ফলে, তাকে ‘ফ্ল্যাগ-ইন’ বা স্বাগত জানানোর প্রক্রিয়াকে স্মরণীয় করতে সেনার (Indian Army) তরফে এমন এক অভিনব উদ্যোগ নেওয়া হয়। সামরিক পরিভাষায় এধরনের ঝাঁপ দেওয়াকে বলা হয়ে থাকে ‘বেস জাম্পিং’। এটি একটি অ্যাডভেঞ্চার স্পোর্টস। কোনও বহুতলের ছাদ কিংবা কোনও সেতু থেকে ঝাঁপ দেওয়া হয়। আর এই ঝাঁপ দেওয়ার কিছুক্ষণের মধ্যেই প্যারাশুট খুলে দেওয়া হয়। তারপর ধীরে ধীরে ওই ব্যক্তি মাটিতে নেমে আসেন। বলা বাহুল্য, এই জিনিস আগে কখনও দেখেনি কলকাতা। সেই কারণে, বাছা হয়, ‘দ্য ৪২’-কেই। কারণ, এর চেয়ে ভালো আর কী-ই বা হতে পারতো। পূর্ব পরিকল্পনা মতো, মঙ্গলবার বিকালে ময়দান সংলগ্ন ‘দ্য ৪২’-র ৬৫ তলা থেকে প্রথমে ঝাঁপ দেন সেনার অবসরপ্রাপ্ত গ্রুপ ক্যাপ্টেন কমল সিংহ ওবের। সরাসরি ময়দানে গিয়ে ল্যান্ড করেন তিনি। তার কিছু ক্ষণ পরে একই জায়গা থেকে ঝাঁপ দেন সেনার অবসরপ্রাপ্ত লেফটেন্যান্ট কর্নেল সত্যেন্দ্র বর্মা। তিনিও ল্যান্ড করেন নির্দিষ্ট জায়গায়।

    কবে শুরু ডুরান্ড কাপ?

    আগামী ৩ অগাস্ট থেকে শুরু হবে ডুরান্ড কাপ (Durand Cup 2023)। মোট ২৪টি ক্লাব এই টুর্নামেন্টে অংশ নেবে। তার মধ্যে ১৯টি দল ভারতের। ইস্টবেঙ্গল, মোহনবাগান-সহ একাধিক জনপ্রিয় ক্লাব অংশ নেবে ডুরান্ড কাপে। এ বারে ডুরান্ড হবে গুয়াহাটি, কোকরাঝাড় এবং কলকাতায়। টুর্নামেন্টের প্রথম ম্যাচে মোহনবাগান সুপার জায়ন্টসের মুখোমুখি বাংলাদেশ আর্মি। উদ্বোধনী ম্যাচ খেলা হবে যুবভারতী ক্রীড়াঙ্গনে। ৪ জুলাই মহামেডান স্পোটিংসের প্রথম ম্যাচ। বিপক্ষে মুম্বই সিটি। কিশোর ভারতীতে খেলা হবে ওই ম্যাচ। আর ৬ তারিখ বাংলাদেশ আর্মি বিরুদ্ধে নামছে লাল-হলুদ বাহিনী। সেপ্টেম্বর মাস পর্যন্ত চলবে শতাব্দী প্রাচীন টুর্নামেন্ট। তবে সবচেয়ে বেশি অপেক্ষা কলকাতা ডার্বির। ডুরান্ড কাপেই হতে চলেছে মরশুমের প্রথম বড় ম্যাচ।

     

    দেশের খবর, দশের খবর, সব খবর, সবার আগে পেতে ফলো করুন আমাদের FacebookTwitter এবং Google News পেজ।

  • Sukanta Majumdar: ‘‘দলদাস পুলিশের সামনে বুক চিতিয়ে দাঁড়িয়েছে’’, সুকান্তর ভূয়সী প্রশংসায় তথাগত

    Sukanta Majumdar: ‘‘দলদাস পুলিশের সামনে বুক চিতিয়ে দাঁড়িয়েছে’’, সুকান্তর ভূয়সী প্রশংসায় তথাগত

    মাধ্যম নিউজ ডেস্ক: সন্দেশখালিতে (Sandeshkhali Incident) গিয়ে সুকান্ত অত্যন্ত সাহসিকতার পরিচয় দিয়েছেন বলে মনে করেন ত্রিপুরা ও মেঘালয়ের প্রাক্তন রাজ্যপাল তথাগত রায়। তাঁকে হাসপাতালে দেখতে যান বিজেপি নেতা (Tathagata on Sukanta)। হাসপাতাল থেকে বেরিয়ে তিনি রাজ্য বিজেপি সভাপতির (Sukanta Majumdar) ভূমিকার ভূয়সী প্রশংসা করেন।

    কী বলেছেন তথাগত?

    তথাগত (Tathagata on Sukanta) বলেন, ‘‘এই বিষয়ে বিশেষ করে বলতে চাই, সুকান্ত অসাধারণ সাহসের পরিচয় দিয়েছে৷ জঙ্গি নেতা হিসেবে ওর রূপান্তর হয়েছে৷ সুকান্তকে (Sukanta Majumdar) আমাদের দল প্রেসিডেন্ট করেছিল৷ বিচক্ষণ, অল্পবয়সি কার্যকর্তা হিসেবে৷ কিন্তু আজ ওর অন্য একটা পরিচয় পাওয়া গিয়েছে৷ দলদাস পুলিশের সামনে বুক চিতিয়ে দাঁড়ানো, এটা খুব বেশি লোকের সাহস থাকে না৷’’ তিনি আরও বলেন, ‘‘এটা নিয়ে সবাই ধন্য ধন্য করছে৷ আমিও করছি৷ আগামিদিনে এটা বিজেপির সব কার্যকর্তাদের, বিজেপির সমর্থক, সবাইকে সাহস দেবে৷’’

    আরও পড়ুন: ‘‘সন্দেশখালিতে যে আওয়াজ উঠেছে, তাকে আটকানো যাবে না’’, হুঙ্কার মিঠুনের

    কেমন আছেন সুকান্ত?

    বুধবার সন্দেশখালি (Sandeshkhali Incident) গিয়ে পুলিশের গাড়ির বনেটের উপর উঠে পড়েন বিজেপির রাজ্য সভাপতি সুকান্ত মজুমদার৷ তারপরই তিনি অসুস্থ হয়ে পড়েন৷ সন্ধ্যায় কলকাতায় নিয়ে এসে বাইপাসের একটি বেসরকারি হাসপাতালে ভর্তি করা হয় তাঁকে৷ সেদিন রাতে বিজেপি সাংসদ সুকান্ত মজুমদারকে (Sukanta Majumdar) নিউরো আইসিইউ থেকে ডে-কেয়ার বিভাগে স্থানান্তরিত করা হয়৷ আপাতত তাকে হাসপাতালের ডে কেয়ার বিল্ডিংয়ের ৬ তলায় ৩৬১২ নম্বর কেবিনে রাখা হয়েছে। বিজেপি রাজ্য সভাপতির স্বাভাবিক হয়েছে শ্বাস প্রক্রিয়া। তাঁকে হালকা খাদ্য দেওয়া হচ্ছে। 

    সুকান্তকে ফোন ওম বিড়লার

    সুকান্ত মজুমদারকে (Sukanta Majumdar) দেখতে গতকাল হাসপাতালে যান অল ইন্ডিয়া ফুটবল ফেডারেশনের সভাপতি তথা বিজেপি নেতা কল্যাণ চৌবে৷  বিজেপির রাজ্য সভাপতিকে দেখতে হাসপাতালে যান কেন্দ্রীয় মন্ত্রী অন্নপূর্ণা দেবী যাদব এবং আসানসোলের বিজেপি বিধায়িকা অগ্নিমিত্রা পালও। তার আগে, সকালে ফোন করে বালুরঘাটের সাংসদের শারীরিক অবস্থার খোঁজ নেন লোকসভার স্পিকার ওম বিড়লাও।

     

    দেশের খবরদশের খবরসব খবরসবার আগে পেতে ফলো করুন আমাদের FacebookTwitter এবং Google News পেজ।

  • Mithun Visits Sukanta: ‘‘সন্দেশখালিতে যে আওয়াজ উঠেছে, তাকে আটকানো যাবে না’’, হুঙ্কার মিঠুনের

    Mithun Visits Sukanta: ‘‘সন্দেশখালিতে যে আওয়াজ উঠেছে, তাকে আটকানো যাবে না’’, হুঙ্কার মিঠুনের

    মাধ্যম নিউজ ডেস্ক: কয়েকদিন আগেই অসুস্থ হয়ে পড়েছিলেন অভিনেতা তথা বিজেপি নেতা মিঠুন চক্রবর্তী (Mithun Chakraborty)। তখন তাঁকে দেখতে বাইপাসের একটি বেসরকারি হাসপাতালে গিয়েছিলেন বিজেপি রাজ্য সভাপতি সুকান্ত মজুমদার। আর এবার ঠিক উল্টো ছবি। বুধবার সন্দেশখালি (Sandeshkhali Incident) যেতে গিয়ে অসুস্থ হয়ে পড়েছিলেন বিজেপি রাজ্য সভাপতি সুকান্ত মজুমদার (Sukanta Majumdar) । তাঁকে দেখতে শুক্রবার এবার ওই একই হাসপাতালে গেলেন মিঠুন চক্রবর্তী (Mithun Visits Sukanta)। বিজেপির রাজ্য সভাপতি এখন কেমন আছে তার খোঁজ নিলেন ‘মহাগুরু’ মিঠুন চক্রবর্তী। 

    কী বললেন ‘মহাগুরু’ মিঠুন?

    হাসপাতাল থেকে বেরিয়ে মিঠুন জানান, বাংলার মা-বোনেদের পাশে দাঁড়াতে গিয়েই এই সমস্যার সম্মুখীন হতে হয়েছে সুকান্ত মজুমদারকে। তবে সুকান্ত মজুমদার এখন সুস্থ আছে বলেই জানিয়েছেন তিনি (Mithun Visits Sukanta)। সাংবাদিকদের মুখোমুখি হয়ে মিঠুন বলেন, ‘‘সন্দেশখালিতে যেতে বিরোধীদের বাধা দেওয়া হচ্ছে। অথচ সরকার পক্ষের নেতারা বহাল তবিয়তে সেখানে যাচ্ছেন।’’ সত্য সামনে আসার ভয়েই শেখ শাহজাহানকে রক্ষা করা হচ্ছে বলেও এদিন দাবি করেন অভিনেতা তথা বিজেপি নেতা মিঠুন চক্রবর্তী। বিজেপি নেতা বলেন, ‘‘বিরোধীদের সন্দেশখালিতে (Sandeshkhali Incident) ঢুকতে বাধা দেওয়া হচ্ছে নাহলে সত্য ঘটনা সামনে চলে আসবে। কিন্তু এভাবে আটকানো যাবে না। সেখানে যে আওয়াজ উঠেছে সেটা বিজেপি কাউকে শিখিয়ে দেয়নি। এই আওয়াজ কোনও ভাবেই বন্ধ হতে দেওয়া যাবে না।’’

    আরও পড়ুন: সন্দেশখালির পথে বিজেপি-র কেন্দ্রীয় টিমকে বাধা পুলিশের, অবস্থান-বিক্ষোভ

    ‘‘সন্দেশখালিতে যা হচ্ছে, তা অত্যন্ত ঘৃণ্য’’

    মিঠুনের মতে, সন্দেশখালিতে (Sandeshkhali Incident) যা হচ্ছে, তার চেয়ে ‘ঘৃণ্য’ কাজ আর কিছু হতে পারে না। রাজ্য সরকারের উদ্দেশে তোপ দেগে তিনি বলেন, ‘‘মহিলাদের সঙ্গে আপনারা এই ধরনের খেলা খেলছেন?’’ এটা চিন্তাভাবনারও অতীত বলেও মন্তব্য করেন বিজেপি নেতা। পাশাপাশি মিঠু চক্রবর্তী (Mithun Visits Sukanta) আরও বলেন, ‘‘আমরা রাজনীতি করি কিন্তু সন্দেশখালিতে যা হচ্ছে,তা রাজনীতির উর্দ্ধে।’’ এসব একেবারেই হওয়া উচিত নয় বলে মন্তব্য করেন মিঠুন চক্রবর্তী। তাঁর মতে, সন্দেশখালির ঘটনার নিয়ে প্রত্যেকের সুর চড়ানো উচিত। এই ধরনের ঘটনা যাতে ভবিষ্যতে আর না ঘটে, সে বিষয়ে প্রত্যেকের সচেতন থাকা উচিত বলেও মনে করেন মিঠুন চক্রবর্তী(Mithun Chakraborty)।

    এখন কেমন আছেন সুকান্ত (Sukanta Health Update)?

    বৃহস্পতিবার রাতে বিজেপি সাংসদ সুকান্ত মজুমদারকে নিউরো আইসিইউ থেকে ডে-কেয়ার বিভাগে স্থানান্তরিত করা হয় (Mithun Visits Sukanta)৷ আপাতত তাকে হাসপাতালের ডে কেয়ার বিল্ডিংয়ের ৬ তলায় ৩৬১২ নম্বর কেবিনে রাখা হয়েছে। বিজেপি রাজ্য সভাপতির স্বাভাবিক হয়েছে শ্বাস প্রক্রিয়া। তাঁকে হালকা খাদ্য দেওয়া হচ্ছে। বুধবার সন্দেশখালি (Sandeshkhali Incident) যাওয়ার ফলে পুলিশের গাড়ির বনেটের উপর উঠে পড়েন বিজেপির রাজ্য সভাপতি সুকান্ত৷ তারপরই তিনি অসুস্থ হয়ে পড়েন৷ সন্ধ্যায় কলকাতায় নিয়ে এসে বাইপাসের একটি বেসরকারি হাসপাতালে ভরতি করা হয় তাঁকে৷

     

    দেশের খবরদশের খবরসব খবরসবার আগে পেতে ফলো করুন আমাদের FacebookTwitter এবং Google News পেজ।

  • ED Raid in Kolkata: নিয়োগ-তদন্তে ফের সক্রিয় ইডি, কলকাতার ৬ জায়গায় চলছে অভিযান

    ED Raid in Kolkata: নিয়োগ-তদন্তে ফের সক্রিয় ইডি, কলকাতার ৬ জায়গায় চলছে অভিযান

    মাধ্যম নিউজ ডেস্ক: নিয়োগ দুর্নীতির (Recruitment Scam) তদন্তে ফের ‘অ্যাকশনে’ এনফোর্সমেন্ট ডিরেক্টরেট। এবার গোয়েন্দারা হানা দিয়েছেন এই মামলায় জেলবন্দি পার্থ চট্টোপাধ্যায়ের ঘনিষ্ঠ ব্যবসায়ী ও প্রোমোটারের বাড়িতে। এছাড়া, তল্লাশি চলছে বাঁশদ্রোনি, বালিগঞ্জ ফাঁড়ি মিলিয়ে মোট ৬ জায়গায় চলছে তল্লাশি (ED Raid in Kolkata)। শুক্রবার সাত-সকালে কলকাতার একধিক জায়গায় একযোগে অভিযানে দিয়েছে ইডি-র টিম। 

    কী জানা যাচ্ছে?

    এখনও পর্যন্ত যা জানা যাচ্ছে, নিয়োগকাণ্ডের (Recruitment Scam) তদন্তে নির্দিষ্ট তথ্যের ভিত্তিতে একাধিক জায়গায় এই অভিযান সংগঠিত হচ্ছে। শুক্রবার ভোরে সিজিও কমপ্লেক্স থেকে বেরোয় ইডি অফিসারদের গাড়ি। বিভিন্ন ছোট ছোট দলে ভাগ হয়ে একাধিক জায়গায় চলে যায় এক-একটি টিম। মোট ৬ জায়গায় তল্লাশি চালানো (ED Raid in Kolkata) হচ্ছে বলে জানা গিয়েছে। একটি টিম এসেছে নাকতলায়। সেখানে পার্থ চট্টোপাধ্যায়ের বাড়ির ঠিক উল্টোদিকেই পাঁচতলা বাড়ি রাজীব দে-র। সেখানে তল্লাশি অভিযান ইডি-র। এর পাশাপাশি, বালিগঞ্জ ফাঁড়িতে রাজীব দে-র শ্রীরাম কনস্ট্রাকশনের অফিসেও তল্লাশিতে নামেন ইডি আধিকারিকরা। তল্লাশি চলছে বাঁশদ্রোণীর একটি বাড়িতেও। ইডি সূত্রে খবর, ওই বাড়িটিও রাজীবের মালিকানাধীন।

    কেন হানা এই প্রোমোটারের বাড়িতে?

    জানা যাচ্ছে, রাজীব বরাবরই পার্থ চট্টোপাধ্যায়ের ঘনিষ্ঠ। ইডি সূত্রে দাবি, বিপুল পরিমাণ কালো টাকা বাজারে খাটিয়েছেন পার্থ ঘনিষ্ঠ এই প্রোমোটার। তাঁর নামে একাধিক বেনামি সম্পত্তি রয়েছে বলে দাবি করা হচ্ছে ইডি সূত্রে। এর আগেও ৩-৪ বার রাজীব দে-কে নোটিস পাঠিয়ে জিজ্ঞাসাবাদ করেছিল ইডি। আরও জানা গিয়েছে, সম্প্রতি পার্থ ঘনিষ্ঠ কাউন্সিলর বাপ্পাদিত্য দাশগুপ্তকে জেরা  (Recruitment Scam) করে ইডি। তখনই রাজীব দে-র নাম উঠে এসেছে বলে জানা গিয়েছে। সেই সূত্রেই, এই সকল জায়গায় অভিযানে (ED Raid in Kolkata) যাওয়ার পরিকল্পনা হয়। 

    রেশনকাণ্ডেও অ্যাকশনে ইডি

    এর আগে, মঙ্গলবার সকালে রেশন দুর্নীতির তদন্তে শহরের ৬ জায়গায় হানা দেয় ইডি। বিভিন্ন দলে বিভক্ত হয়ে ইডি আধিকারিকরা পার্ক স্ট্রিট, রাসেল স্ট্রিট, বাগুইহাটি, কৈখালি ও সল্টলেকের বিভিন্ন জায়গায় হানা দিয়েছিলেন। রাতভর জেরা করার পর সল্টলেকের আইবি ব্লকের বাড়ি থেকে বুধবার সকালে গ্রেফতার করা হয় বিশ্বজিৎ দাস নামে এক ব্যবসায়ীকে। তিনি বনগাঁ পুরসভার প্রাক্তন চেয়ারম্যান এবং রেশন মামলাতেই ধৃত শঙ্কর আঢ্য ওরফে ডাকুর ঘনিষ্ঠ বলে খবর ইডি সূত্রে। ওই মামলায় মোট গ্রেফতারির সংখ্যা দাঁড়িয়েছে চার। এর আগে গ্রেফতার হয়েছেন ব্যবসায়ী বাকিবুর রহমান। ইডি গ্রেফতার করেছে রাজ্যের বনমন্ত্রী জ্যোতিপ্রিয় মল্লিক ওরফে বালুকে। তাঁর সূত্রে ধরে ধরা হয় বনগাঁ পুরসভার প্রাক্তন চেয়ারম্যান শঙ্কর আঢ্য ওরফে ডাকুকে। 

    দেশের খবর, দশের খবর, সব খবর, সবার আগে পেতে ফলো করুন আমাদের Facebook, Twitter এবং Google News পেজ।

  • Ration Scam: রেশনকাণ্ডে চতুর্থ গ্রেফতার, ইডি-র জালে শঙ্কর-ঘনিষ্ঠ ব্যবসায়ী বিশ্বজিৎ

    Ration Scam: রেশনকাণ্ডে চতুর্থ গ্রেফতার, ইডি-র জালে শঙ্কর-ঘনিষ্ঠ ব্যবসায়ী বিশ্বজিৎ

    মাধ্যম নিউজ ডেস্ক: রেশন ‘দুর্নীতি’ মামলায় (Ration Scam) আরও একজনকে গ্রেফতার করল এনফোর্সমেন্ট ডিরেক্টরেট। বুধবার সকালে বনগাঁ পুরসভার প্রাক্তন চেয়ারম্যান ‘ডাকু’ শঙ্কর আঢ্যর ঘনিষ্ঠ ব্যবসায়ী বিশ্বজিৎ দাসকে গ্রেফতার করেছে ইডি (ED Arrests Businessman)। এই নিয়ে রেশনকাণ্ডে মোট গ্রেফতারির সংখ্যা দাঁড়াল চার। এর আগে গ্রেফতার হয়েছেন ব্যবসায়ী বাকিবুর রহমান। ইডি গ্রেফতার করেছে রাজ্যের বনমন্ত্রী জ্যোতিপ্রিয় মল্লিক ওরফে বালুকে। তাঁর সূত্রে ধরে ধরা হয় বনগাঁ পুরসভার প্রাক্তন চেয়ারম্যান শঙ্কর আঢ্য ওরফে ডাকুকে। এ বার শঙ্করের ঘনিষ্ঠ এক ব্যবসায়ীকে ধরল ইডি। 

    রাতভর জেরার পর গ্রেফতার

    মঙ্গলবার সকাল ৭টা নাগাদ, সল্টলেকে বিশ্বজিতের প্রাসাদোপম বাড়িতে হানা দিয়েছিল ইডি। একইসঙ্গে মেট্রোপলিটন এলাকায় তাঁর আরও একটি ফ্ল্যাট, বাগুইআটির অফিস-সহ ৬টি জায়গায় চলে তল্লাশি। তবে তখন ব্যবসায়ী কলকাতার বাইরে ছিলেন। বিকেলে বিমানে কলকাতা পৌঁছলে তাঁকে বিমানবন্দরেই আটক করেন ইডির গোয়েন্দারা (Ration Scam)। নিয়ে যাওয়া হয় বাড়িতে। রাতভর জিজ্ঞাসাবাদ করা হয় তাঁকে। তদন্তকারীদের দাবি, বিভ্রান্তিকর জবাব দিয়ে তদন্তকে বিপথে চালনা করার চেষ্টা করছিলেন বিশ্বজিৎ। এমনকী তথ্য গোপন করেন তিনি। এর পরই, তদন্তে অসহযোগিতা এবং বক্তব্যে অসঙ্গতি থাকার জেরে এদিন সকালে গ্রেফতার (ED Arrests Businessman) করা হয়েছে ব্যবসায়ীকে। সেই সঙ্গে ধৃত ব্যবসায়ীর বাড়ি থেকে বিপুল পরিমাণ হাওয়ালা-সংক্রান্ত নথি উদ্ধার হয়েছে বলেও দাবি তদন্তকারী সংস্থার। 

    কীভাবে হত টাকা-পাচার?

    শঙ্করকে গ্রেফতারের পর আদালতে ইডি জানিয়েছিল, ৯০টির বেশি ফরেক্স বা বিদেশি মুদ্রা লেনদেনের সংস্থা রয়েছে শঙ্কর এবং তাঁর পরিবারের। ওই সংস্থাগুলির মাধ্যমে ২০ হাজার কোটি টাকা তিনি বিদেশে লেনদেন করা হয়েছে। ইডি গোয়েন্দারা জানিয়েছিলেন, মধ‌্যপ্রাচ‌্য থেকে মূলত বাংলাদেশ হয়ে পাচার হওয়া সোনার বিস্কুট বা সোনার বাটের একটি বড় অংশ এসে পৌঁছয় উত্তর ২৪ পরগনার বনগাঁ ও তার আশপাশের অঞ্চলে (Ration Scam)। ওই সোনা পাচারের অনেকটাই নিয়ন্ত্রণ ছিল শঙ্কর আঢ‌্যর হাতে। অভিযোগ, সোনা পাচারকারীদের মাধ‌্যমে শঙ্করই বনগাঁ থেকে ওই সোনা কখনও ট্রেন, আবার কখনও বা সড়কপথে পাচার করতেন কলকাতায়। সেই সোনা তাঁরই এক আত্মীয়ের লোকজন কলকাতায় বসে নিতেন।

    বিশ্বজিতের ভূমিকা ঠিক কী?

    গোয়েন্দা আধিকারিকরা জানতে পেরেছেন, শঙ্কর ঘনিষ্ঠ বিশ্বজিতের (ED Arrests Businessman) বিদেশি মুদ্রা কেনাবেচার ব্যবসা রয়েছে, সোনার ব্যবসা রয়েছে, এছাড়াও এক্সপোর্ট ইমপোর্ট সংস্থা রয়েছে। ইডির অভিযোগ, মোটা কমিশনের বিনিময়ে এই ব্যবসায়ী শংকর আঢ্যকে কালো টাকা সাদা করতে সাহায্য করেছেন। বিদেশি মুদ্রার সংস্থার মাধ্যমে শঙ্করের কালো টাকা বিদেশে পাচার করেছেন তিনি। ভুয়ো আমদানি দেখিয়ে কালো টাকা সাদা করেছেন। জানা গিয়েছে, আজই বিশ্বজিৎ দাসকে হেফাজতে চেয়ে আদালতে পেশ করবে তারা (Ration Scam)।

     

    দেশের খবরদশের খবরসব খবরসবার আগে পেতে ফলো করুন আমাদের FacebookTwitter এবং Google News পেজ।

  • ED Raid in Kolkata: রেশন দুর্নীতি মামলায় অভিযান ইডির, শহরের ৬ জায়গায় একযোগে হানা

    ED Raid in Kolkata: রেশন দুর্নীতি মামলায় অভিযান ইডির, শহরের ৬ জায়গায় একযোগে হানা

    মাধ্যম নিউজ ডেস্ক: রেশন বণ্টন দুর্নীতি (Ration Scam) মামলায় ফের সক্রিয় এনফোর্সমেন্ট ডিরেক্টরেট (ED Raid in Kolkata)। মঙ্গলবার সকালে শহরজুড়ে ‘অ্যাকশন’ ইডি-র। বিভিন্ন দলে ভাগ হয়ে শহরের বিভিন্ন জায়গায় একযোগে হানা দেন ইডি আধিকারিকরা। শুরু হয়েছে তল্লাশি-অভিযান। 

    সাত-সকালে দুয়ারে ইডি

    এখনও পর্যন্ত যা খবর, তাতে জানা গিয়েছে, রেশন দুর্নীতি (Ration Scam) মামলায় সল্টলেক-সহ কলকাতার ছ’জায়গায় তল্লাশি অভিযান শুরু করল কেন্দ্রীয় তদন্তকারী সংস্থাটি (ED Raid)। একটি দল সল্টলেক আইবি ব্লকে পৌঁছেছে। নিউ আলিপুরের একটি বহুতলে পৌঁছে গিয়েছে তদন্তকারীদের একটি দল। বাগুইআটির একটি আবাসনেও চলছে ইডির হানা। এছাড়া— পার্ক স্ট্রিট-রাসেল স্ট্রিট, বন্দর এলাকা, বাগুইহাটি-কৈখালি এলাকার একাধিক জায়গায় হানা দিয়েছেন ইডি গোয়েন্দারা। তদন্তকারীদের সঙ্গে রয়েছেন কেন্দ্রীয় বাহিনীর জওয়ানেরাও। সূত্রের খবর, ৮ থেকে ১০টি টিম আজ তদন্তে বেরিয়েছে। এদিন ২টি মামলায় মূলত তল্লাশি চলছে। একটি রেশন দুর্নীতি, অপরটি স্টক এক্সচেঞ্জ সংক্রান্ত।

    এক বিশ্বজিৎ দাসকে খুঁজছে ইডি, কে তিনি?

    সূত্রের খবর, এদিন সকাল ৭টা নাগাদ সল্টলেকে আইবি ব্লকে যেখানে হানা দেয় ইডি-র (ED Raid in Kolkata) দল, তা বিশ্বজিৎ দাস নামে এক ব্যবসায়ীর বাড়ি। জানা গিয়েছে, সেই সময় বিশ্বজিৎ বাড়িতে ছিলেন না। ‘সার্চ ওয়ারেন্ট’ দেখিয়ে বাড়ির ভিতরে ঢোকেন ইডি আধিকারিকেরা। বাড়ি ঘিরে ফেলে কেন্দ্রীয় বাহিনী। খবর পেয়ে পৌঁছে যায় বিধাননগর দক্ষিণ থানার পুলিশ। এদিন বিশ্বজিতের দুটো ফ্ল্যাটে তল্লাশি চলে। তাঁর আমদানি রফতানির ব্যবসা আছে। পাশাপশি ফরেন মানি এক্সচেঞ্জেরও ব্যবসা আছে বলে জানা গিয়েছে।

    শঙ্কর আঢ্যর ঘনিষ্ঠ বিশ্বজিৎ!

    ইডি (ED Raid in Kolkata) সূত্রের খবর, শঙ্করকে গ্রেফতারের পর আদালতে ইডি জানিয়েছিল, ৯০টির বেশি ফরেক্স বা বিদেশি মুদ্রা লেনদেনের সংস্থা রয়েছে শঙ্কর এবং তাঁর পরিবারের। ওই সংস্থাগুলির মাধ্যমে ২০ হাজার কোটি টাকা তিনি বিদেশে লেনদেন করা হয়েছে। তদন্তকারীদের দাবি, রেশনকাণ্ডে যে কোটি কোটি টাকা নয়ছয় করা হয়েছিল, সেই টাকা কোথায় এবং কী ভাবে বিনিয়োগ করা হয়েছে, তা জানতেই এই তল্লাশি অভিযান চলছে। ইডি-র আরও দাবি, এই বিশ্বজিৎ শঙ্কর আঢ্যর ঘনিষ্ঠ। রেশনকাণ্ডের (Ration Scam) এই টাকা নয়ছয়ের সঙ্গে যোগ রয়েছে বিশ্বজিতের। সেই সংক্রান্ত তথ্যপ্রমাণ জোগাড় করতেই এই ব্যবসায়ীর বাড়িতে হানা দিয়েছে ইডি ।

    এছাড়া, এদিন বাগুইআটির একটি অভিজাত আবাসনে হানা দেয় ইডি। আবাসনটি হানিস তসরিওয়াল নামে এক ব্যবসায়ীর। অন্যদিকে, দক্ষিণ কলকাতার নিউ আলিপুরে ব্যবসায়ী সুনীল কায়ানের বাড়িতে তল্লাশি (ED Raid in Kolkata) চলছে। 

     

    দেশের খবর, দশের খবর, সব খবর, সবার আগে পেতে ফলো করুন আমাদের Facebook, Twitter এবং Google News পেজ।

  • Suvendu Adhikari: বিধানসভা থেকে সাসপেন্ড ৬ বিজেপি বিধায়ক, ‘‘আমরা গর্বিত’’, প্রতিক্রিয়া শুভেন্দুর

    Suvendu Adhikari: বিধানসভা থেকে সাসপেন্ড ৬ বিজেপি বিধায়ক, ‘‘আমরা গর্বিত’’, প্রতিক্রিয়া শুভেন্দুর

    মাধ্যম নিউজ ডেস্ক: সন্দেশখালি নিয়ে সরগরম রাজ্য রাজনীতি। তার আঁচ এবার গিয়ে পড়ল বিধানসভাতেও। সন্দেশখালি নিয়ে কক্ষে বিক্ষোভ প্রদর্শন করায় সোমবার বিধানসভা (West Bengal Assembly) থেকে বিরোধী দলনেতা শুভেন্দু অধিকারী (Suvendu Adhikari) সহ ৬ বিজেপি বিধায়ককে সাসপেন্ড করলেন অধ্যক্ষ বিমান বন্দ্যোপাধ্যায়। যার পরেই শুভেন্দু অধিকারীর প্রতিক্রিয়া, ‘‘আমরা গর্বিত’’।

    আরও পড়ুন: সন্দেশখালি যাচ্ছেন শুভেন্দু, বাধা পেলে পথেই অবস্থান-বিক্ষোভ

    ‘সন্দেশখালি সঙ্গে আছি’

    সোমবার অধিবেশনের শুরু থেকেই কার্যত উত্তপ্ত হয়ে কক্ষ। সন্দেশখালি ইস্যুতে মুখ্যমন্ত্রীর বিবৃতি দাবি করেন বিরোধী দলনেতা (Suvendu Adhikari)। পাশাপাশি, ‘সন্দেশখালি সঙ্গে আছি’ লেখা টিশার্ট গায়ে দিয়ে কক্ষে ঢোকেন বিজেপি বিধায়করা। তাতে আপত্তি জানান স্পিকার। এর পরেই বিক্ষোভ শুরু করেন বিজেপি বিধায়করা। স্লোগান দেওয়ার পাশাপাশি হুইসেল বাজাতে শুরু করেন তাঁরা। 

    আরও পড়ুন: পার্টি অফিসে ধর্ষণ করেছিলেন শাহজাহান! রিপোর্ট তলব মহিলা কমিশনের

    শুভেন্দু-সহ ৬ জন বিধায়ক সাসপেন্ড

    শাসক দলের তরফে বিধানসভার (West Bengal Assembly) মুখ্যসচেতক নির্মল ঘোষ বিজেপির পুরো পরিষদীয় দলকে সাসপেন্ড করার প্রস্তাব দেন। পরে পরিষদীয় মন্ত্রী শোভনদেব চট্টোপাধ্যায় সেই প্রস্তাব সংশোধন করে শুভেন্দু-সহ ৬ জন বিধায়ককে সাসপেন্ড করার প্রস্তাব দেন। এর পরই, শুভেন্দু (Suvendu Adhikari) সহ ৬ বিজেপি বিধায়ককে সাসপেন্ড করেন স্পিকার বিমান বন্দ্যোপাধ্যায়। এদিন শুভেন্দু ছাড়াও সাসপেন্ড হয়েছেন অগ্নিমিত্রা পাল, মিহির গোস্বামী, তাপসী মণ্ডল, বঙ্কিম ঘোষ ও শঙ্কর ঘোষকে সাসপেন্ড করা হয়। চলতি বছরের রাজ্য বাজেট অধিবেশনে আর এক দিনও অংশ নিতে পারবেন না তাঁরা।

    ‘‘যত সাসপেন্ড করবে তত এগোব…’’

    এর পরই বিধানসভা (West Bengal Assembly) থেকে ওয়াকআউট করে বিজেপি। বাইরে বেরিয়ে বিক্ষোভ দেখাতে থাকেন। সাংবাদিকদের সামনে শুভেন্দু (Suvendu Adhikari) বলেন, “রাজ্যের স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী তথা মুখ্যমন্ত্রী বিধানসভায় আসেন না। আজ পর্যন্ত বিজেপি বিধায়কদের স্বরাষ্ট্র দফতরের কোনও প্রশ্নের জবাব দেন না তিনি। বিধানসভায় সন্দেশখালি নিয়ে প্রশ্নের জবাবও দেননি। সন্দেশখালির মা বোনেদের সম্মান বাঁচাতে আমরা সাসপেন্ড হয়েছি। আমাদের যত সাসপেন্ড করবে আমরা তত এগোব। এটা মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়ের নির্দেশেই হয়েছে। সাসপেন্ড হয়ে আমরা গর্বিত। আমাদের কোনও দুঃখ নেই।”

     

    দেশের খবরদশের খবরসব খবরসবার আগে পেতে ফলো করুন আমাদের FacebookTwitter এবং Google News পেজ।

LinkedIn
Share