Tag: Kolkata news

Kolkata news

  • Mamata TMC Rebellion: ফাটল চওড়া তৃণমূলে! অভিষেককে ধুয়ে দিলেন কল্যাণ, ‘আলটিমেটাম’ মমতাকেও

    Mamata TMC Rebellion: ফাটল চওড়া তৃণমূলে! অভিষেককে ধুয়ে দিলেন কল্যাণ, ‘আলটিমেটাম’ মমতাকেও

    মাধ্যম নিউজ ডেস্ক: “আপনি যদি অভিষেকের ওপরই নির্ভর করেন, তাহলে তাঁর সঙ্গেই থাকুন। আর যদি তাঁর থেকে দূরে সরে আসেন, তাহলে আমি আপনার পাশে আছি।” বৃহস্পতিবার মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়ের উদ্দেশে এমনই বার্তা দিলেন তৃণমূল সাংসদ কল্যাণ বন্দ্যোপাধ্যায় (Mamata TMC Rebellion)। মমতার হাতে গড়া সাধের তৃণমূলে একের পর এক উইকেট পড়তে থাকায় এমনিতেই শ্যাম রাখি না কূল দশা তৃণমূল সুপ্রিমোর।

    ‘ভাইপো কালচারে’র জের! (Mamata TMC Rebellion)

    এহেন আবহে কল্যাণের এই হুমকি বার্তায় সিঁদুরে মেঘ দেখছেন তৃণমূলের মমতাপন্থী নেতারা। তৃণমূলে ‘ভাইপো কালচার’ শুরুর পর থেকেই বইতে শুরু করেছিল অশান্তির চোরাস্রোত। তবে সে সবকে কোনওদিনই পাত্তা দেননি (Kalyan Banerjee) দলনেত্রী। উল্টে সাপ এবং ব্যাঙ-দু’পক্ষকেই তাঁবে রাখতে একের পর এক ‘গেম’ খেলে গিয়েছেন তিনি। তবে তাতে যে বিশেষ কাজ হয়নি, তার প্রমাণ মিলল ছাব্বিশের বিধানসভা নির্বাচনে তৃণমূল গাড্ডায় পড়তেই। ভেঙে দু’খান হয়ে গেল কংগ্রেস ভাঙিয়ে তৃণমূল গড়ার ‘কারিগর’ মমতার দল।

    অভিষেককে নিশানা কল্যাণের

    এদিন কল্যাণ প্রকাশ্যেই ক্ষোভ উগরে দেন অভিষেক বন্দ্যোপাধ্যায়ের বিরুদ্ধে। সই জালিয়াতি সংক্রান্ত একটি মামলায় তাঁর পরিবর্তে অন্য আইনজীবী নিয়োগ করাকে কেন্দ্র করে ‘ভাতিজা’র বিরুদ্ধে অসম্মান করার অভিযোগ তোলেন শ্রীরামপুরের সাংসদ। তিনি জানান, একজন সিনিয়র আইনজীবী হিসেবে তাঁকে অপমান করা হয়েছে। ভবিষ্যতে আর তিনি যে অভিষেকের হয়ে কোনও মামলায় সওয়াল করবেন না, তাও জানিয়ে দেন এই তৃণমূল সাংসদ। অভিষেককে নিশানা করে কল্যাণ বলেন, “ওঁর অহংকারী মনোভাবের কারণেই দলের মধ্যে সমস্যা সৃষ্টি হচ্ছে। উনি কাউকেই সম্মান করতে জানেন না।” তিনি জানান, দলের প্রবীণ নেতা ডেরেক ও’ব্রায়েন তাঁর সঙ্গে যোগাযোগ করলেও, মমতা এখনও ফোন করেননি। তবে তিনি যে তৃণমূলের অন্যান্য সাংগঠনিক ও আইনি বিষয়ে কাজ চালিয়ে যাবেন, তাও জানিয়ে দিয়েছেন এই আইনজীবী নেতা।

    ফাটল চওড়া হচ্ছে তৃণমূলে

    এদিকে, সময়ের সঙ্গে সঙ্গে তৃণমূলের ফাটল ক্রমেই চওড়া হচ্ছে। গত তিনদিনে পদত্যাগ করেছেন রাজ্যসভার তিন সাংসদ। বুধবার রাজ্যসভার সদস্যপদ ছাড়েন প্রকাশ চিক বরাইক। ৮ জুন ইস্তফা দিয়েছিলেন সুখেন্দুশেখর রায়। আর ১০ জুন পদত্যাগ করেন সুস্মিতা দেব। প্রকাশ জানান, পশ্চিমবঙ্গের মানুষের মতামতকে সম্মান জানিয়েই তিনি পদত্যাগের সিদ্ধান্ত নিয়েছেন। পরে তাঁকে বিজেপি সাংসদ নিশিকান্ত দুবের বাসভবনে যেতে দেখা যায়, যা নিয়ে রাজনৈতিক জল্পনার পারদ আরও চড়েছে।এদিকে, তৃণমূলের সঙ্গে সম্ভাব্য কোনও সংযুক্তির জল্পনা উড়িয়ে দিয়েছে কংগ্রেস। যদিও বুধবার দিল্লিতে লোকসভার বিরোধী দলনেতা রাহুল গান্ধীর সঙ্গে বৈঠক করেন (Mamata TMC Rebellion) অভিষেক। অন্যদিকে, বিদ্রোহী তৃণমূল নেতা ঋতব্রত বন্দ্যোপাধ্যায়ের দাবি, তাঁদের সঙ্গে সমর্থন রয়েছে ৬৪ জন বিধায়কের সমর্থন। বিদ্রোহী সাংসদ কাকলি ঘোষ দস্তিদার জানান, লোকসভায় ২০ জন সাংসদ পৃথক আসন বিন্যাসের দাবি জানিয়েছেন। এ থেকেই (Kalyan Banerjee) স্পষ্ট, তৃণমূলের ছত্রখান হওয়াটা স্রেফ সময়ের অপেক্ষা।

     

  • CID: সইকাণ্ডের তদন্তে কালীঘাটে সিআইডি, তল্লাশি তৃণমূলের সেন্ট্রাল পার্টি অফিসে

    CID: সইকাণ্ডের তদন্তে কালীঘাটে সিআইডি, তল্লাশি তৃণমূলের সেন্ট্রাল পার্টি অফিসে

    মাধ্যম নিউজ ডেস্ক: সইকাণ্ডের তদন্তে মঙ্গলবার কালীঘাটে তৃণমূলের কেন্দ্রীয় কার্যালয়ে হানা দেয় সিআইডির (CID) একটি দল। প্রাক্তন মুখ্যমন্ত্রী তথা তৃণমূল নেত্রী মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়ের বাড়ি লাগোয়া ৩০বি, হরিশ চ্যাটার্জি স্ট্রিটের ওই কার্যালয়ে পুলিশ ও কেন্দ্রীয় বাহিনীকে সঙ্গে নিয়েই অভিযান চালানো হয়। যদিও প্রথমে কার্যালয়ে প্রবেশ করতে পারেননি তদন্তকারীরা। উপস্থিত তৃণমূল নেতাদের সঙ্গে ঘণ্টাখানেক বাগ্‌বিতণ্ডার পর বিকেল চারটের কিছু (TMC Central Office) পরে ভেতরে ঢোকে সিআইডি। তল্লাশি চালায় প্রায় দু’ঘণ্টা ধরে।জানা গিয়েছে, সিআইডি কার্যালয়ের সিসিটিভি ফুটেজ সংগ্রহেরও চেষ্টা করেছিল। অভিযোগ, তৃণমূলের সাধারণ সম্পাদক অভিষেক বন্দ্যোপাধ্যায়ের পাঠানো একটি প্রস্তাবিত চিঠিতে কয়েকজন বিধায়কের সই জাল করা হয়েছে। সেই অভিযোগের তদন্তেই এই পদক্ষেপ।

    পার্টি অফিসে ঢুকতে বাধা (CID)

    কার্যালয়ের দায়িত্বে থাকা তৃণমূলের প্রাক্তন সাংসদ তথা দলের কোষাধ্যক্ষ শুভাশিস চক্রবর্তী প্রথমে তদন্তকারীদের ভেতরে ঢুকতে দেননি। তাঁর দাবি, মমতা বন্দ্যোপাধ্যায় এবং অভিষেক বন্দ্যোপাধ্যায় বর্তমানে দিল্লিতে রয়েছেন। তাঁদের অনুপস্থিতিতে তিনি কার্যালয়ে তল্লাশির অনুমতি দিতে পারেন না। সিআইডিকে আরও কয়েকদিন সময় দেওয়ার অনুরোধও জানান শুভাশিস। এদিকে, সিআইডির দাবি, আদালত এবং আইন মেনেই তারা তদন্তের স্বার্থে তল্লাশি চালাতে এসেছে। তাদের সঙ্গে যে সংশ্লিষ্ট নোটিশটি ছিল তাও জানায় রাজ্যের গোয়েন্দা সংস্থা। দীর্ঘ বাগ্‌বিতণ্ডার পর শেষ পর্যন্ত তদন্তকারী দল কার্যালয়ে ঢোকে।

    একাধিকবার হাজিরার নোটিশ

    প্রসঙ্গত, সইকাণ্ডে অভিষেককে একাধিকবার হাজিরার নোটিশ পাঠিয়েছে সিআইডি। ১ জুন হাজিরার নির্দেশ দেওয়া হলেও, তিনি অতিরিক্ত সময় চান। পরে ফের সাত দিনের মধ্যে হাজিরার নির্দেশ দেওয়া হলেও, উপস্থিত হননি তিনি। সোমবার তাঁর কালীঘাটের বাড়িতে তৃতীয় নোটিশটি পাঠিয়ে মঙ্গলবার বিকেল ৫টার মধ্যে হাজির হতে বলা হয়েছিল। তার পরেও তৃণমূলের এই নেতা উপস্থিত না হওয়ায় এদিন (TMC Central Office) পার্টি অফিসে হানা দেয় সিআইডি। এদিন, অভিষেকের ক্যামাক স্ট্রিটের অফিসেও যায় সিআইডির একটি দল। সেখানেও চালানো হয় তল্লাশি। প্রসঙ্গত, যে বৈঠকে দলীয় বিধায়কদের সই সংগ্রহ করা হয়েছিল বলে দাবি করছে তৃণমূল, সেটি হয়েছিল কালীঘাটের এই পার্টি অফিসেই। তদন্তকারীরা সে দিনের বৈঠকে কারা উপস্থিত ছিলেন, কারা সই করেছিলেন এবং পুরো প্রক্রিয়াটি কীভাবে সম্পন্ন হয়েছিল, তার তথ্য জোগাড়ে জোর দিচ্ছেন।

    তৃণমূল নেতার দাবি

    তল্লাশি শেষে কার্যালয় থেকে বেরিয়ে শুভাশিসের দাবি, সিআইডি কোনও নথি বা সামগ্রী বাজেয়াপ্ত করেনি। তাঁর সাফ কথা, তিনি কোনওভাবেই তদন্তে বাধা দেননি (CID)। যাঁর নামে চিঠি এসেছে, তিনি ফিরে এলেই তদন্তে পূর্ণ সহযোগিতা করা হবে। শুভাশিস বলেন, “অভিষেক ব্যানার্জিকে চিঠি দিয়েছেন। সার্চ করতে এসেছেন। আমি ওঁর অনুপস্থিতিতে কাউকে ঢুকতে দিতে পারি না। যাঁর চিঠি নিয়ে এসেছেন, তিনি আসুন, ওঁরা ঘরে ঢুকুন, আমরা সাহায্য করব। আমি ভলান্টিয়ারি চার্জে আছি। অফিস দেখছি একজন সাধারণ হিসেবে। আমি কোনও তদন্তে বাধা দিইনি। আমি বাধা দেওয়ার কেউ না। আমি সিআইডির কাছে (TMC Central Office) আবেদন করলাম, দু’দিন পরে আসতে।”

    সইকাণ্ড

    ছাব্বিশের বিধানসভা নির্বাচনে গোহারা হেরে গিয়ে বিরোধী আসনে বসে তৃণমূল। বিধানসভায় কে বিরোধী দলনেতা, মুখ্য সচেতক বা উপদলনেতা হবেন— তা ঠিক করতে তৃণমূলের ওই পার্টি অফিসে বিধায়কদের নিয়ে (CID) বৈঠকে বসেছিলেন দলনেত্রী মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়। সেই বৈঠকের পর শোভনদেব চট্টোপাধ্যায়কে বিরোধী দলনেতা, নয়না বন্দ্যোপাধ্যায় এবং অসীমা পাত্রকে উপদলনেতা এবং মুখ্যসচেতক হিসাবে ফিরহাদ হাকিমের নাম প্রস্তাব করে স্পিকার রথীন্দ্র বসুকে চিঠি দেন তৃণমূলের সেকেন্ড ইন কমান্ড অভিষেক। অভিযোগ, তিনি তৃণমূল বিধায়কদের সই করা যে চিঠিটি পাঠিয়েছিলেন, তাতে কয়েক জন বিধায়কের সই ‘জাল’ করা হয়েছে। সেই অভিযোগ তুলে প্রথমে বিদ্রোহ ঘোষণা করেন উলুবেড়িয়া পূর্বের বিধায়ক ঋতব্রত বন্দ্যোপাধ্যায় এবং এন্টালির বিধায়ক সন্দীপন সাহা। পরে তৃণমূল দু’জনকেই দলীয় পদ থেকে বহিষ্কার করে।

    মুখ্যমন্ত্রীর সাফ কথা

    সইকাণ্ডে সরকারের অবস্থান স্পষ্ট করতে গিয়ে মুখ্যমন্ত্রী শুভেন্দু অধিকারী বলেন, “ঋতব্রত এবং সন্দীপনের অভিযোগ পাওয়ার পরেই বিধানসভার তরফে হেয়ার স্ট্রিট থানার সঙ্গে যোগাযোগ করা হয়। তার পরেই এফআইআরে দায়ের করে তদন্ত শুরু পুলিশ। সেই তদন্তে পুলিশকে সহযোগিতা করছে সিআইডি। তৈরি (TMC Central Office) হয়েছে সিট-ও। তদন্তের সূত্রে একাধিকবার অভিষেককে জিজ্ঞাসাবাদের জন্য তলব করে সিআইডি। পাঠানো হয় নোটিশও। তার পরেও তিনি হাজির না হওয়ায় এদিন চালানো হয় তল্লাশি (CID)।

     

  • Sona Pappu: সোনা পাপ্পু কাণ্ডে তোলপাড় বাংলা! কলকাতা থেকে কান্দি— একযোগে ইডির হানা

    Sona Pappu: সোনা পাপ্পু কাণ্ডে তোলপাড় বাংলা! কলকাতা থেকে কান্দি— একযোগে ইডির হানা

    মাধ্যম নিউজ ডেস্ক: সোনা পাপ্পু মামলার তদন্তে আরও সক্রিয় হল ইডি। শুক্রবার সকাল থেকেই কলকাতার একাধিক এলাকায় শুরু হয়েছে তল্লাশি অভিযান। ইডি সূত্রে জানা গিয়েছে, কসবা, চক্রবেড়িয়া এবং রয়েড স্ট্রিট-সহ শহরের বিভিন্ন জায়গায় একযোগে অভিযান চালানো হচ্ছে। সোনা পাপ্পু ওরফে বিশ্বজিৎ পোদ্দারকে জিজ্ঞাসাবাদের সময় যে আর্থিক লেনদেন সংক্রান্ত তথ্য হাতে এসেছে, তার ভিত্তিতেই এই তল্লাশি শুরু হয়েছে বলে দাবি তদন্তকারী সংস্থার। একইসঙ্গে মুর্শিদাবাদের কান্দিতেও কলকাতা পুলিশের প্রাক্তন ডিসি শান্তনু সিনহা বিশ্বাসের প্রাসাদোপম বাড়িতে হানা দিয়েছে ইডি। নিউটাউনের CRPF ক্যাম্প থেকেও অতিরিক্ত জওয়ান মোতায়েন করা হয়েছে বলে খবর।

    কলকাতার একাধিক জায়গায় ইডির তল্লাশি

    শুক্রবার সকাল থেকে পার্ক স্ট্রিট, বালিগঞ্জ প্লেস এবং ভবানীপুর-সহ শহরের বিভিন্ন এলাকায় পৌঁছে যায় ইডির একাধিক দল। ভবানীপুরের চক্রবেড়িয়ায় আশু বিশ্বাস রোডে প্রোমোটার অতুল কাঠারিয়ার বাড়িতে তল্লাশি চালানো হচ্ছে। কেন্দ্রীয় বাহিনীর কড়া নিরাপত্তায় ঘিরে ফেলা হয়েছে এলাকা। ইডি সূত্রে দাবি, অতুল কাঠারিয়ার সঙ্গে সোনা পাপ্পুর আর্থিক যোগাযোগ ছিল এবং মামলার কালো টাকা তাঁর মাধ্যমে বিনিয়োগ করা হয়েছিল কি না, তা খতিয়ে দেখা হচ্ছে।

    অন্যদিকে, কসবার বালিগঞ্জ প্লেসের একটি বিলাসবহুল বাড়িতেও তল্লাশি চালায় ইডির আরেকটি দল। সেখানে কলকাতা পুলিশের এক সাব-ইন্সপেক্টরের বাড়িতে অভিযান ঘিরে চাঞ্চল্য ছড়িয়েছে। তদন্তকারীরা খতিয়ে দেখছেন, ওই পুলিশ আধিকারিকের সঙ্গে এই চক্রের কোনও যোগসূত্র ছিল কি না। পাশাপাশি, মধ্য কলকাতার ৪ রয়েড স্ট্রিটে ‘The Corporate’ নামে একটি ক্যাফেটেরিয়া-কাম-হোটেলেও হানা দেয় ইডি। ম্যানেজারের সঙ্গে কথা বলে তল্লাশি শুরু হয় এবং হোটেলের মালিককে তলব করা হয়েছে বলে জানা গিয়েছে।

    কেন এই অভিযান?

    সোনা পাপ্পুর বিরুদ্ধে জমি জালিয়াতি ও বেআইনি আর্থিক লেনদেনের অভিযোগে তদন্ত করছে ইডি। সংস্থার দাবি, জিজ্ঞাসাবাদে উঠে এসেছে একাধিক সংস্থার মাধ্যমে কালো টাকা সাদা করার তথ্য। পাশাপাশি, সেই টাকা প্রভাবশালী ব্যক্তিদের কাছেও পৌঁছেছিল বলে সন্দেহ। তদন্তকারীদের অনুমান, ওই অর্থ বিভিন্ন সংস্থায় বিনিয়োগও করা হয়েছিল। এই সমস্ত তথ্যের সূত্র ধরেই শুরু হয়েছে নতুন করে তল্লাশি অভিযান। উল্লেখ্য, গত ১৮ মে বিশ্বজিৎ পোদ্দার ওরফে সোনা পাপ্পুকে গ্রেফতার করে ইডি। তাঁর বিরুদ্ধে তোলাবাজি, জমি দখল, বেআইনি নির্মাণ এবং গুণ্ডাগিরির মতো একাধিক অভিযোগ রয়েছে। ফেব্রুয়ারি মাস থেকে তাঁকে খুঁজছিল তদন্তকারীরা। একাধিকবার তলব করা হলেও দীর্ঘদিন অধরা ছিলেন তিনি। পরে নিজেই ইডি দফতরে হাজির হলে প্রায় ১০ ঘণ্টার জিজ্ঞাসাবাদের পর তাঁকে গ্রেফতার করা হয়।

    কান্দিতে শান্তনু সিনহা বিশ্বাসের বাড়িতেও হানা

    কলকাতার পাশাপাশি মুর্শিদাবাদের কান্দিতেও অভিযান চালাচ্ছে ইডি। সোনা পাপ্পু মামলায় গ্রেফতার হওয়া কলকাতা পুলিশের প্রাক্তন ডিসি শান্তনু সিনহা বিশ্বাসের পৈত্রিক বাড়িতে তল্লাশি শুরু হয়েছে। কান্দি পুরসভার ৮ নম্বর ওয়ার্ডে অবস্থিত ওই বাড়িতে বর্তমানে থাকেন তাঁর বোন তথা কান্দি পুরসভার ভাইস চেয়ারম্যান গৌরী সিনহা বিশ্বাস। তবে বাড়িতে পৌঁছে প্রথমে সমস্যার মুখে পড়েন তদন্তকারীরা। সদর দরজা ভিতর থেকে বন্ধ থাকায় সঙ্গে সঙ্গে ঢোকা সম্ভব হয়নি। পরে স্থানীয় থানার প্রয়োজনীয় প্রক্রিয়া সম্পন্ন করে তালা ভেঙে বাড়ির ভিতরে প্রবেশ করেন ইডি আধিকারিকরা। প্রায় দু’ঘণ্টা অপেক্ষার পর শুরু হয় তল্লাশি। বাড়ির বাইরে মোতায়েন করা হয়েছে কেন্দ্রীয় বাহিনী। ওয়াকিবহাল মহলের মতে, সোনা পাপ্পু মামলার জাল কতটা বিস্তৃত এবং এর সঙ্গে কারা জড়িত, কলকাতা ও কান্দিতে একযোগে চলা এই তল্লাশির পর তা আরও স্পষ্ট হয়ে উঠতে পারে।

  • Kolkata News: কলকাতার রাস্তায় শারীরিক হেনস্থার শিকার গায়ক দুর্নিবার, সঙ্গে ছিলেন স্ত্রী মোহরও

    Kolkata News: কলকাতার রাস্তায় শারীরিক হেনস্থার শিকার গায়ক দুর্নিবার, সঙ্গে ছিলেন স্ত্রী মোহরও

    মাধ্যম নিউজ ডেস্ক: শনিবার দুপুরে কলকাতার (Kolkata News) রাস্তায় হেনস্থার শিকার গায়ক দুর্নিবার সাহা (Singer Durnibar) ও তাঁর স্ত্রী ঐন্দ্রিলা সেন ওরফে মোহর। প্রসঙ্গত, ঐন্দ্রিলা হলেন প্রসেনজিৎ চট্টোপাধ্যায়ের আপ্ত সহায়ক। জানা গিয়েছে, রাস্তাতেই দুর্নিবার-মোহরের ওপর চড়াও হয় একদল লোক। অভিযোগ, দুর্নিবারের গলা চেপে ধরে তারা। গোটা ঘটনাটি নিয়ে সমাজ মাধ্যমে সরব হন গায়ক।

    কী বলেছেন দুর্নিবার? (Kolkata News)

    নিজের ফেসবুক পেজে একটা ভিডিও পোস্ট করেন গায়ক দুর্নিবার সাহা। তাঁকে সেখানে বলতে শোনা যায়, ‘‘আমি দুর্নিবার, আমার সঙ্গে আছে মোহর। আমাদের সঙ্গে ঠিক এক ঘণ্টা আগে কলকাতার ৯৯ নম্বর ওয়ার্ডে, নাকতলার ভিতরে একটা রাস্তার মোড়ে খুব খারাপ একটা ঘটনা ঘটে।’’ গায়কের অভিযোগ, কোনও রকমের রোড ব্লকেজের নোটিশ না থাকা সত্ত্বেও একদল লোক রাস্তা সারাইয়ের কাজ করছিলেন। তখন গায়ক ৫-৬বার হর্ন দিয়ে বলেন, ‘‘এটা দুপুরবেলা, রাস্তা ঠিক করার সময় নয়। সরে যান গাড়িটা যেতে দিন। তখনই তাঁরা (লোকগুলি) তেড়ে আসেন।’’

    ওঁরা আমার গলা চেপে ধরে 

    এরপরেই তাঁর ওপর হামলা করার অভিযোগ করেন গায়ক (Singer Durnibar)। তিনি বলেন, ‘‘আমি তখন ওঁদের সঙ্গে কথা বলার জন্য গাড়ি থেকে নামতে বাধ্য হই। আপনারা দেখতে পাচ্ছেন ওঁরা আমার গলা চেপে ধরে (গলার দাগ দেখিয়ে)। আমার গলায় ভীষণ ব্যাথা, এখনও ঢোঁক গিলতে পারছি না। আমার হাতেও দাগ দেখতে পাবেন। নিজে বাঁচতে আমিও হামলাকারীদের একজনের গলা ধরি। তখন ওঁরা ৩-৪জন মিলে টেনে হিঁচড়ে রাস্তার উল্টোদিকে নিয়ে যান।’’ মোহর তখনও নামেনি, ও বেগতিক দেখে (Kolkata News) নামে। ও যখন নামে তখনও আমার একজন গলা চেপে ধরে আছে, হাত ধরে আছে। যাতে আমার নিঃশ্বাস বন্ধ হয়ে যায়।’’ সব শেষে দুর্নিবার জানান, যাঁরা রাস্তায় কাজ করছিলেন, তাঁরা কিন্তু কোনও মিস্ত্রী নন, স্থানীয় বাসিন্দা।

    কী বললেন মোহর?

    ফেসবুকের (Kolkata News) ওই ভিডিওতে দুর্নিবারের সঙ্গে মোহরও ছিলেন। তিনি বলেন, ‘‘এত কিছুর পরে বলব, কিছু ভালো মানুষ হয়ত আছেন। এক ভদ্রলোক আমাকে দেখে কাঁদতে শুরু করেছিলেন। বলেন, মা তুমি গাড়িতে গিয়ে বসো, চতুর্দিকে যা হচ্ছে, বুঝতে পারছি না কেন হচ্ছে, তুমি প্লিজ গাড়িতে বসো। আমিও এখনও বিষয়টা থেকে বের হতে পারছি না। ভর দুপুর বেলা! কী বলব লোককে? কেউ কখনও বাইরে বের হবেন না!’’

     

    দেশের খবর, দশের খবর, সব খবর, সবার আগে পেতে ফলো করুন আমাদের  Whatsapp, FacebookTwitter, Telegram এবং Google News পেজ।

  • Kathi Roll: কলকাতার বুকে তৈরি হল ইতিহাস, জানুন কাঠি রোলের জন্মবৃত্তান্ত

    Kathi Roll: কলকাতার বুকে তৈরি হল ইতিহাস, জানুন কাঠি রোলের জন্মবৃত্তান্ত

    মাধ্যম নিউজ ডেস্ক: সাহেবি আমল। কলকাতার স্যার স্টুয়ার্ট হগ মার্কেটের (বর্তমানে নিউ মার্কেট নামে পরিচিত) সামনের একটি খাবারের দোকানের সামনে লম্বা লাইন। দোকানটির নাম নিজামস রেস্টুরেন্ট (Nizams Kebab)। এই লাইনেই দাঁড়িয়ে রয়েছেন এক সাহেবও। ঘনঘন হাতের ঘড়িটার দিকে তাকাচ্ছেন তিনি। আর একবার করে দেখছেন দোকানের দিকে (Kathi Roll)। দোকানের ভিতরে তখন খদ্দের সামলাতে ব্যস্ত কারিগররা। সাহেব ছটফট করছেন তাঁর পছন্দের মাটন কাবাবটা নিয়েই কাজে চলে যাবেন বলে।

    ছোট্ট আইডিয়ায় বাজিমাত (Kathi Roll)

    লাইনে দীর্ঘক্ষণ ঠায় দাঁড়িয়ে সাহেব যখন দোকানের কাউন্টারে পৌঁছলেন, তখন দেখলেন সেখানে ডাঁই করে রাখা রয়েছে মাংস, মশলা, কুচোনো পেঁয়াজ, রসুন, আদা এবং কিছু ভেষজ। এগুলিকে একটি শিকে (স্ক্যুয়ারে) গেঁথে আগুনে ঝলসানো হবে। মাংস, মশলা এবং অন্যান্য খাবারের গন্ধে তখন ম ম করছে দোকান। সেই লোহার শিকে করে যখন মাংস ঝলসানোর প্রস্তুতি নেওয়া চলছে সাহেবের জন্য, তখনই বিদ্যুৎগতিতে একটি আইডিয়া খেলে গেল দোকনের কর্ণধার রাজা হাসানের।

    কলকাতার বুকে ইতিহাস

    তিনি এক ঝলক দেখে নিলেন দোকানের চারপাশটা। দেখলেন কয়েকটি পরোটা পড়ে রয়েছে। শিক কাবাব করতে সময় লাগবে জেনে এবং সাহেবকে তাড়াহুড়ো করতে দেখে সেই পরোটার মধ্যেই ভরে দিলেন কাবাব। রাজার অজান্তেই কলকাতার বুকে তৈরি হয়ে গেল ইতিহাস। জন্ম নিল কাঠি রোল (Kathi Roll)। এই রোলের দামও যেমন শিক কাবাবের চেয়ে কম, তেমনি স্বাদেও অপূর্ব। পেটও ভরে। কাঠি রোলে কামড় দিয়েই যারপরনাই আহ্লাদিত সাহেব। লালমুখো সাহেবের মুখে তখন খুশির ঝিলিক। প্রশংসা করলেন দোকান মালিকের নয়া কনসেপ্টের। তার পর থেকেই জনপ্রিয় হয়ে গেল নিজামের কাঠি রোল।

    আর পড়ুন: ব্রিটেনের কুর্সিতে লেবার পার্টি, স্টার্মার-রাজত্বে ভারত-ব্রিটেন সম্পর্ক কেমন হবে?

    কেবল এই পরিবর্তনই নয়, লোহার শিকগুলির পরিবর্তে বাঁশের কাঠির ব্যবহারও কলকাতার বুকে তিনিই প্রথম করেছিলেন। এতে লাভ হয় দুটো। এক, লোহার শিক ভারী। তাড়াতাড়ি গরম হওয়ায় মাংস পুড়ে যাওয়া সম্ভাবনা থাকে। আর দুই, লোহার শিকের দামও বেশি। বাঁশের কাঠিতে এগুলির কোনওটাই নেই। মাংসও হয় সুসিদ্ধ।

    নিজামের কাঠি রোল প্রশংসা কুড়িয়েছে দেশ-বিদেশের বহু নামজাদা ব্যক্তিত্বের। এঁদের মধ্যে রয়েছেন খোদ অমিতাভ বচ্চনও। কলকাতায় এক শ্যুটিংয়ে এসে (Nizams Kebab) তিনি বলেছিলেন, “কলকাতার কাঠি রোলের স্বাদ অতুলনীয় (Kathi Roll)।”

     

    দেশের খবর, দশের খবর, সব খবর, সবার আগে পেতে ফলো করুন আমাদের  Whatsapp, FacebookTwitter, Telegram এবং Google News পেজ।

  • Cyclone Remal: রেমাল-দুর্যোগে কলকাতায় দুর্ভোগ! রাতভর বৃষ্টিতে জলমগ্ন শহর, সোমেও জারি সতর্কতা

    Cyclone Remal: রেমাল-দুর্যোগে কলকাতায় দুর্ভোগ! রাতভর বৃষ্টিতে জলমগ্ন শহর, সোমেও জারি সতর্কতা

    মাধ্যম নিউজ ডেস্ক: ঘূর্ণিঝড় রেমালের (Cyclone Remal) প্রভাবে বিপর্যস্ত কলকাতার বিভিন্ন অংশ। রাতভর বৃষ্টির ফলে মহানগরীর বিভিন্ন প্রান্ত জলমগ্ন। কোথাও গোড়ালি সমান তো কোথাও আবার হাঁটু-সমান। তার ওপর, একাধিক জায়গায় বিদ্যুতের তার ছিঁড়ে বিপত্তি দেখা দিয়েছে। আলিপুর আবহাওয়া দফতরের রিপোর্ট অনুযায়ী (Weather Update), কলকাতায় রবিবার রাতেই বৃষ্টি হয়েছে প্রায় ১৪৪ মিলিমিটার। এর সঙ্গেই, সোমবারও শহরে ভারী থেকে অতি ভারী বৃষ্টির কমলা সতর্কতা জারি করেছে আবহাওয়া দফতর। আরও পড়ুন: সকালেও ঝোড়ো হাওয়ার দাপট, সঙ্গে ভারী বৃষ্টি, রেমালের রেশ সোমেও

    স্তব্ধ কলকাতার রাজপথ

    পুরসভা ও পুলিশের দেওয়া তথ্যানুসারে, রেমালে (Cyclone Remal) বিপর্যস্ত কলকাতার রাজপথ। তিলোত্তমার পার্ক সার্কাস, ঢাকুরিয়া, বালিগঞ্জ, আলিপুর-সহ নানা জায়গায় হাঁটুজল জমে। লেক মার্কেট, সল্টলেক, লেকটাউনে গাছ উপড়ে পড়ায় অবরুদ্ধ হয়ে পড়ে রাস্তাঘাট। জলমগ্ন বেলেঘাটা, পার্কস্ট্রিট, রবীন্দ্রসদনও। প্রাকৃতিক দুর্যোগে (Weather Update) লন্ডভন্ড সপ্তাহের প্রথম কর্মদিবসের সকাল। রাস্তাঘাট প্রায় ফাঁকা। গাড়ি চলাচল কম। রাস্তাঘাটে বাস, ট্যাক্সির সংখ্যাও খুবই কম। যেগুলি চলছে, তার গতিও অত্যন্ত স্লথ। এদিকে, রাতভর বৃষ্টিতে জল জমে ব্যাহত মেট্রো পরিষেবাও। পার্কস্ট্রিট থেকে এসপ্ল্যানেডের মেট্রো ট্র্যাকে জল জমিার ফলে ব্যাহত হয়েছে মেট্রো পরিষেবা। গিরিশপার্ক থেকে টলিগঞ্জ পর্যন্ত চলছে না মেট্রো। ট্র্যাক থেকে দ্রুত জল সরানোর কাজ চলছে বলে জানিয়েছে মেট্রো রেল কর্তৃপক্ষ। 

    মেডিক্যাল কলেজেও জল

    রেমালের (Cyclone Remal) জেরে বেলাইন শহরের স্বাস্থ্য পরিষেবাও। জলমগ্ন কলকাতা মেডিক্যাল কলেজ। জল পেরিয়ে যাতায়াত করতে হচ্ছে রোগী ও তাঁর আত্মীয়দের। হাসপাতালে যাতায়াতের লিফটও বন্ধ, চূড়ান্ত দুর্ভোগের সম্মুখীন হতে হচ্ছে রোগী-পরিজনদের। এরই মধ্যে খবর মিলেছে, ঝড়ের মধ্যে ছেলেকে বাইরে থেকে আনতে গিয়ে মৃত্যু হয়েছে কলকাতার এন্টালি এলাকার এক বাসিন্দার। তবে, কলকাতা বিমানবন্দরে চালু হয়েছে বিমান পরিষেবা। ঘূর্ণিঝড় রেমালের (Cyclone Remal) কারণে প্রায় ২১ ঘণ্টা বন্ধ ছিল বিমান চলাচল। শিয়ালদা দক্ষিণ শাখাতেও ট্রেন পরিষেবা সোমবার বেলায় চালু হয়েছে বলে জানা গিয়েছে। 

    এখনও কাটেনি দুর্যোগ

    রবিবার রাত সাড়ে ১২টার মধ্যে রেমালের ল্যান্ডফল প্রক্রিয়া শেষ হয়ে গিয়েছে। তবে সাড়ে ১০ ঘণ্টা পার হয়ে গেলেও দুর্যোগের মেঘ বাংলার আকাশ থেকে সরেনি। আলিপুর আবহাওয়া দফতরের পূর্বাভাস (Weather Update), ঘূর্ণিঝড় রেমালের (Cyclone Remal) প্রভাবে সোমবারও ঝড়বৃষ্টির সম্ভাবনা রয়েছে কলকাতা সহ দক্ষিণবঙ্গে। কলকাতা, হাওড়া, দুই ২৪ পরগনা, হুগলি, বীরভূম, পূর্ব বর্ধমানে ভারী থেকে অতি ভারী বৃষ্টির জন্য কমলা সতর্কতা জারি করা হয়েছে। পাশাপাশি, ঘণ্টায় ৫০ থেকে ৬০ কিলোমিটার বেগে হাওয়া বইতে পারে।

    দক্ষিণবঙ্গের বাকি জেলাতেও ভারী বৃষ্টির জন্য হলুদ সতর্কতা জারি হয়েছে। ভারী থেকে অতি ভারী বৃষ্টির সম্ভাবনা রয়েছে নদিয়া, মুর্শিদাবাদে। এই দুই জেলায় আজ ২০০ মিমি বৃষ্টিপাত হতে পারে বলে আশঙ্কা। সেই সঙ্গে ঝড়ের গতি থাকতে পারে ঘণ্টায় ৬০ থেকে ৭০ কিলোমিটার। যে কারণে, সেখানে জারি করা হয়েছে লাল সতর্কতা। আরও পড়ুন: প্লাবিত ফ্রেজারগঞ্জ, জল ঢুকেছে নীচু এলাকায়, ভাঙল গাছ, দাপট দেখাল রেমাল

     

    দেশের খবর, দশের খবর, সব খবর, সবার আগে পেতে ফলো করুন আমাদের  Whatsapp, FacebookTwitter, Telegram এবং Google News পেজ।

  • PM Modi News: ‘‘রাজনীতির জন্য নষ্ট হয়ে গিয়েছে কলকাতা’’, বাংলা নিয়ে উদ্বেগপ্রকাশ মোদির

    PM Modi News: ‘‘রাজনীতির জন্য নষ্ট হয়ে গিয়েছে কলকাতা’’, বাংলা নিয়ে উদ্বেগপ্রকাশ মোদির

    মাধ্যম নিউজ ডেস্ক: ‘‘বাংলা ধ্বংস হয়ে গিয়েছে। কলকাতা একটা সময় দেশের অর্থনৈতিক উন্নতির নিরিখে সর্বাগ্রে থাকত। রাজনীতির জন্য তা নষ্ট হয়ে গিয়েছে। মহারাষ্ট্রকে অন্তত সেই পথে যেতে দেওয়া যাবে না।’’ এক সর্বভারতীয় সংবাদমাধ্যমকে দেওয়া সাক্ষাৎকারে ঠিক এই ভাষাতেই বাংলার পরিস্থিতি নিয়ে উদ্বেগ প্রকাশ করলেন প্রধানমন্ত্রী নরেন্দ্র মোদি (PM Modi News)। রাজ্যে বেড়ে চলা দুর্নীতি, বেকারত্ব, দারিদ্রতা, হিংসা এই সমস্ত কিছুর কারণেই বাংলা যে ক্রমশ পিছিয়ে পড়ছে তাই এদিন প্রতিফলিত হল প্রধানমন্ত্রীর মন্তব্যে, এমনটাই মনে করছেন রাজনৈতিক মহলের একাংশ।

    মহারাষ্ট্র নিয়ে কী বললেন? 

    মহারাষ্ট্রকে নিয়ে নরেন্দ্র মোদির (PM Modi News) সংযোজন, ‘‘মুম্বই দেশের বাণিজ্যিক রাজধানী। মহারাষ্ট্রে আমাদের আরও শক্তিশালী হতে হবে যাতে দেশের উন্নতিতে সে রাজ্যের যথেষ্ট অবদান থাকে। মহারাষ্ট্রের মানুষের আবেগ বোঝার চেষ্টা করছি আমরা। আমাদের বার্তা পৌঁছে দিচ্ছি তাদের। অত্যন্ত ইতিবাচক ফলও পাচ্ছি সেখান থেকে।’’

    বিষয় পরিবারতান্ত্রিকতা

    অন্যদিকে এদিনই পরিবারতান্ত্রিকতা ইস্যুতে আঞ্চলিক দলগুলিকে তোপ দাগেন প্রধানমন্ত্রী (PM Modi News) এবং তিনি সাফ বলেন, ‘‘শিবসেনা এবং এনসিপির মধ্যে যে ঝড় উঠেছে তা থেকে স্পষ্ট বোঝা যায়, অন্য নেতাদের চেয়ে শুধু পরিবারের সদস্যদের বেশি গুরুত্ব দিলে শুধু সমস্যাই তৈরি হয়, আর কিছু নয়। শরদ পওয়ারের সমস্যা একেবারে পারিবারিক বিবাদ। দলের লাগাম মেয়ের হাতে থাকবে না কি ভাইপোর হাতে? শিবসেনার কোন্দলও কংগ্রেসের মতো, যোগ্য নেতাকে পদোন্নতি দেওয়া উচিত না কি ছেলেকে?’’

    পারিবারিক বিবাদে মহারাষ্ট্র কেন ভুগবে?

    প্রধানমন্ত্রী মোদির (PM Modi News) কথায়, ‘‘এসব ওদের ঝগড়া বিবাদ। আমি বিশ্বাস করি, দেশ এই ধরনের পারিবারিক রাজনীতিকে ঘৃণা করে। যদি কেউ ‘সহানুভূতি’ শব্দ ব্যবহার করে মানুষের মধ্যে সহানুভূতি জাগানোর চেষ্টা করে, আমি বলব, সেই চেষ্টাও ব্যর্থ হবে। মানুষ এই ধরনের রাজনীতিকে ঘৃণা করে। এই ধরনের আচরণ মেনে নিতে পারে না। এসব আপনাদের পারিবারিক বিবাদ, আপনারা ঘরেই এর সমাধান করুন। এর জন্য মহারাষ্ট্র ভুগবে কেন?’’

     

    দেশের খবর, দশের খবর, সব খবর, সবার আগে পেতে ফলো করুন আমাদের  Whatsapp, FacebookTwitter, Telegram এবং Google News পেজ।

  • SSC Recruitment Scam: ‘‘বিচারপতি গঙ্গোপাধ্যায় দয়ালু, তাই পুরো প্যানেল বাতিল করেননি’’, নিয়োগ-মামলায় হাইকোর্ট

    SSC Recruitment Scam: ‘‘বিচারপতি গঙ্গোপাধ্যায় দয়ালু, তাই পুরো প্যানেল বাতিল করেননি’’, নিয়োগ-মামলায় হাইকোর্ট

    মাধ্যম নিউজ ডেস্ক: ‘‘বিচারপতি গঙ্গোপাধ্যায় অনেক দয়ালু, তাই পুরো প্যানেল বাতিল করেননি’’, নিয়োগ কেলেঙ্কারি মামলায় সাফ জানাল কলকাতা হাইকোর্ট। নিয়োগ কেলেঙ্কারিতে (SSC Recruitment Scam) আদালতের নির্দেশে সোমবারই চাকরি খোয়া গিয়েছে ২৩ হাজার ৭৫৩ জনের। মামলার শুনানিতে কলকাতা হাইকোর্টের বিচারপতি দেবাংশু বসাক দু’টি বিষয়ের উল্লেখ করেন।

    কী বললেন বিচারপতি দেবাংশু বসাক? (SSC Recruitment Scam)

    তিনি বলেন, “আমাদের আর কোনও উপায় ছিল না। তাই গোটা প্যানেল বাতিল করা হয়েছে। তাছাড়া এই প্যানেলে যে কোথাও কোনও দুর্নীতি হয়েছে রাজ্য সরকার তা জানত। সেই কারণেই তারা আবেদন করেছিল সুপার নিউমেরিক পোস্টের।” কলকাতা হাইকোর্টের তৎকালীন বিচারপতি অভিজিৎ গঙ্গোপাধ্যায় প্রায় পাঁচ হাজার জনের চাকরি বাতিলের নির্দেশ দিয়েছিলেন। এদিন সে প্রসঙ্গ টেনে আইনজীবী সুদীপ্ত বসাক বলেন, “বিচারপতি গঙ্গোপাধ্যায়ের বিরুদ্ধে যে ধরনের অভিযোগ উঠেছিল, যে তিনি প্রভাবিত হয়ে এই ধরনের রায় দিয়েছিলেন। কিন্তু ডিভিশন বেঞ্চের রায়ে এটাও স্পষ্ট, দুর্নীতি হয়েছিলই। তাই পুরো প্যানেল বাতিল করল।”

    অভিজিতের সম্পর্কে কী বলছে আদালত?

    এর পরেই তিনি বলেন, “বিচারপতি গঙ্গোপাধ্যায় অনেক দয়ালু, তাই পুরো প্যানেল বাতিল করেননি।” তিনি বলেন, “শুনানির সময় রাজ্য সরকার ও এসএসসিকে আদালত বারংবার জিজ্ঞাসা করেছিল, কারা প্রকৃত, তার হিসেবটা দিতে। রাজ্য সরকার তা দিতে পারেনি। এসএসসি যতজনকে রেকমেন্ডেশন দিয়েছিল, তার চেয়েও বেশি লোক চাকরি করছে। সেই কারণেই বিচারপতি বলেছেন, প্যানেল বাতিল করা ছাড়া আরও কোনও উপায় নেই।”

    আরও পড়ুন: ‘ইন্ডি’ জোটকে ‘ঝগড়ুটে জোট’ আখ্যা বিজেপির, কেন জানেন?

    প্রসঙ্গত, অভিজিৎ যখন বিচারপতি ছিলেন তখন প্রচুর অযোগ্য (SSC Recruitment Scam) শিক্ষকের চাকরি বাতিলের নির্দেশ দিয়েছিলেন। পরে রাজ্য সরকারের আবেদনের প্রেক্ষিতে অভিজিতের সিঙ্গল বেঞ্চের নির্দেশে স্থগিতাদেশ দেয় সুপ্রিম কোর্ট। পরে নিয়োগ সংক্রান্ত মামলা অভিজিতের বেঞ্চ থেকে সরিয়ে দেওয়া হয়। সুপ্রিম কোর্টের নির্দেশে গঠন করা হয় বিচারপতি দেবাংশু বসাক ও বিচারপতি শাব্বার রাশিদির বিশেষ ডিভিশন বেঞ্চ। ৯ নভেম্বর গঠিত হয় ওই বেঞ্চ। ছ’মাসের মধ্যে মামলার প্রক্রিয়া শেষ করার নির্দেশও দিয়েছিল সুপ্রিম কোর্ট।

    কলকাতা হাইকোর্টের নির্দেশে নিয়োগ কেলেঙ্কারির তদন্ত করছে সিবিআই। কেন্দ্রীয় এই তদন্তকারী সংস্থা জেনেছে, নবম, দশম, একাদশ ও দ্বাদশ শ্রেণির শিক্ষক পদে নিয়োগের পাশাপাশি এসএলএসটি ২০১৬-র মাধ্যমে গ্রুপ সি ও গ্রুপ ডি-র নিয়োগেও দুর্নীতি হয়েছিল। নিয়োগ কেলেঙ্কারির (SSC Recruitment Scam) ঘটনায় গ্রেফতার করা হয়েছে রাজ্যের তৎকালীন শিক্ষামন্ত্রী তথা তৃণমূল নেতা পার্থ চট্টোপাধ্যায়কে।

     

    দেশের খবর, দশের খবর, সব খবর, সবার আগে পেতে ফলো করুন আমাদের  Whatsapp, FacebookTwitter, Telegram এবং Google News পেজ।

     

  • Kolkata News: চাকরিপ্রার্থীদের বিক্ষোভকে কেন্দ্র করে ধুন্ধুমার পরিস্থিতি ধর্মতলা চত্বরে

    Kolkata News: চাকরিপ্রার্থীদের বিক্ষোভকে কেন্দ্র করে ধুন্ধুমার পরিস্থিতি ধর্মতলা চত্বরে

    মাধ্যম নিউজ ডেস্ক: চাকরিপ্রার্থীদের বিক্ষোভকে কেন্দ্র করে ফের ধুন্ধুমার পরিস্থিতি ধর্মতলা চত্বরে। শুক্রবার সাতটি সংগঠনের যৌথ উদ্যোগে কলেজ স্কোয়ার থেকে ধর্ম সভা পর্যন্ত মহামিছিলের ডাক দেওয়া হয়। কিন্তু ডোরিনা ক্রসিং-এর সামনেই মিছিল আসতে পুলিশের সঙ্গে ব্যাপক ধস্তাধস্তি শুরু হয়। নিয়োগের দাবিতে চাকরিপ্রার্থীদের (Kolkata News) রাস্তায় বসে পড়েন এবং পুলিশ তাঁদের টেনে হিঁচড়ে তুলতে থাকে।

    ডোরিনার ক্রসিং-এর কাছেই উত্তেজনার পরিস্থিতি

    বুধবার ২০১৭ সালের গ্রুপ ডি, ২০০৯ সালের দক্ষিণ চব্বিশ পরগনার প্রাইমারি মঞ্চ, যুব ছাত্র অধিকার, ২০১৪ প্রাইমারি টেট একতা মঞ্চ, প্রভৃতি সংগঠন এই মিছিলের ডাক দেয়। সেই মতো শহীদ মিনার পর্যন্ত মিছিল চলতে শুরু করে। কিন্তু ডোরিনার ক্রসিং-এর কাছেই উত্তেজনার পরিস্থিতি তৈরি হয়। রাস্তা আটকে চাকরিপ্রার্থীরা (Kolkata News) আন্দোলন শুরু করলে পুলিশের সঙ্গে বচসা বাঁধে। এরপরই কয়েকজন চাকরিপ্রার্থীকে আটো করে তুলে নিয়ে যায় পুলিশ। যার মধ্যে সংগ্রামী যৌথ মঞ্চের আহ্বায়ক ভাস্কর ঘোষকেও গ্রেফতার করা হয়। এ প্রসঙ্গে ভাস্কর বাবু বলেন, ‘‘আমি জানতে পেরেছি পুলিশ অভিষেক বন্দ্যোপাধ্যায়ের নির্দেশে এইভাবে আন্দোলন থামিয়ে দিয়েছে। ওনার মদতেই বিক্ষোভে বাধা দেওয়া হচ্ছে। কিন্তু আমাদের আন্দোলন থামবে না।’’

    কী বলছেন চাকরি প্রার্থীরা?

    বঞ্চিত চাকরিপ্রার্থীদের তরফে আশিষ খামরুই বলেন, ‘‘সরকার বলছে, আইনি জটিলতার জন্য চাকরি (Kolkata News) দিচ্ছি না ৷ এটা সর্বৈব মিথ্যা ৷ একাধিক মঞ্চ আছে, যেখানে কোনও আইনি জটিলতা নেই ৷ সরকারের সদিচ্ছা থাকলে আইনি জটিলতা কাটিয়ে নিয়োগ করা যেত ৷ এতদিন ধরে আমরা মাননীয়া মুখ্যমন্ত্রীর দৃষ্টি আকর্ষণ করেছি ৷ আজও তা করছি ৷ মুখ্যমন্ত্রীর কাছে আমাদের আবেদন, আগে নিয়োগ, তারপরে ভোট ৷’’

     

    আরও পড়ুন: বিকল নৌকা, মাঝ-সমুদ্রে আটকে পড়া ২৭ বাংলাদেশি মৎস্যজীবীকে উদ্ধার ভারতের

     

    দেশের খবর, দশের খবর, সব খবর, সবার আগে পেতে ফলো করুন আমাদের  Whatsapp, FacebookTwitter, Telegram এবং Google News পেজ।

  • ED Raid: ছেলে সমুদ্রকে সঙ্গে নিয়ে সুজিতের দফতরে হানা ইডির, কী বললেন মন্ত্রী-পুত্র?

    ED Raid: ছেলে সমুদ্রকে সঙ্গে নিয়ে সুজিতের দফতরে হানা ইডির, কী বললেন মন্ত্রী-পুত্র?

    মাধ্যম নিউজ ডেস্ক: মন্ত্রীর বাড়িতে তল্লাশি চালাতে চালাতেই এবার উল্টোদিকে সুজিত বসুর (Sujit Bose) দফতরেও হানা দিল ইডি (ED Raid)। মন্ত্রী-মুত্রকে নিয়ে উল্টোদিকের ফ্ল্যাটে থাকা দফতরে পৌঁছে গেল ইডি। সেখানও চলে তল্লাশি।

    ১১ ঘণ্টা পার, এখনও চলছে তল্লাশি

    ১১ ঘণ্টা পার হতে চলল। এখনও রাজ্যের দমকল মন্ত্রী সুজিত বসুর (Sujit Bose) বাড়িতে চলছে ইডি-র ম্যারাথন তল্লাশি (ED Raid)। সঙ্গে চলছে জিজ্ঞাসাবাদও। সেই সকাল থেকেই মন্ত্রীমশাইয়ের বাড়ির মধ্যেই রয়েছেন ইডি আধিকারিকরা। তবে, তার মধ্যেই, একবার দেখা মিলেছিল বিকেলে। এদিন বিকেল সওয়া ৪টে নাগাদ সুজিত বসুর ছেলে সমুদ্রকে নিয়ে মন্ত্রীর পুরনো বাড়ি থেকে বের হয় ইডির কয়েকজন আধিকারিক। গন্তব্য ২০০ মিটার দূরে শ্রীভূমি ক্লাবের উল্টোদিকে একটি বহুতল। জানা যায়, ওই বহুতলের একটি ফ্ল্যাটে সুজিত বসুর দফতর রয়েছে। সেখানে তিনি মাঝেমধ্যে বসেন। 

    আরও পড়ুন: ‘‘ব্যাগ গোছাতে শুরু করুন’’, ইডি হানায় খোঁচা শুভেন্দুর, ‘‘খেলা শুরু হয়েছে’’, কটাক্ষ দিলীপের

    কী বললেন মন্ত্রী-পুত্র?

    এদিকে, সমুদ্র বাড়ি থেকে বের হতেই তাঁকে ছেঁকে ধরেন সাংবাদিকরা। প্রথমে কিছু বলতে না চাইলেও, পরে তিনি প্রশ্নের উত্তরে সংক্ষিপ্তভাবে বলেন, “এ ব্যাপারে কিছু এখন বলা যাবে না। ওনারা তদন্ত করছেন। তদন্ত চলতে দিন। তারপর যা সামনে আসার আসবে। আমাদের তরফে পূর্ণ সহযোগিতা করা হচ্ছে।” সমুদ্র বাড়ি থেকে বেরোতেই সুজিতের অনুগামীরাও আশপাশে ভিড় করেন। তাঁদের সবাইকে শান্ত থাকতে বলেন সুজিত বসুর ছেলে। তার পর ইডি অফিসারদের সঙ্গে বাবার (Sujit Bose) অফিসে ঢুকে যান।

    দিকে দিকে তল্লাশি ইডির

    পুর নিয়োগ কেলেঙ্কারি তদন্তে এদিন একসঙ্গে বিভিন্ন জায়গায় তল্লাশি চালাচ্ছে ইডি (ED Raid)। এদিন সকাল ৭টা নাগাদ, লেকটাউনের শ্রীভূমি ক্লাবের পাশে থাকা সুজিত বসুর (Sujit Bose) জোড়া ফ্ল্যাটে হানা দেয় কেন্দ্রীয় তদন্তকারী দল। দুটি ফ্ল্যাটে হানা দেয় দুটি পৃথক দল। সুজিত বসু ছিলেন নতুন বাড়িতে। মন্ত্রীর বাড়ি বাইরে থেকে ঘিরে ফেলে বিশাল কেন্দ্রীয় বাহিনী। সন্দেশখালিকাণ্ডের পর থেকে সতর্ক বাহিনীও। জটলা দেখলেই সরিয়ে দিচ্ছেন জওয়ানরা। 

    সুজিত বসুর (Sujit Bose) বাড়ি ছাড়াও আরও ২ জায়াগায় এদিন একসঙ্গে তল্লাশি অভিযান শুরু করে ইডি (ED Raid)। বরানগরের বিধায়ক তথা তৃণমূল নেতা তাপস রায়ের বউবাজারের বাড়িতে হানা দেয় ইডি। উত্তর দমদম পুরসভার প্রাক্তন চেয়ারম্যান তথা ১৯ নম্বর ওয়ার্ডের তৃণমূল কাউন্সিলর সুবোধ চক্রবর্তীর বাড়িতে হানা দিয়েছে কেন্দ্রীয় তদন্তকারী সংস্থা। এই প্রতিবেদন লেখা পর্যন্ত এই ২ জায়গাতেও তল্লাশি চলছে।

     

    দেশের খবরদশের খবরসব খবরসবার আগে পেতে ফলো করুন আমাদের FacebookTwitter এবং Google News পেজ।

LinkedIn
Share