Tag: Kolkata news

Kolkata news

  • Kolkata Rain: দিনের বেলায় নামল আঁধার! ঝেঁপে বৃষ্টি কলকাতায়, জলমগ্ন বহু রাস্তা

    Kolkata Rain: দিনের বেলায় নামল আঁধার! ঝেঁপে বৃষ্টি কলকাতায়, জলমগ্ন বহু রাস্তা

    মাধ্যম নিউজ ডেস্ক: গত কয়েক দিন ধরেই কলকাতা-সহ আশপাশের জেলায় বৃষ্টি হচ্ছে। শনিবার সকাল থেকেই আকাশের মুখ ভার ছিল (Weather Update)। বেলা গড়াতেই ঘনিয়ে আসে আঁধার। এর পরই শহর কলকাতা ও পার্শ্ববর্তী এলাকায় নামে ঝেঁপে বৃষ্টি (Kolkata Rain)। সেই সঙ্গে পাল্লা দিয়ে দেখা যায় বিদ্যুতের ঝলকানি। কিছু জায়গায় ঘনঘন বাজও পড়েতে শুরু করে। প্রায় ঘণ্টাখানেক ধরে চলে বৃষ্টি। কোথাও মুষলধারে, তো কোথাও ঝিরঝির করে। তবে, তাতেই শহরের বিভিন্ন অংশে জল জমে যায়। যার প্রভাব পড়ে যানবাহনের গতিতে। যানজটে নাকাল হতে হয়েছে শহরবাসীকে। এর আগে, বৃহস্পতিবার একই ভাবে বৃষ্টিতে একাধিক গুরুত্বপূর্ণ রাস্তা জলমগ্ন হওয়ায় গোটা কলকাতাজুড়ে তীব্র যানজটের সৃষ্টি হয়েছিল।

    কী বলছে আবহাওয়া দফতর

    আলিপুর আবহাওয়া দফতরের (Weather Update) তরফে জানানো হয়েছে, বঙ্গোপসাগরে তৈরি হওয়া ঘূর্ণাবর্তের প্রভাবেই আবহাওয়ার এই পরিবর্তন। যার জেরে শনিবার বৃষ্টি শুরু হয় দক্ষিণবঙ্গের বিভিন্ন জায়গায়। শুধু কলকাতাতেই (Kolkata Rain) নয়, দক্ষিণ ২৪ পরগনাতেও মাঝারি থেকে ভারী বৃষ্টি হবে বলে জানা গেছে আবহাওয়া দফতর সূত্রে। তবে, বৃষ্টির হলেও এখনই গরম কমবে না। তবে, রবিবার থেকে গরম খানিকটা কমার সম্ভাবনা রয়েছে। এমনটাই খবর আবহাওয়া দফতর সূত্রে। আপাতত দুই থেকে তিন ডিগ্রি তাপমাত্রা কমতে পারে বলে জানিয়েছে হাওয়া অফিস।

    বজ্রপাতে মৃত্যু যুবকের

    এদিকে, এদিন খাস দক্ষিণ কলকাতায় (Kolkata Rain) বজ্রপাতে মৃত্যু হয়েছে এক যুবকের। জানা গেছে, রিজেন্ট পার্কের আনন্দপল্লিতে বেলা ১২টা নাগাদ বাজ পড়ে মৃত্যু হয় কৌশিক কর নামে ওই বছর চব্বিশের ওই যুবকের। পরিবার সূত্রে জানা গিয়েছে, রোজের মতো শনিবার সকালে শরীরচর্চা করতে জিমে গিয়েছিলেন কৌশিক। জিম থেকে ফিরে ঘরের ভিতরে প্রচণ্ড অস্বস্তি হচ্ছিল তাঁর। তখনই বাইরে বৃষ্টি নামে। বৃষ্টিতে ভিজতে বাড়ির ছাদে চলে যান তিনি। তখনই প্রচণ্ড শব্দে বাজ পড়ে। দ্রুত তাঁকে এম আর বাঙুর হাসপাতালে নিয়ে গেলেও শেষ রক্ষা হয়নি৷ চিকিৎসকরা তাঁকে মৃত ঘোষণা করেন। কলকাতার এক কলেজে বিবিএ-র ছাত্র ছিলেন কৌশিক। 

     

    দেশের খবরদশের খবরসব খবরসবার আগে পেতে ফলো করুন আমাদের FacebookTwitter এবং Google News পেজ।

  • INS Vindhyagiri: কতটা শক্তিশালী ‘আইএনএস বিন্ধ্যগিরি’? চিনে নিন এই স্টেলথ গাইডেড-মিসাইল ফ্রিগেটকে

    INS Vindhyagiri: কতটা শক্তিশালী ‘আইএনএস বিন্ধ্যগিরি’? চিনে নিন এই স্টেলথ গাইডেড-মিসাইল ফ্রিগেটকে

    মাধ্যম নিউজ ডেস্ক: বৃহস্পতিবার কলকাতায় রাষ্ট্রপতি দ্রৌপদী মুর্মুর (President Draupadi Murmu) হাতে শুভ সূচনা হলো ভারতীয় নৌসেনার (Indian Navy) নতুন যুদ্ধজাহাজের। ‘আইএনএস বিন্ধ্যগিরি’ (INS Vindhyagiri) নামের ওই স্টেলথ গাইডেড-মিসাইল ফ্রিগেট গোত্রের রণতরীকে নির্মাণ করেছে গার্ডেনরিচ শিপবিল্ডার্স অ্যান্ড ইঞ্জিনিয়ার্স। ‘প্রজেক্ট-১৭ আলফা’ বা সংক্ষেপে ‘পি-১৭এ’ প্রকল্পের আওতায় ৭টি স্টেলথ গাইডেড-মিসাইল ফ্রিগেট তৈরি হয়েছে দেশে। এর মধ্যে ৪টে নির্মিত হয়েছে মুম্বইয়ের মাজগাঁও ডকইয়ার্ডে। বাকি তিনটির নির্মাণ হয়েছে জিআরএসই-তে। ‘আইএনএস বিন্ধ্যগিরি’ হলো প্রকল্পের ষষ্ঠ তথা এখানে তৈরি হওয়া বরাতের তৃতীয় তথা শেষ জাহাজ। এর আগে, এখান থেকেই উদ্বোধন হয়েছে যথাক্রমে ‘আইএনএস হিমগিরি’ ও ‘আইএনএস দুনাগিরি’। এই দুটিই এখন সমুদ্র-ট্রায়ালে রয়েছে। সম্ভবত, চলতি মাসেই নৌসেনায় অন্তর্ভুক্ত হতে চলেছে ‘আইএনএস হিমগিরি’।

    আরও পড়ুন: কলকাতায় নৌসেনার নতুন যুদ্ধজাহাজের উদ্বোধন করলেন রাষ্ট্রপতি দ্রৌপদী মুর্মু

    জাহাজের মূল বৈশিষ্ট্য ‘স্টেলথ’

    প্রজেক্ট-১৭ আলফা-র আওতায় নির্মিত জাহাজগুলোর নকশা করেছে নৌসেনার (Indian Navy) অধীনস্থ সংস্থা ওয়ারশিপ ডিজাইন ব্যুরো (পূর্বতন ডিরেক্টরেট অফ নেভাল ডিজাইন)। ডিজেল-ইলেক্ট্রিক শক্তিচালিত এই জাহাজের মূল বৈশিষ্ট্য হল এগুলো ‘স্টেলথ’ (Stealth Missile Frigate) প্রকৃতির। অর্থাৎ, শত্রুর রেডারে এই জাহাজগুলো সহজে ধরা পড়ে না। এর প্রধান কারণ হলো, জাহাজের নকশা এমনভাবে করা হয়, যাতে ধারালো কোণ থাকে না। এই জাহাজগুলোর নির্মাণে ব্যবহৃত হয়েছে কম্পোজিট মেটিরিয়াল। এছাড়া, এদের রঙের আস্তরণ এমন থাকে, যা রেডারের তরঙ্গ প্রতিফলিত করে না। ফলত, এই শ্রেণির জাহাজগুলোর রেডার-ক্রস সেকশন অত্যন্ত নগন্য।

    ‘আইএনএস বিন্ধ্যগিরি’-র ডিজেল-ইলেকট্রিক ইঞ্জিন

    ‘আইএনএস বিন্ধ্যগিরি’-র (INS Vindhyagiri) মূল চালিকাশক্তি হলো চারটি ইঞ্জিন। ২টি ডিজেল ও ২টি ইলেক্ট্রিক ইঞ্জিন চালিত এই জাহাজটি দৈর্ঘ্যে প্রায় ১৫০ মিটার। এর ওজন প্রায় ৬ হাজার ৬৭০ টন। সর্বোচ্চ গতি ঘণ্টায় ৩২ নট। (প্রায় ৬০ কিমি/ঘণ্টা)। এই জাহাজটি ২৮ নট গতিতে একটানা ২,৫০০ নটিক্যাল মাইল অতিক্রম করতে সক্ষম। অন্যদিকে, ১৬-১৮ নট গতিতে এটির পাল্লা বেড়ে যায় ৫,৫০০ নটিক্যাল মাইল। জাহাজে ৩৫ অফিসার সহ ২২৬ জনের থাকার সংস্থান রয়েছে।

    যুদ্ধজাহাজের নিরাপত্তা ও সুরক্ষা

    জাহাজের নিরাপত্তা ও সুরক্ষা ব্যবস্থা অত্যন্ত মজবুত। এতে রয়েছে একাধিক সেন্সর, রেডার ইডব্লিউ সুইট। ‘আইএনএস বিন্ধ্যাগিরি’-তে রয়েছে অত্যাধুনিক এমএফ-স্টার আয়সা রেডার। আকাশ হোক বা ভূমি— শত্রুর যে কোনও জাহাজ, ড্রোন, বিমান বা ক্ষেপণাস্ত্র, তা সে যত ছোটই হোক না কেন, ৩৬০ ডিগ্রি নজরদারি চালানোর ক্ষমতাসম্পন্ন এই রেডারে সব ধরা পড়বে। ৪৫০ কিমি দূরত্ব পর্যন্ত যে কোনও নিশানাকে ট্র্যাক করতে সক্ষম এই বিশেষ রেডার। এছাড়া, এতে রয়েছে দ্বিতীয় সারফেস-সার্চ রেডার, যা ৪৬০ কিমি পর্যন্ত যে কোনও যুদ্ধবিমান ও ক্ষেপণাস্ত্রকে ট্র্যাক করতে সক্ষম। 

    এই জাহাজে সোনার ও রেডারের ক্ষমতা কেমন?

    ‘আইএনএস বিন্ধ্যগিরি’ (INS Vindhyagiri) জাহাজে রয়েছে ডিআরডিও-নির্মিত সোনার, যা জলের নিচে থাকা সাবমেরিন ও টর্পিডোকে বা আন্ডার-ওয়াটার মাইনকে ট্র্যাক ও ট্র্যাক করতে সক্ষম। এর পাশাপাশি, এতে লাগানো হয়েছে অত্যাধুনিক ‘শক্তি’ ইলেক্ট্রনিক ওয়ারফেয়ার স্যুইট (ইডব্লিউ স্যুইট)। দেশীয় ওই বিশেষ সুরক্ষা ব্যবস্থা একদিকে যেমন যে কোনও জাহাজ-বিধ্বংসী ক্ষেপণাস্ত্রের হামলা চিহ্নিত করতে সক্ষম, তেমন ভাবেই প্রথাগত রেডারের সিগন্যাল জ্যাম করতে বা নিরস্ত্র করতেও পারে। শুধু তাই নয়, শত্রু যদি চায় এই জাহাজের সিগন্যাল ব্লক করতে, তখন এই ইডব্লিউ স্যুইট পাল্টা তাকে রুখে দিতে সক্ষম, যাতে জাহাজের নিজস্ব যোগাযোগ ব্যবস্থা ক্ষতিগ্রস্ত না হয়।

    অস্ত্রের বৈচিত্র্যে ভরপুর ‘আইএনএস বিন্ধ্যগিরি’

    এবার নজর দেওয়া যাক এই ‘আইএনএস বিন্ধ্যগিরি’-র অস্ত্রসম্ভারের দিকে। ‘পি-১৭এ’ ফ্রিগেটগুলোতে বিভিন্ন বিপদের কথা মাথায় রেখে বিভিন্ন ধরনের অস্ত্র মজুত করা হয়েছে। স্থলে বা জলে (ভাসমান) যে কোনও হামলা প্রতিহত করার জন্য এতে রয়েছে বিশ্বের অন্যতম সেরা প্রতিরক্ষা ব্যবস্থা। এই জাহাজে রয়েছে ৮টি ‘ব্রহ্মোস’ জাহাজ-বিধ্বংসী ক্রুজ ক্ষেপণাস্ত্র। এই ক্ষেপণাস্ত্রগুলোর গতি শব্দের ৩ গুণ। এছাড়া রয়েছে একটি ৭৬ এমএম ‘ওটো মেলারা’ নেভাল গান এবং ১টি ৩০ এমএম ‘একে-৬৩০’ ক্লোজ-ইন উইপন সিস্টেম (সিআইডব্লিউএস)।

    আকাশপথে হামলা প্রতিহত করার জন্য এই জাহাজে রয়েছে ৩২টি ‘বারাক-৮’ ইআর মাঝারি পাল্লার ভূমি থেকে আকাশ ক্ষেপণাস্ত্র। ১৫০ কিমি পাল্লার এই ক্ষেপণাস্ত্র যে কোনও যুদ্ধবিমান, হেলিকপ্টার, জাহাজ-বিধ্বংসী মিসাইল, ক্রুজ মিসাইল, ব্যালিস্টিক ক্ষেপণাস্ত্র ও ড্রোন ধ্বংস করতে পারদর্শী। ইজরায়েলের এই মিসাইল বর্তমানে প্রযুক্তি হস্তান্তরের মাধ্যমে ভারতেই উৎপাদন করা হচ্ছে। 

    ভূমি ও জলের ওপরের মতোই জলের নিচে দিয়ে করা হামলার জবাব দিতেও পারদর্শী ‘আইএনএস বিন্ধ্যগিরি’ (INS Vindhyagiri)। সাবমেরিন বা টর্পিডো ধ্বংস করতে এতে রয়েছে ২টি টর্পিডো লঞ্চার। এক-একটি লঞ্চারে ৩টি করে টর্পিডো তৈরি থাকে। এছাড়া রয়েছে, সাবমেরিন-বিধ্বংসী রকেট লঞ্চার যা ১ কিমি পর্যন্ত যে কোনও বস্তুতে আঘাত হানতে সক্ষম। 

    আত্ম-সুরক্ষা ব্যবস্থাও জোরদার

    প্রতিঘাতের পাশাপাশি ‘আইএনএস বিন্ধ্যগিরি’ (INS Vindhyagiri) জাহাজে আছে অত্যাধুনিক আত্ম-সুরক্ষা ব্যবস্থা। যার মধ্যে রয়েছে ২টি ‘মারীচ’ টর্পিডো-কাউন্টার মেজার ডিকয় সিস্টেম এবং চারটি ‘কবচ’ ক্ষেপণাস্ত্র-বিধ্বংসী ডিকয় লঞ্চার। শত্রুর টর্পিডো বা ক্ষেপণাস্ত্র হামলা হলে এই মারীচ ও কবচ জাহাজের ঢাল হয়ে দাঁড়ায়। তখন, শত্রু টর্পিডো-ক্ষেপণাস্ত্রগুলো এদের টার্গেট ভেবে ধ্বংস করে, বেঁচে যায় জাহাজ। অন্যদিকে, এই জাহাজে ২টি হেলিকপ্টার থাকতে পারে। হ্যাঙ্গারে থাকে একটি, অন্যটি থাকতে পারে ডেকে। সম্ভবত, অ্যাডভান্সড লাইট হেলিকপ্টার (এএলএইচ) ‘ধ্রুব মার্ক-৩’ বা ‘ওয়েস্টল্যান্ড সি-কিং’ হেলিকপ্টার থাকবে। পরবর্তীকালে, উল্লেখিত হেলিকপ্টারের জায়গায় আসবে সিকর্সকি ‘এমএইচ-৬০ রোমিও’ হেলিকপ্টার (Indian Navy)।

     

    দেশের খবর, দশের খবর, সব খবর, সবার আগে পেতে ফলো করুন আমাদের Facebook, Twitter এবং Google News পেজ।

  • Draupadi Murmu: কলকাতায় নৌসেনার নতুন যুদ্ধজাহাজের উদ্বোধন করলেন রাষ্ট্রপতি দ্রৌপদী মুর্মু

    Draupadi Murmu: কলকাতায় নৌসেনার নতুন যুদ্ধজাহাজের উদ্বোধন করলেন রাষ্ট্রপতি দ্রৌপদী মুর্মু

    মাধ্যম নিউজ ডেস্ক: আরও শক্তিশালী হলো ভারতীয় নৌসেনা (Indian Navy)। এক তারকাখচিত অনুষ্ঠানে বৃহস্পতিবার কলকাতার গার্ডেনরিচ শিপবিল্ডার্স অ্যান্ড ইঞ্জিনিয়ার্সে (GRSE) নৌসেনার নতুন স্টেলথ গাইডেড-মিসাইল ফ্রিগেটের উদ্বোধন করলেন রাষ্ট্রপতি দ্রৌপদী মুর্মু। ‘আইএনএস বিন্ধ্যগিরি’ (INS Vindhyagiri Launch) নামের এই রণতরী ভারতীয় নৌসেনার ‘প্রজেক্ট-১৭ আলফা’ বা সংক্ষেপে ‘পি-১৭এ’ প্রকল্পের ষষ্ঠ জাহাজ। এদিনের অনুষ্ঠানে উপস্থিত ছিলেন প্রতিরক্ষা প্রতিমন্ত্রী অজয় ভাট, নৌবাহিনীর প্রধান অ্যাডমিরাল আর হরি কুমার সহ শীর্ষ পদাধিকারীরা। এছাড়া, উপস্থিত ছিলেন রাজ্যপাল সিভি আনন্দ বোস, মুখ্যমন্ত্রী মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়, মেয়র ফিরহাদ হাকিম, প্রাক্তন ভারত ক্রিকেট অধিনায়ক তথা প্রাক্তন বিসিসিআই সভাপতি সৌরভ গঙ্গোপাধ্যায় প্রমুখ।

    বোতাম টিপে রণতরীর শুভ-সূচনা

    এদিন বোতাম টিপে ‘আইএনএস বিন্ধ্যগিরি’কে (INS Vindhyagiri Launch) জলে ভাসিয়ে দেন রাষ্ট্রপতি দ্রৌপদী মুর্মু। এর আগে, স্বস্তিক চিহ্ন এঁকে, নারকেল ফাটিয়ে ও মালা পরিয়ে জাহাজের পুজো করা হয়। সেই শুভ কাজ করেন রাষ্ট্রপতি। তার পর তিনি জাহাজটিকে জাতির উদ্দেশে উৎসর্গ করেন এবং বোতাম টিপে জাহাজের নাম ফলক প্রকাশ করেন। বক্তব্য রাখতে গিয়ে দেশের জলসীমার সুরক্ষিত রাখার জন্য ভারতীয় নৌসেনার প্রশংসা করেন। সময়মতো জাহাজের নির্মাণ শেষ করার জন্য জিআরএসই কর্তৃপক্ষকে ধন্যবাদ জানান নৌসেনা প্রধান আর হরি কুমার। 

    ‘পি-১৭এ’ প্রকল্পের ষষ্ঠ জাহাজ ‘আইএনএস বিন্ধ্যগিরি’

    নৌসেনার ‘পি-১৭এ’ প্রকল্পের অধীনে সাতটি নিলগিরি-শ্রেণির (এই প্রজেক্টের প্রথম জাহাজ ‘আইএনএস নিলগিরি’-র নামে শ্রেণিভুক্ত) ৭টি স্টেলথ গাইডেড-মিসাইল ফ্রিগেট তৈরি হচ্ছে। এর মধ্যে ৪টে নির্মিত হয়েছে মুম্বইয়ের মাজগাঁও ডকইয়ার্ডে। বাকি তিনটির নির্মাণ হয়েছে কলকাতায় গার্ডেনরিচ শিপবিল্ডার্স অ্যান্ড ইঞ্জিনিয়ার্স (জিআরএসই)-তে। ‘আইএনএস বিন্ধ্যগিরি’ (INS Vindhyagiri Launch) হলো এই প্রকল্পের ষষ্ঠ তথা এখানে তৈরি হওয়া তৃতীয় তথা শেষ জাহাজ। সেই দিক থেকে কলকাতার জাহাজ নির্মাণকারী সংস্থা জিআরএসই-র মুকুটে যুক্ত হলো নতুন পালক। এর আগে, এখান থেকেই উদ্বোধন হয়েছে যথাক্রমে ‘আইএনএস হিমগিরি’ ও ‘আইএনএস দুনাগিরি’। এই দুটিই এখন সমুদ্র-ট্রায়ালে রয়েছে। সম্ভবত, চলতি মাসেই নৌসেনায় অন্তর্ভুক্ত হতে চলেছে ‘আইএনএস হিমগিরি’।

     

    দেশের খবরদশের খবরসব খবরসবার আগে পেতে ফলো করুন আমাদের FacebookTwitter এবং Google News পেজ।

  • Stealth Missile Frigate: আগামী সপ্তাহে নৌসেনার স্টেলথ গাইডেড মিসাইল ফ্রিগেটের উদ্বোধন কলকাতায়

    Stealth Missile Frigate: আগামী সপ্তাহে নৌসেনার স্টেলথ গাইডেড মিসাইল ফ্রিগেটের উদ্বোধন কলকাতায়

    মাধ্যম নিউজ ডেস্ক: শীঘ্রই ভারতীয় নৌসেনার (Indian Navy) মুকুটে নতুন পালক যুক্ত হতে চলেছে। আগামী ১৭ তারিখ, কলকাতার গার্ডেনরিচ শিপবিল্ডার্স অ্যান্ড ইঞ্জিনিয়ার্স ডকইয়ার্ডে উদ্বোধন হতে চলেছে নতুন যুদ্ধজাহাজের। স্টেলথ গাইডেড-মিসাইল ফ্রিগেট (Stealth Missile Frigate) গোত্রের এই যুদ্ধজাহাজের নাম হতে চলেছে ‘আইএনএস বিন্ধ্যগিরি’ (INS Vindhyagiri)। প্রশাসনিক সূত্রের খবর, যদি সব ঠিকঠাক থাকে তাহলে জাহাজের উদ্বোধন উপলক্ষে কলকাতায় আসতে পারেন রাষ্ট্রপতি দ্রৌপদী মুর্মু। প্রধান অতিথি হিসেবে তাঁর ওই অনুষ্ঠানে উপস্থিত থাকার কথা।

    আরও পড়ুন: স্বাধীনতা দিবসের পরই একদিনের সফরে রাজ্যে আসছেন রাষ্ট্রপতি দ্রৌপদী মুর্মু?

    নৌসেনার ‘প্রজেক্ট-১৭ আলফা’

    নৌসেনার (Indian Navy) ‘প্রজেক্ট-১৭ আলফা’ বা সংক্ষেপে ‘পি-১৭এ’ প্রকল্পের আওতায় নিলগিরি-শ্রেণির (এই প্রজেক্টের প্রথম জাহাজ ‘আইএনএস নিলগিরি’-র নামে শ্রেণিভুক্ত) ৭টি স্টেলথ গাইডেড-মিসাইল ফ্রিগেট তৈরি হচ্ছে। এর মধ্যে ৪টে নির্মিত হয়েছে মুম্বইয়ের মাজগাঁও ডকইয়ার্ডে। বাকি তিনটির নির্মাণ হয়েছে কলকাতায় গার্ডেনরিচ শিপবিল্ডার্স অ্যান্ড ইঞ্জিনিয়ার্স (জিআরএসই)-র তত্ত্বাবধানে। ‘আইএনএস বিন্ধ্যগিরি’ (INS Vindhyagiri) হলো এখানে তৈরি হওয়া তৃতীয় তথা শেষ জাহাজ। এর আগে, এখান থেকেই উদ্বোধন হয়েছে যথাক্রমে ‘আইএনএস হিমগিরি’ ও ‘আইএনএস দুনাগিরি’। এই দুটিই এখন সমুদ্র-ট্রায়ালে রয়েছে। সম্ভবত, চলতি মাসেই নৌসেনায় অন্তর্ভুক্ত হতে চলেছে ‘আইএনএস হিমগিরি’।

    বেড়েছে সংস্থার আয়-মুনাফা

    ভারতীয় নৌসেনার জন্য বহু এবং বিভিন্ন ধরনের রণতরী ও বোট তৈরি করেছে জিআরএসই। সেই তালিকায় রয়েছে ফ্রিগেট, অ্যান্টি-সাবমেরিন ওয়ারফেয়ার করভেট, মিসাইল করভেট, ল্যান্ডিং শিপ ট্যাঙ্ক, ল্যান্ডিং ক্রাফট ইউটিলিটি, সার্ভে ভেসেল, ফ্লিট ট্যাঙ্কার, ফাস্ট প্যাট্রল ভেসেল, অফশোর/ইনশোর প্যাট্রল ভেসেল, ওয়াটার-জেট ফাস্ট অ্যাটাক ক্রাফ্ট এবং ফাস্ট ইন্টারসেপ্টর বোট। শুধু তাই নয়, এখানে তৈরি হওয়া যুদ্ধজাহাজ বিদেশেও পাড়ি দিয়েছে। মরিশাস ও সেশেলসের উপকূলরক্ষী বাহিনীর জন্য জাহাজ তৈরি করেছে জিআরএসই। সম্প্রতি, সংস্থার ত্রৈমাসিক আয়ের রিপোর্ট প্রকাশিত হয়েছে। সেখানে দেখা যাচ্ছে, চলতি অর্থবর্ষের প্রথম ত্রৈমাসিকে মোট আয় হয়েছে ৮২৭ কোটি টাকা। যা গত অর্থবর্ষের প্রথম ত্রৈমাসিকের চেয়ে ২০৬ কোটি বা ৩৩ শতাংশ বেশি। এই সদ্য সমাপ্ত হওয়া ত্রৈমাসিকে সংস্থার মোট লাভের পরিমাণ ১০২ কোটি টাকা। গত এক বছরে সংস্থার শেয়ার দর বেড়েছে ৫৩ শতাংশ।

    দেশের খবর, দশের খবর, সব খবর, সবার আগে পেতে ফলো করুন আমাদের Facebook, Twitter এবং Google News পেজ।

  • Nuh Violence: হিন্দুদের শোভাযাত্রা লক্ষ্য করে গুলি ‘একে-৪৭’ থেকে! নুহ্-এর সংঘর্ষ কি পূর্ব-পরিকল্পিত?

    Nuh Violence: হিন্দুদের শোভাযাত্রা লক্ষ্য করে গুলি ‘একে-৪৭’ থেকে! নুহ্-এর সংঘর্ষ কি পূর্ব-পরিকল্পিত?

    মাধ্যম নিউজ ডেস্ক: সোমবার ঘটে যাওয়া বীভৎসতার পর ৪৮-ঘণ্টা কেটে গিয়েছে। কিন্তু সেদিনের কথা মনে পড়লেই এখনও শিউরে উঠছেন অনেকে। চোখে-মুখে মৃত্যুর আতঙ্ক। প্রাণে বেঁচে গেলেও, এখনও ত্রস্ত রয়েছেন হরিয়ানার মেওয়াটের নুহ্-তে (Nuh Violence) হিন্দু শোভাযাত্রায় অংশ নেওয়া পুণ্যার্থীরা।

    মহাভারত-সময়কালের মন্দির!

    প্রতি বছরের মত এবছরও শ্রাবণ মাসের সোমবার উপলক্ষে মুসলিম-অধ্যুষিত হরিয়ানার (Haryana Violence) মেওয়াটে একটি ধর্মীয় শোভাযাত্রার আয়োজন করেছিল বিশ্ব হিন্দু পরিষদ ও বজরং দল। ‘ব্রিজ মণ্ডল জলাভিষেক যাত্রা’-য় কয়েক হাজার হিন্দু ধর্মাবলম্বী মানুষ জড়ো হয়েছিলেন। তাঁদের উদ্দেশ্য ছিল নুহ্-তে অবস্থিত নলহাড়ে পঞ্চ শিবমন্দিরে গিয়ে পুজো দেওয়া। কথিত আছে, এই মন্দির নাকি মহাভারত-সময়কালের। সেই মন্দিরের পথেই এগোচ্ছিল শোভাযাত্রা। গুরুগ্রাম আলওয়ার হাইওয়েতে শোভাযাত্রা আটকে দেয় এক দল বিক্ষুব্ধ জনতা।

    তালিবানি স্টাইলে হত্যা হিন্দু পুণ্যার্থীকে!

    এর পরই শোভাযাত্রা লক্ষ্য করে পাথর ছোড়া হয় (Nuh Violence)। পুণ্যার্থীদের লক্ষ্য করে ছোড়া হয় গুলি। ধেয়ে আসে অ্যাসিডের বোতল। জানা যাচ্ছে, অনেক মহিলা পুণ্যার্থীর সম্মানহানিও করা হয়। যাত্রায় অংশ নেওয়া প্রায় ৩০টি সরকারি ও বেসরকারি গাড়ি জ্বালিয়ে দেওয়া হয়। ভীত-সন্ত্রস্ত মানুষ মন্দিরে আশ্রয় নেন। সেখানেও হামলা চালানো হয়। সেদিনের হামলায় ৬ জন মারা গিয়েছেন। এর মধ্যে দুই হোমগার্ড ও এক নাগরিক গুলিতে মারা যান। আহতের সংখ্যা প্রায় ৬০। নিহতদের মধ্যে একজনের নাম অভিষেক রাজপুত। তিনি ছিলেন ওই দিনের হামলাকারী মুসলিমদের প্রথম শিকার। প্রথমে অভিষেককে গুলি করা হয়। গুলি লাগে তাঁর পেটে। কিন্তু, তাতেই ক্ষান্ত হয়নি হামলাকারীরা। তালিবানদের মতো নলি কেটে বড় পাথর দিয়ে তাঁর মাথা থেঁতলে দেওয়া হয়। সেখানেই মারা যান পেশায় মেকানিক অভিষেক।

    আরও পড়ুন: ফের উত্তেজনা হরিয়ানায়, প্রধানমন্ত্রীর সঙ্গে সাক্ষাৎ গুরুগ্রামের সাংসদের

    ভয়াবহ অভিজ্ঞতার কথা শোনালেন আক্রান্তরা

    পরে, আক্রান্ত পুণ্যার্থীদের উদ্ধার করে নুহ্  (Nuh Violence) পুলিশ লাইনে নিয়ে আসা হয়। সেখানেই নিজেদের ভয়াবহ অভিজ্ঞতার কথা শোনান আক্রান্তরা। সেদিন কী ঘটেছিল, তা বর্ণনা করতে গিয়ে এক পুণ্যার্থী বলেন, জলাভিষেক করে ফেরা প্রথম বাসটিকে মন্দির থেকে এক কিলোমিটার দূরে জ্বালিয়ে দেওয়া হয়। তার পর পরই আরও ১৪-১৫টা গাড়ি জ্বালিয়ে দেওয়া হয়। তিনি যোগ করেন, খবর পেয়ে যখন তাঁদের একটি দল ঘটনাস্থলে পৌঁছয়, তখন তাঁদের গাড়িও জ্বালিয়ে দেওয়া হয়। ওই আক্রান্ত স্পষ্ট দাবি করেন, একেবারে এক-৪৭ থেকে গুলি করা হয় পুণ্যার্থীদের লক্ষ্য করে। তিনি বলেন, ‘‘মন্দিরটি তিন দিকে পাহাড় দিয়ে ঘেরা। হামলাকারীরা ওই পাহাড় থেকে তিনদিক দিয়ে আমাদের গুলি করছিল।’’

    ৬ মাস আগে থেকেই এই হামলার পরিকল্পনা?

    আরেকজন পুণ্যার্থী জানান, পুলিশ পৌঁছে হামলাকারীদের (Nuh Violence) লক্ষ্য করে পাল্টা গুলি চালাতে শুরু করে। তবে, হামলাকারীরা প্রস্তুত হয়েই এসেছিল। এক-ঘণ্টা ধরে পুলিশের সঙ্গে গুলি বিনিময় হয়। তিনি যোগ করেন, জলাভিষেক যাত্রায় প্রায় ২৫ হাজার মানুষের সমাগম হয়েছিল। ওই হামলার পর ৬-৭ হাজার মানুষ মন্দিরে আশ্রয় নেন। পুলিশ সাত ঘণ্টার চেষ্টায় তাঁদেরকে সেখান থেকে উদ্ধার করে। আরেক পুণ্যার্থীর দাবি, তিনি এক কিশোরকেও বন্দুক চালাতে দেখেছেন। তিনি বলেন, ‘‘বছর ১৪ কি ১৫র এক কিশোর আগ্নেয়াস্ত্র চালাচ্ছিল। এর থেকেই পরিষ্কার, ওরা ৬ মাস আগে থেকেই এই হামলার পরিকল্পনা করে রেখেছিল।’’

    ‘‘হিন্দুদের লক্ষ্য করে পাথর ছোড়া হয় প্রথমে’’

    হিন্দুদের ওপর হামলার (Haryana Violence) ঘটনা যে পূর্ব-পরিকল্পিত, তার ইঙ্গিত মিলেছে ওই হামলায় আহত হওয়া এক পুলিশ আধিকারিকের কথাতেও। তিনি বলেন, হিন্দুদের শোভাযাত্রা ঠিকঠাক চলছিল। তিরঙ্গা মোড়ে পৌঁছতেই পাথর হামলা শুরু হয়। তিনি যোগ করেন, হিন্দুদের শোভাযাত্রাকে আটকে সেখান দিয়ে একটি মিছিল বের করে মুসলিমরা। সেখান থেকেই হিন্দুদের লক্ষ্য করে প্রথমে পাথর ছোড়া শুরু হয়। অন্তত ১২ জন গুলিবিদ্ধ হয়ে হাসপাতালে ভর্তি।

    ঠিক একই সময়ে সাইবার থানায় হামলা হল কেন?

    শুধু হিন্দুদের শোভাযাত্রায় হামলা (Haryana Violence) চালানোই নয়। পুণ্যার্থীদের একটি বাস হাইজ্যাক করে নুহে্র সাইবার পুলিশ থানায় হামলা চালানো হয় সেদিনই। তেমনই একটি সিসিটিভি ফুটেজ প্রকাশ্যে এসেছে। যদিও সেই ফুটেজের সত্যতা যাচাই করেনি মাধ্যম। ওই ফুটেজে দেখা যাচ্ছে, বাসটি সোজা থানায় গিয়ে ধাক্কা মারে। লক্ষ্য ছিল, পুলিশের কাছে অপরাধের যে যে অভিযোগ ও নথিপ্রমাণ রয়েছে, তা নষ্ট করা। এখানে বলে রাখা প্রয়োজন, গত কয়েক বছরে দেশের সাইবার অপরাধের আঁতুড়ঘর হয়ে উঠেছিল নুহ্। যে কারণে ২ বছর আগে এখানে সাইবার ক্রাইম শাখা পুলিশ থানা গঠন করা হয়। গত মে মাসেই, নুহ্ থেকে একটি সাইবার ক্রাইম চক্র ধরা পড়ে পুলিশের জালে। অভিযোগ, ২৮ হাজার মানুষকে ঠকানো হয়েছিল বিভিন্ন উপায়ে। প্রায় ১০০ কোটির প্রতারণা হয়েছিল। ১৪টি গ্রামে হানা দিয়ে ৬৬ জনকে গ্রেফতার করা হয়েছিল। ২৫০ জন এখনও পলাতক। দায়ের করা হয়েছিল প্রায় ১৩৫০ মামলা।

    ‘‘মিনি পাকিস্তান মেওয়াট’’! দাবি ভিএইচপি নেতার

    এর থেকেই গোয়েন্দাদের ধারণা, এই হামলা পূর্ব-পরিকল্পিত। বেশ কিছু দিন আগে থেকেই এর ছক কষা হয়েছে। হরিয়ানার মুখ্যমন্ত্রী মনোহর লাল খট্টর ও রাজ্যের স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী অনিল ভিজ দুজনই একমত যে, এই হামলা পূর্ব-পরিকল্পিত এবং এর নেপথ্যে বৃহত্তর ষড়যন্ত্র রয়েছে। নুহ্ হামলার ঘটনায় এনআইএ তদন্তের দাবি করেছে বিশ্ব হিন্দু পরিষদ। সংগঠনের যুগ্ম কেন্দ্রীয় সাধারণ সম্পাদক সুরেন্দ্র জৈন বলেন, ‘‘হরিয়ানার নুহ্-তে (Nuh Violence) যা ঘটেছে, তা অত্যন্ত নিন্দনীয়। যাত্রা শুরু হওয়ার ১৫ মিনিটের মধ্যেই বন্দুক, লাঠি ও তরোয়াল দিয়ে হামলা চালানো হয়। এক দিক দিয়ে ধেয়ে আসছিল বুলেট, অন্যদিক থেকে অ্যাসিডের বোতল। পাহাড়ে চড়ে মন্দিরেও ঢুকে পড়ে হামলাকারীরা।’’ এমনকী, মেওয়াটকে মিনি পাকিস্তান হিসেবে উল্লেখ করেন সুরেন্দ্র।

     

    দেশের খবর, দশের খবর, সব খবর, সবার আগে পেতে ফলো করুন আমাদের FacebookTwitter এবং Google News পেজ।

  • West Bengal Dengue Outbreak: ‘‘ডেঙ্গি আসছে বাংলাদেশ থেকে’’! রাজ্যে প্রকোপ বাড়তেই সাফাই মমতার

    West Bengal Dengue Outbreak: ‘‘ডেঙ্গি আসছে বাংলাদেশ থেকে’’! রাজ্যে প্রকোপ বাড়তেই সাফাই মমতার

    মাধ্যম নিউজ ডেস্ক: বর্ষার মরশুম শুরু হতেই রাজ্যে শুরু ডেঙ্গির (West Bengal Dengue Outbreak) প্রকোপ। সরকারের পেশ করা হিসেব অনুযায়ী, গত ২ সপ্তাহে ডেঙ্গিতে রাজ্যে মৃত্যু হয়েছে ৭ জনের। বেসরকারি মতে এ পর্যন্ত ডেঙ্গিতে রাজ্যে আক্রান্তের সংখ্যা আড়াই হাজার ছাড়িয়েছে। কিন্তু, কেন বর্ষা নামতেই রাজ্যে ডেঙ্গির বাড়বাড়ন্ত শুরু হয়ে গেল কেনই বা, গত বছরের থেকে শিক্ষা নিল না রাজ্য প্রশাসন (West Bengal Health Department)?

    ডেঙ্গি নিয়ে কী সাফাই প্রশাসনের?

    এরাজ্যে মুখ্যমন্ত্রী নিজেই স্বাস্থ্যমন্ত্রী। সেই নিরিখে, বৃহস্পতিবার বিধানসভায় মমতা বন্দ্যোপাধ্যায় (Mamata Banerjee) দাবি করেন, রাজ্যে ডেঙ্গি (West Bengal Dengue Outbreak) সমস্যা প্রধানত এসেছে বাইরে থেকে। তাঁর মতে, ডেঙ্গি সমস্যা আসছে বাংলাদেশ থেকে। তিনি জানান, মূলত বাংলাদেশ সীমান্তবর্তী এলাকায় ডেঙ্গির বেশি প্রাদুর্ভাব দেখা গিয়েছে। মুখ্যমন্ত্রী যেখানে বিধানসভায় দাঁড়িয়ে বাংলাদেশ তত্ত্ব শোনাচ্ছেন, সেখানে জেলা প্রশাসন আবার পঞ্চায়েত ভোটকে ঢাল হিসেবে খাড়া করছে। প্রতিবারের মতো, এবছরও ডেঙ্গির প্রকোপ ধরা পড়েছে উত্তর ২৪ পরগনায়। সেই জেলার প্রশাসনিক কর্তাদের আবার দাবি, পঞ্চায়েত ভোটের জন্য ব্যাহত হয়েছে ডেঙ্গি প্রতিরোধের কাজ।

    মুখ্যমন্ত্রীকে কটাক্ষ শুভেন্দুর

    মুখ্যমন্ত্রীর এহেন দাবিকে অবশ্য কটাক্ষ করতে ছাড়েননি শুভেন্দু অধিকারী। রাজ্যের বিরোধী দলনেতার মতে, তাহলে তো এখন বাংলাদেশে প্রতিনিধিদল পাঠানো উচিত। সেদেশের প্রধানমন্ত্রীর সঙ্গে আলোচনায় বসা উচিত মুখ্যমন্ত্রীর। শুভেন্দু বলেন, ‘‘ওঁর উচিত অবিলম্বে চার্টার্ড বিমান নিয়ে ঢাকা যাওয়া। সঙ্গে ক্যানিংয়ের শওকত মোল্লা, ভাঙড়ের আরাবুল ইসলাম, ফলতার জাহাঙ্গিরদের নিয়ে যাবেন। কারণ, সীমান্ত এলাকায় এঁরা কাজকর্ম করেন, কে কী ভাবে ঢুকবে না ঢুকবে, নিয়ন্ত্রণ করেন। ডেঙ্গি বাংলাদেশ থেকে এলে এঁদেরও ব্যাপারটা দেখা উচিত। এই প্রতিনধিদল নিয়ে মুখ্যমন্ত্রী আলোচনায় বসুন বাংলাদেশের প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনার সঙ্গে!’’

    এদিকে, ডেঙ্গি নিয়ন্ত্রণে (West Bengal Dengue Outbreak) দুই পর্যায়ে বৈঠক করল রাজ্য সরকার। প্রথমে, সব জেলার স্বাস্থ্য আধিকারিক, হাসপাতালের সুপারদের সঙ্গে বৈঠক করেন স্বাস্থ্যসচিব নারায়ণস্বরূপ নিগম। পরে বিকেলে সব জেলা-কর্তাদের সঙ্গে পৃথক ভাবে বৈঠক করেন মুখ্যসচিব হরিকৃষ্ণ দ্বিবেদী। এর পরই, রাজ্যের তরফে ডেঙ্গি মোকাবিলায় একগুচ্ছ নির্দেশিকা জারি করা হয়। হাসপাতালগুলি ও চিকিৎসকদের জন্য বিশেষ গাইডলাইন প্রকাশ করেছে স্বাস্থ্য ভবন (West Bengal Health Department)।

    আরও পড়ুন: দশ হাজারের নিচে নামলে তবেই প্লেটলেট! ডেঙ্গি নিয়ে স্বাস্থ্য ভবনের নয়া নির্দেশিকায় বিতর্ক

    ডেঙ্গি মোকাবিলায় একগুচ্ছ নির্দেশিকা রাজ্যের

    নির্দেশিকায় স্পষ্ট বলা হয়েছে, পরীক্ষার বিষয়টাতে এতটাই জোর দিতে হবে যাতে কোনও ডেঙ্গি বা ম্যালেরিয়ার ঘটনা চোখ এড়িয়ে না যায়, পরীক্ষায় যেন দেরি না হয়। প্রত্যেক হাসপাতাল ও স্বাস্থ্যকেন্দ্রগুলিকে নির্দেশ দেওয়া হয়েছে যাতে জ্বরে আক্রান্ত রোগীর হিসেব রাখা হয়। ডেঙ্গি পরীক্ষার ক্ষেত্রে বলা হয়েছে, ২ থেকে ৭ দিন জ্বরে অসুস্থ থাকলেও পরীক্ষার প্রয়োজনীয়তা রয়েছে। এছাড়া মাথা ব্যাথা, রক্তক্ষরণ, দেহে র‌্যাশ বেরনোর মতো উপসর্গ থাকলেই ডেঙ্গি পরীক্ষা বাধ্যতামূলক বলে উল্লেখ করেছে স্বাস্থ্য দফতর। অর্থাৎ মশাবাহিত এই দুই রোগ নিয়ে যাতে কোনও রকম গা ছাড়া মনোভাব না দেখা যায়, সে ব্যাপারেই সতর্ক করেছে রাজ্য।

    বৈঠকে স্থির হয়েছে, প্রতিটি হাসপাতালে সর্বোচ্চ পর্যায়ে ‘ফিভার ক্লিনিক’ চালু রাখতে হবে সর্বক্ষণ। সেটি দেখাশোনার দায়িত্ব এক জন সহকারী সুপারের। জেলায় ডেঙ্গি দমনে ৯০০০ চিকিৎসক, প্যারা মেডিক্যাল কর্মীকে দায়িত্ব দেওয়া হচ্ছে। নির্দেশ দেওয়া হয়েছে, হাসপাতালগুলি এবং ব্লাড ব্যাঙ্কে অণুচক্রিকার (প্লেটলেট) জোগানে যাতে কোনও ঘাটতি না থাকে। রাজ্যের যে সব হাসপাতালে ডেঙ্গি (West Bengal Dengue Outbreak) আক্রান্ত রোগী ভর্তির সংখ্যা বেশি, সেখানে ডেঙ্গি পর্যবেক্ষক দল পাঠানোর সিদ্ধান্ত হয়েছে। প্রতিটি হাসপাতালকেও ডেঙ্গি রোগীদের জন্য বেড তৈরি রাখার নির্দেশ দেওয়া হয়েছে।

     

    দেশের খবর, দশের খবর, সব খবর, সবার আগে পেতে ফলো করুন আমাদের FacebookTwitter এবং Google News পেজ।

  • West Bengal BJP: নারী সুরক্ষা ইস্যুতে উত্তাল রাজ্য বিধানসভা! প্রস্তাব পেশে ‘বাধা’, ওয়াকআউট বিজেপির

    West Bengal BJP: নারী সুরক্ষা ইস্যুতে উত্তাল রাজ্য বিধানসভা! প্রস্তাব পেশে ‘বাধা’, ওয়াকআউট বিজেপির

    মাধ্যম নিউজ ডেস্ক: নারী নির্যাতনের ইস্যুতে বুধবার উত্তাল রাজ্য বিধানসভার অধিবেশন৷ রাজ্যে মহিলা নির্যাতনের ইস্যুতে এদিন বিধানসভায় অগ্নিমিত্রা পালের আনা দৃষ্টি আকর্ষণী প্রস্তাব পড়তে বাধা দেওয়া হলে স্লোগান তুলে ওয়াকআউট করেন বিজেপির (West Bengal BJP) বিধায়করা৷

    প্রস্তাব পেশ করতে বাধা বিজেপিকে!

    বুধবার অধিবেশন শুরু হতেই রাজ্যের নারীসুরক্ষা পরিস্থিতি নিয়ে দৃষ্টি আকর্ষণী প্রস্তাব আনে বিজেপি (West Bengal BJP)৷ তবে, সেই প্রস্তাব পাঠের অনুমতি মেলেনি বলে অভিযোগ গেরুয়া শিবিরের৷ এরপরেই উত্তপ্ত হয় বিধানসভা। অধিবেশন কক্ষে স্লোগান তুলে প্ল্যাকার্ড হাতে বিক্ষোভ দেখাতে দেখাতে ওয়াকআউট করে বিজেপি৷ বিধানসভার চত্বরেও স্লোগান দিতে থাকেন মহিলা বিজেপি বিধায়করা। অগ্নিমিত্রা পালদের অভিযোগ, রাজ্যে নির্যাতিত হচ্ছেন মহিলারা, কিন্তু মুখ্যমন্ত্রী কোনও পদক্ষেপ করছেন না! 

    কী বলছেন অগ্নিমিত্রা পাল?

    আসানসোল দক্ষিণের বিজেপি বিধায়ক বলেন, ‘‘একুশের মঞ্চ থেকে মমতা বন্দ্যোপাধ্যায় শুধু মণিপুরের কথা বললেন৷ আমরাও ওই ঘটনার নিন্দা করি৷ কিন্তু, পশ্চিমবঙ্গের বিভিন্ন জেলায়, মালদহ, মুর্শিদাবাদ, উত্তর দিনাজপুরে যে ঘটনাগুলো ঘটেছে, সেটা নিয়ে কিছু বলা হচ্ছে না৷ ওঁরা কি বাংলার মেয়ে নয়? একমাত্র মুখ্যমন্ত্রীই বাংলার মেয়ে?’’ এদিকে, আলোচনার সময়ে কেন স্লোগান তোলা হলো, বিরোধীদের এই আচরণ নিয়ে প্রশ্ন তুলেছেন স্পিকার বিমান বন্দ্যোপাধ্যায়৷ বিজেপির ওয়াকআউট নিয়ে উষ্মাপ্রকাশ করেছেন তিনি৷

    বিজেপি মহিলা মোর্চার দুদিন ব্যাপী ধর্না

    এদিকে, পঞ্চায়েত ভোটে সন্ত্রাস ও হিংসার প্রতিবাদে ধর্নায় নামছে বিজেপি মহিলা মোর্চা (BJP Mahila Morcha)৷ আজ, বুধবার এবং আগামিকাল ধর্নায় বসতে চলেছে বঙ্গ বিজেপি মহিলা মোর্চা৷ জানা যাচ্ছে, শ্যামবাজারের মোড়ে দু’দুদিন ব্যাপী এই ধর্না প্রদর্শন করবে মহিলা মোর্চা৷ সকাল ১০টা থেকে রাত ৮টা পর্যন্ত চলবে এই ধর্না কর্মসূচি। বঙ্গ বিজেপি মহিলা মোর্চার সভানেত্রী ফাল্গুনী পাত্র ধর্নার নেতৃত্ব দেবেন৷ তিনি জানান, রাজ্যে লাগাতার অশান্তি, মানুষের উপর হামলা, হত্যা চলছে৷ এমনকী ধর্ষণের অভিযোগ উঠেছে৷ ভোট সন্ত্রাসের প্রতিবাদে এই ধর্নার ডাক দেওয়া হয়েছে৷

    যোগ দেবেন শুভেন্দু-অগ্নিমিত্রারা?

    মুখ্যমন্ত্রীকে আক্রমণ করে ফাল্গুনী পাত্র (BJP Mahila Morcha) বলেন, ‘‘মমতা বন্দ্যোপাধ্যায় একজন স্বেচ্ছাচারী মানুষ৷ তিনি কোনও আইন মানেন না৷ তিনি রাজতন্ত্র কায়েম করতে চাইছেন৷ তিনি কাউকে তোয়াক্কা করেন না৷ আর এতে সন্ত্রাসবাদীরা আরও ইন্ধন পাচ্ছে৷ তিনি শুধুনিজের ক্ষমতা ধরে রাখতে চাইছেন৷ তাই পশ্চিমবঙ্গে এমন জঙ্গলরাজ তৈরি হয়েছে৷’’ জানা যাচ্ছে, বিধানসভার বিরোধী দলনেতা শুভেন্দু অধিকারী, বিজেপি বিধায়ক অগ্নিমিত্রা পাল-সহ অন্য বিজেপি (West Bengal BJP) নেতারা এই ধর্না মঞ্চে উপস্থিত থাকতে পারেন৷ 

     

    দেশের খবর, দশের খবর, সব খবর, সবার আগে পেতে ফলো করুন আমাদের FacebookTwitter এবং Google News পেজ।

  • Manik Bhattacharya: বুধবার সকালেও ফের প্রেসিডেন্সি জেলে সিবিআই, আবারও মানিককে জেরা শুরু

    Manik Bhattacharya: বুধবার সকালেও ফের প্রেসিডেন্সি জেলে সিবিআই, আবারও মানিককে জেরা শুরু

    মাধ্যম নিউজ ডেস্ক: মঙ্গলবার রাতে এক দফা জেরা-পর্ব হয়েছিল। এবার বুধবার সকালেই দ্বিতীয় দফায় প্রাথমিক শিক্ষা পর্ষদের প্রাক্তন সভাপতি মানিক ভট্টাচার্যকে (Manik Bhattacharya) জেরার জন্য কলকাতার প্রেসিডেন্সি জেলে পৌঁছলেন সিবিআই আধিকারিকেরা। এদিন সকাল ৯টা নাগাদ আবারও প্রেসিডেন্সি জেলে যান তদন্তকারীরা। পোস্টিং-দুর্নীতি সংক্রান্ত বিষয়েই তাঁকে জেরা করা হবে বলে সিবিআই সূত্রের খবর। আজ কি মানিককে হেফাজতে নেবে সিবিআই? বাড়ছে জল্পনা।

    এর আগে, মঙ্গলবার দুপুরেই প্রাথমিক নিয়োগকাণ্ডের (Primary TET Scam) নতুন মামলায় প্রাথমিক শিক্ষা পর্ষদের প্রাক্তন চেয়ারম্যান মানিক ভট্টাটার্যকে রাতেই জেরা করার নির্দেশ সিবিআইকে দিয়েছিলেন কলকাতা হাইকোর্টের বিচারপতি অভিজিৎ গঙ্গোপাধ্যায় (Justice Abhijit Ganguly)। সেই মতো মঙ্গলবার রাতেই প্রেসিডেন্সি জেলে পৌঁছে যায় সিবিআই আধিকারিকের দল। প্রায় দু’ঘণ্টার ওপর সময় ধরে জেলবন্দি মানিককে করা হয় জেরা। 

    জেরায় চার সদস্যের সিবিআই টিম

    তদন্তকারী সংস্থা সূত্রের খবর, রাত সাড়ে ন’টা নাগাদ প্রেসিডেন্সি জেলে (Presidency Jail) পৌঁছয় সিবিআইয়ের ৪ সদস্যের টিম। ওই টিমের নেতৃত্বে ছিলেন একজন এসপি পদমর্যাদার অফিসার। ছিলেন, দু’জন ইন্সপেক্টর। বিচারপতির নির্দেশ ছিল, গোটা জিজ্ঞাসাবাদ প্রক্রিয়ার ভিডিওগ্রাফি করতে হবে। সেই মোতাবেক, এদিন সিবিআই টিমে ছিলেন একজন ভিডিয়োগ্রাফি এক্সপার্টও। সূত্রের খবর, জেলের ভিতর ইন্টারোগেশন রুমে নিয়ে যাওয়া হয় প্রাক্তন পর্ষদ সভাপতি মানিক ভট্টাচার্যকে (Manik Bhattacharya)। সেখানেই এসপি কল্যাণ ভট্টাচার্যের নেতৃত্বে মানিককে জেরা করছেন দু’টি পৃথক মামলার তদন্তকারী আধিকারিক মলয় দাস, ওয়াসিম আক্রম। প্রায় আড়াই ঘণ্টা জেলে ছিল সিবিআই। জিজ্ঞাসাবাদের পর রাত ১১টা ৫০ মিনিট নাগাদ বেরিয়ে যান তাঁরা।

    কী নিয়ে নতুন মামলা?

    প্রাথমিক শিক্ষকদের ‘পোস্টিং’ নিয়ে দুর্নীতির (Teacher Posting Scam) অভিযোগ তুলে একটি মামলা করেন সুকান্ত প্রামাণিক। তাঁর দাবি, ২০২০ সালের নিয়োগ প্রক্রিয়া চলাকালীন তাঁদের বলা হয়েছিল নিজের জেলায় কোনও শূন্যপদ নেই। অভিযোগ, কাউন্সেলিং-এর ঠিক ১৭ দিন পরই চার জেলায় ৪০০ জনকে নিয়োগ করা হয়েছে। গতকাল, এই মামলার শুনানি হয় হাইকোর্টে। শুনানি চলছিল বিচারপতি অভিজিৎ গঙ্গোপাধ্যায়ের (Justice Abhijit Ganguly) এজলাসে। কাদের সুবিধা পাইয়ে দেওয়া হয়েছিল, টাকার লেনদেন হয়েছিল কি না, সেটাই জানতে চায় আদালত। সেখানেই বিচারপতি তাঁর পর্যবেক্ষণে জানান, প্রাথমিকের নিয়োগে এটা পরিকল্পিত ভাবে দুর্নীতি হয়েছে। মানিক ছক কষে এই দুর্নীতি ‘ডিজাইন্ড কোরাপশন’ করেছেন। মানিক এই মামলার ‘মাস্টারমাইন্ড’ বলেও মন্তব্য করেছিলেন বিচারপতি। তিনি নির্দেশ দেন, প্রয়োজনে মানিককে হেফাজতেও নিতে পারে সিবিআই। এমনকী, এই মামলায় আর্থিক দুর্নীতির দিক উঠে আসলে, তার তদন্তে ইডি-কে যুক্ত করা হবে বলে জানিয়ে দেন বিচারপতি।

    আরও পড়ুন: ছক কষেই দুর্নীতি! জেলে গিয়ে মানিককে জেরা করার নির্দেশ সিবিআই-ইডিকে

    ‘ডিজাইন্ড কোরাপশন’ ঠিক কী?

    ২০২০ সালের প্রাথমিক নিয়োগ প্রক্রিয়ার ক্ষেত্রে হয়েছিল কাউন্সেলিং। পরের বছর জুলাই মাসে কাউন্সেলিংয়ের বিজ্ঞপ্তি জারি করে পর্ষদ। সেখানে চতুরতার সঙ্গে ড্রাফট লেখা হয়েছিল। হোম ডিস্ট্রিক্ট ফাঁকা না দেখিয়ে, প্রেফার্ড ডিস্ট্রিক্টকে পছন্দ করতে বাধ্য করা হয়েছিল। কাউন্সেলিং পর্বে প্রার্থীদের বলা হয় ‘লাস্ট চান্স’। যদিও সেবারই তাঁরা প্রথম সুযোগ পাচ্ছিলেন। এখানেই দুর্নীতির অভিযোগ উঠে আসছে, পর্যবেক্ষণ বিচারপতি গঙ্গোপাধ্যায়ের (Justice Abhijit Ganguly)। তিনি জানান, যে মামলায় সুপ্রিম কোর্টের রক্ষাকবচ পেয়েছেন মানিক (Manik Bhattacharya), সেই মামলার সঙ্গে এই নতুন মামলার কোনও যোগ নেই। উল্লেখ্য, সুপ্রিম কোর্টের নির্দেশ ছিল, তদন্ত চালিয়ে গেলেও, মানিকের বিরুদ্ধে কোনও কড়া পদক্ষেপ করতে পারবে না সিবিআই।

     

    দেশের খবর, দশের খবর, সব খবর, সবার আগে পেতে ফলো করুন আমাদের FacebookTwitter এবং Google News পেজ।

  • Vegetable Prices: ফের ডবল সেঞ্চুরির পথে কাঁচা লঙ্কা, এবার দোসর টমেটো! ঊর্ধ্বমুখী বাকি সবজিও

    Vegetable Prices: ফের ডবল সেঞ্চুরির পথে কাঁচা লঙ্কা, এবার দোসর টমেটো! ঊর্ধ্বমুখী বাকি সবজিও

    মাধ্যম নিউজ ডেস্ক: কিছুদিন আগে ৩৫০-৪০০ টাকা করে কেজি দরে বাজারে বিকোচ্ছিল কাঁচা লঙ্কা (Green Chilli-Tomato Prices)। মাঝে কিছুটা সুরাহা দিয়ে ১৫০ টাকায় নেমে আসে গৃহস্থের হেঁসেলে গুরুত্বপূর্ণ এই আনাজ। কিন্তু, ফের মাথাচাড়া দিচ্ছে কাঁচা লঙ্কা। আবার ২০০-য় পৌঁছে গিয়েছে এই সবজি (Vegetable Prices)। 

    হেঁসেলে লঙ্কাকাণ্ড…

    মঙ্গলবার কলকাতার অন্যতম পাইকারি বাাজার কোলে মার্কেটে কাঁচা লঙ্কা (Green Chilli-Tomato Prices) বিকিয়েছিল ৪০০ টাকা পাল্লা (৫ কেজিতে এক পাল্লা) দরে। বুধবার আচমকা, তা বেড়ে হয়ে যায় ৯০০ টাকা পাল্লা। এর প্রভাব পড়ে খুচরো বাজারেও। আগের দিন যে লঙ্কা ১৫০ টাকা কেজিতে বিক্রি হয়েছিল, তা একধাক্কায় বেড়ে যায় ২০০-২৫০ টাকায়। বৃহস্পতিবার শহর কলকাতার একাধিক খুচরো বাজারে ১৮০ টাকা দরে বিকোচ্ছে কাঁচা লঙ্কা। 

    কেন দামি কাঁচা-লঙ্কা?

    রাজ্যের এনফোর্সমেন্ট শাখার এক আধিকারিক জানান, মঙ্গলবার কোলে মার্কেটে লঙ্কার গাড়ি বেশি চলে আসায় লঙ্কার পাইকারি দাম পড়ে গিয়েছিল (Vegetable Prices)। কিন্তু বুধবার গাড়ি কম ঢোকায় ফের জোগানে টান পড়ে। ফলে, দাম বেড়ে যায়। জানা গিয়েছে, বেলডাঙার লঙ্কার জোগান নেই বললেই চলে। শহরে লঙ্কার বেশির ভাগটাই আসে কর্নাটক, দিল্লি এবং রাঁচি থেকে। অন্যদিকে, বাংলাদেশেও লঙ্কার উৎপাদন কম হওয়ায় দিল্লি, কর্নাটকের লঙ্কা যাচ্ছে সেদেশেও। ফলে, দেশে জোগান মার খাচ্ছে। টাস্ক ফোর্সের এক আধিকারিক জানান, লঙ্কার যে সমস্ত গাড়ি রাজ্যের সীমানায় দাঁড়িয়ে আছে, সেগুলি এ বার শহরে ঢুকবে। তাই কাল-পরশু নাগাদ শহরে লঙ্কার জোগান আবার স্বাভাবিক হবে এবং দামও কমবে।

    ডবল সেঞ্চুরির পথে টমেটো!

    কাঁচা লঙ্কার পাশাপাশি ডবল সেঞ্চুরির পথে টমেটোও (Green Chilli-Tomato Prices)। মধ্যবিত্তের হেঁসেলের আরেকটি গুরুত্বপূর্ণ সদস্যের দামও আকাশছোঁয়া। গত কয়েক দিনে টমেটোর দাম যে হারে বেড়েছে তাতে বিস্মিত ক্রেতা থেকে বিক্রেতারা। দেশের সবপ্রান্তেই মধ্যবিত্তের নাগালের বাইরে চলে গিয়েছে টমেটোর দাম। প্রতি কিলোর দাম ১৫০ টাকা ছাড়িয়ে ২০০-র দিকে এগোচ্ছে এই আনাজে। এখন কাঁচা লঙ্কার মতোই অনেক গৃহস্থের হেঁসেলে বাড়ন্ত টমেটোও।

    কেন এত দাম টমেটোর?

    বাজার বিশেষজ্ঞদের থেকে জানা গিয়েছে, বর্ষার দেরি, পর্যাপ্ত ফলনের অভাব এবং তাপপ্রবাহের জেরেই দেশ জুড়ে বেড়েছে টমেটোর দাম। আগামী কয়েক দিনে টমেটোর দাম কমার সম্ভাবনা কম। বরং তা আরও বাড়তে পারে বলে মনে করেছেন পাইকারি বিক্রেতারা। অন্তত খরিফ চাষের টমেটো যত দিন না বাজারে ঢোকা শুরু করবে ততদিন দাম কমার কোনও সম্ভাবনাই নেই বলে জানা যাচ্ছে। সেই টম্যাটো ঢোকার পর কিছুটা দাম কমতে পারে। তবে, তা ঢুকতে ঢুকতে অগাস্ট-সেপ্টেম্বর।

    ঊর্ধ্বমুখী বাকি সবজির দামও

    শুধু যে কাঁচা লঙ্কা বা টমেটোর দাম আকাশছোঁয়া তা নয়। বাকি আনাজের দামও ঊর্ধ্বমুখী (Vegetable Prices)। শহর কলকাতায় লাফিয়ে লাফিয়ে বাড়ছে একাধিক সবজির দাম। আদা-রসুন হাতে নিলেই ছ্যাঁকা লাগছে। আদার প্রতি কেজিতে দাম এখনও ৩০০-৩৫০ টাকা। রসুনের দাম রয়েছে প্রতি কেজিতে ২০০-২৫০ টাকা। বেগুনের প্রতি কেজিতে দাম রয়েছে ৮০ টাকা। যা সাধারণের তুলনায় প্রায় দ্বিগুণ বেশি। করলার কেজি প্রতি দাম রয়েছে ৬০ টাকা। এক কেজি উচ্ছে কিনতে হলে খরচ হবে ৭০-৮০ টাকা। পটলের প্রতি কেজি বিক্রি হচ্ছে ৫০-৬০ টাকা দরে। এছাড়া পেঁয়াজের দাম রয়েছে কেজিতে ৪০ টাকা। জ্যোতি আলুর প্রতি কেজিতে দাম রয়েছে ২০ টাকা। চন্দ্রমুখী আলুর ক্ষেত্রে এই দাম বেড়ে হচ্ছে ২৫ টাকা। 

    মাছ-মাংসের কী হাল?

    সবজির বাজারের পাশাপাশি দাম বেড়েছে মাছ-মাংসেরও। রুই মাছের প্রতি কেজিতে দাম রয়েছে ২০০-৩০০ টাকা। কাতলা মাছের প্রতি কেজির দাম রয়েছে ৩৫০-৪০০ টাকা। ছোট পারসে মাছের প্রতি কেজির দাম রয়েছে ৩৫০ টাকা। বড় পারসের দাম ৫০০-৭০০ টাকা। পাবদা মাছের প্রতি কেজিতে দাম শুরুই হচ্ছে ৪০০ টাকা থেকে। ইলিশ মাছের প্রতি কেজির দাম শুরু হচ্ছে ৭০০ টাকা থেকে শুরু। ছোট/চাপড়া চিংড়ির দাম রয়েছে ৩০০-৩৫০ টাকা কেজি। বাগদা চিংড়ির প্রতি কেজির দাম হাঁকা হচ্ছে সাইজ অনুযায়ী। ছোট হলে ৪০০-৫০০, মাঝারি হলে ৭০০-৮০০ টাকা এবং বড় হলে ৯০০-১০০০ টাকা দরও হাঁকা হচ্ছে। গলদা চিংড়ির প্রতি কেজির দাম রয়েছে ৭০০-৮০০ টাকা।

    মাছ বাজারের পাশাপাশি চড়া রেট রয়েছে মাংসের দোকানেও। প্রতি কেজি চিকেনের দাম রয়েছে ২২০-২৪০ টাকা। গোটা মুরগির প্রতি কেজিতে দাম রয়েছে ১৪০-১৬০ টাকা। দেশি মুরগির কেজি রয়েছে ৪০০ টাকার আশেপাশে ও মাটনের প্রতি কেজিতে দাম রয়েছে ৭৫০-৮০০ টাকা পর্যন্ত।

     

    দেশের খবর, দশের খবর, সব খবর, সবার আগে পেতে ফলো করুন আমাদের FacebookTwitter এবং Google News পেজ।

  • Recruitment Scam: আরও ৪০ ‘অযোগ্য শিক্ষকের’ নাম, ওএমআর শিট প্রকাশ এসএসসি-র, দেখুন তালিকা

    Recruitment Scam: আরও ৪০ ‘অযোগ্য শিক্ষকের’ নাম, ওএমআর শিট প্রকাশ এসএসসি-র, দেখুন তালিকা

    মাধ্যম নিউজ ডেস্ক: অভিযোগ ছিল, সাদা উত্তরপত্র জমা দিয়েও ৪৩ নম্বর পেয়েছেন একাধিক পরীক্ষার্থী। নবম-দশম শিক্ষক নিয়োগের পরে ওএমআর শিটে বিকৃতির (OMR sheet Corruption) অভিযোগ ওঠে গ্রুপ ডি নিয়োগ পরীক্ষার ক্ষেত্রেও (Recruitment Scam)। শেষমেশ, কলকাতা হাইকোর্টের নির্দেশে ‘অযোগ্য শিক্ষকদের’ নামের দ্বিতীয় তালিকা প্রকাশ করল স্কুল সার্ভিস কমিশন। মঙ্গলবার এই নতুন তালিকা প্রকাশ করে কমিশন। তালিকায় নাম রয়েছে ৪০ জনের। তবে, এবার শুধু তালিকাই নয়। আদালতের নির্দেশে এই ৪০ জনের জমা দেওয়া ফাঁকা ওএমআর শিটও প্রকাশ করা হয়েছে কমিশনের তরফে। 

    আরও পড়ুন: গ্রুপ-ডি নিয়োগের ক্ষেত্রেও দুর্নীতি! ওএমআর শিট সবার সামনে আনার নির্দেশ হাইকোর্টের

    কী নিয়ে বিতর্ক

    পরীক্ষায় পেয়েছেন শূন্য। অথচ স্কুল সার্ভিস কমিশন (Recruitment Scam)-এর সার্ভারে দেখা যায়, গ্রুপ ডির সেই প্রার্থী পেয়েছেন ৪৩। সিবিআইয়ের পেশ করা নথি নিয়েই মঙ্গলবার সরব হয় কলকাতা হাইকোর্ট। এদিন শুনানিতেই বেআইনিভাবে নিয়োগ হওয়া ৪০ জনের নামের তালিকা প্রকাশের নির্দেশ দিয়েছিল উচ্চ আদালত। কমিশনের ওয়েবসাইটে ৪০ জনের নামের তালিকা প্রকাশের নির্দেশ দেয় হাইকোর্ট। সেই অনুযায়ী, কয়েক ঘণ্টার মধ্যেই কমিশনের ওয়েবসাইটে আরও ৪০ জন ‘অযোগ্য’ শিক্ষকের তালিকা ও ওএমআর শিট প্রকাশ করা হয়।

    মামলার প্রেক্ষাপট

    গ্রুপ ডি নিয়োগ দুর্নীতি নিয়ে কলকাতা হাইকোর্টে বিচারপতি অভিজিৎ গঙ্গোপাধ্যায়ের বেঞ্চে মামলা করেছিলেন লক্ষ্মী টুঙ্গা। এই মামলায় বিচারপতি নির্দেশ দিয়েছেন, মোট ২৮২৩ জন প্রার্থীর মধ্যে ১০০ জনের ওএমআর শিটেই এই বিকৃতির অভিযোগ উঠেছে। ওই ১০০ জন গ্রুপ ডি প্রার্থীর উত্তরপত্র (ওএমআর শিট) জনসমক্ষে আনার নির্দেশ দেন বিচারপতি। এদিন বিচারপতি আরও বলেন, ‘যাঁদের নাম প্রকাশ করা হবে তাঁরা চাইলে মামলাও করতে পারেন। যদি তাঁরা মামলা করতে চান তো আগামী ১৬ ডিসেম্বরের মধ্যে মামলা দায়ের করতে পারেন। তাঁদের এই মামলায় যুক্ত করা হবে।

    প্রকাশ্যে তালিকা—

    এর আগে, ১৮৩ জনের নামের তালিকা একইভাবে হাইকোর্টের নির্দেশে প্রকাশ করেছে কমিশন। এবার আদালতের নিয়ম মেনে ৪০ জনের তালিকা প্রকাশ করল স্কুল সার্ভিস কমিশন (Recruitment Scam)।  

     

     

     

     

     

    দেশের খবর, দশের খবর, সব খবর, সবার আগে পেতে ফলো করুন আমাদের Facebook এবং Twitter পেজ। 

LinkedIn
Share