Tag: lok sabha

lok sabha

  • Delimitation Bill: লোকসভায়  মহিলা সংরক্ষণ ও আসনবৃদ্ধি বিল পাশ না হলেও, জয় বিজেপিরই, জানেন কেন? কীভাবে?

    Delimitation Bill: লোকসভায় মহিলা সংরক্ষণ ও আসনবৃদ্ধি বিল পাশ না হলেও, জয় বিজেপিরই, জানেন কেন? কীভাবে?

    মাধ্যম নিউজ ডেস্ক: প্রবল বিতর্কের পর লোকসভায় ভোটাভুটিতে দুই-তৃতীয়াংশ সংখ্যাগরিষ্ঠতা পেল না মহিলা সংরক্ষণ এবং লোকসভায় আসনবৃদ্ধি (Delimitation Bill) সংক্রান্ত ১৩১তম সংবিধান সংশোধনী বিল। দু’দিনের বিতর্ক-পর্ব শেষে শুক্রবার বিকেলে বিল নিয়ে ভোটাভুটি হয়। বিলের পক্ষে পড়ে ২৯৮ টি ভোট। বিপক্ষে ২৩০টি। মোট ৫২৮ জন সাংসদ ভোটাভুটিতে অংশ নেন। সংবিধান সংশোধন সংক্রান্ত বিল পাশের জন্য দুই-তৃতীয়াংশ সংখ্যাগরিষ্ঠতা প্রয়োজন ছিল। লোকসভায় মহিলা সংরক্ষণ সংক্রান্ত সংবিধান সংশোধনী বিল ( Women’s Reservation) পাস না হওয়ার পর রাজনৈতিক তরজা আরও তীব্র হয়েছে। বিরোধী দলগুলির বিরোধিতায় বিলটি খারিজ হলেও, এই ইস্যুকে সামনে রেখেই নির্বাচনী রাজনীতিতে নিজেদের অবস্থান শক্ত করতে চাইছে বিজেপি।

    মহিলাদের অধিকার প্রতিষ্ঠার লড়াই চলবে

    বৃহস্পতিবার থেকে শুরু হওয়া সংসদের তিন দিনের বিশেষ অধিবেশনে তিনটি বিল পাশ করাতে সক্রিয় ছিল কেন্দ্র। কেন্দ্রীয় আইনমন্ত্রী অর্জুন রাম মেঘওয়ালের পেশ করা তিনটি বিলের প্রথমটি— লোকসভা এবং বিভিন্ন রাজ্যের বিধানসভায় মহিলাদের জন্য এক-তৃতীয়াংশ আসন সংরক্ষণের উদ্দেশ্যে ১৩১তম সংবিধান সংশোধনী বিল ( পোশাকি নাম, ‘নারী শক্তি বন্দন অধিনিয়ম’, লোকসভার সাংসদ সংখ্যা বাড়িয়ে ৮৫০ করার বিষয়টি এরই অন্তর্গত), দ্বিতীয়টি— লোকসভার আসন পুনর্বিন্যাস (ডিলিমিটেশন) সংক্রান্ত বিল। তৃতীয়টি— কেন্দ্রশাসিত অঞ্চল আইন সংশোধনী বিল (কেন্দ্রশাসিত অঞ্চলে আসনবৃদ্ধির উদ্দেশ্যে। বিজেপির দাবি, বিরোধীরা মহিলাদের “ন্যায্য অধিকার” থেকে বঞ্চিত করেছে। দলের শীর্ষ নেতৃত্ব ইতিমধ্যেই এই বার্তা জনতার কাছে পৌঁছে দিতে শুরু করেছে। কেন্দ্রীয় মন্ত্রী কিরেন রিজিজু অভিযোগ করেছেন, বিরোধীরা একটি ঐতিহাসিক সিদ্ধান্তকে “হাইজ্যাক” করেছে এবং সরকার মহিলাদের অধিকার প্রতিষ্ঠার লড়াই চালিয়ে যাবে।

    সুষ্ঠু প্রতিনিধিত্বের স্বার্থেই আসন বাড়ানো জরুরি

    স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী অমিত শাহ (Amit Shah) লোকসভায় বক্তব্য রাখতে গিয়ে বিরোধীদের তীব্র আক্রমণ করেন। তিনি বলেন, ভোট চাইতে গেলে বিরোধীদের “মহিলাদের ক্ষোভের মুখে পড়তে হবে”। ২০২৯ সালের মধ্যে মহিলা সংরক্ষণ বিল কার্যকর করতে গেলে ডিলিমিটেশন বা লোকসভা কেনদ্রগুলির সীমানা পুনর্বিন্যাস অনিবার্য। আর এই আসন বৃদ্ধিতে কোনও বিশেষ অঞ্চলের প্রতিনিধিত্ব কমবে না। সংসদে মহিলা সংরক্ষণ বিল এবং লোকসভার আসন সংখ্যা বৃদ্ধির প্রস্তাব (Delimitation Bill)  নিয়ে চলমান উত্তপ্ত বিতর্কের মধ্যে শুক্রবার সন্ধ্যায় এমনই দাবি করেন কেন্দ্রীয় স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী অমিত শাহ। এ দিন লোকসভায় অমিত শাহ জানান, ৫০ বছর ধরে ডিলিমিটেশন না হওয়ায়, বর্তমানে এমনও কিছু লোকসভা কেন্দ্র আছে যেখানে সাসংদকে ৪৯ লক্ষ মানুষের প্রতিনিধিত্ব করতে হয়। তিনি প্রশ্ন তোলেন, ‘কী ভাবে একজন সাংসদ কোনও নির্বাচনী এলাকায় প্রায় ৪৯ লক্ষ ভোটারের প্রতিনিধিত্ব করতে পারেন? তিনি সকলকে মুখও দেখাতে পারেন না।’ শাহ দাবি করেন যে সুষ্ঠু প্রতিনিধিত্বের স্বার্থেই লোকসভার আসন সংখ্যা বাড়ানো জরুরি।

    কেন ২০২৬-এর পরে ডিলিমিটেশন?

    মহিলা সংরক্ষণ ( Women’s Reservation) বিলের সময়সীমা নিয়েও প্রশ্ন তুলেছে বিরোধীরা। কেন এখন এই পদক্ষেপ করা হচ্ছে এই প্রশ্ন তুলেছেন তাঁরা? এই প্রশ্নের জবাবে শাহ মনে করিয়ে দেন, ১৯৭১ সাল থেকে ২০২৬ পর্যন্ত ডিলিমিটেশন স্থগিত রাখা হয়েছিল। তিনি জানান, ২০২৩ সালের আইনেই পরিষ্কার বলা হয়েছিল, ২০২৬ সালের পরবর্তী জনগণনার পরেই এটি কার্যকর হবে। ২০২৯ সালের মধ্যে মহিলাদের ৩৩ শতাংশ সংরক্ষণ নিশ্চিত করতে গেলে ডিলিমিটেশনের কোনও বিকল্প নেই বলে জানান তিনি। বিরোধীদের উদ্দেশে আবেদন জানিয়ে তিনি বলেন, ‘‘আমাদের উপর ভরসা রাখুন। বিল পাশ করতে দিন।’’

    উত্তর-দক্ষিণ বিভাজনের অভিযোগ খারিজ

    দক্ষিণ ভারতের রাজ্যগুলি থেকে লোকসভা আসন কমে যাবে বলে যে উদ্বেগ তৈরি হয়েছে, তাকে ‘অপপ্রচার’ বলে উড়িয়ে দেন স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী। তিনি জানান, বর্তমানে সংসদে দক্ষিণ ভারতের প্রতিনিধিত্ব ২৩.৭৬%। ডিলিমিটেশনের পরে এই প্রতিনিধিত্ব থেকে বেড়ে ২৩.৮৭% হবে। অমিত শাহ দাবি করেন, বিরোধীরা উত্তর ও দক্ষিণ ভারতের মধ্যে বিভাজন করার চেষ্টা করছে। তিনি দাবি করেন, সরকার এটা কোনও ভাবেই হতে দেবে না। এমনকি বিরোধী দলগুলো যদি আসন সংখ্যা ৫০ শতাংশ বাড়ানোর ধারায় রাজি হয়, তবে সরকার সেই সংশোধনী আনতেও প্রস্তুত।

    নির্বাচনী প্রচারে বড় হাতিয়ার

    আগেই প্রধানমন্ত্রী নরেন্দ্র মোদি (Narendra Modi) তাঁর ভাষণে স্পষ্টভাবে তুলে ধরেছেন যে, তাঁর সরকার নারীদের অধিকার নিশ্চিত করতে প্রতিশ্রুতিবদ্ধ, অথচ বিরোধীরা সেই পথে বাধা সৃষ্টি করছে। রাজনৈতিক বিশ্লেষকদের মতে, সংসদে বিল পাস না হলেও বিজেপি এই ইস্যুকে নির্বাচনী প্রচারে বড় হাতিয়ার হিসেবে ব্যবহার করতে পারে। ইতিমধ্যেই ‘লাড়লি বহেনা’, ‘লাড়কি বহিন’, ‘দীনদয়াল লাডো লক্ষ্মী’—এর মতো নারী-কেন্দ্রিক প্রকল্পের মাধ্যমে বিভিন্ন রাজ্যে সাফল্য পেয়েছে গেরুয়া শিবির। বিল খারিজ হওয়া সত্ত্বেও নারী সংরক্ষণ ইস্যু এখন রাজনৈতিক ময়দানে বড় অস্ত্র হয়ে উঠবে বিজেপির কাছে।

  • Religion Based Reservation: “ধর্মের ভিত্তিতে সংরক্ষণ সংবিধান-বিরোধী”, ফের মনে করিয়ে দিলেন অমিত শাহ

    Religion Based Reservation: “ধর্মের ভিত্তিতে সংরক্ষণ সংবিধান-বিরোধী”, ফের মনে করিয়ে দিলেন অমিত শাহ

    মাধ্যম নিউজ ডেস্ক: ডিলিমিটেশন, জনগণনা এবং মহিলাদের জন্য সংরক্ষণ নিয়ে আলোচনা করতে বৃহস্পতিবার শুরু হয়েছে তিনদিনের বিশেষ অধিবেশন (Religion Based Reservation)। তর্ক-বিতর্কের জেরে এদিন কার্যত উত্তাল হয়ে ওঠে সংসদ। কারণ লোকসভায় বিরোধী দল ডিলিমিটেশন বিলের তীব্র বিরোধিতা করে। তারা বিলটিকে ‘সংবিধানবিরোধী’ আখ্যা দেয়, যদিও (Amit Shah) তারা মহিলাদের সংরক্ষণকে সমর্থন করে।

    তিন বিলের বিরুদ্ধে প্রতিবাদ সমাজবাদী পার্টির (Religion Based Reservation) 

    এদিন, সংসদে বক্তব্য রাখতে গিয়ে সমাজবাদী পার্টির সাংসদ ধর্মেন্দ্র যাদব জানান, তাঁর দল এই তিনটি বিলের বিরুদ্ধে প্রতিবাদ করছে। কারণ ডিলিমিটেশনকে জনগণনা থেকে আলাদা করা হচ্ছে। আজমগড় কেন্দ্রের সাংসদ যাদব বলেন, “অনগ্রসর শ্রেণি এবং মুসলিম মহিলাদেরও মহিলা সংরক্ষণ আইনের আওতায় আনা উচিত।” তাঁকে সমর্থন করে সমাজবাদী পার্টির প্রধান অখিলেশ যাদব বলেন, “আমি বিধানসভায় মহিলাদের সংরক্ষণকে সমর্থন করি।” তাঁর প্রশ্ন, কেন জনগণনা করা হচ্ছে না? এর জবাবে কেন্দ্রীয় স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী অমিত শাহ বলেন, “২০২৭ সালের জনগণনার কাজ চলছে এবং সরকার জাতিগত গণনার সিদ্ধান্ত নিয়েছে।” তিনি এও বলেন, “ধর্মের ভিত্তিতে সংরক্ষণ ‘সংবিধান-বিরোধী’।” শাহ বলেন, “পুরো দেশ সংসদের কার্যাবলী দেখছে। অখিলেশ যাদব জিজ্ঞাসা করেছেন কেন আমরা জনগণনা করছি না। আমি পুরো দেশকে আশ্বস্ত করতে চাই এই বলে যে জনগণনা করার প্রক্রিয়া শুরু হয়েছে। জাতিগত জনগণনার বিষয়ে সরকার ইতিমধ্যেই (Amit Shah) কাজ করছে… আমি নিশ্চিত করতে চাই যে এটি একটি জাতিগত জনগণনা হবে।”

    মুসলিমদের ধর্মের ভিত্তিতে সংরক্ষণও সংবিধান-বিরোধী

    কেন্দ্রীয় স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী বলেন, “ধর্মেন্দ্র যাদব যা বলেছেন, তা সংবিধান-বিরোধী। আমাদের সংবিধান কখনও ধর্মের ভিত্তিতে সংরক্ষণের অনুমতি দেয় না। মুসলিমদের ধর্মের ভিত্তিতে কোনও সংরক্ষণও সংবিধান-বিরোধী… সমাজবাদী পার্টি চাইলে তাদের সব টিকিট মুসলিমদের দিতে পারে (Religion Based Reservation)।” এই বিতর্ক চলাকালীনই অখিলেশ যাদব জানান, শাহের মন্তব্য গণতন্ত্র-বিরোধী। তিনি বলেন, “কেন্দ্রীয় স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী যা বলেছেন, তা অগণতান্ত্রিক। তাহলে কি আমাদের জনসংখ্যার অর্ধেক মুসলিম মহিলা অন্তর্ভুক্ত নন?” এই সময় লোকসভার স্পিকার বলেন, “উভয় সদস্যকেই তাঁদের মতামত প্রকাশের জন্য সময় দেওয়া হবে (Amit Shah)।” সংসদের বিশেষ অধিবেশনে শাহ এবং কেন্দ্রীয় আইনমন্ত্রী অর্জুন রাম মেঘওয়াল মহিলাদের সংরক্ষণ আইন সংশোধন এবং ডিলিমিটেশন কমিশন গঠনের জন্য তিনটি বিল পেশ করেন। বিরোধীরা এর প্রতিবাদ করেন। যদিও বিরোধীদের সাফ কথা, তাঁরা মহিলাদের সংরক্ষণের বিরোধী নন। তবে তাঁরা সংবিধান সংশোধনী বিলে ডিলিমিটেশন সংক্রান্ত বিধানের বিরোধী (Religion Based Reservation)।

     

  • Mayawati: ৩৩ শতাংশ মহিলা সংরক্ষণ বিল সমর্থন বিএসপি সুপ্রিমো মায়াবতীর

    Mayawati: ৩৩ শতাংশ মহিলা সংরক্ষণ বিল সমর্থন বিএসপি সুপ্রিমো মায়াবতীর

    মাধ্যম নিউজ ডেস্ক: লোকসভার জন্য প্রস্তাবিত ৩৩ শতাংশ মহিলা সংরক্ষণ বিল (Womens Reservation Bill) সমর্থন করেছেন বহুজন সমাজবাদী পার্টির প্রধান মায়াবতী (Mayawati)। এই বিলটি পাশ করাতে কয়েক দিনের মধ্যে একটি বিশেষ অধিবেশনের প্রস্তুতি নিচ্ছে সংসদ। এই অধিবেশনেই মহিলাদের সংরক্ষণ বিল নিয়ে আলোচনা ও পাস করা হবে। এই প্রেক্ষিতে বহুজন সমাজ পার্টি সুপ্রিমোর ভিন্ন সুরে যারপরনাই খুশি বিজেপির নেতৃত্বাধীন এনডিএ। মায়াবতী বলেন, “এটি অন্তত মহিলাদের প্রাপ্য প্রতিনিধিত্ব দেওয়ার একটি সূচনা।
    সংখ্যাটা হয়তো কম, কিন্তু এটি একটি শুরু, এবং আমরা একে স্বাগত জানাই। ৫০ না হলেও, ৩৩ শতাংশই চলবে।”

    প্রাক্তন মুখ্যমন্ত্রীর বক্তব্য (Mayawati)

    উত্তরপ্রদেশের প্রাক্তন মুখ্যমন্ত্রী বলেন, “আমাদের দল বিএসপি আগে থেকেই মহিলাদের জন্য ৫০ শতাংশ সংরক্ষণের দাবি জানিয়ে আসছে। অন্য কোনও দল এতে রাজি হয়নি, ভবিষ্যতেও সম্মত হবে বলে মনে হয় না। আমরা শ্রদ্ধেয় বিআর আম্বেদকরকেও ধন্যবাদ জানাই, যিনি নারী-পুরুষ নির্বিশেষে সমান ভোটাধিকারের ব্যবস্থা করেছিলেন।” তিনি জানান, ২০২৩ সালে প্রথম পাশ হওয়া আইন বাস্তবায়িত হতে দেরি হলেও তার দল একে স্বাগত জানায় এবং ঐতিহাসিকভাবে বঞ্চিত মহিলাদের জন্য সংরক্ষণের প্রয়োজনীয়তার কথাও তুলে ধরেন। তিনি বলেন, “যদিও দেরি হয়েছে, তবুও আমরা একে স্বাগত জানাই। যদি প্রকৃতপক্ষে শোষিত ও বঞ্চিত মহিলাদের—বিশেষত এসসি, এসটি এবং ওবিসি সম্প্রদায়ের মহিলাদের জন্য আলাদা সংরক্ষণ দেওয়া হয়, তবে তা যথাযথ ও ঐতিহাসিক (Mayawati) হবে।”

    নারী ক্ষমতায়ন নিয়েও আলোচনা

    মহিলাদের ক্ষমতায়ন নিয়ে বক্তব্য রাখতে গিয়ে মায়াবতী বলেন, “মহিলাদের অধিকার নিয়ে অনেক কথা বলা হলেও সুস্পষ্ট নীতি ও দৃঢ় ইচ্ছাশক্তির অভাবে তা বাস্তবায়িত হয়নি। আগামীকাল থেকে সংসদের তিন দিনের অধিবেশন শুরু হচ্ছে। নারী ক্ষমতায়ন নিয়ে অনেক আলোচনা হলেও সঠিক নীতি ও ইচ্ছেশক্তির অভাবে তা যথাযথভাবে এগোয়নি। অন্যান্য (Womens Reservation Bill) বঞ্চিত গোষ্ঠীর মতো মহিলারাও এখনও বিভিন্ন অপরাধ ও হিংসার শিকার হচ্ছেন (Mayawati)।”

    কংগ্রেসকে নিশানা মায়াবতীর

    কংগ্রেসকে নিশানা করে তিনি বলেন, “স্বাধীনতার পর দলটির নীতিতে জাতিভেদ একটি গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা পালন করেছিল এবং এর ফলে মহিলাদের সংরক্ষণ বিলম্বিত হয়েছে।” মায়াবতী বলেন, “তৎকালীন কংগ্রেস সরকার জাতিভেদের কারণে এটি গ্রহণ করেনি এবং পরে ধাপে ধাপে তা পাশ করে। ফলে আম্বেদকরকে দেশের প্রথম আইনমন্ত্রীর পদ থেকে পদত্যাগ করতে হয়। কারণ ওবিসিদের জন্য সংরক্ষণ এবং মহিলাদের নিরাপত্তা ও উন্নতির জন্য যথেষ্ট পদক্ষেপ নেওয়া হয়নি।” প্রসঙ্গত, এর আগে মঙ্গলবার, সরকার ২০২৯ সালের লোকসভা নির্বাচনের আগে মহিলা সংরক্ষণ আইন কার্যকর করার লক্ষ্যে লোকসভার আসন সংখ্যা ৮৫০ করার প্রস্তাব দেয়। এর মধ্যে ৮১৫টি আসন রাজ্যগুলির জন্য এবং ৩৫টি কেন্দ্রশাসিত অঞ্চলের জন্য নির্ধারিত হবে বলে সূত্রের খবর। বর্তমানে লোকসভায় ৫৪৩টি আসন রয়েছে। সরকার ১৬, ১৭ এবং ১৮ এপ্রিল সংসদের বিশেষ অধিবেশনে সংবিধান সংশোধনী বিল আনতে চায়, যাতে ২০২৯ থেকে লোকসভায় ৩৩ শতাংশ মহিলা সংরক্ষণ কার্যকর করা যায় (Mayawati)। প্রস্তাবিত সীমানা পুনর্নির্ধারণের ফলে সব রাজ্যের আসন সংখ্যা বাড়বে। এই বিশেষ অধিবেশনে নারী শক্তি বন্দন অধিনিয়ম, ২০২৩ সংশোধন এবং প্রস্তাবিত (Womens Reservation Bill) ডিলিমিটেশন বিলও নিয়ে আলোচনা হবে।

     

  • Prez Droupadi Murmu: ট্রান্সজেন্ডার পার্সনস অ্যামেন্ডমেন্ট বিল ২০২৬-এ স্বাক্ষর করলেন রাষ্ট্রপতি

    Prez Droupadi Murmu: ট্রান্সজেন্ডার পার্সনস অ্যামেন্ডমেন্ট বিল ২০২৬-এ স্বাক্ষর করলেন রাষ্ট্রপতি

    মাধ্যম নিউজ ডেস্ক: ট্রান্সজেন্ডার পার্সনস অ্যামেন্ডমেন্ট বিল ২০২৬-এ স্বাক্ষর করলেন রাষ্ট্রপতি দ্রৌপদী মুর্মু (Prez Droupadi Murmu)। ৩০ মার্চ রাষ্ট্রপতি স্বাক্ষর করায় বিলটি পরিণত হল আইনে। সোমবার কেন্দ্রীয় আইনমন্ত্রকের তরফে একটি সরকারি গেজেট বিজ্ঞপ্তির মাধ্যমে এই আইন প্রণয়নের বিষয়টি নিশ্চিত করা হয়। গত সপ্তাহেই সংসদে পাস হয় বিলটি। প্রথমে লোকসভায় এবং পরে রাজ্যসভায়ও অনুমোদন পায় বিলটি। বিরোধীদের দাবি ছিল, বিলটি একটি নির্বাচিত কমিটির কাছে পাঠানো হোক। কারণ এতে এমন কিছু ধারা রয়েছে, যা তৃতীয় লিঙ্গের মানুষের মর্যাদা ও অধিকারকে প্রভাবিত করতে পারে। যদিও সরকার সংসদে বিলটি পাস করাতে সক্ষম হয়।

    ট্রান্সজেন্ডার ব্যক্তিদের সংজ্ঞা নির্ধারণ

    এই সংশোধনী আইনে ট্রান্সজেন্ডার ব্যক্তিদের সংজ্ঞা নির্ধারণে বড় ধরনের পরিবর্তনও আনা হয়েছে। ২০১৯ সালের পূর্ববর্তী আইনে ব্যক্তির নিজস্ব অনুভূত লিঙ্গ পরিচয়কে স্বীকৃতি দেওয়া হয়েছিল। এতে ট্রান্স-পুরুষ, ট্রান্স-নারী, জেন্ডার কুইয়ার ব্যক্তি এবং কিন্নর ও হিজড়ের মতো সামাজিক-সাংস্কৃতিক পরিচয় অন্তর্ভুক্ত ছিল। নয়া আইনে এই সংজ্ঞা সংকুচিত করা হয়েছে। এতে অন্তর্ভুক্ত করা হয়েছে স্বীকৃত সামাজিক-সাংস্কৃতিক গোষ্ঠী যেমন কিন্নর, হিজড়ে, আরাবাণি এবং জোগতা সম্প্রদায়কে। এর পাশাপাশি এতে অন্তর্ভুক্ত করা হয়েছে ইন্টারসেক্স বৈচিত্র্য বা জন্মগত জৈবিক পার্থক্যসম্পন্ন ব্যক্তিদের। যারা জোরপূর্বক বিকৃতি বা চাপের মাধ্যমে ট্রান্সজেন্ডার পরিচয় গ্রহণে বাধ্য হন, তাঁদেরও এই আইনের আওতায় আনা হয়েছে (Prez Droupadi Murmu)।

    পরিবর্তনের পক্ষে যুক্তি সরকারের

    একই সঙ্গে, শুধুমাত্র যৌন অভিমুখিতা বা ব্যক্তিগতভাবে অনুভূত লিঙ্গ পরিচয়ের ভিত্তিতে নিজেকে ট্রান্সজেন্ডার হিসেবে চিহ্নিত করা ব্যক্তিদের এই আইনের আওতার বাইরে রাখা হয়েছে। এই পরিবর্তনের পক্ষে যুক্তি দিয়ে সরকারের তরফে বলা হয়েছে, আগের সংজ্ঞাটির পরিসর অত্যন্ত বিস্তৃত ছিল। ফলে প্রকৃতভাবে বৈষম্যের শিকার হওয়া ব্যক্তিদের শনাক্ত করা কঠিন হচ্ছিল। কেন্দ্রীয় সামাজিক ন্যায়বিচার মন্ত্রী বীরেন্দ্র কুমার জানান, এই সংশোধনের উদ্দেশ্য হল সেইসব ব্যক্তিদের কাছে সরকারি সুবিধা পৌঁছে দেওয়া, যারা জৈবিক অবস্থার কারণে সামাজিক বঞ্চনার শিকার হন, এবং একই সঙ্গে ট্রান্সজেন্ডার ব্যক্তিদের আইনি স্বীকৃতি ও সুরক্ষা বজায় রাখা (Transgender Bill 2026)।

    কঠোর শাস্তির বিধান

    তবে এ নিয়ে বিভিন্ন মহলে উদ্বেগেরও সৃষ্টি হয়েছে। প্রায় ১৪০ জন আইনজীবী এবং এএলআইএফএ এবং নজরের মতো নারীবাদী সংগঠন রাষ্ট্রপতির সম্মতির আগে (Prez Droupadi Murmu) তাঁকে চিঠি দিয়েছিল। অনেকেই জানিয়েছেন, ২০১৯ সালের আইনের একটি গুরুত্বপূর্ণ বৈশিষ্ট্য, (নিজস্ব লিঙ্গ পরিচয় নির্ধারণের অধিকার) এখন সীমিত করা হয়েছে। ২০২৬ সালের এই সংশোধনীকে সরকার এমন একটি পদক্ষেপ হিসেবে উপস্থাপন করছে, যা আইনের স্পষ্টতা বাড়াবে এবং কল্যাণমূলক প্রকল্পগুলিকে আরও লক্ষ্যভিত্তিক করবে। এতে পরিচয় নির্ধারণের একটি আরও কাঠামোবদ্ধ প্রক্রিয়া চালু করা হয়েছে এবং নির্দিষ্ট গোষ্ঠীতে সীমাবদ্ধ রেখে অপব্যবহার রোখার চেষ্টা করা হয়েছে। জোরপূর্বক পরিচয় পরিবর্তন এবং শোষণের মতো অপরাধের জন্য কঠোর শাস্তির বিধান রাখা হয়েছে, যাতে গুরুতর সামাজিক (Transgender Bill 2026) বঞ্চনার শিকার হওয়া ব্যক্তিদের সুরক্ষার ওপর বেশি গুরুত্ব দেওয়া হয়েছে (Prez Droupadi Murmu)।

  • PM Modi: পশ্চিম এশিয়ার সঙ্কট নিয়ে সর্বদলীয় বৈঠক ডাকল কেন্দ্র, কারা কারা উপস্থিত থাকবেন?

    PM Modi: পশ্চিম এশিয়ার সঙ্কট নিয়ে সর্বদলীয় বৈঠক ডাকল কেন্দ্র, কারা কারা উপস্থিত থাকবেন?

    মাধ্যম নিউজ ডেস্ক: পশ্চিম এশিয়ার সঙ্কট (West Asia Conflict) নিয়ে সর্বদলীয় বৈঠক ডাকল কেন্দ্র। বুধবার বৈঠক হবে বিকেল ৫টায়। এই বৈঠকে সভাপতিত্ব করতে পারেন প্রতিরক্ষামন্ত্রী রাজনাথ সিং। উপস্থিত থাকতে পারেন বিদেশমন্ত্রী এস জয়শঙ্করও।

    সর্বদলীয় বৈঠকের ডাক কেন্দ্রের (PM Modi)

    পশ্চিম এশিয়ায় ক্রমবর্ধমান উত্তেজনার প্রেক্ষিতে এই বৈঠক (PM Modi) অনুষ্ঠিত হচ্ছে। যার প্রত্যক্ষ প্রভাব পড়েছে গুরুত্বপূর্ণ সামুদ্রিক বাণিজ্যপথের ওপর। উপসাগরীয় দেশগুলিতে বসবাসকারী ভারতীয় নাগরিকদের নিরাপত্তা নিয়েও উদ্বেগ বেড়েছে। মঙ্গলবারই প্রতিরক্ষামন্ত্রী মধ্যপ্রাচ্যের পরিস্থিতি নিয়ে আয়োজিত একটি বৈঠকে সভাপতিত্ব করেন। সেই বৈঠকে উপস্থিত ছিলেন চিফ অফ ডিফেন্স স্টাফ (CDS) জেনারেল অনিল চৌহান, তিন বাহিনীর প্রধান, ডিআরডিওর চেয়ারম্যান সমীর কামাত-সহ অন্যরা। রবিবার প্রধানমন্ত্রী নরেন্দ্র মোদি মন্ত্রিসভার নিরাপত্তা কমিটির (CCS) বৈঠকে পশ্চিম এশিয়ায় চলা সংঘাতের পরিস্থিতি এবং তার মোকাবিলায় নেওয়া প্রস্তাবিত পদক্ষেপগুলি পর্যালোচনা করেন। তিনি পরিস্থিতি মোকাবিলার জন্য মন্ত্রী ও সচিবদের একটি বিশেষ দল গঠনের নির্দেশও দেন।

    প্রধানমন্ত্রীর বক্তব্য

    পশ্চিম এশিয়ার পরিস্থিতি নিয়ে প্রধানমন্ত্রীর সংসদীয় ভাষণের পর আয়োজিত হচ্ছে এই সর্বদলীয় বৈঠক। মঙ্গলবার রাজ্যসভায় বক্তব্য রাখতে গিয়ে তিনি বলেন, “জ্বালানি, সরবরাহ ব্যবস্থা, সার-সহ বিভিন্ন ক্ষেত্রে কৌশল তৈরির জন্য সরকার সাতটি ক্ষমতাপ্রাপ্ত গোষ্ঠী গঠন করেছে, যাতে ইরান-ইজরায়েল-আমেরিকা সংঘাতের প্রভাব কমানো যায়।” সোমবার লোকসভায় তিনি বলেন, “পশ্চিম এশিয়ার সংঘাতজনিত কঠিন বৈশ্বিক পরিস্থিতি দীর্ঘস্থায়ী হতে পারে। এজন্য দেশকে ঐক্যবদ্ধ ও প্রস্তুত থাকতে হবে, যেমনটি কোভিড-১৯ অতিমারির সময় ছিল। পশ্চিম এশিয়ার এই সংঘাত এখন চতুর্থ সপ্তাহে প্রবেশ করেছে, ব্যাহত হয়েছে হরমুজ প্রণালী দিয়ে চলাচলকারী তেলবাহী জাহাজের অনায়াস যাতায়াত। ২৮ ফেব্রুয়ারি মার্কিন যুক্তরাষ্ট্র ও ইজরায়েলের যৌথ সামরিক হামলায় ইরানের সর্বোচ্চ নেতা আয়াতোল্লাহ আলি খামেনেই নিহত হওয়ার পর উত্তেজনা আরও বেড়েছে (PM Modi)।

    বৈঠকে থাকছেন না রাহুল

    এর প্রতিক্রিয়ায় ইরান উপসাগরীয় বিভিন্ন দেশে ইজরায়েল ও মার্কিন যুক্তরাষ্ট্রের সম্পদকে লক্ষ্য করে হামলা চালায়। যার ফলে সামুদ্রিক পথে জাহাজ চলাচল আরও বিঘ্নিত হয়। এর ভয়ঙ্কর প্রভাব পড়ে আন্তর্জাতিক জ্বালানি বাজার ও বৈশ্বিক অর্থনৈতিক স্থিতিশীলতার ওপর (West Asia Conflict)। এদিনের সর্বদলীয় বৈঠকে হাজির থাকবেন না লোকসভার বিরোধী দলনেতা রাহুল গান্ধী। তিনি জানান, কেরালায় একটি নির্ধারিত কর্মসূচিতে অংশ নেওয়ার কারণে এই সর্বদলীয় বৈঠকে উপস্থিত থাকতে পারবেন না। প্রসঙ্গত, এর আগে কংগ্রেস প্রধানমন্ত্রীকে আক্রমণ করে বলেছিল, “সঙ্কট নিয়ে তাঁর বক্তব্য ছিল নিজের প্রশংসায় ভরা আগেভাগেই তৈরি করে দেওয়া একটি লেখা”। প্রধানমন্ত্রী তাঁর বক্তব্যে বলেন, “পশ্চিম এশিয়া ভারতের জন্য গুরুত্বপূর্ণ, কারণ প্রায় এক কোটি ভারতীয় সেখানে বসবাস ও কাজ করেন। তাছাড়া এই অঞ্চলের সমুদ্রপথে চলাচলকারী বাণিজ্যিক জাহাজে বিপুল সংখ্যক ভারতীয় নাবিকও কাজ করেন (PM Modi)।”

    ঐক্যবদ্ধ ও সর্বসম্মত বার্তা দিতেই বৈঠক

    তিনি এও বলেন, “এই বিভিন্ন কারণেই ভারতের উদ্বেগ স্বাভাবিকভাবেই বেশি। তাই এই সঙ্কট নিয়ে ভারতের সংসদ থেকে একটি ঐক্যবদ্ধ ও সর্বসম্মত বার্তা বিশ্বে পৌঁছনো অত্যন্ত জরুরি।” ২৪ মার্চ প্রধানমন্ত্রী জানিয়েছিলেন, তিনি প্রেসিডেন্ট ট্রাম্পের সঙ্গে ফোনে কথা বলেছেন। পশ্চিম এশিয়ার পরিস্থিতি নিয়ে ফলপ্রসূ মতবিনিময়ও হয়েছে তাঁদের মধ্যে। তিনি বলেন, “ভারত দ্রুত উত্তেজনা প্রশমনের এবং শান্তি পুনঃপ্রতিষ্ঠার পক্ষে। হরমুজ প্রণালী খোলা, নিরাপদ এবং সকলের জন্য সহজলভ্য রাখা (West Asia Conflict) অত্যন্ত গুরুত্বপূর্ণ। শান্তি ও স্থিতিশীলতার প্রচেষ্টায় আমরা যোগাযোগ বজায় রাখার বিষয়ে একমত হয়েছি (PM Modi)।”

  • Donald Trump: মধ্যপ্রাচ্যে সংঘাত তুঙ্গে, মোদির সঙ্গে ফোনে কথা ট্রাম্পের

    Donald Trump: মধ্যপ্রাচ্যে সংঘাত তুঙ্গে, মোদির সঙ্গে ফোনে কথা ট্রাম্পের

    মাধ্যম নিউজ ডেস্ক: মধ্যপ্রাচ্যে তীব্র আকার ধারণ করেছে সংঘাত। এহেন আবহে মার্কিন যুক্তরাষ্ট্রের প্রেসিডেন্ট ডোনাল্ড ট্রাম্প (Donald Trump) কথা বললেন প্রধানমন্ত্রী নরেন্দ্র মোদির (PM Modi) সঙ্গে। উভয় নেতাই হরমুজ প্রণালী খোলা রাখার প্রয়োজনীয়তার ওপর জোর দেন। এক্স হ্যান্ডেলে ভারতে নিযুক্ত মার্কিন রাষ্ট্রদূত সার্জিও গর লিখেছেন, “প্রেসিডেন্ট ডোনাল্ড ট্রাম্প সদ্য প্রধানমন্ত্রী মোদির সঙ্গে কথা বলেছেন।

    কী জানালেন প্রধানমন্ত্রী (Donald Trump)

    এরই কিছুক্ষণ পরে প্রধানমন্ত্রী নরেন্দ্র মোদিও জানান, তিনি মার্কিন প্রেসিডেন্টের সঙ্গে একটি গুরুত্বপূর্ণ ও ফলপ্রসূ মতবিনিময় করেছেন। এক্স-এ করা পোস্টে তিনি লেখেন, “ভারত উত্তেজনা প্রশমন এবং দ্রুত শান্তি পুনঃপ্রতিষ্ঠার পক্ষে। হরমুজ প্রণালী খোলা, নিরাপদ ও সবার জন্য সহজলভ্য রাখা বৈশ্বিক স্থিতিশীলতার জন্য অত্যন্ত গুরুত্বপূর্ণ।” এই ফোনালাপের সময়ই প্রধানমন্ত্রী সংসদে বলেন, “হরমুজ প্রণালীতে কোনও বিঘ্নই মেনে নেওয়া যায় না।” লোকসভায় বক্তব্য রাখতে গিয়ে তিনি বাণিজ্যিক জাহাজে হামলা এবং বৈশ্বিক নৌপথে বিঘ্ন নিয়ে উদ্বেগ প্রকাশ করেন। প্রধানমন্ত্রী বলেন, “বাণিজ্যিক জাহাজে হামলা এবং (PM Modi) হরমুজ প্রণালীর মতো আন্তর্জাতিক জলপথে বিঘ্ন মেনে নেওয়া যায় না। এই যুদ্ধ পরিস্থিতির মধ্যেও ভারত কূটনৈতিক উপায়ে ভারতীয় জাহাজগুলির নিরাপদ চলাচল নিশ্চিত করতে অবিরাম চেষ্টা চালিয়ে যাচ্ছে।” বিশ্বের বিপুল পরিমাণ তেল পরিবহণে ব্যবহৃত হয় হরমুজ প্রণালী। তাই এটি বৈশ্বিক জ্বালানি স্থিতিশীলতার জন্য অত্যন্ত গুরুত্বপূর্ণ। এই পথে সাম্প্রতিক বিঘ্ন বিশ্বব্যাপী জ্বালানি সঙ্কটের সৃষ্টি করেছে (Donald Trump)। মঙ্গলবার রাজ্যসভায় বক্তব্য রাখতে গিয়ে প্রধানমন্ত্রী সতর্ক করে দিয়ে বলেন, “এই সঙ্কট বিশ্ব অর্থনীতিকে নড়িয়ে দিয়েছে। স্বাভাবিক অবস্থায় ফিরতে অনেক সময় লাগতে পারে।”

    দ্রুত পরিবর্তনশীল পরিস্থিতির ওপর নজর

    তিনি বলেন, “এই যুদ্ধ বিশ্বজুড়ে জ্বালানি সঙ্কট সৃষ্টি করেছে। ভারতের জন্যও এই পরিস্থিতি উদ্বেগজনক। যুদ্ধ আমাদের বাণিজ্যিক পথগুলিকে প্রভাবিত করেছে। এর ফলে পেট্রোল, ডিজেল, গ্যাস এবং সারের নিয়মিত সরবরাহ ব্যাহত হয়েছে।” তিনি অবশ্য আশ্বাস দেন, সরকার দ্রুত পরিবর্তনশীল পরিস্থিতির ওপর নজর রাখছে এবং এর প্রভাব কমাতে ধারাবাহিক পদক্ষেপ করছে। এই পরিস্থিতিটি এমন একটি সময়ে সামনে এল, যার ঠিক একদিন আগেই মার্কিন প্রেসিডেন্ট ইরানের ওপর হামলা স্থগিত করার কথা ঘোষণা করেন (PM Modi)। তিনি জানান, তাঁর সরকার তেহরানের সঙ্গে গঠনমূলক আলোচনা করেছে এবং যদি হরমুজ প্রণালী ফের চালু না হয়, তবে ইরানের বিদ্যুৎকেন্দ্রে পরিকল্পিত হামলা পাঁচ দিন পিছিয়ে দেওয়া হবে।

    আমেরিকার দাবি খারিজ

    ইরানি আধিকারিকরা মার্কিন যুক্তরাষ্ট্রের এই দাবি প্রত্যাখ্যান করেছেন (Donald Trump)। তাঁদের দাবি, তেহরানের কঠোর সতর্কবার্তার পরেই পিছিয়ে এসেছেন প্রেসিডেন্ট ট্রাম্প। ইরানের সংসদের স্পিকার মোহম্মদ বাঘের গালিবাফ ট্রাম্পের এই দাবিকে ভুয়ো খবর আখ্যা দেন। তিনি বলেন, “এটি আর্থিক ও তেলবাজারে প্রভাব ফেলতে এবং মার্কিন যুক্তরাষ্ট্র ও ইজরায়েলের ব্যর্থতা থেকে দৃষ্টি সরাতে করা হয়েছে।”

    এক্স-এ দেওয়া পোস্টে গালিবাফ বলেন, “মার্কিন যুক্তরাষ্ট্রের সঙ্গে কোনও আলোচনা হয়নি ()। আর্থিক ও তেলবাজারকে প্রভাবিত করতে এবং মার্কিন যুক্তরাষ্ট্র ও ইজরায়েল যে সঙ্কটে পড়েছে, তা থেকে বেরিয়ে আসার চেষ্টা হিসেবেই ছড়ানো হচ্ছে ভুয়ো খবর (Donald Trump)।”

     

  • Nora Fatehi: ‘‘বাক্‌স্বাধীনতা সীমাহীন নয়’’, নোরা ফতেহির ‘সারকে চুনারিয়া’ গান নিষিদ্ধ করল কেন্দ্র

    Nora Fatehi: ‘‘বাক্‌স্বাধীনতা সীমাহীন নয়’’, নোরা ফতেহির ‘সারকে চুনারিয়া’ গান নিষিদ্ধ করল কেন্দ্র

    মাধ্যম নিউজ ডেস্ক: ‘সারকে চুনারিয়া’ (Sarke Chunariya)গানটি নিষিদ্ধ করে দিল কেন্দ্রীয় সরকার। সরকারের বক্তব্য, গানটির (Nora Fatehi) কথা ও দৃশ্য নিয়ে ব্যাপক ক্ষোভ তৈরি হয়েছিল জনমানসে। মঙ্গলবারই বিভিন্ন প্রতিবেদনে জানানো হয়েছিল যে সরকার সেন্ট্রাল বোর্ড অফ ফিল্ম সার্টিফিকেশন (CBFC)-কে গানটির বিরুদ্ধে কঠোর ব্যবস্থা নেওয়ার নির্দেশ দিয়েছে।

    কী জানালেন অশ্বিনী বৈষ্ণব (Nora Fatehi)

    সংসদে বক্তব্য রাখতে গিয়ে তথ্য ও সম্প্রচারমন্ত্রী অশ্বিনী বৈষ্ণব লোকসভায় সমাজবাদী পার্টির এক সাংসদের প্রশ্নের উত্তরে এই সিদ্ধান্তের কথা আনুষ্ঠানিকভাবে ঘোষণা করেন। তিনি জানান, গানটির বিরুদ্ধে ইতিমধ্যেই ব্যবস্থা নেওয়া হয়েছে। মন্ত্রী বলেন, “ভারতে বাক্‌স্বাধীনতা সীমাহীন নয়। সব ধরনের মতপ্রকাশই করতে হবে সংবিধান নির্ধারিত যুক্তিসঙ্গত সীমাবদ্ধতার মধ্যেই। গানটি ইতিমধ্যেই নিষিদ্ধ করা হয়েছে।” তিনি এও বলেন, “সংবিধান প্রণেতারা বাক্‌স্বাধীনতার ওপর যে যুক্তিসঙ্গত সীমাবদ্ধতা আরোপ করেছেন, তা আমাদের মেনে চলা উচিত।”

    ‘বাক্‌স্বাধীনতা সম্পূর্ণ স্বাধীন হতে পারে না’

    সংবিধানের ১৯(২) অনুচ্ছেদের কথাও উল্লেখ করেন মন্ত্রী। এখানে শৃঙ্খলা, শালীনতা ও নৈতিকতার মতো বিষয়ের ক্ষেত্রে মতপ্রকাশের স্বাধীনতার ওপর বিধিনিষেধ আরোপের সুযোগ রয়েছে। তিনি বলেন, “বাক্‌স্বাধীনতা সম্পূর্ণ স্বাধীন হতে পারে না। একে সমাজ ও সংস্কৃতির প্রেক্ষাপটে বিবেচনা করতে হবে। ভবিষ্যতে, বিশেষ করে ডিজিটাল মাধ্যমে দ্রুত ছড়িয়ে পড়া বিষয়গুলির প্রেক্ষিতে, সমাজের সুরক্ষা, শিশুদের সুরক্ষা, নারীদের সুরক্ষা এবং বঞ্চিত গোষ্ঠীর সুরক্ষার জন্য যে কঠোর পদক্ষেপের প্রয়োজন, সরকার তা করতে প্রস্তুত।”

    অশ্লীলতা প্রচারের অভিযোগ

    গানটি রিলিজ হওয়ার পরপরই বিতর্ক শুরু হয়। অভিযোগ, গানটিতে অশ্লীলতা প্রচার করা হয়েছে, মহিলাদের আপত্তিকরভাবে তুলে ধরা হয়েছে। তার জেরে ব্যাপক প্রতিক্রিয়ার সৃষ্টি হয়েছে (Nora Fatehi)। এর পরেই গানটির নির্মাতাদের বিরুদ্ধে কঠোর ব্যবস্থা নেওয়ার দাবি ওঠে। দায়ের করা হয় এফআইআর-ও। গানটি সরিয়ে নেওয়ার দাবিতে অভিযোগও জমা পড়ে, যা নিয়ে সংসদেও ব্যাপক বিতর্কের সৃষ্টি হয়। গানটির সমালোচকদের মধ্যে রয়েছেন হরিয়ানা ও কর্নাটকের মহিলা কমিশন, অভিনেতা-রাজনীতিবিদ রবি কিষান এবং কঙ্গনা রানাউত এবং গায়ক আরমান মালিকও। তাঁরা সবাই গানের কথাকে আপত্তিকর বলে উল্লেখ করেন। গানটির বিষয়বস্তুও অশালীন এবং অপ্রাপ্তবয়স্কদের জন্য ক্ষতিকর হতে পারে, এই অভিযোগে সেন্ট্রাল বোর্ড অফ ফিল্ম সার্টিফিকেশনের কাছে একটি আইনি আবেদনও (Sarke Chunariya) জমা দেওয়া হয়। তাতে গানটির ওপর দ্রুত নিষেধাজ্ঞা জারি এবং অপসারণের দাবিও জানানো হয় (Nora Fatehi)।

  • Lok Sabha: লোকসভায় স্পিকারের বিরুদ্ধে বিরোধীদের আনা অনাস্থা প্রস্তাব খারিজ, মুখ পুড়ল বিরোধীদের

    Lok Sabha: লোকসভায় স্পিকারের বিরুদ্ধে বিরোধীদের আনা অনাস্থা প্রস্তাব খারিজ, মুখ পুড়ল বিরোধীদের

    মাধ্যম নিউজ ডেস্ক: লোকসভার (Lok Sabha) স্পিকার ওম বিড়লার (Om Birla) বিরুদ্ধে বিরোধী দলগুলোর আনা অনাস্থা প্রস্তাবটি ভোটাভুটিতে পরাজিত হয়েছে। দীর্ঘ বিতর্ক এবং রাজনৈতিক উত্তাপের পর শাসক দল ধ্বনিভোটের মাধ্যমে এই প্রস্তাবটি খারিজ করতে সক্ষম হয়। বিজেপির দাবি বিরোধিরা কাজ করার জন্য সংসদে আসেন না। রাজনীতি আর সংসদের ভাবমূর্তি খারাপ করতেই সংসদে আসছেন।

    প্রস্তাব পেশ (Lok Sabha)

    লোকসভার (Lok Sabha) বিরোধী দলগুলো স্পিকারের (Om Birla) নিরপেক্ষতা নিয়ে প্রশ্ন তুলে এই অনাস্থা প্রস্তাব এনেছিল। তাদের অভিযোগ ছিল যে, সংসদীয় কার্যপ্রক্রিয়ায় বিরোধীদের পর্যাপ্ত সময় দেওয়া হচ্ছে না এবং কণ্ঠরোধ করার চেষ্টা করা হচ্ছে। কেন্দ্রীয় স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী অমিত শাহ বলেছেন, “স্যার, ওরা আচরণের কথা বলছে। যখন তাদের সর্বোচ্চ নেতা নিজেই চোখ টিপে, গিয়ে প্রধানমন্ত্রীকে জড়িয়ে ধরে, আর উড়ন্ত চুম্বন দেন, স্যার, তখন বোঝা যায় তিনি উস্কানি দিচ্ছেন।”

    রাজনৈতিক ফায়দা তুলতেই পদক্ষেপ

    সরকারের পক্ষ থেকে স্পিকার ওম বিড়লার (Om Birla) বিরুদ্ধে অনাস্থা প্রস্তাবের অভিযোগগুলো ভিত্তিহীন বলে উড়িয়ে দেওয়া হয়েছে। শাসক দলের দাবি, স্পিকার অত্যন্ত নিরপেক্ষভাবে এবং সংসদীয় নিয়ম মেনেই সভা (Lok Sabha) পরিচালনা করছেন। বিরোধীরা কেবল রাজনৈতিক ফায়দা তুলতেই এই ধরনের পদক্ষেপ নিয়েছে। এদিন সংসদে বিরোধীদের ২৩৮ জন সাংসদ উপস্থিত ছিলেন। যার মধ্যে ৯৯ জন কংগ্রেসের এবং বাকিরা সমাজবাদী পার্টি, ডিএমকে, তৃণমূল কংগ্রেস এবং অন্যান্যরা।পাশাপাশি সরকারের পক্ষে ২৯৩ জন সাংসদের উপস্থিতি ছিল। সেখানে ছিলেন বিজেপির ২৪০ জন, জেডিইউর ১৬ জন, টিডিপির ১২ জন এবং অন্যান্য এনডিএ দলের সাংসদরা।

    বিতর্কের শেষে যখন প্রস্তাবটি ভোটের জন্য তোলা হয়, তখন সরকারি পক্ষের সংখ্যাগরিষ্ঠতার কারণে তা অনায়াসেই বাতিল হয়ে যায়। স্পিকারের প্রতি সংসদের আস্থা অটুট রয়েছে বলে জানিয়ে দেওয়া হয় সংসদে।

    সংসদে নৈতিক জয়

    সংসদে (Lok Sabha) এই জয়কে সরকার পক্ষ তাদের নৈতিক জয় হিসেবে দেখছে। অন্যদিকে, বিরোধীরা জানিয়েছে যে সংখ্যাতত্ত্বে হারলেও তারা স্পিকারের কার্যপদ্ধতি নিয়ে তাদের আপত্তির কথা দেশবাসীর সামনে তুলে ধরতে পেরেছে। সংসদীয় গণতন্ত্রে স্পিকার পদের মর্যাদা অত্যন্ত গুরুত্বপূর্ণ। এই অনাস্থা প্রস্তাব খারিজ হওয়ার ফলে বর্তমান স্পিকার তাঁর দায়িত্ব পালন জারি রাখবেন। তবে এই ঘটনাটি শাসক ও বিরোধী শিবিরের মধ্যে বিদ্যমান তিক্ততাকে আরও একবার প্রকাশ্যে নিয়ে এল।

    ঘটনা কি ঘটেছিল?

    বিরোধীরা লোকসভায় (Lok Sabha) স্পিকারের বিরুদ্ধে অনাস্থা প্রস্তাবের নোটিশে তাঁর বিরুদ্ধে পক্ষপাতিত্বের অভিযোগ এনেছিল। অবাধ্য আচরণের জন্য বিরোধী সাংসদদের বরখাস্ত করার পর তিক্ততা চরমে পৌঁছেছিল। বাজেট অধিবেশনের সময় স্পিকার বিরোধী দলনেতা রাহুল গান্ধিকে প্রাক্তন সেনাপ্রধান জেনারেল এমএম নারাভানে এবং অন্যান্য বিরোধী নেতাদের লেখা একটি অপ্রকাশিত বই থেকে কিছু অংশ পড়তে দেননি। সেই সঙ্গে আটজন বিরোধী সাংসদকে পুরো বাজেট অধিবেশনের জন্য বরখাস্ত করা করেন। এরপর থেকেই বিরোধীরা শোরগল করতে শুরু করে এবং অনাস্থা প্রস্তাব নিয়ে আসে।

  • PM Modi: এআই সম্মেলনে কংগ্রেসের ‘শার্টবিহীন’ প্রতিবাদের কড়া সমালোচনা প্রধানমন্ত্রীর

    PM Modi: এআই সম্মেলনে কংগ্রেসের ‘শার্টবিহীন’ প্রতিবাদের কড়া সমালোচনা প্রধানমন্ত্রীর

    মাধ্যম নিউজ ডেস্ক: দিল্লিতে সদ্য সমাপ্ত এআই সম্মেলনে কংগ্রেসের ‘শার্টবিহীন’ প্রতিবাদের কড়া সমালোচনা করলেন প্রধানমন্ত্রী নরেন্দ্র মোদি (PM Modi)। রবিবার তিনি একে দেশের সম্মানহানি ঘটানো লজ্জাজনক প্রদর্শন বলে অভিহিত করেন। সংবাদমাধ্যমকে সঠিকভাবে প্রতিবেদন (AI Summit) করার আহ্বানও জানান তিনি। প্রধানমন্ত্রী এআই সম্মেলনে তাঁর বিরুদ্ধে এবং ভারত–মার্কিন অন্তর্বর্তী বাণিজ্য চুক্তির বিরোধিতায় যুব কংগ্রেসের প্রতিবাদের নিন্দে করেন।

    কংগ্রেস পার্টির সঙ্গেই যুক্ত (PM Modi)

    মীরাটে এক সমাবেশে বক্তব্য রাখতে গিয়ে প্রধানমন্ত্রী বলেন, “দেখুন কী দুর্ভাগ্য। এত পুরানো একটি দলের নেতারা লজ্জা পাওয়ার বদলে, যারা দেশের অসম্মান করছে তাদের নির্লজ্জভাবে সমর্থন করছেন। এই বিষয়টি কংগ্রেস পার্টির সঙ্গেই যুক্ত।” প্রধানমন্ত্রী সরাসরি সংবাদমাধ্যমকে নিরপেক্ষভাবে প্রতিবেদন করার আহ্বান জানান। তিনি বলেন, “আমি সব সময় প্রার্থনা করি ঈশ্বর যেন আমাকে সংবাদমাধ্যমকে সবরকমভাবে সহ্য করার শক্তি দেন। কিন্তু আজ আমি সংবাদমাধ্যমকে অনুরোধ করছি— যখন আমরা এ ধরনের কাজের সমালোচনা করি, তখন দয়া করে এমন শিরোনাম করবেন না যে মোদি বিরোধীদের পরাজিত করেছেন। কংগ্রেসকে বাঁচানোর এই কৌশল বন্ধ করুন।”

    কংগ্রেসের পাপ রক্ষার কাজ

    নির্বাচিত প্রতিবেদন এবং কংগ্রেসের পাপ রক্ষার কাজ হচ্ছে বলে অভিযোগ করে প্রধানমন্ত্রী বলেন, “এই বিরোধীরা বিরোধী সেজে কংগ্রেসকে রক্ষা করছে। পাপ করে কংগ্রেস, ফল ভোগ করতে হয় তাদেরই। কিন্তু মিডিয়া ‘কংগ্রেস’ শব্দটি দেখে না, শুধু ‘বিরোধী’ শব্দটি দেখে। কেন? কেন কংগ্রেসকে রক্ষা করছেন (PM Modi)?” তিনি জানান, অন্য বিরোধী দলগুলি এই ঘটনায় অংশ নেয়নি। প্রধানমন্ত্রী বলেন, “তৃণমূল কংগ্রেসের কেউ কি এই পাপ করেছে? না (AI Summit)। ডিএমকে সদস্যরা? বিএসপি সদস্যরা? ফারুক আবদুল্লার দল? না। শুধু এবং শুধু ‘সিরফিরা’ (উন্মাদ) ও ‘বেলাগাম’ (বেপরোয়া) কংগ্রেস নেতারাই দেশ ধ্বংসে উঠেপড়ে লেগেছে।”

    বিরোধী সহকর্মীদের ধন্যবাদ

    প্রধানমন্ত্রী কংগ্রেসকে দেশের ওপর বোঝা বলে উল্লেখ করেন এবং প্রতিবাদটির নিন্দে করার জন্য অন্যান্য বিরোধী সহযোগীদের প্রশংসা করেন। তিনি বলেন, “আমি প্রকাশ্যে এই বিরোধী সহকর্মীদের ধন্যবাদ জানাই, যাঁরা সত্য ও দেশের মর্যাদার পক্ষে দাঁড়িয়েছেন।” তিনি বলেন, “প্রধানমন্ত্রীর আসনে বসতে হলে মানুষের হৃদয় জয় করতে হয়, মহিলা সাংসদদের পাঠিয়ে প্রধানমন্ত্রীকে আক্রমণ করানো নয় (PM Modi)। বাজেট অধিবেশনের সময় লোকসভায় কেন্দ্রের বিরুদ্ধে প্রতিবাদের মধ্যে কংগ্রেস মহিলা সাংসদদের তাঁর আসন ও ট্রেজারি বেঞ্চের কাছে পাঠিয়েছিল বলে অভিযোগ করেন তিনি। তাঁর দাবি, দলটি গঠনমূলক ভূমিকা নেওয়ার বদলে কার্যক্রমে বাধা সৃষ্টি করে (AI Summit)।

    কংগ্রেসের মিত্রদেরই সবচেয়ে বেশি ক্ষতি হচ্ছে

    তিনি বলেন, “তাঁরা নিজেরাই সংসদে কার্যকর হতে পারেন না, তাই সহকর্মীদেরও কথা বলার সুযোগ দেন না। তাঁরা সংসদ চলতে দেয় না। এতে কংগ্রেসের মিত্রদেরই সবচেয়ে বেশি ক্ষতি হচ্ছে, এবং তারা তা বুঝেছে। দিল্লিতে তারা যে নগ্নতা প্রদর্শন করেছে, তাতে তাদের সব মিত্র স্তম্ভিত হয়ে দূরত্ব বজায় রেখেছে।” এর আগে আজ প্রধানমন্ত্রী মোদি শতাব্দী নগর নমো ভারত স্টেশনে মিরাট মেট্রো ও নমো ভারত ট্রেনের উদ্বোধন করেন। উত্তরপ্রদেশের মুখ্যমন্ত্রী যোগী আদিত্যনাথ, উত্তরপ্রদেশ বিজেপি সভাপতি ও কেন্দ্রীয় মন্ত্রী পঙ্কজ চৌধুরী-সহ অন্য আধিকারিকরা তাঁর সঙ্গে উপস্থিত ছিলেন (PM Modi)। প্রধানমন্ত্রী মিরাটে প্রায় ১২,৯৩০ কোটি টাকার বিভিন্ন উন্নয়ন প্রকল্পের উদ্বোধন করেন এবং সেগুলি জাতির উদ্দেশে উৎসর্গ করেন (AI Summit)।

     

  • BJP: “ভারত-বিরোধী শক্তির সঙ্গে যুক্ত”! রাহুলের সাংসদ পদ খারিজের দাবি বিজেপির নিশিকান্ত দুবের

    BJP: “ভারত-বিরোধী শক্তির সঙ্গে যুক্ত”! রাহুলের সাংসদ পদ খারিজের দাবি বিজেপির নিশিকান্ত দুবের

    মাধ্যম নিউজ ডেস্ক: লোকসভায় বিরোধী দলনেতা রাহুল গান্ধীর (Rahul Gandhi) বিরুদ্ধে সাবস্ট্যান্টিভ মোশন (Substantive Motion) জমা দিয়েছেন বিজেপি সাংসদ নিশিকান্ত দুবে। বৃহস্পতিবার এ কথা জানান তিনি। এতে তিনি রাহুলের সাংসদ পদ বাতিল করার এবং তাঁকে আজীবনের জন্য নির্বাচনে প্রতিদ্বন্দ্বিতা থেকে বিরত রাখার দাবি জানিয়েছেন। বুধবার (BJP) কেন্দ্রীয় সরকারকে আক্রমণ শানিয়েছিলেন রাহুল। তার পরেই বিজেপি সাংসদের এই পদক্ষেপ। তিনি ভারত-আমেরিকা অন্তর্বর্তীকালীন বাণিজ্য চুক্তি নিয়ে প্রধানমন্ত্রী নরেন্দ্র মোদির বিরুদ্ধে “দেশ বিক্রি করে দেওয়ার” অভিযোগ করেন। রাহুলের দাবি, এই চুক্তি কৃষকদের স্বার্থ ক্ষুণ্ন করে, বস্ত্র শিল্পকে ক্ষতিগ্রস্ত করে এবং মার্কিন যুক্তরাষ্ট্রকে সুবিধা দিয়ে ভারতের জ্বালানি নিরাপত্তার সঙ্গে আপস করে।

    কিরেন রিজিজুর বক্তব্য (BJP)

    এর আগে কেন্দ্রীয় সংসদীয় বিষয়ক মন্ত্রী কিরেন রিজিজু মন্তব্য করেছিলেন যে সরকার রাহুল গান্ধীর বিরুদ্ধে সংসদকে বিভ্রান্ত করার অভিযোগে একটি প্রিভিলেজ মোশন (Privilege Motion) আনবে। যদিও দুবে জানান, এই ধরনের কোনও প্রিভিলেজ মোশন দাখিল করা হয়নি। তিনি বলেন, “এটি কোনও প্রিভিলেজ মোশন নয়। আমি একটি সাবস্ট্যান্টিভ মোশন জমা দিয়েছি, যেখানে উল্লেখ করেছি যে তিনি নাকি সোরোস ফাউন্ডেশন, ফোর্ড ফাউন্ডেশন, ইউএসএইডের সঙ্গে যুক্ত এবং তাইল্যান্ড, কম্বোডিয়া, ভিয়েতনাম ও আমেরিকা সফর করেছেন। তিনি ভারত-বিরোধী শক্তির সঙ্গে যুক্ত।”

    দুবের বক্তব্য

    দুবে বলেন, “এটি সর্বজনবিদিত যে আমাদের দেশের কোনও নাগরিক বা জনপ্রতিনিধি কিংবা উচ্চপদস্থ কর্তা এমন কিছু করেন না যা আমাদের সশস্ত্র বাহিনীর মর্যাদা ক্ষুণ্ন করে। দলীয় ভেদাভেদ নির্বিশেষে সাংসদদের মধ্যে একটি নীরব সমঝোতা রয়েছে যে সাময়িক রাজনৈতিক লাভের জন্য সশস্ত্র বাহিনী বা তার আধিকারিকদের টেনে আনা হবে না। কিন্তু রাহুল গান্ধীর ক্ষেত্রে এই নৈতিক মানদণ্ড প্রযোজ্য নয়। ১১ ফেব্রুয়ারি, ২০২৬ তারিখে লোকসভায় তাঁর ভাষণে স্পষ্ট, যেখানে তিনি কৌশলে প্রাক্তন সেনাপ্রধান জেনারেল মনোজ মুকুন্দ নারাভানের নাম নিয়েছেন (Rahul Gandhi)।” দুবে বলেন, “সময়ের দাবি হল জরুরি ও কাঠামোবদ্ধ তদন্ত পরিচালনা করা, যাতে একজন সাংসদ ও বিরোধী দলনেতা হিসেবে তাঁর কথিত অনৈতিক আচরণ পরীক্ষা করা যায় এবং তাঁকে অবিলম্বে লোকসভা থেকে বহিষ্কার করা যায় (BJP)।”

    রাহুলের সদস্যপদ বাতিলের দাবি

    তিনি রাহুলের সদস্যপদ বাতিল ও স্থায়ীভাবে নির্বাচনে প্রতিদ্বন্দ্বিতা নিষিদ্ধ করার দাবি জানান। তবে সংবিধান বিশেষজ্ঞ ও লোকসভার প্রাক্তন মহাসচিব পিডিটি আচার্য দুবের পদক্ষেপের প্রক্রিয়াগত বৈধতা নিয়ে প্রশ্ন তোলেন। তিনি বলেন, “দুবে কোন নির্দিষ্ট নিয়মের অধীনে মোশন জমা দিয়েছেন তা উল্লেখ করেননি (Rahul Gandhi)।” আচার্য বলেন, “সব মোশনই সাবস্ট্যান্টিভ। তিনি কোন নিয়ম উদ্ধৃত করছেন? নির্দিষ্ট নিয়ম অনুযায়ী মোশন জমা দিতে হয়। যদি কেউ সংসদের অবমাননা করে, তাহলে অবমাননার নোটিশ দেওয়া যেতে পারে। তা প্রিভিলেজেস কমিটি পরীক্ষা করবে এবং রিপোর্ট বা সুপারিশ করবে। এরপর হাউস ব্যবস্থা নেবে, এটাই প্রক্রিয়া। এর বাইরে অন্য কোনও পথ নেই (BJP)।” তিনি আরও বলেন, “সংসদের কোনও সদস্যকে বহিষ্কার করার ক্ষমতা হাউসের থাকলেও অযোগ্য ঘোষণা করার ক্ষমতা নেই। অযোগ্য ঘোষণা কেবলমাত্র দলত্যাগ বিরোধী আইন (Anti-Defection Law) এবং জন প্রতিনিধিত্ব আইন (Representation of the People’s Act) অনুযায়ী হতে পারে।”

    কংগ্রেসের বক্তব্য

    এদিকে, কংগ্রেসের সাধারণ সম্পাদক কেসি বেণুগোপাল বলেন, “দল এসব পদক্ষেপে বিচলিত নয়। আমরা কোনও মোশন নিয়ে উদ্বিগ্ন নই। আমাদের ফাঁসি দিতে চাইলে তাতেও প্রস্তুত আছি।” তাঁর অভিযোগ, লোকসভায় রাহুলের কিছু বক্তব্য বুধবার রেকর্ড থেকে বাদ দেওয়া হয়েছে। লোকসভার স্পিকারকে অপসারণের নোটিশ দেওয়ার বিষয়ে প্রশ্ন করা হলে বেণুগোপাল বলেন, “আমরা চেয়ার থেকে ন্যায়বিচার পাচ্ছি না (BJP)।” রাহুলের বক্তব্যের বিরুদ্ধে শাসক দলের পদক্ষেপ সম্পর্কে তিনি প্রশ্ন তোলেন, “রাহুল গান্ধী কোন বিশেষাধিকার ভঙ্গ করেছেন? আগেও তাঁর সদস্যপদ বাতিল করা হয়েছিল। তারপর জনগণ আরও বেশি ভোট দিয়ে তাঁকে জয়ী করেছেন।” তিনি বলেন, “আমরা সত্য বলা বন্ধ করব না (Rahul Gandhi)।” রাহুলের বক্তব্য রেকর্ড থেকে বাদ দেওয়া প্রসঙ্গে তিনি বলেন, “সরকার চেয়ারের ওপর চাপ সৃষ্টি করছে যাতে বিরোধী সদস্যরা কথা বলার সুযোগ না পান।” তিনি বলেন, “রাহুলজি যা বলেছেন, তা সম্পূর্ণভাবে রেকর্ড থেকে বাদ দেওয়া হয়েছে। কিন্তু নির্মলা সীতারামনের অনুরূপ মন্তব্য রেকর্ডে রাখা হয়েছে। সরকারের দ্বৈত মানদণ্ড রয়েছে। এই সংসদ চালাচ্ছে সরকার, তবে বিরোধীদের জন্য নয় (BJP)।”

    রিজিজুর বক্তব্য

    মন্ত্রী রিজিজু বলেন, “আমি রাহুল গান্ধীকে কোনও পাঠ শেখাতে পারি না। তিনি কোন জগতে বাস করেন, তা আমি বুঝতে পারি না।
    কোন আদর্শ তাঁর কাজকর্ম পরিচালিত করে? কংগ্রেসের প্রবীণ নেতাদের উচিত তাঁকে বোঝানো যে সংসদ এভাবে চলতে পারে না। এখানে শিশুদের মতো আচরণ করবেন না। আমাদের দেশ বিশাল, এবং নিরাপত্তা একটি গুরুত্বপূর্ণ বিষয় (BJP)।”

     

LinkedIn
Share