Tag: lok sabha

lok sabha

  • Prez Droupadi Murmu: ট্রান্সজেন্ডার পার্সনস অ্যামেন্ডমেন্ট বিল ২০২৬-এ স্বাক্ষর করলেন রাষ্ট্রপতি

    Prez Droupadi Murmu: ট্রান্সজেন্ডার পার্সনস অ্যামেন্ডমেন্ট বিল ২০২৬-এ স্বাক্ষর করলেন রাষ্ট্রপতি

    মাধ্যম নিউজ ডেস্ক: ট্রান্সজেন্ডার পার্সনস অ্যামেন্ডমেন্ট বিল ২০২৬-এ স্বাক্ষর করলেন রাষ্ট্রপতি দ্রৌপদী মুর্মু (Prez Droupadi Murmu)। ৩০ মার্চ রাষ্ট্রপতি স্বাক্ষর করায় বিলটি পরিণত হল আইনে। সোমবার কেন্দ্রীয় আইনমন্ত্রকের তরফে একটি সরকারি গেজেট বিজ্ঞপ্তির মাধ্যমে এই আইন প্রণয়নের বিষয়টি নিশ্চিত করা হয়। গত সপ্তাহেই সংসদে পাস হয় বিলটি। প্রথমে লোকসভায় এবং পরে রাজ্যসভায়ও অনুমোদন পায় বিলটি। বিরোধীদের দাবি ছিল, বিলটি একটি নির্বাচিত কমিটির কাছে পাঠানো হোক। কারণ এতে এমন কিছু ধারা রয়েছে, যা তৃতীয় লিঙ্গের মানুষের মর্যাদা ও অধিকারকে প্রভাবিত করতে পারে। যদিও সরকার সংসদে বিলটি পাস করাতে সক্ষম হয়।

    ট্রান্সজেন্ডার ব্যক্তিদের সংজ্ঞা নির্ধারণ

    এই সংশোধনী আইনে ট্রান্সজেন্ডার ব্যক্তিদের সংজ্ঞা নির্ধারণে বড় ধরনের পরিবর্তনও আনা হয়েছে। ২০১৯ সালের পূর্ববর্তী আইনে ব্যক্তির নিজস্ব অনুভূত লিঙ্গ পরিচয়কে স্বীকৃতি দেওয়া হয়েছিল। এতে ট্রান্স-পুরুষ, ট্রান্স-নারী, জেন্ডার কুইয়ার ব্যক্তি এবং কিন্নর ও হিজড়ের মতো সামাজিক-সাংস্কৃতিক পরিচয় অন্তর্ভুক্ত ছিল। নয়া আইনে এই সংজ্ঞা সংকুচিত করা হয়েছে। এতে অন্তর্ভুক্ত করা হয়েছে স্বীকৃত সামাজিক-সাংস্কৃতিক গোষ্ঠী যেমন কিন্নর, হিজড়ে, আরাবাণি এবং জোগতা সম্প্রদায়কে। এর পাশাপাশি এতে অন্তর্ভুক্ত করা হয়েছে ইন্টারসেক্স বৈচিত্র্য বা জন্মগত জৈবিক পার্থক্যসম্পন্ন ব্যক্তিদের। যারা জোরপূর্বক বিকৃতি বা চাপের মাধ্যমে ট্রান্সজেন্ডার পরিচয় গ্রহণে বাধ্য হন, তাঁদেরও এই আইনের আওতায় আনা হয়েছে (Prez Droupadi Murmu)।

    পরিবর্তনের পক্ষে যুক্তি সরকারের

    একই সঙ্গে, শুধুমাত্র যৌন অভিমুখিতা বা ব্যক্তিগতভাবে অনুভূত লিঙ্গ পরিচয়ের ভিত্তিতে নিজেকে ট্রান্সজেন্ডার হিসেবে চিহ্নিত করা ব্যক্তিদের এই আইনের আওতার বাইরে রাখা হয়েছে। এই পরিবর্তনের পক্ষে যুক্তি দিয়ে সরকারের তরফে বলা হয়েছে, আগের সংজ্ঞাটির পরিসর অত্যন্ত বিস্তৃত ছিল। ফলে প্রকৃতভাবে বৈষম্যের শিকার হওয়া ব্যক্তিদের শনাক্ত করা কঠিন হচ্ছিল। কেন্দ্রীয় সামাজিক ন্যায়বিচার মন্ত্রী বীরেন্দ্র কুমার জানান, এই সংশোধনের উদ্দেশ্য হল সেইসব ব্যক্তিদের কাছে সরকারি সুবিধা পৌঁছে দেওয়া, যারা জৈবিক অবস্থার কারণে সামাজিক বঞ্চনার শিকার হন, এবং একই সঙ্গে ট্রান্সজেন্ডার ব্যক্তিদের আইনি স্বীকৃতি ও সুরক্ষা বজায় রাখা (Transgender Bill 2026)।

    কঠোর শাস্তির বিধান

    তবে এ নিয়ে বিভিন্ন মহলে উদ্বেগেরও সৃষ্টি হয়েছে। প্রায় ১৪০ জন আইনজীবী এবং এএলআইএফএ এবং নজরের মতো নারীবাদী সংগঠন রাষ্ট্রপতির সম্মতির আগে (Prez Droupadi Murmu) তাঁকে চিঠি দিয়েছিল। অনেকেই জানিয়েছেন, ২০১৯ সালের আইনের একটি গুরুত্বপূর্ণ বৈশিষ্ট্য, (নিজস্ব লিঙ্গ পরিচয় নির্ধারণের অধিকার) এখন সীমিত করা হয়েছে। ২০২৬ সালের এই সংশোধনীকে সরকার এমন একটি পদক্ষেপ হিসেবে উপস্থাপন করছে, যা আইনের স্পষ্টতা বাড়াবে এবং কল্যাণমূলক প্রকল্পগুলিকে আরও লক্ষ্যভিত্তিক করবে। এতে পরিচয় নির্ধারণের একটি আরও কাঠামোবদ্ধ প্রক্রিয়া চালু করা হয়েছে এবং নির্দিষ্ট গোষ্ঠীতে সীমাবদ্ধ রেখে অপব্যবহার রোখার চেষ্টা করা হয়েছে। জোরপূর্বক পরিচয় পরিবর্তন এবং শোষণের মতো অপরাধের জন্য কঠোর শাস্তির বিধান রাখা হয়েছে, যাতে গুরুতর সামাজিক (Transgender Bill 2026) বঞ্চনার শিকার হওয়া ব্যক্তিদের সুরক্ষার ওপর বেশি গুরুত্ব দেওয়া হয়েছে (Prez Droupadi Murmu)।

  • PM Modi: পশ্চিম এশিয়ার সঙ্কট নিয়ে সর্বদলীয় বৈঠক ডাকল কেন্দ্র, কারা কারা উপস্থিত থাকবেন?

    PM Modi: পশ্চিম এশিয়ার সঙ্কট নিয়ে সর্বদলীয় বৈঠক ডাকল কেন্দ্র, কারা কারা উপস্থিত থাকবেন?

    মাধ্যম নিউজ ডেস্ক: পশ্চিম এশিয়ার সঙ্কট (West Asia Conflict) নিয়ে সর্বদলীয় বৈঠক ডাকল কেন্দ্র। বুধবার বৈঠক হবে বিকেল ৫টায়। এই বৈঠকে সভাপতিত্ব করতে পারেন প্রতিরক্ষামন্ত্রী রাজনাথ সিং। উপস্থিত থাকতে পারেন বিদেশমন্ত্রী এস জয়শঙ্করও।

    সর্বদলীয় বৈঠকের ডাক কেন্দ্রের (PM Modi)

    পশ্চিম এশিয়ায় ক্রমবর্ধমান উত্তেজনার প্রেক্ষিতে এই বৈঠক (PM Modi) অনুষ্ঠিত হচ্ছে। যার প্রত্যক্ষ প্রভাব পড়েছে গুরুত্বপূর্ণ সামুদ্রিক বাণিজ্যপথের ওপর। উপসাগরীয় দেশগুলিতে বসবাসকারী ভারতীয় নাগরিকদের নিরাপত্তা নিয়েও উদ্বেগ বেড়েছে। মঙ্গলবারই প্রতিরক্ষামন্ত্রী মধ্যপ্রাচ্যের পরিস্থিতি নিয়ে আয়োজিত একটি বৈঠকে সভাপতিত্ব করেন। সেই বৈঠকে উপস্থিত ছিলেন চিফ অফ ডিফেন্স স্টাফ (CDS) জেনারেল অনিল চৌহান, তিন বাহিনীর প্রধান, ডিআরডিওর চেয়ারম্যান সমীর কামাত-সহ অন্যরা। রবিবার প্রধানমন্ত্রী নরেন্দ্র মোদি মন্ত্রিসভার নিরাপত্তা কমিটির (CCS) বৈঠকে পশ্চিম এশিয়ায় চলা সংঘাতের পরিস্থিতি এবং তার মোকাবিলায় নেওয়া প্রস্তাবিত পদক্ষেপগুলি পর্যালোচনা করেন। তিনি পরিস্থিতি মোকাবিলার জন্য মন্ত্রী ও সচিবদের একটি বিশেষ দল গঠনের নির্দেশও দেন।

    প্রধানমন্ত্রীর বক্তব্য

    পশ্চিম এশিয়ার পরিস্থিতি নিয়ে প্রধানমন্ত্রীর সংসদীয় ভাষণের পর আয়োজিত হচ্ছে এই সর্বদলীয় বৈঠক। মঙ্গলবার রাজ্যসভায় বক্তব্য রাখতে গিয়ে তিনি বলেন, “জ্বালানি, সরবরাহ ব্যবস্থা, সার-সহ বিভিন্ন ক্ষেত্রে কৌশল তৈরির জন্য সরকার সাতটি ক্ষমতাপ্রাপ্ত গোষ্ঠী গঠন করেছে, যাতে ইরান-ইজরায়েল-আমেরিকা সংঘাতের প্রভাব কমানো যায়।” সোমবার লোকসভায় তিনি বলেন, “পশ্চিম এশিয়ার সংঘাতজনিত কঠিন বৈশ্বিক পরিস্থিতি দীর্ঘস্থায়ী হতে পারে। এজন্য দেশকে ঐক্যবদ্ধ ও প্রস্তুত থাকতে হবে, যেমনটি কোভিড-১৯ অতিমারির সময় ছিল। পশ্চিম এশিয়ার এই সংঘাত এখন চতুর্থ সপ্তাহে প্রবেশ করেছে, ব্যাহত হয়েছে হরমুজ প্রণালী দিয়ে চলাচলকারী তেলবাহী জাহাজের অনায়াস যাতায়াত। ২৮ ফেব্রুয়ারি মার্কিন যুক্তরাষ্ট্র ও ইজরায়েলের যৌথ সামরিক হামলায় ইরানের সর্বোচ্চ নেতা আয়াতোল্লাহ আলি খামেনেই নিহত হওয়ার পর উত্তেজনা আরও বেড়েছে (PM Modi)।

    বৈঠকে থাকছেন না রাহুল

    এর প্রতিক্রিয়ায় ইরান উপসাগরীয় বিভিন্ন দেশে ইজরায়েল ও মার্কিন যুক্তরাষ্ট্রের সম্পদকে লক্ষ্য করে হামলা চালায়। যার ফলে সামুদ্রিক পথে জাহাজ চলাচল আরও বিঘ্নিত হয়। এর ভয়ঙ্কর প্রভাব পড়ে আন্তর্জাতিক জ্বালানি বাজার ও বৈশ্বিক অর্থনৈতিক স্থিতিশীলতার ওপর (West Asia Conflict)। এদিনের সর্বদলীয় বৈঠকে হাজির থাকবেন না লোকসভার বিরোধী দলনেতা রাহুল গান্ধী। তিনি জানান, কেরালায় একটি নির্ধারিত কর্মসূচিতে অংশ নেওয়ার কারণে এই সর্বদলীয় বৈঠকে উপস্থিত থাকতে পারবেন না। প্রসঙ্গত, এর আগে কংগ্রেস প্রধানমন্ত্রীকে আক্রমণ করে বলেছিল, “সঙ্কট নিয়ে তাঁর বক্তব্য ছিল নিজের প্রশংসায় ভরা আগেভাগেই তৈরি করে দেওয়া একটি লেখা”। প্রধানমন্ত্রী তাঁর বক্তব্যে বলেন, “পশ্চিম এশিয়া ভারতের জন্য গুরুত্বপূর্ণ, কারণ প্রায় এক কোটি ভারতীয় সেখানে বসবাস ও কাজ করেন। তাছাড়া এই অঞ্চলের সমুদ্রপথে চলাচলকারী বাণিজ্যিক জাহাজে বিপুল সংখ্যক ভারতীয় নাবিকও কাজ করেন (PM Modi)।”

    ঐক্যবদ্ধ ও সর্বসম্মত বার্তা দিতেই বৈঠক

    তিনি এও বলেন, “এই বিভিন্ন কারণেই ভারতের উদ্বেগ স্বাভাবিকভাবেই বেশি। তাই এই সঙ্কট নিয়ে ভারতের সংসদ থেকে একটি ঐক্যবদ্ধ ও সর্বসম্মত বার্তা বিশ্বে পৌঁছনো অত্যন্ত জরুরি।” ২৪ মার্চ প্রধানমন্ত্রী জানিয়েছিলেন, তিনি প্রেসিডেন্ট ট্রাম্পের সঙ্গে ফোনে কথা বলেছেন। পশ্চিম এশিয়ার পরিস্থিতি নিয়ে ফলপ্রসূ মতবিনিময়ও হয়েছে তাঁদের মধ্যে। তিনি বলেন, “ভারত দ্রুত উত্তেজনা প্রশমনের এবং শান্তি পুনঃপ্রতিষ্ঠার পক্ষে। হরমুজ প্রণালী খোলা, নিরাপদ এবং সকলের জন্য সহজলভ্য রাখা (West Asia Conflict) অত্যন্ত গুরুত্বপূর্ণ। শান্তি ও স্থিতিশীলতার প্রচেষ্টায় আমরা যোগাযোগ বজায় রাখার বিষয়ে একমত হয়েছি (PM Modi)।”

  • Donald Trump: মধ্যপ্রাচ্যে সংঘাত তুঙ্গে, মোদির সঙ্গে ফোনে কথা ট্রাম্পের

    Donald Trump: মধ্যপ্রাচ্যে সংঘাত তুঙ্গে, মোদির সঙ্গে ফোনে কথা ট্রাম্পের

    মাধ্যম নিউজ ডেস্ক: মধ্যপ্রাচ্যে তীব্র আকার ধারণ করেছে সংঘাত। এহেন আবহে মার্কিন যুক্তরাষ্ট্রের প্রেসিডেন্ট ডোনাল্ড ট্রাম্প (Donald Trump) কথা বললেন প্রধানমন্ত্রী নরেন্দ্র মোদির (PM Modi) সঙ্গে। উভয় নেতাই হরমুজ প্রণালী খোলা রাখার প্রয়োজনীয়তার ওপর জোর দেন। এক্স হ্যান্ডেলে ভারতে নিযুক্ত মার্কিন রাষ্ট্রদূত সার্জিও গর লিখেছেন, “প্রেসিডেন্ট ডোনাল্ড ট্রাম্প সদ্য প্রধানমন্ত্রী মোদির সঙ্গে কথা বলেছেন।

    কী জানালেন প্রধানমন্ত্রী (Donald Trump)

    এরই কিছুক্ষণ পরে প্রধানমন্ত্রী নরেন্দ্র মোদিও জানান, তিনি মার্কিন প্রেসিডেন্টের সঙ্গে একটি গুরুত্বপূর্ণ ও ফলপ্রসূ মতবিনিময় করেছেন। এক্স-এ করা পোস্টে তিনি লেখেন, “ভারত উত্তেজনা প্রশমন এবং দ্রুত শান্তি পুনঃপ্রতিষ্ঠার পক্ষে। হরমুজ প্রণালী খোলা, নিরাপদ ও সবার জন্য সহজলভ্য রাখা বৈশ্বিক স্থিতিশীলতার জন্য অত্যন্ত গুরুত্বপূর্ণ।” এই ফোনালাপের সময়ই প্রধানমন্ত্রী সংসদে বলেন, “হরমুজ প্রণালীতে কোনও বিঘ্নই মেনে নেওয়া যায় না।” লোকসভায় বক্তব্য রাখতে গিয়ে তিনি বাণিজ্যিক জাহাজে হামলা এবং বৈশ্বিক নৌপথে বিঘ্ন নিয়ে উদ্বেগ প্রকাশ করেন। প্রধানমন্ত্রী বলেন, “বাণিজ্যিক জাহাজে হামলা এবং (PM Modi) হরমুজ প্রণালীর মতো আন্তর্জাতিক জলপথে বিঘ্ন মেনে নেওয়া যায় না। এই যুদ্ধ পরিস্থিতির মধ্যেও ভারত কূটনৈতিক উপায়ে ভারতীয় জাহাজগুলির নিরাপদ চলাচল নিশ্চিত করতে অবিরাম চেষ্টা চালিয়ে যাচ্ছে।” বিশ্বের বিপুল পরিমাণ তেল পরিবহণে ব্যবহৃত হয় হরমুজ প্রণালী। তাই এটি বৈশ্বিক জ্বালানি স্থিতিশীলতার জন্য অত্যন্ত গুরুত্বপূর্ণ। এই পথে সাম্প্রতিক বিঘ্ন বিশ্বব্যাপী জ্বালানি সঙ্কটের সৃষ্টি করেছে (Donald Trump)। মঙ্গলবার রাজ্যসভায় বক্তব্য রাখতে গিয়ে প্রধানমন্ত্রী সতর্ক করে দিয়ে বলেন, “এই সঙ্কট বিশ্ব অর্থনীতিকে নড়িয়ে দিয়েছে। স্বাভাবিক অবস্থায় ফিরতে অনেক সময় লাগতে পারে।”

    দ্রুত পরিবর্তনশীল পরিস্থিতির ওপর নজর

    তিনি বলেন, “এই যুদ্ধ বিশ্বজুড়ে জ্বালানি সঙ্কট সৃষ্টি করেছে। ভারতের জন্যও এই পরিস্থিতি উদ্বেগজনক। যুদ্ধ আমাদের বাণিজ্যিক পথগুলিকে প্রভাবিত করেছে। এর ফলে পেট্রোল, ডিজেল, গ্যাস এবং সারের নিয়মিত সরবরাহ ব্যাহত হয়েছে।” তিনি অবশ্য আশ্বাস দেন, সরকার দ্রুত পরিবর্তনশীল পরিস্থিতির ওপর নজর রাখছে এবং এর প্রভাব কমাতে ধারাবাহিক পদক্ষেপ করছে। এই পরিস্থিতিটি এমন একটি সময়ে সামনে এল, যার ঠিক একদিন আগেই মার্কিন প্রেসিডেন্ট ইরানের ওপর হামলা স্থগিত করার কথা ঘোষণা করেন (PM Modi)। তিনি জানান, তাঁর সরকার তেহরানের সঙ্গে গঠনমূলক আলোচনা করেছে এবং যদি হরমুজ প্রণালী ফের চালু না হয়, তবে ইরানের বিদ্যুৎকেন্দ্রে পরিকল্পিত হামলা পাঁচ দিন পিছিয়ে দেওয়া হবে।

    আমেরিকার দাবি খারিজ

    ইরানি আধিকারিকরা মার্কিন যুক্তরাষ্ট্রের এই দাবি প্রত্যাখ্যান করেছেন (Donald Trump)। তাঁদের দাবি, তেহরানের কঠোর সতর্কবার্তার পরেই পিছিয়ে এসেছেন প্রেসিডেন্ট ট্রাম্প। ইরানের সংসদের স্পিকার মোহম্মদ বাঘের গালিবাফ ট্রাম্পের এই দাবিকে ভুয়ো খবর আখ্যা দেন। তিনি বলেন, “এটি আর্থিক ও তেলবাজারে প্রভাব ফেলতে এবং মার্কিন যুক্তরাষ্ট্র ও ইজরায়েলের ব্যর্থতা থেকে দৃষ্টি সরাতে করা হয়েছে।”

    এক্স-এ দেওয়া পোস্টে গালিবাফ বলেন, “মার্কিন যুক্তরাষ্ট্রের সঙ্গে কোনও আলোচনা হয়নি ()। আর্থিক ও তেলবাজারকে প্রভাবিত করতে এবং মার্কিন যুক্তরাষ্ট্র ও ইজরায়েল যে সঙ্কটে পড়েছে, তা থেকে বেরিয়ে আসার চেষ্টা হিসেবেই ছড়ানো হচ্ছে ভুয়ো খবর (Donald Trump)।”

     

  • Nora Fatehi: ‘‘বাক্‌স্বাধীনতা সীমাহীন নয়’’, নোরা ফতেহির ‘সারকে চুনারিয়া’ গান নিষিদ্ধ করল কেন্দ্র

    Nora Fatehi: ‘‘বাক্‌স্বাধীনতা সীমাহীন নয়’’, নোরা ফতেহির ‘সারকে চুনারিয়া’ গান নিষিদ্ধ করল কেন্দ্র

    মাধ্যম নিউজ ডেস্ক: ‘সারকে চুনারিয়া’ (Sarke Chunariya)গানটি নিষিদ্ধ করে দিল কেন্দ্রীয় সরকার। সরকারের বক্তব্য, গানটির (Nora Fatehi) কথা ও দৃশ্য নিয়ে ব্যাপক ক্ষোভ তৈরি হয়েছিল জনমানসে। মঙ্গলবারই বিভিন্ন প্রতিবেদনে জানানো হয়েছিল যে সরকার সেন্ট্রাল বোর্ড অফ ফিল্ম সার্টিফিকেশন (CBFC)-কে গানটির বিরুদ্ধে কঠোর ব্যবস্থা নেওয়ার নির্দেশ দিয়েছে।

    কী জানালেন অশ্বিনী বৈষ্ণব (Nora Fatehi)

    সংসদে বক্তব্য রাখতে গিয়ে তথ্য ও সম্প্রচারমন্ত্রী অশ্বিনী বৈষ্ণব লোকসভায় সমাজবাদী পার্টির এক সাংসদের প্রশ্নের উত্তরে এই সিদ্ধান্তের কথা আনুষ্ঠানিকভাবে ঘোষণা করেন। তিনি জানান, গানটির বিরুদ্ধে ইতিমধ্যেই ব্যবস্থা নেওয়া হয়েছে। মন্ত্রী বলেন, “ভারতে বাক্‌স্বাধীনতা সীমাহীন নয়। সব ধরনের মতপ্রকাশই করতে হবে সংবিধান নির্ধারিত যুক্তিসঙ্গত সীমাবদ্ধতার মধ্যেই। গানটি ইতিমধ্যেই নিষিদ্ধ করা হয়েছে।” তিনি এও বলেন, “সংবিধান প্রণেতারা বাক্‌স্বাধীনতার ওপর যে যুক্তিসঙ্গত সীমাবদ্ধতা আরোপ করেছেন, তা আমাদের মেনে চলা উচিত।”

    ‘বাক্‌স্বাধীনতা সম্পূর্ণ স্বাধীন হতে পারে না’

    সংবিধানের ১৯(২) অনুচ্ছেদের কথাও উল্লেখ করেন মন্ত্রী। এখানে শৃঙ্খলা, শালীনতা ও নৈতিকতার মতো বিষয়ের ক্ষেত্রে মতপ্রকাশের স্বাধীনতার ওপর বিধিনিষেধ আরোপের সুযোগ রয়েছে। তিনি বলেন, “বাক্‌স্বাধীনতা সম্পূর্ণ স্বাধীন হতে পারে না। একে সমাজ ও সংস্কৃতির প্রেক্ষাপটে বিবেচনা করতে হবে। ভবিষ্যতে, বিশেষ করে ডিজিটাল মাধ্যমে দ্রুত ছড়িয়ে পড়া বিষয়গুলির প্রেক্ষিতে, সমাজের সুরক্ষা, শিশুদের সুরক্ষা, নারীদের সুরক্ষা এবং বঞ্চিত গোষ্ঠীর সুরক্ষার জন্য যে কঠোর পদক্ষেপের প্রয়োজন, সরকার তা করতে প্রস্তুত।”

    অশ্লীলতা প্রচারের অভিযোগ

    গানটি রিলিজ হওয়ার পরপরই বিতর্ক শুরু হয়। অভিযোগ, গানটিতে অশ্লীলতা প্রচার করা হয়েছে, মহিলাদের আপত্তিকরভাবে তুলে ধরা হয়েছে। তার জেরে ব্যাপক প্রতিক্রিয়ার সৃষ্টি হয়েছে (Nora Fatehi)। এর পরেই গানটির নির্মাতাদের বিরুদ্ধে কঠোর ব্যবস্থা নেওয়ার দাবি ওঠে। দায়ের করা হয় এফআইআর-ও। গানটি সরিয়ে নেওয়ার দাবিতে অভিযোগও জমা পড়ে, যা নিয়ে সংসদেও ব্যাপক বিতর্কের সৃষ্টি হয়। গানটির সমালোচকদের মধ্যে রয়েছেন হরিয়ানা ও কর্নাটকের মহিলা কমিশন, অভিনেতা-রাজনীতিবিদ রবি কিষান এবং কঙ্গনা রানাউত এবং গায়ক আরমান মালিকও। তাঁরা সবাই গানের কথাকে আপত্তিকর বলে উল্লেখ করেন। গানটির বিষয়বস্তুও অশালীন এবং অপ্রাপ্তবয়স্কদের জন্য ক্ষতিকর হতে পারে, এই অভিযোগে সেন্ট্রাল বোর্ড অফ ফিল্ম সার্টিফিকেশনের কাছে একটি আইনি আবেদনও (Sarke Chunariya) জমা দেওয়া হয়। তাতে গানটির ওপর দ্রুত নিষেধাজ্ঞা জারি এবং অপসারণের দাবিও জানানো হয় (Nora Fatehi)।

  • Lok Sabha: লোকসভায় স্পিকারের বিরুদ্ধে বিরোধীদের আনা অনাস্থা প্রস্তাব খারিজ, মুখ পুড়ল বিরোধীদের

    Lok Sabha: লোকসভায় স্পিকারের বিরুদ্ধে বিরোধীদের আনা অনাস্থা প্রস্তাব খারিজ, মুখ পুড়ল বিরোধীদের

    মাধ্যম নিউজ ডেস্ক: লোকসভার (Lok Sabha) স্পিকার ওম বিড়লার (Om Birla) বিরুদ্ধে বিরোধী দলগুলোর আনা অনাস্থা প্রস্তাবটি ভোটাভুটিতে পরাজিত হয়েছে। দীর্ঘ বিতর্ক এবং রাজনৈতিক উত্তাপের পর শাসক দল ধ্বনিভোটের মাধ্যমে এই প্রস্তাবটি খারিজ করতে সক্ষম হয়। বিজেপির দাবি বিরোধিরা কাজ করার জন্য সংসদে আসেন না। রাজনীতি আর সংসদের ভাবমূর্তি খারাপ করতেই সংসদে আসছেন।

    প্রস্তাব পেশ (Lok Sabha)

    লোকসভার (Lok Sabha) বিরোধী দলগুলো স্পিকারের (Om Birla) নিরপেক্ষতা নিয়ে প্রশ্ন তুলে এই অনাস্থা প্রস্তাব এনেছিল। তাদের অভিযোগ ছিল যে, সংসদীয় কার্যপ্রক্রিয়ায় বিরোধীদের পর্যাপ্ত সময় দেওয়া হচ্ছে না এবং কণ্ঠরোধ করার চেষ্টা করা হচ্ছে। কেন্দ্রীয় স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী অমিত শাহ বলেছেন, “স্যার, ওরা আচরণের কথা বলছে। যখন তাদের সর্বোচ্চ নেতা নিজেই চোখ টিপে, গিয়ে প্রধানমন্ত্রীকে জড়িয়ে ধরে, আর উড়ন্ত চুম্বন দেন, স্যার, তখন বোঝা যায় তিনি উস্কানি দিচ্ছেন।”

    রাজনৈতিক ফায়দা তুলতেই পদক্ষেপ

    সরকারের পক্ষ থেকে স্পিকার ওম বিড়লার (Om Birla) বিরুদ্ধে অনাস্থা প্রস্তাবের অভিযোগগুলো ভিত্তিহীন বলে উড়িয়ে দেওয়া হয়েছে। শাসক দলের দাবি, স্পিকার অত্যন্ত নিরপেক্ষভাবে এবং সংসদীয় নিয়ম মেনেই সভা (Lok Sabha) পরিচালনা করছেন। বিরোধীরা কেবল রাজনৈতিক ফায়দা তুলতেই এই ধরনের পদক্ষেপ নিয়েছে। এদিন সংসদে বিরোধীদের ২৩৮ জন সাংসদ উপস্থিত ছিলেন। যার মধ্যে ৯৯ জন কংগ্রেসের এবং বাকিরা সমাজবাদী পার্টি, ডিএমকে, তৃণমূল কংগ্রেস এবং অন্যান্যরা।পাশাপাশি সরকারের পক্ষে ২৯৩ জন সাংসদের উপস্থিতি ছিল। সেখানে ছিলেন বিজেপির ২৪০ জন, জেডিইউর ১৬ জন, টিডিপির ১২ জন এবং অন্যান্য এনডিএ দলের সাংসদরা।

    বিতর্কের শেষে যখন প্রস্তাবটি ভোটের জন্য তোলা হয়, তখন সরকারি পক্ষের সংখ্যাগরিষ্ঠতার কারণে তা অনায়াসেই বাতিল হয়ে যায়। স্পিকারের প্রতি সংসদের আস্থা অটুট রয়েছে বলে জানিয়ে দেওয়া হয় সংসদে।

    সংসদে নৈতিক জয়

    সংসদে (Lok Sabha) এই জয়কে সরকার পক্ষ তাদের নৈতিক জয় হিসেবে দেখছে। অন্যদিকে, বিরোধীরা জানিয়েছে যে সংখ্যাতত্ত্বে হারলেও তারা স্পিকারের কার্যপদ্ধতি নিয়ে তাদের আপত্তির কথা দেশবাসীর সামনে তুলে ধরতে পেরেছে। সংসদীয় গণতন্ত্রে স্পিকার পদের মর্যাদা অত্যন্ত গুরুত্বপূর্ণ। এই অনাস্থা প্রস্তাব খারিজ হওয়ার ফলে বর্তমান স্পিকার তাঁর দায়িত্ব পালন জারি রাখবেন। তবে এই ঘটনাটি শাসক ও বিরোধী শিবিরের মধ্যে বিদ্যমান তিক্ততাকে আরও একবার প্রকাশ্যে নিয়ে এল।

    ঘটনা কি ঘটেছিল?

    বিরোধীরা লোকসভায় (Lok Sabha) স্পিকারের বিরুদ্ধে অনাস্থা প্রস্তাবের নোটিশে তাঁর বিরুদ্ধে পক্ষপাতিত্বের অভিযোগ এনেছিল। অবাধ্য আচরণের জন্য বিরোধী সাংসদদের বরখাস্ত করার পর তিক্ততা চরমে পৌঁছেছিল। বাজেট অধিবেশনের সময় স্পিকার বিরোধী দলনেতা রাহুল গান্ধিকে প্রাক্তন সেনাপ্রধান জেনারেল এমএম নারাভানে এবং অন্যান্য বিরোধী নেতাদের লেখা একটি অপ্রকাশিত বই থেকে কিছু অংশ পড়তে দেননি। সেই সঙ্গে আটজন বিরোধী সাংসদকে পুরো বাজেট অধিবেশনের জন্য বরখাস্ত করা করেন। এরপর থেকেই বিরোধীরা শোরগল করতে শুরু করে এবং অনাস্থা প্রস্তাব নিয়ে আসে।

  • PM Modi: এআই সম্মেলনে কংগ্রেসের ‘শার্টবিহীন’ প্রতিবাদের কড়া সমালোচনা প্রধানমন্ত্রীর

    PM Modi: এআই সম্মেলনে কংগ্রেসের ‘শার্টবিহীন’ প্রতিবাদের কড়া সমালোচনা প্রধানমন্ত্রীর

    মাধ্যম নিউজ ডেস্ক: দিল্লিতে সদ্য সমাপ্ত এআই সম্মেলনে কংগ্রেসের ‘শার্টবিহীন’ প্রতিবাদের কড়া সমালোচনা করলেন প্রধানমন্ত্রী নরেন্দ্র মোদি (PM Modi)। রবিবার তিনি একে দেশের সম্মানহানি ঘটানো লজ্জাজনক প্রদর্শন বলে অভিহিত করেন। সংবাদমাধ্যমকে সঠিকভাবে প্রতিবেদন (AI Summit) করার আহ্বানও জানান তিনি। প্রধানমন্ত্রী এআই সম্মেলনে তাঁর বিরুদ্ধে এবং ভারত–মার্কিন অন্তর্বর্তী বাণিজ্য চুক্তির বিরোধিতায় যুব কংগ্রেসের প্রতিবাদের নিন্দে করেন।

    কংগ্রেস পার্টির সঙ্গেই যুক্ত (PM Modi)

    মীরাটে এক সমাবেশে বক্তব্য রাখতে গিয়ে প্রধানমন্ত্রী বলেন, “দেখুন কী দুর্ভাগ্য। এত পুরানো একটি দলের নেতারা লজ্জা পাওয়ার বদলে, যারা দেশের অসম্মান করছে তাদের নির্লজ্জভাবে সমর্থন করছেন। এই বিষয়টি কংগ্রেস পার্টির সঙ্গেই যুক্ত।” প্রধানমন্ত্রী সরাসরি সংবাদমাধ্যমকে নিরপেক্ষভাবে প্রতিবেদন করার আহ্বান জানান। তিনি বলেন, “আমি সব সময় প্রার্থনা করি ঈশ্বর যেন আমাকে সংবাদমাধ্যমকে সবরকমভাবে সহ্য করার শক্তি দেন। কিন্তু আজ আমি সংবাদমাধ্যমকে অনুরোধ করছি— যখন আমরা এ ধরনের কাজের সমালোচনা করি, তখন দয়া করে এমন শিরোনাম করবেন না যে মোদি বিরোধীদের পরাজিত করেছেন। কংগ্রেসকে বাঁচানোর এই কৌশল বন্ধ করুন।”

    কংগ্রেসের পাপ রক্ষার কাজ

    নির্বাচিত প্রতিবেদন এবং কংগ্রেসের পাপ রক্ষার কাজ হচ্ছে বলে অভিযোগ করে প্রধানমন্ত্রী বলেন, “এই বিরোধীরা বিরোধী সেজে কংগ্রেসকে রক্ষা করছে। পাপ করে কংগ্রেস, ফল ভোগ করতে হয় তাদেরই। কিন্তু মিডিয়া ‘কংগ্রেস’ শব্দটি দেখে না, শুধু ‘বিরোধী’ শব্দটি দেখে। কেন? কেন কংগ্রেসকে রক্ষা করছেন (PM Modi)?” তিনি জানান, অন্য বিরোধী দলগুলি এই ঘটনায় অংশ নেয়নি। প্রধানমন্ত্রী বলেন, “তৃণমূল কংগ্রেসের কেউ কি এই পাপ করেছে? না (AI Summit)। ডিএমকে সদস্যরা? বিএসপি সদস্যরা? ফারুক আবদুল্লার দল? না। শুধু এবং শুধু ‘সিরফিরা’ (উন্মাদ) ও ‘বেলাগাম’ (বেপরোয়া) কংগ্রেস নেতারাই দেশ ধ্বংসে উঠেপড়ে লেগেছে।”

    বিরোধী সহকর্মীদের ধন্যবাদ

    প্রধানমন্ত্রী কংগ্রেসকে দেশের ওপর বোঝা বলে উল্লেখ করেন এবং প্রতিবাদটির নিন্দে করার জন্য অন্যান্য বিরোধী সহযোগীদের প্রশংসা করেন। তিনি বলেন, “আমি প্রকাশ্যে এই বিরোধী সহকর্মীদের ধন্যবাদ জানাই, যাঁরা সত্য ও দেশের মর্যাদার পক্ষে দাঁড়িয়েছেন।” তিনি বলেন, “প্রধানমন্ত্রীর আসনে বসতে হলে মানুষের হৃদয় জয় করতে হয়, মহিলা সাংসদদের পাঠিয়ে প্রধানমন্ত্রীকে আক্রমণ করানো নয় (PM Modi)। বাজেট অধিবেশনের সময় লোকসভায় কেন্দ্রের বিরুদ্ধে প্রতিবাদের মধ্যে কংগ্রেস মহিলা সাংসদদের তাঁর আসন ও ট্রেজারি বেঞ্চের কাছে পাঠিয়েছিল বলে অভিযোগ করেন তিনি। তাঁর দাবি, দলটি গঠনমূলক ভূমিকা নেওয়ার বদলে কার্যক্রমে বাধা সৃষ্টি করে (AI Summit)।

    কংগ্রেসের মিত্রদেরই সবচেয়ে বেশি ক্ষতি হচ্ছে

    তিনি বলেন, “তাঁরা নিজেরাই সংসদে কার্যকর হতে পারেন না, তাই সহকর্মীদেরও কথা বলার সুযোগ দেন না। তাঁরা সংসদ চলতে দেয় না। এতে কংগ্রেসের মিত্রদেরই সবচেয়ে বেশি ক্ষতি হচ্ছে, এবং তারা তা বুঝেছে। দিল্লিতে তারা যে নগ্নতা প্রদর্শন করেছে, তাতে তাদের সব মিত্র স্তম্ভিত হয়ে দূরত্ব বজায় রেখেছে।” এর আগে আজ প্রধানমন্ত্রী মোদি শতাব্দী নগর নমো ভারত স্টেশনে মিরাট মেট্রো ও নমো ভারত ট্রেনের উদ্বোধন করেন। উত্তরপ্রদেশের মুখ্যমন্ত্রী যোগী আদিত্যনাথ, উত্তরপ্রদেশ বিজেপি সভাপতি ও কেন্দ্রীয় মন্ত্রী পঙ্কজ চৌধুরী-সহ অন্য আধিকারিকরা তাঁর সঙ্গে উপস্থিত ছিলেন (PM Modi)। প্রধানমন্ত্রী মিরাটে প্রায় ১২,৯৩০ কোটি টাকার বিভিন্ন উন্নয়ন প্রকল্পের উদ্বোধন করেন এবং সেগুলি জাতির উদ্দেশে উৎসর্গ করেন (AI Summit)।

     

  • BJP: “ভারত-বিরোধী শক্তির সঙ্গে যুক্ত”! রাহুলের সাংসদ পদ খারিজের দাবি বিজেপির নিশিকান্ত দুবের

    BJP: “ভারত-বিরোধী শক্তির সঙ্গে যুক্ত”! রাহুলের সাংসদ পদ খারিজের দাবি বিজেপির নিশিকান্ত দুবের

    মাধ্যম নিউজ ডেস্ক: লোকসভায় বিরোধী দলনেতা রাহুল গান্ধীর (Rahul Gandhi) বিরুদ্ধে সাবস্ট্যান্টিভ মোশন (Substantive Motion) জমা দিয়েছেন বিজেপি সাংসদ নিশিকান্ত দুবে। বৃহস্পতিবার এ কথা জানান তিনি। এতে তিনি রাহুলের সাংসদ পদ বাতিল করার এবং তাঁকে আজীবনের জন্য নির্বাচনে প্রতিদ্বন্দ্বিতা থেকে বিরত রাখার দাবি জানিয়েছেন। বুধবার (BJP) কেন্দ্রীয় সরকারকে আক্রমণ শানিয়েছিলেন রাহুল। তার পরেই বিজেপি সাংসদের এই পদক্ষেপ। তিনি ভারত-আমেরিকা অন্তর্বর্তীকালীন বাণিজ্য চুক্তি নিয়ে প্রধানমন্ত্রী নরেন্দ্র মোদির বিরুদ্ধে “দেশ বিক্রি করে দেওয়ার” অভিযোগ করেন। রাহুলের দাবি, এই চুক্তি কৃষকদের স্বার্থ ক্ষুণ্ন করে, বস্ত্র শিল্পকে ক্ষতিগ্রস্ত করে এবং মার্কিন যুক্তরাষ্ট্রকে সুবিধা দিয়ে ভারতের জ্বালানি নিরাপত্তার সঙ্গে আপস করে।

    কিরেন রিজিজুর বক্তব্য (BJP)

    এর আগে কেন্দ্রীয় সংসদীয় বিষয়ক মন্ত্রী কিরেন রিজিজু মন্তব্য করেছিলেন যে সরকার রাহুল গান্ধীর বিরুদ্ধে সংসদকে বিভ্রান্ত করার অভিযোগে একটি প্রিভিলেজ মোশন (Privilege Motion) আনবে। যদিও দুবে জানান, এই ধরনের কোনও প্রিভিলেজ মোশন দাখিল করা হয়নি। তিনি বলেন, “এটি কোনও প্রিভিলেজ মোশন নয়। আমি একটি সাবস্ট্যান্টিভ মোশন জমা দিয়েছি, যেখানে উল্লেখ করেছি যে তিনি নাকি সোরোস ফাউন্ডেশন, ফোর্ড ফাউন্ডেশন, ইউএসএইডের সঙ্গে যুক্ত এবং তাইল্যান্ড, কম্বোডিয়া, ভিয়েতনাম ও আমেরিকা সফর করেছেন। তিনি ভারত-বিরোধী শক্তির সঙ্গে যুক্ত।”

    দুবের বক্তব্য

    দুবে বলেন, “এটি সর্বজনবিদিত যে আমাদের দেশের কোনও নাগরিক বা জনপ্রতিনিধি কিংবা উচ্চপদস্থ কর্তা এমন কিছু করেন না যা আমাদের সশস্ত্র বাহিনীর মর্যাদা ক্ষুণ্ন করে। দলীয় ভেদাভেদ নির্বিশেষে সাংসদদের মধ্যে একটি নীরব সমঝোতা রয়েছে যে সাময়িক রাজনৈতিক লাভের জন্য সশস্ত্র বাহিনী বা তার আধিকারিকদের টেনে আনা হবে না। কিন্তু রাহুল গান্ধীর ক্ষেত্রে এই নৈতিক মানদণ্ড প্রযোজ্য নয়। ১১ ফেব্রুয়ারি, ২০২৬ তারিখে লোকসভায় তাঁর ভাষণে স্পষ্ট, যেখানে তিনি কৌশলে প্রাক্তন সেনাপ্রধান জেনারেল মনোজ মুকুন্দ নারাভানের নাম নিয়েছেন (Rahul Gandhi)।” দুবে বলেন, “সময়ের দাবি হল জরুরি ও কাঠামোবদ্ধ তদন্ত পরিচালনা করা, যাতে একজন সাংসদ ও বিরোধী দলনেতা হিসেবে তাঁর কথিত অনৈতিক আচরণ পরীক্ষা করা যায় এবং তাঁকে অবিলম্বে লোকসভা থেকে বহিষ্কার করা যায় (BJP)।”

    রাহুলের সদস্যপদ বাতিলের দাবি

    তিনি রাহুলের সদস্যপদ বাতিল ও স্থায়ীভাবে নির্বাচনে প্রতিদ্বন্দ্বিতা নিষিদ্ধ করার দাবি জানান। তবে সংবিধান বিশেষজ্ঞ ও লোকসভার প্রাক্তন মহাসচিব পিডিটি আচার্য দুবের পদক্ষেপের প্রক্রিয়াগত বৈধতা নিয়ে প্রশ্ন তোলেন। তিনি বলেন, “দুবে কোন নির্দিষ্ট নিয়মের অধীনে মোশন জমা দিয়েছেন তা উল্লেখ করেননি (Rahul Gandhi)।” আচার্য বলেন, “সব মোশনই সাবস্ট্যান্টিভ। তিনি কোন নিয়ম উদ্ধৃত করছেন? নির্দিষ্ট নিয়ম অনুযায়ী মোশন জমা দিতে হয়। যদি কেউ সংসদের অবমাননা করে, তাহলে অবমাননার নোটিশ দেওয়া যেতে পারে। তা প্রিভিলেজেস কমিটি পরীক্ষা করবে এবং রিপোর্ট বা সুপারিশ করবে। এরপর হাউস ব্যবস্থা নেবে, এটাই প্রক্রিয়া। এর বাইরে অন্য কোনও পথ নেই (BJP)।” তিনি আরও বলেন, “সংসদের কোনও সদস্যকে বহিষ্কার করার ক্ষমতা হাউসের থাকলেও অযোগ্য ঘোষণা করার ক্ষমতা নেই। অযোগ্য ঘোষণা কেবলমাত্র দলত্যাগ বিরোধী আইন (Anti-Defection Law) এবং জন প্রতিনিধিত্ব আইন (Representation of the People’s Act) অনুযায়ী হতে পারে।”

    কংগ্রেসের বক্তব্য

    এদিকে, কংগ্রেসের সাধারণ সম্পাদক কেসি বেণুগোপাল বলেন, “দল এসব পদক্ষেপে বিচলিত নয়। আমরা কোনও মোশন নিয়ে উদ্বিগ্ন নই। আমাদের ফাঁসি দিতে চাইলে তাতেও প্রস্তুত আছি।” তাঁর অভিযোগ, লোকসভায় রাহুলের কিছু বক্তব্য বুধবার রেকর্ড থেকে বাদ দেওয়া হয়েছে। লোকসভার স্পিকারকে অপসারণের নোটিশ দেওয়ার বিষয়ে প্রশ্ন করা হলে বেণুগোপাল বলেন, “আমরা চেয়ার থেকে ন্যায়বিচার পাচ্ছি না (BJP)।” রাহুলের বক্তব্যের বিরুদ্ধে শাসক দলের পদক্ষেপ সম্পর্কে তিনি প্রশ্ন তোলেন, “রাহুল গান্ধী কোন বিশেষাধিকার ভঙ্গ করেছেন? আগেও তাঁর সদস্যপদ বাতিল করা হয়েছিল। তারপর জনগণ আরও বেশি ভোট দিয়ে তাঁকে জয়ী করেছেন।” তিনি বলেন, “আমরা সত্য বলা বন্ধ করব না (Rahul Gandhi)।” রাহুলের বক্তব্য রেকর্ড থেকে বাদ দেওয়া প্রসঙ্গে তিনি বলেন, “সরকার চেয়ারের ওপর চাপ সৃষ্টি করছে যাতে বিরোধী সদস্যরা কথা বলার সুযোগ না পান।” তিনি বলেন, “রাহুলজি যা বলেছেন, তা সম্পূর্ণভাবে রেকর্ড থেকে বাদ দেওয়া হয়েছে। কিন্তু নির্মলা সীতারামনের অনুরূপ মন্তব্য রেকর্ডে রাখা হয়েছে। সরকারের দ্বৈত মানদণ্ড রয়েছে। এই সংসদ চালাচ্ছে সরকার, তবে বিরোধীদের জন্য নয় (BJP)।”

    রিজিজুর বক্তব্য

    মন্ত্রী রিজিজু বলেন, “আমি রাহুল গান্ধীকে কোনও পাঠ শেখাতে পারি না। তিনি কোন জগতে বাস করেন, তা আমি বুঝতে পারি না।
    কোন আদর্শ তাঁর কাজকর্ম পরিচালিত করে? কংগ্রেসের প্রবীণ নেতাদের উচিত তাঁকে বোঝানো যে সংসদ এভাবে চলতে পারে না। এখানে শিশুদের মতো আচরণ করবেন না। আমাদের দেশ বিশাল, এবং নিরাপত্তা একটি গুরুত্বপূর্ণ বিষয় (BJP)।”

     

  • India: রিফান্ড কমে যাওয়ায় ভারতের নিট প্রত্যক্ষ কর আদায়ে উল্লেখযোগ্য বৃদ্ধি, পরিমাণ কত জানেন?

    India: রিফান্ড কমে যাওয়ায় ভারতের নিট প্রত্যক্ষ কর আদায়ে উল্লেখযোগ্য বৃদ্ধি, পরিমাণ কত জানেন?

    মাধ্যম নিউজ ডেস্ক: ২০২৫-২৬ অর্থবর্ষের জন্য ভারতের (India) নিট প্রত্যক্ষ কর আদায়ে ৯.৪০ শতাংশের উল্লেখযোগ্য বৃদ্ধি রেকর্ড হয়েছে। ২০২৬ সালের ১০ ফেব্রুয়ারি পর্যন্ত এই আদায়ের পরিমাণ দাঁড়িয়েছে ১৯,৪৩,৭৪৩.৯৭ কোটি টাকা। গত অর্থবর্ষে এই একই সময়ের ১৭,৭৬,৭২৮.১১ কোটি টাকার তুলনায় বেশি। বুধবার আয়কর দফতর প্রকাশিত তথ্যে এ খবর জানানো হয়েছে (Direct Tax Collections)।

    গ্রস প্রত্যক্ষ কর আদায় (India)

    সরকারি তথ্য অনুযায়ী, গ্রস প্রত্যক্ষ কর আদায় হয়েছে ২২,৭৮,০৬৮.৬০ কোটি টাকা, যা গত বছরের একই সময়ের ২১,৮৮,৫৫৪.৮৬ কোটি টাকার তুলনায় ৪.০৯ শতাংশ বেশি। এই সময়ে জারি করা কর ফেরতের পরিমাণ ১৮.৮২ শতাংশ কমে ৩,৩৪,৩২৪.৬৩ কোটি টাকায় নেমে এসেছে, যেখানে গত অর্থবর্ষে এর পরিমাণ ছিল ৪,১১,৮২৬.৭৫ কোটি টাকা। কর্পোরেট করের (নিট) আদায় ২০২৫-২৬ অর্থবর্ষে ১০ ফেব্রুয়ারি পর্যন্ত বেড়ে দাঁড়িয়েছে ৮,৮৯,৭৫২.৯০ কোটি টাকা। আগের বছরের এই একই সময়ে এর পরিমাণ ছিল ৭,৭৭,০৪৭.৬৩ কোটি টাকা। অ-কর্পোরেট কর আদায়, যার মধ্যে ব্যক্তি, হিন্দু অবিভক্ত পরিবার (HUF), সংস্থা ও অন্যান্য প্রতিষ্ঠানের প্রদত্ত কর অন্তর্ভুক্ত, বেড়ে হয়েছে ১০,০৩,৩৮৫.৫২ কোটি টাকা। এক বছর আগে এর পরিমাণ ছিল ৯,৪৭,৪৭৭.৩০ কোটি টাকা। সিকিউরিটিজ লেনদেন কর আদায় প্রায় স্থিতিশীল রয়েছে ৫০,২৭৯.১৭ কোটি টাকায়। গত অর্থবর্ষে ছিল ৪৯,২০১.৪০ কোটি টাকা (India)।

    নির্মলা সীতারামনের আশ্বাস

    লোকসভায় ২০২৬-২৭ সালের কেন্দ্রীয় বাজেট নিয়ে আলোচনার জবাবে কেন্দ্রীয় অর্থমন্ত্রী নির্মলা সীতারামন আশ্বাস দেন, করের ৪১ শতাংশ অংশ রাজ্যগুলির কাছে হস্তান্তর করা হয়। তিনি বলেন, “আমরা বিভাজ্য করের তহবিলের ৪১ শতাংশ রাজ্যগুলির কাছে হস্তান্তর করেছি। কোনও রাজ্যের অংশ কমানো হয়নি (Direct Tax Collections)।” তিনি আরও বলেন, “আগামী বছরে রাজ্যগুলির অংশ আনুমানিক ২৫.৪৪ লাখ কোটি টাকা নির্ধারণ করা হয়েছে, যা তাদের দেওয়া হবে। এটি গত বছরের তুলনায় ২.৭ লক্ষ কোটি টাকা বেশি।” তিনি ১৬তম অর্থ কমিশনের কথা উল্লেখ করে জানান, কমিশনটি ২০১৮ থেকে ২০২৩ সাল পর্যন্ত তহবিল বণ্টন বিশ্লেষণ করে সিদ্ধান্তে পৌঁছেছে যে প্রতিটি বছরে কেন্দ্র থেকে রাজ্যগুলিতে অর্থ হস্তান্তর হয়েছে কমিশনের সুপারিশ অনুযায়ীই (India)।

     

  • BJP: “বিষাক্ত মিথ্যা ছড়াচ্ছেন আর বিদেশ যাত্রা করছেন”, রাহুল গান্ধীকে ধুয়ে দিল বিজেপি

    BJP: “বিষাক্ত মিথ্যা ছড়াচ্ছেন আর বিদেশ যাত্রা করছেন”, রাহুল গান্ধীকে ধুয়ে দিল বিজেপি

    মাধ্যম নিউজ ডেস্ক: লোকসভায় কেন্দ্রীয় বাজেট নিয়ে বিতর্ক চলাকালীন বিরোধী দলের নেতা কংগ্রেসের রাহুল গান্ধীকে একেবারে ধুয়ে দিলেন বিজেপির (BJP) মুখপাত্র সুধাংশু ত্রিবেদী। বুধবার তিনি অভিযোগ করেন, রাহুল (Rahul Gandhi) যাচাই না করেই অভিযোগ করেছেন এবং সংসদে অশোভন আচরণ করেছেন।

    রাহুলের বিষাক্ত মিথ্যা কথা (BJP)

    সাংবাদিক সম্মেলনে ত্রিবেদী অভিযোগ  করেন, রাহুল বিষাক্ত মিথ্যা কথা ছড়িয়ে বিদেশে চলে যাওয়ায় বিশ্বাস করেন এবং সংসদীয় কার্যক্রমে তাঁর আচরণ নিয়েও সমালোচনা করেন। ত্রিবেদী বলেন, “বিরোধী দলের নেতা রাহুল গান্ধী যেন বিষাক্ত মিথ্যা কথা ছড়িয়ে বিদেশে চলে যাওয়ায় বিশ্বাস করেন। সংসদীয় কার্যক্রমে তাঁর আচরণ ঠিকঠাক ছিল না। লোকসভায় কংগ্রেসের আচরণ কলতলার ধারে দেখা আচরণের চেয়ে ভালো নয়। এ ধরনের আচরণ সংসদের পক্ষে অশোভন।” রাষ্ট্রপতির ভাষণের ওপর ধন্যবাদ জ্ঞাপনের সময়কার সাম্প্রতিক বিতর্কের কথাও উল্লেখ করেন ত্রিবেদী, যখন কংগ্রেসের মহিলা সাংসদরা লোকসভায় প্রধানমন্ত্রীর আসনের কাছে প্রতিবাদ জানান। পরে স্পিকার ওম বিড়লা প্রধানমন্ত্রী নরেন্দ্র মোদিকে সম্ভাব্য অপ্রীতিকর ঘটনা এড়াতে লোকসভায় না আসার অনুরোধ জানান, কারণ তিনি আগেই জেনেছিলেন, কংগ্রেস সাংসদরা প্রধানমন্ত্রীর আসনের কাছে গিয়ে “অভূতপূর্ব ঘটনা” ঘটাতে পারেন।

    মহিলাদের ঢাল হিসেবে ব্যবহার

    ত্রিবেদী বলেন, “আমরা দেখেছি কীভাবে মহিলাদের ঢাল হিসেবে ব্যবহার করা হয়েছিল, যখন কিছু সদস্য ব্যানার হাতে ট্রেজারি বেঞ্চের দিকে এগোচ্ছিলেন। এটি শাহিনবাগের স্মৃতি মনে করিয়ে দিয়েছিল।” অপর কেন্দ্রীয় মন্ত্রী প্রহ্লাদ জোশীও (BJP) বাজেট বিতর্কে কংগ্রেস নেতার মন্তব্যের সমালোচনা করেন। তিনি বলেন, “কোনও অভিযোগ করা হলে তা সংশ্লিষ্ট নথি দিয়ে প্রমাণ করতে হবে। তাঁর নিয়ম বা প্রমাণীকরণের অর্থ সম্পর্কে কোনও ধারণাই নেই। তাই তিনি যা খুশি বলে যান (Rahul Gandhi)।” তাঁর অভিযোগ, রাহুল তাঁর বক্তব্যে কেন্দ্রীয় বাজেটের ওপর মনোযোগ দেননি, বরং অসংশ্লিষ্ট রাজনৈতিক বিষয় উত্থাপন করেছেন। মন্ত্রী বলেন, “তাঁদের (কংগ্রেস) ইতিহাস সম্পর্কে কোনও জ্ঞান নেই। তিনি বাজেট নিয়ে কথা বলেননি।”

    বিরোধী দলের নেতার পদমর্যাদা

    অধিবেশনের সময় সভাপতির আসন নিয়ে করা মন্তব্যের বিরোধিতা করে জোশী বলেন, “যখন কোনও সদস্য সভাপতির আসনে থাকেন, তখন তিনি নিরপেক্ষভাবে দায়িত্ব পালন করেন, কোনও দলের সঙ্গে যুক্ত থাকেন না। সভাপতির আসনে বসলে তিনি কোনও দলের নন। তাঁকে তাঁর আগের দলীয় পরিচয় উল্লেখ করে অপমান করা বিরোধী দলের নেতার পদমর্যাদাকে খাটো করে। রাজনৈতিক লাভের জন্য তিনি বাজেট ছাড়া সব বিষয়ে কথা বলেছেন (Rahul Gandhi)।” প্রসঙ্গত, মঙ্গলবার কংগ্রেসের পক্ষ থেকে লোকসভার স্পিকার ওম বিড়লার বিরুদ্ধে অনাস্থা প্রস্তাব জমা দেওয়ার পর এই মন্তব্যগুলি করা হয়। লোকসভা সচিবালয় সূত্রে খবর (BJP), স্পিকার অপসারণের প্রস্তাব নিয়ে আলোচনা বাজেট অধিবেশনের দ্বিতীয় পর্বের প্রথম দিন, ৯ মার্চ অনুষ্ঠিত হওয়ার সম্ভাবনা রয়েছে। বিরোধী সাংসদদের জমা দেওয়া অনাস্থা প্রস্তাবের নোটিশে কিছু ত্রুটি পাওয়া গিয়েছে বলে সূত্রের খবর। নোটিশে ফেব্রুয়ারি ২০২৫-এর ঘটনার উল্লেখ চারবার করা হয়েছিল, যা নিয়ম অনুযায়ী বাতিলের কারণ হতে পারত। তবে স্পিকার লোকসভার সচিবালয়কে নোটিশের ত্রুটি সংশোধন করে পরবর্তী পদক্ষেপ নিতে নির্দেশ দেন।

    অনাস্থা প্রস্তাবের নোটিশ

    অনাস্থা প্রস্তাবের নোটিশ আসে এমন এক প্রেক্ষাপটে, যখন বিরোধী দল অভিযোগ করে যে রাষ্ট্রপতির ভাষণের ওপর ধন্যবাদ প্রস্তাবের আলোচনায় রাহুলকে কথা বলতে দেওয়া হয়নি। রাহুল ২০২০ সালের চিন-ভারত সংঘাত প্রসঙ্গে জেনারেল এম এম নারাভানের অপ্রকাশিত স্মৃতিকথা ‘ফোর স্টার্স অফ ডেস্টিনি’র উল্লেখ করেন। স্পিকার তাঁকে অপ্রকাশিত সাহিত্য উদ্ধৃত না করার নির্দেশ দেন (Rahul Gandhi)। এদিন লোকসভায় বক্তব্য রাখতে গিয়ে রাহুল সরকারের বিরুদ্ধে জাতীয় স্বার্থ বিসর্জন দেওয়ার অভিযোগ করেন। প্রশ্ন করেন, তারা কি ভারত বিক্রি করতে লজ্জা পান না? তাঁর অভিযোগ, “ভারতমাতাকে কার্যত বিক্রি করে দেওয়া হয়েছে (BJP)।”

    রাহুলের অভিযোগ

    তিনি বলেন, “আপনারাই স্বীকার করছেন যে আমরা এক বৈশ্বিক ঝড়ের মুখোমুখি, একক পরাশক্তির যুগ শেষ, ভূ-রাজনৈতিক সংঘাত বাড়ছে, এবং জ্বালানি ও অর্থব্যবস্থাকে অস্ত্র হিসেবে ব্যবহার করা হচ্ছে। তবুও আপনি মার্কিন যুক্তরাষ্ট্রকে জ্বালানি ও আর্থিক ব্যবস্থাকে এমনভাবে ব্যবহার করতে দিয়েছেন, যা আমাদের প্রভাবিত করছে। যখন আমেরিকা বলে আমরা কোনও নির্দিষ্ট দেশ থেকে তেল কিনতে পারব না, তখন এর মানে আমাদের জ্বালানি নিরাপত্তা বাইরের দ্বারা নিয়ন্ত্রিত হচ্ছে। আপনি কি এতে লজ্জিত নন? আমি বলছি, আপনি ভারতের স্বার্থের সঙ্গে আপস করেছেন। আপনি কি লজ্জা পান না? যেন আপনি ভারতমাতাকে বিক্রি করে দিয়েছেন (Rahul Gandhi)।”

    প্রধানমন্ত্রী মোদিকে নিশানা করে রাহুল জানান, স্বাভাবিক পরিস্থিতিতে তিনি বিশ্বাস করেন না যে প্রধানমন্ত্রী ভারত বিক্রি করবেন, তবে তাঁর ওপর যে বাহ্যিক চাপ রয়েছে তাও মনে করিয়ে দেন রাহুল। তিনি প্রধানমন্ত্রীর চোখে ভয়ের ছাপ দেখতে পাচ্ছেন এবং “এপস্টাইন ফাইলস” তালাবদ্ধ থাকার প্রসঙ্গ তুলে ধরে (Rahul Gandhi) ইঙ্গিত করেন, কিছু অপ্রকাশিত চাপ কাজ করছে (BJP)।

     

  • VB-G-RAM-G Bill: মনরেগার নাম পরিবর্তন! লোকসভায় পাশ নতুন ‘ভিবিজিরামজি’ বিল, জানেন নতুন কী রয়েছে এতে?

    VB-G-RAM-G Bill: মনরেগার নাম পরিবর্তন! লোকসভায় পাশ নতুন ‘ভিবিজিরামজি’ বিল, জানেন নতুন কী রয়েছে এতে?

    মাধ্যম নিউজ ডেস্ক: ভারতে জননীতি ও কল্যাণমূলক প্রকল্প মানেই সংক্ষিপ্ত নাম বা অ্যাক্রোনিম। পোষাণ (POSHAN), পিএম-আশা (PM-AASHA)-র মতো প্রকল্পগুলির নামেই সরকারের লক্ষ্য ও দৃষ্টিভঙ্গি স্পষ্ট হয়ে ওঠে। এই ধারাবাহিকতাতেই সংসদ সম্প্রতি একটি গুরুত্বপূর্ণ সংস্কারমূলক সিদ্ধান্ত নিয়েছে। মহাত্মা গান্ধী জাতীয় গ্রামীণ কর্মসংস্থান নিশ্চয়তা আইন (MGNREGA) বাতিল করে পাশ হয়েছে বিকশিত ভারত গ্যারান্টি ফর রোজগার এবং আজীবিকা মিশন গ্রামীণ (VB-G-RAM-G) আইন। এই সিদ্ধান্তকে অনেকেই প্রতীকের রাজনীতির চোখে দেখলেও, বাস্তবে এটি গ্রামীণ কর্মসংস্থান নীতিতে একটি গুণগত ও কাঠামোগত পরিবর্তনের ইঙ্গিত বহন করে। নতুন আইন কেবল নাম বদল নয়, বরং কাজের সুযোগ, উৎপাদনশীলতা এবং জবাবদিহির প্রশ্নে এক নতুন দৃষ্টিভঙ্গি প্রকাশ করে।

    নতুন আইনের গুরুত্বপূর্ণ দিক

    নতুন আইনের সবচেয়ে গুরুত্বপূর্ণ দিক হল— কাজের নিশ্চয়তা ১০০ দিন থেকে বাড়িয়ে ১২৫ দিন করা। এটি সরাসরি গ্রামীণ পরিবারের আয় বৃদ্ধির সুযোগ তৈরি করে। দ্বিতীয়ত, কেন্দ্রের একক ১০০ শতাংশ অর্থায়নের বদলে রাজ্যগুলিকেও অর্থনৈতিক দায়িত্বে যুক্ত করা হয়েছে (বেশিরভাগ ক্ষেত্রে ৪০ শতাংশ)। এর ফলে প্রকল্প বাস্তবায়নে রাজ্য সরকারের দায়বদ্ধতা ও নজরদারি দু’টিই বাড়বে। তৃতীয় গুরুত্বপূর্ণ পরিবর্তন হল— বপন ও ফসল কাটার সময়ে ৬০ দিনের কাজ-বিরতি। প্রথম দর্শনে এটি সীমাবদ্ধতা মনে হলেও, বাস্তবে এর লক্ষ্য গ্রামীণ শ্রমকে কৃষি চক্রের সঙ্গে সামঞ্জস্যপূর্ণ করা। এতে শ্রমিকরা কৃষিকাজে বেশি মজুরি আদায়ের সুযোগ পাবে এবং সরকারি প্রকল্পের কাজও কৃষির পরিপূরক হিসেবে পরিকল্পিত হবে। চতুর্থত, ‘ভিবিজিরামজি’( VB-G-RAM-G) চারটি নির্দিষ্ট ক্ষেত্রে কাজকে কেন্দ্রীভূত করেছে— জল, নিরাপত্তা, পরিকাঠামো ও জলবায়ু সহনশীলতা। মনরেগা-র অধীনে কাজের পরিধি বিস্তৃত হলেও অনেক ক্ষেত্রে তা উৎপাদনশীলতা ও দীর্ঘমেয়াদি সম্পদ সৃষ্টিতে ব্যর্থ হয়েছিল। নতুন কাঠামোতে থিমভিত্তিক কাজের ফলে গ্রামীণ এলাকায় টেকসই সম্পদ, জল সংরক্ষণ ও অবকাঠামো উন্নয়নের বাস্তব সম্ভাবনা তৈরি হবে।

    দুর্নীতি কমার সম্ভাবনা

    তৃণমূলভিত্তিক বিচ্ছিন্ন কাঠামোর বদলে এই প্রকল্পকে প্রধানমন্ত্রী গতিশক্তি-র সঙ্গে সংযুক্ত করা। এর ফলে কাজের পরিকল্পনা, বাস্তবায়ন ও নজরদারি হবে কেন্দ্রীয় ডেটা ও প্রযুক্তিনির্ভর। এতে একদিকে যেমন দুর্নীতি কমার সম্ভাবনা বাড়ে, তেমনই প্রকল্পের আউটপুট ও ফলাফল পরিমাপযোগ্য হয়। এখানে স্মরণ করা প্রয়োজন, মনরেগা নিঃসন্দেহে একটি ঐতিহাসিক প্রকল্প ছিল। এটি ৭৪১টি জেলা, ২.৬৯ লক্ষ পঞ্চায়েত এবং ১২.১ কোটি শ্রমিককে অন্তর্ভুক্ত করেছিল। কিন্তু সময়ের সঙ্গে সঙ্গে এর সীমাবদ্ধতাও স্পষ্ট হয়েছে। সংসদের স্থায়ী কমিটি বারবার জানিয়েছে, শ্রমিকদের গড় মজুরি অনেক ক্ষেত্রে ন্যূনতম মজুরির নিচে ছিল। আরও উদ্বেগজনক বিষয় হল— বিপুল বকেয়া মজুরি। ২০২৫ সালের অগস্টে দেখা যায়, ১২,২১৯.১৮ কোটি টাকা অবৈতনিক মজুরি পড়ে রয়েছে, যা ওই বছরের বরাদ্দের প্রায় ১৪ শতাংশ।

    বিশ্বের সবচেয়ে বড় গ্রামীণ কর্মসংস্থান প্রকল্প

    গত পাঁচ বছরে প্রকৃত কাজের দিন গড়ে ৪৮–৫২ দিনের মধ্যেই সীমাবদ্ধ থেকেছে। ২০২৪-২৫ সালে কাজ পাওয়া ৫.৭৮ কোটি পরিবারের মধ্যে মাত্র ৪০ লক্ষ পরিবার ১০০ দিনের কাজ সম্পূর্ণ করতে পেরেছে। অর্থাৎ, আইনে অধিকার থাকলেও বাস্তবে সেই সুযোগ পূর্ণমাত্রায় পৌঁছয়নি। বাস্তব অভিজ্ঞতার ভিত্তিতেই সরকার নতুন আইনে কাজের সুযোগের পাশাপাশি জবাবদিহি ও দক্ষতার ওপর জোর দিয়েছে। রাজ্যগুলির আর্থিক অংশগ্রহণ, থিমভিত্তিক কাজ, প্রযুক্তিনির্ভর নজরদারি এবং কেন্দ্রীয় সমন্বয়— এই সবকিছু মিলিয়ে নতুন প্রকল্প অধিক ফলপ্রসূ ও স্বচ্ছ কাঠামো গড়ে তুলতে পারে। বর্তমানে ভারত চালাচ্ছে বিশ্বের সবচেয়ে বড় গ্রামীণ কর্মসংস্থান প্রকল্প, ৮১ কোটি মানুষকে নিয়ে বিনামূল্যের খাদ্য প্রকল্প (ব্যয় ২.১২ লক্ষ কোটি টাকা), স্বাস্থ্য বিমা, কৃষক আয় সহায়তা ও গ্রামীণ আবাসন প্রকল্প। মোট ব্যয় প্রায় ৬ লক্ষ কোটি টাকা। এত বিপুল ব্যয়ের ক্ষেত্রে ফলাফল ও জবাবদিহি নিশ্চিত করা রাষ্ট্রের দায়িত্ব।

     

     

LinkedIn
Share